Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Amit Shah: “জন্মহার নয়, অনুপ্রবেশই জনবিন্যাসে বদল ঘটাচ্ছে”, দেশে মুসলিম জনসংখ্যা বৃদ্ধি নিয়ে স্পষ্ট বার্তা শাহের

    Amit Shah: “জন্মহার নয়, অনুপ্রবেশই জনবিন্যাসে বদল ঘটাচ্ছে”, দেশে মুসলিম জনসংখ্যা বৃদ্ধি নিয়ে স্পষ্ট বার্তা শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের ধর্মভিত্তিক জনসংখ্যা পরিবর্তন নিয়ে বিস্ফোরক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। দিল্লিতে জনসংখ্যা ও জনবিন্যাস বিষয়ক এক আলোচনা সভায় তিনি বলেন, দেশে মুসলিম জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণ শুধু জন্মহার নয়, বরং পাকিস্তান ও বাংলাদেশ থেকে ব্যাপক অনুপ্রবেশই তার মূল কারণ। ভারতে হিন্দু জনসংখ্যা (Hindu Population) উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। অন্যদিকে, লক্ষণীয় বৃদ্ধি ঘটেছে মুসলিমদের (Muslim Population)। শাহের দাবি, এই অনুপ্রবেশ দেশের সংস্কৃতি, ভাষা ও স্বাধীনতার ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলছে।

    পাকিস্তান ও বাংলাদেশ থেকে অনুপ্রবেশ

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য, মুসলিম জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণ জন্মহার নয়। পাকিস্তান ও বাংলাদেশ (Inflitartors from Pakistan, Bnagladesh) থেকে অনুপ্রবেশের ফলে মুসলিম জনসংখ্যা ভারতে উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। তাঁর কথায়, অনুপ্রবেশ, জনসংখ্যাগত পরিবর্তন এবং গণতন্ত্র অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। যতদিন না দেশের প্রতিটি নাগরিক, বিশেষ করে যুব সমাজ এই বিষয়গুলোর গুরুত্ব অনুধাবন করবে এবং এর থেকে উদ্ভূত সমস্যাগুলি সম্পর্কে সচেতন হবে, ততদিন পর্যন্ত আমরা আমাদের দেশ, সংস্কৃতি, ভাষা এবং স্বাধীনতার সুরক্ষা নিশ্চিত করতে পারব না।

    উল্লেখযোগ্য ও উদ্বেগজনক পরিবর্তন

    অমিত শাহ (Amit Shah) জানান, ১৯৫১, ১৯৭১, ১৯৯১ ও ২০১১ সালে ভারতে জন গণনায় ধর্ম ভিত্তিক তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। ১৯৫১ সালে যখন এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, তখন তাঁর দল বিজেপি ছিল না। তাঁর কথায়, যদি দেশভাগ না হতো, তাহলে হয়তো ধর্মের ভিত্তিতে জনগণনার দরকার হতো না। কিন্তু যেহেতু দেশভাগ ধর্মের ভিত্তিতে হয়েছিল, সে কারণে তৎকালীন শাসকদলের নেতারা ১৯৫১ সালের জনগণনায় ধর্মের উল্লেখকে যথোপযুক্ত মনে করেছিলেন। তিনি জানান, ১৯৫১ সালে দেশে হিন্দুদের সংখ্যা ছিল ৮৪ শতাংশ, মুসলিমদের ৯.৮ শতাংশ। ২০১১ সালে হিন্দুদের সংখ্যা কমে দাঁড়ায় ৭৯ শতাংশে, আর মুসলিমদের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ১৪.২ শতাংশে। এই পরিসংখ্যানকে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন বলে চিহ্নিত করে শাহ বলেন, এটা অনুপ্রবেশের কারণে হয়েছে। এই পরিবর্তনকে ‘উল্লেখযোগ্য ও উদ্বেগজনক’ বলে ব্যাখ্যা করে শাহ বলেন, “এটা জন্মহারের ফল নয়, এটা অনুপ্রবেশের ফল।”

    রাজ্য সরকারগুলোকেও দায়িত্ব নিতে হবে

    শাহ স্পষ্ট ভাবে বলেন, ভারতে মুসলিম জনসংখ্যা ২৪.৬ শতাংশ হারে বেড়েছে, যেখানে হিন্দু জনসংখ্যা কমেছে ৪.৫ শতাংশ হারে। তাঁর দাবি, এই পার্থক্যের মূলে রয়েছে অবৈধ অনুপ্রবেশ, বিশেষ করে সীমান্তবর্তী রাজ্যগুলোতে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর (Amit Shah) দাবি, অসমে ২০১১ সালের জনগণনা অনুযায়ী মুসলিম জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ছিল ২৯.৬ শতাংশ, যা অনুপ্রবেশ ছাড়া অসম্ভব। পশ্চিমবঙ্গের সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে এই হার ৪০ শতাংশেরও বেশি, কোথাও কোথাও ৭০ শতাংশ পর্যন্ত পৌঁছেছে। ঝাড়খণ্ডে আদিবাসী জনসংখ্যা কমার পেছনেও অনুপ্রবেশকেই তিনি দায়ী করেন। শাহ বলেন, “এই সমস্যার সমাধান শুধু কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষে সম্ভব নয়, রাজ্য সরকারগুলোকেও দায়িত্ব নিতে হবে। কিছু রাজ্য সরকার অনুপ্রবেশে সহায়তা করছে।”

    অনুপ্রবেশকারীকে চিহ্নিত করতেই হবে

    ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR) প্রসঙ্গে শাহ বলেন, এটি কোনও রাজনৈতিক নয়, জাতীয় ইস্যু। “যদি প্রশাসন অনুপ্রবেশকারীকে চিনতেই না পারে, তবে অনুপ্রবেশ বন্ধ হবে কীভাবে?” তিনি অভিযোগ করেন, কিছু রাজনৈতিক দল অনুপ্রবেশকারীদের ভোটব্যাঙ্ক হিসেবে ব্যবহার করছে। এই প্রসঙ্গে শাহ সতর্ক করে বলেন, “যদি অনুপ্রবেশকারীরা ভোটার তালিকায় ঢুকে যায়, তারা দেশের নীতি নির্ধারণে অংশ নেবে যা গণতন্ত্রের জন্য হানিকর।” তিনি বলেন, ভারত একটি ভূ-সাংস্কৃতিক জাতি। ধর্মের ভিত্তিতে দেশভাগ ছিল এক ঐতিহাসিক ভুল। তিনি বলেন, সরকার অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করবে, ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেবে এবং তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর জন্য কাজ করবে। কারণ অনুপ্রবেশকারীরা সীমান্ত অঞ্চলগুলোতে আইনশৃঙ্খলা এবং শহরে দরিদ্র শ্রমিকদের অধিকার হরণ করছে।

  • Amit Shah: ‘‘এদেশের মাটিতে আমার অধিকারের সমান অধিকার পাক-বাংলাদেশ থেকে আসা হিন্দুদেরও’’, সিএএ নিয়ে অমিত শাহ

    Amit Shah: ‘‘এদেশের মাটিতে আমার অধিকারের সমান অধিকার পাক-বাংলাদেশ থেকে আসা হিন্দুদেরও’’, সিএএ নিয়ে অমিত শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন কারও নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়ার জন্য নয়, বরং নির্যাতিতদের নাগরিকত্ব দেওয়ার জন্য‌ করা হয়েছে। দিল্লিতে জনসংখ্যা ও জনবিন্যাস সংক্রান্ত এক আলোচনা সভায় এমনই দাবি করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (CAA) নিয়ে বিরোধীদের সমালোচনার জবাব দিতে গিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে বিতাড়িত হিন্দুরা নিজেদের নামে বাড়ি কিনতে পারেননি। তারা সরকারি চাকরি পাননি, রেশন কার্ড পাননি, এমনকি সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাও হয়নি। তাদের অধিকার দেওয়ার জন্যই সিএএ।”

    কাদের জন্য নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) বলেন, “ধর্মের ভিত্তিতে দেশভাগের সিদ্ধান্ত সংসদ নয়, কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটি নিয়েছিল। সেই ভুল সিদ্ধান্তের জন্য এই মানুষগুলোর চার প্রজন্ম নিপীড়নের শিকার হয়েছে। এখন তারা কি সস্তায় রেশন, বছরে ৫ লাখ টাকার স্বাস্থ্যবিমার চিকিৎসা, ভোটাধিকার এবং সম্পত্তি কেনার অধিকার পাবে না?” এ প্রসঙ্গে প্রতিবেশী দেশগুলির তুলনা টেনে শাহ জানান, পাকিস্তানে ১৯৫১ সালে হিন্দু জনসংখ্যা ছিল ১৩ শতাংশ, বর্তমানে তা কমে মাত্র ১.৭৩ শতাংশে। বাংলাদেশে হিন্দু জনসংখ্যা ২২ শতাংশ থেকে নেমে এসেছে ৭.৯ শতাংশে। আফগানিস্তানে হিন্দু-শিখ মিলিয়ে একসময় ছিল ২.২ লক্ষ, এখন মাত্র ১৫০ জন। শাহের বক্তব্য, এই হ্রাস ধর্মান্তরের কারণে নয়, বরং নির্যাতনের ফলে তারা ভারতে আশ্রয় নিয়েছেন। তিনি জানান, “যারা ধর্মরক্ষার জন্য ভারতে এসেছে, তারা উদ্বাস্তু। কিন্তু যারা অর্থনৈতিক বা রাজনৈতিক স্বার্থে অবৈধভাবে ঢুকেছে, তারা অনুপ্রবেশকারী।” অমিত শাহের দাবি, নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (CAA) আনার মাধ্যমে এই অবহেলিত মানুষদের ন্যায্য অধিকার ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। শাহ বলেন, “ভারতের মাটিতে কারা প্রকৃত শরণার্থী আর কারা অনুপ্রবেশকারী, সেই সীমারেখা স্পষ্টভাবে টানা জরুরি। যাঁরা ধর্মীয় নিপীড়নের কারণে এই দেশে আশ্রয় খুঁজেছেন, তাঁদের নৈতিক ও সাংবিধানিক অধিকার রয়েছে ভারতের নাগরিকত্ব পাওয়ার। যতটা অধিকার আমার এই দেশের মাটিতে, ঠিক ততটাই অধিকার পাকিস্তান ও বাংলাদেশের হিন্দুদেরও এই মাটিতে।”

    নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন নিয়ে অপপ্রচার

    নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (CAA) নিয়ে শাহ (Amit Shah) বলেন, সিএএ নিয়ে অন্যায়ভাবে অপপ্রচার চালানো হয়েছে এবং অযথা প্রতিবাদ হয়েছে। তাঁর কথায়, “এই আইন কারও নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়ার জন্য নয়, বরং নির্যাতিতদের নাগরিকত্ব দেওয়ার জন্য।” তাঁর দাবি, ১৯৫১ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে যে ঐতিহাসিক ভুলগুলো হয়েছে, মোদি সরকার তা সংশোধন করেছে। শাহ আরও বলেন, “যারা ভারতে আশ্রয় নিয়েছে তারা উদ্বাস্তু। কিন্তু অবৈধভাবে ঢোকা মানে অনুপ্রবেশ। উদ্বাস্তুদের আমরা নাগরিকত্ব দিচ্ছি, অনুপ্রবেশকারীদের নয়। কারণ, যদি সবাইকে ঢুকতে দেওয়া হয়, তবে ভারত একদিন ধর্মশালা হয়ে যাবে।”

  • India UK Defence Deal: ৩,৮৮৪ কোটি টাকায় ব্রিটেন থেকে হালকা মাল্টিরোল মিসাইল কিনছে ভারত, কী এর বৈশিষ্ট্য?

    India UK Defence Deal: ৩,৮৮৪ কোটি টাকায় ব্রিটেন থেকে হালকা মাল্টিরোল মিসাইল কিনছে ভারত, কী এর বৈশিষ্ট্য?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের প্রতিরক্ষাকে আরও মজবুত ও নিশ্ছিদ্র করার লক্ষ্যে এবার ব্রিটেনের থেকে অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র কিনতে চলেছে ভারত। ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টার্মারের সদ্যসমান্ত ভারত সফরের মধ্যেই এই প্রতিরক্ষা চুক্তির (India UK Defence Deal) বিষয়ে সম্মত হয়েছে দুই পক্ষ, বলে জানা গিয়েছে।

    ৩,৮৮৪ কোটি টাকার ক্ষেপণাস্ত্র চুক্তি

    সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে হওয়া বৈঠকে দুই দেশ ৪৬৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রায় ৩,৮৮৪ কোটি টাকা) মূল্যের একটি প্রতিরক্ষা চুক্তিতে (India UK Defence Deal) সম্মত হয়েছে। এই চুক্তির আওতায় ব্রিটেন ভারতীয় সেনাবাহিনীকে লাইটওয়েট মাল্টিরোল মিসাইল (এলএমএম) বা ‘মার্টলেট’ সরবরাহ করবে। ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদনকারী সংস্থা থ্যালেস এই মিসাইলগুলি তৈরি করবে। ফলে ভারতের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা (এয়ার ডিফেন্স) আরও মজবুত হবে বলে নয়াদিল্লির তরফে আশাপ্রকাশ করা হয়েছে।

    ভারতে আসছে পৌরাণিক পাখি…

    এলএমএম বা মার্টলেট হল হালকা ওজনের একধরনের মাল্টিরোল মিসাইল (Lightweight Multirole Missile) বা বহুমুখী ক্ষেপণাস্ত্র। এই হালকা মিসাইলটি আকাশ থেকে ভূমি (এয়ার-টু-সারফেস), আকাশ থেকে আকাশ (এয়ার-টু-এয়ার), ভূমি থেকে আকাশ (সারফেস-টু-এয়ার) ও ভূমি থেকে ভূমিতে (সারফেস-টু-সারফেস) থাকা লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম। ‘মার্টলেট’ নামটি মূলত একটি পৌরাণিক পাখির নাম। ইংরেজদের যুদ্ধের সাজে এই পাখির একটি কাল্পনিক ছবি থাকে, যার পা নেই। অর্থাৎ এই পাখি কখনও বিশ্রাম নেয় না। ভারতীয় সেনাবাহিনী এই এয়ার ডিফেন্স মিসাইল সিস্টেম এবং লঞ্চার পাবে (India UK Defence Deal)। এলএমএম দ্রুত, নির্ভুল এবং বহুমুখী, ড্রোন, হেলিকপ্টার এবং ছোট বিমান ধ্বংস করতে সক্ষম। এই মিসাইল সাঁজোয়া যান, হেলিকপ্টার এবং যুদ্ধজাহাজ থেকে ছোড়া যেতে পারে। ৬ কিলোমিটার দূরত্ব পর্যন্ত আঘাত হানতে পারে ‘মার্টলেট’। লেজার বিম গাইডেন্স-ভিত্তিক এলএমএম নানা কনফিগারেশনে পাওয়া যায়। মাত্র ১৩ কিলোগ্রাম ওজনের এই মিসাইলটির গতি ম্যাক ১.৫ (শব্দের গতির দেড় গুণ) এবং এটি ২০১৯ সাল থেকে ব্রিটিশ সেনাবাহিনীতে মোতায়েন রয়েছে।

    থ্যালেস তৈরি করবে এই মিসাইল

    ব্রিটিশ সরকার এই চুক্তিকে নিজেদের প্রতিরক্ষা শিল্প এবং ভারতের সঙ্গে গভীরর কৌশলগত সম্পর্কের জন্য একটি ঐতিহাসিক মোড় হিসেবে বর্ণনা করেছে। ব্রিটিশ সরকার বলেছে যে, এই চুক্তিটি (India UK Defence Deal) প্রায় ৭০০ ব্রিটিশ কর্মীর চাকরি নিশ্চিত করবে। এই একই মিসাইল ব্যবহার করছে ইউক্রেন। ব্রিটেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, যেখানে ইউক্রেনের জন্য তৈরি করা হচ্ছে, উত্তর আয়ারল্যান্ডের বেলফাস্টে অবস্থিত থ্যালেস সেই কারখানাতেই এই মিসাইল (Lightweight Multirole Missile) তৈরি হবে। সেখানেই ভারতীয় সেনার জন্য এয়ার ডিফেন্স মিসাইল এবং লঞ্চার তৈরি করা হবে। অন্যদিকে, নয়াদিল্লির তরফে জানানো হয়েছে, সেই মিসাইল চুক্তির হাত ধরে ভারত এবং ব্রিটেনের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্রের ক্ষেত্রে দীর্ঘকালীন সমন্বয়ের পথ আরও প্রশস্ত হল। আত্মনির্ভর ভারতের যে ভিত্তি আছে, সেটার পথও প্রশস্ত হয়েছে।

    সমুদ্রেও ভারত-ব্রিটেন সমঝোতা

    এছাড়াও, সামুদ্রিক খাতে দুই দেশের মধ্যে বেশ কয়েকটি বড় চুক্তি (India UK Defence Deal) স্বাক্ষরিত হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ইন্দো-প্যাসিফিক ওশেন ইনিশিয়েটিভ (IPOI) এর অধীনে একটি রিজিওনাল মেরিটাইম সিকিউরিটি সেন্টার অফ এক্সিলেন্স (RMSCE) প্রতিষ্ঠা। এটি প্রশিক্ষণ, তথ্য ও জ্ঞান ভাগাভাগি এবং প্রযুক্তির উন্নয়নের উপর জোর দেবে। যৌথ বিবৃতিতে, দুই দেশ জানিয়েছে যে এই কেন্দ্রটি জলদস্যু, অবৈধ মাছ ধরা এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার মতো আঞ্চলিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কাজ করবে। এছাড়া, মেরিটাইম ইলেকট্রিক প্রপালশন সিস্টেম তৈরির বিষয়ে দু’দেশ গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেছে। সেই বিষয়টিকে পরবর্তী ধাপে নিয়ে যাওয়ার জন্য সই-সাবুদও হয়েছে।

  • India: কাবুলে ফের খুলছে ভারতীয় দূতাবাস, আফগান বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে জয়শঙ্করের বৈঠকের পরেই ঘোষণা

    India: কাবুলে ফের খুলছে ভারতীয় দূতাবাস, আফগান বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে জয়শঙ্করের বৈঠকের পরেই ঘোষণা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার আরও চাপে পড়ে গেল পাকিস্তান। মজবুত হচ্ছে ভারত-আফগানিস্তান সম্পর্ক। ‘কাবুল মিশন’ (Kabul Mission) সফল করতে সেখানে ফের খোলা হচ্ছে ভারতীয় (India) দূতাবাস। এর পাশাপাশি, দুই দেশের মধ্যে সরাসরি উড়ান পরিষেবা, উন্নয়নমূলক প্রকল্প সম্প্রসারণ এবং মানবিক সাহায্য বাড়ানোর ঘোষণাও করা হয়েছে।

    মুত্তাকি-জয়শঙ্কর বৈঠক (India)

    তালিবান সরকারকে এখনও আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেয়নি ভারত। এই সরকারেরই বিদেশমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকি ভারত সফরে এসেছেন বৃহস্পতিবার। থাকবেন এক সপ্তাহ। আফগানিস্তানের ক্ষমতা দখলের পর এই প্রথম সে দেশের নয়া সরকারের শীর্ষ কোনও নেতা প্রথম এলেন ভারত সফরে। শুক্রবার ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠকে বসেন আফগানিস্তানের বিদেশমন্ত্রী। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিদেশ সচিব বিক্রম মিস্রি, পাকিস্তান–আফগানিস্তান–ইরান বিষয়ক যুগ্ম সচিব আনন্দ প্রকাশ এবং বিদেশমন্ত্রকের অন্য কর্তারা। বৈঠক শেষে জয়শঙ্কর বলেন, “আজ আমি আনন্দের সঙ্গে ঘোষণা করছি যে কাবুলে ভারতের প্রযুক্তিগত মিশনকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘ভারতের দূতাবাসে’র মর্যাদা দেওয়া হচ্ছে।” আফগান বিদেশমন্ত্রীকে “এক্সেলেন্সি” সম্বোধন করে জয়শঙ্কর বলেন, “আপনার এই সফর আমাদের পারস্পরিক সম্পর্ক এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার এবং ভারত-আফগানিস্তানের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব ফের নিশ্চিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।”

    কী বললেন মুত্তাকি

    প্রসঙ্গত, ২০২১ সালে আফগানিস্তানের রাশ যায় তালিবানদের হাতে। তার পরেই বন্ধ করে দেওয়া হয় কাবুলের ভারতীয় দূতাবাস। তবে গত কয়েক মাসে ঘনিষ্ঠতা বেড়েছে দুই দেশের মধ্যে। এহেন আবহে আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে পুরোদস্তুর দূতাবাস চালু করার ঘোষণা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই ধারণা কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞদের। ভারতের বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে সদলে বৈঠক শেষে মুত্তাকি বলেন, “আশা করছি, দুই দেশের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা আরও বাড়বে (Kabul Mission)। যোগাযোগ এবং বিনিময় বৃদ্ধি পাবে।” নয়াদিল্লিকে ‘ঘনিষ্ঠ বন্ধু’ আখ্যা দেন আফগান বিদেশমন্ত্রী। তিনি বলেন, “পারস্পরিক সম্মান, বাণিজ্য এবং দুই দেশের সাধারণ মানুষের পারস্পরিক সম্পর্কের ভিত্তিতে সম্পর্ক গড়ে তুলতে চাই আমরা।” তালিবান সরকারের বিদেশমন্ত্রী মুত্তাকি সাফ জানিয়ে দেন, “আমাদের ভূখণ্ড ব্যবহার করে কোনও দেশকে অন্য দেশের ওপরে হামলা চালাতে দেব না।” আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, আফগান বিদেশমন্ত্রীর নিশানায় যে আদতে পাকিস্তানই, তা বলাই বাহুল্য। যদিও ইসলামাবাদের নাম মুখে আনেননি তালিবান সরকারের বিদেশমন্ত্রী।

    খনি খুঁড়তে ভারতকে আমন্ত্রণ

    এর পরেই দূতাবাস খোলার কথা ঘোষণা করেন জয়শঙ্কর। বলেন, “আফগানিস্তানের সার্বভৌমত্ব, ভৌগোলিক অখণ্ডতা এবং স্বাধীনতাকে সমর্থন করে ভারত। নয়াদিল্লির (India) টেকনিক্যাল মিশন কাবুলে রাষ্ট্রীয় দূতাবাসের মর্যাদা পাবে।” আফগানিস্তানের খনি ক্ষেত্রগুলিতে খনন কার্য চালানোর অনুমতি পেয়েছে ভারত। সেজন্য ভারতীয় বিভিন্ন কোম্পানিকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে তালিবান সরকার। ভারতের বিদেশমন্ত্রী বলেন, “এতে দুই দেশেরই স্বার্থ রয়েছে। বাণিজ্য এবং ব্যবসা বাড়বে।” কাবুল এবং নয়াদিল্লির মধ্যে অতিরিক্ত উড়ান চালুর কথাও মনে করিয়ে দেন জয়শঙ্কর। এর পরেই ভূমিকম্পের সময় ভারতের মানবিক সাহায্যের জন্য নয়াদিল্লিকে ধন্যবাদও জানান মুত্তাকি (Kabul Mission)।

    পুরোদমে চালু হচ্ছে ভারতীয় দূতাবাস

    ২০২২ সালে কাবুলে একটি টেকনিক্যাল টিম পাঠিয়েছিল ভারত। সেই থেকেই সেই টিমের সদস্যরা অবস্থান করছিলেন ভারতীয় দূতাবাসে। সেই দূতাবাসই এবার চালু হচ্ছে পুরোদমে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, পাকিস্তান ও তালিবান সরকারের মধ্যে সীমান্তবর্তী সন্ত্রাস ও আফগান শরণার্থীদের পুনর্বাসন নিয়ে সম্পর্কের টানাপোড়েনের আবহে কাবুলের সঙ্গে ভারতের যোগাযোগ বাড়ানোর নয়া সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। সেটাকেই কাজে লাগাল ভারত। বৈঠকে জয়শঙ্কর বলেন, “ভারত আফগানিস্তানের সার্বভৌমত্ব, আঞ্চলিক অখণ্ডতা এবং স্বাধীনতার প্রতি পূর্ণ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমাদের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা শুধু আফগানিস্তানের জাতীয় উন্নয়নেই নয়, গোটা অঞ্চলের স্থিতিশীলতা এবং সহনশীলতাও নিশ্চিত করে।” তিনি আরও জানান, ভারত অতীতের প্রকল্পগুলির রক্ষণাবেক্ষণ ও অসম্পূর্ণ প্রকল্পগুলির সমাপ্তিতে সহযোগিতা করবে। আফগানিস্তানের উন্নয়নমূলক অন্যান্য চাহিদা সম্পর্কেও আলোচনা হবে।

    দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতায় জোর

    এদিন, বৈঠকের শুরুতেই জয়শঙ্কর বলেন, “আমাদের মুখোমুখি এই সাক্ষাৎ বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। এই বৈঠক আমাদের দৃষ্টিভঙ্গির বিনিময়, অভিন্ন স্বার্থ চিহ্নিত করা এবং ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার সুযোগ দিয়েছে।” নাম না করে পাকিস্তানকে নিশানা করে ভারতের বিদেশমন্ত্রীও বলেন, “আমাদের উভয় দেশেরই উন্নয়ন এবং সমৃদ্ধির প্রতি অভিন্ন প্রতিশ্রুতি রয়েছে। কিন্তু সীমান্তবর্তী সন্ত্রাসবাদ সেই লক্ষ্যে বড় হুমকি (Kabul Mission)। সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় আমাদের একযোগে কাজ করতে হবে। ভারতের নিরাপত্তা উদ্বেগের প্রতি আপনার সংবেদনশীলতার প্রশংসা আমরা করি (India)।” তিনি বলেন, “আমাদের শিক্ষা ও সক্ষমতা বৃদ্ধির কর্মসূচিগুলি দীর্ঘদিন ধরে আফগান যুবসমাজকে লালন-পালন করে আসছে। আমরা আফগান শিক্ষার্থীদের জন্য ভারতীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে পড়াশোনার সুযোগ আরও বাড়বে।” তিনি বলেন, “খেলাধুলো আর একটি দীর্ঘদিনের সংযোগের ক্ষেত্র। আফগানিস্তানের ক্রিকেট প্রতিভার উত্থান সত্যিই প্রশংসনীয়। আফগানিস্তানের ক্রিকেটকে আরও সাহায্য করতে পেরে ভারত আনন্দিত।”

    এদিকে, তালিবান সরকারের বিদেশমন্ত্রীর ভারত সফরের মধ্যেই বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল কাবুল। অনুমান, এই হামলা চালিয়েছে পাক বিমানবাহিনী (Kabul Mission)। পাকিস্তানের সঙ্গে তালিবানদের সম্পর্কের নাটকীয় অবনতির পরেই ঘটল এই হামলা (India)।

  • IAF: রাওয়ালপিন্ডিকে ‘রোস্ট’ করে খেল ভারত! প্রতীকী মেনুতে পাকিস্তানকে কটাক্ষ বায়ুসেনার, নেটদুনিয়ায় প্রশংসার বন্যা

    IAF: রাওয়ালপিন্ডিকে ‘রোস্ট’ করে খেল ভারত! প্রতীকী মেনুতে পাকিস্তানকে কটাক্ষ বায়ুসেনার, নেটদুনিয়ায় প্রশংসার বন্যা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এয়ার ফোর্স ডে ডিনার পার্টিতে পাকিস্তানকেই ‘রোস্ট’ করে খেয়ে নিলেন এয়ার চিফ মার্শাল এপি সিংয়ের ছেলেরা। মেনুর শুরুতে ‘রাওয়ালপিন্ডি চিকেন টিক্কা মশলা’, একেবারে শেষে ‘মুরিদকে মিষ্টি পান’। উপলক্ষ্য ভারতীয় বায়ুসেনার ৯৩-তম প্রতিষ্ঠা দিবস। আর এই বিশেষ দিনটিতে বায়ুসেনার নৈশভোজের মেনুকার্ড এখন ভাইরাল সোশ্যাল মিডিয়ায়। মেনুকার্ডের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পাকিস্তানকে ‘কটাক্ষ’ করা হয়েছে। বায়ু সেনার এই মেনু বুঝিয়ে দিয়েছে, ভারত কোনও আক্রমণ ভোলে না, প্রয়োজনে জবাব দেয় নিজের মতো করে। “ইনফ্যালিবল, ইম্পারভিয়াস অ্যান্ড প্রিসাইস” স্লোগানের নিচে সাজানো এই মেনু সেই আত্মবিশ্বাসেরই প্রতিফলন।

    বায়ুসেনার মেনু নজরকাড়া

    ৮ অক্টোবর ছিল বায়ুসেনা দিবস। এদিন বায়ুসেনার বিশেষ ভোজে পরিবেশিত খাবারের নামগুলি যেন ছিল একেবারে যুদ্ধক্ষেত্রের গল্প বলার মতো — ‘রাওয়ালপিন্ডি চিকেন টিক্কা মাসালা’ থেকে শুরু করে ‘ভোলারি পনির মেথি মালাই’, ‘মুজাফফরাবাদ কুলফি ফালুদা’ এবং ‘বালাকোট টিরামিসু’। শোনা যাচ্ছে, ভারতের সামরিক সাফল্যের প্রতীক হিসেবেই এই মেনুর প্রতিটি পদ রাখা হয়েছিল। প্রথম নজরে এটি হয়তো এক সাধারণ উৎসবের ভোজ মনে হতে পারে, কিন্তু বাস্তবে এই মেনু ছিল পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারতের সামরিক অভিযানের সাফল্যের এক রসিক উপস্থাপনা। বিশেষত, ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর সময় পাকিস্তানের ভেতরে বায়ুসেনার সফল আঘাতগুলিকে যেন থালায় সাজিয়ে পরিবেশন করা হয়েছে ভারতের বীর বায়ুসেনা সদস্যদের সামনে। ‘অপারেশন সিঁদুর’ ও পহেলগাঁও হামলার পর দেশ জুড়ে এক অদম্য মনোভাব তৈরি হয়েছে। পাক বিরোধিতা চোখে পড়েছে ক্রিকেটের ময়দানেও। ভারত পাক দ্বন্দ্বের আবহে অনেকে এই মেনুকে দেখছেন প্রতিশোধ ও আত্মগর্বের এক নীরব প্রতীক হিসেবে। ৯৩ বছরে এসে বায়ু সেনার বার্তা স্পষ্ট – “আমরা নির্ভুল, অদম্য ও অনমনীয়।”

    পাকিস্তানকে নিয়ে কার্যত ছেলেখেলা

    অপারেশন সিঁদুর-এ পাকিস্তানকে নাস্তানাবুদ করার পর এবার সোশ্যাল মিডিয়াতেও পাকিস্তানকে নিয়ে কার্যত ছেলেখেলা করেছে ভারতের বায়ুসেনা। মেনুতে খাবারের নাম- ‘রফিকি রাড়া মটন’, ‘ভোলারি পনির মেথি মালাই’, ‘সুক্কুর শাম সবেরা কোফতা’, ‘সারগোধা ডাল মাখানি’, ‘জ্যাকোবাবাদ মেওয়া পোলাও’, ‘বাহাওয়ালপুর নান’। মেনুতে সেই সব জায়গার নামের সঙ্গে ভারতীয় খাবারের নাম জুড়ে দেওয়া হয়েছে, যেগুলি ভারতের সেনা পহেলগাঁও হামলার প্রত্যাঘাতের সময় পাকিস্তানে ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত করে দিয়ে এসেছে। পাক সেনা বা সরকার তা স্বীকার না করলেও রীতিমতো স্যাটেলাইট ইমেজ দেখিয়ে বিদেশমন্ত্রক, দেশের সেনা প্রধান, বায়ুসেনা প্রধানরা সে সবের প্রমাণ দিয়েছেন। ‘ভোলারি পনির মেথি মালাই’ নামটি সরাসরি পাকিস্তানের সিন্ধ প্রদেশের ভোলারি বিমানঘাঁটি-র প্রতি ইঙ্গিত করছে, যেখানে ভারতীয় বায়ুসেনার হামলায় বড় ক্ষতি হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়। আর মিষ্টান্নে পরিবেশিত ‘বালাকোট টিরামিসু’ যেন ২০১৯ সালের সেই ঐতিহাসিক বালাকোট এয়ার স্ট্রাইক-এর প্রতীক — যেখানে ভারত জয়ীভাবে জবাব দিয়েছিল সন্ত্রাসের আশ্রয়স্থলকে। এই প্রতীকী পদগুলির মাধ্যমে বায়ুসেনা দিবসের ভোজ যেন হয়ে উঠেছিল ভারতের সামরিক সাহসিকতা ও কৌশলের এক সৃজনশীল উদযাপন।

  • India-Britain Relation: ‘উগ্রপন্থার কোনও স্থান নেই’, খালিস্তানি ইস্যুতে স্টার্মারকে স্পষ্ট বার্তা প্রধানমন্ত্রী মোদির

    India-Britain Relation: ‘উগ্রপন্থার কোনও স্থান নেই’, খালিস্তানি ইস্যুতে স্টার্মারকে স্পষ্ট বার্তা প্রধানমন্ত্রী মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খালিস্তানি চরমপন্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi)। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টার্মারের (Keir Starmer) সঙ্গে বৈঠকে মোদি জোর দিয়ে বলেন, গণতান্ত্রিক সমাজে উগ্রপন্থা ও সহিংসতা কোনওভাবেই বরদাস্ত করা যায় না। বৈঠক শেষে দুই প্রধানমন্ত্রীর যৌথ বিবৃতিতে সন্ত্রাসবাদ ও সহিংস উগ্রপন্থার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করা হয়েছে। তাঁরা জিরো টলারেন্স নীতির ওপর জোর দিয়ে বলেন, সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক স্তরে একসঙ্গে লড়াই করা জরুরি। এই প্রক্রিয়ায় রাষ্ট্রসঙ্ঘের সনদ ও আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়।

    খালিস্তান প্রসঙ্গে কঠোর বার্তা

    ভারত ও ব্রিটেনের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক আলোচনার পর, বিদেশ সচিব বিক্রম মিশ্রি সাংবাদিকদের জানান, “খালিস্তানি চরমপন্থা নিয়ে দুই নেতার মধ্যে আলোচনা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী মোদি স্পষ্ট করে বলেন, সমাজে যে স্বাধীনতা ও অধিকার রয়েছে, তা কোনওভাবেই সহিংস উগ্রপন্থার হাতিয়ার হতে পারে না। এই ধরনের কার্যকলাপের বিরুদ্ধে দুই দেশকেই তাদের আইনি কাঠামোর মধ্যে থেকে কড়া ব্যবস্থা নিতে হবে।” প্রধানমন্ত্রী মোদি সম্প্রতি ম্যানচেস্টারে ঘটে যাওয়া সন্ত্রাসী হামলায় নিহতদের প্রতি সমবেদনা জানান। ওই ঘটনায় একটি গাড়ি নিয়ে পথচারীদের উপর হামলা করা হয়, যাতে দুই জন প্রাণ হারান।

    সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় পাশাপাশি

    বিদেশমন্ত্রক সূত্রে খবর, প্রধানমন্ত্রী মোদি ও ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী স্টার্মারের মধ্যে সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় তথ্য আদান-প্রদান, আইনি সহযোগিতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দেশ আরও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার কথা হয়েছে। যৌথ বিবৃতিতে সন্ত্রাসী অর্থায়ন, সীমান্ত পেরিয়ে জঙ্গিদের চলাচল, প্রযুক্তির অপব্যবহার, ও নতুন নিয়োগে রাশ টানতে একসঙ্গে পদক্ষেপ করা হবে বলেও জানানো হয়েছে। ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে ঘটে যাওয়া সন্ত্রাসী হামলারও তীব্র নিন্দা করা হয়েছে।

    ভারতীয় অর্থনীতির ভূয়সী প্রশংসা

    ভারতের অর্থনৈতিক উন্নয়নেরও ভূয়সী প্রশংসা করেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টার্মার (Keir Starmer)। জানান ভারতে ক্যাম্পাস খুলবে ব্রিটেনের ৯টি বিশ্ববিদ্যালয়। বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Narendra Modi)সঙ্গে মুম্বইয়ে দেখা করেন স্টার্মার। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পরে এটি স্টার্মারের প্রথম ভারত সফর। দু’দেশের সম্পর্ক আরও মজবুত করার বার্তা দিয়েছেন দুই রাষ্ট্রনেতাই। বৈঠকে মূলত প্রতিরক্ষা ও বাণিজ্য বিষয়েই জোর দেওয়া হয়। বৈঠকের পর একটি যৌথ বিবৃতিও প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, ‘ভারত এবং ব্রিটেন দীর্ঘ দিনের বন্ধু। দু’দেশেই গণতন্ত্র, স্বাধীনতা এবং আইনের শাসন রয়েছে। ভারত এবং ব্রিটেন একে অপরের উন্নতি এবং বিভিন্ন স্তরে অগ্রগ্রতির জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’

    আরও মজবুত ভারত (India)-ব্রিটেন সম্পর্ক

    সরকারি সূত্রে জানা গেছে, মোদি ও স্টার্মারের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে দুই দেশের কৌশলগত অংশীদারিত্বকে আরও গভীর করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বিশেষ করে ২০৩৫ সালের রোডম্যাপকে সামনে রেখে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, প্রযুক্তি, প্রতিরক্ষা, শিক্ষা এবং জলবায়ু পরিবর্তনসহ নানা ক্ষেত্রে সহযোগিতা বৃদ্ধির পথ খোঁজা হয়। কূটনৈতিক সূত্রের খবর, এই বৈঠকের ফলে দুই দেশের মধ্যে প্রযুক্তি ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতার ক্ষেত্র আরও প্রসারিত হবে। পাশাপাশি, সবুজ শক্তি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, শিক্ষা ও স্টার্ট-আপ খাতে যৌথ বিনিয়োগের বিষয়ও আলোচনায় এসেছে।

    স্টার্মারের সফরের রাজনৈতিক গুরুত্ব

    বিশেষজ্ঞদের মতে, স্টার্মারের সফরের রাজনৈতিক গুরুত্বও কম নয়। ব্রিটেনের ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাইরে অবস্থান এবং দক্ষিণ এশিয়ার কৌশলগত গুরুত্বের প্রেক্ষিতে ভারত (India) এখন ব্রিটেনের সবচেয়ে বড় সম্ভাবনাময় অংশীদার। অন্যদিকে, মোদি সরকারের ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ এবং ‘ডিজিটাল ইন্ডিয়া’ উদ্যোগে ব্রিটিশ বিনিয়োগকে স্বাগত জানাতে আগ্রহী নয়াদিল্লি। কূটনৈতিক মহলের ধারণা, এই সফরের মাধ্যমে ভারত-ব্রিটেন সম্পর্ক এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে, যা আগামী দশকে দুই দেশের অর্থনীতি ও প্রতিরক্ষায় গভীর প্রভাব ফেলবে।

    শিক্ষাখাতে বিনিয়োগ

    বৈঠক শেষে যৌথ সাংবাদিক সম্মেলনে স্টার্মার জানান, ভারতে ক্যাম্পাস খুলবে ব্রিটেনের ৯টি বিশ্ববিদ্যালয়। তবে সেই তালিকায় কোন কোন ব্রিটিশ বিশ্ববিদ্যালয় থাকবে, তা এখনও জানা যায়নি। শিক্ষা খাতে ভারত-ব্রিটেন সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করার কথাও বলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী। তাঁর কথায়, “ভারতের তরুণ প্রজন্মই ২০৪৭ সালের লক্ষ্য পূরণে নেতৃত্ব দেবে।” গত জুলাইয়ে ভারত-ব্রিটেনের মধ্যে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি হয়। সেই চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পর এই প্রথম বৈঠক করলেন দুই রাষ্ট্রনেতা মোদি ও স্টার্মার। প্রযুক্তি এবং উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে ভারত ও ব্রিটেনকে ‘বিশ্বনেতা’ হিসেবে বর্ণনা করে স্টারমার বলেন, “আমরা প্রযুক্তি ও নিরাপত্তা খাতে আমাদের সহযোগিতা আরও গভীর করছি—এআই, উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি নিয়ে নতুন উদ্যোগ নিচ্ছি।” তিনি আরও জানান, বলিউডকে কেন্দ্র করে ব্রিটেনে চলচ্চিত্র নির্মাণের এক নতুন চুক্তির ঘোষণা করা হবে। উল্লেখ্য, স্টার্মার বৃহস্পতিবার ইয়াশরাজ ফিল্ম স্টুডিও পরিদর্শন করেন। বৃহস্পতিবার সাংবাদিক বৈঠক করে স্টার্মার বলেন, ‘‘ভারতের উন্নতির রেখাচিত্র অসাধারণ।’’ ভারত-ব্রিটেন ফ্রি-ট্রেড ডিল, সামরিক প্রশিক্ষণেও একে অপরকে সাহায্য করবে দু’দেশ বলেও জানান তিনি। তাঁর কথায়, ‘‘ভবিষ্যতের দিকে নজর রেখে আধুনিক উন্নত অংশিদারিত্ব করতে চলেছে দুই দেশ।’’ দু’দিনের সফরে মুম্বইয়ে এসেছেন স্টার্মার। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন সেখানকার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, নেতা, উদ্যোক্তা, শিক্ষাবিদদের ১২৫ জনের একটি দল।

  • Benjamin Netanyahu: বিশ্বে গুরুত্ব বাড়ছে মোদির, মন্ত্রিসভার বৈঠক থামিয়ে প্রধানমন্ত্রীর ফোন ধরলেন নেতানিয়াহু

    Benjamin Netanyahu: বিশ্বে গুরুত্ব বাড়ছে মোদির, মন্ত্রিসভার বৈঠক থামিয়ে প্রধানমন্ত্রীর ফোন ধরলেন নেতানিয়াহু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্রমেই বিশ্বনেতা হয়ে উঠছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তামাম বিশ্বে দিনের পর দিন তাঁর জনপ্রিয়তার পারা যে বাড়ছে, তার প্রমাণ আমরা পেয়েছি একাধিকবার। আবারও একবার মিলল তার প্রমাণ। বৃহস্পতিবার সিকিউরিটি ক্যাবিনেট বৈঠকে ব্যস্ত ছিলেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু (Benjamin Netanyahu)। সেই সময় ফোন করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। বন্ধুর ফোন ধরতে বৈঠক স্থগিত করে দেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী। গাজা শান্তি পরিকল্পনার জন্য তাঁকে অভিনন্দনও জানান ভারতের প্রধানমন্ত্রী। তার আগে ওই একই ইস্যুতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গেও কথা বলেন মোদি।

    নেতানিয়াহুকে ফোন মোদির (Benjamin Netanyahu)

    ট্রাম্পের সঙ্গে কথোপকথনের পরেই ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রীকে ফোন করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। এর পরেই সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে তিনি লেখেন, “প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের গাজা শান্তি পরিকল্পনার অগ্রগতির জন্য অভিনন্দন জানাতে আমার বন্ধু প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুকে ফোন করেছিলাম। আমরা বন্দিদের মুক্তি এবং গাজার জনগণকে উন্নত মানবিক সহায়তা সংক্রান্ত চুক্তিকে স্বাগত জানাই। আমি আবারও বলেছি যে, যে কোনও রূপে সন্ত্রাসবাদ বিশ্বের কোথাও গ্রহণযোগ্য নয়।”

    ইজরায়েলের বিবৃতি

    মোদি-নেতানিয়াহু কথোপকথন প্রসঙ্গে ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের তরফে জারি করা এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নেতানিয়াহু গাজায় যুদ্ধবিরতি ও বন্দিদের মুক্তি চুক্তি নিয়ে আলোচনা করার জন্য সিকিউরিটি ক্যাবিনেটের বৈঠক ডেকেছিলেন। সেই বৈঠক চলাকালীনই ফোন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই আবহে সিকিউরিটি ক্যাবিনেটের বৈঠক থামিয়ে দিয়ে মোদির সঙ্গে কথা বলেন নেতানিয়াহু। এই কথোপকথনের সময় ইজরায়েল-ভারত বন্ধুত্ব আরও দৃঢ় করার বার্তা দেন নেতানিয়াহু। ইজরায়েলের প্রতি ভারতের সমর্থনের জন্য মোদিকে ধন্যবাদও জানান তিনি। উভয় নেতাই ঘনিষ্ঠ সহযোগিতায় কাজ চালিয়ে যেতে সম্মত হয়েছেন।

    এর আগে প্রধানমন্ত্রী মোদি প্রকাশ্যে প্রশংসা করেছিলেন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বের। তিনি ইজরায়েল-গাজা যুদ্ধবিরতি চুক্তিটিকে তাঁর দৃঢ় নেতৃত্বের প্রতিফলন বলেও উল্লেখ (Benjamin Netanyahu) করেন। তিনি বলেন, “আমরা আশা করি, বন্দিদের মুক্তি এবং গাজাবাসীর জন্য মানবিক সহায়তা বৃদ্ধির মাধ্যমে তাদের কিছুটা স্বস্তি মিলবে এবং স্থায়ী শান্তির (PM Modi) পথ প্রশস্ত হবে। প্রসঙ্গত, যুদ্ধবিরতির এই চুক্তির অধীনে গাজায় আটক বন্দিদের মুক্তি দেবে হামাস, বিনিময়ে ইজরায়েলের গারদে আটক শত শত প্যালেস্তাইন বন্দিকে মুক্তি দেওয়া হবে (Benjamin Netanyahu)।

  • Ayodhya Ram Leela: ৫০টিরও বেশি দেশ উপভোগ করল বর্ণাঢ্য ডিজিটাল রামলীলা

    Ayodhya Ram Leela: ৫০টিরও বেশি দেশ উপভোগ করল বর্ণাঢ্য ডিজিটাল রামলীলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের একবার বিশ্ববাসীর নজর কাড়ল উত্তরপ্রদেশের অযোধ্যা নগরী। বর্ণাঢ্য ডিজিটাল রামলীলা (Ayodhya Ram Leela) এ বার ছুঁল এক অনন্য উচ্চতা। ৫০টিরও বেশি দেশে মোট ৬২ কোটি বৈশ্বিক দর্শকের (Indian Culture) রেকর্ড ভিউয়ারশিপ নিয়ে এই বার্ষিক সাংস্কৃতিক উৎসবটি বিশ্বের সর্ববৃহৎ ও সর্বাধিক জাঁকজমকপূর্ণ ডিজিটাল রামলীলা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে। মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের দূরদর্শী নেতৃত্ব ও সহায়তায় অনুষ্ঠিত এই অযোধ্যা উৎসব শুধু ভারতের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকেই উদযাপন করেনি, বরং বৈশ্বিক পরিসরে শহরটির ক্রমবর্ধমান আধ্যাত্মিক গুরুত্বকেও তুলে ধরেছে।

    ডিজিটাল রামলীলা (Ayodhya Ram Leela)

    এবার অযোধ্যার রামলীলা সরাসরি সম্প্রচারিত হয়েছে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে-মহাদেশে। এই জাঁকজমকপূর্ণ ডিজিটাল রামলীলা নেপাল, শ্রীলঙ্কা, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, জার্মানি, কানাডা এবং অস্ট্রেলিয়ার মতো দেশেও ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। সম্প্রচার পৌঁছেছে নানা প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে। এগুলির মধ্যে রয়েছে আরাধনা টাটা প্লে, শেমারু মি, ভিআই অ্যাপ, এয়ারটেল, ইউটিউব এবং ফেসবুকও। শুধু শেমারু ভক্তি ইউটিউব চ্যানেলেই ৮ কোটিরও বেশি দর্শক এই ঐশ্বরিক মহাকাব্য প্রত্যক্ষ করেছেন। উত্তরপ্রদেশ সরকার সংস্কৃতি মন্ত্রকের সহযোগিতায় অযোধ্যা রামলীলা অনুষ্ঠানের মর্যাদাকে বৈশ্বিক পর্যায়ে নিয়ে যেতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। তাদের যৌথ প্রচেষ্টার ফলে বিশ্বের নানা প্রান্তের কোটি কোটি ভক্ত এই অনুষ্ঠানটি প্রত্যক্ষ করতে পেরেছেন, যা ডিজিটাল যুগে ভারতের সাংস্কৃতিক নেতৃত্বের অবস্থানকে আরও সুদৃঢ় করেছে। অনুষ্ঠানটির লাইভ সম্প্রচার ও ডিজিটাল প্রযোজনায় প্রায় ১০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছিল।

    অত্যাধুনিক থ্রি-ডি ভিজ্যুয়াল

    অনুষ্ঠানটিকে আকর্ষণীয় করে তুলতে আয়োজকরা অত্যাধুনিক থ্রি-ডি ভিজ্যুয়াল এফেক্টস, হাই-ডেফিনেশন ডিজিটাল প্রজেকশন, আধুনিক মঞ্চ নকশা এবং পরিশীলিত আলোকসজ্জা প্রযুক্তি ব্যবহার করেন। এই উপাদানগুলি ঐতিহ্যবাহী রামলীলাকে এক মনোমুগ্ধকর চলচ্চিত্রের মতো অভিজ্ঞতায় রূপান্তরিত করেছে, যেখানে ভক্তি ও আধুনিক সৃজনশীলতার মেলবন্ধন ঘটেছে। তাই তামাম বিশ্বের দর্শকরা ভগবান শ্রী রামের ঐশ্বরিক কাহিনি উপভোগ করার সুযোগ পেয়েছেন (Ayodhya Ram Leela)। মুম্বই ও দিল্লির ২৫০ জনেরও বেশি শিল্পী, যাঁদের মধ্যে ছিলেন ভাগ্যশ্রী, বিন্দু দারা সিং, শাহবাজ খান, অনিল ধাওয়ান ও সুনীল পালও, তাঁদের অসাধারণ অভিনয়ের মাধ্যমে মহাকাব্যটিকে জীবন্ত করে তুলেছিলেন।

    এদিকে, ৫ অক্টোবর ক্রয়ডনের ঐতিহ্যবাহী ফেয়ারফিল্ড হলস কনসার্ট থিয়েটারে হল “লন্ডন কি রামলীলা ২০২৫”। এই মহোৎসব দর্শক ও বিশিষ্টজনেদের ব্যাপক প্রশংসা কুড়োয়। সাটন ফ্রেন্ডসের ব্যানারে প্রযোজনা ও পরিচালনা করেন প্রবীণ কুমার। আধুনিক মঞ্চ-প্রযুক্তি, বর্ণিল এলইডি ব্যাকড্রপ, সরাসরি বর্ণনা ও শক্তিশালী (Indian Culture) অভিনয়ের মাধ্যমে এই প্রযোজনায় চিরন্তন মহাকাব্য ‘মর্যাদা পুরুষোত্তম শ্রী রামে’র কাহিনি জীবন্ত হয়ে ওঠে (Ayodhya Ram Leela)।

  • Weather Update: বৃষ্টি বিদায়ের আগেই জাঁকিয়ে শীত! দেশের বিভিন্ন প্রান্তে আগাম ঠান্ডা পড়ার ইঙ্গিত

    Weather Update: বৃষ্টি বিদায়ের আগেই জাঁকিয়ে শীত! দেশের বিভিন্ন প্রান্তে আগাম ঠান্ডা পড়ার ইঙ্গিত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃষ্টি বিদায় (Weather Update) নেয়নি এখনও। দেশ তথা রাজ্যের নানা প্রান্তে মাঝেমাঝেই হচ্ছে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টিপাত। তারই মধ্যে উত্তর-ভারতে (North India) শীতের পরশ লাগতে শুরু করেছে। হিমাচল প্রদেশ (Himachal Pradesh) ও জম্মু–কাশ্মীরের (Jammu Kashmir) অধিকাংশ এলাকায় তুষারপাত হয়েছে। পাশাপাশি দিল্লি এবং সমতলের অনেক রাজ্যে তাপমাত্রার পারদও নামতে শুরু করেছে। এই আবহেই মৌসভ ভবনের (IMD) পূর্বাভাস, চলতি বছর নির্ধারিত সময়ের আগেই দেশে শীত (Winter Prediction) পড়তে পারে। শহর কলকাতাতেও ভোরের দিকে হালকা শিরশিরানি অনুভূত হচ্ছে। জোড়ে পাখা বা এসি কোনওটাই চালানো যাচ্ছে না।

    কবে বিদায় নিতে পারে বর্ষা?

    আবহাওয়া দফতর (Weather Update) বলছে, গুজরাটের বড় অংশ থেকেই বর্ষা বিদায়ের পর্ব শুরু হয়ে গিয়েছে। যে অংশে বর্ষা এখনও থমকে রয়েছে সেখান থেকে আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই বর্ষা চলে যেতে পারে। পাশাপাশি মধ্যপ্রদেশ, উত্তরপ্রদেশ, মহারাষ্ট্রের একটা বড় অংশেও বর্ষা বিদায়ের অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এখান থেকেও বর্ষা বিদায় নিতে পারে বর্ষা। আর তার পরের ফেজেই বাংলাতেও বর্ষা বিদায়ের অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে মনে করেছেন আবহবিদদের বড় অংশ। তবে, শুক্রবারও বঙ্গোপসাগরে নতুন ঘূর্ণাবর্তের পূর্বাভাস রয়েছে। বাংলাদেশের ঘূর্ণাবর্তের প্রভাবে এদিনও থাকছে বৃষ্টির পূর্বাভাস। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা থাকছে দক্ষিণবঙ্গে। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হতে পারে কলকাতাতেও।

    শীতের অনুকূল পরিবেশ

    আইএমডি (Winter Prediction) জানিয়েছে, অক্টোবর মাসে দেশের বেশিরভাগ অংশে স্বাভাবিকের তুলনায় প্রায় ১৫ শতাংশ বেশি বৃষ্টিপাত হতে পারে। পরিসংখ্যান বলছে, ১৯৭১–২০২০ সালের গড় ৭৫.৪ মিলিমিটারের তুলনায় এবারের বৃষ্টি সেই গড় ছাড়িয়ে যাবে। তবে, মধ্য ও দক্ষিণ ভারতের বাইরে দেশের অধিকাংশ স্থানে অক্টোবর মাসে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যদিকে, অক্টোবর–ডিসেম্বর মাসে দক্ষিণের রাজ্যগুলিতে (South Indian States) আর্দ্রতা বাড়ার সম্ভাবনা। বিশেষ করে তামিলনাড়ু, কেরল ও উপকূলীয় অন্ধ্রপ্রদেশে গড়ের তুলনায় প্রায় ১২ শতাংশ বেশি বৃষ্টিপাত হতে পারে বলে পূর্বাভাস। আবহাওয়া দফতরের ইঙ্গিত, এই পরিস্থিতি আগামী কয়েক সপ্তাহ চলবে এবং তার জেরেই আগাম শীতের পরিবেশ তৈরি হতে পারে। বর্ষা বিদায়ের পর শীত আসার আগে শুরু হবে সাইক্লোনের মরসুম। অক্টোবর থেকে ডিসেম্বরের প্রথম ভাগ পর্যন্ত এই ঘূর্ণিঝড়ের সময় চলবে। এর মাঝেই ঘটবে শীতের আগমন।

    উত্তর-পশ্চিম ভারতে তুষারপাত

    এরইমধ্যে অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহেই ব্য়াপক তুষারপাতের ছবি দেখা গিয়েছে উত্তর-পশ্চিম ভারতে। উত্তর ভারতের বড় অঞ্চল বরফের চাদরে ঢাকা পড়েছে। কাশ্মীর, হিমাচলপ্রদেশের বড় অংশ তো বটেই, তুষারপাত দেখা গিয়েছে উত্তরাখণ্ডের বড় অংশেও। কেদারনাথ থেকে গুলমার্গ, মানালি ধবধবে সাদা বরফে ঢাকা পড়তেই খুশির হাওয়া পর্যটকদের মধ্যেও। অনন্তনাগ জেলার পহেলগাঁওয়ের আরু ভ্যালিতেও তুষারপাতের ছবি দেখা যায়। অন্যদিকে, উত্তরাখণ্ডের চামোলি জেলার হেমকুন্ড সাহিব গুরুদ্বার বরফে ঢাকা পড়ে। একইসঙ্গে কেদারনাথেও পুণ্যার্থীরা বছরের প্রথম তুষারপাত (Snowfall in Himachal) দেখেন।

    আগে পুজো, আগে শীত

    হাওয়া অফিস (Weather Update) বলছে আচমকা পশ্চিমী ঝঞ্ঝার আগমণের কারণেই বরফ পড়ছে পার্বত্য অঞ্চলে। তবে অক্টোবরের শুরুতে এভাবে পশ্চিমী ঝঞ্ঝা সাধারণত দেখা যায় না। সেদিক থেকে দেখলে এবার যেন সবটাই আগাম। আগে পুজোর মতোই, আগে শীতের নাচন। এই তুষারপাতের জেরে ঠান্ডা শীতল বাতাস পেতে শুরু করে দিচ্ছে দিল্লি, পঞ্জাবের বড় অংশ। দিল্লি এবং উত্তরের সমতলভূমির বহু অংশে বৃষ্টির পরে তাপমাত্রা কমে গিয়েছে হু হু করে। বাংলাতে যদিও এখনও শীতের পরিবেশ আসেনি। পাওয়ার-প্লে-র শেষের দিকে ঝোড়ো ব্যাটিং চালাচ্ছে বর্ষা। বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত উত্তরবঙ্গ। দক্ষিণবঙ্গেও মাঝেমাঝেই চলছে ধারাপাত। পুজোর মুখে ভারী বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিল দক্ষিণবঙ্গ। আর পুজো কাটতে ভেসেছে উত্তরবঙ্গ। এখনও পাহাড়ের বিভিন্ন জায়গায় দুর্যোগের ক্ষতচিহ্ন স্পষ্ট।

    কলকাতার আকাশ রোদ ঝলমল!

    বৃহস্পতিবার সকাল থেকে শহরের আকাশে রোদ ঝলমল করছে। কলকাতার আকাশ পরিষ্কার থাকলেও বৃহস্পতিবারও হাওড়া, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, নদিয়ায় বৃষ্টির সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়ার জন্য হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। আগামী সোমবার পর্যন্ত দক্ষিণের জেলাগুলিতে বিক্ষিপ্ত ভাবে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। অস্বস্তিকর গরম নয়, তবে শুষ্ক থাকবে দিন। বাংলায় এই মুহূর্তে ঠান্ডার কোনও লক্ষণ নেই। বরং ঠান্ডা-গরম আবহাওয়ার মিশ্রণে অনেকেই অসুস্থ হচ্ছেন। আলিপুর হাওয়া অফিসের তথ্য অনুসারে এই ধরনের আবহাওয়া আপাতত বাংলায় অব্যাহত থাকবে। এই সপ্তাহে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২ থেকে ৩ ডিগ্রি হ্রাস পাবে এটা সত্য, তবে এর অর্থ এই নয় যে শীত (Winter Prediction)  শুরু হবে। বরং এই মাসজুড়ে তাপমাত্রা স্থিতিশীল থাকবে।

  • Indian Railways: কনফার্মড টিকিট বাতিল না করেই বদলানো যাবে যাত্রার তারিখ, নতুন নিয়ম আনল ভারতীয় রেল

    Indian Railways: কনফার্মড টিকিট বাতিল না করেই বদলানো যাবে যাত্রার তারিখ, নতুন নিয়ম আনল ভারতীয় রেল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেলযাত্রীদের জন্য সুখবর। বড়সড় স্বস্তির কথা শুনিয়েছে ভারতীয় রেল (Indian Railways)। আগামী জানুয়ারি থেকে যাত্রীরা তাঁদের নির্ধারিত ট্রেন যাত্রার তারিখ অনলাইনে পরিবর্তন করতে পারবেন—তাও কোনো অতিরিক্ত টাকা না দিয়েই। রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, যাত্রীদের যাত্রা আরও ঝামেলামুক্ত ও সহজ করতে এই নতুন নিয়ম চালু করা হচ্ছে। আচমকা ফেঁসে গেলে আর টিকিট বাতিল করতে হবে না ট্রেনের। বরং তারিখ এগিয়ে বা পিছিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে। যাত্রীদের পকেটের কথা মাথায় রেখে নতুন নিয়ম নিয়ে এসেছে ভারতীয় রেল, যাতে টিকিট বাতিলের ঝামেলাও না থাকে, আবার টাকাও না কাটা যায়।

    এই প্রথম টিকিটের দিন পরিবর্তনের সুবিধা

    দূরপাল্লার যাত্রায় এই প্রথম টিকিটের দিনক্ষণ পরিবর্তনের সুবিধা নিয়ে এল ভারতীয় রেল (Indian Railways)। তবে এখনই নয়, আগামী বছর জানুয়ারি মাস থেকে এই নতুন সুবিধা পাবেন যাত্রীরা। কনফার্ম হয়ে যাওয়া টিকিটের ক্ষেত্রেও যাত্রার দিনক্ষণ পাল্টানো সম্ভব হবে। মঙ্গলবার রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব এই ঘোষণা করলেন। বর্তমানে, যাত্রার তারিখ পরিবর্তন করতে হলে যাত্রীদের নিশ্চিত (confirmed) টিকিট বাতিল করে নতুন করে টিকিট কাটতে হয়। এর ফলে কেবল অতিরিক্ত খরচই বাড়ে না, বরং নতুন তারিখে টিকিটের প্রাপ্যতা নিয়েও অনিশ্চয়তা থেকে যায়। চলতি নিয়ম অনুযায়ী, ট্রেন ছাড়ার ৪৮ থেকে ১২ ঘণ্টা আগে টিকিট বাতিল করলে ভাড়ার ২৫ শতাংশ কেটে নেওয়া হয়। আবার ট্রেন ছাড়ার ১২ থেকে ৪ ঘণ্টা আগে বাতিল করলে সেই কাটছাঁটের পরিমাণ আরও বেড়ে যায়। ট্রেনের চার্ট তৈরি হয়ে গেলে টিকিট বাতিল করলেও কোনও অর্থ ফেরত মেলে না। মন্ত্রী বৈষ্ণব বলেন, “বর্তমান ব্যবস্থা যাত্রীদের পক্ষে অন্যায্য এবং তাঁদের স্বার্থবিরোধী। তাই যাত্রীদের সুবিধার্থে নতুন নিয়ম কার্যকর করার নির্দেশ ইতিমধ্যেই দেওয়া হয়েছে।”

    লক্ষ লক্ষ যাত্রীর সুবিধার্থে সিদ্ধান্ত

    টিকিটের দিনক্ষণ পরিবর্তনেই লক্ষ লক্ষ মানুষ উপকৃত হবেন বলে আশাবাদী অশ্বিনী। তবে নতুন নিয়মে কিছু সীমাবদ্ধতাও থাকবে। যাত্রার তারিখ বদলানোর পরেও নতুন দিনে আসন পাওয়া যাবে কি না, তা সম্পূর্ণ নির্ভর করবে সেদিনের আসন-উপলব্ধতার উপর। নতুন যে তারিখ দেওয়া হবে, তাতে আগে থেকে কত বুকিং হয়ে রয়েছে, তার উপরই টিকিট কনফার্ম হওয়া নির্ভর করছে বলে জানিয়েছেন। পাশাপাশি, নতুন টিকিটের দাম যদি বেশি হয়, তাহলে বাড়তি টাকা মেটাতে হবে যাত্রীকে। মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার একাধিক প্রকল্পেরও ঘোষণা করেন অশ্বিনী। বিভিন্ন রুটে লাইন বাড়ানোর ঘোষণা করেন তিনি। উল্লেখ্য, সম্প্রতি ভারতীয় রেল অনলাইন টিকিট বুকিংয়ের ক্ষেত্রেও একটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম কার্যকর করেছে। ১ অক্টোবর থেকে ট্রেনের সংরক্ষিত টিকিট কাটতে এখন বাধ্যতামূলক হয়েছে আধার যাচাই (Aadhaar verification)। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, সংরক্ষণের সময় খোলার প্রথম ১৫ মিনিটে শুধুমাত্র আধার-প্রমাণিত আইআরসিটিসি (IRCTC) অ্যাকাউন্ট থেকেই টিকিট কাটা যাবে। রেল মন্ত্রকের মতে, এই দুই পদক্ষেপ যাত্রীসেবা আরও আধুনিক ও ব্যবহারবান্ধব করে তুলবে এবং টিকিট সংক্রান্ত দুর্নীতি ও জটিলতাও অনেকটা কমাবে।

LinkedIn
Share