Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Uma Bharti on Gyanvapi: অযোধ্যা, মথুরা ও কাশী বিবাদের নিষ্পত্তি একসঙ্গে করা উচিত ছিল, মত উমা ভারতীর

    Uma Bharti on Gyanvapi: অযোধ্যা, মথুরা ও কাশী বিবাদের নিষ্পত্তি একসঙ্গে করা উচিত ছিল, মত উমা ভারতীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অযোধ্যায় তো পহলি ঝাঁকি হ্যায়, কাশী মথুরা বাকি হ্যায়! অযোধ্যায় রাম-জন্মভূমি বাবরি মসজিদ (Ram Janmabhoomi-Babri Masjid) মামলা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) ঐতিহাসিক রায় ঘোষণার পর এই ধ্বনি গর্জে উঠেছিল দেশে। এবার কাশীর জ্ঞানবাপী (Gyanvapi mosque) ও মথুরার শাহি ইদগাহ মসজিদ (Shahi Idgah) নিয়েও উঠতে শুরু করেছে দাবি যে সেখানেও হিন্দু মন্দির ভেঙেই তৈরি করা হয়েছে মসজিদ।

    জ্ঞানবাপী মসজিদ যে মন্দির ভেঙেই তৈরি করা হয়েছিল, তা নিয়ে দাবি ক্রমশ জোরালো হচ্ছে। এবার এই দাবি নিয়ে সরব হলেন বিজেপি নেত্রী উমা ভারতী (Uma Bharti)। বারাণসীর জ্ঞানবাপী মসজিদে শিবলিঙ্গ এবং শেষনাগের ভাস্কর্য পাওয়া গিয়েছে বলে দাবি হিন্দুত্ববাদী একাধিক সংগঠনের। সেই প্রেক্ষিতেই উমার দাবি, কাশীতে বিশ্বনাথের মন্দির ভেঙেই তৈরি হয়েছিল মসজিদ। ১৯৯১ সালে সংসদে যখন উপাসনালয় আইন ’৯১ উত্থাপিত হয়, তখনই তিনি দাবি করেছিলেন কেবল রামমন্দির ইস্যুই নয়, কাশীর জ্ঞানবাপী এবং মথুরার মসজিদ বিবাদের সমাধান একসঙ্গে করা উচিত। একটি বৈদুতিন সংবাদ মাধ্যমকে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে একথা বলেন উমা।

    আরও পড়ুন : মন্দির ভেঙেই জ্ঞানবাপী মসজিদ! প্রমাণ মিলল ইতিহাসেও

    কাশী বিশ্বনাথ মন্দির চত্বরেই রয়েছে জ্ঞানবাপী মসজিদ। হিন্দুত্ববাদী একাধিক সংগঠনের দাবি, বিশ্বেশ্বরের মন্দির ভেঙেই তৈরি হয়েছে মসজিদ। হিন্দু-মুসলমান দুই ভিন্ন সম্প্রদায়ের আলাদা আলাদা দাবির মধ্যে মসজিদে সমীক্ষা চালানো হয় আদালতের নির্দেশে। দুটি সমীক্ষার রিপোর্ট ফাঁস হয়ে যাওয়ায় অনেক বড় বড় তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে। জানা গিয়েছে, মসজিদের ওজুখানার জলাধারে রয়েছে শিবলিঙ্গ। মসজিদ চত্বরে রয়েছে শেষনাগও। মসজিদের দেওয়ালে হিন্দু দেবদেবীর মূর্তিও রয়েছে বলে দাবি হিন্দুত্ববাদী বিভিন্ন সংগঠনের।

    আরও পড়ুন : শিবলিঙ্গের পর এবার শেষনাগের দেখা মিলল জ্ঞানবাপী মসজিদে!

    এমতাবস্থায় একটি সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিচ্ছিলেন উমা। তাঁর দাবি, জ্ঞানবাপী মসজিদ এলাকায় শুরু থেকেই মন্দির ছিল। মন্দির ভেঙে মসজিদ নির্মাণ করা হয়। তিনি বলেন, ১৯৯১ সালে সংসদে যখন উপাসনালয় আইন ’৯১ উত্থাপিত হয়, তখনই আমি দাবি করেছিলাম  কেবল রামমন্দির ইস্যুই নয়, কাশীর জ্ঞানবাপী এবং মথুরার মসজিদ বিবাদের সমাধান একসঙ্গে করা উচিত।  

    আরও পড়ুন : “ঐতিহাসিক তথ্যগুলিকে এখনই…”, জ্ঞানবাপী নিয়ে বড় মন্তব্য আরএসএসের

    মন্দির ভেঙে যে মসজিদ হয়েছে, তার প্রমাণ সাপেক্ষে যুক্তিও পেশ করেন উমা। তিনি বলেন, জ্ঞানবাপী মসজিদের পরিবর্তে সেখানে মন্দির ছিল। তাই আজও বিশ্বনাথ মন্দিরে নন্দীর মুখ জ্ঞানবাপী মসজিদের দিকে। মন্দির নির্মাণের জন্য একটি শান্তিপূর্ণ উপায় বের করা উচিত। অযোধ্যা, মথুরা, কাশী একসঙ্গে বিবাদের নিষ্পত্তি করা উচিত ছিল বলে মনে করেন তিনি। জ্ঞানবাপী চত্বরে সমীক্ষায় যেসব তথ্য উঠে আসছে, তার পরে আর নতুন করে মন্দিরের অস্তিত্ব প্রমাণ করার দরকার নেই বলেও মনে করেন মধ্যপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী।

  • Rajasthan Political Crisis: রাজস্থানে ৮২ জন কংগ্রেস বিধায়কের ইস্তফা! আজ কি সনিয়ার সঙ্গে বৈঠক অশোক, সচিনের?

    Rajasthan Political Crisis: রাজস্থানে ৮২ জন কংগ্রেস বিধায়কের ইস্তফা! আজ কি সনিয়ার সঙ্গে বৈঠক অশোক, সচিনের?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মরুরাজ্যের ‘পাইলট’কে হবেন সচিন (Sachin Pilot)? নাকি রাজস্থানের রাশ থাকবে গেহলটের (Ashok Gehlot)হাতে? এই দুই প্রশ্নে দ্বিধাবিভক্ত রাজস্থান কংগ্রেস (Rajasthan Congress)। ইতিমধ্যেই অশোক গেহলটের অনুগামী হিসেবে পরিচিত ৮২জন কংগ্রেস বিধায়ক স্পিকারের কাছে ইস্তফাপত্র জমা দিয়েছেন। দলীয় সূত্রে খবর, সচিন পাইলটকে রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে মানতে নারাজ তাঁরা। পরিস্থিতি সামাল দিতে মাঠে নামতে হচ্ছে কংগ্রেস হাইকমান্ড সনিয়া গান্ধীকে (Sonia Gandhi)। আজ, সোমবারই দিল্লিতে তাঁর সঙ্গে দেখা করার কথা অশোক গেহলট ও সচিন পাইলটের।

    আরও পড়ুন: মিলল সোনিয়ার সম্মতি, কংগ্রেস প্রেসিডেন্ট পদে অশোক-শশী লড়াই?

    রাজস্থান বিধানসভায় ২০০জন বিধায়কের মধ্যে ১০৮ জন কংগ্রেসের। তাঁদের মধ্যে অনেকেই মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলটের অনুগামী। কংগ্রেস সূত্রে খবর, দলে গণতন্ত্র রক্ষার জন্যই কংগ্রেস শীর্ষ নেতৃত্ব এখনও রাজস্থানের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রীর নাম ঘোষণা করেনি। বদলে বিধায়কদের বৈঠকে পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রীর নাম ঠিক হবে বলেই জানিয়েছে। এই ব্যাপারে দলীয় বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠক করতে রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতা মল্লিকার্জুন খাড়গে ও রাজস্থানের ইনচার্জ অজয় মাকেনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। যদিও রাজস্থান কংগ্রেসের বিধায়কদের বিশ্বাস, হাইকমান্ড ইতিমধ্যেই সিদ্ধান্ত নিয়ে নিয়েছে। তাঁদের কাজ শুধু হাইকমান্ডের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করা। 

    আরও পড়ুন: গোয়া ভোটে তৃণমূলের খরচ ৪৭ কোটি টাকা, বিজেপির প্রায় ৩ গুণ!

    দলের অন্দরে বিরোধ আটাকাতে সনিয়া প্রতিটি বিরোধী নেতার সঙ্গে আলাদা আলাদা করে কথা বলার নির্দেশ দিয়েছেন অজয় মাকেন ও মল্লিকার্জুন খাড়গেকে। আজই তাঁদের বৈঠকের সম্ভাবনা রয়েছে। ৭১ বছর বয়সী অশোক গেহলটের সঙ্গে রাজ্যের প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী সচিন পাইলটের বিরোধের কথা সকলেরই জানা। ২০২০ সালে চরমে উঠেছিল ক্ষমতা নিয়ে সেই বিবাদ। উপমুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দেন সচিন। হুমকি দিয়েছিলেন দল ছেড়ে চলে যাওয়ারও। দলের অন্দরে খবর, বিরোধী বিধায়কদের ইস্তফার কথা শুনে মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলটকে ফোন করেন দলের পর্যবেক্ষক অজয় মাকেন ও সাংসদ কেসি বেণুগোপাল। জবাবে গেহলট বলেন, “আমি তো নিমিত্ত মাত্র! আমার হাতে কিছুই নেই।” যদিও পরে এই ফোনের কথা অস্বীকার করে কংগ্রেস।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Electric Scooter Fire: কেন পরপর আগুন লাগছে ইলেকট্রিক স্কুটারে? তদন্তের নির্দেশ কেন্দ্রের

    Electric Scooter Fire: কেন পরপর আগুন লাগছে ইলেকট্রিক স্কুটারে? তদন্তের নির্দেশ কেন্দ্রের

    নয়াদিল্লি: একের পর এক ইলেকট্রিক বা বৈদ্যুতিক স্কুটারে আগুন (electric scooter fire) লাগার ঘটনায় নড়েচড়ে বসল কেন্দ্র (Modi Government)। কেন আগুন লাগছে, তার কারণ খতিয়ে দেখতে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে, যে দুই সংস্থার স্কুটারগুলিতে আগুন লেগেছে, তাদের ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে।

    সাম্প্রতিককালে, একের পর এক বৈদ্যুতিক স্কুটারে আগুন লাগার অনেক ঘটনা সামনে এসেছে। সম্প্রতি পুণেতে একটি ওলা স্কুটার (ola electric scooter) পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে। তবে ওই ঘটনায় কোনও হতাহতের তথ্য পাওয়া যায়নি। এর পর তামিলনাড়ুর ভেলোরে আরেকটি ঘটনা ঘটে। সেখানে বাড়ির ভিতরে চার্জ করার সময় একটি বৈদ্যুতিক স্কুটারে আগুন ধরে যায়। বাড়িতে ঘুমন্ত বাবা ও মেয়ের মৃত্যু হয় সেই ভয়াবহ ঘটনায়।

    তৃতীয় ঘটনাটিও তামিলনাড়ুর। সেখানে প্রথমে ইলেকট্রিক স্কুটার থেকে ধোঁয়া বের হয় এবং পরে আগুন ধরে যায়। এসব ঘটনার পর মানুষের মনে কোথাও একটা বৈদ্যুতিক গাড়ি নিয়ে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। যে সময় সরকার ভারতে আরও বেশি সংখ্যক মানুষকে বৈদ্যুতিক যানবাহন (electric vehicles) কেনার পরামর্শ দিচ্ছে, তখন বৈদ্যুতিক স্কুটারগুলিতে আগুন লাগার ঘটনা সামনে আসার ফলে বৈদ্যুতিক যানবাহন বিক্রির ক্ষেত্রে বড় প্রভাব পড়তে পারে, এটা আঁচ করেই সক্রিয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে কেন্দ্র। 

    আগুন লাগার কারণ খতিয়ে দেখতে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে পরিবহণ মন্ত্রক। ঘটনার তদন্তভার প্রতিরক্ষা গবেষণা শাখার সেন্টার ফর ফায়ার, এক্সপ্লোসিভ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট সেফটির কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। পাশাপাশি, যে দুই সংস্থার বৈদ্যুতিক স্কুটারে আগুন লেগেছে সেই ওলা ইলেকট্রিক (ola electric) ও ওকিনাওয়া স্কুটারের (okinawa scooter) জবাব তলব করা হয়েছে। জানতে চাওয়া হয়েছে, কেন তাদের স্কুটারে আগুন লেগেছে, তা বিশদে ব্যাখ্যা করতে।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, আগুন লাগছে স্কুটারের ব্যাটারি প্যাকে। তাঁদের ব্যাখ্যা, গ্রাহকরা উচ্চ তাপে বৈদ্যুতিক স্কুটার ব্যবহার করেন। ৪০-৫০ কিমি প্রতি ঘণ্টায় এই গাড়ি চললে ব্যাটারি গরম থাকে। এছাড়া চার্জ দেওয়ার সময়ও এই ব্যাটারি বেশ গরম হয়ে যাচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, এই ব্যাটারি চালিত দুই চাকার এবং চার চাকার গাড়িগুলি কঠোর নিরাপত্তা পরীক্ষার পরে বাজারে আনার অনুমতি দেওয়া উচিত। 

  • Jk forest fire: দাবানলের আঁচে ল্যান্ডমাইন বিস্ফোরণ, কাঁপল কাশ্মীরের পুঞ্চ

    Jk forest fire: দাবানলের আঁচে ল্যান্ডমাইন বিস্ফোরণ, কাঁপল কাশ্মীরের পুঞ্চ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দাবানলের(forest fire) আগুনের আঁচ ল্যান্ডমাইনে (landmine)। প্রবল বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল জম্মু-কাশ্মীরের পুঞ্চ(poonch) এলাকা। ল্যান্ডমাইন বিস্ফোরণের জেরেই এলাকা কেঁপেছে। সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে আসা দাবানলের আগুনেই ঘটেছে বিস্ফোরণ। অনুপ্রবেশ রুখতে সীমান্ত বরাবর যে ল্যান্ডমাইন পোঁতা হয়েছিল, তার মধ্যে বেশ কয়েকটিতে বিস্ফোরণ ঘটেছে বলেই সংবাদ সংস্থা সূত্রের খবর।

    জানা গিয়েছে, সীমান্তরেখা বরাবর ভারতের দিকের মেনধর জেলায় ওপার থেকে দাবানল চলে এসেছিল গত সোমবার। তিন দিন ধরে বনকর্মী ও ভারতীয় সেনা জওয়ানরা প্রাণপাত করে আগুন নিয়ন্ত্রণের কাজ করছেন। মঙ্গলবার রাতের দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছিল। বুধবার ভোরে ফের দারামশাল ব্লকে আগুন লাগে। প্রবল বাতাসে দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ে বিস্তীর্ণ এলাকায়। ফরেস্টার কানার হুসেন শাহ সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, গত তিন দিন ধরে বনে আগুন জ্বলছে। আমরা সেনাবাহিনীর সঙ্গে আগুন নেভাচ্ছি।

    জানা গিয়েছে, অনুপ্রবেশ রুখতে সীমান্ত বরাবর পোঁতা হয়েছিল ল্যান্ডমাইন। আগুনের প্রবল তাপে বিস্ফোরণ ঘটতে থাকে সেগুলিতে। বুধবার বিকেলে প্রায় ছটি মাইন বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে সীমান্তবর্তী বিভিন্ন এলাকা।  

    আরও পড়ুন : জম্মু-কাশ্মীরে ডিলিমিটেশন নিয়ে পাকিস্তানের ‘প্রহসনমূলক’ প্রস্তাব খারিজ ভারতের

    বন দফতরের এক আধিকারিক জানান, বিস্ফোরণের পর আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।আগুন ছড়িয়ে পড়ায় সীমান্তবর্তী গ্রামগুলির বাসিন্দারা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। সেনা বাহিনীর সাহায্যে সেই আগুন নিভিয়ে ফেলা হয়।

    এদিকে, রাজৌরি জেলার সীমান্তবর্তী এলাকা সুন্দরবান্দিতেও একটি বড় অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। গম্ভীর, নিক্কা, পাঞ্জগ্রায়ে, ব্রাহামানা, মোঘলা সহ বিস্তীর্ণ এলাকার বনাঞ্চলে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। কালাকোটের কালার, রনথাল, চিঙ্গি বনাঞ্চলেও আগুন লেগেছে। জম্মুর সীমান্তবর্তী এলাকা থেকেও আগুন লাগার খবর মিলেছে। বন দফতরের কর্তাদের দাবি, পাক অধিকৃত কাশ্মীরের দিকে নিয়ন্ত্রণ রেখা এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা বেশি ঘটে। বন দফতরের এক আধিকারিক বলেন, আগুনটি সীমান্তের ওপার থেকে এসেছিল এবং উচ্চ কাংদি, ডক বানিয়াদের এলাকায়ও ছড়িয়ে পড়ে। তিনি জানান, কোনও মানবিক ক্ষতি ছাড়াই দাবানল নিয়ন্ত্রণে আনা গিয়েছে।

    আরও পড়ুন :কাশ্মীরে ‘হাইব্রিড’ সন্ত্রাস ছড়াচ্ছে বিহার, উত্তরপ্রদেশের মৌলবীরা?

    নভেম্বর থেকে জুন মাস পর্যন্ত ভারতের বিভিন্ন জঙ্গলে দাবানলের প্রকোপ দেখা যায়। ফরেস্ট সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ভারতের প্রায় ৩৬ শতাংশ জঙ্গলে ঘন ঘন দাবানলের ঝুঁকি রয়েছে। শীতের শেষে এবং গ্রীষ্মের মরশুমে বনাঞ্চলে জমা হয় শুকনো গাছপালা, ঘাস-পাতার মতো জৈব জ্বালানি। তার জেরেই শুখা মরশুমে দাবানলের মতো ঘটনা বেশি ঘটে।  

     

LinkedIn
Share