Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Mizoram Assembly Polls: রাত পোহালেই ভোট গণনা চার রাজ্যে, পিছল মিজোরামের ফল ঘোষণার দিন  

    Mizoram Assembly Polls: রাত পোহালেই ভোট গণনা চার রাজ্যে, পিছল মিজোরামের ফল ঘোষণার দিন  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাত পোহালেই পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণা হওয়ার কথা ছিল। হ্যাঁ, ছিল। তবে এখন আর তা হচ্ছে না। এতে অবশ্য হতাশ হওয়ার কিছু নেই। পূর্ব নির্ধারিত সূচি মেনে রবিবার ভোট গণনা হবে রাজস্থান সহ চার রাজ্যের। বাদ থাকবে উত্তর-পূর্বের পাহাড়ি রাজ্য মিজোরাম (Mizoram Assembly Polls)। এ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের ফল গণনা হবে সোমবার। আজ, শুক্রবার বিবৃতি দিয়ে এ কথা জানাল নির্বাচন কমিশন। রবিবারের পরিবর্তে সোমবার ফল ঘোষণার আবেদন জানিয়েছিল মিজোরামের বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠন। তাদের সেই আর্জি মেনেই এ রাজ্যের ভোট গণনা হবে ৪ ডিসেম্বর, সোমবার।

    মিজো নাগরিক সংগঠনের দাবি

    প্রসঙ্গত, নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণার পরেই মিজোরামের বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন ও গির্জাগুলির যৌথমঞ্চ দাবি জানিয়েছিল, রবিবার যেন সেখানে ভোট গণনা না হয়। এ নিয়ে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছিল মিজো নাগরিক সংগঠন। কমিশনের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বিভিন্ন পক্ষ থেকে গণনার দিন ৩ ডিসেম্বর, রবিবারের (Mizoram Assembly Polls) পরিবর্তে অন্য দিন করার অনুরোধ জানানো হয়েছিল। কারণ রবিবার মিজোরামবাসীর কাছে বিশেষ দিন। এই অনুরোধ বিবেচনা করে কমিশন সিদ্ধান্ত নিয়েছে, মিজোরামে বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনার দিন ৩ ডিসেম্বর, রবিবারের পরিবর্তে হবে ৪ ডিসেম্বর, সোমবার।

    পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন

    চলতি মাসেই শেষ হয়েছে রাজস্থান, ছত্তিশগড়, মধ্যপ্রদেশ, তেলঙ্গনা ও মিজোরাম বিধানসভার নির্বাচন। ফল ঘোষণা হওয়ার কথা ছিল ৩ ডিসেম্বর। কিন্তু মিজো নাগরিক সংগঠনের আর্জি মেনেই বদল হয়েছে ফল ঘোষণার দিন। সংগঠনের দাবি, মিজোরামের ৮৮ শতাংশ মানুষই খ্রিস্টান। রবিবার গির্জায় প্রার্থনা করতে যান তাঁরা। তাই এদিন ভোট গণনা হলে, সমস্যায় পড়বেন তাঁরা। মিজোরামের ১৫টি গির্জার যৌথ মঞ্চও এ ব্যাপারে আলাদা করে বার্তা দিয়েছিল কমিশনকে। কমিশনকে করা আবেদন যাতে মঞ্জুর হয়, সেজন্য গত রবিবার বিশেষ প্রার্থনাও হয়েছে মিজোরামের (Mizoram Assembly Polls) বিভিন্ন গির্জায়। প্রসঙ্গত, ২৩ নভেম্বর নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল রাজস্থানে। সেদিন ওই রাজ্যে প্রচুর বিয়ে ও সামাজিক অনুষ্ঠান থাকায় দিন পরিবর্তনের দাবি ওঠে বিভিন্ন মহলে। তার জেরেই ২৩ তারিখের পরিবর্তে রাজস্থানে নির্বাচন হয় ২৫ নভেম্বর।

    আরও পড়ুুন: মোদির সঙ্গে সেলফি তুলে উচ্ছ্বসিত ইতালির প্রধানমন্ত্রী, ভাইরাল ‘মেলোডি’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Mahua Moitra: সোমবারই লোকসভায় পেশ এথিক্স কমিটির রিপোর্ট! কী হবে মহুয়ার ভবিষ্যৎ?

    Mahua Moitra: সোমবারই লোকসভায় পেশ এথিক্স কমিটির রিপোর্ট! কী হবে মহুয়ার ভবিষ্যৎ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রের (Mahua Moitra) সাংসদ পদ খারিজের সুপারিশসম্বলিত রিপোর্ট লোকসভায় জমা পড়তে চলেছে আগামী সোমবার। টাকার বিনিময়ে সংসদে প্রশ্ন উত্থাপনের অভিযোগে মহুয়ার বিরুদ্ধে রিপোর্ট তৈরি করেছে লোকসভার এথিক্স কমিটি। লোকসভার সচিবালয় থেকে যে অ্যাজেন্ডা পেপার প্রকাশ করা হয়েছে, তাতে বলা হয়েছে, এথিক্স কমিটির চেয়ারপার্সন বিনোদকুমার সোনকর প্যানেলের প্রথম রিপোর্ট জমা পড়বে সোমবার।

    মহুয়া মৈত্রর ভবিষ্যৎ

    শীতকালীন অধিবেশনের প্রথম দিনই স্পষ্ট হয়ে যেতে পারে সাংসদ মহুয়া মৈত্রর (Mahua Moitra) ভবিষ্যৎ। তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রের বিরুদ্ধে এথিক্স কমিটির সুপারিশ-সহ গোটা রিপোর্ট লোকসভায় পেশ করা হবে। লোকসভার সচিব তথা এথিক্স কমিটির চেয়ারপার্সন বিনোদ কুমার সোনকর মহুয়া মৈত্রের বিরুদ্ধে সেই রিপোর্ট স্পিকারের কাছে পেশ করবেন। তারপর এথিক্স কমিটির সুপারিশ গ্রাহ্য করা হবে কি না সেটা আলোচনার ভিত্তিতে স্থির করবেন স্পিকার। ‘হিরানন্দানি গ্রুপের থেকে টাকা নিয়ে আদানি গ্রুপের বিরুদ্ধে প্রশ্ন’ কাণ্ডে গত ৯ নভেম্বর মহুয়া মৈত্রের সাংসদ পদ খারিজের সুপারিশ দিয়ে একটি রিপোর্ট দেয় এথিক্স কমিটি। ৬:৪ ভোটে এই সুপারিশ দেওয়া হয়েছে। 

    আরও পড়ুন: “এখানে চাকরি নেই, দিদিকে বলব কাজ দিন” সুড়ঙ্গ থেকে ফিরে কেন বললেন মানিক?

    মহুয়া মৈত্রর বিরুদ্ধে রিপোর্ট

    সোমবার, সংসদের নিম্নকক্ষে সেই রিপোর্ট জমা পড়লেই মহুয়ার (Mahua Moitra) সাংসদ পদ খারিজ হয়ে যাবে না। মহুয়ার সাংসদপদ খারিজ তখনই হবে, যখন লোকসভায় এথিক্স কমিটির সুপারিশের পক্ষে ভোট দেবে সংসদের নিম্নকক্ষ। লোকসভা যদি মহুয়ার বিরুদ্ধে রিপোর্ট দেয়, তাহলে পাঁচ বছরের মেয়াদ পূরণ হওয়ার আগেই সাংসদ পদ হারাবেন মহুয়া। বর্তমানে লোকসভায় বিজেপি তথা এনডিএর যত জন সাংসদ রয়েছেন, তার নিরিখে রিপোর্টের পক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করা সহজ হবে বলেই বিশ্বাস। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের টিকিটে কৃষ্ণনগর থেকে জিতেছিলেন মহুয়া।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • 2000 Rupees Note: এখনও ‘বৈধ’ ২০০০ টাকার নোট, ঘোষণা রিজার্ভ ব্যাঙ্কের, জমা পড়েছে কত?

    2000 Rupees Note: এখনও ‘বৈধ’ ২০০০ টাকার নোট, ঘোষণা রিজার্ভ ব্যাঙ্কের, জমা পড়েছে কত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০০০ টাকার নোট (2000 Rupees Note) নিয়ে বড় ঘোষণা করল ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। শুক্রবার বিশেষ বিজ্ঞপ্তি জারি করে শীর্ষ ব্যাঙ্ক জানিয়ে দিল, ২০০০ টাকার নোট এখনও ‘বৈধ’। তবে, তা বাজারে চলবে না। স্রেফ নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আরবিআই-তে জমা নেওয়া হবে। একইসঙ্গে কত পরিমাণ ২০০০ টাকার নোট ব্যাঙ্কে ফেরত এসেছে এবং কত পরিমাণ এখনও বাজারে রয়েছে, তাও এদিন সংখ্যা পেশ করে জানিয়েছে আরবিআই (RBI)।

    ৯,৭৬০ কোটি মূল্যের নোট এখনও বাজারে

    চলতি বছরের ১৯ মে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক ঘোষণা করেছিল, এ বছরের ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ২০০০ টাকার নোট (2000 Rupees Note) ব্যাঙ্কে জমা দেওয়া যাবে। পরে সেই সময়সীমা বাড়িয়ে ৭ অক্টোবর করা হয়। ঘোষণার সময় বাজারে চালু থাকা বৈধ নোটের মোট অর্থমূল্য ছিল ৩ লক্ষ ৫৬ হাজার কোটি টাকা। এদিন আরবিআই (RBI) জানিয়েছে, ঘোষণার দিন থেকে এখনও পর্যন্ত ২০০০ টাকার নোটের ৯৭.২৬ শতাংশ রিজার্ভ ব্যাঙ্কে জমা পড়েছে। আরবিআই জানিয়েছে, ৩০ নভেম্বরের হিসেব অনুযায়ী, ৯,৭৬০ কোটি অর্থমূল্যের ২০০০ টাকার নোট বাজারে রয়েছে।

    আরবিআই-তে গিয়ে জমা করতে হবে নোট

    সেই সঙ্গে আরবিআই জানিয়ে দিয়েছে, ২০০০ টাকার নোট (2000 Rupees Note) এখনও ‘বৈধ’ থাকবে। ৭ অক্টোবরের পর থেকে ২০০০ টাকার নোট জমা নেওয়ার প্রক্রিয়া রিজার্ভ ব্যাঙ্কে চালু রয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে আরবিআই জানিয়েছে, সেই কাজ এখনও চলবে। যার কাছে যত সংখ্যক ২০০০ টাকার নোট রয়েছে সে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের (RBI) অফিসে গিয়ে নির্দিষ্ট ফর্ম ফিল আপ করে নোটগুলির নম্বর দিয়ে তা জমা দিতে পারবে। সেই পরিমাণ টাকা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির অ্যাকাউন্টে পাঠিয়ে দেবে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। তবে সেই ব্যক্তি অন্য কোনও অ্যাকাউন্টে ওই টাকা পাঠাতে পারবে না। শুধু ব্যক্তি বিশেষ নয়, একই নিয়ম প্রযোজ্য হবে যে কোনও, সংস্থার ক্ষেত্রেও। টাকা সংশ্লিষ্ট সংস্থার অ্যাকাউন্টেই জমা পড়বে। অন্য কোনও সংস্থাকে ওই টাকা দেওয়া (ট্রান্সফার) যাবে না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • LCA Tejas Mk-1A: সবুজ সঙ্কেত কেন্দ্রের, বাহিনীর হাতে আসছে ৯৭ তেজস মার্ক-১এ, ১৫৬ প্রচণ্ড হেলিকপ্টার

    LCA Tejas Mk-1A: সবুজ সঙ্কেত কেন্দ্রের, বাহিনীর হাতে আসছে ৯৭ তেজস মার্ক-১এ, ১৫৬ প্রচণ্ড হেলিকপ্টার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সামরিক বাহিনীকে আরও শক্তিশালী করা এবং একইসঙ্গে আত্মনির্ভর ভারত গড়ার লক্ষ্যে বড় পদক্ষেপ নিল মোদি সরকার। ৯৭টি লাইট কমব্যাট এয়ারক্র্যাফট (এলসিএ) তেজস মার্ক-১এ (LCA Tejas Mk-1A) এবং ১৫৬টি প্রচণ্ড লাইট কমব্যাট হেলিকপ্টার (এলসিএইচ) কেনার বিষয়ে অনুমোদন দিল কেন্দ্রের ডিফেন্স অ্যাকুইজিশন কাউন্সিল (Defence Acquisition Council) বা ডিএসি। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রের খবর, এর মধ্যে ভারতীয় স্থলসেনার ‘আর্মি অ্যাভিয়েশন কোর’ পাবে ৯০টি।  ৯৭টি তেজস যুদ্ধবিমানের সঙ্গে ৬৬টি প্রচণ্ড (LCH Prachand) পাবে ভারতীয় বায়ুসেনা। এর ফলে, এই দুই বাহিনীর শক্তি এক ধাক্কায় অনেকটা বেড়ে যাবে। শুধু তাই নয়। সূত্রের খবর, খুব শীঘ্রই নৌসেনার জন্য দ্বিতীয় দেশীয় বিমানবাহী রণতরীর বিষয়েও সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে এই কমিটি। তেমনটা হলে, দেশের জলসীমা সুরক্ষায় নৌবাহিনীর শক্তিও অনেকটাই বেড়ে যাবে।

    পাখির চোখ তেজস ও প্রচণ্ড

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের নেতৃত্বাধীন ডিএসি বৈঠকে বসেছিল বৃহস্পতিবার। সেখানেই তেজস যুদ্ধবিমান (LCA Tejas Mk-1A) ও প্রচণ্ড যুদ্ধ কপ্টার কেনার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে (Defence Acquisition Council)। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, তেজস যুদ্ধবিমান আর প্রচণ্ড লাইট কমব্যাট হেলিকপ্টার (LCH Prachand) কেনার পাশাপাশি, ভারতীয় বায়ুসেনার ব্যবহৃত সুখোই-৩০ যুদ্ধবিমানগুলির আধুনিকীকরণের সিদ্ধান্ত হয়েছে ওই বৈঠকে। এই তিনটের জন্য মোট বরাদ্দ ধার্য করা হয়েছে ১.১ লক্ষ কোটি টাকা। গত সপ্তাহেই, বেঙ্গালুরুস্থিত তেজস নির্মাণকারী রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা হিন্দুস্থান অ্যারোনটিক্স লিমিটেড বা হ্যাল-এর কারখানা পরিদর্শনে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেখানে তিনি দুই-আসন বিশিষ্ট তেজস মার্ক-১ যুদ্ধবিমানের একটি ট্রেনার বিমানে চেপে প্রায় ৪৫ মিনিট আকাশে চক্কর কাটেন। 

    আর্টিলারিকে আরও বিধ্বংসী করে তোলার সিদ্ধান্ত

    তেজস (LCA Tejas Mk-1A) ও প্রচণ্ড কেনার পাশাপাশি, সেনার জন্য বিভিন্ন ধরনের আর্টিলারি কেনার বিষয়েও অ্যাকসেপটেন্স অফ নেসেসিটিতে অনুমোদন দিয়েছে কমিটি (Defence Acquisition Council)। এর আওতায় স্থলসেনার জন্য দুধরনের গোলা ও ফিল্ড গান বা কামান কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ট্যাঙ্ক-বিধ্বংসী এরিয়া ডিনায়াল মিউনিশন (এডিএম) টাইপ-২ ও টাইপ-৩। এটি শত্রুর যে কোনও যুদ্ধট্যাঙ্ক বা সাঁজোয়া গাড়ি ধ্বংস করতে সক্ষম। পাশাপাশি, কার্যমেয়াদ অতিক্রান্ত হওয়া ইন্ডিয়ান ফিল্ড গান পাল্টে তার জায়গায় অত্যাধুনিক টাওড গান সিস্টেম (টিজিএস) অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল সেনা। তা এদিনেক বৈঠকে অনুমোদন পেয়েছে। এর সঙ্গেই অনুমোদিত হয়েছে ১৫৫ এমএম আর্টিলারি গান (কামান)-এ ব্যবহার করার জন্য ১৫৫ এমএম নাবলেস প্রোজেক্টাইল।

    মোট খরচ বরাদ্দ ২.২৩ লক্ষ কোটি টাকা

    এছাড়া, সেনার অন্যতম ভরসা টি-৯০ মেন যুদ্ধট্যাঙ্কের সক্ষমতা আরও বৃদ্ধি করতে অটোমেটিক টার্গেট ট্র্যাকার ও ডিজিটাল বাসালটিক কম্পিউটার কেনার বিষয়ে অনুমোদন মিলেছে। নৌসেনার জন্য মাঝারি পাল্লার শত্রু জাহাজ-বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র (এমআরএএসএইচএম) কেনার বিষয়েও অনুমোদন মিলেছে। এই ক্ষেপণাস্ত্রটি মূলত হালকা ওজনের এব অত্যন্ত সহজেই এগুলোকে জাহাজে মোতায়েন করা সম্ভব। এই সব কেনার জন্য মোট ২.২৩ লক্ষ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে ডিএসি (Defence Acquisition Council)। এর মধ্যে ২.২ লক্ষ কোটি টাকা অর্থাৎ ৯৮ শতাংশ খরচই দেশীয় সংস্থার থেকে তোলা হবে বলে জানা গিয়েছে (LCA Tejas Mk-1A)। এতে সামরিক ক্ষেত্রে ‘আত্মনির্ভর’ হওয়ার পথ সুগম হবে যেমন, দীর্ঘমেয়াদি কর্মসংস্থানও তৈরি হবে বলে দিল্লির একটি সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: আজ দুবাইতে বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলনে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী, কতটা গুরুত্বপূর্ণ?

    PM Modi: আজ দুবাইতে বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলনে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী, কতটা গুরুত্বপূর্ণ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলনে যোগ দিতে দুবাইতে রওনা হলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। প্রসঙ্গত, আজ শুক্রবার ১ ডিসেম্বর থেকে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির রাজধানী দুবাইতে শুরু হচ্ছে ২৮ তম বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় দুবাইয়ের উদ্দেশে পাড়ি দেন প্রধানমন্ত্রী। বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচী একটি ট্যুইট করে প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) দুবাই সফরের বিষয়টি সম্পর্কে জানিয়েছেন। তিনি জানান, জলবায়ু পরিবর্তনের মোকাবিলার পথ খুঁজতে পৃথিবীর উন্নয়নশীল দেশগুলির এই সম্মেলন এবং সেখানে যোগ দিতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি।

    জলবায়ু পরিবর্তন একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অ্যাজেন্ডা 

    বর্তমান বিশ্বে জলবায়ু পরিবর্তন একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অ্যাজেন্ডা হিসেবেই মনে করা হয় (PM Modi)। এবং প্রত্যেকটি গুরুত্বপূর্ণ সম্মেলনের সাধারণ ইস্যু হিসেবে জলবায়ু পরিবর্তন অন্তর্ভুক্ত থাকেই। চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসে ভারতে বসেছিল জি২০ শীর্ষ সম্মেলন। সেখানেও জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে উদ্বেগের বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছিল। গ্লোবাল ওয়ার্মিং বা বিশ্ব উষ্ণায়নকে বিশ্বের জলবায়ু পরিবর্তনের অন্যতম কারণ হিসেবে মনে করা হচ্ছে।

    মোদির ট্যুইট

    জানা গিয়েছে, দুবাইতে আয়োজিত এই বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ছাড়াও যোগ দেবেন অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরা। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এই জলবায়ু সম্মেলনে আসছেন না বলেই জানা গিয়েছে। দুবাই রওনা হওয়ার আগে প্রধানমন্ত্রী তরফ থেকে বিবৃতি সামনে এসেছে। ট্যুইটের মাধ্যমে তিনি (PM Modi) বলেন, ‘‘প্যারিস চুক্তির অধীনে জলবায়ু পরিবর্তনে মোকাবিলার অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা হবে এই সম্মেলনে।’’ প্রসঙ্গত এই সম্মেলনের পোশাকি নাম ‘COP28’.

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Assembly Election 2023: দুই রাজ্যে এগিয়ে বিজেপি, হাড্ডাহাড্ডি অন্যত্র, ত্রিশঙ্কু হচ্ছে মিজোরাম!

    Assembly Election 2023: দুই রাজ্যে এগিয়ে বিজেপি, হাড্ডাহাড্ডি অন্যত্র, ত্রিশঙ্কু হচ্ছে মিজোরাম!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছর ঘুরলেই লোকসভা নির্বাচন। তার আগে ‘ওয়ার্মআপ ম্যাচ’ হয়ে গেল চলতি মাসে। দেশের পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন হয়েছে এ মাসেই। আজ, বৃহস্পতিবার ছিল তেলঙ্গনা বিধানসভার নির্বাচন (Assembly Election 2023)। পাঁচ রাজ্যেরই ফল ঘোষণা হবে ৩ ডিসেম্বর। এই রাজ্যগুলির ফল থেকে কেন্দ্র কার দখলে যাবে, তার একটা আভাস মিলতে পারে বলে ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের। যদিও পাঁচ রাজ্যের ফল কোনওভাবেই গোটা দেশের ছবি হতে পারে না। আসুন, দেখে নেওয়া যাক, পাঁচ রাজ্যের ফলের গতিপ্রকৃতি।

    প্রথমেই দেখা যাক ছত্তিশগড়ের সম্ভাব্য ফল। এ রাজ্যে কংগ্রেস ও বিজেপির হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হতে চলেছে। এ রাজ্যে বিধানসভার আসন ৯০। ম্যাজিক ফিগার ৪৬। এবিপি নিউজ-সি ভোটারের সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, বিজেপি পেতে পারে ৩৬-৪৮টি আসন। কংগ্রেসের ঝুলিতে যেতে পারে ৪১-৫৩টি আসন। ইন্ডিয়া টুডে-এক্সিস-মাই ইন্ডিয়ার এক্সিট পোলে বলা হয়েছে, বিজেপি পেতে পারে ৩৬-৪৬টি আসন। কংগ্রেস পেতে পারে ৪০-৫০টি আসন। দৈনিক ভাস্করের সমীক্ষা বলছে, বিজেপি পাবে ৩৫-৪৫টি আসন। কংগ্রেসের দখলে যেতে পারে ৪৬-৫৫টি আসন।

    মধ্যপ্রদেশে ক্ষমতায় আসতে পারে বিজেপি। এ রাজ্যে আসন রয়েছে ২৩০টি। সরকার গড়তে হলে পেতে হবে ১১৬টি আসন। দৈনিক ভাস্করের সমীক্ষা (Assembly Election 2023) বলছে, বিজেপি পেতে পারে ৯৫-১১৫টি আসন। কংগ্রেস ১০৫-১২০টি আসন। রিপাবলিক টিভি-মাত্রিজের সমীক্ষা অনুযায়ী, গেরুয়া ঝুলিতে যেতে পারে ১১৮-১৩০টি আসন। কংগ্রেস পেতে পারে ৯৭-১০৭টি আসন। পোল অফ পোলের সমীক্ষায়ও এ রাজ্যে পাল্লা ভারী বিজেপির দিকেই। জন-কী-বাতের সমীক্ষা অনুযায়ী, বিজেপি পেতে পারে ১০০-১২৩টি আসন। কংগ্রেসের ঝুলিতে যেতে পারে ১০২-১২৫টি আসন।

    রাজস্থান বিধানসভার আসন সংখ্যা ২০০। কংগ্রেস প্রার্থীর মৃত্যুতে নির্বাচন হয়নি একটি কেন্দ্রে। ভোট হয়েছে ১৯৯টি আসনে। ম্যাজিক ফিগার ১০১। তবে আপাতত প্রয়োজন ১০০টি আসন। পোল অফ পোলের সমীক্ষা বলছে, বিজেপি পেতে পারে ১১১টি আসন। আর কংগ্রেস ৭৪টি। অন্যরা পেতে পারে ১৪টি। ইন্ডিয়া টুডে-অ্যাক্সিস মাই ইন্ডিয়া বিজেপি পেতে পারে ৮০-১০০টি আসন। বিজেপি পাবে ৮০-১০০টি আসন। অন্যরা পেতে পারে ৯-১৮টি আসন। দৈনিক ভাস্করের সমীক্ষা অনুযায়ী, বিজেপি পাবে ৯৮-১০৫টি আসন। কংগ্রেস ৮৫-৯৫টি আসন। অন্যরা পেতে পারে ১০-১৫।

    পোল অফ পোলসের সমীক্ষা বলছে, তেলঙ্গনায় বিআরএস পেতে পারে ৪৮টি আসন। কংগ্রেসের ঝুলিতে যেতে পারে ৫৬টি। ৫-১০টি আসন পেতে পারে বিজেপি। ৬-৮টি আসন পেতে পারে অন্যান্য রাজনৈতিক দল। জন কী বাত আবার এ রাজ্যে এগিয়ে রেখেছে কংগ্রেসকে। কংগ্রেস পেতে পারে ৪৮-৬৪টি আসন। বিআরএস পেতে পারে ৪০-৫৫টি আসন। বিজেপি পেতে পারে ৭-১৩টি আসন এআইএমআইএম পেতে পারে ৪-৭টি আসন।

    ত্রিশঙ্কু হতে পারে মিজোরাম বিধানসভা। এবিপি নিউজ-সি ভোটার সমীক্ষা অনুযায়ী, উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যটিতে এমএনএফ পেতে পারে ১৫-২১টি আসন। কংগ্রেস পেতে পারে ২-৮টি আসন। জেডপিএম পেতে পারে ১২-১৮টি আসন। অন্যরা পেতে পারে ০-৫টি আসন (Assembly Election 2023)।

    আরও পড়ুুন: তৃণমূল বিধায়কের শৌচাগারেও কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা, যন্ত্র দিয়ে চলছে গোনা

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • IPC Bill 2023: সংসদের আসন্ন অধিবেশনেই পেশ হবে ন্যায় সংহিতা বিল ২০২৩! ইঙ্গিত কেন্দ্রের

    IPC Bill 2023: সংসদের আসন্ন অধিবেশনেই পেশ হবে ন্যায় সংহিতা বিল ২০২৩! ইঙ্গিত কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৪ ডিসেম্বর শুরু হচ্ছে সংসদের শীতকালীন অধিবেশন। এই অধিবেশনেই আইপিসি বিল ২০২৩ (IPC Bill 2023) পেশ করতে পারে নরেন্দ্র মোদির সরকার। বুধবার কেন্দ্রের তরফে ১৮টি বিল নিয়ে আলোচনার জন্য তালিকাভুক্তির নোটিশ দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রের তরফে। তার মধ্যেই রয়েছে আইপিসি বিলটিও। এই বিল নিয়ে বিস্তর আপত্তি তুলেছে কংগ্রেস, তৃণমূল সহ বিভিন্ন বিরোধী দল। তবে মোদি সরকার যে সে সবে বিশেষ আমল দিচ্ছে না, এই নোটিশ জারিই তার প্রমাণ।

    কী বলেছিলেন অমিত শাহ?

    সংসদের বাদল অধিবেশনের শেষ দিন ১১ অগাস্ট কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ লোকসভায় জানিয়েছিলেন, ১৮৬০ সালে তৈরি আইপিসি প্রতিস্থাপিত হবে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা দিয়ে (IPC Bill 2023)। ১৮৯৮ সালের ক্রিমিনাল প্রসিডিওর অ্যাক্ট প্রতিস্থাপিত হবে ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা বিল দিয়ে। আর ১৮৭২ সালের ইন্ডিয়ান এভিডেন্স অ্যাক্ট প্রতিস্থাপিত হবে ভারতীয় সাক্ষ্য বিল দ্বারা। সেই সময়ই বিল তিনটি পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল সংসদীয় স্ট্যান্ডিং কমিটির কাছে। বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের এনিয়ে চিঠিও পাঠিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তার প্রেক্ষিতেই আপত্তি জানান বিজেপি-বিরোধী কয়েকটি দল।

    পেশ হবে ১৮টি বিল

    এ ছাড়াও (IPC Bill 2023) আরও বেশ কয়েকটি বিল এই অধিবেশনেই আনতে চলেছে মোদি সরকার। বকেয়া ১১টি বিলও রয়েছে এর মধ্যে। নতুন বিল পেশ হবে ৭টি। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার ও অন্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ বিল ২০২৩ পেশ হতে পারে। পোস্ট অফিস বিলটি আটকে রয়েছে রাজ্য সভায়। সেটিও পাশ করাবে সরকার। সচরাচর শীতকালীন অধিবেশন বসে নভেম্বরের মাঝামাঝি। এ বছর এই সময়টায় হয়েছে পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন। নির্বাচনী প্রচারে ব্যস্ত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সহ অন্য কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা। প্রচারে ব্যস্ত ছিলেন বিরোধীরাও। সেই কারণেই ঠিক হয়, অধিবেশন বসবে ওই রাজ্যগুলির নির্বাচনের ফল ঘোষণার পরে।

    আরও পড়ুুন: শ্রমিক হয়ে উত্তরকাশীতে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার সৌভিক! বেআব্রু বাংলার হা-শিল্প দশা

    সেই মতো অধিবেশন শুরু হবে ৪ ডিসেম্বর। চলবে ২২ তারিখ পর্যন্ত। সব মিলিয়ে অধিবেশন হবে ১৫ দিন। আসন্ন অধিবেশন সরগরম হতে পারে কৃষ্ণনগরের সাংসদ তৃণমূলের মহুয়া মৈত্রকে নিয়ে। ঘুষের বিনিময়ে প্রশ্নকাণ্ডে তাঁকে বহিষ্কারের সুপারিশ করেছে সংসদের এথিক্স কমিটি। সেই সুপারিশ পেশ করতে পারেন অধ্যক্ষ। প্রথা মেনে অধিবেশন বসার আগে এবারও হবে সর্বদলীয় বৈঠক। ২ ডিসেম্বর হবে ওই বৈঠক। বৈঠকে যোগ দিতে সব দলকেই আবেদন করেছেন সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bullet Train: দু’বছরেই বুলেট ট্রেন চলবে দেশে! সময় ঘোষণা রেলমন্ত্রীর, কবে চালু?

    Bullet Train: দু’বছরেই বুলেট ট্রেন চলবে দেশে! সময় ঘোষণা রেলমন্ত্রীর, কবে চালু?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অপেক্ষা আর মাত্র দুই বছরের। ২০২৬ সালেই দেশে বুলেট ট্রেনের (Bullet Train) প্রথম সেকশনের কাজ শেষ হবে বলে জানালেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব (Ashwini Vaishnaw)। বুধবার দিল্লিতে এ নিয়ে সাংবাদিক বৈঠক করেন তিনি। রেলমন্ত্রী জানান, গুজরাটের বিলিমোরা এবং সুরাটের মধ্যে ৫০ কিলিমিটার রেল রুটে প্রথম বুলেট ট্রেন সেকশনটি গড়ে তোলা হবে। সেই কাজ সম্পন্ন হবে ২০২৬ সালের অগাস্ট মাসের মধ্যে। 

    বুলেট ট্রেনের কথা

    রেলমন্ত্রী আগেই জানিয়েছিলেন, মুম্বই-আমেদাবাদ বুলেট ট্রেন প্রকল্পে ১০০ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের ভায়ডাক্ট (পিলারের উপরে বসানো কংক্রিটের রেলপথ) এবং ২৩০ কিলোমিটার পিলার বসানোর লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। বিলিমোরা-সুরাট সেকশনটি মুম্বই-আমেদাবাদ রুটেরই অংশ। ইতিমধ্যেই গুজরাটের ভালসাদ, নভসারি, সুরাট, বরোদা এবং আনন্দ জেলায় বুলেট ট্রেন প্রকল্পে ভায়াডাক্ট বসানোর কাজও শেষ হয়েছে। সেই ছবি এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করেছেন অশ্বিনী বৈষ্ণব (Ashwini Vaishnaw)। বুলেট ট্রেন প্রকল্পের মোট খরচ ধরা হয়েছে আনুমানিক ১.০৮ লক্ষ কোটি টাকা। যার মধ্যে ১০ হাজার কোটি দেবে কেন্দ্রীয় সরকার। ৫ হাজার কোটি করে দেবে গুজরাট এবং মহারাষ্ট্র সরকার। বাকি অর্থ ০.১ শতাংশ সুদের হারে ঋণ দেবে জাপান।

    রেলের নানা নয়া পরিকল্পনা

    শুধু বুলেট ট্রেন (Bullet Train) প্রকল্প নয়, দেশের রেল পরিষেবাকে আরও উন্নতি করতে নতুন কী কী পরিকল্পনা রয়েছে, তাও এদিন জানিয়েছেন রেলমন্ত্রী। এর পাশাপাশি, ট্রেন দুর্ঘটনা রুখতে ট্রেনে দেশীয় কবচ প্রযুক্তি বসানোর কাজ আরও বাড়ানো হবে বলে জানানো হয়েছে। ট্রেনের ধাক্কায় হাতির মৃত্য়ু রুখতে দেশীয় পদ্ধতিতে তৈরি ‘গজরাজ’ প্রযুক্তির কথাও জানান অশ্বিনী বৈষ্ণব (Ashwini Vaishnaw)। এদিন রেলমন্ত্রী জানান, দেশের বিভিন্ন প্রান্তকে রেলপথে সংযুক্ত করতে, আরও রেললাইন বসানো হবে। করোনার জেরে উদ্ভুত অতিমারি পরিস্থিতির আগে, দেশে এক্সপ্রেস ট্রেনের সংখ্যা ছিল ১ হাজার ৭৬৮। নতুন ট্রেন যুক্ত করায়, বর্তমানে তা বেড়ে ১ হাজার ১২৪ হয়েছে। শহরতলিতে ৫ হাজার ৬২৬ ট্রেনের পরিষেবা মিলত আগে, এখন তা বেড়ে ৫ হাজার ৭৭৪ হয়েছে এবং যাত্রীবাহী ট্রেনের সংখ্যাও বেড়ে ২ হাজার ৭৯২ থেকে বেড়ে হয়েছে ২ হাজার ৮৫৬। ২০২২-‘২৩ সালে যেখানে যাত্রীসংখ্যা ছিল ৬৪০ কোটি, ২০২৩-‘২৪ সালে তা বেড়ে হয়েছে ৭৫০ কোটি। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • PMGKAY: ১১.৮ লক্ষ কোটি টাকা বরাদ্দ কেন্দ্রের! আরও ৫ বছর বিনামূল্যে খাদ্যশস্য পাবেন ৮১ কোটি মানুষ

    PMGKAY: ১১.৮ লক্ষ কোটি টাকা বরাদ্দ কেন্দ্রের! আরও ৫ বছর বিনামূল্যে খাদ্যশস্য পাবেন ৮১ কোটি মানুষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী গরিব কল্যাণ খাদ্যশস্য যোজনায় (PM Garib Kalyan Yojana) আরও ৫ বছর তালিকাভুক্ত নাগরিকদের বিনামূল্যে খাদ্যশস্য (Free food grains) দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা (Union Cabinet)। বুধবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Narendra Modi) নেতৃত্বে হওয়া মন্ত্রিসভার বৈঠকে কেন্দ্রীয় সরকার রেশন ব্যবস্থার মাধ্যমে আরও পাঁচ বছর বিনামূল্যে খাদ্যশস্য দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া নিয়েছে। এদিন মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর, কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর জানান, ২০২৪ সালের ১ জানুয়ারি থেকে আরও ৫ বছরের জন্য এই সরকারি প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানো হল। 

    কী এই যোজনা

    জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা আইনের আওতায় এমনিতেই প্রতি মাসে ভর্তুকিযুক্ত দামে প্রদত্ত ৫ কেজি খাদ্যশস্য দেওয়া হয় দরিদ্র মানুষদের।  করোনা মহামারির (Covid Pandemic) ফলে লকডাউন শুরু হওয়ার পর থেকেই প্রধানমন্ত্রী গরিব কল্যাণ যোজনার অধীনে বিনামূল্যে খাদ্যশস্য দেওয়া চালু করা হয়েছিল। এর মাধ্যমে রেশন কার্ড থাকা ভারতীয় নাগরিকরা প্রতিমাসে পাঁচ কিলো করে হয় গম না হয় চাল পাচ্ছিলেন। অতিরিক্ত খাদ্য সরবরাহ প্রকল্পের মাধ্যমে ছোলাও দেওয়া হচ্ছিল। দেশের ৮১ কোটি দরিদ্র মানুষকে প্রতি মাসে বিনামূল্যে ৫ কেজি করে খাদ্যশস্য সরবরাহ করার জন্য এই প্রকল্প চালু করেছিল কেন্দ্র সরকার।

    তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী বলেন, “বিশ্বের বৃহত্তম খাদ্য সুরক্ষা প্রকল্পের আওতায়, আরও ৫ বছর ধরে দরিদ্র মানুষকে খাদ্যশস্য সরবরাহ করা হবে। আগামী পাঁচ বছরে এর জন্য সরকার প্রায় ১১.৮ লক্ষ কোটি টাকা খরচ করবে।” তবে তিনি জানিয়েছেন, প্রয়োজনে তহবিল আরও বাড়ানো হবে। এই প্রকল্পের মেয়াদ য়ে বাড়ানো হবে, তা অবশ্য আগেই জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। নভেম্বরের শুরুতেই ছত্তীসগঢ়ের দুর্গে এক নির্বাচনী জনসভায় তিনি বলেছিলেন, “প্রধানমন্ত্রী গরিব কল্যাণ অন্ন যোজনার মেয়াদ এই ডিসেম্বরেই শেষ হচ্ছে। কিন্তু, বিজেপি সরকার এই প্রকল্পের মেয়াদ আরও ৫ বছরের জন্য বাড়াবে।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।  

  • Indian Navy IAC 2: আরও একটি দেশীয় বিমানবাহী রণতরী আসছে নৌসেনার হাতে! সিদ্ধান্ত আজই?

    Indian Navy IAC 2: আরও একটি দেশীয় বিমানবাহী রণতরী আসছে নৌসেনার হাতে! সিদ্ধান্ত আজই?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরও শক্তিশালী হতে চলেছে ভারতীয় নৌসেনা। ভারত মহাসাগরে চিনা নৌবাহিনীর বাড়বাড়ন্তকে মাথায় রেখে আইএনএস বিক্রান্ত-এর পর দেশে আরও একটি প্রায় সমান ক্ষমতাসম্পন্ন বিমানবাহী রণতরী (Indian Navy IAC 2) নির্মাণ করার প্রস্তাবে সম্ভবত শীঘ্রই সায় দিতে চলেছে কেন্দ্র। 

    ভারত মহাসাগরে চিনকে রোখা প্রয়োজন

    সূত্রের খবর, ভারতীয় জলসীমার নিরাপত্তা ও সুরক্ষার বিষয়টি মাথায় রেখে বেশ কিছুদিন আগেই দ্বিতীয় দেশীয় বিমানবাহী রণতরীর জন্য প্রস্তাব পাঠিয়েছিল ভারতীয় নৌসেনা। প্রস্তাবটি পাঠানো হয়েছিল ডিফেন্স প্রোকিওরমেন্ট বোর্ডের বা সংক্ষেপে ডিপিবি-র কাছে। এই ডিপিবি হল এমন কমিটি যারা মূলত বৃহত সামরিক ক্রয় বিষয়ক প্রস্তাবগুলি খতিয়ে দেখে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সুপারিশ পাঠায় কেন্দ্রের সামরিক সরঞ্জাম কেনার শীর্ষ কমিটি ডিফেন্স অ্যাকুইজিশন কাউন্সিল বা সংক্ষেপে ডিএসি-র (Defence Acquisition Council) কাছে। 

    রাজনাথ সিংয়ের নেতৃত্বে বসছে বিশেষ বৈঠক

    নিয়ম অনুযায়ী, ডিপিবি-র সুপারিশের ওপর সময় মতো অ্যাকসেপ্টেন্স অফ নেসেসিটি (এওএন) বা সিলমোহর দেয় ডিএসি (Indian Navy IAC 2)। তার পর সব শেষে কেনার ছাড়পত্র দেয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন ক্যাবিনেট কমিটি অন সিকিউরিটি বা সিসিএস।  যার পরেই, গোটা প্রক্রিয়া কার্যকর হয়। সূত্রের খবর, দেশে দ্বিতীয় বিমানবাহী রণতরী তৈরি করার প্রস্তাবকে সবুজ সঙ্কেত দিয়ে ডিএসি-র টেবিলে পাঠিয়েছে ডিপিবি। আগামিকাল বসছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের নেতৃত্বাধীন ডিএসি-র (Defence Acquisition Council) বৈঠক। সেখানে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে এই বিষয়ে। তবে, কেন্দ্রীয় সূত্রের দাবি, চিনের কথা মাথায় রেখে সম্ভবত এই প্রস্তাব গৃহীত হতে পারে। 

    আইএনএস বিক্রান্ত-এর ‘মিরর’ হতে চলেছে আইএসি-২

    যা জানা যাচ্ছে, প্রাথমিকভাবে সিদ্ধান্ত হয়েছিল, ইন্ডিজেনাস এয়ারক্র্যাফট ক্যারিয়ার ১ বা আইএনএস বিক্রান্ত-এর তুলনায় ৩০ শতাংশ বড় হবে আইএসি-২ (Indian Navy IAC 2)। বিক্রান্তের ওজন ৪৪ হাজার টন। সেখানে নকশা অনুযায়ী, আইএসি-২ এর ওজন হওয়ার কথা ছিল ৬৫ হাজার টন। পরবর্তীকালে, তা বাতিল করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে বিক্রান্তের মতোই নকশা অনুযায়ী হবে দ্বিতীয় বিমানবাহী রণতরী। অর্ছাৎ, নকশায় কোনও পরিবর্তনের প্রয়োজন নেই। এর ফলে, সময় বাঁচবে। জানা যাচ্ছে, তেমনটা হলে, ৮-১০ বছরের মধ্য়েই ভারতীয় নৌসেনার হাতে আইএসি-২ আসতে পারে।

    নতুন রণতরীর ডেকে থাকবে রাফাল-এম

    আইএনএস বিক্রান্ত তৈরি করতে খরচ হয়েছিল ২৩ হাজার কোটি টাকা। জানা গিয়েছে, নতুন বিমানবাহী রণতরী নির্মাণে খরচ হবে প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকা। ওই রণতরী থেকে উড়বে অত্যাধুনিক ফরাসি রাফাল-এম যুদ্ধবিমান। কয়েকদিন আগে, নৌসেনা প্রধান আর হরি কুমার জানিয়েছিলেন, আপাতত রিপিট অর্ডারের দিকেই ঝোঁকা হচ্ছে (Indian Navy IAC 2)। অর্থাৎ, ওজনে প্রায় এক হবে নতুন জাহাজটি। তবে, আরও অধিক ক্ষমতাসম্পন্ন হবে। সেই সময় তৃতীয় বড় আকারের বিমানবাহী রণতরীর নকশা তৈরি করা হবে। যা হবে ওই ৬৫ হাজার টনের আশেপাশে। যে সময় সেটি অন্তর্ভুক্ত হবে নৌসেনায়, আইএনএস বিক্রমাদিত্য অবসর নেবে।

    বৈঠকের নজরে প্রচণ্ড ও তেজস-ও

    নতুন বিমানবাহী রণতরীর পাশাপাশি, আগামিকালের বৈঠকে বায়ুসেনার পেশ করা ৯৭টি তেজস মার্ক-১এ যুদ্ধবিমান কেনার বিষয়েও আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এর জন্য খরচ ধরা হয়েছে প্রায় ৫৫ হাজার কোটি টাকা। এছাড়া রয়েছে স্থলসেনার জন্য ১৫৬টি প্রচণ্ড সামরিক হেলিকপ্টার, যার মূল্য হতে পারে ৪৫ হাজার কোটি টাকা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।  

LinkedIn
Share