Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Manipur Violence: ফের অশান্তির আগুন, গুলি চলল মণিপুরে, উদ্ধার ১৩ লাশ  

    Manipur Violence: ফের অশান্তির আগুন, গুলি চলল মণিপুরে, উদ্ধার ১৩ লাশ  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের অশান্তির আগুন মণিপুরে (Manipur Violence)। হিংসার শিকার কমপক্ষে ১৩ জন। সোমবার বিকেলে ঘটনাটি ঘটে টেংনুপাল জেলার সাইবোলের কাছে লেইথু গ্রামে। স্থানীয় সূত্রে খবর, এদিন দুপুরে সংঘর্ষ বাঁধে দুই সশস্ত্র গোষ্ঠীর। এলোপাথাড়ি চলে গুলি। ঘটনাস্থল থেকে তখন নিরাপত্তারক্ষীরা ছিলেন ১০ কিলোমিটার দূরে।

    হিংসার বলি ১৩

    খবর পেয়ে দ্রুত চলে আসেন রক্ষীরা। ততক্ষণে পড়ে গিয়েছে ১৩টি লাশ। জানা গিয়েছে, যাঁদের দেহ উদ্ধার হয়েছে, তাঁরা কেউই লেইথু কিংবা আশপাশ এলাকার নন। সম্ভবত অন্য জায়গা থেকে এসেছিলেন। মৃতদের পরিচয় জানা যায়নি। স্বাভাবিকভাবেই তাঁরা কোন সম্প্রদায়ের, তাও জানা যায়নি। মণিপুর পুলিশের এক কর্তার কথায়, “পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। তারাই তদন্ত করবে বিষয়টি।” নিরাপত্তা বাহিনী সূত্রে (Manipur Violence) খবর, যে এলাকায় এদিন দেহ উদ্ধার হয়েছে, সাম্প্রতিক অতীতে সেখানে হিংসার ঘটনা ঘটেনি। তাই ঠিক কী কারণে এখানে জ্বলল অশান্তির আগুন, তা নিয়ে ধন্দে বাহিনীর একাংশও। মাত্র এক দিন আগেই মোবাইল ইন্টারনেট পরিষেবা চালু হয়েছিল মণিপুরের বিস্তীর্ণ অংশে। তার পরেই ফের জ্বলল হিংসার আগুন। যার বলি হলেন অন্তত ১৩ জন।

    ইন্টারনেট পরিষেবা চালু করেছিল সরকার

    দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর রবিবারই মণিপুরের কয়েকটি জায়গা বাদে সর্বত্র ইন্টারনেট পরিষেবা চালু করেছিল সরকার। পরিষেবা চালু থাকার কথা ১৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত। বিজ্ঞপ্তি জারি করে সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, “রাজ্যে আইন-শৃঙ্খলার উন্নতি হচ্ছে। এদিকে মোবাইল ইন্টারনেট পরিষেবা না থাকায় সমস্যায় পড়ছেন সাধারণ মানুষ। এসব কথা বিবেচনা করেই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হল।” 

    আরও পড়ুুন: অধ্যাপিকাকে অশ্লীল মন্তব্য টিএমসিপি ছাত্রনেতার! কলেজে বিক্ষোভ এবিভিপির

    গত ৩ মে সংঘর্ষ শুরু হয় মণিপুরে। হিন্দু মেইতেইদের সঙ্গে খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী কুকিদের সংঘর্ষ বাঁধে। দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষের বলি হয়েছেন ১৮০ জন। মেইতেইদের তফশিলি উপজাতির স্বীকৃতি দেওয়া নিয়ে শুরু হয় সংঘর্ষ। হিংসার আগুনে পুড়ে খাক হয়ে গিয়েছে বহু ঘরবাড়ি। ক্ষতি হয়েছে ফসলেরও। প্রসঙ্গত, মাত্র চারদিন আগেই কেন্দ্রের সঙ্গে শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় মণিপুরে সশস্ত্র সংগঠন ইউএনএলএফের। তার ঠিক চারদিন পরেই ফের সংঘর্ষ বাঁধায় সিঁদুরে মেঘ দেখছেন চিত্রাঙ্গদার দেশের বাসিন্দারা (Manipur Violence)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Mizoram Election: দুই প্রধানে খেলা দেশের প্রাক্তন ফুটবলার জেজে লালপেখলুয়া এখন বিধায়ক

    Mizoram Election: দুই প্রধানে খেলা দেশের প্রাক্তন ফুটবলার জেজে লালপেখলুয়া এখন বিধায়ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ময়দান থেকে রাজনীতিতে সগর্বে পদার্পন করলেন জেজে লালপেখলুয়া (Jeje Lalpekhlua)। এক সময় জাতীয় দলে স্ট্রাইকিং লাইনে সুনীল ছেত্রীর পাশাপাশি তিনি ছিলেন বিশ্বস্ত সৈনিক। কলকাতাতেও লাল হলুদ, সবুজ মেরুন জার্সি গায়ে দাপটের সঙ্গেই খেলেছেন জেজে। চেন্নাইয়িনের হয়ে দু’বার জিতেছেন আইএসএল। মোহনবাগানের হয়ে আই লিগ জয়েরও অভিজ্ঞতা রয়েছে। সেই জেজে লালপেখলুয়া এ বার মিজোরামে বিধায়ক (Mizoram Election) হয়ে গেলেন। 

    প্রথম ম্যাচেই কামাল

    বাংলাতেও মনোজ তিওয়ারি, অশোক ডিন্ডা, প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়েরা রয়েছেন, যাঁরা খেলাধুলোর জগত থেকে রাজনীতিতে এসেছেন। সিকিম থেকে রয়েছেন বাইচুং ভুটিয়া। সোমবার মিজোরামে ভোটের ফল গণনা হতে দেখা গেল শক্তিশালী প্রতিপক্ষকে গোল দিয়ে রাজনীতির মাঠে নিজের জয় নিশ্চিত করলেন জেজে। মিজোরামের দক্ষিণ তুইপুই আসনে জেডপিএম-এর প্রার্থী জেজে লালপেখলুয়ার কাছে পরাজিত হয়েছেন রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী আর লালথাংলিয়ানা। জোরাম পিপলস মুভমেন্টের জেজে লালপেখলুয়া পেয়েছেন ৫৪৬৮ টি ভোট আর এমএনএফ প্রার্থী আর লালথাংলিয়ানা পেয়েছেন ৫৩৩৩ টি ভোট। ইতিপূর্বে ভাইচুং ভুটিয়া একাধিকবার ভোটে লড়লেও জিততে পারেননি। জেজে কিন্তু প্রথম ম্যাচেই গোল করলেন।

    আরও পড়ুন: ‘‘ভোটে হেরে সংসদে রাগ দেখাবেন না’’! বিরোধীদের হুঁশিয়ারি প্রধানমন্ত্রী মোদির

    ময়দানে জেজে

    মিজোরামে ফুটবল অত্যন্ত জনপ্রিয়, ফুটবলাররা মানুষের কাছে অত্যন্ত প্রিয়। তাদের ভাবমূর্তিও যথেষ্ট ভালো। সেটাই কাজে লাগিয়ে রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে জেজেকে প্রার্থী করে জোরাম পিপলস মুভমেন্ট। চলতি বছরের  ফেব্রুয়ারি মাসেই পেশাদার ফুটবল থেকে অবসর নেন জেজে। দেশের হয়ে ৫৬টি ম্যাচে ২৩টি গোল করেছেন। শুরু করেছিলেন পুণে এফসি-র অ্যাকাডেমি থেকে। পুণে এফসি তাঁর প্রথম পেশাদার ক্লাব। এরপর পৈলান অ্যারোজ, ডেম্পো হয়ে ২০১৪-১৫ মরসুমে যোগ দেন মোহনবাগানে। শুধু সবুজ মেরুন নয় ২০২০-২১ মরসুমে লাল হলুদ জার্সিতে খেলেন মিজোরামের এই স্ট্রাইকার। আইএসএলে চেন্নাইয়িন দলের সদস্যও ছিলেন। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Parliament Winter Session: ‘‘ভোটে হেরে সংসদে রাগ দেখাবেন না’’! বিরোধীদের হুঁশিয়ারি প্রধানমন্ত্রী মোদির

    Parliament Winter Session: ‘‘ভোটে হেরে সংসদে রাগ দেখাবেন না’’! বিরোধীদের হুঁশিয়ারি প্রধানমন্ত্রী মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংসদে শীতকালীন অধিবেশন (Parliament Winter Session) শুরুর ঠিক আগে বিরোধীদের সাহায্য চেয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কিন্ত তাতে কর্ণপাত করলেন না বিরোধীরা। প্রথম দিনে বিরোধীদের হৈ হট্টগোলে প্রথম দফায় অধিবেশন মুলতবি করে দিতে বাধ্য হলেন অধ্যক্ষ ওম বিড়লা। প্রধানমন্ত্রী যে আশঙ্কা করেছিলেন তাই সত্যি হল। অধিবেশনের শুরু থেকেই হট্টগোল পাকিয়ে সভা বানচাল করার চেষ্টা চালালো বিরোধীরা। লক্ষ্য একটাই, এই সংক্ষিপ্ত অধিবেশনে যাতে কোনও বিল সরকারপক্ষ পাশ না করাতে পারে।

    প্রধানমন্ত্রীর আর্জি

    এদিন শীতকালীন অধিবেশন (Parliament Winter Session) শুরুর আগেই প্রথা মেনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিরোধীদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ইতিবাচক মনোভাব নিয়ে সংসদে আসুন৷ আমরা দশ পা এগোলে আপনারা বারো পা এগোন৷ কিন্তু সংসদে আলোচনা করতে দিন৷ সবার ভবিষ্যৎই উজ্জ্বল৷ এই নেতিবাচক রাজনীতির ফলে দেশবাসীর মনে যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে, কে বলতে পারে তা হয়তো ভালবাসায় বদলে যেতে পারে৷ ফলে বিরোধীদের সামনেও এটা একটা দারুণ সুযোগ৷’ একই সঙ্গে তিন রাজ্যে বিজেপির বিপুল জয় ও বিরোধীদের পরাজয়ের কথাও উল্লেখ করেন মোদি। তার সূত্র ধরেই মোদীর পরামর্শ, ‘‘তিন রাজ্যে হার বিরোধীদের কাছে সুবর্ণ সুযোগ। এই হার থেকে তারা শিক্ষা নিক। হারের কারণে সংসদে রাগ দেখাবেন না।’’

    আরও পড়ুন: ‘‘সনাতন ধর্মকে সম্মান না জানানোর পরিণতি’’! কংগ্রেসকে তীব্র কটাক্ষ ভেঙ্কটেশ প্রসাদের

    উন্নয়ন সঠিক ভাবে হলে প্রতিষ্ঠান বিরোধিতা বলে কিছু থাকে না, বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। মোদির কথায়, ‘‘এত ভাল জনাদেশের পর আমরা নতুন সংসদ ভবনে আজ মিলিত হচ্ছি। নেতিবাচক সবকিছুকে ত্যাগ করতে হবে। বিরোধীদের সঙ্গে আমি সবসময় আলোচনা করি। দেশের ভিত্তি আরও মজবুত করার মঞ্চ হল সংসদ। প্রত্যেক সাংসদের কাছে আবেদন, আলোচনায় অংশগ্রহণ করুন, পরামর্শ দিন। দেশের উন্নয়নে ইতিবাচক পদক্ষেপ করুন, বিরোধিতার জন্য বিরোধিতা করবেন না।’’ তিনি এ-ও বলেন, ‘‘গণতন্ত্রের জন্য বিরোধীদের ইতিবাচক মনোভাব খুবই গুরুত্বপূর্ণ। নিজেদের অভ্যেস বদলান, হার থেকে হতাশা হতেই পারে। পরাজয় থেকে শিক্ষা নিয়ে এগিয়ে চলুন।’’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi: ‘তিসরি বার মোদি সরকার’, লোকসভায় প্রধানমন্ত্রী ঢুকতেই হর্ষধ্বনি বিজেপি সাংসদদের

    Narendra Modi: ‘তিসরি বার মোদি সরকার’, লোকসভায় প্রধানমন্ত্রী ঢুকতেই হর্ষধ্বনি বিজেপি সাংসদদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোদি (Narendra Modi) ঝড়ে ডুবেছে কংগ্রেসের জাহাজ! গতকালই তিন রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল জয় পায় বিজেপি। গতকাল তিন রাজ্যের সেই জয়ের উল্লাস এদিন যেন আছড়ে পড়ল নয়া সংসদ ভবনে। শীতকালীন অধিবেশনের প্রথম দিনেই এই জয়ের জন্য নরেন্দ্র মোদিকে রাজকীয় অভ্যর্থনা জানালেন বিজেপি সাংসদরা। তাঁরা স্লোগান দিতে থাকেন ‘তিসরি বার মোদি সরকার, বার বার মোদি সরকার’।

    লোকসভায় প্রধানমন্ত্রীকে দেখে রাজকীয় অভ্যর্থনা

    প্রধানমন্ত্রী সংসদে ঢোকার পর নিজের আসনে বসতেই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এবং সাংসদরা মিলে শুরু করেন হর্ষধ্বনি। মোদির (Narendra Modi) পাশে ছিলেন অমিত শাহ ও রাজনাথ সিং। প্রথমে একদল বলতে থাকে, ‘তিসরি বার মোদি সরকার’ সেটার ছন্দমিল করে অপর দল বলে, ‘বার বার মোদি সরকার’।

    বিদেশি সংবাদমাধ্যমও বলছে, ক্ষমতায় ফিরছেন মোদি  

    বছর ঘুরলেই রয়েছে লোকসভার ভোট। তার আগে সেমিফাইনালে মোদির নেতৃত্বাধীন বিজেপির এই বিপুল জয়, তাঁর ক্ষমতায় আসার পথকে অনেকটাই মসৃণ করে দিল। তৃতীয়বার তাঁর প্রধানমন্ত্রী হতে কোনও বাধা রইল না বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। সোমবারই বিদেশি সংবাদমাধ্যমগুলির শিরোনামও ছিলেন নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। লোকসভা ভোটে যেন অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠলেন মোদি এবং ক্রমশ পিছিয়ে পড়ছে কংগ্রেস, ‘নিউ ইয়র্ক টাইমস’ থেকে ‘ওয়াশিংটন পোস্ট’, ‘রয়টার্স’ প্রত্যেকেই এই সুরে কথা বলেছে।

    ক্ষমতায় ফের মোদি?

    প্রসঙ্গত, উত্তর ভারতের সংখ্যাগরিষ্ঠ রাজ্য এখন বিজেপির দখলে। তথ্য বলছে, এই রাজ্যগুলি থেকে রয়েছে লোকসভার নির্ণায়ক আসন। এখানটাতেই অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠেছেন নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। গতকালের ফলাফল থেকে স্পষ্ট যে মধ্যপ্রদেশে ব্যবধান যেমন বেড়েছে জয়ের, তেমনই কংগ্রেসের হাতে থাকা রাজস্থান এবং ছত্তিসগড়কেও ছিনিয়ে নিয়েছে মোদির নেতৃত্বাধীন বিজেপি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Venkatesh Prasad: ‘‘সনাতন ধর্মকে সম্মান না জানানোর পরিণতি’’! কংগ্রেসকে তীব্র কটাক্ষ ভেঙ্কটেশ প্রসাদের

    Venkatesh Prasad: ‘‘সনাতন ধর্মকে সম্মান না জানানোর পরিণতি’’! কংগ্রেসকে তীব্র কটাক্ষ ভেঙ্কটেশ প্রসাদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের চার রাজ্যের বিধানসভা ভোটের ফলে গেরুয়া ঝড়। তিন রাজ্য রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ ও ছত্তীসগড়ে বিজেপি বাজিমাত করেছে। গো-বলয়ের এই রাজ্যগুলিতে এক প্রকার পদ্ম-শিবিরের কাছে আত্মসমর্পণ করেছে জাতীয় দল কংগ্রেস। এই জয়কে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জয় হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার ভেঙ্কটেশ প্রসাদ। একই সঙ্গে সনাতন ধর্মকে অসম্মান করার ফল ভোগ করছে কংগ্রেস, এমনই অভিমত প্রসাদের (Venkatesh Prasad)। 

    কী বলেছেন প্রাক্তিন ক্রিকেটার?

    প্রাক্তন ক্রিকেটার ভেঙ্কটেশ প্রসাদ (Venkatesh Prasad) রবিবার বিধানসভা নির্বাচনে হতাশাজনক পারফরম্যান্সের পরে কংগ্রেস এবং জোটের অংশীদারদের তীব্র কটাক্ষ করেছেন। তিনি কংগ্রেসের বেশিরভাগ রাজ্যে এই শোচনীয় অবস্থার জন্য দায়ী করেছেন কংগ্রেসের সঙ্গী উদয়নিধি স্ট্যালিনের ‘সনাতন ধর্ম এরিডিকেশন সম্মেলনে’-এ সামিল হওয়ার ঘটনাকে। তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অমিত শাহের নেতৃত্বের প্রশংসা করেন। নিজের সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টে প্রসাদ লিখেছেন, “সনাতন ধর্মকে সম্মান না করলে তার এমন পরিণতি হতে বাধ্য। এই বিপুল ব্যবধানে জয় পাওয়ার জন্য বিজেপিকে অনেক অভিনন্দন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং অমিত শাহের আশ্চর্যজনক নেতৃত্বর আরেকটি প্রমাণ এবং তৃণমূল স্তরে দলের ক্যাডাররা দুর্দান্ত কাজ করেছে।”

    রবিবার চার রাজ্যের ভোটের ফলে ৩-১ ব্যবধানে জিতেছে বিজেপি। মধ্যপ্রদেশে ক্ষমতা ধরে রাখার পাশাপাশি পদ্ম শিবির সরকার গড়তে চলেছে রাজস্থান ও ছত্তিসগড়েও। টানা ৫ বার মধ্যপ্রদেশে জিতেছে বিজেপি। রাজস্থান, ছত্তিসগড় থেকে কংগ্রেসকে হারিয়ে ফের ক্ষমতা দখল করেছে বিজেপি। মোদি ম্যাজিকে একেবারে ধরাশায়ী কংগ্রেস শিবির। কংগ্রেস জিতেছে শুধুমাত্র তেলঙ্গানায়। চার রাজ্যের ফলের পর দেশে বিজেপির একক শক্তিতে চলা সরকারের সংখ্যা বেড়ে হল ১২।  বিশাল জয়ের জন্য বিজেপিকে অভিনন্দন জানিয়েছে ক্রীড়া মহলও।

    আরও পড়ুন: প্রবল বেগে এগোচ্ছে ঘূর্ণিঝড় মিগজাউম! রাজ্যে বৃষ্টির পূর্বাভাস, ল্যান্ডফল কখন?

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Assembly Elections 2023: নোটার চেয়েও কম ভোট বাম-ঝুলিতে, ‘ইন্ডি’ জোটের ভবিষ্যৎ নিয়েই প্রশ্ন

    Assembly Elections 2023: নোটার চেয়েও কম ভোট বাম-ঝুলিতে, ‘ইন্ডি’ জোটের ভবিষ্যৎ নিয়েই প্রশ্ন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশে কি ক্রমেই ব্রাত্য হয়ে পড়ছেন বামেরা? রবিবারের পর এমন প্রশ্ন ওঠাই স্বাভাবিক। কারণ গোবলয়ের তিন রাজ্যে খাতাই খুলতে পারেননি তাঁরা। হেরে গিয়েছে নোটার প্রাপ্ত ভোটের কাছেও। একটি রাজ্যে অবশ্য পাঙ্গা নিয়েছে সমানে সমানে (Assembly Elections 2023)।

    ইন্ডি জোটের ভবিষ্যৎ নিয়েই প্রশ্ন

    রবিবারই ঘোষণা হয়েছে চার রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের ফল। এই রাজ্যগুলির মধ্যে রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ এবং ছত্তিসগড়ে হইহই করে জিতেছে বিজেপি। তেলঙ্গানার রাশ গিয়েছে কংগ্রেসের হাতে। প্রত্যাশিতভাবেই ইন্ডি জোটের ভবিষ্যৎ নিয়েই প্রশ্ন উঠে গিয়েছে। এই ইন্ডি জোট গঠনের অন্যতম উদ্যোক্তা বামেরা। সেই বামেদের করুণ হালে লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি-বিরোধী ২৬টি রাজনৈতিক দলের জোট ‘ইন্ডি’, কতটা ছাপ ফেলতে পারবে, তা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন।

    বামেদের করুণ হাল

    অথচ পাঁচ বছর আগেও বামেদের দশা এমন ছিল না। গত বিধানসভা নির্বাচনে রাজস্থানে সীতারাম ইয়েচুরির দল পেয়েছিল ২টি আসন। বৈধ ভোটের ১.২ শতাংশ পেয়েছিল তারা। আর এবার ১১টি আসনে লড়ে জয় তো আসেইনি, উল্টে গেলবারের চেয়েও এবার কমেছে প্রাপ্ত ভোটের হার। এবার এ রাজ্যে সিপিএমের প্রাপ্ত ভোটের হার ০.৯৬ শতাংশ। নোটায়ও ভোট পড়েছে এই হারেই। অর্থাৎ নোটা বনাম বাম লড়াই হয়েছে সমানে সমানে!

    মরুরাজ্যে মুখরক্ষা (Assembly Elections 2023) হলেও, বাকি তিন রাজ্যে শোচনীয় ফল হয়েছে লালপার্টির। এই তিন রাজ্যে বামেদের প্রাপ্ত ভোটের হার নোটার চেয়েও কম। যার অর্থ, কোনও প্রার্থীই পছন্দ হয়নি বলে যাঁরা নোটায় ভোট দিয়েছিলেন, তাঁদের চেয়েও কম সংখ্যক মানুষ পছন্দ করছেন বামেদের। সীতারাম ইয়েচুরির রাজ্য তেলঙ্গানায় যেখানে নোটায় ভোট পড়ছে ০.৭৩ শতাংশ, সেখানে কাস্তে-হাতুড়ি প্রার্থীরা পেয়েছেন মাত্র ০.২২ শতাংশ ভোট। মধ্যপ্রদেশে নোটায় পড়েছে ০.৯৮ শতাংশ ভোট। সেখানে লালপার্টি পেয়েছে ০.০১ শতাংশ ভোট। ছত্তিসগড়ে কাস্ত-হাতুড়ির প্রার্থীরা যেখানে পেয়েছেন ০.০৪ শতাংশ ভোট, সেখানে নোটায় ভোট পড়েছে ১.২৬ শতাংশ।

    আরও পড়ুুন: প্রবল বেগে এগোচ্ছে ঘূর্ণিঝড় মিগজাউম! রাজ্যে বৃষ্টির পূর্বাভাস, ল্যান্ডফল কখন?

    যে চার রাজ্যের ফল ঘোষণা হয়েছে রবিবাসরীয় সন্ধ্যায়, সেই রাজ্যগুলির মধ্যে তিনটিতে মূল লড়াই হয়েছে বিজেপির সঙ্গে কংগ্রেসের। আর তেলঙ্গানায় লড়াই হয়েছে শাসক দল ভারত রাষ্ট্র সমিতির সঙ্গে কংগ্রেসের। এখানে কয়েকটি আসনে অবশ্য পদ্ম ফুটিয়েছেন বিজেপি নেতারা। গোবলয়ে কোনও কালেই আহামরি ফল করেননি বামেরা। তবে যেটুকু ভোট ছিল, সেটুকুও খোয়ানোয় এ তল্লাটে বামেদের কঙ্কালসার চেহারাটাই আরও প্রকট হল বলেই ধারণা রাজনৈতিক মহলের (Assembly Elections 2023)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Acharya Pramod Krishnam: “কংগ্রেস অভিশাপে নিমজ্জিত”! শীর্ষ নেতত্বকে তোপ দলেরই নেতার

    Acharya Pramod Krishnam: “কংগ্রেস অভিশাপে নিমজ্জিত”! শীর্ষ নেতত্বকে তোপ দলেরই নেতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সনাতন ধর্মকে অবহেলার করার জন্যই কংগ্রেসের এই পরাজয়। এই ট্যুইট-বার্তা যাঁর, তিনি বিজেপির কোনও নেতা নন। গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টির বিরুদ্ধে এই তোপ দেগেছেন কংগ্রেস নেতা তথা ধর্মগুরু আচার্য প্রমোদ কৃষ্ণম (Acharya Pramod Krishnam)। রবিবারই ফল ঘোষণা হয়েছে মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিশগড়, রাজস্থান ও তেলঙ্গানা বিধানসভা নির্বাচনের। এর মধ্যে রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ ও ছত্তিশগড়ে উড়েছে গেরুয়া নিশান। আক্ষরিক অর্থেই ধরাশায়ী হয়েছে কংগ্রেস। তার পরেই গর্জে উঠেছেন দলের ধর্মগুরু নেতা।

    কংগ্রেসকে তোপ ধর্মগুরুর

    রবিবাসরীয় সন্ধেয় কংগ্রেসের লাভ বলতে কেবলই তেলঙ্গনার রাশ। বাকি তিন রাজ্যে ভূলুণ্ঠিত হয়েছে সোনিয়া গান্ধীর দল। লোকসভা নির্বাচনের আগে যাকে অশনি সঙ্কেত হিসেবেই দেখছেন কংগ্রেস নেতারা। চার রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের এই ফল সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে কৃষ্ণম লিখেছেন, “কংগ্রেস অভিশাপে নিমজ্জিত। সনাতন ধর্মের বিরোধিতা করতে গিয়ে দলটি ডুবেছে।” কংগ্রেসের বিরুদ্ধে জাতপাতের রাজনীতির অভিযোগও করেন তিনি। তার ফলই কংগ্রেসকে ভুগতে হচ্ছে বলে মনে করেন কৃষ্ণম। তাঁর মতে, যাঁরা সনাতন ধর্মের বিরোধিতা করেন, তাঁরা ভারত বিরোধী। সনাতন ধর্ম ছাড়া হিন্দুদের কল্পনা করা যায় না। সনাতন ধর্ম বিরোধীদের রাবণের বংশধর বলেও কটাক্ষ করেছিলেন এই কংগ্রেস নেতা। সনাতন ধর্মের বিরোধিতা করায় তাঁদের ধ্বংস যে নিশ্চিত, সেই ভবিষ্যৎবাণীও করেছিলেন কৃষ্ণম (Acharya Pramod Krishnam)।

    রাজনাথের বিরুদ্ধে প্রার্থী হয়েছিলেন কৃষ্ণম

    প্রসঙ্গত, উনিশের লোকসভা নির্বাচনে লখনউ কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী রাজনাথ সিংহের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিলেন কংগ্রেসের এই ধর্মগুরু নেতা। রাজনাথের কাছে গোহারা হারেন তিনি। তবে বিজেপির এই হেভিওয়েট প্রার্থীর বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ময়দানে নেমে খবরের শিরোনামে চলে এসেছিলেন কৃষ্ণম। তার পর থেকে কংগ্রেসের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে নেতাদের সঙ্গে দেখা যায় তাঁকে। মাঝে মধ্যে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে বিষোদ্গার করে জায়গা করে নেন মিডিয়ায়।

    আরও পড়ুুন: রাজস্থানের যোগী! বালকনাথ কি বসতে চলেছেন মরুরাজ্যের কুর্সিতে?

    যেমন করেছিলেন এই তো সেপ্টেম্বর মাসে। সেই সময় সনাতন ধর্ম নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী এমকে স্ট্যালিনের ছেলে দয়ানিধি। সেই সময় কৃষ্ণম তাক করেছিলেন কংগ্রেস নেতাদেরও। দলীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে রাম ও হিন্দুদের ঘৃণা করার অভিযোগ এনেছিলেন এই ধর্মগুরু। হিন্দু ধর্মীয় গুরুদেরও অপমান করা হচ্ছে বলে আক্রমণ শানিয়েছিলেন দলের বিরুদ্ধে। তিন রাজ্যে কংগ্রেস হারতেই ফের সরব হলেন কৃষ্ণম (Acharya Pramod Krishnam)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Cyclone Michaung: প্রবল বেগে এগোচ্ছে ঘূর্ণিঝড় মিগজাউম! রাজ্যে বৃষ্টির পূর্বাভাস, ল্যান্ডফল কখন?

    Cyclone Michaung: প্রবল বেগে এগোচ্ছে ঘূর্ণিঝড় মিগজাউম! রাজ্যে বৃষ্টির পূর্বাভাস, ল্যান্ডফল কখন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  শহর কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় সকাল থেকেই মেঘলা আকাশ। দ্রুত বেগে স্থলভাগের দিকে ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় মিগজাউম (Cyclone Michaung)। আজ, সোমবার বিকেলের মধ্যে দক্ষিণ অন্ধ্রপ্রদেশ ও সংলগ্ন উত্তর তামিলনাড়ু উপকূলে ল্যান্ডফল করতে চলেছে এই ঘূর্ণিঝড়। ইতিমধ্যেই এর প্রভাবে তামিলনাড়ু উপকূল এবং অন্ধ্রপ্রদেশে (Andhra Pradesh) শুরু হয়েছে এক নাগাড়ে বৃষ্টি। ভাসছে চেন্নাই।

    ভাসছে চেন্নাই, অন্ধ্র

    এদিন সকাল থেকেই তামিলনাড়ু ও অন্ধ্রপ্রদেশে দুই রাজ্যে শুরু হয়েছে প্রবল বৃষ্টিপাত সেই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে দমকা হাওয়া (Cyclone Michaung)। সকালেই চেন্নাইয়ের (Chennai) ইস্ট কোস্টাল রোডের কানাথুর এলাকায় একটি নবনির্মিত দেওয়াল ধসে পড়ে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। গুরুতর আহত ১ জন। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবের তামিলনাড়ুর চেন্নাই-সহ একাধিক জায়গায় একটানা বৃষ্টি শুরু হয়েছে। ভেসে যাচ্ছে চেন্নাই বিমানবন্দরের (Chennai Airport) রানওয়ে। বাতিল হয়েছে একাধিক বিমান। অন্ততপক্ষে ২০টি উড়ানের সময়ে পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে।  

    ১০০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া

    তামিলনাডুর পাল্লিকরণী এলাকায় হু হু করে জল ঢুকতে শুরু করেছে। পল্লিকরণী এলাকা সমুদ্র সৈকতের বেশ কাছে। ফলে সেখানে যে বহুতলগুলি রয়েছে, অতি ভারি বৃষ্টির প্রভাবে রেহাই পাচ্ছেন না সেখানকার বাসিন্দারাও। পল্লিকরণীর সাধারণ মানুষকেও সতর্ক করা হয়ছে। যদিও এক নাগাড়ে বৃষ্টির জেরে পল্লিকরণী এলাকায় রাস্তায় যে গাড়িগুলি দাঁড় করানো রয়েছে, সেগুলি জলের তোড়ে এক জায়গা থেকে অন্যত্র প্রায় ভেসে যেতে শুরু করেছে। ফলে পল্লিকরণী এলাকার অবস্থা দেখে চিন্তায় প্রশাসন। ঘূর্ণিঝড়ের জেরে প্রচণ্ড গতিতে বাতাস বইতে পারে পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগরের উপর দিয়ে। রবিবারই ৫৫-৬৫ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা থেকে বাতাসের গতিবেগ ছিল ৭৫ কিমি/ঘণ্টা। সন্ধ্যার মধ্যে যা ৯০ কিমি ঘণ্টা ছোঁয়ার আশংকা করা হয়। আজ সোমবার সকাল থেকেই ৮০-৯০ কিমি/ঘণ্টা বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে। যা আজ সন্ধ্যা থেকে মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত ৯০-১০০ কিমি/ঘণ্টা পর্যন্ত হওয়ার আশংকা করা হচ্ছে।

    শহরে মেঘলা আকাশ

    বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া ঘূর্ণিঝড় মিগজাউমের (Cyclone Michaung) প্রভাবে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে তিন দিন বৃষ্টি হতে পারে। তবে দুর্যোগের দাপট বেশি হবে না। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বাংলায়। বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া ঘূর্ণিঝড় মিগজাউমের প্রভাবে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে তিন দিন বৃষ্টি হতে পারে। তবে দুর্যোগের দাপট বেশি হবে না। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বাংলায়। আজ, সোমবার সকাল থেকেই শহরে মেঘলা আকাশ। নিম্নচাপ কাটলেই, শুক্রবারে পর থেকে রাজ্যে আবহাওয়ায় বদল আসতে পারে। ওই দিন থেকেই নতুন করে পারদ নামার সম্ভাবনা প্রবল। ফিরবে শীতের আমেজ। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mahua Moitra: আজই ‘সদস্য’ পদ হারাবেন মহুয়া? সোমবার লোকসভায় এথিক্স কমিটির রিপোর্ট পেশ

    Mahua Moitra: আজই ‘সদস্য’ পদ হারাবেন মহুয়া? সোমবার লোকসভায় এথিক্স কমিটির রিপোর্ট পেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বল্পমেয়াদী শীতকালীন অধিবেশনের প্রথম দিনেই মহুয়া (Mahua Moitra) ইস্যুতে উত্তাল হয়ে উঠতে পারে লোকসভা (Loksabha Winter Session)।  আজ, সোমবার থেকে সংসদের শীতকালীন অধিবেশন বসছে। চলবে ২৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত। এই অধিবেশনে সরকার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সাতটি সহ ২১টি বিল পাশ করাতে চায়। তার মধ্যে অন্যতম হল ফৌজদারি দণ্ডবিধি সংশোধনী বিল। এ ছাড়া মুখ্য নির্বাচন কমিশনার এবং নির্বাচন কমিশনারদের নিয়োগ সংক্রান্ত বিলও এই অধিবেশনে পাশ করানোর কথা। 

    মহুয়ার ভবিষ্যত

    শীতকালীন অধিবেশনের প্রথম দিনেই নজরে থাকবে তৃণমূল কংগ্রেস (TMC) সাংসদ মহুয়া মৈত্র (Mahua Moitra)। কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়ার বিরুদ্ধে টাকা নিয়ে প্রশ্ন করার অভিযোগে লোকসভার এথিক্স কমিটির তদন্ত রিপোর্ট আজই অধিবেশনে পেশ হওয়ার কথা। নানা সূত্রে ইতিমধ্যে জানা গিয়েছে, এথিক্স কমিটি মহুয়াকে লোকসভা (Loksabha Winter Session) থেকে বহিষ্কারের সুপারিশ করেছে। এই রিপোর্ট লোকসভার অধিবেশনে পেশ করার পর সেটির উপরে আলোচনা হতে পারে অথবা সরাসরি ভোটাভুটির মাধ্যমে প্রস্তাব পাশ করানো যায়। মহুয়ার ব্যাপারে এখন স্পিকারের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। তাঁর উপর নির্ভর করবে পরবর্তী পরিস্থিতি। স্পিকার ওম বিড়লা চাইলে প্রস্তাব পেশের পর ভোটাভুটি আপাতত স্থগিত রাখতে পারেন।

    আরও পড়ুন: রাজস্থানের যোগী! বালকনাথ কি বসতে চলেছেন মরুরাজ্যের কুর্সিতে?

    আজই কি শেষ দিন

    ইতিমধ্যেই বিজেপি (BJP) সাংসদ নিশিকান্ত দুবে, তার সোশ্যাল মিডিয়ায় ইঙ্গিত দিয়েছেন, ‘টাকার বিনিময়ে প্রশ্ন’ বিতর্কে মহুয়ার (Mahua Moitra) বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা গ্রহণ করা হতে পারে। লোকসভার (Loksabha Winter Session) পোর্টালে প্রত্যেক সাংসদের আলাদা লগইন ও পাসওয়ার্ড থাকে। এথিক্স কমিটি (Ethics Committee) রিপোর্টে উল্লেখ, ‘সেই লগইন ও পাসওয়ার্ড শেয়ার করেছিলেন মহুয়া। এরপরই দেশের বাইরে থেকে পোর্টালে লগইন করা হয়’। কমিটির মতে, ‘স্রেফ অনৈতিক নয়, এই কাজ সংসদের অবমাননা’।  কমিটির আরও সুপারিশ, ‘টাকার বিনিময়ে প্রশ্ন’ বিতর্কে কৃষ্ণনগরের সাংসদের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে আইন ও প্রাতিষ্ঠানিক তদন্ত করা উচিত কেন্দ্রীয় সরকারের’। এ প্রসঙ্গে লোকসভার অধিকাংশ সাংসদই চাইছেন মহুয়ার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হোক। সংখ্যাধিক্যের জোরে এথিক্স কমিটির প্রস্তাব আজ পাস হয়ে যেতে পারে লোকসভায়। তেমন হলে সোমবারই এই লোকসভায় হবে মহুয়ার শেষ দিন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “জয়ী হয়েছে সব কা সাথ, সবকা বিকাশের ভাবনা”, প্রত্যয়ী প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: “জয়ী হয়েছে সব কা সাথ, সবকা বিকাশের ভাবনা”, প্রত্যয়ী প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিন রাজ্যে গেরুয়া ঝড়। নেপথ্যের কারিগর তিনিই। তার পরেও জনতার কাছে নতজানু হলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। রবিবাসরীয় সন্ধ্যায় বিজেপির সদর দফতরে তিনি এলেন। মঞ্চে উঠেই জয়গান গাইলেন ‘সব কা সাথ সবকা বিকাশের’।

    সব কা সাথ সবকা বিকাশের ভাবনা

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আজ সব কা সাথ সবকা বিকাশের ভাবনা জিতেছে। আজ সততা জিতেছে। সমস্ত ভোটারদের প্রণাম করি। মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান ও ছত্তিশগড়ের মানুষ বিজেপিকে ভালবাসা দিয়েছে। তেলঙ্গনায়ও বিজেপির প্রতি সমর্থন প্রতিনিয়ত বাড়ছে। আমাদের সৌভাগ্য যে এত ভালবাসা পেয়েছি, বিশ্বাস পেয়েছি। এরপর আমার দায়িত্ব আরও বেড়ে গেল। আজও আমার মনে এই ভাবনা রয়েছে।” তিনি বলেন, “এই নির্বাচনে দেশকে জাতি দিয়ে ভাগ করার চেষ্টা করা হয়েছিল। আমি বলেছিলাম ৪ জাতি আমার জন্য সব থেকে বড়। নারী, যুবক, কৃষক ও গরিব পরিবাররা আমাদের ওপর ভরসা রেখেছে। এই চার জাতিকে শক্ত করলেই দেশ শক্ত হবে। এই চার জাতিই বিজেপির ওপর ভরসা রেখেছে। এই জয়ে মহিলারা নিজেদের জয় দেখছেন।”

    “আজকের হ্যাট্রিক চব্বিশের হ্যাট্রিক”

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আজকের হ্যাট্রিক চব্বিশের হ্যাট্রিককে নিশ্চিত করেছে। অনিয়ম, তোষণ ও পরিবারতন্ত্র নিয়ে সাধারণ মানুষ জিরো টলারেন্স নীতি নিয়েছে। কেন্দ্র সরকারের দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই মানুষ সমর্থন করছে।” তিনি (PM Modi) বলেন, “দুর্নীতির বিরুদ্ধে মানুষ ভোটবাক্সে জবাব দিয়েছেন।” প্রধানমন্ত্রীর নিশানায় চলে এসেছে ‘ইন্ডি’ জোটও। তিনি বলেন, “যারা দুর্নীতিগ্রস্তদের সঙ্গে জোট বাঁধছে তাদের জবাব দেবে মানুষ।” উন্নয়নের প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আপনার স্বপ্ন আমার সংকল্প। আপনাদের স্বপ্নপূরণ আমাদের সংকল্প তপস্যা। আজ গ্রামে গ্রামে অপটিক্যাল ফাইবার পৌঁছেছে। সমস্ত গরিব মানুষকে আগামী পাঁচ বছর বিনামূল্যে রেশন দেওয়া হবে। প্রতিটি বাড়িতে জল পৌঁছে দেওয়া হবে। আজ দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। আমি পিছনে হঠতে শিখিনি।”

    আরও পড়ুুন: পদ্মময় গোবলয়ের তিন রাজ্য, কেবল দক্ষিণেই মুখরক্ষা কংগ্রেসের

    তিনি (PM Modi) বলেন, “ভারতের মানুষ স্থায়ী সরকার চান। স্থায়িত্ব চান সবাই। ভারতের কোনও নাগরিক আমাদের উন্নয়নযাত্রায় পিছিয়ে পড়বেন না। সবার জন্য সরকার। সবার জন্য উন্নয়ন। সবাই বলছে, মোদির গ্যারান্টি দেওয়া গাড়ি সবার দ্বারে দ্বারে আসছে। দেশের সফলতার গাড়ি হবে। এটাও মোদির গ্যারান্টি। যেখানে বিশ্বাস খতম হয়, সেখানে মোদির গ্যারান্টি শুরু হয়।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share