Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Union Budget 2026: বিমা খাতে দীর্ঘমেয়াদি সংস্কারের আশা! বাজপেয়ী জমানার পর ফের রবিবারেই পেশ হবে বাজেট ২০২৬

    Union Budget 2026: বিমা খাতে দীর্ঘমেয়াদি সংস্কারের আশা! বাজপেয়ী জমানার পর ফের রবিবারেই পেশ হবে বাজেট ২০২৬

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কর্মই-ধর্ম! হোক না রবিবার, রীতি মেনে ১ ফেব্রুয়ারিই পেশ করা হবে কেন্দ্রীয় বাজেট (Union Budget 2026)। প্রত্যেক বছরই ফেব্রুয়ারির প্রথম দিনে কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ হয়। চলতি বছর ১ ফেব্রুয়ারি রবিবার পড়লেও বাজেট পেশ হবে বলে জানিয়ে দিয়েছে ক্যাবিনেট কমিটি। এই নিয়ে নবমবার বাজেট পেশ করবেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। এই বছরের কেন্দ্রীয় বাজেট (২০২৬-২৭) অত্যন্ত বিশেষ এবং ঐতিহাসিক বলে মনে করা হয়। এর সবচেয়ে বড় কারণ হল এটি বর্তমান আয়কর আইনের অধীনে উপস্থাপিত শেষ পূর্ণাঙ্গ বাজেট হবে। সরকার ১ এপ্রিল, ২০২৬ থেকে প্রায় ৬০ বছরের পুরনো কর আইন প্রতিস্থাপন করে নতুন আয়কর আইন ২০২৫ বাস্তবায়নের প্রস্তুতি নিচ্ছে। ফলে, এই বাজেট কেবল বর্তমান চাহিদা পূরণ করবে না বরং ভবিষ্যতের কর ব্যবস্থার ভিত্তিও স্থাপন করবে।

    কবে কখন থেকে বসবে অধিবেশন

    প্রত্যেক বছরই ফেব্রুয়ারির প্রথম দিনে কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ হয়। এই বছর ১ ফেব্রুয়ারি রবিবার পড়ায়, জল্পনা তৈরি হয়েছিল যে ওই দিন বাজেট পেশ হবে নাকি একদিন পিছিয়ে ২ ফেব্রুয়ারি বাজেট পেশ করবেন। বুধবার কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের নেতৃত্বে সংসদীয় বিষয়ক ক্যাবিনেট কমিটির বৈঠকে বাজেট অধিবেশনর দিন নির্দিষ্ট করা হয়। আর তারপরই সূত্রের খবর, ১ ফেব্রুয়ারিই বাজেট পেশ হবে। সূত্রের খবর, যুগ্ম সংসদীয় অধিবেশন হবে ২৮ জানুয়ারি। ওই দিন থেকে বাজেট অধিবেশন শুরু হবে। জানা গিয়েছে, ২৮ জানুয়ারি রাষ্ট্রপতি ভাষণ দেবেন যৌথ অধিবেশনে। পরের দিন অর্থনৈতিক সমীক্ষার (Economic Survey) রিপোর্ট পেশ হবে। কেন্দ্রীয় সূত্রে খবর, বাজেট অধিবেশনের প্রথম অংশ হবে ২৮ জানুয়ারি থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি। দ্বিতীয় অংশ হবে ৯ মার্চ থেকে ২ এপ্রিল পর্যন্ত। ইতিমধ্যেই বাজেট প্রস্তুতির কাজও শুরু হয়ে গিয়েছে।

    বাজপেয়ী আমলে বাজেট পেশ রবিবার

    অর্থমন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, শেষবার ১৯৯৯ সালে রবিবার বাজেট (Union Budget 2026) পেশ হয়েছিল। সেটাও ছিল এনডিএ জমানা। সেই বছর প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ীর অর্থমন্ত্রী যশবন্ত সিনহা রবিবার বাজেট পেশ করেছিলেন। তখন অবশ্য ফেব্রুয়ারির শেষ দিনে বাজেট হতো। ২০১৭ সালের পর থেকে বাজেট পেশ শুরু হয় ১ ফেব্রুয়ারি। তার আগে প্রতি বছর ২৮ ফেব্রুয়ারি বাজেট পেশ করা হত। অরুণ জেটলী অর্থমন্ত্রী থাকাকালীন বাজেটের তারিখ পরিবর্তন করা হয়, যাতে নতুন অর্থবর্ষের প্রথম দিন অর্থাৎ ১ এপ্রিল থেকে নতুন বাজেট কার্যকর করা যায়।

    রবিবার সংসদের অধিবেশন

    এর আগে ২০১২ এবং ২০২০ সালে রবিবার সংসদের অধিবেশন হয়েছিল। ৬ বছর পর ফের রবিবারে বসতে চলেছে সংসদের অধিবেশন। রবিবারে সংসদ খোলা রাখাটা রীতিমতো বিরল। এর আগে ২০২০ সালে করোনা পরিস্থিতিতে জরুরি ভিত্তিতে সংসদের অধিবেশন বসেছিল। তার আগে বসেছিল সেই ২০১২ সালে। সংসদের প্রথম অধিবেশনের ৬০ বছর পূর্তি উপলক্ষে ২০১২ সালের ১৩ মে রবিবার বিশেষ অধিবেশন বসেছিল সংসদের।

    আয়কর নিয়ে প্রত্যাশা সীমিত

    কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৬ (Union Budget 2026) ঘিরে আয়কর সংক্রান্ত পরিবর্তন নিয়ে করদাতাদের আগ্রহ থাকলেও, প্রত্যাশা তুলনামূলকভাবে সংযত। বিনিয়োগকারী ও উদ্যোক্তা অমিত বাইদ জানান, “বাজেট ২০২৫ ভারতের ব্যক্তিগত কর কাঠামোয় একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় এনে দিয়েছিল। নতুন কর ব্যবস্থায় স্ল্যাব পরিবর্তন ও উচ্চ রিবেটের মাধ্যমে কার্যত ১২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত এবং স্ট্যান্ডার্ড ডিডাকশন ধরলে বেতনভোগীদের ক্ষেত্রে ১২.৭৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয় করমুক্ত করা হয়েছিল।” তার মতে, ওই বাজেটের ফলে বেতনভোগী মধ্যবিত্তরা বড়সড় স্বস্তি পেয়েছেন এবং পুরনো ও নতুন কর ব্যবস্থার ব্যবধান অনেকটাই কমে এসেছে। তবে বাজেট ২০২৬-এ বড় ধরনের করছাড়ের সম্ভাবনা কম বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। অমিত বাইদ বলেন, “আগের বাজেটেই বড় ছাড় দেওয়া হয়েছে এবং সাম্প্রতিক জিএসটি হ্রাসে ভোক্তাদের খরচ কিছুটা কমেছে। তাই এ বছর আয়কর স্ল্যাবে বড় পরিবর্তনের সম্ভাবনা কম।” তাঁর দাবি, মুদ্রাস্ফীতির কথা মাথায় রেখে নতুন কর ব্যবস্থায় স্ট্যান্ডার্ড ডিডাকশন সামান্য বাড়ানো হতে পারে। বিডিও ইন্ডিয়ার পার্টনার সন্তোষ শিবরাজ জানান, পুরনো কর ব্যবস্থার কিছু ছাড় ও ডিডাকশন নতুন করে পর্যালোচনার আওতায় আসতে পারে।

    বিমা খাতে দীর্ঘমেয়াদি সংস্কারের প্রত্যাশা

    বাজেট ২০২৬ (Union Budget 2026) ঘিরে বিমা খাতও কেবল বরাদ্দ বৃদ্ধি বা করছাড়ের মতো স্বল্পমেয়াদি ঘোষণার বাইরে গিয়ে দীর্ঘমেয়াদি কাঠামোগত সংস্কারের দিকে তাকিয়ে রয়েছে। শিল্প বিশেষজ্ঞদের মতে, জীবন বিমা, স্বাস্থ্য বিমা এবং এমএসএমই-ভিত্তিক বিমা পণ্যে আরও গভীর কভারেজ নিশ্চিত করার জন্য স্পষ্ট নীতিগত দিকনির্দেশ প্রয়োজন। এতে বিমার প্রসার, অবসরকালীন সুরক্ষা এবং ঝুঁকি ব্যবস্থাপনায় সাধারণ মানুষ ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের অংশগ্রহণ বাড়বে। নতুন বিতরণ মডেল ও অর্থায়নের ব্যবস্থা সহজ করার দিকেও নজর দেওয়ার প্রত্যাশা রয়েছে, যাতে বিমা পরিষেবা আরও সাশ্রয়ী ও সহজলভ্য হয়। বিমাপে ফিনসিওরের সিইও ও সহ-প্রতিষ্ঠাতা হনুত মেহতা বলেন, “বাজেট ২০২৬ বিমা প্রিমিয়াম ফাইন্যান্সিংয়ের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় হতে পারে। এটি কোনও একটি বড় ঘোষণার জন্য নয়, বরং গৃহস্থালি ঋণ ও বিমা বিস্তারের ক্ষেত্রে সরকারের সামগ্রিক দৃষ্টিভঙ্গির কারণে।” বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের নীতিগত উদ্যোগ ভারতের বিমা খাতে সুরক্ষা ঘাটতি কমাতে এবং সামগ্রিকভাবে বিমা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে সহায়ক হবে।

    চাকরিজীবীদের আশা

    সূত্রের খবর, ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষের কেন্দ্রীয় বাজেটে এমপ্লয়িজ পেনশন স্কিম বা ইপিএস নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিতে পারে মোদি সরকার। বিশেষ করে সংগঠিত ক্ষেত্রের কর্মীদের জন্য পেনশনের আওতা বাড়ানো এবং মাসিক পেনশনের অঙ্ক বৃদ্ধির বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে ভাবা হচ্ছে। সূত্রের খবর অনুযায়ী, যদি মোদি সরকারের এই পরিকল্পনা (Budget 2026) বাস্তবায়িত হয়, তাহলে যাঁদের বেতন ১৫ হাজার টাকার বেশি, তাঁরাও সরকারি পেনশন প্রকল্পের সুরক্ষা পেতে পারেন। পাশাপাশি, অবসরের পর হাতে পাওয়া টাকাও আগের তুলনায় বাড়তে পারে। এই সম্ভাব্য বদল ঘিরে ইতিমধ্যেই চাকরিজীবী মহলে বাড়ছে কৌতূহল।

  • GDP Growth Rate: মার্কিন শুল্ক-চাপের মধ্যেও আগামী অর্থবর্ষে স্থিতিশীল থাকবে ভারতের অর্থনৈতিক বৃদ্ধি

    GDP Growth Rate: মার্কিন শুল্ক-চাপের মধ্যেও আগামী অর্থবর্ষে স্থিতিশীল থাকবে ভারতের অর্থনৈতিক বৃদ্ধি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্ব বাণিজ্য যখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের চড়া শুল্ক নীতির কারণে চাপে রয়েছে, ঠিক সেই সময়েও ভারতের (India) অর্থনীতি আগামী অর্থবর্ষে স্থিতিশীল গতিতে (GDP Growth Rate) এগিয়ে যাবে বলেই আশা কেন্দ্রীয় সরকারের। সরকারি পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে ভারতের মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপি বৃদ্ধির হার হতে পারে ৭.৪ শতাংশ। এই পূর্বাভাস ভারতের অর্থনীতির দৃঢ়তা ও বহিঃবিশ্বের চাপ মোকাবিলার ক্ষমতার স্পষ্ট ইঙ্গিত।

    আনুষ্ঠানিক বাণিজ্য চুক্তি (GDP Growth Rate)

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ভারত এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক বাণিজ্য চুক্তি না করলেও, তার নেতিবাচক প্রভাব ভারতীয় অর্থনীতিতে বড়সড় ধাক্কা দিতে পারবে না বলেই কেন্দ্রের ধারণা। সরকারের মতে, অভ্যন্তরীণ চাহিদা, বিনিয়োগের ধারাবাহিকতা এবং আর্থিক সংস্কারের ফলে ভারত বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার মধ্যেও নিজের প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে পারবে ভারত (India)। বিশ্ব অর্থনীতিতে অনিশ্চয়তা, বাণিজ্য উত্তেজনা ও ভূ-রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেও ভারতের এই প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস আন্তর্জাতিক মহলের নজর কেড়েছে। ২০২৫–২৬ অর্থবর্ষে ভারতের জিডিপি বৃদ্ধির হার ৭.৫ শতাংশে পৌঁছাতে পারে বলে জানিয়েছে সরকারি অ্যাডভান্স অনুমান। এই হার ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্কের (RBI) পূর্বাভাস ৭.৩ শতাংশের তুলনায় সামান্য বেশি এবং ২০২৪-২০২৫ অর্থবর্ষে নথিভুক্ত ৭.৩ শতাংশ জিডিপি বৃদ্ধিকেও ছাড়িয়ে গিয়েছে। তবে ২০২৩-২০২৪ অর্থবর্ষে দেখা ৯.২ শতাংশের শক্তিশালী বৃদ্ধির তুলনায় এটি এখনও কম (GDP Growth Rate)।

    অ্যাডভান্স জিডিপি অনুমান

    পরিসংখ্যান ও কর্মসূচি বাস্তবায়ন মন্ত্রক (MoSPI) বুধবার প্রকাশ করেছে প্রথম অ্যাডভান্স জিডিপি অনুমান। এই পরিসংখ্যান বাজারের প্রত্যাশার সঙ্গে মোটামুটি সামঞ্জস্যপূর্ণ। ব্লুমবার্গের অর্থনীতিবিদদের সমীক্ষায় গড় পূর্বাভাস ছিল ৭.৫ শতাংশ, যা সরকারি অনুমানের খুব কাছাকাছি (India)। সরকারি আধিকারিকরা জানান, ভবিষ্যতে এই সংখ্যাগুলি সংশোধিত হতে পারে। কারণ, জিডিপি গণনার পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনার পরিকল্পনা করছে কেন্দ্র। এই পরিবর্তনের প্রভাব ২০২৬ সালের কেন্দ্রীয় বাজেটে প্রতিফলিত হতে পারে এবং চূড়ান্ত জিডিপি তথ্য অর্থবর্ষ শেষ হওয়ার পর প্রকাশ করা হবে।

    বিনিয়োগেও গতি আসার সম্ভাবনা

    নমিনাল বা নামমাত্র হিসেবে ২০২৫-২০২৬ অর্থবর্ষে ভারতের জিডিপি বৃদ্ধির হার ৮ শতাংশ হতে পারে, যেখানে তার আগের অর্থবর্ষে এই হার ছিল ৯.৭ শতাংশ। রিয়েল গ্রস ভ্যালু অ্যাডেড বা জিভিএ (GVA) বৃদ্ধির হার ধরা হয়েছে ৭.৩ শতাংশ, যা আগের বছরের ৬.৪ শতাংশের তুলনায় বেশি। অন্যদিকে, নমিনাল জিভিএ বৃদ্ধির হার অনুমান করা হয়েছে ৭.৭ শতাংশ (India)। ভারতের মোট জিডিপির প্রায় ৬০ শতাংশ জুড়ে থাকা ব্যক্তিগত ভোগব্যয় ২০২৫-২০২৬ অর্থবর্ষে ৭ শতাংশ হারে বাড়তে পারে, যা আগের বছরের তুলনায় সামান্য ধীরগতির। সরকারি ব্যয় ৫.২ শতাংশ বাড়তে পারে বলে অনুমান করা হয়েছে। এটি গত অর্থবর্ষের ২.৩ শতাংশ বৃদ্ধির তুলনায় উল্লেখযোগ্য উন্নতি (GDP Growth Rate)। বেসরকারি বিনিয়োগেও গতি আসার সম্ভাবনা রয়েছে। ২০২৫-২০২৬ অর্থবর্ষে এই খাতে বৃদ্ধির হার ৭.৮ শতাংশ হতে পারে।

    ম্যানুফ্যাকচারিং খাত

    উৎপাদন বা ম্যানুফ্যাকচারিং খাত, যা জিডিপির ক্ষেত্রে প্রায় ১৩ শতাংশ অবদান রাখে, ২০২৫-২০২৬ অর্থবর্ষে বাড়তে পারে  ৭ শতাংশ হারে। এটি আগের বছরের ৪.৫ শতাংশ বৃদ্ধির তুলনায় বড়সড় উন্নতি। নির্মাণ খাতের বৃদ্ধি ৭ শতাংশে নামতে পারে, যেখানে আগের বছর এই হার ছিল ৯.৪ শতাংশ (India)। কৃষি খাতে বৃদ্ধির হার ধরা হয়েছে ৩.১ শতাংশ। এই খাত ভারতের ৪০ শতাংশের বেশি কর্মসংস্থান জোগায় এবং ইঙ্গিত দিচ্ছে স্থিতিশীল উৎপাদনের। দেশীয় অর্থনীতির জোরালো বৃদ্ধির পাশাপাশি ভারতের রফতানি ক্ষেত্রেও দেখা গেল অপ্রত্যাশিত শক্তি। ২০২৫ সালের নভেম্বরে ভারতের পণ্য রফতানি বছরে বছরে প্রায় ২০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, যা গত তিন বছরের মধ্যে দ্রুততম বৃদ্ধি। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, চলতি বছরের শুরুতেই প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আমলে ভারতীয় পণ্যের ওপর ৫০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপ করেছিল আমেরিকা (GDP Growth Rate)।

    ভারতের মোট রফতানির পরিমাণ

    বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, নভেম্বর মাসে ভারতের মোট রফতানির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৮.১৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে, যা অক্টোবরের তীব্র পতন থেকে বড়সড় ঘুরে দাঁড়ানো। একই সঙ্গে আমদানি প্রায় ২ শতাংশ কমেছে, মূলত সোনা, তেল ও কয়লার আমদানি হ্রাস পাওয়ায়। এর ফলে ভারতের বাণিজ্য ঘাটতি নেমে এসেছে প্রায় ২৪.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে, যা জুনের পর সর্বনিম্ন (India)। চড়া শুল্ক সত্ত্বেও ভারতের সবচেয়ে বড় একক রফতানি বাজার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে রফতানি ২২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে প্রায় ৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে। এই বৃদ্ধির নেতৃত্ব দিয়েছে ইঞ্জিনিয়ারিং পণ্য, ইলেকট্রনিক্স, রত্ন ও গয়না এবং ওষুধ শিল্প (GDP Growth Rate)। বাণিজ্য সচিব রাজেশ আগরওয়াল জানান, শুল্ক বাধা সত্ত্বেও মার্কিন বাজারে ভারতের রফতানি গতি বজায় রাখা সম্ভব হয়েছে।

    চিনে রফতানি

    এদিকে, চিনেও ভারতের রফতানি নজরকাড়াভাবে বেড়েছে। নভেম্বরে চিনে রফতানি ৯০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ২.২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে, যার প্রধান চালক ইলেকট্রনিক্স ও ইঞ্জিনিয়ারিং সামগ্রী। স্পেন, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি (UAE) ও তানজানিয়ার মতো দেশেও রফতানি বৃদ্ধিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রয়েছে ভারতের। অর্থনীতিবিদদের মতে, ভারতের রফতানির এই স্থিতিস্থাপকতার নেপথ্যে রয়েছে একাধিক কারণ। ইলেকট্রনিক্স, ফার্মাসিউটিক্যালস ও কিছু খাদ্যপণ্যের ওপর শুল্ক ছাড় রফতানিকে সাহায্য করেছে। পাশাপাশি দুর্বল রুপির ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে ভারতীয় পণ্য আরও প্রতিযোগিতামূলক হয়েছে (GDP Growth Rate)। এছাড়া, গত বছর লোহিত সাগর সংকটের জেরে বৈশ্বিক বাণিজ্যে ধাক্কা লাগায় তুলনামূলক কম ভিত্তির ওপর এবছর বৃদ্ধি আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে (India)।

    রফতানি বাজার বৈচিত্র্যের ওপর জোর

    ভারত সরকারও রফতানি বাজার বৈচিত্র্যের ওপর জোর দিচ্ছে। ব্রিটেন ও ইউরোপীয় ফ্রি ট্রেড অ্যাসোসিয়েশন (EFTA) দেশগুলির সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি কার্যকর রয়েছে। পাশাপাশি মেক্সিকো এবং ওমানের সঙ্গেও আলোচনা চলছে। ইউরেশিয়া ও মধ্য এশিয়ার বাজারেও নতুন সুযোগ খুঁজছে নয়াদিল্লি। সব মিলিয়ে জিডিপি পূর্বাভাস ও রফতানি তথ্য ইঙ্গিত দিচ্ছে, শুল্ক চাপ, বৈশ্বিক অনিশ্চয়তা ও বদলে যাওয়া বাণিজ্য বাস্তবতার মধ্যেও ভারতের অর্থনীতি স্থিতিশীল বৃদ্ধির পথে রয়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের দিকে (India) এগোতে গিয়ে অভ্যন্তরীণ চাহিদা ও বৈদেশিক বাণিজ্য – দুই-ই অর্থনৈতিক সম্প্রসারণে ভরসা জোগাচ্ছে (GDP Growth Rate)।

  • Sri Sri Ravi Shankar: বার্লিনে হাড়হিম করা ঠান্ডায় বিদ্যুৎহীন মানুষের পাশে রবিশঙ্কর

    Sri Sri Ravi Shankar: বার্লিনে হাড়হিম করা ঠান্ডায় বিদ্যুৎহীন মানুষের পাশে রবিশঙ্কর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউরোপজুড়ে তীব্র শৈত্যপ্রবাহের মধ্যেই মানবিকতার অনন্য নজির গড়লেন ভারতের প্রখ্যাত আধ্যাত্মিক গুরু শ্রী শ্রী রবিশঙ্কর (Sri Sri Ravi Shankar)। জার্মানির রাজধানী বার্লিনে (Berlin) সন্দেহভাজন চরম বামপন্থী নাশকতার জেরে ব্যাপক বিদ্যুৎ বিভ্রাটে ক্ষতিগ্রস্ত হাজার হাজার মানুষের পাশে দাঁড়ালেন তিনি। গত ৩ জানুয়ারি থেকে বার্লিনের একাধিক এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে গিয়েছে, যার ফলে প্রায় ৫০ হাজার পরিবার চার দিন ধরে বিদ্যুৎ ও গরমের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়ে রয়েছে। উল্লেখ্য যে, বার্লিন শহরে বিদ্যুৎই মূলত ঘর গরম রাখার প্রধান মাধ্যম। এই পরিস্থিতিতে তাপমাত্রা নেমে যায় মাইনাস ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নীচে, যা সাধারণ মানুষের জীবনযাপনকে কার্যত দুর্বিষহ করে তোলে।

    বার্লিনবাসীর পাশে রবিশঙ্কর (Sri Sri Ravi Shankar)

    এই চরম পরিস্থিতিতে বার্লিনের আঞ্চলিক মেয়র ও জার্মান সংসদের এক সদস্যের সঙ্গে হাত মিলিয়ে শ্রী শ্রী রবিশঙ্কর বিদ্যুৎহীন বাসিন্দাদের মধ্যে খাবার বিতরণ করেন এবং তাঁদের পাশে দাঁড়ান। এক্স হ্যান্ডলে রবিশঙ্কর (Sri Sri Ravi Shankar) লেখেন, “বার্লিনে তীব্র শীতে চার দিন ধরে ৫০ হাজার পরিবার বিদ্যুৎ ও গরমের সুবিধা থেকে বঞ্চিত ছিল। এই পরিস্থিতিতে আঞ্চলিক মেয়র ও জার্মান সংসদের সদস্যের সঙ্গে একযোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য খাবার বিতরণ করেছি এবং তাঁদের পাশে দাঁড়িয়েছি।” স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে খবর, বিদ্যুৎ বিভ্রাটের পেছনে চরম বামপন্থী গোষ্ঠীর নাশকতার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত চলাকালীনই জরুরি পরিষেবা ও স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাগুলিকে নিয়ে (Berlin) ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় নামানো হয়েছে বিশেষ দল (Sri Sri Ravi Shankar)।

    রবিশঙ্করের এই উদ্যোগ

    বিশ্বজুড়ে মানবিক কার্যক্রমের জন্য পরিচিত শ্রী শ্রী রবিশঙ্করের এই উদ্যোগ আন্তর্জাতিক মহলে প্রশংসিত হচ্ছে। তীব্র শীত ও অন্ধকারের মধ্যেও তাঁর উপস্থিতি এবং সহমর্মিতা বার্লিনের বহু বাসিন্দার কাছে আশার আলো হয়ে উঠেছে। জানা গিয়েছে, জার্মানির রাজধানী বার্লিনে ভয়াবহ বিদ্যুৎ বিভ্রাটের ঘটনায় চরম মানবিক সংকট তৈরি হয়েছে। বামপন্থী চরমপন্থী গোষ্ঠীর নাশকতামূলক হামলায় প্রায় ৫০ হাজার পরিবার ও ২,২০০টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়ে (Sri Sri Ravi Shankar)। প্রচণ্ড শীতের মধ্যে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ায় তাপ, আলো, মোবাইল যোগাযোগ এবং জরুরি পরিষেবা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয় (Berlin)। শনিবার ভোরে দক্ষিণ-পশ্চিম বার্লিনের লিখটারফেল্ড বিদ্যুৎকেন্দ্রের কাছে টেলটো ক্যানালের ওপর থাকা একটি কেবল ব্রিজে অগ্নিসংযোগ করা হয়। হামলাকারীরা উচ্চ ও মধ্য ভোল্টেজের বিদ্যুৎ লাইনের নীচে দাহ্য বস্তু রেখে আগুন ধরিয়ে দেয়। পাশাপাশি ধাতব রড ব্যবহার করে তারে শর্ট সার্কিট ঘটানো হয়, যাতে ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা বাড়ে এবং মেরামতের কাজ জটিল হয়ে ওঠে (Sri Sri Ravi Shankar)।

    হিটিং সিস্টেম সম্পূর্ণ অচল

    এই বিদ্যুৎ বিভ্রাটের ফলে স্থানীয় জেলা-ভিত্তিক হিটিং সিস্টেম সম্পূর্ণ অচল হয়ে পড়ে। যদিও গ্যাস বা বিদ্যুৎকেন্দ্রের বর্জ্য তাপ থেকে উত্তাপ তৈরি করা হয়, কিন্তু সেই উত্তাপ ঘরে পৌঁছাতে বিদ্যুৎচালিত পাম্প ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার প্রয়োজন হয়। বিদ্যুৎ না থাকায় গোটা ব্যবস্থাই ভেঙে পড়েছে। গ্রিড অপারেটর স্ট্রমনেট্‌জ বার্লিন জানিয়েছে, রবিবারের মধ্যে বিদ্যুৎহীন বাড়ির সংখ্যা কমে প্রায় ২০ হাজারে নেমেছে। তবে পুরোপুরি বিদ্যুৎ পরিষেবা স্বাভাবিক হতে ৮ জানুয়ারি সন্ধ্যা পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। এই হামলার দায় স্বীকার করেছে বামপন্থী চরমপন্থী সংগঠন ভুলকানগ্রুপ (Vulkangruppe)। অনলাইনে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে তারা (Berlin) দাবি করেছে, তারা ফসিল ফুয়েল অর্থনীতি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI) বিস্তারকে লক্ষ্য করে এই হামলা চালিয়েছে, যা নাকি জলবায়ু সংকটকে আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে (Sri Sri Ravi Shankar)।

    বিবৃতির বক্তব্য

    বিবৃতিতে তারা লিখেছে, “শক্তির লোভে পৃথিবীকে নিঃশেষ করা হচ্ছে, শোষণ, দহন, ধ্বংস ও ধর্ষণের শিকার হচ্ছে প্রকৃতি।” ওই গোষ্ঠীর দাবি, ওয়ানসি, জেহলেনডর্ফ ও নিকোলাসি এলাকার উন্নত অঞ্চলগুলিকে লক্ষ্য করেই হামলা চালানো হয়েছিল। তবে সাধারণ ও কম আয়ের মানুষের ভোগান্তির জন্য তারা দুঃখপ্রকাশও করেছে। উল্লেখ্য যে, এই গোষ্ঠী এর আগেও শক্তি, রেল ও তথ্য পরিকাঠামোয় হামলার জন্য পরিচিত। ২০২৪ সালে তারা বার্লিনের বাইরে একটি টেসলা কারখানায় হামলা চালিয়েছিল, যদিও টেসলা শুধুমাত্র বৈদ্যুতিক গাড়ি তৈরি করে (Berlin)। জার্মান কর্তৃপক্ষ এই ঘটনাকে “বামপন্থী সন্ত্রাসবাদী হামলা” হিসেবে চিহ্নিত করেছে। ফেডারেল প্রসিকিউটর দফতর বুন্ডেসআনভাল্টশাফট সন্ত্রাসবাদ সংক্রান্ত তদন্ত শুরু করেছে। তদন্তের আওতায় রয়েছে, জঙ্গি সংগঠনের সদস্যপদ, নাশকতা, অগ্নিসংযোগ এবং জনপরিষেবা ব্যাহত করার অভিযোগ (Sri Sri Ravi Shankar)।

    বার্লিনের মেয়রের বক্তব্য

    বার্লিনের মেয়র কাই ভেগনার বলেন, “সন্দেহভাজন বামপন্থী চরমপন্থীরা জেনে-বুঝেই মানুষের জীবন ঝুঁকির মধ্যে ফেলেছে, বিশেষ করে হাসপাতালের রোগী, প্রবীণ, শিশু ও পরিবারগুলির।” প্রচণ্ড ঠান্ডায় উত্তাপহীন অবস্থায় সবচেয়ে বেশি বিপদে পড়েছেন প্রবীণ ও দুর্বল মানুষেরা। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ৮০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধা তাঁর ঠান্ডা, বিদ্যুৎহীন বাড়িতে অসুস্থ হয়ে মারা গিয়েছেন। কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ না থাকায় পয়ঃনিষ্কাশন পাম্প বন্ধ হয়ে যায়। ফলে বেসমেন্টে প্রায় ১৪ সেন্টিমিটার পর্যন্ত কাঁচা নর্দমার জল জমে যায়। বহু মানুষের ঘরের আসবাব ও ব্যক্তিগত সামগ্রী নষ্ট হয়েছে (Sri Sri Ravi Shankar)। পুলিশ ও জরুরি পরিষেবা কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে যাঁরা ঝুঁকিপূর্ণ জীবন-যাপন করছেন, তাঁদের খোঁজ নিচ্ছেন। অস্থায়ী উষ্ণ আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। জার্মান সেনাবাহিনীও জরুরি জেনারেটর ও লজিস্টিক সহায়তা দিচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় প্রায় ২০টি স্কুল বন্ধ রাখা হয়েছে (Berlin)।

  • Sri Sri Ravi Shankar: বার্লিনে হাড়হিম করা ঠান্ডায় বিদ্যুৎহীন মানুষের পাশে রবিশঙ্কর

    Sri Sri Ravi Shankar: বার্লিনে হাড়হিম করা ঠান্ডায় বিদ্যুৎহীন মানুষের পাশে রবিশঙ্কর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউরোপজুড়ে তীব্র শৈত্যপ্রবাহের মধ্যেই মানবিকতার অনন্য নজির গড়লেন ভারতের প্রখ্যাত আধ্যাত্মিক গুরু শ্রী শ্রী রবিশঙ্কর (Sri Sri Ravi Shankar)। জার্মানির রাজধানী বার্লিনে (Berlin) সন্দেহভাজন চরম বামপন্থী নাশকতার জেরে ব্যাপক বিদ্যুৎ বিভ্রাটে ক্ষতিগ্রস্ত হাজার হাজার মানুষের পাশে দাঁড়ালেন তিনি। গত ৩ জানুয়ারি থেকে বার্লিনের একাধিক এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে গিয়েছে, যার ফলে প্রায় ৫০ হাজার পরিবার চার দিন ধরে বিদ্যুৎ ও গরমের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়ে রয়েছে। উল্লেখ্য যে, বার্লিন শহরে বিদ্যুৎই মূলত ঘর গরম রাখার প্রধান মাধ্যম। এই পরিস্থিতিতে তাপমাত্রা নেমে যায় মাইনাস ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নীচে, যা সাধারণ মানুষের জীবনযাপনকে কার্যত দুর্বিষহ করে তোলে।

    বার্লিনবাসীর পাশে রবিশঙ্কর (Sri Sri Ravi Shankar)

    এই চরম পরিস্থিতিতে বার্লিনের আঞ্চলিক মেয়র ও জার্মান সংসদের এক সদস্যের সঙ্গে হাত মিলিয়ে শ্রী শ্রী রবিশঙ্কর বিদ্যুৎহীন বাসিন্দাদের মধ্যে খাবার বিতরণ করেন এবং তাঁদের পাশে দাঁড়ান। এক্স হ্যান্ডলে রবিশঙ্কর (Sri Sri Ravi Shankar) লেখেন, “বার্লিনে তীব্র শীতে চার দিন ধরে ৫০ হাজার পরিবার বিদ্যুৎ ও গরমের সুবিধা থেকে বঞ্চিত ছিল। এই পরিস্থিতিতে আঞ্চলিক মেয়র ও জার্মান সংসদের সদস্যের সঙ্গে একযোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য খাবার বিতরণ করেছি এবং তাঁদের পাশে দাঁড়িয়েছি।” স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে খবর, বিদ্যুৎ বিভ্রাটের পেছনে চরম বামপন্থী গোষ্ঠীর নাশকতার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত চলাকালীনই জরুরি পরিষেবা ও স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাগুলিকে নিয়ে (Berlin) ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় নামানো হয়েছে বিশেষ দল (Sri Sri Ravi Shankar)।

    রবিশঙ্করের এই উদ্যোগ

    বিশ্বজুড়ে মানবিক কার্যক্রমের জন্য পরিচিত শ্রী শ্রী রবিশঙ্করের এই উদ্যোগ আন্তর্জাতিক মহলে প্রশংসিত হচ্ছে। তীব্র শীত ও অন্ধকারের মধ্যেও তাঁর উপস্থিতি এবং সহমর্মিতা বার্লিনের বহু বাসিন্দার কাছে আশার আলো হয়ে উঠেছে। জানা গিয়েছে, জার্মানির রাজধানী বার্লিনে ভয়াবহ বিদ্যুৎ বিভ্রাটের ঘটনায় চরম মানবিক সংকট তৈরি হয়েছে। বামপন্থী চরমপন্থী গোষ্ঠীর নাশকতামূলক হামলায় প্রায় ৫০ হাজার পরিবার ও ২,২০০টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়ে (Sri Sri Ravi Shankar)। প্রচণ্ড শীতের মধ্যে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ায় তাপ, আলো, মোবাইল যোগাযোগ এবং জরুরি পরিষেবা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয় (Berlin)। শনিবার ভোরে দক্ষিণ-পশ্চিম বার্লিনের লিখটারফেল্ড বিদ্যুৎকেন্দ্রের কাছে টেলটো ক্যানালের ওপর থাকা একটি কেবল ব্রিজে অগ্নিসংযোগ করা হয়। হামলাকারীরা উচ্চ ও মধ্য ভোল্টেজের বিদ্যুৎ লাইনের নীচে দাহ্য বস্তু রেখে আগুন ধরিয়ে দেয়। পাশাপাশি ধাতব রড ব্যবহার করে তারে শর্ট সার্কিট ঘটানো হয়, যাতে ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা বাড়ে এবং মেরামতের কাজ জটিল হয়ে ওঠে (Sri Sri Ravi Shankar)।

    হিটিং সিস্টেম সম্পূর্ণ অচল

    এই বিদ্যুৎ বিভ্রাটের ফলে স্থানীয় জেলা-ভিত্তিক হিটিং সিস্টেম সম্পূর্ণ অচল হয়ে পড়ে। যদিও গ্যাস বা বিদ্যুৎকেন্দ্রের বর্জ্য তাপ থেকে উত্তাপ তৈরি করা হয়, কিন্তু সেই উত্তাপ ঘরে পৌঁছাতে বিদ্যুৎচালিত পাম্প ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার প্রয়োজন হয়। বিদ্যুৎ না থাকায় গোটা ব্যবস্থাই ভেঙে পড়েছে। গ্রিড অপারেটর স্ট্রমনেট্‌জ বার্লিন জানিয়েছে, রবিবারের মধ্যে বিদ্যুৎহীন বাড়ির সংখ্যা কমে প্রায় ২০ হাজারে নেমেছে। তবে পুরোপুরি বিদ্যুৎ পরিষেবা স্বাভাবিক হতে ৮ জানুয়ারি সন্ধ্যা পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। এই হামলার দায় স্বীকার করেছে বামপন্থী চরমপন্থী সংগঠন ভুলকানগ্রুপ (Vulkangruppe)। অনলাইনে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে তারা (Berlin) দাবি করেছে, তারা ফসিল ফুয়েল অর্থনীতি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI) বিস্তারকে লক্ষ্য করে এই হামলা চালিয়েছে, যা নাকি জলবায়ু সংকটকে আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে (Sri Sri Ravi Shankar)।

    বিবৃতির বক্তব্য

    বিবৃতিতে তারা লিখেছে, “শক্তির লোভে পৃথিবীকে নিঃশেষ করা হচ্ছে, শোষণ, দহন, ধ্বংস ও ধর্ষণের শিকার হচ্ছে প্রকৃতি।” ওই গোষ্ঠীর দাবি, ওয়ানসি, জেহলেনডর্ফ ও নিকোলাসি এলাকার উন্নত অঞ্চলগুলিকে লক্ষ্য করেই হামলা চালানো হয়েছিল। তবে সাধারণ ও কম আয়ের মানুষের ভোগান্তির জন্য তারা দুঃখপ্রকাশও করেছে। উল্লেখ্য যে, এই গোষ্ঠী এর আগেও শক্তি, রেল ও তথ্য পরিকাঠামোয় হামলার জন্য পরিচিত। ২০২৪ সালে তারা বার্লিনের বাইরে একটি টেসলা কারখানায় হামলা চালিয়েছিল, যদিও টেসলা শুধুমাত্র বৈদ্যুতিক গাড়ি তৈরি করে (Berlin)। জার্মান কর্তৃপক্ষ এই ঘটনাকে “বামপন্থী সন্ত্রাসবাদী হামলা” হিসেবে চিহ্নিত করেছে। ফেডারেল প্রসিকিউটর দফতর বুন্ডেসআনভাল্টশাফট সন্ত্রাসবাদ সংক্রান্ত তদন্ত শুরু করেছে। তদন্তের আওতায় রয়েছে, জঙ্গি সংগঠনের সদস্যপদ, নাশকতা, অগ্নিসংযোগ এবং জনপরিষেবা ব্যাহত করার অভিযোগ (Sri Sri Ravi Shankar)।

    বার্লিনের মেয়রের বক্তব্য

    বার্লিনের মেয়র কাই ভেগনার বলেন, “সন্দেহভাজন বামপন্থী চরমপন্থীরা জেনে-বুঝেই মানুষের জীবন ঝুঁকির মধ্যে ফেলেছে, বিশেষ করে হাসপাতালের রোগী, প্রবীণ, শিশু ও পরিবারগুলির।” প্রচণ্ড ঠান্ডায় উত্তাপহীন অবস্থায় সবচেয়ে বেশি বিপদে পড়েছেন প্রবীণ ও দুর্বল মানুষেরা। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ৮০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধা তাঁর ঠান্ডা, বিদ্যুৎহীন বাড়িতে অসুস্থ হয়ে মারা গিয়েছেন। কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ না থাকায় পয়ঃনিষ্কাশন পাম্প বন্ধ হয়ে যায়। ফলে বেসমেন্টে প্রায় ১৪ সেন্টিমিটার পর্যন্ত কাঁচা নর্দমার জল জমে যায়। বহু মানুষের ঘরের আসবাব ও ব্যক্তিগত সামগ্রী নষ্ট হয়েছে (Sri Sri Ravi Shankar)। পুলিশ ও জরুরি পরিষেবা কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে যাঁরা ঝুঁকিপূর্ণ জীবন-যাপন করছেন, তাঁদের খোঁজ নিচ্ছেন। অস্থায়ী উষ্ণ আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। জার্মান সেনাবাহিনীও জরুরি জেনারেটর ও লজিস্টিক সহায়তা দিচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় প্রায় ২০টি স্কুল বন্ধ রাখা হয়েছে (Berlin)।

  • Assam: বাংলাদেশের জেহাদি মডিউলের পর্দাফাঁস অসম পুলিশের

    Assam: বাংলাদেশের জেহাদি মডিউলের পর্দাফাঁস অসম পুলিশের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের জেহাদি মডিউলের (Jihadi Module) পর্দাফাঁস করল অসম পুলিশ। মঙ্গলবার অসমের (Assam) মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা এ কথা জানান। এক্স হ্যান্ডেলে করা পোস্টে মুখ্যমন্ত্রী জানান, রাজ্যে আত্মগোপন করে থাকা জেহাদিদের বিরুদ্ধে অভিযান চলছে। তিনি লিখেছেন, “কয়েকদিন আগেই অসম পুলিশ একটি জেহাদি মডিউলের পর্দা ফাঁস করেছে। রাজ্যে অনেক জেহাদি লুকিয়ে রয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থাও নেওয়া হচ্ছে।”

    ভিডিও বার্তা (Assam)

    ওই পোস্টের সঙ্গে একটি ভিডিও বার্তাও দিয়েছেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী। সেই বার্তায় তিনি জানান, জেহাদিদের বিরুদ্ধে অভিযান চলছে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “অসমে জেহাদিরা আছে, এবং আমরা গত ১০ বছর ধরে নিয়মিত এর প্রমাণ পাচ্ছি। রাজ্যের ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি উন্নত না হওয়া পর্যন্ত আমরা এই ধরনের অভিযান চালিয়ে যাব। অসমের মুখ্যমন্ত্রীর এই পোস্ট থেকেই জানা গিয়েছে, নিষিদ্ধ জামাত-উল-মুজাহিদিন বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্ত। এই বাংলাদেশভিত্তিক জেহাদি মডিউলটি অসমের যুবকদের মৌলবাদী মতাদর্শে উদ্বুদ্ধ করছিল। তারা পুবা-আকাশের মতো এনক্রিপ্টেড প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে নিয়োগ, মতাদর্শ প্রচার এবং জঙ্গি কার্যকলাপে অর্থায়ন করত।

    মুখ্যমন্ত্রীর পোস্ট

    মুখ্যমন্ত্রীর করা পোস্টে এও জানানো হয়েছে, অসম পুলিশ বাংলাদেশ থেকে হ্যান্ডলার এবং স্থানীয় অপারেটিভদের নিয়ে আন্তঃসীমান্ত জঙ্গি সংযোগ উন্মোচন করেছে (Assam)। এসটিএফ এবং অসম পুলিশের দ্রুত অভিযানে অসম ও ত্রিপুরাজুড়ে বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতারও করা হয়েছে। এটি একটি বড় নিরাপত্তা হুমকি এড়াতে সাহায্য করেছে (Jihadi Module)।

    প্রসঙ্গত, ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে অসম সরকার রাজ্যে উগ্রপন্থার প্রচার বন্ধ করতে জেএমবি, আনসারুল্লাহ বাংলা টিম, আনসার আল ইসলাম / প্রো-একিউআইএস এবং অন্য সহযোগী গোষ্ঠীর মতো জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত যে কোনও মৌলবাদী বা জেহাদি উপাদানের প্রকাশ, প্রচার এবং দখল নিষিদ্ধ করেছিল। এতে আরও বলা হয়েছে, অসম পুলিশ স্পেশাল ব্রাঞ্চ, ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্ট, জেলা সিনিয়র পুলিশ সুপার, সাইবার ক্রাইম ইউনিট এবং সমস্ত আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এই বিজ্ঞপ্তির কঠোর প্রয়োগ নিশ্চিত করবে (Assam)। এবং আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে প্রযোজ্য আইনের অধীনে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেবে। এর মধ্যে রয়েছে গোয়েন্দা তথ্য, সাইবার প্যাট্রোলিং রিপোর্ট এবং অসম পুলিশ ও স্পেশাল টাস্কফোর্স, অসমের সাম্প্রতিক তদন্তে ওই নিষিদ্ধ সংগঠনগুলির সঙ্গে যুক্ত মৌলবাদী কিংবা জেহাদি সাহিত্য প্রকাশনা, নথি এবং ডিজিটাল প্রচার সামগ্রীর (Jihadi Module) ক্রমাগত প্রচার, দখল, বিতরণ এবং ডিজিটাল ট্রান্সমিশনও (Assam)।

  • Stealth Underwater Drones: সমুদ্রতলে নীরব বিপ্লব! অক্টোপাসের আদলে ভবিষ্যতের আন্ডারওয়াটার ড্রোন নির্মাণের উদ্যোগ ভারতের

    Stealth Underwater Drones: সমুদ্রতলে নীরব বিপ্লব! অক্টোপাসের আদলে ভবিষ্যতের আন্ডারওয়াটার ড্রোন নির্মাণের উদ্যোগ ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভবিষ্যতের সমুদ্রযুদ্ধ (Future Undersea Warfare) ও সামুদ্রিক নিরাপত্তা জোরদার করতে প্রকৃতি থেকে অনুপ্রেরণা নেওয়ার পথে হাঁটছে ভারতীয় নৌসেনা (Indian Navy)। অক্টোপাসের জৈবিক বৈশিষ্ট্যকে (Octopus-Inspired Technology) আদর্শ হিসেবে ধরে উন্নত স্টেলথ আন্ডারওয়াটার ড্রোন (Stealth Underwater Drones) তৈরির লক্ষ্যে বিভিন্ন ডিফেন্স স্টার্টআপ (Defence Startups) ও প্রযুক্তি উদ্ভাবকদের জন্য নতুন গবেষণার উদ্যোগ নিচ্ছে নৌবাহিনী।

    ভারতীয় নৌবাহিনীর নতুন উদ্যোগ

    🔹 কী হচ্ছে?
    অক্টোপাসের জৈবিক বৈশিষ্ট্য থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে আন্ডারওয়াটার ড্রোন তৈরির উদ্যোগ।

    🔹 কেন অক্টোপাস?
    স্টেলথ চলাচল • দ্রুত অভিযোজন • আত্মগোপন ক্ষমতা

    🔹 লক্ষ্য কী?
    আরও গোপন, দ্রুত ও কার্যকর আন্ডারওয়াটার ড্রোন

    🔹 ব্যবহার কোথায়?
    নজরদারি • রিকনেসান্স • আন্ডারসি ওয়ারফেয়ার

    🔹 কারা যুক্ত?
    ডিফেন্স স্টার্টআপ • গবেষণা প্রতিষ্ঠান • প্রযুক্তি উদ্ভাবকরা

    🔹 বড় উদ্দেশ্য
    ভবিষ্যতের সমুদ্রযুদ্ধে ভারতের সামুদ্রিক শক্তি বৃদ্ধি

    অক্টোপাসের রণনীতিতে ভরসা

    বাহিনী জানিয়েছে, অক্টোপাসের স্টেলথ চলাচল, দ্রুত অভিযোজন ক্ষমতা এবং অসাধারণ ফুর্তি ভবিষ্যতের স্বয়ংক্রিয় আন্ডারওয়াটার ড্রোন (Autonomous Underwater Vehicle) ও রোবোটিক সিস্টেম নকশায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এই বৈশিষ্ট্যগুলিকে কাজে লাগিয়ে আরও কার্যকর ও স্টেলথ আন্ডারওয়াটার প্ল্যাটফর্ম (Stealth Underwater Drones) তৈরির লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

    এই উদ্যোগের আওতায় নজরদারি, রিকোনেস্যান্স (রেকি) এবং অন্যান্য নৌ-অভিযানের জন্য ব্যবহৃত আন্ডারওয়াটার ড্রোনগুলির কার্যক্ষমতা, গোপনীয়তা এবং নিয়ন্ত্রণযোগ্যতা বাড়ানোর ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। সমুদ্রের জটিল পরিবেশে অক্টোপাস যেভাবে নিজের রূপ বদলে আত্মগোপন করে এবং দক্ষতার সঙ্গে চলাচল করে, সেই নীতিগুলিই প্রযুক্তিগত নকশায় প্রয়োগ করার কথা ভাবছে নৌবাহিনী।

    অক্টোপাস-অনুপ্রাণিত নকশা

    ভারতীয় নৌবাহিনীর মতে, এই জীববিজ্ঞান-অনুপ্রাণিত পদ্ধতির ফলে বর্তমানে ব্যবহৃত ব্যবস্থার তুলনায় আরও উন্নত এবং প্রযুক্তিগতভাবে আধুনিক আন্ডারওয়াটার ড্রোন (Stealth Underwater Drones) তৈরি করা সম্ভব হবে। ভবিষ্যতের আন্ডারসি ওয়ারফেয়ার (Future Undersea Warfare) এবং সামুদ্রিক নিরাপত্তা (Maritime Security) সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এই প্রযুক্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    এই প্রকল্পে অংশ নিতে প্রতিরক্ষা শিল্পের সংস্থা, গবেষণা প্রতিষ্ঠান এবং স্টার্টআপগুলিকে তাদের প্রযুক্তিগত ধারণা ও প্রস্তাব জমা দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। নৌবাহিনীর লক্ষ্য, জৈবিক অনুপ্রেরণাকে বাস্তব প্রকৌশল ও রোবোটিক সমাধানে রূপান্তর করে ভারতের সামুদ্রিক শক্তিকে আরও সুদৃঢ় করা।

  • World Largest Shivling: বিহারে নির্মীয়মাণ বিশ্বের বৃহত্তম ‘বিরাট রামায়ণ মন্দির’-এ স্থাপিত হবে বিশ্বের বৃহত্তম শিবলিঙ্গ

    World Largest Shivling: বিহারে নির্মীয়মাণ বিশ্বের বৃহত্তম ‘বিরাট রামায়ণ মন্দির’-এ স্থাপিত হবে বিশ্বের বৃহত্তম শিবলিঙ্গ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তামিলনাড়ুর মহাবলীপুরমের পট্টিবাডু গ্রামে নির্মিত বিশ্বের বৃহত্তম শিবলিঙ্গটি শীঘ্রই বিহারের (Bihar) কৈথওয়ালিয়াতে নির্মীয়মাণ বৃহত্তম হিন্দু মন্দিরে (World Largest Shivling) স্থাপিত করার জন্য সবরকম প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। এই শিবলিঙ্গটি গ্রানাইট পাথরে নির্মিত। যার ২১০ টন ওজন এবং ৩৩ ফুট উচ্চতা। এই শিবলিঙ্গটি একটিমাত্র বৃহৎ গ্রানাইট পাথরকে খোদাই করেই নির্মাণ করা হয়েছে। শৈব ভক্তদের মধ্যে তাকে ঘিরে ব্যাপক উন্মাদনা লক্ষ্য করা গিয়েছে।

    শীঘ্রই কৈথওয়ালিয়াতে পৌঁছে যাবে (World Largest Shivling)

    দক্ষ কারিগরদের দ্বারা কালো গ্রানাইট পাথরকে খোদাই করে এই শিবলিঙ্গটি এক মাস, পনেরো দিনেরও বেশি সময় ধরে অন্ধ্রপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র এবং উত্তরপ্রদেশ অতিক্রম করে গত ৫ জানুয়ারি বিহারের গোপালগঞ্জ (Bihar) জেলায় এসে পৌঁছেছে। যাত্রাপথে ভক্তরা এটিকে বিপুল আনন্দ ও ভক্তি সহকারে স্বাগত জানান। শিবলিঙ্গটি (World Largest Shivling) গত ২১ নভেম্বর যাত্রা শুরু করেছিল এবং ২৫০০ কিলোমিটারেরও বেশি পথ অতিক্রম করে খুব শীঘ্রই কৈথওয়ালিয়াতে পৌঁছে যাবে।

    ১০৮টি শিবলিঙ্গ খোদাই করা হয়েছে

    এই শিবলিঙ্গে ১০৮টি লিঙ্গ খোদাই করা রয়েছে। এটি বিরাট রামায়ণ মন্দিরে নির্মীয়মাণ ২২টি মন্দিরের মধ্যে একটি শিব মন্দিরে (World Largest Shivling) স্থাপন করা হবে। কৈলাস মানসরোবর, প্রয়াগরাজ, হরিদ্বার, গঙ্গোত্রী এবং সোনপুর সহ পাঁচটি পবিত্রস্থান থেকে আনা জল দিয়ে এবং বৈদিকমন্ত্র পাঠের মাধ্যমে আগামী ১৭ জানুয়ারি এই লিঙ্গের প্রতিষ্ঠা করা হবে। বিহারের (Bihar) পূর্ব চম্পারণ জেলায় ১২০ একরেরও বেশি এলাকা জুড়ে বিস্তৃত করা হয়েছে রামায়ণ মন্দিরকে। মন্দির সম্পন্ন হলে বিশ্বের বৃহত্তম হিন্দু মন্দির হবে বলে দাবি এলাকাবাসীর। মহাবীর মন্দির ট্রাস্টের তৎকালীন সম্পাদক, প্রয়াত আচার্য কিশোর কুনাল মন্দির নির্মাণের পরিকল্পনা করেছিলেন।

    মূল মন্দির ১০৮০ ফুট লম্বা এবং ৫৪০ ফুট চওড়া

    সম্পূর্ণ ভাবে মন্দিরটি (World Largest Shivling) নির্মিত হওয়ার পর মন্দির চত্বরে ১৮টি চূড়া এবং ২২টি আলাদা আলাদা মন্দির (Bihar) থাকবে। প্রত্যেক মন্দিরে পৃথক পৃথক দেবতাদের জন্য উৎসর্গীকৃত করা থাকবে। প্রধান মন্দিরটির উচ্চতা হবে ২৭০ ফুট। মূল মন্দির ১০৮০ ফুট লম্বা এবং প্রায় ৫৪০ ফুট চওড়া হবে, যার বাইরের দেওয়ালে রামায়ণের দৃশ্য চিত্রিত থাকবে। মন্দিরে ১৮০ ফুট উচ্চতা বিশিষ্ট মোট চারটি চূড়া থাকবে। সেই সঙ্গে আরও আটটি চূড়ার উচ্চতা হবে ১০৮ ফুট করে। তবে বিরাট শিবলিঙ্গটি মন্দির পরিদর্শনে আসা ভক্তদের জন্য প্রধান আকর্ষণীয় কেন্দ্র হবে বলে মনে করছেন স্থানীয় ভক্তরা।

  • JNU: জেএনইউ ক্যাম্পাসে প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে লক্ষ্য করে আপত্তিকর স্লোগান, অভিযোগ দায়ের বিশ্ববিদ্যালয়ের

    JNU: জেএনইউ ক্যাম্পাসে প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে লক্ষ্য করে আপত্তিকর স্লোগান, অভিযোগ দায়ের বিশ্ববিদ্যালয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লির জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয় (JNU) ক্যাম্পাসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বিরুদ্ধে আপত্তিকর স্লোগান দেওয়ার ঘটনায় অভিযোগ দায়ের করার অনুরোধ জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে জেএনইউয়ের চিফ সিকিউরিটি অফিসার বসন্ত কুঞ্জ (নর্থ) থানার স্টেশন হাউস অফিসারকে একটি চিঠিও পাঠিয়েছেন। চিঠিতে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের ৫ জানুয়ারি রাত আনুমানিক ১০টা নাগাদ, জেএনইউ ক্যাম্পাসের সবরমতী হস্টেলের বাইরে একটি কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এই কর্মসূচিটি সংগঠিত করে জেএনইউ স্টুডেন্টস ইউনিয়নের (JNUSU) সঙ্গে যুক্ত কয়েকজন পড়ুয়া।

    আইনানুগ ব্যবস্থা (JNU)

    বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে খবর, ২০২০ সালের ৫ জানুয়ারি জেএনইউ ক্যাম্পাসে সংঘটিত হিংসার ষষ্ঠ বার্ষিকী পালন করার উদ্দেশ্যে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল। অনুষ্ঠানের নাম দেওয়া হয়েছিল “এ নাইট অফ রেজিস্ট্যান্স উইথ গেরিলা ধাবা”। অভিযোগে বলা হয়েছে, ওই কর্মসূচির আড়ালে প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে লক্ষ্য করে আপত্তিকর এবং উসকানিমূলক কিছু স্লোগানও দেওয়া হয়, যা ক্যাম্পাসের শান্তি-শৃঙ্খলা বিঘ্নিত করে। এই ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পুলিশকে হস্তক্ষেপ করার অনুরোধ জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ (JNU)।

    উসকানিমূলক স্লোগান

    ঘটনাটি নিয়ে পুলিশের তরফে তদন্ত শুরু হতে পারে বলে সূত্রের খবর (PM Modi)। চিঠিতে এও বলা হয়েছে, প্রাথমিকভাবে ওই অনুষ্ঠানটি একটি নির্দিষ্ট বার্ষিকী পালনের উদ্দেশ্যে আয়োজন করা হয়েছিল। এতে ৩০ থেকে ৩৫ জন ছাত্রছাত্রী উপস্থিত ছিলেন। যাঁদের নাম চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন, অদিতি মিশ্র, গোপিকা বাবু, সুনীল যাদব, দানিশ আলি, সাদ আজমি, মেহবুব ইলাহি, কনিষ্ক, পাকিজা খান, শুভম-সহ আরও কয়েকজন। চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, উমর খালিদ ও শরজিল ইমামের জামিন সংক্রান্ত মামলায় সুপ্রিম কোর্টের রায় ঘোষণার পরেই অনুষ্ঠানের প্রকৃতি ও সুর বদলে যায়। সেই সময় কিছু ছাত্রছাত্রী অত্যন্ত আপত্তিকর, উসকানিমূলক এবং জ্বালা ধরানো ধরনের স্লোগান দিতে শুরু করেন (JNU)।

    বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের মত

    বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের মতে, এই ঘটনা সুপ্রিম কোর্টের রায়ের সরাসরি অবমাননা। চিঠিতে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, এই (PM Modi) ধরনের স্লোগান, গণতান্ত্রিক প্রতিবাদের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়, জেএনইউয়ের কোড অফ কন্ডাক্ট লঙ্ঘন করে এবং ক্যাম্পাসের শান্তি, শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তার জন্য গুরুতর হুমকি সৃষ্টি করতে পারে। ওই চিঠিতেই দাবি করা হয়েছে, স্লোগানগুলি ছিল শুনতে পাওয়া যায় এমন, ইচ্ছাকৃত এবং বারবার উচ্চারিত। অর্থাৎ, এটি কোনও তাৎক্ষণিক বা আবেগতাড়িত প্রতিক্রিয়া নয়, বরং সচেতন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত আচরণ। এই ধরনের ব্যবহার বিশ্ববিদ্যালয়ের সৌহার্দ্যপূর্ণ শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ এবং প্রাতিষ্ঠানিক শৃঙ্খলার প্রতি প্রকাশ্য অবজ্ঞা। চিঠিতে জানানো হয়েছে, ঘটনার সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা বিভাগের আধিকারিকরা ঘটনাস্থলেই উপস্থিত ছিলেন এবং পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছিলেন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার প্রাসঙ্গিক ধারায় এই ঘটনার বিষয়ে এফআইআর দায়ের করার অনুরোধ জানানো হয়েছে (JNU)।

    উমর খালিদ ও শরজিল ইমামের জামিনের আবেদন খারিজ

    চিঠি থেকেই জানা গিয়েছে, সুপ্রিম কোর্ট উমর খালিদ ও শরজিল ইমামের জামিনের আবেদন খারিজ করার পর, ক্যাম্পাসে বামপন্থী ছাত্রদের একাংশের তরফে একাধিক উসকানিমূলক স্লোগান দেওয়া হয়। স্লোগানগুলি দিল্লির হিন্দু-বিরোধী দাঙ্গার বৃহত্তর ষড়যন্ত্র মামলার প্রেক্ষিতে দেওয়া হয়েছে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে। এদিকে, জেএনইউয়ে এই স্লোগান দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে এবার আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দিল বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সংশ্লিষ্ট ঘটনা গণতান্ত্রিক ভিন্নমতের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় এবং এটি জেএনইউয়ের (PM Modi) আচরণবিধির স্পষ্ট লঙ্ঘন। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ঘটনার বিষয়টি কর্তৃপক্ষ অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখছেন। প্রশাসনের উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ এই ঘটনার ওপর কড়া নজর রেখেছে এবং তদন্ত প্রক্রিয়ায় পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে (JNU)।

    জেএনইউ প্রশাসন আরও জানিয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের সিকিউরিটি ব্রাঞ্চ পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় রেখে তদন্তে সহযোগিতা করবে। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখতে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দাবি, জেএনইউ সবসময় গণতান্ত্রিক আলোচনার পক্ষে থাকলেও, শৃঙ্খলাভঙ্গ বা আচরণবিধি লঙ্ঘন (PM Modi) কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না (JNU)।

  • Chenab Hydropower: চেনাব নদীতে একের পর এক বাঁধ, প্রমাদ গুণছে পাকিস্তান

    Chenab Hydropower: চেনাব নদীতে একের পর এক বাঁধ, প্রমাদ গুণছে পাকিস্তান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের (Pakistan) জলজীবনরেখায় ভারতের চাপ আর কেবল কৌশলগত ধারণায় সীমাবদ্ধ নেই। জম্মু ও কাশ্মীরের (Chenab Hydropower) পাহাড়ি অঞ্চলে সেই পরিকল্পনা এখন বাস্তব রূপ নিতে শুরু করেছে।

    চারটি গুরুত্বপূর্ণ জলবিদ্যুৎ প্রকল্প (Chenab Hydropower)

    স্পষ্ট রাজনৈতিক ও কৌশলগত বার্তা দিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার চেনাব নদীর অববাহিকায় চারটি গুরুত্বপূর্ণ জলবিদ্যুৎ প্রকল্প দ্রুত সম্পন্ন করার কড়া নির্দেশ জারি করেছে। সরকারি সূত্রে খবর, পাকাল দুল (Pakal Dul) এবং কিরু (Kiru) জলবিদ্যুৎ প্রকল্প দু’টি ২০২৬ সালের ডিসেম্বরের মধ্যেই চালু করতে বলা হয়েছে। ক্বার (Kwar) প্রকল্পটি ২০২৮ সালের মার্চের মধ্যে সম্পূর্ণ করার সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। আর কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ র‍্যাটলে (Ratle) বাঁধের নির্মাণ কাজও দ্রুত গতিতে শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের নেপথ্যে রয়েছে কেন্দ্রীয় বিদ্যুৎমন্ত্রী মনোহর লাল খট্টরের সাম্প্রতিক জম্মু ও কাশ্মীর সফর। টানা দু’দিন ধরে তিনি চেনাব নদী সংলগ্ন একাধিক বাঁধ প্রকল্প সরেজমিনে পরিদর্শন করেন এবং প্রকল্পের কাজ কতদূর এগিয়েছে, তা খতিয়ে দেখেন। সূত্রের খবর, ওই পরিদর্শনের সময়ই তিনি স্পষ্ট করে দেন, এবার আর সময়সীমা নিয়ে কোনও শিথিলতা বরদাস্ত করা হবে না।

    পাকিস্তানের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জলসম্পদ

    বিশেষজ্ঞদের মতে, চেনাব (Chenab Hydropower) নদী পাকিস্তানের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি জলসম্পদ। ভারতের এই দ্রুত বাঁধ নির্মাণ এবং জলবিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়ন ইসলামাবাদের ওপর ভবিষ্যতে বড় কৌশলগত চাপ তৈরি করতে পারে। দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনীতিতে জল এখন যে একটি শক্তিশালী হাতিয়ার হয়ে উঠছে, ভারতের এই পদক্ষেপ তারই ইঙ্গিত (Pakistan)। চেনাব নদী সিন্ধু অববাহিকার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা পাকিস্তানের জলনির্ভর অর্থনীতির মূল ভিত্তি। পাকিস্তানের মোট জলসম্পদের প্রায় তিন-চতুর্থাংশ আসে সেই নদীগুলি থেকে, যেগুলি ভারতের ওপর দিয়ে গিয়ে পাকিস্তানে প্রবেশ করেছে। এই সিন্ধু অববাহিকার ওপর নির্ভর করেই পাকিস্তানের কৃষি ব্যবস্থা গড়ে উঠেছে। দেশটির মোট কৃষিকাজের ৯০ শতাংশেরও বেশি এই অববাহিকার জলের ওপর নির্ভরশীল। শুধু তাই নয়, পাকিস্তানের প্রায় সব সম্পূর্ণ বাঁধ ও খাল নেটওয়ার্ক গড়ে উঠেছে এই অববাহিকাকে কেন্দ্র করেই (Chenab Hydropower)।

    ৯ জনই এমন জল ব্যবহার করেন

    বলতে গেলে, পাকিস্তানের প্রতি ১০ জন নাগরিকের মধ্যে ৯ জনই এমন জল ব্যবহার করেন, যা ভারতের ওপর দিয়ে বয়ে যায়। এ থেকেই স্পষ্ট হয়, কেন চেনাব নদী সংক্রান্ত ভারতের প্রতিটি পদক্ষেপ পাকিস্তানের পক্ষ থেকে এত নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, চেনাব বা সিন্ধু অববাহিকা নিয়ে যে কোনও সিদ্ধান্ত দক্ষিণ এশিয়ার জল নিরাপত্তা, কৃষি উৎপাদন এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ওপর সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলতে পারে। তাই বিষয়টি কেবল (Pakistan) শক্তি উৎপাদনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ না থেকে কৌশলগত ও কূটনৈতিক গুরুত্বও বহন করছে (Chenab Hydropower)। চেনাব নদী অববাহিকায় ভারতের জলবিদ্যুৎ কৌশলে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে। জম্মু ও কাশ্মীরের কিস্তওয়ার জেলায় অবস্থিত পাকাল দুল জলবিদ্যুৎ প্রকল্পকে ২০২৬ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে চালু করার নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্র। এই প্রকল্পটিই চেনাব নদীর অববাহিকায় ভারতের সবচেয়ে বড় জলবিদ্যুৎ প্রকল্প।

    কৌশলগত গুরুত্ব

    ১,০০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন পাকাল দুল প্রকল্পটি শুধু উৎপাদন ক্ষমতার দিক থেকেই নয়, কৌশলগত গুরুত্বেও অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। ১৬৭ মিটার উচ্চতার এই বাঁধটি বর্তমানে ভারতের সর্বোচ্চ বাঁধ, এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, এটি ভারতের প্রথম জলাধারভিত্তিক (storage) প্রকল্প, যা এমন একটি নদীর ওপর তৈরি হয়েছে, যার জল গড়ায় পাকিস্তানেও (Chenab Hydropower)। চেনাব নদীর একটি উপনদীর ওপর নির্মিত এই প্রকল্পটির উদ্বোধন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, ২০১৮ সালের মে মাসে। বর্তমানে সিন্ধু জলচুক্তি (Indus Waters Treaty) কার্যত স্থগিত অবস্থায় থাকায়, পাকাল দুল প্রকল্প দ্রুত চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র (Pakistan)। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রকল্পটি চালু হলে ভারত শুধু বিদ্যুৎ উৎপাদনই নয়, জলপ্রবাহের সময় ও নিয়ন্ত্রণে সক্ষমতা অর্জন করবে, যা দীর্ঘদিন ধরেই পাকিস্তানের উদ্বেগের কারণ (Chenab Hydropower)। পাকাল দুলের পাশাপাশি একই জেলার আর এক গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প কিরু জলবিদ্যুৎ প্রকল্পকেও একই সময়ের মধ্যে শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    কেন্দ্রের সাফ কথা

    চেনাব নদীর ওপর নির্মিত ১৩৫ মিটার উঁচু কিরু বাঁধটি একটি রান-অফ-দ্য-রিভার প্রকল্প হলেও, এর কৌশলগত গুরুত্ব কম নয়। কারণ এটি চেনাব নদীর ওপর অবস্থিত একাধিক ঊর্ধ্ব ও নিম্নপ্রবাহের প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত হয়ে একটি ধারাবাহিক জলবিদ্যুৎ কাঠামোর অংশ (Pakistan)। কেন্দ্র সাফ জানিয়েছে, ২০২৬ সালের ডিসেম্বরের মধ্যেই পাকাল দুল ও কিরু—দু’টি প্রকল্পই একসঙ্গে চালু করার লক্ষ্য। চেনাব নদীতে ভারতের জলবিদ্যুৎ উদ্যোগের তৃতীয় গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে ক্বার প্রকল্পটি। এটি একটি রান-অফ-দ্য-রিভার (Run-of-the-River) ধরনের বাঁধ, যার উচ্চতা ১০৯ মিটার (Chenab Hydropower)। ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে এই প্রকল্পে এক গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তিগত সাফল্য অর্জিত হয়, যখন নির্মাণকাজের সুবিধার্থে সফলভাবে চেনাব নদীর প্রবাহ অন্যদিকে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়। এই নদী-প্রবাহ ঘোরানোর ঘটনার ওপর শুধু ভারতই নয়, পড়শি পাকিস্তানও শ্যেন দৃষ্টিতে তাকিয়েছিল।

    সময়সীমা

    এখন কেন্দ্রীয় সরকার ক্বার প্রকল্পের জন্য একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে। নির্দেশ অনুযায়ী, ২০২৮ সালের মার্চ মাসের মধ্যেই প্রকল্পটির কাজ শেষ করে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করতে হবে। এই সিদ্ধান্তের ফলে চেনাব নদীর অববাহিকায় ভারতের জলসম্পদ ব্যবস্থাপনা ও বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা আরও শক্তিশালী হবে বলেই মনে করা হচ্ছে (Chenab Hydropower)। চেনাব নদীর ওপর নির্মীয়মাণ রাটলে জলবিদ্যুৎ প্রকল্প ঘিরে ভারত–পাকিস্তান উত্তেজনা আরও একবার সামনে এসেছে। ৮৫০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন এই প্রকল্পটি ভারত-পাকিস্তান জলবিরোধের অন্যতম বিতর্কিত প্রকল্প হিসেবে পরিচিত। সম্প্রতি ভারতের বিদ্যুৎমন্ত্রী এই প্রকল্পের বাঁধের কংক্রিট ঢালাইয়ের কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন, যা স্পষ্টভাবে ইঙ্গিত দিচ্ছে, রাটলে প্রকল্পকে এখন ফাস্ট-ট্র্যাক করা হচ্ছে (Pakistan)।

    ১৩৩ মিটার উঁচু বাঁধ

    চেনাব নদীর ওপর নির্মীয়মাণ এই প্রকল্পে ১৩৩ মিটার উঁচু বাঁধ তৈরি করা হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরেই পাকিস্তান এই প্রকল্পের বিরোধিতা করে আসছে, বিশেষ করে বাঁধের স্পিলওয়ে নকশা নিয়ে তাদের আপত্তি রয়েছে। পাকিস্তানের দাবি, এই নকশা ইন্দাস জলচুক্তির পরিপন্থী। যদিও ভারত বারবার জানিয়েছে, প্রকল্পটি আন্তর্জাতিক বিধি মেনেই তৈরি হচ্ছে। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালেই চেনাব নদীর জল টানেলের মাধ্যমে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়েছে এই প্রকল্পের জন্য। সরকারি সূত্রের খবর, ২০২৮ সালের মধ্যেই রাটলে বাঁধ সম্পূর্ণ হওয়ার কথা (Chenab Hydropower)।

    দুলহস্তি-১ প্রকল্পের পরবর্তী ধাপ

    রাটলে প্রকল্পের পাশাপাশি চেনাব নদীর ওপরই আর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প, দুলহস্তি স্টেজ-২ নিয়েও এগোচ্ছে ভারত। গত বছরের ডিসেম্বরে এই প্রকল্পটি পরিবেশমন্ত্রকের বিশেষজ্ঞ কমিটির অনুমোদন পেয়েছে। এটি দুলহস্তি-১ প্রকল্পের পরবর্তী ধাপ, যা ইতিমধ্যেই চালু হয়ে গিয়েছে। তবে এখানেও আপত্তি তুলেছে পাকিস্তান। ইসলামাবাদের দাবি, দুলহস্তি স্টেজ-২ প্রকল্পের অনুমোদনের বিষয়ে তাদের আগাম জানানো হয়নি। ভারত এই অভিযোগ সরাসরি খারিজ করে দিয়ে জানিয়ে দিয়েছে, সমস্ত প্রক্রিয়া নিয়ম মেনেই সম্পন্ন করা হয়েছে এবং পাকিস্তানকে আলাদা করে জানানো বাধ্যতামূলক নয় (Pakistan)।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, চেনাব নদীর অববাহিকায় একের পর এক জলবিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে ভারত কেবল শক্তি উৎপাদনই নয়, কৌশলগতভাবেও নিজের অবস্থান মজবুত করছে। আক্ষরিক অর্থেই পাকিস্তানকে ভাতে মারতে চাইছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Chenab Hydropower) ভারত।

  • JNU: জেএনইউ-তে মোদি বিরোধী স্লোগান! ‘এটা মোদির ভারত, বিচ্ছিন্নতাবাদীদের নয়’, পালটা হুঁশিয়ারি গিরিরাজের

    JNU: জেএনইউ-তে মোদি বিরোধী স্লোগান! ‘এটা মোদির ভারত, বিচ্ছিন্নতাবাদীদের নয়’, পালটা হুঁশিয়ারি গিরিরাজের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয় (JNU) ক্যাম্পাসে সোমবার রাতে হওয়া বিক্ষোভের ঘটনায় জেএনইউ স্টুডেন্টস ইউনিয়নের (JNUSU) কয়েকজন নেতাকে নোটিস পাঠিয়েছে দিল্লি পুলিশ। সুপ্রিম কোর্ট উমর খালিদ ও শরজিল ইমামের জামিন আবেদন খারিজ করার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই এই বিক্ষোভ হয়। এরপরই মঙ্গলবার বামপন্থী ছাত্র সংগঠনগুলোর বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানায় বিজেপি নেতৃত্ব। তাঁদের অভিযোগ, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে “দেশবিরোধী” মতাদর্শ প্রচার করা হচ্ছে। সবরমতী হোস্টেলের বাইরে ও ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে স্লোগান দেওয়াকে কেন্দ্র করেই এই রাজনৈতিক বিতর্কের সূত্রপাত।

    সবরমতী হোস্টেলের সামনে বিক্ষোভ

    বিজেপি নেতা প্রদীপ ভাণ্ডারি দাবি করেন, সবরমতী হোস্টেলের কাছে হওয়া বিক্ষোভ কোনও স্বতঃস্ফূর্ত ছাত্র আন্দোলন নয়, বরং চরমপন্থী মতাদর্শ ছড়ানোর একটি পরিকল্পিত প্রচেষ্টা। তাঁর অভিযোগ, জেএনইউ-এর মতো বৌদ্ধিক পরিসরকে “দেশবিরোধী চিন্তাধারা” জোরদার করতে ব্যবহার করা হচ্ছে, যা জাতীয় ঐক্যের জন্য ভয়ঙ্কর। বিক্ষোভ চলাকালীন কেন্দ্রীয় সরকার ও দেশের শীর্ষ নেতৃত্বকে লক্ষ্য করে স্লোগান তোলা হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। যার জেরে ক্যাম্পাস রাজনীতি নিয়ে নজরদারি আরও বেড়েছে। দিল্লির মন্ত্রী আশিস সুদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বিরুদ্ধে ওঠা স্লোগানের নিন্দা করেন। তিনি বলেন, “এর আগেও এমন ঘটনা ঘটেছে। শরজিল ইমাম উত্তর-পূর্ব ভারতকে বিচ্ছিন্ন করার কথা বলেছিলেন। উমর খালিদ ‘ভারত টুকরো টুকরো হবে’—এই ধরনের স্লোগান তুলেছিলেন এবং ২০২০ সালের দাঙ্গায় তাঁর জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। এ ধরনের ব্যক্তিদের প্রতি সহানুভূতি দেখানোর ফলেই জেএনইউ-তে দায়িত্বজ্ঞানহীন উপাদান মাথাচাড়া দিচ্ছে।”

    মোদি-শাহ বিরোধী স্লোগান

    ২০২০ সালের দিল্লি দাঙ্গায় অভিযুক্ত উমর খালিদ ও শারজিল ইমামের জামিনের আবেদন সোমবার খারিজ করেছে সুপ্রিম কোর্ট। আদালত জানিয়েছে, ওই দাঙ্গার ঘটনায় ষড়যন্ত্রের পরিকল্পনা ও দাঙ্গা সংগঠিত করার ক্ষেত্রে খালিদ এবং ইমামের কেন্দ্রীয় ভূমিকা ছিল। যদিও তাঁদের সঙ্গে জেলবন্দি বাকি ৫ জনকে শর্ত সাপেক্ষে মুক্তি দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। খালিদের জামিন খারিজ হওয়ার পর, সোমবার সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বিরুদ্ধে জেএনইউ ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে সেখানকার পড়ুয়ারা। স্লোগান তোলা হয়, ‘জেএনইউ কী ধরতী পর মোদি-শাহ কী কবর খুদেগী।’ অর্থাৎ ‘জেএনইউ-এর মাটিতেই মোদি শাহের কবর খোঁড়া হবে।’ মুহূর্তের মধ্যে সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয় এই স্লোগান।

    দেশবিরোধী মানসিকতা

    মোদি বিরোধী এই স্লোগানে যারপরনাই ক্ষুব্ধ বিজেপি। মঙ্গলবার সকালে সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিং বলেন, “জেএনইউ টুকরে টুকরে গ্যাং, আরজেডি, তৃণমূল, বাম দল ও রাহুল গান্ধীর মতো দেশবিরোধী মানসিকতার লোকের কার্যালয় হয়ে উঠেছে। ওদের মনে রাখা উচিত এটা ভারত এবং একবিংশ শতাব্দীর নরেন্দ্র মোদির ভারত। বিবেকানন্দ বলেছিলেন গেরুয়া রং-ই থাকবে। আমি এইসব টুকরে টুকরে গ্যাংকে বলতে চাই, যারা উমর খালিদ ও শরজিল ইমামকে সমর্থন করে, যারা পাকিস্তানের মানসিকতায় বিশ্বাস করে যারা চিকেন নেক আলাদা করার কথা বলে, তাঁরা দেশদ্রোহী।”

LinkedIn
Share