Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Gujarat Poll: গুজরাটে শুরু দ্বিতীয় দফার নির্বাচন! ভোট দিলেন মোদি-শাহ

    Gujarat Poll: গুজরাটে শুরু দ্বিতীয় দফার নির্বাচন! ভোট দিলেন মোদি-শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুরু হয়ে গেল দ্বিতীয় দফার গুজরাট নির্বাচন। ১৪টি জেলার ৯৩ টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ আজ। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ আজ ভোট দেবেন। দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে যেসব হেভিওয়েট প্রার্থীদের ভাগ্য নির্ধারণ হবে তাঁদের মধ্যে রয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র প্যাটেল, হার্দিক প্যাটেল, অল্পেশ ঠাকুররা। হার্দিকের বিপরীতে লড়বেন জিগনেশ মেভানি। ছোটো উদয়পুর থেকে লড়াই করবেন কংগ্রেসের সুখরাম রাথাভা।

    প্রধানমন্ত্রীর আবেদন

    আজ সকালে আমেদাবাদের নিশান পাবলিক স্কুলে ভোট দিলেন মোদি। আমেদাবাদের রনিপে ভোট দিলেন প্রধানমন্ত্রী। রীতিমতো লাইনে দাঁড়িয়ে ভোটার কার্ড দেখিয়ে ভোট দিলেন তিনি। তাঁকে ঘিরে সকাল থেকেই উৎসাহ ছিল তুঙ্গে। অনেকে রাস্তায় প্রধানমন্ত্রীকে ( Narendra Modi ) এক ঝলক দেখতেই ভিড় জমিয়ে দেন। তিনি ভোট দিতে যাচ্ছেন যখন, তখন চারিদিক থেকে  স্লোগান ওঠে তাঁর নামে। ভোট দিয়ে বেরিয়ে এসে প্রধানমন্ত্রী বলেন, গুজরাটে যে ভাবে নির্বাচন হচ্ছে, তা সারা দেশের কাছে একটি দৃষ্টান্ত । এই ভোট খুব স্বচ্ছতার সঙ্গে ও ভালভাবে হচ্ছে । তিনি নির্বাচন পরিচালনার জন্য নির্বাচন কমিশনকেও ধন্যবাদ জানান।

     
     
     
     
     
    View this post on Instagram
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     

    A post shared by Narendra Modi (@narendramodi)

     

    প্রধানমন্ত্রী ভোট দেবেন বলে অতিরিক্তি নিরাপত্তা চাদরে মোড়া হয়েছে সেই বুথ। এদিন ভোটগ্রহণ পর্ব শুরুর আগে সকল ভোটারদের ভোট দেওয়ার অনুরোধ জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি এদিন ট্যুইটে লিখেছেন, ‘দ্বিতীয় দফা গুজরাট নির্বাচনে ভোটদানের আবেদন জানাচ্ছি। বিশেষ করে যুব ও মহিলা ভোটারদের। আমি সকাল ৯ টা নাগাদ  ভোট দেব।’ 

    ভোট দেওয়ার জন্য রবিবারই রাজ্যে পৌঁছেছেন মোদি। এদিন তিনি নির্বাচনে বিজেপির জয়ের জন্য মায়ের আশীর্বাদও নেন। এদিন কড়া নিরাপত্তার মধ্যে, গান্ধীনগরে মায়ের বাড়িতে যান প্রধানমন্ত্রী। তাঁর, মায়ের সঙ্গে কাটানো মুহূর্তের কয়েকটি ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরালও হয়েছে। ছবিগুলিতে দেখা যাচ্ছে, মা হিরাবেন মোদিকে পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করছেন নরেন্দ্র মোদি। তাঁকে মায়ের সঙ্গে বসে চা-ও খেতে দেখা যায়।

    ভোটের টুকিটাকি

    দ্বিতীয় দফা নির্বাচনে বিজেপি ও অরবিন্দ কেজরীবালের আপ  ৯৩টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। ৯০ টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে কংগ্রেস। আর কংগ্রেসের জোটসঙ্গী দুটি আসনে প্রার্থী দিয়েছে। আমেদাবাদ, ভদোদরা, গান্ধীনগর ও অন্যান্য জেলা জুড়ে এই ৯৩ টি আসন ছড়িয়ে রয়েছে। এদিন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ শহরের নারানপুরা এলাকায় ভোট দেবেন। তাছাড়া সোমবার ভোট দেবেন ভারতীয় দলের প্রাক্তন ক্রিকেটার ইরফান পাঠান, ভারতীয় দলের তারকা অল-রাউন্ডার হার্দিক পান্ডিয়া ও ক্রুনাল পান্ডিয়া।

    প্রসঙ্গত, ১ ডিসেম্বর প্রথম দফা নির্বাচনে ভোট পড়েছিল ৬৩.৩১ শতাংশ। আগামী ৮ ডিসেম্বর ভোটের ফলাফল প্রকাশিত হবে। দ্বিতীয় দফা নির্বাচনে ২৬,৪০৯ ভোটগ্রহণ কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। ৮৪ হাজার পোলিং অফিসার মোতায়েন রয়েছে। সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন নিশ্চিত করবেন তাঁরা। এদিনের নির্বাচনে মোট প্রার্থী সংখ্যা ৮৩৩। ২.৫ কোটির বেশি নাগরিক এই দ্বিতীয় দফা নির্বাচনে ভোট দিতে পারবেন।

    আরও পড়ুন: ‘‘আমার বন্ধু নরেন্দ্র মোদিকে বিশ্বাস কর…’’ কেন বললেন মাক্রঁ, জানেন?

    পতিদার সম্প্রদায়ের আন্দোলনের বিরাট প্রভাব দেখা গিয়েছিল গত বিধানসভা নির্বাচনে। সেই আন্দোলনের নেতৃত্বে ছিলেন হার্দিক প্যাটেল। পরে তিনি কংগ্রেসে যোগ দিয়েছিলেন। তবে কয়েকমাস আগে কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন হার্দিক। গুজরাটে প্রায় ৪০টি এমন আসন রয়েছে, যেখানে পতিদার ভোটাররা একটি নির্ধারক ভূমিকা পালন করেন। প্যাটেল সম্প্রদায় গুজরাটের জনসংখ্যার প্রায় ১৮ শতাংশ। এদিন ভোটের আগে হার্দিক প্যাটেল বলেন, ‘সবাইকে ভোট দেওয়ার জন্য অনুরোধ করছি। বিজেপি আইনশৃঙ্খলা বজায় রেখেছে এবং গুজরাটের উন্নয়নে কাজ করেছে। আমি চাই সব গুজরাটি বিজেপিকে ভোট দিন। আমাদের ভোটের ক্ষমতা প্রয়োগ করা উচিত কারণ নির্বাচন গণতন্ত্রের সৌন্দর্য।’

  • High Court slams Bihar Police:  বেআইনিভাবে বুলডোজার চালানোয় বিহার পুলিশকে ভর্ৎসনা হাইকোর্টের

    High Court slams Bihar Police: বেআইনিভাবে বুলডোজার চালানোয় বিহার পুলিশকে ভর্ৎসনা হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বেআইনি ভাবে বুলডোজার চালানোর অভিযোগে বিহার পুলিশকে তিরস্কার করল পাটনা হাইকোর্ট (High Court slams Bihar Police)। এক মহিলার বাড়ি বুলডোজার দিয়ে ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে বিহার পুলিশের বিরুদ্ধে। বিচারপতি সরাসরি বিহার পুলিশকে জিজ্ঞেস করেন, “রাজ্যের দেওয়ানি আদালতগুলি কী বন্ধ হয়ে গিয়েছে? পুলিশ, ভূমি মাফিয়াদের সঙ্গে যোগসাজশে, কোনও রকম আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ না করেই আইন নিজের হাতে তুলে নিচ্ছে।”    

    ভুমি ও রাজস্ব দফতর ও পুলিশের আধিকারিকদের ৮ ডিসেম্বর আদালতে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেন বিচারপতি সন্দীপ কুমার। শুক্রবার একটি ভিডিও ভাইরাল হয়। সেই ভিডিও সম্পর্কে বলতে গিয়েই এই কথা বলেন বিচারপতি (High Court slams Bihar Police)। তিনি বলেন, পুলিশ আধিকারিকদের হলফনামা পড়ে মনে হচ্ছে সব পুলিশকর্মী কিছু ভূমি মাফিয়ার সঙ্গে যোগসাজশ করছেন। তারা আইনের যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে অবৈধভাবে আবেদনকারীর বাড়ি ভেঙে দিয়েছেন।

    আরও পড়ুন: কয়েক মাসের লড়াইয়ের ফল, ‘নীতি পুলিশ’ তুলে নিচ্ছে তেহরান

    কী বলে আদালত? 

    ক্ষোভ প্রকাশ করে আদালত মন্তব্য করে, বিহার পুলিশ (High Court slams Bihar Police) কার প্রতিনিধিত্ব করে, দেশের না কোনও ব্যক্তির? পাটনার বিজয় নগরের স্থানীয় থানার ওসির বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন সেই মহিলা, যার বাড়ি ভাঙা হয়েছে। তিনি অভিযোগ করে বলেন, যে জমি মাফিয়াদের নির্দেশে জমি খালি করার জন্য তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করা হয়েছে। পুলিশ আধিকারিকের নির্দেশে স্থানীয় থানার পুলিশ বাড়িটি ভেঙে দেয়। আদালতে অভিযোগের পর পাল্টা হলফনামা দেন থানার আধিকারিক। বিচারপতি সন্দীপ কুমারের একটি বেঞ্চ প্রাথমিক পর্যালোচনায় বলেছিল আইনের যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে বেআইনিভাবে বাড়িটি ভাঙা হয়েছে। আগামী ৮ ডিসেম্বর শুনানির পরবর্তী দিন ধার্য করা হয়েছে।    

    পাটনা হাইকোর্ট (High Court slams Bihar Police) তার পর্যবেক্ষণে বলেছে, “এই ধরনের পুলিশ ও অপরাধমূলক সম্পর্ক আদালতকে উপহাস করেছে। জমি সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির অজুহাতে একজন মহিলার বাড়ি ভাঙার এই ক্ষমতা পুলিশকে কে দিয়েছে? কোন আইন পুলিশকে এই ধরনের কাজের ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা দিয়েছে?”  

    বিচারপতি সন্দীপ কুমার (High Court slams Bihar Police) বলেন, পুলিশ আবেদনকারী ওই মহিলার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছে। বেআইনিভাবে তাঁর বাড়ি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এই মামলায় পাঁচ প্রভাবশালী ব্যক্তির যোগসাজশের প্রমাণও মিলেছে। আদালত এই মামলায় সকলকে পাঁচ লাখ টাকা জরিমানাও নির্দেশ দিয়েছে। আগামী ৮ ডিসেম্বর ফের শুনানির দিন ধার্য করেছে আদালত।  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • Hindu: হিন্দুদের নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য,  ক্ষমা চাইলেন বদরুদ্দিন আজমল

    Hindu: হিন্দুদের নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য, ক্ষমা চাইলেন বদরুদ্দিন আজমল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দুদের নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করার একদিন পর, অল ইন্ডিয়া ইউনাইটেড ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের (এআইইউডিএফ) প্রধান বদরুদ্দিন আজমল শনিবার ‘ক্ষমা’ চেয়ে বলেন যে কারও অনুভূতিতে আঘাত করার কোনও উদ্দেশ্য তাঁর ছিল না।

    আজমলের বিবৃতি

    “কোনও সম্প্রদায়ের অনুভূতিতে আঘাত করার কোনও উদ্দেশ্যই আমার ছিল না। আমি আমার বক্তব্যে গভীরভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি। একজন সিনিয়র নেতা হিসেবে আমার এমন মন্তব্য করা উচিত হয়নি। আমার মন্তব্যে আহত সকলের কাছে আমি ক্ষমাপ্রার্থী। গতদিনের বিবৃতিতে আমি লজ্জিত। সরকার যেন সংখ্যালঘুদের প্রতি ন্যায়বিচার করে এবং তাদের জন্য  শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করে, এটুকুই আমার প্রত্যাশা।” এটাই ছিল আজমলের এদিনের বিবৃতি। তাঁর আরও সংযোজন , জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ নিয়ে আমাদের ভাবার প্রয়োজন আছে।

    আরও পড়ুন: খোশমেজাজে জেলবন্দি আফতাব! দিন কাটছে দাবা খেলে, বই পড়ে

     প্রসঙ্গত গত শুক্রবার বদরউদ্দিন আজমল বলেছিলেন যে মুসলমানদের মতো হিন্দুদেরও অল্প বয়সে বিয়ে করা উচিত।

    “মুসলিম পুরুষরা ২০-২২ বছর বয়সে বিয়ে করে আর মুসলিম মহিলারা ১৮ বছর বয়সে বিয়ে করে, যেমনটি সরকারি আইন রয়েছে। তবে, তাদের (হিন্দুদের) বিয়ের আগে একটি দুটি বা তিনটি অবৈধ স্ত্রী থাকে। তারা সন্তানের জন্ম দেয় না”। এমনটাই শুক্রবার বলেছিলেন এআইইউডিএফ প্রধান।

    মিঃ আজমল বলেন, “তাদেরও (হিন্দুদের) মুসলমানদের অনুসরণ করা উচিত এবং অল্প বয়সে বিয়ে করা দরকার। ছেলেদের ২০-২২ বছর বয়সে এবং মেয়েদের ১৮-২০ বছর বয়সে বিয়ে দিন এবং তারপর দেখুন কত সন্তানের জন্ম হয়। “

    বিজেপির প্রতিক্রিয়া

    আসামের বিজেপি বিধায়ক দিগন্ত কলিতা, এআইইউডিএফ প্রধানের এই মন্তব্যের জন্য তীব্র নিন্দা করে বলেছেন, “ওনার বাংলাদেশে ফিরে যাওয়া উচিত। আমাদের বদরউদ্দিন আজমলের কাছ থেকে শেখার দরকার নেই। এটা ভগবান রাম এবং দেবী সীতার দেশ। এখানে বাংলাদেশিদের কোনো জায়গা নেই”।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

    ​

  • Delhi Civic Polls: চলছে দিল্লি পুরসভার ভোট, বিজেপি-কংগ্রেস-আপ, শেষ হাসি হাসবে কে?

    Delhi Civic Polls: চলছে দিল্লি পুরসভার ভোট, বিজেপি-কংগ্রেস-আপ, শেষ হাসি হাসবে কে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লিতে (Delhi) পুরসভাগুলির সংযুক্তিকরণের পর প্রথম বড় নির্বাচন (Delhi Civic Polls)। আজ, রবিবার সকাল থেকে শুরু হয়েছে ভোট গ্রহণ পর্ব। মোট আসন ২৫০টি। লড়াই হচ্ছে ত্রিমুখী। বিজেপি (BJP), কংগ্রেস (Congress) এবং আপের (AAP)। ভোট গণনা হবে ৭ ডিসেম্বর। ২৫০টি ওয়ার্ডের প্রায় দেড় কোটি মানুষ অংশ নিচ্ছেন ভোটদানে। ভোট গ্রহণ পর্ব শুরু হয়েছে সকাল আটটায়। বিকেল সাড়ে পাঁচটায় বন্ধ করে দেওয়া হবে বুথের গেট। জনতা যাতে আরও বেশি করে ভোট প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারে, সেজন্য এদিন অন্যান্য রবিবারের তুলনায় দু ঘণ্টা আগেই চালু হয়ে গিয়েছে মেট্রো পরিষেবা। ২৫০টি আসনে লড়াই করছেন ১৩০০-র বেশি প্রার্থী। প্রসঙ্গত, দিল্লিতে রাজ্য সরকার আম আদমি পার্টির। আর কেন্দ্রে রয়েছে বিজেপি। স্বাভাবিকভাবেই এ ভোটের দিকে নজর রয়েছে আম দিল্লিবাসীর।

    বিজেপি…

    গত আট বছরেরও বেশি সময় কেন্দ্রে ক্ষমতায় রয়েছে বিজেপি। তবে গত ২৪ বছরে তারা সরকার গড়তে পারেনি। ২০১৫ সালের নির্বাচনে ৭০টি আসনের মধ্যে ৬৭টি আসন পায় আম আদমি পার্টি। তার দু বছর পরে পুরসভা নির্বাচনে (Delhi Civic Polls) ২৭২টি আসনের মধ্যে বিজেপির হাতে যায় ১৮১টি আসনের রশি। দ্বিতীয় হয় আপ। তাদের দখলে যায় ৪৮টি আসন। আর মাত্র ৩০টি আসন নিয়েই সন্তুষ্ট হতে হয় কংগ্রেসকে।

    প্রচারে এক ইঞ্চিও জমি কেউ কাউকে ছাড়েনি আপ কিংবা বিজেপি। বস্তি এলাকায় পুনর্বাসনে ফ্ল্যাটের চাবি হস্তান্তর করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রচার নামেন অমিত শাহ, জেপি নাড্ডা এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা। কোমর কষে প্রচার করে আপও। মোদির ডাবল ইঞ্জিন সরকারের মোকাবিলায় আপ কেজরিওয়ালের সরকারকে হাতিয়ার করেছে। প্রচারে বিজেপি আবাসনের প্রতিশ্রুতির পাশাপাশি মণীশ সিসোদিয়া সহ আপের মন্ত্রীদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ করে প্রচার চালিয়ে গিয়েছে। প্রচারে বেরিয়ে আপকে নিশানা করেছে কংগ্রেসও।

    আরও পড়ুন: গুজরাটে ভোটদানের হার কম, ক্ষমতায় ফিরছে বিজেপি?

    এদিকে, এদিন ভোট (Delhi Civic Polls) দিতে গিয়ে দিল্লি কংগ্রেস সভাপতি অনিল চৌধুরী দেখেন, ভোটার তালিকায় নাম নেই তাঁর। তাই ভোট না দিয়েই ফিরতে হয় তাঁকে। যদিও ভোট দিয়েছেন তাঁর স্ত্রী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Sundar Pichai: ‘ভারত আমারই এক অংশ’, পদ্মভূষণ পেয়ে বললেন সুন্দর পিচাই

    Sundar Pichai: ‘ভারত আমারই এক অংশ’, পদ্মভূষণ পেয়ে বললেন সুন্দর পিচাই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রে সান ফ্রান্সিসকোতে পদ্মভূষণ সম্মানে ভূষিত হলেন গুগল এবং অ্যালফাবেটের সিইও সুন্দর পিচাই (Sundar Pichai)। শিল্প ও বাণিজ্য বিভাগে তাঁর অবদানের কারণে তাঁকে ভারতের তৃতীয় সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মানে সম্মানিত করা হল। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ভারতের রাষ্ট্রদূত তরণজিৎ সিং সান্ধু সুন্দর পিচাইয়ের হাতে এই বিশেষ পুরস্কার তুলে দেন। পুরস্কার দিয়ে তিনি বলেন, “মাদুরাই থেকে এত দূর পর্যন্ত সুন্দর পিচাইয়ের এই যাত্রা বিশ্ব মঞ্চে ভারতের প্রতিভা ও উদ্ভাবনী শক্তির প্রমাণ।”

    আরও পড়ুন: ‘বোমা বাঁধছিলেন তৃণমূল নেতা’, ভূপতিনগরের ঘটনায় এনআইএ তদন্তের দাবি শুভেন্দুর

    কী বললেন সুন্দর? 

    পুরস্কার পাওয়ার পর সুন্দর পিচাই (Sundar Pichai) বলেন, “ভারত বরাবরই আমার একটি বড় অংশ। সরকার তথা দেশবাসীর প্রতি আমি কৃতজ্ঞ।” এদিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভূয়সী প্রশংসা করেন তিনি। প্রযুক্তি নিয়ে তাঁর উদ্যোগ এবং দূরদর্শিতাকেও কুর্নিশ জানান। তিনি বলেন, “আমি গুগল এবং ভারতের মধ্যে বন্ধুত্ব এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে আশাবাদী। আরও বেশি মানুষের কাছে আমরা প্রযুক্তির সুবিধা পৌঁছে দিতে চাই। আমরা সম্প্রতি ভারতের ডিজিটাল উন্নয়নের জন্য ১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা করেছি। এর মাধ্যমে আরও সস্তায় ইন্টারনেট অ্যাক্সেস সকলের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে। এর পাশাপাশি সমস্ত ছোটবড় ব্যবসাকেই ডিজিটাল রূপান্তরিত হতে সহায়তা করব।”

     


    তিনি (Sundar Pichai) আরও বলেন, “আমি ভাগ্যবান যে এমন একটা পরিবারে জন্মেছি, যেখানে জ্ঞান ও শিক্ষাকে এভাবে লালন করা হয়েছিল।” পাশাপাশি নিজের অভিভাবকদের প্রতিও তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, তাঁরা সুন্দরের স্বপ্নকে সত্যি করতে বহু আত্মত্যাগ করেছিলেন। 

    প্রসঙ্গত, খড়গপুর আইআইটির প্রাক্তন ছাত্র সুন্দর পিচাই (Sundar Pichai)। তামিলনাড়ুর মাদুরাইয়ে জন্মগ্রহণ করেন সুন্দর। ২০০৪ সালে গুগলের সঙ্গে যুক্ত হন তিনি। পরবর্তীতে তিনি ওই সংস্থার সিইও হন। পরে সার্চ ইঞ্জিনটির সত্বাধিকারী সংস্থা Alphabet Inc-এর ‘চিফ এগজিকিউটিভ অফিসার’ পদেও আসীন হন তিনি। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     

       

     

  • NDA: দেশকে রক্ষা করার জন্য ছাড়লেন আইআইটি-র সুযোগ! জানুন গৌরব যাদবের স্বপ্নপূরণের কাহিনী

    NDA: দেশকে রক্ষা করার জন্য ছাড়লেন আইআইটি-র সুযোগ! জানুন গৌরব যাদবের স্বপ্নপূরণের কাহিনী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মানুষ তাঁর স্বপ্ন পূরণ করার জন্য কত কিছুই না করতে পারে। আর তারই এক জ্বলজ্যান্ত উদাহরণ হল গৌরব যাদব। ছোট থেকেই স্বপ্ন ভারতীয় সেনাবাহিনীতে যোগদান করার। দেশকে রক্ষা করার তীব্র বাসনার জন্য আইআইটির সুযোগও ছেড়ে দিলেন তিনি ও এমনকি বাড়িতেও বললেন মিথ্যা! তিনি ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজির (আইআইটি) এন্ট্রাস পরীক্ষায় পাশ করেও লুকিয়ে রেখেছিলেন পরিবারের থেকে। আর আজ শেষপর্যন্ত সশস্ত্র বাহিনীতে যোগ দিয়ে নিজের স্বপ্নপূরণ করলেন কৃষক পরিবারের ছেলে গৌরব যাদব। দীর্ঘ লড়াইয়ের পরে অবশেষে এনডিএ (NDA) থেকে পাশ করলেন তিনি, তাও একেবারে সোনার মেডেল পেয়ে।

    গৌরবের স্বপ্নপূরণ…

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, রাজস্থানের আলওয়ার জেলার জাজোর-বাস গ্রামের কৃষক পরিবারের ছেলে গৌরব। ছেলেবেলা থেকেই পড়াশোনায় অত্যন্ত ভালো ছিলেন। হরিয়ানার রেওয়ারির কেরল পাবলিক স্কুল থেকে দশম শ্রেণিতে এ+ গ্রেড নিয়ে উত্তীর্ণ হয়েছিলেন। দ্বাদশ শ্রেণির বোর্ড পরীক্ষায় ৯৬ শতাংশ নম্বর পেয়েছিলেন। তারপর দেশের অন্যতম সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আইআইটির এন্ট্রাস পরীক্ষায় পাশ করেছিলেন। কিন্তু তাঁর স্বপ্ন ছিল দেশকে রক্ষা করা।

    আরও পড়ুন: আইপিএলের মিনি নিলামে ৯৯১ জন ক্রিকেটারের নাম নথিভুক্ত 

    তাই তিনি বাড়িতে আইআইটি-এ পাশ করার বিষয়টি লুকিয়ে যান ও প্রস্তুতি নিতে শুরু করেন এনডিএ-র (NDA) এন্ট্রাস পরীক্ষার জন্য। প্রথম দু’বার এনডিএয়ের এন্ট্রাস পরীক্ষায় পাশ করেছিলেন গৌরব। কিন্তু স্বপ্ন আটকে গিয়েছিল এসএসবি-এর ইন্টারভিউয়ে। কিন্তু তৃতীয়বারে সেই ধাপ পেরিয়ে নিজের স্বপ্নপূরণের পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল। ফলে শেষ পর্যন্ত অ্যাকাডেমির সেরা ছাত্র হিসাবে পাশ করলেন তিনি। রাষ্ট্রপতির সোনার পদক পেয়ে এবার সেনাবাহিনীতে যোগ দেবেন তিনি।

    গৌরবের এই জীবনকাহিনী থেকেই বোঝা যায়, চেষ্টা থাকলে তাঁকে তাঁর লক্ষ্যপূরণ থেকে কেউ আটকাতে পারবে না। গৌরবের এই স্বপ্নপূরণের দিনে তাঁর পরিবারের সদস্য বাবা-মা প্রত্যেকই তাঁর জন্য গর্বিত। তাঁদেরও দৃঢ়বিশ্বাস ছিল যে, তাঁদের ছেলে একদিন জীবনে সফল হবেই।

    আরও পড়ুন: ড্রোন শিকারে চিল! ভারতীয় সেনাবাহিনীতে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে ‘অর্জুন’ নামক পাখিকে 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Digital Currency: চালু  হয়ে গিয়েছে ডিজিটাল মুদ্রা, কোথায় কোথায় জানেন?

    Digital Currency: চালু  হয়ে গিয়েছে ডিজিটাল মুদ্রা, কোথায় কোথায় জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার থেকে দেশে চালু হয়ে গিয়েছে ডিজিটাল মুদ্রা (Digital Currency)। ডিজিটাল মুদ্রা নিয়ে এটি রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার পাইলট প্রকল্প। রিজার্ভ ব্যাঙ্কের (RBI) এই ডিজিটাল মুদ্রার নাম দেওয়া হয়েছে সেন্ট্রাল ব্যাঙ্ক ডিজিটাল কারেন্সি (CBDC)। ভারতের (India) মোট চারটি শহরে চালু হয়েছে এই পাইলট প্রকল্প। এই শহরগুলি হল, মুম্বই, দিল্লি, বেঙ্গালুরু এবং ভুবনেশ্বর।

    সুবিধা মিলবে ব্যাঙ্কে…

    স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া, আইসিআইসিআই ব্যাঙ্ক, ইয়েস ব্যাঙ্ক এবং আইডিএফসি ফার্স্ট ব্যাঙ্কের মাধ্যমে এই চারটি শহরে হবে ডিজিটাল মুদ্রার লেনদেন। জানা গিয়েছে, ব্যাঙ্ক থেকে ডিজিটাল মুদ্রা কিনে ওয়ালেট থেকে ওয়ালেটে লেনদেন করা হবে। মনে রাখতে হবে, এই ডিজিটাল মুদ্রা পেটিএম এবং গুগল পে-র মতো মোবাইল ওয়ালেটগুলির সঙ্গে প্রতিযোগিতা করবে না। প্রসঙ্গত, আপাতত চারটি ব্যাঙ্ক এই পাইলট প্রকল্পে যোগ দিলেও, পরে ধাপে ধাপে ব্যাঙ্ক অফ বরোদা, ইউনিয়ন ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া, এইচডিএফসি ব্যাঙ্ক এবং কোটাক মাহিন্দ্রা ব্যাঙ্ক এই পাইলট প্রকল্পে যোগ দেবে।

    প্রসঙ্গত, এর আগে আরবিআইয়ের তরফে ডিজিটাল মুদ্রায় (Digital Currency) লেনদেনের কোনও ব্যবস্থা ছিল না। এর আগে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার তরফে ঘোষণা করা হয়েছিল, শুধু মাত্র নির্দিষ্ট কিছু গ্রাহক ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে পরীক্ষামূলকভাবে ই-রুপি লেনদেন চালু হবে। সফল হলে পরবর্তী পদক্ষেপ স্থির করা হবে। জানা গিয়েছে, ক্রিপ্টোকারেন্সির মতোই ই রুপি একটি ডিজিটাল টোকেন। তবে ভারতে এই ডিজিটাল রুপিকে আইনি স্বীকৃতি দেওয়া হবে। নোট এবং খুচরো কয়েনের সমান দামেই চালু হবে ডিজিটাল রুপি।

    আরও পড়ুন: ভাঙড়ে বোমা কারখানার হদিশ, তৃণমূল না আইএসএফ কারা বানাত?

    জানা গিয়েছে, ডিজিটাল ওয়ালেটের মাধ্যমে গ্রাহকরা ডিজিটাল মুদ্রার লেনদেন করতে পারবেন। শুধু তাই নয়, জমা রাখা যাবে মোবাইলের ওয়ালেটেও। একজন অন্যজনকে এই ডিজিটাল টাকা পাঠাতে পারবেন। পাশাপাশি কেউ এভাবে কোনও ব্যবসায়ীকে টাকা পাঠাতে পারবেন। সেক্ষেত্রে কিউআর কোড স্ক্যান করতে হবে। রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া জানিয়েছে, ব্যাঙ্কে নগদ টাকা জমা রাখলে যেমন সুদ পাওয়া যায়, এ ক্ষেত্রে তেমন কোনও সুদ মিলবে না। ব্যাঙ্কগুলি এই ডিজিটাল মুদ্রা (Digital Currency) আমানত রূপেও জমা রাখতে পারবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Allahabad High Court: কিউআর কোড স্ক্যান করে নেওয়া হচ্ছে ‘ঘুষ’! সাসপেন্ড হাইকোর্টের কর্মী

    Allahabad High Court: কিউআর কোড স্ক্যান করে নেওয়া হচ্ছে ‘ঘুষ’! সাসপেন্ড হাইকোর্টের কর্মী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউপিআই কোড স্ক্যান করে টাকা দেওয়াটা এখন স্বাভাবিক হয়ে গিয়েছে, এমনটা বলা যেতেই পারে। তবে এবারে এই কিউআর কোড স্ক্যান করেই ‘বকশিস’ বা ‘ঘুষ’ নেওয়ার অভিযোগ উঠল এক আদালত কর্মীর বিরুদ্ধে। এককথায় বলতে গেলে ঘুষ নেওয়ার আধুনিক পদ্ধতি হল এটি। তবে এই খবর জানাজানি হতেই ওই কর্মীর বিরুদ্ধে বড় পদক্ষেপ নিলেন হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি। সাসপেন্ড করা হল তাঁকে।

    ঠিক কী ঘটেছে?

    সম্প্রতি, সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হচ্ছে একটি ছবি। সূত্রের খবর অনুযায়ী, ভাইরাল ছবিটি এলাহাবাদ হাইকোর্টের। আর এই ছবিতে দেখা যায়, আদালত কক্ষের ভেতরেই আদালত কর্মীর ইউনিফর্মের উপরে কোমরের দিকে সাঁটানো পেটিএম-এর কিউআর কোড। আর সেই কিউআর কোড স্ক্যান করে অনেক আইনজীবীকেও দেখা গেল টাকা দিতে। আর এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই ওই কর্মীকে গতকাল সাসপেন্ড করলেন প্রধান বিচারপতি রাজেশ বিন্দাল।

    আরও পড়ুন: ভাঙড়ে বোমা কারখানার হদিশ, তৃণমূল না আইএসএফ কারা বানাত?

    জানা গিয়েছে, এলাহাবাদ হাইকোর্টের এই কর্মচারীর নাম রাজেন্দ্র কুমার। কিউআর কোড স্ক্যান করে ঘুষ নেওয়ার ছবি ভাইরাল হতেই তুঙ্গে বিতর্ক। এরপর ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই সঙ্গে সঙ্গে পদক্ষেপ নেন হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি রাজেশ বিন্দাল। ওই কর্মচারীকে সাসপেনশনের নোটিশ দিয়েছেন তিনি। এছাড়াও অভিযুক্ত কর্মীকে জানানো হয়েছে, সাসপেন্ড অবস্থায় তাঁকে হাইকোর্টের অ্যাকাউন্স ডিপার্টমেন্টের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে হবে। আবার পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত প্রয়াগরাজ ছাড়তেও পারবেন না তিনি।

    এলাহাবাদ হাইকোর্ট সূত্রে জানা গিয়েছে, চলতি বছরের ২৯ নভেম্বর এই বিষয়টি প্রধান বিচারপতির নজরে এসেছিল। হাইকোর্টের বিচারপতি অজিত কুমার পুরো ঘটনার কথা জানিয়ে চিঠি লেখেন প্রধান বিচারপতি রাজেশ বিন্দালকে। এরপরেই গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখে ওই অভিযুক্ত কর্মীর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেন ও তাঁকে সাসপেন্ড করেন।

    সরকারি দফতরে ঘুষ দেওয়া-নেওয়া আটকাতে বিভিন্ন ব্যবস্থা নেওয়া হয়। কিন্তু তারপরেও ঘুষ আটকানো যায় না। নিত্যনতুন পদ্ধতিতে ঘুষ দেওয়া-নেওয়া চলতেই থাকে। এবার তারই প্রমাণ মিলল এই এলাহাবাদ হাইকোর্টে। তবে কেন তিনি অনলাইন ঘুষ নেওয়ার কথা ভাবলেন, এই নিয়েও জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকে মনে করেছেন, নগদ টাকা ঘুষ হিসেবে নিলে সম্ভবত ধরা পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে, তাই হয়ত তিনি এই অভিনব পন্থায় ঘুষ নেওয়ার চেষ্টা করছিলেন। কিন্তু তাতেও লাভ হল না। শেষে বিচারপতির নজরে এসেই গেল তাঁর ‘বকশিস’ বা ‘ঘুষ’ নেওয়ার অভিনব পন্থা।

  • Gujarat Election: গুজরাটে ভোটদানের হার কম, ক্ষমতায় ফিরছে বিজেপি?  

    Gujarat Election: গুজরাটে ভোটদানের হার কম, ক্ষমতায় ফিরছে বিজেপি?  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বিঘ্নেই শেষ হল গুজরাট বিধানসভার প্রথম দফার নির্বাচন (Gujarat Election)। রাজ্যে বিধানসভার আসন সংখ্যা ১৮২। প্রথম দফায় ভোট হয়েছে ৮৯ বিধানসভা কেন্দ্রে। দ্বিতীয় দফার ভোট হবে ৫ ডিসেম্বর। এদিন কচ্ছ-সৌরাষ্ট্র এবং দক্ষিণ গুজরাটের ১৯টি জেলার ৮৯ আসনে ভোট হয়েছে। ভাগ্য পরীক্ষা হবে ৭৮৮ জন প্রার্থীর। ফল প্রকাশ হবে ৮ ডিসেম্বর।

    ভোটের জটিল অঙ্ক…

    ভোটদানের হার ছিল ৬০.২৩ শতাংশ। ২০১৭ সালে ভোটদানের হার ছিল ৬৬.৭৫ শতাংশ। সাধারণত ভোটদানের হার কম হলে ফের ক্ষমতায় ফেরে শাসক দল। ভোটদানের হার বেশি হলে ধরে নেওয়া হয় শাসক দলকে ক্ষমতাচ্যুত করতেই বেশি সংখ্যক মানুষ নির্বাচন প্রক্রিয়ায় অংশ গ্রহণ করেছেন। তবে বহুবারই এর ব্যতিক্রম হতে দেখা গিয়েছে। অবশ্য এই ধারণা সত্য হলে, এবারও গুজরাটের ক্ষমতায় ফিরছে বিজেপি।

    প্রথম দফার নির্বাচনে (Gujarat Election) উল্লেখযোগ্য প্রার্থীরা হলেন ক্রিকেটার রবীন্দ্র জাদেজার স্ত্রী বিজেপির রিভাবা। প্রাক্তন বিরোধী দলনেতা কংগ্রেসের পরেশ ধনানি। আম আদমি পার্টির মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী তথা টিভি সঞ্চালক ইসুদান গঢ়বী। ভারতীয় ট্রাইবাল পার্টির নেতা তথা বিদায়ী বিধায়ক ছোটু বাসভ।

    আরও পড়ুন: গুজরাট বিধানসভার নির্বাচন আজ প্রথম দফার ভোটগ্রহণ, অ্যাডভান্টেজ কে?

    এদিন ভোট (Gujarat Election) হয়েছে সুরাটে। এলাকাটি ডায়মন্ড সিটি নামে পরিচিত। বিজেপির শক্ত ঘাঁটি। এদিন ভোট হয়েছে সেই মরবিতেও। ৩০ অক্টোবর ব্রিজ ভেঙে মৃত্যু হয়েছিল ১৩৫ জনের। ঘটনার জেরে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়ে রাজ্যের শাসক দল বিজেপি। এই কেন্দ্রে বিজেপির তাস কান্তিলাল অম্রুতিয়। ব্রিজ দুর্ঘটনায় অনেকের প্রাণ বাঁচিয়েছিলেন তিনি। কংগ্রেসের প্রার্থী জয়ন্তীলাল প্যাটেল।

    গত বিধানসভা নির্বাচনে (Gujarat Election) এই ৮৯ আসনের মধ্যে গেরুয়া ঝুলিতে গিয়েছিল ৪৮টি। কংগ্রেস ও তার সহযোগীরা জয়ী হয়েছিল ৪০টি আসনে। পরে কয়েকজন কংগ্রেস বিধায়ক বিজেপিতে যোগ দেন। এবার নির্বাচন হচ্ছে ত্রিমুখী। কংগ্রেস এবং বিজেপির পাশাপাশি লড়াইয়ের ময়দানে রয়েছে আম আদমি পার্টিও। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের এই দল এর আগে কুর্সি দখল করেছে পাঞ্জাবের। সুরাট সহ গুজরাটের কয়েকটি শহরের পুরভোটেও কংগ্রেসকে পিছনে ফেলে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে আপ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • DY Chandrachud: মহিলা বিচারপতিদের নিয়ে পৃথক ডিভিশন বেঞ্চ গঠন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির

    DY Chandrachud: মহিলা বিচারপতিদের নিয়ে পৃথক ডিভিশন বেঞ্চ গঠন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  সুপ্রিম কোর্টে ফের ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি। তৃতীয়বারের মতো দেশের শীর্ষ আদালতের ইতিহাসে বৃহস্পতিবার এমন একটি ডিভিশন বেঞ্চ বসল যেখানে সকলেই মহিলা বিচারপতি, অর্থাৎ সম্পূর্ণ মহিলা বেঞ্চ। প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় বুধবার বিচারপতি হিমা কোহলি এবং বিচারপতি বেলা এম ত্রিবেদীর বেঞ্চ গঠন করেছেন। সুপ্রিম কোর্টে বর্তমানে মাত্র তিনজন মহিলা বিচারপতি রয়েছেন –বিচারপতি কোহলি, বিভি নাগরত্ন এবং বেলা এম ত্রিবেদী। বিচারপতি বিভি নাগরত্ন ২০২৭ সালে দেশের প্রথম মহিলা প্রধান বিচারপতি পদ অলংকৃত করবেন।

    আরও পড়ুন: “দেশের সমস্ত নাগরিকদের রক্ষা করব…”, প্রধান বিচারপতি পদে শপথ নিলেন ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়

    ইতিহাসে মহিলা বিচারপতিদের বেঞ্চ

    এই নিয়ে তিনবার সুপ্রিম কোর্টে মহিলা বিচারপতির ফুল বেঞ্চ (all women bench) বসল।  আদালত সূত্রের খবর, ২০১৩ সালে প্রথম সুপ্রিম কোর্টে মহিলা বিচারপতির বেঞ্চ বসে। বিচারপতি জ্ঞানসুধী মিশ্র এবং বিচারপতি রঞ্জনা প্রকাশ দেশাই তখন বেঞ্চের সদস্য ছিলেন। ২০১৮ সালের ৫ সেপ্টেম্বর বিচারপতি আর ভানুমতী এবং বিচারপতি ইন্দিরা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মহিলা বেঞ্চ বসেছিল। বৃহস্পতিবার বিচারপতি কোহলি এবং বিচারপতি ত্রিবেদির বেঞ্চে ৩২টি বিষয় রয়েছে। তার মধ্যে বিবাহ সংক্রান্ত দশটি এবং জামিন সংক্রান্ত দশটি মামলা আছে। বিচারপতি কোহলির মেয়াদ ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত, বিচারপতি ত্রিবেদী জুন, ২০২৫ পর্যন্ত পদে থাকবেন। সবকিছু ঠিক থাকলে বিচারপতি নাগরত্ন ২০২৭ সালে দেশের প্রথম মহিলা প্রধান বিচারপতি হতে চলেছেন।

    আরও পড়ুন: ‘গণতন্ত্রে কোনও প্রতিষ্ঠানই একশো শতাংশ ত্রুটিমুক্ত নয়’, বললেন প্রধান বিচারপতি

    ১৯৮৯ সালে প্রথমবারের মতো শীর্ষ আদালতে একজন মহিলা বিচারপতি নিয়োগ করা হয়েছিল। কেরালা হাইকোর্টের বিচারপতি হিসাবে অবসর নেওয়ার পর বিচারপতি এম ফাতিমা বিবি যখন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি হিসাবে নিযুক্ত হন। তাঁর পরে বিচারপতি সুজাতা মনোহর, বিচারপতি রুমা পাল, বিচারপতি জ্ঞান সুধা মিশ্র, বিচারপতি রঞ্জনা প্রকাশ দেশাই, বিচারপতি আর ভানুমতি, বিচারপতি ইন্দু মালহোত্রা, বিচারপতি ইন্দিরা ব্যানার্জি, বিচারপতি কোহলি, বিচারপতি নাগরত্ন এবং বিচারপতি ত্রিবেদী সুপ্রিম কোর্টে বিচারপতি হন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share