Category: বিদেশ

Get updates on World News Headlines International News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Israel-Lebanon Conflict: হিজবুল্লার ১১০০ ঠিকানায় রকেট হামলা ইজরায়েলের, লেবাননে নিহত প্রায় ৫০০

    Israel-Lebanon Conflict: হিজবুল্লার ১১০০ ঠিকানায় রকেট হামলা ইজরায়েলের, লেবাননে নিহত প্রায় ৫০০

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যুদ্ধক্ষেত্র দক্ষিণ লেবানন! পেজার, ওয়াকি-টকি বিস্ফোরণের পর এবার সরাসরি রকেট বর্ষণ। হিজবুল্লার ১১০০টি ঠিকানা লক্ষ্য করে হামলা চালাল ইজরায়েল (Israel-Lebanon Conflict)। তার আগে ইজরায়েলের তরফে লেবাননের বাসিন্দাদের ফোনে সতর্কবার্তা পাঠিয়ে দ্রুত সরে যেতে বলা হয়। প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর (Benjamin Netanyahu) রেকর্ড করা ভয়েস-মেসেজ পাঠানো হয় প্রায় ৮০ হাজারের বেশি ফোনে। তারপরই শুরু হয় হামলা। সোমবারের এই ভয়াবহ আক্রমণে অন্তত প্রায় ৫০০ জন নিহত বলে জানা গিয়েছে। আহতের সংখ্যা প্রায় হাজার দুয়েক।

    ছিন্নভিন্ন লেবানন

    সোমবার থেকে লেবাননের (Israel-Lebanon Conflict) উপর রকেট বর্ষণ শুরু করেছে ইজরায়েল। ইজরায়েল-লেবানন সীমান্ত এলাকা ইতিমধ্যেই প্রায় খালি হয়ে গিয়েছে। ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়ে গিয়েছেন হাজার হাজার মানুষ। দুই দেশেরই সীমান্ত এলাকায় বসবাসকারীরা প্রাণ হাতে করে বাঁচছেন সন্তান-পরিবার নিয়ে, না জানি কখন বাড়ির ছাদে আছড়ে পড়ে বোমা। হাজার হাজার মানুষ দক্ষিণ লেবানন ছেড়ে বেইরুটের দিকে পালাচ্ছেন। ঘরছাড়া মানুষকে ঠাঁই দিতে স্থানীয় স্কুলগুলিতে ত্রাণ শিবির খোলা হচ্ছে। ইজরায়েলের প্রেসিডেন্ট নেতানিয়াহু লেবনানের বাসিন্দাদের সতর্ক করে বলেছেন হিজবুল্লারা তাঁদের ব্যবহার করছে। তাঁরা এটা না বুঝলে আরও মৃত্যু হবে। এদিন প্রায় ৬০০ রকেট হামলা চালায় ইজরায়েল। শয়ে শয়ে রকেট দুরমুশ করে দিয়ে গিয়েছে লেবাননের একাধিক বাড়ি। শিশু থেকে বৃদ্ধ-মহিলা অসংখ্য সাধারণ মানুষ মারা গিয়েছেন।

    কেন হামলা

    লেবাননের উপর ইজরায়েলের (Israel-Lebanon Conflict) এই হামলার কারণ গাজা। প্রায় এক বছর ধরে ইজরায়েল এবং প্যালেস্তাইনের হামাসের মধ্যে যে যুদ্ধ চলছে, তাতে গোড়া থেকেই প্যালেস্তাইন এবং হামাসকে সমর্থন করছে লেবানন। এর ফলে লেবাননের উপর খেপেছে ইজরায়েল। ইজরায়েলি সেনা জানিয়েছে, লেবাননে আশ্রয় নিয়েছে হিজবুল্লা জঙ্গিরা। প্রায় ৮০০ হিজবুল্লা জঙ্গি লুকিয়ে রয়েছে লেবাননে। তাঁরা লেবাননের বাসিন্দাদের সাহায্য নিয়ে সেখানে অস্ত্র মজুত করছে। এক কথায় লেবাননের সাধারণ মানুষকে ঢাল হিসেবে ব্যববার করেছে হিজবুল্লা জঙ্গিরা।

    পাল্টা হামলা হিজবুল্লার

    হিজবুল্লার (Israel-Lebanon Conflict) তরফেও পাল্টা রকেট ফেলা হয়েছে ইজরায়েলের পাঁচটি জায়গায়। জানা গেছে, লেবানন থেকে রকেট উড়ে আসতে দেখেই সাইরেন বেজে ওঠে উপকূলবর্তী হাইফাতে। একদিন আগেও সেখানে হামলা হয়। ইজরায়েলেকে জবাব দিতে প্রায় ৩০০টি রকেট হামলা চালিয়েছে হিজবুল্লারা। এই পরিস্থিতিতে ইজরায়েল এবং লেবানন, দু’পক্ষকেই যুদ্ধবিরতির আবেদন জানিয়েছে আন্তর্জাতিক মহল। লেবাননের প্রধানমন্ত্রী নাজিব মিকাতি রাষ্ট্রপুঞ্জের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন। তিনি বলেন, ইজরায়েল লেবাননকে শ্মশানে পরিণত করতে চাইছে। ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু (Benjamin Netanyahu) অবশ্য জানিয়েছেন, নিরাপত্তার স্বার্থেই হিজবুল্লাকে নিকেশ করতে উঠেপড়ে লেগেছে তারা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Anura Kumara Dissanayake: “আমরা এক সঙ্গে পারি…”, মোদিকে আশ্বাস শ্রীলঙ্কার নয়া প্রেসিডেন্টের

    Anura Kumara Dissanayake: “আমরা এক সঙ্গে পারি…”, মোদিকে আশ্বাস শ্রীলঙ্কার নয়া প্রেসিডেন্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আমরা এক সঙ্গে পারি…।” কথাগুলো বললেন শ্রীলঙ্কার (Sri Lanka) নয়া প্রেসিডেন্ট বামপন্থী নেতা অনুরাকুমার দিশানায়েকে (Anura Kumara Dissanayake)। আজ সোমবারই প্রেসিডেন্ট পদে শপথ নেওয়ার কথা তাঁর। শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রার্থী ছিলেন ৩৮ জন। জয় ছিনিয়ে নিয়েছেন অনুরাকুমার। তার পরেই ইঙ্গিত দিয়েছেন ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখার।

    কী বললেন দিশানায়েকে? (Anura Kumara Dissanayake)

    বামপন্থী এই নেতার জয়ের রাস্তা পরিষ্কার হতেই তাঁকে অভিনন্দন জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তারই প্রেক্ষিতে এক্স হ্যান্ডেলে অনুরাকুমার বলেন, “দুই দেশের সম্পর্ক দৃঢ় করার ক্ষেত্রে তিনি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে একই প্রতিশ্রুতি ভাগ করে নেন।” তিনি বলেন, “আপনার সদয় কথা ও সমর্থনের জন্য ধন্যবাদ, প্রধানমন্ত্রী মোদি। আমাদের দেশগুলির মধ্যে সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার প্রতিশ্রুতি আমি ভাগাভাগি করি। এক সঙ্গে আমরা আমাদের জনগণ ও পুরো অঞ্চলের কল্যাণে সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য কাজ করতে পারি।”

    অভিনন্দন জানালেন প্রধানমন্ত্রী

    অনুরাকুমার (Anura Kumara Dissanayake) শ্রীলঙ্কার নয়া প্রেসিডেন্ট হচ্ছেন জেনেই ট্যুইট বার্তায় তাঁকে অভিনন্দন জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক শক্তিশালী হবে বলেও জানান তিনি। এবং তার ফলে উপকৃত হবে গোটা অঞ্চল। এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী লিখেছিলেন, “শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে আপনার বিজয়ের জন্য আপনাকে অভিনন্দন অনুরাকুমার দিশানায়েকে। ভারতের প্রতিবেশী প্রথম নীতি এবং ভিশন সাগরের ক্ষেত্রে শ্রীলঙ্কার একটি বিশেষ স্থান রয়েছে। আমাদের দুই দেশের মানুষের ও গোটা অঞ্চলের কল্যাণের জন্য বহুমুখী সহযোগিতা আরও মজবুত করতে আপনার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার অপেক্ষায় রয়েছি।”

    আরও পড়ুন: মার্কিন মুলুকে সুন্দর পিচাই সহ শীর্ষ টেক সিইওদের সঙ্গে বৈঠক প্রধানমন্ত্রীর

    এর আগে শ্রীলঙ্কায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচন হয়েছিল ২০১৯ সালে। সেবার মাত্র তিন শতাংশ ভোট পেয়েছিল দিশানায়েকের নেতৃত্বাধীন বামজোট। ২০২২ সালে প্রবল বিক্ষোভের মুখে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে দেশ ছাড়েন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মাহিন্দ্রা রাজাপক্ষে ও তাঁর ভাই প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপক্ষে। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নিয়েছিলেন রনিল। তার পরেও দেশের অর্থনীতির হাঁড়ির হাল ফেরাতে সমর্থ হননি রনিল। এবার তাই বছর (Sri Lanka) ছাপান্নর দিশানায়েকের ওপর ভরসা করছেন দ্বীপরাষ্ট্রবাসী (Anura Kumara Dissanayake)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: মার্কিন মুলুকে সুন্দর পিচাই সহ শীর্ষ টেক সিইওদের সঙ্গে বৈঠক প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi: মার্কিন মুলুকে সুন্দর পিচাই সহ শীর্ষ টেক সিইওদের সঙ্গে বৈঠক প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গোলটেবিল বৈঠকে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সুন্দর পিচাই সহ ১৫ শীর্ষস্থানীয় মার্কিন প্রযুক্তি সিইও। বৈঠক হয়েছে নিউ ইয়র্কের লোটে নিউ ইয়র্ক প্যালেস হোটেলে। সেখানে উদ্ভাবন, সহযোগিতা ও ভারতের ক্রমবর্ধমান প্রযুক্তি ক্ষেত্রের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তিন দিনের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সফরে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তারই ফাঁকে হয় এই বৈঠক।

    গোলটেবিল বৈঠক (PM Modi)

    এই গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করেছিল ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি (MIT) স্কুল অফ ইঞ্জিনিয়ারিং। বৈঠকে অংশগ্রহণকারীরা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, কোয়ান্টাম কাম্পিউটিং, সেমি কন্ডাক্টর এবং বায়েটেকনোলজিতে বিশেষজ্ঞ বিভিন্ন কোম্পানির মাথা। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন গুগলের সুন্দর পিচাই, এনভিডিয়ার জেনসেন হুয়াং এবং অ্যাডোবের শান্তনু নারায়ণের মতো বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।

    কী লিখলেন প্রধানমন্ত্রী?

    এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্টে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) লিখেছেন, “নিউ ইয়র্কে টেক সিইওদের সঙ্গে একটি ফলপ্রসূ গোলটেবিল বৈঠক করেছি, যেখানে প্রযুক্তি, উদ্ভাবন এবং অন্যান্য বিষয়ের ওপর আলোচনা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে ভারতের অগ্রগতির বিষয়গুলিও তুলে ধরেছি, আমি আনন্দিত যে ভারতের ওপর প্রচুর আশাবাদ দেখা যাচ্ছে।” ভারতের বিদেশমন্ত্রকের তরফে জারি করা এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই রাউন্ডটেবিল বৈঠক অত্যাধুনিক ক্ষেত্রগুলির ওপর কেন্দ্রীভূত ছিল, যার মধ্যে রয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, কোয়ান্টাম কম্পিউটিং, জীবপ্রযুক্তি ও সেমিকন্ডাক্টর প্রযুক্তি।

    আরও পড়ুন: সন্ত্রাসবাদে মদত জোগানো বন্ধ করলেই পাকিস্তানের সঙ্গে কথা, বললেন রাজনাথ

    বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বিশ্বজুড়ে প্রযুক্তির বিকাশমান পরিসর ও এই অত্যাধুনিক প্রযুক্তিগুলি কীভাবে ভারতের পাশাপাশি সারা বিশ্বের মানুষের কল্যাণে অবদান রাখছে, তা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সিইওরা গভীরভাবে আলোচনা করেছেন। তাঁরা উল্লেখ করেছেন কীভাবে প্রযুক্তি উদ্ভাবনের জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে, যার মাধ্যমে বিশ্ব অর্থনীতি ও মানব উন্নয়নের ক্ষেত্রে বিপ্লব ঘটানোর সম্ভাবনা রয়েছে।

    কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ওপর জোর দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ভারতের নীতিই হল সবার জন্য এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) প্রচার করা।” ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি রক্ষায় ও প্রযুক্তি নির্ভর উদ্ভাবনের জন্য সহায়ক পরিবেশ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে ভারত দৃঢ় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলেও বৈঠকে উপস্থিত সিইওদের আশ্বস্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী। ভারত যে অচিরেই বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির (MIT) দেশে পরিণত হবে, বৈঠকে তাও জানিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “ভারত বললে বিশ্ব শোনে, প্রবাসীরাই প্রধান রাষ্ট্রদূত”, নিউ ইয়র্কে বার্তা প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi: “ভারত বললে বিশ্ব শোনে, প্রবাসীরাই প্রধান রাষ্ট্রদূত”, নিউ ইয়র্কে বার্তা প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের শ্রেষ্ঠ রাষ্ট্রদূত বিদেশে বসবাসকারী ভারতীয়রাই। নিউ ইয়র্কে প্রবাসী ভারতীয়দের অনুষ্ঠানে এমনটাই জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তিন দিনের আমেরিকা সফরে গিয়েছেন তিনি। রবিবার নিউ ইয়র্কে একটি অনুষ্ঠানে আমেরিকার প্রবাসী ভারতীয়েরা তাঁকে সংবর্ধনা জানান। সেখানেই আগামী দিনে ভারতের অবস্থান, পরিকল্পনা সম্বন্ধে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিয়েছেন মোদি। সেখানেই প্রধানমন্ত্রী জানান, ভারত কিছু বললে এখন সারা বিশ্ব সে কথা শোনে। 

    দেশপ্রেমের বার্তা মোদির

    নিউ ইয়র্কে প্রবাসীদের প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi)। তাঁর কথায়, “প্রবাসীদের গুরুত্ব, ক্ষমতার বিষয়ে আমি শুরু থেকেই শ্রদ্ধাশীল। আপনারা সকলে আমার কাছে ভারতের সবচেয়ে শক্তিশালী রাষ্ট্রদূত।” দেশপ্রেমের বার্তা দিয়ে মোদি বলেন, “ভারতীয়দের হৃদয়ে গাঁথা আছে দেশাত্মবোধ। এটাই আমাদের শান্তিপূর্ণ, আইন অনুসরণকারী, দায়িত্ববান বৈশ্বিক নাগরিক তৈরি করে। দেশ তাঁর সন্তানদের প্রতি গর্ববোধ করে। একইসঙ্গে বিশ্বকেও বোঝায় যে ভারত হল বিশ্ব-বন্ধু। আমাদের ভারতীয় সংস্কৃতি ও মূল্যবোধই আমাদের অনন্য করেছে।”

    মুখ্যমন্ত্রী থেকে প্রধানমন্ত্রী

    “মোদি অ্যান্ড ইউএস” অনুষ্ঠানে দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামীদের নিয়েও কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। তিনি বলেন, “যখন স্বাধীনতা সংগ্রাম চলছিল, তখন হাজার হাজার মানুষ জীবনের বলিদান করেছিলেন। আমি স্বরাজের জন্য জীবন দিতে পারিনি, কিন্তু আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে আমার জীবন সু-রাজ (সুশাসন) ও সমৃদ্ধ জীবনের জন্য অর্পণ করব। প্রথম দিন থেকেই এটিই মিশন ছিল।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমি কোনওদিন ভাবিনি যে মুখ্যমন্ত্রী হব। কিন্তু যখন হলাম, তখন গুজরাটের সবথেকে বেশি মেয়াদের মুখ্যমন্ত্রী হলাম। তারপর জনগণ আমায় প্রোমোশন দিল, আমায় প্রধামন্ত্রী করল। দেশ ভ্রমণ করে আমি যে শিক্ষা নিয়েছিলাম, তাই-ই আমার সুশাসন মডেলকে আরও শক্তিশালী করেছিল। এই তৃতীয় দফায় আমি আরও তিনগুণ দায়িত্ব নিয়ে এগোচ্ছি।”

    বিশ্ববন্ধু ভারত

    আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে ভারতের অবস্থান প্রসঙ্গে এদিন মোদি (PM Modi) বলেন, “গত কয়েক বছরে বিশ্ব রাজনীতিতে ভারতের গুরুত্ব বেড়েছে। এখন ভারত কিছু বললে সারা বিশ্ব তা শোনে। কিছু দিন আগে আমি যখন বলেছিলাম, এটা যুদ্ধের সময় নয়, সকলে সে কথার গুরুত্ব বুঝেছিল। বিশ্বের কোনও প্রান্তে যখনই কোনও সঙ্কট দেখা দেয়, প্রথম সাড়া দেয় ভারত। বিশ্বের উপর চাপ বৃদ্ধি করা ভারতের উদ্দেশ্য বা অগ্রাধিকার নয়। আমরা চাপ বৃদ্ধি নয়, ভারতের প্রভাব বিস্তার করতে চাই। বিশ্বে আধিপত্য বিস্তার করতে চায় না ভারত। চায় বিশ্বের উন্নতিতে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে।”

    আরও পড়ুন: সন্ত্রাসবাদে মদত জোগানো বন্ধ করলেই পাকিস্তানের সঙ্গে কথা, বললেন রাজনাথ

    ক্রীড়াক্ষেত্র থেকে ব্যবসা

    আগামী দিনে ভারতে অলিম্পিক্স আয়োজন করা নিয়ে মোদি (PM Modi) জানান, ২০৩৬ সালের অলিম্পিক্স আয়োজন করার জন্য সবরকম চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে ভারত। শীঘ্রই সে বিষয়ে ইতিবাচক বার্তা আসতে চলেছে। ভারতের ৫জি বাজার আমেরিকার চেয়েও বড়, বলে দাবি করেন প্রধানমন্ত্রী মোদি ৯ (Modi in New York)। তিনি বলেছেন, “এখন ভারতের ৫জি বাজার আমেরিকার চেয়েও বড় এবং বিস্তৃত হয়ে গিয়েছে। তা হয়েছে গত দু’বছরের মধ্যে। এখন ভারতে তৈরি ৬জি পরিষেবার জন্য কাজ চলছে। আগামী দিনে ভারত নিজস্ব চিপ তৈরি করতে চলেছে। ভারতে এখন প্রচুর কাজের সুযোগ তৈরি হয়েছে। আমরা এখন আর সুযোগের জন্য অপেক্ষা করি না। আমরাই সুযোগ তৈরি করি। গত ১০ বছরে প্রতিটি ক্ষেত্রে ভারত নতুন নতুন সুযোগ তৈরি করে সারা বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: মার্কিন সফরে মোদি! বাইডেন প্রশাসন ভারতে ফেরাল ২৯৭টি পাচার হওয়া প্রাচীন সামগ্রী

    PM Modi: মার্কিন সফরে মোদি! বাইডেন প্রশাসন ভারতে ফেরাল ২৯৭টি পাচার হওয়া প্রাচীন সামগ্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) রয়েছেন আমেরিকা সফরে। তাঁর সফরের সময় আরও ২৯৭টি প্রাচীন সামগ্রী ফিরিয়ে দিল আমেরিকা। প্রসঙ্গত, এই সামগ্রীগুলি অতীতে বিভিন্ন সময়ে ভারত থেকে পাচার করা হয়েছিল বিদেশে। মোদি সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই বিদেশে পাচার হওয়া সামগ্রী দেশে ফেরানোর (Smuggled Antiquities) তোড়জোড় শুরু হয়। এই প্রক্রিয়া চলছে  ২০১৪ সাল থেকেই। তারপর বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে এখন পর্যন্ত মোট ৬৪০টি পাচার হয়ে যাওয়া প্রাচীন সামগ্রী ভারতে ফিরেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ফিরিয়েছে আমেরিকাই। তথ্য বলছে, চুরি যাওয়া ৫৭৮টি প্রাচীন সামগ্রী ২০১৪ সাল থেকে ভারতে ফিরিয়েছে আমেরিকা। 

    ২০২১ ও ২০২৩ সালে মোদির (PM Modi) সফরেও প্রাচীন সামগ্রী ফেরায় আমেরিকা

    ৩ বছর আগে ২০২১ সালে যখন ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদি আমেরিকা সফরে গিয়েছিলেন, তখনও ফেরানো হয়েছিল ১৫৭টি প্রাচীন সামগ্রী। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্যভাবে ছিল দ্বাদশ শতাব্দীর একটি নটরাজ মূর্তি। ২০২৩ সালে নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) যখন আমেরিকা সফরে গিয়েছিলেন, তখন পাচার হওয়া আরও ১০৫টি সামগ্রী ফিরিয়েছিল আমেরিকা। শনিবার মার্কিন প্রশাসন ফেরাল আরও ২৯৭টি প্রাচীন সামগ্রী (Smuggled Antiquities)।

    বাইডেন প্রশাসনকে ধন্যবাদ মোদির (PM Modi)

    এনিয়ে নিজের এক্স হ্যান্ডেলের বার্তায় বাইডেন প্রশাসনকে ধন্যবাদও জানিয়েছেন মোদি (PM Modi)। তিনি লেখেন, ‘‘প্রাচীন সামগ্রী পাচারের বিরুদ্ধে লড়াই চলবে। আমি ধন্যবাদ জানাই মার্কিন প্রেসিডেন্ট বাইডেন ভারত থেকে পাচার হওয়া ২৯৭টি সামগ্রী ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য।’’ প্রসঙ্গত, চলতি বছরের জুলাই মাসে দিল্লিতে ৪৬তম বিশ্ব হেরিটেজ বৈঠকে একটি চুক্তি স্বাক্ষর হয় ভারত এবং আমেরিকার মধ্যে। ভবিষ্যতে ভারত থেকে প্রাচীন সামগ্রী আমেরিকায় যেন পাচার না হয়, সে কারণেই এই চুক্তি সই করে দুই দেশ।

     
     
    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Hilsa fish: দুর্গাপুজোর আগেই বাংলাদেশ থেকে রাজ্যে ঢুকবে ৩ হাজার টন ইলিশ, সুর নরম ইউনূসের?

    Hilsa fish: দুর্গাপুজোর আগেই বাংলাদেশ থেকে রাজ্যে ঢুকবে ৩ হাজার টন ইলিশ, সুর নরম ইউনূসের?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘ টালবাহানার পর অবশেষে পুজোতে পশ্চিমবঙ্গের বাঙালির পাতে পড়তে চলছে পদ্মপারের ইলিশ (Hilsa fish)। দুর্গাপুজোতে বাংলাদেশ থেকে তিন হাজার টন ইলিশ আসতে চলেছে। গত ৫ অগাস্ট থেকে বাংলাদেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরি হয়েছিল। কোটা বিরোধী আন্দোলনের ফলে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে পদচ্যুত হতে হয়েছিল। ওই দেশে, ভারত বিদ্বেষী মনোভাব অন্তর্বর্তী সরকারের একাধিক উপদেষ্টার গলায় শোনা গিয়েছিল। একই ভাবে সংখ্যালঘু হিন্দু সমাজের উপর অত্যাচারে ভারত সরকার সতর্কবার্তা দিয়েছিল। প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূসকে (Bangladesh), প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি হিন্দুদের জীবন-সম্পত্তির রক্ষাকে সুনিশ্চিত করার কথাও মনে করিয়ে দিয়েছিলেন। উভয়দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্কে কিছুটা প্রলেপ দিতে কি ইলিশের আগমন? প্রশ্ন উঠছে।

    কূটনৈতিক সম্পর্ককে ঠিকঠাক করতে চেষ্টা (Hilsa fish)

    শনিবার, বাংলাদেশের (Bangladesh) অন্তর্বর্তী সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রক একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। তাতে ভারতে ৩ হাজার টন ইলিশ (Hilsa fish) পাঠানোর অনুমতি দেওয়া হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ইতিমধ্যে যারা আগে আবেদন করেছে, তাদের নতুন করে আবেদন করতে হবে না। যারা নতুন করে করতে চায়, আগামী ২৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আবেদন করলেই হবে। তবে এই ইলিশ এখন কতটা মধ্যবিত্তের নাগালে থাকবে, তা নিয়ে কৌতূহল তৈরি হয়েছে। যদিও বাংলদেশের অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর, ভারতে তারা ইলিশ পাঠাবে না বলে জানিয়ে দিয়েছিল। কিন্তু দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কে গত একমাসের বেশি সময়ে খারাপ প্রভাব পড়েছে বলে মনে করছেন বিশেজ্ঞরা। তাই যেহেতু অনেক পণ্য, সরঞ্জাম এবং চিকিৎসায় ভারতের উপর বাংলাদেশকে নির্ভর করতে হয়, তাই কূটনৈতিক সম্পর্ককে ঠিকঠাক করতে ইউনূস সরকার ইলিশ পাঠিয়ে ইতিবাচক বার্তা দিতে চাইছে। তবে মৎস্য ব্যবসায়ীরা কূটনীতি নিয়ে মন্তব্য করতে একেবারেই নারাজ।

    দাম কত হবে তাই এখন দেখার বিষয়

    ভারতের মৎস্য আমদানি সংগঠন ‘ফিশ ইম্পোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন’-এর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, “পুজো উপলক্ষে প্রতি বছর ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যেই এপারে ইলিশ চলে আসে। এই বছর তা এখনও সম্ভব হয়নি। শনিবার বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ছাড়পত্র দেওয়ায় ইলিশ নিয়ে সকলেই আশাবাদী। একটা অস্থিরতা তৈরি হয়েছিল, যা মনে হয় এবার কেটে গিয়েছে। উৎসবের মধ্যে এপার বাংলার বাঙালির পাতে ইলিশ (Hilsa fish) পড়বে, এটা খুব আনন্দের কথা। তবে বাজারে দাম কত হবে, তাই এখন দেখার বিষয়।”

    ঢাকায় কত দাম?

    শনিবার ঢাকার খুচরো বাজারে এক কেজির বেশি ওজনের ইলিশের (Hilsa fish) দাম ছিল বাংলা ১৭০০ টাকা। যদিও দাম ১৭০০ থেকে ২২০০ টাকার মধ্যে ঘোরাফেরা করছে বলে জানা গিয়েছে। তবে এই মাছ যখন পশ্চিমবঙ্গে আসবে, তখন কেজি প্রতি ২২০০ থেকে ২৫০০ টাকা হতে পারে। এখান প্রায় ৩০ শতাংশ দাম বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। উল্লেখ্য গত বছর এই ইলিশের দাম ছিল ৭০০ থেকে ১২০০ টাকার মধ্যে। এখন এত দাম দিয়ে কি কেউ কিনতে রাজি হবে? তবে বৈধ ভাবে মাছ রফতানিতে বাংলাদেশের ফিশারি অ্যাসোসিয়েশন এবং আসাদুন্নবি ফিশারিজ অ্যান্ড মার্চেন্ট কর্পোরেশন দরপত্র ডাকে। কিন্তু বৈধভাবে মাছ না ঢুকলেও মাছের ছড়াছড়ি হবে। কারণ নদী পথে সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশ হয়ে থাকে। সেগুলি প্রায় ১২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতে পারে।

    আরও পড়ুনঃ কোয়াড সামিটে বিশ্বনেতা মোদি, বার্তা দিলেন প্রতিটি দেশের সার্বভৌমত্বকে রক্ষার

    ২০২৩ সালে ৪০০০ টন ইলিশ এসেছিল

    বাংলাদেশ (Bangladesh) ১৯৯৬ সাল থেকে প্রতি বছর প্রায় ৫ হাজার টন ইলিশ (Hilsa fish) রফতানি করে আসছিল। কিন্তু ২০১২ সালে হঠাৎ করেই তা বন্ধ হয়ে যায় অজ্ঞাত কারণে। কয়েক বছর আগে শেখ হাসিনা সরকার দুর্গাপুজোর সময় নির্দিষ্ট পরিমাণে ইলিশের অনুমোদন দিয়ে রফতানির অনুমতি দেয়। ২০২৩ সালে ওই দেশের মৎস্য মন্ত্রণালয় ৭৯টি কোম্পানিকে দুর্গাপুজো উপলক্ষে  ৫০ টন করে মোট প্রায় ৪০০০ টন ইলিশ রফতানি করার অনুমতি দিয়েছিলেন। এবার অনেকটাই ভাটা পড়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: কোয়াড সামিটে বিশ্বনেতা মোদি, বার্তা দিলেন প্রতিটি দেশের সার্বভৌমত্বকে রক্ষার

    PM Modi: কোয়াড সামিটে বিশ্বনেতা মোদি, বার্তা দিলেন প্রতিটি দেশের সার্বভৌমত্বকে রক্ষার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনদিনের মার্কিন সফরে রয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi)। প্রথম দিনেই তিনি কোয়াড সম্মেলনে যোগ দেন। সেখানে তিনি বলেন, ‘‘কোয়াড (QUAD Summit) নেতার অর্থ হল আন্তর্জাতিক নিয়ম ও প্রতিটি দেশের সার্বভৌমত্বকে সম্মান জানানো। আমরা এমন সময়ে একজোট হয়েছি, যখন বিশ্বজুড়ে অশান্তি-যুদ্ধ চলছে। পারস্পরিক গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের ওপর ভিত্তি করে কোয়াড কাজ করছে, যা গোটা মানবতার জন্যই অত্যন্ত জরুরি।’’ এর পরেই মোদি বলেন, ‘‘আমরা কেউ কারোর বিরুদ্ধে নই। আমরা সবাই আন্তর্জাতিক আইনের ভিত্তিতে নিয়ম, পারস্পরিক সার্বভৌমত্বের প্রতি সম্মান ও আঞ্চলিক অখণ্ডতাকে সম্মান জানিয়ে এবং শান্তিপূর্ণভাবে সব সমস্যার সমাধান করতে একে অপরকে সমর্থন করি।’’

    ২০২৫ সালে কোয়াড বৈঠক ভারতে!

    প্রসঙ্গত, চলতি বছরের কোয়াড সামিট (QUAD Summit) ভারতেই হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু মার্কিন প্রেসিডেন্টের অনুরোধে তা আমেরিকায় বাইডেনের নিজের শহর ডেলাওয়ারে আয়োজন করা হয়। এনিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi) বলেন, ‘‘আমাদের বার্তা অত্যন্ত স্পষ্ট-কোয়াড থাকবে, এক অপরকে সাহায্য, অংশীদারিত্বে সামিল হবে। আমি আরও একবার প্রেসিডেন্ট বাইডেন ও আমার সকল সঙ্গীদের স্বাগত জানাই। আগামী ২০২৫ সালে ভারতে কোয়াড লিডার্স সামিট আয়োজন করতে রাজি আমরা।’’ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ছাড়াও এই কোয়াড সামিটে উপস্থিত ছিলেন অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি অ্যালবানিজ, জাপানের প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদা।

    গতকাল শনিবারই ফিলাডেলফিয়াতে পৌঁছান মোদি (PM Modi)

    প্রসঙ্গত, গতকালই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে পা রাখেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এরপরেই তিনি আমেরিকার প্রেসিডেন্টের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন। এখানে একাধিক ইস্যুতে আলোচনা হয় বলে জানা গিয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে মোদির বিশেষ বিমান অবতরণ করতেই ট্যুইট ভেসে আসে প্রধানমন্ত্রীর এবং তিনি (PM Modi) লেখেন, ‘‘ফিলাডেলফিয়াতে পৌঁছালাম। আজকে কোয়াড সামিট এবং বাইডেনের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক নিয়েই ব্যস্ত থাকব। আমি একেবারে নিশ্চিত যে এই আলোচনা অত্যন্ত ফলপ্রসু হবে এবং তা আগামী পৃথিবীকে দিশা দেখাবে। এই আলোচনা বিশ্বব্যাপী অনেক চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করতে সক্ষম হবে।’’ মোদির বিমান ফিলাডেলফিয়াতে পৌঁছানো মাত্রই প্রবাসী ভারতীয়রা তাঁকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh: মণ্ডপে যেন হামলা না হয়! দুর্গা পুজোর আগে দাবি পেশ বাংলাদেশের হিন্দু সংগঠনের

    Bangladesh: মণ্ডপে যেন হামলা না হয়! দুর্গা পুজোর আগে দাবি পেশ বাংলাদেশের হিন্দু সংগঠনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেখ হাসিনার পদত্যাগের পর থেকেই বাংলাদেশের (Bangladesh) হিন্দুদের ওপরে নেমে আসে অকথ্য নির্যাতন। একাধিক জায়গাতে হিন্দু নেতা থেকে সাংবাদিকদের হত্যা করা হতে থাকে। ঠিক এই আবহে দুর্গা পুজোর আগে অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে বেশ কতকগুলি দাবি পেশ করল জাতীয় হিন্দু জোট (National Hindu Alliance) নামের বাংলাদেশের একটি সংগঠন। বাংলাদেশের হিন্দু সমাজ আনন্দ-উৎসাহের সঙ্গে যাতে দুর্গাপুজো পালন করতে পারে সেই দাবি জানানো হয় ইউনূস সরকারের কাছে। এর পাশাপাশি মণ্ডপগুলিতে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো ও নিরাপত্তার দাবিও জানানো হয়।

    বিগত বছরগুলিতে দুর্গা পুজোতে মৌলবাদী হামলার ঘটনা ঘটে (Bangladesh) 

    প্রসঙ্গত, বিগত বছরগুলিতে দুর্গা পুজোর সময় ব্যাপক সম্প্রদায়িক উত্তেজনা দেখা গিয়েছে বাংলাদেশে। একাধিক জায়গাতে প্রতিমা ভাঙচুরসহ দুর্গা পূজার প্যান্ডেল তছনছ করে মৌলবাদীরা। চলতি বছরে যেন সে ধরনের কোনও ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে, তাই জাতীয় হিন্দু জোট শনিবারে ঢাকা প্রেস ক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলন করে। জাতীয় হিন্দু জোটের নেতারা বলেন যে হিন্দু সমাজে দুর্গা পুজোর যে গুরুত্ব তা বাংলাদেশ (Bangladesh) সরকার কখনও দেয় না, এত বড় উৎসবে মাত্র একদিনের সরকারি ছুটি দেওয়া হয়। তাই সামনের দুর্গা পুজোতে তিন দিনের সরকারি ছুটিও দাবি করেছেন সে দেশের সংখ্যালঘু সমাজের প্রতিনিধিরা।

    বাংলাদেশে ৩২,৬৬৬টি বারোয়ারি পুজো অনুষ্ঠিত হতে চলেছে

    এর পাশাপাশি আগামী দুর্গা পুজোতে কোনও ধরনের হামলার ঘটনা যাতে না ঘটে সেজন্য অন্তর্বর্তী সরকারকে (Bangladesh) কাছে দাবি জানিয়েছে ওই সংগঠন। এদিনই ঢাকাতে জাতীয় হিন্দু জোটের নেতারা বলেন, দুর্গা পুজো সমগ্র বাঙালি জাতির ঐক্যের প্রতীক। প্রসঙ্গত, বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক ইতিমধ্যে দুর্গা পুজোর সময় হিন্দুদের (National Hindu Alliance) বেশ কিছু বিধি নিষেধ আরোপ করেছে। যেমন আজান ও নামাজের ৫ মিনিট আগে পূজা কমিটিগুলোকে যেকোনও ধরনের অনুষ্ঠান, সাউন্ড সিস্টেম বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে চলতি বছরে বাংলাদেশে ৩২,৬৬৬টি বারোয়ারি পুজো অনুষ্ঠিত হতে চলেছে সেদেশে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: বাংলাদেশের পাহাড়ে অমুসলিমদের উপর হিংসা, আদিবাসীদের অবরোধে স্তব্ধ পার্বত্য চট্টগ্রাম

    Bangladesh Crisis: বাংলাদেশের পাহাড়ে অমুসলিমদের উপর হিংসা, আদিবাসীদের অবরোধে স্তব্ধ পার্বত্য চট্টগ্রাম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে সেনা এবং মুসলিম কট্টরপন্থীরা বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী চাকমাদের উপর নির্যাতন চালিয়ে যাচ্ছে। গণহত্যার শিকার হচ্ছে পার্বত্য বাংলাদেশের আদি বাসিন্দারা। এমনই অভিযোগ তুলল ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের কয়েকটি জনজাতি সংগঠন। অবিলম্বে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূসের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলার জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে স্মারকলিপি পাঠিয়েছে তারা। শুক্রবার রাতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে ওই স্মারকলিপি পাঠানো হয়। সূত্রের খবর, বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামের পরিস্থিতি ভায়াবহ। সেনাবাহিনীর অত্যাচারের প্রতিবাদে সেখানে শনিবার সকাল থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে বৈষম্য বিরোধী পাহাড়ি ছাত্র আন্দোলন। সেনার গুলিতে  বৃহস্পতিবার সেখানে তিনজন পাহাড়িয়াবাসী মারা যায়। তারপরই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি।

    ঘটনার সূত্রপাত

    সূত্রের খবর, বুধবার খাগড়াছড়ি নোয়াপাড়া এলাকায় মহম্মদ মামুন নামে এক দুষ্কৃতী মোটরসাইকেল চুরি করে পালাতে গিয়ে দুর্ঘটনার মুখে পড়েন। আহত অবস্থায় ধরা পড়ার পরে তাঁকে মারধর করা হয়। পরে তিনি হাসপাতালে মারা যান। স্থানীয় দিঘিনালা সরকারি কলেজের বিএনপি এবং জামাতে ইসলামির সমর্থক ছাত্ররা অভিযোগ তোলে মানুনকে পিটিয়ে খুন করা হয়েছে। এরই জেরে ঝামেলা শুরু হয়। অভিযোগ, কলেজ থেকে মিছিল নিয়ে গিয়ে খাগড়াছড়ি শহরের বোয়ালপাড়া বাজার, লারমা স্কোয়ারের মতো এলাকায় অমুসলিম আদিবাসীদের বাড়িঘর, দোকান, ধর্মস্থান ভেঙে আগুন ধরানো হয়। পিটিয়ে মারা হয় কয়েক জনকে।

    হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকেই অত্যাচার

    আদিবাসীদের অভিযোগ, হাসিনা সরকার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকেই বাইরে থেকে এসে বসতি গড়া লোকেরা চাকমাদের উপরে হামলা, জমি দখল এবং দেশছাড়ার জন্য হুমকি দিতে শুরু করেছে। হামলাকারীদের প্রত্যক্ষ মদত দিচ্ছে বাংলাদেশ সেনা। বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামের তিনটি জেলা, খাগড়াছড়ি, বান্দারবন এবং রাঙামাটিতে আদি বাসিন্দা চাকমা এবং অন্যান্য জনজাতি গোষ্ঠীর উপর গত ৭২ ঘণ্টা ঘরে ধারাবাহিক হামলা চলছে। খুন হয়েছেন অন্তত ১০ জন অমুসলিম। পোড়ানো হয়েছে চাকমা, কুকি, ব্রু এবং অন্যান্য আদিবাসী সম্প্রদায়ের হাজারেরও বেশি বাড়িঘর, ধর্মস্থান, দোকান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। বাংলাদেশ সেনা, বিজিবি এবং র‌্যাব বাহিনীও বিচ্ছিন্নতাবাদী দমনের অছিলায় অমুসলিমদের উপর নির্বিচারে হামলা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ। চট্টগ্রামের সমতল এলাকাতেও বৌদ্ধ, হিন্দু, খ্রিস্টানদের উপর হামলার ঘটনা ঘটছে। পরিস্থিতি সামলাতে সেনা মোতায়েন করা হলেও তাতে অমুসলিম জনজাতিদের মৃত্যুর সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে। পরিকল্পিত ভাবে অন্তর্বর্তী সরকার হিংসা ছড়িয়ে পার্বত্য চট্টগ্রামে জনবিন্যাসের চরিত্র বদলে দিতে চাইছে বলে অভিযোগ। 

    দীর্ঘমেয়াদি আন্দোলনের ডাক

    শুক্রবার চট্টগ্রাম, খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি-সহ বিভিন্ন এলাকার সমাবেশ করে দীর্ঘমেয়াদি আন্দোলনের ডাক দিয়েছে পাহাড়ে বসবাসকারী চাকমা-সহ বিভিন্ন অমুসলিম জনজাতি সংগঠনগুলি। তাঁদের ‘আদিবাসী’ তকমা ছিনিয়ে নেওয়ার জন্য প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার সক্রিয় হয়েছে বলে অভিযোগ তুলে ‘মার্চ ফর আইডেন্টিটি’ কর্মসূচির ডাক দিয়েছে পাহাড়ি অমুসলিমরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঢাকার সরকার পার্বত্য চট্টগ্রামে ১৪৪ ধারা জারি করেছে। কিন্তু তাতে সমস্যা বাড়বে বলেই মত সাধারণ বাসিন্দাদের।

    কবে থেকে সংঘাতের শুরু

    আশির দশকে পার্বত্য চট্টগ্রামের জনবিন্যাস বদলে দেওয়ার উদ্দেশ্যে সেনাশাসক জিয়াউর রহমানের আমলে প্রায় ৫০ হাজার সমতলের মানুষকে পাহাড়ে বসতি গড়ে দেওয়া হয়। ‘সেটলার’ নামে পরিচিত সেই জনগোষ্ঠী আজ সংখ্যায় বহুগুণ বেড়ে চাকমা ও অন্য জনজাতিদের অস্তিত্বের সঙ্কটে ফেলে দিয়েছে। আর সেখান থেকেই সংঘাতের সূত্রপাত। নতুন সরকারের আমলে তাঁদের ‘আদিবাসী’ পরিচয়ও মুছে ফেলার চেষ্টা শুরু হয়েছে বলে চাকমা সংগঠনগুলির অভিযোগ। কয়েকশো বছর ধরে পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকায় কুকি-চিন জনগোষ্ঠীর বাস। ভারত এবং মায়ানমার সীমান্তবর্তী বাংলাদেশের অঞ্চলগুলি নিয়ে কুকি স্বশাসিত অঞ্চলের দাবিতে দীর্ঘ দিন ধরেই লড়াই চালাচ্ছে কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট (কেএনএফ)। সম্প্রতি কুকি বিচ্ছিন্নতাবাদীদের দমনের নামে নতুন করে অভিযান শুরু করেছে বাংলাদেশ সেনা এবং র‌্যাব। জঙ্গি দমন অভিযানের নামে সাধারণ কুকিদের উপর অত্যাচারের অভিযোগও উঠেছে।

    আরও পড়ুন: কীভাবে হিজবুল্লার বিরুদ্ধে পেজার অপারেশনের ছক কষেছিল মোসাদ?

     প্রধানমন্ত্রী মোদির হস্তক্ষেপ দাবি 

    বাংলাদেশের পার্বত্য অঞ্চলে অমুসলিমদের উপর অত্যাচারের প্রতিবাদে ত্রিপুরার শিল্প-বাণিজ্য ও কারামন্ত্রী সান্তনা চাকমা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি লিখেছেন। চিঠিতে তিনি প্রধানমন্ত্রী মোদির হস্তক্ষেপ দাবি করে জানিয়েছেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলা খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি ও বান্দরবনে হিংসায় মোট ৪০ জন জনজাতি বা পাহাড়ের আদি বাসিন্দা নিহত হয়েছেন। ১০০ বাড়িঘর পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এদিকে, ভারতে জনজাতিদের একাধিক সংগঠন পার্বত্য চট্টগ্রামের পরিস্থিতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হস্তক্ষেপ দাবি করেছে। চাকমা ফাউন্ডেশন অফ ইন্ডিয়ার প্রতিষ্ঠাতা সুহাস চাকমা, ভারতের জাতীয় তফশিলি উপজাতি কমিশনের সদস্য নিরুপম চাকমা এবং মিজোরামের বিধায়ক রশিক মোহন চাকমা প্রধানমমন্ত্রীকে লেখা চিঠিতে চট্টগ্রামে চাকমাদের উপর মুসলিমদের নির্যাতনের প্রতিবাদে বাংলাদেশের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থগিত রাখার দাবি জানিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Israel-Hezbollah Conflict: কীভাবে হিজবুল্লার বিরুদ্ধে পেজার অপারেশনের ছক কষেছিল মোসাদ?

    Israel-Hezbollah Conflict: কীভাবে হিজবুল্লার বিরুদ্ধে পেজার অপারেশনের ছক কষেছিল মোসাদ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লেবাননের হিজবুল্লা (Israel-Hezbollah Conflict) গোষ্ঠীর ওপর বারবার আক্রমণ চালাচ্ছে ইজরায়েল। পেজার, (Pager Blast) ওয়াকিটকির পর ল্যান্ডফোন বিস্ফোরণেই থেমে নেই তেল আভিভ। এয়ারস্ট্রাইকের মাধ্যমে লেবাননে হিজবুল্লার সামরাস্ত্রকেও টার্গেট করেছে ইজরায়েলি সেনা। এককথায় যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে মধ্যপ্রাচ্যে। মঙ্গলবার লেবাননের বিভিন্ন স্থানে একযোগে পেজার বিস্ফোরণের মধ্য দিয়ে হয়েছিল যার সূচনা। জানা গিয়েছে, ইজরায়েলের বিশ্বখ্যাত গুপ্তচর বাহিনী মোসাদের তৈরি একটি বেনামি সংস্থাই এই পেজারগুলি তৈরি করেছিল এবং সেগুলিতে বিস্ফোরক সংযোজন করেছিল। এরপর গোপনে পরিকল্পনা করে সেই পেজার ইরান-সমর্থিত জঙ্গি সংগঠন হিজবুল্লাহকে সরবরাহ করা হয়।

    কীভাবে পেজার হামলার পরিকল্পনা

    এর আগে, মনে করা হয়েছিল যে ইজরায়েলের (Israel-Hezbollah Conflict) গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ সরবরাহ চেনে ঢুকে তাইওয়ানে তৈরি পেজারগুলিতে বিস্ফোরক লাগিয়েছিল। তবে নতুন রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে যে, ইজরায়েল প্রথম থেকেই একটি শেল (ভুয়ো) কোম্পানি তৈরি করেছিল, যার মাধ্যমে পেজারগুলি সরবরাহ করা হয়। এমনকী, আরও দুটি কোম্পানি তৈরি করেছিল ইজরায়েল, যাতে আসল নির্মাতাদের পরিচয় লুকানো যায়। মোসাদ তাদের ফোনে আড়ি পাতছে বা ট্র্যাক করছে ধরে নিয়ে হিজবুল্লার শীর্ষ নেতা হাসান নাসরাল্লাহ তার সদস্যদের আধুনিক যোগাযোগ ডিভাইস, যেমন মোবাইল ফোন, ব্যবহার না করার পরামর্শ দিয়েছিলেন, কারণ সেগুলি হ্যাক বা অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে। সেই মোতাবেক, ফোনের বদলে পেজার ব্যবহার করার ফরমান জারি করেন নাসরাল্লাহ। কিন্তু পেজারকেও যে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হতে পারে তা বুঝতে পারেনি হিজবুল্লা। আচমকা পেজার-অ্যাটাকের দাপটে হিজবুল্লা ঘাবড়ে গিয়েছে বলে একাংশের মত। 

    পরিকল্পনা করে হামলা

    নিরাপদ এবং গোপনীয় যোগাযোগের জন্য হিজবুল্লা (Israel-Hezbollah Conflict) হাজার হাজার পেজার কেনার আদেশ দেয়। গত কয়েক মাসে পেজারগুলি হাঙ্গেরি-ভিত্তিক একটি কোম্পানির মাধ্যমে লেবাননে আমদানি করা হয়। লেবানন থেকে পেজারগুলির অর্ডার পাওয়ার পরে, ইজরায়েলের গোয়েন্দারা একটি সংস্থা তৈরি করে। এই শেল কোম্পানিটি তিন বছরের ব্র্যান্ড-লাইসেন্সিং চুক্তির অধীনে তাইওয়ানের কোম্পানি গোল্ড অ্যাপোলোর ব্র্যান্ডিং ব্যবহার করেছিল। শেল কোম্পানিটি হাঙ্গেরিতে সদর দফতর স্থাপন করে, এবং তাইওয়ানের গোল্ড অ্যাপোলোর সাথে চুক্তির মাধ্যমে বিভিন্ন ক্লায়েন্টের জন্য পেজার তৈরি করতে দেখা যায়। এরাই পরে হিজবুল্লার জন্য বিস্ফোরক যুক্ত পেজার তৈরি করে।

    লেবাননই এখন যুদ্ধক্ষেত্র

    মিডিয়ার একাংশের দাবি, পেজার-বিস্ফোরণের (Pager Blast) ঠিক আগে লেবাননে হামলা চালাবে বলে ইজরায়েল (Israel-Hezbollah Conflict) আগাম জানিয়ে রেখেছিল আমেরিকান প্রতিরক্ষা সচিব লয়েড অস্টিনকেও। ওয়াশিংটন তা স্বীকার করলেও তাদের দাবি, হামলার ধরন সম্পর্কে তারা একেবারেই অবগত ছিল না। ইজরায়েল যে কোনও মুহূর্তে লেবাননে ‘গ্রাউন্ড ইনভেশন’ চালাতে পারে বলেও এখন আশঙ্কা একাংশের। লেবাননের শিয়া সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাকে বিশ্বের সবচেয়ে বড় অরাষ্ট্রীয় মিলিটারি (নন স্টেট অ্যাক্টর) সংগঠন বলে মনে করা হয়। লেবানন, সিরিয়া, ইরানে ছড়িয়ে থাকা হিজবুল্লার সদস্য সংখ্যা লাখখানেকের বেশি। যার মধ্যে শুধু লেবাননেই অ্যাক্টিভ যোদ্ধা অন্তত ২০ হাজার। ইজরায়েলি আগ্রাসন রুখতে ১৯৮২ সালে লেবানেন জন্ম নেয় ‘হেজবোল্লা— পার্টি অফ গড’। তাই হামাসের মতো হিজবুল্লার সঙ্গেও ইজরায়েলের সংঘাত কয়েক দশকের। গত ৭ অক্টোবরের পর হিজবুল্লা প্যালেস্তাইনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের পক্ষ নেওয়ার পর থেকেই তিক্ততা আরও বেড়েছে। ইলেকট্রনিক্স অ্যাটাকের পর এয়ারস্ট্রাইক তারই জের বলে মনে করা হচ্ছে। 

    হিজবুল্লা-র কাছে বড় ধাক্কা

    লেবাননে পেজার (Pager Blast) ও ওয়াকি-টকির বিস্ফোরণে ৮৭৯ জন হিজবুল্লা সদস্য নিহত হয়েছেন, এমনই তথ্য উঠে এসেছে হিজবুল্লার অভ্যন্তরীণ সামরিক গোয়েন্দা নথি থেকে। এই বিস্ফোরণে ১৩১ জন ইরানি ও ৭৯ জন ইয়েমেনিও প্রাণ হারিয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ২৯১ জন হিজবুল্লার শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তাও রয়েছেন। হিজবুল্লা প্রকাশ্যে বলেছিল যে বিস্ফোরণে তাদের যোগাযোগ ব্যবস্থায় বড় ক্ষতি হয়েছে, প্রথমিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছিল যে এই ঘটনায় ৩২ জন নিহত এবং ৩,০০০ জন আহত হয়েছেন। তবে হিজবুল্লার গোয়েন্দা নথি অনুযায়ী ৮৭৯ জন সদস্যের মৃত্যু, সংগঠনের জন্য এক বিশাল ধাক্কা।

    ইজরায়েলকে হুমকি

    হিজবুল্লা নেতা হাসান নাসরাল্লাহ ইজরায়েলকে (Israel-Hezbollah Conflict) হুমকি দিয়ে বলেছেন, এই হামলার জন্য ইজরায়েলকে চরম মূল্য দিতে হবে, কারণ তারা সব সীমা অতিক্রম করেছে।  এরপরই ফের বৃহস্পতিবার রাতে ইজরায়েলের যুদ্ধবিমান লেবাননের দক্ষিণে সবচেয়ে তীব্র হামলা চালায়। যা প্রায় এক বছরের মধ্যে সবচেয়ে বড় আক্রমণ। ইজরায়েলের সামরিক বাহিনী জানায়, বৃহস্পতিবার রাতে তারা দক্ষিণ লেবাননে শতাধিক রকেট লঞ্চার ধ্বংস করেছে। ওই লঞ্চারগুলো ইজরায়েলের দিকে নিক্ষেপের জন্য প্রস্তুত ছিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share