Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Manipur Violence: মণিপুরে মেইতেইদের ৯টি সংগঠনকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করল কেন্দ্র, কেন জানেন?

    Manipur Violence: মণিপুরে মেইতেইদের ৯টি সংগঠনকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করল কেন্দ্র, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বেশ কয়েক মাস ধরে চলার পর অবশেষে মণিপুরে (Manipur Violence) নিভেছে অশান্তির আগুন। এবার ব্যবস্থা নিতে শুরু করল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। রাজ্যে গোষ্ঠীহিংসায় জড়িত থাকার অভিযোগে মেইতেইদের ন’টি সংগঠনকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করল তারা। চিত্রাঙ্গদার দেশের হিংসায় এই সংগঠনগুলি প্রত্যক্ষভাবে অংশ নিয়েছিল বলে অভিযোগ।

    পাঁচ বছরের জন্য নিষিদ্ধ

    ইউএপিএ অনুযায়ী পাঁচ বছরের জন্য নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে এই সংগঠনগুলিকে। মণিপুরে মেইতেইরা সংখ্যাগুরু। অভিযোগ, এদেরই ন’টি সংগঠন প্রত্যক্ষভাবে হিংসায় অংশ নিয়েছিল বলে অভিযোগ। যে সংগঠনগুলিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে সেগুলি (Manipur Violence) হল, জঙ্গিগোষ্ঠী পিপলস লিবারেশন আর্মির রাজনৈতিক শাখা রেভেলিউশনারি পিপলস ফ্রন্ট, ইউনাইটেড ন্যাশনাল লিবারেশন ফ্রন্টের সশস্ত্র শাখা মণিপুর পিপলস আর্মি, পিপলস রেভোলিউশনারি পার্টি অফ কাংলেইপাকের সশস্ত্র শাখা রেড আর্মি এবং কাংলেইপাক কমিউনিস্ট পার্টির সশস্ত্র শাখা কাংলেইপাক রেড আর্মি।

    আগেই বার্তা দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী

    মণিপুরে যে সরকার কড়া পদক্ষেপ করবে, তার ইঙ্গিত মিলেছিল আগেই। সংসদে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছিলেন, “মণিপুরের ঘটনা আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। মণিপুরের ঘটনায় অনেকেই তাঁদের স্বজন হারিয়েছেন। মহিলাদের সঙ্গে যা হয়েছে, তা ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ। দোষীদের সর্বোচ্চ সাজা দেওয়ার জন্য কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্য সরকার এক যোগে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।” তিনি এও বলেছিলেন, “অদূর ভবিষ্যতে মণিপুরে উঠবে শান্তির সূর্য, মণিপুর আবার এগিয়ে যাবে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে। দেশ আপনাদের সঙ্গে আছে, এই সংসদ সঙ্গে আছে। আমরা সবাই মিলে সমাধান করব। শান্তি স্থাপন হবেই।”

    আরও পড়ুুন: জে পি নাড্ডার নাম করে বিজেপি বিধায়কের সঙ্গে আর্থিক প্রতারণা!

    গত ৩ মে ‘অল ট্রাইবাল স্টুডেন্টস ইউনিয়ন অফ মণিপুরে’র কর্মসূচিকে ঘিরে অশান্তির সূত্রপাত। মণিপুর হাইকোর্ট মেইতেইদের তফসিলি জনজাতির মর্যাদা দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনার নির্দেশ দিয়েছিল রাজ্য সরকারকে। তার জেরেই শুরু হয় মেইতেই-কুকি সংঘর্ষ। মেইতেইরা হিন্দু। আর কুকি সহ সেখানকার তফসিলি জনজাতি সম্প্রদায়ের সিংহভাগই খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী। দুই গোষ্ঠীর এই সংঘর্যে এখনও পর্যন্ত প্রায় (Manipur Violence) দু’শোজনের মৃত্যু হয়েছে। ঘরছাড়া হয়েছেন প্রায় ৬০ হাজার। হিংসার আগুনে পুড়ে খাক হয়ে গিয়েছে কয়েকশ’ ঘরবাড়ি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Myanmar: বিদ্রোহী জোটের হামলায় পিছু হটছে মায়ানমার সেনা, আশ্রয় নিচ্ছে ভারতে!

    Myanmar: বিদ্রোহী জোটের হামলায় পিছু হটছে মায়ানমার সেনা, আশ্রয় নিচ্ছে ভারতে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পিছু হটছে মায়ানমার (Myanmar) সেনা! বিদ্রোহী জোট ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্সের হামলায় প্রাণ ভয়ে ভীত তারা। গ্রামবাসীদের ভিড়ে মিশে গিয়ে ভারতে ঢুকে পড়ছে তারাও। গত ২৪ ঘণ্টায় সীমান্ত পেরিয়ে মিজোরামে ঢুকে পড়েছে প্রায় ৫ হাজার মায়ানমারের নাগরিক। মিজোরাম পুলিশ জানিয়েছে, এঁদের মধ্যে রয়েছেন ৩৯জন সেনাকর্মীও।

    জুন্টা সরকারের বিরুদ্ধে অভিযান

    অক্টোবর মাসে মায়ানমারের তিনটি বিদ্রোহী গোষ্ঠীর নয়া জোট ‘ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্স’ অভিযান শুরু করে সে দেশের সামরিক জুন্টা সরকারের বিরুদ্ধে। এই জোটের হামলায় একের পর এক এলাকা হাতছাড়া হচ্ছে জুন্টা সরকারের। মায়ানমারের গণতন্ত্রীপন্থী শক্তির স্বঘোষিত সরকার ন্যাশনাল ইউনিটি গভর্নমেন্ট বিদ্রোহীদের পাশে দাঁড়িয়েছে। যৌথ অভিযানে উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম মায়ানমারের শান ও সাগিয়াং প্রদেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চল বিদ্রোহীদের দখলে গিয়েছে। মায়ানমার-চিন সংযোগকারী প্রধান সড়কের দখলও নিয়েছেন বিদ্রোহীরা।

    লড়াই চলছে পশ্চিমের চিন প্রদেশে

    বর্তমানে লড়াই চলছে পশ্চিমের চিন প্রদেশে। তার জেরেই দলে দলে ভিটে-মাটি ছাড়ছেন মায়ানমারের (Myanmar) নাগরিকরা। মিজোরাম পুলিশের আইজি লালবিয়াকথাঙ্গা খিয়াংটে বলেন, “মিজোরামের চাম্পেই জেলা লাগোয়া সীমান্তের অদূরে মায়ানমার সেনার রিখাওদর ও খাওমাওয়ি ছাউনি দুটি সোমবার সন্ধ্যায় বিদ্রোহী বাহিনী দখল করে। প্রাণ ভয়ে ৩৯ জন মায়ানমার সেনা জোকাওথান সীমান্ত চেকপোস্ট পেরিয়ে ভারতীয় ভূখণ্ডে ঢুকে আত্মসমর্পণ করেছেন। তাঁরা এ দেশে আশ্রয় চেয়েছেন।” তিনি জানান, সীমান্তবর্তী একাধিক গ্রামেরও দখল নিয়েছে বিদ্রোহী বাহিনী। প্রাণ ভয়ে ভারতে চলে এসেছেন হাজার পাঁচেক গ্রামবাসী।

    আরও পড়ুুন: ‘‘আমি মন্ত্রী, জেল রাজ্যের, এই সেলে থাকব না’’, বললেন অসন্তুষ্ট বালু

    একুশের ফেব্রুয়ারি মাসে মায়ানমারের গণতন্ত্রকামী নেত্রী আউং সান সু চি-র দল ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্র্যাসির নেতৃত্বাধীন সরকারকে উৎখাত করে অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করেছিল মায়ানমার সেনা। মায়ানমারের স্টেট অ্যাডমিনিস্ট্রেশন কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট মিয়ন্ত শোয়ে গত সপ্তাহে বলেছিলেন, দ্রুত এবং কার্যকরী পদক্ষেপ না করলে আমাদের দেশ টুকরো টুকরো হয়ে যেতে পারে। তাঁর আশঙ্কা যে নিছক অমূলক নয়, সোমবারের ঘটনায়ই তা স্পষ্ট (Myanmar)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Madhya Pradesh Elections 2023: “মধ্যপ্রদেশে হার স্বীকার করে নিয়েছে কংগ্রেস”, বললেন মোদি

    Madhya Pradesh Elections 2023: “মধ্যপ্রদেশে হার স্বীকার করে নিয়েছে কংগ্রেস”, বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “মধ্যপ্রদেশে হার স্বীকার করে নিয়েছে কংগ্রেস।” মঙ্গলবার মধ্যপ্রদেশের (Madhya Pradesh Elections 2023) বেতুলের এক জনসভায় এই ভাষায়ই কংগ্রেসকে নিশানা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    ‘পরাজয় মেনে নিয়েছে কংগ্রেস’

    তিনি বলেন, “১৭ নভেম্বর এগিয়ে আসছে। কংগ্রেসের দাবিগুলি স্পষ্ট হচ্ছে। আজ, আমরা গোটা মধ্যপ্রদেশ থেকে রিপোর্ট পেয়েছি যে, কংগ্রেস তাদের পরাজয় মেনে নিয়েছে। তারা এখন ভাগ্যের ওপর নির্ভর করছে। কংগ্রেসের কয়েকজন নেতা আবার বাড়িতে বসে রয়েছেন। তাঁরা ভাবতে পারছেন না যে তাঁদের বাইরে বের হতে হবে। কংগ্রেস নেতারা জানেন না, তাঁরা মানুষের কাজে গিয়ে ঠিক কী বলবেন।” তিনি বলেন, “মোদির গ্যারান্টির কাছে কংগ্রেস তাদের মিথ্যে প্রতিশ্রুতির ঝুড়ি নিয়ে দাঁড়ানোর সুযোগ পাচ্ছেন না।”

    প্রতিশ্রুতি পূরণ করেনি কংগ্রেস

    মধ্যপ্রদেশ বিধানসভার (Madhya Pradesh Elections 2023) আসন সংখ্যা ২৩০। নির্বাচন হবে নভেম্বরের ১৭ তারিখে, একদিনেই। ডিসেম্বরের তিন তারিখে বের হবে ফল। এদিনই ফল বের হবে রাজস্থান, ছত্তিশগড়, তেলঙ্গনা ও মিজোরামেরও। কংগ্রেসকে আক্রমণ শানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দশকের পর দশক ধরে কংগ্রেস উপজাতি সম্প্রদায়ের ভোট পেয়ে এসেছে। কিন্তু রাস্তা, বিদ্যুৎ, পানীয় জল, হাসপাতাল, স্কুলের মতো প্রয়োজনীয় জিনিসের সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত করে রেখেছে তাঁদের। কংগ্রেস যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, তার একটাও পূরণ করেনি।”

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এর আগে সরকার গড়লেও, কংগ্রেস তাদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে পারেনি। কিন্তু বিজেপি পেরেছে। আজ পর্যন্ত যা যা প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, তা পূরণ করেছে।” তিনি বলেন, “আমাদের হৃদয়ে উপজাতিদের জন্য জায়গা রয়েছে। তাই যখনই সুযোগ এসেছে, বিজেপি আপনাদের গর্বকে শ্রদ্ধা করেছে, আপনাদের আবেগকে বুঝতে পেরেছে। তাই দ্রৌপদী মুর্মু, দরিদ্র উপজাতি পরিবারে বেড়ে ওঠে একটি মেয়ে বর্তমানে দেশের রাষ্ট্রপতি পদে আসীন (Madhya Pradesh Elections 2023)। এদিন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর জন্মদিন। তাঁকেও শ্রদ্ধাও জ্ঞাপন করেন প্রধানমন্ত্রী।

    আরও পড়ুুন: ত্রিশঙ্কু বিধানসভা নয়, তেলঙ্গানায় একাই সরকার গড়বে বিজেপি, দাবি কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Karar Oi Louho Kapat: ‘কারার ওই লৌহ কপাট’ নিয়ে বিতর্ক, ক্ষমা চাইলেন নির্মাতারা

    Karar Oi Louho Kapat: ‘কারার ওই লৌহ কপাট’ নিয়ে বিতর্ক, ক্ষমা চাইলেন নির্মাতারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাজি নজরুল ইসলামের “কারার ওই লৌহ কপাট” (Karar Oi Louho Kapat) গানটিকে বিনির্মাণ করতে গিয়ে বারোটা বাজিয়ে ছেড়েছেন সঙ্গীত পরিচালক এআর রহমান। এমনই অভিযোগ শিল্পীমহলের একটা বড় অংশের। গানটির প্রচলিত সুর বদলে দেওয়ায় সমালোচনার ঝড় উঠেছে এপার-ওপার বাংলায়। আদালতে যাওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন নজরুলের জন্মভিটে চুরুলিয়ার বাসিন্দারা। ক্ষোভে ফুঁসছেন কবি পরিবারের সদস্যরাও।

    ক্ষমা চাইলেন নির্মাতারা

    এহেন আবহে গানটিকে ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্কে জল ঢালতে উদ্যোগী হলেন ছবিটির অন্যতম প্রযোজক সিদ্ধার্থ রয় কপূর। সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্টে লেখা হয়েছে, “এই গানকে (Karar Oi Louho Kapat) ঘিরে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, সেখানে প্রযোজক, পরিচালক ও সঙ্গীত পরিচালক হিসেবে আমরা নজরুল পরিবারের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় স্বত্ব নেওয়ার পরেই শিল্পের খাতিরে গানটিকে তৈরি করেছি।” ছবি নির্মাতাদের তরফে লেখা হয়েছে, নজরুল ইসলাম ও তাঁর সৃষ্টির প্রতি আমাদের মনে গভীর শ্রদ্ধা রয়েছে। নজরুলের পুত্রবধূ কল্যাণী কাজি ও তাঁর পুত্র কাজি অনির্বাণের কাছ থেকে যাবতীয় নিয়ম মেনে এই গানের স্বত্ব নেওয়া হয়েছিল।”

    ‘নজরুলের প্রতি শ্রদ্ধা রয়েছে’

    যদিও সংবাদ মাধ্যমকে অনির্বাণ জানিয়েছিলেন, গানের কথা ব্যবহার করা হলেও, সুর বদলানো যাবে না এই মর্মেই ছবি নির্মাতাদের স্বত্ব দিয়েছিলেন তাঁরা। বিবৃতি জারি করে নির্মাতারা জানিয়েছেন, গানটির ঐতিহাসিক তাৎপর্যকে শ্রদ্ধা জানানোই আমাদের উদ্দেশ্য ছিল। গানের কথা ব্যবহার ও সুরের পরিবর্তন করা হয়েছে চুক্তি অনুযায়ী। নজরুল ইসলাম ও তাঁর সৃষ্টির প্রতি আমাদের মনে গভীর শ্রদ্ধা রয়েছে। এই অ্যালবামটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে শহিদ হওয়া হাজার হাজার মানুষের প্রতি আমাদের শ্রদ্ধার্ঘ্য।  

    আরও পড়ুুন: উত্তরাখণ্ডে সুড়ঙ্গে আটকে বাংলার তিন সহ ৪০ শ্রমিক, খোঁজ নিলেন শুভেন্দু

    বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, “আমরা মূল গানটিকে ঘিরে শ্রোতাদের আবেগকে সম্মান করি। শিল্প যেহেতু ব্যক্তিগত দৃষ্টিভঙ্গীর ওপর নির্ভরশীল, তাই সেখানে আমাদের পদক্ষেপ যদি কারও আবেগে আঘাত করে থাকে, তার জন্য আমরা ক্ষমাপ্রার্থী।” “কারার ওই লৌহ কপাট” (Karar Oi Louho Kapat) গানটির সুর বিকৃত করার প্রতিবাদে সোমবার সাদার্ন অ্যাভিনিউয়ে নজরুল মঞ্চের টিকিট কাউন্টারের সামনে জমায়েত করেছিল হেরিটেজ বেঙ্গল নামে একটি সংস্থা। নজরুলের মূর্তিতে পুষ্পার্ঘ নিবেদন করে প্রতিবাদ জানান প্রচুর মানুষ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Suvendu Adhikari: উত্তরাখণ্ডে সুড়ঙ্গে আটকে বাংলার তিন সহ ৪০ শ্রমিক, খোঁজ নিলেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: উত্তরাখণ্ডে সুড়ঙ্গে আটকে বাংলার তিন সহ ৪০ শ্রমিক, খোঁজ নিলেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেক্স: নির্মীয়মাণ সুড়ঙ্গে ধসের জেরে আটকে রয়েছেন জনা চল্লিশেক শ্রমিক। সেই তালিকায় রয়েছেন বাংলার তিন শ্রমিকও। তাই শ্রমিকদের উদ্ধারকার্যের বিষয়ে খোঁজখবর নিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এ ব্যাপারে তিনি কথা বলেছেন উত্তরাখণ্ড সরকারের সঙ্গে।

    শুভেন্দুর বার্তা

    এক্স (সাবেক ট্যুইটার) হ্যান্ডেলে শুভেন্দু লিখেছেন, “আমি উত্তরাখণ্ড সরকারের সঙ্গে উদ্ধারকাজ নিয়ে কথা বলেছি। আমি জেনেছি, সেনা ও এনডিআরএফ দিন-রাত এক করে উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে। আশা করছি, খুব তাড়াতাড়ি উদ্ধারকাজ সম্পন্ন হবে।” রবিবার রাতে উত্তরকাশীতে ব্রহ্মখাল-যমুনোত্রী জাতীয় সড়কের ওপর একটি নির্মীয়মান সুড়ঙ্গের মুখে ধস নামে। ওই সময় সুড়ঙ্গের ভেতরে ছিলেন জনা চল্লিশেক শ্রমিক। আটকে পড়েন তাঁরা। সোমবার সকাল থেকে শুরু হয় উদ্ধারকাজ। মঙ্গলবার বেলা ১০টা পর্যন্ত কারও খোঁজ মেলেনি বলেই খবর।

    পাইপের মাধ্যমে অক্সিজেন

    জানা গিয়েছে, সুড়ঙ্গের ভেতরে আটকে থাকা শ্রমিকদের পাইপের মাধ্যমে অক্সিজেন সরবরাহ করা হচ্ছে। শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “আটকে থাকা শ্রমিকদের খোঁজ মিলেছে। তাঁদের খাদ্য, জল ও অন্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী সরবরাহ করা হচ্ছে বলেই জানানো হয়েছে।” তিনি জানান, এ রাজ্যের যে তিন শ্রমিক ওই সুড়ঙ্গে আটকে রয়েছেন তাঁরা হলেন, জয়দেব প্রামাণিক, মণির তালুকদার ও সৌভিক পাখিরা। উদ্ধারকারী দলের তরফে এক আধিকারিক জানান, প্রায় ২১ মিটারের একটি স্ল্যাব সুড়ঙ্গের মুখ আটকে দিয়েছিল। সেটি সরানো হয়েছে। এ পর্যন্ত সুড়ঙ্গের ১৯ মিটার এলাকা পরিষ্কার করা হয়েছে।

    একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা গিয়েছে, কংক্রিটের বড় বড় চাঁই স্তূপীকৃত হয়ে পড়ে রয়েছে সুড়ঙ্গে। সেগুলি সরিয়ে আটকে পড়া শ্রমিকদের উদ্ধার করার চেষ্টা করছেন উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা। বিপর্যয় মোকাবিলা দলের এক আধিকারিক বলেন, “সুড়ঙ্গে আটকে পড়া শ্রমিকদের নিরাপদ জায়গা বলতে রয়েছে প্রায় ৪০০ মিটার এলাকা। এখানেই তাঁরা হাঁটাচলা করতে পারবেন। পারবেন শ্বাস নিতেও।” প্রসঙ্গত, এই (Suvendu Adhikari) সুড়ঙ্গে যাঁরা আটকে রয়েছেন তাঁদের সিংহভাগই বিহার, ওড়িশা, ঝাড়খণ্ড, উত্তরপ্রদেশ, পশ্চিমবঙ্গ, উত্তরাখণ্ড এবং হিমাচল প্রদেশের।

    আরও পড়ুুন: জয়নগরে তৃণমূল নেতা খুন গোষ্ঠী কোন্দলেই? ‘গণপিটুনি’তে মৃতের স্ত্রীর বয়ানে ঘুরে গেল ‘খেলা’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • JNU: জেএনইউ-তে বিকৃত করা হল ‘ওনাম উৎসব’, রাজা মহাবলিকে পরানো হল প্যালেস্তাইনের পতাকা

    JNU: জেএনইউ-তে বিকৃত করা হল ‘ওনাম উৎসব’, রাজা মহাবলিকে পরানো হল প্যালেস্তাইনের পতাকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় সংস্কৃতিকে বিকৃত করার ফের একবার অভিযোগ উঠল জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের (JNU) বামপন্থী-ইসলামপন্থী ছাত্রদের বিরুদ্ধে। দক্ষিণ ভারতের অন্যতম বড় উৎসব হল ওনাম। ওনাম উৎসব পালন করা হয় ভগবান বিষ্ণুর বামন অবতার এবং রাজা মহাবলির পৃথিবীতে প্রত্যাবর্তন উদযাপনের জন্য। ধর্মীয় বিশ্বাস, তিরুভোনামের দিনে, অসুর রাজা মহাবলি তাঁর প্রজাদের সঙ্গে দেখা করতে প্রতিটি মালয়ালী পরিবারে যান। মনে করা হয় যে ওনামের দিনে যাঁরা ভগবান বিষ্ণুর পূজা করেন, তাঁদের জীবন সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধিতে ভরে ওঠে।  ওনামের অসুররাজ মহাবলি কেরলের বড় অংশের মানুষের উপাস্য। সেই মহাবলিকেই বিকৃত করল বামপন্থী-ইসলামপন্থী ছাত্ররা। প্যালেস্তাইনের পতাকা পরিধান করে রয়েছেন মহাবলি এমন বেশে তাঁকে সাজিয়ে পোস্টার বানানো হল। এর পুরোটাই জেএনইউ-এর (JNU) বামপন্থী-ইসলামপন্থী ছাত্ররা হামাসের সমর্থনে করল। 

    জঙ্গি সংগঠনের সমর্থনে জেএনইউ-এর বামপন্থী-ইসলামপন্থী

    এতে পরিষ্কার যে বামপন্থী-ইসলামপন্থীরা সমগ্র সমাজের কথা একেবারেই ভাবে না। কারণ হামাস কোনও সামাজিক সংগঠন নয় অথবা মানবাধিকারের জন্যও লড়ে না, তা একটি কট্টর ইসলামিক সংগঠন। অর্থাৎ হিন্দুধর্মের পবিত্র উৎসব ওনামকে বিকৃত করে হামাসকে সমর্থন! দক্ষিণ ভারতের লাখ লাখ মানুষের ধর্মীয় বিশ্বাসে এভাবেই আঘাত হানল জেএনইউ-এর (JNU) বামপন্থী-ইসলামপন্থী ছাত্ররা। ওই পোস্টারে লেখা রয়েছে, ‘ওনাম অফ সলিডারিটি’। বামপন্থী-ইসলামপন্থী ছাত্রদের এমন হিন্দু ধর্মবিরোধী কাজের বিরুদ্ধে সরব হতে দেখা গিয়েছে ক্যাম্পাসে কেরলের ছাত্রদের একটি বড় অংশকে। ঠিক এই কারণেই উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে বামপন্থী-ইসলামপন্থী ছাত্রদের ওনাম উৎসবে অংশগ্রহণকারী ছাত্রদের সংখ্যাও। প্রতিবছর যেখানে উপস্থিতি থাকে ৭০০ এর অধিক ছাত্র-ছাত্রী। এবার সেখানে হাজির ছিলেন মাত্র ১৫০ জন। 

    সলিডারিটির নামে ভণ্ডামি

    অন্যদিকে ওনাম উৎসব পালিত হয় অগাস্ট-সেপ্টেম্বরে। বামপন্থী-ইসলামপন্থী ছাত্ররা সেটা টেনে নিয়ে এসেছে নভেম্বরের ৯ তারিখে। ওয়াকিবহাল মহল ইতিমধ্যে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে, ইরাকের ইয়েজিদি সমাজ, হামাসের হানায় নিহত ১,৪০০ নিরীহ ইজরায়েলি মানুষের প্রতি সলিডারিটি কেন দেখায় না ক্যাম্পাসের বামপন্থী-ইসলামপন্থী ছাত্ররা। আসলে এর পিছনের উদ্দেশ্য হল ক্যাম্পাসের ভোট-ব্যাঙ্ককে বিভাজিত করা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

  • PM Kisan Samman Nidhi: আপনার অ্যাকাউন্টে পড়বে ২ হাজার টাকা, কেন জানেন?

    PM Kisan Samman Nidhi: আপনার অ্যাকাউন্টে পড়বে ২ হাজার টাকা, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলছে দীপাবলির উৎসব। খুশিতে মাতোয়ারা দেশ। এহেন আবহে ফের এল খুশির খবর। এবার খবর দিল কেন্দ্র। জানাল, দু’ দিন পরেই দেশবাসী পাবেন দু’ হাজার করে টাকা। অবশ্য সবাই নয়, প্রধানমন্ত্রী কিষান সম্মান নিধির (PM Kisan Samman Nidhi) এই টাকা পাবেন কেবল দেশের কৃষকরা। কিষান সম্মান নিধি যোজনার ১৫তম কিস্তির টাকা দেওয়া হবে ১৫ নভেম্বর। ওই দিনই টাকা ঢুকে যাবে কৃষকদের অ্যাকাউন্টে। এর আগে দেওয়া হয়েছে ১৪ কিস্তির টাকা। ১৫ নভেম্বর বেলা ১১টায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কৃষকদের অ্যাকাউন্টে ১৫তম কিস্তির টাকা জমা দেওয়ার সূচনা করবেন।

    সূচনা করবেন প্রধানমন্ত্রী

    ২০১৯ সালে প্রধানমন্ত্রী কিষান সম্মান নিধি যোজনা চালু করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই প্রকল্পে কেন্দ্র কৃষকদের বছরে ৬ হাজার করে টাকা দিচ্ছে। ইতিমধ্যেই দেওয়া হয়েছে ১৪ কিস্তির টাকা। ১৫তম কিস্তির টাকা মিলবে ১৫ নভেম্বর। দেশের ৮ কোটিরও বেশি কৃষক এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন। কৃষকরা পিএম কিষানের (PM Kisan Samman Nidhi) অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে সুবিধাভোগীর তালিকা পরীক্ষা করতে পারেন।

    কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রীর বার্তা 

    এক্স হ্যান্ডেলে কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী নরেন্দ্র তোমর লিখেছেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ১৫ নভেম্বর, ২০২৩-এ প্রধানমন্ত্রী কিষান সম্মান নিধির ১৫তম কিস্তি ডিবিটির মাধ্যমে দেশের যোগ্য কৃষকদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর করবেন। পিএম-কিষান প্রকল্পের অধীনে যোগ্য কৃষক পরিবারকে বছরে ৬ হাজার টাকার আর্থিক সুবিধা দেওয়া হয়, যা ২ হাজার টাকার তিনটি সমান কিস্তিতে দেয় সরকার।”

    কীভাবে দেখবেন টাকা পেয়েছেন কিনা-

    ১. অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ‘পিএমকিষান.গভ.ইন’ দেখুন

    ২. পৃষ্ঠার ডানদিকে ‘নো ইওর স্টেটাস’ ট্যাবে ক্লিক করুন।

    ৩. আপনার রেজিস্টার্ড নম্বর লিখুন ও ক্যাপচা কোড পূরণ করুন। ‘গেট ডাটা’ বিকল্পটি নির্বাচন করুন।

    ৪. এখানে আপনার সুবিধাভোগী স্ট্যাটাস স্ক্রিনে আসবে।

    সুবিধাভোগীর তালিকায় আপনার নাম দেখুন –

    ১. পিএম কিষান অফিসিয়াল ওয়েবসাইট www.pmkisan.gov.in দেখুন।

    ২. বেনিফিশিয়ারি লিস্ট ট্যাবে ক্লিক করুন।

    ৩. ড্রপ-ডাউন থেকে বিশদ বিকল্পটি নির্বাচন করুন, যেমন রাজ্য, জেলা, উপ-জেলা, ব্লক ও গ্রাম নির্বাচন করুন।

    ৪. রিপোর্ট পান ট্যাবে ক্লিক করুন।

    কীভাবে যোগদান করবেন –

    ১. Pmkisan.gov.in অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে কৃষকের কর্নারে যান।

    ২. New Farmer Registration-এ ক্লিক করুন ও আধার নম্বর লিখুন এবং ক্যাপচা পূরণ করুন।

    ৩. এখন বিস্তারিত লিখুন ও ইয়েস ক্লিক করুন।

    ৪. পিএম কিষান আবেদনপত্র ২০২৩-এ জিজ্ঞাসা করা তথ্য পূরণ করুন। এটি সংরক্ষণ করুন এবং ভবিষ্যতের রেফারেন্সের জন্য একটি প্রিন্ট আউট নিন (PM Kisan Samman Nidhi)।

    আরও পড়ুুন: ডাউনিং স্ট্রিটে দীপাবলির রোশনাই, সুনককে ক্রিকেট ব্যাট উপহার জয়শঙ্করের

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের, এবং Google News পেজ।

  • Yogi Adityanath: ৫৪ দেশের ৮৮ জন কূটনীতিক হাজির ছিলেন অযোধ্যার দীপোৎসবে

    Yogi Adityanath: ৫৪ দেশের ৮৮ জন কূটনীতিক হাজির ছিলেন অযোধ্যার দীপোৎসবে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছরেই ২২ লাখ প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে দীপাবলি পালন হয় অযোধ্যায় (Yogi Adityanath)। এই বিপুল সংখ্যক প্রদীপ প্রজ্জলন নাম তুলেছে ‘গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ড’-এ। অযোধ্যার দীপাবলিকে স্বর্গীয় এবং অবিস্মরণীয় আখ্যা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। জানা গিয়েছে রামনগরীর দীপাবলিতে হাজির ছিলেন ৫৪টি দেশের ৮৮ জন কূটনীতিক। এ কথা জানিয়েছেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ।

    পরিবার নিয়ে অযোধ্যায় আসুন, বললেন যোগী আদিত্যনাথ

    উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীর মতে, ‘‘দীপাবলি হল একটি মাধ্যম, যেটির দ্বারা সমস্ত রকমের শুভ শক্তির সঙ্গে সংযোগ করা যায়। আমি প্রত্যেকজনকে দীপাবলির শুভেচ্ছা জানাচ্ছি এবং তাঁদের সমৃদ্ধি কামনা করছি।’’ এদিন অযোধ্যায় (Yogi Adityanath) দীপাবলিতে যাঁরা সামিল হয়েছিলেন তাঁদেরকে পরিবার সমেত রামনগরীতে আসার অনুরোধও করেন যোগী আদিত্যনাথ। তিনি বলেন, ‘‘পরিবার সমেত অযোধ্যায় আসুন, আপনাদের ভাল লাগবে।’’ যোগী আদিত্যনাথ অযোধ্যায় দীপাবলিতে সামিল হওয়ার আগে রবিবার সকালে হাজির ছিলেন হনুমানগড়ির মন্দিরে। সেখানেই ভগবান হনুমানের পুজো করেন তিনি। বর্তমানে যেখানে রামলালা বিরাজ করছে সেই স্থানও পরিদর্শন করেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী।

    বিদেশের শিল্পীরা মঞ্চস্থ করেন রামায়ণ

    জানা গিয়েছে, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, রাশিয়া এ সমস্ত দেশের শিল্পীরাও অযোধ্যার দীপোৎসবে (Yogi Adityanath) অংশগ্রহণ করেন। শ্রীলঙ্কার শিল্পীরা রামচন্দ্রের চরিত্রকে মঞ্চস্থ করেন। নেপালের জনকপুরের শিল্পীরা ভগবান রামচন্দ্রের জীবনের বিভিন্ন ঘটনাকে মঞ্চস্থ করেন। রাশিয়ান শিল্পীরাও এক অনবদ্য অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন। লেসার শো-এর মাধ্যমে ২০ মিনিটের রামায়ণও দেখানো হয়। এদিনের দীপোৎসবে যোগী আদিত্যনাথ ছাড়াও সামিল হয়েছিলেন গভর্নর আনন্দিবেন প্যাটেল। রামনগরীর অনুষ্ঠানে হেলিকপ্টার থেকে পুষ্প বৃষ্টিও দেখা যায়।

    ‘গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে’ স্থান পেয়েছে অযোধ্যার প্রদীপ প্রজ্জ্বলন

    তথ্য বলছে, ২০১৭ সালে অযোধ্যায় প্রজ্জ্বলিত হয়েছিল ৫১ হাজার প্রদীপ। ২০১৯ সালে প্রদীপের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৪ লাখ ১০ হাজার। ২০২০ সালে ৬ লাখ, ২০২১ সালে প্রদীপ প্রজ্জ্বলিত হয় ৯ লাখ, ২০২২ সালে ১৭ লাখ। চলতি বছরে ২২ লাখ প্রদীপ প্রজ্জ্বলন হল অযোধ্যায়। অযোধ্যার এই নয়া রেকর্ড স্থান পেয়েছে ‘গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে’।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের ,Twitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক সহ অসমে বিজেপিতে যোগ ১৫০ নেতা-কর্মীর

    BJP: তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক সহ অসমে বিজেপিতে যোগ ১৫০ নেতা-কর্মীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছর ঘুরলেই লোকসভা নির্বাচন। এই নির্বাচনে বিজেপিকে (BJP) পরাস্ত করতে জোট বেঁধেছে বিজেপি-বিরোধী ২৬টি রাজনৈতিক দল। জোটের নাম হয়েছে ইন্ডিয়া। সেই জোটের আয়ু লোকসভা নির্বাচন পর্যন্ত কিনা, তা জানা যাবে উৎসবের মরশুম শেষ হলেই। তবে তার আগে বিরোধীদের জোটকে ঝটকা দিল অসম বিজেপি।

    বিজেপিতে যোগ

    বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ১৫০ সদস্য দলীয় পতাকা ছেড়ে যোগ দিলেন বিজেপিতে। এর মধ্যে রয়েছেন তৃণমূলের অসম রাজ্য সাধারণ সম্পাদকও। বেশ কয়েকজন কংগ্রেস নেতাও রয়েছেন এই দলবদলুদের দলে। শনিবার তাঁরা হাতে তুলে নেন বিজেপির ঝান্ডা। পদ্ম শিবিরে তাঁদের স্বাগত জানান অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। তিনি বলেন, “বিজেপিই (BJP) একমাত্র রাজনৈতিক দল, যারা দেশের স্বার্থে কাজ করে, পরিবারতন্ত্রের স্বার্থে নয়।”

    হিমন্তর বার্তা 

    এক্স হ্যান্ডেলে অসমের মুখ্যমন্ত্রী লিখেছেন, “আমি সব সময় বলেছি যে, যাঁরা ভারত এবং অসমের জন্য কাজ করতে চান, তাঁদের পরিবারতন্ত্র এবং পরিবারকেন্দ্রিক দলে জায়গা হবে না। কেবলমাত্র ভারতীয় জনতা পার্টিই দেশের স্বার্থে কাজ করতে পারে।” বিজেপিতে যোগ দেওয়া ওই ১৫০ জন তাঁর সঙ্গে দেখা করেছেন বলেও জানান হিমন্ত। তিনি বলেন, “ভারতী মায়ের সেবার লক্ষ্যে যাঁরা কাজ করবেন বলে আজ বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন, আমি তাঁদের স্বাগত জানাই।”

    তিনি লিখেছেন, “নাগাঁও জেলা কংগ্রেসের সভাপতি সুরেশ বোরা, অসম যুব কংগ্রেসের কার্যকরী সভাপতি পরিতোষ রায় এবং তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ শর্মা তাদের পদত্যাগের কথা জানিয়েছেন। তাঁরা একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এঁরা আজ বিজেপিতে যোগ দেবেন। ইন্ডি জোটের বিরুদ্ধে এঁরাও সুর চড়িয়েছেন।”

    আরও পড়ুুন: “লোকসভা নির্বাচন এলেই গুন্ডাদের জেলে ঢুকিয়ে দেবো”, চ্যালেঞ্জ সুকান্ত মজুমদারের

    পুরো ঘটনাটি দলের এক্স হ্যান্ডেলে শেয়ার করেছে বিজেপি (BJP)। দলের মুখপাত্র বলেন, “এদিন যাঁরা বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন, তাঁদের সিংহভাগই জেলা ও ব্লকস্তরের কর্মী। তাঁরা যে কোনও রাজনৈতিক দলের মেরুদণ্ড। আমরা তাঁদের বিজেপিতে (BJP) স্বাগত জানিয়েছি।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • PAN Card: বাতিল সাড়ে ১১ কোটি প্যান কার্ড, এই তালিকায় আপনারটা নেই তো?

    PAN Card: বাতিল সাড়ে ১১ কোটি প্যান কার্ড, এই তালিকায় আপনারটা নেই তো?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাতিল হয়ে গেল সাড়ে ১১ কোটি প্যান কার্ড (PAN Card)। সময়সীমা মেনে আধারের সঙ্গে সংযোগ না করায় বাতিল হয়ে গিয়েছে এই প্যান কার্ডগুলি। তথ্যের অধিকার আইনে করা এক প্রশ্নের উত্তরে এই তথ্য জানিয়েছে আয়কর বিভাগ।

    সময় সীমা শেষ

    প্যান-আধার লিঙ্ক করার জন্য আয়কর বিভাগ সময় দিয়েছিল ৩০ জুন পর্যন্ত। সেই সময়ই জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্যান-আধার লিঙ্ক করা না হলে প্যান কার্ড বাতিল হয়ে যাবে। নতুন করে প্যান কার্ড চালুর জন্য হাজার টাকা জরিমানা করা হবে বলেও জানিয়েছিল আয়কর দফতর। আয়কর আইনের ১৩৯এএ ধারায় প্যান-আধার লিঙ্ক বাধ্যতামূলক করা হয়। তার পরেও তা (PAN Card) না করায় বাতিল করা হয়েছে প্যান কার্ডগুলি।

    জরিমানা দশগুণ কেন?

    সম্প্রতি এ ব্যাপারে তথ্যের অধিকার আইনে জানতে চেয়েছিলেন মধ্যপ্রদেশের আরটিআই কর্মী চন্দ্রশেখর গৌড়। আয়কর দফতর তাঁকে জানিয়েছে, দেশে প্যান কার্ডের সংখ্যা ৭০.২৪ কোটি। এর মধ্যে প্যান-আধার লিঙ্ক না করায় বাতিল করা হয়েছে সাড়ে ১১ কোটি কার্ড। আয়কর দফতর জানিয়েছে, ২০১৭ সালের ১ জুলাই থেকে যেসব প্যান কার্ড করা হয়েছে, সেখানে শুরু থেকেই আধার নম্বর জানানো বাধ্যতামূলক ছিল। চলতি বছর ৩০ জুনের মধ্যে আধার যোগ হয়নি, এমন প্যান কার্ডগুলিই বাতিল করা হয়েছে। হাজার টাকা জরিমানার বিষয়ে গৌড়ের প্রশ্ন, “নতুন প্যান কার্ড করার ক্ষেত্রে জিএসটি বাদ দিয়ে খরচ হয় ৯১ টাকা। তাহলে প্যান কার্ড নতুন করে চালু করার জরিমানা দশগুণ কেন? যাঁদের প্যান কার্ড বাতিল হল, তাঁরা আয়কর রিটার্ন ফাইল করবেন কীভাবে?”

    আরও পড়ুুন: আলোর উৎসবে মাতলেন কমলা হ্যারিস, ‘ছাইয়াঁ ছাইয়াঁ’ গানে নাচলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত

    গৌড়ের মতে, সরকারের উচিত সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করে প্যান-আধার সংযোগের সময়সীমা অন্তত এক বছর বাড়ানো। প্রসঙ্গত, যাঁদের প্যান কার্ড বাতিল হল, তাঁরা আয়কর রিটার্ন ক্লেম করতে পারবেন না। শেয়ার বাজারে লগ্নি করতে গেলেও সমস্যায় পড়বেন। ব্যাঙ্কিং লেনদেনের ক্ষেত্রেও প্যান কার্ড (PAN Card) অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই সমস্যায় পড়বেন ব্যাঙ্কের উপভোক্তারাও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের ,   এবং Google News পেজ।

     

     

LinkedIn
Share