Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Pakistan Violates Ceasefire: শীত পড়তেই সীমান্তে গোলাগুলি শুরু পাক সেনার, পাল্টা জবাব ভারতের

    Pakistan Violates Ceasefire: শীত পড়তেই সীমান্তে গোলাগুলি শুরু পাক সেনার, পাল্টা জবাব ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বেশ কিছুদিন চুপ করে থাকার পর ফের সীমান্তে সংঘর্ষবিরতি চুক্তিভঙ্গ (Pakistan Violates Ceasefire) করল পাকিস্তান। বৃহস্পতিবার রাতে আচমকা বিনা প্ররোচনায় জম্মুর (Jammu Kashmir) আরএস পুরা সেক্টরে আন্তর্জাতিক সীমান্তের ওপার থেকে গুলিগোলা বর্ষণ শুরু করে পাক রেঞ্জার্স। তাতে আহত হন বিএসএফ-এর ২ জওয়ান এবং এক গ্রামবাসীও। ভারতের পাল্টা জবাবে নিহত ২ পাক রেঞ্জার্স।

    আহত ২ বিএসএফ জওয়ান সহ ৩

    বিএসএফ জম্মুর জনসংযোগ আধিকারিক জানান, বৃহস্পতিবার রাত থেকে টানা গুলি চালাতে শুরু (Pakistan Violates Ceasefire) করেছে পাকিস্তান। এমনকী, বিএসএফ পোস্টগুলোকে নিশানা করে মর্টার ছুড়েছে পাক রেঞ্জার্স। জম্মুর (Jammu Kashmir) অর্নিয়া-সুচেতগড় সেক্টরে পাঁচটি সীমান্ত চৌকিতে বৃহস্পতিবার রাতে বিনা প্ররোচনায় পাক বাহিনী গোলাবর্ষণ করে। তাতে, ২ বিএসএফ জওয়ান আহত হন বলে খবর। এর পরই, প্রায় ১৯৮ কিমি দীর্ঘ আন্তর্জাতিক সীমান্ত জুড়ে হাই অ্যালার্টে রয়েছে বিএসএফ।

    ভারতের প্রত্যাঘাতে নিহত ২

    পাল্টা জবাব দিতে দেরি করেনি ভারত। বিএসএফের জওয়ানরা যোগ্য জবাব দিতে শুরু করে। গুলি বিনিময় এখনও চলছে। জানা যাচ্ছে, ভারতের প্রত্যাঘাতে ২ পাক রেঞ্জার্সের মৃত্যু হয়েছে। ভারতের গোলায় গুঁড়িয়ে গিয়েছে পাক রেঞ্জার্সের ২টি ওয়াচ টাওয়ার। এদিকে, আচমকা গোলাগুলি চলায় নতুন করে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে জম্মু-কাশ্মীরের (Jammu Kashmir) বাসিন্দাদের মধ্যে। উপত্যকায় শান্তি ফিরছিল। ঘরছাড়া মানুষদের অনেকেই গ্রামে ফিরে এসেছিলেন। কিন্তু, বৃহস্পতিবার রাত থেকে ফের গোলাগুলি ছোড়া (Pakistan Violates Ceasefire) শুরু হওয়ায়, সীমান্ত এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। গতকাল গোলাগুলি শুরু হতেই পরিযায়ী শ্রমিক, মহিলা-শিশুরা ছোটাছুটি শুরু করে দেয়। 

    ভারতে জঙ্গি ঢোকানোর চেষ্টা

    গত ১০ দিনের মধ্যে, এই নিয়ে আন্তর্জাতিক সীমান্ত এলাকায় দ্বিতীয়বার যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করল পাকিস্তান। এর আগে ১৭ অক্টোবর, বিনা উস্কানিতে বিএসএফ-এর সেনাদের লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছিল পাক রেঞ্জার্সরা। দুই বিএসএফ সদস্য আহত হয়েছিলেন। বিশেষজ্ঞ মহলের ধারণা, পাকিস্তানের এই পরিকল্পিত হামলার নেপথ্যে সুনির্দিষ্ট অভিসন্ধি রয়েছে। মূলত, শীতের শুরুতে সীমান্তে পাক গোলাগুলি বেড়ে যায়। কারণ, এই সময়টাই সীমান্তাঞ্চল দিয়ে (Jammu Kashmir) ভারতে জঙ্গি অনুপ্রবেশ করানোর চেষ্টা চালায় পাকিস্তান। বছরের পর বছর ধরে এই পন্থা (Pakistan Violates Ceasefire) অবলম্বন করে আসছে প্রতিবেশী রাষ্ট্র। যেমনটা করেছিল বুধবার। কিন্তুু, সতর্ক ছিল ভারতও। নিরাপত্তাবাহিনীর গুলিতে খতম হয়েছে ৫ জঙ্গি। এর আগেও, লাগাতার কয়েক সপ্তাহ ধরে উপত্যকায় পর পর জঙ্গি নিকেশ অভিযান ঘটেছে।

    নওয়াজ-শেহবাজ কানেকশন!

    এর পাশাপাশি, এবার আরও একটি ফ্যাক্টর যোগ হয়েছে। দীর্ঘ নির্বাসন-পর্ব কাটিয়ে গত সপ্তাহে পাকিস্তানে ফিরেছেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ। ফিরেই, তিনি প্রথম সভায় কাশ্মীর প্রসঙ্গ উত্থাপন করেন। তাঁর ভাই তথা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ আবার চিন সফর সেরে ফিরেছেন দেশে। তারপরই সীমান্তে পাক গোলাগুলি (Pakistan Violates Ceasefire) শুরু হল। ভারতের বিশেষজ্ঞদের মতে, সবটাই কাকতালীয় নয়। একদিকে, যখন রাশিয়া-ইউক্রেন ও ইজরায়েল-হামাস যুদ্ধ নিয়ে শঙ্কিত বিশ্ব, সেই আবহে কি ভারতকে যুদ্ধের উস্কানি দিচ্ছে পাকিস্তান? 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

  • PM Modi: ‘‘২০৩৬ অলিম্পিক্সের জন্য প্রস্তুত ভারত’’, জাতীয় গেমসের উদ্বোধনে ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi: ‘‘২০৩৬ অলিম্পিক্সের জন্য প্রস্তুত ভারত’’, জাতীয় গেমসের উদ্বোধনে ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্পোর্টস থেকে স্পেসে উড়বে ভারতের পতাকা। আচ্ছে দিন এসে গিয়েছে। দেশের পরিবেশটাই অন্যরকম।  আগামী ১৩ বছরে ভারত আর্থিক দিক থেকে আরও শক্তিশালী হবে। ৩৭তম জাতীয় গেমসের সূচনা (National Games Opening ceremony) করে এমনই দাবি করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ২৬ অক্টোবর থেকে ৯ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে জাতীয় গেমস। ১০ হাজারের বেশি প্রতিযোগী অংশ নেবেন গেমসে। 

    গোয়ায় শুরু জাতীয় গেমস 

    গোয়ার মারগাওয়ে ফতোরদার পণ্ডিত জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে (Pandit Jawaharlal Nehru Stadium) আতশবাজির অপূ্র্ব রোশনাইয়ের মধ্যে দিয়ে শুরু হয়ে গেল ভারতের (India) ৩৭তম জাতীয় গেমস (37th National Games)। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Prime Minister Narendra Modi) হাতে জাতীয় গেমসের মশাল তুলে দেন ভারতীয় পুরুষ হকি দলের অধিনায়ক হরমনপ্রীত সিং ও গোয়ার উইন্ডসার্ফার কাত্যা ইদা কোয়েলহো। এদিন হুড খোলা গাড়িকে রথের মতো সাজিয়ে তাতে চড়ে মাঠ প্রদক্ষিণ করেন প্রধানমন্ত্রী। সেই সময়ে  ‘জয় হো’ গান হচ্ছিল। মোদির সঙ্গে অনুষ্ঠানে ছিলেন কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর, ভারতীয় অলিম্পিক সংস্থার প্রধান পিটি ঊষা, গোয়ার মুখ্যমন্ত্রী প্রমোদ সাবন্ত, গোয়ার ক্রীড়ামন্ত্রী গোবিন্দ গৌড়ে।

    ক্রীড়া বিশ্বে এগিয়ে চলেছে ভারত

    জাতীয় গেমসের সূচনা করে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, “ভারতীয় ক্রীড়াবিদরা যখন বিশ্বের মঞ্চে নতুন ইতিহাস তৈরি করছে ঠিক সেই মুহূর্তে জাতীয় গেমস অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সমস্ত খেলোয়াড়দের জন্য এই জাতীয় গেমসগুলো হল শক্তিশালী একটা লঞ্চ প্যাড। তাই সমস্ত খেলোয়াড়দের নিজেদের সর্বোত্তম পারফরম্যান্স দিতে হবে আর সমস্ত পুরনো রেকর্ড ভাঙতে হবে।” আনুষ্ঠানিক ভাবে জাতীয় গেমসের টর্চ জ্বালিয়ে মোদি বলেন, ”গোয়া থেকে অনেক তারকার উত্থান হয়েছে। ফুটবলের প্রতি ভালোবাসার জন্য বিখ্যাত গোয়া। এমন একটা সময়ে জাতীয় গেমস হচ্ছে, যখন আন্তর্জাতিক ক্রীড়াজগতে একের পর এক সাফল্য পাচ্ছে ভারত। এশিয়ান গেমসে নজিরবিহীন রেকর্ড করেছে ভারত। ৭০ বছরেও যা হয়নি, এবারের এশিয়ান গেমসে তাই হয়েছে। এশিয়ান প্যারা গেমস চলছে এখন। ইতিমধ্যেই ভারতীয় খেলোয়াড়রা ৭০-এর বেশি মেডেল জিতে সব রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে। এর আগে  ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি গেমস হয়েছিল। সেখানেও ভারত নজির গড়ে।” 

    সরকারের সাহায্য

    ক্রীড়াক্ষেত্রে উন্নতির জন্য সরকার যে যে পদক্ষেপ করেছে তার কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “ভারতের ক্রীড়াক্ষেত্রে প্রতিভার কোনও অভাব নেই। এই দেশ অনেক চ্যাম্পিয়নকে তৈরি করেছে। ২০১৪ সালের পর দেশের ক্রীড়াক্ষেত্রের পরিকাঠামোতে (sports infrastructure) বদলের জন্য প্রচুর উদ্যোগ নিয়েছি আমরা। নির্বাচনী প্রক্রিয়া (selection process) ও ক্রীড়াবিদদের সাহায্যের জন্য আর্থিক প্রকল্প (financial schemes supporting athletes) চালু করা হয়েছে। একটা সময় ছিল যখন ভারত আন্তর্জাতিক ক্রীড়ামঞ্চে অনেক পিছিয়ে থাকত। আগের সরকার মনে করত খেলাধুলোর পিছনে কেন অর্থ খরচ করবো।” 

    দেশে যদি নিরাশার পরিবেশ থাকে, তাহলে প্রতিটি ক্ষেত্রে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে, বলে অভিমত প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু এখন পরিস্থিতি বদলেছে। সবক্ষেত্রে ভারতের দক্ষতা এবং গতির সঙ্গে অনেকেই এঁটে উঠতে পারছে না, বলে মনে করেন মোদি। তিনি বলেন, “২০৩০ সালের যুব অলিম্পিক্স এবং ২০৩৬ সালের অলিম্পিক্সের জন্য তৈরি দেশ।” প্রতিযোগীদের উদ্দেশে শুভেচ্ছা জানিয়ে মোদি বলেন, “ময়দান যাই হোক, চ্যালেঞ্জ যেমনই হোক না কেন, নিজেদের সেরাটা দিতে হবে। এই সুযোগ খোয়ানো চলবে না।”   

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Jammu and Kashmir: সেনা-পুলিশের যৌথ অভিযান! কাশ্মীরে খতম ৫ লস্কর জঙ্গি 

    Jammu and Kashmir: সেনা-পুলিশের যৌথ অভিযান! কাশ্মীরে খতম ৫ লস্কর জঙ্গি 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে জঙ্গিদের অনুপ্রবেশ রুখতে জম্মু-কাশ্মীরের কুপওয়ারা জেলার মাচিলে নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর যৌথ অভিযান চালিয়েছিল পুলিশ এবং সেনাবাহিনী। সেই অভিযানেই বৃহস্পতিবার পাঁচজন লস্কর-ই-তৈবা জঙ্গির মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় কাশ্মীর জোন পুলিশ জানিয়েছে, ওই এলাকায় জঙ্গিদের উপস্থিতির বিষয়ে নির্দিষ্ট তথ্য দিয়েছিল কুপওয়ারা জেলার পুলিশ। সেই তথ্যের ভিত্তিতে এদিন সকালে অভিযান চালায় যৌথ বাহিনী। তারা এলাকায় পৌঁছতেই বাহিনীর সদস্যদের লক্ষ্য করে গুলি ছুড়তে শুরু করেছিল জঙ্গিরা। বাহিনীও পাল্টা জবাব দেয়। দুই পক্ষের গুলির লড়াইয়ে এখনও পর্যন্ত পাঁচ জঙ্গির মৃত্যু হয়েছে। 

    জঙ্গি দমনে অভিযান

    বৃহস্পতিবার (২৬ অক্টোবর), এদিন সকালে, প্রথমে ২ জঙ্গির মৃত্যুর খবর দিয়েছিল পুলিশ। পরে আরও তিন জঙ্গির মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করকা হয়। তারা আরও জানিয়েছে, এই অভিযান এখনও চলছে। ওই এলাকায় আরও জঙ্গি লুকিয়ে থাকতে পারে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। পুরো এলাকাটি ঘিরে ফেলে চিরুনি তল্লাশি চালাচ্ছে সেনা ও পুলিশের যৌথ বাহিনী। শ্রীনগরে মোতায়েন ভারতীয় সেনার চিনার কর্পসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কুপওয়ারা সেক্টর দিয়ে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করেছিল জঙ্গিরা। কুপওয়ারা পুলিশের কাছে এই বিষয়ে নির্দিষ্ট তথ্য ছিল। এরপরই যৌথ বাহিনী ওই এলাকায় অভিযান চালায়। ঠিক কতজন জঙ্গি ওই এলাকায় লুকিয়ে আছে, তারা কোন জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত – এই বিষয়গুলি এখনও স্পষ্ট নয়। তবে, সেনার অনুমান, নিহত জঙ্গিরা লস্কর-ই-তৈবার সদস্য।

    জম্মু ও কাশ্মীরের অ্যাডিশনাল ডিরেক্টর জেনারেল বিজয় কুমার জানান, এতদিন ভারতীয় সেনা একা এই ধরনের অনুপ্রবেশ বিরোধী অভিযান চালালেও ক্রমশ সেই অভিযানে সামিল করা হচ্ছে পুলিশকেও। চলতি বছরে জম্মু-কাশ্মীরে এখনও পর্যন্ত ৪৬ জন সন্ত্রাসবাদীকে শেষ করেছে সেনা ও পুলিশ। এদের মধ্যে ৩৭ জন পাকিস্তানি জঙ্গি সংগঠনের সদস্য। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক সূত্রে খবর, বর্তমানে এই উপত্যকায় ১৩০ জন জঙ্গি সক্রিয় রয়েছে যাদের মধ্যে অর্ধেকই বিদেশি। তাদের নিকেশ করতে এবার সক্রিয় প্রশাসনও।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

  • Qatar: ৮ প্রাক্তন ভারতীয় নৌসেনা কর্মীকে মৃত্যুদণ্ড কাতার আদালতের! সমস্ত আইনি সহায়তার আশ্বাস ভারতের

    Qatar: ৮ প্রাক্তন ভারতীয় নৌসেনা কর্মীকে মৃত্যুদণ্ড কাতার আদালতের! সমস্ত আইনি সহায়তার আশ্বাস ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক অবিশ্বাস্য রায়ে ভারতীয় নৌসেনার ৮ প্রাক্তন কর্মীকে মৃত্যুদণ্ডের সাজা শোনাল কাতারের (Qatar) একটি আদালত। গত এক বছর ধরে তাঁদের আটকে রাখা হয়েছে সেদেশে। এই রায়ে স্তম্ভিত দিল্লি। এই ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বিদেশমন্ত্রকের তরফে ওই ৮ জনকে সমস্ত রকম ‘আইনি সহায়তা’র আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা?

    এখনও পর্যন্ত যা জানা গিয়েছে, কাতারে (Qatar) আল দাহরা গ্লোবাল টেকনোলজিস অ্যান্ড কনসালটেন্সি সার্ভিসেস নামের এক বেসরকারি সংস্থায় কর্মরত ছিলেন ওই ৮ প্রাক্তন নৌসেনা কর্মী। এই সংস্থাটি কাতারের প্রতিরক্ষা বাহিনীর স্থানীয় ব্যবসায়িক অংশীদার ছিল। ওই বেসরকারি সংস্থায় মূলত কাতারের সেনা সম্পর্কিত কিছু পরিষেবা সরবরাহ করা হয়, এছাড়াও দেওয়া হয় সেনা সম্পর্কিত ট্রেনিং। ২০২২ সালের অগাস্ট মাসে এই ৮ জনকে আটক করে কাতারের ইন্টালিজেন্স সার্ভিসেস তথা গোয়েন্দা বিভাগ। সেই থেকে এই প্রাক্তন সামরিক কর্মীরা জেলেই রয়েছেন। একাধিকবার তাঁদের জামিনের আবেদন খারিজ করা হয় বলে জানা গিয়েছে। কাতার সরকার কখনই ওই ভারতীয় সেনা অফিসারদের বিরুদ্ধে অভিযোগ নিয়ে খোলসা করে কিছু জানায়নি। তবে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, ওই ভারতীয় কর্মীদের বিরুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ ছিল কাতারের। 

    কী জানিয়েছে বিদেশ মন্ত্রক?

    এদিনের রায়ের প্রেক্ষিতে, গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ভারতের বিদেশ মন্ত্রক। এই খবর পাওয়ার পরই নড়েচড়ে বসেছে দিল্লির বিদেশ মন্ত্রক। কাতারের ভারতীয় দূতাবাসের কাছে বিশদ রিপোর্ট তলব করেছে তারা। এদিন একটি বিবৃতি জারি করে বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে, ‘‘ফাঁসির সাজার খবর শুনে আমরা স্তম্ভিত। পূর্ণাঙ্গ রায়ের জন্য অপেক্ষা করে আছি। এই আট প্রাক্তন নৌসেনা কর্মীর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। আইনি টিমের সঙ্গেও কথাবার্তা চলছে। সমস্ত আইনি বিতর্কগুলি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আমরা বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখছি। গোটা ঘটনার উপর নজর রাখা হচ্ছে। সমস্ত আইনি সহায়তা দেওয়া হবে। কাতার (Qatar) কর্তৃপক্ষের সঙ্গেও যোগাযোগ রাখা হচ্ছে।’’

    সূত্রের খবর, যে ৮ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে, তাঁরা হলেন— ক্যাপ্টেন নভতেজ সিং গিল, ক্যাপ্টেন বীরেন্দ্র কুমার ভার্মা, ক্যাপ্টেন সৌরভ বশিষ্ট, কামান্ডার অমিত নাগপাল, কমান্ডার পূর্ণেন্দু তিওয়ারি, কমান্ডার সুগুনাকার পাকালা, কমান্ডার সঞ্জীব গুপ্তা ও নাবিক রাগেশ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

  • Cash For Query: ঘুষের বিনিময়ে প্রশ্নকাণ্ডে মহুয়াকে তলব এথিক্স কমিটির, কবে হাজিরা?

    Cash For Query: ঘুষের বিনিময়ে প্রশ্নকাণ্ডে মহুয়াকে তলব এথিক্স কমিটির, কবে হাজিরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘুষের বিনিময়ে প্রশ্ন মামলায় (Cash for query) তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রকে তলব করল লোকসভার এথিক্স কমিটি। আজ বৃহস্পতিবার, দুপুর সাড়ে ১২টায় সংসদের এথিক্স কমিটির সামনে হাজির হন বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবে। প্রথম পর্যায়ে আজ মূল অভিযোগকারী নিশিকান্তের পাশাপাশি আইনজীবী জয় অনন্ত দেহাদ্রাইকে তলব করেছিল কমিটি। তাঁদের বয়ানও এদিন রেকর্ড করা হয়। পরের পর্যায়ে ৩১ তারিখ ডাকা হয়েছে মহুয়াকে। 

    কী এই এথিক্স কমিটি

    বিভিন্ন দলের ১৫ সদস্যের এক কমিটি এখন বিষয়টির তদন্ত করবে। বর্তমানে লোকসভার এথিক্স কমিটির সভাপতি বিজেপি সাংসদ বিনোদ কুমার সোনকর। তাঁর নেতৃত্বাধীন কমিটি এবার এই অভিযোগ খতিয়ে দেখে তৃণমূল সাংসদের বিরুদ্ধে পরবর্তী পদক্ষেপ করবে। কমিটির অনান্য সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন ডাঃ সুভাষ রামরাও ভামরে- বিজেপি, সুনীতা দুগ্গল-বিজেপি, হেমন্ত তুকারাম গডসে-শিবসেনা, প্রনীত কৌর-কংগ্রেস, কুনওয়ার দানিশ আলি-বিএসপি, পি আর নটরাজন-সিপিএম, উত্তম কুমার নালমাদা রেড্ডি-কংগ্রেস, ডঃ রাজদীপ রায়-কংগ্রেস, অপরাজিতা সারঙ্গি-বিজেপি, সুমেদানন্দ সরস্বতী-বিজেপি, বিষ্ণু দত্ত শর্মা-বিজেপি, বালাশৌরি বল্লভানেনি-ওয়াইএসআর কংগ্রেস, বৈথিলিঙ্গম ওয়ে-কংগ্রেস, গিরিধারী যাদব-আরজেডি।

    কী বলল কমিটি

    এদিন কমিটির চেয়ারম্যান বিনোদ সোনকার সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘‘আমরা আইনজীবী এবং দুবের কথা শুনেছি। অভিযোগের গুরুত্ব বিচার করে আগামী মঙ্গলবার মহুয়াকে তলবের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। উপস্থিত হয়ে তাঁর নিজের বক্তব্য তুলে ধরা উচিত।’’ সোনকার আরও জানিয়েছেন, এই বিষয়ে তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রক এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রককেও চিঠি পাঠিয়ে তাদের বক্তব্য জানতে চাওয়া হয়েছে। এটা কমিটির বিশেষ অধিকারের মধ্যে পড়ে। সব দিক খতিয়ে দেখে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে এথিক্স কমিটি।

    বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবে এথিক্স কমিটি থেকে বেরিয়ে বলেন, ‘সব স্বাভাবিক প্রশ্ন করা হয়েছিল আমায়। সকল সাংসদরাই উদ্বিগ্ন রয়েছেন বিষয়টি নিয়ে। আমায় আবার ডেকে পাঠালে আমি আসব। সংসদের ঐতিহ্য এবং মর্যাদা রক্ষার বিষয় এটি। এথিক্স কমিটি আমার থেকেও বেশি চিন্তিত।’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

  • Fire in Train: আগ্রার কাছে পাতালকোট এক্সপ্রেসে আগুন! দাউ দাউ করে জ্বলছে কামরা

    Fire in Train: আগ্রার কাছে পাতালকোট এক্সপ্রেসে আগুন! দাউ দাউ করে জ্বলছে কামরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলন্ত পাতালকোট এক্সপ্রেসে (Fire in Train) আগুন। দাউ দাউ করে জ্বলছে কামরা। চরম আতঙ্কের মধ্যে পড়লেন যাত্রীর। যখন আগুন লাগে তখন ট্রেনটি আগ্রা থেকে ঢোলপুরের দিকে যাচ্ছিল। কিন্তু মালপুরা স্টেশনের কাছেই এই বিপত্তি দেখা যায়। যদিও হতাহতের কোনও খবর নেই। ট্রেনের মধ্যে প্রথমে ধোঁয়া দেখা যায়, এরপর ইঞ্জিনের পরের চার নম্বর কামরা থেকে আগুন লাগার কথা জানা যায়। ঘটনায় তীব্র চাঞ্চাল্য তৈরি হয় যাত্রীদের মধ্যে।

    কীভাবে ঘটল এই দুর্ঘটনা (Fire in Train)?

    ভারতীয় রেল সূত্রে জানা গেছে, পঞ্জাবের ফিরোজপুর থেকে মধ্যপ্রদেশের সিওনি পর্যন্ত যাত্রাপথ ছিল পাতালকোট এক্সপ্রেসের (১৪৬২৪)। হঠাৎ ট্রেনের (Fire in Train) মধ্যে আগুন লেগে যায়। ইঞ্জিনের পরে ৪ নম্বর জিএস কামরার মধ্যে আগুন লাগে। সঙ্গে সঙ্গে ট্রেনটিকে থামিয়ে, আগুন লেগে যাওয়া কামরাকে দ্রুত আলাদা করে দেওয়া হয়। বড় বিপদের সম্ভাবন থাকলেও সঠিক সিদ্ধন্তের কারণে দুর্ঘটনা থেকে যাত্রীরা প্রাণে রক্ষা পেলেন।

    রেল সূত্রে বক্তব্য

    রেলের (Fire in Train) আগ্রা ডিভিশনের পিআর প্রশস্তি শ্রীবাস্তব জানিয়েছেন, “হতাহতের কোনও খবর নেই। ঘটনাটি ঘটেছে ৩ টে ৪৫ মিনিটে। কামরায় আগুন লাগলে, দ্রুত যাত্রীদের নামিয়ে নেওয়া হয়। তবে আগুনের কারণের বিষয়ে খোঁজখবর করা হচ্ছে। কতটা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা এখনই বলা সম্ভব নয়। গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।”

    প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য

    ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, “আগুন লাগার সঙ্গে সঙ্গে ট্রেন (Fire in Train) থামিয়ে দেওয়ার কথা বলা হয়। এরপর দ্রুত আগুন লাগার কামরা থেকে, বাকি বগিগুলিকে আলাদা করে দেওয়া হয়। কিন্তু আগুনের লেলিহান শিখার দাপট এতটাই ছিল যে আগুন দ্রুত এক কামরা থেকে আরেক কামরায় ছড়িয়ে পড়েছিল। ট্রেনের যাত্রীরা রীতিমতো আতঙ্কিত হয়ে এদিকে ওদিকে ছোটাছুটি শুরু করে দিয়েছিলেন। আগুন লাগা দুটি কামরাকে ট্রেনের বাকি কামরা গুলি থেকে দ্রুত নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে নিয়ে, আগুন নেভানোর জন্য কাজ শুরু করা হয়।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Railway Board DA Hike: দশেরাতেই দীপাবলি উপহার! ৪ শতাংশ ডিএ বাড়াল রেল, কর্মীদের মুখে হাসি

    Railway Board DA Hike: দশেরাতেই দীপাবলি উপহার! ৪ শতাংশ ডিএ বাড়াল রেল, কর্মীদের মুখে হাসি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দশেরাতেই দীপাবলির উপহার পেলেন রেলকর্মীরা! দশেরা ও দীপাবলি উপলক্ষে কর্মচারীদের জন্য সুখবর আনল ভারতীয় রেল। লক্ষাধিক কর্মচারীকে অতিরিক্ত ৪ শতাংশ মহার্ঘভাতা বৃদ্ধি (Railway Board DA Hike) ঘোষণা করেছে ভারতীয় রেল বোর্ড। এই ঘোষণার ফলে, রেল কর্মচারীদের ডিএ বর্তমানের ৪২ শতাংশ থেকে বেড়ে ৪৬ শতাংশ হল। রেল বোর্ডের প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, নতুন হার ২০২৩ সালের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হয়েছে। 

    ডিএ বৃদ্ধিতে খুশি কর্মচারীরা

    এই প্রেক্ষিতে অল ইন্ডিয়া রেলওয়েমেন’স ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক শিব গোপাল মিশ্র জানান, জুলাই থেকে কর্মচারীদের ডিএ বৃদ্ধি আটকে ছিল। এমতাবস্থায় এটা পাওয়া ছিল কর্মচারীদের অধিকার। অবশেষে সেই কর্মচারীরা তাঁদের অধিকার পাচ্ছেন। এদিকে, রেল বোর্ডের এই ঘোষণাকে (Railway Board DA Hike) স্বাগত জানিয়েছে রেলের কর্মচারী ইউনিয়নগুলি। ন্যাশনাল ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ান রেলওয়েম্যানের সাধারণ সম্পাদক এম রাঘভাইয়া জানিয়েছেন, এই সিদ্ধান্ত শুধুমাত্র মুদ্রাস্ফীতির হারের ভিত্তিতে নেওয়া হয়েছে। মুদ্রাস্ফীতির কোনও প্রভাব যাতে কর্মীদের ওপর না পড়ে তাই এই সিদ্ধান্ত।

    আরও পড়ুন: রেল দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণের অঙ্ক ১০ গুণ বাড়াল মোদি সরকার

    গ্রুপ-সি ও গ্রুপ-ডি কর্মীদেরও বোনাস

    এর আগে, রেলের নন-গ্যাজেটেড অফিসার বা গ্রুপ সি এবং গ্রুপ ডি স্তরের কর্মীদের জন্য দীপাবলি বোনাসের ঘোষণা করেছিল কেন্দ্রীয় সরকার। এর ফলে ১১ লাখের বেশি রেলওয়ে কর্মী ৭৮ দিনের অতিরিক্ত বেতন পাচ্ছেন। ষষ্ঠ বেতন কমিশনের ন্যূনতম বেতন বা বেসিক পে-র ওপর ভিত্তি করে এই বোনাস হিসেব করা হয়—যার ঊর্ধ্বসীমা ছিল ৭ হাজার টাকা। সেই হিসেব অনুযায়ী, ৭৮ দিনের হিসেবে এরফলে প্রায় ১৮ হাজার টাকা বোনাস (Railway Board DA Hike) পাবেন রেলওয়ে কর্মচারীরা। এই বোনাসের জন্য মোট ১৫ হাজার কোটি টাকা অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

  • Rajnath Singh: বিজয়া দশমীতে চিন-সীমান্তে জওয়ানদের সঙ্গে অস্ত্র পুজো রাজনাথের

    Rajnath Singh: বিজয়া দশমীতে চিন-সীমান্তে জওয়ানদের সঙ্গে অস্ত্র পুজো রাজনাথের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজয় দশমীর দিন অরুণাচল প্রদেশের অস্ত্র পুজোয় অংশ নিলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Singh)। এর পাশাপাশি চিন সীমান্তও পরিদর্শন করেন তিনি। নিজের ভাষণে রাজনাথ সিং বলেন, ‘‘দশেরা হল অশুভ শক্তির ওপর শুভ শক্তির বিজয়।’’ এদিন অরুণাচল প্রদেশে ১৯৬২ সালে চীন-ভারত যুদ্ধে শহীদ জওয়ান সুবেদার যোগিন্দর সিং এর স্মৃতিসৌধের শ্রদ্ধার্ঘ্যও নিবেদন করেন তিনি। এদিন তাঁর সঙ্গে ছিলেন আর্মি চিফ জেনারেল মনোজ পাণ্ডে, ইস্টার্ন কমান্ডের জেনারেল অফিসার কমান্ডিং জেলারেল আর পি কালিতা  সমেত সেনাবাহিনীর অন্যান্য সিনিয়র অফিসাররা।

    গতকাল প্রতিরক্ষামন্ত্রী ছিলেন অসমে

    প্রসঙ্গত দুদিনের উত্তর-পূর্ব ভারত সফরে রয়েছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। তাঁর সফরের দ্বিতীয় দিনে অরুণাচল প্রদেশে পৌঁছান প্রতিরক্ষা মন্ত্রী। গত ২৩ অক্টোবর দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রী (Rajnath Singh) ছিলেন অসমে। গতকালই অসমের তেজপুরে বিমান বাহিনীর ঘাঁটিতে অবতরণ করে প্রতিরক্ষামন্ত্রীর বিশেষ বিমান। সেখানকার স্থানীয় মেঘনা স্টেডিয়ামে সেনা জওয়ানদের সঙ্গে নৈশভোজও সারেন তিনি। জঙ্গি কার্যকলাপের বিরুদ্ধে সারা দেশকে এক হওয়ার বার্তাও দেন রাজনাথ। পাশাপাশি জঙ্গি দমনে যেন সাধারণ মানুষের কোনও ক্ষতি না হয়, সেদিকেও সজাগ থাকতে বলেন তিনি।

    দেশের অর্থনীতিতে অবদান রয়েছে সেনারও

    রাজনাথ সিং (Rajnath Singh) গতকাল তাঁর ভাষণে জানান, প্রতি বছর বিজয়া দশমীর দিনটা তিনি সেনাবাহিনীর সঙ্গেই কাটান। তাঁর আরও সংযোজন, ‘‘ভারতীয় সেনাবাহিনীর বীরত্ব সারা বিশ্বে বিখ্যাত। ভারতীয় অর্থনীতি বর্তমানে বিশ্বে পঞ্চম স্থানে পৌঁছেছে, ২০২৪ থেকে ২০২৭ সালের মধ্যে বিশ্বের অর্থনৈতিক মানচিত্রে ভারতের স্থান হবে তৃতীয়।’’ দেশের অর্থনীতির এমন উন্নয়নে সেনাবাহিনীরও যে অবদান রয়েছে, তাও নিজের বক্তব্যে বলেন রাজনাথ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

  • Durga Puja: পুজোর আনন্দে মাতলেন রানি-সুস্মিতা! রাত পোহালেই দশমী, জেনে নিন দেবী বরণের নিয়ম

    Durga Puja: পুজোর আনন্দে মাতলেন রানি-সুস্মিতা! রাত পোহালেই দশমী, জেনে নিন দেবী বরণের নিয়ম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চোখের পলকে কেটে গেল পুজোর দিনগুলি। এসে গেল নবমীর বিকেল। রাত পোহালেই বিজয়া দশমী। এবার উমা ফিরবেন শিবের ঘরে। আবার একটা বছরের লম্বা অপেক্ষায় দিন গুনবে বাঙালি। মঙ্গলবার ২৪ অক্টোবর ৬ কার্তিক বিজয়া দশমী। বিসর্জন হবে সকাল ৮টা ৩২ মিনিট থেকে সকাল ৯টা ২৮ মিনিট পর্যন্ত। ভাসানের পুজো শেষ হওয়ার পরই সিঁদুর খেলা শুরু হবে। এটিকে সৌভাগ্যের প্রতীক বলে মনে করা হয়। 

    কীভাবে বরণ করবেন 

    দশমীর দিন থালায় দুটো পান পাতা, ফুল, ধান-দুর্বা, সিঁদুর, রুপো ও সোনা, মিষ্টি, পানের খিলি, ঠাকুরের গ্লাসে জল নিয়ে ঠাকুর বরণে যান মহিলারা। প্রথমে পান পাতা দিয়ে আলতা-সিঁদুর পরে সধবা স্ত্রীরা মাকে বরণ করেন। লাল বস্ত্র পরে বরণের কাজ করা হয়। চলতি বছরে দেবীর গমন হবে ঘোটকে। যা খুব একটা শুভ হিসেবে ধরা হয় না। এই সময় ছত্রভঙ্গ পরিস্থিতি হওয়ার ইঙ্গিত রয়েছে। দেবী বরণের পর অনেক জায়াগায় শুরু হয় ধুনুচি নাচ। নবমীর রাতেও চলে ধুনুচি নাচের প্রতিযোগিতা। ইতিমধ্যেই চলতি বছরের পুজোয় অভিনেত্রী সুস্মিতা সেনের ধুনুচি নাচের ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। মেয়ে আলিসাকে নিয়ে তিনি মুম্বইয়ের একটি পুজো মণ্ডপে যান। গোলাপি শাড়ির সঙ্গে ম্যাচ করে কানের দুল ও পনিটেলে খুব সুন্দর লাগছিল তাঁকে।

    পুজোয় মাতলেন রানি-কাজল

    বম্বে সার্বজনীন দুর্গাপুজো প্যান্ডেলে বলি তারকা রানি মুখার্জি, কাজল, বিদ্যা ব্যালান থেকে শুরু করে একাধিক অভিনেত্রী ভিড় করেছিলেন। বাঙালিয়ানায় ভরপুর থাকে এই পুজো মণ্ডপের পরিবেশ। পুজোর পাশাপাশি ভোগ খাওয়াও থাকে এখানকার বিশেষ আকর্ষণ। শনিবার সকালে একফ্রেমে ধরা দিয়েছিলেন রানি, তানিশা, সর্বানী মুখোপাধ্যায়রা। শনিবার সকাল থেকেই রানির সঙ্গে দেখা গিয়েছিল কিয়ারাকেও। ওইদিন রানির সঙ্গে বসে পুজোর ভোগও খান কিয়ারা। চামচ নয়, হাতে করেই চেটেপুটে ভোগ খেতে দেখা গেল তাঁদের। খাওয়ার সঙ্গে চলল গল্প ও আড্ডা। এরই মাঝে নজর কাড়ে কুমার শানুর দুর্গাপুজো। শোভাবাজার রাজবাড়ির আদেলে তৈরি হয়েছিল এই পুজোর মণ্ডপ। বাণিজ্যনগরীতে কলকাতার ছোঁয়া এনে দিতেই এই পরিকল্পনা বলে মনে করা হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Carbon Credit: কার্বন ক্রেডিট পদ্ধতিতে অতিরিক্ত আয়ের মুখ দেখছেন যোগী রাজ্যের কৃষকরা

    Carbon Credit: কার্বন ক্রেডিট পদ্ধতিতে অতিরিক্ত আয়ের মুখ দেখছেন যোগী রাজ্যের কৃষকরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বায়নের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে উষ্ণায়নও। যা নিয়ে চিন্তিত আন্তর্জাতিক মহলগুলিও। বিশ্ব-উষ্ণায়নের ফলে ইতিমধ্যে গলতে শুরু করেছে মেরু প্রদেশের বরফও। আন্তর্জাতিক স্তরেও নানা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে এবিষয়ে। চলতি বছরে ভারতে অনুষ্ঠিত জি২০ সম্মেলনেও একপ্রস্থ আলোচনা হয় বিশ্বের জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে। এনিয়ে শুরু হয়েছে নানা প্রয়াস। বিজ্ঞানীরা বলছেন, বিশ্ব উষ্ণায়ন বাড়ার প্রধান কারণ হল ক্লোরোফ্লুরো কার্বন এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড। বর্ধিত কার্বন-ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ কমাতে ভরসা তাই গাছ  লাগানো।

    কার্বন ক্রেডিট পদ্ধতি আসলে কী?

    বিশ্বের বিভিন্ন দেশগুলিতে পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে কার্বন ক্রেডিট পদ্ধতির (Carbon Credit)। কার্বন ক্রেডিট পদ্ধতি হল এক টন কার্বন ডাই অক্সাইডের অথবা যে কোনও গ্রিনহাউস গ্যাসের সমান ভর। বিষয়টি সরলভাবে বোঝাতে গেলে গেলে বলতে হবে, যে পরিমাণ গাছ এক টন ভরের কার্বন ডাই-অক্সাইডকে পরিবেশ থেকে হ্রাস করতে পারে সেই পরিমাণের চারা রোপণকে কার্বন ক্রেডিট (Carbon Credit) বলে। ভারতবর্ষের মধ্যে উত্তরপ্রদেশের যোগী সরকার এনিয়ে নীতিও গ্রহণ করেছে। যোগী রাজ্যে কার্বন ক্রেডিট নিয়ে বেশ উৎসাহী কৃষকরাও। কার্বন ক্রেডিট পদ্ধতির মাধ্যমে অতিরিক্ত আয়ের মুখও দেখছেন যোগী রাজ্যের কৃষকরা। সেরাজ্যের কৃষকরা,নিজেদের চাষযোগ্য জমির সীমানায় গাছ লাগাচ্ছেন। 

    কী বলছেন উত্তরপ্রদেশ সরকারের বনমন্ত্রী?

    উত্তরপ্রদেশ সরকারের বনমন্ত্রী অরুণ কুমার সাক্সেনার মতে, ‘‘পরিবেশ রক্ষায় এবং গ্রিন হাউস গ্যাস পরিবেশ থেকে কমানোটা কখনোই আমাদের পক্ষে সম্ভব হতো না যদি না কৃষকরা এগিয়ে আসতেন।’’ বর্তমানে যোগী সরকার লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে যে সে রাজ্যের বনাঞ্চল ৯.২৩ শতাংশ তেকে ২০২৭ সালের মধ্যে ১৫ শতাংশে নিয়ে যাবে। যোগী সরকারের নীতি অনুযায়ী, প্রতিটি কৃষককে আর্থিকভাবে সাহায্য করা হবে কার্বন ক্রেডিট প্রকল্পে (Carbon Credit)। এই প্রকল্পে রোপণ করা চারাগাছগুলিকে পরিচর্যা রক্ষণাবেক্ষণ সমেত দেখভাল করবেন কৃষকরা। বর্তমানে বাজারদর বলছে ৬টি কার্বন ক্রেডিটের মূল্য হল এক ডলার, অর্থাৎ ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৮৩ টাকা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share