Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • ISRO Chairman: “বিজ্ঞানের মূল কথা নিহিত ছিল বেদেই”! দাবি ইসরো চেয়ারম্যানের

    ISRO Chairman: “বিজ্ঞানের মূল কথা নিহিত ছিল বেদেই”! দাবি ইসরো চেয়ারম্যানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজ্ঞানের মূল কথা নিহিত ছিল বেদেই (Veda)। সেখান থেকেই আধুনিক বিজ্ঞানের উৎপত্তি। অন্তত এমনই দাবি করলেন ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থার চেয়ারম্যান (ISRO Chairman) এস সোমনাথ। বুধবার মধ্যপ্রদেশের উজ্জয়িনে মহর্ষি পাণিনি সংস্কৃত এবং বেদ বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে বক্ততা দিতে গিয়ে এ কথা বলেন তিনি।

    মহাকাশ গবেষণা সংস্থার চেয়ারম্যানের দাবি (ISRO Chairman)

    তাঁর দাবি, বীজগণিত, বর্গমূল, সময়ের ধারণা, স্থাপত্য, মহাবিশ্বের গঠন, ধাতুবিদ্যা, এমনকি বিমানচালনার উৎসের সন্ধানও প্রথম বেদ থেকেই পাওয়া গিয়েছিল। পরে সেগুলি আরব দেশগুলির মধ্যে দিয়ে ইউরোপে গিয়েছিল। পরবর্তীকালে সেগুলিকে পশ্চিমি বিশ্বের বিজ্ঞানীদের আবিষ্কার হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল। তিনি বলেন, উন্নত বিশ্ব পরে এগুলো খুঁজে পেয়েছে মাত্র। কিন্তু তার আগে থেকেই এগুলোর অস্তিত্ব ছিল। ইসরো প্রধান (ISRO Chairman) হওয়ার পাশাপাশি সোমনাথ কেন্দ্রীয় সরকারের মহাকাশ সংক্রান্ত দফতরের সচিব এবং স্পেস কমিশনের চেয়ারম্যানও।

    সংস্কৃতের গুরুত্ব

    সোমনাথ বলেন, আগে সংস্কৃতের কোনও লিখিত লিপি ছিল না। সবাই তাই এই বিষয়গুলি শুনে শুনে মুখস্ত করতেন। এভাবেই এই ভাষাটা বেঁচে থেকেছে বহু শতাব্দী ধরে। পরে গিয়ে মানুষ সংস্কৃতের জন্য দেবনাগরী লিপি ব্যবহার শুরু করে। ইসরো কর্তা বলেন, ব্যাকরণের জন্যই বৈজ্ঞানিক ভাবনাচিন্তাকে প্রকাশ করার উপযুক্ত ভাষা হল সংস্কৃত। ইঞ্জিনিয়র ও বিজ্ঞানীদের প্রিয় ভাষা হল সংস্কৃত। কম্পিউটারের ভাষার সঙ্গে এর মিল রয়েছে। তাই যাঁরা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স শিখতে চান, তাঁরা সংস্কৃত শেখেন। সংস্কৃত ভাষাকে কীভাবে কম্পিউটারে ব্যবহার করা যায়, তা নিয়ে বহু গবেষণাও হচ্ছে।

    আরও পড়ুুন: নয়া সংসদ ভবনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মোদির পাশে ১৭ দল, কারা জানেন?

    সোমনাথ (ISRO Chairman) বলেন, জ্যোতির্বিদ্যা, চিকিৎসাবিদ্যা, বিজ্ঞান, পদার্থবিদ্যা, রাসায়নিক বিজ্ঞান ও বিমান চালানোর বিজ্ঞানের ফল সংস্কৃতে লেখা হয়েছিল। কিন্তু সেগুলিকে পুরোপুরি কাজে লাগানো যায়নি এবং তা নিয়ে তখন গবেষণা করা হয়নি। তিনি বলেন, একজন রকেট বিজ্ঞানী হওয়ার দরুণ আমি সংস্কৃতের একটি বই দেখে মুগ্ধ হয়ে গিয়েছিলাম। বইটি সৌরজগত, সময় এবং পৃথিবীর আকার এবং পরিধি সম্পর্কে ছিল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • New Parliament: নয়া সংসদ ভবনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মোদির পাশে ১৭ দল, কারা জানেন?

    New Parliament: নয়া সংসদ ভবনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মোদির পাশে ১৭ দল, কারা জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার উদ্বোধন হতে চলেছে নয়া সংসদ ভবনের (New Parliament)। উদ্বোধন করার কথা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi)। যেহেতু রাষ্ট্রপতির হাতে উদ্বোধন হচ্ছে না নয়া সংসদ ভবনের, তাই বিজেপি বিরোধী বেশ কয়েকটি দল ওই অনুষ্ঠানে যোগ দেবে না বলে ইতিমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছে। অনুষ্ঠানে যে দলগুলি যোগ দেবে, তাদের মধ্যে কয়েকটি দল বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএর সদস্য। অন্য দলগুলি বিজেপি বা বিরোধী জোট, কোনও শিবিরের সঙ্গেই যুক্ত নয়।

    নয়া সংসদ ভবনের উদ্বোধনে (New Parliament) কারা?

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেবে বলে ইতিমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছে ওড়িশার বিজু জনতা দল, অন্ধ্রপ্রদেশের ওয়াইএসআর কংগ্রেস এবং পঞ্জাবের শিরোমণি অকালি দল। মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রী কনরাড সাংমার দল এনপিপি-ও ওই অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। নয়া সংসদ ভবনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেবে বলে জানিয়ে দিয়েছে তেলগু দেশম পার্টিও। প্রয়াত রামবিলাস পাশোয়ানের ছেলে সাংসদ চিরাগও উপস্থিত থাকতে পারেন ওই অনুষ্ঠানে। বিজেপির সহযোগী দলগুলির মধ্যে অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবে তিন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পশুপতি পারসের রাষ্ট্রীয় লোক জনশক্তি পার্টি, রামদার অঠওয়ালের আরপিআইএ, অনুপ্রিয়া পটেলের আপনা দল (এস)।

    উপস্থিত থাকবে এরাও

    হাজির (New Parliament) থাকবে মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডের শিবসেনা, হরিয়ানার উপমুখ্যমন্ত্রী দুষ্মন্ত চৌটালার জেজেপি, তামিলনাড়ুর প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী পলানীস্বামীর এডিএমকে, ঝাড়খণ্ডের প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী সুদেশ মাহাতর আজসু, সিকিমের মুখ্যমন্ত্রী প্রেম সিংহ তামাংয়ের সিকিম ক্রান্তিকারি মোর্চা, নাগাল্যান্ডের মুখ্যমন্ত্রী নেফিয়ু রিওর এনডিপিপি এবং মিজোরামের মুখ্যমন্ত্রী জোরামথাঙ্গার মিজো ন্যাশনাল ফ্রন্টও। নাগাল্যান্ড পিপলস পার্টি, তামিল মনিলা কংগ্রেস এবং আইএমকেএমকেকেও দেখা যাবে ওই অনুষ্ঠানে।

    আরও পড়ুুন: “কংগ্রেসকে ভোট দিয়েছি, টিকিট কাটব না”! খয়রাতির প্রতিশ্রুতি ব্যুমেরাং হচ্ছে ‘হাত’-এর

    নয়া সংসদ ভবনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি বলে অভিযোগ করেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে। বুধবার সেই যুক্তি দেখিয়ে অনুষ্ঠান বয়কটের কথা প্রথম ঘোষণা করে তৃণমূল। পরে অনুষ্ঠান বয়কটের কথা জানায় আরও ১৯টি রাজনৈতিক দল। এদিকে, নয়া সংসদ ভবনের (New Parliament) উদ্বোধন হোক রাষ্ট্রপতির হাতে, এমনই আর্জি জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে দায়ের হয়েছে আবেদন। ১৮ মে লোকসভার সচিব সংক্রান্ত দফতরের তরফে যে আমন্ত্রণপত্র প্রকাশিত হয়েছে, তা পেশ করা হয়েছে আদালতে। মামলাকারীর দাবি, এই আমন্ত্রণ সম্পূর্ণরূপে সংবিধান বিরোধী। ভারতীয় সংবিধানের বিরোধী ভাবনা রয়েছে এই আমন্ত্রণে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Congress: “কংগ্রেসকে ভোট দিয়েছি, টিকিট কাটব না”! খয়রাতির প্রতিশ্রুতি ব্যুমেরাং হচ্ছে ‘হাত’-এর

    Congress: “কংগ্রেসকে ভোট দিয়েছি, টিকিট কাটব না”! খয়রাতির প্রতিশ্রুতি ব্যুমেরাং হচ্ছে ‘হাত’-এর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঢালাও খয়রাতির (Freebies) প্রতিশ্রুতি দিয়ে কর্নাটকে (karnataka) ক্ষমতায় এসেছে কংগ্রেস (Congress)। তবে সোনিয়া গান্ধীর দল জানত না যে সেই ‘গালভরা প্রতিশ্রুতি’ই ব্যুমেরাং হয়ে ফিরবে। কংগ্রেস সরকার শপথ নেওয়ার পর জনতার একাংশ বিদ্যুতের বিল দিচ্ছেন না। নিখরচায় বাসেও যাতায়াত করছেন অনেক মহিলা। যার জেরে কার্যত মাথায় হাত হওয়ার জোগাড় কর্নাটকের কংগ্রেস সরকারের। বিষয়টা তাহলে খুলেই বলা যাক।

    কংগ্রেসের (Congress) প্রতিশ্রুতি

    ২২৪ আসন বিশিষ্ট কর্নাটক বিধানসভায় ১৩৫টি আসন পেয়ে ক্ষমতা দখল করে কংগ্রেস (Congress)। মুখ্যমন্ত্রী হন সিদ্দারামাইয়া। তার পরে অনেকেই বন্ধ করে দিয়েছেন বিদ্যুতের বিল মেটানো। নির্বাচনী জনসভায় পাঁচটি গ্যারান্টি দিয়েছিল কর্নাটক কংগ্রেস। সেগুলি হল, পরিবারের মহিলাদের মাসে দেওয়া হবে ২ হাজার করে টাকা, শিক্ষিত বেকারদের ডোল দেওয়া হবে, বিপিএল তালিকাভুক্ত পরিবারের প্রত্যেক সদস্যকে নিখরচায় ১০ কিলো করে চাল দেওয়া হবে, প্রতিটি বাড়ির ২০০ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুতের বিল মকুব এবং সরকারি বাসে মহিলাদের নিখরচায় যাতায়াতের সুবিধা। অর্থনীতিবিদদের একাংশের মতে, ভোট কিনতে গিয়ে এই খয়রাতির প্রতিশ্রুতি, তাতে রাজ্য দেনায় আরও ডুবে যাবে। কারণ এই প্রতিশ্রুতিগুলি পূরণ করতে গেলে সরকারকে খরচ করতে হবে অতিরিক্ত ৫০ হাজার কোটি টাকা। এই পরিমাণ টাকা কর্নাটকের ঘাটতির প্রায় দ্বিগুণ। যার খেসারত দিতে হবে করদাতাদের।

    বিনামূল্যে বিদ্যুৎ সরবরাহের প্রতিশ্রুতি

    যেহেতু ২০০ ইউনিট পর্যন্ত বিনামূল্যে বিদ্যুৎ সরবরাহের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল কংগ্রেস (Congress), তাই কর্নাটকের অনেকেই স্থানীয় বিদ্যুৎ অফিসে গিয়ে বৈদ্যুতিন মিটারের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার দাবি তুলেছেন। বেলাগাভির একটি গ্রামের বাসিন্দাদের একাংশের দাবি, কংগ্রেস ক্ষমতায় এলে তাঁদের বিনামূল্যে বিদ্যুৎ সরবরাহ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। যেহেতু কংগ্রেসই সরকার গড়েছে, তাই বিদ্যুতের বিল দেবেন না তাঁরা। এই দাবিতেই সরব হয়েছেন কালাবুর্গী, কপ্পাল এবং চিত্রদুর্গার মতো কয়েকটি জেলার বাসিন্দারাও।

    মহিলাদের নিখরচায় বাসে যাতায়াতের প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হয়েছিল কংগ্রেসের (Congress) ইস্তেহারে। রায়চুরের এক মহিলা সরকারি বাসে উঠে ভাড়া দিতে রাজি হচ্ছেন না। এনিয়ে বাস কন্ডাক্টরের সঙ্গে ওই মহিলাযাত্রীর বচসাও হয়। তিনি বলেন, “আমাদের যদি টাকা দিতেই হয়, তবে কেন কংগ্রেস বলেছিল যে সরকার গঠন করার পর আর মহিলাদের বাসের ভাড়া দিতে হবে না?” ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে তাঁকে এও বলতে শোনা যায়, “আমরা কংগ্রেসকে ভোট দিয়েছি, তাই টিকিট কাটব না।”

    খয়রাতি প্রসঙ্গে বিজেপির অবস্থান

    প্রসঙ্গত, ঢালাও খয়রাতির প্রতিশ্রুতি দিয়ে বাংলায় তৃতীয়বারের জন্য ক্ষমতায় এসেছে তৃণমূল কংগ্রেস। সেই প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে গিয়েই ঋণের জালে জড়িয়ে পড়ছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। কেন্দ্রীয় বিভিন্ন প্রকল্পের টাকা খয়রাতিতে খরচ হচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। অথচ বিভিন্ন সময় খয়রাতির রাজনীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছে বিজেপি। ভোট কেনার এই পন্থার বিরুদ্ধে সরব হতে দেখা গিয়েছে খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকেও। বিরোধীদের খয়রাতি সংস্কৃতির তীব্র সমালোচনা করে তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছে, ‘‘আজকাল আমাদের দেশে বিনামূল্যে রেওয়ারি বিতরণ করে ভোট কেনার চেষ্টা করা হচ্ছে। দেশের বিকাশের জন্য এই সংস্কৃতি ঘাতকের মতো। এই খয়রাতি সংস্কৃতি থেকে দেশের নাগরিকদের ও বিশেষ করে যুবদের সতর্ক থাকার দরকার রয়েছে।’  

    আরও পড়ুুন: জাতীয় সড়কে মিছিল অভিষেকের, হাইকোর্টে মামলা ঠুকলেন শুভেন্দু

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • G20: “বিশ্বের প্রতিটি প্রান্তের পর্যটকের কাশ্মীর দেখা উচিত”, বললেন জি২০-র প্রতিনিধিরা

    G20: “বিশ্বের প্রতিটি প্রান্তের পর্যটকের কাশ্মীর দেখা উচিত”, বললেন জি২০-র প্রতিনিধিরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেষ হল জি২০-র (G20) তৃতীয় ট্যুরিজম ওয়ার্কিং গ্রুপের বৈঠক। মঙ্গলবার শেষ হয় ওই বৈঠক। বুধবার সকালে বৃষ্টির মধ্যেই ভূস্বর্গ ঘুরে দেখতে বেরিয়ে পড়েন বিভিন্ন দেশ থেকে আগত প্রতিনিধিরা। এই বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন প্রায় ৬০ জন বিদেশি প্রতিনিধি। দিনের শুরুতেই জাবারওয়ান পর্বতমালাকে ব্যাকড্রপ করে যোগা করেন তাঁরা। তার পরেই চলে যান নিশাত গার্ডেন ঘুরে দেখতে। ডাল লেকের ধারে রয়েল স্পিং গল্ফ কোর্সও ঘুরে দেখেন ওই প্রতিনিধিরা। ট্যুইট-বার্তায় একথা জানান কেন্দ্রীয় পর্যটন মন্ত্রী স্বয়ং। 

    কাশ্মীর নিয়ে কী মত জি২০-র (G20) প্রতিনিধিদের?

    ভিনদেশিদের দেখে খুশি কাশ্মীরে বেড়াতে যাওয়া পর্যটকরাও। তাঁদের অনেককেই এই বিদেশি অতিথিদের সঙ্গে সেলফি তুলতে দেখা যায়। এঁদের অনেকেই কাশ্মীরের ট্র্যাডিশনাল পোশাক পরেছিলেন। জি২০ শেরপা অমিতাভ কান্ত বলেন, “এটা একটা দারুন অভিজ্ঞতা। আন্তরিক (G20) আতিথেয়তা, উষ্ণ অভ্যর্থনা। আমাদের অনেক কষ্ট করতে হয়েছে। তাই আমরা কাশ্মীর দর্শন উপভোগ করলাম। আমরা কাশ্মীর দেখেছি এবং কাশ্মীরবাসীর ভালবাসা উপভোগ করেছি।”

    অভ্যাগতরা যে কাশ্মীরের অ্যাম্বাসাডর হবেন সে আশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, “এখানে রয়েছে সুফি সংস্কৃতি। যেটা জি২০-র দর্শনের সঙ্গে মেলে। কাশ্মীরের সুফি মতবাদের সার কথাই হল, আমরা সবাই একই পরিবারের। আমরা একটা পরিবারের মতো থেকে জি২০ উপভোগ করেছি। প্রত্যেক প্রতিনিধি একটা মনোমুগ্ধকর অভিজ্ঞতা নিয়ে ফিরে গিয়েছেন এবং তাঁরা প্রচুর পর্যটক নিয়ে ফিরবেন।”

    কাশ্মীর দেখা উচিত, কেন বললেন এ কথা?

    এদিন ডাল লেকের পাশে বুলেভার্ড রোডও ঘুরে দেখেন বিদেশি প্রতিনিধিরা। কেনাকাটা করতে চলে যান লালচকের পোলো মার্কেটে। সেই কারণে কাশ্মীরের ওই বাজার আধ ঘণ্টার জন্য (G20) বন্ধ করে দেওয়া হয় সাধারণ মানুষের জন্য। ভারতে সিঙ্গাপুরের হাই কমিশনার সাইমন ওয়াং বলেন, “বিশ্বের প্রতিটি প্রান্তের পর্যটকের কাশ্মীর দেখা উচিত।”

    প্রসঙ্গত, শ্রীনগরের ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন আর্জেন্টিনা, অস্ট্রেলিয়া, ব্রাজিল, কানাডা, ফ্রান্স, জার্মানি, ইন্দোনেশিয়া, ইটালি, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, মেক্সিকো, রাশিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, ব্রিটেন, আমেরিকায় এবং ইউরোপিয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিরা।

    আরও পড়ুুন: “মোদিজির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হয়েছে নবান্নে”, বোমা ফাটালেন শুভেন্দু

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Manipur: ফের অশান্তি মণিপুরে, পুড়ে খাক বাড়ি, জারি কার্ফু

    Manipur: ফের অশান্তি মণিপুরে, পুড়ে খাক বাড়ি, জারি কার্ফু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার অশান্তি হয়েছিল মণিপুরের (Manipur) রাজধানী ইম্ফলে। অশান্তির সেই আগুন (Violence) ছড়িয়ে পড়ল মঙ্গলবারে। এবার অকুস্থল বিষ্ণুপুর জেলার ফউবাকচা এলাকা। আগুনে পুড়ে খাক হয়ে গিয়েছে মোট ৭টি বাড়ি। ঘটনায় একজনের মৃত্যু হয়েছে বলে প্রশাসন সূত্রে খবর। জখম হয়েছেন দুজন। অশান্তির আঁচ যাতে ছড়িয়ে না পড়ে তাই রাজ্যের স্পর্শকাতর এলাকাগুলিতে নতুন করে জারি করা হয়েছে কার্ফু। মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিংহ জানান, রাজ্যে শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। সরকার চুপ করে বসে নেই।

    মণিপুরে (Manipur) অশান্তির আগুন

    ৩ মে অশান্তি শুরু হয় মণিপুরে। সেই সময় যেসব জায়গায় সব চেয়ে বেশি উত্তেজনা ছড়িয়েছিল, সেগুলির মধ্যে রয়েছে বিষ্ণুপুর ও চূড়াচাঁদপুর। এই বিষ্ণুপুরে আগে যে অশান্তি হয়েছিল, তখন মৃত্যু হয়েছিল এক সেনা জওয়ান ও পুলিশ কমান্ডোর। আগ্নেয়াস্ত্র সহ গ্রেফতার করা হয়েছিল বেশ কয়েকজনকে। সোমবার ইম্ফলে যে অশান্তি হয়, সেখানে নিউ লাম্বুলেন এলাকা থেকে আগ্নেয়াস্ত্র সহ গ্রেফতার করা হয় তিনজনকে। নিউ কেইথিলমানবি এলাকা থেকেও বন্দুক ও গুলি সহ গ্রেফতার করা হয় একজনকে। পুলিশের দাবি, এরা হিংসার সঙ্গে যুক্ত।

    শান্তি বজায় রাখার আর্জি

    মণিপুর (Manipur) সরকারের নিরাপত্তা উপদেষ্টা কুলদীপ সিংহ জানান, মঙ্গলবার রাতের ঘটনায় কতজন হতাহত হয়েছেন, তা এখনই বলা সম্ভব নয়। হিংসার ঘটনা রুখতে রাজ্যের স্পর্শকাতর এলাকাগুলিতে নতুন করে কার্ফু জারি করা হয়েছে। তবে দৈনন্দিন কাজের জন্য কিছু সময়ের জন্য কার্ফু শিথিল করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এদিকে, এদিনই মণিপুরের দুই সাংসদ দেখা করেন কেন্দ্রীয় বিদেশ প্রতিমন্ত্রী রাজকুমার রঞ্জন সিংহের সঙ্গে। তাঁর সঙ্গে আলাদা করে কথা বলেন কুকি ও মণিপুর জনগোষ্ঠীর বিশিষ্ট ব্যক্তিরাও। শান্তি বজায় রাখার আর্জি জানান তাঁরা।

    আরও পড়ুুন: “মোদিজির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হয়েছে নবান্নে”, বোমা ফাটালেন শুভেন্দু

    মণিপুরের (Manipur) স্পিয়ার কর্পসের তরফে জানানো হয়েছে, কাংচুক চিংখং জংশন এলাকায় মোবাইল ভেহিক্যাল চেক পোস্ট বসানো হয়েছিল। সেখানে একটি মারুতি অল্টো আটক করা হয় হয়। গাড়িটি থেকে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে ৫টি শটগান, ৫টি গ্রেনেড এবং ৩ কার্টন শটগানের বারুদ। গ্রেফতার করা হয়েছে তিনজনকে। তুলে দেওয়া হয়েছে পুলিশের হাতে।

    প্রসঙ্গত, মণিপুরের সিংহভাগ জনতা মেইতেই সম্প্রদায়ভুক্ত। তফশিলি জনজাতি মর্যাদার দাবিতে দীর্ঘ দিন ধরেই আন্দোলন করছেন তাঁরা। তাঁদের এই দাবির বিরোধিতা করে মিছিল বের করে অল ট্রাইবাল স্টুডেন্টস ইউনিয়ন অফ মণিপুর। সেখান থেকেই শুরু হয় অশান্তি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • GDP: ‘ভারতের জিডিপি ছাড়িয়ে যেতে পারে ৭ শতাংশ’, বলছেন রিজার্ভ ব্যাঙ্কের গভর্নর

    GDP: ‘ভারতের জিডিপি ছাড়িয়ে যেতে পারে ৭ শতাংশ’, বলছেন রিজার্ভ ব্যাঙ্কের গভর্নর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি অর্থবর্ষে ভারতের (India) জিডিপি (GDP) ছাড়িয়ে যেতে পারে ৭ শতাংশ। অন্তত এমনই দাবি করেছেন রিজার্ভ ব্যাঙ্কের গভর্নর শক্তিকান্ত দাস। বছরের প্রথম দিকেই চলতি আর্থিক বর্ষের অর্থনৈতিক সমীক্ষায় ইঙ্গিত মিলেছিল ভারতের জিডিপি হতে পারে ৭ শতাংশ। ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষের বেসলাইন জিডিপি বৃদ্ধি ৬.৫ শতাংশ হতে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে। এই প্রসঙ্গে বলতে গিয়েই রিজার্ভ ব্যাঙ্কের গভর্নর বলেন, সুদের হারে বৃদ্ধি ঠেকানো আমার হাতে নেই।

    জিডিপি (GDP) নিয়ে কী বললেন শক্তিকান্ত?

    তিনি বলেন, দেশে মুদ্রাস্ফীতি অনেকটাই কমেছে। কিন্তু এই সময়টা অনেকটাই চ্যালেঞ্জের। অবহেলার কোনও সুযোগ নেই। তিনি বলেন, দেশের ব্যাঙ্কগুলির ওপর ভরসা রয়েছে। শুধু তাই নয়, বিশ্বের পরিস্থিতির তুলনায় ভারতের ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থা স্থিতিশীল এবং শক্তিশালী। রিজার্ভ ব্যাঙ্কের গভর্নর বলেন, এই আর্থিক স্থিতিশীলতা (GDP) বজায় রাখতে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক সবরকমভাবে ব্যাঙ্কগুলিকে সাহায্য করছে। তিনি বলেন, ইস্পাত ও সিমেন্ট খাতে ব্যক্তিগত বিনিয়োগের বৃদ্ধি লক্ষ্য করা গিয়েছে।

    আরবিআইয়ের সাম্প্রতিক সমীক্ষা

    যা দেশের দুটি গুরুত্বপূর্ণ শিল্পের জন্য ভাল প্রমাণিত হতে চলেছে। রিজার্ভ ব্যাঙ্কের গভর্নর আরও বলেন, কৃষি খাত ভাল করেছে এবং সেবা খাতও ভাল করেছে। তবে সরকারের ক্যাপেক্স এবং পরিকাঠামোর জন্য খরচ আগের চেয়ে বেশ কিছুটা বেড়েছে। শক্তিকান্ত বলেন, আরবিআইয়ের সাম্প্রতিক সমীক্ষা অনুসারে উৎপাদন ক্ষেত্রে সক্ষমতার ব্যবহার প্রায় ৭৫ শতাংশ। কিন্তু একটি সিআইআই সমীক্ষা দেখায় যে এটি আরও বেশি।

    এদিন ২ হাজার টাকার নোট বাজার থেকে তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত (GDP) প্রসঙ্গে শক্তিকান্ত বলেন, ২০১৮ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত ২ হাজার টাকার নোটের চাহিদা ছিল সর্বাধিক। সেই সময় সার্কুলেশন হয়েছিল ৬.৭৩ লক্ষ কোটি টাকা। ২০২৩ সালের ৩১ মার্চ এই চাহিদা কমে দাঁড়ায় ৩.৬২ লক্ষ কোটিতে। তিনি জানান, অন্যান্য নোট বাজারে অনেক বেশি ছেড়ে রাখা হয়েছে। তাই সমস্যা হবে না।

    আরও পড়ুুন: “মোদিজির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হয়েছে নবান্নে”, বোমা ফাটালেন শুভেন্দু

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: আজ অসমে ৪৫,৭০৩ চাকরিপ্রার্থীর হাতে নিয়োগপত্র দেবেন অমিত শাহ

    Amit Shah: আজ অসমে ৪৫,৭০৩ চাকরিপ্রার্থীর হাতে নিয়োগপত্র দেবেন অমিত শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অসম সরকারের বিভিন্ন বিভাগে ৪৫ হাজার ৭০৩ জন প্রার্থীর হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এই প্রথম কোনও সরকারি অনুষ্ঠানে এতজনের হাতে একসঙ্গে নিয়োগ পত্র তুলে দেওয়া হবে। আগামী কাল বৃহস্পতিবার অসম সফরে আসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তাঁর আগমনকে কেন্দ্র করে গুয়াহাটি-সহ সমগ্র রাজ্যকে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে দেওয়া হয়েছে।

    প্রতিশ্রুতি পূরণ

    সরকারি সূত্রে খবর, ২৫ মে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) গুয়াহাটি আসছেন। সেখানে অসম সরকারের বিভিন্ন বিভাগে নিয়োগের জন্য আনুমানিক ৪৫ হাজারেরও বেশি ছেলেমেয়ের হাতে নতুন নিয়োগ পত্র তুলে দেবেন তিনি। রাজ্যের বিজেপি সরকারের ১ লক্ষ সরকারি চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি পূরণ হবে আগামী কাল, দাবি অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মার।

    গুয়াহাটির খানাপাড়ায় ভেটেরিনারি ময়দানে এক অনুষ্ঠানে ওইসব নিয়োগপত্র বিতরণ করা হবে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা ইতিমধ্যে জানিয়েছেন, আগামী কালের কর্মসূচির সময় ৪৫,৭০৩ জন সফল প্রার্থীকে নিয়োগপত্র বিতরণ করা হবে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী একই দিনে ন্যাশনাল ফরেনসিক সায়েন্স ইউনিভার্সিটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন।

    আরও পড়ুুন: “কোভিডের চেয়েও মারাত্মক অতিমারির জন্য প্রস্তুত থাকুন”, সাবধানবাণী হু কর্তার

    প্রসঙ্গত অসমে সরকার গঠন করার আগেই এক লাখ চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল বিজেপি। চলতি বছরের ৩১ মার্চের মধ্যেই ওই চাকরি দেওয়ার কথা ছিল। সেই চাকরির কী হল তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন অসমের নির্দল বিধায়ক অখিল গগৈ। গত মার্চে সেই প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে অসমের অর্থমন্ত্রী অজন্তা নেয়োগ বলেন, ১ লাখ ব্যক্তিকে চাকরি দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গিয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Congress: কর্নাটকের কংগ্রেস সরকারের কাছে ‘হিন্দু বিরোধী’ তিন দাবি অ্যামনেস্টি ইন্ডিয়ার!

    Congress: কর্নাটকের কংগ্রেস সরকারের কাছে ‘হিন্দু বিরোধী’ তিন দাবি অ্যামনেস্টি ইন্ডিয়ার!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কর্নাটক (Karnataka) বিধানসভায় নিরঙ্কুশ সংখ্যা গরিষ্ঠতা পেয়েছে কংগ্রেস (Congress)। ২২৪ আসন বিশিষ্ট ওই বিধানসভায় কংগ্রেস পেয়েছে ১৩৫টি আসন। তার পরেই মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে হিন্দুত্ব বিরোধী বিভিন্ন সংগঠন। রাজ্যের নয়া সরকারের কাছে তাদের ‘আবদার’ও জানিয়েছে ওই সংগঠনগুলি। এই যেমন, অ্যামনেস্টি ইন্ডিয়া। এই সংগঠনের বিরুদ্ধে দেশের একাধিক তদন্তকারী সংস্থা তদন্ত শুরু করতেই পাততাড়ি গুটিয়েছে। সম্প্রতি তারাই কর্নাটকে কংগ্রেস সরকারের কাছে একাধিক দাবি জানিয়েছে। যার মধ্যে তিনটিই হিন্দু-বিরোধী।

    কংগ্রেসের (Congress) কাছে দাবি

    ওই সংগঠনের দাবিগুলির মধ্যে রয়েছে, গোহত্যার অনুমতি দিতে হবে। দিতে হবে ধর্মান্তকরণের অধিকারও। স্কুলে হিজাব পরায় যে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে, তা প্রত্যাহার করতে হবে এবং যেসব হিন্দু মুসলমানদের দোকান বয়কট করেছে, তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। ট্যুইট-বার্তায় অ্যামনেস্টি ইন্ডিয়া কর্নাটক কংগ্রেসকে বলেছে, মানবাধিকার রক্ষায় এই তিনটি কাজকে প্রায়োরিটি দিতে হবে।

    হিজাব পরে স্কুলে যাওয়ার দাবি

    ওই সংগঠনের প্রথম (Congress) দাবি, স্কুলে হিজাব পরার ওপর যে নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে তা প্রত্যাহার করতে হবে। এই নিষেধাজ্ঞার জেরে মুসলমান মেয়েদের কাছে দুটি অপশন খোলা থাকছে। হয় তাকে ধর্মের স্বাধীনতা থেকে বঞ্চিত হতে হবে, নয়তো শিক্ষার অধিকার থেকে বঞ্চিত হতে হবে। এতে তারা ক্রমেই পিছিয়ে পড়ছে।

    প্রসঙ্গত, কর্নাটকের স্কুলগুলিতে সে সরকারি হোক কিংবা বেসরকারি নির্দিষ্ট পোশাক বিধি রয়েছে। ছাত্রছাত্রীরা যখন স্কুলে আসে, পোশাক বিধি মেনে পোশাক পরেই তাদের স্কুলে আসতে হয়। ২০২১ সালের ডিসেম্বরে হাঠাৎই একদিন কয়েকজন মুসলমান ছাত্রী হিজাব পরে ক্লাসরুমে আসতে শুরু করে। বাধা দিলে, সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে শামিল হয় তারা। ফলশ্রুতি হিসেবে, রাজ্যের সমস্ত প্রতিষ্ঠানে ধর্মীয় কোনও পোশাক পরে আসার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। বিষয়টি গড়ায় আদালত পর্যন্ত।

    ওই সংগঠনের দ্বিতীয় (Congress) দাবি হল, গোহত্যার অনুমতি দিতে হবে। দিতে হবে ধর্মান্তকরণের অনুমতিও। কর্নাটকে আইন করে দুটিই নিষিদ্ধ করা হয়। তাদের দাবি, তা না হলে সংখ্যালঘুদের ওপর ওই দুই আইনের অপব্যবহার হবে। ওই সংগঠনের তৃতীয় দাবিটি হল, যেসব হিন্দু মুসলমান দোকানদারদের বয়কট করছেন, তাঁদের শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।

    আরও পড়ুুন: “মোদিজির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হয়েছে নবান্নে”, বোমা ফাটালেন শুভেন্দু

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • New Parliament Building: সোনার রাজদণ্ড ‘সেঙ্গল’ বসানো হবে নয়া সংসদ ভবনে, জানেন এর ইতিহাস?

    New Parliament Building: সোনার রাজদণ্ড ‘সেঙ্গল’ বসানো হবে নয়া সংসদ ভবনে, জানেন এর ইতিহাস?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী রবিবার নয়া সংসদ ভবনের (New Parliament Building) উদ্বোধন করতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি৷ ওই দিন ঐতিহাসিক সোনার রাজদণ্ড ‘সেঙ্গল’ (Sengol) স্পিকারের আসনের পাশে প্রতিস্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি৷ বুধবার নয়াদিল্লিতে একটি সাংবাদিক বৈঠকে দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ একথা জানান।

    চোল রাজাদের সঙ্গে যোগ

    কেন্দ্রে নরেন্দ্র মোদির সরকার ৯ বছর সম্পন্ন করল। সেই উপলক্ষেই সাংবাদিক বৈঠকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) সোনার রাজদণ্ডের (Sengol) কথা জানান। তিনি বলেন, এই রাজদণ্ডের নাম ‘সেঙ্গল’৷ তামিল শব্দ ‘সেম্মাই’ থেকে এর উৎপত্তি৷ যার অর্থ ‘ন্যায়পরায়ণতা’৷ চোল রাজত্বের সময় থেকেই এই ‘সেঙ্গল’-এর ঐতিহ্য এ দেশে চলে আসছে৷ বিশেষত, দক্ষিণ ভারতে এর গুরুত্ব অপরিসীম৷ প্রধান পুরোহিত রাজার হাতে রাজদণ্ড তুলে দেন৷ তখন থেকেই রাজক্ষমতা পান রাজা।

    ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রতীক

    ১৯৪৭ সালের ১৪ অগাস্ট রাত পৌনে ১২টা নাগাদ স্বাধীন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর হাতে এই রাজদণ্ড হস্তান্তরিত করেছিলেন ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের শেষ ভাইসরয় লর্ড মাউন্টব্যাটেন। শোনা যায়, লর্ড মাউন্টব্যাটেন নাকি জওহরলাল নেহরুকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রতীক হিসাবে কী ব্যবহার করা যায়৷ মাউন্টব্যাটেনের কাছে এই প্রস্তাব পাওয়ার পরে বিষয়টি নিয়ে তৎকালীন গভর্নর জেনারেল সি রাজাগোপালাচারীর সঙ্গে কথা বলেন নেহরু৷ রাজাগোপালাচারীই তখন নেহরুকে ‘রাজদণ্ডের’ কথা বলেন৷ রাজাগোপালাচারীর উদ্যোগেই তৈরি হয় ৫ ফুটের সোনা-রুপো নির্মিত ওই রাজদণ্ড৷ যার মাথার উপরে ছিল নন্দী। এতদিন সেই রাজদণ্ড ছিল এলাহাবাদের এক মিউজিয়ামে৷ রবিবার তা স্থাপিত হবে নতুন সংসদ ভবনে৷

    পুরনো ভারতের সঙ্গে নতুন ভারতের যোগ

    এ প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেন, ‘সেঙ্গল’ একটা ভাবনার প্রতীক। পুরনো ভারতের সঙ্গে নতুন ভারতকে জোড়ার একটা বড় প্রক্রিয়া এটা। অধিনামের অধ্যক্ষদের সঙ্গে আলোচনা করে এই ‘সেঙ্গল’ বানানো হয়েছে। সংসদ ভবনের উদ্বোধনের দিন আধিনামের ২০ জন অধ্যক্ষ উপস্থিত থাকবেন। তাঁরা প্রধানমন্ত্রীর হাতে এই রাজদণ্ড তুলে দেবেন। তাঁরা আশীর্বাদও দেবেন। শাহর কথায়, “আমাদের সরকার মনে করে, এই পবিত্র ‘সেঙ্গল’ কে সংগ্রহশালায় রাখা অনুচিত। এটি স্থাপনের জন্য সংসদ ভবনের (New Parliament Building) থেকে উপযুক্ত স্থান আর কিছুই হতে পারে না। তাই যেদিন দেশের উদ্দেশে সংসদ ভবন উৎসর্গ করা হবে সেদিনই প্রধানন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তামিলনাড়ু থেকে আসা এই রাজদণ্ড স্বীকার এবং স্থাপন করবেন। এই সেঙ্গলের স্থাপনা ১৯৪৭ সালকে আরও একবার মনে করাবে।”

    আরও পড়ুন: মন্দিরে হামলা বরদাস্ত করা হবে না, অস্ট্রেলিয়ায় সাফ জানালেন মোদি

    প্রসঙ্গত, আমন্ত্রণ পাঠানো হলেও সংসদ ভবনের (New Parliament Building) উদ্বোধনের দিন থাকছে না কোনও বিরোধী দল। কংগ্রেস সহ ১৯টি বিরোধী দল যৌথভাবে নয়া সংসদ ভবনের উদ্বোধনকে বয়কট করেছে। শাহ বলেন, “এই সংসদ ভবনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সকলের উপস্থিত থাকা উচিত। ভারত সরকার সবাইকেই আমন্ত্রণ জানিয়েছে। এবার সবাই নিজের ভাবনা অনুযায়ী কাজ করবেন।” 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sourav Ganguly: বিজেপি শাসিত ত্রিপুরায় ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর হচ্ছেন সৌরভ! কী বললেন মহারাজ?

    Sourav Ganguly: বিজেপি শাসিত ত্রিপুরায় ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর হচ্ছেন সৌরভ! কী বললেন মহারাজ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ত্রিপুরার পর্যটন দফতরের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর হচ্ছেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় (Sourav Ganguly)। সূত্রের খবর, দিন কয়েক আগেই এই প্রস্তাব মহারাজের কাছে আসে। মঙ্গলবার আলোচনার পর রাজি হয়েছেন মহারাজ। কাজ শুরু হবে জুন মাস থেকেই। এদিন ত্রিপুরার পর্যটনকে বাড়ানোর লক্ষ্যে রাজ্যের পর্যটন মন্ত্রী, সুশান্ত চৌধুরীর সঙ্গে দেখাও করেন সৌরভ। কথা হয়েছে মানিক সাহার সঙ্গেও। এবিষয়ে মহারাজ জানিয়েছেন, কয়েক মাস আগে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। সেই প্রস্তাবেই তিনি রাজি হয়েছেন। পর্যটন দফতরের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর হিসেবেই কাজ করবেন।

    মঙ্গলবারই কলকাতায় পা রাখেন ত্রিপুরার পর্যটন মন্ত্রী

    প্রাক্তন ভারত অধিনায়ককে (Sourav Ganguly) পর্যটন ক্ষেত্রের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর করতে মঙ্গলবার কলকাতায় আসেন ত্রিপুরার পর্যটনমন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী। বেহালার বাড়িতে গিয়ে তাঁর সঙ্গে আলোচনাও সারেন পর্যটনমন্ত্রী। জানা গিয়েছে, এদিনের বৈঠকে সুশান্তবাবুর পাশাপাশি হাজির ছিলেন ত্রিপুরা পর্যটন দফতরের সচিব উত্তমকুমার চাকমা এবং ওই দফতরের শীর্ষ আধিকারিক তপনকুমার দাস। মহারাজের বাড়িতে ত্রিপুরার মন্ত্রী এবং আমলারা তাঁর হাতে ত্রিপুরা সুন্দরী মন্দিরের একটি ছোট্ট মডেল তুলে দেন।

    কথা মানিক সাহার সঙ্গেও…

    মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা পরে ফোনে কথা বলেন মহারাজের (Sourav Ganguly) সঙ্গে। পরে ট্যুইট করে বিজেপি শাসিত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী লেখেন, ‘‘খুব গর্বের সঙ্গে জানাতে চাই যে ভারতীয় ক্রিকেট দলের প্রাক্তন অধিনায়ক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় ত্রিপুরা পর্যটনের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর হওয়ার প্রস্তাব গ্রহণ করেছেন। আজকে তাঁর সঙ্গে ফোনে আমার কথা হয়েছে। আমি নিশ্চিত যে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় আমাদের সঙ্গে যুক্ত হওয়ায় রাজ্যের পর্যটন ক্ষেত্রে উন্নতি হবে।’’

     
    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share