Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Cyclone Mocha: আজ, দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে তৈরি হতে পারে ঘূর্ণাবর্ত! ঘূর্ণিঝড় ‘মোকা’র সতর্কবার্তা

    Cyclone Mocha: আজ, দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে তৈরি হতে পারে ঘূর্ণাবর্ত! ঘূর্ণিঝড় ‘মোকা’র সতর্কবার্তা

    মাধ্যম  নিউজ ডেস্ক: বছরের প্রথম ঘূর্ণিঝড়ের জন্য ইতিমধ্যেই প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে মৌসম ভবন। আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে রাজ্য প্রশাসনগুলির তরফে। আজ, শনিবার দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে তৈরি হবে একটি ঘূর্ণাবর্ত। ৭ মে সেই ঘূর্ণাবর্ত পরিণত হতে পারে নিম্নচাপে (Depression)। তারপর সোমবার, ৮ মে সেটি গভীর নিম্নচাপে (Deep Depression) পরিণত হয়ে উত্তর অভিমুখে মধ্য বঙ্গোপসাগরের দিকে এগনোর সম্ভাবনা রয়েছে। মঙ্গলবার (৯ মে) ওই গভীর নিম্নচাপটি মধ্য বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে। শুক্রবার মৌসম ভবনের তরফে জানানো হয়, নিম্নচাপ তৈরি হওয়ার পরই ঘূর্ণিঝড় নিয়ে ছবিটা স্পষ্ট হবে। এখনও পর্যন্ত একটা পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে মাত্র। 

    ঘূর্ণিঝড় নিয়ে শঙ্কা

    ঘূর্ণিঝড় নিয়ে শঙ্কায় রয়েছে ওড়িশা। ঝড় মোকাবিলায় আগেভাগেই প্রশাসনকে সতর্ক করেছেন সে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়েক। উচ্চপর্যায়ের বৈঠকও করেছেন।  এখনও পর্যন্ত ঘূর্ণিঝড়ের গতিপথ নিয়ে কোনও পূর্বাভাস দেওয়া হয়নি। কিন্তু কোথায় আছড়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে, তারই ভিত্তিতে চারটি রাজ্যকে ইতিমধ্যেই সতর্ক করেছে মৌসম ভবন। অন্ধ্রপ্রদেশ, তামিলনাড়ু এবং ওড়িশা ছাড়াও অন্য যে রাজ্যে ‘মোকা’ আছড়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে, সেটি হল পশ্চিমবঙ্গ। তাই রাজ্যকেও সতর্ক করা হয়েছে। মৎস্যজীবীদের ৮-১১ মে পর্যন্ত সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে।

    নিম্নচাপের প্রভাবে আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। রবিবার ও সোমবার তুমুল বৃষ্টি হতে পারে এই দুই দ্বীপপুঞ্জ এলাকায়। বৃষ্টির সঙ্গে দমকা ঝোড়ো হাওয়া বইবে আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে। হাওয়ার গতিবেগ থাকবে ৫০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা।

    আরও পড়ুন: চোখের সামনে ভেঙে পড়ল পাহাড়! বদ্রীনাথের রাস্তায় বড় ধস, বন্ধ যাত্রা

    শনিবার থেকে বুধবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির সম্ভাবনা কার্যত নেই বলেই জানাচ্ছে আবহাওয়া দফতর। বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পশ্চিম বর্ধমান এবং বীরভূমের তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি উঠতে পারে বলে অনুমান আবহাওয়াবিদদের।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Indian Army: রাজৌরিতে সেনা-জঙ্গি গুলির লড়াই! নিহত ৫ জওয়ান, আহত ১

    Indian Army: রাজৌরিতে সেনা-জঙ্গি গুলির লড়াই! নিহত ৫ জওয়ান, আহত ১

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের জঙ্গি হামলা জম্মু-কাশ্মীরে। জঙ্গিদের ছোড়া বোমার আঘাতে ৫ জন সেনা আধিকারিকের (Indian Army) মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। আহত হয়েছেন ১ জন সেনা অফিসার, উধমপুরের সেনা হাসপাতালে তাঁর চিকিৎসা চলছে।

    আরও পড়ুন: আজ বুদ্ধ পূর্ণিমা, বছরের প্রথম চন্দ্রগ্রহণও! কোন কোন বিধি মেনে চলতে হবে?

    ঠিক কী ঘটনা?

    রাজৌরি সেক্টরের কান্দি জঙ্গলে জঙ্গিরা লুকিয়ে রয়েছে, গোপন সূত্রে এই খবর পেয়ে এদিন সকাল থেকেই জঙ্গি নিকেশ অভিযানে নামে ভারতীয় সেনা। জানা গেছে, জঙ্গিরা ছোট ছোট দলে বিভক্ত হয়ে হামলা চালায়। শুরু হয় দুইপক্ষের গুলির লড়াই। এমন সময়ে জঙ্গিদের দিক থেকে ছোড়া হয় বোমা, তাতেই প্রাণহানি ঘটে ২ সেনা আধিকারিকের। আহত হন ৪ জন, তাঁদের ভর্তি করানো হয় সেনা হাসপাতালে, সেখানে তাঁদের মধ্যে ৩ জনের মৃত্যু হয়। প্রতিবেদন লেখার সময় অবধি কান্দি জঙ্গলে সেনা-জঙ্গি গুলির লড়াই চলছে বলে খবর। সেখানে বন্ধ করা হয়েছে ইন্টারনেট পরিষেবাও। সেনা সূত্রে খবর, সংঘর্ষে মৃত্যু হয়েছে বেশ কয়েকজন জঙ্গিরও। সকালের ঘটনার পরেই রাজৌরি সেক্টরে বাড়ানো হয় সেনা সংখ্যা। ইদের প্রাক্কালে পুঞ্চে সেনা (Indian Army) ট্রাকে যে জঙ্গি গোষ্ঠী গ্রেনেড ছুড়েছিল, এদিন তারাই হামলা চালিয়েছে বলে অনুমান সেনার।

    আরও পড়ুুন: লাদেনের সঙ্গে তুলনা করেছিলেন মোদিকে, ভারত সফরে এলেন সেই বিলাওয়াল

    সেনা-জঙ্গি সংঘর্ষ চলছেই 

    গত সপ্তাহেই সেনা (Indian Army) ট্রাকে হামলা চালায় পাক মদতপুষ্ট জইশ জঙ্গিরা। তাঁরা পুঞ্চে ইদের ফল বিতরণ করতে যাচ্ছিলেন। ট্রাকে থাকা ৫ জওয়ান ঝলসে যান গ্রেনেড হামলায়। আবার চলতি সপ্তাহে বৃহস্পতিবার বারামুলার ওয়ানিগাম পায়েন ক্রিরি এলাকায় সেনা জঙ্গি গুলির লড়াইয়ে মৃত্যু হয় দুই লস্কর জঙ্গির। নিহতদের নাম শাকির মাজিদ ও হানাম আহমেদ শেহ। তাদের থেকে AK-47 রাইফেল, পিস্তল ও বেশ কয়েক রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করা হয়। বুধবারও কুপওয়ারাতে ২ লস্কর জঙ্গিকে নিকেশ করে ভারতীয় সেনা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • S Jaishankar: হ্যান্ডশেক নয়, দূর থেকে নমস্কার! বিলাওয়াল ভুট্টোর সামনেই সন্ত্রাস নিয়ে কড়া বার্তা জয়শঙ্করের

    S Jaishankar: হ্যান্ডশেক নয়, দূর থেকে নমস্কার! বিলাওয়াল ভুট্টোর সামনেই সন্ত্রাস নিয়ে কড়া বার্তা জয়শঙ্করের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত (India) হাসিমুখে একদিকে যেমন অতিথি আপ্যায়ন করতে জানে, তেমন ভাবেই কঠোর চোয়ালে মুখের ওপর জবাব দিতে জানে। গোয়ায় এসে এই কথাটা হয়ত ভালো ভাবেই টের পেলেন বিলাওয়াল ভুট্টো (Bilawal Bhutto Zardari)। পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রীর (Pakistan Foreign Minister) সামনেই সীমান্তপার সন্ত্রাস ইস্যুতে নাম না করে পাকিস্তানকে (Pakistan) কড়া কথা শুনিয়ে দিলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)।

    গোয়ায় দুদিনের সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন বা সংক্ষেপে এসসিও (SCO Meet) গোষ্ঠীভুক্ত দেশগুলির বিদেশমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক চলছে। এই বৈঠকে যোগ দিতে সদস্য দেশের বিদেশমন্ত্রীরা গতকালই গোয়ায় উপস্থিত হয়েছেন। গতকালই ভারতে এসেছেন পাক বিদেশমন্ত্রী বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারি, যিনি বেনজির ভুট্টোর ছেলে ও জুলফিকার আলি ভুট্টোর নাতিও বটে। প্রায় এক যুগ পর ভারতে এসেছেন কোনও পাক বিদেশমন্ত্রীও। ভারতীয় ঐতিহ্য অনুযায়ী ‘নমস্তে’ বলে বিলাওয়ালকে অভিবাদন জানান জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। পাল্টা প্রতি-নমস্কার করেন বিলাবলও।

    আজ এই বৈঠকের দ্বিতীয় তথা শেষ দিন। এদিন বক্তব্য পেশ করতে গিয়ে পাক বিদেশমন্ত্রীর উপস্থিতিতেই সন্ত্রাসবাদ নিয়ে কড়া বার্তা দিলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। সন্ত্রাসবাদের তীব্র বিরোধিতা করে ভারতের বিদেশমন্ত্রী জানান, সন্ত্রাস যেকোনও উপায়ে বন্ধ করতে হবে। জয়শঙ্কর বলেন, ‘‘সীমান্ত সন্ত্রাস একটি বড় সমস্যা। একে যে কোনও পদ্ধতিতে বন্ধ করা উচিত।’’ তিনি বলেন, ‘‘গোটা বিশ্ব যখন কোভিড এবং এর প্রভাব মোকাবিলায় ব্যস্ত ছিল, তখনও সন্ত্রাসবাদের হুমকি নিরবচ্ছিন্নভাবে অব্যাহত রয়েছে। এই হুমকি থেকে আমাদের চোখ সরিয়ে নেওয়া আমাদের নিরাপত্তার স্বার্থের জন্য ক্ষতিকর হবে।’’

    আরও পড়ুন: লাদেনের সঙ্গে তুলনা করেছিলেন মোদিকে, ভারত সফরে এলেন সেই বিলাওয়াল

    জয়শঙ্কর (S Jaishankar) আরও বলেন, ‘‘আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি সন্ত্রাসবাদের কোনও যৌক্তিকতা থাকতে পারে না। আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাসবাদ সহ সব ধরনের বিবাদই বন্ধ করা উচিত। সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপে আর্থিক অনুদান জোগানোর চ্যানলগুলিকেও বন্ধ করতে হবে। সদস্যদের মনে করিয়ে দিতে হবে না যে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করা এসসিও-র মূল নির্দেশগুলির মধ্যে একটি।’’ 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Badrinath Yatra: চোখের সামনে ভেঙে পড়ল পাহাড়! বদ্রীনাথের রাস্তায় বড় ধস, বন্ধ যাত্রা

    Badrinath Yatra: চোখের সামনে ভেঙে পড়ল পাহাড়! বদ্রীনাথের রাস্তায় বড় ধস, বন্ধ যাত্রা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুরুর কয়েক দিনের মধ্যেই প্রবল তুষারপাতের কারণে ব্যাহত হচ্ছে কেদারনাথ যাত্রা। এবার বাধার সম্মুখীন হল বদ্রীনাথ যাত্রাও। প্রবল ধসের কারণে, রাস্তা অবরুদ্ধ হয়ে পড়ায় সাময়িক বন্ধ রাখা হয়েছে বদ্রীনাথ যাত্রা (Badrinath Yatra)। 

    বদ্রীনাথ যাওয়ার পথে জোশীমঠের (Joshimath) কাছে হেলং উপত্যকায় ভয়াবহ ভূমিধসের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে বদ্রীনাথ থেকে ৪৫ কিলোমিটার দূরে হেলং উপত্যকায় পাহাড়ের বিশাল অংশ হুমড়মুড়িয়ে রাস্তার উপর নেমে আসে। বদ্রীনাথ  (Badrinath Yatra) হাইওয়েতে পাহাড় ধসের ভয়ঙ্কর ভিডিও সামনে এসেছে। তাতে দেখা যাচ্ছে, পাহাড়ের একটা অংশ ভেঙে পড়ে গোটা রাস্তা অবরুদ্ধ করে দিচ্ছে। 

    আরও পড়ুন: খুলে গেল বদ্রীনাথ মন্দিরের দরজাও, শুরু চার ধাম যাত্রা

    ধসের ভয়ঙ্কর ভিডিও

    ভিডিওতে পাথর পড়ার ভিডিওটি দেখলে শিউরে উঠতে হবে। ধস ও তারপর লোকজন এদিক-ওদিক ছুটে পালাচ্ছেন। পাহাড় ধসে পড়ার এই ভয়াবহ দৃশ্য দেখে মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পড়ছেন। ধসের কাছে যাত্রীবাহী বাস ও গাড়িও রয়েছে। যদিও যানবাহন ও যাত্রীদের কোনও ক্ষতি হয়নি বলে জানা গিয়েছে। অনেকে বলছেন, কপালজোরে রক্ষা পেয়েছেন পুণ্যার্থীরা (Badrinath Yatra)। যেভাবে পাহাড় ভেঙেছে তাতে বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারত। হাজার হাজার তীর্থযাত্রী ওই রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলেন।

    এই ভূমিধসের কারণে গৌচর, কর্ণপ্রয়াগ এবং লঙ্গাসুতেই পুণ্যার্থীদের আটকে দেয় পুলিশ এবং প্রশাসন। তাঁদের জানানো হয়, রাস্তা পরিষ্কার হলেই বদ্রীনাথের (Badrinath Yatra) উদ্দেশে রওনা হওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে। কর্ণপ্রয়াগের আধিকারিক অমিত কুমার বলেন, “হেলাং-এর বদ্রীনাথ রাস্তা খোলার পর যাত্রীদের যেতে দেওয়া হবে। ট্রাফিক নিরাপত্তার বিষয়ে পুলিশের সতর্কতা রয়েছে, পুলিশ এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।”

    যাত্রা ব্যাহত কেদারনাথেও

    গত ২৫ এপ্রিল কেদারনাথ (Kedarnath Yatra) ধামের দরজা খুলে দেওয়া হয়েছিল পুণ্যার্থীদের জন্য। বদ্রীনাথ ধামের দরজা খোলা হয় ২৭ এপ্রিল। অন্য দিকে, ২২ এপ্রিল পুণ্যার্থীদের জন্য গঙ্গোত্রী-যমুনেত্রী ধামের দরজা খোলা হয়। প্রথম থেকেই প্রাকৃতিক বাধার সম্মুখীন হচ্ছেন পুণ্যার্থীরা। টানা বৃষ্টি ও তুষারপাতের কারণে, কেদারনাথ ধামে পৌঁছতে প্রচণ্ড বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছেন তীর্থযাত্রীরা। নতুন করে রেজিস্ট্রেশনও বন্ধ করা হয়েছে। যদিও, আবহাওয়া দফতরের তরফে আগেই কেদারনাথ এবং বদ্রীনাথে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছিল। সেই আশঙ্কাকে সত্যি করেই বৃহস্পতিবার বদ্রীনাথ (Badrinath Yatra) হাইওয়েতে ভয়ানক ভূমিধস নামে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Manipur Clash: আক্রান্ত বিজেপি বিধায়ক! অবস্থা সঙ্কটজনক, ‘‘পরিস্থিতি অনেকটাই শান্ত’’, বলছে সেনা

    Manipur Clash: আক্রান্ত বিজেপি বিধায়ক! অবস্থা সঙ্কটজনক, ‘‘পরিস্থিতি অনেকটাই শান্ত’’, বলছে সেনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জনজাতি সংঘর্ষে জ্বলছে মণিপুর (Manipur Clash)। পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রশাসন একাধিক কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। একদিকে যেমন দেখামাত্র গুলির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তেমনই সংঘাতপূর্ণ এলাকায় শান্তি বজায় রাখতে সামরিক বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। পরিস্থিতির ওপর প্রতিনিয়ত নজর রাখছে নয়াদিল্লিও। ধীরে ধীরে পরিস্থিতি স্বাভাবিকের দিকে এগোচ্ছে বলে জানিয়েছে সেনা। যদিও, এর মধ্যেই বৃহস্পতিবার আক্রান্ত হন মণিপুরের এক বিজেপি (BJP) বিধায়ক। 

    সঙ্কটজনক আক্রান্ত বিজেপি বিধায়ক

    জানা গিয়েছে, রাজ্যের অশান্তি (Manipur Clash) নিয়েই ইম্ফলে মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিংয়ের সঙ্গে বৈঠক সেরে বাড়ি ফিরছিলেন মণিপুরের ফেরজাওয়াল জেলার থানলনের তিনবারের বিধায়ক ভুংজাগিন ভালতে (Vungzagin Valte)। সেই সময় তাঁর গাড়ির ওপর হামলা চালায় একদল বিক্ষোভকারী। বাড়ি ফেরার পথে হঠাৎ বেশ কিছু ক্ষিপ্ত জনতা বিধায়কের গাড়ি ঘিরে ধরে। গাড়ি লক্ষ্য করে ঢিল-পাথর ছোড়া হয়। সেই সময় গাড়ির ভিতরে ছিলেন বিধায়ক ভুংজাগিন ভালতে, তাঁর ব্যক্তিগত সচিব ও গাড়ির চালক। হামলার পরই বিধায়কের ব্যক্তিগত সচিব পালিয়ে যান। 

    জানা যায়, ক্ষুব্ধ জনতার হাতে ধরা পড়ে যান ওই বিধায়ক ও তাঁর গাড়ির চালক। দুজনকেই বেধড়ক মারধর করা হয়। পরে পুলিশ গিয়ে ঘটনাস্থল (Manipur Clash) থেকে বিধায়ককে উদ্ধার করে এবং বিধায়ককে ইম্ফলের রিজিওনাল ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্সে ভর্তি করানো হয়। বর্তমানে তাঁর অবস্থা অতি সঙ্কটজনক বলে জানা গিয়েছে। আইসিইউ-তে চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে রয়েছেন তিনি। উল্লেখ্য, কুকি সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত ভুংজাগিন ভালতে। তিনি গত বারের বিজেপি সরকারের আদিবাসী ও পর্বত মন্ত্রী ছিলেন।

    জ্বলছে মণিপুর

    মণিপুরে সংঘাতের (Manipur Clash) সূত্রপাত বুধবার থেকে। গত মাসে সেখানকার হাইকোর্ট সরকারের উদ্দেশে নির্দেশ দেয়, মৈতেই সম্প্রদায়কে তফশিলি তালিকাভুক্ত করা যায় কি না তা বিবেচনা করতে। তাকে ঘিরে ক্রমশ মৈতেই ও কুকি সম্প্রদায়ের মধ্যে সংঘাতের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছিল। এরই মধ্যে, মৈতেই সম্প্রদায়কে তফশিলি উপজাতির অন্তর্ভুক্ত করার দাবিতে বুধবার একটি মিছিল বের করা হয়েছিল। বুধবার এই সংহতি মিছিলকে ঘিরেই অশান্তি বাধে।

    আরও পড়ুন: জ্বলছে মণিপুর, জারি কারফিউ, অশান্তির কারণ কী জানেন?

    জারি কারফিউ, দেখা মাত্র গুলির নির্দেশ

    পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে, বৃহস্পতিবার বিকালে রাজ্যপালের অনুমতিক্রমে মণিপুরের বিজেপি সরকার দেখা মাত্রই গুলি অর্থাৎ ‘শ্যুট অ্যাট সাইট অর্ডার’, অর্থাৎ দেখামাত্র গুলি করার নির্দেশ জারি করে। বুধবার বিকেলেই অধিকাংশ জেলায় কারফিউ জারি করেছিল প্রশাসন। কিছু জায়গায় মোবাইল পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়। ইন্টারনেট বন্ধ করা হয়েছিল আগেই। সংঘর্ষ (Manipur Clash) শুরু হওয়ার পরপরই বিষ্ণুপুর ও চুরাচাঁদপুর জেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় সামরিক ও আধাসামরিক বাহিনী মোতায়েন করা হয়। 

    হিংসার মূল চক্রী মায়ানমারের অনুপ্রবেশকারীরা?

    মণিপুর পুলিশের দাবি, মায়ানমার থেকে যে অনুপ্রবেশকারীরা উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যে ঢুকে পড়েছিল, তারাই সমস্ত হিংসার (Manipur Clash) মূল চক্রী। পরিস্থিতি এতটাই খারাপ হয় যে গত বুধবার থেকে টানা পাঁচদিন চুড়াচাঁদপুর এবং বিষ্ণুপুর জেলায় ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসন। ওই দিন থেকেই নতুন করে উত্তাপ ছড়ায় মণিপুরের একাংশে।

    ব্যাহত রেল পরিষেবা

    মণিপুরে (Manipur Clash) আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির কারণে সমস্ত মণিপুরগামী ট্রেন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলওয়ের সিপিআরও সব্যসাচী দে জানিয়েছেন, পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত কোনও ট্রেন মণিপুরে প্রবেশ করছে না৷ মণিপুর সরকার ট্রেন চলাচল বন্ধ করার পরামর্শ দেওয়ার পরে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    মোকাবিলায় তৎপর সেনা-বায়ুসেনা

    তবে এরই মধ্যে, ভারতীয় সেনার (Indian Army) তরফে জানানো হয়েছে যে, পরিস্থিতি (Manipur Clash) এখন অনেকটাই স্বাভাবিকের দিকে এগোচ্ছে। মোরে এবং কাংগোপি এলাকা এখন অনেকটাই শান্ত, স্থিতিশীল। ইম্ফল এবং চূড়াচাঁদপুর এলাকার অবস্থাও ভাল করার জন্য সব রকম চেষ্টা চলছে। তবে পরিস্থিতি শান্তির দিকে মুখ ঘোরালেও সেনা এখনই সরছে না সে রাজ্য থেকে, বরং আগাম সতর্কতা হিসেবে মোতায়েন হতে চলেছে আরও কিছু বাহিনী। পড়শি রাজ্য নাগাল্যান্ড থেকেও আনা হয়েছে সেনা। চুরাচাঁদপুর সহ বিভিন্ন সংবেদনশীল এলাকায় ফ্ল্যাগ-মার্চ করছে সেনা। স্থলসেনার পাশাপাশি, মণিপুরে তৎপর বায়ুসেনাও। গতকাল সেনা জওয়ানদের নিয়ে গুয়াহাটি এবং তেজপুর থেকে সি-১৭ গ্লোবমাস্টার ও এএন-৩২ বিমান মণিপুরে পৌঁছয়। পাশাপাশি, সাধারণ নাগরিকদের হিংসা-কবলিত এলাকা থেকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থাও করছে বায়ুসেনা।

    প্রশাসনের মাথাব্যথা ভুয়ো ভিডিও!

    সংঘর্ষের (Manipur Clash) আবহে প্রশাসনের মাথাব্যথা বাড়াচ্ছে ভুয়ো ভিডিও (Fake video)। বৃহস্পতিবার ভারতীয় সেনাবাহিনীর তরফে এই নিয়ে বিশেষ সতর্কবার্তা জারি করা হয়। জানানো হয়, ‘শত্রুভাবাপন্ন একাংশের তরফে’ এই ধরনের ভুয়ো ভিডিও ভেবেচিন্তে ছড়ানো হচ্ছে। ‘অসম রাইফেলস’-র উপর হামলা-সহ একাধিক এমন ভিডিও রয়েছে সেই তালিকায়। ভারতীয় সেনার তরফে মণিপুরের বাসিন্দাদের কাছে আর্জি জানানো হয়, একমাত্র সরকারি এবং নির্ভরযোগ্য জায়গা থেকে পাওয়া তথ্য এবং ভিডিওতেই তাঁরা যেন বিশ্বাস করেন।

    কেন্দ্রকে সাহায্যের আর্জি মেরি কমের

    পরিস্থিতির (Manipur Clash) দিকে কড়া নজর রয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের। এর মধ্যেই অনলাইনে দু’টি বৈঠক করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিংয়ের সঙ্গে কথা হয়েছে তাঁর। এমনকী পড়শি রাজ্যগুলির মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গেও একপ্রস্ত কথাবার্তা সেরে রেখেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। রাজ্যের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অলিম্পিক পদকজয়ী বক্সার মেরি কম (Mary Kom)। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi), স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংকে (Rajnath Singh) ট্যাগ করে ট্যুইট করেছেন তিনি। আবেদন জানিয়ে বলেছেন, ‘‘আমার রাজ্য জ্বলছে। দয়া করে সাহায্য করুন।’’ 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • DRDO: ‘হানিট্র্যাপ’-এর শিকার! গোপন নথি পাকিস্তানে পাঠানোর অভিযোগে পুনেতে গ্রেফতার ডিআরডিও-র বিজ্ঞানী

    DRDO: ‘হানিট্র্যাপ’-এর শিকার! গোপন নথি পাকিস্তানে পাঠানোর অভিযোগে পুনেতে গ্রেফতার ডিআরডিও-র বিজ্ঞানী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের গোপন প্রতিরক্ষা বিষয়ক নথি পাকিস্তানে পাঠানোর অভিযোগে পুনেতে গ্রেফতার করা হল ভারতীয় প্রতিরক্ষা গবেষণা এবং উন্নয়ন সংস্থা (DRDO)-র এক বিজ্ঞানীকে। মহারাষ্ট্রের জঙ্গি দমন শাখা এটিএস ওই বিজ্ঞানীকে গ্রেফতার করেছে।

    কী করতেন ধৃত বিজ্ঞানী?

    এটিএস আধিকারিকরা জানিয়েছেন, ভারতে বসে পাকিস্তানের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তি করছিলেন ধৃত বিজ্ঞানী। পুনেতে অবস্থিত ডিআরডিও-র (DRDO) এক কেন্দ্রে কাজ করতেন তিনি। একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরক্ষা বিষয়ক নথি হাতবদল করে পাকিস্তানে পাঠানোর অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। এটিএস জানিয়েছে, হোয়াটসঅ্যাপ, ভয়েস কল, ভিডিয়ো কল এবং সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা, আইএসআই-এর অপারেটিভদের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ ছিল।

    ধৃত বিজ্ঞানী ‘হানিট্র্যাপ’-এর শিকার

    মহারাষ্ট্র পুলিশের সন্ত্রাসবিরোধী দলের তরফে জানানো হয়েছে, ওই বিজ্ঞানীকে ‘হানিট্র্যাপ’ করা হয়েছিল। প্রেমের ছলনায় ফাঁসিয়ে তাঁর থেকে গোপন তথ্য আদায় করা হচ্ছিল। মহারাষ্ট্র পুলিশের অ্যান্টি-টেররিজম স্কোয়াডের মুম্বই শাখার পক্ষ থেকে, ১৯২৩ সালের অফিসিয়াল সিক্রেট অ্যাক্ট এবং ভারতীয় দণ্ডবিধির অন্যান্য প্রাসঙ্গিক ধারার অধীনে অভিযুক্ত বিজ্ঞানীর বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগ, গত বুধবারও তিনি পিআইও-র এক এজেন্টের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। এর পরই বিষয়টি এটিএসের নজরে এলে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। 

    দায়িত্বশীল পদে ছিলেন ওই বিজ্ঞানী 

    তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, অভিযুক্ত ব্যক্তি ডিআরডিও-র এক দায়িত্বশীল পদে ছিলেন। ডিআরডিও-র ওই আধিকারিক তাঁর সেই পদের অপব্যবহার করেছেন। অনেক গোপন নথি সম্পর্কে জানতেন তিনি। আশঙ্কা করা হচ্ছে, ডিআরডিও আধিকারিক তাঁর পদের অপব্যবহার করার কারণে সংবেদনশীল সরকারি নথি পাকিস্তানের হাতে চলে যেতে পারে, যা পরবর্তীকালে দেশের জন্য বিপদ ডেকে আনতে পারে।

    আরও পড়ুন: ঘূর্ণিঝড় ‘মোকা’র মোকাবিলায় হল বৈঠক, প্রস্তুত থাকার নির্দেশ বিভিন্ন দফতরকে

    এটিএস-এর বিবৃতি অনুযায়ী, তাঁর কাছে যে সব তথ্য ছিল, তা শত্রু পক্ষের হাতে গেলে যে দেশের নিরাপত্তাজনিত সমস্যা তৈরি হতে পারে, সেই বিষয়ে সম্মক ধারণা ছিল ওই বিজ্ঞানীর। তারপরও, তিনি আইএসআই-কে সেই সব তথ্য দিয়েছেন। মুম্বইয়ের কালাচৌকি এটিএস পুলিশ স্টেশনে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে একাধিক ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। এক এটিএস আধিকারিক জানিয়েছেন, পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখতে ইতিমধ্যেই বিস্তারিত তদন্ত শুরু হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • SCO Summit: এসসিও সম্মেলনে চিন, রাশিয়ার বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক জয়শঙ্করের

    SCO Summit: এসসিও সম্মেলনে চিন, রাশিয়ার বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক জয়শঙ্করের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গোয়ায় চলছে দু দিন ব্যাপী সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের (SCO Summit) বিদেশমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক। এই বৈঠকের ফাঁকেই বৃহস্পতিবার রাশিয়ার বিদেশমন্ত্রী সের্গেই লাভরভের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। এদিনের বৈঠকে দুই দেশের সম্পর্ক নিয়েও আলোচনা হয়েছে।

    সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন (SCO Summit)…

    জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে উজবেকিস্তানের বিদেশমন্ত্রী বাখতিওর সাইদভেরও। বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুই দেশের সহযোগিতার বিভিন্ন দিক নিয়েও আলোচনা হয় এই দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে। প্রসঙ্গত, সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের সভাপতির দায়িত্ব চলতি বছর ভারতের হাতে তুলে দেওয়ার জন্য নয়াদিল্লির হয়ে সওয়াল করেছিল উজবেকিস্তান।

    জয়শঙ্করের (SCO Summit) সঙ্গে এদিন দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হয়েছে চিনা বিদেশমন্ত্রী কুইন গ্যাংয়েরও। অমীমাংসিত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে ওই বৈঠকে। দুই দেশই সীমান্তে শান্তি এবং স্থিতাবস্থার পক্ষে একমত হয়েছে। প্রসঙ্গত, দিন কয়েক আগে জি-২০ সদস্যভুক্ত দেশগুলির প্রতিরক্ষামন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক হয় দিল্লিতে। ওই সময় চিনা প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহ। বৈঠকে সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন রাজনাথ। সেবারও সীমান্তে স্থিতিশীলতা বজায় রাখার ওপর জোর দিয়েছিলেন ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী।

    আরও পড়ুুন: জ্বলছে মণিপুর, জারি কারফিউ, অশান্তির কারণ কী জানেন?

    বিভিন্ন দেশের বিদেশমন্ত্রীদের নিয়ে ভারতের বিদেশমন্ত্রীর (SCO Summit) দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হলেও, পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে জয়শঙ্করের ওই বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় নেই বললেই চলে। ভারতে জঙ্গি অনুপ্রবেশই পাক বিদেশমন্ত্রী বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারির সঙ্গে জয়শঙ্করের আলোচনার পথে কাঁটা হয়ে দাঁড়াচ্ছে বলে সরকারি সূত্রে খবর।

    সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের বৈঠক হচ্ছে গোয়ায়। এই সাংহাই কো-অপারেশনের পূর্ণাঙ্গ সদস্য আট দেশ। এই দেশগুলি হল, ভারত, চিন, রাশিয়া, পাকিস্তান, কাজাখস্তান, কিরঘিজস্তান, তাজিকিস্তান এবং উজবেকিস্তান। পর্যবেক্ষক হিসেবে রয়েছে আফগানিস্তান, বেলারুশ, ইরান এবং মঙ্গোলিয়া। ডায়লগ পার্টনার হিসেবে রয়েছে মিশর, কাতার, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, তুরস্ক, কম্বোডিয়া, আর্মেনিয়া, আজারবাইজান এবং সৌদি আরব, এই ৯টি দেশ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Manipur Violence: জ্বলছে মণিপুর! দেখা মাত্র গুলির নির্দেশ, অশান্তির কারণ ঠিক কী?

    Manipur Violence: জ্বলছে মণিপুর! দেখা মাত্র গুলির নির্দেশ, অশান্তির কারণ ঠিক কী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিংসায় জ্বলছে মণিপুর (Manipur Violence)। দেখা মাত্র গুলির নির্দেশ। শর্তসাপেক্ষে এই নির্দেশ জারি করেছেন মণিপুরের রাজ্যপাল। সমস্ত জেলাশাসক, সাব ডিভিশনাল ম্যাজিস্ট্রেট, এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, স্পেশাল এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটকে এই নোটিশ ইস্যু করার জন্য অনুমোদন করা হয়েছে। রাজ্যে শান্তি ফিরিয়ে আনতেই এই পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ঘোষণা করলেন রাজ্যপাল। ইম্ফল উপত্যকায় মৈতেই (Meitei) জনজাতির তরফে দাবি তোলা হয়েছে, তাদের তফশিলি উপজাতির তকমা দিতে হবে। যদিও মৈতেইদের এই দাবি মানতে পারছেন না স্থানীয় কুকি সম্প্রদায়ের আদিবাসীরা। তা থেকেই বিরোধের সূত্রপাত। তার জেরে ক্রমেই ছড়াচ্ছে হিংসা।

    মণিপুরে হিংসার (Manipur Violence) কারণ…

    মণিপুরে এথনিক গোষ্ঠী মৈতেই। আর কুকি হল অন্যতম একটি বৃহত্তম উপজাতি। বুধবারের হিংসা নিয়ন্ত্রণে আনতে মণিপুরের বিভিন্ন জেলায় মোতায়েন করা হয়েছে সেনা এবং অসম রাইফেল পার্সোনাল। হিংসায় (Manipur Violence) রাশ টানতে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ইন্টারনেট পরিষেবা। বিভিন্ন জেলায় জারি করা হয়েছে কারফিউ। মণিপুরে ১৬টি জেলা রয়েছে। ইম্ফল উপত্যকায় মৈতেইরা সংখ্যা গরিষ্ঠ। এঁরা হিন্দু। উপত্যকার পাঁচটি জেলায়ই এঁদের আধিপত্য রয়েছে। যদিও পাহাড়ি জেলাগুলিতে নাগা এবং কুকি উপজাতিদের আধিপত্য।এই কুকি এবং নাগারা হলেন খ্রিস্টান। পাহাড়ের চার জেলায় কুকিরা সংখ্যাগরিষ্ঠ। মণিপুরের মোট জনসংখ্যার ৫৩ শতাংশ মৈতেই। যদিও গোটা রাজ্যের মাত্র ১০ শতাংশ এলাকায় বাস তাদের। উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যে ৩৫টি উপজাতি সম্প্রদায়ের বাস। এদের সিংহভাগই নাগা ও কুকি সম্প্রদায়ের। রাজ্যের ১০ শতাংশ এলাকা বাদে বাকি অংশে বাস করেন এই ৩৫টি উপজাতি সম্প্রদায়ের মানুষ।

    আরও পড়ুুন: লাদেনের সঙ্গে তুলনা করেছিলেন মোদিকে, ভারত সফরে এলেন সেই বিলাওয়াল

    অল মণিপুর ট্রাইবাল ইউনিয়নের (Manipur Violence) সাধারণ সম্পাদক কেলভিন নেইশিয়াল বলেন, এই প্রতিবাদের নেপথ্যে প্রধান কারণ হল মৈতেইরা তফশিলি উপজাতির মর্যাদা চাইছে। তারা এগিয়ে থাকলেও কীভাবে তাদের এসটির মর্যাদা দেওয়া হবে? তিনি বলেন, ওরা যদি এসটির মর্যাদা পায়, তাহলে আমাদের সব জমি কেড়ে নেবে। কেলভিন বলেন, কুকিরা খুব গরিব। তাই তাদের নিরাপত্তা প্রয়োজন। তাদের জন্য কোনও স্কুল নেই। ঝুম চাষের ওপর জীবিকা নির্বাহ করে তারা। যদিও মৈতেইদের দাবি, এটা কোনও ইস্যুই নয়। আসল কারণটা হচ্ছে, রাজ্য সরকার যে রিজার্ভ ফরেস্ট এলাকা থেকে অনুপ্রবেশকারীদের তাড়াতে চাইছে, তাতেই ভয় পেয়েছে কুকিরা। তার জেরেই অশান্তির সূত্রপাত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bilawal Bhutto Zardari: লাদেনের সঙ্গে তুলনা করেছিলেন মোদিকে, ভারত সফরে এলেন সেই বিলাওয়াল

    Bilawal Bhutto Zardari: লাদেনের সঙ্গে তুলনা করেছিলেন মোদিকে, ভারত সফরে এলেন সেই বিলাওয়াল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেষমেশ ভারতে (India) এলেন পাকিস্তানের (Pakistan) বিদেশমন্ত্রী বিলাওয়াল ভু্ট্টো জারদারি (Bilawal Bhutto Zardari)। বৃহস্পতি ও শুক্র দু দিন ধরে গোয়ায় হচ্ছে সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের (SCO) বিদেশমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক। ওই বৈঠকে যোগ দিতেই ভারতে এসেছেন বিলাওয়াল। বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে তাঁর কথা হতে পারে বলেও সরকারি সূত্রে খবর। পুঞ্চে জঙ্গি হামলা হয়েছে দিন কয়েক আগে। শহিদ হয়েছেন ভারতের পাঁচ জওয়ান। এহেন আবহে বৃহস্পতিবার ভারতে এলেন বিলাওয়াল।

    জয়শঙ্করের আমন্ত্রণে ভারতে বিলাওয়াল ভু্ট্টো জারদারি (Bilawal Bhutto Zardari)…

    ২০১৪ সালে দিল্লির তখতে আসে নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে বিজেপি সরকার। প্রধানমন্ত্রী পদে মোদি যেদিন শপথ নেন, সেদিন ভারতে এসেছিলেন পাকিস্তানের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ। তার পর আর পাকিস্তানের কোনও শীর্ষ নেতৃত্ব ভারতে আসেননি। দীর্ঘ ৯ বছর পর এলেন বিলাওয়াল। তিনি যে ভারতে আসবেন, তা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল এপ্রিলেই। পাক বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র মুমতাজ জারাহ বালোচ জানিয়েছিলেন, জয়শঙ্করের আমন্ত্রণে সাড়া দিয়েই ভারতে যাচ্ছেন বিলাওয়াল (Bilawal Bhutto Zardari)।

    সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের বৈঠক হচ্ছে গোয়ায়। এদিন গোয়াগামী বিমানে উঠে ট্যুইট-বার্তায় বিলাওয়াল লেখেন, বৈঠকে যোগ দেওয়ার জন্য আমার সিদ্ধান্ত সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের সনদের প্রতি পাকিস্তানের দৃঢ় প্রতিশ্রুতিকে তুলে ধরেছে। মিত্র দেশগুলির সঙ্গে গঠনমূলক আলোচনায় আমি উদগ্রীব। সাংহাই কো-অপারেশনের পূর্ণাঙ্গ সদস্য আট দেশ। এই দেশগুলি হল, ভারত, চিন, রাশিয়া, পাকিস্তান, কাজাখস্তান, কিরঘিজস্তান, তাজিকিস্তান এবং উজবেকিস্তান। পর্যবেক্ষক হিসেবে রয়েছে আফগানিস্তান, বেলারুশ, ইরান এবং মঙ্গোলিয়া। ডায়লগ পার্টনার হিসেবে রয়েছে মিশর, কাতার, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, তুরস্ক, কম্বোডিয়া, আর্মেনিয়া, আজারবাইজান এবং সৌদি আরব, এই ৯টি দেশ।

    আরও পড়ুুন: “পুলিশের নেতৃত্বেই খুন”! ময়নায় বিস্ফোরক জাতীয় এসসি কমিশনের ভাইস চেয়ারম্যান

    বিলাওয়াল (Bilawal Bhutto Zardari) সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনে যোগ দেবেন বলে পাকিস্তান জানালেও, রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের অনেকেই ভেবেছিলেন তিনি শেষমেশ ভারতে আসবেন না। কারণ ডিসেম্বরে রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে বিলাওয়াল বলেছিলেন, ওসামা বিন লাদেন নিহত হয়েছেন। কিন্তু গুজরাটের কসাই এখনও জীবিত। তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এর পরেই ভারত-পাক সম্পর্ক আরও তলানিতে গিয়ে ঠেকে। সম্প্রতি পুঞ্চে ভারতীয় সেনা বাহিনীর টহলদারি ভ্যানে হামলা চালায় জঙ্গিরা। তাতে নিহত হন পাঁচ জওয়ান। ওই ঘটনায়ও সন্দেহের তির পাকিস্তানের দিকেই। এহেন পরিস্থিতিতে ভারতে এলেন বিলাওয়াল (Bilawal Bhutto Zardari)। তবে তাঁর এই ভারত সফরে খুব একটা লাভ হবে না-ই বলেই মনে করছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা। কারণ, পাকিস্তানের যাবতীয় সিদ্ধান্তই নেয় সেনাবাহিনী।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Wrestlers Protest: ‘‘এ জন্যই কি দেশের হয়ে পদক জিতলাম’’! মধ্যরাতে যন্তর মন্তরে পুলিশ-কুস্তিগির খণ্ডযুদ্ধ

    Wrestlers Protest: ‘‘এ জন্যই কি দেশের হয়ে পদক জিতলাম’’! মধ্যরাতে যন্তর মন্তরে পুলিশ-কুস্তিগির খণ্ডযুদ্ধ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আন্দোলনরত কুস্তিগিরদের (Wrestlers) সঙ্গে সংঘর্ষে জড়াল দিল্লি পুলিশ (Delhi Police)। বুধবার মধ্য রাতে যন্তর মন্তরে (Jantar Mantar) হঠাৎ পুলিশ এবং বিক্ষোভকারীদের মধ্যে শুরু হয় কথা কাটাকাটি। শেষ পর্যন্ত তা হাতাহাতিতে পৌঁছয়। বিক্ষোভকারী কুস্তিগিরদের অভিযোগ, দিল্লি পুলিশের একটি দল মত্ত অবস্থায় বুধবার সন্ধ্যা থেকেই তাঁদের সঙ্গে অভব্য আচরণ করতে শুরু করেন। মহিলা কুস্তিগিরদের কটু ভাষায় আক্রমণ, মারধরও করা হয় বলে অভিযোগ। বেশ কয়েকজন কুস্তিগিরের মাথায় আঘাত করা হয়, একজন সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়ে যান। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। দুইজনের চোট গুরুতর বলেও জানা গিয়েছে।

    যন্তর মন্তরে ধুন্ধুমার 

    ভারতীয় কুস্তি সংস্থার সভাপতি ব্রিজভূষণ শরণ সিং-এর গ্রেফতারি চেয়ে দিল্লির যন্তর মন্তরে চলছে কুস্তিগিরদের আন্দোলন। কুস্তিগির বিনেশ ফোগট  বলেন, “সারা দিন বৃষ্টি হওয়ার ফলে মাটি ভিজে থাকায় আমরা বিক্ষোভস্থলে খাট পাতার চেষ্টা করছিলাম। তখনই পুলিশ আমাদের উপর হামলা করে। একজনও মহিলা পুলিশকর্মী ছিলেন না। এই সময় ধাক্কাধাক্কিতে কেউ কেউ মাথাতেও আঘাত পান।” ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় পুলিশের সঙ্গে কুস্তিগিরদের বচসা, ধস্তাধস্তির ছবি ও ভিডিয়ো ভাইরাল হয়েছে। রাহুল রাও নামক এক কুস্তিগিরকে আহত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে যেতেও দেখা যায়। 

    কান্নায় ভেঙে পড়লেন বীনেশ

    মধ্যরাতের সাংবাদিক বৈঠকে বীনেশ ফোগট বলেন, “ওই পুলিশ কর্মী সবাইকে ধাক্কা দিচ্ছিলেন। আমরা কেউ অপরাধী নই যে আমাদের সঙ্গে এই ধরনের ব্যবহার করা হচ্ছে”। ঘটনাস্থলে মহিলা পুলিশকর্মীর অনুপস্থিতি নিয়েও প্রশ্ন তোলেন বীনেশ। তিনি বলেন, “পুলিশকর্মীরা আমায় গালমন্দ করে এবং ধাক্কা দেয়। মহিলা পুলিশকর্মীরা কোথায় ছিল তখন? এই দিনটি দেখার জন্যই কি আমরা দেশের হয়ে এত পদক জিতলাম?” এর পরেই কান্নায় ভেঙে পড়েন বীনেশ। কুস্তিগির বজরং পুনিয়া বলেন, “সারা দেশের মানুষের আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানো উচিত। দিল্লি পুলিশ ব্রিজভূষণের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ না করে আমাদের উপর বলপ্রয়োগ করছে।” 

    আরও পড়ুন: কালীঘাটের পটচিত্র কিনেছিলেন পাবলো পিকাসো! বাংলার এই লোকশিল্প হারিয়ে যাচ্ছে কেন?

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে চিঠি 

    বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে চারটি পদক জেতা বজরং বলেন, “আমি সরকারকে অনুরোধ করব যেন আমার সব পদক ফিরিয়ে নেওয়া হয়।” এ প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে চিঠি লিখেছেন বলেও জানান বজরং পুনিয়া। তিনি জানান, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সামনে চারটি দাবি রেখেছেন। তাঁদের দাবি, কুস্তিগিরদের উপর হামলাকারী পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে, জলরোধী তাঁবু স্থাপনের অনুমতিও দিতে হবে।

    আটক সোমনাথ ভারতী 

    পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, সোমনাথ ভারতী নামক আম আদমি পার্টির বিধায়ককে আটক করা হয়েছে। তিনিই প্রথম বিনা অনুমতিতে বিক্ষোভস্থলে ফোল্ডিং খাট এনে পাতার চেষ্টা করেছিলেন। ঘটনাস্থলে পৌঁছেই তাঁরা পুলিশের ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করেন। সোমনাথ এবং তাঁর লোকেদের সমর্থন জোগান বিক্ষোভরত কুস্তিগিরেরা। পুলিশ যথাসময়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে অনভিপ্রেত ঘটনা রুখতে সক্ষম হয়েছে। ঘটনার পর দিল্লি পুলিশ যন্তর মন্তর এলাকা সিল করে দিয়েছে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share