Category: বিদেশ

Get updates on World News Headlines International News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Bangladesh Nuclear Treaty: ভারত বিরোধিতা! পাকিস্তানের সঙ্গে পরমাণু চুক্তির আহ্বান ঢাকার অধ্যাপকের

    Bangladesh Nuclear Treaty: ভারত বিরোধিতা! পাকিস্তানের সঙ্গে পরমাণু চুক্তির আহ্বান ঢাকার অধ্যাপকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের অত্যাচার থেকে মুক্তি দিতে এবং স্বাধীন বাংলাদেশ গড়ার ক্ষেত্রে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল ভারত। ৫০ বছর পর সেই ভারতের বিরুদ্ধে গিয়ে এবার পাকিস্তানের সঙ্গেই পরমাণু চুক্তির (Bangladesh Nuclear Treaty) দাবি করলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক। বাংলাদেশকে পারমাণবিক সক্ষম করার দাবি তুললেন অধ্যাপক শাহিদুজ্জামান। হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকেই ভারত বিরোধিতা এবং জামাত প্রভাবিত ইসলামি গোঁড়ামি দিনে দিনে বাড়ছে পদ্মাপারে। ভারতের সহায়তা ছাড়া যে স্বাধীন বাংলাদেশ সম্ভবই ছিল না, তা ভুলতে বসেছে ঢাকা। তাঁকে এও দাবি করতে শোনা গিয়েছে যে, পাকিস্তান নাকি বাংলাদেশের সবচেয়ে বিশ্বস্ত নিরাপত্তা সহযোগী! বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের মূর্তি যারা ভাঙতে পারে তাদের থেকে এর বেশি কিছুই প্রত্যাশা করা যায় না, এমনই অভিমত কূটনীতিকদের। 

    পাকিস্তানের সঙ্গে পারমাণবিক চুক্তি

    শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর বাংলাদেশে ভারতের প্রতি বিরূপ মনোভাব বাড়ছে এবং পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্কের দিকে আরও ঝোঁক দেখা যাচ্ছে। বাংলাদেশে হিন্দুদের উপর অত্যাচার, সংখ্যালঘুদের উপর আক্রমণ নিত্য-ঘটনা। ভারত-বিরোধিতায় কোনও কসুর করছে না জামাতের মতো সংগঠন। এমন পরিস্থিতিতে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক শাহিদুজ্জামান সম্প্রতি পাকিস্তানের সঙ্গে একটি পারমাণবিক চুক্তি (Bangladesh Nuclear Treaty) করার আহ্বান জানালেন। তাঁর মতে, এই চুক্তি ভারতের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সাহায্য করবে। অধ্যাপক শাহিদুজ্জামান বলেন, “ভারতের সাধারণ ধারণা পরিবর্তনের জন্য সঠিক উত্তর হবে আমাদের পারমাণবিক সক্ষম হওয়া। পারমাণবিক সক্ষম হওয়া মানে পারমাণবিক শক্তিধর হওয়া নয়, বরং পাকিস্তানের সঙ্গে একটি পারমাণবিক চুক্তিতে প্রবেশ করা।” 

    ভারতকে ঠেকাতে পাক সহায়তা

    শাহিদুজ্জামান আরও বলেন, পাকিস্তানের কারিগরি সহায়তা (Bangladesh Nuclear Treaty) ছাড়া ভারতকে প্রতিহত করা সম্ভব নয়। তাঁর কথায়, “পাকিস্তান সবসময়ই বাংলাদেশের সবচেয়ে বিশ্বস্ত নিরাপত্তা সহযোগী ছিল। কিন্তু ভারতীয়রা চায় না আমরা এটা বিশ্বাস করি। আওয়ামি লিগও চায় না আমরা এটা বিশ্বাস করি। কিন্তু এটাই সত্য। বাংলাদেশকে পাকিস্তানের দিকে ঝুঁকতে হবে।” তিনি আরও বলেন, “পাকিস্তানিরা আমাদের কাছে ক্ষমা চাওয়ার প্রয়োজন মনে করে না, তবে তারা চায় না আমরা ভারতের সঙ্গে থাকি। তারা আমাদের রক্ষা করতে যে কোনও কিছু করতে প্রস্তুত।”

    জামাত পন্থী অধ্যাপক

    অধ্যাপক শাহিদুজ্জামান পাকিস্তান থেকে পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র (Bangladesh Nuclear Treaty) সংগ্রহ করে উত্তরবঙ্গ ও চট্টগ্রাম পার্বত্য অঞ্চলে মোতায়েন করার প্রস্তাব দেন। এর ফলে ভারতের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়া সহজ হবে বলে তিনি মনে করেন। তাঁর দাবি, বাংলাদেশের কিছু অংশ দখল করে এটিকে উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যের অংশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করতে চায় ভারত এবং পাকিস্তানের পারমাণবিক চুক্তি ও ক্ষেপণাস্ত্র সাহায্য ভারতের এই পরিকল্পনা প্রতিহত করতে পারে। তিনি পাকিস্তানকে “বাংলাদেশের নির্ভরযোগ্য এবং বিশ্বস্ত নিরাপত্তা মিত্র” হিসেবে অভিহিত করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই অধ্যাপক জামায়াত-ই-ইসলামীপন্থী মন্তব্যের জন্য কুখ্যাত। 

    বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের আহ্বান

    সম্প্রতি, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা বলেছিলেন। টেলিভিশনে প্রচারিত এক ভাষণে ইউনূস বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ সহ বেশ কয়েকটি দেশের নেতারা তাঁকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, “আমরা ভারতের সঙ্গে এবং অন্যান্য প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক রাখতে চাই, তবে এই সম্পর্কগুলো ন্যায্যতা এবং সমতার ভিত্তিতে হওয়া উচিত।” যদিও বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি ইউনূসের মতকে মান্যতা দেয় না।

    আরও পড়ুন: ফের হত্যার চেষ্টা ট্রাম্পকে! গল্ফ ক্লাবে চলল গুলি, অল্পের জন্য বাঁচলেন প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট

    বাংলাদেশের ঐতিহ্য বিলুপ্তপ্রায়

    জামাত-পন্থী ইসলামি শক্তিগুলি শেখ হাসিনার পতনের পর থেকে বাংলাদেশকে পাকিস্তানের (Bangladesh Nuclear Treaty) দিকে টেনে নিয়ে যাচ্ছে। এর অংশ হিসেবে, সম্প্রতি ঢাকার জাতীয় প্রেসক্লাবে জিন্নার ৭৬তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে উর্দু গান, কবিতা এবং সঙ্গীতানুষ্ঠান আয়োজন করা হয়, যা বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবার ঘটেছে। ইসলামপন্থী বক্তারা অনুষ্ঠানে বলেন, পাকিস্তান ছাড়া বাংলাদেশও অস্তিত্ব লাভ করতে পারত না। বক্তারা জিন্নাকে বাংলাদেশের সৃষ্টিকর্তা এবং পিতা হিসেবে অভিহিত করেন। উল্লেখ্য, বাংলাদেশ (সাবেক পূর্ব পাকিস্তান) একটি রক্তাক্ত মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে উর্দু চাপিয়ে দেওয়া জিন্নার বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে স্বাধীনতা অর্জন করেছিল। যেখানে বাংলা ভাষাই ছিল বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দু। তবে, জামাত-সহ প্রতিক্রিয়াশীল ইসলামী শক্তিগুলি শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে বাংলাদেশকে সেই উর্দু ভাষার দিকে ঠেলে দিচ্ছে, যেটি শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে তারা তীব্রভাবে বর্জন করেছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Donald Trump: ফের হত্যার চেষ্টা ট্রাম্পকে! গল্ফ ক্লাবে চলল গুলি, অল্পের জন্য বাঁচলেন প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট

    Donald Trump: ফের হত্যার চেষ্টা ট্রাম্পকে! গল্ফ ক্লাবে চলল গুলি, অল্পের জন্য বাঁচলেন প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও হত্যার চেষ্টা প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে (Donald Trump)। মার্কিন সিক্রেট সার্ভিস জানিয়েছে, রবিবার (১৫ সেপ্টেম্বর), গুলি চলেছে ফ্লোরিডায় (Florida) তাঁর গল্ফ ক্লাবের কাছেই। তবে, ট্রাম্প নিরাপদেই রয়েছেন। ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন বা এফবিআই জানিয়েছে, তাঁরা এই ঘটনাটিকে ট্রাম্পকে হত্যার চেষ্টা হিসেবেই বিবেচনা করছে এবং এই ঘটনার তদন্ত করছে। আগ্নেয়াস্ত্র-সহ এক প্রৌঢ়কে গ্রেফতার করেছে আমেরিকার সিক্রেট সার্ভিস। ট্রাম্পের নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছে তারাই।

    ট্রাম্পের উপর হামলার নিন্দা

    জানা গিয়েছে, স্থানীয় সময় অনুযায়ী, রবিবার দুপুর ২টোর (ভারতীয় সময় রাত ১১টা ৩০ মিনিট) কিছু আগে, ট্রাম্পের গল্ফ ক্লাবের কাছে একজনকে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে ঘুরতে দেখেই তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় সিক্রেট সার্ভিস। সন্দেহভাজন ব্যক্তি ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান, কিন্তু পরে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, ওই ব্যক্তির নাম রায়ান ওয়েসলি রাউথ, বয়স ৫৮ বছর। তবে, তিনি কী উদ্দেশ্যে সেখানে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে ঘোরাফেরা করছিলেন, তা এখনও জানা যায়নি। এই ঘটনার পরপরই, ট্রাম্প (Donald Trump) একটি ইমেল করে তাঁর সমর্থকদের জানিয়েছেন, তিনি নিরাপদে আছেন। তিনি আরও বলেছেন, “কখনও আত্মসমর্পণ করব না।” হোয়াইট হাউসের তরফে একটি বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস ট্রাম্পের উপর হামলার নিন্দা করেছেন। তাঁরা বলেছেন, “ট্রাম্প নিরাপদ জেনে আমরা আনন্দিত। আমেরিকায় হিংসার কোনও স্থান নেই।”

    আরও পড়ুন: মঙ্গলবার সুপ্রিম-শুনানি, জুনিয়র ডাক্তাররা নিয়োগ করলেন আইনজীবী ইন্দিরা জয়সিংকে

    ট্রাম্প এখন নিরাপদে

    আসন্ন মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) এর আগে পেনসিলভেনিয়ায় হামলার শিকার হয়েছিলেন। অল্পের জন্য সে বার রক্ষা পেয়েছিলেন ট্রাম্প। গুলি তাঁর কান ঘেঁষে বেরিয়ে গিয়েছিল। কান থেকে রক্তও ঝরেছিল বিস্তর। রবিবার আবার ট্রাম্পের উপর হামলার চেষ্টা হল। যদিও এ বার গুলি চললেও ট্রাম্প নিরাপদেই ছিলেন। ফ্লোরিডায় (Florida) তিনটি গল্ফ কোর্টের মালিক ট্রাম্প। প্রায়শই তাঁর দিন শুরু হয় ওয়েস্ট পাম বিচে অবস্থিত এই গল্ফ কোর্টে এক রাউন্ড গল্ফ খেলে। ঘটনার সময়ও তিনি সেখানে গল্ফ খেলছিলেন বলে জানা গিয়েছে।

    কে এই রায়ান ওয়েসলি রাউথ?

    এদিকে, ট্রাম্পকে হত্যা করতে চাওয়ার অভিযোগে ধৃত রায়ান ওয়েসলি রাউথ কট্টর ডেমোক্র্যাট সমর্থক এবং ঘোরতর ভাবে ট্রাম্পের বিরোধী বলে জানা গিয়েছে। রাশিয়া এবং ইউক্রেনের যুদ্ধে তিনি ইউক্রেনকে সমর্থন করেন। এমনকী, যুদ্ধ করতে ইউক্রেনেও গিয়েছিলেন প্রৌঢ়। পাশাপাশি, আমেরিকার লোকজনকেও যুদ্ধের জন্য ইউক্রেনে আহ্বান জানাতেন তিনি। মার্কিন গোয়েন্দা সূত্রে খবর, ঘটনার সময়, ডোনাল্ড ট্রাম্পের থেকে মাত্র ২৭৫ থেকে ৪৫০ মিটার দূরে ছিলেন ওই বন্দুকধারী। শুধু তাই নয়, তাঁর হাতে একটি একে-৪৭ ধরনের রাইফেলও ছিল। তাতে দুরবীনও লাগানো ছিল। সেই সঙ্গে তার সঙ্গে একটি গোপ্রো ক্যামেরাও ছিল।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Indonesia: ভারত-ইন্দোনেশিয়ার ৭৫ বছরের কূটনৈতিক সম্পর্ক, স্মরণে কবিগুরুর ফলক উন্মোচন বালিতে

    Indonesia: ভারত-ইন্দোনেশিয়ার ৭৫ বছরের কূটনৈতিক সম্পর্ক, স্মরণে কবিগুরুর ফলক উন্মোচন বালিতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর বালির (Indonesia) হায়াত রিজেন্সিতে শুরু হয়েছে ‘ইকোস অ্যাক্রোস দ্য ওয়েভস: ইন্টারসেকশনস অফ ইন্ডিয়া অ্যান্ড ইন্দোনেশিয়ার শেয়ার্ড কালচারাল হেরিটেজ রিভিজিটিং’ নামের একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলন। রবিবার ১৫ সেপ্টেম্বর এই সম্মেলন শেষ হবে বলে জানিয়েছেন উদ্যোক্তারা। জানা গিয়েছে, আন্তর্জাতিক এই সম্মেলনটি বালিতে ভারতের কনস্যুলেট জেনারেল, মওলানা আবুল কালাম আজাদ ইনস্টিটিউট অফ এশিয়ান স্টাডিজ, ভারত (India) সরকারের সংস্কৃতি মন্ত্রক এবং ইনস্টিটিউট অফ সোশ্যাল অ্যান্ড কালচারাল স্টাডিজ দ্বারা আয়োজিত হচ্ছে। উল্লেখিত প্রতিষ্ঠানগুলির কর্তাব্যক্তিরা জানিয়েছেন, বর্তমানে ভারত (India) এবং ইন্দোনেশিয়া-এই দুই দেশই নিজেদের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৭৫ বছর উদযাপন করছে। তাই এই সম্মেলনের লক্ষ্য হল দুই দেশের (Indonesia)  মধ্যে সাংস্কৃতিক আদানপ্রদান ও ভাব বিনিময়কে আরও বাড়িয়ে তোলা।

    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সঙ্গে সম্পর্কিত বালি (Indonesia)

    শনিবার ১৪ তারিখ সকালে এই সম্মেলনে ভারত-ইন্দোনেশিয়ার যৌথ  প্রতিনিধিদল উত্তর বালির মুন্ডুক পরিদর্শন করে। এই স্থানটি এশিয়ার প্রথম নোবেলজয়ী বাঙালি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত। ১৯২৭ সালের সেপ্টেম্বর মাসে এখানে অবস্থান করেন বিশ্বকবি। জানা যায়, রবি ঠাকুরের সফরের বেশ কয়েক সপ্তাহ আগে, ক্যাথরিন মায়ো বিতর্কিত একটি বই লেখেন, যার নাম- মাদার ইন্ডিয়া। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রকাশিত হয়েছিল এই বইটি। তাঁর বইয়ে মায়ো লেখেন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাল্যবিবাহকে সমর্থন করেছিলেন। এই মিথ্যাচারের জবাবে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বালির ডাকবাংলোতে অবস্থানকালে একটি প্রবন্ধ রচনা করেন। এই রচনাটি পরে বিশ্বের বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।

    ফলক উন্মোচন (Indonesia)  

    গতকাল শনিবারই কবিগুরুর স্মরণে বালিতে (Indonesia) একটি ফলক উন্মোচন করা হয়। ইন্দোনেশিয়ায় ভারতের রাষ্ট্রদূত সন্দীপ চক্রবর্তী এটি উদ্বোধন করেন। মনে করা হচ্ছে, এর মাধ্যমে বর্তমান প্রজন্মকে ইন্দোনেশিয়ায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অবস্থান এবং কর্মকাণ্ড নিয়ে অবহিত করা যাবে।

     

    আরও পড়ুনঃ “মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ি থেকে কার্যত ঘাড়ধাক্কা দিয়ে ফেরানো হয়েছে”, অভিযোগ জুনিয়র ডাক্তারদের

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Bangladesh Crisis: লাগাতার আক্রমণ ও নির্যাতন বন্ধে ফের পথে বাংলাদেশের হিন্দুরা, অবরোধে অচল ঢাকা

    Bangladesh Crisis: লাগাতার আক্রমণ ও নির্যাতন বন্ধে ফের পথে বাংলাদেশের হিন্দুরা, অবরোধে অচল ঢাকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক মাস হয়ে গেল বাংলাদেশের ক্ষমতায় এসেছে অন্তর্বর্তী সরকার। তার (Hindus) পরেও বন্ধ হয়নি হিন্দুদের ওপর অত্যাচার। লাগাতার আক্রমণের প্রতিবাদে পথে নামলেন বাংলাদেশের সংখ্যালঘুরা (Bangladesh Crisis)। ন্যায় বিচার ও নির্যাতন বন্ধের দাবিতে সোচ্চার হয়েছেন তাঁরা।

    আট দফা দাবি (Bangladesh Crisis)

    আন্দোলন হয় সনাতনী অধিকার আন্দোলনের ব্যানারে। এই ছাতার তলায় জড়ো হয় হিন্দুদের বিভিন্ন সংগঠন। এদিনের আন্দোলনে ছিল বাংলাদেশ হিন্দু জাগরণ মঞ্চও। আট দফা দাবিতে শাহবাগ মোড় অবরোধ করে তারা। বিকেল সাড়ে ৪টে নাগাদ শুরু হয় অবরোধ। যার জেরে ব্যাপক যানজট হয় শহরে। শুক্রবারই আট দফা দাবিতে চট্টগ্রাম শহরের জামাল খান মোড় এলাকায় সমাবেশ করে সম্মিলিত সনাতনী সমাজ, বাংলাদেশও। যে আট দফা দাবিতে এদিন আন্দোলন হয়েছে, সেগুলি হল, সরকার পতনের পর সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার ঘটনার দ্রুত বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা, সাম্প্রদায়িক হিংসায় ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ এবং পুনর্বাসন দেওয়া, সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন প্রণয়ন করা, সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠা করা, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টকে হিন্দু ফাউন্ডেশনে রূপান্তর করা, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টকে ফাউন্ডেশনে রূপান্তরিত করা, দেবোত্তর সম্পত্তি পুনরুদ্ধার করা এবং তাদের সুরক্ষার জন্য আইন প্রণয়ন করা, সঠিকভাবে অর্পিত সম্পত্তি আইন কার্যকর করা এবং দুর্গাপুজোয় পাঁচ দিনের ছুটি ঘোষণা করা।

    কী বলছেন আন্দোলনকারীরা

    আন্দোলনকারীদের মধ্যে ছিলেন চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীও। তিনি (Bangladesh Crisis) বলেন, “ছাত্র নেতৃত্বাধীন গণ অভ্যুত্থানের পর আমরা ভেবেছিলাম, আমরা একটা বৈষম্যহীন সামাজিক ব্যবস্থা পাব। তবে ৫ অগাস্ট থেকে দেশের ৪৯টি জেলায় হিন্দু জনগণের বাড়িঘর, তাদের মন্দির ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর আক্রমণ চালানো হয়েছে।” তিনি বলেন, “প্রথম আলোর (বাংলাদেশের জনপ্রিয় দৈনিক) প্রতিবেদন অনুযায়ী, ৫ থেকে ২০ অগাস্টের মধ্যে হিন্দুদের ওপর আক্রমণের ঘটনা ঘটেছে মোট ১ হাজার ৬৮টি।” তিনি বলেন, “অস্থায়ী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা একজন নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী। আমরা আশা করি, তিনি দেশের সকল মানুষের, বিশেষ করে হিন্দু সম্প্রদায়ের জন্য শান্তি প্রতিষ্ঠায় পদক্ষেপ করবেন।”

    আরও পড়ুন: ‘‘ওঁরা ঘৃণার দোকানে ভালোবাসার বোর্ড ঝুলিয়েছেন’’, ভূ-স্বর্গে বিরোধীদের আক্রমণ মোদির

    বিশিষ্ট কবি ফারহাদ মাজহার বলেন, “দেশের বিভিন্ন মন্দির ভাঙচুর একটি পরিকল্পিত কর্মকাণ্ড।” তিনি বলেন, “এটা অপরাধমূলক কাজ। একাজ প্রতিরোধে নয়া সরকার কোনও পদক্ষেপ নেয়নি। দ্বিতীয়ত, মন্দিরগুলিতে আক্রমণ পূর্ব পরিকল্পিত ছিল। জনসাধারণের ঘোষণার পরেই এসব আক্রমণ চালানো হয়েছে।”
    অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূস। তিনি বলেন, “আমি মোদি (নরেন্দ্র মোদি)-কেও বলেছি, এসব বাড়িয়ে দেখানো হচ্ছে। শেখ হাসিনা ও আওয়ামি লিগ যে অরাজকতা করেছিল, তার পর দেশ একটি অস্থিরতার মধ্যে পড়েছিল। সেই সময় যারা (Hindus) তাদের পাশে ছিল, তারাই আক্রমণের শিকার হয়েছে (Bangladesh Crisis)।”

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Bangladesh: হিন্দুদের নির্বিচারে পেটাচ্ছে, পেটের চিন্তায় ভারতের কাছে আলু-পেঁয়াজও চাইছে বাংলাদেশ!

    Bangladesh: হিন্দুদের নির্বিচারে পেটাচ্ছে, পেটের চিন্তায় ভারতের কাছে আলু-পেঁয়াজও চাইছে বাংলাদেশ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফি বছর ভারতে ইলিশ রফতানি করত হাসিনা সরকার (Bangladesh)। তবে চিত্রটা বদলে যায় গত অগাস্ট মাসে তাঁর ইস্তফা দেওয়ার পরেই। ভারত-বিরোধী শক্তি জামাত-বিএনপির সহায়তায় গণভবন দখল করা হয়। গঠিত হয় অন্তর্বর্তী সরকার। এর পরেই সে দেশে শুরু হয় হিন্দুনিধন যজ্ঞ। সমাজ মাধ্যমের পাতায় জামাত-বিএনপি নেতারা একের পর এক ভারত বিরোধী-হিন্দু বিরোধী উস্কানিমূলক পোস্ট করতে থাকেন। এই আবহে ইউনূস সরকার হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়ে দেয়, উৎসবের মরশুমে ভারতে ইলিশ পাঠাতে পারবে না তারা। তার পরেই অবশ্য নির্লজ্জের মতো হাত পেতে ২ লাখেরও বেশি মুরগির ডিম আমদানি করে বাংলাদেশ। এবার জামাত-বিএনপি’র কাছে প্রাণভোমরা থাকা ইউনূস সরকারের আর্জি, যেন কোনওভাবেই আলু এবং পেঁয়াজের রফতানি ভারত বন্ধ না করে। এর পাশাপাশি ইলিশ রফতানি করার ইস্যুটি ভারতের সঙ্গে তাদের কূটনৈতিক-অর্থনৈতিক সম্পর্কে প্রভাব (Bangladesh) ফেলবে না বলেও জানিয়েছে তারা।

    পেটের চিন্তা বড় চিন্তা (Bangladesh)

    ইউনূস সরকার ক্ষমতায় আসার পরে সে দেশে অত্যাধিক মূল্যবৃদ্ধি দেখা গিয়েছে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দামে। মুরগির ডিমের দাম পৌঁছায় ১৫-১৬ টাকায়। ভারতের কাছ থেকে তা আমদানি করার পরে দাম কমে আসে ৭ থেকে ৮ টাকায়। বর্তমানে প্রতি কেজি আলুর দাম কমবেশি ৭০ টাকা। সে দেশে পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে আবার ১৪০ টাকা দরে। হাসিনা সরকারের আমলে আলুর দাম ছিল ৪০-৪৫ টাকার মধ্যে। পেটের চিন্তা, বড় চিন্তা-আপাতত তাই ভারত-বিরোধী ডায়লগ দেওয়া বন্ধ করে সামান্য আলু-পেঁয়াজে সন্তুষ্ট হতে চাইছে তারা। ইলিশ (Hilisha) দেব না হুঁশিয়ারি দেওয়ার পরে ড্যামেজ কন্ট্রোলেও নামতে দেখা গিয়েছে সে দেশের মৎস্য উপদেষ্টা ফরিদা আখতারকে। এক সংবাদমাধ্যমের সামনে তাঁর বিবৃতি, ‘‘শুধু ভারত নয়, কোনও দেশেই ইলিশ পাঠাচ্ছি না আমরা। এবার ১২ অক্টোবর থেকে ইলিশ (Hilisha) ধরাও নিষিদ্ধ করা হচ্ছে।’’

    ১০ জন ব্যবসায়ীকে আলু আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে

    জানা গিয়েছে, পেটের তাগিদে ভারত থেকে দ্রুত আলু আমদানি করতে চায় বাংলাদেশ (Bangladesh)। এ কারণে মোট দশজনকে ‘ইমপোর্ট পারমিট’ (আইপি) দিয়েছে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সরকার। গত শুক্রবারই এই তথ্য জানিয়েছেন বাংলাদেশের হিলি স্থলবন্দরের উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপ-সহকারী কর্মকর্তা ইউসুফ আলি। তিনি জানান, বাংলাদেশের বাজারে আলুর দাম স্বাভাবিক রাখতে বন্দরের ১০ জন ব্যবসায়ীকে আলু আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তাঁর নিজের ভাষায়, ‘‘সরকারের উচিত নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের ব্যাপারে ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখা। ভারত থেকে আলু আমদানি হলে দেশের বাজারে দাম অনেকটাই কমে আসবে, এ নিয়ে আশাবাদী বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India China Relation: গালওয়ান-সহ পূর্ব লাদাখের চার এলাকা থেকে সরেছে লালফৌজ, জানাল বেজিং

    India China Relation: গালওয়ান-সহ পূর্ব লাদাখের চার এলাকা থেকে সরেছে লালফৌজ, জানাল বেজিং

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গালওয়ান উপত্যকা-সহ পূর্ব লাদাখের চার এলাকা থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে লালফৌজ। শুক্রবার চিনের বিদেশমন্ত্রকের তরফেই এ খবর (S Jaishankar) জানানো হয়েছে (India China Relation)। বিবৃতিতে এও বলা হয়েছে, ভারত-চিন সীমান্ত পরিস্থিতি স্থিতিকর ও নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। চিনা বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র মাও নিং জানান, রাশিয়ায় ভারত ও চিন কর্তৃপক্ষের বৈঠকে স্থির হয়েছে দুই দেশই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ভিত মজবুত করতে পদক্ষেপ করবে।

    কী বলছে চিন? (India China Relation)

    আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের দাবিকে মান্যতা দিয়েই পূর্ব লাদাখের চার এলাকা মুক্ত করে দিয়েছে চিন। চিনা বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র বলেন, “১২ সেপ্টেম্বর রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গে চিনা বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ই-র সঙ্গে আলোচনা করেন ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল। সেই আলোচনায় দুই দেশই পারস্পরিক সমঝোতা বজায় রেখে চলার বিষয়ে সহমত পোষণ করেছে। ন্যূনতম বোঝাপড়া কায়েম করার ব্যাপারেও একমত হয়েছে। এর মধ্যে সীমান্ত ইস্যু নিয়েও কথা হয়েছে দুপক্ষে।”

    সেনা প্রত্যাহার

    তিনি (India China Relation) বলেন, “সাম্প্রতিক অতীতে চিন-ভারত সীমান্ত এলাকার চারটি এলাকা থেকে সেনা প্রত্যাহার করার বিষয়ে দুই দেশই বাস্তবিক পরিস্থিতি বুঝতে পেরেছে। সেই হিসেবে এখন চিন-ভারত সীমান্ত পরিস্থিতি সুস্থিতিকর ও নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।” প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবারই বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্কর জানিয়েছিলেন, দুদেশের মধ্যে থাকা সীমান্ত সমস্যার ৭৫ শতাংশ সমাধান হয়ে গিয়েছে।

    আরও পড়ুন: জালনোটের ‘কিংপিন’ থেকে খুন! দিল্লি থেকে গ্রেফতার ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ মালদার তৃণমূল নেতা

    চিনা বিদেশমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, উভয় পক্ষই বিশ্বাস করে চিন-ভারত সম্পর্কের স্থিতিশীলতা দুই দেশের জনগণের মৌলিক ও দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থে এবং আঞ্চলিক শান্তি ও উন্নয়নের জন্য সহায়ক। দুই দেশই রাজি রয়েছে, উভয় দেশের প্রধানদের মধ্যে অর্জিত ঐক্যমত বাস্তবায়ন করবে, পারস্পরিক বোঝাপড়া এবং বিশ্বাস বাড়াবে, নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রাখবে এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নত করবে। এর পরেই চিনা মুখপাত্র বলেন, “গালওয়ান-সহ চারটি এলাকা দখলমুক্ত করতে সম্মত হয়েছে চিন ও ভারতীয় সেনা। সেই মতো দখল করা চারটি এলাকা থেকেই সরে গিয়েছে (S Jaishankar) চিনা ফৌজ (India China Relation)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Doval meets Putin: মোদির তৈরি রাশিয়া-ইউক্রেন শান্তি ফর্মুলা নিয়ে পুতিনের সঙ্গে বৈঠক ডোভালের

    Doval meets Putin: মোদির তৈরি রাশিয়া-ইউক্রেন শান্তি ফর্মুলা নিয়ে পুতিনের সঙ্গে বৈঠক ডোভালের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের হাতে ইউক্রেনে শান্তি ফেরানোর ‘নীল নকশা’ তুলে দিলেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল। ব্রিকস গোষ্ঠীভুক্ত দেশগুলির জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টাদের বৈঠক চলছে রাশিয়ায়। বৃহস্পতিবার, তারই ফাঁকে রুশ প্রেসিডেন্টের সঙ্গে দেখা করলেন ডোভাল। সূত্রের খবর, ডোভালের এই রুশ সফরের লক্ষ্যই হল রাশিয়া-ইউক্রেন দ্বন্দ্ব নিরসন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির শান্তি ফর্মুলা নিয়েই তিনি প্রেসিডেন্ট পুতিনের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছেন ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা।

    মোদির অপেক্ষায় পুতিন

    ভারতে অবস্থিত রুশ দূতাবাসের তরফে সোশ্যাল মিডিয়ায় পুতিন ও ডোভালের বৈঠকের ছবি এবং ভিডিও শেয়ার করা হয়েছে। ঠিক কী কী কথা হয়েছে তাঁদের মধ্যে তা বিশদে জানা না গেলেও সূত্রের খবর, পুতিন জানিয়েছেন যে, তিনি এবছরের শেষে কাজানে হতে চলা ব্রিকস সম্মেলনের ফাঁকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য মুখিয়ে রয়েছেন। বৈঠকের ফাঁকেই দুই রাষ্ট্রনেতার মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হওয়ার আশা ব্যক্ত করেছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী মোদির মস্কো সফরের সময় দুই দেশের মধ্যে বিভিন্ন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। সেগুলির বাস্তবায়নের কাজ কতদূর এগলো তা খতিয়ে দেখা  এবং ভবিষ্যতের রূপরেখা তৈরি করা হবে অক্টোবরের ওই বৈঠকে। এমনটাই জানিয়েছে ভারতীয় দূতাবাস। পুতিনকে উদ্ধৃত করে রুশ সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, “আমরা আমাদের ভালো বন্ধু নরেন্দ্র মোদির জন্য অপেক্ষা করছি এবং তাঁকে স্বাগত জানাচ্ছি।” শুধু পুতিনের সঙ্গেই নয়, গত বুধবার সেন্ট পিটার্সবার্গে রুশ জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা সার্গেই শোইগুর সঙ্গে বৈঠক করেন অজিত ডোভাল। ‘পারস্পরিক স্বার্থের’ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে দুজনে আলোচনা করেছেন বলে জানা গিয়েছে।

    ভারতের কূটনৈতিক জয়

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ইউক্রেন সফরের আড়াই সপ্তাহ পর রাশিয়া সফরে গিয়েছেন অজিত ডোভাল। ইউক্রেনের রাষ্ট্রপতি ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে আলোচনায়, প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেছিলেন, চলমান যুদ্ধের অবসান ঘটাতে ইউক্রেন এবং রাশিয়া দুই দেশকে একসঙ্গে বসতে হবে। তিনি আরও জানিয়েছিলেন, ভারত এই অঞ্চলে শান্তি ফেরাতে সক্রিয় ভূমিকা নিতে প্রস্তুত। বিশ্লেষকদের মতে, মোদির পরামর্শে যদি আলোচনায় বসে ইউক্রেন ও রাশিয়া তাহলে তা বিরাট কূটনৈতিক জয় হবে ভারতের। কারণ পুতিনের সঙ্গে মোদির সখ্যের কথা কারও অজানা নয়। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: খুন-জখম-রাহাজানি, ইউনূস জমানায় কেমন আছে বাংলাদেশ?

    Bangladesh Crisis: খুন-জখম-রাহাজানি, ইউনূস জমানায় কেমন আছে বাংলাদেশ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘোর বিপাকে বাংলাদেশ (Bangladesh Crisis)। হাসিনা-উত্তর জমানায় ভালো নেই ‘সোনার বাংলা’। বর্তমানে দেশ চালাচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকার। এই সরকারের (Power Crisis) প্রধান মহম্মদ ইউনূস। দেশের একমাত্র নোবেলজয়ীর হাতে দেশের ভার সঁপে দিয়ে নিশ্চিন্তে ছিলেন আন্দোলনকারীরা। তবে এখন হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছেন হাসিনাকে দেশছাড়া করে কী ভুলটাই না করেছেন তাঁরা! এখন দেখে নেওয়া যাক, ইউনূস জমানায় কেমন আছে বাংলাদেশ।

    বিদ্যুতের ব্যাপক ঘাটতি (Bangladesh Crisis)

    দেশে বিদ্যুতের ব্যাপক ঘাটতি দেখা দিয়েছে। এখন প্রতিদিন ১০ থেকে ১২ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে লোডশেডিং হচ্ছে বাংলাদেশে। আকছার হচ্ছে বিদ্যুৎ বিভ্রাট। যার জেরে শিল্প উৎপাদন ও নাগরিকদের দুর্দশার অন্ত নেই। জানা গিয়েছে, বাংলাদেশে দৈনিক ১ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের ঘাটতি রয়েছে। কয়লার ঘাটতি রয়েছে ৯ হাজার ৫০০ কোটি টাকার। ত্রিপুরা থেকে রফতানি হ্রাসের কারণে অবস্থা আরও সঙ্গীন হয়েছে। মঙ্গলবার (১০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় দৈনিক ঘাটতি বেড়ে দাঁড়ায় ২ হাজার মেগাওয়াট। প্রযুক্তিগত সমস্যার কারণে বড়পুকুরিয়া বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ হয়ে গিয়েছে। তাই সমস্যা আরও বেড়েছে। ভারতের আদানি গ্রুপের কাছে বাংলাদেশের দেনা রয়েছে ৫০ কোটি মার্কিন ডলার। দেশে দৈনিক গ্যাস সরবরাহ কমেছে ৮২০ মিলিয়ন ঘনফুট। পাওয়ার ক্রাইসিসের যে আশু কোনও সমাধান নেই, তা জানিয়ে দিয়েছেন বাংলাদেশের ফিনান্স ও কমার্স উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, “বিদ্যুৎ সরবরাহ ছন্দে ফিরতে আরও কিছুদিন সময় লাগবে। সরকার বিদ্যুতের ঘাটতি মেটাতে চেষ্টা করছে। ঘাটতি মেটাতে জ্বালানি ও কয়লা আমদানিকে আমরা অগ্রাধিকার দিচ্ছি।”

    আইনশৃঙ্খলার অবনতি

    সংরক্ষণকে ঘিরে যে আন্দোলন (Bangladesh Crisis) শুরু হয়েছিল, সেই আন্দোলনে ভাঁটা পড়েছে। আন্দোলনের জেরে প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে দেশও ছেড়েছেন শেখ হাসিনা। দেশের দায়িত্ব বর্তেছে ইউনূসের হাতে। তবে তাতে যে বাংলাদেশের খুব একটা উন্নতি হয়েছে, তা বলা যাবে না। দেশে আইনশৃঙ্খলার উন্নতি হয়নি এখনও। খুন-জখম-রাহাজানি চলছেই। সোমবারই খুন হয়েছেন বগুড়ার সদর উপজেলার স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা মিজানুর রহমান মিজান। এদিনই খুন হয়েছেন লেডু নামেও আর একজন। এর ঠিক আগের দিন আশুলিয়া শহরে একটি পোশাক কারখানার কর্মীরা সেনা, পুলিশ এবং রাবকে আক্রমণ করে। বকেয়া মজুরির দাবিতে আন্দোলন করছিলেন তাঁরা। সেই কারণেই সেখানে গিয়েছিল পুলিশ-প্রশাসন। তাদের ওপরই হামলা চালান ক্ষুব্ধ শ্রমিকরা।

    জামিনে মুক্ত সন্ত্রাসবাদী এবং অপরাধীরা

    ডামাডোলের বাজারে (Bangladesh Crisis) ক্ষমতায় এসেই (Power Crisis) ইউনূস মুক্তি দিয়ে দিয়েছেন বেশ কিছু জঙ্গি এবং দাগি আসামীকে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, সেই কারণেই ব্যাপক অবনতি হয়েছে দেশের আইনশৃঙ্খলার। বাংলাদেশের সর্বাধিক প্রচারিত দৈনিক ‘প্রথম আলো’র এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৫ অগাস্ট শেখ হাসিনাকে অগণতান্ত্রিকভাবে ক্ষমতাচ্যুত করার পর থেকে অন্তত ৬ জন শীর্ষ অপরাধী ও জঙ্গিকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। এদের মধ্যে রয়েছে কিলার আব্বাস, শেখ মহম্মদ আসলাম ওরফে সুইডেন আসলাম, ইমামুল হাসান হেলাল, সানজিদুল ইসলাম, নাইম আহমেদ ও খোরশেদ আলম রাসু। কুখ্যাত এই জঙ্গিরা ১০-১৫ বছর ধরে বন্দি ছিল বাংলাদেশের জেলে।

    আরও পড়ুন: “বিশ্বে ব্যবহৃত প্রতিটি ডিভাইসে থাকবে ভারতে তৈরি চিপ”, বললেন মোদি

    ফেলে দেওয়া থুতু গিলতে হল!

    মলদ্বীপের মতো ‘ইন্ডিয়া আউট’ স্লোগান দিয়েছিল বাংলাদেশও। অথচ, দেশের ক্রাইসিস মেটাতে তাদেরই নির্ভর করতে হচ্ছে ভারতের ওপর। এতদিন যারা ভারতীয় পণ্য বয়কট করেছিল, তারাই এখন ২.৩১ লাখ মুরগির ডিম আমদানি করেছে। সোমবারই প্রথম লটের ডিম চলে গিয়েছে ‘সোনার বাংলা’য়।

    ইসলামবাদীদের বাড়বাড়ন্ত

    কুর্সি যাতে খোয়াতে না হয়, তাই ইসলামবাদীদের বাড়বাড়ন্ত হতে দিয়েছেন ইউনূস স্বয়ং। গদি ধরে রাখতে একদিকে তিনি যেমন কট্টরপন্থী ইসলামি সংগঠন জামাত-এ-ইসালমির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছেন, তেমনি মুক্তি দিয়েছেন মৌলবাদী সংগঠন আনসারুল্লা বাংলা টিমের নেতা মহম্মদ জসিমউদ্দিন রহমানিকে। হিন্দুদের ওপর যে আক্রমণ হচ্ছে, তাকেও বিশেষ গুরুত্ব না দিয়ে ইউনূস আস্থা অর্জন করছেন সে দেশের মুসলমানদের।

    রোহিঙ্গা সমস্যা

    রাজনৈতিক ডামাডোলের বাজারে মায়ানমার ছেড়ে দলে দলে রোহিঙ্গা ঢুকে পড়ছে বাংলাদেশে (Bangladesh Crisis)। গত আট থেকে ১০ দিনে ১৫ হাজারেরও বেশি রোহিঙ্গা ঢুকে পড়েছে বাংলাদেশে। সীমান্তে অপেক্ষা করছে আরও অন্তত ৫০ হাজার রোহিঙ্গা। সুযোগের অপেক্ষায় রয়েছে তারা। জানা গিয়েছে, মূলত রাতের অন্ধকারেই সীমান্ত টপকে রোহিঙ্গারা ঢুকে পড়ছে বাংলাদেশে। রিফিউজি রিলিফ ক্যাম্পের দায়িত্বে রয়েছেন মহম্মদ মিজানুর রহমান। তিনি বলেন, “সীমান্ত পেরিয়ে যেসব রোহিঙ্গা এ দেশে ঢুকছে, তারা বিভিন্ন রিফিউজি ক্যাম্পগুলোতে থাকা তাদের আত্মীয়দের কাছে এসে উঠছে। ঠিক কতজন ইতিমধ্যেই ঢুকে পড়েছে (Power Crisis), তা বলতে পারব না (Bangladesh Crisis)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

     

  • Bangladesh: ‘তালিবানি বাংলাদেশ’! নমাজের সময় ঢাক বন্ধের ফতোয়া, কমল দুর্গাপুজোর সংখ্যাও

    Bangladesh: ‘তালিবানি বাংলাদেশ’! নমাজের সময় ঢাক বন্ধের ফতোয়া, কমল দুর্গাপুজোর সংখ্যাও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাসিনা সরকারের পতনের পরই বাংলাদেশে (Bangladesh) হামলার মুখে পড়েছে সংখ্যালঘু হিন্দুরা। ভাঙচুর করা হয়েছে তাদের বাড়িঘর, দোকানপাট। এই পরিস্থিতিতে যখন উদ্বেগে সবাই, তখন মহম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার আশ্বাস দিয়েছিল যে, বাংলাদেশে আগের মতোই দুর্গাপুজো (Durga Puja) হবে। ফলে, সংখ্যালঘু হিন্দুরা আশার আলো দেখা শুরু করেছিলেন। কিন্তু, অন্তর্বর্তী সরকারের আসল রূপ ক্রমশ প্রকাশ পেতে শুরু করেছে। নমাজের সময় দুর্গাপুজোর ঢাক-ঢোল-মাইক বাজানো যাবে না ঘোষণা করে ফতোয়া জারি করেছে ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার। যা নিয়ে দেশজুড়ে নিন্দার ঝড় উঠেছে।

    দুর্গাপুজোয় ঢাক-মাইক বন্ধে ফতোয়া জারি (Durga Puja)

    জানা গিয়েছে, বাংলাদেশে (Bangladesh) দুর্গাপুজো নিয়ে কিছু ফতোয়া জারি করা হয়েছে। মঙ্গলবারই পুজো উদযাপন পরিষদের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন অন্তর্বর্তী সরকারের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গির আলম চৌধুরী। বৈঠকেই তিনি ঘোষণা করেন, ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখতে মসজিদে আজানের সময় মণ্ডপে ঢাক-মাইক বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আজানের ৫ মিনিট আগেই মাইক ও যাবতীয় বাদ্যযন্ত্র বাজানো বন্ধ করতে হবে। আজান শেষের পরই ফের মাইক বা ঢাক বাজানো যাবে। সংখ্যালঘু হিন্দুদের বক্তব্য, পুজোর সময় আজান শুরু হলে ঢাক-ঢোল বাজানো যাবে না। আসলে পরোক্ষে পুজো বন্ধ করার হুঁশিয়ারি দিচ্ছে সরকার। 

    মণ্ডপের পাহারা নিয়েও নতুন আশঙ্কা

    পাশাপাশি, দুর্গাপুজোর নিরাপত্তা নিয়েও অন্তর্বর্তী সরকারের ঘোষণায় তৈরি হয়েছে নতুন উৎকণ্ঠা। ঘোষণা অনুযায়ী, দুর্গামণ্ডপগুলির সুরক্ষা নিশ্চিত করতে কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মণ্ডপে (Durga Puja) যাতে হামলা না চলে, তার জন্য স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ করা হবে, যারা পালা করে মণ্ডপ পাহারা দেবেন।বাংলাদেশের হিন্দু সমাজের অনেকেই এই সিদ্ধান্তকে সঠিক বলে মনে করছেন না। তাঁদের আশঙ্কা, এই সুযোগে মাদ্রাসা ও জামাতের লোকজনকে পুজো মণ্ডপে মোতায়েনের চেষ্টা হচ্ছে, যারা মূর্তি পুজোয় বিশ্বাস করেন না। ফলে অশান্তির আশঙ্কা থাকছেই। এতদিন পুজো কমিটির লোকজনেরাই স্বেচ্ছাসেবকের দায়িত্ব পালন করতেন। সঙ্গে থাকত পুলিশ বা অন্য কোনও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য। 

    সরকারের আড়ালে মৌলবাদীরা!

    সরকারের আড়ালে মৌলবাদীরা যে কলকাঠি নাড়ছেন, এই ঘোষণাই তার প্রমাণ। দেশজুড়ে শুরু হয়েছে হিন্দু খেদাও ও হিন্দু নিধন যজ্ঞ। দেশের হিন্দু প্রধান এলাকায় গিয়ে পুজো ও ধর্মীয় আচরণ বন্ধ করার ফতোয়া দিয়েছে বিএনপি-জামাত-এ-ইসলামির মতো মৌলবাদী দলগুলি। তালিবানি শাসন শুরু হয়ে গিয়েছে দেশে! আর সেই হুমকির পরেই রীতিমতো আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে হিন্দুরা।

     

    আরও পড়ুন: নির্যাতিতার পরিবারকে টাকার অফার? ডিসি নর্থকে ডেকে প্রশ্ন সিবিআইয়ের

     

    ইসকনের ভাইস-প্রেসিডেন্ড রাধারমণ দাস ট্যুইট করে বাংলাদেশি সরকারের ফতোয়াকে তালিবানি শাসনের সঙ্গে তুলনা করেছেন। 

     

    মৌলবাদীদের হুমকি-হামলা, কমল দুর্গাপুজো

    শেখ হাসিনা জমানায় গত কয়েক বছর ধরেই বাংলাদেশে (Bangladesh) দুর্গাপুজোর সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছিল। গত বছর রাজধানী ঢাকা-সহ গোটা দেশে ৩৩ হাজার ৪৩১টি মন্দির ও মণ্ডপে দুর্গাপুজোর (Durga Puja) আয়োজন করা হয়েছিল। আর এ বছর এখনও পর্যন্ত ৩২ হাজারের মতো পুজো কমিটি পুজো আয়োজনের কথা জানিয়েছে। অনেক জায়গাতেই আয়োজকরা ঘট পুজোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। হামলার হাত থেকে বাঁচতে অনেক জায়গাতেই দুর্গাপুজো বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন আয়োজকরা। গত বছরের তুলনায় এখনও পর্যন্ত প্রায় এক হাজারের বেশি পুজো বন্ধ হয়ে গিয়েছে। পুজো বন্ধ হওয়ার সংখ্যাটি আরও বাড়বে বলে মনে করছেন পুজো উদযাপন পরিষদের নেতারা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India-Maldives: সরিয়ে দিলেন মোদি-বিরোধী দুই জুনিয়র মন্ত্রীকে, ভারতে আসছেন মুইজ্জু

    India-Maldives: সরিয়ে দিলেন মোদি-বিরোধী দুই জুনিয়র মন্ত্রীকে, ভারতে আসছেন মুইজ্জু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের সঙ্গে মধুর সম্পর্ক স্থাপনে আগ্রহী মলদ্বীপ (India-Maldives)। দুই দেশের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা বাড়াতে শীঘ্রই ভারতে আসছেন মলদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মহম্মদ মুইজ্জু (President Muizzu)। মুইজ্জুর প্রস্তাবিত নয়াদিল্লি সফরের আগে মোদি (PM Modi) বিরোধী বলে পরিচিত মলদ্বীপের দুই মন্ত্রীও পদত্যাগ করেছেন। শোনা যাচ্ছে, মুইজ্জুর নির্দেশেই নাকি তাঁরা পদত্যাগ করেছেন। চিন-পন্থী মুইজ্জুর নির্বাচনে জয়লাভের ঠিক পরেই মলদ্বীপে মোতায়েন ভারতীয় প্রতিরক্ষা কর্মীদের সরানোর দাবি নিয়ে মলদ্বীপ ও ভারতের মধ্যে সম্পর্কের টানাপোড়েন শুরু হয়েছিল। মে মাসে মলদ্বীপ থেকে সব প্রতিরক্ষা কর্মীদের সরিয়ে নেয় ভারত। এর পর কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে ধীরে ধীরে দুদেশের সম্পর্কের উন্নতি হচ্ছে।

    দিল্লি সফরে আগ্রহী 

    গত বছর নভেম্বরে ভারত মহাসাগরের এই দ্বীপ রাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নিয়েই দিল্লি বিরোধী সুর চড়িয়েছিলেন মহম্মদ মুইজ্জু (President Muizzu)। এমনকী, তাঁর দুই মন্ত্রী প্রকাশ্যেই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) সম্পর্কে আপত্তিজনক মন্তব্যও করেছিলেন। সেই মুইজ্জুর অফিস থেকে সম্প্রতি জানানো হয়েছে, প্রেসিডেন্ট যত দ্রুত সম্ভব দিল্লি সফরে যেতে চান। মুইজ্জু এর আগে গত জুনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন। তবে সেটা রাষ্ট্রীয় সফর ছিল না। শপথ অনুষ্ঠান শেষেই দেশে (India-Maldives) ফিরে যান তিনি। তখনই ফের আসার আমন্ত্রণপত্র তুলে দেওয়া হয়েছিল তাঁর হাতে। সেই মতো চলতি মাসেই নয়াদিল্লি সফরে আসতে চলেছেন মলদ্বীপের প্রেসিডেন্ট। ভারত তাঁর ইচ্ছাকে স্বাগত জানিয়ছে।

    আরও পড়ুন: উপকৃত ৬ কোটি প্রবীণ নাগরিক, আয়ুষ্মান ভারত বিমার আওতায় সব সত্তরোর্ধ্ব

    দেশে প্রবল চাপে মুইজ্জু

    শুধু ভারতে আসার বাসনা ব্যক্ত করাই নয় মুইজ্জু (President Muizzu) তাঁর দুই মন্ত্রীকে শেষ পর্যন্ত মন্ত্রিসভা থেকে বরখাস্ত করেছেন। যদিও সরকারিভাবে বলা হচ্ছে তাঁরা পদত্যাগ করেছেন। এ বছর জানুয়ারিতে দুই মন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (PM Modi) ব্যক্তিগত আক্রমণ করে বসেন। মুইজ্জু তখনকার মতো দুই মন্ত্রীর দফতর কেড়ে নিয়েছিলেন। তবে মন্ত্রী পদ ছিল। মঙ্গলবার মলদ্বীপের প্রেসিডেন্ট প্যালেস থেকে মুইজ্জুর ভারত (India-Maldives) সফরে আসার সিদ্ধান্ত ঘোষণার সঙ্গেই জানানো হয় ওই দুই মন্ত্রী পদত্যাগ করেছেন। সূত্রের খবর, ভারত বিরোধিতা নিয়ে দেশে প্রবল চাপে আছেন মুইজ্জু। কারণ, মোদির সম্পর্কে ২ জুনিয়র মন্ত্রীর আপত্তিকর মন্তব্যের পরই ভারতজুড়ে বয়কট মলদ্বীপ-এর ডাক দেওয়া হয়। এর ফলে, বিপুল ক্ষতি হয় পর্যটন-নির্ভর মলদ্বীপের। কারণ, সেদেশে ভ্রমণে যাওয়া পর্যটকদের সিংহভাগই ভারত থেকে যান।

    অর্থাভাবে সরকারি বন্ড বিক্রি

    পরিস্থিতি এমন পর্যায় গিয়ে দাঁড়ায় যে, অর্থাভাবে সরকারি বন্ড পর্যন্ত বিক্রি করতে হয় মুইজ্জু প্রশাসনকে। এর পরই, সব বিরোধী দলই শ্রীলঙ্কার দৃষ্টান্ত দিয়ে মুইজ্জুর ভারত বিরোধিতা এবং চিন (China) প্রীতি নিয়ে প্রবল প্রতিবাদ করে। বাধ্য হয়ে, ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক (India-Maldives) ঠিক করতে উদ্যোগী হয় মুইজ্জু প্রশাসন। কয়েকমাস আগেই, ভারত সফরে এসে সেই ক্ষতে প্রলেপ লাগানোর চেষ্টা করেন মলদ্বীপের পর্যটনমন্ত্রী। এর মধ্যে, ভারতের সঙ্গে নতুন করে প্রতিরক্ষা সহযোগিতার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করে মুইজ্জু প্রশাসন।

    এবার ভারতে আসছেন খোদ মুইজ্জু (President Muizzu)। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share