Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Telecommunication Bill 2023: লোকসভায় পেশ হল টেলিকমিউনিকেশন বিল, জানেন, কী আছে এতে?

    Telecommunication Bill 2023: লোকসভায় পেশ হল টেলিকমিউনিকেশন বিল, জানেন, কী আছে এতে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জাতীয় সুরক্ষার স্বার্থে যে কোনও টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্কের অস্থায়ী দখল নিতে পারবে কেন্দ্র। সোমবার লোকসভায় পেশ করা টেলিকমিউনিকেশন বিল ২০২৩-এর (Telecommunication Bill 2023) খসড়ায় একথাই বলা হয়েছে। এদিন বিরোধীদের হট্টগোলের মাঝেই লোকসভায় বিলটি পেশ করেছিলেন কেন্দ্রীয় যোগাযোগমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব।

    খসড়া আইন

    খসড়া আইনে বলা হয়েছে, ‘দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বা জননিরাপত্তার স্বার্থে, কেন্দ্রীয় সরকার বা রাজ্য সরকার বা কেন্দ্রীয় সরকার বা রাজ্য সরকার কর্তৃক এজন্য বিশেষভাবে অনুমোদিত কোনও কর্মকর্তা যদি সন্তুষ্ট হন যে এটা করা প্রয়োজন কিংবা সমীচিন, তাহলে বিজ্ঞপ্তি জারি করে কোনও অনুমোদিত সংস্থার কাছ থেকে কোনও টেলিযোগাযোগ পরিষেবা বা টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্কের সাময়িক দখল নিতে পারবে…।‘ খসড়া বিলে একথাও বলা হয়েছে, ‘কেন্দ্রীয় সরকার বা রাজ্য সরকারের কাছে স্বীকৃত সংবাদ দাতাদের ভারতে প্রকাশিত প্রেস বার্তাগুলিকে আটকানো বা বন্ধ করা হবে না, যদি না তাদের ট্রান্সমিশন উপধারা (২) এর ধারা (ক) এর অধীনে নিষিদ্ধ করা হয়।’

    মান্ধাতা আমলের আইন

    প্রসঙ্গত, খসড়া আইনটি (Telecommunication Bill 2023) মান্ধাতা আমলের ইন্ডিয়ান টেলিগ্রাফ অ্যাক্ট ১৮৮৫, ইন্ডিয়ান ওয়্যারলেস টেলিগ্রাফি অ্যাক্ট ১৯৩৩ এবং টেলিগ্রাফ ওয়্যারস অ্যাক্ট ১৯৫০-এর পরিবর্তে প্রয়োগ করা হবে। জননিরাপত্তার স্বার্থে মানুষের মধ্যে যে কোনও বার্তা চালচালিতে সরকার বাধা দেওয়ার নির্দেশ দিতে পারে বলেও বলা হয়েছে খসড়া বিলটিতে। এটি সরকারকে টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্ক স্থগিত করার ক্ষমতাও দেয়। বার্তাগুলির বেআইনি ইন্টারসেপশনের জন্য তিন বছর পর্যন্ত জেল এবং দু’ কোটি টাকা পর্যন্ত জরিমানা অথবা উভয়ই হতে পারে। 

    আরও পড়ুুন: সুন্দরবন বাঁচাতে জলে নামছে সেনা! বিএসএফের তরফে নজরদারি অন্তরীক্ষেও?

    চলতি বছরের অগাস্ট মাসে বিলটি পাশ হয় মন্ত্রিসভায়। এদিন পেশ হয় লোকসভায়। সরকারের এক আধিকারিক জানান, মন্ত্রিসভায় পাশের আগে ট্রাই এই বিলটিকে স্থগিত করে দিয়েছিল। কারণ বিলটি ট্রাইয়ের ক্ষমতা খর্ব করার প্রস্তাবও দিয়েছিল। এদিন বিলটি পেশের আগে ব্যাপক হট্টগোল হচ্ছিল লোকসভায়। তার মধ্যেই বিলটি পেশ করেন অশ্বিনী বৈষ্ণব। বিলটিতে (Telecommunication Bill 2023) বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে জাতীয় নিরাপত্তায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: নাবালিকার মুখে হিন্দুস্তান-প্রশস্তি, ‘কবি-বন্ধু’র প্রশংসায় পঞ্চমুখ প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: নাবালিকার মুখে হিন্দুস্তান-প্রশস্তি, ‘কবি-বন্ধু’র প্রশংসায় পঞ্চমুখ প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সামনে দাঁড়িয়ে দেশের প্রধানমন্ত্রী। তাঁর সামনে দাঁড়িয়ে অকুতোভয় এক নাবালিকা। গড়গড়িয়ে বলে যাচ্ছে কবিতা। মোহিত হয়ে শুনলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। আবৃত্তি শেষে ‘জয় মোদি’, ‘জয় হিন্দুস্তান’ বলে শেষ করে কবিতা। ছোট বালিকার এই প্রতিভায় মুগ্ধ প্রধানমন্ত্রী। প্রশংসা করেন তার। শুরু হয় আলাপচারিতা। প্রধানমন্ত্রী তাঁকে জিজ্ঞাসা করেন, “তুমি কি সবজি খাও?” প্রধানমন্ত্রীর ‘বন্ধু’টি ‘হ্যাঁ’ বলায় তিনি ফের প্রশ্ন করেন, “সব সবজি খাও?” এবারও ‘হ্যাঁ’ বলায় প্রধানমন্ত্রী তাঁকে বলেন, “নিশ্চয় এমন কিছু সবজি রয়েছে, যা তুমি খেতে পছন্দ কর না।” নাবালিকাটি জানায়, সে করলা খেতে পছন্দ করে না মোটেই।

    প্রধানমন্ত্রীর ‘কবি-বন্ধু’

    দু’ দিনের সফরে রবিবার বারাণসী  গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। এই বারাণসী তাঁর নির্বাচনী ক্ষেত্র। রবিবার রোড-শো করার সময় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কনভয় থামিয়ে অ্যাম্বুলেন্সকে পথ ছেড়ে দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। ভাইরাল হওয়া সেই ছবির অমলিন স্মৃতি ফিকে হওয়ার আগেই ফের এক মন ভাল করা ছবির কোলাজ। বারাণসীর এই বালিকার হিন্দুস্তান-স্তুতি যে নাড়া দিয়েছে প্রধানমন্ত্রীকে, তা পরিষ্কার। ইনস্টাগ্রামে বারাণসী-বালার সঙ্গে তাঁর সংক্ষিপ্ত কথোপকথনের একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন প্রধানমন্ত্রী। লিখেছেন, “বারাণসীতে এক বন্ধু সে বিজ্ঞান জানে এবং সে একজন মহান কবিও বটে।”

    প্রধানমন্ত্রীর মুখে খুদে-স্তুতি

    প্রসঙ্গত, বারণসীতে কর্মসূচির ফাঁকেই একটি প্রদর্শনীতে ঢুঁ মারেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানেই চতুর্থ শ্রেণির ওই পড়ুয়া প্রধানমন্ত্রীকে গাছপালা ও সালোকসংশ্লেষ প্রক্রিয়া সম্পর্কে বোঝায়। এটা বোঝাতে গিয়েই সে শুনিয়েছে কবিতা। তার পরেই খুদে বন্ধুর প্রশস্তি প্রধানমন্ত্রীর ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডেলে। বারাণসীতে এদিন প্রধানমন্ত্রী সূচনা করেছেন ৩৭টি প্রকল্পের। শহর ও পূর্বাঞ্চল মিলিয়ে ১৯ হাজার কোটি টাকার প্রকল্পের উদ্বোধন করেন তিনি। সূচনা করেন কাশী-তামিল সঙ্গমের। কন্যাকুমারী থেকে বারাণসী পর্যন্ত একটা ট্রেনেরও সূচনা করেন প্রধানমন্ত্রী। এদিন কাশীতে রোড শো-ও করেন প্রধানমন্ত্রী। সূচনা করেন ‘বিকশিত ভারত সঙ্কল্প যাত্রা’ প্রদর্শনীর। অনুষ্ঠানটি হয়েছে কাটিং মেমোরিয়াল ইন্টার কলেজ মাঠে। সেখানেই প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) সঙ্গে আলাপ হয় ওই নাবালিকার।

    আরও পড়ুুন: আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে দাউদ ইব্রাহিম, বিষ খাওয়ানো হল বিশ্বমানের জঙ্গিকে?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Google Maps: গাড়ির জ্বালানি তেলের খরচ বাঁচাবে গুগল ম্যাপ! জানেন কী ভাবে ব্যবহার করবেন?

    Google Maps: গাড়ির জ্বালানি তেলের খরচ বাঁচাবে গুগল ম্যাপ! জানেন কী ভাবে ব্যবহার করবেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পথ চিনিয়ে সঠিক গন্তব্যে পৌঁছে দেয় গুগল ম্যাপ (Google Maps)। গাড়িতে উঠে ফোনে এই অ্যাপ অন করলেই কেল্লাফতে। অচেনা এলাকা দিয়ে গাড়ি-বাইক চালানোর সময় অনেকেই এই নেভিগেশন অ্যাপের উপর ভরসা করেন। এবার থেকে ইউজারদের তেল খরচ বাঁচাতেও সাহায্য করবে গুগল ম্যাপ। ডিজেলের দাম দীর্ঘদিন ধরেই চড়া। এই ফিচার গাড়ির চালকদের জ্বালানি খরচ কম করবে। 

    কীভাবে খরচ বাঁচাবে

    গুগলের অন্তর্গত জনপ্রিয় অ্যাপ্লিকেশন গুগল ম্যাপস-এর পক্ষ থেকে একটি নতুন বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করা হয়েছে, যা এই অ্যাপ্লিকেশনের ব্যবহারকারীদের তেলের খরচ বাঁচাতে সাহায্য করবে। বর্তমানে এটি শুধুমাত্র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং ইউরোপে সক্রিয় থাকলেও খুব শীঘ্রই ভারতেও চালু করা হতে চলেছে। এই সুবিধাটি আপনার গাড়ির ইঞ্জিনের উপর ভিত্তি করে বিভিন্ন রুটের জন্য জ্বালানি বা শক্তি দক্ষতার বিকল্প প্রদান করবে। দ্রুততম রুট প্রদর্শন করার পাশাপাশি অ্যাপ্লিকেশনটি আপনাকে সবচেয়ে বেশি যে রাস্তায় তেল বা চার্জের খরচ কম হবে সেই ধরনের একটি বিকল্পও তুলে ধরবে। 

    কী দেখাবে এই অ্যাপ

    গুগল ম্যাপ ইউজারের গাড়ির ইঞ্জিন অনুযায়ী, কোন রাস্তায় কত জ্বালানি দক্ষতার প্রয়োজন তার একটা হিসাব দেখিয়ে দেয়। পাশাপাশি মানচিত্রে লাইভ ট্রাফিক আপডেট এবং রাস্তার পরিস্থিতি কেমন সেই তথ্যও তুলে ধরে। গতি, ট্রাফিক আপডেট, উক্ত রুটে প্রয়োজনীয় জ্বালানি ইত্যাদি বিষয়গুলি বিবেচনা করে কোন রুটে সবথেকে বেশি জ্বালানি বাঁচাতে পারবেন তা দেখিয়ে দেয় অ্যাপে। এমনকী রুট যদি বদলও করেন, তাহলেও বিকল্প রুট যেখানে জ্বালানি কম খরচ তার সন্ধান দেয় গুগল ম্যাপ।গাড়ির ইঞ্জিন শনাক্ত করে কোন রুটে ভালো জ্বালানি দক্ষতা বা মাইলেজ পাবেন তা একটি সবুজ পাতার সাহায্যে দেখায় গুগল ম্যাপ। অপশনটি বন্ধ করলেও গাড়ির গতি ট্র্যাক করতে শুরু করে গুগল।

    আরও পড়ুন: চিঠি এল নবান্নে! আইপিএস অফিসারদের সম্পত্তির হিসাব জানতে চায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক

    কীভাবে কাজ করবে

    ১. গুগল ম্যাপ অ্যাপ্লিকেশনটি খুলুন
    ২. গন্তব্য নির্বাচন করে ম্যাপের উপর ক্লিক করুন
    ৩. মোবাইল স্ক্রিনের নিচের দিকে বাঁ দিকের কোনে ‘ডিরেকশনে’ ক্লিক করুন
    ৪. নিচের বার থেকে সোয়াইপ আপ করুন
    ৫. “চেঞ্জ ইঞ্জিন টাইপ”-এ ক্লিক করুন
    ৬. আপনার ইঞ্জিনটি বাছাই করার পর ‘ডান’ করুন
    ৭. পেট্রল, ডিজেল, হাইব্রিড বা ইলেকট্রিক আপনার ইঞ্জিনের সঠিক প্রকার নির্বাচন করুন

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Home Ministry: চিঠি এল নবান্নে! আইপিএস অফিসারদের সম্পত্তির হিসাব জানতে চায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক

    Home Ministry: চিঠি এল নবান্নে! আইপিএস অফিসারদের সম্পত্তির হিসাব জানতে চায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের সব রাজ্যে কর্মরত আইপিএস পুলিশ আধিকারিকদের আয়-ব্যয়ের (IPS Officer Salary) হিসাব চাইল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক (Home Ministry)। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অধীন কর্মরত আইপিএস আধিকারিকদেরও এই হিসেব দাখিল করতে বলা হয়েছে। চিঠি পাঠানো হয়েছে নবান্নতেও। দিল্লির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক থেকে চিঠি পাঠানো হয়েছে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদীকে। চিঠিতে স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, আগামী ২০২৪ সালের জানুয়ারি মাসের ৩১ তারিখের মধ্যে সব রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে কর্মরত সব আইপিএস পুলিশ আধিকারিককে নিজেদের আয়-ব্যয়ের হিসেব জমা দিতে হবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকে।

    কী বলা হয়েছে 

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের (Home Ministry) পাঠানো চিঠিতে স্পষ্ট বলা হয়েছে, আগামী বছর ৩১ জানুয়ারির মধ্যে সমস্ত রাজ্য এবং কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলের কর্তব্যরত পুলিশ কর্তাদের নিজেদের আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা দিতে হবে। এই নিয়ে কোনও গড়িমসি বরদাস্ত করা হবে না। সম্পত্তির হিসাব দেওয়া  বাধ্যতামূলক। অল ইন্ডিয়া সার্ভিস রুল (কনডাক্ট) ১৯৬৮ অনুযায়ী সম্পত্তির হিসাব দিতে হবে। যদিও কোনও অফিসার তা জমা না দেন সেক্ষেত্রে তাঁর ভিজিল্যান্স ক্লিয়ারেন্স খারিজ হয়ে যেতে পারে। হিসাব জমা দেওয়ার জন্য একটি পোর্টালের ঠিকানাও দেওয়া হয়েছে ওই চিঠিতে। এই পোর্টালে গিয়ে নিজেদের আয়-ব্যয়ের হিসেব দাখিল করতে পারবেন আইপিএস আধিকারিকরা। ইমেল মারফতও প্রশাসনের শীর্ষ পুলিশ আধিকারিকের আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা দিতে পারবেন বলে জানানো হয়েছে। 

    আরও পড়ুন: শিল্পপতি জিন্দালের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ অভিনেত্রীর

    কেন নির্দেশিকা

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে ডিরেক্টর (পুলিশ) সুষমা চৌহান এই চিঠিটি পাঠিয়েছেন মুখ্যসচিবদের। এই চিঠির প্রতিলিপি পাঠানো হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর সচিবালয়, সিবিআই দফতর, ক্যাবিনেট সচিব, দেশের বিভিন্ন নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা ডিজি-সহ আরও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিভাগকে। ২০২৩ সালের ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত আইপিএস পুলিশ আধিকারিকের আয়-ব্যয়ের হিসাব জানাতে বলা হয়েছে। রাজ্য প্রশাসনের একাংশ জানাচ্ছে, দেশের শীর্ষ পুলিশ মহলে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে প্রতি বছর নিয়ম করে আইপিএস আধিকারিকদের আয়-ব্যয়ের হিসাব নেয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। সেই পর্যায়ে দেশের সব রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের শীর্ষ পুলিশ আধিকারিকদের থেকে আয়-ব্যয়ের হিসাব তলব করেছে শাহের মন্ত্রক। তবে অন্য অংশের মতে, সম্প্রতি দেশে আইটি রেডের ঘটনা রীতিমতো চোখ কপালে তুলেছিল। এক্ষেত্রে দেশের পুলিশ প্রশাসনের শীর্ষকর্তারা যে এই ধরনের ঘটনার সঙ্গে যুক্ত কি না তা জানতে চাইছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sajjan Jindal: শিল্পপতি জিন্দালের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ অভিনেত্রীর

    Sajjan Jindal: শিল্পপতি জিন্দালের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ অভিনেত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জেএসডব্লিউ গ্রুপের ম্যানেজিং ডিরেক্টর শিল্পপতি সজ্জন জিন্দালের (Sajjan Jindal) বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়ের করলেন এক অভিনেত্রী। তাঁর অভিযোগ, এই নিয়ে ১০ মাস আগেই পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তিনি। সেই সময় তাঁর কাছে নাকি ক্ষমা চেয়েছিলেন জিন্দল গোষ্ঠীর কর্ণধার। চেয়েছিলেন সব কিছু মিটমাট করে নিতে। কিন্তু অভিযোগকারিণী তাতে রাজি না-হওয়ায় শুরু হয়েছিল হুমকি দেওয়া। দায়ের হওয়া এফআইআর-এ তেমনটাই দাবি করেছেন ওই অভিনেত্রী। মুম্বাইয়ের বান্দ্রা কুরলা কমপ্লেক্স থানায় এফআইআর দায়ের করা হয়েছে।

    কী কী অভিযোগ

    পুলিশ সূত্রে খবর, অভিনেত্রীর বয়ানের ভিত্তিতে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৭৬, ৩৫৪ ও ৫০৬ ধারায় মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু হয়েছে। চিকিৎসক-অভিনেত্রীর অভিযোগ, ২০২২ সালের জানুয়ারি মাসে ঘটনাটি ঘটেছে। বান্দ্রা-কুরলা কমপ্লেক্সে সংস্থার সদর দফতরের পেন্টহাউসে তাঁকে ধর্ষণ করেছেন সজ্জন। মুম্বইয়ের বাসিন্দা ওই অভিনেত্রীর অভিযোগ, ফেব্রুয়ারি মাসেই খ্যাতনামা শিল্পপতির বিরুদ্ধে থানায় গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু  পুলিশ সেই সময় তাঁর অভিযোগ নিতে চায়নি। এরপর একপ্রকার বাধ্য হয়ে বম্বে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন তিনি। আদালতের নির্দেশেই শেষ পর্যন্ত পুলিশ অভিযোগ নিতে বাধ্য হয়েছে বলে জানিয়েছেন অভিযোগকারিণী। 

    কোথায় সাক্ষাত

    তাঁর দায়ের করা অভিযোগ থেকে জানা গেছে ২০২১ সালে দুবাইয়ে একটি আইপিএল ম্যাচের ভিআইপি বক্সে তাঁর সঙ্গে আলাপ হয়েছিল সজ্জনের। তারপর থেকেই আলাপ বাড়তে শুরু করে দুজনের। অভিনেত্রীর দাবি, শিল্পপতি তাঁকে বিয়ে করবেন বলে প্রতিশ্রুতি দিয়ে একাধিকবার শারীরিকভাবে ঘনিষ্ঠ হয়েছেন তাঁর সঙ্গে। কিন্তু পরে সেই প্রতিশ্রুতি রাখেননি। কিন্তু তিনি সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে ২০২২ সালের ২৪ জানুয়ারি সজ্জন তাঁকে ধর্ষণ করেন। তিনি আরও জানিয়েছেন, সেই ঘটনার জন্য জিন্দাল (Sajjan Jindal) পরে তাঁর কাছে ক্ষমা চাইলেও একই সঙ্গে ঘটনার কথা কাউকে বললে তার ফল একেবারেই ভাল হবে না বলে তাঁকে হুমকিও দেন। 

    আরও পড়ুন: প্রস্তুত অযোধ্যার বিমান বন্দর, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী, কবে জানেন?

    অভিযোগ অস্বীকার

    অভিযোগকারিণীর সমস্ত অভিযোগই অস্বীকার করেছেন শিল্পপতি সজ্জন জিন্দাল (Sajjan Jindal) । তিনি বলেছেন, ‘‘সমস্ত অভিযোগই অসত্য এবং ভিত্তিহীন। এই তদন্তে তিনি সব রকম ভাবে সহযোগিতা করবেন।’’ তবে এ ব্যাপারে তিনি আর প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করবেন না বলেও জানিয়েছেন সজ্জন। তাঁর যুক্তি, যে হেতু মামলা দায়ের হয়েছে এবং তদন্ত চলছে, তাই বিষয়টি নিয়ে আর কথা না বলাই শ্রেয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: ফের অ্যাম্বুল্যান্সকে পথ ছেড়ে দিল প্রধানমন্ত্রীর কনভয়, ভাইরাল মোদির ‘কীর্তি’  

    PM Modi: ফের অ্যাম্বুল্যান্সকে পথ ছেড়ে দিল প্রধানমন্ত্রীর কনভয়, ভাইরাল মোদির ‘কীর্তি’  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি প্রধানমন্ত্রী। নিরাপত্তা পান ভিভিআইপির। তিনি রাস্তায় থাকলে সরে দাঁড়াতে হয় গাড়ি-ঘোড়াকে। রাস্তার দু’ ধারে আঁটসাঁট নিরাপত্তার বেড়াজাল থাকে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী রাস্তায় বেরলে এই দৃশ্যই দেখা যেত। হ্যাঁ, যেত। এখন আর যায় না। কারণ তিনি দেশবাসীর ‘চৌকিদার’ (PM Modi)। অন্তত এমনই বলে থাকেন তিনি নিজেই।

    ‘রাস্তা কারও একার নয়’

    রবিবার আরও একবার প্রমাণ মিলল তার। এদিন উত্তর প্রদেশের বারাণসীতে রোড-শো করছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। রাস্তার দুপাশে তিল ধারনের জায়গা ছিল না। দলীয় কর্মী-সমর্থকদের পাশাপাশি দেশের প্রধানমন্ত্রীকে (PM Modi) এক ঝলক দেখতে চান যাঁরা, সারবদ্ধ জনতার ভিড়ে ছিলেন তাঁরাও। এমন সময় ওই রাস্তায় চলে আসে একটি অ্যাম্বুল্যান্স। নিরাপত্তার পরোয়া না করেই ব্যারিকেড ভেঙে অ্যাম্বুল্যান্সের জন্য রাস্তা ছেড়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে গেল প্রধানমন্ত্রীর ওই কীর্তি।

    অ্যাম্বুল্যান্সকে পথ ছাড়ল মোদির কনভয়

    প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী ক্ষেত্র বারাণসী। রবিবার সেখানে রোড-শো করছিলেন প্রধানমন্ত্রী। নিরাপত্তারক্ষীতে ঠাসা কনভয়ের মধ্যে দিয়ে এগিয়ে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী। পিছনে অ্যাম্বুল্যান্স দেখতে পেয়ে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে যায় প্রধানমন্ত্রীর কনভয়। তার পরেই কনভয়ের মাঝখান দিয়ে ঊর্ধ্বশ্বাসে ছুটে যায় অ্যাম্বুল্যান্স। দেশের প্রধানমন্ত্রীর এহেন আচরণে খুশির বাঁধ ভেঙেছে। মোদির কাছে যে নিজের জীবনের নিরাপত্তার চেয়ে অন্যের জীবন বেশি দামী, এদিন ফের একবার তার প্রমাণ দিলেন প্রধানমন্ত্রী।

    মোদি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর এ দৃশ্য আগেও দেখা গিয়েছে একাধিকবার। গত বছর ৯ নভেম্বর হিমাচল প্রদেশের কাংড়ায় দেখা গিয়েছিল একই ছবি। ৩০ সেপ্টেম্বর এই ঘটনা দেখা গিয়েছিল গুজরাটের গান্ধীনগরেও। উনিশের লোকসভা নির্বাচনে আগে এক জনসভা চলাকালীন আচমকা অসুস্থ হয়ে পড়েন এক চিত্র সাংবাদিক। বক্তব্য থামিয়ে তাঁর জন্য অ্যাম্বুল্যান্স ডাকার ব্যবস্থা করেন প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং। প্রসঙ্গত, একগুচ্ছ প্রকল্পের উদ্বোধন করতে দু দিনের সফরে বারাণসী গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)।

    আরও পড়ুুন: চোখ উপড়ে, পুরুষাঙ্গ কেটে খুন পুরোহিতকে, রণক্ষেত্র বিহারের গোপালগঞ্জ

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Bihar Priest Killed: চোখ উপড়ে, পুরুষাঙ্গ কেটে খুন পুরোহিতকে, রণক্ষেত্র বিহারের গোপালগঞ্জ

    Bihar Priest Killed: চোখ উপড়ে, পুরুষাঙ্গ কেটে খুন পুরোহিতকে, রণক্ষেত্র বিহারের গোপালগঞ্জ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক পুরোহিতের ক্ষতবিক্ষত দেহ (Bihar Priest Killed) উদ্ধারকে ঘিরে রণক্ষেত্র বিহারের গোপালগঞ্জের দানাপুর এলাকা। চোখ উপড়ে, পুরুষাঙ্গ কেটে নৃশংসভাবে খুন করা হয় ওই পুরোহিতকে। মৃত্যু নিশ্চিত করতে শেষে করা হয় গুলি। খুন হওয়া ওই পুলিশ কর্মীর ভাই বিজেপির প্রাক্তন ডিভিশনাল প্রেসিডেন্ট।

    জনতা-পুলিশ সংঘর্ষ

    গত ছ’ দিন ধরে নিখোঁজ ছিলেন বিহারের গোপালগঞ্জের ওই পুরোহিত। শনিবার ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার হয় তাঁর। দেহ উদ্ধার করতে গেলে পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল ছোড়ে উত্তেজিত জনতা। জনতার সঙ্গে সংঘর্ষে জখম হয়েছেন দুই পুলিশ কর্মী। পুলিশ জানিয়েছে, মৃত পুরোহিতের নাম মনোজ কুমার। দানাপুর গ্রামের শিবমন্দিরের পুরোহিত ছিলেন তিনি। মনোজের ভাই অশোক কুমার শাহ বিজেপি নেতা। ছ’ দিন আগে বাড়ি থেকে মন্দিরে যাওয়ার পথে অপহরণ করা হয় মনোজকে। নিখোঁজ ডায়েরি করা হয় পরিবারের তরফে। অভিযোগ পেয়ে তদন্তে নামে পুলিশ।

    পুলিশের গাড়িতে আগুন  

    শনিবার গ্রাম লাগোয়া একটি জঙ্গল থেকে উদ্ধার হয় মনোজের গুলিবিদ্ধ দেহ। স্থানীয়দের (Bihar Priest Killed) অভিযোগ, পুলিশি তদন্তে গাফিলতির কারণেই মৃত্যু হয়েছে মনোজের। দেহ উদ্ধার করতে গেলে পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল ছোড়ে উত্তেজিত জনতা। আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয় জাতীয় সড়কে দাঁড় করিয়ে রাখা পুলিশের গাড়িতে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে শূন্যে কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়ে পুলিশ। অশান্তির খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে চলে যান গোপালগঞ্জের এসডিপিও প্রাঞ্জল। তিনি জানান, পুরোহিত খুনের তদন্ত শুরু হয়েছে। তার পরেই নিয়ন্ত্রণে আসে পরিস্থিতি।

    আরও পড়ুুন: “ভোট লুট, অগণতান্ত্রিক কার্যকলাপে সেরা অভিষেকের ডায়মন্ড হারবার” কটাক্ষ শুভেন্দুর

    মনোজের আর এক ভাই সুরেশ শাহ বলেন, “আমরা ভেবেছিলাম ভাই ফিরে আসবে। কিন্তু ছ’ দিন পরে দেহ উদ্ধার হয়েছে তাঁর। আমরা জানি না কেন ওকে হত্যা করা হল।” এসডিপিও জানান, দানাপুর গ্রামের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে। পর্যাপ্ত পুলিশি প্রহরার ব্যবস্থা করা হয়েছে। তিনি বলেন, “জাতীয় সড়ক এখন পরিষ্কার। পুলিশ আধিকারিকদের লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল ছুড়েছে জনতা। এফআইআর করা হবে। তার পরেই করা (Bihar Priest Killed) হবে পরবর্তী পদক্ষেপ।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Parliament Security Breach: লোকসভাকাণ্ডে সাংসদদের চিঠি দিলেন স্পিকার ওম বিড়লা, কী লিখলেন?

    Parliament Security Breach: লোকসভাকাণ্ডে সাংসদদের চিঠি দিলেন স্পিকার ওম বিড়লা, কী লিখলেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভাকাণ্ডের (Parliament Security Breach) জেরে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি স্বয়ং। বিষয়টি নিয়ে রাজনীতি না করার আবেদনও জানিয়েছেন বিরোধীদের কাছে। এবার ওই ঘটনায় তদন্তের অগ্রগতি নিয়ে সাংসদদের চিঠি দিলেন স্পিকার ওম বিড়লা। ঘটনার তদন্তে গঠিত হয়েছে সংসদীয় তদন্ত কমিটি। সংসদ চত্বরের সুরক্ষার বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা করতে এবং বুধবারের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রুখতে, উচ্চ পর্যায়ের আরও একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন স্পিকার ওম বিড়লা।

    সাংসদদের চিঠি স্পিকারের

    বিষয়টি জানিয়ে সাংসদদের চিঠি দিয়েছেন তিনি। উচ্চ পর্যায়ের এই কমিটি দ্রুত রিপোর্ট দেবে এবং সেই রিপোর্ট সাংসদদের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হবে বলেও আশ্বাস দিয়েছেন স্পিকার। সংসদ চত্বরের (Parliament Security Breach) নিরাপত্তা দেখভালের দায়িত্ব সাংসদদের ওপরও বর্তায় বলে জানিয়েছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর মতোই বিষয়টি নিয়ে রাজনীতি না করার পরামর্শও দিয়েছেন ওম বিড়লা। চলছে সংসদের শীতকালীন অধিবেশন। অধিবেশন চলাকালীন সংসদের নিয়ন্ত্রণ থাকে স্পিকারের হাতে।

    কী লিখলেন স্পিকার?

    তাই সম্প্রতি বিভিন্ন দলের যে ১৪ জন সাংসদকে সাসপেন্ড করা হয়েছে, লোকসভাকাণ্ডের সঙ্গে তার কোনও সম্পর্ক নেই বলেও চিঠিতে জানিয়েছেন স্পিকার। সাংসদদের পাঠানো চিঠিতে ওম বিড়লা লিখেছেন, “১৩ ডিসেম্বর সংসদে যা ঘটেছে, তার সঙ্গে সাংসদদের সাসপেন্ড করার ঘটনাটি জুড়ে দেওয়া দুর্ভাগ্যজনক।” তিনি জানিয়েছেন, অধিবেশন কক্ষে সাংসদদের অশালীন আচরণের প্রশংসা দেশবাসী করে না। সংসদের শৃঙ্খলা ও সম্মান রক্ষার্থেই সাংসদদের সাসপেন্ড করা হয়েছে জানিয়ে স্পিকারের বার্তা, “আশা করি, ভবিষ্যতে সংসদের গরিমা ও মর্যাদাকে গুরুত্ব দেবেন সাংসদরা।”

    আরও পড়ুুন: “সংসদের ঘটনার গুরুত্বকে ছোট করে দেখা উচিত নয়”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    স্পিকার লিখেছেন, অতীতেও সংসদে দর্শকদের গ্যালারিতে পিস্তল নিয়ে ঢোকা, স্লোগান দেওয়া, লিফলেট ছড়ানো মায় সাংসদদের পিপার স্প্রে নিয়ে ঢোকার নজিরও রয়েছে। প্রতিটি ক্ষেত্রেই সংসদ সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সামগ্রিকভাবে সাংসদদের সহযোগিতা ও সমর্থনের আহ্বানও জানিয়েছেন স্পিকার।

    প্রসঙ্গত, ১৯৮৩ সালে স্লোগান দিতে দিতে রাজ্যসভার এক সাংসদের চেম্বার লক্ষ্য করে চটি ছুড়েছিল এক দর্শক। রাজ্যসভায় স্লোগান দিতে দিতে লিফলেটও ছুড়েছিল এক দর্শক। ১৯৯১ থেকে ৯৪ সালের মধ্যেও একাধিকবার দর্শক গ্যালারি থেকে ঝাঁপ দিয়ে (Parliament Security Breach) অধিবেশন কক্ষে পড়ার ঘটনা ঘটেছিল।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Parliament Security Breach: মরুরাজ্যে ললিতের ডেরায় মিলল আধপোড়া মোবাইল, জুতো, রহস্যের কিনারা শীঘ্রই?

    Parliament Security Breach: মরুরাজ্যে ললিতের ডেরায় মিলল আধপোড়া মোবাইল, জুতো, রহস্যের কিনারা শীঘ্রই?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজস্থানে ললিতের  (Parliament Security Breach) ডেরায় মিলল পোড়া মোবাইলের অংশ। বেশ কিছু আধপোড়া কাপড় এবং জুতোও উদ্ধার করেছে দিল্লি পুলিশ। প্রমাণ লোপাটের উদ্দেশ্যে প্রথমে ভাঙা হয়েছিল মোবাইলগুলি। পরে সেগুলিতে লাগিয়ে দেওয়া হয় আগুন।

    রাজস্থানে পালিয়েছিল ললিত

    লোকসভাকাণ্ডে শনিবারই গ্রেফতার করা হয়েছে ষষ্ঠ অভিযুক্ত মহেশ কুনাওয়াতকে। ঘটনার পর এই মহেশই মাস্টারমাইন্ড ললিত ঝাকে দিল্লি থেকে মরুরাজ্যে পালিয়ে যেতে সাহায্য করেছিল। মহেশকে গ্রেফতার করার পর স্পষ্ট হয়ে যায় পুরো সিনারিওটা। গত বুধবার, ঘটনার দিন লোকসভার অধিবেশন কক্ষে (Parliament Security Breach) যখন ঢুকে পড়েছিল দুই হানাদার, ঠিক সেই সময়ই সংসদ চত্বরে ‘তানাশাহি নেহি চলেগি’, ‘ভারত মাতা কি জয় স্লোগান’ দিচ্ছিল আরও দুজন। মোবাইলে পুরো ঘটনাটি রেকর্ড করছিল ঘটনার মাস্টারমাইন্ড ললিত ঝা।

    কী মিলল ললিতের ডেরায়?

    অপারেশনের আগে সে-ই বাকি চারজনের (সংসদের ভেতরে দুজন, বাইরে দুজন) মোবাইল ফোন নিয়ে নিয়েছিল। ঘটনার পরে পরেই দিল্লি ছেড়ে ললিত পালিয়ে যায় রাজস্থানে। সেখানে গিয়েই প্রমাণ লোপাটের উদ্দেশে মোবাইল ফোনগুলি ভেঙে লাগিয়ে দেয় আগুন। এসব করার আগে ‘ভগৎ সিং ফ্যান ক্লাব’ ফেসবুক পেজের এক বন্ধুর সঙ্গে মোবাইলে ললিত কথা বলেছিল বলেও জেনেছে পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, রাজস্থানে যেখানে গিয়ে গা ঢাকা দিয়েছিল ললিত, সেখান থেকেই উদ্ধার হয়েছে আধপোড়া মোবাইল, কাপড় এবং জুতো।

    আরও পড়ুুন: “সংসদের ঘটনার গুরুত্বকে ছোট করে দেখা উচিত নয়”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    এদিকে, সংসদ সদস্য বিজেপির প্রতাপ সিনহাকে তদন্তের স্বার্থে তলব করতে পারে দিল্লি পুলিশ। এই প্রতাপের ভিজিটর পাশ নিয়েই লোকসভার দর্শক গ্যালারিতে ঢুকে পড়েছিল সাগর শর্মা ও ডি মনোরঞ্জন। শুক্রবার অভিযুক্তদের নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় গিয়েছিল পুলিশ। কীভাবে তারা সংসদ চত্বরে ঢুকল, আর কোথায় কোথায় গিয়েছিল, সবই ধৃতদের কাছ থেকে জানার চেষ্টা করছে পুলিশ।

    প্রসঙ্গত, লোকসভার অধিবেশন চলাকালীনই দর্শক গ্যালারি থেকে লাফিয়ে অধিবেশন কক্ষে পড়েছিল সাগর ও মনোরঞ্জন। পরে জুতোয় লুকিয়ে রাখা রং-বোমা ফাটায়। প্রথম হকচকিয়ে গেলেও, পরে তাদের ধরে ফেলেন দুই সাংসদ। মার্শাল ডেকে তুলে দেওয়া হয় তাঁদের হাতে। ওই ঘটনায় এ পর্যন্ত মোট ছ’জনকে গ্রেফতার করেছে দিল্লি পুলিশ (Parliament Security Breach)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

       

  • Parliament Security Breach: “সংসদের ঘটনার গুরুত্বকে ছোট করে দেখা উচিত নয়”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    Parliament Security Breach: “সংসদের ঘটনার গুরুত্বকে ছোট করে দেখা উচিত নয়”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “সংসদের ঘটনার (Parliament Security Breach) গুরুত্বকে ছোট করে দেখা উচিত নয়।” লোকসভাকাণ্ডে এমনই প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁর মতে, বিষয়টি উদ্বেগজনক। তাই এনিয়ে রাজনীতি না করে সমস্যার সমাধানে জোর দেওয়া উচিত বলেও মনে করেন তিনি। যেহেতু বিষয়টি জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে সম্পৃক্ত, তাই ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্তও চান প্রধানমন্ত্রী।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমাদের সকলের এই ঘটনার গুরুত্ব বোঝা উচিত। ঘটনার গভীরে গিয়ে সকলে মিলে একটি সমাধান সূত্র খুঁজে বের করা উচিত। যাতে বিষয়টির পুনরাবৃত্তি না হয়। লোকসভার স্পিকার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। আমাদের সকলের বিশ্বাস, খুব শীঘ্রই ষড়যন্ত্র ফাঁস হবে।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই ঘটনার পিছনে অভিযুক্তদের উদ্দেশ্য কী ছিল এবং এর নেপথ্যে কাদের মাথা কাজ করছে, তা জানা খুবই জরুরি।” তিনি বলেন, “এই জাতীয় বিষয়ে বিতর্ক বা প্রতিবাদ থেকে প্রত্যেকেরই বিরত থাকা উচিত। এই ঘটনার পর লোকসভার অধ্যক্ষ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। আমরা সবাই নিশ্চিত যে এই ষড়যন্ত্র ফাঁস হবে।”

    ঠিক কী ঘটেছিল সেদিন?

    প্রসঙ্গত, গত বুধবার অধিবেশন চলাকালীন আচমকাই লোকসভার দর্শক গ্যালারি থেকে অধিবেশন (Parliament Security Breach) কক্ষে ঝাঁপ দেয় দুই হানাদার। হানাদাররা যখন লাফিয়ে নীচে পড়ে, তখন প্রশ্ন করছিলেন মালদহ উত্তরের সাংসদ বিজেপির খগেন মুর্মু। হঠাৎ করে এই ঘটনা ঘটায় হতচকিত হয়ে পড়েন সাংসদরা। এই সুযোগে জুতোয় লুকিয়ে রাখা স্মোক ক্যানে বিস্ফোরণ ঘটায় হানাদাররা। অধিবেশন কক্ষ ভরে যায় রঙ্গিন ধোঁয়ায়। প্রাথমিক ঘোর কাটিয়ে দুই সাংসদ ধরে ফেলেন সাগর শর্মা ও মনোরঞ্জন ডি নামে দুই হানাদারকে। তার আগে তারা এগোচ্ছিল অধ্যক্ষের দিকে। পরে মার্শাল ডেকে তাদের হাতে তুলে দেওয়া হয় সাগর ও মনোরঞ্জনকে।

    আরও পড়ুুন: ‘‘যখন অন্যদের থেকে প্রত্যাশা শেষ হয়, তখনই মোদির গ্যারান্টি শুরু হয়’’, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    অধিবেশন কক্ষে যখন এসব চলছে, তখন সংসদ চত্বরে ‘তানাশাহি নেহি চলেগি’, ‘ভারত মাতা কি জয়’ স্লোগান দিচ্ছিলেন অমল শিন্ডে ও নীলম দেবী নামে দুজন। ঘটনার মাস্টারমাইন্ড ললিত ঝা চত্বরের বাইরে থেকে সেই ঘটনার ভিডিও রেকর্ডিং করে পোস্ট করছিল সোশ্যাল মিডিয়ায়। এই পাঁচজনকেই গ্রেফতার করেছে দিল্লি পুলিশ। শনিবার গ্রেফতার করা হয় মহেশ কুমাওয়াতকে। ললিতকে দিল্লি থেকে পালাতে সাহায্য (Parliament Security Breach) করেছিল সে-ই।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share