Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Google Smartphone: ভারতেই তৈরি হবে পিক্সেল-৮ স্মার্টফোন! উৎসবের আবহে বড় ঘোষণা গুগলের

    Google Smartphone: ভারতেই তৈরি হবে পিক্সেল-৮ স্মার্টফোন! উৎসবের আবহে বড় ঘোষণা গুগলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রের ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ উদ্যোগে শামিল হয়ে এ বার ভারতের মাটিতেই স্মার্টফোন তৈরি করতে চলেছে গুগল (Google Smartphone)। ‘গুগল ফর ইন্ডিয়া’র অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের উপস্থিতিতে এই ঘোষণা করলেন গুগলের যন্ত্র এবং পরিষেবা বিভাগের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট রিক ওস্টারলো।

    কী জানালেন গুগুল সিইও

    সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক করে ভারতের ডিজিটাল অগ্রগতিতে পাশে থাকার বার্তা দিয়েছিলেন গুগল সিইও (Google CEO) সুন্দর পিচাই। এবার ভারতে পিক্সেল স্মার্টফোন তৈরির পরিকল্পনার কথা জানালেন তিনি। আগামী বছর অর্থাৎ ২০২৪-এর মধ্যে পিক্সেল-৮ স্মার্টফোনের (Pixel-8 smartphone) প্রথম ডিভাইস বাজারে আনার কথাও ঘোষণা করল গুগল। 

    কী বললেন তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব

    প্রসঙ্গত, চলতি মাসের গোড়ার দিকেই প্রায় ৯০ লক্ষ পিক্সেল ৮ স্মার্টফোন বাজারে এনেছে গুগল (Google Smartphone)। ভারতে তৈরি পিক্সেল ৮ স্মার্টফোন বাজারে আসবে ২০২৪ সালে। গত কয়েক বছর ধরেই দেখা যাচ্ছে যে, ভারতে নির্মিত স্মার্টফোন শুধু দেশের মধ্যে নয় বিদেশের বাজারেও জায়গা করে নিচ্ছে। এই প্রসঙ্গে কেন্দ্রের তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব জানান, ন’বছর আগে দেশে খুব সামান্য মোবাইল ফোন তৈরি হত, কিন্তু আজ প্রায় ৩৭০ কোটি টাকার মোবাইল তৈরি হয়, যার মধ্যে প্রায় ১০০ কোটি টাকার মোবাইল ফোন রফতানি করা হয়।

    আরও পড়ুন: পুজোর সময় রোল-চাউমিন! রাস্তার ধারে খাওয়ার আগে একবার ভেবে দেখেছেন?

    গুগলের প্রতিশ্রুতি

    গুগল (Google Smartphone) সিইও সুন্দর পিচাই সমাজ মাধ্যমে জানান, ভারতের ডিজিটাল অগ্রগতিতে বিশ্বস্ত পার্টনার হিসাবে গুগল প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ভারতে স্থানীয়ভাবে পিক্সেল স্মার্টফোন তৈরির পরিকল্পনা করছে গুগল এবং দেশীয় প্রযুক্তিতে নির্মিত প্রথম পিক্সেল-৮ ফোন ২০২৪-এ ভারতের বাজারে পাওয়া যাবে। ‘ডিজিটাল ইন্ডিয়া’ করতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, তথ্য-প্রযুক্তি মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব যেভাবে সমর্থন জানাচ্ছেন, তার প্রশংসাও করেছেন টেক-জায়ান্টের সিইও।

    ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’র অধীনে ভারতের মোবাইল ফোনের প্রোডাকশন এক ধাক্কায় অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে। ২০১৪ সাল থেকে ২০২২ সালের মধ্যে তা ২ বিলিয়ন ইউনিট অতিক্রম করেছে। অর্থাৎ এর চক্রবৃদ্ধি বার্ষিক বৃদ্ধির হার (CAGR) হল ২৩ শতাংশ। বিপুল অভ্যন্তরীণ চাহিদা, ক্রমবর্ধমান ডিজিটাল সাক্ষরতা এবং সরকারি উৎসাহ এই বৃদ্ধির প্রধান কারণ, বলে মনে করা হচ্ছে। ভারতের কোথায় পিক্সেল স্মার্টফোন তৈরির কারখানা হবে এবং প্রথম দফায় কতকগুলি ফোন বাজারে আনা হবে, কী কী ফিচার থাকবে, তা এখনও স্পষ্ট করেনি গুগল। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Mahua Moitra: “মহুয়া উচ্চাকাঙ্ক্ষী, কী দিইনি গাড়ি,  ফ্ল্যাট”, বিস্ফোরক দাবি ব্যবসায়ী দর্শন হীরানন্দানির

    Mahua Moitra: “মহুয়া উচ্চাকাঙ্ক্ষী, কী দিইনি গাড়ি, ফ্ল্যাট”, বিস্ফোরক দাবি ব্যবসায়ী দর্শন হীরানন্দানির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আর্থিক সুবিধা নিয়ে লোকসভায় আদানি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে মুখ খোলার গুরুতর অভিযোগ রয়েছে তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রর (Mahua Moitra) বিরুদ্ধে। অভিযোগ, মহুয়া মুম্বইয়ের শিল্পপতি দর্শন হীরানন্দানির (Darshan Hiranandani) ব্যবসায়িক স্বার্থ রক্ষা করতে গিয়ে, সংসদে গৌতম আদানি ও আদানি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে লাগাতার প্রশ্ন তুলে গেছেন। মামলা সিবিআই ও সংসদের এথিক্স কমিটি পর্যন্ত গড়িয়েছে দেখে, দর্শন হীরানন্দানি একপ্রকার রাজসাক্ষী হয়ে গেলেন।

    হলফনামায় কী বললেন দর্শন

    দর্শন দাবি করেছেন, মহুয়া (Mahua Moitra) অত্যন্ত উচ্চাকাঙ্ক্ষী। দ্রুত নাম করতে চেয়েছিলেন। সে জন্যই নরেন্দ্র মোদীকে ক্ষুরধার আক্রমণ করাকে সহজ রাস্তা হিসাবে বেছে নিয়েছিলেন মহুয়া। মোদিকে নিশানা করার জন্যই গৌতম আদানি ও আদানি শিল্পগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে ‘হাত ধুয়ে’ লেগে পড়েন মহুয়া।  স্বাক্ষর করা ‘হলফনামা’য় হিরানন্দানি কার্যত মহুয়া ও তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ মেনে নিয়েছেন। মহুয়া মৈত্র অবশ্য দর্শন হিরানন্দানির হলফনামার সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি বলেন, ‘লোকসভার এথিক্স কমিটিতে জমা করা ওই হলফনামা আসলে একটি লেটারহেড ছাড়া সাদা কাগজ। আর সংবাদমাধ্যমে লিক হওয়া ছাড়া এই হলফনামার কোনও উৎস খুঁজে পাওয়া যায়নি।’

    মহুয়ার বিরুদ্ধে কী অভিযোগ

    দুবাই-কেন্দ্রিক ব্যবসায়ী হীরানন্দানির থেকে নেওয়া অর্থ ও উপহারের বিনিময়ে মহুয়া লোকসভায় প্রশ্ন করেছেন এমন অভিযোগ তুলে গত রবিবার লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকে চিঠি পাঠান বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবে। স্পিকারের কাছে মহুয়াকে (Mahua Moitra) সাংসদ পদ থেকে নিলম্বিত (সাসপেন্ড) করার আর্জিও জানিয়েছেন নিশিকান্ত। আবার আইনজীবী জয় অনন্ত দেহাদ্রাই মহুয়ার বিরুদ্ধে একই অভিযোগ তুলে সিবিআই প্রধানকে চিঠি দিয়েছিলেন। এবার দর্শনের হলফনামা সামনে আসায় আরও বিপাকে পড়লেন মহুয়া। 

    জোর খাটাতে পারেন মহুয়া

    দর্শনের দাবি, মহুয়ার সঙ্গে তাঁর প্রথম আলাপ হয় কলকাতায়। সে সময়ে কলকাতায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের আয়োজন করা বেঙ্গল গ্লোবাল বিজনেস সামিট চলছিল। ওই সম্মেলনে তিনি আমন্ত্রিত ছিলেন। সে সময়ে মহুয়ার সঙ্গে তাঁর পরিচয় ও ফোন নম্বর বিনিময় হয়। এর পর থেকে প্রায়ই তাঁদের ফোন কথা চলতে থাকে। মুম্বই, দিল্লি ও দুবাইতে তাঁদের সামাজিক অনুষ্ঠানে বহুবার দেখা হয়। তার পর বন্ধু সম্পর্ক আরও নিবিড় হয়। এতটাই যে এক সময় তাঁদের রোজ কথা হত। দর্শন হীরানন্দানি হলফনামায় লিখেছেন, মহুয়া ব্যক্তিগত সম্পর্কের মধ্যে খুবই জোর খাটাতে পারেন। কোনও কিছু তাঁর চাই মানে তক্ষুণি চাই। সব কাজ ফেলে রেখে তাঁর ব্যাপারটায় নজর দিতে হবে। তাঁর কাজ মানেই জরুরি ব্যাপার। 

    আরও পড়ুন: কাল মহাষষ্ঠীতে দেবীর বোধন, জেনে নিন এর পৌরাণিক তাৎপর্য

    সংসদের লগ-ইন আইডি দিয়েছিলেন মহুয়া

    হীরানন্দানি ‘হলফনামা’য় স্বীকার করেছেন যে তিনি মহুয়াকে (Mahua Moitra) ব্যবহার করে লোকসভায় আদানি গোষ্ঠী সম্পর্কিত প্রশ্ন তুলেছেন সংসদে। মহুয়া শিল্পপতিকে সংসদের লগ-ইন আইডি দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ তুলেছিলেন নিশিকান্ত। সেটাও স্বীকার করেছেন হীরানন্দানি। মহুয়ার বিরুদ্ধে বিভিন্ন উপহার নেওয়ার যে অভিযোগ উঠেছে তাতেও মান্যতা দেওয়া হয়েছে হীরানন্দানির ‘হলফনামা’য়। বলা হয়েছে, মাঝেমাঝেই নানা আব্দার করা হত। দাবি থাকত বিলাসবহুল সামগ্রী, দিল্লির সরকারি বাসভবন সংস্কার করিয়ে দেওয়া, ছুটি কাটানো বা বেড়ানোর খরচের জন্যও দাবি করা হত। সেটা যেমন দেশের বিভিন্ন জায়গায়, তেমন বিদেশেও।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Murder Case in Maharashtra: খুনের কৌশলে পুলিশই অবাক! ২০ দিনে রহস্যমৃত্যু একই পরিবারের ৫ জনের

    Murder Case in Maharashtra: খুনের কৌশলে পুলিশই অবাক! ২০ দিনে রহস্যমৃত্যু একই পরিবারের ৫ জনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাত্র ২০ দিনের মধ্যে পরপর মৃত্যু হয় একই পরিবারের ৫ জনের। মৃত্যুর ধরনও এক। প্রথমে অসুস্থ হয়ে পড়া। তারপর বিষক্রিয়ায় ধীরে ধীরে বিকল হতে থাকে শরীরের অঙ্গ প্রত্যঙ্গ। অবশেষে মৃত্যু। ঘটনাটি ঘটেছে মহারাষ্ট্রের গাড়ছিরোলিতে। চিকিৎসকেরাই প্রথম লক্ষ্য করেন, মৃতদের সকলেরই অসুস্থতার উপসর্গ এক ছিল। এরপরই সন্দেহ হয়, নিশ্চয়ই বিষক্রিয়া হয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে চারটি মেডিক্যাল টিম গঠন করা হয়। তদন্ত শুরু করে পুলিশ। শেষে দেখা গেল একের পর এক মৃত্যুর ঘটনার নেপথ্যে রয়েছে সেই পরিবারেরই দুই মহিলার ষড়যন্ত্র। তারা পরিকল্পনামাফিক পর পর খুন করে গেছে। এরকম ঠান্ডা মাথায় পর পর নিজের পরিবারের সদস্যদেরই খুন করার নজির বিশেষ নেই। বুধবার ওই দুই মহিলাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    কী ঘটেছিল

    গত ২০ সেপ্টেম্বর শঙ্কর কামভারে ও তাঁর স্ত্রী বিজয়া হঠাৎই অসুস্থ হয়ে পড়েন। ধারণা করা হয়, খাদ্যে বিষক্রিয়া থেকে তাঁর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। দ্রুত তাঁদের শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে। শুরু হয় বুকে ব্যথা, মানে হৃদপিণ্ডের সমস্যা। তাঁদের প্রথমে স্থানীয় আহেরি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে নাগপুরের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ৬ দিনের মাথায় মারা যান শঙ্কর। পরদিন বিজয়ার মৃত্যু হয়। পরিবারের এই শোকের মধ্যে দেখা যায়, তাঁদের ছেলেমেয়ে কোমল দাহাগাওকর, আনন্দ ও রোশন কামভারে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তাঁদেরও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। প্রতিদিন একটু একটু করে তাঁদের শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে। ৮ অক্টোবর মারা যান কোমল। আনন্দ মারা যান ১৫ তারিখ। পরদিন মৃত্যু হয় রোশনের।

    আরও পড়ুন: দুর্নীতির তদন্তে আলিপুরদুয়ারে ক্যাম্প করবে সিবিআই, রাজ্যকে ব্যবস্থা করার নির্দেশ দিল আদালত

    কীভাবে হত্যা

    তদন্তে জানা যায়, সংঘমিত্রা তাঁর স্বামী ও শ্বশুর-শাশুড়ির উপরে তিতিবিরক্ত হয়ে গিয়েছিলেন। অন্যদিকে, রোজা সম্পত্তি নিয়ে অশান্তির জেরে রেগেছিলেন। দুইজন মিলে ফন্দি আঁটেন পরিবারের সদস্যদের খুন করার। পরিকল্পনামাফিক তাঁরা পরিবারের সদস্যদের খাবারের মধ্যে আর্সেনিক মিশিয়ে দেন। পুলিশ জানিয়েছে জেরায় দুজনেই খুনের কথা স্বীকার করেছে। দুই গৃহবধূ এতটা গভীর ষড়যন্ত্র করে খুন করতে পারে জেনে পুলিশই হতভম্ব। পুলিশ জানিয়েছে, সঙ্ঘমিত্রা প্রথমে বিষ নিয়ে অনলাইনে সার্চ করেছিল। তার পর তেলঙ্গনা থেকে আর্সেনিক কিনে আনে, যাতে ধরা না পড়ে। জল ও খাবারের সঙ্গে সে একে একে শ্বশুর, শাশুরি ও স্বামীকে বিষ খাইয়ে দেয়। 

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Same Sex Marriage: সমপ্রেম বিয়ে নিয়ে সুপ্রিম-রায়ে একসুর! সমলিঙ্গ বিবাহ নিয়ে কী বলছে হিন্দু-মুসলিমরা?

    Same Sex Marriage: সমপ্রেম বিয়ে নিয়ে সুপ্রিম-রায়ে একসুর! সমলিঙ্গ বিবাহ নিয়ে কী বলছে হিন্দু-মুসলিমরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সমলিঙ্গ বিবাহ (Same Sex Marriage) নিয়ে শীর্ষ আদালতের রায়কে স্বাগত জানাল বিশ্ব হিন্দু পরিষদ।  কেন্দ্র-সহ সব পক্ষের মতামত শোনার পর  সমলিঙ্গের বিয়েকে আপাতত বৈধতা দেয়নি সুপ্রিম কোর্ট। এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব কেন্দ্রকেই দিয়েছে আদালত। আদালতের এই সিদ্ধান্তকে একযোগে স্বাগত জানিয়েছেন বিশ্ব হিন্দু পরিষদের আন্তর্জাতিক কার্যকরী সভাপতি অলোক কুমার এবং শীর্ষস্থানীয় মুসলিম ধর্মগুরু মৌলানা সাজিদ রশিদি। দু’জনের মতেই সমপ্রেম ভারতীয় সংস্কৃতির অংশ নয়। তাঁদের মতে, এটি বিদেশ থেকে আসা সংস্কৃতি।

    কী বলছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ

    বিশ্ব হিন্দু পরিষদের নেতা অলোক কুমার বলেছেন, “দুটি ছেলে বা দুটি মেয়ের মধ্যে সম্পর্ককে বিয়ে (Same Sex Marriage) হিসাবে স্বীকৃতি দেওয়া যায় না বলে সুপ্রিম কোর্ট পর্যবেক্ষণ করায় আমি খুশি।” প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার সমকামী বিবাহকে আইনি বৈধতা না দিলেও সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ সমকামী দম্পতিরা লিভ-ইন সম্পর্কে থাকতেই পারেন। নিজেদের পছন্দ মতো সঙ্গী বেছে নেওয়ার অধিকার রয়েছে তাঁদের। তবে সন্তান দত্তক নেওয়ার প্রশ্নে পাঁচ বিচারপতির ৩ বিচারপতি দ্বিমত পোষণ করেছে। 

    আরও পড়ুন: নিয়োগ-তদন্তে গতি আনতে দিল্লি থেকে আনা হচ্ছে নতুন আধিকারিক! নির্দেশ বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের

    অল ইন্ডিয়া ইমাম অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান, মৌলানা রশিদি বলেন, ‘সমপ্রেম (Same Sex Marriage) ভারতীয় সংস্কৃতি নয়। এই বিষয়গুলি খুব খোলাখুলি ভাবে চলে ইউরোপীয় ও পশ্চিমী দেশে। তবে ভারতে এই কাজকর্মকে কখনই উৎসাহ দেওয়া বা অনুমতি দেওয়া উচিত নয়। ভারতের সব বৈবাহিক অনুশীলনগুলির শিকড় আমাদের মূল্যবোধ ও সামাজিক ঐতিহ্যের মধ্যে গেঁথে রয়েছে। শীর্ষ আদালতের উচিত এই বিষয় চূড়ান্ত রায় দেওয়ার আগে আমাদের মূল্যবোধ ও বিশ্বাসগুলিকে সতর্কতার সঙ্গে বিবেচনা করা।’ এক কদম এগিয়ে সমপ্রেমের সম্পর্কে অপরাধ হিসেবে ঘোষণা করার দাবি জানিয়েছেন রশিদি।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • DA Hike: পুজোর উপহার! ফের ৪ শতাংশ ডিএ বাড়ল কেন্দ্র সরকারি কর্মচারীদের, কত হবে বেতন?

    DA Hike: পুজোর উপহার! ফের ৪ শতাংশ ডিএ বাড়ল কেন্দ্র সরকারি কর্মচারীদের, কত হবে বেতন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুজোর ঠিক আগেই বড় ঘোষণা করল মোদি সরকার। ৪ শতাংশ ডিএ (DA Hike) বাড়ল কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের। বুধবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রীসভার বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।  কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তের ফলে কেন্দ্রের কর্মীদের মহার্ঘ ভাতা ৪২ শতাংশ থেকে বেড়ে হল ৪৬ শতাংশ।

    রাজ্যের সঙ্গে ফারাক

    অক্টোবরে ঘোষণা হলেও নতুন হারে ডিএ (DA Hike) কার্যকর হবে জুলাই মাস থেকেই। এর আগে ২৪ মার্চের ঘোষণায় ১ জানুয়ারি থেকে মিলেছিল বর্ধিত ডিএ। তাতে ডিএ বেড়ে হয়েছিল ৪২ শতাংশ। এখন তা চার শতাংশ বেড়ে হল ৪৬ শতাংশ। আর তাতে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের সঙ্গে ফারাক বেড়ে হল ৪০ শতাংশ।

    বেতন কত হবে

    কেন্দ্রের এই ডিএ (DA Hike) বৃদ্ধিতে এক লাফে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের বেতন অনেকটাই বেড়ে যাবে। ধরা যাক, এক জন কর্মী যদি ৩৬,৫০০ টাকা মাসিক বেতন পান তবে ৪২ শতাংশ হারে তাঁর ডিএ প্রাপ্তি হয় ১৫,৩৩০ টাকা। সেটা বেড়ে হবে ১৬,৪২৫ টাকা। অর্থাৎ, মাসিক আয় বাড়বে ১,৪৬০ টাকা। কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী এবং পেনশনভোগীরা নতুন ডিএ বৃদ্ধির ফলে বকেয়ার অংশও আগামী মাসের বেতনের সঙ্গে পেয়ে যাবেন বলে জানা গিয়েছে। 

    আরও পড়ুন: ‘দুয়ারে রেশন’ প্রকল্পে চালের মধ্যে পোকা! তুমুল বিক্ষোভ, প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

    কীভাবে বাড়ল ডিএ

    ডিএ (DA Hike) কেন্দ্রীয় সরকারী কর্মচারীদের মূল বেতনের একটি অংশ হিসাবে গণনা করা হয়। কেন্দ্রীয় সরকার মহার্ঘ ভাতা বৃদ্ধি করে বাজারদরের উপরে। এর জন্য সরকারের শ্রম মন্ত্রকের অধীনস্থ সংস্থা শ্রম ব্যুরো অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের পাইকারি মূল্যের হিসাব করে জিনিসপত্রের বর্ধিত বাজারদর ঠিক করে। তার উপরেই নির্ভর করে কতটা ডিএ বাড়ানো হবে। সরকারের সিদ্ধান্তের ফলে প্রায় ৪৭ লাখ সরকারি কর্মচারী এবং ৬৮ লাখ পেনশনভোগী উপকৃত হবেন।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Israel Hamas war: ইজরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছে লেবাননও, চিন্তায় ভারত, কেন জানেন?

    Israel Hamas war: ইজরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছে লেবাননও, চিন্তায় ভারত, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দশ দিনেরও বেশি সময় ধরে চলছে ইজরায়েল-হামাস যুদ্ধ (Israel Hamas war)। এই যুদ্ধের সূচনা করেছিল প্যালেস্তাইনের গাজা ভূখণ্ডের হামাসরা। ইহুদিদের দেশ ইজরায়েলকে শিক্ষা দিতেই হামলা চালায় মুসলিম জঙ্গি গোষ্ঠী হামাস। এই যুদ্ধে ইতিমধ্যেই নিহত হয়েছেন কয়েক হাজার মানুষ। হামাসের হাতে পণবন্দি ২০০ জন ইজরায়েলি নাগরিক।

    হামাসকে সঙ্গত লেবাননের হেজবুল্লার

    এমতাবস্থায় হামাসের পাশে দাঁড়িয়েছে মুসলমানের দেশ সিরিয়া ও লেবাননও। হামাসকে সঙ্গত দিচ্ছে লেবাননের হেজবুল্লা নামে এক জঙ্গি সংগঠন। প্রত্যাশিতভাবেই হামাসের পাশাপাশি সিরিয়া ও হেজবুল্লা-বধে নেমেছে ইজরায়েল। এতেই চিন্তা বাড়ছে ভারতের। কারণ এই মুহূর্তে ইজরায়েল-লেবানন সীমান্তে মোতায়েন রয়েছেন ৯০০ ভারতীয় জওয়ান।

    ব্লু লাইনে’ মোতায়েন ভারতীয় সেনা

    এই জওয়ানরা রাষ্ট্রসংঘের অন্তর্বর্তী বাহিনীর সদস্য হিসেবে ইজরায়েল-লেবানন (Israel Hamas war) সীমান্ত এলাকায় ‘ব্লু লাইনে’ মোতায়েন রয়েছেন। ইজরায়েল-সিরিয়া সীমান্ত এলাকায়ও রাষ্ট্রসংঘের অন্তর্বর্তী বাহিনীর সদস্য হিসেবে মোতায়েন রয়েছেন ২০০ ভারতীয় সেনা। ভারতীয় সেনা মোতায়েনের প্রধান উদ্দেশ্যই হল ইজরায়েল ও লেবাননের মধ্যে শান্তি বজায় রাখা। বর্তমানে এই অঞ্চলে বিশ্বের ৪৮টি দেশের ১০ হাজারেরও বেশি শান্তিরক্ষী বাহিনী মোতায়েন রয়েছে। এই ৪৮টি দেশের মধ্যে রয়েছে ভারতও।

    আরও পড়ুুন: মিসাইল হামলায় উড়ল গাজার হাসপাতাল, হত অন্তত ৫০০, কাঠগড়ায় প্যালেস্তাইন

    সিরিয়া এবং লেবানন ইজরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ায় চিন্তা বাড়ছে ভারতের। কারণ সীমান্তে টহলদারি চালাতে গিয়ে হামলার মুখোমুখি হতে হতে পারে ভারতীয় সেনাকে। তাই বোমাবর্ষণের ঘটনায় হতাহতের ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা প্রতিরক্ষামন্ত্রকের।

    ইজরায়েল-হামাস যুদ্ধে (Israel Hamas war) ইজরায়েলের পক্ষ নিয়েছে ভারত। স্বাভাবিকভাবেই ভারতীয় সেনা লক্ষ্য হতে পারে সিরিয়া এবং লেবাননের জঙ্গিদের। বিশেষত সেই কারণেই সিঁদুরে মেঘ দেখছে ওয়াকিবহাল মহল। এই যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে পারে ইরানও। কারণ ইরান ইতিমধ্যেই হুমকি দিয়েছে, প্যালেস্তাইনে যা হচ্ছে, তার দায় নিতে হবে ইজরায়েলকে। আমেরিকা ইজরায়েলের পাশে থাকলেও, গাজায় স্থলে পথে হামলার চিন্তা ইজরায়েলকে ছাড়তে হবে বলেও সতর্ক করেছে বাইডেন প্রশাসন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
  • Indian Weddings: ২৩ দিনে ৩৫ লক্ষ বিয়ে! নয়া নজির ভারতে, ৪ লক্ষ ২৫ হাজার কোটি টাকার লেনদেন

    Indian Weddings: ২৩ দিনে ৩৫ লক্ষ বিয়ে! নয়া নজির ভারতে, ৪ লক্ষ ২৫ হাজার কোটি টাকার লেনদেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয়দের কাছে বিয়ে (Indian Weddings) মানে শুধু সম্পর্কের বন্ধন নয়, সাত পাকে বাঁধার স্মরণীয় উদযাপন। ভারতীয় বিয়ে মানেই যার যতটা সাধ্য সেই অনুযায়ী ততটা জাঁকজমক, পেটভরে খাওয়ানো। তাই বিবাহ যাপনের ক্ষেত্রে ভারত নয়া নজির গড়তে চলেছে। চলতি বছর আগামী ২৩ নভেম্বর থেকে ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে ৩৫লক্ষ বিয়ে হতে চলেছে দেশে। সিএআইটি-র সমীক্ষা বলছে, এই বিয়ের অনুষ্ঠানগুলিতে মোট ৪ লক্ষ ২৫ হাজার কোটি টাকার লেনদেন হবে। যার সুফল পাবে ভারতীয় অর্থনীতি। 

    বিয়ের মরশুম শুরু ২৩ নভেম্বর থেকে

    দুর্গা পুজো, কালী পুজোর পরই আগামী ২৩ নভেম্বর থেকেই শুরু হয়ে যাচ্ছে বিয়ের (Indian Weddings) পালা। চলবে ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত। এই ২৩ দিন ধরে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে প্রায় ৩৫ লক্ষটি বিবাহ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। আর এই এতগুলো বিয়ের অনুষ্ঠানের সঙ্গে মোট ৪.২৫ লক্ষ কোটি টাকার লেনদেন জড়িয়ে রয়েছে। বিয়ের জামা-কাপড়, গয়না, ডেকোরেশন, বাড়ি ভাড়া, ক্যাটারিং থেকে শুরু করে বিভিন্ন খরচ থেকে থাকে এই সময়। তাই একটি বিয়েকে কেন্দ্র করে টাকার হাতবদল হয় অনেকবার। ফলে অনেকেই বিয়ের মরশুমের অপেক্ষায় থাকেন। আর এই মরশুমই বর্তমানে রোজগারের পথ খুলে দেয় ওয়েডিং ফটোগ্রাফার ও মেকআপ আর্টিস্টদের। 

    কী বলছে নয়া সমীক্ষা

    বিয়ে (Indian Weddings) নিয়ে একটি সমীক্ষা চালিয়েছে সিএআইটি রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেড ডেভেলপমেন্ট সোসাইট (Research and Trade)। সমীক্ষার শেষে জানা গিয়েছে ৫০ হাজারটি বিয়েবাড়ি এরকম হবে যেখানে প্রত্যেকটি বিয়েতে ১ কোটি বা তার বেশি খরচ হতে পারে। আর ৫০ হাজার বিয়েবাড়ি এরকম হতে পারে যেখানে এক একটি বিয়েবাড়িতে খরচ হবে ৫০ লক্ষ টাকা করে। ৬ লক্ষ বিয়েতে খরচ হতে পারে ২৫ লক্ষের কাছাকাছি। দিল্লি, কলকাতা, মুম্বইয়ের মত শহরে দেশের উচ্চবিত্তদের বিয়ের অনুষ্ঠান এখন কর্পোরেট ইভেন্টকে টেক্কা দিচ্ছে। তবে এটাও ঠিক বর্তমান বাজারে সব কিছুর এতই অগ্নিমূল্য যে মধ্যবিত্ত-নিম্নবিত্তদের বিয়ের অনুষ্ঠান করা বেশ চাপের ব্যাপার হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

    আরও পড়ুন: চতুর্থীতে হালকা বৃষ্টির পূর্বাভাস! নবমীতে কি ভাসবে কলকাতা?

     সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, গড়ে বিয়ের (Indian Weddings) মোট খরচের কুড়ি শতাংশ যায় বর-কনের পিছনে। বাকি আশি শতাংশই খরচ হয় অনুষ্ঠান আয়োজনে। সবচেয়ে বেশি খরচ করা হয় বাড়ি সারাই করতে। তার পর আসে গয়না, পোশাক ও খাওয়াদাওয়ার মতো বিষয়গুলি। আগে প্রচলন না থাকলেও ক্রমেই ‘ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট’ বা অনুষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা সামলানোর সংস্থার প্রচলন বাড়ছে বলে জানানো হয়েছে সমীক্ষায়।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “গ্রিন প্ল্যানেটের জন্য ব্লু ইকনমিকের দিকে যাচ্ছি”, মেরিটাইম সামিটে বললেন মোদি

    PM Modi: “গ্রিন প্ল্যানেটের জন্য ব্লু ইকনমিকের দিকে যাচ্ছি”, মেরিটাইম সামিটে বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের সঙ্গে অংশীদারিত্ব করার সুযোগ পেতে চলেছেন বিনিয়োগকারীরা। মঙ্গলবার এ কথা জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এদিন মুম্বইয়ে হয়ে গেল গ্লোবাল মেরিটাইম ইন্ডিয়া সামিট ২০২৩। ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠানটিতে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানেই তিনি জানান, ভারত, মধ্যপ্রাচ্য এবং ইউরোপের মধ্যে যে অর্থনৈতিক করিডর (IMEEC) গড়ে উঠতে চলেছে, তার মাধ্যমেই বিনিয়োগকারীরা চাইলে দেশের সঙ্গে অংশীদারিত্ব করতে পারবেন। তিনি জানান, সম্প্রতি ভারতে হয়ে যাওয়া জি২০ শীর্ষ সম্মেলনে এই করিডর তৈরির সিদ্ধান্ত হয়। এই করিডর তৈরি করতে প্রধান উদ্যোগ নিয়েছিল ভারতই।

    ‘ভারতের অগ্রগতির যাত্রার অংশীদার হোন’

    অনুষ্ঠানে ভাষণ দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “খুব কম দেশই উন্নয়ন, জনসংখ্যা, গণতন্ত্র ও চাহিদার আশীর্বাদ পেয়েছে। বিশ্বের বিনিয়োগকারীরা ভারতের অগ্রগতির যাত্রার অংশীদার হোন।” তিনি বলেন, “ইতিহাস বলছে, যখনই ভারতের সামুদ্রিক ক্ষমতা শক্তিশালী হয়েছে, তখনই দেশ ও বিশ্ব এর থেকে উপকৃত হয়েছে। তাই আমার সরকার গত ৯-১০ বছরে সামুদ্রিক ক্ষেত্রকে শক্তিশালী করার জন্য কাজ করছে। তার জেরে সামুদ্রিক বাণিজ্যের প্রবল উন্নতি হয়েছে। দেশের একাধিক বন্দরের ধারণ ক্ষমতা এক লপ্তে অনেকখানি বৃদ্ধি করা হয়েছে। বলতে পারেন দ্বিগুণ করা হয়েছে। ২০১৪ সালের তুলনায় বর্তমানে এই বন্দর বাণিজ্যের প্রভূত উন্নতি হয়েছে। বন্দরের সঙ্গে যোগাযোগ বৃদ্ধির জন্য নয়া রাস্তা তৈরি করা হয়েছে।”

    গ্রিন প্ল্যানেটের জন্য ব্লু ইকনমিকের দিকে যাচ্ছি

    এদিন প্রধানমন্ত্রী ‘সাগরমালা’ প্রকল্পেরও উল্লেখ করেন। উল্লেখ করেন সামুদ্রিক পরিকাঠামো বৃদ্ধির। এর জেরে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পেয়েছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “ভারত এখন বিশ্বের প্রথম পাঁচটি জাহাজ তৈরির দেশের মধ্যে পড়ছে। আমাদের মন্ত্র হল ভারতে তৈরি করো। গোটা সামুদ্রিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে সব অংশীদারিত্বকে এক ছাতার তলায় এনে কাজ করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। আমরা গ্রিন প্ল্যানেটের জন্য ব্লু ইকনমিকের দিকে যাচ্ছি।”

    আরও পড়ুুন: ইজরায়েলি রকেট হানায় খতম হামাসের শীর্ষ জঙ্গি আয়মান নোফার

    এদিনের অনুষ্ঠান থেকে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) ১৮ হাজার ৮০০ কোটি টাকারও বেশি মূল্যের বন্দর-সম্পর্কিত একাধিক প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। গুজরাটের দীনদয়াল বন্দর কর্তৃপক্ষের ৪ হাজার ৫৩৯ কোটি টাকার টুনা টেকরা অল ওয়েদার ডিপ ড্রাফট টার্মিনালের ভিত্তিপ্রস্তরও স্থাপন করেন তিনি। আইএমইইসিকে সহায়তা দিতেই এই প্রকল্প তৈরি হচ্ছে।   

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Wholesale Inflation: সুখবর কেন্দ্রের! টানা ছ’মাস শূন্যের নিচে দেশের পাইকারি মুদ্রাস্ফীতির হার

    Wholesale Inflation: সুখবর কেন্দ্রের! টানা ছ’মাস শূন্যের নিচে দেশের পাইকারি মুদ্রাস্ফীতির হার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টানা ছ’মাস শূন্যের নিচে পাইকারি মুদ্রাস্ফীতির (Wholesale Inflation) হার। গত সপ্তাহেই দেশের খুচরো মুদ্রাস্ফীতি রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার সহনশীল মাত্রার নিচে নেমে গিয়েছিল। এবার পাইকারি মুদ্রাস্ফীতির রিপোর্টেও দেখা গেল টানা ছ’মাস শূন্যের নিচে রয়েছে পাইকারি মুদ্রাস্ফীতির হার। সোমবারই প্রকাশিত হয়েছে এ সংক্রান্ত রিপোর্টটি। সেখানে দেখা গিয়েছে, সেপ্টেম্বরে পাইকারি মুদ্রাস্ফীতির হার ছিল -০.২৬ শতাংশ। 

    পাইকারি মুদ্রাস্ফীতির হার

    টানা ছ’মাস পাইকারি মুদ্রাস্ফীতি (Wholesale Inflation) শূন্যের নিচে থাকলেও, গত কয়েক মাসে অবশ্য এই হার বেড়েছে। যেমন, অগাস্টে যেখানে পাইকারি মুদ্রাস্ফীতির হার ছিল -০.৫২ শতাংশ। তার আগের মাসে অর্থাৎ, জুলাইতে এই হার ছিল -১.৩৬ শতাংশ। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রকের মতে, গত বছরের একই মাসের তুলনায় রাসায়নিক ও রাসায়নিক পণ্য, খনিজ তেল, টেক্সটাইল, মৌলিক ধাতু ও খাদ্য পণ্যের দাম কমে যাওয়ার কারণে ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে মুদ্রাস্ফীতির পরিমাণও কমেছে। প্রসঙ্গত, গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে দেশে পাইকারি মুদ্রাস্ফীতির হার ছিল ১০.৫৫ শতাংশ।

    রেপো রেট বাড়ায় আরবিআই

    মনে রাখতে হবে, জিনিসপত্রের দাম বৃদ্ধি পেলে বাড়ে মুদ্রাস্ফীতির হারও। এমতাবস্থায় পকেটে টান পড়ে আমজনতার। বিপাকে পড়েন ঋণগ্রহীতারা। কারণ মুদ্রাস্ফীতির হার বৃদ্ধি পেলে আরবিআই রেপো রেটও বাড়ায়। তাই ঋণগ্রহীতাকে সুদ গুণতে হয় বেশি। আবার অন্যদিকে, লগ্নি টানতে ব্যাঙ্ক গ্রাহককে বিভিন্ন সঞ্চয়ে বেশি হারে সুদের প্রস্তাব দেয়। তাতে আমজনতার লাভ হয় বৈকি!

    আরও পড়ুুন: মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে এফআইআর করার কথা কেন বললেন শুভেন্দু?

    যেহেতু সেপ্টেম্বরে সবজির দাম কমেছে, তাই এ মাসে খুচরো মুদ্রাস্ফীতিও নেমে এসেছে ৩.৩৯ শতাংশে। অথচ অগাস্ট মাসে সবজির দাম বেশি থাকায় ওই মাসে মুদ্রাস্ফীতির হার ছিল ২৬.১৪ শতাংশ। গত মাসে শস্যের মুদ্রাস্ফীতির হার ১০.৯৫ শতাংশ। জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতেও এ মাসে মুদ্রাস্ফীতি -০.১১ শতাংশ কমেছে। কমেছে খাদ্য মুদ্রাস্ফীতিও। ৫.৬২ শতাংশ থেকে এই মুদ্রাস্ফীতির হার কমে হয়েছে ১.৫৪ শতাংশ। জুলাই মাসে খুচরো মুদ্রাস্ফীতির হার ছিল ৭.৪৪ শতাংশ। অগাস্টে তা হয়েছিল ৬.৮৩ শতাংশ। সেপ্টেম্বর মাসে খুচরো মুদ্রাস্ফীতির হার ছিল ৫.২ শতাংশ। এটাই ছিল তিন মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share