Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Vande Bharat: ট্রেনেই প্লেনের পরিষেবা! বন্দে ভারত এক্সপ্রেসে নতুন স্কিম আনল ভারতীয় রেল

    Vande Bharat: ট্রেনেই প্লেনের পরিষেবা! বন্দে ভারত এক্সপ্রেসে নতুন স্কিম আনল ভারতীয় রেল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ট্রেন যাত্রীদের জন্য বড় খবর। এবার প্লেনের মতো আধুনিক পরিষেবা মিলবে ট্রেনেই। যাত্রী পরিষেবার মান, অত্যাধুনিক পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে ভারতীয় রেল। সেজন্য নেওয়া হয়েছে বিশেষ প্রকল্প। এই প্রকল্পের নাম দেওয়া হয়েছে যাত্রী সেবা অনুবন্ধ (YSA)। প্রাথমিক ভাবে ৬টি রুটের বন্দে ভারত এক্সপ্রেসে (Vande Bharat) এই পরিষেবা পাওয়া যাবে।

    বিশেষ প্রকল্পে কী কী সুবিধা

    যাত্রী সেবা অনুবন্ধ (YSA) প্রকল্পের আওতায় ক্যাব বুকিং, হুইলচেয়ার-সহ বিভিন্ন পরিষেবা পাওয়া যাবে। মিলবে বিশ্বমানের সফরের অভিজ্ঞতা। যেখানে যাত্রীদের যাতায়াতের সমস্ত প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র এবং আনুষঙ্গিক সুবিধাও পাওয়া যাবে। এই প্রকল্পে যাত্রীদের জন্য থাকছে বিশেষ খাবারের মেনু। যাত্রীদের অত্যন্ত ভালো মানের খাবার সরবরাহ করা হবে। এজন্য বিশেষ নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে খাবার তৈরির দায়িত্বে থাকা ঠিকাদারদের। নির্দেশিকা অনুযায়ী, রেলের রান্নার ঠিকাদারদের খাদ্য এবং গৃহস্থালির প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কর্মী নিয়োগ করতে হবে। যাঁদের পেমেন্ট এবং ডকুমেন্টেশন রেল সময়বিশেষে পর্যালোচনা করবে। ভারতীয় রেল, যাত্রী সেবা অনুবন্ধ (YSA) -এর জন্য ক্যাটারিং এবং হাউসকিপিং-এ প্রমাণিত ট্র্যাক রেকর্ড সহ একজন পরিষেবা প্রদানকারী নিয়োগ করবে। পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করার জন্য প্রতিটি কোচে একজন প্রশিক্ষিত হাউসকিপিং ব্যক্তি থাকবেন বলেও জানা গিয়েছে। যাত্রীরা টিকিট বুক করার সময় বা যাত্রী সেবা অ্যাপের মাধ্যমে প্রি-পেইড খাবার অর্ডার করতে পারেন, অথবা বোর্ডে লা কার্টে পরিষেবা বেছে নিতে পারেন।

    আরও পড়ুন: লোকাল ট্রেনে এসি কোচ! ডিসেম্বরেই শিয়ালদা শাখায় চালু নতুন পরিষেবা

    কোন রুটের বন্দে ভারত এক্সপ্রেসে পরিষেবা

    দক্ষিণ রেলওয়ের বেশ কয়েকটি রুটের বন্দে ভারত এক্সপ্রেস ট্রেনে যাত্রী সেবা অনুবন্ধ (YSA) -এর পরিষেবা পাওয়া যাবে। মোট ছয়টি রুটের বন্দে ভারত এক্সপ্রেস ট্রেনে এই পরিষেবা পাওয়া যাবে। এই ছয়টি রুট হল চেন্নাই – মহীশূর, চেন্নাই – তিরুনেলভেলি, চেন্নাই – কোয়ম্বাটোর, তিরুবনন্তপুরম – কাসারগোদ এবং চেন্নাই – বিজয়ওয়াড়া। দক্ষিণ রেলের বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের প্রারম্ভিক এবং গন্তব্য স্টেশনেই আপাতত কেবল এই পরিষেবা পাওয়া যাবে। দক্ষিণ রেলের তরফে জারি করা নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, রেলের রান্নার ঠিকাদারদের চেন্নাইয়ে বড় এবং পরিষ্কার রান্নাঘর থাকতে হবে। সেখানে যাতে যথেষ্ট সংখ্যক যাত্রীর জন্য রান্না করা সম্ভব হয়, তার ব্যবস্থা থাকতে হবে। সেই সব ঠিকাদার এক্ষেত্রে পরিষেবা দেওয়ার সুযোগ পাবেন, যাঁদের এমন পরিষেবা দেওয়ার অভিজ্ঞতা আছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Telangana Elections 2023: ধোপে টিকল না কেসিআরের কৌশল, ‘খয়রাতি’ বন্ধের নির্দেশ নির্বাচন কমিশনের

    Telangana Elections 2023: ধোপে টিকল না কেসিআরের কৌশল, ‘খয়রাতি’ বন্ধের নির্দেশ নির্বাচন কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্ষমতায় ফিরতে ‘খয়রাতি’র আশ্রয় নিতে চেয়েছিল তেলঙ্গনার শাসক দল ভারত রাষ্ট্র সমিতি। গত বিধানসভা নির্বাচনে (Telangana Elections 2023) এই অঙ্কেই মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রশেখর রাও ক্ষমতায় এসেছিলেন বলে অভিযোগ। এবারও তেমনধারা পরিকল্পনা ছিল শাসক দলের। তবে তাতে বাধ সাধল নির্বাচন কমিশন। সোমবার কমিশন সাফ জানিয়ে দিয়েছে, বিধানসভা নির্বাচনের আগে কৃষকদের রবিশস্যের অনুদান বণ্টন বন্ধ রাখতে হবে। কমিশনের মতে, শাসকের এহেন খয়রাতি নির্বাচনী আচরণভঙ্গের শামিল।

    কংগ্রেসকে নিশানা কেসিআরের দলের 

    নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্তে কংগ্রেসের ওপর বেজায় চটেছে কেসিআরের দল। কেসিআরের ভাইপো টি হরিশ রাও তেলঙ্গনার অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, “এআইসিসির সাধারণ সম্পাদক কে বেণুগোপাল রাও অভিযোগ জানানোর ফলেই রায়তু বন্ধু যোজনার কিস্তির টাকা বিতরণ বন্ধ করতে নির্দেশ দিয়েছে কমিশন।” কেসিআর কন্যা কে কবিতা বলেন, “কংগ্রেসের ষড়যন্ত্রের জবাব দেবেন তেলঙ্গনার কৃষকরা।”

    রায়তু বন্ধু প্রকল্প

    রায়তু বন্ধু প্রকল্পে প্রত্যেক কৃষককে প্রতি একর শস্য পিছু বছরে ১০ হাজার টাকা অনুদান দেয় তেলঙ্গনা সরকার। টাকা দেওয়া হয় জানুয়ারি মাসে। অভিযোগ, চলতি বছর জানুয়ারিতে সেই টাকা না দিয়ে চলতি মাসে দেওয়ার পরিকল্পনা করেছিল কেসিআর প্রশাসন। বেণুগোপাল বলেন, “পরাজয় নিশ্চিত বুঝে নির্বাচনের মুখে টাকা ছড়িয়ে ভোট কিনতে চাইছিলেন কেসিআর।”

    আরও পড়ুুন: ‘‘দলুয়াখাকিতে ক্রিমিনালদের বাস’’! প্রশাসন ‘ব্যর্থ’, তা কি মেনেই নিলেন ফিরহাদ?

    এদিন মুখ্য নির্বাচন কমিশনের তরফে (Telangana Elections 2023) পাঠানো নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, কমিশন এই মর্মে নির্দেশ দিচ্ছে যে রায়তু বন্ধু প্রকল্পে রবি মরশুমে যে অনুদান দেওয়া হয়, তা এখনই বন্ধ করতে হবে। কারণ ইতিমধ্যেই লাগু হয়েছে আদর্শ আচরণ বিধি। এই বিধি প্রত্যাহৃত হলেই দেওয়া যাবে অনুদান।

    তেলঙ্গনা বিধানসভার আসন সংখ্যা ১২০। এর মধ্যে জনগণের ভোটে নির্বাচিত হন ১১৯জন। একটি আসনে মনোনীত করা হয় একজন অ্যাংলো-ইন্ডিয়ানকে। এ রাজ্যে এবারও লড়াই হচ্ছে ত্রিমুখী – ভারত রাষ্ট্র সমিতি, কংগ্রেস এবং বিজেপি। তবে এ রাজ্যে মূল লড়াই হবে কংগ্রেস বনাম ভারত রাষ্ট্র সমিতি। নির্বাচন হবে ৩০ নভেম্বর, এক দফায়। ফল ঘোষণা হবে বাকি চার রাজ্যের সঙ্গে ৩ ডিসেম্বর (Telangana Elections 2023)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Halal Certified Goods: ১৫ দিনের মধ্যে বাজার থেকে সরাতে হবে ‘হালাল’ ট্যাগযুক্ত পণ্য, নির্দেশ যোগী সরকারের

    Halal Certified Goods: ১৫ দিনের মধ্যে বাজার থেকে সরাতে হবে ‘হালাল’ ট্যাগযুক্ত পণ্য, নির্দেশ যোগী সরকারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হালাল ট্যাগ লাগিয়ে (Halal Certified Goods) দিব্যি চলছিল অবৈধ কারবার। ১৯ নভেম্বর এ ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা জারি করে উত্তর প্রদেশের যোগী আদিত্যনাথের সরকার। এবার যোগী সরকার জানিয়ে দিল, ১৫ দিনের মধ্যে হালাল ট্যাগ দেওয়া পণ্য সামগ্রী সরিয়ে নিতে হবে উৎপাদক থেকে বিক্রেতাদের।

    ১৫ দিনের মধ্যে সরাতে হবে পণ্য

    ১৯ নভেম্বরের আদেশ অনুযায়ী, হালাল প্রমাণযুক্ত খাদ্য উৎপাদনের নির্মাণ সংরক্ষণ এবং বিতরণ ও বিক্রয়ের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। আইন লঙ্ঘনকারীর বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে প্রশাসনের তরফে। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে হালাল ট্যাগ দেওয়া পণ্য সামগ্রী সরিয়ে নিতেও খুচরো ব্যবসায়ী, আউটলেট চেন এবং ডিপার্টমেন্ট স্টোরগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি রাজ্যের ৯২টি উৎপাদককে, যারা এতদিন হালাল ট্যাগ লাগিয়ে পণ্য বিক্রি করত, নির্দেশ দিয়েছে হয় তাদের পণ্য ফিরিয়ে নিতে হবে, নয় সেগুলিকে পুনরায় প্যাকেটজাত করতে হবে। চলতি মাসের ১৯ তারিখে হালাল ট্যাগ লেখা (Halal Certified Goods) পণ্য বিক্রি করা যাবে না বলে নিষেধাজ্ঞা জারি করে যোগী প্রশাসন। তার পরেই বিভিন্ন জেলায় প্রায় ৫০০ প্রতিষ্ঠানে তদন্ত করে দেখা গিয়েছে, তারা হালাল লেখা পণ্য বিক্রয় করে। সব মিলিয়ে প্রায় আড়াই হাজার কেজি পণ্য বাজেয়াপ্তও করা হয়েছে।

    হালাল আরবি শব্দ

    ‘হালাল’ শব্দটি আরবি শব্দ। এর অর্থ হল, ‘গ্রহণযোগ্যতা’। কোনও পণ্যে হালাল ট্যাগ লাগানো থাকলে বোঝা যায়, পণ্যটি ইসলামিক আইন মেনে তৈরি করা হয়েছে। ধর্মীয় নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন না করেই সেগুলি ব্যবহার করতে পারেন মুসলমান সম্প্রদায়ের মানুষ। সম্প্রতি অভিযোগ ওঠে, পণ্যের বিক্রি বাড়াতে তার গায়ে সেঁটে দেওয়া হচ্ছে হালাল ট্যাগ। হালাল ইন্ডিয়া প্রাইভেট লিমিটেড চেন্নাই, হালাল কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়া মুম্বই, জামাত-ই উলেমা মহারাষ্ট্র মুম্বই ইত্যাদি সংস্থা একটি নির্দিষ্ঠ ধর্মের ক্রেতাদের টানতে হালাল ট্যাগ লাগিয়ে জিনিসপত্র বিক্রি করছিল। এতেই রাশ টানতে তড়িঘড়ি পদক্ষেপ করে যোগী আদিত্যনাথের সরকার। সরকারের বক্তব্য, তেল, সাবান, টুথপেস্ট ও মধুর মতো পণ্যগুলিতেও হালাল ট্যাগ লাগানো হচ্ছে। এর মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট সম্প্রদায় ও তাদের পণ্যগুলির উদ্দেশ্যে ইচ্ছাকৃতভাবে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। সরকারের বক্তব্য, এই নিষেধাজ্ঞা জনস্বাস্থ্যের স্বার্থে করা হয়েছে। অবশ্য রফতানিকারক পণ্যগুলিকে ছাড় দেওয়া হয়েছে এই নিষেধাজ্ঞার আওতা থেকে (Halal Certified Goods)।

    আরও পড়ুুন: ‘জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের এজেন্ট উত্তরবঙ্গে ঘুরে বেড়াচ্ছে!’ ইডি-কে চিঠি দিলেন বিজেপি বিধায়ক

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: রামমন্দির উদ্বোধনকে কেন্দ্র করে বাংলায় ব্যাপক জনসংযোগ করবে আরএসএস

    Ram Mandir: রামমন্দির উদ্বোধনকে কেন্দ্র করে বাংলায় ব্যাপক জনসংযোগ করবে আরএসএস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী বছরের ২২ জানুয়ারি রাম মূর্তিতে প্রাণ প্রতিষ্ঠা করবেন নরেন্দ্র মোদি। রাম মন্দিরের (Ram Mandir) উদ্বোধন ঘিরে ভক্তদের মধ্যে উন্মাদনা এখন তুঙ্গে। বাংলাতেও রামমন্দিরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানকে সফল করতে আদাজল খেয়ে নেমেছে সঙ্ঘ পরিবার। বাংলাতে বাড়ি বাড়ি যাওয়ার কর্মসূচি নিয়েছে সঙ্ঘ। এছাড়াও উদ্বোধনের পর কয়েক হাজার ভক্তকে ট্রেনে চাপিয়ে রামমন্দির (Ram Mandir) দর্শন করাতে অযোধ্যাও নিয়ে যাওয়া হবে। প্রসঙ্গত, রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের কার্যকারিণী বৈঠক গত মাসে গুজরাটের ভুজে বসেছিল। সেখানেই স্থির হয়েছে ১ থেকে ১৫ জানুয়ারি রামমন্দিরের ছবি হাতে ৫ লাখ গ্রামে জনসংযোগ করবে সঙ্ঘ।

    রামমন্দির দর্শন

    এ রাজ্যে সমাজের প্রতিটি বর্গের মানুষকে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সামিল হওয়ার আবেদন জানাবে সঙ্ঘ। উদ্বোধনের দিন প্রতিটি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে ছোট-বড় নানা উৎসবের আয়োজনও করবে সঙ্ঘ পরিবার। এমনটাই ঘোষণা করেছেন মোহন ভাগবত। চলতি বছরের বিজয়া দশমীর ভাষণেই একথা বলতে শোনা যায় সঙ্ঘ প্রধানকে। সূত্রের খবর, উদ্বোধন হয়ে যাওয়ার পর ২৬ জানুয়ারি থেকে ২২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত রামমন্দির (Ram Mandir) দর্শনের কর্মসূচি নেবে সঙ্ঘ পরিবার। পশ্চিমবঙ্গ থেকে এই কর্মসূচিতে প্রায় ৬ হাজার ভক্তকে অযোধ্যায় নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা চলছে। আপাতত সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে ৬ ফেব্রুয়ারি বাংলার ভক্তরা রওনা দেবেন রামনগরীতে। বিশ্ব হিন্দু পরিষদের দক্ষিণবঙ্গের মুখপাত্র সৌরিশ মুখোপাধ্যায়ের কথায়, ‘‘সারা দেশের প্রতিটা প্রান্ত থেকে সমস্ত রাম ভক্তদের কাছে নিমন্ত্রণ নিয়ে যাব। প্রতিটা গ্রাম, শহর অলিতে-গলিতে যাব। সবাইকে বলব রাম মন্দির দেখতে আসুন।’’

    কী বলছেন বাংলার আরএসএস নেতা?

    এ বিষয়ে দক্ষিণবঙ্গের রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের প্রান্ত প্রচার প্রমুখ বিপ্লব রায় বলেন, ‘‘বাংলায় আমরা ৪০ লক্ষ পরিবারে যাব। অযোধ্যার রামমন্দিরের (Ram Mandir) গর্ভগৃহের প্রাণ প্রতিষ্ঠার প্রসাদ নিয়ে বাড়ি বাড়ি যাব। ১ থেকে ১৫ জানুয়ারি এই কর্মসূচি চলবে। ১ জানুয়ারি কল্পতরু দিবসের দিন শুরু হবে। ১৫ জানুয়ারি মকর সংক্রান্তি পর্যন্ত চলবে। একইসঙ্গে রাম মন্দিরে যাওয়ার জন্য আমন্ত্রণপত্র নিয়ে যাব। মার্চ পর্যন্ত উদ্বোধনপর্ব চলবে। সেখানে এক একটা প্রান্তকে এক একটা সময় দেওয়া হবে। প্রতিদিন এক থেকে দেড় লক্ষ মানুষের ব্যবস্থা থাকবে যাতে সুষ্ঠুভাবে কর্মসূচি হয়। তার জন্য আবেদন করব, আপনারাও আসুন সময় করে। আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে আসুন।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Uttarkashi Tunnel: বের করা হল আটকে থাকা বিকল ড্রিলিং মেশিনের অংশ, আটক শ্রমিকরা বেরোবেন কবে?

    Uttarkashi Tunnel: বের করা হল আটকে থাকা বিকল ড্রিলিং মেশিনের অংশ, আটক শ্রমিকরা বেরোবেন কবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবারই মার্কিন অগার ড্রিলিং মেশিন বিকল হয়ে পড়েছিল। এর ফলে উত্তরকাশির সুড়ঙ্গে (Uttarkashi Tunnel) আটকে থাকা শ্রমিকদের উদ্ধারকাজে ফের বাধার সম্মুখীন হতে হয় উদ্ধারকারী দলকে। তবে সুখবর শোনা গেল সোমবার সকালে। আমেরিকান যন্ত্রের ভাঙা টুকরোগুলি যেখানে আটকে ছিল সেগুলি সোমবারে সকালেই সরানো গিয়েছে। এরপর ম্যানুয়াল ড্রিলিং শুরু হবে। যার অর্থ হল, শাবল গাঁইতি হাতে খোড়ার কাজ চলবে।

    উলম্বভাবে খননও চলছে

    পাশাপাশি, ভার্টিক্যাল ড্রিলিংও শুরু হয়েছে। অর্থাৎ উলম্বভাবে খনন (Uttarkashi Tunnel) করে যে পদ্ধতিতে খনি থেকে কয়লা উত্তোলন করা হয় সেই পদ্ধতিতে কাজ চলছে। রিপোর্ট বলছে, প্রায় কুড়ি মিটার পর্যন্ত গর্ত ইতিমধ্যেই করে ফেলেছে উদ্ধারকারী দল। এই গতিতে কাজ চলতে থাকলে বৃহস্পতিবারের মধ্যেই তা সম্পন্ন হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। অন্যদিকে শাবল এবং গাঁইতি দিয়ে খুঁড়তে শুরু করলে তা অনেকদিন সময় লাগতে পারে। তার কারণ অগার মেশিন দিয়ে যে গর্ত করা হয়েছে সেখানে একজন শ্রমিকই ঢুকে কাজ চালাতে পারবেন। তিনি বেরিয়ে এলে অপরজন ঢুকতে পারবেন। অগার মেশিন ভেঙে যাওয়ার ফলে ওই যন্ত্রাংশটি (Uttarkashi Tunnel) সুড়ঙ্গতে এমন ভাবে আটকে যায় যে তা বের করা খুব সহজ কাজ ছিল না। তবে সোমবার সকালেই এই কাজকে সম্ভব করেছে উদ্ধারকারী দল। সোমবার উদ্ধারকাজ পরিদর্শন করতে উত্তরকাশিতে আসার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রধানসচিব পিকে মিশ্র এবং উত্তরাখণ্ডের মুখসচিব এসএস সান্ধুর।

    কেমন আছেন শ্রমিকরা?

    গত ১২ নভেম্বর থেকে আটকে রয়েছেন শ্রমিকরা। সুড়ঙ্গের মধ্যে শ্রমিকরা রয়েছেন সুস্থই। খাবার সহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী পাঠানো হচ্ছে। ইদানিং তাঁদের জন্য পাঠানো হচ্ছে বেরি ও অন্যান্য ফল। তাঁদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন মনোবিদরাও। সুড়ঙ্গের (Uttarkashi Tunnel) মাত্র ৪১ মিটার ফাঁকা জায়গায় আটকে রয়েছেন ৪১ জন শ্রমিক। তাঁরা যাতে মনোবল হারিয়ে না ফেলেন, তাই সুড়ঙ্গে পাঠানো হয়েছে লুডো, দাবা এবং তাস। শ্রমিকরা সেখানে চোর-পুলিশও খেলছেন বলে খবর।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: ভিড়ে ঠাসা সভায় খুদে ‘ভারতমাতা’, “দেশের যুবকে অনুপ্রেরণা দিচ্ছে শিশুটি”, মন্তব্য মোদির

    PM Modi: ভিড়ে ঠাসা সভায় খুদে ‘ভারতমাতা’, “দেশের যুবকে অনুপ্রেরণা দিচ্ছে শিশুটি”, মন্তব্য মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সমাবেশে ভিড় করেছেন কয়েক লক্ষ আবাল-বৃদ্ধ-বনিতা। এই ভিড়েই মিশে রয়েছেন বিজেপির স্থানীয় স্তরের নেতা-কর্মীরাও। মঞ্চে তখন ভাষণ দিচ্ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। হঠাৎই তাঁর চোখ গেল এক খুদের দিকে। ভারতমাতার সাজে সজ্জিত ওই খুদে নেড়ে চলেছেন জাতীয় পতাকা।

    ‘ওয়েল ডান বেটা’

    শিশুটির উদ্দেশে হাত নাড়েন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, ‘ওয়েল ডান বেটা’। প্রধানমন্ত্রীর মুখে এই শব্দবন্ধ শুনে জনতার চোখ তখন মঞ্চের মধ্যমণিকে ছেড়ে চলে গিয়েছে খুদে ‘ভারতমাতা’র দিকে। ২৯ নভেম্বর রয়েছে তেলঙ্গনা বিধানসভা নির্বাচন। সেই নির্বাচনের প্রচারেই গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। তেলঙ্গনার ক্ষমতায় রয়েছে ভারত রাষ্ট্রীয় সমিতি। কেসিআরের এই দলকে এদিন তুলোধনা করেন প্রধানমন্ত্রী। এই সময়ই তাঁর চোখ পড়ে শিশুটির দিকে। তার পরেই প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) আবেগমথিত মন্তব্য, “ওয়েল ডান বেটা”। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই শিশুটি তিরঙ্গা নিয়ে নাড়ছে। দেখুন, ও ভারতমাতা সেজে এসেছে। দেশের প্রত্যেক যুবকে অনুপ্রেরণা দিচ্ছে এই বাচ্চাটি।”

    ভারত রাষ্ট্র সমিতিকে নিশানা প্রধানমন্ত্রীর

    এর পর ফের তিনি আক্রমণ শানান রাজ্যের শাসক দলকে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আজ, ভারত যখন খেলনা রফতানিতে নতুন নতুন রেকর্ড গড়ছে, তখন ভারত রাষ্ট্র সমিতি ব্যস্ত নির্মলের খেলনা শিল্পকে ধ্বংস করতে। আমরা ক্ষমতায় এলে, এই শিল্পের পুনরুজ্জীবনে প্রচার শুরু করব।” প্রসঙ্গত, এই নির্মল জেলার খেলনা শিল্প এক সময় দেশ তো বটেই, বিদেশেও সমাদৃত হত।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “তেলঙ্গনায় আমাদের একটা সরকার রয়েছে, যারা ফার্মহাউসে বাস করেন। অথচ গরিবদের ঘরবাড়ি দেন না। কেসিআর (তেলঙ্গনার মুখ্যমন্ত্রী) গরিবদের শত্রু। তাই তাঁদের ঘরবাড়ি পাওনা থেকে বঞ্চিত করেছেন। কিন্তু আমি আপনাদের কথা দিচ্ছি, যেই না তেলঙ্গনায় বিজেপি সরকার গড়বে, তার পরে পরেই বাড়ি দেওয়া হবে গরিবদের। সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পাবেন সাধারণ মানুষ। এটা মোদির (PM Modi) গ্যারেন্টি।” প্রসঙ্গত, বাকি চার রাজ্যের সঙ্গেই ৩ নভেম্বর ফল ঘোষণা হবে তেলঙ্গনা বিধানসভা নির্বাচনেরও।  

    আরও পড়ুুন: ‘শাহি সমাবেশ’কে সফল করাই পাখির চোখ রাজ্য বিজেপির, নেওয়া হচ্ছে একাধিক পদক্ষেপ

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     

     

  • Gujarat: শীতকালে গুজরাটে অকাল শিলাবৃষ্টি! বজ্রাঘাতে ২০ জনের মৃত্যু, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

    Gujarat: শীতকালে গুজরাটে অকাল শিলাবৃষ্টি! বজ্রাঘাতে ২০ জনের মৃত্যু, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাবিবার গুজরাটে (Gujarat) অকাল বৃষ্টিপাত। তীব্র শিলাবৃষ্টি এবং বজ্রপাতে ২০ জনের মৃত্যু হয়েছে। প্রবল শিলাবৃষ্টির কারণে রাস্তাগুলি সাদা হয়ে গিয়েছে। প্রচুর সম্পত্তিও নষ্ট হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। গুজরাটের রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, “খারাপ আবহাওয়া এবং অকাল বজ্রবৃষ্টির কারণে ব্যাপক প্রাকৃতিক সম্পত্তি, প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে।”

    প্রশাসনের বক্তব্য (Gujarat)

    গুজরাট (Gujarat) রাজ্য সরকারের প্রশাসনের তরফ থেকে বলা হয়েছে, “আরব সাগরে পশ্চিমী ঝঞ্ঝার কারণে রবিবার রাজ্যজুড়ে খুব খারাপ প্রভাব ফেলেছে। গতকাল ব্যাপক বৃষ্টিপাত হয়। বৃষ্টিপাতের সঙ্গে ব্যাপক শিলাবৃষ্টি, বজ্রপাত এবং ঝড় হয়। রাজ্যের জরুরি বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী রাত ১১ পর্যন্ত প্রাকৃতিক বিপর্যয় চলার কথা সুনিশ্চিত করেছে। মানুষের প্রাণহানি ছাড়াও ব্যাপক ভাবে গবাদি পশুপাখি এবং গাছপালার ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। এলাকার রাস্তায় শিলাবৃষ্টির কারণে সাদা বরফের টুকরোয় ভরে যায়। সরকার এই প্রাকৃতিক বৃষ্টিপাতের দ্বারা কবলিত মানুষকে উদ্ধার কাজে দ্রুত নেমে পড়েছে। নিরাপত্তা বাহিনী এবং বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী দুর্যোগ কবলিত মানুষকে ত্রাণ পৌঁছে দেওয়ার কাজ করছে। মোরবি জেলার সেরামিক শিল্পের উপর খারাপ প্রভাব ফেলেছে বৃষ্টিপাত। কারখানার কাজ বন্ধ করা হয়েছে।”

    কোন জেলায় মৃত্যু হয়ছে?

    গুজরাটের (Gujarat) রাজ্য এমারজেন্সি অপারেশন সেন্টারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, “অকাল প্রাকৃতিক বজ্রপাত সহ বৃষ্টিপাতের কারণে রাজ্যে মোট ২০ জন মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে দাহোদ জেলায় চারজনের, বারুচ জেলায় তিনজনের মৃত্যু হয়। এছাড়াও আমেদাবাদ, আমরোলি, বানসকাঁথা, বোটাদ, খেদা, মেহসানা, পঞ্চমহল, সবরকাঁথা, সুরাট, সুরেন্দ্রনগর এবং দ্বারকায় একজন করে মোট ১৩ জন মানুষের মৃত্যু ঘটেছে।” সেই সঙ্গে আরও জানা গিয়েছে, “২৫২টি মহকুমার মধ্যে ২৩৪টি মহকুমায় বৃষ্টিপাত হয়। সুরাট, সুরেন্দ্রনগর, খেদা, তাপি, বারুচ এবং আমরোলি জেলায় মোট ১৬ ঘণ্টার মধ্যে ৫০ থেকে ১১৭ মিমি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।”

    কী জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর?

    আমেদাবাদের (Gujarat) আবহাওয়া দফতরের নির্দেশক মনোরমা মোহান্তি বলেছেন, “বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস শুধুমাত্র রবিবারের জন্য ছিল। কিন্তু এর প্রভাব সোমবার পর্যন্তও থাকবে। তবে সোমবারের পর থেকেই এই বৃষ্টিপাত হ্রাস পাবে এবং মঙ্গলবারে আকাশ পরিষ্কার হবে। তবে দক্ষিণ গুজরাট এবং সৌরাষ্ট্র জেলার কিছু অংশে বৃষ্টিপাত সাময়িক ভাবে বজায় থাকবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • DY Chandrachud: “কেউ যেন আদালতে যেতে ভয় না পান”, সংবিধান দিবসে বার্তা চন্দ্রচূড়ের

    DY Chandrachud: “কেউ যেন আদালতে যেতে ভয় না পান”, সংবিধান দিবসে বার্তা চন্দ্রচূড়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “কেউ যেন আদালতে যেতে ভয় না পান।” রবিবার ৭৫তম সংবিধান দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে কথাগুলি বলেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় (DY Chandrachud)। দেশের শীর্ষ আদালতে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে উদ্বোধনী ভাষণ দেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী অর্জুন রাম মেঘওয়াল, বিচারপতি সঞ্জয় কাষান কওল, বিচারপতি সঞ্জীব খান্না সহ বহু বিশিষ্ট ব্যক্তি।

    প্রধান বিচারপতির বার্তা

    প্রধান বিচারপতি বলেন, “কেউ যেন কোর্টে যেতে ভয় না পান। আর কোনও উপায় না থাকলে তবেই আদালতে আসবেন, এমনটা যেন না হয়। বরং আমি চাইব, সব শ্রেণি বা সম্প্রদায়ের মানুষ যেন কোর্ট সিস্টেমের ওপর ভরসা রাখতে পারেন। সেটা নিশ্চিত করার চেষ্টাই আমাদের করতে হবে।” প্রধান বিচারপতি বলেন, “গত সাত দশকে সুপ্রিম কোর্ট জনতার আদালত হিসেবে কাজ করেছে। হাজার হাজার মানুষ কোর্টের দরজায় আসেন ন্যায় বিচার পাওয়ার আশায়। ব্যক্তি স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে, বেআইনি গ্রেফতারি রুখতে ক্রীতদাসের অধিকার রক্ষায়, জনজাতিদের জমির অধিকার সুরক্ষিত করতে আদালতের দ্বারস্থ হন নাগরিকেরা। এঁরা সকলেই আদালতের দ্বারস্থ হন ন্যায় বিচারের আশায়।”

    ‘সেতুবন্ধনের কাজ করে মিডিয়া রিপোর্ট’

    এর পরেই তিনি বলেন, “কেউ যেন কোর্টে যেতে ভয় না পান। কোর্টের শুনানির মিডিয়া রিপোর্টিং কোর্টরুমের কাজকর্মের সঙ্গে জনতার সেতুবন্ধন করে দেয়।” শীর্ষ আদালতের প্রধান বিচারপতি (DY Chandrachud) বলেন, “আমাদের দেশে সুপ্রিম কোর্টের একটা মৌলিক জায়গা রয়েছে। এখানে প্রধান বিচারপতিকে স্রেফ একটা চিঠি লিখেই গড়িয়ে দেওয়া যায় সাংবিধানিক মেশিনারির চাকা। এক সময় যেটা পোস্টকার্ডে হত, আধুনিক যুগে এখন সেটাই হয় ই-মেইল মারফত।” প্রধান বিচারপতি বলেন, “আপনাদের বিশ্বাসটাই আমাদেরও বিশ্বাসের জায়গা। তাই আমরা চাই, আপনারা যেন আদালতে আসতে কখনওই ভয় না পান।” তিনি বলেন, “আমরা যখন বলি আমরা সংবিধান গ্রহণকে সম্মান করি, তখন আমরা আসলে বিশ্বাস করি, সাংবিধান আছে এবং তা নিরলসভাবে কাজও করে চলেছে।”

    আরও পড়ুুন: ধর্মতলার সভায় আসছেন শাহ, লাখো মানুষের জমায়েতের প্রস্তুতি বিজেপির

    এদিন একটি ই-এসসিআর পোর্টালেরও উদ্বোধন হয়। এই পোর্টালে হিন্দিতে জানা যাবে সুপ্রিম কোর্টের বিভিন্ন রায় সম্পর্কে। এই রায়গুলি যাতে পঞ্জাবি, বাংলা, ওড়িয়া, উর্দু সহ দেশের বিভিন্ন ভাষায় পড়তে পারা যায়, তার ব্যবস্থাও করতে বলেন প্রধান বিচারপতি (DY Chandrachud)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • PM Modi: “কেসিআর কেবল তাঁর পরিবারের সদস্যদের প্রতি যত্নবান”, তেলঙ্গনা সরকারকে নিশানা মোদির

    PM Modi: “কেসিআর কেবল তাঁর পরিবারের সদস্যদের প্রতি যত্নবান”, তেলঙ্গনা সরকারকে নিশানা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “তেলঙ্গানায় আমাদের একটা সরকার রয়েছে যিনি ফার্ম হাউসে থাকেন। অথচ তিনি গরিবদের বাড়ি দেন না।” রবিবার ভোটমুখী তেলঙ্গনায় কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তেলঙ্গনায় ক্ষমতায় রয়েছে কেসিআরের ভারত রাষ্ট্র সমিতি। এদিন সে রাজ্যে দাঁড়িয়ে কেসিআরের নেতৃত্বাধীন সরকারকে আক্রমণ শানান প্রধানমন্ত্রী।

    কেসিআরকে নিশানা মোদির 

    তিনি বলেন, “কেসিআর নেতৃত্বাধীন সরকার গরিবদের শত্রু।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “তেলঙ্গানায় আমাদের একটা সরকার রয়েছে যিনি ফার্ম হাউসে থাকেন। অথচ তিনি গরিবদের বাড়ি দেন না। কেসিআর গরিবদের শত্রু। তাঁদের বাড়ি আটকে রেখেছেন। কিন্তু আমি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি, তেলঙ্গনায় বিজেপি সরকার গড়লেই দ্রুত গরিবদের বাড়ি দেওয়া হবে। এটা মোদির গ্যারান্টি।” তিনি বলেন, “তেলঙ্গনার দরিদ্রদের জন্য বিজেপি যত্নবান। কিন্তু ভারত রাষ্ট্র সমিতির সরকার রাজ্যে গরিবদের জন্য উন্নয়নমূলক কাজগুলি থমকে দিয়েছে।”

    নিজামাবাদে টার্মারিক সিটি

    এদিন নির্মলে রাজনৈতিক জনসভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা তেলঙ্গনায় ন্যাশনাল টারমারিক বোর্ড গঠনর কথা ঘোষণা করেছি। বিজেপির ইস্তেহারে বিজেপি নিজামাবাদে টার্মারিক সিটি গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। এখানকার হলুদকে জিআই ট্যাগ দেওয়া হবে। এতে ব্যাপকভাবে উপকৃত হবেন এ রাজ্যের হলুদ চাষিরা।” নির্মলে খেলনা শিল্প ধ্বংসের জন্যও কেসিআর নেতৃত্বাধীন সরকারকে আক্রমণ শানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি (PM Modi) বলেন, “আজ, ভারত যখন খেলনা রফতানির ক্ষেত্রে নয়া রেকর্ড গড়ছে, তখন ভারত রাষ্ট্র সমিতির সরকার নির্মলে সেই খেলনা শিল্প ধ্বংস করছে। আমরা যদি তেলঙ্গনার ক্ষমতায় আসি, তাহলে আমরা নির্মলে খেলনা শিল্প পুনরুজ্জীবনে প্রচার শুরু করব।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “তেলঙ্গনার সরকার রাজ্যবাসীকে ধোঁকা ছাড়া আর কিছুই দেয়নি।”

    আরও পড়ুুন: “ইংরেজি বছরের শুরুতে মমতাকে ইডি-সিবিআই চা খেতে আমন্ত্রণ করবে” বিস্ফোরক দিলীপ

    তেলঙ্গনা বিধানসভার নির্বাচন হবে ৩০ নভেম্বর। শাসক দল ছাড়াও লড়াইয়ের ময়দানে রয়েছে বিজেপি, কংগ্রেস, টিআরএস এবং কয়েকটি আসনে আসাদউদ্দিন ওয়াইসির পার্টি। গত দশ বছর ধরে তেলঙ্গনা শাসন করেছে কেসিআরের দল। তবে এবার তাদের জয় অনায়াস হবে বলে মনে করছেন না অতি বড় ভোট বিশেষজ্ঞও। নির্বাচনের মুখে বেশ কিছু বিধায়ক কেসিআরের দল ছেড়ে যোগ দিয়েছেন কংগ্রেসে। ৩ ডিসেম্বর বাকি চার রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের সঙ্গে সঙ্গে ফল ঘোষণা হবে ১১৯ আসন বিশিষ্ট (PM Modi) তেলঙ্গনা বিধানসভারও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • China Outbreak: চিনে বাড়ছে সংক্রমণ, ভারতে হাসপাতাল ব্যবস্থা খতিয়ে দেখতে রাজ্যগুলিকে চিঠি কেন্দ্রের  

    China Outbreak: চিনে বাড়ছে সংক্রমণ, ভারতে হাসপাতাল ব্যবস্থা খতিয়ে দেখতে রাজ্যগুলিকে চিঠি কেন্দ্রের  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিনে (China Outbreak) ফের লাগাম ছাড়া করোনা সংক্রমণ। জিরো কোভিড নীতি শিথিল করতেই বাড়বাড়ন্ত সংক্রমণের। এখনই সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে সে দেশে মৃত্যু হতে পারে অন্তত ২১ লক্ষ মানুষের। চিনের করোনা সংক্রমণ নিয়ে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে আমেরিকার তরফেও।

    কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য সচিবের চিঠি

    এমতাবস্থায় করোনা সংক্রমণ নিয়ে রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে চিঠি দিল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য সচিব। করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্টের ওপর নজরদারি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। করোনা সংক্রমিতদের জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের ওপর জোর দেওয়ারও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের সচিব রাজেশ ভূষণ চিঠিতে বলেছেন, সম্প্রতিই জাপান, আমেরিকা, রিপাবলিক অব কোরিয়া, ব্রাজিল ও চিনে যে হারে করোনা সংক্রমিতের সংখ্যা বাড়ছে, সেই বিষয়টি মাথায় রেখে আইএনএসএসিওজি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট চিহ্নিত করতে জিনোম সিকোয়েন্সিং করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

    কী বলেছে কেন্দ্র

    স্বাস্থ্যমন্ত্রকের তরফে রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে বলা হয়েছে হাসপাতাল ও প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলিতে প্রস্তুতি কী রয়েছে, তা খতিয়ে দেখতে (China Outbreak)। হাসপাতালে বেড, জরুরি ওষুধপত্র, মেডিক্যাল অক্সিজেন, অ্যান্টিবায়োটিক্স, টেস্টিং কিটস, পার্সোনাল প্রোটেকটিভ ইকুইপমেন্ট ইত্যাদি ব্যবস্থা কেমন রয়েছে, সে ব্যাপারেও খোঁজখবর নিতে বলা হয়েছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রক ‘অপারেশনাল গাইডলাইনস ফর রিভাইজড সারভিলিয়েন্স স্ট্র্যাটেজি ইন দ্য কনটেক্সট অফ কোভিড ১৯’ কার্যকর করার পরামর্শও দিয়েছে। চলতি বছরের প্রথম দিকে যে গাইডলাইন দেওয়া হয়েছিল ইনফ্লুয়েঞ্জার মতো সমস্যা এবং তীব্র শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে তা অনুসরণ করতে বলা হয়েছে।

    আরও পড়ুুন: পাকিস্তান যেন হিন্দুদের বধ্যভূমি, ফের ভাঙা হল মন্দির

    জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, জনস্বাস্থ্যের দিকে জোর দিতে ওয়ান হেলথ জাতীয় সার্বিক স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর কথা ভাবছে কেন্দ্রীয় সরকার। এক্ষেত্রে অতিমারির সময় দেশে যেভাবে স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর উন্নয়ন হয়েছে, সে কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে দাবি করা হয়, প্রাথমিক, মাঝারি ও সর্বোচ্চ স্তরে, পর্যায়ক্রমে স্বাস্থ্য পরিষেবা শক্তিশালী করার দিকে জোর দেওয়া হচ্ছে। জরুরি পরিস্থিতির মোকাবিলায় ভারত যে প্রস্তুত, তাও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের আশ্বাস, অ্যাভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা সহ শ্বাসযন্ত্রের যে ধরনের সংক্রমণ চিনা প্রশাসনের চিন্তা বাড়াচ্ছে, তাতে ভারতের চিন্তার কোনও কারণ নেই। তবে ঢিলেমি দেওয়ার জায়গাও নেই (China Outbreak)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share