Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • GST Collection: নভেম্বরেও বাড়ল জিএসটি সংগ্রহের পরিমাণ, কত হল জানেন?

    GST Collection: নভেম্বরেও বাড়ল জিএসটি সংগ্রহের পরিমাণ, কত হল জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছর নভেম্বর মাসে বাড়ল জিএসটি সংগ্রহের (GST Collection) পরিমাণ। সম্প্রতি অর্থমন্ত্রকের তরফে শেয়ার করা হয় ডেটা (Data)। তাতেই দেখা গিয়েছে, জিএসটি (GST) সংগ্রহের পরিমাণ ১ লক্ষ ৪৫ হাজার ৮৬৭ কোটি টাকা। জানা গিয়েছে, গত বছর নভেম্বর মাসে যে পরিমাণ জিএসটি আদায় হয়েছে, এবার তার ১১ শতাংশ বেশি। এটি হল নবম মাস যখন জিএসটি সংগ্রহের পরিমাণ ছাড়াল ১.৪০ লক্ষ কোটি টাকার গণ্ডী।

    গ্রস জিএসটি…

    অর্থমন্ত্রকের তরফে শেয়ার করা হয় ডেটা থেকে এও জানা গিয়েছে, চলতি বছরের নভেম্বরে গ্রস জিএসটি রাজস্ব আদায় হয়েছে ১ লক্ষ ৪৫ হাজার ৮৬৭ কোটি টাকা। এর মধ্যে সিজিএসটি রয়েছে ২৫ হাজার ৬৮১ কোটি টাকা। এসজিএসটি রয়েছে ৩২ হাজার ৬৫১ কোটি টাকা, আইজিএসটি রয়েছে ৭৭ হাজার ১০৩ কোটি টাকা। অর্থমন্ত্রকের ওই বিবৃতিতে থেকে জানা গিয়েছে, সরকার সিজিএসটিতে ৩৩ হাজার ৯৯৭ কোটি এবং এসজিএসটিতে ২৮ হাজার ৫৩৮ কোটি টাকা সেটেলড করেছে।

    আরও পড়ুন: বাড়ি ভাড়া নিয়ে থাকেন? দিতে হতে পারে জিএসটি, জেনে নিন নিয়ম

    নভেম্বরে কেন্দ্র ও রাজ্যের রেগুলার সেটেলমেন্ট সিজিএসটির (GST Collection) জন্য ৫৯ হাজার ৬৭৮ কোটি টাকা। এসজিএসটির পরিমাণ ৬১ হাজার ১৮৯ কোটি টাকা। এই মাসেই কেন্দ্র রাজ্যগুলিকে জিএসটি ক্ষতিপূরণ বাবদ দিয়েছে ১৭ হাজার কোটি টাকা। চলতি মাসে পণ্য আমদানি বাবদ রাজস্ব আদায়ের পরিমাণ বেড়েছে ২০ শতাংশ। ডোমেস্টিক ট্রানজেকশনের ক্ষেত্রে এর পরিমাণ ৮ শতাংশ বেশি। জানা গিয়েছে, জিএসটি (GST) কাউন্সিলের ৪৮তম বৈঠকটি হবে ১৭ ডিসেম্বর। বৈঠকে সভাপতিত্ব করবেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামণ। 

    আরও পড়ুন: চাল, ডাল, আটা, গম খোলা কিনলে বাড়তি জিএসটি লাগু হবে না! ট্যুইট করে ব্যাখ্যা অর্থমন্ত্রীর 

    প্রসঙ্গত, জুলাই মাসেও ভারতের জিএসটি সংগ্রহের (GST Collection) পরিমাণ ১.৪০ লক্ষ কোটি টাকা ছাড়িয়েছিল। পণ্য এবং পরিষেবা করের কারণে ভারতের রাজকোষে মোট ১.৪৯ লক্ষ কোটি টাকা এসেছে গতমাসে। এই নিয়ে টানা পঞ্চম মাসে বৃদ্ধি অব্যহত। আগের বছরের জুলাই মাস থেকে এ বছরের জুলাই মাসে ২৮% বৃদ্ধি পেয়েছে জিএসটি সংগ্রহ। ২০২১ সালের জুলাই মাসে জিএসটি সংগ্রহ ছিল ১১, ৬৩৯৩ কোটি টাকা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • BSF: ভারতে প্রবেশের চেষ্টা! বিএসএফের গুলিতে খতম এক পাকিস্তানি অনুপ্রবেশকারী

    BSF: ভারতে প্রবেশের চেষ্টা! বিএসএফের গুলিতে খতম এক পাকিস্তানি অনুপ্রবেশকারী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একদিকে পাকিস্তানি ড্রোনের উৎপাত, অন্যদিকে পাকিস্তানিদের অনুপ্রবেশ দুই-ই বেড়ে চলেছে। এমনই এক ঘটনা ঘটল গতকাল গভীর রাতে। এক পাকিস্তানি অনুপ্রবেশকারীকে গুলি করে হত্যা করল বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সের (বিএসএফ) জওয়ানরা। সোমবার লাইন অফ কন্ট্রোল (এলওসি) পেরিয়ে রাজস্থান দিয়ে ভারতীয় ভূখণ্ডে অনুপ্রবেশের অপরাধে তাকে গুলি করে হত্যা করে রাজস্থান বিএসএফ (BSF)।

    পাকিস্তানি অনুপ্রবেশকারীকে নিকেশ বিএসএফ জওয়ানদের

    ঘটনাটি ঘটে রাজস্থানের গঙ্গানগর হারমুখ চেকপোস্টের কাছে। ১৪ এস নামক ওই গ্রাম দিয়ে এর আগেও অনেক পাকিস্তানি ভারতে অনুপ্রবেশ করেছে বলে প্রশাসনের ধারণা। সূত্রের খবর, গতকাল টহলদারির সময় বিএসএফ জওয়ানরা দেখতে পান, ওই ব্যক্তি সীমান্তের ওপার থেকে নিয়ন্ত্রণ রেখা (এলওসি) পেরিয়ে ভারতীয় ভূখণ্ডে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করছে। জওয়ানরা বারবার তাকে সতর্ক করে ও সেখান থেকে সরে যেতে বলে। যদিও ওই পাকিস্তানি অনুপ্রবেশকারী তাতে কান দেয়নি। অনুপ্রবেশের চেষ্টা করতেই তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালান বিএসএফ জওয়ানরা। গুলিতে মৃত্যু হয় অনুপ্রবেশকারীর।

    আরও পড়ুন: পাক হানাদারি রুখতে বিএসএফ-এর হাতে এল দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি বিশেষ ড্রোন

    এক সিনিয়র বিএসএফ (BSF) কর্মকর্তা এই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ও বলেছেন, “সোমবার হারমুখ চেকপোস্টের কাছে আন্তর্জাতিক সীমান্তে পাকিস্তান থেকে আসা এক অনুপ্রবেশকারীকে সতর্ক করে বিএসএফ জওয়ানরা। অনুপ্রবেশকারী সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতে আসার জন্য এগোতে থাকে। তখনই তাকে গুলি করা হয় ও তল্লাশি অভিযানের সময় মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।” তিনি আরও জানিয়েছন, এলাকাটি ঘেরাও করা হয়েছে এবং তল্লাশি অভিযান চালানো হচ্ছে। ওই ব্যক্তি কোন উদ্দেশ্য নিয়ে ভারতে প্রবেশের চেষ্টা করছিল তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    তিনি (BSF) বলেন, “আমরা ঘটনাটি সম্পর্কে পাকিস্তান রেঞ্জারদের জানিয়েছি। তবে তারা অনুপ্রবেশকারীর পরিচয় যাচাই করতে ও তার মৃতদেহ গ্রহণ করতে অস্বীকার করছে।” আরও জানানো হয়েছে, শেষপর্যন্ত পাকিস্তান মৃতদেহের পরিচয় দিতে অস্বীকার করলে শবদেহ দাহ করে দেওয়া হবে।  

    সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশ এবং মাদক চোরাচালনের ঘটনা বেড়েই চলেছে। এই কাজে পাক ড্রোনেরও ব্যবহার করা হচ্ছে। জম্মু-কাশ্মীর সীমান্ত দিয়ে যেমন জঙ্গিদের অনুপ্রবেশ করাতে মরিয়া তেমনি রাজস্থান এবং পাঞ্জাব সীমান্ত দিয়ে মাদক পাচার প্রতিনিয়ত করে চলেছে পাকিস্তান। ফলে অনুপ্রবেশ নিয়ে নতুন করে সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে। চলতি বছরে শীতের সময়েই আন্তর্জাতিক সীমান্তে নিরাপত্তা রক্ষীদের কড়া নজর রাখার কথা বলা হয়েছে। আর বাড়তি নজরের ফলেই গতকাল এই অনুপ্রবেশকারীকে খতম করতে সফল হল বিএসএফ (BSF)।

  • Cyclone Mandous: ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘মন্দৌস’! বাংলায় আবহাওয়ার কি পরিবর্তন হবে?

    Cyclone Mandous: ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘মন্দৌস’! বাংলায় আবহাওয়ার কি পরিবর্তন হবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতায় শীতের আমেজ বজায় থাকলেও কনকনে শীতের পথে কাঁটা হয়ে দাঁড়াল নিম্নচাপ। নতুন করে তৈরি হয়েছে ঘূর্ণাবর্ত যা নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। এই নিম্নচাপ শক্তি বাড়িয়ে গভীর নিম্নচাপ ও ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হবে। আবহাওয়া দফতরের থেকেও জানানো হয়েছে, ধেয়ে আসছে মন্দৌস ঘূর্ণিঝড় (Cyclone Mandous)। আগামীকাল, ৭ নভেম্বর থেকে এর প্রভাব লক্ষ্য করা যাবে। তবে আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, এই ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব তেমন ভাবে বাংলায় পড়বে না। কারণ এটির অভিমুখ দক্ষিণমুখী। ফলে এর প্রভাব দক্ষিণের রাজ্যগুলিতেই বেশি পড়বে।  

    ঘূর্ণিঝড় ‘ম্যানডাউস’

    বঙ্গোপসাগরের উপরে তৈরি ঘূর্ণাবর্তটি ৬ ডিসেম্বর সন্ধ্যার মধ্যে দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপে পরিণত হবে। তারপর তা শক্তি বাড়িয়ে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হবে। এর নামকরণ করা হয়েছে মন্দৌস (Cyclone Mandous)। দুর্যোগ আরও ঘনীভূত হয়ে ৮ ডিসেম্বর সকালের মধ্যে উত্তর তামিলনাড়ু, পুদুচেরি এবং সংলগ্ন দক্ষিণ অন্ধ্র প্রদেশের কাছে দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে। তবে জানা গিয়েছে, উপকূলে পৌঁছে গিয়ে এটি দুর্বল হয়ে পড়বে। কিন্তু ৭ ডিসেম্বর থেকে বৃষ্টিপাত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ৭ ডিসেম্বর মধ্যরাত থেকে উত্তর উপকূলীয় তামিলনাড়ু, পুদুচেরি এবং কারাইকালের উপর বৃষ্টিপাত শুরু হবে। ৮ ও ৯ ডিসেম্বর বৃষ্টির পরিমাণ বাড়বে, বলছে আবহাওয়া দফতর।

    আরও পড়ুন:পারদ ওঠা-নামার মাঝেই নিম্নচাপের পূর্বাভাস, বাংলায় কি প্রভাব পড়বে?

    কলকাতার আবহাওয়া

    অন্যদিকে গতকালের তুলনায় আজ কলকাতা ও তার আশেপাশের এলাকায় ফের সামান্য তাপমাত্রা বেড়েছে। ৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত বর্তমান ঠাণ্ডার আমেজ বজায় থাকবে। এরপর ২-৩ দিনের জন্য তাপমাত্রা আরও বাড়তে পারে, তৈরি হতে পারে মেঘলা আকাশ, জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। আজকের সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে ২৭ ও ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশে। এদিন কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৬.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি বেশি। গতকাল ছিল ১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

    উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়া

    উত্তরবঙ্গে জাঁকিয়ে পড়েছে শীত। তবে আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, আগামী দুদিন তাপমাত্রার তেমন কোনও পরিবর্তন হবে না। দক্ষিণবঙ্গেও তাপমাত্রার তেমন কোনও পরিবর্তন হবে না। তবে ৮ ডিসেম্বরের থেকে নিম্নচাপের (Cyclone Mandous) পরোক্ষ প্রভাব হিসাবে বাংলায় তাপমাত্রা বাড়তে পারে। আকাশ মেঘলা থাকার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।

  • Viral Video: দিদি কাঁদছে, চোখের জল মুছে দিচ্ছে ছোট্ট ভাই, আবেগে ভাসল নেটদুনিয়া

    Viral Video: দিদি কাঁদছে, চোখের জল মুছে দিচ্ছে ছোট্ট ভাই, আবেগে ভাসল নেটদুনিয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোশ্যাল মিডিয়া আসার ফলে আজকাল কত কিছুই না ভাইরাল হয়ে উঠছে! কখনও সেগুলি মানুষকে আনন্দে ভরিয়ে তোলে আবার কখনও তা আবেগপ্রবণ করে তোলে নেটিজেনদের। সম্প্রতি ভাইরাল হল সেরকমই এক মিষ্টি মুহূর্তের ভিডিও। এই ভিডিও-তে এক ভাই-বোনের মধুর সম্পর্ক ক্যামেরাবন্দি হয়েছে, আর যা দেখে আবেগঘন হয়ে পড়েছে নেটিজেনরা।

    ভিডিও-তে কী দেখা গেল?

    ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, এক ২৫ বছরের মেয়ে কাঁদছে, আর তাকেই সান্ত্বনা দিচ্ছে, তাঁর ৭ বছরের ছোট্ট ভাই। আর এই আবেগ ভরা ভিডিওই নেটিজেনের কাঁদিয়ে দিয়েছে। দিদির প্রতি ভাইয়ের ভালোবাসা, যত্ন দেখে এই খুদে সবার মন জয় করে নিয়েছে।

    ভিডিওটি ইনস্টাগ্রামে PAPz নামে এক ব্যবহারকারী শেয়ার করেছেন। এটিতে দেখা যায়, ২৫ বছরের মেয়েটি চেয়ারে বসে আছে ও ছেলেটি তার দিদির পাশে দাঁড়িয়ে আছে। তাঁর মন খারাপ এবং তাঁর চোখে জল ছিল। ছেলেটি তখন তাঁর চোখের জল মুছে দেয় এবং তার দিদিকে জিজ্ঞেস করে, সে ঠিক আছে কিনা। এই ছোট ক্লিপটিতে দুই ভাইবোনের স্বার্থহীন ভালোবাসাই সবার নজর কেড়েছে।

    [insta]https://www.instagram.com/reel/Ckpif4UOdf7/?utm_source=ig_web_copy_link[/insta]

    ভিডিওটি শেয়ার করে ব্যবহারকারী লিখেছেন, “এটি গত বছর, ২০২১ সালে ঘটেছিল। আমার ভাই খেলছিল এবং হঠাৎ সে আমার বোনকে কাঁদতে দেখে সে সবকিছু ছেঁড়ে তার কাছে ছুটে গেল এবং সে ঠিক আছে কিনা তা দেখার করার জন্য। সে বোঝার চেষ্টা করেছিল তার কি হয়েছে। আমার দিকে তাকিয়ে বা আমাকে জিজ্ঞাসা করে আমি কিছু করেছি কি না।”

    এই ভিডিওটি ৭ নভেম্বর শেয়ার করা হয়েছিল এবং ইতিমধ্যেই এতে ৬ মিলিয়ন ভিউ এবং চার লাখেরও বেশি লাইক এসেছে। অনেক ইউজার ভিডিওটি দেখে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছেন ও কমেন্ট করেছেন। একজন লিখেছেন, “ছেলেটি জীবনে এক আদর্শ মানুষ হয়ে উঠবে।” অন্য একজন লিখেছেন, “এই মিষ্টি ছেলে এবং তাদের সুন্দর বন্ধনকে ভগবান যেন আশীর্বাদ করে!”

    এককথায় বলতে ভাই-বোনের সম্পর্ক সব সম্পর্কের থেকে একেবারেই আলাদা। এই পৃথিবীতে নিজের পরিবারের চেয়ে প্রিয় কেউ হয় না। আর পরিবারের দিদি বা দাদার সঙ্গে ভাই বা বোনের সম্পর্ক হাসি-কান্না-ঠাট্টা-আনন্দ-খুনসুটি সবেতেই ভরা। যার টানই আলাদা। আর বলাই বাহুল্য, এই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করা মাত্রই তা নেটিজেনদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে নিয়েছে ও চোখে জল এনে দিয়েছে।

  • JNU: জেএনইউ-তে ব্রাহ্মণ বিরোধী স্লোগান বামেদের, নিন্দায় এবিভিপি

    JNU: জেএনইউ-তে ব্রাহ্মণ বিরোধী স্লোগান বামেদের, নিন্দায় এবিভিপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও বিতর্কে দিল্লির জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয় (JNU)। এবার বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের (JNU) বেশ কয়েকটি ভবনের দেওয়ালে ব্রাহ্মণ বিরোধী স্লোগান লেখার অভিযোগ উঠল বামপন্থী ছাত্র সংগঠনগুলির বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার এই ছবিগুলি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়। ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে আরএসএস-এর ছাত্র সংগঠন অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ (ABVP)।

    আরও পড়ুন: মহিলা বিচারপতিদের নিয়ে পৃথক ডিভিশন বেঞ্চ গঠন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির

    এদিন স্কুল অফ ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ-২ ভবনের দেয়াল ভাঙচুর করে ব্রাহ্মণ ও বনিয়া সমাজের বিরুদ্ধে স্লোগান দেওয়া হয়েছে বলে দাবি ছাত্র-ছাত্রীদের।

    এই ঘটনায় জেএনইউ কর্তৃপক্ষের তরফে তাৎক্ষণিক কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

    আরও পড়ুন: এনডিটিভি ডিরেক্টর পদে ইস্তফা প্রণয়-রাধিকার, সংস্থা ছাড়লেন রবীশও

    “ব্রাহ্মণ ক্যাম্পাস ছোড়ো”, “ব্রাহ্মণ ভারত ছোড়ো” এবং “ব্রাহ্মণ-বনিয়ারা, “উই আর কামিং ফর ইউ” ইত্যাদি স্লোগানে ভরে উঠেছে বিভিন্ন দেয়াল (JNU) । স্লোগানগুলি লাল কালিতে লেখা। জনৈক অধ্যাপকের চেম্বারের সামনে লেখা হয়েছে, “গো ব্যাক টু শাখা”। 

    এবিভিপির বিবৃতি

    অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ, এই ভাঙচুরের ঘটনা এবং বিকৃত স্লোগানগুলির জন্য বাম ছাত্রদের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছে। ABVP-এর JNU ইউনিটের সভাপতি রোহিত কুমার এদিন জানান, “এবিভিপি, শিক্ষাক্ষেত্রে কমিউনিস্ট গুন্ডাদের দ্বারা এই ভাঙচুরের ব্যাপক নিন্দা করছে। কমিউনিস্টরা JNU-এর স্কুল অফ ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ-2 ভবনের দেওয়ালে গালাগালি পর্যন্ত লিখেছে। তারা ভয় দেখানোর জন্য, মুক্ত চিন্তার অধ্যাপকদের চেম্বারকে অবধি বিকৃত করেছে, হুমকির ভাষা লিখে”। তিনি আরও বলেন, আমরা বিশ্বাস করি যে শিক্ষাক্ষেত্রগুলি বিতর্ক এবং আলোচনার জন্য ব্যবহার করা উচিত, সমাজ এবং ছাত্রদের বিষাক্ত করার জন্য নয়।

    অধ্যাপক সংগঠনের বিবৃতি

    JNU শিক্ষকদের একটি সংগঠনও এই ভাঙচুরের ঘটনার নিন্দা জানিয়ে একটি টুইট পোস্ট করেছে এবং এর জন্য বামেদেরকে দায়ী করেছে।
    JNU টিচার্স ফোরাম ট্যুইটারে লিখেছে, “বামেরা প্রতিটি ভিন্নমতের কণ্ঠকে ভয় দেখায়, ভাঙচুরের ঘটনা অত্যন্ত নিন্দনীয় কাজ!”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

     
  • NDTV Takeover: এনডিটিভি ডিরেক্টর পদে ইস্তফা প্রণয়-রাধিকার, সংস্থা ছাড়লেন রবীশও

    NDTV Takeover: এনডিটিভি ডিরেক্টর পদে ইস্তফা প্রণয়-রাধিকার, সংস্থা ছাড়লেন রবীশও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বেসরকারি সংবাদমাধ‌্যম এনডিটিভি (NDTV) ছাড়লেন ব়্যামন ম্যাগসেসে (Ramon Magasaysay) পুরস্কারজয়ী সাংবাদিক রবীশ কুমার। গতকাল, ৩০ নভেম্বর তাঁর ইস্তফার খবর ঘোষণা করা হয়। এর আগের দিন অর্থাৎ ২৯ নভেম্বর নিউ দিল্লি টেলিভিশন (এনডিটিভি)-এর পরিচালন পর্ষদের বোর্ড থেকে ইস্তফা দিয়েছেন প্রণয় রায় ও তাঁর স্ত্রী রাধিকা রায়। এনডিটিভির প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন দু’জনেই। মঙ্গলবার সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির তরফেই একটি বিবৃতি দিয়ে প্রণয় এবং রাধিকার ইস্তফার কথা জানানো হয়েছে স্টক এক্সচেঞ্জকে। রবীশ কুমার গত কয়েক দশক ধরে এনডিটিভির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। রবীশ কি রিপোর্ট, প্রাইম টাইম, হাম লোগ, দেশ কি বাতের মতো জনপ্রিয় অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেছেন তিনি। 

    এনডিটিভির রাশ আদানির হাতে

    এনডিটিভির পরিচালন গোষ্ঠীর নাম আরআরপিআরএইচ। সোমবারই নিজেদের ৯৯.৫ শতাংশ শেয়ার আদানি গ্রুপ অধিকৃত একটি সংস্থার নামে করে দিয়েছিল। এরপর এনডিটিভি-র ২৯.১৮ শতাংশ শেয়ারও অধিগ্রহণ করে গৌতম আদানির মালিকাধীন এএমজি মিডিয়া নেটওয়ার্কস লিমিটেড। পরবর্তীতে ২৬ শতাংশ শেয়ার কেনারও প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। সেক্ষেত্রে এনডিটিভির নিয়ন্ত্রণ চলে আসবে আদানির হাতে। এরপরেই সংস্থা থেকে ইস্তফা দেন প্রণয় রায় ও রাধিকা রায়। আর এবারে সংস্থা ছাড়লেন সাংবাদিক রবীশ কুমারও।

    আরও পড়ুন: রামে বিশ্বাস নেই, কিন্তু আমাকে গালি দিতে রাবণকে টানে, কংগ্রেসকে নিশানা মোদির

    নয়া বোর্ড ডিরেক্টর

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, বর্তমানে প্রণয় ও রাধিকার জায়গায় আসতে চলেছেন সুদীপ্ত ভট্টাচার্য, সঞ্জয় পুগলিয়া এবং সেন্থিল সিন্নাইয়া চেঙ্গালভারায়ণ। অর্থাৎ এই তিনজনকে আরআরপিআরএইচ প্রাইভেট লিমিটেড তথা পর্ষদের পরিচালন বোর্ডে ডিরেক্টর হিসেবে নিয়োগ করা হচ্ছে। কে তাঁরা জানুন-

    সুদীপ্ত ভট্টাচার্য

    সুদীপ্ত ভট্টাচার্য আদানি গ্রুপ – উত্তর আমেরিকার সিইও। এছাড়াও তিনি গ্রুপের চিফ টেকনোলজি অফিসার (CTO)। এর আগে তিনি আদানি পোর্টস অ্যান্ড এসইজেড (এপিএসইজেড)-এর সিইও এবং গ্রুপের চিফ স্ট্র্যাটেজি অফিসারের পদে ছিলেন। আদানি গ্রুপে যোগদানের আগে তিনি আরও একটি সংস্থার সিইও পদে ছিলেন।

    সঞ্জয় পুগালিয়া

    সঞ্জয় পুগালিয়া একজন রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক সাংবাদিক। তিনি CNBC-Awaaz-এর প্রতিষ্ঠাতা ও এতে তিনি ১২ বছর ধরে নেতৃত্ব দেন। এর আগে, সংবাদ পরিচালক পদে, জি নিউজের প্রধান এবং আজতকের প্রতিষ্ঠাতা দলের অংশ ছিলেন।

    সেন্থিল চেঙ্গালভারায়ণ

    সেন্থিল চেঙ্গালভারায়ণ, ভারতীয় ব্যবসায়িক সাংবাদিকতার সঙ্গে জড়িত। তাঁর ৩৫ বছরেরও বেশি অভিজ্ঞতা রয়েছে। চেঙ্গালভারায়ণ ছিলেন CNBC TV18-এর প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক এবং তারপর তিনি নেটওয়ার্ক 18-এর বিজনেস নিউজ রুমের এডিটর-ইন-চিফ পদেও ছিলেন।

  • Indian Expats: চলতি বছর প্রবাসীরা ভারতে কত ডলার পাঠাবেন জানেন?

    Indian Expats: চলতি বছর প্রবাসীরা ভারতে কত ডলার পাঠাবেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছেলে কিংবা মেয়ে। বিদেশে গিয়েছে চাকরি করতে। মাস গেলে রোজগার করছেন রাশি রাশি ডলার। তার একটা অংশ তাঁরা পাঠাচ্ছেন দেশে বাবা-মা কিংবা সংসারে। পৃথিবীর সব দেশেই এই চল রয়েছে। তবে জানা গিয়েছে, ২০২২ সালে এই প্রবাসীরা (Indian Expats) ভারতে (India) যে টাকা পাঠাবেন, তার সম্মিলিত পরিমাণ ১০০ বিলিয়ন ডলার। সম্প্রতি বিশ্বব্যাঙ্কের (World Bank) তরফেই এ খবর মিলেছে। শুধু তাই নয়, এ ক্ষেত্রেও পৃথিবীর অন্যান্য দেশকে পিছনে ফেলে এগিয়ে গিয়েছে ভারত।

    বিশ্বব্যাঙ্ক…

    কারণ ভারতই সেই দেশ, যে দেশের প্রবাসীরা তাঁদের দেশে পাঠিয়েছেন সব চেয়ে বেশি ডলার। বুধবার একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছে বিশ্বব্যাঙ্ক। তাতে বলা হয়েছে, গত বছরের চেয়ে ২০২২ সালে এই বৃদ্ধির হার ১২ শতাংশ বেশি। যার জেরেই প্রবাসীদের মাধ্যমে চলতি বছরে দেশে ঢুকেছে ১০০ বিলিয়ন ডলার। কেবল ভারতে এত ডলার ঢুকলেও, তা অন্যান্য কয়েকটি দেশের তুলনায় ঢের বেশি। বিশ্বব্যাঙ্কের ওই রিপোর্টেই জানা গিয়েছে, চলতি বছর সাউথ এশিয়ান দেশগুলিতে পাঠানো মার্কিন ডলারের পরিমাণ ১৬৩ বিলিয়ন। বিশ্বব্যাঙ্কের বক্তব্য, এই প্রথম কোনও একটি দেশ এককভাবে প্রবাসীদের মাধ্যমে এক বছরে ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ঘরে তুলবে। বিশ্বব্যাঙ্কের ওই রিপোর্ট থেকেই জানা গিয়েছে, ভারতে বৃদ্ধির হার ১২ শতাংশ হলেও, নিম্ন ও মধ্য আয়ের দেশগুলিতে এই বৃদ্ধির হার মাত্র ৫ শতাংশ। প্রবাসীরা (Indian Expats) যে ডলার দেশে পাঠান, তা উন্নত করে ওই পরিবারের অর্থনীতিকে।

    আরও পড়ুন: ‘‘পুরো হযবরল…’’, শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় মন্তব্য বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের

    বস্তুত, দরিদ্র ও মধ্যবিত্ত আয়ের মানুষের কাছে এই আয়ের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই আয়ের ফলে তাঁদের সংসারে দূর হয় দারিদ্র, খাবারে বৃদ্ধি পায় পুষ্টির মান। শুধু তাই নয়, এই আয়ের ফলে খাবারে পুষ্টির মান বাড়ায় জন্মের সময় শিশুর ওজনও বাড়ে। শিশুদের স্কুলে যাওয়ার প্রবণতাও বাড়ে। কারণ এ দেশে অর্থাভাবে স্কুলছুটের হার ক্রমবর্ধমান। আয় বৃদ্ধির কারণ হিসেবে দেখা যাচ্ছে, একদিকে যেমন তাঁদের মজুরি বেড়েছে, তেমনি অন্যদিকে আমেরিকায় বেড়েছে লেবার মার্কেটও। কেবল আমেরিকা নয়, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, বেলজিয়ামের মতো ইউরোপিয়ান দেশগুলিতেও বেড়েছে লেবার মার্কেট। গলফ কো-অপারেশন কাউন্সিলের অন্তর্ভুক্ত দেশগুলিতে মুদ্রাস্ফীতিও অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে। সব মিলিয়েই বেড়েছে দেশে ডলার পাঠানোর হার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Gujarat Election: বিজেপির রেকর্ড জয়, আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলির শিরোনামে গুজরাট নির্বাচনের ফল

    Gujarat Election: বিজেপির রেকর্ড জয়, আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলির শিরোনামে গুজরাট নির্বাচনের ফল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গুজরাটে ‘ল্যান্ডস্লাইড ভিক্টরি’- র সঙ্গে ক্ষমতায় ফিরেছে বিজেপি। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলির প্রথম পাতার শিরোনামজুড়ে শুধুই গুজরাট নির্বাচন (Gujarat Election)। বৃহস্পতিবার, ১৫৬টি আসনে জিতে রেকর্ড গড়েছে ক্ষমতাসীন দল বিজেপি। গুজরাট মসনদের ক্ষমতা টানা সাতবার ধরে রাখল তারা। তবে এই জয় ১৯৬০ সালে রাজ্যে দল গঠনের  পর থেকে সবচেয়ে বড় জয়।  

    সিঙ্গাপুরের স্ট্রেইট টাইমস, নিক্কেই এশিয়া, আল জাজিরা, ইন্ডিপেনডেন্ট, এবিসি নিউজের মতো বড় বড় সংবাদপত্র গুজরাট নির্বাচনের (Gujarat Election) ফলাফল নিয়ে খবর করেছে। ব্রিটিশ প্রকাশনা দ্য গার্ডিয়ান লিখেছে, প্রধানমন্ত্রী মোদি তাঁর ভারতীয় জনতা পার্টিকে উল্লেখযোগ্যভাবে অনুপ্রেরণা জুগিয়েছেন। এটি ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে দলের স্থায়ী জনপ্রিয়তার লক্ষণ। 

    কী লিখেছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলি? 

    ১৯৯৫ সাল থেকে গুজরাট বিধানসভা নির্বাচনে (Gujarat Election) বিজেপি নিজেদের জয়ের রথের চাকাকে থামতে দেয়নি। জাপানের নিক্কেই এশিয়া গুজরাটের এই জয়ের জন্য প্রধানমন্ত্রী মোদির জনপ্রিয়তাকে কৃতিত্ব দিয়েছে। সংবাদপত্রটিতে লেখা হয়, “মোদি রাজ্যে অত্যন্ত জনপ্রিয়। ২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগে প্রায় ১২ বছর গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।”

    জাপানি দৈনিকটি আরও লেখে, “মোদি রাজ্যে একাধিক প্রচার সমাবেশ করেছেন, বিজেপির প্রচারে তার উপস্থিতি বড় প্রভাব ফেলেছে। গুজরাটের অনেক বাসিন্দা এই বিষয়টিতে গর্বিত যে গুজরাটে জন্মগ্রহণকারী মোদি বিশ্ব স্তরে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করেন। এবং বাসিন্দারা তাঁকে সমর্থন (Gujarat Election) করাটা দায়িত্ব মনে করেন।” যুক্তরাষ্ট্র-ভিত্তিক সংবাদপত্র দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট লেখে যে, গুজরাটে রেকর্ড জয় ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে বিজেপির জন্য একটি বড় উৎসাহ। জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক অজয় গুদাবর্তি আল জাজিরাকে বলেছেন, “গুজরাটে বিজেপির এই জয় (Gujarat Election) হিন্দু ভোটের গভীর একীকরণের প্রমাণ।”      

    আরও পড়ুন: পরিষেবা ভাল নয়, তাই সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা করান না খোদ মুখ্যমন্ত্রী, সাধারণ মানুষ কোথায় যাবে?

    বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী মোদি তার ব্যক্তিগত ট্যুইটার অ্যাকাউন্টে গুজরাটের (Gujarat Election) জনগণকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, “ধন্যবাদ গুজরাট। অভূতপূর্ব নির্বাচনী ফলাফল দেখে আমি আবেগাচ্ছন্ন। মানুষ উন্নয়নের রাজনীতিকে আশীর্বাদ করেছেন এবং একই সঙ্গে এই আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করেছে যে তারা এই উন্নয়নকে আরও বেশি গতিশীল দেখতে চান। আমি গুজরাটের জনশক্তিকে প্রণাম জানাই। সমস্ত পরিশ্রমী বিজেপি কর্মীদের আমি বলতে চাই- আপনারা প্রত্যেকেই একজন চ্যাম্পিয়ন! এই ঐতিহাসিক জয় আমাদের কর্মীদের ব্যতিক্রমী কঠোর পরিশ্রম ছাড়া কখনোই সম্ভব হত না। আপনারাই আমাদের পার্টির আসল শক্তি।” 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • PM Modi: ‘ভূপেন্দ্র যাতে রেকর্ড ভাঙতে পারে, তাই কঠোর পরিশ্রম করেছিল নরেন্দ্র’, বললেন মোদি

    PM Modi: ‘ভূপেন্দ্র যাতে রেকর্ড ভাঙতে পারে, তাই কঠোর পরিশ্রম করেছিল নরেন্দ্র’, বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমি বলেছিলাম ভূপেন্দ্রই নরেন্দ্রর রেকর্ড ভাঙবেন। আর তার জন্য নরেন্দ্র মন-প্রাণ দিয়ে নিরন্তর পরিশ্রম করবে। আজ বলতে পারি, ভূপেন্দ্র নরেন্দ্রর রেকর্ড ভাঙতে পেরেছে। কথাগুলি যিনি বললেন তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। বৃহস্পতিবার দিল্লির দলীয় কার্যালয়ে গুজরাট নির্বাচনে (Gujarat Assembly Elections) বিজেপির (BJP) বিপুল জয় সম্পর্কে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে একথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

    রেকর্ড জয়…

    অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে এবার ফের গুজরাটের ক্ষমতায় ফিরেছে বিজেপি। গেরুয়া ঝড়ে খড়কুটোর মতো উড়ে গিয়েছেন বিরোধীরা। মোদি-অমিত শাহের রাজ্যে পঞ্চাশ শতাংশেরও বেশি ভোট পেয়েছে পদ্ম শিবির। এ রাজ্যের বিধানসভার আসন সংখ্যা ১৮২। তার মধ্যে ১৫৬টিতেই জয়ী হয়েছেন পদ্ম প্রার্থীরা। যা রেকর্ড। গুজরাটে দলের এই ফলের কৃতিত্ব যাঁকে দিয়েছে বিজেপি, তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। স্বরাজ্যে টানা প্রচার করে গিয়েছেন তিনি। যার ফলও ফলেছে হাতেনাতে। মোদিময় হয়ে উঠেছে গুজরাট। গুজরাটে দলের জয়ে উচ্ছ্বসিত প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং। তাই স্বীকার করে নিলেন নিজের পরিশ্রমের কথাও।

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, গুজরাটে নির্বাচনী প্রচার চালানোর সময়ই আমি বলেছিলাম নরেন্দ্র মোদির ২০০২ সালের রেকর্ড ভাঙতে হবে। আমি বলেছিলাম, ভূপেন্দ্রই নরেন্দ্রর রেকর্ড ভাঙবে। আর তার জন্য নরেন্দ্র মন-প্রাণ দিয়ে নিরন্তর পরিশ্রম করবে। আজ বলতে পারি, ভূপেন্দ্র নরেন্দ্রর রেকর্ড ভাঙতে পেরেছে। গুজরাটে বিজেপির এই বিপুল সাফল্যের জন্য জনগণকেও ধন্যবাদ জানাতে ভোলেননি প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, আপনারা আমাদের (বিজেপি) ওপরে যে বিশ্বাস ও ভরসা রেখেছেন, তাতে আমি আপ্লুত।

    আরও পড়ুন: ঐতিহাসিক জয়ের পর গুজরাটের ‘জনশক্তি’-কে প্রণাম প্রধানমন্ত্রীর, ট্যুইটে কী লিখলেন মোদি?

    গুজরাটের বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র প্যাটেলেরও ভূয়সী প্রশংসা করেন মোদি। বলেন, আজ, ভূপেন্দ্র ভাই প্যাটেল নিজের আসনে দু লক্ষেরও বেশি ভোটে জয়ী হয়েছে। চমৎকার ফল এটা। একটি বিধানসভা আসনে দু লক্ষের বেশি ভোটে জয়ী হওয়া অনেক বড় বিষয়। তিনি (PM Modi) বলেন, অনেক লোকসভা কেন্দ্রেও এত ব্যবধানে জয় পান না প্রার্থীরা। এদিন বিরোধীদেরও একহাত নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। আপ এবং কংগ্রেসকে নিশানা করে তিনি বলেন, আজকের রাজনৈতিক দলগুলি মানুষের মধ্যে বিভাজন করে। কিন্তু একটা বিষয় হল, আমাদের মাতৃভূমিকে ঐক্যবদ্ধ করতে হবে। তিনি বলেন, একমাত্র বিজেপিই মাতৃভূমির স্বার্থে কাজ করে। তাই আজ ভারতের সিংহভাগ মানুষের প্রথম পছন্দ বিজেপিই।

     

     

     

  • Gujarat Election: ‘যারা মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, গুজরাটবাসী তাদের প্রত্যাখ্যান করেছেন’, শাহি নিশানায় কে?  

    Gujarat Election: ‘যারা মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, গুজরাটবাসী তাদের প্রত্যাখ্যান করেছেন’, শাহি নিশানায় কে?  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যারা মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, তাদের প্রত্যাখ্যান করেছেন গুজরাটের মানুষ। বৃহস্পতিবারের বারবেলায় এই ভাষায়ই দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের দল আম আদমি পার্টিকে (AAP) আক্রমণ শানালেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথা বিজেপি (BJP) নেতা অমিত শাহ (Amit Shah)। গুজরাট বিধানসভার (Gujarat Election) মোট আসন সংখ্যা ১৮২টি। তার মধ্যে সে রাজ্যের শাসক দল বিজেপি পেয়েছে ১৫০টিরও বেশি আসন। গেরুয়া ঝড়ে খড়কুটোর মতো উড়ে গিয়েছে আপ, কংগ্রেস (Congress)। 

    গুজরাট জয় যে…

    বিজেপির গুজরাট জয় যে স্রেফ সময়ের অপেক্ষা এদিন বেলা গড়াতেই বুঝে যান পদ্ম নেতারা। পরে এনিয়ে ট্যুইট করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। গুজরাটবাসীকে ধন্যবাদ জানিয়ে পরপর ট্যুইট করেন তিনি। ট্যুইটারে শাহ লিখেছেন, নরেন্দ্র মোদিজির বিজেপি গুজরাট অভূতপূর্ব জনাদেশ পেয়েছে। যা উন্নয়ন ও জনকল্যাণের মাধ্যমেই পেয়েছে। আর যারা তুষ্টির রাজনীতি করে তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে। অন্য একটি ট্যুইটে শাহ লিখেছেন, এই বিপুল জয় থেকে স্পষ্ট যে, মহিলা, যুব, কৃষক সহ সকলের মনে রয়েছে বিজেপি। গুজরাট সব সময় ইতিহাস তৈরি করে। গত দু দশক ধরে মোদিজির নেতৃত্বে বিজেপি গুজরাটে উন্নয়নের সমস্ত রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে। গুজরাটের মানুষ বিজেপিকে আশীর্বাদ করেছে এবং জয়ের সমস্ত রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে। এটা নরেন্দ্র মোদির উন্নয়ন মডেলের উপর বিশ্বাসের জয়।

    আরও পড়ুন: আজ শাহের দরবারে সুকান্ত! জানেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে কী কথা রাজ্য বিজেপি সভাপতির?

    প্রসঙ্গত, গুজরাট বিধানসভার নির্বাচন (Gujarat Election) হয় ডিসেম্বরে, দু দফায়। ফল প্রকাশ হয় বৃহস্পতিবার। এদিন সকালে গণনার শুরু থেকেই এগিয়ে যেতে থাকে বিজেপি। দ্বিতীয় রাউন্ড ভোট গণনার শুরুতেই ১৫০রও বেশি আসন চলে যায় গেরুয়া ঝুলিতে। এদিন বিকেল পর্যন্ত পাওয়া খবরে জানা যায়, দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে কংগ্রেস। আর মাত্র ৫টি আসন পেয়ছে কেজরিওয়ালের দল।

    বিজেপির জয়ের খবরে খুশির হাওয়া পদ্ম শিবিরে। গুজরাটে প্রতিষ্ঠান বিরোধী নয়, প্রতিষ্ঠান কেন্দ্রিক ভোট হয়েছে বলে মনে করেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। তিনি বলেন, গুজরাটে প্রতিষ্ঠান কেন্দ্রিক ভোট হয়েছে। আমরা গুজরাটে নয়া রেকর্ড সৃষ্টি করেছি। রাজ্যবাসীর প্রচুর বিশ্বাস রয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ওপর। তাই এই ফল।  

    প্রসঙ্গত, এবার ত্রিমুখী লড়াই হয়েছে গুজরাটে (Gujarat Election)। বিজেপি এবং কংগ্রেস ছাড়াও লড়াইয়ের ময়দানে হাজির ছিল আপ। বুধেই দিল্লি পুরভোটে জয় পেয়েছে আপ। বৃহস্পতিবার তারাই গুজরাটে উড়ে গিয়েছে গেরুয়া ঝড়ে। তাই আপকেই নিশানা করেন শাহ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

LinkedIn
Share