Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Uttarkashi Tunnel Collapse: জীবনের ঝুঁকি, মনের জোরে সাফল্য! উত্তরকাশীতে ‘হিরো’ র‍্যাট হোল মাইনার্স

    Uttarkashi Tunnel Collapse: জীবনের ঝুঁকি, মনের জোরে সাফল্য! উত্তরকাশীতে ‘হিরো’ র‍্যাট হোল মাইনার্স

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নাওয়া-খাওয়া ভুলে পাথর কেটেছেন। প্রতি মুহূর্তে ছিল ঝলসে যাওয়ার ভয়। তবু পাথর কেটে চলেছেন ১২ জন র‍্যাট হোল মাইনার্স। বিদেশি যন্ত্র যেখানে হার মেনে গিয়েছিল, সেখানে এই ১২ জনের মনের জোরেই উদ্ধার করে আনা গেল উত্তরকাশীর (Uttarkashi Tunnel Collapse) সুড়ঙ্গে আটকে পড়া ৪১ জন শ্রমিককে। উদ্ধারকাজ সফল হওয়ার পরে ওই ১২জন শ্রমিকের মুখে ছিল তৃপ্তির হাসি। এদিন তাঁরা রিয়েল-হিরো। 

    কী এই র‍্যাট হোল মাইনিং

    র‍্যাট হোল মাইনিং বা ইঁদুরের গর্ত খনন একটি বিতর্কিত এবং বিপজ্জনক প্রক্রিয়া। খুব ছোট গর্ত (৪ ফুটের বেশি চওড়া নয়) খনন করে কয়লা তোলার একটি অভিনব পদ্ধতি। খনি শ্রমিকরা কয়লা সীমায় পৌঁছে গেলে, কয়লা উত্তোলনের জন্য পাশে টানেল তৈরি করা হয়। উত্তোলিত কয়লা কাছাকাছি ডাম্প করা হয় এবং পরে উত্থিত করা হয়। এই পদ্ধতিকেই বলে র‍্যাট হোল মাইনিং। এই পদ্ধতি ইতিমধ্যেই নিষিদ্ধ করা হয়েছে। খুব সরু গর্ত করে নীচের দিকে এগিয়ে যাওয়া হয়। অনেক সময় গর্ত এতটাই সরু হয় যে একজন মাত্র সেই গর্তে নামতে পারেন। 

    নিষিদ্ধ পদ্ধতিতেই সাফল্য

    মার্কিন অগার মেশিন ভেঙে পড়ার পর উত্তরকাশীর টানেলে আটক ৪১ শ্রমিকদের উদ্ধারে র‍্যাট হোল মাইনার্সদের উপরেই ভরসা করতে হয়। দিল্লি ও ঝাঁসি থেকে উড়িয়ে আনা হয় র‌্যাট হোল মাইনার-দের। তারাই কয়েক ঘণ্টার চেষ্টায় সরু পাইপের মধ্যে বসে সরিয়ে ফেলেন ১৫ মিটার ধস। প্রায় ৪০০ ঘণ্টার পর এক ঝটকায় টানেলে আটক শ্রমিকদের সামনে খুলে যায় সব বাধা। মোট ১২ জন বিশেষজ্ঞ র‍্যাট হোল মাইনার দলে দলে ভাগ হয়ে এই কাজ শুরু করেন৷ উদ্ধার অভিযান শেষে সেই র‍্যাট হোল মাইনার্স নিজেদের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিয়েছেন৷ তাঁরা জানিয়েছেন, শ্রমিকদের উদ্ধার করার অদম্য জেদই তাঁদের শক্তি জুগিয়েছে৷ সেই কারণে গতকাল তিনটে থেকে পাথর ভাঙার কাজ শুরু করে চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যেই কার্যত অসম্ভবকে সম্ভব করে তুলেছেন৷  

    আরও পড়ুন: যবনিকা পতন ১৭ দিনের লড়াইয়ে, উত্তরকাশীর সুড়ঙ্গ থেকে উদ্ধার ৪১ শ্রমিকই

    র‍্যাট হোল মাইনার্স-দের প্রশংসা

    ১২ জনের র‌্যাট হোল মাইনার টিমের নেতৃত্বে ছিলেন ওয়াকিল হাসান। তাঁর কথায়, ” মনে হল দেশের জন্য কিছু করতে পারলাম। খুব কঠিন কাজ। সরু জায়গায় কাজ করতে হয়েছিল। ৪১ জনের প্রাণ বাঁচাব ভেবেই মনে জেদ চেপে গিয়েছিল। আমার সঙ্গীরা খুব পরিশ্রম করেছে। জীবনে এমন চ্যালেঞ্জিং কাজ আগে কখনও করিনি। টিমের কর্মীরা টানা ২৪ ঘণ্টা বিরামহীন কাজ করেছে।”

    অপর এক র‌্যাট হোল মাইনার-এর কথায়, “আমরা ঠিক করে নিয়েছিলাম, যেভাবেই হোক আটকে থাকা শ্রমিকদের উদ্ধার করতেই হবে৷ তাই তো না খেয়েই আজ সকাল থেকে পাথর ভেঙে গিয়েছি৷ পাথর কাটতে কাটতে কখনও কখনও সেই ধ্বংসস্তূপের মধ্যে স্টিলের টুকরোও চলে এসেছে৷ আমরা সেসবও কেটে ফেলেছি৷ এখন এত আনন্দ হচ্ছে, ভাষায় প্রকাশ করতে পারছি না৷” উদ্ধার অভিযান শেষে সাংবাদিক বৈঠক করতে গিয়ে এই র‍্যাট হোল মাইনার্স-দের প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছেন উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি৷ ১২ জন উদ্ধারকারীর সঙ্গে কথাও বলেন তিনি৷ 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Uttarkashi Tunnel Rescue: যবনিকা পতন ১৭ দিনের লড়াইয়ে, উত্তরকাশীর সুড়ঙ্গ থেকে উদ্ধার ৪১ শ্রমিকই  

    Uttarkashi Tunnel Rescue: যবনিকা পতন ১৭ দিনের লড়াইয়ে, উত্তরকাশীর সুড়ঙ্গ থেকে উদ্ধার ৪১ শ্রমিকই  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চূড়ান্ত পর্বের অভিযান শুরু হয়েছিল রাত ৭টা ৪৯ মিনিটে। রাত ৮টা বেজে ৩৮ মিনিটের মধ্যে উত্তরকাশীর সিল্কিয়ারা সুড়ঙ্গ থেকে উদ্ধার করা হল ৪১ জন শ্রমিককেই। সেই সঙ্গে যবনিকা পতন হল টানা ১৭ দিনের লড়াইয়ের। এদিন সুড়ঙ্গ থেকে প্রথমে বেরিয়ে আসেন ঝাড়খণ্ডের বিজয় হোরো। তার পর একে একে বের করে আনা হয় আরও চল্লিশজন শ্রমিককে। আটক শ্রমিকদের উদ্ধার করার সময় উপস্থিত ছিলেন উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামী।

    কেমন ছিল শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি?

    মঙ্গলবার সন্ধের সময়ই সুড়ঙ্গে আটকে (Uttarkashi Tunnel Rescue) পড়া শ্রমিকদের কাছে পৌঁছে যান উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা। যে পাইপের মাধ্যমে ওই শ্রমিকদের বের করে আনা হবে, সেটি প্রস্তুত রাখা হয়েছিল আগে থেকেই। শেষ মুহূর্তের কাজ শেষে একে একে উদ্ধার করা হয় শ্রমিকদের। সুড়ঙ্গের বাইরে প্রস্তত রাখা হয়েছিল চিকিৎসকদের একটি দলকে। উদ্ধার করা শ্রমিকদের প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেন তাঁরাই। পরে নিয়ে যাওয়া হয় জেলা হাসপাতালে।

    চাকা লাগানো স্ট্রেচারে আনা হল বাইরে

    জানা গিয়েছে, যে পাইপের মধ্যে দিয়ে আটক শ্রমিকদের উদ্ধার করা হয়েছে, সেটি আড়াই ফুট চওড়া। চাকা লাগানো স্ট্রেচারের মাধ্যমে এই পাইপ দিয়েই বাইরে নিয়ে আসা হয়েছে তাঁদের। এই পাইপের মধ্যে দিয়ে প্রথমে শ্রমিকদের কাছে পৌঁছন জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর সদস্যরা। তাঁরাই শ্রমিকদের বুঝিয়ে দেন কীভাবে স্ট্রেচারের সাহায্যে সাবধানে বেরিয়ে আসতে হবে তাঁদের। টানা সতের দিন ধরে সুড়ঙ্গে আটকে থাকায় ক্ষীণকায় হয়েছেন শ্রমিকরা। তাই চাকা লাগানো স্ট্রেচারে করে তাঁদের বের করে আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    আরও পড়ুুন: খননকাজ শেষ করে শ্রমিকদের মঙ্গল কামনায় পুজোয় বসলেন আর্নল্ড ডিক্স

    সুড়ঙ্গে আটকে ছিলেন বাংলার তিনজন সহ মোট ৪১ জন শ্রমিক। তাই সুড়ঙ্গের বাইরে প্রস্তুত রাখা হয়েছিল ৪১টি অ্যাম্বুলেন্স। গড়া হয়েছিল অস্থায়ী স্বাস্থ্যকেন্দ্রও। এখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর উদ্ধার করা শ্রমিকদের নিয়ে যাওয়া হবে তিরিশ কিলোমিটার দূরের জেলা হাসপাতালে। শ্রমিকদের যাতে দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছে দেওয়া যায়, তাই (Uttarkashi Tunnel Rescue) তৈরি করা হয়েছে গ্রিন করিডর। এই হাসপাতালের পাশেই প্রস্তুত রাখা হয়েছে বায়ুসেনার হেলিকপ্টার চিনুক। কোনও শ্রমিকের স্বাস্থ্যের অবনতি হলে দ্রুত উড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হবে হৃষিকেশের এইমস হাসপাতালে। প্রশাসন জানিয়েছে, শ্রমিকদের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে ৪১টি বেড। ট্রমা কেয়ার ইউনিট, আইসিইউ এবং অক্সিজেনের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা কর্তৃপক্ষের সদস্য অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল সৈয়দ আটা হাসনাইন বলেছিলেন, “আমার মনে হয়, এই অপারেশন শেষ করতে পুরো রাত লেগে যাবে।” তবে তার আগেই আটক শ্রমিকদের উদ্ধার করায় খনি বিশেষজ্ঞদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Uttarkashi Tunnel Rescue: উত্তরকাশীর সুড়ঙ্গে আশার আলো, আটক শ্রমিকদের উদ্ধারে প্রস্তুত ‘চিনুক’, সুখবর শীঘ্রই!

    Uttarkashi Tunnel Rescue: উত্তরকাশীর সুড়ঙ্গে আশার আলো, আটক শ্রমিকদের উদ্ধারে প্রস্তুত ‘চিনুক’, সুখবর শীঘ্রই!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরাখণ্ডের উত্তরকাশীর সিল্কিয়াড়া সুড়ঙ্গে (Uttarkashi Tunnel Rescue) ফের ধস। সেই কারণেই দেরি হচ্ছে উদ্ধার কাজে। তবে ছোট্ট এই ধসের কারণে উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনও কারণ নেই বলেই জানিয়েছেন উদ্ধারকারীরা। সূত্রের খবর, সুড়ঙ্গে আটকে থাকা শ্রমিকদের পরিবারবর্গকে ‘সুখবর’ দেওয়ার জন্য তৈরি থাকতে বলা হয়েছে প্রশাসনকে।

    প্রস্তুত বায়ুসেনার হেলিকপ্টার

    সুড়ঙ্গে আটক শ্রমিকদের উদ্ধার করার পর নিয়ে যাওয়া হবে হাসপাতালে। পরে নিয়ে যাওয়া হবে অন্যত্র। তাই সুড়ঙ্গের কাছেই প্রস্তুত রাখা হয়েছে বায়ুসেনার একটি চিনুক হেলিকপ্টার। এনডিএমএ সদস্য অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল সৈয়দ আতা হাসনাইন বলেন, “চিনুক হেলিকপ্টারটি, চিন্যালিসাউর এয়ারস্ট্রিপে রয়েছে। এর ওড়ার সময় ছিল বিকেল সাড়ে চারটে। আমরা এটি রাতে ওড়াব না। যেহেতু সুড়ঙ্গে আটকে পড়া শ্রমিকদের উদ্ধারে দেরি আছে, তাই আগামিকাল সকালে শ্রমিকদের নিয়ে যাওয়া হবে।”

    সাফল্যের খুব কাছাকাছি!

    তিনি বলেন, “আমরা বড় সাফল্যের খুব কাছাকাছি থাকলেও, এখনও সেখানে পৌঁছতে পারিনি (Uttarkashi Tunnel Rescue)। আটকে পড়া শ্রমিকরা মেশিনের শব্দ শুনেছেন। একবার ব্রেকথ্রু পাওয়া গেলে আটকে পড়া শ্রমিকদের বের করতে তিন-চার ঘণ্টা সময় লাগবে। পাইপের মধ্যে দিয়ে চাকাযুক্ত স্ট্রেচারে প্রত্যেক শ্রমিককে বের করতে প্রায় পাঁচ মিনিট সময় লাগবে।” তিনি বলেন, “ইঁদুরের গর্ত খোঁড়ার খনি শ্রমিকরা চব্বিশ ঘণ্টারও কম সময়ে ১০ মিটার খনন করে আসাধারণ কাজ করেছেন।”

    প্রসঙ্গত, দিন কুড়ি ধরে সুড়ঙ্গে আটকে থাকা শ্রমিকদের উদ্ধারে একাধিক পন্থা অবলম্বন করা হয়েছিল। আমেরিকায় তৈরি অগার মেশিনও নামানো হয়েছিল আটকে পড়া শ্রমিকদের উদ্ধারে। সেই মেশিনটি ভেঙে যাওয়ায় প্রয়োগ করা হয় ‘ইঁদুর-গর্ত’ পদ্ধতি। ১২ জন খনি বিশেষজ্ঞ এই পদ্ধতি প্রয়োগ করে উদ্ধার করার চেষ্টা চালাচ্ছেন সুড়ঙ্গে আটকে পড়া শ্রমিকদের।

    আরও পড়ুুন: ‘‘গেরুয়া সুনামি দেখবে শহরবাসী’’, বুধবারের শাহি-সভা নিয়ে প্রত্যয়ী সুকান্ত

    এদিকে, সুড়ঙ্গে আটকে পড়া শ্রমিকদের উদ্ধারে আশার আলো দেখা দিতেই দুর্ঘটনাস্থল ছাড়লেন উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি। উত্তরকাশীর ওই সুড়ঙ্গে আটকে রয়েছেন বাংলার তিনজন শ্রমিকও। উদ্ধারকাজ শেষ পর্বে পৌঁছে যেতেই তাঁদের ঘরে ফেরাতে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তিন প্রতিনিধির একটি দল রওনা দিয়েছে উত্তরাখণ্ডের উদ্দেশে। প্রসঙ্গত, খনি শ্রমিকদের কল্যাণ ও নিরাপদে দ্রুত উদ্ধারের (Uttarkashi Tunnel Rescue) আশায় এদিনই পুজো দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • BJP Slams Nitish: পুজোর ছুটিতে কাঁচি, ইদে তিনদিন স্কুলে ছুটি! বিহারকে ‘ইসলামিক রিপাবলিক’ কটাক্ষ বিজেপির

    BJP Slams Nitish: পুজোর ছুটিতে কাঁচি, ইদে তিনদিন স্কুলে ছুটি! বিহারকে ‘ইসলামিক রিপাবলিক’ কটাক্ষ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দুদের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পুজোতে স্কুলের ছুটির দিনে কাটছাঁট করে দিল বিহারের স্কুল শিক্ষা দফতর। উল্টোদিকে, দুই ইদে তিনদিন করে ছুটির (School Holidays) কথা বলা হয়েছে। অর্থাৎ মুসলিমদের দুই পরবে মোট ছয়দিন স্কুল বন্ধ থাকবে। এই ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বিজেপি (BJP Slams Nitish) নেতৃত্ব। রাজ্যের বিজেপি নেতা তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিং বলেছেন, লালু প্রসাদ ও নীতীশ কুমার মিলে রাজ্যটিকে ‘ইসলামিক রিপাবলিক অফ বিহার’ বানিয়ে ফেলছেন। আর এক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী চৌবে নীতীশকে ‘তোষণ সম্রাট’ বলে কটাক্ষ করেন।

    ভোটের জন্য তোষামোদ

    বিহার সরকারের শিক্ষা দফতরের বক্তব্য, শিক্ষার অধিকার আইন অনুযায়ী ২২০ দিন স্কুল খোলা রাখতেই ছুটির তালিকায় অদলবদল করতে হয়েছে। গত ২৯ আগস্ট বিহার সরকারের আর একটি সিদ্ধান্ত ঘিরে বিতর্ক দেখা দিয়েছিল। তখন শিক্ষা দফতর বছরের বাকি দিনগুলিতে প্রাপ্য কুড়িটি ছুটি কমিয়ে আটটি করে দিয়েছিল। বিতর্কের মুখে সেই নির্দেশিকা বাতিল করা হয়েছিল। ২০২৪ সালের স্কুলের ছুটির ক্য়ালেন্ডার প্রকাশ্য়ে এসেছে। এরপরই সোশ্য়াল মিডিয়ায় নানা মন্তব্য ভেসে আসছে। এই নতুন ক্যালেন্ডারে দেখা যাচ্ছ সব মিলিয়ে ৬০দিন ছুটি রয়েছে। (BJP Slams Nitish) তার মধ্য়ে তিনদিন করে ঈদ আর বকরিদের জন্য। দুর্গাপুজো আর ছটের জন্য় যেমন ছুটি তেমন ওই পরবের জন্য়ও ছুটি। অন্যদিকে, দুটি হিন্দু পরব হরতালিকা তিজ এবং জিতিইয়ার ছুটি কমানো হয়েছে।

    রাজনৈতিক মহলের দাবি, নীতীশ কুমারের সরকার ভোটের জন্য একটা সম্প্রদায়কে তোষামোদ করছে। বিজেপি সাংসদ সুশীল মোদির দাবি, হিন্দুদের সেন্টিমেন্টকে আঘাত করা হয়েছে। মুসলিমদের উৎসবে ছুটির দিন এভাবে বাড়িয়ে দেওয়া আর হিন্দুদের উৎসবে কমিয়ে দেওয়া এর পেছনে কোনও যুক্তি নেই (BJP Slams Nitish)।

    আরও পড়ুন: লোকাল ট্রেনে এসি কোচ! ডিসেম্বরেই শিয়ালদা শাখায় চালু নতুন পরিষেবা

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Uttarkashi Tunnel: খননকাজ শেষ করে শ্রমিকদের মঙ্গল কামনায় পুজোয় বসলেন আর্নল্ড ডিক্স

    Uttarkashi Tunnel: খননকাজ শেষ করে শ্রমিকদের মঙ্গল কামনায় পুজোয় বসলেন আর্নল্ড ডিক্স

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আর কিছুক্ষণের মধ্যেই উত্তরকাশীর সুড়ঙ্গে আটক শ্রমিকরা বেরিয়ে আসবেন। প্রায় শেষের পথে সুড়ঙ্গের খনন কাজ। উদ্ধারকাজ (Uttarkashi Tunnel) যাতে নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয় সেজন্য সুড়ঙ্গের বাইরে পুজোয় বসলেন মার্কিন সুড়ঙ্গ বিশেষজ্ঞ আর্নল্ড ডিক্স। গত ১২ নভেম্বর থেকে শ্রমিকরা আটকে থাকার পর সমান্তরালভাবে সুড়ঙ্গ খননের তিনিই রূপকার। শ্রমিকরা যাতে সুস্থভাবে বেরিয়ে আসেন, তাঁদের মঙ্গল কামনাতে সেই রূপকারকেই এদিন পুজো করতে দেখা গেল। ইতিমধ্যে এই ভিডিও ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়াতে। ডিক্সের পুজো করার ভিডিও পোস্ট করেছেন বিজেপি নেতা অমিত মালব্যও। সেখানেই দেখা যাচ্ছে সুড়ঙ্গের বাইরে তৈরি করা হয়েছে একটি ছোট্ট অস্থায়ী মন্দির।

    উদ্ধারকাজে সমন্বয় সাধন করছেন ডিক্স

    পুরোহিতের সঙ্গে পুজোয় বসেছেন আর্নল্ড এবং শ্রমিকদের মঙ্গল কামনায় প্রার্থনা করছেন। পুরোহিত আর্নল্ড ডিক্সের (Uttarkashi Tunnel) কপালে তিলকও এঁকে দিচ্ছেন। তবে এটাই নতুন বা প্রথম কিছু নয়। উদ্ধার কাজ শুরুর দিনেও আর্নল্ড ডিক্স অস্থায়ী মন্দিরের বাইরে এভাবেই প্রার্থনা করেছিলেন। আবার উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামিকেও মন্দিরে প্রার্থনা করতে দেখা যায়। জানা গিয়েছে, আর্নল্ড ডিক্স আদতে অস্ট্রেলিয়ার বাসিন্দা। উত্তরাখণ্ডে উদ্ধারকাজের দায়িত্ব রয়েছে পাঁচটি সংস্থা। এগুলি হল, ওএনজিসি, এসজেভিএনএল, আরভিএনএল, এনএইচআইডসিএল এবং টিএইচডিসিএল। এই সংস্থাগুলির (Uttarkashi Tunnel) সঙ্গে কথা বলেই সুড়ঙ্গ খননের কাজে সমন্বয় সাধন করেন ডিক্স।

    পৃথিবীর যেকোনও প্রান্তে সুড়ঙ্গে বিপদ হলেই পৌঁছে যান ডিক্স

    পৃথিবীর যেকোনও প্রান্তে সুড়ঙ্গে (Uttarkashi Tunnel) কোনও বিপদ হলে ডিক্স তাঁর দলবল নিয়ে পৌঁছে যান। সুড়ঙ্গে ধস নামলে বা আগুন লাগলে কিভাবে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হয়। সেটা প্রশিক্ষণ দেন তিনি। জানা গিয়েছে, পেশায় একজন আইনজীবী ডিক্স। এর পাশাপাশি তিনি অধ্যাপনার কাজের সঙ্গেও যুক্ত। টোকিও সিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে সুড়ঙ্গ সংক্রান্ত বিষয় পড়ান তিনি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Uttarkashi Tunnel: বাইরে দাঁড়িয়ে অ্যাম্বুল্যান্স, কিছুক্ষণের মধ্যেই বেরিয়ে আসবেন সুড়ঙ্গে আটক শ্রমিকরা

    Uttarkashi Tunnel: বাইরে দাঁড়িয়ে অ্যাম্বুল্যান্স, কিছুক্ষণের মধ্যেই বেরিয়ে আসবেন সুড়ঙ্গে আটক শ্রমিকরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আর কিছুক্ষণের মধ্যেই উত্তরকাশীর সুড়ঙ্গ থেকে একে একে বেরিয়ে আসবেন আটক ৪১ জন শ্রমিক। উদ্ধারকারী দল তাঁদের প্রায় কাছে পৌঁছে গিয়েছে। আটক শ্রমিকদের বের করার পরে তাঁদের নিয়ে যাওয়া হবে জেলা হাসপাতালে। সেই মতো সুড়ঙ্গের (Uttarkashi Tunnel) বাইরে দাঁড়িয়ে রয়েছে অ্যাম্বুল্যান্স। মঙ্গলবার দুপুর থেকেই এই অ্যাম্বুল্যান্সগুলি দাঁড়িয়ে রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এর পাশাপাশি এনডিআরএফ এবং এসডিআরএফের দলও প্রস্তুত রয়েছে। তাঁরাই সুড়ঙ্গ থেকে শ্রমিকদের উদ্ধার করবেন বলে জানা গিয়েছে।

    প্রস্তুত রয়েছে  চিনিয়ালিসৌর স্বাস্থ্যকেন্দ্র

    প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষার পরেই তাঁদের নিয়ে যাওয়া হবে জেলা হাসপাতালে। ইতিমধ্যে শ্রমিকদের (Uttarkashi Tunnel) পরিবারগুলিকে প্রশাসনের তরফ থেকে বলা হয়েছে যে আপনারা প্রস্তুত থাকুন। ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছেছেন উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামিও। প্রথমে যে প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে শ্রমিকদের নিয়ে যাওয়া হবে সেই চিনিয়ালিসৌর স্বাস্থ্যকেন্দ্রে বেড প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এবং প্রতিটি বেডের সঙ্গে অ্য়াটাচ করা হয়েছে অক্সিজেন সিলিন্ডার। এর পাশাপাশি প্রশাসনের তরফ থেকে জানানো হয়েছে কোনও শ্রমিকের (Uttarkashi Tunnel) অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে হেলিকপ্টারে করে ভর্তি করানো হবে ঋষিকেশের এইমসে।

    শুক্রবার থেকে ব্যাহত হয় উদ্ধারকাজ

    আর ১০-১২ মিটার বাকি থাকতেই গত শুক্রবার হঠাৎ ভেঙে পড়ে অগার মেশিন। মেশিনের বিকল যন্ত্রপাতিগুলি সোমবার সকালে বের করে উদ্ধারকারী দল। এর পরই শুরু হয় ম্যানুয়াল ড্রিলিং অর্থাৎ হাত দিয়ে খোঁড়ার কাজ। শাবল, গাঁইতি দিয়ে উদ্ধারকারী দল খুঁড়তে থাকে সুড়ঙ্গ। গত ১২ নভেম্বর থেকে আটকে রয়েছেন শ্রমিকরা। সুড়ঙ্গের মধ্যে শ্রমিকরা রয়েছেন সুস্থই। খাবার সহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী পাঠানো হচ্ছে। ইদানিং তাঁদের জন্য পাঠানো হচ্ছে বেরি ও অন্যান্য ফল। তাঁদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন মনোবিদরাও। সুড়ঙ্গের (Uttarkashi Tunnel) মাত্র ৪১ মিটার ফাঁকা জায়গায় আটকে রয়েছেন ৪১ জন শ্রমিক। তাঁরা যাতে মনোবল হারিয়ে না ফেলেন, তাই সুড়ঙ্গে পাঠানো হয়েছে লুডো, দাবা এবং তাস। শ্রমিকরা সেখানে চোর-পুলিশও খেলছেন বলে খবর।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • NIA Terror Probe: ভূস্বর্গকে ফের আশান্ত করতে তৎপর পাকিস্তান! এনআইএ-র হাতে চাঞ্চল্যকর প্রমাণ

    NIA Terror Probe: ভূস্বর্গকে ফের আশান্ত করতে তৎপর পাকিস্তান! এনআইএ-র হাতে চাঞ্চল্যকর প্রমাণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভূস্বর্গে কি ফের ফিরছে নাশকতার কালো মেঘ (Terrorism in Jammu Kashmir)? প্রশ্নটা উঠছে কারণ সাম্প্রতিককালে বেশ কয়েকটি সে-জঙ্গি এনকউান্টারের ঘটনার সাক্ষী থেকেছে জম্মু কাশ্মীর উপত্যকা। বাহিনী সজাগ থাকায় (NIA Terror Probe) জঙ্গিদের নাশকতার ছক বানচাল হলেও, প্রাণ গিয়েছে একাধিক বীর সেনানীর। অনন্তনাগ হোক বা রাজৌরি— জঙ্গিরা যে ফের সক্রিয় হয়ে উঠেছে এদেশে নাশকতার জাল বিছোতে, তাতে কোনও সন্দেহ নেই। ঠিক যেমন বেশ কিছুদিন চুপ করে থাকার পর ফের কাশ্মীর দিয়ে সীমান্তপার সন্ত্রাস চালাতে তৎপর হয়েছে পাকিস্তান।

    পাকিস্তান থেকে লাগাতার অনুপ্রবেশ

    জঙ্গি-নেতারা যে প্রতিবেশী রাষ্ট্র থেকে কাশ্মীরে লাগাতার অনুপ্রবেশের চেষ্টা (Terrorism in Jammu Kashmir) করে চলেছে এবং সেখান থেকেই যে সবকিছু নিয়ন্ত্রণ হচ্ছে, এটা আগে তো জানা ছিলই। তবে, এই মর্মে নতুন তথ্যপ্রমাণও হাতে পেয়েছেন এদেশের গোয়েন্দারা (NIA Terror Probe)। চলতি বছরের জানুয়ারিতে রাজৌরির ধাংরি গ্রামে হামলা চালায় জঙ্গিরা। আইইডি বিস্ফোরণে ৭ সাধারণ নাগরিকের মৃত্যু হয়েছিল। এর পর এপ্রিল মাসে পুঞ্চে সেনা কনভয়ে জঙ্গি হামলায় পাঁচ জওয়ান মারা গিয়েছিলেন। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা তথা অনুসন্ধানকারী সংস্থা এনআইএ জানিয়েছে, এই দুই ঘটনাতেই একই জঙ্গিরা জড়িত ছিল। 

    স্থানীয়দের মদত পেয়েছিল জঙ্গিরা!

    এনআইএ তদন্তে উঠে আসে, জঙ্গিরা স্থানীয়দের মদত পেয়েছিল। হামলার পর তারা আন্ডারগ্রাউন্ড হয়ে যায়। গত সেপ্টেম্বর মাসে নিসার আহমেদ ও মুস্তাক হোসেন নামে দুজনকে পাকড়াও করে এনআইএ। গোয়েন্দাদের অভিযোগ, পুঞ্চের বাসিন্দা এই দুজনই ধাংরি হামলাকারীদের আশ্রয় দেওয়া থেকে শুরু করে যাবতীয় সাহায্য করেছিল। ধৃতদের জেরা করে চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে আসে এনআইএ-র হাতে (NIA Terror Probe)। জানা যায়, নিসারের সঙ্গে লস্কর হ্যান্ডলার আবু কতল ওরফে কতল সিন্ধির নিয়মিত যোগাযোগ ছিল। নিসারকে আগও গ্রেফতার করা হয়েছিল। ২ বছর জেলে কাটিয়ে ২০১৪ সালে সে ছাড়া পায়। 

    গোয়েন্দারা জানিয়েছেন, জেল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর থেকে জঙ্গিদের ইনফর্মার হিসেবে নাকি কাজ করত এই নিসার (Terrorism in Jammu Kashmir)। ধাংরিতে হামলার ঘটনায় তাকে ডেকেও পাঠিয়েছিল পুলিশ। এনআইএ-কে নিসার জানিয়েছে, দুই জঙ্গিকে আশ্রয় দেওয়ার জন্য তাঁকে নির্দেশ দিয়েছিল আবু কতল। এর পর মুস্তাক হোসেনকে ৭৫ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছিল। বলা হয়েছিল ওই ২ জঙ্গির জন্য গুহার মধ্যে একটি গোপন আস্তানা তৈরি করে দিতে। ওই জঙ্গিদের বাড়িতে তৈরি খাবার দিয়ে আসত নিসার। 

    নির্দেশ দিয়েছিল পাক হ্যান্ডলাররা

    এনআইএ জানিয়েছে (NIA Terror Probe), জেরায় নিসার দাবি করেছে, এপ্রিলে সেনার ওপর হামলার ২ দিন আগে ওই জঙ্গিরা ২২টি রুটি চেয়ে পাঠায়। সেই মতো, সে রুটি পৌঁছে দেয়। এর পর জঙ্গিরা তাকে না জানিয়ে সেখান থেকে চলে যায়। এনআইএ জানিয়েছে, এর পরই পুঞ্চের ভিম্বর গলি-সুরানকোট সড়কের ওপর ভাট্টা দুরিয়াঁর কাছে ঘটা হামলার খবর আসে (Terrorism in Jammu Kashmir)। গোয়েন্দাদের মতে, পাকিস্তান থেকে আসা লস্কর-ই-তৈবা হ্যান্ডলারদের নির্দেশ অনুযায়ী এই হামলাগুলো চালিয়েছিল জঙ্গিরা। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, সইফুল্লাহ ওরফে সাজিদ জট্ট, আবু কতল এবং মহম্মদ কাসিম নামে তিন লস্কর হ্যান্ডলার পাকিস্তান বসে জঙ্গিদের নির্দেশ দিয়েছিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Uttarkashi Tunnel Rescue: আটক শ্রমিকদের উদ্ধারে এবার ‘ইঁদুর-গর্ত’ পদ্ধতি, প্রার্থনা প্রধানমন্ত্রীর

    Uttarkashi Tunnel Rescue: আটক শ্রমিকদের উদ্ধারে এবার ‘ইঁদুর-গর্ত’ পদ্ধতি, প্রার্থনা প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরকাশীর সিল্কিয়ারার সুড়ঙ্গে (Uttarkashi Tunnel Rescue) আটকে পড়া শ্রমিকদের উদ্ধার করা যায়নি সোমবার সন্ধে পর্যন্তও। আধুনিক মার্কিন অগার মেশিন ব্যর্থ হওয়ার পর এবার মান্ধতা দেশীয় পদ্ধতিতেই ভরসা করছেন উদ্ধারকারীরা। তবে, আশার আলো ধীরে ধীরে বাড়ছে বলে জানিয়েছেন খনন-বিশেষজ্ঞরা। শ্রমিকদের মঙ্গলকামনায় পুজো দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    ইঁদুর-গর্ত পদ্ধতি

    শ্রমিকদের উদ্ধারে চূড়ান্ত ব্যর্থ হয়েছে বৈজ্ঞানিক, অত্যাধুনিক বিদেশি ড্রিল। বিভিন্ন পদ্ধতি অবলম্বন করেও শ্রমিকদের উদ্ধার করা যায়নি।  এখন তাই অবলম্বন করা হচ্ছে ‘ইঁদুর-গর্ত’ পদ্ধতি। এই পদ্ধতিটি বেশ বিপজ্জনক। এই পদ্ধতিতে ছোট ছোট দলে ভাগ হয়ে গিয়ে খনি শ্রমিকরা একটু একটু করে ইঁদুরের মতো গর্ত করতে থাকে। যেহেতু আমেরিকায় তৈরি অগার মেশিনটি সুড়ঙ্গ খুঁড়তে গিয়ে ভেঙে গিয়েছিল, তাই অবলম্বন করা হচ্ছে ‘ইঁদুর-গর্ত’ পদ্ধতি।

    উত্তরাখণ্ড সরকারের নোডাল অফিসার নীরজ খাইরওয়াল জানান, সাইটে আসা খনন কর্মীরা পৃথক পৃথক দলে বিভক্ত। একজন ড্রিলিং করবেন। অন্য একজন কোদাল, বেলচা দিয়ে মাটি-পাথর তুলতে থাকবেন। আর তৃতীয়জন সেটি তুলে ট্রলিতে রেখে দেবেন। জাতীয় সড়কের নিচে সুড়ঙ্গ খুঁড়তে গিয়ে ধস নামায় আটকে পড়েন ৪১ জন শ্রমিক। এঁদের মধ্যে রয়েছেন বাংলার তিনজনও। পনেরো দিনেরও বেশি সময় ধরে ওই শ্রমিকরা রয়েছেন সুড়ঙ্গে (Uttarkashi Tunnel Rescue) আটকে।

    কী বলছেন সুড়ঙ্গ বিশেষজ্ঞ?

    আর মাত্র পাঁচ থেকে ছ’মিটার পথ অতিক্রম করতে পারলেই পৌঁছে যাওয়া যাবে সুড়ঙ্গে আটকে পড়া ৪১ জন শ্রমিকের কাছে। ইঁদুরের মতো গর্ত করে শ্রমিকদের কাছে পৌঁছানোর (Uttarkashi Tunnel Rescue) চেষ্টা করছেন ক্ষুদ্র সুড়ঙ্গ বিশেষজ্ঞরা। বিশেষজ্ঞ ক্রিস কুপার বলেন, “আমরা ৫০ মিটার পেরিয়ে গিয়েছি। আর মাত্র পাঁচ-ছ মিটার বাকি।”

    পুজো দিলেন প্রধানমন্ত্রী

    এদিকে, শ্রমিকদের মঙ্গলকামনায় হায়দরাবাদে ‘কোটি দীপোৎসভমে’ পুজো দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেন, “হাজারও প্রতিকূলতা সত্ত্বেও উত্তরাখণ্ড সরকারের তরফ থেকে শ্রমিকদের উদ্ধারে সব রকম চেষ্টা করা হচ্ছে। কোনও রকম খামতি রাখা হচ্ছে না।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের অনেক সতর্কতার সঙ্গে এই উদ্ধার অভিযান শেষ করতে হবে। এই প্রচেষ্টায় প্রকৃতি আমাদের ক্রমাগত কড়া পরীক্ষার মুখে ফেলেছে। তবে আমরা দৃঢ়ভাবে সে সব প্রতিকূলতার মোকাবিলা করছি। আমরা সর্বাধিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব শ্রমিকদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার জন্য আমাদের প্রার্থনা করতে হবে।” তিনি বলেন, “আজ যখন আমরা ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করছি ও মানবকল্যাণের কথা বলছি, তখন আমাদের সেই সব শ্রমিক ভাইদের জন্যও প্রার্থনা করতে হবে, যাঁরা গত দু’ সপ্তাহ ধরে উত্তরাখণ্ডের একটি সুড়ঙ্গে আটকে রয়েছেন। শ্রমিকদের পরিবারের সদস্যদের সাহস দিতে হবে। গোটা দেশ তাঁদের সঙ্গে রয়েছে।”

    আরও পড়ুুন: ‘‘গত শতাব্দীর মহাপুরুষ গান্ধী, বর্তমান শতকের যুগপুরুষ মোদি’’, বললেন ধনখড়

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Vande Bharat: ট্রেনেই প্লেনের পরিষেবা! বন্দে ভারত এক্সপ্রেসে নতুন স্কিম আনল ভারতীয় রেল

    Vande Bharat: ট্রেনেই প্লেনের পরিষেবা! বন্দে ভারত এক্সপ্রেসে নতুন স্কিম আনল ভারতীয় রেল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ট্রেন যাত্রীদের জন্য বড় খবর। এবার প্লেনের মতো আধুনিক পরিষেবা মিলবে ট্রেনেই। যাত্রী পরিষেবার মান, অত্যাধুনিক পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে ভারতীয় রেল। সেজন্য নেওয়া হয়েছে বিশেষ প্রকল্প। এই প্রকল্পের নাম দেওয়া হয়েছে যাত্রী সেবা অনুবন্ধ (YSA)। প্রাথমিক ভাবে ৬টি রুটের বন্দে ভারত এক্সপ্রেসে (Vande Bharat) এই পরিষেবা পাওয়া যাবে।

    বিশেষ প্রকল্পে কী কী সুবিধা

    যাত্রী সেবা অনুবন্ধ (YSA) প্রকল্পের আওতায় ক্যাব বুকিং, হুইলচেয়ার-সহ বিভিন্ন পরিষেবা পাওয়া যাবে। মিলবে বিশ্বমানের সফরের অভিজ্ঞতা। যেখানে যাত্রীদের যাতায়াতের সমস্ত প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র এবং আনুষঙ্গিক সুবিধাও পাওয়া যাবে। এই প্রকল্পে যাত্রীদের জন্য থাকছে বিশেষ খাবারের মেনু। যাত্রীদের অত্যন্ত ভালো মানের খাবার সরবরাহ করা হবে। এজন্য বিশেষ নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে খাবার তৈরির দায়িত্বে থাকা ঠিকাদারদের। নির্দেশিকা অনুযায়ী, রেলের রান্নার ঠিকাদারদের খাদ্য এবং গৃহস্থালির প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কর্মী নিয়োগ করতে হবে। যাঁদের পেমেন্ট এবং ডকুমেন্টেশন রেল সময়বিশেষে পর্যালোচনা করবে। ভারতীয় রেল, যাত্রী সেবা অনুবন্ধ (YSA) -এর জন্য ক্যাটারিং এবং হাউসকিপিং-এ প্রমাণিত ট্র্যাক রেকর্ড সহ একজন পরিষেবা প্রদানকারী নিয়োগ করবে। পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করার জন্য প্রতিটি কোচে একজন প্রশিক্ষিত হাউসকিপিং ব্যক্তি থাকবেন বলেও জানা গিয়েছে। যাত্রীরা টিকিট বুক করার সময় বা যাত্রী সেবা অ্যাপের মাধ্যমে প্রি-পেইড খাবার অর্ডার করতে পারেন, অথবা বোর্ডে লা কার্টে পরিষেবা বেছে নিতে পারেন।

    আরও পড়ুন: লোকাল ট্রেনে এসি কোচ! ডিসেম্বরেই শিয়ালদা শাখায় চালু নতুন পরিষেবা

    কোন রুটের বন্দে ভারত এক্সপ্রেসে পরিষেবা

    দক্ষিণ রেলওয়ের বেশ কয়েকটি রুটের বন্দে ভারত এক্সপ্রেস ট্রেনে যাত্রী সেবা অনুবন্ধ (YSA) -এর পরিষেবা পাওয়া যাবে। মোট ছয়টি রুটের বন্দে ভারত এক্সপ্রেস ট্রেনে এই পরিষেবা পাওয়া যাবে। এই ছয়টি রুট হল চেন্নাই – মহীশূর, চেন্নাই – তিরুনেলভেলি, চেন্নাই – কোয়ম্বাটোর, তিরুবনন্তপুরম – কাসারগোদ এবং চেন্নাই – বিজয়ওয়াড়া। দক্ষিণ রেলের বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের প্রারম্ভিক এবং গন্তব্য স্টেশনেই আপাতত কেবল এই পরিষেবা পাওয়া যাবে। দক্ষিণ রেলের তরফে জারি করা নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, রেলের রান্নার ঠিকাদারদের চেন্নাইয়ে বড় এবং পরিষ্কার রান্নাঘর থাকতে হবে। সেখানে যাতে যথেষ্ট সংখ্যক যাত্রীর জন্য রান্না করা সম্ভব হয়, তার ব্যবস্থা থাকতে হবে। সেই সব ঠিকাদার এক্ষেত্রে পরিষেবা দেওয়ার সুযোগ পাবেন, যাঁদের এমন পরিষেবা দেওয়ার অভিজ্ঞতা আছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Telangana Elections 2023: ধোপে টিকল না কেসিআরের কৌশল, ‘খয়রাতি’ বন্ধের নির্দেশ নির্বাচন কমিশনের

    Telangana Elections 2023: ধোপে টিকল না কেসিআরের কৌশল, ‘খয়রাতি’ বন্ধের নির্দেশ নির্বাচন কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্ষমতায় ফিরতে ‘খয়রাতি’র আশ্রয় নিতে চেয়েছিল তেলঙ্গনার শাসক দল ভারত রাষ্ট্র সমিতি। গত বিধানসভা নির্বাচনে (Telangana Elections 2023) এই অঙ্কেই মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রশেখর রাও ক্ষমতায় এসেছিলেন বলে অভিযোগ। এবারও তেমনধারা পরিকল্পনা ছিল শাসক দলের। তবে তাতে বাধ সাধল নির্বাচন কমিশন। সোমবার কমিশন সাফ জানিয়ে দিয়েছে, বিধানসভা নির্বাচনের আগে কৃষকদের রবিশস্যের অনুদান বণ্টন বন্ধ রাখতে হবে। কমিশনের মতে, শাসকের এহেন খয়রাতি নির্বাচনী আচরণভঙ্গের শামিল।

    কংগ্রেসকে নিশানা কেসিআরের দলের 

    নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্তে কংগ্রেসের ওপর বেজায় চটেছে কেসিআরের দল। কেসিআরের ভাইপো টি হরিশ রাও তেলঙ্গনার অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, “এআইসিসির সাধারণ সম্পাদক কে বেণুগোপাল রাও অভিযোগ জানানোর ফলেই রায়তু বন্ধু যোজনার কিস্তির টাকা বিতরণ বন্ধ করতে নির্দেশ দিয়েছে কমিশন।” কেসিআর কন্যা কে কবিতা বলেন, “কংগ্রেসের ষড়যন্ত্রের জবাব দেবেন তেলঙ্গনার কৃষকরা।”

    রায়তু বন্ধু প্রকল্প

    রায়তু বন্ধু প্রকল্পে প্রত্যেক কৃষককে প্রতি একর শস্য পিছু বছরে ১০ হাজার টাকা অনুদান দেয় তেলঙ্গনা সরকার। টাকা দেওয়া হয় জানুয়ারি মাসে। অভিযোগ, চলতি বছর জানুয়ারিতে সেই টাকা না দিয়ে চলতি মাসে দেওয়ার পরিকল্পনা করেছিল কেসিআর প্রশাসন। বেণুগোপাল বলেন, “পরাজয় নিশ্চিত বুঝে নির্বাচনের মুখে টাকা ছড়িয়ে ভোট কিনতে চাইছিলেন কেসিআর।”

    আরও পড়ুুন: ‘‘দলুয়াখাকিতে ক্রিমিনালদের বাস’’! প্রশাসন ‘ব্যর্থ’, তা কি মেনেই নিলেন ফিরহাদ?

    এদিন মুখ্য নির্বাচন কমিশনের তরফে (Telangana Elections 2023) পাঠানো নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, কমিশন এই মর্মে নির্দেশ দিচ্ছে যে রায়তু বন্ধু প্রকল্পে রবি মরশুমে যে অনুদান দেওয়া হয়, তা এখনই বন্ধ করতে হবে। কারণ ইতিমধ্যেই লাগু হয়েছে আদর্শ আচরণ বিধি। এই বিধি প্রত্যাহৃত হলেই দেওয়া যাবে অনুদান।

    তেলঙ্গনা বিধানসভার আসন সংখ্যা ১২০। এর মধ্যে জনগণের ভোটে নির্বাচিত হন ১১৯জন। একটি আসনে মনোনীত করা হয় একজন অ্যাংলো-ইন্ডিয়ানকে। এ রাজ্যে এবারও লড়াই হচ্ছে ত্রিমুখী – ভারত রাষ্ট্র সমিতি, কংগ্রেস এবং বিজেপি। তবে এ রাজ্যে মূল লড়াই হবে কংগ্রেস বনাম ভারত রাষ্ট্র সমিতি। নির্বাচন হবে ৩০ নভেম্বর, এক দফায়। ফল ঘোষণা হবে বাকি চার রাজ্যের সঙ্গে ৩ ডিসেম্বর (Telangana Elections 2023)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share