Category: বিদেশ

Get updates on World News Headlines International News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Bangladesh: বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর নির্যাতনের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মার্কিন মুলুকেও

    Bangladesh: বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর নির্যাতনের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মার্কিন মুলুকেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে (Bangladesh) হিন্দুদের ওপর সংঘটিত নির্যাতনের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বিক্ষোভ ও স্লোগান কর্মসূচি শুরু করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন। শনিবার দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ শহরের কেন্দ্রে বিপুল (Hindus) সংখ্যক মানুষ সমবেত হয়ে বাংলাদেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে ক্রমবর্ধমান হিংসার প্রতিবাদে র‍্যালি করে। মার্কিন মুলুকের অন্তত ২২টিরও বেশি শহরে এই বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই ঘটনা প্রতিবাদের ব্যাপকতা, তীব্রতা এবং বাংলাদেশে হিংসার ভয়াবহতা ও তাৎক্ষণিক আন্তর্জাতিক নজরদারির প্রয়োজনীয়তাকে স্পষ্টভাবে তুলে ধরে।

    বিরাট জমায়েত (Bangladesh)

    ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের আর্টেসিয়া শহরে অন্যতম বৃহৎ জমায়েত দেখা যায়। বিক্ষোভকারীরা বাংলাদেশ পরিস্থিতির ওপর অবিলম্বে আন্তর্জাতিক মনোযোগ দাবি করেন এবং ইউনূস প্রশাসনের জবাবদিহির আহ্বান জানান। কারণ তাঁর শাসন কালেই দেশে উগ্রপন্থী তৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে বলে তাঁদের অভিযোগ। প্রতিবাদকারীরা বাংলাদেশে শান্তি ও সংখ্যালঘুদের সুরক্ষার দাবি জানিয়ে “ওম শান্তি”-সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন। মানবাধিকার সংগঠনগুলি জানিয়েছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে অনুষ্ঠিত এই বিক্ষোভগুলি ছিল শান্তিপূর্ণ, আইনসম্মত ও রাজনৈতিকভাবে শালীন, যার মাধ্যমে বাংলাদেশে ক্রমবর্ধমান মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। বাংলাদেশে হিন্দুদের সুরক্ষার জন্য গঠিত গ্লোবাল কোয়ালিশনের মিডিয়া প্রতিনিধি গীতা সিকান্দ বলেন, “এই আন্দোলনের উদ্দেশ্যই হল বিশ্ববাসীর দৃষ্টি দুর্বল ও নির্যাতিত সম্প্রদায়ের যন্ত্রণার দিকে আকর্ষণ করা। আমরা সুরক্ষা, জবাবদিহি ও শান্তি চাই।”

    সংহতি ও ভ্রাতৃত্ববোধের নিদর্শন

    সংহতি ও ভ্রাতৃত্ববোধের নিদর্শন হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের ইহুদি সম্প্রদায়ও এই বিক্ষোভে অংশ নেয় এবং বাংলাদেশে হিন্দু সংখ্যালঘুদের জন্য ন্যায়বিচারের দাবি তোলে (Hindus)। আমেরিকার পশ্চিম, মধ্য-পশ্চিম, উত্তর-পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের বিভিন্ন শহরে র‍্যালি ও প্রতিবাদ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। শীতপ্রধান অঞ্চলে মাইনাস তাপমাত্রার মধ্যেও মানুষ রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ জানান। তাঁদের সাফ কথা, বাংলাদেশের সঙ্কট আন্তর্জাতিক মনোযোগ ও কার্যকর পদক্ষেপের দাবি জানায়। বিক্ষোভকারীরা বলেন, “আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে সর্বোচ্চ জরুরি ভিত্তিতে বাংলাদেশে ক্রমবর্ধমান হিংসার পরিস্থিতির দিকে নজর দিতে হবে এবং ইউনূস প্রশাসনের জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে। কারণ নিরীহ হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান সম্প্রদায়কে উগ্রপন্থী উদ্দেশ্যে টার্গেট করা হচ্ছে। তাঁরা বাংলাদেশে ধর্মীয় স্বাধীনতা ও মৌলিক অধিকার রক্ষারও আহ্বান জানান (Bangladesh)।

    হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতার বক্তব্য

    মানবাধিকার সংগঠনগুলি আরও উল্লেখ করে যে, ১৯৭১ সাল থেকে বাংলাদেশে একাধিকবার সাম্প্রদায়িক হিংসা ও উগ্রপন্থী বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে, যেখানে সংখ্যালঘু সম্প্রদায় বারবার নিশানায় এসেছে। তবে ইউনূসের রাজত্বে এই নির্যাতনের মাত্রা ভয়াবহভাবে বেড়ে গিয়েছে এবং সরকারের পক্ষ থেকে কার্যকর কোনও পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না। দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ার হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতা সুরেন্দ্র শর্মা বলেন,
    “সমষ্টিগত কণ্ঠস্বর তোলা হচ্ছে প্রথম ধাপ। আমরা সব সম্প্রদায়ের জন্য শান্তি, নিরাপত্তা ও মর্যাদা চাই।” প্রতিদিন বাংলাদেশের পরিস্থিতি যে আরও গভীর সঙ্কটে তলিয়ে যাচ্ছে এবং অন্তর্বর্তী প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনও উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ করা হচ্ছে না, তাও জানান তিনি। অভিযোগ, ইউনূস জমানায় উগ্র ইসলামপন্থী গোষ্ঠীগুলি আরও শক্তি সঞ্চয় করেছে, যার ফলে সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়কে পরিকল্পিতভাবে নিশানা করা হচ্ছে। প্রশাসনের ব্যর্থতায় দেশটি রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা, আইনশৃঙ্খলার অবনতি ও অর্থনৈতিক সঙ্কটে পড়েছে (Hindus)। ক্রমবর্ধমান সাম্প্রদায়িক হিংসার ঘটনা বাংলাদেশকে কার্যত নৈরাজ্যের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। ক্ষমতালোভী গোষ্ঠীগুলি নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থসিদ্ধির জন্য সংখ্যালঘুদের অধিকারের প্রশ্নে নীরব রয়েছে (Bangladesh)।

    পরিস্থিতির গুরুত্ব

    বাংলাদেশে বাড়তে থাকা সাম্প্রদায়িক হিংসার বিরুদ্ধে বিশ্বজুড়ে যে প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে, তা পরিস্থিতির গুরুত্বই প্রতিফলিত করে। গত সপ্তাহে ব্রিটেনেও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হয়। সেখানে লেবার সরকারের কাছে বাংলাদেশে ইউনূস প্রশাসনের জবাবদিহি নিশ্চিত করা ও হিন্দু সংখ্যালঘুদের অধিকার রক্ষার দাবি জানানো হয়। তবে বাংলাদেশ সাধারণ নির্বাচনের দিকে এগিয়ে চললেও এবং ঢাকায় নতুন ক্ষমতাকাঠামো গড়ে ওঠার সম্ভাবনা থাকলেও, হিন্দু সংখ্যালঘুদের জীবন ও অধিকার এখনও অনিশ্চয়তার মধ্যেই রয়েছে—যেখানে তাঁদের ওপর হামলা, মারধর, ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়া এবং প্রকাশ্যে মানুষকে পুড়িয়ে মারার মতো নৃশংস ঘটনা ঘটছে (Bangladesh)। ভবিষ্যৎ অত্যন্ত উত্তেজনাপূর্ণ হলেও, ব্রিটেন এবং আমেরিকায় শক্তিশালী আন্তর্জাতিক প্রতিবাদ ও কণ্ঠস্বর বাংলাদেশে হিন্দুদের জীবনরক্ষায় একটি বড় ভূমিকা রাখতে পারে বলেই (Hindus) ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের।

     

  • Indus Waters Treaty: হেগের সালিশি আদালতে শুনানি ইন্দাস জলচুক্তির, অংশ নেবে না, সাফ জানাল ভারত

    Indus Waters Treaty: হেগের সালিশি আদালতে শুনানি ইন্দাস জলচুক্তির, অংশ নেবে না, সাফ জানাল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হেগের সালিশি আদালত (কোর্ট অফ আরবিট্রেশন) ইন্দাস জলচুক্তির (Indus Waters Treaty) কাঠামোর আওতায় নতুন শুনানি ও নথি তলবের প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে গেলেও, ভারত সাফ জানিয়ে দিয়েছে, এই প্রক্রিয়ার বৈধতা তারা স্বীকার করে না এবং এতে অংশও নেবে না (India)। সাম্প্রতিক উত্তেজনার কেন্দ্রবিন্দু হল, গত সপ্তাহে ইন্দাস জলচুক্তির (IWT) অধীনে গঠিত কোর্ট অব আরবিট্রেশন (CoA)-এর জারি করা একটি নির্দেশ। ওই নির্দেশে ভারতের জলবিদ্যুৎ প্রকল্পগুলির পরিচালনাসংক্রান্ত ‘পন্ডেজ লগবুক’ জমা দিতে বলা হয়েছে, যা আদালত ‘মেরিটস সংক্রান্ত দ্বিতীয় ধাপ’ বলে উল্লেখ করেছে।

    হেগের পিস প্যালেসে শুনানি (Indus Waters Treaty)

    আদালত জানিয়েছে, ২ ও ৩ ফেব্রুয়ারি হেগের পিস প্যালেসে শুনানি হবে। একই সঙ্গে আদালত নথিভুক্ত করেছে যে, ভারত এখনও কোনও কাউন্টার-মেমোরিয়াল জমা দেয়নি এবং শুনানিতে অংশগ্রহণের কোনও ইঙ্গিতও দেয়নি। তবে নয়াদিল্লির কাছে এই পুরো প্রক্রিয়াটাই অর্থহীন। সরকারি সূত্রের খবর, ‘অবৈধভাবে গঠিত’ এই তথাকথিত কোর্ট অব আরবিট্রেশন একই সঙ্গে নিরপেক্ষ বিশেষজ্ঞের প্রক্রিয়ার পাশাপাশি ‘সমান্তরাল শুনানি’ চালিয়ে যাচ্ছে। সূত্রের ভাষায়, “আমরা যেহেতু এই আদালতের বৈধতা স্বীকার করি না, তাই তাদের কোনও যোগাযোগেরই জবাব দিই না। তাছাড়া ইন্দাস জলচুক্তি বর্তমানে স্থগিত থাকায়, ভারতের পক্ষে কোনও জবাব দেওয়াও বাধ্যতামূলক নয়। এটি পাকিস্তানের একটি কৌশল—আমাদের টেনে এনে দেখানোর চেষ্টা যে আমরা এখনও প্রক্রিয়ায় যুক্ত রয়েছি।”

    পহেলগাঁওকাণ্ড

    এই নজিরবিহীন অচলাবস্থার নেপথ্যের প্রেক্ষাপট তৈরি হয় ২০২৫ সালের ২৩ এপ্রিল, যখন পহেলগাঁওয়ে পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিদের হামলায় ২৬ জন হিন্দু পর্যটককে নৃশংসভাবে খুন করা হয়। ওই ঘটনার একদিন পরেই ভারত আনুষ্ঠানিকভাবে ইন্দাস জলচুক্তিকে ‘স্থগিত’ ঘোষণা করে। ১৯৬০ সালের পর এই প্রথমবার ভারত জল সহযোগিতাকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রীয় নীতি হিসেবে সন্ত্রাসবাদ ব্যবহারের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত করল (India)। এই সিদ্ধান্ত ‘অপারেশন সিঁদুরে’র সঙ্গেও যুক্ত ছিল এবং ভারতের পাকিস্তান নীতিতে এক সুস্পষ্ট মোড় ঘোরার ইঙ্গিত দেয়। এটি জানিয়ে দেয়, শত্রুতার আবহে সহযোগিতা কখনওই চলতে পারে না। ইসলামাবাদের প্রতিক্রিয়া ছিল আতঙ্কগ্রস্ত। পরবর্তী ন’মাসে পাকিস্তান কূটনীতিকদের তলব করেছে, বিশ্বজুড়ে প্রতিনিধিদল পাঠিয়েছে, রাষ্ট্রসংঘে চিঠি দিয়েছে, ১০টিরও বেশি আইনি পদক্ষেপ নিয়েছে এবং একাধিক আন্তর্জাতিক সম্মেলন (Indus Waters Treaty) করেছে। এসব কিছুর কেন্দ্রীয় বক্তব্য একটাই, ভারত তাদের সবচেয়ে সংবেদনশীল দুর্বল জায়গায় আঘাত হেনেছে।

    ইন্দাস নদী

    পাকিস্তানের কৃষির প্রায় ৮০–৯০ শতাংশ ইন্দাস নদী ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল। দেশটির জলাধার সক্ষমতা এক মাসের প্রবাহও ধরে রাখতে পারে না। তাদের প্রধান জলাধার, তারবেলা ও মাঙ্গলা নাকি প্রায় ‘ডেড স্টোরেজে’ পৌঁছে গিয়েছে। একসময় যা ছিল নিছক একটি প্রযুক্তিগত চুক্তি, তা এখন পরিণত হয়েছে কৌশলগত চাপের হাতিয়ারে (India)। ভারতের অবস্থান সত্ত্বেও হেগ-ভিত্তিক আদালত এমনভাবে এগোচ্ছে, যেন চুক্তির কাঠামো এখনও পুরোপুরি কার্যকর। ২০২৬ সালের ২৪ জানুয়ারির এক নির্দেশে আদালত ২–৩ ফেব্রুয়ারির শুনানির বিস্তারিত সূচি প্রকাশ করে এবং জানায়, ভারত উপস্থিত না থাকলে পাকিস্তান একাই পিস প্যালেসে সশরীরে যুক্তি উপস্থাপন করবে। এর পাঁচ দিন পর, পাকিস্তানের অনুরোধে জারি করা আর এক নির্দেশে আদালত ভারতকে বাগলিহার ও কিষানগঙ্গা জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের অভ্যন্তরীণ পরিচালন লগবুক জমা দিতে বলে। উদ্দেশ্য, ভারত ঐতিহাসিকভাবে পন্ডেজের হিসেব ‘ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে’ দেখিয়েছে কি না, তা যাচাই করা। আদালত সতর্ক করে দিয়েছে, ভারত সহযোগিতা না করলে তারা ‘প্রতিকূল অনুমান’ টানতে পারে অথবা নিরপেক্ষ বিশেষজ্ঞ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পাকিস্তান যে নথি পাবে, তা গ্রহণ করতে পারে (Indus Waters Treaty)।

    ভারতের অবস্থান

    আদালত স্পষ্ট করে জানিয়েছে, চুক্তি স্থগিত রাখার বিষয়ে ভারতের অবস্থান তাদের বিচার করার ক্ষমতাকে সীমাবদ্ধ করে না (India)। এটাই সেই অবস্থান, যা ভারত সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে। ইন্দাস জলচুক্তির বিরোধ নিষ্পত্তি ব্যবস্থায় প্রযুক্তিগত মতপার্থক্য নিরপেক্ষ বিশেষজ্ঞের কাছে যায়, আর আইনি বিরোধ যায় সালিশি আদালতে। ভারতের ধারাবাহিক দাবি, বর্তমান বিরোধগুলি নিরপেক্ষ বিশেষজ্ঞের এক্তিয়ারভুক্ত, আর পাকিস্তানের সালিশি আদালত সক্রিয় করার চেষ্টা ‘ফোরাম শপিং’য়ের শামিল। এই ব্যাখ্যার ভিত্তিতেই কোর্ট অব আরবিট্রেশনের সঙ্গে যুক্ত হতে অস্বীকার করছে নয়াদিল্লি। শুধুমাত্র নিরপেক্ষ বিশেষজ্ঞ প্রক্রিয়াকে স্বীকৃতি দিয়ে ভারত ইঙ্গিত দিচ্ছে, পাকিস্তানকে এই বিরোধকে বৃহত্তর আইনি ও রাজনৈতিক মঞ্চে রূপ দিতে দেওয়া হবে না (Indus Waters Treaty)। আদালতের সাম্প্রতিক নির্দেশগুলি দেখাচ্ছে, তারা দুটি সমান্তরাল প্রক্রিয়ার মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান করার চেষ্টা করছে, যাকে ভারত সম্পূর্ণ অবৈধ বলে মনে করছে (India)।

    আন্তর্জাতিক ইস্যু বানানোর চেষ্টা

    হেগে যা ঘটছে, তা কেবল জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের হিসেবনিকেশ নিয়ে আইনি বিরোধ নয়। এটি সংযমের দীর্ঘ দশকের পর কূটনৈতিকভাবে চুক্তিকে ‘হাতিয়ার’ হিসেবে ব্যবহারের ভারতের সিদ্ধান্তের প্রথম বাস্তব পরীক্ষা। পাকিস্তানের কাছে বিষয়টিকে আন্তর্জাতিক ইস্যু বানানো অস্তিত্বের প্রশ্ন। আর ভারতের কাছে সরে দাঁড়ানো একটি কৌশলগত পছন্দ। কোর্ট অব আরবিট্রেশন আদেশ জারি করতে পারে, শুনানির দিন ঠিক করতে পারে, প্রক্রিয়াগত নির্দেশ দিতে পারে। কিন্তু ভারতের অংশগ্রহণ ছাড়া এবং চুক্তি আনুষ্ঠানিকভাবে স্থগিত থাকায়, এই কার্যক্রম একতরফা আইনি নথি হয়ে ওঠার ঝুঁকিতে রয়েছে, বাধ্যতামূলক রায়ের নয় (India)।

    সাউথ ব্লকের দৃষ্টিতে, সেটাই আসলে উদ্দেশ্য। পহেলগাঁওয়ের ঘটনার পর থেকে ভারতের বার্তা স্পষ্ট এবং ধারাবাহিক—ভূমির বাস্তবতা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে কোনও চুক্তি টিকে থাকতে পারে না। আর পাকিস্তান যতদিন না নয়াদিল্লির ভাষায় ‘অস্বাভাবিক শত্রুতা’ বন্ধ করছে, ততদিন বিশ্বের সবচেয়ে আলোচিত জলবণ্টন চুক্তিটিও একাধিক অর্থে স্থগিতই থাকবে (Indus Waters Treaty)।

     

  • Baloch liberation Army: পাকিস্তানে হামলার পিছনে দুই বালুচ তরুণী! আত্মঘাতী বোমায় উড়িয়েছেন শেহবাজের বহু সেনা  

    Baloch liberation Army: পাকিস্তানে হামলার পিছনে দুই বালুচ তরুণী! আত্মঘাতী বোমায় উড়িয়েছেন শেহবাজের বহু সেনা  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের (Pakistan) একাধিক জেলায় হামলার ঘটনায় সরাসরি নিজেদের ভূমিকার কথা জানালো বালুচ লিবারেশন আর্মি (Baloch liberation Army)। ইতিধ্যে দুই আত্মঘাতী বোমারুর ছবি প্রকাশ করা হয়েছে বিএলএ-র তরফে। শনিবার হামলার পরেই বালুচ লিবারেশন আর্মি জানিয়েছিল, তাঁদের সশস্ত্র সংগ্রামে একাধিক তরুণী যোদ্ধারা যোগদান করেছেন। এইবারে তাঁদের ছবি প্রকাশ করেছে বিলএ। দীর্ঘ দিন ধরে পাকিস্তানের কট্টর মৌলবাদী সরকার বালুচিস্তানের মানুষদের দাবি-দাওয়া, আন্দোলনকে স্বীকৃতি দেয়নি। পাল্টা বালুচ সম্প্রদায়ের মেয়ে, সাংবাদিক, সমাজকর্মী, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের গত কয়েক দশক ধরে খুন, অপহরণ করছে পাক সেনা। নিজেদের ভূমির জল, জঙ্গল, সম্পত্তির উপর জোর পূর্বক পাকিস্তান কব্জা করে রেখেছে। তাই পাক সরকার এবং সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে বালুচ লিবারেশন আর্মি নিজদের অস্তিত্বের সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছে।

    ২৪ বছরের তরুণী (Baloch liberation Army)

    শনিবার ৩১ জানুয়ারি পরপর বিস্ফোরণে কেঁপে উঠেছে পাকিস্তানের (Pakistan) বালুচিস্তান (Baloch liberation Army) প্রদেশ। বিস্ফোরণের মধ্যে কোনওটা ছিল আত্মঘাতী আবার কোনওটা সাধারণ বিস্ফোরণ। তবে এই হামলার নেতৃত্ব দিয়েছে দুই নারী। রবিবার বালুচ লিবারেশন আর্মি নাম এবং ছবি প্রকাশ করেছে। একজনের নাম আসিফা মেঙ্গাল, বয়স ২৪ বছর। দ্বিতীয় জনের ছবি প্রকাশিত হলেও নাম জানা যায়নি। তবে হামলার নেতৃত্বে ছিলেন দুই নারী, এই কথা স্বীকার করে নিয়েছেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খোয়াজা আসিফও।

    পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর বিবৃতি

    একটি বিবৃতিতে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খোয়াজা জানিয়েছে, “বালুচিস্তানের (Baloch liberation Army) নুশিক এলাকার বাসিন্দা আসিফা। ২০০২ সালের ২ অক্টোবর তাঁর জন্ম। মাত্র ২১ বছর বয়সে আসিফা বালুচ লিবারেশন আর্মির মজিদ ব্রিগেডে যোগদান করেন। ২০২৪ সালের জানুয়ারি মাসে তিনি আত্মঘাতী হামলায় যোগদানদের সিদ্ধান্ত নেন। শনিবার নুশকিতে পাকিস্তানের (Pakistan) গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই-এর দফতরে হামলা চালিয়েছিলেন আসিফাই।”

    বালুচ জাতিকে জাগ্রত করতে হবে

    হামলাকারী নারীদের মধ্যে দ্বিতীয় নারীর একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে বিএলএ। তাতে স্পষ্ট শোনা যাচ্ছে পাক সরকারের আগ্রাসন নীতির বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভের প্রকাশ ঘটাচ্ছেন। অপর আরেকটি ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে হাতে বন্দুক নিয়ে অন্য এক তরুণীকে তিনি বলছেন, “পাক সরকার (Pakistan) আমাদের জোর করে দমিয়ে রাখতে বল প্রয়োগ করে। সরাসরি আমাদের মুখোমুখি হতে পারে না। সেই ক্ষমতাও নেই। বালুচ (Baloch liberation Army) জাতিকে জাগ্রত করতে হবে। আমাদের অবশ্যই বালুচ সরমাচারদের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দাঁড়াতে হবে। শত্রুর দিন শেষ; তাদের খুব বেশি শক্তি নেই। বালুচ জাতিকে বুঝতে হবে যে এই শত্রুর সাথে কোনও আপস করা যাবে না।”

    গত কয়েক মাসে বালুচিস্তানে (Baloch liberation Army) পাক সেনার সঙ্গে সংঘর্ষ চরমে উঠেছে। নিজেদের অধিকার অর্জন না করা পর্যন্ত কখনও বিএলএ থেমে থাকবে না। রবিবার এই এলাকার কোয়েটা, নুশকি, মাসটাং, ডালবান্দিন, খারান, পাঞ্জগুর, গদর এবং পাসনিতে একযোগে হামলা চালায় বালোচ লিবারেশন আর্মি।

  • Baloch liberation Army: নারী ফিদায়িন, আইআইডি হামলায় বালুচ বিদ্রোহীরা ২০০ পাকিস্তানি সেনা কর্মীকে হত্যা করেছে

    Baloch liberation Army: নারী ফিদায়িন, আইআইডি হামলায় বালুচ বিদ্রোহীরা ২০০ পাকিস্তানি সেনা কর্মীকে হত্যা করেছে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নারী ফিদায়িন, আইআইডি হামলা, বালুচ বিদ্রোহীরা (Baloch liberation Army) ২০০ পাকিস্তানি (Pakistan) সেনা কর্মীকে হত্যা করেছে। বিএলএ তাদের নিজস্ব বাহিনীর ক্ষতি স্বীকার করে বলেছে, অভিযানের সময় তাদের ১৮ জন যোদ্ধা নিহত হয়েছে, যার মধ্যে মাজিদ ব্রিগেডের ১১ জন ‘ফিদায়েন’ বা আত্মঘাতী বোমারু, ফতেহ স্কোয়াডের চারজন যোদ্ধা এবং এসটিওএস ইউনিটের তিনজন যোদ্ধা অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।

    ৪০ ঘণ্টা ধরে অভিযান (Baloch liberation Army)

    বালুচ বিদ্রোহী গোষ্ঠী বেলুচিস্তান লিবারেশন আর্মি (Baloch liberation Army) অপারেশন হেরোফ ফেজ আই নামে অভিযান চালায়। বালুচিস্তানের বেশ কয়েকটি জেলায় ৪০ ঘন্টারও বেশি সময় ধরে অব্যাহত রয়েছে এই অভিযান। পাকিস্তানি নিরাপত্তা বাহিনীর মধ্যে ব্যাপক হতাহতের অভিযোগ করেছে এবং একাধিক শহর ও গ্রামীণ স্থানে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছে।

    বিএলএ মুখপাত্র জিয়ান্দ বালুচের জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “আমাদের যোদ্ধারা খারান, মাস্তুং, টুম্প এবং পাসনি সহ এলাকায় অভিযান সম্পন্ন করেছে। অন্যান্য স্থানে লড়াই এখনও সক্রিয় রয়েছে। আমাদের যোদ্ধারা কোয়েটা এবং নোশকির কিছু অংশে উপস্থিত ছিল, ইসলামাবাদের (Pakistan) সামরিক শক্তির বিরুদ্ধে অনেকটাই প্রতিহত করতে সক্ষম হয়েছে।

    ২০০ জনের বেশি পাক সেনা নিহত

    বিএলএ-এর (Baloch liberation Army) দাবি অনুসারে, পাকিস্তান সেনাবাহিনী, পুলিশ এবং ফ্রন্টিয়ার কর্পসের ২০০ জনেরও বেশি সদস্য নিহত হয়েছে এবং কমপক্ষে ১৭ জনকে আটক করা হয়েছে। পরিসংখ্যানগুলির ভিত্তিতে প্রাথমিক ভাবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আরও বেশি বলে মনে করা হচ্ছে। তবে বালুচিস্তানের মুখ্যমন্ত্রী সরফরাজ বুগতি বলেছেন, হামলায় ১৭ জন আইন প্রয়োগকারী কর্মী এবং ৩১ জন বেসামরিক লোক এখনও পর্যন্ত নিহত হয়েছেন।

    আরেকটি পৃথক ঘটনায় বিএলএ জানিয়েছে, নশকির ডেপুটি কমিশনার মুহাম্মদ হুসেন হাজারা এবং সহকারী কমিশনার মারিয়া শামুকে আটক করে পরে মুক্তি দিয়েছে। বিএলএ এই মুক্তিকে মানবিক পদক্ষেপ হিসেবে বর্ণনা করেছে। তাঁদের দাবি, স্থানীয় বেসামরিক প্রশাসন এবং পুলিশকে সরাসরি প্রতিপক্ষ হিসেবে বিবেচনা করা হয় না যদি না তারা আমাদের যোদ্ধাদের সক্রিয়ভাবে প্রতিরোধ করে। বালুচদের তরফে সতর্ক করে দিয়েছে স্থানীয় কর্মকর্তা এবং পুলিশ কর্মীদের। দখলদারিতে পাক সেনাবাহিনীকে সহায়তা করলে কেবল মাত্র শত্রু রূপেই লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

    বিএলএ যোদ্ধা নিহত

    এদিকে, পাকিস্তানের (Pakistan) সেনাবাহিনী জানিয়েছে, শনিবার ৯২ জন বিচ্ছিন্নতাবাদী নিহত হয়েছে, শুক্রবার হয়েছিল ৪১ জন। বিএলএ (Baloch liberation Army) তাদের নিজস্ব বাহিনীর ক্ষতি স্বীকার করে বলেছে, অভিযানের সময় তাদের ১৮ জন যোদ্ধা নিহত হয়েছে, যার মধ্যে মাজিদ ব্রিগেডের ১১ জন ‘ফিদায়েন’ আত্মঘাতী বোমারু, ফতেহ স্কোয়াডের চারজন যোদ্ধা এবং এসটিওএস ইউনিটের তিনজন যোদ্ধা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

    একটি পৃথক বিবৃতিতে জানা গিয়েছে, হামলায় মহিলা অপরাধীরা জড়িত ছিল। ফিদায়েনের মধ্যে ছিলেন আসিফা মেঙ্গাল, যিনি নোশকিতে আইএসআই ইন্টার-সার্ভিসেস ইন্টেলিজেন্স সদর দফতর লক্ষ্য করে ভিবিআইইডি অভিযান পরিচালনা করেছিলেন। আসিফা মেঙ্গল ২০২৩ সালের ২রা অক্টোবর বালুচ লিবারেশন আর্মির মাজিদ ব্রিগেডে যোগ দিয়েছিলেন। ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে তিনি ফিদাইয়ের সিদ্ধান্ত নেন। গত শুক্রবার হামলায় তাঁর মৃত্যু হয়েছে। গোয়াদর ফ্রন্টে তাদের মিশন, ফিদায়ি হাওয়া বালুচ, তার সহযোগী ফিদায়িনদের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করেছিলেন। তারা তার নিহত হওয়ার বারো ঘন্টা আগে পাঠানো শেষ বার্তার ভিডিওটিও পোস্ট করেছে।

    পাক প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের বক্তব্য

    পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফের মতে, অন্তত দুটি হামলায় নারী অপরাধীরা জড়িত ছিল। নিহতদের সম্পর্কে আরও বিস্তারিত তথ্য পরবর্তীতে জানানোর প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। বিবৃতিতে স্থানীয় জনগণকে সতর্ক থাকা, নিরাপত্তা বাহিনীর সান্নিধ্য এড়িয়ে চলা এবং যেসব অঞ্চলে অভিযান চলছে সেখানে বিএলএ যোদ্ধাদের সমর্থন চালিয়ে যাওয়ার আহ্বানও অন্তর্ভুক্ত ছিল।

    বেলুচিস্তানের পরিস্থিতি

    পাকিস্তানের (Pakistan) বৃহত্তম কিন্তু কম জনবহুল প্রদেশ বালুচিস্তানে রাজনৈতিক প্রান্তিককরণ এবং প্রাকৃতিক সম্পদ নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধের কারণে বৃহত্তর স্বায়ত্তশাসন বা স্বাধীনতার দাবিতে বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীগুলির নেতৃত্বে দীর্ঘদিন ধরে বিদ্রোহ (Baloch liberation Army) চালাচ্ছে। তাঁরা বিএলএ এই গোষ্ঠীগুলির মধ্যে সবচেয়ে বিশিষ্ট এবং পাকিস্তান এবং অন্যান্য বেশ কয়েকটি দেশ এটিকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে মনোনীত করেছে।

    যদিও পাকিস্তান প্রায়শই বিএলএ-এর বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করেছে, তবুও বেলুচ বিদ্রোহীদের প্রতি বেসামরিক নাগরিকদের ব্যাপক সমর্থন রয়েছে। রবিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত, বিএলএ কর্তৃক বর্ণিত সংঘর্ষের পরিমাণ সম্পর্কে বিস্তারিত কোনও সরকারি প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি, যার ফলে পরিস্থিতি অস্পষ্ট হয়ে পড়েছে এবং পরস্পরবিরোধী বক্তব্য রয়েছে। বালুচ বিদ্রোহীদের সঙ্গে সংঘর্ষে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি পাকিস্তান সরকার এবং সেনাবাহিনীর নীরবতাকে ব্যাখ্যা করে।

  • Jamaat-e-Islami: জামায়াতে ইসলামী নেতার নারী বিদ্বেষ ও অশ্লীল মন্তব্যে বাংলাদেশে তোলপাড়

    Jamaat-e-Islami: জামায়াতে ইসলামী নেতার নারী বিদ্বেষ ও অশ্লীল মন্তব্যে বাংলাদেশে তোলপাড়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার, ৩১শে জানুয়ারি, বাংলাদেশ (Bangladesh) জামায়াতে ইসলামীর (Jamaat-e-Islami) আমির শফিকুর রহমান নেতৃত্বের পদে থাকা নারীদের পতিতাদের সাথে তুলনা করার পর বিক্ষোভ চরম আকার নিয়েছে। বাংলাদেশে ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া জাতীয় নির্বাচনের কয়েক সপ্তাহ আগে এই ঘটনাটি ভোটের প্রচার এবং রাজনীতির আঙিনায় ব্যাপক শোরগোল ফেলেছে।

    পতিতাবৃত্তির আরেকটি রূপ (Jamaat-e-Islami)

    যদিও বর্তমানে পোস্টটি ডিলিট করে ফেলা হয়েছে। তবুও এক্স হ্যন্ডেলে একটি পোস্টে জামায়াতে ইসলামীর (Jamaat-e-Islami) প্রধান শফিকুর রহমান মন্তব্য করে লিখেছিলেন, “নারীদের প্রশ্নে, জামায়াতের অবস্থান বিভ্রান্তিকর বা ক্ষমাপ্রার্থী নয়-এটি নীতিগত। আমরা মনে করি না, নারীদের নেতৃত্বে আসা উচিত। জামায়াতে এটা অসম্ভব। আল্লাহ এটার অনুমতি দেননি। আমরা বিশ্বাস করি যে যখন আধুনিকতার (Bangladesh) নামে নারীদের ঘর থেকে বের করে দেওয়া হয়, তখন তারা শোষণ, নৈতিক অবক্ষয় এবং নিরাপত্তাহীনতার মুখোমুখি হয়। এটি পতিতাবৃত্তির আরেকটি রূপ ছাড়া আর কিছুই নয়।”

    নৈতিক পতনের লক্ষণ!

    জামায়াতে নেতা শফিকুর রহমান এখানেই থেমে থাকেননি এবং আরও দাবি করে বলেন, “সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অশ্লীলতা, কর্মক্ষেত্রে হয়রানি এবং নারীদের পণ্যে পরিণত করা অগ্রগতির লক্ষণ নয়-এগুলি নৈতিক পতনের লক্ষণ। অনৈতিকতা যতই ফ্যাশনেবল হোক না কেন, আমরা তার সাথে আপোষ করতে রাজি নই।” নারীদের সম্পর্কে তার অবমাননাকর মন্তব্যের পর, বাংলাদেশের (Jamaat-e-Islami) বেশ কয়েকটি জায়গায় বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।

    তবে নিজের তাল সামাল দিতে এখন নিজের মুখ বাঁচাতে নতুন তত্ত্ব খাড়া করেছেন। জামায়াতে ইসলামীর প্রধান শফিকুর দাবি করেছেন, রবিবার, ১ ফেব্রুয়ার তাঁর এক্স হ্যান্ডলের অ্যাকাউন্টটি হ্যাক করা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, “আমার মিথ্যা সংবাদ এবং সোশ্যাল মিডিয়া হ্যাক করে আমাদের বিরুদ্ধে কলঙ্কিত করার চেষ্টা করছে। আজ যে দলটি আমাদের কলঙ্কিত করার চেষ্টা করছে, সেই একই দল যার কর্মীরা হিজাব নিয়ে আক্রমণ করেছে। নারীদের সম্মান করার, তাদের মর্যাদাকে সম্মান করার এবং সমাজে সমান অংশীদার হিসেবে তাদের পাশে দাঁড়ানোর আমাদের দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। আমাদের নীতিমালা নারী সুরক্ষা, তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং বাংলাদেশ (Bangladesh) গঠনে তাদের কেন্দ্রীয় ভূমিকা স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য তৈরি। যে জাতি তার নারীদের অসম্মান করে, তারা এগিয়ে যেতে পারে না।”

    জামায়াতে ইসলাম রাজাকার!

    এটা উল্লেখ করা আবশ্যক যে, ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের (Bangladesh) স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় পাকিস্তান সেনাবাহিনীর পাশাপাশি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী (Jamaat-e-Islami) নারীদের উপর, বিশেষ করে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের উপর, অকথ্য অত্যাচার সংগঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। মুক্তিযুদ্ধের লড়াইতে তাঁদের সাফ অবস্থান ছিল পশ্চিমপাকিস্তানের দিকেই। তাঁদের বলা হতো রাজাকার।

  • Baloch liberation Army: বালুচ লিবারেশন আর্মির হাতে খতম ৮৪ জন পাকিস্তানি সেনা

    Baloch liberation Army: বালুচ লিবারেশন আর্মির হাতে খতম ৮৪ জন পাকিস্তানি সেনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৩১ জানুয়ারি জারি করা এক বিবৃতিতে বালুচ লিবারেশন আর্মি (Baloch liberation Army) (বিএলএ) দাবি করেছে, “অপারেশন হেরোফ ফেজ টু”-তে ৮০ জনেরও বেশি পাকিস্তানি (Pakistan) জঙ্গি, পুলিশ কর্মী, গোয়েন্দা সংস্থা এবং সন্ত্রাসবিরোধী ইউনিটের সদস্য নিহত হয়েছে। আমাদের যোদ্ধারা বালুচিস্তানের একাধিক জেলায় আক্রমণ চালিয়েছে। আক্রমণগুলি দশ ঘণ্টা ধরে সংগঠিত হয়েছিল এবং প্রদেশের অসংখ্য শহরে নিরাপত্তা, সামরিক এবং প্রশাসনিক কাঠামোগুলিকে লক্ষ্য করে করা হয়েছিল। সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ কয়েকটি ভিডিও-র সত্যতা নিশ্চিত করেছে বিএলও।

    কোথায় কোথায় হামলা (Baloch liberation Army)?

    বিএলএ (Baloch liberation Army) মুখপাত্র জিয়ান্দ বালোচের দেওয়া বিবৃতি অনুযায়ী, কোয়েটা (Pakistan), নোশকি, মাস্তুং, দালবান্দিন, কালাত, খারান, পাঞ্জগুর, গোয়াদার, পাসনি, তুরবাত, টুম্প, বুলেদা, মাঙ্গোচর, লাসবেলা, কেচ এবং আওয়ারান এবং এর আশেপাশের বেশ কিছু জায়গায় হামলা চালানো হয়। আমাদের যোদ্ধারা একই সঙ্গে শত্রু সামরিক, প্রশাসনিক এবং নিরাপত্তা কাঠামো-এ হামলা চালিয়েছে, এবং বেশ কয়েকটি এলাকায় নিরাপত্তা বাহিনীর চলাচল সাময়িকভাবে সীমিত করেছে।

    ৮৪ জন নিহত, ১৮ জন বন্দি!

    বিএলএর (Baloch liberation Army) তরফে জানানো হয়েছে, পাকিস্তানি (Pakistan) সামরিক বাহিনী, পুলিশ, গোয়েন্দা সংস্থার ৮৪ জন সদস্য নিহত হয়েছে, সেই সঙ্গে শতাধিক আহত হয়েছে। ইতিমধ্যে ১৮ জনকে বন্দি করা হয়েছে। তারা আরও দাবি করেছে যে অফিস, ব্যাঙ্ক এবং কারাগার সহ ৩০ টিরও বেশি সরকারি সম্পত্তি ধ্বংস করা হয়েছে এবং ২০ টিরও বেশি যানবাহন আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে যে তীব্র সংঘর্ষের সময় বিএলএ যোদ্ধারা কিছু নির্দিষ্ট পোস্ট এবং কাঠামোর নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে।

    চীন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডোরে হামলা বালুচদের

    বালুচিস্তানে (Baloch liberation Army) কর্মরত বেশ কয়েকটি বিচ্ছিন্নতাবাদী জঙ্গি সংগঠনের মধ্যে বালুচ লিবারেশন আর্মি অন্যতম। এই প্রদেশটি রাজনৈতিক স্বায়ত্তশাসন, সম্পদ নিয়ন্ত্রণ এবং উন্নয়নের অভিযোগের কারণে কয়েক দশক ধরে বিদ্রোহ করেছে। এই গোষ্ঠীটি পূর্বে পাকিস্তানি (Pakistan) নিরাপত্তা বাহিনী, এবং বিদেশি স্বার্থ, বিশেষ করে চিন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডরের সঙ্গে সম্পর্কিত প্রকল্পগুলির ওপর একাধিক হামলার দায় স্বীকার করেছে।

    পাকিস্তান বহুদিন ধরে বালুচদের ওপর ধর্মীয়, সামাজিক, আর্থিক এবং রাজনৈতিক শাসন চালাচ্ছে। বছরের পর বছর ধরে পাক সরকারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন বালুচরা। পাকিস্তান সেনাবাহিনী এবং ফ্রন্টিয়ার কর্পসকে প্রায়শই বেলুচ বেসামরিক নাগরিকদের বিরুদ্ধে বিচারবহির্ভূত দমন এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের জন্য দায়ী করা হয়েছে, যার ফলে প্রায়শই জোরপূর্বক অপহরণের ঘটনা ঘটে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার গোষ্ঠীগুলি দাবি করেছে  কয়েক বছর ধরে পাকিস্তান (Pakistan) সেনাবাহিনী বা তাদের মিলিশিয়ারা হাজার হাজার বালুচকে অবৈধভাবে হত্যা বা অপহরণ করেছে।

    যোগাযোগ ব্যবস্থায় ক্ষতি

    শুক্রবার শেষ পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্যে জানা গিয়েছে কিছু এলাকায় যোগাযোগ ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পরিস্থিতি মূল্যায়নের পর কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিক বিবরণ প্রকাশ করবে বলে আশা করা হচ্ছে। বিএলএ ইঙ্গিত দিয়েছে যে তারা আরও আপডেট জারি করবে। বালুচিস্তানের (Baloch liberation Army) পরিস্থিতি এখনও স্থিতিশীল রয়েছে, রিপোর্ট করা ঘটনার পর নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করার সম্ভাবনা রয়েছে।

  • Epstein Files: আমেরিকায় কেলেঙ্কারি! তালিকায় বিল গেটস-সহ একাধিক প্রভাবশালীর নাম

    Epstein Files: আমেরিকায় কেলেঙ্কারি! তালিকায় বিল গেটস-সহ একাধিক প্রভাবশালীর নাম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবারই প্রকাশ করা হয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের (US) বিচার বিভাগের জেফ্রি এপস্টাইন সংক্রান্ত নথিপত্রের (Epstein Files) একটি অংশ। তার জেরেই ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে মার্কিন মুলুকে। ওই নথিগুলোতে মাইক্রোসফটের সহ-প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস-সহ একাধিক প্রভাবশালী ব্যক্তির নাম উল্লেখ রয়েছে বলে খবর।

    যৌন অপরাধে দণ্ডিত (Epstein Files)

    এপস্টাইন ফাইলস ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টে যৌন অপরাধে দণ্ডিত জেফ্রি এপস্টাইন সংক্রান্ত তদন্তের সঙ্গে যুক্ত ৩০ লাখেরও বেশি পৃষ্ঠার নথি, ২ হাজারেরও বেশি ভিডিও এবং প্রায় ১ লাখ ৮০ হাজার ছবি প্রকাশ করেছে। এই উপকরণগুলির মধ্যে যৌন নির্যাতনের শিকারদের সাক্ষাৎকার এবং বিপুল সংখ্যক ই-মেইল যোগাযোগও রয়েছে। প্রকাশিত কিছু নথিতে ‘জর্জ বুশ ১’-এর বিরুদ্ধে অভিযোগের উল্লেখ রয়েছে। তবে এখানে নামটি আমেরিকার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশকেই নির্দেশ করছে কি না, তা স্পষ্ট নয়। এপস্টাইনের ব্যক্তিগত লগবুকে বুশের নাম পাওয়া যায়নি। তবে এপস্টাইনের এক ভুক্তভোগী নিউইয়র্ক সিটি পুলিশ ডিপার্টমেন্টের চাইল্ড এক্সপ্লয়টেশন ডিটেকটিভ ব্যুরোয় দায়ের করা অভিযোগে এই নামটি উল্লেখ করেছিলেন। বিল গেটসের বিরুদ্ধে অভিযোগগুলি এপস্টাইনের ১৮ জুলাই, ২০১৩ তারিখের খসড়া বার্তায় অন্তর্ভুক্ত ছিল। ওই বার্তাগুলির কিছু অংশে গেটসের তৎকালীন উপদেষ্টা বরিস নিকোলিকের কণ্ঠস্বর রেকর্ড করা ছিল।

    এপস্টাইনের দাবি

    একটি খসড়া বার্তায় এপস্টাইন দাবি করেন, গেটস ‘রুশ মেয়েদের’ সঙ্গে যৌন সম্পর্কে লিপ্ত হয়েছিলেন এবং এতে তিনি যৌনবাহিত রোগে আক্রান্ত হন। এপস্টাইনের অভিযোগ, গেটস নাকি অনুরোধ করেছিলেন যাতে গোপনে তাঁর তৎকালীন স্ত্রী মেলিন্ডা গেটসকে অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হয়। এপস্টাইন আরও দাবি করেন, ওই ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ই-মেইলগুলি মুছে ফেলতে গেটস তাঁকে অনুরোধ করেছিলেন। একই খসড়া বার্তায় এপস্টাইন গেটসের সঙ্গে বন্ধুত্ব ছিন্ন হওয়া নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। গেটসের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন হওয়ায় তিনি অকল্পনীয়ভাবে হতাশ হয়েছিলেন বলে জানিয়েছিলেন। বার্তায় এপস্টাইন (Epstein Files) লিখেছিলেন, “কাটা ঘায়ে নুন ছেটানোর মতো তুমি এরপর আমায় অনুরোধ করো তোমার যৌনরোগ সংক্রান্ত ই-মেইলগুলি, মেলিন্ডাকে গোপনে দেওয়ার জন্য অ্যান্টিবায়োটিক চাওয়ার বিষয়টি এবং তোমার যৌনাঙ্গের বর্ণনা সংক্রান্ত লেখাগুলি মুছে ফেলতে।” এর আগে বিচার বিভাগ প্রকাশিত এপস্টাইন-সংক্রান্ত একাধিক ছবিতে বিভিন্ন স্থানে এপস্টাইনের সঙ্গে বিল গেটসকে দেখা গিয়েছিল। তবে এপস্টাইনের আনা সব অভিযোগই বিল গেটস সরাসরি অস্বীকার করেন।

    মুখপাত্রের বক্তব্য

    সংবাদ মাধ্যমে গেটসের এক মুখপাত্র বলেন, “এই অভিযোগগুলি সম্পূর্ণ অবাস্তব ও ভিত্তিহীন। এই নথিগুলি কেবল এটুকুই প্রমাণ করে যে গেটসের সঙ্গে সম্পর্ক চালু না থাকায় এপস্টাইন কতটা হতাশ ছিলেন এবং কীভাবে তিনি ফাঁদ পেতে অপবাদ দেওয়ার চেষ্টা করতেন।” এপস্টাইনের এক ভুক্তভোগীর বিবরণ সংবলিত একটি ই-মেইলে লেখা রয়েছে, “ধন্যবাদ এম, আমি বুঝতে পারিনি বুশও তাকে ধর্ষণ করেছিল। ঠিক আছে।” ওই নথিতে ভুক্তভোগী সম্পর্কে আরও বলা হয়, “এই ইয়টে থাকার সময় সে দেখতে পেয়েছিল আফ্রিকান-আমেরিকান পুরুষরা শ্বেতাঙ্গ স্বর্ণকেশী নারীদের সঙ্গে যৌনতায় লিপ্ত ছিল, এবং যৌনক্রিয়ার সময় সবাই রক্তাক্ত হচ্ছিল (US)।” নথিতে আরও বলা হয়, “সে এক ধরনের আচারভিত্তিক বলিদানের শিকার হয়েছিল, যেখানে তার পা তরবারি দিয়ে কাটা হয়, যদিও কোনো স্থায়ী দাগ ছিল না। ইয়টে সে শিশুদের খণ্ডবিখণ্ড করা, তাদের নাড়িভুঁড়ি বের করে ফেলা এবং সেই নাড়িভুঁড়ির মল খাওয়ার দৃশ্য প্রত্যক্ষ করে।”

    ভুক্তভোগীকে ধর্ষণ

    নথিতে আরও দাবি করা হয় যে ‘জর্জ বুশ ১’ ওই ভুক্তভোগীকে ধর্ষণ করেছিলেন। “সে জর্জ বুশ ১-এর দ্বারাও ধর্ষিত হয়েছিল,” নথিতে উল্লেখ করা হয়। এছাড়াও বলা হয়, “ভুক্তভোগী জানান, ট্রু পণ্ডিতের প্রতিষ্ঠাতা মাইকেল মুর তাঁকে এফবিআই ভবনে নিয়ে যান। বিভিন্ন অনলাইন সূত্রে ট্রু পণ্ডিতকে একটি ষড়যন্ত্রতত্ত্বনির্ভর সংবাদমাধ্যম হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে, যা এফবিআইকে নেতিবাচকভাবে উপস্থাপন করার চেষ্টা করে (Epstein Files)।” আর এক পুরুষ ভুক্তভোগীর বয়ানে বলা হয়েছে, ২০০০ সালে একটি বড় ইয়টে তাঁকে এপস্টাইন এবং প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন যৌন নিপীড়ন করেছিলেন। ভুক্তভোগী জানান, ওই সফরে ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তাঁর বর্তমান স্ত্রী মেলানিয়াও ইয়টে উপস্থিত ছিলেন (US)। তবে ভুক্তভোগীর দাবি, ঘটনার সময় তিনি মাদকাসক্ত অবস্থায় ছিলেন এবং দীর্ঘদিন থেরাপি নেওয়ার পর ২০১৬ সালে এসব স্মৃতি তাঁর মনে ফিরে আসে। ২০১৯ সালের অগাস্টে এফবিআই পরিচালিত এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব তথ্য দেন। প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ডিসেম্বরে, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক চাপ এবং কংগ্রেসে পাস হওয়া নতুন আইনের নির্ধারিত আইনি সময়সীমার পরিপ্রেক্ষিতে বিচার বিভাগ এপস্টাইন ফাইলস প্রকাশ করে (Epstein Files)।

     

  • Suspected Separatists: পাক পুলিশের ওপর হামলা বালুচিস্তানে, খতম ১০

    Suspected Separatists: পাক পুলিশের ওপর হামলা বালুচিস্তানে, খতম ১০

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের হিংসতাপীড়িত দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে সর্বশেষ হিংসার ঘটনায় সশস্ত্র গোষ্ঠীর (Suspected Separatists) হামলায় নিহত হয়েছেন অন্তত ১০ জন নিরাপত্তা আধিকারিক (Pakistani Policemen) এবং ৩৭ জন স্বাধীনতাকামী। আজ, শনিবার ভোরে শুরু হয় এই হামলা। প্রাদেশিক রাজধানী কোয়েটার একাধিক পুলিশ স্টেশনকে টার্গেট করা হয়। অভিযোগ, জাতিগত বালুচ বন্দুকধারীরাই এই হামলা চালিয়েছে। খনিজসমৃদ্ধ বালুচিস্তান প্রদেশে পাকিস্তান দীর্ঘদিন ধরেই বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলনের মুখে রয়েছে। আফগানিস্তান এবং ইরান সীমান্তঘেঁষা এই প্রদেশে বিদ্রোহীরা নিয়মিতভাবে রাষ্ট্রীয় বাহিনী, বিদেশি নাগরিক এবং স্থানীয় নন-লোকালদের ওপর হামলা চালিয়ে থাকে।

    বালুচিস্তানের বিভিন্ন স্থানে অভিযান

    পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোহসিন নকভি এক বিবৃতিতে জানান, হামলায় ১০ জন নিরাপত্তা আধিকারিক নিহত হয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি নিরাপত্তা বাহিনীর প্রশংসা করেন, যাঁরা বালুচিস্তানের বিভিন্ন স্থানে পাল্টা অভিযানে ৩৭ জন সশস্ত্র যোদ্ধাকে হত্যা করেছেন। মন্ত্রীর দাবি, এই হামলাগুলি ভারত-সমর্থিত ‘ফিতনা আল-হিন্দুস্তান’ গোষ্ঠীর মাধ্যমে পরিচালিত হয়েছে। পাকিস্তান সরকার নিষিদ্ধ ঘোষিত বালুচ লিবারেশন আর্মি (বিএলএ) এবং অন্যান্য বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীকে বোঝাতে এই শব্দবন্ধ ব্যবহার করে। সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর, হামলার দায় স্বীকার করেছে বিএলএ। গোষ্ঠীটি জানিয়েছে, তারা গুলিবর্ষণ ও আত্মঘাতী হামলার মাধ্যমে সামরিক কাঠামো, পুলিশ এবং বেসামরিক প্রশাসনের কর্মকর্তাদের টার্গেট করেছে (Suspected Separatists)। বালুচিস্তান সরকারের মুখপাত্র শাহিদ রিন্দ বলেন, “অধিকাংশ হামলাই প্রতিহত করা সম্ভব হয়েছে।” হামলার সময় পাকিস্তানি নিরাপত্তা বাহিনীর কয়েকজন সদস্যকে অপহরণ করা হয়েছে বলেও খবর পাওয়া গিয়েছে। নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে ইন্টারনেট ও ট্রেন পরিষেবা স্থগিত রাখা হয়েছে এবং বর্তমানে একটি বড় ধরনের নিরাপত্তা অভিযান চলছে।

    দেশজুড়ে হামলার মাত্রা বাড়ছে

    শনিবারের এই হামলা এমন একটা সময়ে ঘটল, যার ঠিক একদিন আগেই পাকিস্তানের সেনাবাহিনী জানিয়েছিল যে তারা বালুচিস্তানে পৃথক দুটি অভিযানে ৪১ জন সশস্ত্র যোদ্ধাকে হত্যা করেছে। বিপুল প্রাকৃতিক সম্পদ থাকা সত্ত্বেও বালুচিস্তান পাকিস্তানের সবচেয়ে দরিদ্র প্রদেশ হিসেবে পরিচিত। দীর্ঘদিন ধরেই ইসলামাবাদে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছ থেকে স্বাধীনতার দাবিতে সেখানে আন্দোলন করছেন বিচ্ছিন্নতাবাদীরা। সাম্প্রতিক মাসগুলোয় বালুচ বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠী এবং পাকিস্তানি তালিবান, যারা তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি) নামে পরিচিত, তারা দেশজুড়ে হামলার মাত্রা বাড়িয়েছে। টিটিপি একটি পৃথক সংগঠন হলেও তারা আফগানিস্তানের তালিবানের মিত্র, যারা ২০২১ সালের আগস্টে আবার ক্ষমতায় ফিরে আসে (Pakistani Policemen)। গত বছর জাতিগত বালুচ বিচ্ছিন্নতাবাদীরা ৪৫০ যাত্রীবাহী একটি ট্রেনে হামলা চালায়। এর জেরে দু’দিনব্যাপী অবরোধ তৈরি হয়, যেখানে অন্তত কয়েক ডজন মানুষ নিহত হন (Suspected Separatists)।

     

  • Pakistan:‘‘মাথা নিচু করে ভিক্ষে করতে হয়’’ দেশের করুণ অবস্থার কথা মেনে নিলেন পাক প্রধানমন্ত্রী

    Pakistan:‘‘মাথা নিচু করে ভিক্ষে করতে হয়’’ দেশের করুণ অবস্থার কথা মেনে নিলেন পাক প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দৈন্যদশা আর লুকোতে পারলেন না! বিদেশি ঋণের উপর পাকিস্তানের নির্ভরশীলতা নিয়ে হতাশা প্রকাশ করলেন সে দেশের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। তিনি জানান, এতে দেশের জনগণ ও কর্তাদের আত্মসম্মান নষ্ট হয়। ইসলামাবাদে পাকিস্তানের পরিচিত ব্যবসায়ী ও শিল্পপতিদের নিয়ে একটি সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘‘যখন ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের সঙ্গে আমি দেশে দেশে অর্থ ভিক্ষা করে বেড়াই, তখন আমার অত্যন্ত খারাপ লাগে। লজ্জায় মাথা নীচু হয়ে যায়। তারা অনেক কিছু আমাদের করতে বলে, আমরা না বলতে পারি না।’’

    আত্মসম্মানের সঙ্গে আপস করতে হয়

    শুক্রবার ইসলামাবাদে শীর্ষ পাকিস্তানি রফতানিকারকদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দেওয়ার সময় শরিফ স্বীকার করে নিলেন, পাকিস্তান সম্পূর্ণরূপে বিদেশি আর্থিক সাহায্য এবং নানা ধরনের প্যাকেজের উপর নির্ভরশীল। ঋণ চেয়ে চেয়ে দেশের মুখ আন্তর্জাতিক স্তরে একেবারে পুড়ে গিয়েছে, এ কথাও মেনে নিলেন পাক প্রধানমন্ত্রী। শরিফ বলেন, ‘‘আমি কীভাবে বলব আমরা কোন কোন বন্ধু দেশের থেকে ঋণ চেয়েছি! সেই দেশগুলি আমাদের হতাশ করেনি যদিও। কিন্তু ঋণ যে নিতে যায় তার মাথা হেঁট তো থাকবেই।’’ তিনি স্পষ্ট ভাবে স্বীকার করেছেন, যখন কোনও দেশ আর্থিক সাহায্য চায় তখন তাকে তার আত্মসম্মানের সঙ্গে আপস করতে হয়। অনেক বাধ্যবাধকতা থাকে। এক একটা সময়ে যা মেনে নেওয়া অসম্ভব হয়ে পড়ে।

    পাক অর্থনীতি বর্তমানে ঋণের উপর নির্ভরশীল

    উল্লেখ্য, পাকিস্তানের পুরো অর্থনীতি বর্তমানে ঋণের উপর নির্ভরশীল। তথ্য অনুসারে, ২০২৫ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে পাকিস্তানের মোট বিদেশি ঋণের পরিমাণ প্রায় ৫২.৩৬৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, শাহবাজ শরিফের বক্তব্য প্রমাণ করে, পাকিস্তান এখন সম্পূর্ণরূপে ঋণের ফাঁদে আটকে পড়েছে এবং সার্বভৌমত্বের সঙ্গে আপস করা ছাড়া আর কোনও উপায় নেই তাদের কাছে। শাহবাজ বলেন, তাঁর সরকার- কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক এবং অর্থ মন্ত্রককে পুঁজির সহজলভ্যতা বাড়িয়ে শিল্প বৃদ্ধিকে সমর্থন করার নির্দেশ দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কথায়, ‘‘গভর্নরকে ব্যবসায়িক নেতাদের কথা শুনতে হবে এবং সাহসী সিদ্ধান্ত নিতে হবে।’’ প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘‘ব্যক্তিগত ভাবে কর্মকর্তাদের সঙ্গে বেশ কয়েকটি দেশে তিনিও সফর করেছেন। আইএমএফ প্রোগ্রাম বাঁচাতে কোটি কোটি ডলার সাহায্যের অনুরোধ করেছি।’’ আইএমএফ-এর কঠোর শর্ত মেনে চলার জন্য সরকার জনসাধারণের উপর ভারী কর এবং মুদ্রাস্ফীতি চাপিয়ে দিচ্ছে। তবে, পাকিস্তান কেবল আইএণএফ এবং বিশ্বব্যাঙ্কের কাছে ঋণী নয় বরং চিন ও সৌদি আরবের কাছ থেকেও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ঋণের বোঝায় চাপা পড়ে রয়েছে।

  • US Embassy: বাংলাদেশে নির্বাচন ও গণভোটের আগে হিংসার সতর্কতা: নিরাপত্তা অ্যালার্ট জারি করল মার্কিন দূতাবাস

    US Embassy: বাংলাদেশে নির্বাচন ও গণভোটের আগে হিংসার সতর্কতা: নিরাপত্তা অ্যালার্ট জারি করল মার্কিন দূতাবাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে (Bangladesh Election) আসন্ন সাধারণ নির্বাচন এবং প্রস্তাবিত গণভোটের আগে রাজনৈতিক উত্তেজনা ও সম্ভাব্য হিংসার আশঙ্কায় ঢাকায় (US Embassy) অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস সে দেশে অবস্থানরত নিজ নাগরিকদের জন্য একটি নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করেছে।

    অগ্নিগর্ভ হতে পারে বাংলাদেশ (Bangladesh Election)

    মার্কিন দূতাবাস (US Embassy) জানিয়েছে, রাজনৈতিক সভা-সমাবেশ ও বিক্ষোভ কর্মসূচি থেকে সংঘর্ষ ও সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে নির্বাচনের তারিখ যত ঘনিয়ে আসছে, জনসমাগমপূর্ণ স্থানে অস্থিরতা বৃদ্ধির ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। ফলে মারামারি, সংঘর্ষে উত্তাল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    নাগরিকদের জন্য পরামর্শ

    মার্কিন বিদেশমন্ত্রক (US Embassy) নাগরিকদের বড় ধরনের জমায়েত, বিক্ষোভ মিছিল এবং রাজনৈতিক সমাবেশ এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, স্থানীয় খবরের ওপর নজর রাখা এবং যাতায়াতের ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    গণভোট ও নির্বাচন

    বাংলাদেশে (Bangladesh Election) বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে নির্বাচন এবং গণভোট নিয়ে যে টানাপোড়েন চলছে, তা সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছে ওয়াশিংটন। তাই আগে থেকেই গণভোট এবং নির্বাচন ঘিরে সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

    সতর্কতামূলক পদক্ষেপ

    আমেরিকা দূতাবাসে (US Embassy) কর্মীদের চলাচলের ওপর কিছু বিধিনিষেধ আরোপ করার কথা ঘোষণা করেছে। সেই সঙ্গে পরিস্থিতির অবনতি হলে দূতাবাসের কার্যক্রম সীমিত করার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। বাংলাদেশে (Bangladesh Election) নির্বাচনকালীন সরকার ব্যবস্থা এবং রাজনৈতিক সংস্কার নিয়ে সরকার ও বিরোধী দলগুলোর মধ্যে দীর্ঘদিনের সংঘাতময় পরিস্থিতি বিরাজ করছে। এই উত্তেজনার মাঝেই নতুন করে গণভোটের বিষয়টি সামনে আসায় রাজপথে সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, যা আন্তর্জাতিক মহলের নজরে এসেছে এবার।

LinkedIn
Share