Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • India Afghanistan Relation: মহিলা সাংবাদিকদের নিয়েই সম্মেলন তালিবান মন্ত্রীর! দিল্লিই পারে, দেখাল ভারত সরকার

    India Afghanistan Relation: মহিলা সাংবাদিকদের নিয়েই সম্মেলন তালিবান মন্ত্রীর! দিল্লিই পারে, দেখাল ভারত সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যে কাজ আমেরিকার মতন রাষ্ট্রশক্তি পারেনি, রাশিয়া পারেনি, ন্যাটো পারেনি— সে কাজ করে দেখাল ভারত সরকার (India Afghanistan Relation)। আদ্যান্ত মহিলা বিরোধী, তালিবান সরকার বাধ্য হল মহিলা সাংবাদিকদের সামনে সাংবাদিক সম্মেলন করতে। যারা মনে করে মেয়েদের জন্মই হয়েছে বংশবিস্তার করার জন্য, যারা মনে করে মেয়েদের চোখ টুকু বাদ দিয়ে পুরো শরীরটাই পর্দা করা দরকার সেই তালিবানরা যখন ভারতে এসে প্রথম সাংবাদিক সম্মেলনটি করে সেখানে মহিলা সাংবাদিক ছিল না। তা নিয়ে বিতর্কের ঝড় উঠে। যদিও ভারত সরকার বিবৃতি দেয় যে, আফগান দূতাবাসের ভেতর যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে তাতে ভারতের কোনও হাত থাকে না। তা সত্ত্বেও একদল বামপন্থী এবং তৃণমূলের লোকজন ভয়ংকর প্রচার চালাচ্ছিল ভারত সরকারের বিরুদ্ধে।

    ভারতের কূটনৈতিক সাফল্য

    ভারত সরকারের (India Afghanistan Relation) অপমান হচ্ছে বুঝতে পেরে এক অভাবনীয় পদক্ষেপ করে তালিবান সরকার। পরের দিন আরও একটি সাংবাদিক সম্মেলন ডাকে তারা এবং অবাক করা বিষয় এইবার সেই সাংবাদিক সম্মেলনে মহিলারা ছিলেন একেবারে সামনের সারিতে। যার পুরোটাই সম্ভব হয়েছে মোদি সরকারের কূটনীতির ফলেই। তাহলে কি তালিবান-রা শুধরে গেল? ভারত বন্ধু হয়ে গেল? হয়ত নয়। বা সেটা বলার সময় এখনও আসেনি। তবে আগের ভারত বিরোধী অবস্থান থেকে যে সরে এসেছে তালিবানরা সেটা স্পষ্ট। চাণক্য বলতেন যখন চারদিকে শত্রু রয়েছে৷ তখন সবার সঙ্গে যুদ্ধ করা সমীচীন নয়৷ শত্রু বন্ধু না হলে, শত্রুতা নিষ্ক্রিয় করো যতটা সম্ভব৷ মোদির ভারত ঠিক এই পদ্ধতিই অবলম্বন করেছে তালিবানের জন্য। পাক সন্ত্রাসবাদী শক্তিকে যতটা দূর্বল করা যায় ততটাই ভারতের জন্য মঙ্গল।

    পাক বিরোধিতায় তালিবান

    পাকিস্তান তাদের জন্ম লগ্ন থেকেই ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে রেখেছে। সম্মুখ সমরে বার বার হারার পর, ভারতে সন্ত্রাসবাদী পাঠিয়ে আক্রমণ করে গিয়েছে৷ নতুন ভারত পাকিস্তানের ঘরে ঢুকে সন্ত্রাসবাদী ঘাঁটি গুড়িয়ে দেওয়ার ক্ষমতা দেখিয়েছে৷ কিন্তু শুধু ঘাঁটি গুড়িয়ে দিয়েই থেমে নেই মোদি সরকার। কংগ্রেসের আমলে পাক-মদতপুষ্ট সন্ত্রাসী হানা, প্লেন হাইজ্যাকের মতো একাধিক বিষয়ে পাকিস্তানের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ভারত বিরোধী সন্ত্রাসে অংশ নিত তালিবান৷ সেখান থেকে ১৮০ ডিগ্রি উল্টো অবস্থানে পহেলগাঁও হামলার সময় ভারতের পাশে দাঁড়িয়ে পাকিস্তানের বিরোধিতা করে তালিবান৷

    আফগান নীতি বদল করে মোদি সরকার

    ভারতের আফগানিস্তান (India Afghanistan Relation) বিজয়ের চেষ্টা বেশ কয়েক বছর আগের৷ ২০১৪ সালে ক্ষমতায় এসে আফগান নীতি বদল করে মোদি সরকার৷ আফগানিস্তানে পরিকাঠামো উন্নয়ন, সড়ক, হাসপাতাল, সহ একাধিক ক্ষেত্রে প্রচুর বিনিয়োগ করা শুরু করে ভারত। ভারতের সাহায্যে একাধিক ব্রিজ নির্মাণ হয় আফগানিস্তানে৷ এমনকি ক্রিকেটের মতো খেলার পরিকাঠামো উন্নয়নের ক্ষেত্রেও ভারত আফগানিস্তানে বিনিয়োগ করে। তালিবানরা আফনাগিস্তানে ক্ষমতায় আসার আগে থেকেই আফগানদের ভারত নির্ভরশীলতা তৈরি করতে সক্ষম হয়েছিল মোদি সরকার৷

    ভারত-পাক-আফগানিস্তান ত্রিদেশীয় সম্পর্কে নয়া মোড়

    ২০২১ সালে আফগানিস্তানের ক্ষমতা দখল করে তালিবান৷ সে সময়ও খবুই সাবধানী তালিবান নীতি নিয়েছিল ভারত৷ সে সময় তালিবান শাসকদের সরাসরি সরকার না বলে, ‘আফগানিস্তানে যারা শাসন ক্ষমতা নিয়েছে’ বলে উল্লেখ করে৷ এমনকি ২০২১-২২ সালে আফগানিস্তান দূতাবাসে শুধুমাত্র টেকনিক্যাল কিছু সদস্য রেখে বাকিদের সুরক্ষার কারণে ফিরিয়ে এনেছিল ভারত৷ শাসন ক্ষমতা দখল করেও ভারত বিরোধিতার রাস্তায় হাঁটেনি তালিবানরা৷ উল্টে বারবার বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ভারতের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছে আফগানিস্তানের তালিবান শাসকরা৷ যে তালিবানরা ভারত-পাক সীমান্ত সমস্যায় পাকিস্তানকে শক্তি যুগিয়ে আসত তারাই এখন ভারতের পাশে। তালিবান-পাকিস্তান সীমান্ত সমস্যা তো রয়েছেই কিন্তু মোদি সরকারের ভবিষ্যতমুখী আফগান নীতিই ভারত-পাক-আফগানিস্তান ত্রিদেশীয় সম্পর্ককে নতুন সুতোয় বুনছে৷

    কেন প্রথমে কিছু বলেনি ভারত

    ভারতে আফগান (India Afghanistan Relation) দূতাবাসে বসে তালিবান বিদেশমন্ত্রী একটি সাংবাদিক সম্মেলন করেছে। যেখানে মহিলা সংবাদিকদের জায়গা না দেওয়া নিয়ে বিতর্ক তৈরি করে ঘোলা জলে মাছ ধরতে চাইছে বিরোধীরা৷ বাম-কংগ্রেস-নকশালপন্থী সাংবাদিক-ব্লগার-বুদ্ধিজীবীরা এই ইস্যুতে মোদি সরকারকে আক্রমণ করতে মাঠে নেমে পড়েন। বিরোধীদের অদ্ভুত যুক্তি হল, আফগান বিদেশমন্ত্রীর সাংবাদিক সম্মেলনে মহিলা সাংবাদিকদের ঢুকতে দেওয়া হয়নি। কেন্দ্রীয় সরকার এটা কী করে মেনে নিতে পারে! কিন্ত প্রশ্ন হল কোথায় হল এই সাংবাদিক সম্মেলন? সাউথ ব্লকে? খুব সাধারণ উত্তর, না। এই সাংবাদিক সম্মেলন হয়েছে আফগান দূতাবাসে। তালিবান নেতা ওমর আল মুত্তাকির এই সাংবাদিক সম্মেলন করেন।

    ভিয়েনা কনভেনশন-এর যুক্তি

    ভিয়েনা কনভেনশন অন ডিপ্লোম্যাটিক রিলেশনস, ১৯৬১-এর ধারা ২২ এর ১, ২২ এর ২ এবং ২২ এর ৩ অনুযায়ী কোন দেশে বিদেশি রাষ্ট্রের দূতবাস বিশেষ কিছু ক্ষমতা ভোগ করে। ধারা ২২ এর ১ এ বলা হয়েছে দূতাবাসের জায়গায় অন্যরা যখন তখন ঢুকে পড়বে না৷ অর্থাৎ ভারতের কোনও সরকারি আধিকারিককে কোনও দূতাবাসে ঢুকতে হলে সেই দেশের অনুমতি নিতে হবে৷ আতিথ্যদানকারী দেশ (host country) দূতাবাসের প্রাঙ্গণে অনুমতি ছাড়া প্রবেশ করতে পারে না বা সেখানে তাদের নিজস্ব আইন প্রয়োগ করতে পারে না। সংবাদ সম্মেলনের জন্য কাকে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে, তা সম্পূর্ণভাবে দূতাবাসের নিজস্ব সিদ্ধান্ত বা অধিকার।

    মিথ্যে ন্যারেটিভ দিয়ে মোদি সরকারকে আক্রমণ

    মজার বিষয় হচ্ছে যারা সব ইস্যুতে মিথ্যে ন্যারেটিভ দিয়ে মোদি সরকারকে আক্রমণ করতে রাস্তায় নামে তাদেরও অনেকে এই ভিয়েনা কনভেনশনটি জানেই না৷ অনেকে আবার জেনে বুঝে মোদি-বিরোধী মিথ্যে প্রচারটি করছিলেন৷ ২০২২ সালে আফগানিস্তানে মেয়েদের উপর যখন একের পর এক শাসন চাপিয়ে দিচ্ছে তালিবানরা তখন ভারত সেই নীতির বিরোধিতা করে স্পষ্ট বলেছিল, ‘আফগানিস্তানে তালিবানের নারী নীতি উদ্বেগজনক। নারী সুরক্ষা ও স্বাধীনতাকে গুরুত্ব দিয়ে আফগানিস্তানকে এগিয়ে নিয়ে যাক তালিবান। স্পষ্টতই ভারতের আফগান নীতি ভারতের শর্তে। অন্য কারও চাপিয়ে দেওয়া নীতির কারণে বা পিছু হঠে নয়।

    নতুন ধারণা তৈরি করতে মরিয়া তালিবান

    তালিবান মানেই ‘নারীবিদ্বেষী’, এই ধারণা ভাঙতে মরিয়া মন্ত্রী মুত্তাকিও। রবির সাংবাদিক বৈঠক থেকে তালিবান মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মিলিয়ে পড়ুয়ার সংখ্যা ১ কোটি। যার মধ্য়ে মেয়ের সংখ্যা প্রায় ৩০ লক্ষ। মাদ্রাসাতেও শিক্ষায় কোনও সীমা নেই। একেবারে স্নাতক স্তর পর্যন্ত কেউ নিজের পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারবেন। অবশ্য, কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে। কিন্তু আমরা কখনওই মেয়েদের শিক্ষাদানকে হারাম বলে মনে করি না।’ আগের দিনের সমস্যা প্রসঙ্গে তাঁর যুক্তি ‘ওই সাংবাদিক বৈঠকটি সংক্ষিপ্ত নোটিসে আয়োজন করা হয়েছিল। তবে এই নয় যে তাতে কোনও মহিলা সাংবাদিকদের ডাকা হয়নি। সেখানেও মহিলা সাংবাদিকদের ডাকা হয়েছিল। কিন্তু একটি যান্ত্রিক গোলযোগের কারণে ওই সমস্যা তৈরি হয়। এর নেপথ্যে অন্য কোনও উদ্দেশ্য ছিল না।’ তবে কারণ যাই হোক শেষ সাংবাদিক বৈঠকে মহিলা সাংবাদিকদের দূতাবাসে প্রবেশ করতে দিয়ে তালিবান বুঝিয়েছে ভারতের মাটিতে দাঁড়িয়ে শেষ কথা বলে মোদির ভারতই।

  • Bihar Assembly Election: নির্বাচনের আগে ধাক্কা, দুর্নীতি মামলায় লালু-রাবড়ি-তেজস্বীদের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন

    Bihar Assembly Election: নির্বাচনের আগে ধাক্কা, দুর্নীতি মামলায় লালু-রাবড়ি-তেজস্বীদের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সামনেই বিহার বিধানসভা নির্বাচন (Bihar Assembly Election)। তার আগে বড় রাজনৈতিক ধাক্কা খেল রাজ্যের আরজেডি (RJD) নেতৃত্ব। দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালত ‘ল্যান্ড ফর জবস’ ও ‘আইআরসিটিসি দুর্নীতি’ মামলায় রাষ্ট্রীয় জনতা দলের সুপ্রিমো ও প্রাক্তন রেলমন্ত্রী লালু প্রসাদ যাদব, তাঁর স্ত্রী তথা বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী রাবড়ি দেবী, এবং বিরোধী দলনেতা তেজস্বী যাদব-সহ একাধিক অভিযুক্তের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করেছে। আদালতের এই সিদ্ধান্তের ফলে বিহার নির্বাচনের আগে লালু পরিবারের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও দুর্বল হল বলেই মনে করছে ওয়াকিবহল মহল।

    ‘ল্যান্ড ফর জবস’ মামলায় চার্জ গঠন

    সিবিআই-এর অভিযোগ অনুযায়ী, ২০০৪ থেকে ২০০৯ সালের মধ্যে রেলমন্ত্রী থাকার সময় লালু প্রসাদ যাদব গ্রুপ-ডি পদের চাকরির বিনিময়ে প্রার্থীদের কাছ থেকে তাঁদের জমি বা সম্পত্তি খুব কম দামে নিজের পরিবারের নামে নেন। এই মামলায় ২০২২ সালের মে মাসে সিবিআই চার্জশিট দাখিল করে, যেখানে লালু যাদব, রাবড়ি দেবী, তেজস্বী যাদব, মিসা ভারতীসহ মোট ১৬ জনকে অভিযুক্ত করা হয়। তদন্তে দাবি করা হয়েছে, পাটনা ও তার আশপাশের বেশ কিছু জমি লালু পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের নামে হস্তান্তর করা হয়েছিল। আদালত অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৪২০ ধারা (প্রতারণা), ১২০বি (ষড়যন্ত্র) এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন ১৩(২) ও ১৩(১)(ডি) ধারায় চার্জ গঠন করেছে। শেষ দু’টি ধারা শুধুমাত্র লালু যাদবের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। এদিন আদালতে লালু, রাবড়ি ও তেজস্বী- তিনজনেই জানিয়েছেন তাঁরা বিচারের মুখোমুখি হতে প্রস্তুত। রাবড়ি দেবী বলেন, “এই মামলা সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও মিথ্যা।”

    আইআরসিটিসি দুর্নীতি মামলা

    এই মামলাটি ২০০৪ থেকে ২০০৯ সালের মধ্যে লালু প্রসাদ যাদবের রেলমন্ত্রী থাকাকালীন আইআরসিটিসি হোটেল রক্ষণাবেক্ষণের চুক্তি প্রদান সংক্রান্ত দুর্নীতির অভিযোগে দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, দু’টি হোটেলের রক্ষণাবেক্ষণের চুক্তি বিজয় ও বিনয় কোচারের মালিকানাধীন সুজাতা হোটেলস প্রাইভেট লিমিটেড-কে বেআইনিভাবে দেওয়া হয়েছিল। মামলায় মোট ১৪ জন অভিযুক্ত রয়েছেন। আদালত ২৯ মে মামলার শুনানি শেষ করেছিল, সেই থেকে রায় সংরক্ষণ করে, এবং পরে ২৪ সেপ্টেম্বর বিচারক অভিযুক্তদের হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেন। সিবিআই ২০১৭ সালে লালু যাদব এবং তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করে। সিবিআই দিল্লির আদালতকে বলেছিল যে সমস্ত অভিযুক্তের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের জন্য পর্যাপ্ত তথ্য রয়েছে। রবিবার (১২ অক্টোবর) দিল্লিতে পৌঁছে সোমবার আদালতে হাজিরা দিতে যান লালু প্রসাদ যাদব। অসুস্থতার কারণে তিনি হুইলচেয়ারে করে আদালতে আসেন। তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন স্ত্রী রাবড়ি দেবী, ছেলে তেজস্বী যাদব ও ঘনিষ্ঠ সহযোগী প্রেমচাঁদ গুপ্ত। আদালতের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, এই মামলায় একটি বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের ইঙ্গিত রয়েছে। পাশাপাশি আদালত জানিয়েছে, এই মামলায় লালু পরিবারের প্রত্যক্ষ আর্থিক সুবিধা পেয়েছে, যদিও ঘুষের সরাসরি প্রমাণ আপাতত পাওয়া যায়নি। বিহার নির্বাচনের ঠিক আগে আদালতের এই সিদ্ধান্তকে তাৎপর্যপূর্ণ মনে করা হচ্ছে। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, লালু পরিবারের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন আরজেডি-র ভাবমূর্তিতে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।

  • Deepotsav in Ayodhya: ২৮ লক্ষ প্রদীপে আলোকিত হবে সরযূর ৫৬ ঘাট, আযোধ্যায় দীপোৎসবের প্রস্তুতি তুঙ্গে

    Deepotsav in Ayodhya: ২৮ লক্ষ প্রদীপে আলোকিত হবে সরযূর ৫৬ ঘাট, আযোধ্যায় দীপোৎসবের প্রস্তুতি তুঙ্গে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীপোৎসবের (Deepotsav in Ayodhya) আলোয় আলোকিত হতে প্রস্তুত অযোধ্যা। আগামী ১৭ থেকে ২০ অক্টোবর মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের তত্ত্বাবধানে আয়োজিত হচ্ছে বিশ্ববিখ্যাত ‘দীপোৎসব ২০২৫’ উৎসব। প্রভু রামের দর্শনে অযোধ্যায় এই সময়ে বিপুল ভক্ত সমাগম হবে। প্রশাসন এই উৎসব নির্বিঘ্নে ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার জন্য ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে। উত্তর প্রদেশ সরকার ঘোষণা করেছে যে আসন্ন দীপোৎসবে আযোধ্যার সরযূ নদীর ৫৬টি ঘাট আলোকিত হবে ২৮ লক্ষ মাটির প্রদীপে। যা তৈরি করবে এক নয়া বিশ্ব রেকর্ড। এ বছর দীপোৎসব অনুষ্ঠিত হবে ১৯ অক্টোবর।

    দীপোৎসবের প্রধান আকর্ষণ

    দীপোৎসব (Deepotsav in Ayodhya) কেবল একটি উৎসব নয়। এটি রামরাজ্যের আদর্শের প্রতীক। সরযূর তীরে লক্ষ লক্ষ প্রদীপ যখন একসঙ্গে জ্বলবে, সেই দৃশ্য বিশ্বজুড়ে ভক্তি ও ঐক্যের বার্তা পৌঁছে দেবে। এর আগে ২৬ লক্ষ দীপ জ্বালানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হলেও, প্রস্তুতির মাত্রা আরও বাড়ানো হয়েছে। গত বছর দীপোৎসবে ২৫ লক্ষেরও বেশি দীপ জ্বালানো হয়েছিল। সরকারি এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, এবছর প্রস্তুতি আরও ব্যাপকভাবে নেওয়া হয়েছে এবং দীপোৎসবকে এক ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক মহোৎসবে পরিণত করতে সবাই একসঙ্গে কাজ করছে। প্রথমবারের মতো ল‍ক্ষ্মণ কিলা ঘাটকেও উৎসবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এই ঘাটে প্রজ্বলিত হবে ১.২৫ লক্ষ দীপ। ভজন সন্ধ্যা ঘাটেও ১.৫ লক্ষ দীপ জ্বলবে বলে জানা গিয়েছে। পুরো উৎসবের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবে রাম কি পৈড়ি, যেখানে জ্বলবে প্রায় ১৫ থেকে ১৬ লক্ষ দীপ। উৎসবের উদ্বোধন করবেন মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ নিজে, দীপ প্রজ্বলনের মাধ্যমে এই মহোৎসবের সূচনা করবেন তিনি।

    কড়া নিরাপত্তায় শহর

    দীপোৎসবের (Deepotsav in Ayodhya) প্রধান আকর্ষণ রাম কি পৌড়ি এবং রামকথা পার্কের সামগ্রিক ব্যবস্থাপনার জন্য সিনিয়র আধিকারিকদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও, নয়া ঘাটে সরযু আরতির স্থানটিতেও বিশেষ নজরদারি থাকবে। ট্র্যাফিক নিয়ন্ত্রণ এবং মিডিয়াকে পরিচালনার জন্য আলাদাভাবে কর্মকর্তারা নিযুক্ত হয়েছেন। ২০ অক্টোবর, মূল অনুষ্ঠানের দিন শ্রীরাম জন্মভূমি মন্দির, হনুমানগড়ি এবং কারসেবকপুরমে অতিরিক্ত নিরাপত্তা মোতায়েন থাকবে। জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য কন্ট্রোল রুম স্থাপন করা হয়েছে। ৪৭ জন রিজার্ভ ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রস্তুত রাখা হচ্ছে। খাদ্য সুরক্ষা বিভাগ খাবারের মান পরীক্ষা করার জন্য বিশেষ দল তৈরি করেছে। উৎসবের নোডাল অফিসার সন্ত শরণ মিশ্র জানিয়েছেন, ৩৩ লক্ষ দীপের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন ৩০,০০০ স্বেচ্ছাসেবক। এতে ব্যবহার হবে ৭৫,০০০ লিটার তেল ও ৫৫ লক্ষ সুতির বাতি। ফৈজাবাদের রাম মনোহর লোহিয়া বিশ্ববিদ্যালয় ২২টি কমিটি গঠন করেছে দীপোৎসব সফল করতে। কমিটিগুলোর দায়িত্বে থাকবে সমন্বয়, নিরাপত্তা, দীপ গণনা, যান চলাচল, পরিচ্ছন্নতা, গণমাধ্যম, প্রাথমিক চিকিৎসা, সজ্জা, রঙ্গোলি, স্বেচ্ছাসেবকের পরিচয়পত্র বিতরণ ও সার্বিক তদারকি। সন্ত শরণ মিশ্র বলেন, “আযোধ্যা দীপোৎসব শুধুই ধর্মীয় উৎসব নয়। এটি রামরাজ্যের আদর্শকে উদযাপন করে, ভারতীয় সংস্কৃতির ঐক্যকে তুলে ধরে এবং বিশ্বের সামনে শান্তির বার্তা পৌঁছে দেয়।”

  • Bihar Polls: বিহারে আসন বিলি চূড়ান্ত করে ফেলল এনডিএ, হতাশ কংগ্রেস

    Bihar Polls: বিহারে আসন বিলি চূড়ান্ত করে ফেলল এনডিএ, হতাশ কংগ্রেস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিহার বিধানসভা নির্বাচনে (Bihar Polls) আসন বিলি নিয়ে রফায় সিলমোহর দিল এনডিএ (NDA)। আসন বিলির বিস্তারিত তথ্য এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান।

    আসন রফা চূড়ান্ত (Bihar Polls)

    এই চুক্তি অনুযায়ী, বিজেপি এবং মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের জনতা দল (ইউনাইটেড) বিহারের ২৪৩টি বিধানসভা আসনের মধ্যে ১০১টি করে আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। উপেন্দ্র কুশওহার রাষ্ট্রীয় লোক মোর্চা এবং জিতন রাম মাঝির হিন্দুস্তান আওয়াম মোর্চা (এইচএএম) এই দু’টি দলকে দেওয়া হয়েছে ছ’টি করে আসন। আর চিরাগ পাসওয়ানের লোক জনশক্তি পার্টি (রামবিলাস) পাবে ২৯টি আসন। উল্লেখ্য, ধর্মেন্দ্র প্রধান বিহার বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা।

    বৈঠকে বিজেপি

    এদিকে, রবিবার বিকেলে নয়াদিল্লিতে বৈঠকে বসেছিল বিজেপির কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটি৷ সূত্রের খবর, নির্বাচনী রণকৌশল এবং প্রার্থী তালিকা তৈরির বিষয়ে আলোচনা করতে এদিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির শীর্ষ নেতারা। প্রতিটি আসনেই শক্তিশালী প্রার্থী বাছাই করাই ছিল এদিনের বৈঠকের মূল লক্ষ্য৷ প্রসঙ্গত, শনিবারই বিজেপির সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডার বাসভবনে বৈঠকে বসেছিলেন এনডিএর শীর্ষ নেতারা। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা অমিত শাহ, এইচএএম(এম) প্রধান তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতন রাম মাঝি, বিহার বিজেপির ইন-চার্জ বিনোদ তাওরে, বিহার বিজেপির প্রধান দিলীপ জয়সওয়াল এবং বিহারের উপমুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরী (Bihar Polls)।

    বিহার বিধানসভা নির্বাচনের দিন ঘনিয়ে এলেও, আসন বণ্টন নিয়ে এনডিএ শরিকদের মধ্যে অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে বলে জল্পনা ছড়িয়েছিল। অবশ্য শনিবারই সেই জল্পনায় জল ঢেলে দিয়েছিলেন এনডিএর শরিক রাষ্ট্রীয় লোক মোর্চা সুপ্রিমো উপেন্দ্র কুশওয়াহা। অন্যদিকে, এনডিএ যখন ঘর গুছিয়ে আসন ভাগাভাগি করে নিয়েছে, তখন ‘ইন্ডি’ জোটের অন্দরে আসন বিলি নিয়ে কোনও আলোচনা না হওয়ায় যারপরনাই হতাশ কংগ্রেস। বিহার নির্বাচনে এককভাবে (NDA) লড়ার ইঙ্গিতও দিয়েছেন কংগ্রেস নেতারা। প্রসঙ্গত, বিহারে নির্বাচন হবে দু’দফায়। প্রথম দফার নির্বাচন হবে ৬ নভেম্বর, পরের দফার ভোট ১১ নভেম্বর। গণনা হবে ১৪ নভেম্বর (Bihar Polls)।

  • Hindus Under Attack: দেশে-বিদেশে অব্যাহত হিন্দু বিদ্বেষ, লাভ জিহাদ, ‘ল্যান্ড জিহাদ’, আর কী?

    Hindus Under Attack: দেশে-বিদেশে অব্যাহত হিন্দু বিদ্বেষ, লাভ জিহাদ, ‘ল্যান্ড জিহাদ’, আর কী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত ও বিদেশে হিন্দু এবং হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ (Hindus Under Attack) অব্যাহত। বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে এই নিপীড়ন ধীরে ধীরে এক ধরনের গণহত্যার রূপ নিচ্ছে। দশকের পর দশক ধরে বিশ্ব এই আক্রমণগুলির গভীরতা ও ব্যাপ্তিকে উপেক্ষা করেছে (Roundup Week)। কারণ এর পেছনে রয়েছে ভয়াবহ হিন্দু-বিদ্বেষমূলক মানসিকতা। খুন, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, ধর্মীয় উৎসবের ওপর আক্রমণ, মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, বিদ্বেষমূলক বক্তব্য, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য পর্যন্ত সব ক্ষেত্রেই হিন্দুরা এখন তাদের অস্তিত্বের ওপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণ ও অভূতপূর্ব হিন্দু-বিদ্বেষের মুখোমুখি। এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক গত ৫ অক্টোবর থেকে এই মাসেরই ১১ তারিখ পর্যন্ত কী কী ঘটনা ঘটেছে।

    ভারতেও নিরাপদ নন হিন্দুরা (Hindus Under Attack)

    ধর্মনিরপেক্ষ ভারতেও নিরাপদ নন হিন্দুরা। সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে সুজাতা ভাট, যিনি বিতর্কিত ধর্মস্থল মামলার কেন্দ্রীয় চরিত্র, দাবি করেছেন যে তিনি এক রাজনৈতিক গোষ্ঠীর ‘গুটি’ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছেন। তাঁর দাবি, ‘বুরুদে’ গ্যাংয়ের সঙ্গে তাঁর কোনও সম্পর্ক নেই এবং তাঁকে মিথ্যা অভিযোগ করতে প্রলুব্ধ করে বিভ্রান্ত করা হয়েছিল। মুরথল রোডে অবস্থিত শ্রী রাম পার্কে ইসলামপন্থী দুষ্কৃতীরা দোলনা ও বেঞ্চে ‘আই লাভ মহম্মদ’ ও ‘লাভ জিহাদ’–এর মতো আপত্তিকর স্লোগান লিখে দেয়। আলিগড়ের এক হিন্দু নার্সিং শিক্ষার্থী রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় ফের সামনে এসেছে ‘লাভ জিহাদ’ ইস্যু। ১৮ বছর বয়সী এই শিক্ষার্থী খায়ের রোডের একটি হাসপাতালে ইন্টার্নশিপ করছিলেন। অভিযোগ, তাঁর সহকর্মী মহম্মদ আবদুল প্রলোভন দেখিয়ে তাঁকে অপহরণ করেছে। পাঞ্জাবের জলন্ধরে “আই লাভ মহম্মদ” পোস্টার ইস্যুকে কেন্দ্র করে আয়োজিত এক প্রতিবাদ সভা হিংসার আকার ধারণ করে। সেখানে মুসলিম বিক্ষোভকারী ও বিজেপি কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে।

    হিন্দু দেব-দেবীদের অবমাননা

    গুজরাটের ভাদোদরার পুলিশ খোদিয়ারনগরের বাসিন্দা নীলেশ নাঞ্জি জিতিয়াকে গ্রেফতার করেছে। তিনি একটি ভিডিও পোস্ট করেছিলেন যেখানে হিন্দু দেব-দেবীদের অবমাননা করা হয়েছে (Hindus Under Attack)। ওড়িশার কটকে দুর্গা প্রতিমার বিসর্জনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে এক প্রবীণ পুলিশ কর্তা-সহ বহু মানুষ জখম হন। অভিযোগ, স্থানীয় ইসলামপন্থীরা ঝাঞ্জিরমঙ্গলা ভাগবত সাহি পূজা কমিটির বিসর্জনের শোভাযাত্রায় বাজানো গান ও ধর্মীয় স্লোগানের প্রতিবাদ করে। এনিয়ে প্রথমে কথাকাটাকাটি ও পরে সংঘর্ষ শুরু হয়। শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারীদের লক্ষ্য করে পাথর নিক্ষেপ, বোতল ছোড়ার খবর মিলেছে। কর্নাটকের দক্ষিণ কন্নড় জেলার পুলিশ সুপারের একটি রিপোর্টে মানবাধিকার কমিশনের ভুয়ো আধিকারিকদের একটি চক্রের হদিস পাওয়া গিয়েছে, যারা ধর্মস্থল মন্দির মামলায় হস্তক্ষেপের চেষ্টা করছিল। তদন্তে (Roundup Week) বেঙ্গালুরুর জন সাইমন এবং হুব্বলির মাদন বুগুড়ি-সহ কয়েকজনের নাম উঠে এসেছে। তারা মানবাধিকার কমিশনের নাম ভাঙিয়ে আধিকারিকদের ভয় দেখাত এবং মন্দিরকে ঘিরে মিথ্যা গল্প ছড়াত। উত্তরপ্রদেশের দেরাদুনের বিকাশনগরে আকিব নামে এক ব্যক্তি এক নাবালিকা হিন্দু মেয়েকে অপহরণের চেষ্টা করে বলে অভিযোগ। তাকে মারধর করে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। পকসো আইনে মামলা দায়ের করে গ্রেফতার করা হয়েছে আকিবকে (Hindus Under Attack)।

    ‘ল্যান্ড জিহাদ’

    মাইসুরু জেলার সালিগ্রামা শহর থেকে এক চাঞ্চল্যকর ‘ল্যান্ড জিহাদে’র ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। অভিযোগ, ইসলামপন্থীরা একটি সরকারি স্কুলের ভবনের একাংশ ভেঙে দিয়ে রাস্তা তৈরি করেছে। অভিযোগ, সেখানে অনুমোদন ছাড়াই শেড ও পার্কিং লট তৈরি করা হচ্ছে। চিত্রপতি সংভাজিনগরের চিকলঠানা এলাকায় গরু পাচার ও অবৈধ জবাই বিরোধী হিন্দু কর্মী গণেশ শেলকের ওপর হামলা চালায় উগ্র ইসলামপন্থীরা।

    তুষ্টিকরণের রাজনীতি

    উত্তরপ্রদেশের গোরখপুরে হিন্দু মেয়েদের নিরাপত্তা ও আন্তঃধর্মীয় সম্পর্ক সংক্রান্ত ক্রমবর্ধমান সমস্যাগুলি নিয়ে সারা অঞ্চলে তীব্র বিতর্ক ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। সাহজনওয়া এলাকার নওশাদ চৌরাহায় স্থানীয় বাসিন্দারা একজনকে মারধর করে (Roundup Week)। সে বিহারের বাসিন্দা, নাম মনসুর আলি। অভিযোগ, সে এক হিন্দু মহিলাকে বোরখা পরতে বাধ্য করেছিল, তাকে নিয়েও পালানোর চেষ্টা করছিল (Hindus Under Attack)। কর্নাটকে হুব্বাল্লিতে রাজ্য সরকারের একটি অনুষ্ঠানে কোরানের আয়াত পাঠ করা হয়। বিরোধীদের অভিযোগ, শাসক দলের তোষণ নীতির জন্যই এভাবে সরকারি প্ল্যাটফর্মকে ব্যবহার করা হচ্ছে।

    বাংলাদেশের ছবি

    বাংলাদেশের ছবিটাও ভয়াবহ। মন্দির ভাঙচুর, জমি দখল, ভুয়ো ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে হামলা, ধর্ষণ, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, এবং ঘৃণাবাচক বক্তব্য—এসবই হিন্দুদের ভয় দেখিয়ে দেশ ছাড়তে বাধ্য করার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। নেত্রকোণার মোহনগঞ্জ পুরসভা এলাকায় স্থানীয় থানার অদূরে নৃশংসভাবে খুন করা হয় জনৈক নারায়ণ পালকে (Roundup Week)। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল বরকতের একটি গবেষণা অনুযায়ী, পদ্ধতিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক নিপীড়নের কারণে ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে কোনও হিন্দু অবশিষ্ট থাকবে না (Hindus Under Attack)।

  • Kerala CPM: আরএসএসের জোড়া কর্মী খুনে অভিযুক্ত ১৪ জনকেই বেকসুর খালাস দিল কেরলের আদালত

    Kerala CPM: আরএসএসের জোড়া কর্মী খুনে অভিযুক্ত ১৪ জনকেই বেকসুর খালাস দিল কেরলের আদালত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরএসএসের (RSS) জোড়া কর্মী খুনে অভিযুক্ত ১৪ জনকেই বেকসুর খালাস করে দিল কেরলের (Kerala CPM) থালাসেরি অতিরিক্ত সেশনস কোর্ট। ২০১০ সালের মায়ি এলাকায় ওই খুনের ঘটনা ঘটেছিল। ২০১০ সালের ২৮ মে মায়িতে আদালতে হাজিরা দিয়ে ফেরার পথে নৃশংসভাবে খুন করা হয় আরএসএস কর্মী বিজিত ও শিনোজকে।

    নৃশংসভাবে খুন (Kerala CPM)

    হামলাকারীরা নিউ মায়ির কাছে পেরিংগাড রোডে তাঁদের মোটরসাইকেল থামিয়ে প্রথমে বোমা ছোড়ে। পরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপায়। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় আরএসএসের এই দুই কর্মীর। অভিযুক্তদের মধ্যে ১৬ জন সিপিএম কর্মী ছিলেন। তাঁদের মধ্যে কোডি সুনি, মহম্মদ শফি এবং কে শিনোজ ২০১২ সালের ৪ মে বাদাকারা (কোজিকোড জেলা)-তে বিদ্রোহী সিপিএম নেতা টিপি চন্দ্রশেখরনকে হত্যার দায়ে জেল খেটেছেন। সিপিএমের অন্য অভিযুক্তরা হলেন টি শ্রীজিত, এনকে সুনীলকুমার, টিকে সুনীশ, কেকে মহম্মদ সফি, টিপি সামিল, একে শামাস, কেকে আব্বাস, রাহুল, বিনীশ, পিভি বিজিত, কে শিনোজ, ফয়সল, শেরিশ এবং টিপি সাজির। বিচার চলাকালীন মৃত্যু হয়েছে সিকে রাজনীকান্ত ও মহম্মদ রাজিসের।

    আরএসএস কর্মীরা হতাশ

    আদালতের এই রায়ে হতাশ আরএসএস কর্মীরা। তাঁদের দাবি, যেহেতু এই মামলায় স্পষ্ট প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়েছিল আদালতে, তাই এই রায় তাঁদের হতবাক করেছে। এই রায়ের প্রেক্ষিতে (Kerala CPM) তাঁরা হাইকোর্টে যাওয়ার কথা ভাবছেন। পুলিশ রেকর্ডের সত্যতা নিয়েও সংশয় প্রকাশ করেছেন স্বয়ংসেবকরা। তাঁদের অভিযোগ, বিচার প্রক্রিয়ায় এই রেকর্ডগুলি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। প্রসঙ্গত, ১৯৬৯ সালের এপ্রিল মাসে সিপিএমের গুন্ডাদের হাতে নিহত হন আরএসএসের প্রথম শহিদ। তার পর থেকে এ পর্যন্ত কেরালায় খুন হয়েছেন ৩০০-রও বেশি সংঘ বা ভারতীয় জনসংঘ বা বিজেপি কর্মী। এঁদের অধিকাংশই সিপিএমের ঘাঁটি কন্নুর জেলার বাসিন্দা ছিলেন (RSS)।

    কমিউনিস্টরা (Kerala CPM) মূলত ফ্যাসিস্ট। তারা নিজেদের মতাদর্শ ছাড়া অন্য কোনও মতবাদ সহ্য করে না। সম্প্রতি কন্নুর জেলায় সিপিএমের একটি ফ্লেক্স বোর্ডে লেখা ছিল, “আরএসএস নিষিদ্ধ অঞ্চল”। এটি তাদের মতাদর্শগত প্রতিপক্ষের প্রতি দীর্ঘস্থায়ী বৈরিতারই প্রতিফলন বলে ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের।

  • Uttarakhand: মিলল রাজ্যপালের সম্মতি, আইনে পরিণত হল উত্তরাখণ্ড সংখ্যালঘু শিক্ষা বিল

    Uttarakhand: মিলল রাজ্যপালের সম্মতি, আইনে পরিণত হল উত্তরাখণ্ড সংখ্যালঘু শিক্ষা বিল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মিলল রাজ্যপাল লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) গুরমিত সিংয়ের সম্মতি। আইনে পরিণত হয়ে গেল উত্তরাখণ্ড সংখ্যালঘু শিক্ষা বিল, ২০২৫। রাজ্যপালের অনুমোদন মেলায় রাজ্যের (Uttarakhand) সংখ্যালঘু শিক্ষা কাঠামোয় বড় ধরনের পরিবর্তনের পথ খুলে গেল। এর ফলে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড আইন, ২০১৬ এবং এর সঙ্গে সম্পর্কিত স্বীকৃতি বিধিগুলির বদলে একটি একক ও ঐক্যবদ্ধ আইন কার্যকর হবে (Madrasa Board)।

    লোপ পাবে মাদ্রাসা ব্যবস্থা! (Uttarakhand)

    বর্তমান মাদ্রাসা-নির্দিষ্ট ব্যবস্থা লোপ পাবে ২০২৬ সালের ১ জুলাইয়ের মধ্যে। এরপর একটি আরও সরল, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও একীভূত শাসনব্যবস্থার পথ প্রশস্ত হবে, যা উত্তরাখণ্ডের সব সংখ্যালঘু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য প্রযোজ্য হবে। জানা গিয়েছে, নয়া আইনে রাজ্যজুড়ে সংখ্যালঘু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলি তদারকির জন্য একটি একক কর্তৃপক্ষ গঠিত হবে। এই সংস্থা সংখ্যালঘু প্রতিষ্ঠানের স্বীকৃতি দেওয়া, শিক্ষার মান নিয়ন্ত্রণ, এবং উত্তরাখণ্ড স্কুল শিক্ষা বোর্ডের নির্দেশিকা মেনে চলা নিশ্চিত করবে। এই কর্তৃপক্ষের লক্ষ্য হবে, শিক্ষার্থীদের মূল্যায়নে ন্যায্যতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা, মানসম্পন্ন শিক্ষাব্যবস্থা বজায় রাখা, এবং সংখ্যালঘু স্কুলগুলির পরিচালনায় দায়বদ্ধতা জোরদার করা।

    কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামী  

    মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামী রাজ্যপালের অনুমোদনকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, “এই নয়া কাঠামো রাজ্যের সংখ্যালঘু শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক এবং মানোন্নয়নকেন্দ্রিক করে তুলবে। আইনটি সরকারকে কার্যকরভাবে পরিচালনা পর্যবেক্ষণ এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশ জারি করার ক্ষমতা দিয়েছে, যাতে শিক্ষার উৎকর্ষতা ও সামাজিক সম্প্রীতি নিশ্চিত করা যায়।” এই বিলটির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হল স্বীকৃতির পরিসর মুসলিম প্রতিষ্ঠানের বাইরেও সম্প্রসারণ করা। ঐতিহাসিকভাবে, উত্তরাখণ্ডে কেবল মুসলিম-পরিচালিত প্রতিষ্ঠানগুলিই সরকারিভাবে সংখ্যালঘু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বীকৃত ছিল। কিন্তু সংখ্যালঘু শিক্ষা বিল, ২০২৫ এখন শিখ, জৈন, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান এবং পারসি সম্প্রদায় পরিচালিত স্কুল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলিকেও একই নিয়ন্ত্রক কাঠামোর আওতায় এনেছে (Madrasa Board)।

    সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জন্য সমান অধিকার

    এই পরিবর্তনের মাধ্যমে সব সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জন্য সমান অধিকার, স্বীকৃতি ও মান নিয়ন্ত্রণের মানদণ্ড নিশ্চিত (Uttarakhand) হচ্ছে, যা শাসন ব্যবস্থায় অন্তর্ভুক্তি ও ঐক্যকে উৎসাহিত করবে। বিলটি পূর্ববর্তী আইনে থাকা বৈষম্য ও সীমিত স্বীকৃতির সমস্যাগুলির সমাধান করে একটি আরও সুষম ও বৈচিত্র্যপূর্ণ কাঠামো গড়ে তোলে, যা উত্তরাখণ্ডের বহুসাংস্কৃতিক ও সামাজিক বাস্তবতাকে প্রতিফলিত করে। পূর্ববর্তী মাদ্রাসা-কেন্দ্রিক কাঠামোটি বেশ কিছু কার্যকরী ও প্রশাসনিক সমস্যার সম্মুখীন হয়েছিল। মুখ্যমন্ত্রী ধামি জানান, কেন্দ্রীয় বৃত্তি বিলিতে অনিয়ম, মিড-ডে মিল প্রকল্পে অসঙ্গতি, এবং প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় স্বচ্ছতার অভাবের মতো বিষয়গুলি বারবার সামনে এসেছে। এই সব সমস্যা মাদ্রাসাগুলির পরিচালনাকে ব্যাহত করেছে এবং শিক্ষার্থীদের শিক্ষার মানের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে (Madrasa Board)।নয়া আইনটি এই ঘাটতিগুলি পূরণ করতে তৈরি করা হয়েছে, যাতে সরকার সংখ্যালঘু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলিকে আরও ভালোভাবে তদারকি করতে পারে। ক্ষমতা কেন্দ্রীয়করণ ও নিয়মকানুনের স্ট্যান্ডার্ডাইজেশনের মাধ্যমে এই বিলটি অনিয়ম রোধ, সম্পদের সঠিক বণ্টন নিশ্চিত করা এবং দৈনন্দিন কার্যকলাপে স্বচ্ছতা বৃদ্ধির লক্ষ্য নিয়েছে (Uttarakhand)।

    বিল পাশ হয়েছিল বাদল অধিবেশনে

    প্রসঙ্গত, সংখ্যালঘু শিক্ষা বিল, ২০২৫ উত্তরাখণ্ড বিধানসভার বাদল অধিবেশনে পাশ হয়। তার আগে সেটি মন্ত্রিসভার অনুমোদন পায়। এখন এটি সারা রাজ্যে সংখ্যালঘু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলির জন্য একটি অভিন্ন আইন হিসেবে বাস্তবায়িত হবে। জানা গিয়েছে, এই রূপান্তর পর্বে ধীরে ধীরে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড আইন, ২০১৬ এবং এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট স্বীকৃতি বিধি ১ জুলাই, ২০২৬-এর মধ্যে পর্যায়ক্রমে বাতিল করা হবে। এই সময়ে (Madrasa Board) নতুন নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে দায়িত্ব দেওয়া হবে যাতে পরিবর্তনের প্রক্রিয়া মসৃণভাবে সম্পন্ন হয়, অ্যাকাডেমিক সময়সূচির ধারাবাহিকতা বজায় থাকে, এবং শিক্ষার্থীদের অধিকার ও প্রতিষ্ঠানগুলির স্বীকৃতি সুরক্ষিত থাকে (Uttarakhand)।

  • PM Modi: ‘দেশে তৈরি ডিজিটাল ও সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে ফোকাস করুন’, আমলাদের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi: ‘দেশে তৈরি ডিজিটাল ও সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে ফোকাস করুন’, আমলাদের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘আত্মনির্ভর ভারতে’র লক্ষ্য পূরণে আপ্রাণ চেষ্টা করে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তাই বিদেশি প্রযুক্তির ওপর দেশের নির্ভরশীলতা কমাতে চাইছেন তিনি। সেই কারণে দেশীয় ডিজিটাল ও সোশ্যাল মিডিয়া (Social Media Platforms) তৈরিতে দেশবাসীকে উৎসাহিত করতে কোমর বেঁধে নেমে পড়েছে তাঁর সরকার। ৬ অক্টোবর নয়াদিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী ও শীর্ষ আমলাদের মধ্যে অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে এ নিয়ে আলোচনাও হয় বলে সূত্রের খবর।

    শক্তিশালী ইকোসিস্টেম (PM Modi)

    জানা গিয়েছে, ৯ অক্টোবর মন্ত্রিসভার সচিব টিভি সোমনাথন শীর্ষ আধিকারিকদের কাছে একটি চিঠি পাঠান। ওই চিঠিতে তিনি বৈঠকে আলোচিত ২৮টি বিষয়ের ক্ষেত্রে দ্রুত পদক্ষেপ করার আহ্বান জানান। এই পরিকল্পনার অন্যতম মূল লক্ষ্যই হল ভারতেই ডিজিটাল ও সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম তৈরির জন্য একটি শক্তিশালী ইকোসিস্টেম গড়ে তোলা। এ জন্য আধিকারিকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, দেশের যুবসমাজকে এই ধরনের প্ল্যাটফর্ম তৈরির প্রশিক্ষণ দিতে হবে এবং দেশে নিজস্ব ডিজিটাল পরিকাঠামো স্থাপনের উদ্যোগ নিতে হবে।

    ‘রিভার্স ইঞ্জিনিয়ারিং’

    সোমনাথন প্রযুক্তিগত অগ্রগতি ও উদ্ভাবন বাড়ানোর একটি কার্যকর উপায় হিসেবে ‘রিভার্স ইঞ্জিনিয়ারিং’ ব্যবহারেরও সুপারিশ করেছেন। অন্যান্য পরিকল্পনার মধ্যে ছিল সরকারের যোগাযোগ কৌশলকে আরও শক্তিশালী করা, শিক্ষা, ক্রীড়া ও পর্যটনের মতো ক্ষেত্রগুলিকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা এবং ভারতীয় প্রতিভা ও প্রতিষ্ঠানগুলিকে বৈশ্বিক র‌্যাঙ্কিংয়ে সেরার পর্যায়ে নিয়ে আসাও (PM Modi)। ভারতে প্রায় ৯৬.৯ কোটি ইন্টারনেট ব্যবহারকারী রয়েছেন। এঁদের অধিকাংশই ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপ, ইউটিউব এবং এক্স-এর মতো বিদেশি প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করেন। স্থানীয় উদ্ভাবনকে উৎসাহ দেওয়া মোদি সরকারের সেই প্রচেষ্টার সঙ্গেই মিলে যায়, যার মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী জনগণকে স্বদেশি পণ্য ব্যবহারে উৎসাহিত করছেন, বিশেষ করে যখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভারতীয় পণ্যের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছে, তখন থেকে।

    ভারতীয় কোম্পানি যেমন জোহো (Zoho) ইতিমধ্যেই মেসেজিং অ্যাপ চালু করেছে। এটি ধীরে ধীরে হোয়াটসঅ্যাপের একটি দেশীয় বিকল্প হিসেবে জনপ্রিয়ও হচ্ছে। কেন্দ্রীয় তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ-সহ পদস্থ মন্ত্রীরাও সরকারি কাজে ভারতীয় এই অ্যাপ ব্যবহার শুরু করেছেন। তা সত্ত্বেও ভারতের সোশ্যাল মিডিয়ার ক্ষেত্র এখনও পর্যন্ত আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি কোম্পানিগুলির দখলেই রয়েছে (Social Media Platforms)। মোদি সরকারের আশা, স্থানীয় উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করার মাধ্যমে এই প্রভাব থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব (PM Modi)।

  • PM Modi: প্রধানমন্ত্রীর হাতে উদ্বোধন হয়ে গেল কৃষি খাতে দু’টি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের, জানুন কী কী?

    PM Modi: প্রধানমন্ত্রীর হাতে উদ্বোধন হয়ে গেল কৃষি খাতে দু’টি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের, জানুন কী কী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার কৃষি (Farmers) খাতে দু’টি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এগুলি হল ‘পিএম ধন ধান্য কৃষি যোজনা’ এবং ‘ডাল উৎপাদনে আত্মনির্ভরতার জন্য মিশন’। এজন্য মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৫ হাজার ৪৪০ কোটি টাকা।

    দুই প্রকল্পে ব্যয় (PM Modi)

    নয়াদিল্লির ভারতীয় কৃষি গবেষণা সংস্থায় (IARI) এক বিশেষ কৃষি অনুষ্ঠানে এই প্রকল্পগুলির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রীর দফতরের তরফে জারি করা এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, পিএম ধন ধান্য কৃষি যোজনার ব্যয় ২৪ হাজার কোটি টাকা। এর লক্ষ্য হল কৃষি উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, ফসলের বৈচিত্র্যকরণ ও টেকসই কৃষি পদ্ধতির প্রসার, পঞ্চায়েত ও ব্লক স্তরে ফসল কাটার পর সংরক্ষণ ব্যবস্থার উন্নতি, সেচ ব্যবস্থার শক্তিশালীকরণ এবং নির্বাচিত ১০০টি জেলার কৃষকদের জন্য দীর্ঘমেয়াদি ও স্বল্পমেয়াদি ঋণপ্রাপ্তির সুবিধা সহজ করা।ডাল উৎপাদনে আত্মনির্ভরতার জন্য মিশনে ব্যয় ধরা হয়েছে ১১ হাজার ৪৪০ কোটি টাকা। এর উদ্দেশ্য হল ডালের উৎপাদনশীলতা বাড়ানো, চাষের এলাকা বাড়ানো, ক্রয়, সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াকরণ-সহ সম্পূর্ণ ভ্যালু চেইনকে শক্তিশালী করা এবং ফসল কাটার পর ক্ষতির পরিমাণ কমানো।

    কৃষকদের সঙ্গে কথা প্রধানমন্ত্রীর

    এদিন অনুষ্ঠান চলাকালীন প্রধানমন্ত্রী কৃষকদের সঙ্গে কথাবার্তা বলেন। তিনি তাঁদের মনে করিয়ে দেন, তাঁর সরকার কৃষক কল্যাণ, কৃষিতে আত্মনির্ভরতা ও গ্রামীণ পরিকাঠামো উন্নয়নের প্রতি দায়বদ্ধ। এই কর্মসূচিতে আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি প্রসার, কৃষকদের ক্ষমতায়ন এবং কৃষককেন্দ্রিক নানা উদ্যোগের মাধ্যমে অর্জিত গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য উদযাপনের ওপর জোর দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী কৃষি, পশুপালন, মৎস্য ও খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ খাতে ৫ হাজার ৪৫০ কোটিরও বেশি টাকার বিভিন্ন প্রকল্পের উদ্বোধন করেন। তিনি প্রায় ৮১৫ কোটি টাকার অতিরিক্ত প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন বলেও সরকারি বিবৃতিতে জানানো হয়েছে।

    উদ্বোধন হওয়া বিভিন্ন প্রকল্প

    এদিন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) যেসব প্রকল্পগুলির উদ্বোধন করেন, তার মধ্যে রয়েছে বেঙ্গালুরু ও জম্মু-কাশ্মীরে কৃত্রিম প্রজনন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, আমরেলি ও বানাসে উৎকর্ষ কেন্দ্র, অসমে রাষ্ট্রীয় গোকুল মিশনের অধীনে একটি আইভিএফ ল্যাবরেটরি, মেহসানা, ইন্দোর ও ভিলওয়ারায় মিল্ক পাওডার উৎপাদন কারখানা এবং অসমের তেজপুরে প্রধানমন্ত্রীর মৎস্য সম্পদ যোজনার অধীনে একটি মাছের খাদ্য উৎপাদন কেন্দ্র। এর পাশাপাশি, অন্ধ্রপ্রদেশ, উত্তরাখণ্ড, নাগাল্যান্ড, পুদুচেরি এবং ওড়িশায় বিভিন্ন আধুনিক মৎস্য ও কৃষি পরিকাঠামোর ভিত্তিপ্রস্তর স্থান করা হয়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এদিন বেশ কয়েকটি (Farmers) প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তরও স্থাপন করেন। এর মধ্যে রয়েছে অন্ধ্রপ্রদেশের কৃষ্ণা জেলায় একটি যৌথ কোল্ড চেইন ও মানোন্নয়ন পরিকাঠামো (রশ্মি বিকিরণ) ইউনিট, উত্তরাখণ্ডে ট্রাউট মৎস্য খামার, নাগাল্যান্ডে একটি ইন্টিগ্রেটেড অ্যাকোয়া পার্ক, পুদুচেরির কারাইকালে একটি স্মার্ট ও মাছ ধরার বন্দর, এবং ওড়িশার হীরাকুদে একটি অত্যাধুনিক ইন্টিগ্রেটেড অ্যাকোয়া পার্ক।

    সরকারি উদ্যোগের সাফল্য

    এদিনের অনুষ্ঠানে (PM Modi) বিভিন্ন সরকারি উদ্যোগের গুরুত্বপূর্ণ সাফল্যও তুলে ধরা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ১০ হাজার কৃষক উৎপাদক সংস্থার মাধ্যমে ৫০ লাখ কৃষকের সদস্যপদ, যার মধ্যে ১ হাজার ১০০টি সংস্থা ২০২৪–২৫ সালে বার্ষিক ১ কোটি টাকারও বেশি টার্নওভার অর্জন করেছে। অন্যান্য সাফল্যের মধ্যে ছিল প্রাকৃতিক কৃষি বিষয়ে জাতীয় মিশনের অধীনে ৫০ হাজার  কৃষকের সার্টিফিকেশন, ৩৮ হাজার মৈত্রীর (গ্রামীণ ভারতের বহুমুখী কৃত্রিম প্রজনন প্রযুক্তিবিদ) সার্টিফিকেশন এবং ১০ হাজারটিরও বেশি বহুমুখী ও ই-প্যাকস ইউনিটের অনুমোদন ও কার্যকলাপ শুরু। এছাড়াও, বেশ কিছু প্রাথমিক কৃষি ঋণ সমিতি, দুগ্ধ ও মৎস্য সহায়ক সমবায় গঠন এবং শক্তিশালী করা হয়েছে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ১০ হাজারেরও বেশি প্রাথমিক কৃষি ঋণ সমিতি তাদের কার্যকলাপে বৈচিত্র্য এনে প্রধানমন্ত্রী কিষান সমৃদ্ধি কেন্দ্র এবং কমন সার্ভিস সেন্টার হিসেবে কাজ শুরু করেছে। প্রধানমন্ত্রীর আশা, এই দুই নয়া প্রকল্প ভারতের কৃষিক্ষেত্রে উৎপাদনশীলতা, আত্মনির্ভরতা ও গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও মজবুত করবে বলেও এদিন আশা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)।

    কী বলেছিলেন কেন্দ্রীয় কৃষি ও কৃষক কল্যাণমন্ত্রী?

    প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবারই (Farmers) কেন্দ্রীয় কৃষি ও কৃষক কল্যাণমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান বলেন, “চাল ও গম উৎপাদনে আমরা স্বনির্ভর। কিন্তু ডাল উৎপাদনে এখনও বিদেশের ওপর নির্ভরশীল। চাহিদা মেটাতে বিদেশ থেকে প্রায় ২৫ লাখ টন ডাল আমদানি করতেই হয়। সরকারের লক্ষ্য হল আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে ডাল উৎপাদনে দেশ আত্মনির্ভর হবে।” তিনি জানান, কৃষকরা যে পরিমাণ ডাল উৎপাদন করবেন, তার ১০০ শতাংশই ন্যূনতম সহায়ক মূল্য দিয়ে কিনে নেবে সরকার। উৎপাদন বাড়াতে ধান ও গম চাষের জমিতে ফসল কাটা হয়ে গেলে সেটিকে ডাল চাষের জন্য ব্যবহার করা হবে। সয়াবিনের সঙ্গেও ডাল চাষ করতে উৎসাহ দেওয়া হবে কৃষকদের (PM Modi)।

  • ISI: আইএসআইয়ের হয়ে চরবৃত্তির অভিযোগে রাজস্থান থেকে গ্রেফতার মঙ্গত

    ISI: আইএসআইয়ের হয়ে চরবৃত্তির অভিযোগে রাজস্থান থেকে গ্রেফতার মঙ্গত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইয়ের (ISI) হয়ে চরবৃত্তির (Spy) অভিযোগে রাজস্থান থেকে গ্রেফতার বছর বত্রিশের মঙ্গত সিং। তদন্তের পর ১৯২৩ সালের অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্টের আওতায় তাকে গ্রেফতার করে রাজস্থান পুলিশের সিআইডি। মঙ্গত আলওয়ারের গোবিন্দগড়ের বাসিন্দা। আলওয়ারের সেনানিবাস এলাকার ওপর নজরদারির সময় প্রথম মঙ্গতের কার্যকলাপ সন্দেহজনক বলে মনে করেন আধিকারিকরা। তাঁরা লক্ষ্য করেন, সে দীর্ঘদিন ধরে কিছু সন্দেহজনক কাজে লিপ্ত। এর পরেই কর্তৃপক্ষ তার ওপর নজরদারি করতে শুরু করেন। পুলিশি তদন্তে জানা গিয়েছে, মঙ্গত নিয়মিতভাবে পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআইয়ের হ্যান্ডলারদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখত।

    ঈশা শর্মার ফাঁদে মঙ্গত (ISI)

    তদন্তকারীরা জেনেছেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় ঈশা শর্মা নামে এক মহিলার পরিচয়ে কাজ করত পাক গুপ্তচর সংস্থার এক কর্মী। তারই ফাঁদে পড়েছিল মঙ্গত। বিপুল টাকার টোপও দেওয়া হয় তাকে। রাজস্থান পুলিশের গোয়েন্দা সংস্থার দাবি, মঙ্গত আলওয়ার সেনা ক্যান্টনমেন্ট ও তার আশপাশের এলাকার ছবি এবং সামরিক তথ্য নিয়মিত তুলে দিত পাক গুপ্তচর সংস্থার হাতে। অপারেশন সিঁদুরের সময় থেকেই দেশের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক কেন্দ্রগুলির পাশে নজরদারি শুরু করেছিল সেনা ও পুলিশ।

    মঙ্গতের ওপর নজরদারি

    সেই সময়ই মঙ্গতের গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হয়। নজরদারি শুরু করে পুলিশ। মঙ্গতের বিরুদ্ধে বেশ কিছু তথ্য হাতে পাওয়ার পরেই অভিযানে নামে রাজস্থান পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ। ডিআইজি (ইন্টেলিজেন্স) রাজেশ মিল বলেন, “গ্রেফতার হওয়ার আগে পর্যন্তও পাক হ্যান্ডলারদের ছবি ও তথ্য পাঠিয়েছে মঙ্গত (Spy)। পাকিস্তানের দুটো নম্বরে নিয়মিত ফোন করত। সামরিক তথ্য পাচার করে প্রচুর টাকাও পেয়েছে। তার লেনদেনের উৎস খুঁজে দেখা হচ্ছে।” জানা গিয়েছে, জয়পুরের সেন্ট্রাল ইন্টারোগেশন সেন্টারে রাখা হয়েছে মঙ্গতকে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন তদন্তকারীরা। বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সূত্রও মিলেছে (ISI)।

    প্রসঙ্গত, মাস কয়েক আগে পাক চর সন্দেহে অন্তত ১৫ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পাঞ্জাব, হরিয়ানা, গুজরাট, মহারাষ্ট্র, রাজস্থান, দিল্লি এবং উত্তরপ্রদেশ থেকে গ্রেফতার করা হয়েছিল তাদের। এদের মধ্যে যেমন ছিলেন ইঞ্জিনিয়র, তেমনই ছিলেন নেটপ্রভাবী, সিআরপিএফ জওয়ান-সহ নানা পেশার মানুষ (ISI)।

LinkedIn
Share