Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Kerala Woman Arrested: হিন্দুর বিরুদ্ধে যৌন হেনস্তার অভিযোগ তুলে ধৃত মুসলিম মহিলা ইনফ্লুয়েন্সার

    Kerala Woman Arrested: হিন্দুর বিরুদ্ধে যৌন হেনস্তার অভিযোগ তুলে ধৃত মুসলিম মহিলা ইনফ্লুয়েন্সার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছর বিয়াল্লিশের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে যৌন হেনস্তার (Sexual Harassment) অভিযোগ তুলে ভাইরাল করে দেওয়া হয় ভিডিও। অভিযোগ, তার পরেই গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেন ওই ব্যক্তি। কেরলের ঘটনায় তোলপাড় রাজ্য। এই ঘটনায় বছর পঁয়ত্রিশের এক মুসলিম মহিলা ইনফ্লুয়েন্সারকে গ্রেফতার (Kerala Woman Arrested) করা হয়েছে। তিনিই ওই ভিডিওটি ভাইরাল করেছিলেন।

    ভিডিও রেকর্ড (Kerala Woman Arrested)

    জানা গিয়েছে, গত সপ্তাহে শিমজিথা মুস্তাফা ও দীপক ইউ একই বাসে যাত্রা করছিলেন। ইনফ্লুয়েন্সার মুস্তাফা একটি ভিডিও রেকর্ড করে দাবি করেন যে দীপক তাঁকে যৌন হেনস্তা করেছেন এবং সেই ভিডিও তিনি নিজের সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টে আপলোড করেন। ভিডিওটি দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায় এবং ২০ লক্ষেরও বেশি ভিউ পায়। ভিডিওতে মুস্তাফা বলেন, “গতকাল আমি একটি পাবলিক বাস থেকে একটি ভিডিও শেয়ার করেছি, যেখানে এক ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে আমার সম্মতি ছাড়াই আমায় স্পর্শ করেছে। এটি কোনও দুর্ঘটনা বা ভুল বোঝাবুঝি নয়। এটি ছিল আমার যৌন সীমা স্পষ্টভাবে লঙ্ঘন।”

    ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার

    তিনি আরও বলেন, “আমি রেকর্ডিং শুরু করি যখন দেখি আমার সামনে দাঁড়িয়ে থাকা এক মহিলা অস্বস্তিতে ছিলেন। তাঁর দুষ্কর্ম ভিডিও করা হচ্ছে জেনেও ওই ব্যক্তি আমায় স্পর্শ করতে থাকেন। এটি তাঁর ইচ্ছাকৃত আচরণ, সহমর্মিতার অভাব এবং এই বিশ্বাসের পরিচয় যে তার কোনও সাজা হবে না।” রবিবার, ভিডিওটি রেকর্ড হওয়ার দু’দিন পর, কোঝিকোড়ে নিজের বাড়িতে দীপকের বাবা-মা তাঁদের একমাত্র ছেলেকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করেন। তাঁদের দাবি, দীপক নির্দোষ ছিলেন এবং চরম অপমানের শিকার হয়েছিলেন। ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর থেকে শনিবার, নিজের জন্মদিন-সহ টানা (Sexual Harassment) দু’দিন কিছুই খাননি তিনি। তার পরেই উদ্ধার হয় দীপকের ঝুলন্ত দেহ।

    দীপকের মা বলেন, “আমার সন্তান এই অপমান সহ্য করতে পারেনি। ওর বিরুদ্ধে কখনও কোনও ভুল কাজের অভিযোগ ওঠেনি (Kerala Woman Arrested)।” ঘটনার পর মুস্তাফা ভিডিওটি মুছে দেন এবং পরে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করে আরও একটি ভিডিও আপলোড করেন। সেই ভিডিওটিও পরে ‘প্রাইভেট’ করে দেওয়া হয়। সোমবার পুলিশ আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগে ওই মহিলা ইনফ্লুয়েন্সারের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করে। একই সঙ্গে কেরল রাজ্য মানবাধিকার কমিশনও ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দেয় এবং উত্তর জোনের ডেপুটি ইনস্পেক্টর জেনারেল (ডিআইজি)-কে এক সপ্তাহের মধ্যে রিপোর্ট জমা দিতে বলে (Kerala Woman Arrested)।

  • Udhayanidhi Stalin: সনাতন ধর্মকে অপমান, মাদ্রাজ হাইকোর্টে তিরস্কৃত তামিলনাড়ুর উপমুখ্যমন্ত্রী উদয়নিধি স্ট্যালিন

    Udhayanidhi Stalin: সনাতন ধর্মকে অপমান, মাদ্রাজ হাইকোর্টে তিরস্কৃত তামিলনাড়ুর উপমুখ্যমন্ত্রী উদয়নিধি স্ট্যালিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সনাতন ধর্মকে অপমান করা এবং ঘৃণা-ভাষণ দেওয়ার জন্য তামিলনাড়ুর উপ-মুখ্যমন্ত্রী ও যুবকল্যাণ ও ক্রীড়ামন্ত্রী উদয়নিধি স্ট্যালিনকে চরম ভর্ৎসনা করল মাদ্রাজ হাইকোর্টের মাদুরাই বেঞ্চ।  সেই সঙ্গে বিজেপি নেতা অমিত মালব্যের বিরুদ্ধে দায়ের করা এফআইআর বাতিল করা হল। হাইকোর্ট জানিয়েছে, একটি বিতর্কিত বক্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানানোর জন্য কাউকে শাস্তি দেওয়া অন্যায়, বিশেষত যখন সেই বক্তব্য প্রদানকারীর বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপই করা হয়নি। এই এফআইআরটি দায়ের করা হয়েছিল মালব্যের সোশ্যাল মিডিয়ায় করা কিছু পোস্টের কারণে, যেখানে তিনি ‘সনাতন ধর্ম’ (Sanatana Dharma) নিয়ে মন্তব্য করার জন্য উদয়নিধি স্ট্যালিনের (Udhayanidhi Stalin) কড়া সমালোচনা করেছিলেন।

    মালব্যের প্রতিক্রিয়া আইন লঙ্ঘন করেনি (Udhayanidhi Stalin)

    বিচারপতি এস শ্রীমতী বলেন, “অমিত মালব্য কেবল তামিলনাড়ুর মন্ত্রী উদয়নিধি স্ট্যালিনের একটি প্রকাশ্য বক্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে মামলা চালিয়ে যাওয়া ভুল এবং ক্ষতিকর হবে।” বিচারপতি এও বলেন, “মালব্যের প্রতিক্রিয়া কোনও আইন লঙ্ঘন করেনি এবং মামলাটি চালু রাখলে তা আইনি ব্যবস্থার অপব্যবহার হবে।” লাইভ ল–এর একটি প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। আদালত এই প্রসঙ্গে একটি উদ্বেগজনক প্রবণতা নিয়েও তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছে। আদালত উল্লেখ করেছে, যে মন্ত্রীর বক্তব্যকে ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, তাঁর বিরুদ্ধে কোনও মামলা দায়ের করা হয়নি, অথচ সেই বক্তব্য নিয়ে প্রশ্ন তোলা এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে দ্রুত ফৌজদারি মামলা করা হয়েছে। বিচারপতি বলেন, “এটি অত্যন্ত বেদনাদায়ক যে যাঁরা আপত্তিকর বা বিদ্বেষমূলক বক্তব্য দেন, তাঁরা প্রায়ই পার পেয়ে যান, কিন্তু যাঁরা তাঁর প্রতিক্রিয়া জানান, তাঁদের বিরুদ্ধে পুলিশি ব্যবস্থা নেওয়া হয়।”

    আদালতের পর্যবেক্ষণ

    লাইভ ল–এর প্রতিবেদনে আদালতের পর্যবেক্ষণ উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, “এই আদালত অত্যন্ত কষ্টের সঙ্গে লক্ষ্য করছে যে, যাঁরা বিদ্বেষমূলক বক্তব্যের সূচনা করেন, তাঁরা সম্পূর্ণরূপে মুক্ত থাকেন, কিন্তু যাঁরা সেই বক্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানান, তাঁরা আইনের কঠোরতার মুখে পড়েন। এমনকি আদালতও প্রতিক্রিয়া জানানো ব্যক্তিদের প্রশ্ন করছে, কিন্তু যারা বিদ্বেষমূলক বক্তব্য দিয়েছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে আইন প্রয়োগ করা হচ্ছে না (Udhayanidhi Stalin)।” প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালে ‘সনাতন বিলোপ সম্মেলন’ (Sanatana Abolition Conference) নামে একটি অনুষ্ঠানে উদয়নিধি স্ট্যালিন সনাতন ধর্মের তুলনা করেছিলেন ডেঙ্গি ও ম্যালেরিয়ার মতো রোগের সঙ্গে (Sanatana Dharma)। একে বিলোপ করার কথাও বলেছিলেন তিনি। তাঁর এই মন্তব্য দেশজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছিল এবং বিভিন্ন আদালতে একাধিক মামলা দায়ের হয়েছিল।

    স্ট্যালিনের মন্তব্য

    এই বক্তব্যের পর অমিত মালব্য সোশ্যাল মিডিয়ায় ওই ভাষণের একটি ভিডিও ক্লিপ শেয়ার করেন এবং মন্ত্রীর বক্তব্যের অর্থ ও উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। এরপর তাঁর বিরুদ্ধে ঘৃণা ছড়ানো এবং ভ্রান্ত তথ্য প্রচারের অভিযোগে একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়। অনুষ্ঠানে উদয়নিধি স্ট্যালিন যে বক্তব্য দেন, তার একটি আনুমানিক অনুবাদ নীচে দেওয়া হল, যা ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দিয়েছিল। “কিছু বিষয়ের বিরোধিতা করা যায় না, সেগুলিকে নির্মূল করতে হয়। আমরা শুধু ডেঙ্গি, মশা, ম্যালেরিয়া বা করোনার বিরোধিতা করতে পারি না, সেগুলি নির্মূল করতে হয়। সনাতনের ক্ষেত্রেও কেবল বিরোধিতা নয়, একে নির্মূল করা উচিত।”

    স্ট্যালিনের এই প্রতিক্রিয়ায় অমিত মালব্য এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন (Sanatana Dharma), “তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্ট্যালিনের পুত্র ও ডিএমকে সরকারের মন্ত্রী উদয়নিধি স্ট্যালিন সনাতন ধর্মকে ম্যালেরিয়া ও ডেঙ্গির সঙ্গে তুলনা (Udhayanidhi Stalin) করেছেন। তাঁর মতে, এর বিরোধিতা নয়, একে নির্মূল করা উচিত। সংক্ষেপে বলতে গেলে, তিনি ভারতের ৮০ শতাংশ জনসংখ্যাকে গণহত্যার আহ্বান জানাচ্ছেন, যাঁরা সনাতন ধর্ম অনুসরণ করেন।” মালব্য আদালতে জানান, তিনি কেবল প্রকাশ্যে দেওয়া একটি বক্তব্যই শেয়ার করেছিলেন এবং তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। তাঁর দাবি, তাঁর পোস্টগুলির অপব্যাখ্যা করা হয়েছে এবং তাঁর বিরুদ্ধে করা মামলাটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত (Udhayanidhi Stalin)।

     

  • Mohan Bhagwat: “জাতির স্বার্থে যাঁরা কাজ করেন, সংঘ তাঁদের সবার সঙ্গেই রয়েছে”, বললেন ভাগবত

    Mohan Bhagwat: “জাতির স্বার্থে যাঁরা কাজ করেন, সংঘ তাঁদের সবার সঙ্গেই রয়েছে”, বললেন ভাগবত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “জাতীয় স্বার্থ কোনও ব্যক্তি বা সংগঠনের একচেটিয়া বিষয় হতে পারে না। এটি আমাদের সবার যৌথ দায়িত্ব। জাতির স্বার্থে যাঁরা কাজ করেন, সংঘ তাঁদের সবার সঙ্গেই রয়েছে।” মঙ্গলবার কথাগুলি বললেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (আরএসএস)-এর (RSS) সরসংঘচালক মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)। এদিন তিনি সৌরাষ্ট্র–কচ্ছ অঞ্চলের রাজকোটে অনুষ্ঠিত ‘প্রমুখজন বিচার গোষ্ঠী’তে ভাষণ দেন। সেখানেই এমন মন্তব্য করেন তিনি।

    সংঘের কার্যপ্রণালী (Mohan Bhagwat)

    ভাগবত বলেন, “অবহেলা, বিরোধিতা ও বারবার নিষেধাজ্ঞার মুখোমুখি হওয়া সত্ত্বেও, আরএসএস যে অবস্থানে পৌঁছেছে, তা একমাত্র হিন্দু সমাজের আশীর্বাদেই সম্ভব হয়েছে। যাঁরা জাতির জন্য কাজ করেন, তাঁরা সংঘের সঙ্গে যুক্ত থাকুন বা না থাকুন, আরএসএস তাঁদের নিজেদের স্বয়ংসেবক হিসেবেই মনে করে।” সংঘের কার্যপ্রণালী ব্যাখ্যা করে ভাগবত বলেন, “আরএসএস কাউকে রিমোট কন্ট্রোলের মাধ্যমে পরিচালনা করে না। সংঘের কাজের ভিত্তি হল সম্পূর্ণ সাত্ত্বিক স্নেহ ও আত্মীয়তার অনুভূতি। শাখা ব্যবস্থার মাধ্যমে মূল্যবোধ সঞ্চার করা হয় এবং স্বয়ংসেবকদের প্রস্তুত করা হয়। পরবর্তীকালে তাঁরা নিজেদের বিবেক ও বিচক্ষণতার ভিত্তিতে সমাজকল্যাণের সিদ্ধান্ত নেন।”

    হিন্দুত্ব একটি জীবনধারা

    হিন্দুত্বের ধারণা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেন, “হিন্দুত্ব একটি জীবনধারা। সংঘ ভারতের সংবিধানের সঙ্গে একই দার্শনিক ভিত্তিতে কাজ করে। ভারত একটি হিন্দু রাষ্ট্র, এই কারণেই এখানে সব পথ, সম্প্রদায় ও ঐতিহ্যকে স্বাগত জানানো হয় এবং সম্মান করা হয়।” সরসংঘ চালক বলেন, “‘বসুধৈব কুটুম্বকম’, এই ভারতীয় নীতি সত্যিকারের বিশ্বায়নের প্রতীক। অন্য দেশগুলি বিশ্বকে বাজার হিসেবে দেখে (RSS), আর আমরা বিশ্বকে একটি পরিবার হিসেবে দেখি (Mohan Bhagwat)।” প্রশ্নোত্তর পর্বে সরসংঘচালক বলেন, “জেন-জেড প্রজন্মের তরুণরা ‘সাদা খাতা’র মতো এবং তারা গভীরভাবে সৎ। সমাজকে তাদের সঙ্গে যোগাযোগের কৌশল রপ্ত করতে হবে।” তিনি বলেন, “মানুষকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রভু হতে হবে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম যেন মানুষের প্রভু না হয়ে ওঠে, এবং তা জাতীয় স্বার্থে ব্যবহার করতে হবে।”

    মূল্যবোধনির্ভর ব্যক্তির প্রয়োজন

    তিনি সতর্ক করে বলেন, “প্রতিবেশী এক দেশে হিন্দু–মুসলিম বিদ্বেষ পুনরুজ্জীবিত করার চেষ্টা চলছে, এমন বিভাজনমূলক চিন্তা ভারতে ছড়াতে দেওয়া যাবে না।” তিনি বলেন, “দুর্নীতি ব্যবস্থার চেয়ে মানুষের মনে বেশি বিদ্যমান, আর মূল্যবোধনির্ভর ব্যক্তি গড়ে উঠলেই দুর্নীতিকে কার্যকরভাবে দমন করা সম্ভব।” রাজকোটে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানটি একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিকমুক্ত ছিল। অনুষ্ঠানে বিশেষ পরিবেশবান্ধব কলম ব্যবহার করা হয়, ব্যবহার শেষে সেগুলি টবে রোপণ করা হলে মাটিতে মিশে গিয়ে উদ্ভিদে পরিণত হয়। এই উপলক্ষে পশ্চিম ক্ষেত্র সংঘচালক জয়ন্তিভাই ভাদেশিয়া, সৌরাষ্ট্র প্রান্ত সংঘচালক মুকেশভাই মালাকান-সহ (RSS) শিল্পপতি, চিকিৎসক, আইনজীবী ও শিক্ষাবিদরা উপস্থিত ছিলেন (Mohan Bhagwat)।

  • Online Gaming Act: যুবসমাজকে জুয়ার নেশা থেকে বাঁচাতে অনলাইন গেমিংয়ে কড়াকড়ি! আরও ২৪২ ওয়েবসাইট ব্লক করল কেন্দ্র

    Online Gaming Act: যুবসমাজকে জুয়ার নেশা থেকে বাঁচাতে অনলাইন গেমিংয়ে কড়াকড়ি! আরও ২৪২ ওয়েবসাইট ব্লক করল কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের যুবসমাজকে জুয়ার নেশা থেকে বাঁচাতে, তাদের আর্থিক দিক থেকে সর্বস্বান্ত হওয়া আটকাতে ফের ‘ডিজিটাল স্ট্রাইক’ কেন্দ্রের। সরকারি সূত্র অনুযায়ী খবর, বুধবার ২৪২টি বেআইনি অনলাইন বেটিং ও জুয়ার ওয়েবসাইটের লিঙ্ক ব্লক করা হয়েছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত মোট ৭ হাজার ৮০০-র বেশি বেআইনি বেটিং ও জুয়ার ওয়েবসাইট বন্ধ করা হয়েছে। বিশেষ করে অনলাইন গেমিং আইন (Online Gaming Act) কার্যকর হওয়ার পর থেকেই এই ক্ষেত্রে নজরদারি ও আইনের বাস্তবায়ন বেড়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে।

    সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে যুব সমাজ

    কেন্দ্রের দাবি, এই ধরনের অবৈধ প্ল্যাটফর্ম আর্থিক প্রতারণা, সামাজিক অবক্ষয় ও এই ধরণের জুয়ার প্রতি আসক্তির ঝুঁকি বাড়াচ্ছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়ছে যুব সমাজ। সেই কারণেই এই কঠোর পদক্ষেপ। এই সাইটগুলি মূলত, তরুণদের লক্ষ্য করেই তৈরি করা হয়। প্রথমে অল্প টাকা জিতিয়ে, পরে বড় অঙ্কের টাকা হারাতে বাধ্য করে এবং তাদের ঋণের জালে পুরো ফাঁসিয়ে দেয়। এইরকম একাধিক উদাহরণ রয়েছে।

    অনলাইন জুয়া ও বেটিংয়ের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স

    সরকারি সূত্র আরও জানাচ্ছে, ব্যবহারকারীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং অবৈধ অনলাইন বেটিং-গ্যাম্বলিংয়ের মাধ্যমে হওয়া আর্থিক ও সামাজিক ক্ষতি রুখতেই এই অভিযান জারি থাকবে। ভবিষ্যতেও প্রযুক্তির সাহায্যে এমন বেআইনি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম চিহ্নিত করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আশ্বাস। এই ক্ষেত্রে কেন্দ্রের স্পষ্ট বার্তা—অনলাইন জুয়া ও বেটিংয়ের বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতা নীতিতেই চলছে কেন্দ্র।

    অর্থ পাচার, সামাজিক অবক্ষয় রোধ

    গত বছরের অগস্টে সংসদে পাশ হয়েছিল ‘দ্য প্রোমোশন অ্যান্ড রেগুলেশন অফ অনলাইন গেমিং বিল, ২০২৫’। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সম্মতির পর থেকেই এই আইন কঠোর ভাবে কার্যকর করা শুরু হয়। পরিসংখ্যান বলছে, এখনও পর্যন্ত ৭,৮০০-টিরও বেশি এই ধরনের অবৈধ ওয়েবসাইট ও অ্যাপ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। অনেক অ্যাপ আবার অর্থ পাচার এবং হাওয়ালা লেনদেনের জন্য ব্যবহৃত হয় বলেও সন্দেহ করা হচ্ছে। গেমিং আসক্তিকে ইতিমধ্যেই একটি গুরুতর সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। রাতারাতি বড়লোক হওয়ার ভুয়ো প্রতিশ্রুতি দিয়ে এই অ্যাপগুলি তরুণ প্রজন্মকে ফাঁদে ফেলে। যার জেরে বহু পরিবার আর্থিক সঙ্কটে পড়ছে। এমনকী বাড়ছে এর জেরে আত্মহত্যার ঘটনাও। জুয়ার আসক্তির কারণে মানসিক চাপ, আত্মহত্যার প্রবণতা এবং পারিবারিক সমস্যা প্রতিরোধ করতেই সরকার এই পদক্ষেপ নিয়েছে।

    এখনও পর্যন্ত ৭৮০০-এর বেশি সাইট বন্ধ

    এটা প্রথমবার নয়। গত কয়েক বছর ধরেই কেন্দ্রীয় সরকার অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। গত বছরের অগস্টে সংসদে পাশ হয়েছিল ‘দ্য প্রোমোশন অ্যান্ড রেগুলেশন অফ অনলাইন গেমিং বিল, ২০২৫’। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সম্মতির পর থেকেই এই আইন কঠোর ভাবে কার্যকর করা শুরু হয়। পরিসংখ্যান বলছে, এখনও পর্যন্ত ৭,৮০০-টিরও বেশি এই ধরনের অবৈধ ওয়েবসাইট ও অ্যাপ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। অনুমতি ছাড়া বা আইন লঙ্ঘনকারী কোনো সাইটই এখন থেকে আর ছাড় দেওয়া হবেনা।

    অনলাইন গেমিং আইন, ২০২৫

    অনলাইন গেমিং আইন, ২০২৫ ( Promotion and Regulation of Online Gaming Act, 2025) ভারতের দ্রুত-বর্ধনশীল অনলাইন গেমিং খাতে একটি সুস্পষ্ট আইনি কাঠামো তৈরি করেছে। এই আইনে বৈধ অনলাইন গেম ও নিষিদ্ধ জুয়ার মধ্যে স্পষ্ট পার্থক্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
    নতুন আইনে অবৈধ রিয়েল-মানি বেটিং বা চ্যান্স-ভিত্তিক গেম চালালে ভারী জরিমানা ও ফৌজদারি শাস্তির বিধান রয়েছে। পাশাপাশি, তদন্তকারী সংস্থাগুলিকে আর্থিক লেনদেন ট্র্যাক করা, পেমেন্ট গেটওয়ে খতিয়ে দেখা এবং অবৈধ বেটিং অ্যাপের প্রচারে যুক্ত সেলিব্রিটি বা ইনফ্লুয়েন্সারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।

    কীভাবে ব্লক করা হচ্ছে ওয়েবসাইট

    অবৈধ ওয়েবসাইট ব্লক করার ক্ষেত্রে তথ্যপ্রযুক্তি আইন, ২০০০-এর ধারা ৬৯এ ব্যবহার করা হচ্ছে। এই ধারায় জনস্বার্থবিরোধী বা অবৈধ কনটেন্ট ব্লক করার নির্দেশ দেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে। ইলেকট্রনিক্স ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রক সংশ্লিষ্ট সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে ইন্টারনেট পরিষেবা প্রদানকারী ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলিকে ব্লকিং নির্দেশ পাঠাচ্ছে।

    পরবর্তী পদক্ষেপ কী

    সরকার একটি কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রক সংস্থা বা ‘অনলাইন গেমিং অথরিটি অফ ইন্ডিয়া’ গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে। এই সংস্থার কাছে দেওয়ানি আদালতের (Civil Court) মতো ক্ষমতা থাকবে। তারা যেকোনো অবৈধ গেম বন্ধ করা, তলব করা এবং শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষমতা রাখবে। অনলাইন গেমিং আইন, ২০২৫ ( Promotion and Regulation of Online Gaming Act, 2025) অনুযায়ী, অবৈধ অনলাইন জুয়া খেলালে বা সেই সুবিধা প্রদান করলে কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। দোষী সাব্যস্ত হলে ৩ বছর পর্যন্ত জেল হতে পারে। ১ কোটি টাকা পর্যন্ত জরিমানা করা হতে পারে। এই ধরণের প্ল্যাটফর্মের বিজ্ঞাপন দিলে ২ বছরের জেল এবং ৫০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত জরিমানার সংস্থান রয়েছে।

    ডিজিটাল ইন্ডিয়া, সুরক্ষিত ইন্ডিয়া

    “ডিজিটাল ইন্ডিয়া একটি সুরক্ষিত ইন্ডিয়াও হওয়া উচিত” – এই বিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকার যে কতটা দৃঢ়, তা এই ধারাবাহিক পদক্ষেপগুলি থেকেই আবারও স্পষ্ট হয়ে গেল। সরকার স্পষ্ট করেছে, এই নিষেধাজ্ঞার লক্ষ্য কেবল অবৈধ জুয়া বা বেটিং আটকানো। এর প্রভাবে যাতে ডিজিটাল অর্থনীতির বিকাশ ব্যাহত না হয়, তার জন্য ই-স্পোর্টস বা শিক্ষামূলক ও গঠনমূলক গেমগুলিকে এর আওতার বাইরে রাখা হয়েছে। সাইবার বিশেষজ্ঞদের মতে, কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্ত ডিজিটাল দুনিয়াকে নিরাপদ করার পথে এক বড় পদক্ষেপ।

     

     

     

     

     

  • Kishtwar Encounter: ‘অপারেশন ত্রাশি–আই’ অব্যাহত, কিশতওয়ারে জঙ্গি ঘাঁটি ভাঙল নিরাপত্তা বাহিনী

    Kishtwar Encounter: ‘অপারেশন ত্রাশি–আই’ অব্যাহত, কিশতওয়ারে জঙ্গি ঘাঁটি ভাঙল নিরাপত্তা বাহিনী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু ও কাশ্মীরের কিশতওয়ারে (Kishtwar Encounter) জইশ-ই-মহম্মদ (JeM) জঙ্গিদের একটি গোপন আস্তানা ভেঙে দিল নিরাপত্তা বাহিনী। জঙ্গিদের খোঁজে চালানো ব্যাপক তল্লাশি অভিযান মঙ্গলবার তৃতীয় দিনে পড়েছে। জঙ্গিদের সঙ্গে যুক্ত থাকার সন্দেহে একাধিক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। চলমান ‘অপারেশন ত্রাশি–আই’-(Operation Trashi-I) এর মধ্য দিয়ে জঙ্গিদের একটি গোপন ডেরার খোঁজ পায় নিরাপত্তা বাহিনী। ওই ডেরা থেকে বিপুল পরিমাণ খাদ্যসামগ্রী—রেশন, ঘি, বাসনপত্র, গ্যাস সিলিন্ডার ও স্টোভ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন আধিকারিকরা।

    গভীর জঙ্গলে লুকিয়ে জঙ্গিরা 

    সূত্রের খবর, আস্তানাটি শীতকালের জন্য পর্যাপ্ত রেশনে ভর্তি ছিল এবং একাধিক জঙ্গির থাকার মতো বড় ছিল। এই সাফল্য আসে তার একদিন পর, যখন কিশতওয়ারে (Kishtwar Encounter) নিরাপত্তা বাহিনী ও জঙ্গিদের মধ্যে সংঘর্ষে এক প্যারাট্রুপার শহিদ হন। রবিবার কিশতওয়ারের চাত্রু এলাকার সোনার গ্রাম সংলগ্ন মান্দ্রাল–সিংহপোরা অঞ্চলে অভিযান শুরু হয়। সেখানে নিরাপত্তা বাহিনী ও জঙ্গিদের মধ্যে এনকাউন্টার ঘটে। পাকিস্তানভিত্তিক জইশ-ই-মহম্মদের সঙ্গে যুক্ত ২–৩ জন জঙ্গি এলাকায় লুকিয়ে রয়েছে বলে ধারণা। জঙ্গিরা গভীর জঙ্গলে পালিয়ে যায়। তবে নিরাপত্তা বাহিনী তাদের একটি সুসজ্জিত আস্তানা ভেঙে দিতে সক্ষম হয়, যেখানে বিপুল পরিমাণ শীতকালীন রসদ—খাবার, কম্বল ও বাসনপত্র—মজুত ছিল।

    জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক

    অভিযান তদারকিতে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন জম্মু জোনের আইজি পুলিশ ভীম সেন তুতি এবং সিআরপিএফ-এর আইজি (জম্মু) আর গোপাল কৃষ্ণ রাও। তাঁদের সঙ্গে একাধিক সেনা আধিকারিকও সেখানে শিবির গেড়েছেন। এদিকে মঙ্গলবার সকালে জম্মুতে শহিদ স্পেশাল ফোর্স কমান্ডো হাবিলদার গজেন্দ্র সিংকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে সাতওয়ারিতে একটি শ্রদ্ধাঞ্জলি অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। পরে শহিদের মরদেহ নিজ গ্রামে পাঠানো হয়। সোমবার দুপুরে ১২ হাজার ফুট উচ্চতায় অবস্থিত ওই জঙ্গি আস্তানা উদ্ধারের ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়। নিরাপত্তা বাহিনী এখন সেই ওভারগ্রাউন্ড ওয়ার্কারদের (OGW) শনাক্ত করার চেষ্টা করছে, যারা জঙ্গিদের জন্য বিপুল পরিমাণ রেশন, ডাল, বাসনপত্র ও অন্যান্য সামগ্রী সংগ্রহ ও পরিবহণে সহায়তা করেছিল। উদ্ধার হওয়া সামগ্রী অন্তত চারজন জঙ্গির দীর্ঘ শীতকালীন থাকার জন্য যথেষ্ট বলে জানিয়েছেন নিরাপত্তারক্ষীরা। সেনাবাহিনীর হোয়াইট নাইট কর্পস জানিয়েছে, চাত্রু এলাকায় ‘অপারেশন ত্রাশি-আই’ (Operation Trashi-I) অব্যাহত রয়েছে। কর্পস, পুলিশ ও সিআরপিএফ যৌথভাবে এলাকা ঘিরে রেখে তল্লাশি আরও জোরদার করেছে। কঠিন ভূপ্রকৃতি, ঘন জঙ্গল ও খাড়া ঢালের মধ্যেও ড্রোন ও স্নিফার ডগের সাহায্যে সেনা, পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনীর একাধিক দল তল্লাশি চালাচ্ছে। সীমিত দৃশ্যমানতা ও চলাচলের অসুবিধা সত্ত্বেও অভিযান অব্যাহত রয়েছে। সরকারি সূত্রের দাবি, পাকিস্তানভিত্তিক জইশ-ই-মহম্মদের সঙ্গে যুক্ত দুই থেকে তিনজন জঙ্গি ওই এলাকায় আটকে থাকতে পারে।

  • Anti-Stealth Radar Grid: এফ-৩৫ থেকে জে-৩৫— এখন নজরে সবাই, অ্যান্টি-স্টেলথ রেডার প্রযুক্তিতে বিরাট লাফ ভারতের

    Anti-Stealth Radar Grid: এফ-৩৫ থেকে জে-৩৫— এখন নজরে সবাই, অ্যান্টি-স্টেলথ রেডার প্রযুক্তিতে বিরাট লাফ ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চম প্রজন্মের ফাইটার জেট (FGFA) মোকাবিলায় ভারত এমন এক অত্যাধুনিক অ্যান্টি-স্টেলথ রেডার গ্রিড (Anti-Stealth Radar Grid) উন্মোচন করেছে, যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এফ-৩৫ (F-35), রাশিয়ার সু-৫৭ (Su-57) এবং চিনের জে-৩৫ (J-35) স্টেলথ যুদ্ধবিমান সনাক্ত ও ট্র্যাক করতে সক্ষম।

    ‘মিশন সুদর্শন চক্র’ ঘোষণা

    অপারেশন ‘সিন্দুর’-এর (Operation Sindoor) পর ভারতের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ করার প্রয়োজনীয়তা আরও জোরদার হয়েছে। সেই প্রেক্ষাপটে প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা বা ডিআরডিও-র (DRDO) নেতৃত্বে ভারত সরকার ‘মিশন সুদর্শন চক্র’ (Mission Sudarshan Chakra) ঘোষণা করেছে। এই মিশনের অধীনে ডিআরডিও-সহ বিভিন্ন প্রতিরক্ষা সংস্থাকে পরবর্তী প্রজন্মের রেডার প্রযুক্তি উন্নয়নের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, যার লক্ষ্য স্টেলথ বিমান ও আধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র-ড্রোন সহ আকাশ-পথে ধেয়ে আসা হুমকির মোকাবিলা করা।

    স্টেলথ-বিপদের মোকাবিলায় ভারতের প্রস্তুতি

    স্টেলথ প্রযুক্তিতে তৈরি বিমানগুলির রেডার ক্রস-সেকশন (Radar Cross-Section) অত্যন্ত কম, ফলে প্রচলিত রেডার ও এয়ার ডিফেন্স নেটওয়ার্ক (India Air Defence) এড়িয়ে যাওয়া তাদের পক্ষে সহজ হয়। বিশ্বজুড়ে পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমান ও উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার দৌড়ে ভারতও পিছিয়ে নেই। একদিকে যেমন অ্যাডভান্সড মিডিয়াম কমব্যাট এয়ারক্রাফ্ট (এএমসিএ) প্রকল্পকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে দেশ, তেমনই অন্যদিকে জোর দেওয়া হচ্ছে কাউন্টার-স্টেলথ সক্ষমতা বৃদ্ধিতে।

    অ্যান্টি-স্টেলথ রেডার গ্রিডের বৈশিষ্ট্য

    ভারতের নতুন অ্যান্টি-স্টেলথ রেডার গ্রিডটি (Anti-Stealth Radar Grid) প্যাসিভ কোহেরেন্ট লোকেশন রেডার (PCLR) প্রযুক্তির উপর ভিত্তি করে তৈরি। এই প্রযুক্তিকে জাতীয় ‘লো অবজারভেবল ডিটেকশন নেটওয়ার্ক’ (LODN)-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে সংযুক্ত করা হচ্ছে।

    কীভাবে কাজ করে পিসিএলআর?

    পিসিএলআর একটি প্যাসিভ মাল্টি-স্ট্যাটিক রেডার ব্যবস্থা, যা নিজে কোনও রেডিও সিগন্যাল ছোড়ে না। প্রচলিত রেডারের মতো তরঙ্গ পাঠিয়ে প্রতিফলন শোনার পরিবর্তে, এই ব্যবস্থা পরিবেশে ইতিমধ্যেই বিদ্যমান সিগন্যাল—যেমন এফএম রেডিও সম্প্রচার—ব্যবহার করে, তাদের সনাক্তকরণ করে। আকাশে কোনও বিমান চলাচল করলে ওই সিগন্যালের মধ্যে যে ব্যাঘাত ঘটে, তা বিশ্লেষণ করে বিমান সনাক্ত ও ট্র্যাক করা হয়। ফলে রেডারের অবস্থান গোপন থাকে।

    প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় বড় শক্তিবৃদ্ধি

    নতুন অ্যান্টি-স্টেলথ রেডার গ্রিডটি আকাশ প্রতিরক্ষায় ভারতের বিদ্যমান দেশীয় ও আমদানিকৃত ব্যবস্থার সঙ্গে সমন্বয় করবে। এর মধ্যে রয়েছে আকাশ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা, এস-৪০০ ট্রায়াম্ফ (S-400), বারাক-৮ এবং স্পাইডার সিস্টেম। এই সমন্বয়ের মাধ্যমে পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমান ও ড্রোন হুমকির বিরুদ্ধে ভারতের প্রতিরক্ষা আরও শক্তিশালী হবে।

    প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, এই অ্যান্টি-স্টেলথ রেডার গ্রিড (Anti-Stealth Radar Grid) ভারতের সামগ্রিক প্রতিরক্ষা সক্ষমতায় উল্লেখযোগ্য উন্নতি ঘটাবে এবং ভবিষ্যতের আকাশযুদ্ধে দেশকে কৌশলগত বাড়তি সুবিধা দেবে।

  • BJP: “আমি দলের কর্মী, নিতিন আমার বস”, বিজেপির নয়া সর্বভারতীয় সভাপতিকে অভিনন্দন মোদির

    BJP: “আমি দলের কর্মী, নিতিন আমার বস”, বিজেপির নয়া সর্বভারতীয় সভাপতিকে অভিনন্দন মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জল্পনা চলছিলই। সোমবার রাতেই তাতে পড়ল সিলমোহর। বিজেপির (BJP) সর্বভারতীয় সভাপতি হলেন নিতিন নবীন (Nitin Nabin)। মাত্র পঁয়তাল্লিশ বছর বয়সে বিজেপির কনিষ্ঠতম সভাপতি হিসেবে শপথ নিলেন তিনি। তাঁর শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। জেপি নাড্ডার পর বিজেপির এই পদের দায়িত্ব সামলাবেন নিতিন।

    বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি (BJP)

    সোমবারই বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছেন নিতিন। মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন তিনি। গত ডিসেম্বর মাস থেকে কার্যনির্বাহী সভাপতির দায়িত্ব সামলাচ্ছিলেন তিনি। নির্বাচনে রিটার্নিং অফিসার কে লক্ষ্মণ জানান, মনোনয়ন প্রত্যাহার করার সময়সীমা পেরনোর পর দেখা যায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছেন নিতিন।  এদিন নির্বাচিত হওয়ার আগেই বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক করেন নিতিন। সোমবার রাতেই তিনি বৈঠক করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য, সাংসদ সুকান্ত মজুমদার, বিজেপি নেতা অমিতাভ চক্রবর্তী, সুনীল বনসল, মঙ্গল পান্ডে এবং অমিত মালব্যর সঙ্গে।

    বাংলায় আসতে পারেন নিতিন

    সূত্রের খবর, সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার পর চলতি মাসেই বাংলায় আসতে পারেন নিতিন। তখনই তিনি বৈঠক করবেন রাজ্য সংগঠনের সব স্তরের নেতাদের সঙ্গে। সোমবার রাতের বৈঠকে পশ্চিমবঙ্গের এসআইআর নিয়ে উদ্ভূত পরিস্থিতি এবং সাংগঠনিক পরিস্থিতি নিয়ে খুঁটিনাটি জানতে চান নিতিন। তাঁর বাবা প্রয়াত বিজেপি নেতা নবীন কিশোর সিনহা। এবিভিপির হাত ধরে ছাত্র রাজনীতিতে হাতেখড়ি হয় তাঁর। ২০১০ সালে প্রথমবার বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী হন তিনি। জয়ীও হন বিহারের বাঁকিপুর আসনে। তারপর থেকে এই কেন্দ্রেই ধারাবাহিকভাবে জয়ী হয়ে আসছেন নিতিন (Nitin Nabin)।  দেশের রাজনীতিতে নবীন মুখ হলেও, বিহারে নিতিন খুবই পরিচিত। তাঁর জন্ম পাটনায়। বাবা বিজেপি (BJP) নেতা হওয়ায়, শৈশব থেকেই রাজনৈতিক পরিমণ্ডলেই বেড়ে উঠেছেন নিতিন। গত বিহার বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়ী হন নিতিন। প্রত্যাশিতভাবেই তাঁর ঠাঁই হয় নীতীশ কুমারের মন্ত্রিসভায়।

    জেপি নাড্ডার স্থলাভিষিক্ত

    জেপি নাড্ডার স্থলাভিষিক্ত হলেন নিতিন। নাড্ডার জায়গায় নিতিনকে বসানোর মূল কারণ হল বিজেপির পাশাপাশি আরএসএসেরও ভরসা রয়েছে নিতিনের ওপর। নিতিন নির্বাচনটাও বোঝেন ভালো। এই সব কারণেই অনায়াস হয় নিতিনের পদ প্রাপ্তি। শোনা যায়, নিতিন আরএসএস ঘনিষ্ঠ। সরসঙ্ঘচালক মোহন ভাগবতের সঙ্গেও তাঁর সম্পর্ক ভালো। বিহার বিধানসভা নির্বাচনে তিনি সমন্বয় রক্ষা করেছিলেন বিজেপি এবং জেডিইউয়ের। বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএকেও বিপুল ভোটে জিতিয়েছেন নিতিন। ছত্তিশগড় বিধানসভায় তিনি কাজ করেছেন বিজেপির ইনচার্জ হিসেবে। ঝুলিতে এতসব অভিজ্ঞতা থাকায় নিতিনকে বেছে নেওয়া হয় বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি পদে।

    নিতিন নবীন আমার বস

    বিশ্বের সব চেয়ে বড় রাজনৈতিক দলের দায়িত্ব গ্রহণ করায় নিতিনকে অভিনন্দন জানান প্রধানমন্ত্রী। তাঁর মুখে শোনা যায় নিতিনের ভূয়সী প্রশংসা। তিনি বলেন, “নিতিন নবীনকে এতদিনে যা যা দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তাতেই নিজেকে প্রমাণ করেছেন। নিতিন সেই প্রজন্মের মানুষ, যিনি ছেলেবেলায় রেডিও দেখেছেন, আর বর্তমানে এআই ব্যবহার করছেন।” এর পরেই প্রধানমন্ত্রী বলেন, “নরেন্দ্র মোদি দেশের প্রধানমন্ত্রী। তৃতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। পঞ্চাশ বছরের কম বয়সে মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন (BJP)। এসব একটা জায়গায় রয়েছে। কিন্তু এর থেকেও বড় পরিচয় হল আমি বিজেপির একজন কর্মী। দলের ক্ষেত্রে আমি কর্মকর্তা, আর নিতিন নবীন আমার বস।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বিজেপি (BJP) এক সংস্কার, এক পরিবার। এই দলে মেম্বারশিপের চেয়েও বেশি রিলেশনশিপ রয়েছে। নেতৃত্ব বদলায়, কিন্তু দিশা বদলায় না (Nitin Nabin)।”

     

  • India: “ভারত আজ নিজের শর্তে বৈশ্বিক বাণিজ্য চুক্তি করতে পারছে”, বললেন ডব্লুইএফ প্রধান

    India: “ভারত আজ নিজের শর্তে বৈশ্বিক বাণিজ্য চুক্তি করতে পারছে”, বললেন ডব্লুইএফ প্রধান

     মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ভারতের (India) ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক শক্তি দেশটিকে এমন জায়গায় পৌঁছে দিয়েছে যে, যেখানে আজ তারা সম্পূর্ণ নিজেদের শর্তে বৈশ্বিক বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা করতে পারছে।” এমনই মন্তব্য করলেন বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের (ডব্লুইএফ) সভাপতি বোরগে ব্রেন্ডে (Borge Brende)। দাভোসে অনুষ্ঠিত ফোরামের ৫৬তম বার্ষিক বৈঠকের ফাঁকে সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে এ কথা বলেন তিনি।

    কী বললেন ডব্লুইএফ প্রধান?

    ব্রেন্ডে বলেন, “গত কয়েক বছরে ভারতের উত্থান বৈশ্বিক অর্থনীতিতে দেশের দরকষাকষির ক্ষমতাকে নতুনভাবে গড়ে তুলেছে। এর ফলে নয়াদিল্লি এখন অনেক বেশি স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারছে, কখন এবং কার সঙ্গে সে বাণিজ্য চুক্তি করবে।” তাঁর কথায়, “এই আত্মবিশ্বাস কোনও কথার কথা নয়, বরং পরিসংখ্যান দ্বারা সমর্থিত।” তিনি বলেন, “ভারতের দৃষ্টিভঙ্গি এখন অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী। বিশ্বে বৃহৎ অর্থনীতিগুলির মধ্যে ভারতই সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল এবং বৈশ্বিক মোট প্রবৃদ্ধির প্রায় ২০ শতাংশ অবদান রাখছে। এটা সত্যিই অসাধারণ।” এই মাত্রা ও গতি থাকায় ভারতের আর তাড়াহুড়ো করে চুক্তি করার বা প্রতিরক্ষামূলক অবস্থান নেওয়ার প্রয়োজন নেই বলেই মনে করেন তিনি। ব্রেন্ডের ভাষায়, “ভারত আজ নিজের স্বার্থ দেখে বাণিজ্য চুক্তি করতে পারে। দীর্ঘমেয়াদে দেশের উন্নয়নের স্বার্থে যখন প্রয়োজন হবে, তখনই ভারত সেই চুক্তি করবে।” তিনি এও বলেন, “ভারতের অর্থনৈতিক সংস্কারের গতি অনেক বৈশ্বিক পর্যবেক্ষককে বিস্মিত করেছে। মাত্র কয়েক মাসের মধ্যেই এত ব্যাপক অর্থনৈতিক সংস্কার হয়েছে, যেটা অবিশ্বাস্য।”

    মার্কিন-ভারত বাণিজ্য চুক্তি

    ব্রেন্ডে মনে করেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের মধ্যে একটি বাণিজ্য চুক্তি ভবিষ্যতে হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কারণ দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্কের দিকনির্দেশনা এবং অর্থনৈতিক পরিপূরকতা সেই পথেরই ইঙ্গিত দিচ্ছে (India)। ভারত-ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) বাণিজ্য আলোচনার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “এখনই দু’পক্ষের এগিয়ে যাওয়ার উপযুক্ত সময়। অতীতে কিছু জটিলতা থাকলেও, বর্তমানে ভারত ও ইউরোপ, উভয়েই এই চুক্তি থেকে উল্লেখযোগ্যভাবে লাভবান হতে পারে।” ব্রেন্ডে বলেন, “আমি মনে করি, এখনই ভারত ও ইউরোপের সময়। ঐতিহাসিকভাবে অনেক চ্যালেঞ্জ ছিল, কিন্তু এই চুক্তি কার্যকর হলে দু’পক্ষই উপকৃত হবে।” তিনি এও বলেন, ইউরোপ আগের তুলনায় এখন বৈশ্বিক বাণিজ্যে অনেক বেশি সক্রিয়। তাঁর ভাষায়, “লাতিন আমেরিকার বহু দেশ এখন ইউরোপের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি করছে, যা আগে কল্পনাও করা যেত না, বিশেষ করে কৃষির মতো জটিল ইস্যুর কারণে (Borge Brende)।”

    বিশ্ব বাণিজ্য ভেঙে পড়ছে না

    শুল্ক সংক্রান্ত বিরোধ, ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা এবং সরবরাহ শৃঙ্খলের বিভাজনের কারণে বৈশ্বিক অনিশ্চয়তা থাকলেও, ব্রেন্ডে সাফ জানিয়ে দেন, “বিশ্ব বাণিজ্য ভেঙে পড়ছে না। বরং আগের তুলনায় ধীরগতিতে বাড়ছে।” তিনি বলেন, “বৈশ্বিক বাণিজ্যে যে রদবদল চলছে, তার পরেও এ বছর বাণিজ্যে প্রায় ৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হবে বলে আমরা আশা করছি। অর্থাৎ বাণিজ্য সংকুচিত হচ্ছে না, কেবল আগের মতো দ্রুত বাড়ছে না। বাণিজ্য জলের মতো, যে নিজের পথ নিজেই খুঁজে নেয়।” ব্রেন্ডের মতে, ভারতের উত্থান বর্তমান সময়ের বৈশ্বিক বাণিজ্য রাজনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনগুলির একটি। যখন বড় বড় অর্থনীতি অস্থিরতার সঙ্গে লড়াই করছে, তখন ভারতের শক্তিশালী প্রবৃদ্ধি, ধারাবাহিক সংস্কার এবং বাড়তে থাকা ভূরাজনৈতিক প্রভাব দেশটিকে শক্ত অবস্থানে থেকে দরকষাকষির ক্ষমতা দিয়েছে। তাঁর দৃষ্টিতে, ভারত এখন আর শুধু বৈশ্বিক বাণিজ্য প্রবণতার প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছে না, বরং (Borge Brende) সেই প্রবণতাগুলি গঠনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে (India)।

  • S Jaishankar: সন্ত্রাসে মদত নয়! পাকিস্তানকে হুঁশিয়ারি, পোল্যান্ডকে কী বার্তা জয়শঙ্করের?

    S Jaishankar: সন্ত্রাসে মদত নয়! পাকিস্তানকে হুঁশিয়ারি, পোল্যান্ডকে কী বার্তা জয়শঙ্করের?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্ত্রাসবাদের মদতদাতা পাকিস্তান। তাদের পাশে না দাঁড়ানোর জন্য পোল্যান্ডকে বিশেষ বার্তা বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের। পাকিস্তানের জঙ্গিনীতি থেকে দূরে থাকাই উচিত ওয়ারশ রাজনীতির। সোমবার পোল্যান্ডের বিদেশমন্ত্রী সিকরস্কিকে এই বার্তায় দিলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। তিন দিনের ভারত সফরে এসেছেন পোল্যান্ডের বিদেশমন্ত্রী সিকরস্কি। সোমবার ছিল তার সফরের শেষদিন। আর এই সফর শেষের আগে বিদেশমন্ত্রী এস.জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠকে বসেন তিনি। সেখানেই পাকিস্তানের পাশে দাঁড়ানো নিয়ে পোল্যান্ডকে সাফ বার্তা ভারতের।

    জম্মু কাশ্মীর প্রসঙ্গ, সন্ত্রাস নিয়ে কড়া বার্তা

    সূত্রের খবর, ভারত ও পোল্যান্ড দুই দেশের বিদেশমন্ত্রীর বৈঠকে উঠে এসেছে রুশ-ইউক্রেন যুদ্ধ থেকে জম্মু কাশ্মীর প্রসঙ্গ। আর দুই দেশের যৌথ বিবৃতিতে কাশ্মীরের সমস্যা মেটাতে রাষ্ট্রসঙ্ঘের হস্তক্ষেপের প্রয়োজন বলেও জানায় ভারত। এমনকি সন্ত্রাসবাদে মদত না দেওয়ার প্রসঙ্গও উঠে এসেছে। সরাসরি ইসলামাবাদের নাম না নিলেও পাকিস্তানকে তোপ দেগেছে ভারত। বিদেশমন্ত্রী এস.জয়শঙ্কর বলেন-“আমরা আশাবাদী, পোল্যান্ড সন্ত্রাসবাদে জিরো টলারেন্স নীতি নিয়েই চলবে।” জয়শঙ্করের এই মন্তব্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ গত বছরের অক্টোবরে পাকিস্তান সফরের সময় পোল্যান্ড কাশ্মীর ইস্যুতে ইসলামাবাদের সঙ্গে একটি যৌথ বিবৃতি দেয়। বৈঠকের শুরুতে জয়শঙ্কর বলেন, পোল্যান্ড দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষিণ এশিয়ায় সীমান্ত পেরিয়ে সন্ত্রাসবাদের হুমকির বিষয়টি জানে। তিনি বলেন, “উপপ্রধানমন্ত্রী, আপনি আমাদের অঞ্চল সম্পর্কে অবগত এবং সীমান্ত পেরিয়ে সন্ত্রাসবাদের দীর্ঘদিনের সমস্যার কথা জানেন। পোল্যান্ডের উচিত সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়া এবং আমাদের প্রতিবেশী সন্ত্রাসী পরিকাঠামোকে কোনওভাবেই উৎসাহ না দেওয়া।”

    কূটনৈতিক তৎপরতা ভারতের

    জয়শঙ্করের এই মন্তব্যের পর সিকোরস্কি সম্মতিসূচক মাথা নেড়ে সীমান্ত পেরিয়ে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে একযোগে লড়াইয়ের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন। তিনি জানান, পোল্যান্ড নিজেও সাম্প্রতিক সময়ে সন্ত্রাসমূলক হামলার শিকার হয়েছে। সিকোরস্কি বলেন, “সম্প্রতি ইউক্রেনের সঙ্গে সংযোগকারী একটি রেলপথে চলন্ত ট্রেনের নিচে বিস্ফোরণ ঘটে, যা কার্যত রাষ্ট্র-সন্ত্রাসের উদাহরণ।” ঘটনাটি ঘটে ২০২৫ সালের অক্টোবরে। গত কয়েক বছরে ইউরোপীয় দেশ ও প্রতিষ্ঠানগুলিকে পাকিস্তানের সন্ত্রাসে অর্থ জোগানো এবং জঙ্গি গোষ্ঠীগুলিকে নিরাপদ আশ্রয় দেওয়ার ইতিহাস সম্পর্কে সতর্ক করতে কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়িয়েছে ভারত।

    রুশ-ইউক্রেন যুদ্ধ প্রসঙ্গ

    বৈঠকে ইউক্রেন যুদ্ধের প্রেক্ষিতে রাশিয়া থেকে তেল আমদানির কারণে ভারতের উপর শুল্ক চাপানোর বিষয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন জয়শঙ্কর। তিনি বলেন, “নিউ ইয়র্ক ও প্যারিসে আগেও আমি ইউক্রেন সংঘাত ও তার প্রভাব নিয়ে আমাদের অবস্থান স্পষ্ট করেছি। একই সঙ্গে বলেছি, ভারতের বিরুদ্ধে এই নির্বাচনীভাবে ব্যবস্থা নেওয়া অন্যায় ও অযৌক্তিক। আজও আমি সেই কথাই পুনরায় বলছি।” জবাবে সিকোরস্কি বলেন, “নির্বাচনী টার্গেটিং শুধু শুল্কের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, এর আরও নানা রূপ রয়েছে।”

     

     

     

     

     

  • India UAE MOU: প্রতিরক্ষা, জ্বালানি থেকে এআই, ৩ ঘণ্টার সফরে সই ৫ চুক্তি! আমিরশাহির প্রেসিডেন্টের সঙ্গে মোদির একাধিক সমঝোতা

    India UAE MOU: প্রতিরক্ষা, জ্বালানি থেকে এআই, ৩ ঘণ্টার সফরে সই ৫ চুক্তি! আমিরশাহির প্রেসিডেন্টের সঙ্গে মোদির একাধিক সমঝোতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত ও সংযুক্ত আরব আমিরশাহির (UAE) সম্পর্কে আরও উষ্ণতা যোগ হল আবু ধাবির প্রেসিডেন্ট শেখ মহম্মদ বিন জায়েদের (India UAE meeting) ভারত সফরে। মাত্র দুই ঘণ্টার সফরে দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। সংক্ষিপ্ত সফরেই দুই দেশের মধ্যে জ্বালানি, পারমাণবিক শক্তি, প্রতিরক্ষা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), বাণিজ্য, সন্ত্রাসবিরোধী লড়াই-সহ বহু গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে বড় সিদ্ধান্ত হয়েছে। বৈঠক শেষে স্পষ্ট, ভারত-আমিরশাহি সম্পর্ক (India UAE relation) এখন শুধু কূটনৈতিক সৌজন্য নয়, বরং কৌশলগত অংশীদারত্বের নতুন উচ্চতায় পৌঁছে গিয়েছে।

    ভারত-আমিরশাহির দৃঢ় বন্ধুত্বের প্রতীক

    সোমবার সুদূর সংযুক্ত আমিরশাহি থেকে ঝটিকা সফরে ভারতে এসেছিলেন প্রেসিডেন্ট শেখ মহম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান। দিল্লি বিমানবন্দরে অবতরণ করেন তিনি। তাঁকে স্বাগত জানাতে সেখানে পৌঁছে যান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। তারপর প্রধানমন্ত্রী মোদির গাড়িতেই চলে বৈঠক। আমিরশাহির প্রেসিডেন্টের এই ঝটিকা সফরের কিছু মুহূর্ত নিজের সমাজমাধ্যমে তুলে ধরেছেন প্রধানমন্ত্রী। এদিন এক্স হ্য়ান্ডেলে বেশ কয়েকটি ছবি পোস্ট করে মোদি লিখেছেন, ‘আমার ভাই, প্রেসিডেন্ট শেখ মহম্মদ বিন জায়েদকে স্বাগত জানাতে গিয়েছিলাম। তাঁর এই সফর ভারত-আমিরশাহির দৃঢ় বন্ধুত্বের প্রতীক।’

    ফলপ্রসূ ও বাস্তবমুখী বৈঠক

    নয়াদিল্লি সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণ রক্ষায় ভারতে এসেছিলেন আরব আমিরশাহির প্রেসিডেন্ট। ছিলেন মাত্র তিন ঘণ্টা। এর মধ্য়েই নানা কূটনৈতিক বিষয় নিয়ে আলোচনা চলেছে দু’পক্ষের মধ্যে। জায়েদের সফর প্রসঙ্গে বিদেশমন্ত্রকের প্রকাশিত তালিকায় দেখা গিয়েছে, বিভিন্ন রাজ্যে বিনিয়োগ থেকে মহাকাশ গবেষণা — নানাবিধ বিষয়ে হাত মেলাতে প্রস্তুত হয়েছে ভারত এবং আরব আমিরশাহি। প্রায় তিন ঘণ্টার এই বৈঠকে দু’দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে সীমিত এবং বর্ধিত পরিসরের আলোচনা হয়। বিদেশ সচিব বিক্রম মিশ্রের কথায়, বৈঠকের সময় কম হলেও সিদ্ধান্তগুলো অত্যন্ত ফলপ্রসূ ও বাস্তবমুখী।

    প্রতিরক্ষা সহযোগিতা

    প্রতিরক্ষা সহযোগিতা নিয়ে একটি লেটার অব ইন্টেন্ট সই হয়, যার মাধ্যমে ভবিষ্যতে যৌথ প্রতিরক্ষা উৎপাদন ও প্রযুক্তি উন্নয়নের কাজ এগিয়ে নেওয়া হবে। মহাকাশ ক্ষেত্রে দু’টি লঞ্চ সুবিধা এবং স্যাটেলাইট প্রস্তুত কারখানা তৈরির জন্যও চুক্তি হয়েছে, যা দু’দেশের যৌথ মহাকাশ অবকাঠামোকে আরও শক্তিশালী করবে।

    জ্বালানি নিরাপত্তা

    বৈঠকের মূল ফোকাস ছিল জ্বালানি নিরাপত্তা। শক্তি খাতে আমিরাত প্রতি বছর ভারতের জন্য ০.৫ মিলিয়ন মেট্রিক টন এলএনজি সরবরাহের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। ফলে ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তায় ইউএই দ্বিতীয় বৃহত্তম সরবরাহকারী হিসেবে ভূমিকা নেবে। ভারত ও আমিরশাহি স্বাগত জানিয়েছে এইচপিসিএল (HPCL) এবং এডিএনওসি (ADNOC Gas)–এর মধ্যে ১০ বছরের এলএনজি (LNG) সরবরাহ চুক্তি স্বাক্ষরকে (India UAE energy deal)। এই চুক্তি অনুযায়ী ২০২৮ সাল থেকে ভারত বছরে ০.৫ মিলিয়ন টন এলএনজি পাবে। এর ফলে ভারতের দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি চাহিদা আরও স্থিতিশীল হবে।

    পরমাণু শক্তি ব্যবহার

    শান্তিপূর্ণ পরমাণু শক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে দু’দেশের মধ্যে সহযোগিতার দরজা খোলা হচ্ছে বলেও ইঙ্গিত মিলেছে। প্রথমবারের মতো দুই দেশ বেসামরিক পারমাণবিক শক্তিতে যৌথ উদ্যোগ নিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। পারমাণবিক চুল্লি তৈরিতে সব ক্ষেত্রেই সহযোগিতা বাড়ানো হবে। ভারতের নতুন শান্তি (SHANTI) আইন আন্তর্জাতিক পারমাণবিক সহযোগিতার পথ আরও সহজ করবে বলে দুই পক্ষই মত প্রকাশ করেছে।

    এআই, ডেটা ও ডিজিটাল সহযোগিতা

    অর্থনৈতিক ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে আমিরাতের পক্ষ থেকে গুজরাটের ধোলেরা স্পেশাল ইনভেস্টমেন্ট রিজিয়ন, ডেটা সেন্টার, সুপার কম্পিউটিং এবং এআই সংক্রান্ত প্রকল্পে বিনিয়োগের ঘোষণা এসেছে। ‘ডেটা এম্বাসি’ ধারণা নিয়েও দুই পক্ষ আলোচনা করেছে, যা সার্বভৌম ডেটা ব্যবস্থার নতুন কাঠামো তৈরি করতে পারে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও উদীয়মান প্রযুক্তি ছিল আলোচনার কেন্দ্রে (India UAE AI cooperation)। দুই দেশ সিদ্ধান্ত নিয়েছে, ভারতে একটি সুপারকম্পিউটিং ক্লাস্টার গড়ে তোলা হবে। আমিরশাহি ডেটা সেন্টারে বিনিয়োগ করতে আগ্রহী। ডিজিটাল এমবাসি নির্মাণের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হবে। শেখ মহম্মদ ২০২৬ সালে ভারতে এআই ইমপ্যাক্ট সামিট (AI Impact Summit) আয়োজনের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন।

    মহাকাশ গবেষণা

    একই ভাবে মহাকাশ গবেষণার স্বার্থেও একটি লেটার অব ইনটেন্ট স্বাক্ষর করেছে ভারত-আরব আমিরশাহি। এর ফলে উপগ্রহ তৈরি থেকে লঞ্চিং- স্পেস সেক্টরে যৌথ উদ্যোগ বাড়বে।

    অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে বিনিয়োগ

    খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে যে সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে, তা ভারতীয় কৃষক ও আমিরাতের খাদ্য সরবরাহ চাহিদা। উভয় দিকেই সুবিধা দেবে। এই আলোচনায় বিশেষ জায়গা পেয়েছে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য। ২০৩২ সালের মধ্য়ে ভারত-আরব আমিরশাহির দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য দ্বিগুণ করার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়েছে নয়াদিল্লি-আবু ধাবি। টার্গেট ২০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। গুজরাটে তৈরি হবে আবু ধাবি ব্যাঙ্ক ও ডিপি ওয়ার্ল্ডের অফিস। বাড়বে কর্মসংস্থান, প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট শেখ মহম্মদ বিন জায়েদ।

    সন্ত্রাসবাদ নিয়ে একমত

    সন্ত্রাসবাদ নিয়ে দু’দেশই কঠোর অবস্থান নিয়েছে। সীমান্তপারের সন্ত্রাসবাদ-সহ সব ধরনের জঙ্গি কার্যকলাপের নিন্দা করেছেন আমিরশাহির প্রেসিডেন্ট। দুই দেশ একটি কৌশলগত প্রতিরক্ষা অংশীদারত্ব গড়ে তুলতে প্রাথমিক চুক্তিপত্র (Letter of Intent) সই করেছে। সাম্প্রতিক বছরগুলিতে সেনাবাহিনীর বিভিন্ন শাখার সফর ও যৌথ মহড়া দু’দেশের প্রতিরক্ষা সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করে। দুই নেতা সীমান্ত-পার সন্ত্রাসবাদ নিয়ে যৌথভাবে উদ্বেগ প্রকাশ করে দোষীদের বিচারের আওতায় আনার দাবিও তুলেছেন।

    ‘হাউজ অফ ইন্ডিয়া’ প্রতিষ্ঠা

    আবুধাবিতে ৪৫ লক্ষ ভারতীয় বাসিন্দার জন্য ‘হাউজ অফ ইন্ডিয়া’ প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত হয়েছে, যা সাংস্কৃতিক ও প্রশাসনিক সহায়তার কেন্দ্র হিসেবে কাজ করবে। পাশাপাশি বাণিজ্য বৃদ্ধি, যুব বিনিময় কর্মসূচি, পশ্চিম এশিয়ায় শান্তি প্রতিষ্ঠা, এসব বিষয়েও দু’দেশ একসঙ্গে কাজ করবে বলে জানানো হয়েছে।

    আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিষয়

    ভারত ও সংযুক্ত আরব আমিরশাহির মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগের সম্পর্ক দীর্ঘ দিনের। দুই দেশের মধ্যে স্থানীয় মুদ্রা ব্যবস্থাপনা, আর্থিক সহযোগিতা চুক্তি, দ্বিপাক্ষিক বিনিয়োগ চুক্তি রয়েছে। জ্বালানি সরবরাহ সংক্রান্ত একাধিক দীর্ঘস্থায়ী চুক্তিও রয়েছে নয়াদিল্লি-আবু ধাবির। ২০১৯ সালের অগস্টে মোদির আবু ধাবি সফরের সময় তাঁর হাতে সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মান ‘অর্ডার অব জায়েদ’ তুলে দিয়ে, নয়াদিল্লির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক মিত্রতা আরও বাড়ানোর স্পষ্ট বার্তা দিয়েছিল সংযুক্ত আরব আমিরশাহি। আবু ধাবির তৎকালীন শাসক জায়েদ ২০২২ সালে সে দেশের প্রেসিডেন্ট হয়েছেন। দুই নেতা পশ্চিম এশিয়ার স্থিতিশীলতা নিয়ে আলোচনা করেছেন। আমিরশাহি ২০২৬ সালে ভারতের ব্রিকস (BRICS) সভাপতিত্বকে সমর্থন করেছে। ভারত সমর্থন করেছে আমিরশাহির জল সম্মেলন (UN Water Conference 2026)-কে।

LinkedIn
Share