Category: বিদেশ

Get updates on World News Headlines International News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • US-Iran Peace Deal: তেলের বাজারে স্বস্তি! ইরান-আমেরিকা শান্তিচুক্তির ঘোষণা ট্রাম্পের, ১০০ দিন পর খুলছে হরমুজ প্রণালী

    US-Iran Peace Deal: তেলের বাজারে স্বস্তি! ইরান-আমেরিকা শান্তিচুক্তির ঘোষণা ট্রাম্পের, ১০০ দিন পর খুলছে হরমুজ প্রণালী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবশেষে স্বস্তি! দীর্ঘ তিন মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা পশ্চিম এশিয়ার সংঘাত অবসানের পথে। যুদ্ধ থামিয়ে ইরানের সঙ্গে শান্তিচুক্তির ঘোষণা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের (US President Donald Trump)। রবিবার, ১৪ জুন তিনি ঘোষণা করলেন যে আমেরিকা ও ইরান শান্তিচুক্তিতে (US-Iran Peace Deal) সম্মত হয়েছে। লেবানন সহ সমস্ত জায়গায় মিলিটারি অপারেশন বন্ধ করা হবে অবিলম্বে। একইসঙ্গে তিনি জানান যে হরমুজ প্রণালীও খুলে গিয়েছে (Strait of Hormuz Re-Opening)। হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাতায়াতের জন্য কোনও জাহাজকে টোল বা ট্যাক্স দিতে হবে না। ট্রাম্প বলেন যে এই শান্তিচুক্তি ওই এলাকায় স্থিতাবস্থা ফেরাতে বিরাট বড় পদক্ষেপ। শান্তিচুক্তিতে কী কী শর্ত রয়েছে, তাও তুলে ধরেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

    আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তি স্বাক্ষর

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান সামরিক অভিযান স্থায়ীভাবে বন্ধ করার বিষয়ে একটি শান্তিচুক্তিতে পৌঁছেছে। এই চুক্তির আওতায় লেবানন-সহ সমস্ত ফ্রন্টে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হবে বলে জানানো হয়েছে। মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পাকিস্তান প্রথম এই ঘোষণা করে। পরে ওয়াশিংটন ও তেহরান উভয়ই বিষয়টি নিশ্চিত করে। আগামী ১৯ জুন, শুক্রবার সুইজারল্যান্ডে দুই দেশের মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা রয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রবিবার সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, “ইসলামিক রিপাবলিক অব ইরানের সঙ্গে চুক্তি সম্পূর্ণ হয়েছে। আমি হরমুজ প্রণালী অবিলম্বে ও বিনামূল্যে উন্মুক্ত করার অনুমোদন দিচ্ছি। একইসঙ্গে মার্কিন নৌ অবরোধও প্রত্যাহার করা হবে। বিশ্বের জাহাজগুলো আবার চলাচল শুরু করুক, তেলের প্রবাহ স্বাভাবিক হোক।” এর কিছুক্ষণ পরেই ইরানের উপ-বিদেশমন্ত্রী কাজেম গারিবাবাদি জানান, এই চুক্তির মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে চলা যুদ্ধের “তাৎক্ষণিক সমাপ্তি” ঘটছে। পাশাপাশি আগামী দুই মাসের মধ্যে একটি চূড়ান্ত সমঝোতার লক্ষ্যে নতুন আলোচনা শুরু হবে।

    চুক্তিতে কী কী শর্ত আছে?

    • হরমুজ প্রণালী: প্রথমেই ট্রাম্প জানান যে হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাতায়াত সম্পূর্ণ টোল ফ্রি বা কর মুক্ত হবে। হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাতায়াতে যাতে কোনও বাধা সৃষ্টি না হয়, তা নিশ্চিত করবে শান্তিচুক্তি। আগামী ৩০ দিনের মধ্যে হরমুজ প্রণালী খুলতে হবে চুক্তির নিয়মে।
    • ইরানের উপর নিষেধাজ্ঞা নয়: আমেরিকা ইরানের বন্দরে যাওয়া-আসার যে পথগুলি বন্ধ করে রেখেছিল, তাও তুলে নেবে ৩০ দিনের মধ্যে। যুদ্ধের সময় ইরানের তেল ও পেট্রোকেমিক্যাল পণ্য বিক্রিতে যে নিষেধাজ্ঞা চাপিয়েছিল আমেরিকা, তা প্রত্যাহার করা হবে।
    • ইরানকে আর্থিক সাহায্য: খসড়া প্রস্তাবে সিদ্ধান্ত হয়েছে ইরানে যুদ্ধের জেরে যে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা পুনর্নির্মাণের জন্য আমেরিকা ও তার বন্ধু দেশগুলি অন্তত ৩০০ বিলিয়ন ডলারের আর্থিক সাহায্য করবে। ইরানের ২৪ বিলিয়ন ডলার আটকে রয়েছে বিদেশি ভাঁড়ারে। সেই টাকাও ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়েছে ইরান। শান্তিচুক্তিতে সই করার আগেই এই তহবিলের অর্ধেক টাকা দাবি করা হয়েছে।
    • ইরানের পরমাণু প্রোগ্রাম: ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু নাকি এই চুক্তিতে আপত্তি করেছিলেন। ট্রাম্প সে কথা ফাঁস করে দেন সাংবাদিক বৈঠকে। একইসঙ্গে তিনি বলেন যে নেতানিয়াহুর আপত্তি থাকলেও, এই চুক্তি ইজরায়েলকে সম্ভাব্য বিরাট বড় বিপর্যয় থেকে বাঁচিয়ে দিয়েছে। ইরানের পরমাণু প্রোগ্রাম নিয়ে আলোচনাও হবে এই শান্তিচুক্তিতে, তা উল্লেখ করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। যদি ইরান আমেরিকার সঙ্গে পরমাণু শক্তি নিয়ে চুক্তি করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে ফের মিলিটারি অভিযান শুরু হবে।

    আন্তর্জাতিক মহলে স্বস্তি

    চুক্তির ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েছেন রাষ্ট্রসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। তাঁর মতে, এটি মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত নিরসনের পথে একটি “গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ”। অন্যদিকে ব্রিটেন, ফ্রান্স, জার্মানি ও ইটালি জানিয়েছে, তারা ইরানের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়ে ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করবে এবং দীর্ঘমেয়াদি কূটনৈতিক সমাধানের জন্য যুক্তরাষ্ট্র, ইরান ও আঞ্চলিক অংশীদারদের সঙ্গে কাজ করবে।

    বাজারে ইতিবাচক প্রভাব

    শান্তিচুক্তির খবর ছড়িয়ে পড়তেই আন্তর্জাতিক বাজারে স্বস্তির হাওয়া বইতে শুরু করে। সোমবার এশিয়ার বাজার খুলতেই তেলের দাম ৪ শতাংশের বেশি কমে যায়। একইসঙ্গে জাপানের নিক্কেই সূচক প্রায় ৩ শতাংশ বেড়ে যায়। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তেল ও গ্যাস পরিবহন পথ হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকায় গত কয়েক মাসে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি, মুদ্রাস্ফীতি এবং বিশ্বব্যাপী সরবরাহ ব্যবস্থায় বড় ধরনের প্রভাব পড়েছিল। মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বলেন, “এই চুক্তির ফলে শুধু এখনই নয়, দীর্ঘমেয়াদেও জ্বালানির দাম কমবে এবং মধ্যপ্রাচ্যে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির নতুন পথ খুলবে।”

    যুদ্ধের অবসান!

    গত ফেব্রুয়ারির শেষদিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের যৌথ হামলার মাধ্যমে এই সংঘাতের সূচনা হয়। পাল্টা জবাবে ইরান ইজরায়েল এবং মধ্য প্রাচ্যে মার্কিন মিত্রদের লক্ষ্য করে হামলা চালায়। একইসঙ্গে হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচল কার্যত বন্ধ করে দেয়। এর জবাবে যুক্তরাষ্ট্র ইরানি বন্দরগুলির বিরুদ্ধে নৌ অবরোধ আরোপ করে। দীর্ঘ আলোচনার পর অবশেষে যুদ্ধবিরতির পথে দুই দেশ এগোলেও, চূড়ান্ত চুক্তির শর্তাবলি নিয়ে এখনও বহু প্রশ্নের উত্তর মেলেনি। তবে আপাতত বিশ্ববাসীর নজর ১৯ জুনের জেনেভা বৈঠকের দিকে, যেখানে আনুষ্ঠানিকভাবে শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা।

    শান্তিচুক্তি না হলে কী হবে?

    ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে যদি পরমাণু শক্তি নিয়ে আলোচনায় ইরান সম্মতি না দেয়, তাহলে ফের সামরিক অভিযান শুরু হতে পারে। আর যদি এই চুক্তিই ভেঙে যায়, তাহলে তিনি হয় তেহরানে ফের হামলা শুরু করবেন, নয়তো আমেরিকাকে মধ্য প্রাচ্যের অভিভাবক (Guardian of the Middle East) করে তুলবেন। এর বিনিময়ে তাদের ওই অঞ্চল থেকে পাওয়া রাজস্বের ২০ শতাংশ দেওয়া হতে পারে।

  • PM Modi: ‘ভারত ইনোভেটস ২০২৬’-এর মঞ্চে তরুণ উদ্ভাবকদের প্রশংসায় পঞ্চমুখ প্রধানমন্ত্রী, জোর দিলেন ভারত-ফ্রান্স প্রযুক্তি অংশীদারিত্বেও

    PM Modi: ‘ভারত ইনোভেটস ২০২৬’-এর মঞ্চে তরুণ উদ্ভাবকদের প্রশংসায় পঞ্চমুখ প্রধানমন্ত্রী, জোর দিলেন ভারত-ফ্রান্স প্রযুক্তি অংশীদারিত্বেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফ্রান্সের (France) নিস শহরে অনুষ্ঠিত ‘ভারত ইনোভেটস ২০২৬’-এর মঞ্চে দেশের তরুণ উদ্ভাবকদের ভূয়সী প্রশংসা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) মুখে। তিনি জানান, আধুনিক যুগে উদ্ভাবনী সমাধান তুলে ধরার জন্য ‘ভারত ইনোভেটস ২০২৬’ একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে।

    ‘ভারত ইনোভেটস ২০২৬’-এর সূচনা

    অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ভারত ও ফ্রান্স দীর্ঘদিন ধরেই একসঙ্গে বিভিন্ন ক্ষেত্রে এগিয়ে চলেছে। চলতি বছর শুরু হওয়া ‘ইন্ডিয়া-ফ্রান্স ইয়ার অব ইনোভেশনে’র ধারাবাহিকতায় ‘ভারত ইনোভেটস ২০২৬’-এর সূচনা হয়েছে।” অনুষ্ঠানে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রঁর উপস্থিতির জন্যও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিপুল সংখ্যক তরুণ উদ্যোক্তার উচ্ছ্বসিত অংশগ্রহণের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী জানান, তাঁদের মধ্যে আত্মবিশ্বাসী ও উদ্যমী নয়া  ভারতের প্রতিচ্ছবি দেখা যায়। তাঁর কথায়, “বর্তমান ভারত শুধু প্রযুক্তিগত সমাধানের ভোক্তা নয়, বরং বিশ্বকে নতুন সমাধান উপহার দেওয়ার অন্যতম অংশীদার। কেউ এআই (AI) ব্যবহার করে গ্রামীণ ভারতের উন্নয়নে কাজ করছেন, আবার কেউ স্যাটেলাইট প্রযুক্তির মাধ্যমে কৃষকদের সাহায্য করছেন।

    টেকসই ভবিষ্যৎ গড়ে তোলা

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ভারত দ্রুতগতিতে এবং বৃহৎ পরিসরে উদ্ভাবন করছে। একই সঙ্গে টেকসই ভবিষ্যৎ গড়ে তোলা এবং বিশ্বকল্যাণে প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করাই দেশের লক্ষ্য।” তিনি জানান, একবিংশ শতাব্দীতে ভারত বড় ধরনের পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে এবং তথ্যপ্রযুক্তি বিপ্লবের হাত ধরে দেশ এখন স্টার্টআপ বিপ্লবের দোরগোড়ায় পৌঁছে গিয়েছে। নতুন প্রজন্মের ভারতীয় যুবক-যুবতীরা মানবকল্যাণে জটিল সমস্যার উদ্ভাবনী সমাধান তৈরি করছেন, যা বিশ্বব্যাপী সমাদৃত হচ্ছে। তাঁর মতে, ‘ভারত ইনোভেটস ২০২৬’ সেই বিশ্বমানের উদ্ভাবনগুলিকে আন্তর্জাতিক মঞ্চে তুলে ধরার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ।

    অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন যাঁরা

    প্রধানমন্ত্রীর ফ্রান্স সফরের সূচনা হয়েছে এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে। সফরের অংশ হিসেবে তিনি এভিয়াঁ এবং প্যারিসেও বিভিন্ন দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক বৈঠকে অংশ নেবেন, যার লক্ষ্য ভারত-ফ্রান্স সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করা (PM Modi)। ‘ভারত ইনোভেটস ২০২৬’-এ প্রায় ১২০ জন ভারতীয় উদ্ভাবক, ১৫টির মতো উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং ৫০০-রও বেশি বিনিয়োগকারী অংশ নিয়েছেন। উপস্থিত রয়েছেন বিভিন্ন আন্তর্জাতিক কর্পোরেট সংস্থা, ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ফার্মের প্রতিনিধি, বিশ্বখ্যাত সিইও এবং শিল্পক্ষেত্রের নেতারা। অনুষ্ঠানে অ্যাডভান্সড কম্পিউটিং, সেমিকন্ডাক্টর, মহাকাশ প্রযুক্তি, বায়োটেকনোলজি, জ্বালানি, স্বাস্থ্য পরিষেবা ও উৎপাদন শিল্প-সহ মোট ১৩টি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ভারতের ডিপ টেক ও স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমকে বিশ্ববাজারের সামনে তুলে ধরাই এই (France) অনুষ্ঠানের প্রধান উদ্দেশ্য। এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ডিপ টেক, গবেষণা ও উন্নয়ন, স্টার্টআপ সম্প্রসারণ এবং সীমান্ত-পার বিনিয়োগ সহযোগিতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা ও অংশীদারিত্বের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে বলেও ধারণা সংশ্লিষ্ট মহলের (PM Modi)।

     

  • Donald Trump: ৮০তে পা ট্রাম্পের, কী বললেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট?

    Donald Trump: ৮০তে পা ট্রাম্পের, কী বললেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার ৮০তে পা দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। তবে এই জন্মদিন নিয়ে তিনি নিজেই খুব একটা উচ্ছ্বসিত নন বলেই জানান ট্রাম্প। সম্প্রতি হোয়াইট হাউসে সেন্টারস ফর মেডিকেয়ার (Turns 80) অ্যান্ড মেডিকেইড সার্ভিসেসের প্রশাসক মেহমেত ওজের সঙ্গে আলাপচারিতায় ট্রাম্প বলেছিলেন, “আমায় জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাতে হবে না। কারণ এই জন্মদিন নিয়ে আমি খুব একটা খুশি নই। ৮০ এমন একটি সংখ্যা, যা আমার ভালো লাগে না। তবুও আমি এখানে আছি।”

    জন্মদিনে এলাহি আয়োজন (Donald Trump)

    এদিন নিজের জন্মদিন উপলক্ষে হোয়াইট হাউসের সাউথ লনে বিশাল আকারের একটি আলটিমেট ফাইটিং চ্যাম্পিয়নশিপ (ইউএফসি) ইভেন্টের আয়োজন করেছেন ট্রাম্প। ইউএফসি প্রেসিডেন্ট ডানা হোয়াইটের সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত এই আয়োজনে সাতটি লড়াই অনুষ্ঠিত হয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ২৫০তম বার্ষিকী এবং ফ্ল্যাগ ডে উপলক্ষেও এই অনুষ্ঠানকে বিশেষভাবে উদযাপন করা হচ্ছে বলেও খবর।সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিওতে মজা করে ওজ হোয়াইট হাউসের লনে তৈরি অক্টাগনের দিকে ইঙ্গিত করলে ট্রাম্প তাঁকে অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানান এবং জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানানোর জন্য ধন্যবাদ দিলেও ফের বলেন, “আমায় শুভ জন্মদিন বলতে হবে না।”

    জন্মদিনের অনুষ্ঠানেও কাজ!

    জন্মদিন উদযাপনের মধ্যেও অবশ্য ইরানকে ঘিরে চলা উত্তেজনা নিরসন করতে প্রশাসনের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছেন ট্রাম্প। মার্কিন প্রেসিডেন্ট একাধিকবার কূটনৈতিক অগ্রগতির ইঙ্গিত দিলেও, সম্ভাব্য কোনও সমঝোতার বিষয়ে এখনও স্পষ্ট কোনও তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। এদিকে, আদালতের একটি রায়ের পর ওয়াশিংটনের কেনেডি সেন্টার থেকে ট্রাম্পের নাম সরিয়ে নেওয়ার ঘটনাও চর্চার বিষয় হয়েছে। জন্মদিন উদযাপনের আবহেই মধ্যেই শুরু হয়েছে এই নতুন বিতর্ক (Donald Trump)। প্রসঙ্গত, ট্রাম্পের এই আয়োজনের সঙ্গে প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের ৮০তম জন্মদিনের উদযাপনের পার্থক্যও মার্কিন মুলুকে চর্চার বিষয় হয়েছে। ২০২২ সালে বাইডেন হোয়াইট হাউসে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ব্যক্তিগতভাবে জন্মদিন পালন করেছিলেন।

    আয়োজন নিয়ে বিতর্কের জবাবে সাফাই

    হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র অ্যালিসন শুস্টার ইউএফসি আয়োজনের সপক্ষে যুক্তি দিয়ে বলেন, “ফ্ল্যাগ ডে এবং আমেরিকার ২৫০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর প্রাক্কালে জনগণের বাড়ি হোয়াইট হাউসে এমন একটি আয়োজন দেশের জন্য উপযুক্ত শ্রদ্ধার্ঘ্য।” যদিও সমালোচকদের দাবি, ইরান সঙ্কট, মুদ্রাস্ফীতি এবং প্রশাসনের জনপ্রিয়তা হ্রাসের মতো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু থেকে জনসাধারণের দৃষ্টি ঘোরাতেই এই জমকালো অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। কেউ কেউ একে প্রাচীন রোমের ‘ব্রেড অ্যান্ড সার্কাসেস’ কৌশলের সঙ্গে তুলনা করেছেন। এদিকে, বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ইউএফসি ব্যয় বহন করলেও, অনুষ্ঠানস্থল সাজাতে ৬০ মিলিয়ন ডলারেরও বেশি অর্থ এবং বিপুল শ্রমঘণ্টা ব্যয় হয়েছে (Turns 80)। ট্রাম্প পরিবারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ক্রিপ্টোকারেন্সি প্রতিষ্ঠান ওয়ার্ল্ড লিবার্টি ফাইন্যান্সিয়াল বিজয়ী যোদ্ধাদের জন্য আড়াই লাখ ডলারের বিশেষ বোনাস স্পনসর করায়ও নয়া বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে (Donald Trump)।

     

  • Hindus Under Attack: ভারত তো বটেই, হিন্দু নির্যাতন চলছে বাংলাদেশেও, ঝলকে এই সপ্তাহের ছবি

    Hindus Under Attack: ভারত তো বটেই, হিন্দু নির্যাতন চলছে বাংলাদেশেও, ঝলকে এই সপ্তাহের ছবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অব্যাহত হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ। ভারত তো বটেই, বিশ্বের বহু অঞ্চলেও এই নির্যাতন ধীরে ধীরে এক ধরনের গণহত্যার রূপ নিচ্ছে (Hindus Under Attack)। কয়েক দশক ধরে বিশ্ব এই আক্রমণের প্রকৃত গভীরতা ও ব্যাপ্তি উপেক্ষা করে আসছে, যা খুবই উদ্বেগজনক (Roundup Week)। হত্যা, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, উৎসবে হামলা, মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, ঘৃণা ভাষণ, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য পর্যন্ত, সর্বত্র হিন্দুরা তাঁদের অস্তিত্বের ওপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণ এবং নজিরবিহীন হিন্দু-বিদ্বেষের সম্মুখীন হচ্ছেন। এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক ৭ থেকে ৬ জুন, ২০২৬ – পর্যন্ত পর্বে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন ঘটনার জলছবি।

    জমি জালিয়াতির অভিযোগ (Hindus Under Attack)

    বেঙ্গালুরুর সোমানাহাল্লিতে মুসলিম সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে বিশাল এক জমি জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ, কবরস্থানের জন্য কয়েক কোটি টাকা মূল্যের একর ছয়েক জমি একটি মুসলিম পরিবারকে ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। অথচ স্থানীয় হাজার হাজার হিন্দুর জন্য রয়েছে খুবই ছোট আকারের একটি সমাধিস্থল এবং শ্মশান। সমাজকর্মীদের অভিযোগ, কবরস্থান করতে গিয়ে এলাকার একটি পুরনো হনুমান মন্দির সরিয়ে ফেলা হয়েছে। ঘটনার জেরে সৃষ্টি হয়েছে ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যবাহী স্থানগুলির সুরক্ষা নিয়ে উদ্বেগ।কর্নাটকে ২০ লাখের কাছাকাছি অবৈধ বাংলাদেশি বসবাস করছে—ভাইরাল হওয়া এমন একটি দাবিকে কেন্দ্র করে সৃষ্টি হয়েছে নয়া বিতর্কের। এহেন দাবির সত্যতা নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন থাকলেও, অনুপ্রবেশ, নিরাপত্তা এবং জনসংখ্যাগত প্রভাব নিয়ে আলোচনা তীব্র হয়েছে।

    ধর্মান্তরকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা

    উত্তরপ্রদেশে আয়ুষ মালিক ওরফে মোহাম্মদ আলির ধর্মান্তরকে ঘিরেও শুরু হয়েছে বিতর্ক। পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে প্রভাব খাটিয়ে এবং মানসিক চাপের মাধ্যমে তাঁকে ধর্ম পরিবর্তনে উদ্বুদ্ধ করা হয়েছিল। অভিযোগ পেয়ে তদন্ত শুরু প্রশাসন। মহারাষ্ট্রের পালঘরে এক তরুণীকে ধর্ষণ ও তাঁর নাবালিকা বোনের ওপর যৌন নির্যাতনের অভিযোগে বছর বাইশের এক যুবকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। ভারতীয় ন্যায় সংহিতা এবং পকসো আইনে মামলা রুজু করে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করার চেষ্টা চলছে। কর্নাটকের ধারওয়াড়ে তফশিলি জাতির এক কিশোরীর মৃত্যুকে ঘিরে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। অভিযোগ, প্রলোভন দেখিয়ে তাকে যৌন নির্যাতন করা হয়েছিল। দীর্ঘদিন ধরে লালসার শিকার হয়েছিল সে। স্থানীয়দের চাপে পড়ে দুই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তদন্তে কিছু ডিজিটাল প্রমাণ উদ্ধার হয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে পুলিশের তরফে।

    গো-মাংসের বিরিয়ানি নিয়ে বিতর্ক

    অসমের গোলপাড়া জেলার একটি স্কুলে গরুর মাংসের বিরিয়ানি নিয়ে এসেছিল এক ছাত্র। সে সেই বিরিয়ানি তার দুই হিন্দু সহপাঠীকে খেতে উৎসাহিত করে বলে অভিযোগ। ঘটনায় ব্যাপক বিতর্কের সৃষ্টি হয়। অভিযোগের ভিত্তিতে ওই ছাত্রের মায়ের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। শুরু হয়েছে তদন্ত।

    হিন্দু নির্যাতন বাংলাদেশেও

    ভারতের পাশাপাশি হিন্দু নির্যাতন চলছে পড়শি দেশ বাংলাদেশেও। সেখানে সংখ্যালঘু হিন্দুদের ওপর হামলা এবং নির্যাতনের অভিযোগেও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন ও স্থানীয় সূত্রের দাবি, জমি দখল, মন্দির ভাঙচুর, ধর্ম অবমাননার মিথ্যা অভিযোগ, মহিলাদের ওপর হিংসা এবং সামাজিক ভীতি প্রদর্শনের মতো ঘটনার মাধ্যমে সংখ্যালঘুদের ওপর চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে। যশোর জেলার মণিরামপুর উপজেলার পারখাজুরা মালোপাড়া গ্রামে জমি বিবাদকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া অশান্তির জেরে জখম হন একটি সংখ্যালঘু পরিবারের আট সদস্য। স্থানীয়দের দাবি, সশস্ত্র হামলায় পরিবারের সদস্যরা গুরুতরভাবে জখম হন। তদন্ত করছে পুলিশ।জয়পুরহাটে ধান কাটাকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে দিনমজুর শ্যামল চন্দ্র মালিকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সূত্রে খবর, প্রকাশ্য দিবালোকে সংঘটিত এই ঘটনায় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মধ্যে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। শুরু হয়েছে তদন্ত।

    রামের মূর্তি গড়া বন্ধ

    বাংলাদেশেরই (Bangladesh) একটি ঐতিহ্যবাহী হিন্দু মন্দিরে ভগবান রামের একটি মূর্তি তৈরির কাজ শুরু হয়েছিল। মূর্তি নির্মাণের  কাজের খবর প্রকাশ্যে আসতেই কোমর বেঁধে মাঠে নামে স্থানীয় বেশ কয়েকটি উগ্রপন্থী ও মৌলবাদী ইসলামি সংগঠন। মসজিদ ও সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে এই মূর্তি নির্মাণের বিরুদ্ধে তীব্র উস্কানিমূলক প্রচার শুরু হয়। পরিস্থিতি দ্রুত জটিল আকার ধারণ করে যখন মৌলবাদীরা দলবদ্ধ হয়ে মন্দির প্রাঙ্গনের (Bhagwan Ram Murti) বাইরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে। প্রত্যক্ষদর্শীদের অভিযোগ, বিক্ষোভকারীরা প্রকাশ্য দিবালোকে হুমকি দেয় যে, যদি অবিলম্বে রামমূর্তির নির্মাণের কাজ বন্ধ করা না হয়, তবে মন্দির ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে। মন্দিরের পুরোহিত এবং মূর্তি গড়ার কারিগরদের প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এর পরেই বন্ধ হয়ে যায় মূর্তি নির্মাণের কাজ।

    প্রসঙ্গত, অধিকাংশ ঘৃণাজনিত অপরাধ হিন্দু-বিরোধী বিদ্বেষের জের। এসবই ধর্মীয় শিক্ষা ও রাজনৈতিক মতাদর্শে নিহিত রয়েছে বলে দাবি। ইসলামিক দেশগুলিতে হিন্দু-বিরোধী ঘৃণা স্পষ্ট হলেও, ভারতের মতো তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠান ও জনপরিসরেও আরও সূক্ষ্ম ধরনের হিন্দু-বিরোধী মনোভাব রয়েছে, যা হিন্দু-বিদ্বেষ ও ঘৃণাজনিত অপরাধের সহায়ক পরিবেশ তৈরি করে। এই সূক্ষ্ম, দৈনন্দিন বৈষম্য অনেক সময় নজরে আসে না, যদি না কেউ প্রচলিত আইন ও ঘটনাপ্রবাহ বিশ্লেষণ করে। দীপাবলিতে ধীরে ধীরে আতশবাজির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি এর একটি উদাহরণ। আপাতভাবে এটি দূষণ-সংক্রান্ত মনে হলেও, বৃহত্তর প্রেক্ষাপটে হিন্দু উৎসবগুলির ওপর বিধিনিষেধ এবং নিষেধাজ্ঞার পেছনে যৌক্তিকতার অভাব লক্ষ্য (Hindus Under Attack) করলে দ্বিচারিতা (Roundup Week) স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

     

  • Coaching Vandalism Row: নেপালে রহস্য মৃত্যু রৌশন স্যারের ভাইয়ের, খান স্যার কোচিং ভাঙচুর বিতর্কে নয়া মোড়

    Coaching Vandalism Row: নেপালে রহস্য মৃত্যু রৌশন স্যারের ভাইয়ের, খান স্যার কোচিং ভাঙচুর বিতর্কে নয়া মোড়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রহস্যজনকভাবে মৃত্যু হল বিহারের জনপ্রিয় শিক্ষক রৌশন আনন্দ (রৌশন স্যার)-এর ভাই প্রিন্স আনন্দের। বর্তমানে নেপালে ছিলেন (Coaching Vandalism Row) তিনি। অনুমান, মৃত্যুর সময় মদ্যপ অবস্থায় ছিলেন তিনি। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে ময়নাতদন্তের রিপোর্টের অপেক্ষায় নেপাল পুলিশ। প্রিন্সের সঙ্গে থাকা পাঁচ বন্ধুকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে নেপাল পুলিশ। জানা (Khan Sir) গিয়েছে, মৃত্যুর আগে নেপালে প্রিন্সের সঙ্গে ছিলেন অন্তত ছ’জন বন্ধু। খবর পেয়ে প্রিন্সের পরিবারের সদস্যরা রওনা দিয়েছেন নেপালের উদ্দেশে।

    নেপালে প্রিন্সের মৃত্যুতে রহস্য (Coaching Vandalism Row)

    পাটনার একটি ভাঙচুর মামলায় গ্রেফতার হয়ে জেলে রয়েছেন রৌশন স্যার। এই ঘটনায় তাঁর ভাই প্রিন্সের নামও অভিযুক্তদের তালিকায় ছিল। এমন পরিস্থিতিতে তাঁর রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। রৌশন স্যার এবং জনপ্রিয় শিক্ষক খান স্যার (ফয়সাল খান)-এর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা চলে আসছে। পাটনার জ্ঞান বিন্দু জিএস অ্যাকাডেমি এবং খান গ্লোবাল স্টাডিজের মধ্যে এই বিরোধ একাধিকবার সংঘর্ষ, ভাঙচুর এমনকি গুলিচালনার পর্যায়েও পৌঁছেছে। সম্প্রতি খান স্যারের কোচিং সেন্টারে হামলার ঘটনায় গ্রেফতার হন রৌশন স্যার। এদিকে, খান স্যার আদালত থেকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন পান। এর মধ্যেই নেপালে প্রিন্সের মৃত্যু জন্ম দিয়েছে (Coaching Vandalism Row) নয়া বিতর্কের।

    দুই স্যারের বিবাদ

    জানা গিয়েছে, ২০২১ সালেও প্রিন্সের বিরুদ্ধে খান স্যারের কোচিং সেন্টারে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছিল। অভিযোগ ছিল, তিনি ক্লাসরুমে ঢুকে হিংসাত্মক আচরণ করেছিলেন। খান স্যার আগে একাধিকবার অভিযোগ করেছেন, রৌশন স্যার তাঁর প্রতিষ্ঠানে বোমা নিয়ে হামলা ও কর্মীদের ওপর আক্রমণের ঘটনায় জড়িত। আবার, রৌশন স্যারের দাবি, ২০২৩ সালে তাঁর কোচিং সেন্টারে ভাঙচুরের ঘটনার নেপথ্যে ছিলেন খান স্যার। জানা গিয়েছে, বিহার পুলিশ নিয়োগ পরীক্ষার ফলকে কেন্দ্র করে দুই কোচিং সেন্টারের মধ্যে উত্তেজনার পারদ আরও চড়েছে। উভয় প্রতিষ্ঠানই সফল প্রার্থীদের কৃতিত্ব নিজেদের বলে দাবি করায় পোস্টার ছেঁড়া, সমর্থকদের মধ্যে হাতাহাতি এবং সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে (Khan Sir)। প্রসঙ্গত, পাটনার মুসাল্লাহপুর এলাকার কিষান কোল্ড স্টোরেজ ক্যাম্পাসের রাশ কার হাতে থাকবে, তা নিয়েও দুই পক্ষের দীর্ঘদিনের বিবাদ রয়েছে। এই একই ক্যাম্পাস থেকে দুই শিক্ষকের কোচিং সেন্টারও চালানো হয় (Coaching Vandalism Row)।

     

  • Trump: জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী, মুখোমুখি বৈঠক হওয়ার কথা ট্রাম্পের সঙ্গেও

    Trump: জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী, মুখোমুখি বৈঠক হওয়ার কথা ট্রাম্পের সঙ্গেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফ্রান্সে আয়োজিত জি-৭ সম্মেলনে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই সম্মেলনের ফাঁকে আগামী ১৭ জুন দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হওয়ার কথা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Trump) ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। হোয়াইট হাউসের এক প্রবীণ কর্তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, জি-৭ নেতৃবৃন্দ, আমন্ত্রিত অংশীদার দেশ এবং প্রযুক্তি সংস্থার শীর্ষ কর্তাদের সঙ্গে যৌথ মধ্যাহ্নভোজে যোগ দেওয়ার আগে বৈঠকে (PM Modi) বসবেন মোদি-ট্রাম্প।

    মোদি-ট্রাম্প বৈঠক (Trump)

    এই বৈঠকে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, সরবরাহ শৃঙ্খলের স্থিতিশীলতা, বিনিয়োগ অংশীদারিত্ব, এআই (AI) এবং বৈশ্বিক নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ভারত-মার্কিন বাণিজ্যিক সম্পর্ক, জ্বালানি সহযোগিতা, এইচ-ওয়ান বি (H-1B) ভিসা নীতি, আঞ্চলিক নিরাপত্তা এবং পশ্চিম এশিয়ার বর্তমান পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা হতে পারে। গত বছরের ‘অপারেশন সিঁদুরে’র পর এই প্রথম দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হতে চলেছে মোদি-ট্রাম্পের মধ্যে। তাই সাম্প্রতিক কূটনৈতিক টানাপোড়েনের প্রেক্ষাপটে এই বৈঠক বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই ধারণা আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের।

    জি-৭ শীর্ষ সম্মেলন

    সোমবার ওয়াশিংটন থেকে রওনা হয়ে ফ্রান্সে যাবেন ট্রাম্প (Trump)। জি-৭ সম্মেলনের পাশাপাশি ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রঁ-সহ বিভিন্ন বিশ্বনেতার সঙ্গে বৈঠক করবেন তিনি। এদিকে, ইতিমধ্যেই স্লোভাকিয়ার উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। সেখান থেকে ফের ১৬ জুন ফ্রান্সে পৌঁছনোর কথা তাঁর। ১৫ থেকে ১৭ জুন ফ্রান্সের এভিয়াঁ-লে-ব্যাঁ শহরে অনুষ্ঠিত হবে জি-৭ শীর্ষ সম্মেলন। ফরাসি প্রেসিডেন্টের আমন্ত্রণে এই সম্মেলনে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। এটি হবে জি-৭ সম্মেলনে তাঁর টানা সপ্তমবার অংশগ্রহণ, যেখানে ভারত ‘গ্লোবাল সাউথে’র অন্যতম প্রধান কণ্ঠস্বর হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

    আন্তর্জাতিক মহলের নজর

    হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, এবারের জি-৭ সম্মেলনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক ও কৌশলগত অগ্রাধিকারগুলিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ওপর জোর দেওয়া হবে (PM Modi)। বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদ, সাপ্লাই চেন নিরাপত্তা, অবৈধ অভিবাসন মোকাবিলা এবং এআইয়ের ক্ষেত্রে উদ্ভাবন নিয়ে আলোচনা হবে। যদিও ট্রাম্প-মোদি বৈঠকের বিস্তারিত কর্মসূচি এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি, তবুও এই বৈঠকের দিকেই তাকিয়ে আন্তর্জাতিক মহল (Trump)।

     

  • Bharat innovates 2026: ‘ভারত ইনোভেটস ২০২৬’-এর উদ্বোধন মোদি-ম্যাক্রঁর, ফ্রান্স সফরে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে যোগ ভারতের প্রধানমন্ত্রীর

    Bharat innovates 2026: ‘ভারত ইনোভেটস ২০২৬’-এর উদ্বোধন মোদি-ম্যাক্রঁর, ফ্রান্স সফরে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে যোগ ভারতের প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, রবিবার ‘ভারত ইনোভেটস ২০২৬’-এর (Bharat innovates 2026) উদ্বোধন করছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রঁ। ফ্রান্সের নিস শহরে আয়োজন করা হয়েছে এই অনুষ্ঠানের। ভারতের শিক্ষা মন্ত্রকের উদ্যোগে আয়োজিত (Universities Investors) এই আন্তর্জাতিক উদ্ভাবনী সম্মেলন ভারতের ডিপ-টেক স্টার্টআপ ও উদ্ভাবনকে বৈশ্বিক বিনিয়োগকারীদের সামনে তুলে ধরার একটি গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে।

    প্রধানমন্ত্রীর সফরের মূল লক্ষ্য (Bharat innovates 2026)

    শনিবারই নিসে পৌঁছন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর এই ফ্রান্স সফরে নিস, এভিয়াঁ এবং প্যারিসে একাধিক কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার কথা। সফরের মূল লক্ষ্য ভারত-ফ্রান্স দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করা এবং বহুপাক্ষিক সহযোগিতার নয়া দিগন্ত উন্মোচন করা। চলতি সফরে প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রঁর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর দ্বিপাক্ষিক বৈঠকও হবে। ফেব্রুয়ারি মাসে হওয়া বৈঠকের পর থেকে এই দুই দেশের সহযোগিতার অগ্রগতি পর্যালোচনা করার পাশাপাশি ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়েও আলোচনা করবেন দুই নেতা। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়েও হবে মতবিনিময়।

    ‘ভারত ইনোভেটস ২০২৬’

    ‘ভারত ইনোভেটস ২০২৬’-এ অংশ নিচ্ছেন প্রায় ১২০ জন ভারতীয় উদ্ভাবক, প্রায় ১৫টি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান (HEI), ৫০০-রও বেশি বিনিয়োগকারী, শীর্ষ কর্পোরেট সংস্থা, ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ফার্ম, বিশ্বখ্যাত সিইও এবং শিল্পক্ষেত্রের নেতারা। এই সম্মেলনে (Bharat innovates 2026) অ্যাডভান্সড কম্পিউটিং, সেমিকন্ডাক্টর, মহাকাশ প্রযুক্তি, বায়োটেকনোলজি, শক্তি, স্বাস্থ্যসেবা এবং উৎপাদন শিল্প-সহ মোট ১৩টি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে ভারতের উদ্ভাবনী সক্ষমতা ও ডিপ-টেক ইকোসিস্টেম তুলে ধরা হবে। ফ্রান্স সফরে রওনা হওয়ার আগে প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁর সঙ্গে ‘ভারত ইনোভেটস ২০২৬’-এর উদ্বোধনের অপেক্ষায় রয়েছেন তিনি। তাঁর কথায়, “ভারত-ফ্রান্স ইনোভেশন বর্ষ ২০২৬-এর প্রেক্ষাপটে এই অনুষ্ঠান ভারতের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে উঠে আসা উদ্ভাবনকে বৈশ্বিক বিনিয়োগের সঙ্গে যুক্ত করার ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা নেবে।”

    উদ্ভাবনী ইকোসিস্টেম

    এই প্রথম আয়োজিত ‘ভারত ইনোভেটস ২০২৬’ ভারতীয় স্টার্টআপ ও ডিপ-টেক উদ্ভাবকদের আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারী ও শিল্পমহলের সঙ্গে যুক্ত করবে। সম্মেলনে গবেষণা ও উন্নয়ন, প্রযুক্তি সহযোগিতা, স্টার্টআপ সম্প্রসারণ, সীমান্ত-পার বিনিয়োগ এবং উদীয়মান প্রযুক্তির যৌথ উন্নয়ন নিয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা হচ্ছে বলেই আশা ওয়াকিবহাল মহলের। অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ভারত ও ফ্রান্সের উদ্ভাবনী ইকোসিস্টেমের মধ্যে নতুন প্রাতিষ্ঠানিক অংশীদারিত্ব, প্রযুক্তি বিনিময়, যৌথ গবেষণা এবং উৎপাদন সহযোগিতার নতুন সুযোগ তৈরি হবে বলেও জানানো হয়েছে। এর পাশাপাশি সুগম হবে ভারতীয় উদ্ভাবনকে (Bharat innovates 2026) আন্তর্জাতিক বাজারে পৌঁছে দেওয়া, প্রযুক্তি স্থানান্তর এবং বৈশ্বিক সম্প্রসারণের পথও।

    মোদির সফর

    উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে মুম্বইয়ে মোদি-ম্যাক্রঁ যৌথভাবে ‘ভারত-ফ্রান্স ইনোভেশন বর্ষ ২০২৬’-এর সূচনা করেছিলেন। নিসে পৌঁছনোর পর (Universities Investors) ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে ঐতিহ্যবাহী ভারতীয় নৃত্যের বিশেষ পরিবেশনার মাধ্যমে স্বাগত জানানো হয়। ‘Echoes of Tradition, Spirits of Innovation’ শীর্ষক সেই অনুষ্ঠানে কথক, ওডিশি ও ভরতনাট্যম পরিবেশন প্রমাণ করে যে, ভারতের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও আধুনিক উদ্ভাবনী চেতনা একসূত্রে গাঁথা। ফ্রান্স সফর শেষে প্রধানমন্ত্রী দু’দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে যাবেন স্লোভাক প্রজাতন্ত্রে। সেখান (Bharat innovates 2026) থেকে এভিয়াঁয় পৌঁছে ১৬ ও ১৭ জুন অনুষ্ঠিত জি৭ সম্মেলনে অংশ নেবেন তিনি।

     

  • India Russian Oil Imports: রুশ তেল কেনা নিয়ে ভারতের পাশে ফিনল্যান্ড, কী বললেন মন্ত্রী এলিনা ভালতোনেন?

    India Russian Oil Imports: রুশ তেল কেনা নিয়ে ভারতের পাশে ফিনল্যান্ড, কী বললেন মন্ত্রী এলিনা ভালতোনেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাশিয়া থেকে তেল আমদানির বিষয়ে ভারতের অবস্থানের পক্ষে অপ্রত্যাশিত সমর্থন জানাল (India Russian Oil Imports) ফিনল্যান্ড। সে দেশের বিদেশমন্ত্রী এলিনা ভালতোনেন সাফ জানিয়ে দেন (Finland), পশ্চিমী দেশগুলির নির্ধারিত তেলের মূল্যসীমা (Oil Price Cap) মেনেই ভারত রাশিয়ার কাছ থেকে অপরিশোধিত তেল কিনেছে এবং সেটাই ছিল ওই নীতির মূল উদ্দেশ্য।

    ভারতের পাশে ফিনল্যান্ড (India Russian Oil Imports)

    ফিনল্যান্ডের ‘কুলতারান্তা টকস’-এ আয়োজিত এক আলোচনায় ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর, ফিনল্যান্ডের বিদেশমন্ত্রী এলিনা ভালতোনেন এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহির সহকারী বিদেশমন্ত্রী লানা নুসেইবেহ অংশ নেন। সেখানে ভালতোনেন জানান, কখনওই বিশ্বকে রুশ তেল কেনা থেকে বিরত রাখা পশ্চিমী দেশগুলির আরোপিত মূল্যসীমার লক্ষ্য ছিল না। তিনি বলেন, “আমি বলতে চাই, ভারত মূল্যসীমার আওতায় থেকেই তেল কিনেছে। আমরা যখন এই মূল্যসীমা চালু করি, তখন বিশ্বের অন্যান্য দেশকে রাশিয়ার তেল কেনা থেকে নিষিদ্ধ করিনি। উদ্দেশ্য ছিল, তেলের বৈশ্বিক সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং একই সঙ্গে রাশিয়ার অতিরিক্ত মুনাফা সীমিত করা।”

    জয়শঙ্করের সাফ কথা

    এদিকে, রাশিয়া থেকে তেল আমদানি নিয়ে সমালোচনার জবাবে ভারতের অবস্থান স্পষ্ট করে দেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। তিনি জানান, ভারতের জ্বালানি আমদানির সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক অবস্থানের ভিত্তিতে নয়, বরং মূল্য ও প্রাপ্যতার ওপর নির্ভর করে (India Russian Oil Imports)। জয়শঙ্কর বলেন, “আমি তেল কিনি দাম এবং প্রাপ্যতার ভিত্তিতে।” তিনি মনে করিয়ে দেন, ২০২২ সালে ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের ফলে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে বড় পরিবর্তন এসেছিল। সেই সময় ইউরোপীয় দেশগুলি মধ্যপ্রাচ্যের বিপুল পরিমাণ তেল কিনতে শুরু করায় ভারতের জন্য বিকল্প উৎস খুঁজে নেওয়া প্রয়োজন হয়ে পড়ে এবং পরিস্থিতির কারণেই রাশিয়ার দিকে ঝুঁকতে হয়। ভারতের বিদেশমন্ত্রীর দাবি, সেই সময় বৈশ্বিক তেলের বাজার স্থিতিশীল রাখতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রও ভারতকে রাশিয়ার তেল কেনার পরামর্শ দিয়েছিল। তিনি বলেন, “এখানে কোনও বড় নীতিগত প্রশ্ন জড়িত আছে বলে ভান করার প্রয়োজন নেই।”

    কড়া জবাব ভারতের

    ইউরোপের সমালোচনারও কড়া জবাব দেন জয়শঙ্কর। তিনি (India Russian Oil Imports) বলেন, “ইউরোপের অনেক দেশ এমন অস্ত্র বিক্রি করেছে, যা বহু বছর ধরে ভারতের বিরুদ্ধে ব্যবহৃত হয়েছে। তার জেরে ভারত কখনওই ইউরোপের নিরাপত্তাকে বিপন্ন করেনি। বিষয়টি মনে রাখা উচিত।” তিনি এও জানান, বর্তমানে ভারতের সবচেয়ে বড় তেল সরবরাহকারী দেশ রাশিয়া হলেও, সবচেয়ে বড় গ্যাস সরবরাহকারী আমেরিকা (Finland)। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির শেষ পর্যন্ত এটা ছিল কাতার। তবে উপসাগরীয় অঞ্চলের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক শুধু জ্বালানির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয় বলেও জানিয়ে দেন জয়শঙ্কর।

    বিশ্লেষকদের মতে, ফিনল্যান্ডের এই মন্তব্য ভারতের দীর্ঘদিনের অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করেছে। কারণ, নয়াদিল্লি বরাবর দাবি করে আসছে, তারা পশ্চিমী দেশগুলির নির্ধারিত কাঠামোর মধ্যেই রাশিয়ার তেল কিনেছে (Finland) এবং আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারের ভারসাম্য রক্ষায়ও সেই নীতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে (India Russian Oil Imports)।

     

  • Bangladesh: বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর চাপ বাড়ছেই, এবার মৌলবাদী হুমকির মুখে থমকে গেল রামের মূর্তি নির্মাণ

    Bangladesh: বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর চাপ বাড়ছেই, এবার মৌলবাদী হুমকির মুখে থমকে গেল রামের মূর্তি নির্মাণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর ক্রমাগত বাড়তে থাকা অসহিষ্ণুতা ও প্রাতিষ্ঠানিক নিপীড়নের আরও এক উদ্বেগজনক ছবি চলে এল সামনে। কট্টরপন্থী মৌলবাদী গোষ্ঠীগুলির তীব্র বিরোধিতা, উস্কানিমূলক বিক্ষোভ এবং হিংসাত্মক হুমকির মুখে একটি মন্দিরে শ্রীরামচন্দ্রের মূর্তি (Bhagwan Ram Murti) নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়েছেন উদ্যোক্তারা। ঘটনাটি ওপার বাংলায় হিন্দুদের ধর্মীয় স্বাধীনতা ও অস্তিত্ব রক্ষার লড়াইকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে তীব্র উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে।

    উল্লেখ্য, হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে বাংলাদেশে লাখ লাখ হিন্দুর জীবন অস্তিত্বের সঙ্কটে। লাগাতার মৌলবাদীদের আক্রমণের খাঁড়া নেমে এসেছে সে দেশের হিন্দুদের ওপরে। মন্দির, মঠ, সম্পত্তি, বাড়ি, দোকান সব কিছু ভেঙে গুঁড়িয়ে দিয়ে, আগুন লাগিয়ে হত্যা কিংবা ধর্ষণের মতো নানা ঘটনা ঘটানো হয়। এর জেরে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের ব্যাপক অবনতি ঘটে। বিএনপি সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক জিয়া চেয়ারে বসলেও, জামাতের মৌলবাদী কার্যকলাপ থেকে বাংলাদেশ এখনও মুক্ত হতে পারেনি।

    ঘটনার সূত্রপাত ও মৌলবাদী তৎপরতা (Bangladesh)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বাংলাদেশের (Bangladesh) একটি ঐতিহ্যবাহী হিন্দু মন্দিরের অভ্যন্তরে সম্প্রদায়ের মানুষের নিজস্ব উদ্যোগে এবং ধর্মীয় রীতি মেনে ভগবান রামের একটি মূর্তি স্থাপনের কাজ শুরু হয়েছিল। কিন্তু এই নির্মাণকাজের খবর প্রকাশ্যে আসতেই কোমর বেঁধে মাঠে নামে স্থানীয় বেশ কয়েকটি উগ্রপন্থী ও মৌলবাদী ইসলামি সংগঠন। মসজিদ ও সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে এই মূর্তি নির্মাণের বিরুদ্ধে তীব্র উস্কানিমূলক প্রচার শুরু হয়।

    পরিস্থিতি দ্রুত জটিল আকার ধারণ করে যখন মৌলবাদীরা দলবদ্ধ হয়ে মন্দির প্রাঙ্গনের (Bhagwan Ram Murti) বাইরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে। প্রত্যক্ষদর্শীদের অভিযোগ, বিক্ষোভকারীরা প্রকাশ্য দিবালোকে হুমকি দেয় যে, যদি অবিলম্বে রামমূর্তির নির্মাণের কাজ বন্ধ করা না হয়, তবে মন্দির ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে। মন্দিরের পুরোহিত এবং মূর্তি গড়ার কারিগরদের প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয় বলে অভিযোগ।

    প্রশাসনের ভূমিকা ও হিন্দুদের আতঙ্ক

    ঘটনার জেরে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসন হস্তক্ষেপ করে। যদিও উগ্রপন্থীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার বদলে, নিরাপত্তার অজুহাত দেখিয়ে প্রশাসন মন্দির কমিটিকে রামমূর্তি (Bhagwan Ram Murti) নির্মাণের কাজ সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়। প্রশাসনের (Bangladesh) এই একতরফা সিদ্ধান্তে স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে গভীর হতাশা, ক্ষোভ এবং তীব্র আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় এক হিন্দু নেতা বলেন, “আমরা আমাদের নিজস্ব উপাসনালয়ে, নিজেদের অর্থ ও জমিতে আরাধ্য দেবতার মূর্তি স্থাপন করতে পারছি না। প্রশাসনের এই নির্দেশ আসলে মৌলবাদীদের অন্যায় দাবির কাছে মাথানত করার শামিল। এভাবে চলতে থাকলে এ দেশে আমাদের ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালন করাই অসম্ভব হয়ে পড়বে।”

    ধারাবাহিক হিন্দু-বিদ্বেষের প্রতিফলন

    আন্তর্জাতিক মানবাধিকার কর্মী এবং রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, বাংলাদেশে (Bangladesh) রামমূর্তি নির্মাণের কাজ বন্ধ হয়ে যাওয়া কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। সাম্প্রতিক মাসগুলিতে ওপার বাংলায় হিন্দু বিরোধী হিংসা, মঠ-মন্দির (Bhagwan Ram Murti) ভাঙচুর, উৎসব পালনে জোরপূর্বক বাধা দেওয়া এবং প্রতিমা অপবিত্রকরণের ঘটনা আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। কট্টরপন্থীদের এই ক্রমবর্ধমান দাপট এবং তাদের প্রতি প্রশাসনের পরোক্ষ নমনীয়তা দেশটির ধর্মনিরপেক্ষ ভাবমূর্তিকে সম্পূর্ণ ধূলিসাৎ করে দিচ্ছে বলেই ধারণা বিশেষজ্ঞদের।

    আন্তর্জাতিক স্তরে নিন্দার ঝড়

    এই ঘটনার নিন্দা করে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ-সহ একাধিক আন্তর্জাতিক সনাতনী সংগঠন বাংলাদেশ (Bangladesh) সরকারের কাছে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে। তাদের বক্তব্য, একটি স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে সংখ্যালঘু নাগরিকরা যদি নিজেদের ধর্মীয় মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হন, তবে তা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সনদের চরম লঙ্ঘন। অবিলম্বে দোষীদের চিহ্নিত করে গ্রেফতার করার এবং পূর্ণ নিরাপত্তা-সহ মূর্তির (Bhagwan Ram Murti) কাজ ফের শুরু করার দাবিও জানানো হয়েছে।

    ভবিষ্যতের অন্ধকার মেঘ

    বর্তমানে ওই মন্দির চত্বর ও সংলগ্ন এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি। পুলিশি টহলদারি বাড়ানো হলেও, হিন্দুদের (Bhagwan Ram Murti) মন থেকে ভয় দূর হচ্ছে না। রামমূর্তির এই অসমাপ্ত কাঠামোটি এখন বাংলাদেশে (Bangladesh) হিন্দুদের বিপন্ন অস্তিত্ব এবং হারিয়ে যাওয়া ধর্মীয় স্বাধীনতার এক নীরব প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে। ওপার বাংলার বর্তমান সরকার এই ক্রমবর্ধমান মৌলবাদ দমন করে হিন্দুদের নিরাপত্তা দিতে পারবে কি না, আপাতত তা-ই তুলে দিয়েছে এক অতিকায় প্রশ্নচিহ্ন।

  • India’s Protest: ৩ ভারতীয় নাবিকের মৃত্যুর পর নয়া নাটক! মার্কিন হামলার বিরুদ্ধে সরব ভারত, পিঠ বাঁচাতে পাল্টা দাবি ট্রাম্পের

    India’s Protest: ৩ ভারতীয় নাবিকের মৃত্যুর পর নয়া নাটক! মার্কিন হামলার বিরুদ্ধে সরব ভারত, পিঠ বাঁচাতে পাল্টা দাবি ট্রাম্পের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার আবহে ভারতীয় নাবিকদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। গত কয়েক দিনে ওমান উপসাগর এলাকায় ভারতীয় নাবিকদের নিয়ে চলাচলকারী তিনটি বাণিজ্যিক ট্যাঙ্কার— এমটি মার্টিভেক্স (MT Marivex), এমটি সেটেবলো (MT Settebello) এবং এমটি জলভীর (MT Jalveer)— হামলার মুখে পড়ে। এর মধ্যে এমটি সেটেবলো-তে হামলায় তিন ভারতীয় নাবিকের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভারত সরকার কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। নয়াদিল্লি ইতিমধ্যেই দু’বার মার্কিন চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স জেসন মিকসকে তলব করেছে। বিদেশ মন্ত্রক স্পষ্ট জানিয়েছে, বাণিজ্যিক জাহাজের উপর এই ধরনের হামলা অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে এবং অঞ্চলে শান্তি ফিরিয়ে আনতে হবে।

    ভারতের তীব্র প্রতিক্রিয়া

    গত চার-পাঁচ দিনে ওমান উপকূলের কাছে তিনটি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালিয়েছিল মার্কিন বাহিনী। সেই হামলায় তিন ভারতীয় নাবিকের মৃত্যু হয়। মার্কিন বাহিনীর এই ভূমিকায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছে ভারত। মার্কিন হানার তীব্র নিন্দা করেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। শুক্রবার এই ঘটনা নিয়ে মার্কিন বিদেশসচিব মার্কো রুবিয়োর সঙ্গে কথা বলেন তিনি। উদ্বেগ প্রকাশের পাশাপাশি হামলার তীব্র নিন্দাও করেছেন জয়শঙ্কর। গত বুধবার নয়াদিল্লিতে মার্কিন দূতাবাসের শীর্ষ কূটনীতিককে তলবও করা হয়। কিন্তু তার পরেও বৃহস্পতিবার আরও একটি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালানোর অভিযোগ ওঠে মার্কিন বাহিনীর বিরুদ্ধে। বিদেশমন্ত্রী এস. জয়শঙ্কর ১২ জুন এক্স (সাবেক টুইটার)-এ জানান, তিনি মার্কিন বিদেশসচিব মার্কো রুবিওর সঙ্গে কথা বলেছেন। জয়শঙ্কর লেখেন, “ওমান উপসাগরে মার্কিন হামলায় তিন ভারতীয় নাবিকের মৃত্যু নিয়ে ভারতের তীব্র আপত্তির কথা আমি পুনরায় জানিয়েছি। বাণিজ্যিক জাহাজের বিরুদ্ধে এ ধরনের প্রাণঘাতী পদক্ষেপ কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।”

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টা দাবি

    ভারতের কড়া অবস্থানের পর মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (CENTCOM) এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরান নাকি হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাওয়া জাহাজগুলির উপর একাধিক ড্রোন হামলার চেষ্টা করেছিল। মার্কিন বাহিনী সেই সমস্ত ড্রোন গুলি করে নামিয়েছে। সেন্টকম (CENTCOM) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, “ইরান একাধিক একমুখী আক্রমণাত্মক ড্রোন ব্যবহার করে বাণিজ্যিক জাহাজগুলিকে লক্ষ্যবস্তু করার চেষ্টা করেছিল। মার্কিন বাহিনী সবকটি ড্রোন ধ্বংস করেছে এবং হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।” এরপর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আরও এক ধাপ এগিয়ে দাবি করেন, ইরানের লক্ষ্য ছিল ‘ভারতীয় জাহাজ’। তবে উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, সংশ্লিষ্ট জাহাজগুলি ভারতের মালিকানাধীন ছিল না। এমটি জলভীর (MT Jalveer) ছিল গিনি-বিসাউ পতাকাবাহী ট্যাঙ্কার এবং এমটি মার্টিভেক্স (MT Marivex) ও এমটি সেটেবলো (MT Settebello) ছিল পালাউ-নিবন্ধিত জাহাজ। যদিও ওই জাহাজগুলির ক্রুদের মধ্যে বহু ভারতীয় নাবিক ছিলেন।

    ট্রাম্পের পোস্ট ঘিরে বিতর্ক

    আরব দুনিয়ায় উত্তেজনার আবহে নতুন বিতর্কের জন্ম দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর দাবি, হরমুজ প্রণালী ছেড়ে বেরিয়ে আসা ভারতীয় জাহাজগুলিকে লক্ষ্য করে মানববিহীন উড়ন্ত যানের মাধ্যমে হামলার চেষ্টা চালিয়েছিল ইরান। সোশ্যাল মিডিয়ায় করা এক পোস্টে ট্রাম্প অভিযোগ করেন, আগের রাতে ভারতীয় জাহাজগুলির বিরুদ্ধে যে হামলার চেষ্টা হয়েছিল, তা ব্যর্থ করে দেওয়া হয়েছে। তবে ঘটনাটি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। শুধু জাহাজে হামলার অভিযোগই নয়, ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য সমঝোতা নিয়েও কড়া ভাষায় সরব হয়েছেন ট্রাম্প। তাঁর দাবি, যে খসড়া সমঝোতার কথা ইরানের পক্ষ থেকে প্রকাশ্যে আনা হয়েছে, তার সঙ্গে প্রকৃত আলোচনার কোনও মিল নেই। ইরানের বিরুদ্ধে অসততার অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, তেহরানের সঙ্গে সদিচ্ছার ভিত্তিতে আলোচনা করা অত্যন্ত কঠিন।

    ট্রাম্পের দাবি খারিজ করল ইরান

    তবে, মার্কিন দাবিকে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে ইরান। ভারতে অবস্থিত ইরানের কনস্যুলেট এক বিবৃতিতে বলেছে, “হরমুজ প্রণালীতে ভারতীয় জাহাজকে লক্ষ্য করে ইরান ড্রোন হামলা চালিয়েছে— মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। গত এক সপ্তাহে তিনটি জাহাজে হামলা ও তিন ভারতীয় নাবিকের মৃত্যুর ঘটনায় আন্তর্জাতিক সমালোচনা থেকে নজর ঘোরানোর চেষ্টা করছে ওয়াশিংটন।” ইরানের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র এসমাইল বাঘাইয়ের বক্তব্য উদ্ধৃত করে তেহরান আরও দাবি করেছে, ভারতীয় নাবিকদের মৃত্যুর ঘটনার দায় এড়াতেই নতুন এই অভিযোগ সামনে আনা হচ্ছে।

    উত্তপ্ত হরমুজ ও ওমান উপসাগর

    বর্তমানে হরমুজ প্রণালী এবং ওমান উপসাগর ঘিরে পরিস্থিতি অত্যন্ত স্পর্শকাতর। আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই সমুদ্রপথে সামরিক উত্তেজনা ক্রমশ বাড়ছে। ভারত শুরু থেকেই সংঘাতের বদলে শান্তি ও সংলাপের পক্ষে সওয়াল করে আসছে। এদিকে ভারতীয় নাবিকদের প্রাণহানির ঘটনাকে কেন্দ্র করে কূটনৈতিক চাপও বাড়ছে। বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক আইন ও নৌ-নিরাপত্তার প্রশ্নে গুরুতর উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছে। তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দাবি এবং ইরানের পাল্টা বক্তব্যের মধ্যে সত্যতা নিয়ে এখনও বিতর্ক অব্যাহত রয়েছে। ফলে মধ্যপ্রাচ্যের এই সংঘাতময় পরিস্থিতি আগামী দিনে কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই নজর আন্তর্জাতিক মহলের।

     

     

     

     

LinkedIn
Share