Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Operation Sindoor: ‘‘জঙ্গি-দমনই লক্ষ্য, সাধারণ মানুষ নয়’’! রাত ১টায় কেন অপারেশন সিঁদুর, জানালেন সিডিএস অনিল চৌহান

    Operation Sindoor: ‘‘জঙ্গি-দমনই লক্ষ্য, সাধারণ মানুষ নয়’’! রাত ১টায় কেন অপারেশন সিঁদুর, জানালেন সিডিএস অনিল চৌহান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাধারণ নাগরিকদের ক্ষতি এড়ানোর জন্যই রাত ১টা থেকে দেড়টার মধ্যে ‘অপারেশন সিঁদুর’ (Operation Sindoor) চালান হয়। বৃহস্পতিবার এক অনুষ্ঠানে এমনই দাবি করলেন ভারতের সেনা সর্বাধিনায়ক (CDS Anil Chauhan) অনিল চৌহান। এদিন নয়াদিল্লির রাজভবনে এক আলাপচারিতায় অনিলের কথায় উঠে এসেছে ‘সিঁদুর’ অভিযানের সাফল্য এবং ভারতীয় সেনাবাহিনীর দক্ষতার প্রসঙ্গ।

    রাতেও আমরা ছবি তুলতে পারব

    পহেলগাঁও হামলার জবাবে গত ৭ মে পাকিস্তান ও পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরে অপারেশন সিঁদুর চালিয়েছিল ভারতীয় সেনাবাহিনী। রাত ১টায় পাকিস্তান ও পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরের একাধিক জঙ্গিঘাঁটিতে অপারেশন চালানো হয়। অনেকের মনেই প্রশ্ন আছে যে রাত ১টাতেই কেন এই অপারেশন চালানো হয়েছিল? তার উত্তর দিলেন ভারতের প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রধান জেনারেল অনিল চৌহান। তিনি জানিয়েছেন যে ভারত ইচ্ছাকৃতভাবেই ৭ মে রাত ১টায় অপারেশন সিঁদুর চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। লক্ষ্য ছিল পাকিস্তানের সাধারণ মানুষের হতাহতের ঘটনা রোখা। ভারতের সেনা সর্বাধিনায়ক জানান, মধ্যরাতে অভিযান করার নেপথ্যে ছিল দু’টি কারণ। তাঁর কথায়, ‘‘প্রথমত, রাতেও আমরা ছবি তুলতে পারব, আমাদের সেই ক্ষমতার উপর আত্মবিশ্বাসী ছিলাম। আর দ্বিতীয়ত, সাধারণ নাগরিকদের ক্ষতি এড়ানোই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ছিল আমাদের কাছে।’’

    নিরীহ মানুষের উপর আঘাত হানতে চায়নি ভারত

    অনিল জানান, ভোর সাড়ে ৫টা থেকে ৬টার মধ্যে অভিযান চালানোর ক্ষেত্রে উপযুক্ত সময় ছিল। তার পরেও মধ্যরাতে অভিযান চালানোর জন্য বেছে নেওয়া হয়েছিল। কেন সকালে অভিযান করা হয়নি? অনিলের কথায়, ‘‘ওটা নমাজের সময়। অনেক সাধারণ মানুষ জড়ো হন ওই সময়ে। তাই চিন্তাভাবনা করে ভোরের সময় বাতিল করা হয়।’’ অর্থাৎ, ভোরবেলা অভিযান চালালে সাধারণ মানুষের হতাহতের সম্ভাবনা থাকত বেশি। ‘অপারেশন সিঁদুর’-এ পাকিস্তান এবং পাক-অধিকৃত কাশ্মীরের ন’টি জঙ্গি পরিকাঠামোয় আঘাত হেনেছিল ভারতীয় সেনা। এর মধ্যে ছিল মুজফ্‌ফরাবাদ, কোটলি, বহওয়ালপুর, রাওয়ালকোট, চক্‌সওয়ারি, ভিম্বার, নীলম উপত্যকা, ঝিলম এবং চকওয়াল। ছোড়া হয় মোট ২৪টি ক্ষেপণাস্ত্র। রাত ১টা বেজে পাঁচ মিনিটে শুরু হওয়া এই অভিযানের সময়সীমা ছিল ২৫ মিনিট। লশকর-এ-ত্যায়বা ও জইশ-ই-মহম্মদের প্রশিক্ষণকেন্দ্রগুলিই ছিল ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর লক্ষ্য। ভারতের দাবি, জঙ্গিদমন করতেই তাদের এই অভিযান। তাই নিরীহ মানুষের উপর আঘাত হানতে চায়নি ভারত।

    যুদ্ধের পরিবর্তিত চরিত্র

    ভারতীয় বাহিনীর সামরিক প্রধান শুক্রবার ঝাড়খণ্ডের রাঁচিতে স্কুল শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দিচ্ছিলেন। যেখানে তিনি সামরিক ও অসামরিক মিশনের জন্য সেনাবাহিনীর প্রশংসা করেন। তিনি জানান, যুদ্ধের পরিবর্তিত চরিত্র এখন প্রযুক্তির দ্বারা বেশি চালিত হয়। যুদ্ধক্ষেত্র আর শুধু স্থল, বায়ু এবং সমুদ্রের মতো ক্ষেত্রগুলিতে সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি মহাকাশ, সাইবার, ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক স্পেকট্রাম এবং এমনকি নলেজ ডোমেনেও প্রসারিত হয়েছে। সাম্প্রতিক অপারেশনগুলিতে এই পরিবর্তন স্পষ্ট ছিল বলে জানিয়েছেন জেনারেল অনিল চৌহান।

  • Election Commission of India: ৫৯৯৪টা আবেদন ভুয়ো! রাহুলের অভিযোগ নিয়ে কী বলল কমিশন?

    Election Commission of India: ৫৯৯৪টা আবেদন ভুয়ো! রাহুলের অভিযোগ নিয়ে কী বলল কমিশন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া সংক্রান্ত রাহুল গান্ধীর অভিযোগ খারিজ করে দিল নির্বাচন কমিশন (Election Commission of India)। বৃহস্পতিবার রাতের দিকে একটি বিবৃতি দিয়ে কমিশন জানিয়েছে, কর্নাটকের অলন্দ বিধানসভা এলাকায় ভোটার তালিকা থেকে নাম কেটে দেওয়ার জন্য ২০২২ সালের ডিসেম্বরে অনলাইনে প্রায় ৬০১৮টা আবেদন জমা পড়েছিল। এত বেশি সংখ্যক আবেদন সন্দেহজনক মনে হওয়ায়, প্রতিটা আবেদন খুঁটিয়ে দেখে কমিশন। দেখা যায় মাত্র ২৪টা আবেদন সঠিক। ৫৯৯৪টা আবেদন ভুয়ো। তাই শুধু ওই ২৪টা গ্রহণ করে বাকি আবেদন বাতিল করে দেওয়া হয় বলে জানিয়েছে কমিশন।

    কী বলল নির্বাচন কমিশন

    রাহুলের অভিযোগকে ‘ভুল এবং ভিত্তিহীন’ বলে দাবি করেছে কর্নাটক তথা জাতীয় নির্বাচন কমিশন (Election Commission of India)। বৃহস্পতিবার একটি সাংবাদিক বৈঠক করে রাহুল অভিযোগ করেছিলেন, নির্দিষ্ট সফ্‌টঅয়্যারের মাধ্যমে নকল আবেদন করে ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, “অলন্দ কর্নাটকের একটি লোকসভা কেন্দ্র। কেউ কেউ ৬০১৮টি ভোট মুছে ফেলার চেষ্টা করেছেন। আমরা জানি না ২০২৩ সালের ভোটে (কর্নাটকের বিধানসভা নির্বাচন) ঠিক কত জনের নাম বাদ গিয়েছে। কিন্তু সংখ্যাটা অবশ্যই ৬০১৮-র বেশি হবে।” কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, অনলাইনে কেউ কোনও ভোটারের নাম বাদ দিতে পারেন না। কারও নাম বাদ দেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য শোনা হয় বলেও জানিয়েছে কমিশন।

    এফআইআর দায়ের করে এর তদন্তে নামে কমিশন

    রাহুল অভিযোগ করেছিলেন, ‘ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া’ সংক্রান্ত বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে কর্নাটকের সিআইডি কমিশনকে ১৮ বার চিঠি দিয়েছিল। কিন্তু উল্টো দিক থেকে কোনও উত্তর মেলেনি বলে দাবি করছিলেন রাহুল। কমিশন অবশ্য জানিয়েছে, তাদের নির্দেশে কর্নাটকের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক পুলিশকে সব তথ্য দেন। কর্নাটকের একটি বিধানসভা কেন্দ্রের নামোল্লেখ করে কমিশন (Election Commission of India) জানিয়েছে, সেখানে ২০২৩ সালে ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার চেষ্টা হয়। কিন্তু সেই চেষ্টা ফলপ্রসূ হয়নি। সেই সময় একটি এফআইআর দায়ের করে এর তদন্তে নামে কমিশন।

  • Adani Group Companies: কোনও প্রতারণা হয়নি, হিন্ডেনবার্গের অভিযোগ উড়িয়ে সেবির ক্লিনচিট আদানিকে

    Adani Group Companies: কোনও প্রতারণা হয়নি, হিন্ডেনবার্গের অভিযোগ উড়িয়ে সেবির ক্লিনচিট আদানিকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গৌতম আদানি গোষ্ঠীর (Adani Group) বিরুদ্ধে মার্কিন শেয়ার বিশ্লেষক সংস্থা হিন্ডেনবার্গ রিসার্চের (Hindenburg Research) তোলা অভিযোগ একেবারেই ভিত্তিহীন বলে জানাল সেবি (SEBI)। ভারতের বাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা জানিয়েছে আদানি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে অভিযোগের কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি। মে মাসের শেষে ক্লিনচিট পেয়েছিলেন সেবির প্রাক্তন চেয়ারম্যান মাধবী পুরী বুচ। এবার ক্লিনচিট পেয়ে গেলেন আদানি।

    সেবির ছাড়পত্র

    ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে হিন্ডেনবার্গ দাবি করেছিল, আদানি গোষ্ঠী তার তিনটি সংস্থা, আদিকর্প এন্টারপ্রাইজেস, মাইলস্টোন ট্রেডলিঙ্কস ও রেহভার ইনফ্রাস্ট্রাকচার ব্যবহার করে গোষ্ঠীর বিভিন্ন কোম্পানির মধ্যে টাকা স্থানান্তর করেছে। প্রসঙ্গত, মাধবী পুরী বুচ ও তাঁর স্বামী ধবল বুচের বিনিয়োগ ছিল মরিশাসের আইপিই প্লাস ফান্ড ও বারমুডার গ্লোবাল ডায়নামিক অপরচুনিটি ফান্ডে। এই দুই সংস্থার সঙ্গেই আদানির যোগ রয়েছে অভিযোগ তুলেছিল হিন্ডেনবার্গ রিসার্চ। আদানি গোষ্ঠীর সঙ্গে সেবির নাম জড়ানোর পর মাধবী পুরী বুচের বদলে সেবির নয়া চেয়ারম্যান হন তুহিন কান্ত পান্ডে। গত ১ মার্চ থেকে তিনি এই পদে। এবার তাঁর পদে থাকাকালীনই আদানির বিরুদ্ধে থাকা হিন্ডেনবার্গের সব অভিযোগ মিথ্যে বলে খারিজ করে দিল সেবি। বৃহস্পতিবার সেবি দু’টি পৃথক আদেশে জানায়, তদন্তে এমন কোনও অনিয়মের প্রমাণ মেলেনি। সেবির ব্যাখ্যা, ওই সময় যে ধরনের লেনদেন হয়েছিল, তা তখনকার নিয়মে ‘রিলেটেড পার্টি ট্রানজ্যাকশন’-এর আওতায় পড়ত না। নিয়ম পরিবর্তন হয় ২০২১ সালে। উপরন্তু, সব ঋণ ফেরত দেওয়া হয়েছে, তহবিল ব্যবহার করা হয়েছে নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যেই এবং কোথাও প্রতারণা বা বেআইনি লেনদেন হয়নি। তাই আদানি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে সমস্ত প্রক্রিয়া বন্ধ করা হয়েছে।

    রাজনৈতিক ও আর্থিক চক্রান্ত

    হিন্ডেনবার্গের রিপোর্টের ফলে বড়সড় আর্থিক ক্ষতির মুখোমুখি হয়েছিল আদানি গোষ্ঠী। প্রায় ১৩ লক্ষ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছিল। প্রথম থেকেই আদানিরা এই অভিযোগগুলিকে ভিত্তিহীন বলে দাবি করে আসছিলেন। এই সংক্রান্ত মামলায় সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে একটি বিশেষজ্ঞদের প্যানেল গঠিত হয়। আদানি সম্পর্কে তাদের অনুসন্ধানের ফলাফলও ছিল সেবি-র অনুরূপ। ওই প্যানেলও তেমন কোনও অনিয়মের প্রমাণ খুঁজে পায়নি। বৃহস্পতিবার সেবি ক্লিনচিট দেওয়ার পর গৌতম আদানি সমাজমাধ্যমে লিখেছেন, ‘‘আমরা সবসময় বলে এসেছি, হিন্ডেনবার্গের দাবি ভিত্তিহীন। এত দিনের তদন্তের পর সেবি-ও সেটাই বলল। স্বচ্ছতা এবং সততাই আদানি গোষ্ঠীর সম্পদ। এই ভুয়ো রিপোর্টটির জন্য যাঁদের ক্ষতি হয়েছে, যাঁরা টাকা হারিয়েছেন, আমরা তাঁদের জন্য গভীর ভাবে দুঃখিত। যাঁরা এ ভাবে ভুয়ো খবর ছড়ান, দেশের কাছে তাঁদের ক্ষমা চাওয়া উচিত। ভারতের জনগণের প্রতি আমরা সর্বদা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সত্যমেব জয়তে! জয় হিন্দ!’’

  • Indian Goods: ভারতীয় পণ্যের ওপর আরোপিত শাস্তিমূলক শুল্ক প্রত্যাহারের পথে ট্রাম্প?

    Indian Goods: ভারতীয় পণ্যের ওপর আরোপিত শাস্তিমূলক শুল্ক প্রত্যাহারের পথে ট্রাম্প?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেষমেশ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির অটল জেদের কাছেই হার মানতে চলেছেন মার্কিন (US) প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প! অন্তত ভারতের প্রধান অর্থনৈতিক উপদেষ্টা ভি আনন্দ নাগেশ্বরনের বলা কথায় মিলল তারই ইঙ্গিত। বৃহস্পতিবার তিনি জানান, তিনি আশা করছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র শীঘ্রই ভারতীয় পণ্যের (Indian Goods) ওপর আরোপিত শাস্তিমূলক শুল্ক প্রত্যাহার করবে এবং আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই পারস্পরিক শুল্ক কমাবে। নাগেশ্বরনের বক্তব্যে আশার আলো দেখছেন চড়া শুল্কের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া রফতানিকারীরা।

    ভারতের প্রধান অর্থনৈতিক উপদেষ্টার বক্তব্য (Indian Goods)

    নয়াদিল্লির এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে নাগেশ্বরন জানান, অগাস্ট মাসে ওয়াশিংটন যে ২৫ শতাংশ শাস্তিমূলক শুল্ক আরোপ করেছিল, তা নভেম্বরের শেষের দিকেই প্রত্যাহার করা হতে পারে। তিনি বলেন, “আমার দৃঢ় বিশ্বাস ৩০ নভেম্বরের পর এই শাস্তিমূলক শুল্ক আর থাকবে না। এটি কোনও সুস্পষ্ট সূচক বা প্রমাণের ভিত্তিতে আমি বলছি না, সাম্প্রতিক ঘটনাবলির প্রেক্ষিতে এটি আমার আশা। আমি বিশ্বাস করি, আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই শাস্তিমূলক শুল্ক নিয়ে একটি সমাধান হবে এবং আশা করি পাল্টা শুল্ক সম্পর্কেও সমাধান হবে।”

    প্রধান অর্থনৈতিক উপদেষ্টার ইঙ্গিত

    প্রধান অর্থনৈতিক উপদেষ্টার ইঙ্গিত, পারস্পরিক শুল্ক, যা বর্তমানে ২৫ শতাংশ রয়েছে, তা কমিয়ে ১০ থেকে ১৫ শতাংশের মধ্যে আনা হতে পারে। তিনি জানান, সামগ্রিক শুল্কবিষয়ক বিরোধের সমাধান হতে পারে আগামী ৮–১০ সপ্তাহের মধ্যেই। তিনি অবশ্য এও জানিয়ে দেন, এটি তার ব্যক্তিগত মূল্যায়ন, কোনও আনুষ্ঠানিক নিশ্চয়তার ভিত্তিতে নয় (Indian Goods)। প্রসঙ্গত, নাগেশ্বরনের এই মন্তব্য এসেছে এমন একটা সময়, যার কয়েক দিন আগেই ভারতের প্রধান বাণিজ্য আলোচক, বাণিজ্য মন্ত্রকের বিশেষ সচিব রাজেশ আগরওয়াল নয়াদিল্লিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়ার বাণিজ্য প্রতিনিধি ব্রেন্ডান লিঞ্চের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন। এটি ছিল ভারত ও আমেরিকার প্রথম মুখোমুখি বৈঠক, যেহেতু ট্রাম্প প্রশাসন গত মাসে ভারতীয় রফতানি পণ্যের ওপর অতিরিক্ত চড়া শুল্ক হার ঘোষণা করেছিল। কারণ হিসেবে ৪৭তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট (US) ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ চলাকালীনই মস্কো থেকে জ্বালানি বাণিজ্য অব্যাহত রেখেছে ভারত (Indian Goods)।

  • PM Modi: সুশীলা কার্কির সঙ্গে কথা মোদির, নেপালের পাশে থাকার আশ্বাস ভারতের

    PM Modi: সুশীলা কার্কির সঙ্গে কথা মোদির, নেপালের পাশে থাকার আশ্বাস ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নেপালের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান সুশীলা কার্কির (Sushila Karki) সঙ্গে বৃহস্পতিবার কথা বললেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। প্রধানমন্ত্রীর মতে, এই আলোচনা আন্তরিক এবং গঠনমূলক। ফোনালাপের সময় প্রধানমন্ত্রী নেপালে সাম্প্রতিক মর্মান্তিক প্রাণহানির ঘটনায় গভীর সমবেদনাও জানান। প্রতিবেশী দেশটিতে শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে ভারতের সহযোগিতার আশ্বাসও দেন তিনি। এই চ্যালেঞ্জিং সময়ে নেপালের পাশে থাকার জন্য প্রধানমন্ত্রী ফের একবার সুশীলাকে ভারতের প্রতিশ্রুতির কথা স্মরণ করিয়ে দেন। ১৯ সেপ্টেম্বর নেপালের জাতীয় দিবস উপলক্ষে কার্কি ও নেপালের জনগণকে শুভেচ্ছাও জানান প্রধানমন্ত্রী।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)

    পরে এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লেখেন, “নেপালের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধানমন্ত্রী মিসেস সুশীলা কার্কির সঙ্গে আন্তরিক কথোপকথন হয়েছে। সাম্প্রতিক মর্মান্তিক প্রাণহানির ঘটনায় গভীর সমবেদনা জানিয়েছি এবং শান্তি ও স্থিতিশীলতা পুনঃপ্রতিষ্ঠায় তাঁর প্রচেষ্টায় ভারতের দৃঢ় সমর্থনের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছি। এছাড়া, আগামীকাল নেপালের জাতীয় দিবস উপলক্ষে তাঁকে এবং নেপালের জনগণকে শুভেচ্ছা জানিয়েছি।” প্রসঙ্গত, গত ১৩ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কর্মভার গ্রহণের জন্য কার্কিকে অভিনন্দন জানান এবং তাঁর নিয়োগকে ‘নারী ক্ষমতায়নে’র এক উজ্জ্বল উদাহরণ আখ্যা দেন। মণিপুরের রাজধানী ইম্ফলে এক জনসভায় ভাষণ দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেছিলেন, “ভারত ও নেপাল যৌথ ইতিহাস, বিশ্বাস ও সাংস্কৃতিক বন্ধনে আবদ্ধ ঘনিষ্ঠ বন্ধু এবং পালাবদলের সময় নয়াদিল্লি প্রতিবেশী দেশের মানুষের পাশে দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়েছে।” তিনি বলেছিলেন, “আমি ১৪০ কোটি ভারতীয়ের পক্ষ থেকে কার্কিকে অভিনন্দন জানাতে চাই। আমি নিশ্চিত যে তিনি নেপালে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধির পথ সুগম করবেন (PM Modi)।”

    নেপালের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী

    সুশীলা কার্কি নেপালের সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি। তিনিই প্রথম মহিলা, যিনি নেপালের শীর্ষ আদালতের ওই পদে বসেছিলেন। অন্তর্বর্তী সরকারের নেতৃত্ব দেওয়ায় তিনিই হলেন নেপালের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রীও। প্রধানমন্ত্রী পদে তাঁর নিয়োগের কয়েকদিনের মধ্যেই নেপালে অবসান ঘটেছে রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার। এই অনিশ্চিয়তার সৃষ্টি হয়েছিল সারা দেশে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে হওয়া জেন জেডের আন্দোলনের জেরে, কেপি শর্মা অলি পদত্যাগে বাধ্য হওয়ার পর (Sushila Karki)।

    নেপালের রাষ্ট্রপতি, শীর্ষ সামরিক কর্তারা এবং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী যুব আন্দোলনকারীদের বৈঠকের পর কার্কিকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য মনোনীত করা হয়। রাষ্ট্রপতি রামচন্দ্র পাওডেল বলেন, “অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী কার্কির নেতৃত্বে গঠিত নতুন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছ’মাসের মধ্যে নতুন সংসদীয় নির্বাচনের আয়োজন করবে (PM Modi)।”

  • ECI: রাহুলের ‘ভোট চুরি’ সংক্রান্ত সব অভিযোগ খারিজ জাতীয় নির্বাচন কমিশনের

    ECI: রাহুলের ‘ভোট চুরি’ সংক্রান্ত সব অভিযোগ খারিজ জাতীয় নির্বাচন কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি তথা বর্তমান সাংসদ রাহুল গান্ধীর (Rahul Gandhi) ‘ভোট চুরি’ সংক্রান্ত সব অভিযোগ খারিজ করে দিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন (ECI)। কমিশনের তরফে সাফ জানানো হয়েছে, কোনও সাধারণ মানুষ অনলাইনের মাধ্যমে কোনও ভোট মুছে দিতে পারে না। বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশনের তরফে জারি করা এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “রাহুল গান্ধীর করা অভিযোগগুলি মিথ্যে ও ভিত্তিহীন। কোনও সাধারণ নাগরিক অনলাইনের মাধ্যমে কোনও ভোট মুছে দিতে পারে না, যেমনটি রাহুল গান্ধী মনে করছেন। কোনও ভোট মুছে দেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট ভোটারের বক্তব্য না শুনে তা করা সম্ভব নয় (ECI)।”

    ভিত্তিহীন এবং মিথ্যে (ECI)

    নির্বাচন কমিশন আরও জানিয়েছে, রাহুল গান্ধী কর্তৃক প্রধান নির্বাচন কমিশনার (CEC) জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলিও ভিত্তিহীন এবং মিথ্যে। প্রসঙ্গত, দিন কয়েক আগে কংগ্রেসের সদর দফতরে আয়োজিত এক প্রেস কনফারেন্সে লোকসভার বিরোধী দলনেতা দাবি করেছিলেন, তাঁর কাছে ১০ শতাংশ প্রমাণ আছে যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার ভোট চোরদের রক্ষা করছেন। তিনি বলেন, “একটি গোষ্ঠী সফটওয়্যারের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় পদ্ধতি ব্যবহার করে প্রকৃত ভোটারদের ভুয়ো পরিচয়ে বসিয়ে দিচ্ছে এবং ভোটার তালিকা থেকে তাঁদের নাম মুছে দিচ্ছে।” যদিও নির্বাচন কমিশন জানিয়ে দিয়েছে, ২০২৩ সালে কিছু ভোট মুছে ফেলার জন্য এমন কিছু ‘ব্যর্থ চেষ্টা’ হয়েছিল। কমিশনের নির্দেশে দায়ের করা হয়েছিল অভিযোগও।

    নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য

    নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, “২০২৩ সালে আলন্দ বিধানসভা কেন্দ্রে কিছু ভোটারের নাম মুছে ফেলার ব্যর্থ প্রচেষ্টা হয়েছিল এবং বিষয়টি তদন্তের জন্য নির্বাচন কমিশন কর্তৃপক্ষ নিজেরাই এফআইআর দায়ের করেছিল।” কমিশন আরও জানিয়েছে, কংগ্রেস নেতা বিআর পাটিল ২০২৩ সালে আলন্দ থেকে বিধানসভা নির্বাচনে জিতেছিলেন (ECI)। ২০১৮ সালে ওই কেন্দ্রে জয়ী হয়েছিলেন বিজেপির সুবোধ গুট্টেদার।সম্প্রতি (Rahul Gandhi) এক সাংবাদিক সম্মেলনে রাহুল গান্ধী অভিযোগ করেছিলেন, কর্নাটকের আলন্দ কেন্দ্র থেকে ছ’হাজারেরও বেশি ভোটারের নাম মুছে ফেলার চেষ্টা হয়েছিল। তিনি বলেন, “কর্নাটকের আলন্দে ৬০১৮টি ভোট কেউ মুছে ফেলার চেষ্টা করেছিল। ২০২৩ সালের নির্বাচনে মোট কতগুলো ভোট মুছে ফেলা হয়েছে, আমরা জানি না, কিন্তু একজন ধরা পড়েছে। এটি ধরা পড়েছে, যেমন বেশিরভাগ অপরাধ ধরা পড়ে, কাকতালীয়ভাবে। ঘটনাটি ঘটেছিল এভাবে যে বুথ লেভেল অফিসার লক্ষ্য করেছিলেন যে তাঁর কাকার ভোটও মুছে ফেলা হয়েছে।”

    খুলে পড়ল কংগ্রেসের রাজনীতির মুখোশ

    প্রসঙ্গত, রাহুল গান্ধীর সাম্প্রতিক ‘ভুল’ কংগ্রেসের রাজনীতির মুখোশ খুলে দিয়েছে। তিনি ক্যামেরার সামনে ভোট চুরির যে প্রমাণ দিয়েছিলেন, যা তৈরি হয়েছিল মায়ানমারে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, রাহুল গান্ধী যখনই গণতন্ত্রের কথা বলেন, তখনই তার পেছনে লুকিয়ে থাকে একটি বিদেশি ছায়া। রাহুলের (Rahul Gandhi) তথাকথিত ‘ভোট চুরি’র অভিযোগ যে সর্বৈব মিথ্যে, তা প্রকাশ পেয়েছে মেটাডাটার তদন্তে। তারাই জানিয়েছে, রাহুলের দেওয়া নথিটি ভারতে নয়, তৈরি হয়েছিল মায়ানমারে (ECI)।

  • PM Modi: নিলামে তোলা হচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর পাওয়া ১৩০০-রও বেশি উপহার, বেস প্রাইস কত জানেন?

    PM Modi: নিলামে তোলা হচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর পাওয়া ১৩০০-রও বেশি উপহার, বেস প্রাইস কত জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশ-বিদেশ থেকে ১ হাজার ৩০০-রও বেশি উপহার পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এর মধ্যে রয়েছে দেবী ভবানীর একটি মূর্তি, অযোধ্যার রাম মন্দিরের একটি মডেল এবং ২০২৪ প্যারা-অলিম্পিক গেমস থেকে পাওয়া ক্রীড়া স্মারকও। বুধবার থেকে শুরু হওয়া ই-নিলামে (E Auction) তোলা হয়েছে এগুলিই। এদিনই ছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ৭৫তম জন্মদিন। এদিনই অনলাইনে নিলামের সপ্তম সংস্করণের সূচনা হয়েছে। এই ই-নিলাম চলবে ২ অক্টোবর পর্যন্ত।

    বেস প্রাইস (PM Modi)

    পিএম মেমেন্টোজ ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, দেবী ভবানীর মূর্তিটির বেস প্রাইস ধরা হয়েছে ১ কোটি ০৩ লক্ষ ৯৫ হাজার টাকা, আর রাম মন্দিরের মডেলের বেস প্রাইস ৫.৫ লাখ টাকা। সংস্কৃতি মন্ত্রকের কর্তারা জানান, এই দুটি সামগ্রী-সহ প্যারা-অলিম্পিক পদকজয়ীদের তিন জোড়া জুতো (প্রতিটি জোড়ার বেস-প্রাইস ৭.৭ লাখ টাকা) বেস প্রাইসের দিক থেকে শীর্ষ পাঁচে রয়েছে। ই-নিলামের অন্তর্ভুক্ত অন্যান্য সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে জম্মু ও কাশ্মীরের সূক্ষ্ম সূচিকর্ম করা পশমিনা শাল, রাম দরবারের একটি তাঞ্জোর চিত্রকর্ম, ধাতুর তৈরি নটরাজ মূর্তি, গুজরাটের রঙ্গন আর্টে আঁকা ‘ট্রি অফ লাইফ’ এবং হাতে বোনা নাগা শাল (PM Modi)।

    ‘নমামি গঙ্গে’ প্রকল্প

    উল্লেখ্য, ই-নিলামের প্রথম সংস্করণ অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০১৯ সালের জানুয়ারি মাসে। সংস্কৃতি মন্ত্রকের তরফে জারি করা এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “তারপর থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে উপহার দেওয়া হাজার হাজার অনন্য উপহার নিলামে তোলা হয়েছে, যার মাধ্যমে ৫০ কোটিরও বেশি টাকা সংগ্রহ করা হয়েছে ‘নমামি গঙ্গে’ প্রকল্পের জন্য।” কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি মন্ত্রী গজেন্দ্র সিং সাংবাদিকদের বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর পাওয়া ১,৩০০-রও বেশি উপহার অনলাইনে নিলামে তোলা হবে।” এসব সামগ্রী প্রদর্শিত হচ্ছে ন্যাশনাল গ্যালারি অফ মডার্ন আর্টে। আগের বছরগুলির মতো এবারও ই-নিলাম থেকে প্রাপ্ত সমস্ত অর্থ ব্যয় করা হবে ‘নমামি গঙ্গে’ প্রকল্পে। মন্ত্রকের তরফে বলা হয়েছে, “ই-নিলাম (E Auction) শুধু ইতিহাসের একটি অংশ সংগ্রহের সুযোগই নয়, বরং একটি মহৎ মিশনে অংশগ্রহণের সুযোগও — আমাদের পবিত্র নদী গঙ্গা সংরক্ষণে (PM Modi)।”

  • Saudi Pakistan Defence Pact: ‘‘নিবিড় পর্যালোচনা করা হচ্ছে’’, পাকিস্তান ও সৌদির প্রতিরক্ষা চুক্তি নিয়ে প্রতিক্রিয়া ভারতের

    Saudi Pakistan Defence Pact: ‘‘নিবিড় পর্যালোচনা করা হচ্ছে’’, পাকিস্তান ও সৌদির প্রতিরক্ষা চুক্তি নিয়ে প্রতিক্রিয়া ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি কৌশলগত পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি হয়েছে সৌদি আরবের সঙ্গে পাকিস্তানের (Saudi Pakistan Defence Pact)। এ ব্যাপারে সতর্ক প্রতিক্রিয়া জানাল ভারত। বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানান, সরকার এই চুক্তি সম্পর্কে অবগত। তিনি একে দুই দেশের দীর্ঘদিনের ব্যবস্থার আনুষ্ঠানিক রূপ হিসেবে বর্ণনা করেন। জয়সওয়াল বলেন, “ভারত এই ঘটনার প্রভাব নিবিড়ভাবে পর্যালোচনা করছে, যাতে জাতীয় নিরাপত্তা ছাড়াও আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক স্থিতিশীলতার ওপর এর প্রভাব নির্ধারণ করা যায়।”

    ভারতের প্রতিক্রিয়া (Saudi Pakistan Defence Pact)

    সাংবাদিক বৈঠকে বক্তব্য রাখতে গিয়ে জয়সওয়াল বলেন, “আমরা সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মধ্যে একটি কৌশলগত পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরের প্রতিবেদন দেখেছি। সরকার অবগত ছিল যে এই উন্নয়ন, যা দুই দেশের দীর্ঘস্থায়ী ব্যবস্থাকে আনুষ্ঠানিক রূপ দিচ্ছে, তা বিবেচনার অধীনে ছিল। আমরা এই উন্নয়নের প্রভাব আমাদের জাতীয় নিরাপত্তা, পাশাপাশি আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক স্থিতিশীলতার ওপর কী হতে পারে তা পর্যালোচনা করব।” তিনি বলেন, “সরকার ভারতের জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় এবং সব ক্ষেত্রে সামগ্রিক জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

    কৌশলগত পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি

    প্রসঙ্গত, চুক্তিটি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের রিয়াধ সফরের সময় সৌদি ক্রাউন প্রিন্স মহম্মদ বিন সলমনের সঙ্গে স্বাক্ষরিত হয়েছে (Saudi Pakistan Defence Pact)। এই চুক্তিতে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদার করা এবং যৌথ প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়েছে দুই দেশ। এতে উল্লেখ করা হয়েছে, যে কোনও একটি দেশের বিরুদ্ধে আগ্রাসনকে উভয়ের বিরুদ্ধে আক্রমণ হিসেবে গণ্য করা হবে। এটি দক্ষিণ এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যে যে ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা চলছে, তার প্রেক্ষাপটে ঘনিষ্ঠতর সামরিক সম্পর্কের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

    ওয়াকিবহাল মহলের মতে, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সৌদির যুবরাজের সম্পর্ক খুবই ভালো। তার পরেও তারা পাকিস্তানের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে মূলত দক্ষিণ এশিয়া এবং মধ্যপ্রাচ্যে বদলে যাওয়া রাজনৈতিক পরিবেশের কারণে। এখন দেখার, ভারতের সঙ্গে কেমন আচরণ করে সৌদি আরব (Saudi Pakistan Defence Pact)।

  • Joint military Station: শীঘ্রই তৈরি হবে তিনটি জয়েন্ট মিলিটারি স্টেশন, ফোর্ট উইলিয়ামে যৌথ সেনা সম্মেলনে বড় সিদ্ধান্ত

    Joint military Station: শীঘ্রই তৈরি হবে তিনটি জয়েন্ট মিলিটারি স্টেশন, ফোর্ট উইলিয়ামে যৌথ সেনা সম্মেলনে বড় সিদ্ধান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় সেনার পূর্বাঞ্চলীয় সদর দফতর ফোর্ট উইলিয়ামে যৌথ সেনা সম্মেলনে নেওয়া হল বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত। ভারতীয় সেনার পূর্বাঞ্চলীয় সদর দফতরে কমান্ডারদের সেই সম্মেলন শেষ হয় বুধবার। সেখানেই ঠিক করা হয়েছে এবার তিনটি জয়েন্ট মিলিটারি স্টেশন (Joint military Station) তৈরি করা হবে। একটি হবে দেশের উত্তর অংশে, অন্যটি মধ্য অংশে, আর একটি পূর্ব অংশে। ভারতীয় সেনা সূত্রে খবর, ভারতীয় সেনার সংস্কারের প্রথম ধাপ হিসাবে থিয়েটার কমান্ড তৈরিতেও বিশেষ জোর দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

    থিয়েটার কমান্ড তৈরির পথে দেশ

    সম্প্রতি কলকাতায় এসে ফোর্ট উইলিয়ামে সেনা কমান্ডারদের সম্মেলনের উদ্বোধন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই সম্মেলনেই এবার বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া হল। অপারেশন সিঁদুরে ভারতীয় সেনা এবং ভারতীয় বায়ুসেনার মধ্যে সমন্বয় দেখা গিয়েছিল। জঙ্গি ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দেওয়া থেকে শুরু করে শত্রুপক্ষের হামলা প্রতিহত করার ক্ষেত্রে সেনা এবং বায়ুসেনা একসঙ্গে কাজ করেছিল। এছাড়া নৌসেনার সঙ্গেও সমন্বয় বজায় রেখেছিল বায়ুসেনা। উল্লেখ্য, আমেরিকার মতো যৌথ সামরিক থিয়েটার কমান্ড তৈরির জন্যে মোদি সরকার বেশ কয়েক বছর ধরেই চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এই আবহে চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফের পদ তৈরি করেছিল কেন্দ্রীয় সরকার। তবে ধাপে ধাপে এই থিয়েটার কমান্ড বাস্তবায়নে বেশ কিছুটা সময় লাগছে। এই থিয়েটার কমান্ড তৈরির প্রথম ধাপই হল জয়েন্ট মিলিটারি স্টেশন (Joint military Station)।

    আধুনিক যুদ্ধের উপযোগী প্রযুক্তিনির্ভর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা 

    সেনাবাহিনীর শিক্ষা শাখাগুলির মূল দায়িত্ব হচ্ছে সেনা সদস্যদের শিক্ষার মান উন্নত করা। এদের নিযুক্তি হয়ে থাকে বিভিন্ন সাব-এলাকা (গ্যারিসন), হেডকোয়ার্টার, প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, ইউনিট, সৈনিক স্কুল, সামরিক স্কুল, কলেজ ও সিলেকশন সেন্টারে। যৌথ সামরিক স্টেশন (Joint military Station) হলো নির্দিষ্ট ভূখণ্ডে গঠিত সামরিক এলাকা, যেখানে সৈনিক, সরঞ্জাম এবং তাদের পরিবাররা বসবাস ও প্রশিক্ষণ করে। এই ধরনের যৌথ স্টেশন গঠন সামরিক কার্যক্ষমতার আরও সমন্বয় সাধন করবে বলে মনে করা হচ্ছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক ২০২৫ সালকে ঘোষণা করেছে ‘সংস্কারের বছর’ (Year of Reforms) হিসেবে। ত্রি-সেনা একত্রিকরণ এবং যৌথ কাঠামোর মাধ্যমে একটি সমন্বিত শক্তি গঠন করতে চাইছে ভারত। এর অন্যতম ধাপ হলো ইন্টিগ্রেটেড থিয়েটার কমান্ড (ITCs) -এর গঠন। বর্তমানে ১৭টি আলাদা কমান্ড (সেনা ও বিমান বাহিনীর সাতটি করে, নৌবাহিনীর তিনটি) আলাদাভাবে কাজ করে। ভবিষ্যতে এগুলিকে একত্রিত করে একক থিয়েটার কমান্ডে রূপান্তর করার পরিকল্পনা রয়েছে। যা ভবিষ্যতে যুদ্ধক্ষেত্রে ভারতকে কয়েক ধাপ এগিয়ে রাখবে। এই উদ্যোগ ভারতের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক যুদ্ধের উপযোগী করে গড়ে তুলতে সহায়তা করবে বলে মনে করা হচ্ছে।

    জয়েন্ট মিলিটারি স্টেশন-এর গুরুত্ব

    স্থল সেনা, নৌ সেনা এবং বায়ু সেনাকে একসঙ্গে কাজ করে মোকাবিলা করতে হবে শত্রুদের। সূত্রের খবর, প্রতিরক্ষা মন্ত্রক মূলত এই বিষয়ের উপরেই বেশি করে জোর দিয়েছে। ওয়াকিবহাল মহলের মত, এক জায়গায় থেকে যেকোন অপারেশনের কার্যকলাপ শুরু করলে, তা যেকোনো পরিস্থিতিতে সাফল্য এনে দিতে পারে। সেই কারণেই এই প্রথম ভারতের জয়েন্ট মিলিটারি স্টেশন (Joint military Station) তৈরি করতে চলেছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। একদিকে চিনের আগ্রাসন, অন্যদিকে পাকিস্তান সেনার মদতে ফের জঙ্গি কার্যকলাপ বৃদ্ধি। একইসঙ্গে বাংলাদেশে জঙ্গি ঘাঁটি গুলি আবার সক্রিয় হওয়া। তাই এবার নতুন স্ট্র্য়াটেজির পথে হাঁটতে চাইছে ভারত। সব মিলিয়ে ভারতীয় সেনার রণকৌশল বদলের পাশাপাশি সীমান্ত নীতির দিক থেকে আমূল পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে ফোর্ট উইলিয়ামে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে। গঠিত হচ্ছে ত্রি-সেনা শিক্ষা শাখাগুলিকে একত্রিত করে একক ‘ত্রি-সার্ভিসেস এডুকেশন কর্পস’

  • EVM: ইভিএমে এখন থেকে প্রার্থীর রঙিন ছবি! ভোটারদের সুবিধার জন্য কী কী সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশন?

    EVM: ইভিএমে এখন থেকে প্রার্থীর রঙিন ছবি! ভোটারদের সুবিধার জন্য কী কী সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাদা-কালোর যুগ শেষ। এবার থেকে নির্বাচনের সময়ে ইভিএমে (EVM) প্রত্যেক প্রার্থীর রঙিন ছবি থাকবে। বুধবার এক বিজ্ঞপ্তি জারি করে এমনটাই জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। চলতি বছরেই বিহারের বিধানসভা নির্বাচন রয়েছে। ওই সময় থেকেই পরিবর্তন কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে কমিশন (Election Commission of India)। এবার থেকে শুধুমাত্র দলের নাম ও দলীয় প্রতীক নয়, থাকবে প্রার্থীদের ছবিও। কাকে ভোট দিচ্ছেন, প্রার্থীর ছবি দেখে নিশ্চিত হতে পারবেন ভোটাররা। ছবির স্থানের চার ভাগের তিন ভাগে থাকবে প্রার্থীর মুখ। সিরিয়াল নম্বরও আরও স্পষ্টভাবে লেখা হবে।

    প্রার্থীর রঙিন ছবি, ক্রমিক নম্বর বড় হরফে

    বুধবার প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি মোট সাত দফা নতুন সিদ্ধান্তের কথা উল্লেখ রয়েছে। কমিশনের (Election Commission of India) বক্তব্য ভোটারদের সুবিধার জন্যই তারা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এত দিন ইভিএমে (EVM) প্রার্থীদের সাদাকালো ছবি থাকত। এখন থেকে প্রার্থীদের ছবি হবে রঙিন। ছবিতে প্রার্থীর মুখ আগের তুলনায় আরও বেশি জায়গা জুড়ে থাকবে, যাতে তাঁকে সহজে চেনা যায়। কমিশন আরও জানিয়েছে, এ বার থেকে ইভিএমে প্রার্থীদের ক্রমিক নম্বর আরও বড় এবং স্পষ্ট হবে। প্রত্যেক প্রার্থী এবং ‘নোটা’ -র নম্বর বড় হরফে এবং মোটা অক্ষরে লেখা থাকবে, যাতে ভোটাররা সহজে দেখতে পান। এ ছাড়া সব প্রার্থীর নাম একই ধরনের অক্ষরে লেখা হবে বলে জানিয়েছে কমিশন। তাঁদের নাম একই হরফে, একই মাপে ছাপানো হবে। ছাপানো হরফে প্রার্থীদের কারও নাম ছোট, কারও বড়— এমন হবে না। কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, ৭০ জিএসএম মাপের ইভিএম পেপারে বোল্ড অক্ষরে এবং ৩০ ফন্ট সাইজে সিরিয়াল নম্বর ও প্রার্থীর নাম থাকবে।

    ব্যালটে কাগজের মান আরও উন্নত

    এ ছাড়া ইভিএমের (EVM) ব্যালটে কাগজের মান আরও উন্নত করা হবে বলে জানিয়েছে কমিশন (Election Commission of India)। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, ব্যালট পেপার ছাপানো হবে ভাল মানের (৭০ জিএসএম) কাগজে। বিধানসভা নির্বাচনের জন্য গোলাপি রঙের কাগজ ব্যবহার করা হবে। একটি ব্যালট পেপারে ১৫ জনের বেশি প্রার্থীর নাম থাকবে না। সরকারি বা আধা-সরকারি প্রেসেই ইভিএম ব্যালট পেপার ছাপানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কমিশনের গাইডলাইনের ১৯৬১-এর ৪৯খ ধারা অনুযায়ী, এই সংশোধনগুলি করা হয়েছে। কমিশন সূত্রে খবর, সংশোধিত নিয়ম অনুসারে, ব্যালটকে আরও ভোটার-বান্ধব করে তুলতে এবং ভোটকেন্দ্রে বিভ্রান্তি কমাতে নকশা এবং মুদ্রণ উভয়ই পরিবর্তন করা হয়েছে। যাতে ভোটারদের আস্থা জোরদার করা যায়।

    ভোটারদের সুবিধার্থে নয়া পদ্ধতি

    ইভিএম (EVM) হলো নির্বাচনে ভোট দেওয়ার জন্য ব্যবহৃত একটি যন্ত্র। ভোটাররা কেবল একটি বোতাম টিপে তাঁদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেন এবং এই ভোট সরাসরি মেশিনে রেকর্ড করা হয়। ২০০৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের সময় প্রথমবারের মতো ভারতের সমস্ত নির্বাচনী এলাকায় ইভিএম ব্যবহার করা হয়েছিল। ভোটারদের স্বার্থে এবার সেখানে কিছু পরিবর্তন করা হল। বিহারের বিধানসভা নির্বাচন থেকে এই পরিবর্তনগুলি কার্যকর হবে। আগামী বছরে ভোট রয়েছে বাংলাতেও। আগামী দিনে বাংলা-সহ অন্য রাজ্যের ভোটেও এই নিয়ম কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে কমিশন (Election Commission of India)। ইতিমধ্যেই সব রাজ‍্যগুলিকে এ নিয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশ পাঠানো হয়েছে কমিশনের থেকে।

LinkedIn
Share