Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Arunachal Pradesh: অরুণাচল প্রদেশের সেই কপ্টার দুর্ঘটনায় মৃত ৫ জওয়ান,  উদ্ধার দেহ  

    Arunachal Pradesh: অরুণাচল প্রদেশের সেই কপ্টার দুর্ঘটনায় মৃত ৫ জওয়ান,  উদ্ধার দেহ  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অরুণাচল প্রদেশের আপার সিয়াংয়ে কপ্টার দুর্ঘটনায় কপ্টারে থাকা সব জওয়ানেরই মৃত্যু হয়েছে। মৃত পাঁচ জওয়ানের দেহ উদ্ধার হওয়ার পর জানা গিয়েছে একথা। শুক্রবার সকালে রুটিন মহড়া চলছিল অরুণাচল প্রদেশে। আচমকাই আপার সিয়াংয়ের মিগিং গ্রামের কাছে ভেঙে পড়ে সেনাবাহিনীর একটি কপ্টার (Airforce Helicopter)। ভেঙে যাওয়া কপ্টারটি অ্যাডভান্স লাইট হেলিকপ্টার। সঙ্গে সঙ্গেই উদ্ধারকারী দল রওনা দেয় অকুস্থলের দিকে। তবে এলাকাটি দুর্গম। তাই ব্যাহত হয় উদ্ধার কাজ। পরে অবশ্য উদ্ধার হয় পাঁচ জওয়ানের দেহ।

    জানা গিয়েছে, দুর্ঘটনার ঠিক আগে আগেই কপ্টারটির চালকের কাছ থেকে সাহায্যের আবেদন পায় এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল। এও জানানো হয়, যান্ত্রিক কিংবা প্রযুক্তিগত কারণে কপ্টারে সমস্যা দেখা দিয়েছে, সাহায্য চাই। সেনার দাবি, এদিন আবহাওয়া পরিষ্কার ছিল। চালকও ছিলেন অভিজ্ঞ। জারি করা বিবৃতিতে সেনার তরফে জানানো হয়েছে, যেখানে কপ্টারটি ভেঙে পড়েছিল, সেই জায়গায় পৌঁছানো ছিল চ্যালেঞ্জের। পাহাড়ে ঘেরা দুর্গম জায়গা, ঘন জঙ্গলে ঢাকা। বিবৃতিতে আরও জানানো হয়েছে, কপ্টার পাইলটের টানা ৬০০ ঘণ্টার বেশি সম্মিলিত উড়ানের অভিজ্ঞতা রয়েছে। কপ্টারটি সার্ভিসিং করা হয়েছিল ২০১৫ সালের জুন মাসে। দুর্ঘটনার কারণ জানতে শুরু হয়েছে তদন্ত।

    আরও পড়ুন: অরুণাচল প্রদেশে আচমকাই ভেঙে পড়ল সেনা বাহিনীর কপ্টার, শুরু উদ্ধারকাজ

    প্রসঙ্গত, শুক্রবার যে কপ্টারটি ভেঙে পড়ে, সেটি হাল রুদ্র। কপ্টারটি সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি। ভারতীয় সেনার জন্য তৈরি এই কপ্টারটি একটি অ্যাটাক কপ্টার। এটি তৈরি করেছিল হিন্দুস্তান অ্যারোনটিস্ক লিমিটেড। ধ্রুব অ্যাডভান্সড লাইট হেলিকপ্টারের আধুনিক ও শক্তিশালী একটি ভ্যারিয়েন্ট এটি। কপ্টারটি অত্যাধুনিক সমরাস্ত্রে সজ্জিত। এদিকে, সেনা সূত্রে খবর, গত পাঁচ বছরে কপ্টার ও এয়ারক্র্যাফ্ট দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে ৫০ জনের। ২০১৭ সাল থেকে দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে সশস্ত্র বাহিনীর ২০ চপার। এই দুর্ঘটনাগুলিতে সব মিলিয়ে মৃত্যু হয়েছে ৪০ জনের। জখম হয়েছেন ২৫ জন। ৫ অক্টোবর, বিজয়া দশমীর দিন অরুণাচল প্রদেশেই ভেঙে পড়েছিল একটি সেনা কপ্টার। সেবার প্রাণ হারিয়েছিলেন কপ্টারটির পাইলট। এবার প্রাণ হারালেন কপ্টার চালক সহ মোট পাঁচজন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • FATF Pakistan: এফএটিএফ-এর ধূসর তালিকা থেকে মুক্ত পাকিস্তান! ক্ষুব্ধ ভারত, জানেন তার কারণ?

    FATF Pakistan: এফএটিএফ-এর ধূসর তালিকা থেকে মুক্ত পাকিস্তান! ক্ষুব্ধ ভারত, জানেন তার কারণ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্ত্রাসবাদে আর্থিক মদত দান প্রতিরোধের জন্য নজরদারি সংস্থা ফিনান্সিয়াল অ্যাকশন টাস্ক ফোর্সের (এফএটিএফ) ধূসর তালিকা থেকে বাদ গেল পাকিস্তান। এর ফলে ক্ষুব্ধ ভারত। ২০১৮ থেকে এই আন্তর্জাতিক সংস্থার ধূসর তালিকায় থাকার পর এ বার মুক্তি পেল প্রতিবেশী দেশ। কিন্তু দিল্লির দাবি, সন্ত্রাসের আকড়ভূমি পাকিস্তান। সন্ত্রাসবাদে সবরকম সাহায্য করে পাকিস্তান। তারা যে নিরন্তর আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাস চালাচ্ছে তার প্রমাণ রয়েছে ভারতের কাছে। উল্লেখ্য, গত ৪ বছর ধরে জঙ্গি কার্যকলাপ চালিয়ে যাওয়া ও জঙ্গি কার্যকলাপে অর্থ যোগানের অভিযোগে পাকিস্তানকে ধূসর তালিকায় রেখেছিল এফএটিএফ। এফএটিএফ জানিয়েছে, পাকিস্তান জঙ্গি কার্যকলাপে অর্থ যোগান কমিয়েছে পাশাপাশি এই সংক্রান্ত প্রযুক্তিগত জটিলতাও ক্রমশ কাটিয়ে ওঠার লক্ষণ দেখিয়েছে।

    আরও পড়ুন: গরু পাচার কাণ্ডে বিপত্তি বাড়ল অনুব্রতের! আজই দিল্লিতে ইডির হাতে সায়গল

    শুধু পাকিস্তানই নয়, নিকারাগুয়াও এফএটিএফের ধূসর তালিকা থেকে বেরিয়ে এসেছে। অন্য দিকে মায়নমারের অবস্থা আরও খারাপ হয়েছে। তারা ধূসর থেকে কালো তালিকায় পৌঁছেছে। তবে ধূসর তালিকা থেকে পাকিস্তান বেরিয়ে এলেও দিল্লির যুক্তি, বিশ্বে সন্ত্রাসবাদের মূল কেন্দ্র পাকিস্তান। এখনও তারা ভারত-সহ বিভিন্ন জায়গায় সন্ত্রাস ছড়ানোর মূল উৎস। সন্ত্রাসবাদে সর্বদাই পুঁজির জোগান দেয় পাকিস্তান। শুক্রবার এফএটিএফের প্রেসিডেন্ট টি রাজা কুমার বলেন, “পাকিস্তানকে ধূসর তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। তবে এখনও তাদের অনেক কিছুই (সন্ত্রাসবাদ দমন) করতে হবে। তবে তারা সমস্ত শর্ত পূরণ করেছে। আমরা সন্তুষ্ট। আমরা চাই জঙ্গিদের অর্থ জোগান ঠেকাতে এশিয়া-প্যাসিফিক এই সংগঠনটির সঙ্গে কাজ করুক পাকিস্তান।” 

    আরও পড়ুন: অরুণাচল প্রদেশে আচমকাই ভেঙে পড়ল সেনা বাহিনীর কপ্টার, শুরু উদ্ধারকাজ

    সূত্রের খবর, সন্ত্রাসবাদে আর্থিক ও অন্যান্য মদত বন্ধ করতে এফএটিএফ পাকিস্তানকে (Pakistan) ৩৪টি শর্ত দিয়েছিল। সেই অ্যাকশন প্ল্যানের সব ক’টি শর্তই নাকি ইসলামাবাদ পূরণ করেছে! ওই শর্তের মধ্যে ২৭টি ছিল সন্ত্রাসে আর্থিক মদত সংক্রান্ত এবং সাতটি বেআইনি অর্থ পাচারের বিষয়ে। ২৯ আগস্ট থেকে ২ সেপ্টেম্বর পাকিস্তান সফর করে এফএটিএফ-এর ১৫ সদস্যের একটি দল। ব্রিটেন, আমেরিকা, জার্মানি, ফ্রান্স, অস্ট্রেলিয়া, ইইউ, এশিয়া প্যাসিফিক গ্রুপ (এপিজি) এবং অন্যান্যদের প্রতিনিধিরা পূর্ণাঙ্গ অধিবেশন চলাকালীন রিপোর্ট জমা দেন এবং আলোচনা করেন। তার ভিত্তিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ প্রসঙ্গে ভারতের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচী জানান, সারা বিশ্বে সন্ত্রাস দমনের স্বার্থে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ করা উচিত ছিল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • Dirty Bomb: ‘ডার্টি বম্ব’ প্রসঙ্গে ভারতের সঙ্গে কথা রাশিয়ার, গণতান্ত্রিক উপায়ে সমাধানের পরামর্শ রাজনাথের

    Dirty Bomb: ‘ডার্টি বম্ব’ প্রসঙ্গে ভারতের সঙ্গে কথা রাশিয়ার, গণতান্ত্রিক উপায়ে সমাধানের পরামর্শ রাজনাথের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘ডার্টি বম্ব’ প্রসঙ্গে ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছে রাশিয়া। এমনটাই জানাল প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের (Rajnath Singh) সঙ্গে ফোনে কথা হয়েছে রাশিয়ার (Russia) প্রতিরক্ষামন্ত্রী সের্গেই শোইগুর (Sergey Shoigu)। রাশিয়ার তরফ থেকে আশঙ্কা প্রকাশ করে বলা হয়েছে, যেকোনও মুহূর্তে তেজক্রিয় বোমা ব্যবহার করতে পারে ইউক্রেন। আর সেই আশঙ্কা থেকেই গত রবিবার থেকে রাশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী ন্য়াটো দেশভুক্ত দেশগুলির প্রতিরক্ষামন্ত্রীদের সঙ্গে ফোনে কথা বলা শুরু করেছেন। যদিও ইউক্রেন এবং তার বন্ধু দেশগুলি পারমাণবিক বোমা ব্যবহারের রাশিয়ার এই দাবিকে উড়িয়ে দিয়েছে।

    আরও পড়ুন: প্লাজমার বদলে মুসাম্বির রস, অভিযুক্ত হাসপাতালকে বুলডোজার দিয়ে গুড়িয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত যোগী সরকারের 

    ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রকের তরফে বিবৃতি জারি করে বলা হয়েছে, “রাশিয়ার অনুরোধে ২৬ অক্টোবর ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন। দুপক্ষের সামরিক সহযোগিতা নিয়ে কথা হয়েছে। ডার্টি বোম্ব ব্যবহার করতে পারে ইউক্রেন, সেব্যাপারে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে রাশিয়া। এনিয়ে ইউক্রেন উস্কানি দিচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছে তারা। তবে ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী আলোচনা ও গণতান্ত্রিক পথে এই সমস্যা দ্রুত মেটানোর পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, কেউ যেন পারমানবিক অস্ত্র ব্যবহার করতে না পারে  সেব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে। তেজস্ক্রিয় অস্ত্র ব্যবহৃত হলে মানব সভ্যতার ভয়ঙ্কর ক্ষতি হবে।”   

    বেশ কিছুদিন ধরেই ডার্টি বম্ব প্রসঙ্গ নিয়ে উত্তাল গোটা বিশ্ব। সম্প্রতি আমেরিকা, ব্রিটেন ও ফ্রান্সের প্রতিরক্ষামন্ত্রীদের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছিলেন শোইগু। সবার সঙ্গেই ডার্টি বম্ব নিয়েই মূলত আলোচনা হয়েছে। রাশিয়ার দাবি, পুতিনদের পরাস্ত্র করতে এই বিশেষ ধরনের বোমা ছোঁড়ার পরিকল্পনা করছে ইউক্রেন। এই দাবিকে যদিও একেবারে ‘অবাস্তব’ বলে উড়িয়ে দেয় পশ্চিমের তিন দেশ। ইউক্রেনের  বিদেশমন্ত্রী দিমিত্র কুলেবা এ বিষয়ে বলেন, “আসলে ডার্টি বম্ব ফেলার পরিকল্পনা করছে রাশিয়াই। সেই জন্য আগে থেকে সাফাই দেওয়ার চেষ্টা করছে।”   

    কিন্তু তবুও নিজেদের অভিযোগ থেকে সরে আসেনি রাশিয়া। মঙ্গলবারই রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদেও একই অভিযোগ তোলে রাশিয়া। ডার্টি বম্ব মেরে আক্রমণ করবে ইউক্রেন, এই অভিযোগ এনে ১৫ সদস্যের দৃষ্টি আকর্ষণ করে তারা। সেই সঙ্গে দাবি করা হয়, ইতিমধ্যেই দুই সংস্থাকে ডার্টি বম্ব তৈরির বরাত দিয়েছে ইউক্রেন। যদিও এখন অবধি এই দাবির ষপক্ষে কোনও প্রমাণ দিতে পারেনি পুতিনের দেশ। সেই কারণেই রাশিয়ার এই বক্তব্যকে উড়িয়ে দিয়েছে রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • RSS: ঋষি সুনকের নিয়োগ নিয়ে মুফতির মন্তব্য হতাশার জের, বলছে আরএসএস

    RSS: ঋষি সুনকের নিয়োগ নিয়ে মুফতির মন্তব্য হতাশার জের, বলছে আরএসএস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্রিটেনের (UK) প্রধানমন্ত্রী পদে বসতে চলেছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত ঋষি সুনক (Rishi Sunak)। আদ্যন্ত হিন্দু (Hindu) এক ব্যক্তিকে ব্রিটেনের শীর্ষ পদে দেখে যারপরনাই খুশি তামাম ভারত (India)। ঋষির প্রসঙ্গ টেনে জম্মু-কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতি বলেন, ব্রিটেন একজন জাতিগতভাবে সংখ্যালঘুকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মেনে নিলেও, আমরা এখনও এনআরসি (NRC) এবং সিএএ (CAA) -র মতো বিভাজনকারী ও বৈষম্যমূলক আইনে শেকলবন্দি হয়ে রয়েছি। মুফতির ওই মন্তব্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে আরএসএস (RSS)। রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘের ন্যাশনাল এক্সিকিউটিভ মেম্বার তথা মুসলিম রাষ্ট্রীয় মঞ্চের প্যাট্রন ইন্দ্রেশ কুমার বলেন, হতাশা থেকেই মুফতি এমন মন্তব্য করেছেন।

    ঋষি ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী পদে মনোনীত হওয়ার পরেই ট্যুইট করেন পিডিপি নেত্রী মুফতি। ট্যুইটবার্তায় তিনি লেখেন, এটা গর্ব করার মতো মুহূর্ত যে প্রথম ভারতীয় বংশোদ্ভূত প্রধানমন্ত্রী পাবে ব্রিটেন। গোটা ভারত তা উদযাপন করছে। তবে ব্রিটেন একজন জাতিগতভাবে সংখ্যালঘুকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মেনে নিলেও, আমরা এখনও এনআরসি এবং সিএএ-র মতো বিভাজনকারী ও বৈষম্যমূলক আইনে শেকলবন্দি হয়ে রয়েছি।

    আরও পড়ুন: বর্ণ ও জাতিভেদ প্রথা লুপ্ত হোক, চান আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত

    এর পরেই মুফতিকে একহাত নেন প্রবীণ আরএসএস (RSS) নেতা ইন্দ্রেশ কুমার। তাঁর মতে, মুফতি এবং কংগ্রেস নেতারা এ কথা বলছেন হতাশা থেকে। দেশ তাঁদের প্রত্যাখান করেছে। ইন্দ্রেশ কুমার বলেন, আসল সত্য হল, ভারতে অনেক রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রী সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। তিনি বলেন, ভারতই একমাত্র দেশ যেখানে দেশের সর্বোচ্চ পদে রয়েছেন একজন উপজাতি সমজের মহিলা। এদেশেই রাষ্ট্রপতি ছিলেন আবদুল কালাম, যিনি একটি জেলে পরিবারে জন্মেছিলেন। খবরের কাগজ বিক্রি করতেন। প্রধানমন্ত্রী পদে রয়েছেন নরেন্দ্র মোদি। যিনি এক সময় চা বিক্রি করতেন। আরএসএসের এই নেতা বলেন, এ দেশেই রাষ্ট্রপতি ছিলেন রামনাথ কোবিন্দ। তিনি তপশিলি জাতির প্রতিনিধি। তাই তাঁদের এহেন মন্তব্য সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের পাশাপাশি মানবতার প্রতি অপমান। এজন্য তাঁদের ক্ষমা চাওয়া উচিত।

    আরএসএসের (RSS) এই নেতা বলেন, আসল সত্য হল তামাম ভারতে কাশ্মীরিরা নিরাপদ। কিন্তু একজন হিন্দু, পণ্ডিত, বিহারি, ওড়িয়া অথবা অন্য কোনও ব্যক্তি যিনি কাশ্মীরে বসবাস করছেন, তিনি নিরাপদ নন। কাশ্মীরে বহিরাগতদের বাঁচার অধিকার হুমকির মুখে বলেও দাবি ইন্দ্রেশের।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • UK Prime Minister: ‘২০৩০ এর রোডম্যাপ বাস্তবায়নে এক সঙ্গে কাজ করব’, ঋষিকে বার্তা মোদির

    UK Prime Minister: ‘২০৩০ এর রোডম্যাপ বাস্তবায়নে এক সঙ্গে কাজ করব’, ঋষিকে বার্তা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী (UK Prime Minister) পদে শপথ নিতে চলেছেন ভারতীয় (Indian) বংশোদ্ভূত ঋষি সুনক (Rishi Sunak)। অক্টোবরের ২৮ তারিখে শপথ নেবেন তিনি। ওই পদে ঋষি শপথ নিলে তিনিই হবেন এ দেশের প্রথম কোনও অশ্বেতাঙ্গ প্রধানমন্ত্রী (PM)। ঋষির জয়ে খুশি তামাম ভারত (India)। ঋষিকে শুভেচ্ছা জানিয়ে ট্যুইট করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। বার্তায় লিখেছেন, ২০৩০ এর রোডম্যাপ বাস্তবায়নে আমরা এক সঙ্গে কাজ করব।

    আরও পড়ুন: ব্রিটেনের নয়া প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর স্ত্রীর সম্পত্তির পরিমাণ রাজা-রানির থেকেও বেশি!

    ঋষির নাম প্রধানমন্ত্রী (UK Prime Minister) হিসেবে ঘোষিত হয়েছে দীপাবলির দিন। এদিন ট্যুইট-বার্তায় ভারতের প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, ঋষি সুনক, আপনাকে অনেক শুভেচ্ছা। যেহেতু আপনি ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী হতে চলেছেন, তাই আপনার সঙ্গে বিশ্বের জরুরি বিষয়গুলি নিয়ে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার অপেক্ষায় রইলাম। এর পরেই মোদি লেখেন, ২০৩০ এর রোডম্যাপ বাস্তবায়নেও আমরা এক সঙ্গে কাজ করব। আমাদের ঐতিহাসিক সম্পর্ক আধুনিক মোড় নিচ্ছে। এই উপলক্ষে ব্রিটেনের ভারতীয়দের দীপাবলির জন্য বিশেষ শুভেচ্ছা।

    আরও পড়ুন: বিশ্বের পাঁচ দেশের রাশ হিন্দুদের হাতে, কোন কোন দেশের মাথায় ভারতীয় বংশোদ্ভূতরা জানেন?

    প্রসঙ্গত, ঋষি এমনই একটি দিনে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী (UK Prime Minister) হলেন, সেদিন হিন্দুদের দীপাবলি উৎসব। এই ঋষি ভারতীয় জায়ান্ট টেক ইনফোসিসের প্রতিষ্ঠাতা এনআর নারায়ণ মূর্তির জামাই। জামাইয়ের সাফল্যে খুশি ইনফোসিস কর্তা। জামাইয়ের সাফল্য কামনা করেন তিনিও। এক বিবৃতিতে ইনফোসিস কর্তা জানান, ঋষিকে অভিনন্দন জানাই। আমরা তাঁকে নিয়ে গর্বিত। আমরা তাঁর সাফল্যও কামনা করি। ব্রিটেনবাসীর কল্যাণার্থে সে তার সেরাটা দেবে বলেও আমরা নিশ্চিত। প্রসঙ্গত, স্ট্যান্ডফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে এমবিএ পড়ার সময় ঋষির সঙ্গে আলাপ ইনফোসিস কর্তার মেয়ে অক্ষতর। ২০০৯ সালে বিয়ে করেন তাঁরা। তাঁদের দুটি কন্যা সন্তানও রয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Kerala Governor: “২৪ ঘণ্টার মধ্যে পদত্যাগ করতে হবে…”, ৯ টি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে নির্দেশ কেরল রাজ্যপালের

    Kerala Governor: “২৪ ঘণ্টার মধ্যে পদত্যাগ করতে হবে…”, ৯ টি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে নির্দেশ কেরল রাজ্যপালের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবারে কেরলের ৯টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলরকে পদত্যাগ করার নির্দেশ দিলেন রাজ্যপাল আরিফ মহম্মদ খান (Kerala Governor)। রবিবার তাঁর দফতরের তরফে একটি ট্যুইট করে পদত্যাগের কথা জানানো হয়। ট্যুইটে লেখা হয়েছে, দেশের শীর্ষ আদালত সুপ্রিম কোর্টের রায় বহাল রেখে রাজ্যপাল শ্রী আরিফ মহম্মদ খান ৯টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলরকে সরাসরি এই নির্দেশ দিয়েছেন। পাশাপাশি ওই ৯টি বিশ্ববিদ্যালয়ের নামও ট্যুইটারে দিয়েছে রাজভবন। গতকাল জানানো হয়েছিল, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ভাইস-চ্যান্সেলরদের পদত্যাগপত্র জমা দিতে হবে। অন্যদিকে এই নির্দেশকে অমান্য করার পরামর্শ দিয়েছেন কেরলের পিনারাই বিজয়ন সরকার।  

    রাজভবন সূত্রের দাবি, ওই বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে ভাইস-চ্যান্সেলর নিয়োগের সময় বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের নিয়ম মেনে হয়নি। তাই সোমবার সকাল সাড়ে ১১টার মধ্যে তাঁদের ইস্তফা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন রাজ্যপাল। কিন্তু তাঁর এই পদক্ষেপের বিরোধিতা করে রাজভবন ঘেরাও অভিযানের কর্মসূচি নিয়েছে শাসক ফ্রন্ট এলডিএফ। রাজ্যপালের (Kerala Governor) বিরুদ্ধে গিয়ে শাসক দল এলডিএফ-এর তরফে একটি নির্দেশিকা জারি করে বলা হয়েছে, সমস্ত ভাইস-চ্যান্সেলরকে নিজেদের পদে থাকতে এবং গভর্নরের আদেশ অমান্য করতে।

    রাজ্যপাল (Kerala Governor) যে ৯টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলরকে পদত্যাগ করতে বলেছেন, তাঁদের মধ্যে কেরালা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ভিপি মহাদেবন পিল্লাইয়ের আগামী ২৪ অক্টোবর অবসর নেওয়ার কথা। অন্যদিকে, এপিজে আব্দুল কালাম টেকনোলজিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এমএস রাজশ্রীর নিয়োগ বাতিল করেছে সুপ্রিম কোর্ট। প্রসঙ্গত, শীর্ষ আদালতের রায়ে বলা হয়েছিল,  ভাইস-চ্যান্সেলর পদের জন্য যথাযথভাবে সার্চ কমিটি গঠন করা হয়নি। প্রার্থী বাছাইয়ের জন্য চ্যান্সেলারের কাছে কেবলমাত্র একটিই নাম ছিল, যা ইউজিসি-র নিয়মবিরুদ্ধ। এক্ষেত্রে কমপক্ষে ৩ জনের নাম লাগে।

    কেরালা বিশ্ববিদ্যালয় ও এপিজে আব্দুল কালাম টেকনোলজিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশাপাশি মহাত্মা গান্ধী ইউনিভার্সিটি, কোচিন ইউনিভার্সিটি অফ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি, কেরালা ইউনিভার্সিটি অফ ফিশারিজ অ্যান্ড ওশান স্টাডিজ, কান্নুর ইউনিভার্সিটি, শ্রী শঙ্করাচার্য ইউনিভার্সিটি অফ সংস্কৃত, কালিকট ইউনিভার্সিটি এবং থুনচথ এজুথাচান মালয়ালম ইউনিভার্সিটির অন্যান্য উপাচার্যদেরও পদত্যাগ করতে বলা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে রাজ্যপালের (Kerala Governor) নির্দেশের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন কান্নুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য গোপীনাথ রবীন্দ্রন। তিনি চ্যালেঞ্জ করে বলেন, ‘‘আমি পদত্যাগ করব না। দেখি ওরা কী ব্যবস্থা নেয়!’’ সূত্রের খবর অনুযায়ী, ১৫ নভেম্বর রাজভবনের সামনে এবং জেলা কেন্দ্রগুলিতে বিক্ষোভের আয়োজন করা হবে।

  • Diwali 2022: ‘মুহুরতে’ কেনাবেচা করুন শেয়ার, লাভের কড়ি ঘরে তুলবেন বছরভর

    Diwali 2022: ‘মুহুরতে’ কেনাবেচা করুন শেয়ার, লাভের কড়ি ঘরে তুলবেন বছরভর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ শুরু নতুন সম্বৎ (Samvat) ২০৭৯। এই হিসেব বাংলা ক্যালেন্ডার অনুযায়ী বছরের হিসেব নয়। এক সময় দিওয়ালিতে (Diwali 2022) বর্ষ গণনা শুরু হত। সেই হিসেবে এবারও দীপাবলির দিন শুরু হচ্ছে ২০৭৯ সম্বৎ। এদিন এক ঘণ্টার ট্রেডিং সেশনের মুহুরত হবে বিএসই (BSE) এবং এনএসইতে (NSE)। বিএসই এবং এনএসই হল দুটি প্রমিনেন্ট স্টক এক্সচেঞ্জ। এই দুই স্টক এক্সচেঞ্জের তরফে মুহুরতের নির্ঘণ্টও ঘোষণা করা হয়েছে। সন্ধে ৬টা ১৫ থেকে ৭ টা ১৫। শেয়ার কারবারিদের বিশ্বাস, এই মুহুরত মুহূর্তে কোনও শেয়ার কেনাবেচা করলে মিলবে কাঙ্খিত সাফল্য। সমৃদ্ধি আসবে উজিয়ে।

    দিওয়ালির (Diwali 2022) এই মুহুরত মুহূর্তে শেয়ার কেনাবেচা করলে যেহেতু ভাগ্য সুপ্রসন্ন হয় বলে বিশ্বাস, তাই এই শুভক্ষণের অপেক্ষায় মুখিয়ে থাকেন শেয়ার কারবারিরা। এই সময় তাঁরা কেনাবেচা করেন ইক্যুইটি শেয়ার, কমোডিটি ডেরিভেটিভস, কারেন্সি ডেরিভেটিভস, ইক্যুইটি ফিউচার্স অ্যান্ড অপশানস, সিকিউরিটিজ লেন্ডিং অ্যান্ড বরোয়িং। এই মুহুরতের সময় মাত্র এক ঘণ্টা। তাই এই সময় শেয়ার বাজার খেয়ালি বলেই বিবেচনা করা হয়। তাই শেয়ার বাজারে একেবারেই যাঁরা নতুন, তাঁরা সাবধানে শেয়ার কেনাবেচা করবেন। বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, অর্থনৈতিক সাফল্যের চেয়ে কাজটা সুচারুরূপে করতে পারাই সব চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

    আরও পড়ুন: তারা মায়ের অন্নভোগের বিশেষত্বই হল পোড়া শোলমাছ মাখা! জানেন কী কী থাকে তারাপীঠে মায়ের ভোগে?

    যে কোনও শুভ কাজ দীপাবলিতে (Diwali 2022) করাই শুভ বলে বিবেচিত হয়। যেহেতু এই দিনে নয়া সম্বৎ শুরু হয়, তাই কাজে সাফল্যও মেলে বেশি। তাই এদিন মুহুরতের সময়টা শেয়ার বাজার থাকে চাঙা। এই সময় সব ধরনের শেয়ার কেনাবেচা হয়। মুহুরতের সময় কোনও শেয়ার কেনা হলে বিনিয়োগকারীরা লাভবান হন বলেই লোক বিশ্বাস। কেবল এই দিনটিতেই তাঁরা যে লাভ করবেন তা নয়, বছর ভর ঘরে তুলবেন লাভের কড়ি। এক বাজার বিশেষজ্ঞ বলেন, দীপাবলির মুহুরতের সময় শেয়ার কেনাবেচা করাটা ব্যবসায়ীদের পক্ষে শুভ ফলদায়ক।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Shivraj Patil:  ‘গীতা-জিহাদ’ মন্তব্য গ্রহণযোগ্য নয়, শিবরাজের ব্যাপারে হাত ধুয়ে ফেলতে চাইছে কংগ্রেস?   

    Shivraj Patil:  ‘গীতা-জিহাদ’ মন্তব্য গ্রহণযোগ্য নয়, শিবরাজের ব্যাপারে হাত ধুয়ে ফেলতে চাইছে কংগ্রেস?   

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিপাকে পড়ে প্রবীণ নেতা তথা প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শিবরাজ পাতিলের (Shivraj Patil) সঙ্গে দূরত্ব তৈরি করতে শুরু করল কংগ্রেস (Congress)। গীতা (Gita) নিয়ে শিবরাজের মন্তব্য গ্রহণযোগ্য নয় বলেও জানিয়ে দিল গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টির নেতা তথা রাজ্যসভার সাংসদ জয়রাম রমেশ (Jairam Ramesh)। রমেশের পাল্টা দাবি, ভারতীয় সভ্যতার মূল ভিত্তিস্তম্ভ স্বরূপ হল শ্রীমদ্ভগবদগীতা। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর ডিসকভারি অফ ইন্ডিয়া (Discovery of India) গ্রন্থ থেকে উদ্ধৃতি তুলে ধরে রমেশ ট্যুইট বার্তায় গীতার বিশ্বজনীনতার কথাও উল্লেখ করেন।

    বৃহস্পতিবার বই প্রকাশের এক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়ে কংগ্রেস (Congress) নেতা শিবরাজ (Shivraj Patil) বলেন, কেবল কোরানে নয়, জিহাদের (Jihad) উল্লেখ রয়েছে গীতায়ও। খ্রিস্টান ধর্মেও জিহাদের কথা রয়েছে বলেও দাবি করেন প্রাক্তন এই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। শিবরাজের এই মন্তব্যের পরে পরেই সমালোচনার ঝড় ওঠে দেশজুড়ে। তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বিজেপি (BJP)। পদ্ম শিবিরের দাবি, শিবরাজের এই মন্তব্যের দায় নেওয়া উচিত কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধী এবং নবনির্বাচিত সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের। সূত্রের খবর, তার পরেই শিবরাজের ব্যাপারে হাত ধুয়ে ফেলতে উদ্যোগী হয় কংগ্রেস। ট্যুইট বার্তায় প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন রমেশ। তিনি লেখেন, আমার প্রবীণ সহকর্মী শিবরাজ পাতিল (Shivraj Patil) গীতা নিয়ে কিছু মন্তব্য করেছেন, যা গ্রহণযোগ্য নয়। এ ব্যাপারে কংগ্রেসের অবস্থান স্পষ্ট। গীতা ভারতীয় সভ্যতার প্রধান ভিত্তিস্তম্ভ স্বরূপ। এর পরেই নেহরুর ডিসকভারি অফ ইন্ডিয়ার একটি উদ্ধৃতি তুলে ধরেন রমেশ।

    অন্য একটি ট্যুইটে রমেশ বলেন, ঘটনচক্রে আমি কৈশোরে গীতা পড়েছি। এটি একটি সাংস্কৃতিক ও দার্শনিক পুস্তক। ভারতীয় সমাজে এর প্রভাব পড়েছে যুগের পর যুগ ধরে। তবে রমেশের এই কথায় যে চিঁড়ে ভিজছে না, তার প্রমাণ মিলল বিজেপির জাতীয় মুখপাত্র সেহজাদ পুন্নাওয়ালার কথায়। তিনি বলেন, কংগ্রেস সমস্ত সীমা অতিক্রম করে গিয়েছে।

     

    আরও পড়ুন: শিবরাজের ‘গীতা-জিহাদ’ সম্পর্কের কথা কংগ্রেসের হিন্দু বিরোধী মানসিকতারই প্রকাশ, সাফ কথা বিজেপির

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

     

  • Agni: অগ্নি প্রাইমের সফল উৎক্ষেপণ, পাল্লায় চিন, পাকিস্তান!

    Agni: অগ্নি প্রাইমের সফল উৎক্ষেপণ, পাল্লায় চিন, পাকিস্তান!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অগ্নি প্রাইম (Agni Prime) নিউ জেনারেশন ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের (Ballistic Missile) সফল উৎক্ষেপণ করল ভারত (India)। শুক্রবার সকাল ৯টা ৪৫ মিনিট নাগাদ ওড়িশা উপকূলের অদূরে হয় এই উৎক্ষেপণ। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফেই এ খবর জানা গিয়েছে। অগ্নি প্রাইমের সফল উৎক্ষেপণের জেরে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে এক লপ্তে অনেকখানি এগিয়ে গেল ভারত। এদিন পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণের সময় অগ্নি (Agni) প্রাইম ক্ষেপণাস্ত্রটি এর সর্বোচ্চ পাল্লা পর্যন্ত যায়। পরীক্ষার সমস্ত দিকগুলি সফলভাবে পাশ করেছে এই ক্ষেপণাস্ত্র। এনিয়ে তৃতীয়বার সফল্যের গণ্ডী পার হল অগ্নি প্রাইম ক্ষেপণাস্ত্র। নিখুঁত এবং বিশ্বাসযোগ্যভাবে লক্ষ্যে আঘাত আনতে পারে এই ক্ষেপণাস্ত্র।

    অগ্নি-৫ এর নেভিগেশন সিস্টেম অত্যাধুনিক। এই ক্ষেপণাস্ত্রে ব্যবহার করা হয়েছে দু’ধরনের নেভিগেশন সিস্টেম। প্রথমটি রিনস (RINS) এবং দ্বিতীয়টি মিনস (MINS)। ১ থেকে ৫ হাজার কিলোগ্রাম ওজনের পারমাণবিক বোমা বহনে সক্ষম এই ক্ষেপণাস্ত্র। এর রক্ষণাবেক্ষণও ঢের কম। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের এক আধিকারিক বলেন, অগ্নি (Agni) প্রাইমের পারফরমেন্স খুবই ভাল। উৎক্ষেপণের শুরু থেকে প্রতিটি মুহূর্তের জার্নি রাডার, টেলিমেট্রি এবং ইলেকট্রো-অপটিক্যাল ট্র্যাকিং স্টিস্টেম দিয়ে পরীক্ষা করা হয়েছে। উৎক্ষেপণের পর অগ্নি প্রাইমের পুরো গতিপথের ওপর নজর রেখেছিল দুটি ডাউন রেঞ্জ জাহাজ।

    জানা গিয়েছে, অগ্নি (Agni) প্রাইম পারমাণবিক অস্ত্রবহনে সক্ষম। এটির প্রথম পরীক্ষা করেছিল ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (DRDO)। ২০২১ সালের জুন মাসে হয় প্রথম উৎক্ষেপণ। ওই বছরেরই ডিসেম্বরে হয় দ্বিতীয় উৎক্ষেপণ। শুক্রবার হল তৃতীয় উৎক্ষেপণ। অগ্নি (Agni) সিরিজের নয়া প্রজন্মের ক্ষেপণাস্ত্র অগ্নি প্রাইম (Agni Prime) । এক থেকে দু হাজার কিলোমিটার দূরত্ব পর্যন্ত নিখুঁতভাবে নিশানায় আঘাত করতে সক্ষম এই অগ্নি প্রাইম। অত্যন্ত হালকা মিশ্র ধাতুতে তৈরি এই ক্ষেপণাস্ত্র। অগ্নি ৩ এর থেকে এর ওজন প্রায় ৫০ শতাংশ কম। জানা গিয়েছে, অগ্নি প্রাইমের পাল্লার মধ্যে অনায়াসেই চলে আসছে ভারতের দুই প্রতিবেশী দেশ চিন ও পাকিস্তানের অনেকটা অংশ।

    আরও পড়ুন: “পশ্চিমবঙ্গ, না কি হিটলারের জার্মানি?” টেট উত্তীর্ণদের উপর পুলিশের বলপ্রয়োগে ট্যুইট শুভেন্দু অধিকারীর

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     

  • Chinese Monk:  বৌদ্ধ সাধুর বেশে চিনা গুপ্তচর! জানেন দিল্লি পুলিশের কাছে কী বললেন ওই মহিলা?

    Chinese Monk: বৌদ্ধ সাধুর বেশে চিনা গুপ্তচর! জানেন দিল্লি পুলিশের কাছে কী বললেন ওই মহিলা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাঁর পরনে বৌদ্ধ সন্ন্যাসীদের মতো পোশাক। মাথায় চুল ছোট করে কাটা। দেখে মনে হবে যেন সন্ন্যাসিনী। সাধনাই তাঁর পথ। বোঝার উপায় নেই এই সহজ জীবনযাত্রার আড়ালে গত তিন বছর ধরে তিনি চিনের হয়ে গুপ্তচরের (China Spy)কাজ করছেন। পরিচয় দিচ্ছেন তিনি নেপালি ভিক্ষুক। দিল্লি পুলিশের তরফে জানা গিয়েছে, তিব্বতের রিফিউজিদের মধ্যে বসবাস করছিলেন এক চিনা মহিলা। গত তিন বছর ধরে সন্ন্যাসিনীর বেশ ধরে কাজ করছিলেন তিনি। গত সোমবার তাঁকে আটক করে দিল্লি পুলিশ। তদন্ত শুরু করতেই জানা যায়, বৌদ্ধ সন্ন্যাসীর ছদ্মবেশ ধরে ভারতে থাকতেন ওই মহিলা। তাঁর কাছ থেকে বেশ কিছু ভুয়ো পরিচয়পত্রও পাওয়া গিয়েছে।

    আরও পড়ুন: কেদারনাথ মন্দিরে পুজো করলেন মোদি, শিলান্যাস করলেন রোপওয়ের

    পুলিশ সূত্রে খবর, উত্তর দিল্লির মজনু কা টিলা এলাকায় তিব্বতিদের শরণার্থী শিবির থেকে ওই মহিলাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃত মহিলার পরিচয়পত্র ঘেঁটে পুলিশ জানতে পেরেছে, তাঁর নাম দোলমা লামা। তিনি প্রথমে নিজেকে নেপালের নাগরিক বলে জানিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, কাঠমান্ডুতে বাড়ি তাঁর। তবে পুলিশের দাবি, আদতে ওই মহিলার নাম কাই রুয়ো। ‘ফরেনার্স রিজিওনাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার’ (এফআরআরও) সূত্রে দাবি করা হয়েছে, চিনা পাসপোর্ট নিয়ে ২০১৯ সালে ভারতে এসেছিলেন কাই রুয়ো। তার পর নেপালি সন্ন্যাসিনী পরিচয় নিয়ে উত্তর দিল্লিতে থাকা শুরু করেন ওই মহিলা। ওই চিনা নাগরিককে জেরা করে পুলিশ জানতে পেরেছে যে, তিনটি ভাষা জানেন তিনি। ইংরাজি, নেপালি ও ম্যান্ডারিন ভাষায় কথা বলতে ও বুঝতে পারেন ওই মহিলা। 

    আরও পড়ুন: দীপাবলির উপহার! ২২ অক্টোবর ৭৫ হাজার চাকরিপ্রার্থীকে নিয়োগপত্র তুলে দেবেন মোদি

    জেরায়, দিল্লি পুলিশের (Delhi Police) কাছে তিনি জানান, চিনের কমিউনিস্ট পার্টির সদস্যরা তাঁকে খুন করতে চেয়েছিল। তবে সেই জন্যই তিনি ভারতে আশ্রয় নিয়েছেন কিনা, তা অবশ্য স্পষ্ট করেননি ওই চিনা মহিলা। ভারতে কি চরবৃত্তির জন্যই এসেছিলেন ওই মহিলা? কেনই বা সাধু সেজে নিজেকে নেপালের বাসিন্দা বলে দাবি করলেন তিনি? ঠিক কী উদ্দেশ্যে? এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে দিল্লি পুলিশের বিশেষ শাখা। তাঁদের দাবি, ভারত বিরোধী কার্যকলাপে যুক্ত ছিলেন ওই মহিলা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share