Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • African Cheetah:  গত একমাসে দ্বিতীয়বার! কুনোতে ফের মৃত্যু চিতার, কারণ জানালেন চিকিৎসকরা

    African Cheetah: গত একমাসে দ্বিতীয়বার! কুনোতে ফের মৃত্যু চিতার, কারণ জানালেন চিকিৎসকরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাত্র ৬ বছর বয়সেই চলে গেল কুনো জাতীয় উদ্যানের চিতা উদয়। চিকিৎসকরা বলছেন, এক মারাত্মক অসুখ বাসা বেঁধেছিল আফ্রিকার নামিবিয়া (African Cheetah) থেকে ভারতে নিয়ে আসা চিতাটির শরীরে। গত এক মাসে পরপর দুই চিতার মৃত্যু ভাবিয়ে তুলেছে বন দফতরকে। ইতিমধ্যে চিতা উদয়ের ময়নাতদন্ত ও নেক্রোপসির রিপোর্ট সামনে এসেছে যা রীতিমতো চিন্তা বাড়িয়েছে বনকর্মীদের।

    কী জানাচ্ছেন চিকিৎসকরা?

    উদয়ের মৃত্যুর কারণ অনুসন্ধান করতে তৈরি করা হয়েছিল ৫ সদস্যের চিকিৎসকের দল। তাঁরা জানাচ্ছেন, কুনোর এই দ্বিতীয় চিতার মৃত্যুর কারণ, কার্ডিয়ো পালমোনারি ফেলিওর। প্রধান বন্যপ্রাণ সংরক্ষক জেএস চৌহান বলেছেন, ‘পশু চিকিৎসকেরা চিতাটির (African Cheetah) মৃতদেহের ময়নাতদন্ত করে দেখেছেন। প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে, মৃত্যুর কারণ কার্ডিয়ো পালমোনারি ফেলিওর। কিন্তু এই কার্ডিয়াক ফেলিওরের কারণ কী? সেই রিপোর্টও হাতে পেয়েছেন বন আধিকারিকরা।

    পশু চিকিৎসকরা বলছেন, চিতা (African Cheetah) উদয় মারাত্মক বটুলিজম অসুখে ভুগছিল। একধরনের স্নায়ুর রোগ যা ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণে হয়। শরীরে টক্সিন ঢোকে এবং তার থেকেই ধীরে ধীরে কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্র বিকল হতে শুরু করে। রোগটি লক্ষণ দুর্বলতা, ঝাপসা দৃষ্টি, ক্লান্তি এবং কথায় জড়তা দিয়ে শুরু হয়। এরপরে হাত, বুকের পেশী এবং পা দুর্বল হয়ে যেতে পারে। বমি বমি ভাব, পেট ফুলে যাওয়া এবং ডায়রিয়াও হতে পারে।

    চিতা উদয়ের মধ্যেও একই উপসর্গ দেখা গিয়েছিল। হাঁটাচলা করতে কষ্ট হচ্ছিল তার। প্রায় পঙ্গু হয়ে গিয়েছিল। ঝাপসা হয়েছিল দৃষ্টি। খেতেও পারছিল না উদয়। তাকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল অন্য এনক্লোজারে। সেখানেই মৃত্যু হয় তার।

    দক্ষিণ আফ্রিকার পশু চিকিৎসক কী বলছেন

    দক্ষিণ আফ্রিকার পশু চিকিৎসক আদ্রিয়ান টরডিফে বলছেন, বটুলিজম এমন এক রোগ যা ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণে হয়। এটির কারণ এন্ডোস্পোর। মাটি, জল ও খাবার থেকে শরীরে ঢুকতে পারে। অক্সিজেনের মাত্রা কম হলে বা নির্দিষ্ট কোনও তাপমাত্রায় এলে এরা বোটুলিনাম টক্সিন তৈরি করে। টক্সিনযুক্ত খাবার খেলে শরীরে ক্লোসট্রিডিয়াম বটুলিনাম ব্যাকটেরিয়ার বাড়বৃদ্ধি হয়। রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ে। পক্ষাঘাত দেখা দেয়, দুর্বল হয়ে পড়তে পারে শরীর। কার্ডিয়াক ফেলিওর হতে পারে। চিতা (African Cheetah) উদয়েরও তাই হয়েছিল বলে মনে করা হচ্ছে। কৃষিক্ষেত্রে অত্যধিক সার, কীটনাশক থেকে অথবা বিষাক্ত জল, খাবার থেকে পশুদের শরীরে এই রোগ হয়। জল থেকেও রোগ ছড়াতে পারে। চিতার শরীরে কীভাবে ব্যাকটেরিয়া ঢুকল তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi: কোচির রাস্তায় মোদি-ম্যাজিক! আজ কেরলে একগুচ্ছ প্রকল্পের উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর

    Narendra Modi: কোচির রাস্তায় মোদি-ম্যাজিক! আজ কেরলে একগুচ্ছ প্রকল্পের উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেরল না বরোদা, বোঝা দায়!প্রায় ২কিমি রাস্তা জুড়ে শুধুই মোদি ম্যাজিক। কেরলের স্টাইলে ধুতি পরে পায়ে হেঁটে কোচিতে সোমবার রোড শো করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। দুদিনের কেরল সফরে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।  ঠিক একদিন আগে তাঁর উপর আত্মঘাতী হামলার হুমকি এসেছে। কিন্তু তারপরেও অবিচল মোদি। কেরলের ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরে রাস্তায় হাঁটা শুরু করেন তিনি। চারপাশে উদ্বেলিত জনতা। তার মাঝে হাত নাড়লেন প্রধানমন্ত্রী। মঙ্গলবার তিরুবনন্তপুরম এবং কাসারগোডের মধ্যে বন্দে ভারত ট্রেন পরিষেবা এবং কোচিতে ওয়াটার মেট্রো পরিষেবার উদ্বোধন করবেন তিনি।

    মোদিকে নিয়ে উৎসাহ

    বাম শাসিত কেরলে এদিন মোদিকে (Narendra Modi) নিয়ে উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতো। গোটা রাস্তায় দুপাশে প্রচুর পুলিশ মোতায়েন করা ছিল। আগামী ২০২৪ এর ভোটের আগে এই রোড শো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন অনেকেই। প্রধানমন্ত্রী এবার কেরলে অন্তত ৩২০০ কোটি টাকার প্রকল্পের সূচনা করবেন। দক্ষিণের যে রাজ্যে বিজেপি এখনও দাঁত ফোটাতে পারেনি তা হল কেরল। সরকারি কর্মসূচিতে সেখানে গিয়ে ভবিষ্যতে রাজ্যে ক্ষমতায় আসা নিয়ে আশা প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। 

    কেরলবাসীও বদল আনবে

    কেরল নিয়ে আত্মবিশ্বাসী প্রধানমন্ত্রী (Narendra Modi) বলেছেন, গোয়া এবং উত্তর-পূর্বকে অনুসরণ করবে কেরলবাসী। এই রাজ্যেও বিজেপিকে ক্ষমতায় আনতে ভোট দেবেন সাধারণ মানুষ। উল্লেখ্য, গোয়া এবং উত্তর-পূর্বে খ্রিস্টান জনসংখ্যা অনেকটাই বেশি। কেরলে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের সংখ্যা মোট জনসংখ্যার প্রায় এক তৃতীয়াংশ। বিশ্লেষকরা বলছেন বিজেপি এখানে খ্রিস্টান ভোট বেশি করে পেতে চাইছে। এদিন কেরলের গির্জার প্রধানদের সঙ্গে আলোচনা করেন মোদি। বিভিন্ন চার্চের আটজন প্রধান প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। তাঁরা রবারের মতো পণ্যের মূল্য হ্রাসের বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। 

    আরও পড়ুুন: এবার পাকিস্তানি নাগরিকের কণ্ঠে শোনা গেল ‘মোদি হ্যায় তো মুমকিন হ্যায়’ স্লোগান

    এদিন প্রধানমন্ত্রী(Narendra Modi) বলেছেন কেন্দ্র কেরলের পরিকাঠামো উন্নয়নে প্রচুর অর্থ দিচ্ছে। যা রাজ্যে ব্যাপক কর্মসংস্থান তৈরি করবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁর দল চায় কেরলের যুবকরা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স, ডিজিটাল ইন্ডিয়া , বিজ্ঞান এবং খেলাধূলা-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে নেতৃত্ব দিক। তিনি বলেন, আয়ুর্বেদ এবং পর্যটনের মতো ক্ষেত্রে কেরলের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হবে। এব্যাপারে কেন্দ্রীয় সরকার পাশে থাকবে বলে জানিয়েছেন তিনি। মোদি বলেন, ‘আগে ভাবা হত, এই দেশে কিছুই বদলাতে পারে না। তবে এখন সবাই জেনে গিয়েছে, গোটা বিশ্বকে বদলে দিতে পারে এই দেশ।’ তিনি যুব সমাজের কাছে আহ্বান করেন যাতে ধর্ম, জাতি, ভাষার ভিত্তিতে দেশের জনগণের মধ্যে বিভাজন তৈরি করা না হয়। মোদির কথায়, ‘আমাদের দেশ অমৃতকালের দোডরগোড়ায় দাঁড়িয়ে। সবাই মিলে হাতে হাতে কাজ করতে হবে।’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kedarnath Dham: খুলে গেল কেদারনাথ ধামের দরজা, ‘হর হর মহাদেব’ ধ্বনিতে মুখরিত চত্বর

    Kedarnath Dham: খুলে গেল কেদারনাথ ধামের দরজা, ‘হর হর মহাদেব’ ধ্বনিতে মুখরিত চত্বর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেদারনাথ ধামের (Kedarnath Dham) দরজা আজ পুণ্যার্থীদের জন্য খুলে দেওয়া হল৷ পূর্বেই প্রশাসনের তরফ থেকে জানানো হয়েছিল ২৫ এপ্রিল শুরু হবে কেদারনাথ যাত্রা। সাধারণত, অক্ষয় তৃতীয়ার দিন থেকেই চারধাম যাত্রা শুরু হয়। কিন্তু চলতি বছরে গঙ্গোত্রী এবং যমুনেত্রী যাত্রা অক্ষয় তৃতীয়ার দিন শুরু হয়েছে। আজ শুরু হল কেদারনাথ যাত্রা। ২৭ এপ্রিল বদ্রীনাথ যাত্রা শুরু হবে বলে জানা গিয়েছে। ২০ কুইন্টাল ফুল দিয়ে আজ সাজানো হয়েছে কেদারনাথ ধামের শিবলিঙ্গকে।

    আরও পড়ুুন: এবার পাকিস্তানি নাগরিকের কণ্ঠে শোনা গেল ‘মোদি হ্যায় তো মুমকিন হ্যায়’ স্লোগান

    আজ সকাল ৬টা ২০ মিনিটে খোলে মন্দিরের দরজা

    এদিন সকালে ৬টা ২০ মিনিটে কেদারনাথ মন্দিরের (Kedarnath Dham) প্রধান পূজারী জগদগুরু রাওয়াল ভীম শঙ্কর লিঙ্গ শিবাচার্য মন্দিরের দ্বার খুলে দেন৷ ভক্তদের হর হর মহাদেব ধ্বনিতে মুখরিত হয় মন্দির প্রাঙ্গণ। অত্যধিক ঠান্ডা থাকলেও হাজার হাজার ভক্ত জমায়েত হয়েছিলেন। কেদারের পঞ্চমুখী চল বিগ্রহের দোলা সোমবার ধামে পৌঁছে যায়৷

    আবহাওয়া রিপোর্ট অনুযায়ী তুষারপাত হবে তীর্থযাত্রীদের পথে

    তবে আবহাওয়া রিপোর্টে এই এলাকায় আবহাওয়া বিরূপ হতে পারে বলে জানানো হয়েছে। হাওয়া অফিস, ২৯ এপ্রিল অবধি তুষারপাতের পূর্বাভাস জারি করেছে৷ রয়েছে বৃষ্টির সম্ভাবনাও৷ সেজন্য উত্তরাখণ্ড সরকার ৩০ এপ্রিল অবধি ভক্তদের নাম নথিভুক্তকরণের কাজ পিছিয়ে দিয়েছে৷ গুপ্তকাশী ও সোনপ্রয়াগের মতো জায়গায় পুণ্যার্থীদের থাকতে দেওয়া হয়েছে৷ আবহাওয়া বিরূপ থাকার সম্ভাবনা থাকায় রাজ্য সরকারের জারি করা সুরক্ষা সংক্রান্ত নির্দেশিকা পুণ্যার্থীদের মেনে চলতে বলা হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Loksabha Poll: ‘প্রধানমন্ত্রীত্ব নয়, দেশের ভালই লক্ষ্য’! অখিলেশের সঙ্গে বৈঠক শেষে দাবি নীতীশের

    Loksabha Poll: ‘প্রধানমন্ত্রীত্ব নয়, দেশের ভালই লক্ষ্য’! অখিলেশের সঙ্গে বৈঠক শেষে দাবি নীতীশের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রীত্ব নয়, দেশের জন্য ভাল করাই লক্ষ্য। সোমবার লখনউয়ে সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদবের (Akhilesh Yadav) সঙ্গে বৈঠকের পর এমনটাই জানালেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার (Nitish Kumar)। দেশের ‘গণতন্ত্র ও সংবিধান বাঁচাতে’ আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে (Loksabha Poll) যৌথভাবে কাজ করার বার্তা দিলেন অখিলেশও।

    নীতীশের বার্তা 

    তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বৈঠকের পরেই আরজেডি প্রধান লালুপ্রসাদের পুত্র তথা বিহারের উপমুখ্যমন্ত্রী তেজস্বী যাদবকে নিয়ে লখনউ-এ যান নীতীশ। আগামী লোকসভা ভোটে (Loksabha Poll) বিরোধী জোটের বার্তা নিয়ে উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদবের সঙ্গে বৈঠক করলেন তাঁরা। বৈঠকের পর নীতীশ বলেন, ‘‘আমার ক্ষমতা ও পদের কোনও লোভ নেই, দেশের মঙ্গলের জন্য কাজ করার চেষ্টা করে যাব আমি। আজ স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিতে চাই, আমি প্রধানমন্ত্রী পদের দাবিদার নই।’’ তাহলে বিরোধী জোটের মুখ কে? এই প্রশ্নের উত্তরে জেডি (ইউ) নেতা বলেন, ‘‘যে দিন আমরা এক মঞ্চে আসব, সে দিন আমাদের নেতাও বেছে নেব।’’

    অখিলেশের কথা 

    সমাজবাদী পার্টির প্রধান বলেন, “আমরা অধিকাংশ রাজনৈতিক দল একসঙ্গে কাজ করব। বিশেষত, আসন্ন লোকসভা ভোটের (Loksabha Poll) প্রস্তুতিতে আমরা সমস্ত রাজনৈতিক দল একসঙ্গে কাজ করব।” এরপরই জেডি (ইউ) প্রধানের জোট-বার্তাকে স্বাগত জানিয়ে অখিলেশের মন্তব্য, “গণতন্ত্র ও সংবিধান বাঁচাতে আমরা আপনার সঙ্গে আছি।” 

    আরও পড়ুুন: এবার পাকিস্তানি নাগরিকের কণ্ঠে শোনা গেল ‘মোদি হ্যায় তো মুমকিন হ্যায়’ স্লোগান

    মমতার মত 

    প্রসঙ্গত, সোমবার বিকেলে নবান্নে বৈঠক শেষে মমতা এবং নীতীশ-তেজস্বী বিরোধী ঐক্য আরও জোরদার করার ডাক দেন। এদিন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “নীতীশজিকে অনুরোধ করছি, আপনি পাটনায় একটা বিরোধী বৈঠক ডাকুন।” আগামী বছর লোকসভা ভোটে (Loksabha Poll) বিরোধী জোটের নেতা হিসাবে কাউকে মেনে নিতে তাঁর যে আপত্তি নেই, সে ইঙ্গিত দিয়ে মমতা বলেন, “আমাদের মধ্যে কোনও ইগো নেই। আমরা সবাই এক।” তবে, রাজনৈতিক মহলের অনুমান, বিরোধী ঐক্য নিয়ে যতই প্রচারের আলোয় আসার চেষ্টা করুন মমতা-নীতীশ-অখিলেশ, বাস্তবে তা কতটা প্রতিফলিত হবে তা- সময় বলবে। অতীতেও বহুবার জোট-জল্পনা শেষ সময়ে এসে ভেস্তে গিয়েছে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mann Ki Baat: প্রধানমন্ত্রীর ‘মন কি বাত’ শুনেছেন ১০০ কোটিরও বেশি মানুষ!

    Mann Ki Baat: প্রধানমন্ত্রীর ‘মন কি বাত’ শুনেছেন ১০০ কোটিরও বেশি মানুষ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১০০ কোটিরও বেশি মানুষ শুনেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) মন কি বাত (Mann Ki Baat) অনুষ্ঠান। এঁরা অন্তত একবার শুনেছেন মন কি বাত। ২৩ কোটি মানুষ নিয়মিত হয় শোনেন নয় দেখেন প্রধানমন্ত্রীর এই অনুষ্ঠান। আইআইএম রোহতেকের করা একটি সমীক্ষায়ই উঠে এসেছে এই তথ্য। সাংবাদিক বৈঠক করে আইআইএম রোহতকের তরফে বলা হয়েছে, দেশের মোট জনসংখ্যার ৯৬ শতাংশ মানুষ মন কি বাত অনুষ্ঠানের বিষয়ে জানেন। যা এক বিশাল সংখ্যা, তা বলাই চলে। জানা গিয়েছে, ১০ হাজার তিনজন মানুষের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়েছে এই অনুষ্ঠানে।

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) মন কি বাত…

    দেশবাসীর সঙ্গে সরাসরি কথা বলবেন বলে ২০১৪ সালের ৩ অক্টোবর মন কি বাত (Mann Ki Baat) অনুষ্ঠান চালু করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রতি মাসের শেষ রবিবার সম্প্রচারিত হয় এই অনুষ্ঠান। এই মাসের শেষে সম্প্রচারিত হবে এই অনুষ্ঠানের ১০০ তম পর্ব। সমীক্ষক সংস্থার এক আধিকারিক বলেন, দেশের উত্তর, দক্ষিণ, পূর্ব এবং পশ্চিম অঞ্চল থেকে ডেটা সংগ্রহ করা হয়েছে। প্রতিটি জোন থেকে রেসপন্স মিলেছে প্রায় ২,৫০০ জনের।

    সমীক্ষা থেকে এও জানা গিয়েছে, ৪১ কোটি মানুষ রয়েছেন, যাঁরা আংশিক সময়ের শ্রোতা থেকে পূর্ণ সময়ের শ্রোতা হয়েছেন। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী। নানা প্রকল্প এবং সরকারি উদ্যোগ নিয়েও আলোচনা করেন ওই অনুষ্ঠানে। তাই ৭৩ শতাংশ মানুষ জানিয়েছেন, তাঁরা মনে করেন ভারত সরকার সঠিক পথেই এগোচ্ছে এবং দেশকে উন্নতির পথে নিয়ে যাচ্ছে। আরও জানা গিয়েছে, শ্রোতাদের মধ্যে ৬০ শতাংশ দেশ গড়ার কাজে অংশ নেওয়ার কথা ভেবেছেন প্রধানমন্ত্রীর এই অনুষ্ঠান থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে। ৫৫ শতাংশ শ্রোতা দেশের দায়িত্ববান নাগরিক হওয়ার বিষয়ে এগিয়ে আসার কথা বলেছেন।

    আরও পড়ুুন: এবার পাকিস্তানি নাগরিকের কণ্ঠে শোনা গেল ‘মোদি হ্যায় তো মুমকিন হ্যায়’ স্লোগান

    দেশের ৫৯ শতাংশ মানুষ মনে করেন সরকারের ওপর তাঁদের আস্থা ও বিশ্বাস বৃদ্ধি পেয়েছে। ৫৮ শতাংশ মানুষ মনে করেন তাঁদের জীবন যাপনের মান আগের চেয়ে উন্নত হয়েছে। সমীক্ষায় জানা গিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর (Mann Ki Baat) এই অনুষ্ঠানের সব চেয়ে বেশি শ্রোতার বয়স ১৯ থেকে ৩৪ বছরের মধ্যে।

     

  • Gemini Circus: প্রয়াত ভারতীয় সার্কাসের জনক জেমিনি শঙ্করন

    Gemini Circus: প্রয়াত ভারতীয় সার্কাসের জনক জেমিনি শঙ্করন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রয়াত হলেন জেমিনি শঙ্করন। রবিবার রাতে প্রয়াত হন তিনি। বয়স হয়েছিল ৯৯ বছর। বার্ধক্যজনিত অসুস্থতার কারণে গত কয়েকদিন ধরে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন ভারতীয় (Indian) সার্কাসের জনক হিসেবে পরিচিত শঙ্করন। রবিরার রাতে সেখানেই শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। সার্কাস (Gemini Circus) জনকের প্রয়াণের খবরটি প্রথম জানান কেরলের মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন। তিনি বলেন, ভারতীয় সার্কাসকে বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় করার জন্য প্রধান ভূমিকা পালন করেছিলেন শঙ্করন। বিজয়ন বলেন, ভারতীয় সার্কাসের আধুনিকীকরণে প্রধান ভূমিকা পালন করেছিলেন তিনি। প্রতিষ্ঠা করেছিলেন সার্কাস কোম্পানিও। তাঁকে ভারতের প্রাচীনতম সার্কাস শিল্পী মনে করা হয়। একজন সার্কাস পারফর্মার হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেছিলেন তিনি।

    সার্কাস (Gemini Circus) জনকের কৃতিত্ব…

    ১৯২৪ সালের ১৩ জুন কেরলের থ্যালাসেরির কোলাসেরিতে জন্মগ্রহণ করেন শঙ্করন। ছোট থেকেই সার্কাসের প্রতি এক অদম্য টান অনুভব করতেন তিনি। ১৯৩৮ সালে সার্কাস দলে যোগ দেন। এজন্য প্রখ্যাত সার্কাস শিল্পী কেলেরি কুনহিকান্নানের কাছে তিন বছরের প্রশিক্ষণও নেন শঙ্করন। পরে যোগ দেন সামরিক বাহিনীতে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সেখান থেকে অবসর নেন শঙ্করন। চাকরি থেকে অবসর নিয়ে শঙ্করন হয়ে পড়েন পুরোদস্তুর সার্কাস (Gemini Circus) শিল্পী। দেশের বিভিন্ন সার্কাস কোম্পানিতে চাকরি করেছেন তিনি। ১৯৫১ সালে তিনি কিনে নেন বিজয়া সার্কাস। নাম বদলে রাখেন জেমিনি সার্কাস। পরে জাম্বো নামে আরও একটি সার্কাস কোম্পানি তৈরি করেন শঙ্করন। সার্কাসের প্রতি তাঁর অবদানের কথা স্মরণে রেখে তাঁকে আজীবন কৃতিত্ব পুরস্কারে ভূষিত করেছিল কেন্দ্রীয় সরকার।

    আরও পড়ুুন: বিজেপি বিরোধী জোট গড়তে ফের বৈঠকে মমতা-নীতীশ, দোসর তেজস্বী

    দেশ-বিদেশে সার্কাস দেখাতে যেতেন শঙ্করন। ভারতীয় সার্কাস ফেডারেশনের সভাপতিও ছিলেন তিনি। সার্কাসের সূত্রেই তাঁর সঙ্গে হৃদ্যতা গড়ে ওঠে জওহরলাল নেহরু, ইন্দিরা গান্ধী, রাজীব গান্ধী, মার্টিন লুথার কিং, মাউন্টব্যাটেন, মহাকাশচারী ভ্যালেন্টিনা তেরেশকোভা সহ বহু বিশিষ্ট ব্যক্তির সঙ্গে। কেরলের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, তাঁর মৃত্যুতে অপূরণীয় ক্ষতি হল দেশের সার্কাস শিল্পে। আত্মজীবনী লিখেছিলেন শঙ্করন (Gemini Circus)। ‘মারিয়ুন্না জীবিথা’ নামের ওই বইটি প্রকাশিত হয়েছিল ২০১২ সালে। ‘মালাক্কাম মারিয়ুন্না জীবিথাম’ নামে তাঁর জীবনী সম্বলিত একটি বইও রয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
     
  • Evacuation: সুদানে আটকে পড়া ভারতীয়দের উদ্ধারে শুরু অপারেশন কাবেরী

    Evacuation: সুদানে আটকে পড়া ভারতীয়দের উদ্ধারে শুরু অপারেশন কাবেরী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্রমেই খারাপ হচ্ছে সুদানের (Sudan) পরিস্থিতি। গৃহযুদ্ধে বিধ্বস্ত দেশটিতে সরকারি হিসেবে ইতিমধ্যেই মৃত্যু হয়েছে ৪১৩ জনের। যদিও বেসরকারি হিসেবে সংখ্যাটি এর চেয়ে ঢের বেশি। এই যে ৪১৩জনের মৃত্যু হয়েছে, তার মধ্যে রয়েছেন একজন ভারতীয়ও (Indian)। জখম হয়েছেন সুদানের তিন হাজারেরও বেশি নাগরিক। এমতাবস্থায় সুদানে আটকে পড়া ভারতীয়দের নিরাপদে দেশে ফেরাতে (Evacuation) উদ্যোগী হয়েছে কেন্দ্র। এরই মধ্যে ফ্রান্স সুদান থেকে ৩৮৮ জনকে সরিয়ে নিয়ে গিয়েছে। এঁদের মধ্যে রয়েছেন ২৭ জন ভারতীয়ও। কেবল ভারতীয় নন, বিশ্বের ২৮টি দেশের ৩৮৮ জনকে সরিয়ে নিয়ে গিয়েছে ইউরোপের ওই দেশটি।

    ইভাক্যুয়েশনের (Evacuation) কার্যক্রম…

    সোমবার ট্যুইট করে ফরাসি দূতাবাসের তরফে জানানো হয়েছে, ফরাসি ইভাক্যুয়েশনের কার্যক্রম চলছে। গত রাতে দুটি সামরিক বিমান ক্রমান্বয়ে ভারতীয় নাগরিক সহ ২৮টি দেশের ৩৮৮ জনকে সরিয়ে এনেছে। এর ঠিক আগের দিন সৌদি আরব জানিয়েছিল, সুদানের ৬৬ জন নাগরিককে ভাই ও বন্ধুত্বপূর্ণ বিদেশি নাগরিকদের সুদান থেকে সরিয়ে নিয়ে আসা হয়েছে। এর মধ্যে কয়েকজন ভারতীয় নাগরিকও রয়েছেন।

    জানা গিয়েছে, সৌদি আরব তিন ভারতীয়কে সরিয়ে নিয়ে গিয়ে রেখেছিল (Evacuation) সুদানের রাজধানী খার্তুমে। এঁরা তিনজনেই সৌদির বিমান ক্রু। শুক্রবারই সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, তারা বর্তমানে সুদানে থাকা ৩ হাজারেরও বেশি ভারতীয় নাগরিকের সুরক্ষার দিকে মনোনিবেশ করছে। ভারতীয়দের উদ্ধারের জন্য কেন্দ্রীয় বিদেশমন্ত্রক বায়ুসেনার দুটি বিমান ও আইএনএস সুমেধা মোতায়েন করেছে। নিবিড় যোগাযোগ রেখে চলা হয়েছে সুদান সরকারের সঙ্গে। সুদানে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি ও আমেরিকার সঙ্গেও নিয়মিত যোগাযোগ রেখে চলেছে। প্রসঙ্গত, ক্ষমতা দখলকে কেন্দ্র করে গত ১১ দিন ধরে সেনা ও আধাসেনার লড়াই চলছে সুদানে। মৃত্যু হয়েছে কয়েকশো মানুষের। জখমও হয়েছেন বেশ কয়েক হাজার।

    আরও পড়ুুন: এবার পাকিস্তানি নাগরিকের কণ্ঠে শোনা গেল ‘মোদি হ্যায় তো মুমকিন হ্যায়’ স্লোগান

    এদিকে, সুদানে আটকে পড়া ভারতীয়দের উদ্ধার কাজ শুরু হওয়ার (Evacuation) পথে। ট্যুইট করে এ কথা জানান ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। এই উদ্ধার অভিযানের নাম দেওয়া হয়েছে অপারেশন কাবেরী। ট্যুইট-বার্তায় তিনি লেখেন, সুদানে আটকে পড়া ভারতীয়দের উদ্ধার অভিযান অপারেশন কাবেরি শুরু হওয়ার পথে। সুদান বন্দরে ইতিমধ্যেই পৌঁছে গিয়েছেন প্রায় ৫০০ ভারতীয়। অনেকেই রয়েছেন বন্দরের পথে। আমাদের জাহাজ এবং এয়ারক্র্যাফ্ট তাঁদের ফেরানোর তোড়জোড় করছে। সুদানে আটকে পড়া আমাদের সব ভাইবোনেদের সাহায্যে আমরা দায়বদ্ধ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi: এবার পাকিস্তানি নাগরিকের কণ্ঠে শোনা গেল ‘মোদি হ্যায় তো মুমকিন হ্যায়’ স্লোগান

    Narendra Modi: এবার পাকিস্তানি নাগরিকের কণ্ঠে শোনা গেল ‘মোদি হ্যায় তো মুমকিন হ্যায়’ স্লোগান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘মোদি হ্যায় তো মুমকিন হ্যায়’ ধ্বনি দিতে শোনা গেল এক পাকিস্তানিকে। প্রসঙ্গত, ২৩ এপ্রিল অস্ট্রেলিয়াতে এক সংস্থার উদ্যোগে আয়োজিত হয় বিশ্ব সদভাবনা অনুষ্ঠান, সেখানেই এই ধ্বনি ওঠে। বিভিন্ন দেশের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, ধর্মীয় সংগঠন, বুদ্ধিজীবীরা হাজির ছিলেন এই অনুষ্ঠানে। বক্তব্য রাখতে ওঠেন পাকিস্তানের তারিক বাট, তিনি ছিলেন পাকিস্তানের আহমেদিয়া মুসলিম সমাজের প্রতিনিধি। লাহোরের এই বাসিন্দা মোদির প্রশংসায় পঞ্চমুখ। তিনি বলেন, আমার নিজের কথাই যদি বলতে চাই, তবে বলতে হয় আমার প্রচুর ভারতীয় বন্ধু রয়েছে, আমরা একসঙ্গে অনেক সামাজিক কাজ করে থাকি। এখন আমি লক্ষ্য করছি ভারতীয় এবং পাকিস্তানি মুসলিমদের মধ্যে বন্ধন অনেকটাই বেড়েছে। এটা সম্পূর্ণ ভাবে সম্ভব হয়েছে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Narendra Modi) জন্য। এরপরেই তিনি বলে ওঠেন, মোদি হ্যায় তো মুমকিন হ্যায়। অন্যদিকে দাউদি বোহরা মুসলিম সমাজের প্রতিনিধি স্বরূপ হাজির ছিলেন করাচির তাহর শাকর, যিনি মুম্বইয়ের আলজামিয়া-তুস-সাইফিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। দেশের প্রধানমন্ত্রীর ভূয়সী প্রশংসা করে তিনি এদিন বলেন, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের একটা অনুষ্ঠানে উনি এসেছিলেন। সেদিন তাঁর সহজ সরল ব্যবহার আমাকে অত্যন্ত মুগ্ধ করে। তিনি বলেন, আমাকে সম্মানীয় অতিথি ভাববেন না কখনও। আমি আপনাদের ঘরের লোক। তাহর শাকরের আরও বলেন, মোদিজী চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসেই এসেছিলেন আমাদের ক্যাম্পাসের উদ্বোধন করতে। আমরা ৯ বছর ধরে একসঙ্গে আছি। আমাদের সমগ্র সম্প্রদায় মোদিজীকে (Narendra Modi) অত্যন্ত সম্মান করে। সিডনিতে তিনি এলে, আমাদের সম্প্রদায় সদা প্রস্তুত থাকে তাঁকে অভ্যর্থনা জানাতে। ইমতিয়াজ নাবেদ নামের অপর এক মুসলিম সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিও সমানভাবে এদিন প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ ছিলেন। তিনি বলেন, মোদিজী সর্বদাই শান্তির বার্তা দেন। তিনিই একমাত্র ব্যক্তি যিনি সমস্ত ধর্মের মানুষকে একসঙ্গে নিয়ে চলতে পারেন।

    কী এই বিশ্ব সদভাবনা অনুষ্ঠান ?

    প্রসঙ্গত, সদভাবনা অনুষ্ঠান হল এনআইডি ফাউন্ডেশনের একটা উদ্যোগ। সেখানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Narendra Modi) বিশ্বভাবনা, বসুধৈব কুটুম্বকমের নীতিকে সামনে রেখে বিভিন্ন অনুষ্ঠান করা হয়। সহযোগী সংগঠনগুলির মধ্যে রয়েছে, অল ইন্ডিয়া মাইনরিটিস ফাউন্ডেশন, নামধারী শিখ সোসাইটি ইত্যাদি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • WFI: ‘আমাদের আন্দোলনে সব দলকে স্বাগত’, বললেন কুস্তিগিররা

    WFI: ‘আমাদের আন্দোলনে সব দলকে স্বাগত’, বললেন কুস্তিগিররা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আপাতত অবস্থান বিক্ষোভে ইতি টানলেন কুস্তিগিররা (Wrestlers)। দিল্লির (Delhi) যন্তর-মন্তরে অবস্থান বিক্ষোভে বসেছিলেন তাঁরা। দীর্ঘদিন ধরেই তাঁরা রেস্টলিং ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ার প্রধান (WFI) ব্রিজভূষণ শরণ সিংহের গ্রেফতারির দাবিতে সোচ্চার হয়েছেন। সেই দাবিতেই বসেছিলেন অবস্থান বিক্ষোভে। তাঁদের পাশে দাঁড়াতে সমস্ত রাজনৈতিক দলকে আহ্বান জানিয়েছেন অলিম্পিক জয়ী বজরং পুনিয়া।

    রেস্টলিং ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ার প্রধানের (WFI) বিরুদ্ধে অভিযোগ…

    তিনি এও জানান, বিজেপির ওই সাংসদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা না নেওয়া পর্যন্ত আন্দোলন থেকে সরবেন না তাঁরা। ওই একই দাবিতে চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে দেশের কুস্তিগিররা যাঁদের মধ্যে রয়েছেন বজরং পুনিয়া, বিনেশ ফোগাট, রবি ধাইয়া এবং সাক্ষী মালিকও এই যন্তরমন্তরেই বসেছিলেন ধর্নায়। সেই সময় তাঁদের আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল এই বলে যে, রেস্টলিং ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ার প্রধানের বিরুদ্ধে ওঠা যৌন নিগ্রহ এবং অভব্য আচরণের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে কমিটি গঠন করা হবে। সেই আশ্বাস পেয়েই ধর্না তুলে নেন তাঁরা।

    আরও পড়ুুন: শিক্ষার স্থান হিজাবের উপরে, এমনই মত কর্নাটক উচ্চমাধ্যমিকে প্রথম হওয়া তবসুমের

    তারকা কুস্তিগির পুনিয়া বলেন, এক নাবালিকা সহ মোট সাত মহিলা কুস্তিগিরকে যৌন নিগ্রহ করা হয়েছে বলে শুক্রবার দিল্লির কনটপ্লেস থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। তিনি (WFI) বলেন, অভিযোগ দায়ের হওয়ার পর ৪৮ ঘণ্টা কেটে গিয়েছে। এখনও এফআইআর দায়ের হয়নি। পুনিয়া বলেন, এবার আমরা কাউকে ফেরাব না। যাঁরাই আমাদের প্রতিবাদ আন্দোলনকে সমর্থন করবেন, তাঁরাই আসতে পারেন এবং আমাদের সঙ্গে যোগ দিতে পারেন। পুনিয়া বলেন, এবার দেশের সব রাজনৈতিক দলকেই আমরা স্বাগত জানাচ্ছি। আমরা বিশেষ কোনও পার্টির অনুমোদন চাই না। ঘটনার প্রেক্ষিতে দিল্লির মহিলা পুলিশ কমিশনার এফআইআর দায়ের করার জন্য নোটিশ দিয়েছে দিল্লি পুলিশকে।

    এদিকে, এদিনই তদন্তকারী কমিটির কাছ থেকে রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছে দিল্লি পুলিশ। এই তদন্ত (WFI) কমিটি গঠন করেছিল কেন্দ্রীয় ক্রীড়া মন্ত্রক। ব্রিজভুষণের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ খতিয়ে দেখতেই গড়া হয়েছিল তদন্ত কমিটি। দিল্লি পুলিশের এক কর্তা বলেন, তদন্ত কমিটির কাছ থেকে রিপোর্ট চেয়ে পাঠানো হয়েছে। তিনি জানান, সাতজন ক্রীড়াবিদ ব্রিজভূষণের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন। কমিটির রিপোর্ট পেলে পুরো বিষয়টি সামনে আসবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Tabassum Shaik: শিক্ষার স্থান হিজাবের উপরে, এমনই মত কর্নাটক উচ্চমাধ্যমিকে প্রথম হওয়া তবসুমের

    Tabassum Shaik: শিক্ষার স্থান হিজাবের উপরে, এমনই মত কর্নাটক উচ্চমাধ্যমিকে প্রথম হওয়া তবসুমের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কর্নাটকে প্রি ইউনিভার্সিটি কোর্সের (উচ্চমাধ্যমিক) ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে চলতি মাসের ২১ এপ্রিল। ৬০০ এর মধ্যে ৫৯৩ পেয়ে কলা বিভাগে প্রথম স্থান অধিকার করেছে সে রাজ্যের তবসুম শাহিক (Tabassum Shaik)। হিন্দি, সমাজবিদ্যা এবং দর্শনে সে ১০০ এর মধ্যে ১০০ পেয়েছে। সাফল্যের পর সে সংবাদমাধ্যমকে জানায়, হিজাবের (Hijab) অধীনে শিক্ষা নয়, বরং হিজাবের (Hijab) উপর শিক্ষাকে দেখতে চায় সে। প্রসঙ্গত, হিজাব পরে শিক্ষাঙ্গণে প্রবেশ ইস্যুতে গত কয়েকবছর ধরেই সরগরম ছিল দক্ষিণের এই রাজ্য। ধর্মীয় পোশাকের বদলে স্কুল ইউনিফর্মে স্কুলে আসতে হবে, এই দাবিতে সেসময় পথে নামে সঙ্ঘের ছাত্র সংগঠন এবিভিবি। গত বছরেই কর্ণাটক হাইকোর্ট রায় দিয়েছে, হিজাব (Hijab) বা বোরখা নয় বরং স্কুলের ড্রেস কোড সবাইকে মানতে হবে। সেই আবহে রাজ্যের বোর্ডের পরীক্ষায় প্রথম স্থানাধিকারী ছাত্রীর এই মন্তব্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে বিভিন্ন মহল।

    হিজাব (Hijab) বিতর্কে কী বললেন শাহিক ?

    বেঙ্গালুরুর নগরথাম্মা রাষ্ট্রীয় বিদ্যালয়ের এই ছাত্রীর মতে, হিজাবের থেকেও গুরুত্বপূর্ণ হল শিক্ষা। তিনি বলেন, আমি সর্বদাই আমার ফোকাস রেখেছি শিক্ষায়। শিক্ষার জন্য কিছু আত্মত্যাগ তো আমাদের করতেই হবে।

    কর্নাটকে হিজাব (Hijab) বিতর্ক

    জানা গিয়েছে, তবসুম (Tabassum Shaik) নিজেও হিজাব (Hijab) পরেই স্কুলে যেত, কিন্তু হাইকোর্টের নির্দেশের পর সে আর কখনও একাজ করেনি। ২০২২ সালের জানুয়ারি মাস নাগাদ প্রথম এই বিতর্ক মাথাচাড়া দেয়। স্থানীয় একটি কলেজ কর্তৃপক্ষ সেসময় হিজাব (Hijab) পরে শিক্ষাঙ্গণে ঢোকা যাবেনা বলে নির্দেশ জারি করে। এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সেসময় কলেজের সামনেই অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করে কলেজের মুসলিম ছাত্রীদের একাংশ। তাদের দাবি ছিল হিজাব ইসলাম ধর্মের অবিচ্ছেদ্য অংশ। অন্যদিকে এই আন্দোলনে পিছন থেকে সাহায্য করতে থাকে পিএফআই-এর মতো উগ্র ইসলামিক সংগঠনগুলি। পাল্টা সেখানকার হিন্দু ছাত্রদের একাংশ গলায় গেরুয়া উত্তরীয় জড়িয়ে স্কুলে আসতে থাকে। সরগরম হয়ে ওঠে রাজ্যের রাজনীতি। কর্তৃপক্ষ ঘোষণা করে ইউনিফর্মেই সবাইকে শিক্ষাঙ্গণে আসতে হবে। একই নির্দেশ বজায় রাখে কর্নাটকের হাইকোর্ট।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share