Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • India US Relations: ভারতের বন্ধুত্ব অপরিহার্য, আগামী বছর আসতে পারেন ট্রাম্প! দাবি নয়া মার্কিন রাষ্ট্রদূতের

    India US Relations: ভারতের বন্ধুত্ব অপরিহার্য, আগামী বছর আসতে পারেন ট্রাম্প! দাবি নয়া মার্কিন রাষ্ট্রদূতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের ভারত-আমেরিকা (India US Relations) মৈত্রীর বার্তা। সাম্প্রতিক সময়ে শুল্ক বৃদ্ধিকে কেন্দ্র করে টানাপড়েন বেড়েছে ভারত-আমেরিকা সম্পর্কে। ভারতের উদ্দেশে বারবার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই আবহে নতুন বার্তা নিয়ে এলেন ভারতে নবনিযুক্ত মার্কিন দূত সার্জিও গোর (Sergio Gor)। দায়িত্ব নিয়েই তিনি স্পষ্ট করে দিলেন, “ভারতের থেকে কোনও পার্টনারই (সঙ্গী-রাষ্ট্র) বেশি অপরিহার্য নয়।” পাশাপাশি তিনি জানান, আগামী বছরই ভারত সফরে আসতে পারেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

    ভারত আমেরিকার কাছে অপরিহার্য

    দিল্লিতে মার্কিন দূতাবাসে বক্তব্য রাখার সময় গোরের দাবি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ভারতের (India US Relations) চেয়ে অপরিহার্য আর কোনও দেশ নেই। গোর বলেন, “আমেরিকার দূত হিসেবে এখানে আসাটা দারুণ ব্যাপার। আমি এই অসাধারণ দেশে গভীর শ্রদ্ধা এবং একটি সুস্পষ্ট লক্ষ্য নিয়ে এসেছি : আমাদের দুই দেশের মধ্যে পার্টনারশিপকে পরবর্তী স্তরে নিয়ে যাওয়া। এটি বিশ্বের প্রাচীনতম গণতন্ত্র এবং বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রের মধ্যে সংযোগস্থাপন…আমার সঙ্গে শেষ নৈশভোজে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তাঁর শেষ ভারত সফর এবং ভারতের মহান প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর বন্ধুত্বের কথা স্মরণ করেছিলেন। আমি আশা করি, শীঘ্রই প্রেসিডেন্ট আমাদের সঙ্গে দেখা করতে আসবেন, আশা করি পরের বছর বা বছর দু’য়েকের মধ্যে…প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ভোর ২টোর সময় ফোন করার একটা অভ্যাস আছে এবং নয়াদিল্লির সঙ্গে সময়ের পার্থক্যে, এটা খুব ভাল বিষয় হয়ে উঠতে পারে।”

    মোদি-ট্রাম্প ভালো বন্ধু

    ভারতে (India US Relations) দায়িত্ব নিয়েই ট্রাম্প-মোদির ভাল বন্ধুত্বের কথা তুলে ধরেন মার্কিন দূত। সার্জিও গোর জোর দিয়ে বলেন যে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে ট্রাম্পের বন্ধুত্ব খুব ভালো। বাস্তব এবং প্রকৃত বন্ধুরা তাঁদের মতপার্থক্য সমাধান করতে পারে। মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেছেন, “প্রকৃত বন্ধুদের মধ্যে মতপার্থক্য থাকতে পারে, কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাঁরা সবসময় তাঁদের মতপার্থক্য সমাধান করে নেয়।” তিনি উল্লেখ করেন যে, নয়াদিল্লি এবং ওয়াশিংটনের সম্পর্কের জন্য বাণিজ্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হলেও, উভয় দেশ নিরাপত্তা, সন্ত্রাসবাদ দমন, জ্বালানি, প্রযুক্তি, শিক্ষা এবং স্বাস্থ্য-সহ অন্যান্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রেও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে চলেছে। মার্কিন রাষ্ট্রদূতের কথায়, “আমি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে সারা বিশ্ব ঘুরেছি এবং আমি নিশ্চিত করে বলতে পারি যে-প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে তাঁর বন্ধুত্ব বাস্তব, এতে কোনও খাদ নেই।” গোর আরও ঘোষণা করেন যে, ভারত ‘প্যাক্স সিলিকা’ জোটের সদস্য হবে। তিনি বলেন, “আমি আনন্দের সঙ্গে ঘোষণা করছি যে আগামী মাসে এই দেশগুলোর জোটে ভারতকে পূর্ণ সদস্য হিসেবে যোগদানের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হবে।”

    ‘প্যাক্স সিলিকা’ জোট কী?

    একটি নিরাপদ, স্থিতিশীল এবং উদ্ভাবন-চালিত সিলিকন সরবরাহ শৃঙ্খল গড়ে তোলার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে একটি কৌশলগত উদ্যোগ। গত ডিসেম্বরেই ‘প্যাক্স সিলিকা’ তৈরির কথা জানিয়ে দেয় যুক্তরাষ্ট্র। এর মাধ্যমে মূলত সিলিকন উপত্যকার সরবরাহ শৃঙ্খলকে সমৃদ্ধশালী, নিরাপদ এবং উদ্ভাবনী শক্তিসম্পন্ন হিসেবে গড়ে তুলতে চাইছে ওয়াশিংটন। এর মধ্যে থাকবে বিরল খনিজ, অত্যাধুনিক প্রযুক্তি, সেমিকন্ডাক্টর বা চিপ এবং কৃত্রিম মেধা বা এআই (আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স) পরিকাঠামো। সংশ্লিষ্ট গোষ্ঠীতে থাকছে জাপান, রিপাবলিক অফ কোরিয়া (দক্ষিণ কোরিয়া), সিঙ্গাপুর, নেদারল্যান্ডস, ব্রিটেন, ইজরায়েল, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি এবং অস্ট্রেলিয়া। এছাড়াও রিপাবলিক অফ চায়না বা তাইওয়ান, ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশ এবং কানাডাকে নিয়ে ‘প্যাক্স সিলিকা’ গঠন করতে চলেছে আমেরিকা।

    পরবর্তী দ্বিপাক্ষিক ফোনালাপ

    মোদি এবং ট্রাম্পের বন্ধুত্বের(India US Relations) কথা বহুল চর্চিত। কখনও মোদির আমেরিকা সফর, আবার কখনও ট্রাম্পের এ দেশে আসা— এ সবই নতুন বার্তা বহন করেছে। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে সেই সম্পর্ক তলানিতে ঠেকেছে বলে দাবি। নেপথ্যে বণিজ্যচুক্তি জট এবং ট্রাম্পের একতরফা শুল্ক চাপানো! দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে ভারত এবং আমেরিকার মধ্যে যে সুসম্পর্ক বজায় ছিল, তা এখন প্রশ্নের মুখে। এর জন্য ট্রাম্পের ‘নীতি’কে দায়ী করেছে বিশ্ব। দুই দেশের সম্পর্কে টানাপড়েনের আবহে বাণিজ্য (trade) নিয়ে ফের সক্রিয় আলোচনায় বসতে চলেছে ভারত ও আমেরিকা (India–U.S.)। আগামিকাল, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারি এই বিষয়ে পরবর্তী দ্বিপাক্ষিক ফোনালাপ হবে বলে জানিয়েছেন ভারতে নিযুক্ত নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোর (Sergio Gor)। সোমবার নয়াদিল্লিতে দায়িত্ব গ্রহণের দিনই এই সুসংবাদের কথা জানান তিনি।

    বাণিজ্য-চুক্তি নিয়ে আলোচনা

    গোরের মন্তব্যে কিছুটা স্বস্তি পেয়েছে ভারতীয় শেয়ার বাজার। সোমবার দুপুরে বেঞ্চমার্ক সূচক নিফটি ৫০ (Nifty 50) প্রায় ২২০ পয়েন্ট ঘুরে দাঁড়িয়ে ০.১৫ শতাংশ বৃদ্ধিতে লেনদেন করে। নিফটি ছিল প্রায় ২৫,৭৫০-এর কাছাকাছি, আর সেনসেক্স (Sensex) ওঠে প্রায় ২০০ পয়েন্ট। ভারতের বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়েলও (Piyush Goyal) আলাদা মন্তব্যে জানিয়েছেন, ওয়াশিংটনের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে নয়াদিল্লি। সার্জিও গোর বলেন, আমেরিকা ও ভারত কেবল অভিন্ন স্বার্থে আবদ্ধ নয়, এই সম্পর্ক সর্বোচ্চ স্তরে দৃঢ়ভাবে প্রোথিত। গোরের দাবি, বিশ্বের বৃহত্তম জনসংখ্যার দেশ ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করা সহজ কাজ নয়। তবু ওয়াশিংটন সেই লক্ষ্যেই এগোচ্ছে। ভারত সফর প্রসঙ্গে গোর জানান, তাঁর দায়িত্বই হল ভারত–আমেরিকা (India US Relations) অংশীদারিত্বকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাওয়া।

  • RSS: “সংঘের পরিবর্তন হচ্ছে না, ধীরে ধীরে বিভিন্ন রূপে আত্মপ্রকাশ করছে”, বললেন মোহন ভাগবত

    RSS: “সংঘের পরিবর্তন হচ্ছে না, ধীরে ধীরে বিভিন্ন রূপে আত্মপ্রকাশ করছে”, বললেন মোহন ভাগবত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “সংঘ বিকশিত হচ্ছে এবং নতুন রূপে নিজেকে প্রকাশ করছে, আর একেই জনসমাজ মনে করে যে সংঘ পরিবর্তিত হচ্ছে। তবে, সংঘ পরিবর্তিত হচ্ছে না, এটি ধীরে ধীরে বিভিন্ন রূপে নিজেকে প্রকাশ করছে। ঠিক একটি বীজ থেকে গাছ হওয়ার প্রক্রিয়ার মতো।” রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (RSS) সরসঙ্ঘচালক ড. মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat) দিল্লিতে কেশব কুঞ্জ, ঝাণ্ডেওয়ালায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে “১০০ ইয়ার্স অফ রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ–শতক” সিনেমাকে ঘিরে একটি অনুষ্ঠানে ভাষণ দেন। এই সিনেমার দুটি গান—“ভারত মা কে বাচ্চে” এবং “ভগওয়া হ্যায় মেরি পেহচান” প্রকাশিত হয়। এই গানগুলিতে কণ্ঠ দিয়েছেন গায়ক সুখবিন্দর সিং।

    জন্ম থেকেই দেশপ্রেমিক ছিলেন ডাক্তারজি (Mohan Bhagwat)

    “শতবর্ষ রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ” অনুষ্ঠানে ভাষণ দিতে গিয়ে ড. মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)  বলেন, “সংঘ এবং ডাক্তার সাহেব সমার্থক। রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের প্রতিষ্ঠাতা ড. কেশব বলিরাম হেডগেওয়ারের মনস্তত্ত্ব গবেষণা ও অধ্যয়নের বিষয়। যখন ডাক্তার সাহেবের বাবা-মা একই দিনে, এক ঘণ্টার ব্যবধানে মারা যান, তখন তাঁর বয়স ছিল মাত্র ১১ বছর। এত অল্প বয়সে, এমন একটি মারাত্মক ধাক্কা সাধারণত মানসিক বিচ্ছিন্নতার দিকে নিয়ে চলে যায়। তবে, এই আঘাত ডাক্তারজীর মনে বিরূপ প্রভাব ফেলেনি। তিনি নিশ্চয়ই অপরিমেয় দুঃখ অনুভব করেছিলেন, যা কল্পনাও করা যায় না, কিন্তু তাঁর প্রকৃতি বা ব্যক্তিত্বের উপর কোনও নেতিবাচক প্রভাব পড়েনি। ডাক্তারজি জন্ম থেকেই দেশপ্রেমিক ছিলেন। মনকে বিচলিত না হতে দিয়ে বড় আঘাতগুলিও সহ্য করার ক্ষমতা তাঁর সহজাত ভাবেই হয়তো ছিল। তিনি একজন শক্তিশালী এবং সুস্থ মনের প্রতিবিম্ব।”

    অটল দেশপ্রেম এবং শক্তি প্রদর্শন

    ড. মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat) আরও বলেন, “ডাক্তার হেডগেওয়ারের জীবন আরএসএস-এর চেতনাকে মূর্ত করে তুলেছিলেন। তাঁর কাছে সংকল্প ছিল সর্বদা ভারত প্রথমে। ‘শতক’ সিনেমা এবং এর গান ‘ভগওয়া হ্যায় আপনি পেহচান’ অটল দেশপ্রেম এবং শক্তি প্রদর্শন করে। আরএসএস পরিবর্তিত হচ্ছে না; এটি বিকশিত হচ্ছে, তার মূলে অখণ্ড সনাতন সত্য রয়েছে। এই চলচ্চিত্রটি না বলা গল্পগুলিকে প্রকাশিত করেছে। ড. হেডগেওয়ার মানুষকে একত্রিত করার এবং জীবনের চ্যালেঞ্জগুলিকে শান্তভাবে সামলানোর জন্য ক্ষমতাকে কীভাবে অর্জন করতে হবে সেই কথা বলেন। তাই আজকের এই প্রভাবশালী উদ্যোগের জন্য আমার পক্ষ থেকে দলের প্রতি শুভ কামনা রইল।”

    দেশসেবার সমতুল্য

    অনুষ্ঠানে যোগদান করে গায়ক সুখবিন্দর সিং বলেন, “মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)  জির হাত ধরে আমার গান ‘ভগওয়া হ্যায় আপনি পেহচান’ প্রকাশ হওয়ায় আমি অভিভূত। তাঁর উপস্থিতি একটি আশীর্বাদ এবং তাঁর দূরদর্শিতা আমাদের অনুপ্রাণিত করে সবসময়। আমি পরিচালকের ভাবনাকে পছন্দ করেছি। সরলতা কিন্তু প্রভাব রয়েছে। ইতিহাসকে ফিরে দেখে সিদ্ধান্তগুলিকে মূল্যায়ন করা উচিত। এই গানটি কেবল একটি পেশাগত কারণে গান নয়, সম্পূর্ণ ভাবে দেশসেবার সমতুল্য। আমি এতে আমার হৃদয় ঢেলে দিয়েছি, আশা করি এটি সবার কাছে পৌঁছাবে। এই গানটি হিন্দুস্তানের আসল চেতনাকে তুলে ধরে।”

    “১০০ ইয়ার্স অফ রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ–শতক” চলচ্চিত্রটি বীর কাপুর এবং আশীষ মাল পরিচালনা করেছেন। এদিনের অনুষ্ঠানে আরএসএস অখিল ভারতীয় কার্যকারিনি সদস্য সুরেশ জোশী, গায়ক সুখবিন্দর সিং এবং অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

  • PM Modi: নয়া উচ্চতায় ভারত–জার্মানি সম্পর্ক, মোদি-মের্ৎসের উপস্থিতিতে স্বাক্ষরিত হল একগুচ্ছ মউ

    PM Modi: নয়া উচ্চতায় ভারত–জার্মানি সম্পর্ক, মোদি-মের্ৎসের উপস্থিতিতে স্বাক্ষরিত হল একগুচ্ছ মউ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতিরক্ষা, অভিবাসন ও কর্মী যাতায়াত, প্রযুক্তি এবং পরিচ্ছন্ন জ্বালানির ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও গভীর করার বিষয়ে একমত হল ভারত ও জার্মানি (Germany)। এনিয়ে গুজরাটে যৌথ সাংবাদিক সম্মেলনও করেন দুই দেশের দুই প্রতিনিধি। যৌথ বিবৃতি দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) ও জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎস। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ভারত ও জার্মানির মতো অর্থনীতির মধ্যে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা শুধু দুই দেশের জন্যই নয়, সমগ্র মানবজাতির জন্যই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।” তাঁর কথায়, দীর্ঘদিনের সম্পর্ককে এখন নতুন বৃদ্ধি ও নিরাপত্তার ফলাফলে রূপান্তরিত করার সময় এসেছে।

    সুস্পষ্ট রোডম্যাপ (PM Modi)

    প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে দুই দেশ একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরির দিকে এগোচ্ছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম কেনার ক্ষেত্রে জার্মানির প্রক্রিয়াগত জটিলতা কমানোর সিদ্ধান্তকেও স্বাগত জানান। অতীতে এই জটিলতাই দ্বিপাক্ষিক প্রতিরক্ষা সহযোগিতার পথে বাধার প্রাচীর হয়ে দাঁড়িয়েছিল। বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারত বর্তমানে প্রতিরক্ষা খাতে বৈচিত্র্য আনা এবং দেশীয় উৎপাদন জোরদার করার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। জার্মানির সহজতর ক্রয় প্রক্রিয়া যৌথ প্রকল্প ও সরবরাহকারী অংশগ্রহণ দ্রুততর করতে পারে। দুই দেশ অভিবাসন ও দক্ষ কর্মী যাতায়াত নিয়ে একসঙ্গে কাজ করার সিদ্ধান্তও নিয়েছে। এর মাধ্যমে জার্মানির শ্রমবাজারের চাহিদা এবং ভারতের দক্ষ মানবসম্পদের মধ্যে যোগসূত্র তৈরি হবে বলে মনে করা হচ্ছে। যদিও নির্দিষ্ট সময়সীমা ঘোষণা করা হয়নি, তবে এই উদ্যোগকে অর্থনৈতিক কৌশল হিসেবেই দেখা হচ্ছে (PM Modi)।

    ভারত–জার্মানি কৌশলগত অংশীদারিত্ব

    মোদি জানান, গত বছর ভারত–জার্মানি কৌশলগত অংশীদারিত্বের ২৫ বছর পূর্ণ হয়েছে এবং চলতি বছর দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৭৫ বছর উদযাপিত হচ্ছে। ক্রমবর্ধমান বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক এই অংশীদারিত্বে নতুন গতি এনেছে, যার প্রভাব (Germany) পড়বে বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খলেও। দুই দেশ যৌথভাবে ভারত–জার্মানি সেন্টার অফ এক্সেলেন্স গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথাও ঘোষণা করেছে। এই কেন্দ্র জ্ঞান, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে একটি যৌথ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে (PM Modi)। এছাড়া জলবায়ু পরিবর্তন, পরিচ্ছন্ন জ্বালানি, নগর উন্নয়ন ও আরবান মোবিলিটির ক্ষেত্রে একাধিক নতুন প্রকল্প এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। ভারত ও জার্মানির সংস্থাগুলির অংশগ্রহণে একটি বৃহৎ সবুজ হাইড্রোজেন প্রকল্পকে ভবিষ্যতের জ্বালানি ক্ষেত্রে “গেম-চেঞ্জার” হিসেবেও তুলে ধরা হয়।

    স্বামী বিবেকানন্দের জন্মবার্ষিকীতে চ্যান্সেলর মের্ৎসকে স্বাগত জানিয়ে মোদি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, স্বামী বিবেকানন্দ ও ম্যাডাম কামার মতো ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্বদের কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, “এই সফর সেই ঐতিহ্যকে আধুনিক কৌশলগত অংশীদারিত্বে রূপ দিচ্ছে (PM Modi)।” চ্যান্সেলর মের্ৎস বলেন, “জার্মানি ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর ও শক্তিশালী করতে চায়। এর আগে তিনি মহাত্মা গান্ধীর জন্মভূমিও পরিদর্শন করেন (Germany)। এই সফরের সময় দুই দেশের মধ্যে একাধিক মউ স্বাক্ষরিত হয়।

  • Vande Bharat: বন্দে ভারত স্লিপার থেকে অমৃত ভারত, নববর্ষে বাংলাকে একগুচ্ছ ট্রেন উপহার মোদি সরকারের

    Vande Bharat: বন্দে ভারত স্লিপার থেকে অমৃত ভারত, নববর্ষে বাংলাকে একগুচ্ছ ট্রেন উপহার মোদি সরকারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নববর্ষে বাংলাকে একগুচ্ছ ট্রেন উপহার দিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকার। উপহার দেওয়া হয়েছে অসমকেও (Vande Bharat)। জানা গিয়েছে, একই সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গ এবং অসম থেকে ১১টি ট্রেন চালু করতে চলেছে ভারতীয় রেল (Amrit Bharat Express)। সূত্রের খবর, এই ১১টি ট্রেনের মধ্যে রয়েছে আটটি অমৃত ভারত এবং একটি বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনও। দেশে এই প্রথমবার আটটি বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন চালু হচ্ছে। আর রাজ্যভিত্তিক বণ্টনের নিরিখে ১১টি ট্রেনের মধ্যে ন’টিই পাচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ। বাকি দুটি ট্রেনও অসম ছেড়ে পশ্চিমবঙ্গ ছুঁয়ে যাবে গন্তব্যে। একটি মেমু প্যাসেঞ্জার ট্রেনের যাত্রাপথও সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। বাঁকুড়া-ময়নাপুর মেমু প্যাসেঞ্জার ট্রেন সম্প্রসারণ করা হচ্ছে জয়রামবাটি পর্যন্ত।

    নয়া ট্রেন (Vande Bharat)

    রেল সূত্রে খবর, নয়া যে ট্রেনগুলি চালু হবে, সেগুলি হল, নিউ জলপাইগুড়ি-তিরুচিলাপল্লি অমৃত ভারত এক্সপ্রস, এসএমভিটি বেঙ্গালুরু-আলিপুরদুয়ার অমৃত ভারত এক্সপ্রেস, আলিপুরদুয়ার-পানভেল অমৃত এক্সপ্রেস, ডিব্রুগড়-গোমতী নগর অমৃত ভারত এক্সপ্রেস, কামাখ্যা-রোহতক অমৃত ভারত এক্সপ্রেস, হাওড়া-আনন্দ বিহার টার্মিনাল অমৃত ভারত এক্সপ্রেস, শিয়ালদা-বেনারস অমৃত ভারত এক্সপ্রেস, নিউ জলপাইগুড়ি-নাগেরকোল অমৃত ভারত এক্সপ্রেস, হাওড়া-কামাখ্যা বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন, এসএমভিটি বেঙ্গালুরু-বালুরঘাট এক্সপ্রেস এবং এসএমভিটি বেঙ্গালুরু-রাধিকাপুর এক্সপ্রেস (Vande Bharat)।

    কী বললেন রেলমন্ত্রী

    ২০২৬ সালের প্রথম দিনই রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব জানিয়েছিলেন, দেশের প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন চালু হবে হাওড়া থেকে (Amrit Bharat Express) কামাখ্যার মধ্যে। সম্প্রতি তিনি বলেন, “আগামী ১৫ থেকে ২০ দিনের মধ্যেই পরিষেবা চালু হয়ে যাবে, পরিষেবা শুরু হবে সম্ভবত ১৮ বা ১৯ তারিখ। আমরা প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ করেছি। তিনি রাজিও হয়েছেন। আর সব কিছু ঠিকঠাক হয়ে গিয়েছে। দু’-তিনদিনের মধ্যেই নির্দিষ্ট দিনক্ষণ ঘোষণা করে দেব।”

    ভাড়া কত

    রেলমন্ত্রী জানিয়েছেন, কলকাতা থেকে গুয়াহাটিতে বিমানে যেতে খরচ পড়ে ৬ থেকে ৮ হাজার টাকা। সেখানে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনে থার্ড এসিতে যেতে খরচ হবে খাবার-সহ ২,৩০০ টাকার মধ্যে। সেকেন্ড এসিতে সফর করতে হলে দিতে হবে আরও ৭০০ টাকা বেশি (Vande Bharat)। আর ফার্স্ট এসিতে ভাড়া পড়বে মোটামুটি ৩,৬০০ টাকা। তিনি জানান, মধ্যবিত্তের কথা মাথায় রেখেই ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে। মন্ত্রী জানান, গুয়াহাটি থেকে যে ট্রেন হাওড়া আসবে, তাতে মিলবে অসমের খাবার। আর কলকাতা থেকে যে ট্রেন কামাখ্যা যাবে, তাতে পাওয়া যাবে বাঙালি খাবার (Amrit Bharat Express)।

    রেল সূত্রে খবর, সাঁতরাগাছি থেকে চেন্নাই পেরিয়ে তাম্বারাম পর্যন্ত চালু হচ্ছে অমৃত ভারত এক্সপ্রেস। বালুরঘাট-হিলির মধ্যে নয়া রেলপথে শিলান্যাসের জন্য বরাদ্দ হয়েছে ১ হাজার ১৮১ কোটি টাকা। নিউ কোচবিহার থেকে বামনহাট ও বক্সিরহাটের মধ্যে ৯৫ কিলোমিটার লাইনের বৈদ্যুতিকীকরণ করা হবে। এজন্য বরাদ্দ হচ্ছে ১১৮ কোটি টাকা (Vande Bharat)। ফালাকাটা থেকে ধূপগুড়ি পর্যন্ত চার লেনের জাতীয় সড়ক তৈরি প্রকল্পের শিলান্যাসও হবে একই দিনে। এজন্য বরাদ্দ হয়েছে ১ হাজার ৬০৬ কোটি টাকা (Amrit Bharat Express)।

  • Pakistan Drone: সাম্বা-রাজৌরি ও পুঞ্চের আকাশে পাঁচটি পাক ড্রোন! দেখামাত্রই পাল্টা দাওয়াই সেনার, কেন ভারতের সীমায় পাকিস্তানের গতিবিধি?

    Pakistan Drone: সাম্বা-রাজৌরি ও পুঞ্চের আকাশে পাঁচটি পাক ড্রোন! দেখামাত্রই পাল্টা দাওয়াই সেনার, কেন ভারতের সীমায় পাকিস্তানের গতিবিধি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বদলাবে না পাকিস্তান (Pakistan Drone)। জম্মু কাশ্মীরে পাক সীমান্তে ফের সন্দেহজনক ড্রোন পাঠাল পাকিস্তান। প্রজাতন্ত্র দিবসের আগেই গুলি চলল ভারত-পাকিস্তান আন্তর্জাতিক সীমান্তে। অপারেশন সিঁদুরের পর বারবার অস্ত্রবাহী ড্রোন ঢুকিয়ে ভারতের ক্ষতি করতে চেয়েছে পাকিস্তান। রবিবার সন্ধ্যায় আবারও জম্মু ও কাশ্মীরের সাম্বা, রাজৌরি এবং পুঞ্চ জেলায় সীমান্ত বরাবর আকাশে দেখা গেল আলোর ঝলকানি। এমনকী ভারতের আকাশসীমাতেও ড্রোনগুলি ঢুকে পড়েছে বলে খবর। গোটা ঘটনায় নিরাপত্তা বাহিনীর জন্য হাই অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে।

    কোথায় কোথায় দেখা গিয়েছে পাক ড্রোন

    নিরাপত্তাবাহিনীর আধিকারিকরা জানিয়েছেন, রবিবার বিকেল ৬টা থেকে সোয়া ৭টা পর্যন্ত অন্তত পাঁচটি পাক ড্রোন দেখা গিয়েছে কাশ্মীরে। আন্তর্জাতিক সীমান্ত এবং নিয়ন্ত্রণরেখা সংলগ্ন সাম্বা, রাজৌরি এবং পুঞ্চ জেলায় পাক ড্রোন দেখা গিয়েছে। সীমান্ত পেরিয়ে ড্রোনগুলি ভারতের আকাশসীমায় ঢুকেছিল। বেশ কিছু অঞ্চলে খানিকক্ষণ চক্কর কেটেছে। তারপর আবারও পাকিস্তানে ফিরে গিয়েছে ড্রোনগুলি। জানা গিয়েছে, রাজৌরিতে নওশেরা সেক্টরের গানিয়া-কালসিয়ান গ্রামে বিকেল ৬টা ৩৫ নাগাদ পাক ড্রোন উড়তে দেখা যায়। ভারতীয় সেনা ড্রোন লক্ষ্য করে গুলি চালায়। অন্যদিকে, সাম্বা জেলার চক বাবরাল গ্রামে সন্ধে সোয়া সাতটা নাগাদ চক্কর কাটে পাক ড্রোন। পুঞ্চ জেলায় নিয়ন্ত্রণরেখা লাগোয়া এলাকাগুলিতে সন্ধে সাড়ে ৬টা নাগাদ একটি পাক ড্রোন উড়তে দেখা যায়। তবে ভারতের উপর কোনও হামলা চালায়নি এই পাক ড্রোনগুলি। ভারতের প্রত্যাঘাতে কোনও পাক ড্রোন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কিনা সেটাও জানা যায়নি।

    কী উদ্দেশে ড্রোনের আনাগোনা

    বেশ কয়েক মিনিট ভারতের আকাশ সীমায় ঢুকেছিল ড্রোনগুলি। তারপর তারা ফিরেও যায়। তাহলে আবার কি কোনও নাশকতার ছক করছে প্রতিবেশী দেশ? নিরাপত্তা আধিকারিকদের মতে, ভারতে লুকিয়ে থাকা জঙ্গিদের অস্ত্র এবং অন্যান্য রসদ দিতেই সম্ভবত এসেছিল পাক ড্রোনগুলি। ইতিমধ্যেই ওই তিন জেলায় শুরু হয়েছে চিরুনি তল্লাশি। যে এলাকাগুলিতে পাক ড্রোন চক্কর কাটতে দেখা গিয়েছে, সেখানে তল্লাশি শুরু করেছে সেনা, পুলিশ এবং অন্যান্য সংস্থাগুলি। সন্দেহজনক জিনিসপত্র বা অস্ত্র উদ্ধারের জন্য সন্দেহজনক ড্রপ জোনে গভীর রাত পর্যন্ত তল্লাশি অব্যাহত ছিল। এর আগে শুক্রবার রাতে সাম্বা জেলার ঘাগওয়াল এলাকার পলৌরা গ্রামে নিরাপত্তা বাহিনী একটি ড্রোন-এর মাধ্যমে বহু অস্ত্রভাণ্ডার উদ্ধার করে। কর্মকর্তাদের মতে, এই ড্রোনটিও পাকিস্তান থেকে এসেছিল। উদ্ধার হওয়া সামগ্রীর মধ্যে ছিল দুটি পিস্তল, তিনটি ম্যাগাজিন, ১৬টি কার্তুজ এবং একটি গ্রেনেড। নিরাপত্তা সংস্থাগুলি সতর্ক অবস্থায় ড্রোনগুলির লাগাতার কার্যকলাপের কারণে নিরাপত্তা সংস্থাগুলি হাই অ্যালার্টে রয়েছে।

  • Vehicle to Vehicle: গাড়িতেও বসতে চলেছে ‘কবচ’! দুর্ঘটনা ঠেকাতে অভিনব প্রযুক্তি আনছে মোদি সরকার

    Vehicle to Vehicle: গাড়িতেও বসতে চলেছে ‘কবচ’! দুর্ঘটনা ঠেকাতে অভিনব প্রযুক্তি আনছে মোদি সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় সরকার ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ ভারতীয় সড়ক পরিবহণ দফতর ভেহিক্যল-টু-ভেহিক্যল (Vehicle to Vehicle) যোগাযোগ প্রযুক্তি চালু করার পরিকল্পনা করেছে। এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য হল দেশজুড়ে সড়ক নিরাপত্তা বৃদ্ধি করা এবং দুর্ঘটনার হার কমানো। এই প্রযুক্তির বিশেষত্ব হল, বাহ্যিক নেটওয়ার্কের যেমন মোবাইল নেটওয়ার্ক ওপর নির্ভর না করেই একেবারে সরাসরি এক যানবাহন থেকে অন্য যানবাহনে তথ্য আদান-প্রদান করতে পারবে। কীভাবে এই প্রযুক্তি (New Safety Plan) পরিষেবা দেবে আসুন জেনে নিই।

    দুর্ঘটনা হ্রাস

    কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ মন্ত্রী নিতিন গড়করি এই প্রস্তাবের বিষয়টি সম্পর্কে সবুজ সঙ্কেত দিয়েছেন। এই ভেহিক্যল-টু-ভেহিক্যল প্রযুক্তি (New Safety Plan) একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক নিরাপত্তা ব্যবস্থা হিসেবে চিহ্নিতও করেছেন। এই ভেহিক্যল-টু-ভেহিক্যল (Vehicle to Vehicle) সিস্টেমটি চলমান গতিশীল যানবাহনের দ্বারা রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা বা পার্ক করা যানবাহনকে ধাক্কা দেওয়ার মতো সংঘর্ষগুলি কমাতে বিশেষভাবে সাহায্য করবে। এক কথায় এটাকে গাড়ির নিজস্ব কবচ সিস্টেম বলা যেতে পারে। যার মূল উদ্দেশ্য হল, দুর্ঘটনা রোধ করা।

    কুয়াশার সময়ে সতর্কতা

    শীতকালে যখন দৃশ্যমানতা অত্যন্ত কম থাকে, তখন বড় ধরনের বহু-যানবাহন সংঘর্ষ (pile-up) এড়াতে সহায়তা করবে এই ভেহিক্যল-টু-ভেহিক্যল (Vehicle to Vehicle)। কাছাকাছি কোনো যানবাহন বিপজ্জনকভাবে চলে এলে চালকের কাছে সঙ্গে সঙ্গে সতর্কবার্তা পাঠানো হবে। ফলে তাতে দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পাবে।

    কার্যপ্রণালী এমন হবে এই প্রযুক্তির যে যানবাহনের (New Safety Plan) ভেতরে ইনস্টল করা সিম কার্ডের মতো একটি ডিভাইসের মাধ্যমে কাজ করবে। এই প্রযুক্তি গাড়ির চারপাশ থেকে সংকেত প্রেরণ করে সম্পূর্ণ ৩৬০-ডিগ্রি যোগাযোগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করবে।

    রিয়েল-টাইম সতর্কতা

    অন্য কোনও যানবাহন খুব কাছাকাছি চলে এলে চালকরা তাৎক্ষণিক (Real-Time) সতর্কতা পাবেন। এটি চালকদের নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখার সীমা সম্পর্কে সতর্ক করবে এবং রাস্তার পাশে থাকা স্থির বা ক্ষতিগ্রস্ত যানবাহন সম্পর্কেও আগাম সতর্কবার্তা দেবে এই প্রযুক্তি (Vehicle to Vehicle)।

    পর্যায়ক্রমিক প্রবর্তন

    পরিবহণ মন্ত্রক ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ এই প্রযুক্তিটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে প্রবর্তন করবে। এটি পর্যায়ক্রমে চালু করা হবে, যেখানে প্রথমে নতুন যানবাহনগুলিতে এটি ইনস্টল করা হবে। এই ভিটুভি সিস্টেমটি বিদ্যমান উন্নত ড্রাইভার সহায়তা সিস্টেম (ADAS)-এর পাশাপাশি কাজ করবে। প্রকল্পের ব্যয় হিসেবে সামগ্রিক প্রকল্পের জন্য আনুমানিক ৫,০০০ কোটি টাকা খরচ হবে বলে আশা করা হচ্ছে। যদিও গ্রাহকদের এই সিস্টেমের জন্য মূল্য দিতে হবে, তবে সেই মূল্য তালিকা এখনও ঘোষণা করা হয়নি।

  • Kerala: বহিষ্কৃত কংগ্রেস বিধায়ক রাহুল মামকুটাথিলিকে তৃতীয় ধর্ষণের মামলায় গ্রেফতার

    Kerala: বহিষ্কৃত কংগ্রেস বিধায়ক রাহুল মামকুটাথিলিকে তৃতীয় ধর্ষণের মামলায় গ্রেফতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বহিষ্কৃত কংগ্রেস বিধায়ক রাহুল মামকুটাথিলের (Rahul Mamkootathil) বিরুদ্ধে তৃতীয় ধর্ষণের মামলা দায়েরের পর রবিবার ভোরে পালাক্কাদে গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁকে। মামকুটাথিলকে পালাক্কাদের (Kerala) কেপিএম রিজেন্সি হোটেল থেকে রাত ১২.৩০ থেকে ১টার মধ্যে হেফাজতে নেওয়া হয়। এরপর তাঁকে কেরালার পাঠানামথিট্টার একটি পুলিশ ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হয়। যেখানে একজন ডেপুটি পুলিশ সুপারিনটেনডেন্টের নেতৃত্বে ছয় সদস্যের একটি দল তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে।

    হোটেলে দেখা করার নামে যৌন নির্যাতন (Kerala)

    কানাডায় কর্মরত পাথানামথিট্টার (Rahul Mamkootathil) বিরুদ্ধে এক মহিলা ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করার পর এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে প্রধান অভিযোগ, মহিলাদের নৃশংস যৌন নির্যাতন, জোরপূর্বক গর্ভপাত এবং আর্থিক শোষণ সহ গুরুতর অপকর্ম করে বেড়াতেন তিনি। নির্যাতিতা মহিলা জানিয়েছেন গর্ভবতী হওয়ার পর তিনি ভ্রূণের ডিএনএ পরীক্ষা করতে চেয়েছিলেন। যে পরীক্ষাগারে পরীক্ষার জন্য গিয়েছিলেন, সেখানে মামকুটাথিলকে (Kerala) একটি নমুনা সরবরাহ করতে বলা হয়েছিল, কিন্তু সহযোগিতা করেননি। তিনি তদন্তকারীদের বলেছেন অভিযোগের সমর্থনে আরও প্রমাণ রয়েছে। মামকুটাথিল বারবার নির্যাতিতাকে ব্যক্তিগতভাবে দেখা করার জন্য অনুরোধ করেন। যখন তিনি একটি রেস্তোরাঁয় দেখা করার প্রস্তাব দেন, তখন তিনি এই বলে অস্বীকৃতি জানান যে, একজন জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব হিসেবে তিনি জনসমক্ষে দেখা করতে পারবেন না। এরপর তিনি তাঁকে পালাক্কাদের একটি হোটেলে দেখা করতে বলেন। হোটেলে পৌঁছানোর পর, তিনি তাঁকে একটি ঘরে নিয়ে যান। শুরু হয় নৃশংস যৌন নির্যাতন চালান।

    আগেও দুটি ধর্ষণের মামলা

    গত বছর মামকুটাথিলের (Rahul Mamkootathil) বিরুদ্ধে পুলিশ দুটি ধর্ষণের মামলা দায়ের করেছিল। একটি মামলায়, একজন মহিলা অভিযোগ করেন যে বিধায়ক তাঁকে গর্ভপাত করতে বাধ্য করেছিলেন। এ সংক্রান্ত একটি ফাঁস হওয়া অডিও ক্লিপ ভাইরাল হয়েছিল। যেখানে মামকুটাথিলের (Kerala) মহিলাকে হুমকি দেওয়ার বিষয়টি প্রকাশ করা হয়েছিল। ক্লিপে বলতে শোনা গিয়েছিল যে গর্ভাবস্থা তাঁর জীবন ধ্বংস করে দেবে এবং গর্ভপাত করতে অস্বীকৃতি জানালে তাঁকে হত্যা করা হবে।

    মহিলাটি জবাব দিয়েছিলেন যে তিনি একাই শিশুটিকে লালন-পালন করতে পারবেন, কিন্তু মামকুটাথিল তাঁর কথায় খুব রেগে গিয়েছিলেন। অভিযোগ প্রকাশের পর থেকে মামকুটাথিল কয়েকদিন ধরে নিখোঁজ ছিলেন। দ্বিতীয় মামলায়, ২৩ বছর বয়সী এক মহিলা মামকুটাথিলের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন যে তিনি তাঁকে একটি ব্যক্তিগত আবাসনে বারবার বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে মেসেজ পাঠিয়েছিলেন। এর আগে, ২০২৫ সালের অগাস্টে, লেখক হানি ভাস্করণ এবং মডেল রিনি অ্যান জর্জের বিরুদ্ধে অশ্লীল আচরণের অভিযোগ আনার পর, বিধায়ককে বরখাস্ত করেছিল কংগ্রেস।

  • PM Modi: “ভারতের প্রতি বিশ্বের প্রত্যাশা ক্রমশ বাড়ছে”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: “ভারতের প্রতি বিশ্বের প্রত্যাশা ক্রমশ বাড়ছে”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ভারত (India) দ্রুতগতিতে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের দিকে এগিয়ে চলেছে। সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান স্পষ্ট করে দিচ্ছে যে, ভারতের প্রতি বিশ্বের প্রত্যাশা ক্রমশ বাড়ছে।” ভাইব্র্যান্ট গুজরাট আঞ্চলিক সম্মেলনের মঞ্চ থেকে রবিবার কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। ভারতের দ্রুত অর্থনৈতিক অগ্রগতি এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার প্রশংসাও করলেন তিনি। রাজকোটে আয়োজিত এই সম্মেলনকে তিনি ২১ শতকে ভারতের আত্মবিশ্বাসী অগ্রযাত্রার প্রতীক হিসেবে বর্ণনা করেন।

    বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দিকে ভারত (PM Modi)

    সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ভারত দ্রুতগতিতে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দিকে এগিয়ে চলেছে। সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান স্পষ্ট করে দিচ্ছে যে, ভারতের প্রতি বিশ্বের প্রত্যাশা ক্রমশ বাড়ছে। ভারত বর্তমানে বিশ্বের দ্রুততম বর্ধনশীল বৃহৎ অর্থনীতি। মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। কৃষি উৎপাদন নতুন রেকর্ড গড়ছে। দুধ উৎপাদনে ভারত বিশ্বে এক নম্বরে রয়েছে।” ২০২৬ সালে গুজরাটে এটি তাঁর প্রথম সফর বলে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী জানান, বছরের শুরুতেই তিনি সোমনাথ মন্দিরে প্রার্থনার মাধ্যমে আধ্যাত্মিক অনুভূতি নিয়ে নতুন বছরের যাত্রা শুরু করেছেন। এরপর সৌরাষ্ট্র অঞ্চলে আয়োজিত এই গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন সম্মেলনে অংশ নেন তিনি (PM Modi)।

    ভাইব্র্যান্ট গুজরাট

    গুজরাটের ঐতিহ্য ও উন্নয়নের সুষম সমন্বয়ের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই রাজ্য ভারতের সামগ্রিক উন্নয়নের একটি আদর্শ মডেল। যখনই ভাইব্র্যান্ট গুজরাট সম্মেলনের আয়োজন দেখি, আমি শুধু একটি সম্মেলন দেখি না, আমি দেখি আধুনিক ভারতের ২১ শতকের যাত্রা। এই যাত্রা শুরু হয়েছিল একটি স্বপ্ন দিয়ে, আর আজ তা অটল আত্মবিশ্বাসে পৌঁছেছে। গত দুদশকে ভাইব্র্যান্ট গুজরাট একটি বৈশ্বিক মানদণ্ডে পরিণত হয়েছে। এখন পর্যন্ত ১০টি সংস্করণ অনুষ্ঠিত হয়েছে, এবং প্রতিটি সংস্করণের সঙ্গে এই সম্মেলনের গুরুত্ব ও পরিচিতি আরও শক্তিশালী হয়েছে (India)।” প্রধানমন্ত্রী ভারতের বর্তমান রাজনৈতিক পরিবেশের প্রশংসাও করেন। বলেন, “রাজনৈতিক স্থিতিশীলতাই অর্থনৈতিক গতি বজায় রাখতে এবং বিশ্বজুড়ে ভারতের প্রতি আস্থা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। ভাইব্র্যান্ট গুজরাটের মতো মঞ্চ ভারতের বিনিয়োগ, উদ্ভাবন ও দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারিত্বের জন্য নির্ভরযোগ্য গন্তব্য হিসেবে তুলে ধরতে সাহায্য করেছে (PM Modi)।”

    ভারত বিশ্বে এক নম্বরে

    ভারতের অগ্রগতির বিভিন্ন দিক তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “জেনেরিক ওষুধ উৎপাদনে ভারত বিশ্বে এক নম্বরে রয়েছে। বিশ্বের সর্বাধিক ভ্যাকসিন উৎপাদনকারী দেশও ভারত। গত ১১ বছরে ভারত বিশ্বের সবচেয়ে বড় মোবাইল ডেটা ব্যবহারকারী দেশে পরিণত হয়েছে। আমাদের ইউপিআই আজ বিশ্বের এক নম্বর রিয়েল-টাইম ডিজিটাল লেনদেন প্ল্যাটফর্ম। ভারত বর্তমানে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম মোবাইল ফোন উৎপাদনকারী দেশ (India)। স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমে আমরা বিশ্বে তৃতীয় স্থানে। বেসামরিক বিমান পরিবহণের ক্ষেত্রেও ভারত তৃতীয় বৃহত্তম বাজার। মেট্রো নেটওয়ার্কের দিক থেকে আমরা বিশ্বের শীর্ষ তিন দেশের মধ্যে জায়গা করে নিয়েছি (PM Modi)।”

  • Ram mandir: রামমন্দিরে ইসলামিক স্লোগান দিয়ে নমাজ পড়ে গ্রেফতার তিন কাশ্মীরি মুসলমান

    Ram mandir: রামমন্দিরে ইসলামিক স্লোগান দিয়ে নমাজ পড়ে গ্রেফতার তিন কাশ্মীরি মুসলমান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার সকালে অযোধ্যার শ্রী রাম জন্মভূমি (Ram mandir) কমপ্লেক্সের নিরাপত্তা কর্মীরা তিন কাশ্মীরি মুসলিমকে গ্রেফতার করেছে। কঠোর নিরাপত্তার বলয় ভেদ করে ঢুকে মন্দির প্রাঙ্গণের ভিতরে ওই মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের (Kashmiri Muslims) নামাজ পড়তে দেখা গিয়েছে। নিরাপত্তা কর্মীরা জানিয়েছেন, তাঁদের হিন্দু মন্দির প্রাঙ্গণের ভেতরে ইসলাম ধর্মের বিশেষ নামাজ পড়ার প্রস্তুতি নিতে দেখেই বেশ সন্দেহ হয়। সঙ্গে সঙ্গে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

    সীতা রসোই এলাকায় আটক (Ram mandir)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্তদের মধ্যে ২ জন পুরুষ (Kashmiri Muslims) এবং একজন মহিলা। প্রত্যেকেই কাশ্মীরি পোশাক পরে ডি ১ গেট দিয়ে মন্দির প্রাঙ্গণে (Ram mandir)  প্রবেশ করে। তাদের মধ্যে একজন মূল মন্দির থেকে প্রায় ২০০ মিটার দূরে সীতা রসোই এলাকার কাছে বসে নমাজ পড়তে শুরু করে। তবে, নিরাপত্তা কর্মীরা ঘটনাটি দেখতে পেয়েই তাকে ধরে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।

    ইসলাম ধর্মীয় স্লোগান দেন

    নমাজ পড়া প্রধান অভিযুক্তদের মধ্যে একজন হল বছর পঞ্চান্নর আবু আহমেদ শেখ। তিনি জম্মু ও কাশ্মীরের শোপিয়ান জেলার বাসিন্দা। মহিলার নাম সোফিয়া, যদিও তৃতীয় যুবকের পরিচয় এখনও নিশ্চিত করে জানা যায়নি। প্রত্যক্ষদর্শীরা আরও জানিয়েছেন যে নিরাপত্তা কর্মীরা যখন তাদের থামায় তখন তিনজন ইসলাম ধর্মীয় স্লোগান দেন। তাঁদের এই কর্মকাণ্ডের পিছনে কোন বড় ধরনের নাশকতা মূলক কাজের ইঙ্গিত রয়েছে কিনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    বৃহত্তর উদ্দেশ্য বা নেটওয়ার্ক জড়িত

    অভিযুক্তদের কাছে কাজু এবং কিশমিশের মতো জিনিসপত্র পাওয়া গিয়েছে, যা সন্দেহ বাড়িয়ে দিয়েছে। কারণ জঙ্গিরা প্রায়ই সন্ত্রাসী হামলা এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে দীর্ঘ লড়াইয়ের সময় বেঁচে থাকার জন্য এই জাতীয় শুকনো ফল সঙ্গে নিয়ে ঘুরে বেড়ায়। ঘটনার পরপরই গোয়েন্দা সংস্থা, স্থানীয় (Ram mandir) পুলিশ এবং ঊর্ধ্বতন প্রশাসনিক কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে যান। আটক ব্যক্তিদের বর্তমানে তাদের উদ্দেশ্য, ভ্রমণের বিবরণ এবং এর সঙ্গে কোনও বৃহত্তর উদ্দেশ্য বা নেটওয়ার্ক জড়িত কিনা তা নির্ধারণের জন্য জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

    জেলা প্রশাসন বা শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট (Ram mandir) এখনও পর্যন্ত এই বিষয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক বিবৃতি জারি (Kashmiri Muslims) করেনি। এই ঘটনা আবারও রাম মন্দিরে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা তুলে ধরেছে, যেখানে ২০২৪ সালের ২২ জানুয়ারি রাম লালার অভিষেকের পর থেকে গড়ে প্রতিদিন প্রায় ১.৫ লক্ষ ভক্তের সমাগম ঘটে। মন্দিরটি বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী দ্বারা চব্বিশ ঘন্টা পাহারা দেওয়া হয়। পুলিশ ইউনিট থেকে প্রায় ২০০ জন সদস্য অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।

    অস্ত্র এবং ড্রোন-বিরোধী কেন্দ্র গড়া হবে

    বিগত মাসগুলিতে, রামমন্দিরকে (Ram mandir) ঘিরে একাধিক নিরাপত্তা হুমকি এসেছে নানা মহল থেকে।, যার মধ্যে রয়েছে সোশ্যাল মিডিয়া, ফোন কল এবং হোয়াটসঅ্যাপ বার্তার মাধ্যমে বোমা মারার হুমকি। অযোধ্যায় এখন একটি জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষীদের (এনএসজি) হাব প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়া চলছে। অস্ত্র এবং ড্রোন-বিরোধী ব্যবস্থায় সজ্জিত পুলিশ, সিআরপিএফ, এসএসএফ এবং গোয়েন্দা সংস্থাগুলির মধ্যে আরও ভালো সমন্বয়ের জন্য ১১ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি সহায়তা কেন্দ্রও গড়া হবে। আসন্ন মকর সংক্রান্তি উদযাপনের মাত্র কয়েকদিন আগে এই ঘটনাটি ঘটেছে, যেখানে মন্দির নগরীতে প্রচুর জনসমাগম হবে বলে আশা কর্তৃপক্ষের। আর তাই সংবেদনশীল ধর্মীয় স্থানে শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য নিরাপত্তা কঠোর করা হয়েছে।

    কতটা কঠিন ছিল রামমন্দির?

    উল্লেখ্য, রাম মন্দির ভারতের অন্যতম ধর্মীয় আস্থার কেন্দ্র। ৫০০ বছরের রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক, ধর্মীয় আন্দোলনের পর এই মন্দির ভারতের সুপ্রিম কোর্টের রায়ে নির্মিত হয়েছে। কিন্তু মন্দির নির্মাণ হলেও বাবরের উত্তরসূরীদের মনে শান্তি নেই। সব সময় হিন্দু আস্থার কেন্দ্রে ক্ষতি করার চেষ্টা করা হয়। সম্প্রতি পাকিস্তানের একাধিক জঙ্গি সংগঠন রাম মন্দির নিয়ে উস্কানি এবং বোমা মারার হুমকি দিয়েছে। বাবর যে শ্রী রামের মন্দির ভেঙে মসজিদ বানিয়েছিলেন, এ কথা এখন সত্য। তাই ইতিহাসের কালো অধ্যায়ে নয়, এখন সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ারই সময় আমাদের।

  • Uttar Pradesh: বাংলাদেশের পরিস্থিতি থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান যোগীর, জাত–ধর্মভিত্তিক বিভাজনের বিরুদ্ধে কড়া বার্তা

    Uttar Pradesh: বাংলাদেশের পরিস্থিতি থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান যোগীর, জাত–ধর্মভিত্তিক বিভাজনের বিরুদ্ধে কড়া বার্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “জাত, ধর্ম ও সম্প্রদায়ের ভিত্তিতে বিভাজন আমাদের ধ্বংস করে দেবে, যেমনটা আজ বাংলাদেশে দেখা যাচ্ছে।” প্রয়াগরাজে (Uttar Pradesh) জগতগুরু রামানন্দাচার্যের ৭২৬তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে কথাগুলি বললেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ (CM Yogi)। জাত, ধর্ম ও সম্প্রদায়ভিত্তিক বিভাজনের বিরুদ্ধে কড়া সতর্কবার্তাও দেন তিনি। বলেন, “এ ধরনের বিভাজন সমাজকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয়, বাংলাদেশ তার জ্বলন্ত উদাহরণ।”

    ধ্বংস করে দেবে (Uttar Pradesh)

    মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “জাত, ধর্ম ও সম্প্রদায়ের ভিত্তিতে বিভাজন আমাদের ধ্বংস করে দেবে, যেমনটা আজ বাংলাদেশে দেখা যাচ্ছে। বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ হিংসার শিকার হচ্ছেন। পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক।” বাংলাদেশের প্রসঙ্গ টেনে যোগী আদিত্যনাথ তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষদেরও কটাক্ষ করেন। তিনি বলেন, “বাংলাদেশে যা ঘটছে, তা নিয়ে কেউ কথা বলছে না। যারা নিজেদের ধর্মনিরপেক্ষ বলে দাবি করে এবং হিন্দু সমাজকে বিভক্ত করার চেষ্টা করে, তারা বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর হওয়া নির্যাতনের বিষয়ে সম্পূর্ণ নীরব (Uttar Pradesh)।”

    বিরোধীদের কটাক্ষ

    মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে (CM Yogi)। বিরোধীদের কটাক্ষ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “ওঁদের মুখে যেন ফেভিকল লাগানো রয়েছে,  অথবা কেউ সেলোটেপ এঁটে দিয়েছে। কারও মুখ থেকে একটি কথাও বেরোচ্ছে না” (Uttar Pradesh)।এদিন ভাষণ দিতে গিয়ে তিনি স্মরণ করিয়ে দেন জগদগুরু রামানন্দাচার্যকে। তিনি বলেন, “প্রায় ৭০০ বছর আগে জগদগুরু রামানন্দাচার্য ভগবান সব সম্প্রদায়ের মধ্যে ঐক্যের আহ্বান জানিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, ঈশ্বরের শরণ নেওয়ার অধিকার প্রত্যেক মানুষের রয়েছে। সমাজকে ঐক্যবদ্ধ করতে তিনি বিভিন্ন জাতের শিষ্যও গ্রহণ করেছিলেন।”

    বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর অত্যাচার

    এদিকে, বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান- ঐক্য পরিষদের এক বিবৃতি অনুযায়ী, শুধুমাত্র ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসেই বাংলাদেশে অন্তত ৫১টি হিংসার ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনাগুলির মধ্যে রয়েছে, ১০টি খুন, ১০টি চুরি ও ডাকাতির ঘটনা, ২৩টি বাড়ি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, মন্দির ও জমি দখল, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা, ৪টি ক্ষেত্রে ধর্ম অবমাননা ও ‘র’-এর এজেন্ট তকমা দিয়ে মিথ্যা অভিযোগে গ্রেফতার এবং নির্যাতন,  ১টি ধর্ষণের চেষ্টার ঘটনা এবং ৩টি শারীরিক হামলার ঘটনা। হিংসার এই প্রবণতা নতুন বছরের প্রথম সপ্তাহেও অব্যাহত রয়েছে বলে খবর। ৩ জানুয়ারি, শরীয়তপুরে ব্যবসায়ী খোকন চন্দ্র দাসকে কুপিয়ে হত্যা করার পর আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয় (Uttar Pradesh)।

    এদিনই ভোরবেলায় চট্টগ্রামের বোয়ালখালি উপজেলার আমুচিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডে মিলন দাসের পরিবারকে ডাকাতির সময় বন্দি করে রাখা হয়। ওই দিনই কুমিল্লার হোমনা এলাকায় সোনু দাসের বাড়িতে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় ১০ ভরি সোনার গয়না, ১২ ভরি রুপো এবং নগদ ২০ হাজার টাকা লুট করা হয় বলে অভিযোগ (CM Yogi)।

LinkedIn
Share