Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Manipur: অশান্ত মণিপুরে হামলা বিজেপি দফতরে, ভাঙচুরের পাশাপাশি ধরানো হল আগুন

    Manipur: অশান্ত মণিপুরে হামলা বিজেপি দফতরে, ভাঙচুরের পাশাপাশি ধরানো হল আগুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অশান্ত মণিপুরে আক্রান্ত বিজেপির অফিস। দুই পড়ুয়াকে অপহরণ করে খুনের ঘটনায় অশান্তির আগুনে ফের জ্বলছে মণিপুর (Manipur)। বুধবার সন্ধ্যায় সেই আঁচ পরল থৌবলের বিজেপি দফতরে। অভিযোগ বিজেপি অফিসে ভাঙচুর চালানোর পাশাপাশি আগুনও ধরিয়ে দেয় আক্রমণকারীরা। জেলা বিজেপি দফতরে রাখা কয়েকটি গাড়িতেও আগুন ধরানো হয় বলে অভিযোগ।

    মণিপুরে (Manipur) যেন হিংসা থামার কোনও লক্ষণই দেখা যাচ্ছে না। ইতিমধ্যে সেখানে আফস্পার মেয়াদ আরও ছয় মাস বাড়ানো হয়েছে। তারপরেও ভাঙচুর, লুট, হত্যা, অগ্নিসংযোগ, অপহরণের মতো ঘটনাগুলো ঘটেই চলেছে। মঙ্গলবার দফায় দফায় পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষ বেধেছে। এই সংঘর্ষে ৫০ জনেরও বেশি বিক্ষোভকারী আহত হয়েছেন বলে খবর। ইতিমধ্যে মণিপুরে গুজব ছড়ানো ঠেকাতে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে সমস্ত ইন্টারনেট পরিষেবা। দুই পড়ুয়াকে অপহরণ করে খুনের ঘটনায় তদন্তভার সামলাচ্ছে সিবিআই। বুধবারই সিবিআই-এর ডিরেক্টর অজয় ভাটনগর ইম্ফলে পৌঁছেছেন। 

    অপহরণ করে ২ পড়ুয়াকে খুন

    প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ৬ জুলাই দুই জন পড়ুয়াকে অপহরণ করে খুনের অভিযোগ ওঠে কুকি সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে। এদের মধ্যে একজন হলেন ফিজাম হেমজিদ তাঁর বয়স ২০ এবং অপরজন হিজাম লিনথোইগাম্ভি এই নাবালিকার বয়স ১৭। সোশ্যাল মিডিয়াতে হঠাৎ করে ভাইরাল হয় এই দুই পড়ুয়ার মৃতদেহের ছবি যা নিয়ে ফের জ্বলে ওঠে মণিপুর। মনিপুরের তুই পড়ুয়াকে অপহরণ এবং হত্যার ঘটনায় উদ্বিগ্ন রয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। মণিপুরের (Manipur) মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিং জানান, অমিত শাহ তাঁকে আশ্বস্ত করেছেন, যারা এই অপহরণ এবং হত্যার সঙ্গে যুক্ত, তাদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হবে।

    হিংসা চলছে ৫ মাস ধরে 

    প্রসঙ্গত চলতি বছরের ৩ মে জনজাতি ছাত্র সংগঠনের একটি মিছিলকে ঘিরে মণিপুরে অশান্তির সূত্রপাত হয়। ৫ মাস অতিক্রান্ত হলেও হিংসা বন্ধের কোনও লক্ষণ সেখানে দেখা যাচ্ছে না। ইতিমধ্যে সরকারি হিসেবে প্রায় ২০০ জন মানুষের মৃত্যু হয়েছে। হিংসার ঘটনায় ঘর ছাড়া হয়েছেন প্রায় ৬০ হাজার মানুষ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • AFSPA In Manipur: মণিপুরে আফস্পা আইনের মেয়াদ বাড়ল, জারি আরও ৬ মাস

    AFSPA In Manipur: মণিপুরে আফস্পা আইনের মেয়াদ বাড়ল, জারি আরও ৬ মাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মণিপুরে সেনাবাহিনীর বিশেষ ক্ষমতা আইন, ‘আর্মড ফোর্সেস স্পেশাল পাওয়ার অ্যাক্ট’ এর মেয়াদ বৃদ্ধি সিদ্ধান্ত নিল সে রাজ্যের সরকার (AFSPA In Manipur)। জানা গিয়েছে আগামী ১ অক্টোবর থেকে পরবর্তী ৬ মাস পর্যন্ত এই সিদ্ধান্ত কার্যকর থাকবে। তবে আফস্পা (AFSPA In Manipur) তালিকা থেকে বাদ রাখা হয়েছে ইম্ফল উপত্যকাকে।  

    ৬ জুলাই থেকে নিখোঁজ ছিলেন ২ পড়ুয়া

    প্রসঙ্গত, মণিপুরে হিংসা থামার কোনও লক্ষণই দেখা যাচ্ছে না। দুই পড়ুয়াকে অপহরণ এবং তাঁদেরকে হত্যা করার ঘটনায় নতুন করে অগ্নিগর্ভ হয় এই রাজ্যের পরিস্থিতি। হিংসা বিধ্বস্ত মণিপুরে গত ৬ জুলাই থেকে নিখোঁজ ছিলেন এই দুই ছাত্রছাত্রী। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে তাঁদের মৃতদেহের ছবি ছড়িয়ে পড়ে এবং এতেই নতুন করে উত্তপ্ত হয় পরিস্থিতি। গত দুই দিন ধরে শতাধিক ছাত্র-ছাত্রী ইম্ফল-সহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে প্রতিবাদে সামিল হয়েছেন। তাঁদের ঠেকাতে বাহিনী টিয়ার গ্যাসের শেল ফাটায় ও স্মোক বোমার ব্যবহার করে।  নিরাপত্তাবাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে অন্তপক্ষে ১০০ ছাত্র-ছাত্রী জখম হন। ইম্ফলজুড়ে মোতায়েন করা হয়- মণিপুর পুলিশ, সিআরপিএফ ও ব়্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স।

    মুখ্যমন্ত্রী বিরেন সিংয়ের বিবৃতি

    ১৭ বছরের ছাত্রী হিজাম লিন্থোগাম্বি ও বছর কুড়ির ছাত্র ফিজাম হেমজিৎ-এর মৃত্যু ঘিরে সামনে আসে মুখ্যমন্ত্রীর বিবৃতি। মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিং লেখেন, ‘‘দুই নিখোঁজ ছাত্র-ছাত্রীর মর্মান্তিক মৃত্যুর খবরের পরিপ্রেক্ষিতে, রাজ্যের মানুষকে আমি এই বলে আশ্বস্ত করতে চাই যে, রাজ্যে ও কেন্দ্র উভয় সরকারই আততায়ীদের ধরতে একযোগে কাজ করছে।’’ তারই মধ্যে আফস্পা আইনের (AFSPA In Manipur) মেয়াদ বাড়ানো হয়। ১ অক্টোবর সন্ধে ৭টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত এই নির্দেশিকা কার্যকর হবে। তবে, মণিপুরের স্বরাষ্ট্র দফতর যে নির্দেশিকা জারি করেছে তাতে ১৯টি থানা এলাকাকে এই আইনের আওতার বাইরে রাখা হয়েছে। অন্যদিকে নাগাল্যান্ড, অরুণাচল প্রদেশের কিছু এলাকাতেও বাড়ানো হয়েছে এই আইনের মেয়াদ। সেখানেও ছয় মাসের জন্য বৃদ্ধি করা হয়েছে এই মেয়াদ। পরিস্থিতি বিবেচনা করে আগামী ২৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত রাজ্যের সব স্কুল বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে সরকার। মঙ্গলবার নতুন করে ইন্টারনেট পরিষেবা নিষেধ করা হয়। 

    ৫ মাস ধরে গোষ্ঠীসংঘর্ষে উত্তপ্ত মণিপুর

    প্রসঙ্গত চলতি বছরের ৩ মে মণিপুরের জনজাতি ছাত্র সংগঠনের একটি মিছিলকে ঘিরে হিংসা ছড়ায়। প্রায় পাঁচ মাস ধরে অগ্নিগর্ভ হয়ে রয়েছে মণিপুর। সে রাজ্যের কুকি এবং মেইতি সম্প্রদায়ের মধ্যে সংঘর্ষে এখনও পর্যন্ত ২০০ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এবং ঘর ছাড়া সংখ্যা প্রায় ৬০ হাজার। উত্তর-পূর্ব রাজ্যের জঙ্গি তৎপরতা ঠেকাতে সেনাবাহিনীর হাতে বিশেষ ক্ষমতা তুলে দিতে ১৯৫৮ সালে আফস্পা আইন জারি করেছিল তৎকালীন কেন্দ্র সরকার। পরে ধাপে ধাপে অসম সহ উত্তর-পূর্ব ভারতে বিভিন্ন রাজ্য থেকে আফস্পা (AFSPA In Manipur) প্রত্যাহার করা হয়। ২০২২ সালের এপ্রিল মাসেই অসমের ২৪টি জেলা থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছিল আফস্পা আইন। মণিপুরের হিংসা অনেক কিছু বদলে দিয়েছে, তাই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের সম্মতি নিয়ে রাজ্য সরকার এই আইন জারি করে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • ISRO: চাঁদ-সূর্যের পরে এবার পরের লক্ষ্য শুক্র অভিযান, ঘোষণা ইসরো প্রধানের

    ISRO: চাঁদ-সূর্যের পরে এবার পরের লক্ষ্য শুক্র অভিযান, ঘোষণা ইসরো প্রধানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে ভারত আগেই পা রেখেছে। সূর্যকে নিরীক্ষণ এবং গবেষণার জন্য পাঠানো হয়েছে মহাকাশযান আদিত্য-এল১। এবার ইসরোর পরের মিশন হতে পারে শুক্র গ্রহ (Venus Mission)। চলতি সপ্তাহের মঙ্গলবারই ইসরোর (ISRO) চেয়ারম্যান এস সোমনাথ একথা ঘোষণা করেছেন। প্রসঙ্গত সৌরজগতের সব থেকে উজ্জ্বলতম গ্রহ শুক্র গ্রহ, যাকে আমরা শুকতারাও বলে থাকি। মঙ্গলবার দিল্লির ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল সায়েন্স অ্যাকাডেমিতে বক্তব্য রাখেন ইসরো প্রধান এবং সেখানে তিনি জানিয়েছেন, একাধিক মহাকাশ অভিযান পরিকল্পনার স্তরে রয়েছে এবং শুক্র গ্রহ অভিযান নিয়েও পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এরই মধ্যে জানা গিয়েছে শুক্র অভিযানে যে সমস্ত পেলোডগুলি ইসরো ব্যবহার করবে সেগুলি ইতিমধ্যেই তৈরি হয়ে গিয়েছে। ইসরোর শুক্র অভিযান মূলত শুক্র গ্রহের মাটি এবং বায়ুমণ্ডলকে নিরীক্ষণ করার উদ্দেশ্যেই পরিচালিত হবে।

    এবিষয়ে কী বললেন ইসরো প্রধান?

    দিল্লির সেমিনারে বক্তব্য দেওয়ার সময় ইসরো (ISRO) প্রধান বলেন, ‘‘শুক্র অভিযানে যাবে ইসরোর ‘শুক্রযান’। এই অভিযানের (Venus Mission) নামও তা-ই দেওয়া হয়েছে। এই অভিযানের মূল লক্ষ্য হবে শুক্রগ্রহের মাটি এবং বায়ুমণ্ডল পর্যবেক্ষণ করা।’’ এস সোমনাথের মতে, শুক্র খুব আকর্ষণীয় গ্রহ। শুক্রের বায়ুমণ্ডলের চাপ পৃথিবীর তুলনায় ১০০ গুণ বেশি এটা এতটাই ভারী যে, তা ভেদ করা যায় না। তাই আমরা জানি না, শুক্রের ভূপৃষ্ঠ আদৌ কঠিন কি না। এই গ্রহে অভিযান থেকে অনেক গুরুত্বপূর্ণ অজানা তথ্য আমাদের হাতে আসতে পারে। তা আগামী দিনে আমাদের গ্রহের ভবিষ্যতের ক্ষেত্রেও কাজে লাগতে পারে। তাঁর আরও সংযোজন, ‘‘পৃথিবী এক দিন শুক্র হয়ে উঠতে পারে। আমরা কেউ জানি না কী হবে। হয়তো ১০ হাজার বছর পরে পৃথিবীর অবস্থাও শুক্রের মতো হয়ে যাবে। কারণ, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পৃথিবী তার চরিত্র বদলায়। কোটি কোটি বছর আগে পৃথিবী এখনকার মতো ছিল না।’’ 

    শুক্র অভিযানে বিভিন্ন দেশ

    প্রসঙ্গত ২০১৬ সালে ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সিগুলি শুক্র অভিযান (Venus Mission) চালিয়েছিল। ২০০৬ সাল থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত এই ভেনাস বা শুক্র অভিযান চলেছিল। এর আগে নাসাও একাধিকবার শুক্র অভিযানে নেমেছে। নাসার পরবর্তী শুক্র অভিযান হতে চলেছে ২০২৯ এবং ২০৩০ এবং ২০৩১ সালে।

    ইসরোর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

    শুধুমাত্র শুক্রগ্রহই (Venus Mission) নয়, মহাশূন্যে মৃত নক্ষত্রগুলির উপর নজরদারি চালাতে চলেছে ইসরো (ISRO)। এর জন্য চলতি বছরের ডিসেম্বর মাসেই রওনা দেবে ইসরোর এক্সপোস্যাট (XPoSat) মহাকাশযান। কৃষ্ণগহ্বরের উৎস নিয়ে গবেষণা চালাবে সেটি। পাশাপাশি, সৌরজগতের বাইরে যে সমস্ত গ্রহ রয়েছে, যারা সূর্যেরই মতো অন্য কোনও নক্ষত্রকে প্রদক্ষিণ করে চলেছে, তাদের নিয়েও পরিকল্পনা চালাচ্ছে ইয়রো।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: প্রধানমন্ত্রীকে আপ্যায়ন যন্ত্রমানবের, জল-খাবার পরিবেশন করল রোবট!

    PM Modi: প্রধানমন্ত্রীকে আপ্যায়ন যন্ত্রমানবের, জল-খাবার পরিবেশন করল রোবট!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী যেতেই ধীর পায়ে এগিয়ে এল ধোপদুরস্ত এক মহিলা। স্বাগত জানালেন তাঁকে। পরে তাঁকে যে চা-জলখাবার এগিয়ে দিল, তারও শরীর আগাগোড়া সাদা প্লাস্টিকের তৈরি। বুধবার প্রধানমন্ত্রীকে (PM Modi) যারা আপ্যায়ন করল, তারা কেউই মানুষ নয়, যন্ত্রমামব। এদিন দীর্ঘক্ষণ এই না-মানুষদের সঙ্গেই কাটালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। যন্ত্রমানবদের সঙ্গে তাঁর এই সময় কাটানোর ছবি সমাজমাধ্যমে পোস্ট করেছেন তিনি।

    সায়েন্স সিটির রোবটিক্স গ্যালারি

    দু’ দিনের সফরে গুজরাট গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। বুধবার তিনি যান গুজরাট কাউন্সিল অফ সায়েন্স সিটির রোবটিক্স গ্যালারিতে। তাঁর সঙ্গে ছিলেন গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র পটেলও। এই গ্যালারি দেখে যারপরনাই খুশি প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। সমাজমাধ্যমে পোস্ট করা একটি ছবিতে দেখা যাচ্ছে, একটি রোবট চা-জলখাবার খেতে দিচ্ছে প্রধানমন্ত্রীকে। তিনি লিখেছেন, “গুজরাট সায়েন্স সিটিতে অসাধারণ রোবটিক্স গ্যালারি। রোবট আমাদের চা-ও পরিবেশন করেছে, সেই ছবিটি দেখতে ভুলবেন না।”

    ভাইব্র্যান্ট গুজরাট

    চা-জলখাবারের পাশাপাশি একটি রোবটকে প্রধানমন্ত্রীকে জলের বোতল এগিয়ে দিতেও দেখা গিয়েছে। এদিন রোবট গ্যালারির বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন প্রধানমন্ত্রী। গ্যালারিতে সার দিয়ে দাঁড় করিয়ে রাখা রোবট ও রোবটের যন্ত্রপাতি পরিদর্শন করেন তিনি। একটি রোবটের ছবি মোবাইল ক্যামেরায় বন্দি করতেও দেখা গিয়েছে প্রধানমন্ত্রীকে। 

    রোবটিক গ্যালারি গুজরাটের সায়েন্স সিটিতে নয়া সংযোজন। প্রায় ১১ হাজার বর্গমিটার এলাকা জুড়ে এর বিস্তার। ভাইব্র্যান্ট গুজরাট সামিটের দু’ দশক উপলক্ষে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। প্রসঙ্গত, ২০০৩ সালে গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর থেকেই গ্লোবাল সামিটের সূচনা করেছিলেন মোদি (PM Modi)। তার পর থেকে প্রতি বছর রাজ্য সরকার আয়োজন করে এই অনুষ্ঠানের।  

    আরও পড়ুুন: ছিলেন নাইটক্লাবের বাউন্সার! ট্রুডোর বর্ণিল জীবন হার মানায় রুপোলি পর্দার জগতকেও

    গুজরাটে নানা উন্নয়নমূলক প্রকল্পের উদ্বোধনও করবেন তিনি। এর মধ্যে রয়েছে গ্রামে গ্রামে ওয়াইফাই পৌঁছে দেওয়ার মতো প্রকল্পও। গুজরাটের ছোটা উদয়পুর জেলায় ৫ হাজার ২০৬ কোটি টাকা মূল্যের বিভিন্ন ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্টেরও উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। দাহোদে ২৩ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত নবোদয় বিদ্যালয় ও ১০ কোটি টাকা খরচ করে তৈরি এফএম স্টেশনেরও উদ্বোধন করবেন তিনি।  

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Supreme Court: উপাচার্য নিয়োগ মামলায় এখনই কোনও সিদ্ধান্ত নয়, সাফ জানাল সুপ্রিম কোর্ট

    Supreme Court: উপাচার্য নিয়োগ মামলায় এখনই কোনও সিদ্ধান্ত নয়, সাফ জানাল সুপ্রিম কোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিয়োগের কমিটিতে মুখ্যমন্ত্রী ও উচ্চ শিক্ষা দফতরের প্রতিনিধি রাখতে চেয়ে সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) গিয়েছিল রাজ্য সরকার। বুধবার দেশের শীর্ষ আদালত জানিয়ে দিল, এখনই এ বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নেবে না তারা। রাজ্যপালের অন্তর্বর্তী উপাচার্য নিয়োগের সিদ্ধান্তেও এখনই স্থগিতাদেশ দিচ্ছে না সুপ্রিম কোর্ট।

    সার্চ কমিটি গড়বে আদালত

    এর আগে উপাচার্য নিয়োগে সার্চ কমিটি গড়ে দেওয়ার কথা বলেছিল আদালত। রাজ্যের তরফে পাঁচজন এবং রাজ্যপালের তরফে পাঁচজনের নাম জমা দিতে বলা হয়। পাঁচজনের নামের তালিকা দিতে বলা হয়েছিল ইউজিসিকেও। তিন পক্ষের থেকে তিনজনকে বেছে নিয়ে সার্চ কমিটি গঠন করা হবে বলে জানিয়েছিল আদালত। এই কমিটিই প্রস্তাব করবে উপাচার্যের নাম। আইনজীবীরা চাইলেও নাম দিতে পারেন বলেও জানিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। সার্চ কমিটিতে পরিবর্তন আনতে অর্ডিন্যান্স পাশ করে রাজ্য সরকার। তাকে চ্যালেঞ্জ করে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয় রাজভবন।

    রাজভবনের যুক্তি 

    রাজ্যপালের আইনজীবী সুস্মিতা সাহা দত্তের অভিযোগ, নতুন কমিটিতে রাজ্য সরকারের তিনজন প্রতিনিধি থাকার কথা বলা হয়েছে। যার অর্থ হল, রাজ্য কোনও সিদ্ধান্ত নিলে সংখ্যাগরিষ্ঠতার কারণে ওই কমিটিতে তা সহজেই পাশ হয়ে যাবে। সে ক্ষেত্রে রাজ্যপালের মতামত উপেক্ষা করার সুযোগ থাকছে। এই মামলায়ই মুখ্যমন্ত্রী ও উচ্চ শিক্ষা দফতরের প্রতিনিধি রাখতে চেয়ে শীর্ষ আদালতে আবেদন জানায় রাজ্য। এদিন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সূর্য কান্ত ও বিচারপতি দীপঙ্কর দত্তের ডিভিশন বেঞ্চ জানায়, এখনই ওই বিষয়টি বিবেচনা করা হবে না। রাজ্যের অধ্যাদেশ  নিয়ে যে মামলা হয়েছে, সে ব্যাপারে কলকাতা হাইকোর্টই সিদ্ধান্ত নেবে বলে জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে ৬ অক্টোবর।

    আরও পড়ুুন: নিজ্জর খুনে আরও গাড্ডায় ট্রুডো, পাশে পেলেন না ‘ফাইভ আইজ’ অ্যালায়েন্সকেও

    রাজ্য সরকারকে এড়িয়েই রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস অস্থায়ী উপাচার্য নিয়োগ করেন বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে। আচার্যের সেই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে যায় রাজ্য সরকার। তাদের বক্তব্য ছিল, রাজ্যপাল যে পদ্ধতিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিয়োগ করেছেন, তা বৈধ নয়। এদিকে, উপাচার্য নিয়োগ মামলায় রাজ্যে বিশ্ববিদ্যালয়গুলির তালিকা সহ একাধিক তথ্য জানতে চাইল সুপ্রিম কোর্ট। শুধু তাই নয়, রাজ্যে বর্তমানে উপাচার্য নিয়োগের ক্ষেত্রে কী নিয়ম রয়েছে, সেই নিয়মে কোনও পরিবর্তন করা হয়েছে কিনা, তাও জানানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Ram Mandir: ২২ জানুয়ারি উদ্বোধন রাম মন্দিরের, প্রাণ প্রতিষ্ঠা অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী

    Ram Mandir: ২২ জানুয়ারি উদ্বোধন রাম মন্দিরের, প্রাণ প্রতিষ্ঠা অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০১৯ সালে নভেম্বরের সুপ্রিম কোর্ট রায় দেয় রাম মন্দির (Ram Mandir) নির্মাণের পক্ষে। এরপরেই তোড়জোড় শুরু হয় মন্দির নির্মাণের। ২০২০ সালের ৫ অগাস্ট মন্দিরের ভূমি পূজন করেন প্রধানমন্ত্রী। তারপর থেকেই আগ্রহ এবং কৌতূহল দুটোই বাড়ছিল যে কবে উদ্বোধন হবে রাম মন্দিরের! এবার নির্মিত রাম মন্দিরের উদ্বোধনের দিনক্ষণও স্থির হয়ে গেল। রাম মন্দির (Ram Mandir) কনস্ট্রাকশন কমিটির চেয়ারপার্সন নৃপেন্দ্র মিশ্র জানিয়েছেন, ২০২৪ সালের ২২ জানুয়ারি রাম মন্দিরের উদ্বোধন হবে এবং রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করবেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বিতর্কের অবসান আগেই করেছিল সুপ্রিম কোর্ট, রাম মন্দির নির্মাণের পক্ষে রায়দানের মাধ্যমে, এবার মন্দির উদ্বোধন হলে পূর্ণতা পাবে সুপ্রিম কোর্টের রায়, এমনটাই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

    ২০ থেকে ২৪ জানুয়ারির মধ্যে প্রাণ প্রতিষ্ঠা

    রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা ২০ থেকে ২৪ জানুয়ারির মধ্যে যে কোনও শুভ মুহূর্তে হবে বলে জানিয়েছেন মন্দির কমিটির চেয়ারম্যান। প্রসঙ্গত, ১৪ জানুয়ারি মকর সংক্রান্তি, সেদিন গর্ভগৃহে রামলালার মূর্তি স্থাপন করা হবে। এরপর ১০ দিন ধরে চলবে আচার-অনুষ্ঠান। রাম মন্দির (Ram Mandir) নির্মাণ কমিটির চেয়ারপার্সন আরও জানিয়েছেন চলতি বছরের ডিসেম্বরেই তিন তলা মন্দিরের  একতলার কাজ সম্পন্ন হয়ে যাবে। 

    কবে খুলছে রাম মন্দিরের দরজা 

    রাম মন্দির (Ram Mandir) নির্মাণের ক্ষেত্রে নির্মাণশৈলী বিশেষভাবে করা হয়েছে। নৃপেন্দ্র মিশ্র আরও জানিয়েছেন যে মন্দিরের শিখরে এমন একটি জিনিস বসানো হচ্ছে যাতে প্রতি বছর রামনবমীর দিন সূর্যের আলো ঠিক রামের মূর্তির মাথায় পড়বে। এটির নির্মাণকার্য ইতিমধ্যে চলছে বেঙ্গালুরুতে। ২০২৪ সালের ২৪ জানুয়ারি সাধারণ মানুষের জন্য রাম মন্দিরের দরজা খুলে দেওয়া হবে বলেও জানা গিয়েছে। প্রসঙ্গত, রাম মন্দির তৈরি হচ্ছে আড়াই একর জমির উপরে। মন্দির প্রাঙ্গণে রয়েছে প্রায় আট একর জায়গায়।

     

    আরও পড়ুুন: রোজগার মেলায় ফের চাকরি বিলি, প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে নিয়োগপত্র নিলেন ৫১ হাজার জন

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Manipur Violence: হাই-অ্যালার্ট মণিপুরে! দুই পড়ুয়াকে খুনের জের, ফের পাঁচ দিন বন্ধ ইন্টারনেট

    Manipur Violence: হাই-অ্যালার্ট মণিপুরে! দুই পড়ুয়াকে খুনের জের, ফের পাঁচ দিন বন্ধ ইন্টারনেট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও অশান্ত মণিপুর (Manipur Violence)। এক নাবালক ও নাবালিকার মৃত্যু ঘিরে রণক্ষেত্রের চেহারা নিল রাজধানী ইম্ফল(Imphal)। হিংসা  আটকানোর জন্য আগামী পাঁচদিন ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করার নির্দেশ জারি করা হয়েছে। দুই কিশোর-কিশোরীর হত্য়ার তদন্ত সিবিআই(CBI)-র হাতে তুলে দিয়েছে মণিপুর সরকার। বুধবারই বিশেষ বিমানে ইম্ফলে যাচ্ছে সিবিআইয়ের দল। থাকবেন সিবিআইয়ের স্পেশাল ডিরেক্টর অজয় ভাটনগরও।

    রাজ্য জুড়ে হাই-অ্যালার্ট 

    গত জুলাই মাস থেকে এক কিশোর ও কিশোরী নিখোঁজ ছিল। সম্প্রতিই ওই দুইজনকে নৃশংসভাবে খুন করার ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়। এরপরই নতুন করে উত্তেজনা ছড়ায়। প্রায় শতাধিক পড়ুয়া বিক্ষোভ দেখাতে মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিংয়ের বাড়ির দিকে রওনা দেয়। মৃত দুই পড়ুয়াই মেইতেই সম্প্রদায়ের বলে জানা গিয়েছে। এরপরেই নতুন করে সতর্কতা জারি করা হয়েছে মণিপুর (Manipur Violence) জুড়ে। সে রাজ্যের পুলিশ-প্রশাসনকে হাই-অ্যালার্টে থাকতে বলা হয়েছে। অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে উত্তপ্ত বেশ কয়েকটি জায়গায়। 

    বন্ধ ইন্টারনেট পরিষেবা

    প্রায় দু’মাস বন্ধ থাকার পরে গত ২৫ জুলাই গোষ্ঠীহিংসা দীর্ণ মণিপুরে (Manipur Violence) আংশিক ভাবে ফিরেছিল ইন্টারনেট পরিষেবা। প্রাথমিক ভাবে যাঁদের স্থায়ী ব্রডব্র্যান্ড সংযোগ রয়েছে, তাঁদেরই কেবল ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ফের উত্তেজনা ছড়ানোয় রাজ্যের স্বরাষ্ট্রসচিব টি রঞ্জিত সিংহ এক নির্দেশিকায় জানিয়েছিলেন, ‘আপৎকালীন পরিস্থিতি এবং জননিরাপত্তা আইন’ মেনে সাময়িক ভাবে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখার প্রস্তাবে অনুমোদন মিলেছে। মঙ্গলবার থেকে আনুষ্ঠানিক ভাবে কার্যকর হল ইন্টারনেট পরিষেবা স্তব্ধ রাখার সেই সিদ্ধান্ত। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, মণিপুরে মোবাইল ইন্টারনেট ডেটা পরিষেবার উপর সাময়িক বিধিনিষেধ পরবর্তী পাঁচ দিন চলবে। আগামী ১ অক্টোবর সন্ধ্যা ৭টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত বহাল থাকবে নিষেধাজ্ঞা। তার পর বিষয়টি পর্যালোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হবে।

    মণিপুরে সিবিআই

    মঙ্গলবার রাতেই মণিপুরের (Manipur Violence) মুখ্য়মন্ত্রী এন বীরেন সিং জানান, ওই দুই নাবালিকার মৃত্যুর তদন্ত সিবিআইয়ের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ এবং ঘটনার সমস্ত আপডেট জানানো হচ্ছে বলেও জানান তিনি। এরপরই জানা যায় যে বুধবারই বিশেষ বিমানে মণিপুরে যাচ্ছে সিবিআইয়ের দল। সূত্রের খবর, তদন্তকারীদের দলে থাকবেন সিবিআইয়েরর সেকেন্ড-ইন কম্য়ান্ড অজয় ভাটনগর। ইতিমধ্যেই মণিপুরে উপস্থিত রয়েছেন সিবিআইয়ের যুগ্ন ডিরেক্টর ঘনশ্যাম উপাধ্যায়। এছাড়াও তদন্তকারী দলে স্পেশাল ক্রাইমের একাধিক শীর্ষ কর্তারা উপস্থিত থাকবেন, যারা ঘটনাস্থল পুনর্নিমাণ, জেরা ও টেকনিক্যাল সার্ভেল্যান্সে পারদর্শী। সেন্ট্রাল ফরেনসিক ল্যাবরেটরির আধিকারিকরাও যাচ্ছেন মণিপুরে।

    আরও পড়ুন: ভারতের পাশেই শ্রীলঙ্কা, বন্দরে নোঙর করতে দিল না চিনা জাহাজ

    মণিপুরে শান্তি ফেরাতে সক্রিয় সরকার

    গত চার মাস ধরে হিংসা বিধ্বস্ত মণিপুর (Manipur Violence)। পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার নিয়েছিল। যদিও ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছিল মণিপুর। শিথিল করা হয়েছিল সে রাজ্যের একাধিক জেলায় জারি থাকা কার্ফু। মঙ্গলবার এক অনুষ্ঠানে মণিপুর প্রসঙ্গে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর জানান, মণিপুরে সমস্যা বহুদিন ধরেই।  রাজ্য এমনকি দেশের বাইরে থেকেও মণিপুরে ঢোকেন বহু মানুষ। অশান্তির পিছনে এটি একটি বড় কারণ। সঙ্গে জাতিগত সমস্যাও রয়েছে। তবে, কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার মিলে মণিপুরে শান্তি ফেরাতে সক্রিয়। খুব শীঘ্রই উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যে স্থিতাবস্থা ফিরবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ। 

  • PM Modi: রোজগার মেলায় ফের চাকরি বিলি, প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে নিয়োগপত্র নিলেন ৫১ হাজার জন

    PM Modi: রোজগার মেলায় ফের চাকরি বিলি, প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে নিয়োগপত্র নিলেন ৫১ হাজার জন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলায় যখন হা-চাকরি দশা, তখন রোজগার মেলা করে তরুণদের হাতে চাকরি তুলে দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। মঙ্গলবার তিনি চাকরির নিয়োগপত্র তুলে দিলেন ৫১ হাজার চাকরিপ্রার্থীর হাতে। এর মধ্যে আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের ১ হাজার চাকরিপ্রার্থীও রয়েছেন।

    বাংলায় হা-শিল্প দশা

    নিয়োগ কেলেঙ্কারির জেরে ল্যাজেগোবরে দশা তৃণমূল পরিচালিত রাজ্য সরকারের। শিল্প না থাকায় নিয়োগ বন্ধ বললেই চলে। নানা কেলেঙ্কারিতে তৃণমূলের নেতাদের একাংশ ফেঁসে যাওয়ায় সরকারি চাকরিতে নিয়োগও সেভাবে হচ্ছে না বলে অভিযোগ। এমতাবস্থায় কয়েক মাস ছাড়াই হাজার হাজার চাকরিপ্রার্থীর হাতে চাকরি তুলে দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী। এদিন দেশজুড়ে ৪৬টি জায়গায় রোজগার মেলার আয়োজন করা হয়েছিল। এর মধ্যে আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের রাজধানী পোর্ট ব্লেয়ারেও একটি ক্যাম্প করা হয়েছিল।

    নিয়োগপত্র পেলেন ৫১ হাজার

    এই রোজগার মেলা থেকেই ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দেশের তরুণদের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। এদিন যাঁরা চাকরি পেলেন তাঁদের অভিনন্দন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সরকারি প্রকল্পে প্রযুক্তির ব্যবহার দুর্নীতি, জটিলতা রোধ করেছে। বাড়িয়েছে বিশ্বাসযোগ্যতা ও স্বাচ্ছন্দ্য।” মাস তিনেক আগেও রোজগার মেলার মাধ্যমে ৭০ হাজার চাকরিপ্রার্থীর হাতে নিয়োগপত্র তুলে দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সেবার ২০টি রাজ্যের ৪৩টি জায়গার তরুণের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দিয়েছিলেন তিনি। এদিন নিয়োগপত্র দিলেন ৫১ হাজার জনকে।

    আরও পড়ুুন: “ট্রুডো মিথ্যা কথা বলেন”, কানাডার প্রধানমন্ত্রীকে তোপ শ্রীলঙ্কার

    উনিশের লোকসভা নির্বাচনের আগে আরও বেশি তরুণের কর্মসংস্থান হবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন নরেন্দ্র মোদি। সেই মতো রোজগার মেলার মাধ্যমে নিয়োগপত্র তুলে দিচ্ছেন চাকরিপ্রার্থীদের হাতে। প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “২০৪৭ সালের মধ্যে ভারত উন্নত দেশে পরিণত হওয়ার শপথ নিয়েছে ভারত। আগামী কয়েক বছরেই ভারত বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশে পরিণত হবে। ভারতের জিডিপি দ্রুত বাড়ছে। বিশ্ব অর্থনীতিতে সমস্যা থাকা সত্ত্বেও এগিয়ে চলেছে ভারত। উৎপাদন ও রফতানি ক্ষেত্রে ব্যাপক বৃদ্ধি হয়েছে।” তিনি বলেন, “বর্তমানে ভারতে যে পরিমাণ টাকা বিনিয়োগ হচ্ছে, তা আগে কখনও হয়নি।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “প্রযুক্তি ব্যবহার করে গত ৯ বছরে কীভাবে প্রশাসনিক কাজকর্ম অনায়াস হয়েছে, তা তো দেশবাসী চোখেই দেখেছেন।”

     

     দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ। 

  • Waheeda Rehman: ২০২১ সালের দাদাসাহেব ফালকে আজীবন সম্মাননা পাচ্ছেন ওয়াহিদা রহমান

    Waheeda Rehman: ২০২১ সালের দাদাসাহেব ফালকে আজীবন সম্মাননা পাচ্ছেন ওয়াহিদা রহমান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিনেমা জগতে দেশের সর্বোচ্চ দাদাসাহেব ফালকে সম্মানে ভূষিত হলেন প্রবীণ তথা কিংবদন্তী অভিনেত্রী ওয়াহিদা রহমান (Waheeda Rehman)। চলচ্চিত্র জগতে তাঁর অবদানের জন্য তাঁকে ২০২১ সালের দাদাসাহেব ফালকে বিশেষ আজীবন সম্মাননায় ভূষিত করা হচ্ছে। মঙ্গলবার, এই ঘোষণা করেন কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর।

    ওয়াহিদা রহমানের (Waheeda Rehman) অভনীত ‘গাইড’, ‘পেয়াসা’, ‘কাগজনকে ফুল’ ‘চৌধবী কা চাঁদ’ ভারতীয় সিনেমার ইতিহাসে অমর হয়ে রয়েছে। বিশেষ করে ১৯৬৫ সালে মুক্তি পাওয়া ‘গাইড’ ছবি। প্রয়াত কিংবদন্তী অভিনেতা দেব আনন্দের সঙ্গে তাঁর এই ছবি সেই সময়ে দেশে ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল। প্রসঙ্গক্রমে, আজ প্রয়াত দেব আনন্দের ১০০ তম জন্মদিন। দেব আনন্দ নিজে দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার পেয়েছিলেন ২০০২ সালে। এদিকে, ওয়াহিদা নিজে এর আগে পদ্মভূষণ, পদ্মশ্রী সম্মানের ভূষিত হয়েছেন। 

    মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর কী জানালেন?

    এদিন এই পুরস্কারের ঘোষণা নিজের ট্যুইটার (অধুনা এক্স) হ্যান্ডলে করেন অনুরাগ ঠাকুর। সেখানে তিনি বলেন, “ওয়াহিদা রহমানজিকে (Waheeda Rehman) ভারতীয় চলচ্চিত্রে অসাধারণ অবদানের জন্য, এই বছর দাদাসাহেব ফালকে লাইফটাইম অ্যাচিভমেন্ট সম্মাননা প্রদান করা হল। এই ঘোষণায় আমি অত্যন্ত আনন্দ অনুভব করছি। হিন্দি সিনেমায় তাঁর বৃহৎ অবদানের মাধ্যমে বিপুল প্রশংসা অর্জন করেছেন তিনি। যার মধ্যে ‘সাহেব বিবি অউর গোলাম’, ‘খামোশি’, ‘পেয়াসা’, ‘কাগজনকে ফুল’ ‘চৌধবী কা চাঁদ’ সহ আরও অনেক সিনেমার জন্য সুখ্যাতি অর্জন করেছেন তিনি। পাঁচদশকের বেশি সময় ধরে ভারতীয় চলচ্চিত্র শিল্পে বিশেষ অবদান রেখেছেন তিনি।”

    মন্ত্রী আরও বলেন, “একদিকে সংসদে যেমন নারী শক্তি বিল পাশ হয়েছে, তেমনি আবার সিনেমা জগতে নারী চরিত্রকে দাদা দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কারে সম্মানিত করা হচ্ছে। এটি খুব গুরুত্বপূর্ণ সময়। তিনি একজন ভারতীয় নারী শক্তির প্রকৃষ্ট উদাহরণ যিনি, কঠোর পরিশ্রমের সঙ্গে নাম করেছেন পেশাদার দুনিয়াতেও। মানব সমাজের কল্যাণের জন্য সিনেমা জগতে নেতৃত্ব দিয়েছেন ওয়াহিদা রহমান (Waheeda Rehman)। নিজেকে চলচ্চিত্র শিল্পে উৎসর্গ করেছেন তিনি। আমাদের সমাজ জীবনে চলচ্চিত্র একপ্রকার ইতিহাস নির্মাণ করে, আর সেই ক্ষেত্রে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য।” আর তাই অভিনেত্রী ওয়াহিদা রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর বলেন, “আমি তাঁকে অভিনন্দন জানাই এবং সমস্ত কাজের জন্য শুভেচ্ছা জানাই।” 

    সম্মান পেয়ে কী প্রতিক্রিয়া ওয়াহিদা রহমানের?

    অভিনেত্রী (Waheeda Rehman) বলেন, ‘‘এটি একটি বিশাল সম্মানের যে ভারত সরকার আমাকে এমন একটি মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কারে ভূষিত করার জন্য বেছে নিয়েছে। আমার প্রিয় সহ-অভিনেতা প্রয়াত দেব সাবের (দেব আনন্দ)-এর জন্ম শতবর্ষে এই স্বীকৃতি আমার কাছে আসায় আমি খুবই কৃতজ্ঞ। এটি ঘোষণা করার জন্য এর চেয়ে ভালো দিন আর কী হতে পারে! আমি সমগ্র চলচ্চিত্র জগৎ এবং আমার ভক্তদের ধন্যবাদ জানাতে চাই, যারা সর্বদা আমার কেরিয়ারে আমাকে সমর্থন করেছে এবং আজও একইরকম সম্মান করে। আমি আমার বন্ধু এবং আমার পরিবারের জন্য ঈশ্বরের কাছে কৃতজ্ঞ। আমি সত্যিই খুব খুশি।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

  • Nuh Clash: নুহ-র যে পোস্টারে ছড়িয়েছিল হিংসা, তা সাঁটিয়েছিল আশিফ, জানাল হরিয়ানা পুলিশ

    Nuh Clash: নুহ-র যে পোস্টারে ছড়িয়েছিল হিংসা, তা সাঁটিয়েছিল আশিফ, জানাল হরিয়ানা পুলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়েকটি পোস্টারকে ঘিরে অশান্ত হয়ে উঠেছিল হরিয়ানার নুহ, গুরগ্রাম সহ বিভিন্ন এলাকা। ৩১ জুলাই ব্রিজমণ্ডল জলাভিষেক যাত্রায় অংশ নেওয়া হিন্দু পুণ্যার্থীদের ওপর আছড়ে পড়েছিল হিংসা (Nuh Clash)। এই ঘটনায় হিন্দুত্ববাদী সংগঠন ভিএইচপিকে দায়ী করে মুসলমান এবং বাম ঘেঁষা পত্রপত্রিকাগুলি। যদিও আসল সত্য প্রকাশ করল হরিয়ানা পুলিশ।

    আশিফ লোহার ছাঁট ব্যবসায়ী

    জানা গিয়েছে, সেদিনের ওই পোস্টার সেঁটে ছিল আশিফ নামে এক যুবক। সে পেশায় লোহার ছাঁট ব্যবসায়ী। এহেন আশিফকে গ্রেফতার করে পুলিশ। টানা জেরায় নিজের দোষ কবুলও করে সে। হিন্দি দৈনিক ভাস্করের দাবি, গুরগ্রামের পুলিশ জানিয়েছে, জলাভিষেক যাত্রার ঠিক একদিন আগে সেক্টর ৬৯ এ যে পোস্টারগুলি সাঁটানো হয়েছিল, সেগুলি সাঁটিয়েছিল আশিফ। এই পোস্টারগুলিতে জলাভিষেকের আগে মুসলমানদের এলাকা খালি করে দিতে বলা হয়েছিল। তার জেরেই এলাকায় দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ে হিংসা (Nuh Clash)।

    হিন্দুদের শোভাযাত্রায় হামলা

    ৩১ জুলাই জলাভিষেক যাত্রায় অংশ নেন হিন্দু পুণ্যার্থীরা। আচমকাই হিন্দুদের ওই যাত্রায় হামলা চালায় দুষ্কৃতীরা। মিছিল লক্ষ্য করে পাথর ছোড়া হয়। ভাঙচুর করা হয় গাড়ি। এর পরেই শুরু হয় হিংসা। এলাকার একটি মসজিদ লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি চালানো হয়। সেক্টর ৫৭-এর অঞ্জুমান জামা মসজিদে আগুন লাগিয়ে দেয় উত্তেজিত জনতা। গুলির ঘায়ে মসজিদের ইমাম সহ মৃত্যু হয় চারজনের। এঁদের মধ্যে দুজন হোমগার্ড ও স্থানীয় এক বাসিন্দাও ছিলেন। পুলিশ জানায়, জলাভিষেক যাত্রার দিনের ওই হিংসায় অন্তত ৬০ জন জখম হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। যাঁরা জখম হয়েছেন, তাঁদের মধ্যে অনেকেই পুলিশ কর্মী।

    বাম ঘেঁষা কয়েকটি সংবাদ মাধ্যমের পাশাপাশি ইসলামিস্ট সোশ্যাল মিডিয়া চ্যানেল (Nuh Clash) দাবি করেছিল, বিশ্ব হিন্দু পরিষদের শোভাযাত্রার আগে এলাকা খালি করে দেওয়ার পোস্টারে ভয় পেয়েছিলেন মুসলিমরা। এক্স হ্যান্ডেলে তারা লিখেছে, কর্মসূত্রে আসা মুসলমানেরা ভয় পেয়ে গিয়েছিল। কারণ পোস্টারে লেখা হয়েছে দু দিনের মধ্যে জায়গা খালি না করলে জীবন্ত পুড়িয়ে মারা হবে।

    আরও পড়ুুন: “কিছু শহুরে মাওবাদী এখন কংগ্রেস চালাচ্ছে”, ভোপালের জনসভায় তোপ প্রধানমন্ত্রীর

    পুলিশকে আশিফ জানায়, ব্যবসায়িক শত্রুতার জেরে মোজেদের বাড়ি ও স্ক্র্যাপইয়ার্ডের সামনে পোস্টারগুলি সাঁটায় সে। পোস্টার সাঁটানোর পরে এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়। এই পরিস্থিতিরই সুযোগ নিয়ে আশিফ একচেটিয়া ব্যবসা করার মতলবে ছিল। বিশেষ উদ্দেশ্যেই সে পোস্টারে হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের নাম ব্যবহার করেছিল।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share