Category: বিদেশ

Get updates on World News Headlines International News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Indonesia: অগ্নুৎপাত থেকে তাঁদের রক্ষা করেন, প্রাচীন গণেশ মূর্তিতে বিশ্বাস এই দেশের ভক্তদের

    Indonesia: অগ্নুৎপাত থেকে তাঁদের রক্ষা করেন, প্রাচীন গণেশ মূর্তিতে বিশ্বাস এই দেশের ভক্তদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইন্দোনেশিয়ার (Indonesia) ব্রোমো পাহাড়ের ওপরে রয়েছে ৭০০ বছরেরও প্রাচীন একটি গণেশ মূর্তি (Ancient Ganesh Murti)। প্রসঙ্গত, ব্রোমো পাহাড় হল ইন্দোনেশিয়ার একটি সক্রিয় আগ্নেয়গিরি। ইন্দোনেশিয়া এমন একটি দেশ যেখানে উল্লেখযোগ্য ভাবে হিন্দু জনগোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে। সেদেশে হিন্দু উৎসবগুলিও অত্যন্ত ভক্তি সহকারে পালন হতে দেখা যায়। ইন্দোনেশিয়াতে একাধিক গণেশ মন্দিরও দেখা যায়। যেখানে ভক্তরা গণপতি বাপ্পার উদ্দেশে পুজো করেন। তবে ব্রোমো পাহাড়ের (Indonesia) গণেশ মূর্তি (Ancient Ganesh Murti) একেবারেই ব্যতিক্রম। ঠিক আগ্নেয়গিরির পাশেই অবস্থিত এই গণেশ মূর্তি ভক্তদের অগ্নুৎপাতের বিপদ থেকে রক্ষা করেন বলে বিশ্বাস। মাউন্ট ব্রোমোর এই গণেশ মূর্তির অসামান্য শক্তি রয়েছে বলেও ভক্তদের বিশ্বাস।

    টেঞ্জার ম্যাসিফ রাজার বংশধররা অধিষ্ঠিত করেন এই মূর্তি (Indonesia)

    বিশ্বাস করা হয়, এই গণেশ মূর্তিকে আগ্নেয়গিরির ঠিক পাশেই অধিষ্ঠিত করেছিলেন (Ancient Ganesh Murti) টেঞ্জার ম্যাসিফ রাজার বংশধররা, আজ থেকে প্রায় ৭০০ বছর আগে। এরপর থেকেই স্থানীয় বাসিন্দারা মূর্তির পুজো (Indonesia) করতে থাকেন কারণ তাদের বিশ্বাস আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাত থেকে স্বয়ং ভগবান গণেশ তাঁদেরকে রক্ষা করেন। ফুল-ফল সহযোগে ভক্তরা এই পুজো করেন বলে জানা যায়। প্রসঙ্গত, ইন্দোনেশিয়া বর্তমানে মুসলিম প্রধান দেশ হলেও পূর্বে এই ভূমিতে বেশ জনপ্রিয় হিন্দু ধর্ম বা সনাতন ধর্ম। যা ইন্দোনেশিয়া ভ্রমণে গিয়ে দেশটির রাস্তাঘাটে ঘুরলেই অনুমান করা যায়।  এগুলো আদতে ইন্দোনেশিয়ার প্রাচীন ইতিহাসেরই সাক্ষীস্বরূপ, এমনটাই বলছেন বিশেষজ্ঞরা।

    এখনও ১৩০টি জীবন্ত আগ্নেয়গিরি রয়েছে (Anicient Ganesh Murti)

    প্রসঙ্গত ইন্দোনেশিয়া (Indonesia) হল এমন একটি দেশ যেখানে ১৪১টি আগ্নেয়গিরি রয়েছে। যার মধ্যে ১৩০টি এখনও জীবন্ত আগ্নেয়গিরি। এর মধ্যে অন্যতম মাউন্ট ব্রোমো। এখানে এখনও মাঝেমধ্যেই অগ্নুৎপাতের ঘটনা দেখা যায়। প্রসঙ্গত, ব্রোমো শব্দের জাপানি উচ্চারণ হয়, ব্রহ্মা। মাউন্ট ব্রোমো সিমারু জাতীয় উদ্যানে অবস্থিত। ৮০০ বর্গ কিলোমিটারের এই জাতীয় উদ্যানে ইন্দোনেশিয়ার অন্য়তম বৃহৎ উদ্যান বলেই জানা যায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: ভারতে বড় লগ্নি, মোদির সঙ্গে বৈঠক শেষে ইঙ্গিত সিঙ্গাপুরের শিল্পপতিদের

    PM Modi: ভারতে বড় লগ্নি, মোদির সঙ্গে বৈঠক শেষে ইঙ্গিত সিঙ্গাপুরের শিল্পপতিদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত-সিঙ্গাপুর বাণিজ্য নিয়ে উদ্যোগী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দুই দেশের মধ্যে মৈত্রী আরও জোরদার করা নিয়েও আশাবাদী তিনি। দু’দিনের সফরে গিয়ে সিঙ্গাপুরের প্রধানমন্ত্রী, সেদেশের শিল্পপতি এবং তাবড় নেতাদের সঙ্গে কথা বলেন মোদি। মোদির সঙ্গে সিঙ্গাপুরের প্রধানমন্ত্রী লরেন্স ওং-এর বৈঠকে ছিলেন মন্ত্রী লি সিয়েন লুং, গোহ চোক টং এবং দেশের শিল্প-বাণিজ্য কর্তারাও। ছিলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর এবং জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালও।

    ভারতে বিপুল বিনিয়োগের আশ্বাস

    সিঙ্গাপুরের একাধিক শিল্পপতি এবং সংস্থার সিইও-দের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক হয় প্রধানমন্ত্রী মোদির।  যেখানে অর্থনৈতিক বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। দীর্ঘ এই বৈঠক শিল্পপতিদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী জানান, ভারতে বেশ কিছু সংস্কার হচ্ছে, যা বিনিয়োগে উৎসাহ দেবে। জানা গিয়েছে, বৈঠকে আগামীদিনে ভারতে বিপুল বিনিয়োগের আশ্বাস দেন সিঙ্গাপুরের শিল্পপতিরা। এদিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ব্ল্যাকস্টোন সিঙ্গাপুর, টেমাসেক হোল্ডিংস, সেম্বকর্প ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, ক্যাপিটাল্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট, এসটি টেলিমিডিয়া গ্লোবাল ডেটা সেন্টার এবং সিঙ্গাপুর এয়ারওয়েজের সিইও।

    বৈঠক নিয়ে উচ্ছ্বসিত মোদি

    বৈঠকের পর প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, ‘‘ভারত এবং সিঙ্গাপুর দুই দেশই অদূর ভবিষ্যতে আঞ্চলিক শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং সমৃদ্ধির জন্য একসঙ্গে কাজ করে যাবে। সিঙ্গাপুর প্রতিটি উন্নয়নশীল দেশের কাছে অনুপ্রেরণা। আমরা ভারতে অনেক ‘সিঙ্গাপুর’ তৈরি করতে চাই।’’ বৃহস্পতিবার সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদনে অংশীদারিত্বের পাশাপাশি আলোচনা হয়েছে ডিজিটাল অর্থনীতি নিয়েও। সিঙ্গাপুরের রাষ্ট্রপ্রধান এবং শিল্প-বাণিজ্য কর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের পর সেমিকন্ডাক্টর, ডিজিটাল প্রযুক্তি, স্বাস্থ্য এবং শিক্ষা ও দক্ষতা বৃদ্ধি বিষয়ক চারটি মউ তথা সমঝোতা (এমওইউ) চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। সেগুলি হল— ডিজিটাল প্রযুক্তির ক্ষেত্রে সহযোগিতা, ভারত, সিঙ্গাপুর সেমিকন্ডাক্টর ইকোসিস্টেম পার্টনারশিপ, স্বাস্থ্য ও ওষুধের ক্ষেত্রে সহযোগিতা এবং শিক্ষাগত সহযোগিতা এবং দক্ষতা উন্নয়ন।

    প্রসঙ্গত, গত ১০ বছরে দু’দেশের বিনিয়োগ প্রায় তিন গুণ বেড়েছে। চালু হয়েছে ডিজিটাল মাধ্যমে দ্রুত অর্থিক লেনদেন ব্যবস্থা। সেমিকন্ডাক্টর সেক্টর দুই দেশকে এক সুতোয় বাঁধতে পারে বলে মনে করেন মোদি।

    লি সিয়েন লুংয়ের দেওয়া মধ্যাহ্নভোজে মোদি

    সিঙ্গাপুরে প্রবীণ মন্ত্রী লি সিয়েন লুংয়ের দেওয়া মধ্যাহ্নভোজে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ভারত-সিঙ্গাপুর কূটনৈতিক অংশীদারিত্বের উন্নয়নে তাঁর অবদানের প্রশংসাও করেছেন প্রধানমন্ত্রী ৷ লি সিয়েন লুং, মোদির সম্মানে মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করেছিলেন৷ সেই ভোজে অংশ নেওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী মোদি তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, “আমার বন্ধু এবং সিঙ্গাপুরের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী লি সিয়েন লুং-এর সঙ্গে দেখা করা সবসময়ই আনন্দের। তিনি সবসময় ভারত-সিঙ্গাপুরের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের একজন শক্তিশালী অংশ হিসাবে কাজ করেছেন ৷ বিভিন্ন বিষয়ে তাঁর অন্তর্দৃষ্টিও খুব সমৃদ্ধ। আমাদের দেশগুলি কীভাবে সবুজ শক্তি, ফিনটেক, ইত্যাদিতে একসঙ্গে কাজ করতে পারে সে সম্পর্কে আমরা একটি সুন্দর আলোচনা করেছি ৷”

    মোদির সফরের লক্ষ্য

    মোদির দু’দিনের সফরের সঙ্গে ভারত ও সিঙ্গাপুর তাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের কূটনৈতিক অংশীদারিত্বে বেশ কিছুটা উন্নীত করেছে বলেই মনে করছে বিদেশ মন্ত্রক। প্রধানমন্ত্রীর এই সফরের লক্ষ্য দ্বিপাক্ষিক বন্ধুত্ব, কৌশলগত অংশীদারিত্বকে আরও গভীর করা এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ থেকে বিনিয়োগ আকর্ষণ করা। বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রনধীর জয়সওয়াল জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার নরেন্দ্র মোদী ও লরেন্স উয়ং একটি বৈঠক করেছেন। বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুই দেশের পার্টনারশিপের বিষয়টি আলোচনা হয়েছে। ডিজিটাইজেশন, স্বাস্থ্য, ওষুধ সহ বিভিন্ন বিষয় উঠে আসে সেই বৈঠকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: ধর্মের অবমাননা, প্রতিবাদ জানাতেই খুলনায় পিটিয়ে খুন হিন্দু কিশোরকে!

    Bangladesh Crisis: ধর্মের অবমাননা, প্রতিবাদ জানাতেই খুলনায় পিটিয়ে খুন হিন্দু কিশোরকে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দুদের ওপর হামলার ঘটনা অব্যাহত বাংলাদেশে (Bangladesh Crisis)। দেশের কয়েকটি জায়গায় পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলেও বহু জেলাতেই নির্দিষ্ট ভাবে সংখ্যালঘুদের ওপরেই হামলা চলছে। খুন করা হচ্ছে সাধারণ সংখ্যালঘুদের। সম্প্রতি খুলনায় এক হিন্দু কিশোককে পিটিয়ে খুন করা হয়েছে। ওই কিশোরের নাম উৎসব মণ্ডল। অভিযোগ, কিছু উন্মত্ত মুসলিম জনতা পুলিশ এবং সেনার সামনেই ওই কিশোরকে (Hindu Boy Killed in Khulna) পিটিয়ে খুন করেছে। 

    কী ঘটেছিল?

    বাংলাদেশে (Bangladesh Crisis) হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকেই হিন্দুদের উপর অত্যাচার ক্রমশ বেড়ে চলেছে। শতাধিক হিন্দু বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ, লুটপাট ও ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। রামদা ও দেশি বন্দুক নিয়ে হিন্দুদের বাড়িতে ঢুকে সোনা এবং নগদ টাকা লুট করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রাণে বেঁচে থাকতে ‘চাঁদা’ও দিতে হচ্ছে। এবার ৪ সেপ্টেম্বর সোনাডাঙ্গা আবাসিক এলাকায় ১৮ বছরের এক হিন্দু (Hindu Boy Killed in Khulna) ছেলেকে পিটিয়ে খুন করার অভিযোগ উঠেছে। ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, আহত বা মৃত একজন মাটিতে উপুড় হয়ে পড়ে আছে, আর সামরিক বাহিনীর সদস্যরা সেখানে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। পিছন থেকে কেউ একজন চিৎকার করে বলছে, “হিন্দু… নাস্তিক”। 

    কেন এই ঘটনা?

    ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওয় ছেলেটিকে বলতে শোনা গিয়েছে, “আমি খেলা দেখতে গিয়েছিলাম। সেখানে কিছু লোক আমার ধর্মকে অপমান করে। তা শুনে আমি ঠিক থাকতে পারিনি।” এরপর ঘটনা অন্যদিকে মোড় নেয়। জানা যায়, সন্ধ্যায় বেশ কয়েকজন ছাত্র ওই হিন্দু ছেলেটিকে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার (দক্ষিণ) তাজুল ইসলামের অফিসে নিয়ে যায়। কথাবার্তা চলাকালীন সোনাডাঙ্গা আবাসিক এলাকায় মুসলিম জনতা উপ-কমিশনারের অফিস ঘিরে ফেলে। উন্মত্ত জনতা হিন্দু ছেলেটির (Bangladesh Crisis) শাস্তির দাবি করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সেনাবাহিনী ও নৌবাহিনীর একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। কিন্তু পরে ওই ছেলেটিকে যখন থানায় নিয়ে যাওয়া হয়, তখন উন্মত্ত জনতা তাঁকে মারধর করে হত্যা করে। ভিডিওগুলিতে দেখা গিয়েছে, সামরিক বাহিনী এবং পুলিশের উপস্থিতিতেই এই নৃশংস ঘটনাটি ঘটেছে।

    অনুরোধেও কাজ হয়নি

    একজন ব্যক্তি পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেছিলেন, “আমি আমার সব মুসলিম ভাইয়ের পক্ষ থেকে অনুরোধ করছি, মাত্র ১০ মিনিট আমাদের দিন। আমরা তাকে জুতোর মালা পরিয়ে ‘নাস্তিক’ লিখে সারা এলাকায় ঘোরাব।” এ কথা শুনে উপস্থিত নিরাপত্তা কর্মীরা হাসছিলেন। অন্যদিকে, সেনাবাহিনীর কর্মকর্তারা জনতাকে আশ্বস্ত করেছিলেন যে হিন্দু ছেলেটিকে (Hindu Boy Killed in Khulna) সর্বোচ্চ শাস্তি দেওয়া হবে। কিন্তু উত্তেজিত জনতা এসব কথায় আমলই দেয়নি, তারা তাকে পিটিয়ে হত্যা করে।

    বাংলাদেশি পোর্টালে এখন এই খবর নেই

    বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) সংবাদমাধ্যম, যারা সেনা ও পুলিশের উপস্থিতিতে হিন্দু ছেলের নৃশংস হত্যার খবর প্রকাশ করেছিল, তারা বর্তমানে তাদের প্রতিবেদন মুছে ফেলেছে বলে অনুমান। ঢাকা পোস্ট, সকালের খবর, সমকাল সহ যেসব পোর্টালে খুলনার এই ঘটনা নিয়ে রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছিল, সেগুলোর লিঙ্ক এখন ‘Error 404: not found’ দেখাচ্ছে।

    এটা স্পষ্ট নয় কেন বাংলাদেশি সংবাদমাধ্যমগুলি ঘটনাটির প্রতিবেদন মুছে ফেলেছে। বিশেষজ্ঞ মহলের মতে, বাংলাদেশের নবনির্বাচিত ইউনুস সরকার দেশটির সংখ্যালঘু হিন্দুদের ওপর সহিংসতা ও নির্যাতনের ঘটনা অস্বীকার এবং সেগুলো ঢেকে রাখার চেষ্টা করছে, যাতে ‘ধর্মনিরপেক্ষ, উদার’ ভাবমূর্তিকে রক্ষা করা যায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: বাংলাদেশিদের নিরাপত্তা নিয়ে কথা হয়েছে মোদি-বাইডেনের, স্বীকার আমেরিকার

    Bangladesh Crisis: বাংলাদেশিদের নিরাপত্তা নিয়ে কথা হয়েছে মোদি-বাইডেনের, স্বীকার আমেরিকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের মানুষের সুরক্ষা ও নিরাপত্তা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে কথা বলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন (Joe Biden)। নয়াদিল্লির বক্তব্যকে মান্যতা দিয়ে এ কথা জানাল আমেরিকা। বুধবার আমেরিকার জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত অন্যতম উপদেষ্টা জন কিরবি সাংবাদিক বৈঠক করে জানান, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বাংলাদেশের পরিস্থিতি (Bangladesh Crisis) নিয়েও কথা বলেছিলেন বাইডেন।

    কী বললেন কিরবি (Bangladesh Crisis)

    আমেরিকার জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত অন্যতম উপদেষ্টা বলেন, “প্রেসিডেন্ট (বাইডেন) বাংলাদেশের মানুষের সুরক্ষা ও নিরাপত্তা নিয়ে নিজের ধারাবাহিক উদ্বেগের কথা জানিয়েছেন। সে দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ভবিষ্যৎ নিয়েও নিজের মনোভাব জানিয়েছেন।” ২৬ অগাস্ট মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ফোনে কথা বলার পর প্রধানমন্ত্রীর দফতর সূত্রেও জানানো হয়েছিল, বাংলাদেশ প্রসঙ্গ নিয়েও আলোচনা হয়েছে দুই রাষ্ট্রনেতার মধ্যে।

    কী লিখেছিলেন মোদি

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি স্বয়ং এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছিলেন, “বাইডেনের সঙ্গে আজ ফোনে কথা হয়েছে। ইউক্রেন পরিস্থিতি-সহ বিভিন্ন আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিষয়ে আমাদের বিশদে মত বিনিময় হয়েছে। আমরা বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা করেছি। দ্রুত স্বাভাবিক পরিস্থিতি পুনরুদ্ধারের প্রয়োজনীয়তার ওপরও গুরুত্ব দিয়েছি। জোর দিয়েছি, বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের, বিশেষ করে হিন্দুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর।”

    আরও পড়ুন: ত্রিপুরায় দুই জঙ্গিগোষ্ঠীর সঙ্গে শান্তিচুক্তি স্বাক্ষর, ‘ঐতিহাসিক পদক্ষেপ’, বললেন শাহ

    হোয়াইট হাউসের তরফেও জারি করা হয়েছিল বিবৃতি (Bangladesh Crisis)। তাতে বলা হয়েছিল, “প্রেসিডেন্ট জোসেফ আর বাইডেন আজ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে কথা বলেছেন। প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক পোল্যান্ড এবং ইউক্রেন সফরের পাশাপাশি আলোচনায় এসেছে সেপ্টেম্বরে রাষ্ট্রসঙ্ঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের প্রসঙ্গও।” এই বিবৃতিতে বাংলাদেশের প্রসঙ্গ ছিল না। তা নিয়ে চড়ে জল্পনার পারদ। সেই জল্পনায়ই জল ঢেলে দিল কিরবির বিবৃতি।

    সংরক্ষণকে কেন্দ্র করে উত্তাল হয়ে ওঠে বাংলাদেশ। অশান্তির সুযোগে শুরু হয় হিন্দু নিধন যজ্ঞ। হিন্দু পদাধিকারীদের জোর করে ইস্তফা দিতে বাধ্য করা হয়। হিন্দু নারীদের জোর করে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগও ওঠে। ধর্ষণের অভিযোগেও তপ্ত হয় বাংলাদেশ। ৫ অগাস্ট প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে দেশ ছাড়েন শেখ হাসিনা। তারপর পরিস্থিতি চরমে ওঠে। এই ঘটনায় মোদির পাশাপাশি (Bangladesh Crisis) উদ্বেগ প্রকাশ করেন বাইডেনও (Joe Biden)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: সিঙ্গাপুর সফরে প্রধানমন্ত্রী মোদি, বাজালেন ঢোল, প্রবাসীরা নাচলেন লাভানি

    PM Modi: সিঙ্গাপুর সফরে প্রধানমন্ত্রী মোদি, বাজালেন ঢোল, প্রবাসীরা নাচলেন লাভানি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঐতিহাসিক ব্রুনেই সফর সেরে বুধবার সিঙ্গাপুরে (Singapore) পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। চলতি সফরে উচ্চস্তরের বেশ কয়েকটি বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী। ভারত-সিঙ্গাপুর দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক দৃঢ় করতে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা হবে বলেও সূত্রের খবর। এদিন চাঙ্গি বিমানবন্দরে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। তাঁকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান সিঙ্গাপুরের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও আইনমন্ত্রী কে শানমুঘম। প্রবাসী ভারতীয়রা স্বাগত জানান তাঁকে। পরে এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্টে তাঁর অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন প্রধানমন্ত্রী। উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানোয় কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেন তিনি।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)

    সিঙ্গাপুরে প্রধানমন্ত্রী লরেন্স ওয়ংয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, “আমার বন্ধু, প্রধানমন্ত্রী লরেন্স ওয়ং-এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে আমি খুশি। বিভিন্ন বিষয় নিয়ে চমৎকার আলোচনা হয়েছে। সিঙ্গাপুরের সঙ্গে বন্ধুত্বকে ভারত মূল্য দেয়।” সিঙ্গাপুরের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের একটি ছবিও শেয়ার করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানিয়েছেন, সিঙ্গাপুরের প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবন ও কার্যালয় ইস্তানায় তাঁকে ডিনারে স্বাগত জানানো হয়েছে।

    প্রধানমন্ত্রীর সফরের গুরুত্ব

    ভারতের বিদেশমন্ত্রকের তরফে জারি করা এক বিবৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর এই সফরের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, ‘এই সফর ভারত ও সিঙ্গাপুরের মধ্যে সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ, বিশেষ করে ভারতের অ্যাক্ট ইস্ট নীতিকে এগিয়ে নেওয়ার, ইন্দো-প্রশান্ত মহাসগরীয় অঞ্চলে সহযোগিতা বাড়ানোর এবং অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত সম্পর্ক গভীর করার।’ সোশ্যাল মিডিয়ায় এ ব্যাপারে একটি পোস্টও করা হয়েছে বিদেশমন্ত্রকের তরফে।

    এদিকে, এদিন রাজধানী মেরিনা বে-তে প্রধানমন্ত্রীকে (PM Modi) নাচে-গানে স্বাগত জানান প্রবাসী ভারতীয়রা। মহারাষ্ট্রের লোকনৃত্য লাভানি পরিবেশন করেন তাঁরা। হঠাৎই প্রধানমন্ত্রীকে দেখা যায় ঢোলের কাঠি হাতে তুলে নিতে। তিনি বাজালেন। আর লাভানি নাচলেন প্রবাসীরা। প্রধানমন্ত্রীর এই ঢোল বাজানোর ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওটি পোস্ট করে মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবীস লেখেন, ‘যখন সিঙ্গাপুরেও (Singapore) মহারাষ্ট্রের উৎসাহ, সংস্কৃতি ও উৎসবের স্পন্দন অনুভূত হয়, তখন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিজিও তাতে যোগ না দিয়ে পারেন না। একটি তাল ভুল না করে নিখুঁতভাবে ঢোল বাজান’ (PM Modi)।

     

    আরও পড়ুন: রাতে রাজপথে জনস্রোত! ‘তিলোত্তমা’র স্মৃতিতে আলো নিভিয়ে বাতি জ্বালাল কলকাতা

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: ভারতে বড় বিনিয়োগের ঘোষণা সিঙ্গাপুরের ক্যাপিটাল্যান্ড ইনভেস্টমেন্টের

    PM Modi: ভারতে বড় বিনিয়োগের ঘোষণা সিঙ্গাপুরের ক্যাপিটাল্যান্ড ইনভেস্টমেন্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৮ সালের মধ্যে ভারতে পরিচালনাধীন তহবিল দ্বিগুণের বেশি করার পরিকল্পনা করেছে সিঙ্গাপুরের ক্যাপিটাল্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট (CLI)। ক্যাপিটাল্যান্ড ইনভেস্টমেন্টের লক্ষ্য, ২০২৮ সালের মধ্যে বিশ্বব্যাপী তাদের পরিচালনাধীন তহবিল ২০০ বিলিয়ন সিঙ্গাপুর ডলারে পৌঁছানো।

    সিঙ্গাপুরে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)

    আজ, বুধবার দু’দিনের সফরে সিঙ্গাপুরে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। মঙ্গলবার তিনি ব্রুনেই যান। বুধবার সেখান থেকে প্রধানমন্ত্রী যান সিঙ্গাপুরে। ভারত-সিঙ্গাপুরের মধ্যে বন্ধুত্ব, কৌশলগত অংশীদারিত্বকে আরও গভীর করা এবং দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার দেশ থেকে বিনিয়োগ আকর্ষণের লক্ষ্যে সিঙ্গাপুরে পৌঁছেছেন তিনি। সিঙ্গাপুরের প্রধানমন্ত্রী লরেন্স ওং এর আমন্ত্রণে সে দেশে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, “ভারতের সংস্কার ও আমাদের যুবশক্তির প্রতিভা আমাদের দেশকে একটি আদর্শ বিনিয়োগের অন্যতম গন্তব্যে পরিণত করেছে। আমরা ঘনিষ্ঠ সাংস্কৃতিক সম্পর্কের জন্য উন্মুখ।”

    বড় বিনিয়োগের ঘোষণা 

    বর্তমানে সিঙ্গাপুরে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। সেই সময়ই সে দেশের শীর্ষস্থানীয় সিঙ্গাপুর গোষ্ঠীর তরফে ঘোষণা করা হয় এই বড়সড় বিনিয়োগের কথা। জানা গিয়েছে, আগামী চার বছরের মধ্যে ভারতে প্রায় ৯০ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে সিঙ্গাপুরের ওই সংস্থা। এক্স হ্যান্ডেলে সিঙ্গাপুরের হাইকমিশনার লিখেছেন, “এশিয়ার অন্যতম বৃহত্তম বৈচিত্র্যপূর্ণ রিয়েল এস্টেট গ্রুপ ক্যাপিটাল্যান্ড ২০২৮ সালের মধ্যে ভারতে তার ব্যবস্থাপনায় বিনিয়োগ করতে চায় ১৪.৮ বিলিয়ন সিঙ্গাপুর ডলারেরও বেশি।”

    আরও পড়ুন: ‘তৃণমূল বিধায়ক দিতেন কুপ্রস্তাব’, মহিলা পুরকর্মীর বিস্ফোরক অভিযোগ

    বর্তমানে ভারতে ৩০তম বার্ষিকী উদযাপন করছে সিএলআই। এ দেশে সংস্থাটি যাত্রা শুরু করেছিল ৩০ বছর আগে অ্যাসেন্ডারের মাধ্যমে। এ দেশে তারা আইটি পার্ক, ইন্টার ন্যাশনাল টেক পার্ক গড়ে। ২০১৫ সালে অ্যাসেন্ডাস সিঙ্গব্রিজের সঙ্গে জুড়ে গিয়ে তৈরি হয় অ্যাসেন্ডাস সিঙ্গব্রিজ। ২০১৯ সালে ক্যাপিটাল্যান্ডের সঙ্গে মিশে যায় অ্যাসেন্ডাস সিঙ্গব্রিজ। ক্যাপিটাল্যান্ডের পুনর্গঠনের পর সিএলআই তালিকাভুক্ত হয় ২০২১ সালে (PM Modi)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • RG Kar Rape-Murder: আরজি কর কাণ্ডে বিচারের দাবিতে আমেরিকা-সহ ৯ দেশে মানব বন্ধনের ডাক

    RG Kar Rape-Murder: আরজি কর কাণ্ডে বিচারের দাবিতে আমেরিকা-সহ ৯ দেশে মানব বন্ধনের ডাক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর কাণ্ডে (RG Kar Rape-Murder) ন্যায় বিচারের দাবিতে (Demand Justice) উত্তাল রাজ্য। মঙ্গলবার রাজ্য বিধানসভায় বিল এনেছে মমতার সরকার। রাজ্যের সঙ্গে সাড়া দেশজুড়ে চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী, শিক্ষক, অধ্যাপক, সাধারণ পড়ুয়া সহ একাধিক ক্ষেত্রের সামজিক মানুষেরা পথে নেমে আন্দোলন করছেন। এবার দেশের বাইরে বিদেশের মাটিও গর্জে উঠবে আরজি কর ধর্ষণ-খুনের প্রতিবাদে-আন্দোলনে। আগামী ৮ সেপ্টেম্বর আমেরিকা, ব্রিটেন-সহ ৯ দেশে মানববন্ধন কর্মসূচির কথা ঘোষণা করা হয়েছে।

    কোথায় কোথায় হবে বিক্ষোভ (RG Kar Rape-Murder)?

    জানা গিয়েছে, আমেরিকার ৩৪টি জায়গায় তরুণী ডাক্তার খুনের (RG Kar Rape-Murder) প্রতিবাদে মানুষ জমায়েত করবেন। এই জায়গাগুলির মধ্যে রয়েছে, বোস্টন, শিকাগো, নিউ ইয়র্ক সিটি, আটলান্টা। অপর দিকে ব্রিটেনের ১৪টি জায়গায় জামায়েত হবেন সাধারণ মানুষ। এই স্থানগুলির মধ্যে হল, লিভারপুল, ম্যাঞ্চেস্টার, লন্ডন। এই দুই দেশ ছাড়াও আয়ারল্যান্ড, কানাডা, জার্মানি, সুইৎজারল্যান্ড, জাপান, অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ডের রাজপথে মানুষ নামবেন। প্রত্যেক জায়গায় প্রতিবাদ কর্মসূচি হবে মানব বন্ধনের মাধ্যমে। স্থানীয় সময় হবে বিকেল ৫টায়। রাজ্যে চিকিৎসক তরুণীকে ধর্ষণ করে খুনের প্রতিবাদে (Demand Justice) প্রতিদিন কলকাতার রাজপথে চলছে বিক্ষোভ, আন্দোলন, ধর্না, অবস্থান-বিক্ষোভের মতো ঘটনা। পুলিশ এবং তৃণমূলের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করছেন সাধারণ মানুষ। মঙ্গলবার উল্টোডাঙা থেকে ইএম বাইপাসের বিভিন্ন স্থানে স্বাস্থ্যকর্মীদের মানববন্ধন করতে দেখা গিয়েছে। সকলেই বলছেন বিচার চাই।

    আরও পড়ুনঃ ‘‘ভাইরাস বিরূপাক্ষকে ঢুকতে দেব না’’, ডায়মন্ড হারবারে বিক্ষোভ জুনিয়র চিকিৎসকদের

    ৫ সেপ্টেম্বর শুনানি সুপ্রিম কোর্ট

    গত ৯ অগাস্ট আরজি কর হাসপাতালে (RG Kar Rape-Murder) উদ্ধার হয়েছিল চিকিৎসক তরুণীর দেহ। প্রথম থেকেই মামলায় তদন্তের বিষয়ে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। হাইকোর্টের রায়ে পুলিশের কাছ থেকে তদন্ত গিয়েছে সিবিআই-এর হাতে। এদিকে লালবাজার অভিযানের পর, বুধবার জুনিয়র ডাক্তাররা রাত ৯টা থেকে ১০টা পর্যন্ত ঘরে আলো বন্ধ করে প্রদীপ জ্বালানোর কথা বলে, প্রতীকী প্রতিবাদের ডাক দিয়েছেন। পাশাপাশি সুপ্রিম কোর্টের নজরেও রয়েছে মামলার তদন্তের বিষয়। আগামী ৫ সেপ্টেম্বর রয়েছে মামলার পরবর্তী শুনানি। সেই দিকে নজর রয়েছে গোটা দেশের মানুষের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi In Brunei: ব্রুনেই সফরে মোদি, বিশ্বের বৃহত্তম প্রাসাদে বৈঠক করলেন সুলতানের সঙ্গে

    PM Modi In Brunei: ব্রুনেই সফরে মোদি, বিশ্বের বৃহত্তম প্রাসাদে বৈঠক করলেন সুলতানের সঙ্গে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঐতিহাসিক ব্রুনেই সফর সম্পন্ন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi In Brunei)। সরকারি আমন্ত্রণে ব্রুনেই গিয়েছিলেন তিনি। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এই দেশে এই প্রথম পা রাখলেন কোনও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী। এই সফরটি দ্বি-দেশীয় সফরের অংশ। এখান থেকে তিনি গেলেন সিঙ্গাপুরে। বুধবার ব্রুনেইয়ের সুলতানের (Sultan Of Brunei) সঙ্গে বৈঠকও করলেন প্রধানমন্ত্রী।

    ব্রুনেই সফরে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi In Brunei)

    প্রধানমন্ত্রীর এবারকার সফর তিনদিনের। মঙ্গলবারই ব্রুনেই (Sultan Of Brunei) পৌঁছেছেন মোদি। ব্রুনেইয়ের সঙ্গে ভারতের কূটনৈতিক সম্পর্ক চার দশকের পুরনো। তা সত্ত্বেও এই প্রথম কোনও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী পা রাখলেন সুলতানের দেশে। মলদ্বীপ, শ্রীলঙ্কার মতো ব্রুনেইও দ্বীপরাষ্ট্র। তেলসমৃদ্ধ দেশ। ২০১২ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত আসিয়ান-ভারত সম্পর্কের সমন্বয়ক রাষ্ট্র হিসেবে কাজ করছে ব্রুনেই। এ দেশে ভারতীয় রয়েছেন ১৪ হাজারের কাছাকাছি। মঙ্গলবার ব্রুনেই সফরে গিয়ে সে দেশের বিখ্যাত মসজিদ পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi In Brunei)। ব্রুনেইয়ের বন্দর সেরি বেগাওয়ানের ওমর আলি সইফুদ্দিন মসজিদে গিয়েছিলেন তিনি। সেখানে তাঁকে স্বাগত জানান ব্রুনেইয়ের ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রী পেহিন দাতো উস্তাজ হাজি আওয়াং বদরউদ্দিন এবং স্বাস্থ্যমন্ত্রী দাতো হাজি মহম্মদ ইশাম। মসজিদ দর্শনের পর প্রদীপ জ্বালিয়ে ভারতীয় দূতাবাসের নয়া ভবনের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। সেই সময় তাঁর পাশে ছিলেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল ও বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর।

    মোদির মসজিদ দর্শন

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির এই মসজিদ দর্শন এই প্রথম নয়। ২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রীর কুর্সিতে বসেন মোদি (PM Modi In Brunei)। তার ঠিক এক বছর পরেই মসজিদ পরিদর্শন করেন তিনি। ২০১৫ সালে সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে গিয়ে আবু ধাবির শেখ জায়েদ মসজিদে যান তিনি। প্রধানমন্ত্রী এদিন যে মসজিদ পরিদর্শন করেন, সেটি ব্রুনেইয়ের (Sultan Of Brunei) ২৮তম সুলতানের নামাঙ্কিত মসজিদ। বর্তমান সুলতানের বাবা ওমর আলিকেই আধুনিক ব্রুনেইয়ের নির্মাতা মনে করা হয়। এদিন সেই মসজিদই পরিদর্শন করেন মোদি। মোদিকে স্বাগত জানান প্রবাসী ভারতীয়রাও। ব্রুনেই ইসলামিক রাষ্ট্র। সুলতান হাজি হাসানাল বলকিহার আমন্ত্রণে ব্রুনেই সফরে যান প্রধানমন্ত্রী (PM Modi In Brunei)। সুলতানের সঙ্গে ভোজও সারেন তিনি। ব্রুনেই রওনা হওয়ার আগে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমাদের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্কের ৪০ বছর পালিত হচ্ছে। হাজি হাসানাল বলকিহা ও রাজ পরিবারের অন্য সদস্যদের সঙ্গে বৈঠকের দিকে তাকিয়ে রয়েছি আমি। আমাদের ঐতিহাসিক সম্পর্ক নয়া উচ্চতায় পৌঁছবে।”

    আরও পড়ুন: ‘বন্ধ রেখে ঘরের আলো, রাজ্যজুড়ে প্রদীপ জ্বালো’, জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলন সমর্থন বিজেপির

    প্রধানমন্ত্রীর সফর তাৎপর্যপূর্ণ

    আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, কূটনৈতিক দিক থেকে প্রধানমন্ত্রীর এই ব্রুনেই সফর অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। ভারতের ‘অ্যাক্ট ইস্ট নীতি’ ও ‘ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় ভিশনে’র গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার ব্রুনেই। ভারতীয় বিদেশমন্ত্রকের দাবি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির এই সফর ব্রুনেই, সিঙ্গাপুর-সহ বৃহত্তর আসিয়ান অঞ্চলের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক আরও পোক্ত করবে। প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং বলেছিলেন, “আমার এই সফরে এই দুই দেশ ও বৃহত্তর আসিয়ান অঞ্চলের সঙ্গে ভারতের অংশীদারিত্ব আরও মজবুত হবে।” জানা গিয়েছে, আজ, বুধবার ব্রুনেইয়ের সুলতানের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নতির নানা দিক নিয়ে আলোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi In Brunei)। সূত্রের খবর, কূটনৈতিক নানা বিষয় নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি আলোচনা হয়েছে প্রতিরক্ষা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, শক্তি, মহাকাশ প্রযুক্তি সহায়তা-সহ নানা বিষয়ে। বৈঠক শেষে এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, মহামান্য সুলতান হাজি হাসানাল বোলকিয়াহের (Sultan Of Brunei) সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পেরে আনন্দিত হয়েছি। আমাদের আলোচনা ছিল ব্যাপক। এতে আমাদের দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় করার উপায় অন্তর্ভুক্ত ছিল। আমরা বাণিজ্য সম্পর্ক, বাণিজ্যিক সংযোগ এবং জনগণের মধ্যে বিনিময় আরও সম্প্রসারণ করতে যাচ্ছি।

     

    বৃহত্তম প্রাসাদ

    ব্রুনেই দেশটা খুবই ছোট। আয়তনে সিকিম বা ত্রিপুরার চেয়েও ছোট। এ দেশের সুলতানের (Sultan Of Brunei) রাজপ্রাসাদটি বিশ্বের বৃহত্তম প্রাসাদ। ২০ লাখ বর্গফুট জায়গাজুড়ে রয়েছে প্রাসাদ। কক্ষ রয়েছে ১ হাজার ৭৮৮টি। বাথরুম রয়েছে ২৫৭টি। সিঁড়ি রয়েছে ৪৪টি। ৩৮টি ভিন্ন ধরনের মার্বেল দিয়ে তৈরি এই সিঁড়িগুলি। প্রাসাদটির অন্যতম আকর্ষণ ২২ ক্যারেট স্বর্ণখচিত গম্বুজ। বিশ্বের বৃহত্তম প্রাসাস হওয়ায় গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে জায়গা করে নিয়েছে এই প্রাসাদ। এখানেই প্রাসাদেই সুলতানের সঙ্গে বৈঠক করবেন মোদি (PM Modi In Brunei)। সুলতানের মোট সম্পদের পরিমাণ ৩০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এক সময় তিনিই ছিলেন বিশ্বের সব চেয়ে ধনী ব্যক্তি। বিশ্বের দ্বিতীয় দীর্ঘতম সময় ধরে শাসন করছেন তিনি। তাঁর আগে রয়েছেন কেবল ইংল্যান্ডের প্রয়াত রানি এলিজাবেথ।

    সুলতানের (Sultan Of Brunei) দেশে এই প্রথম পা রাখলেও, তাঁর সঙ্গে মোদির সাক্ষাৎ হয়েছে আগেও। ২০১৪ সালে ব্রুনেইয়ের সুলতানের সঙ্গে মোদির প্রথম দেখা হয়েছিল। ওই বছরের নভেম্বরে নেপি তাওয়ে ২৫তম আসিয়ান সম্মেলনের ফাঁকে পার্শ্ব বৈঠকে বসেন তাঁরা। ২০১৭ সালে ম্যানিলায় পূর্ব এশিয়া সম্মেলনের সময়ও সাক্ষাৎ করেন তাঁরা। ব্রুনেই এবং ভারতের মধ্যে ঐতিহাসিক, সাংস্কৃতিক ও ঐতিহ্যগত সংযোগ রয়েছে হাজার বছরেরও বেশি সময় ধরে। দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও বোঝাপড়া রয়েছে।

    ব্যাপক সাড়া

    প্রধানমন্ত্রী ব্রুনেই যাওয়ায় (PM Modi In Brunei) সাড়া পড়ে গিয়েছিল সে দেশের প্রবাসী ভারতীয়দের মধ্যে। প্রধানমন্ত্রী যে হোটেলে রয়েছেন, তাঁকে এক ঝলক দেখতে সেখানেও ভিড় জমিয়েছিলেন বহু অনাবাসী ভারতীয়। অনেকে আবার ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে দেখতে কোলে করে নিয়ে এসেছিলেন তাঁদের ছেলেমেয়েদের। কেউ কেউ আবার প্রধানমন্ত্রীর ছবি এঁকে নিয়ে এসেছিলেন (Sultan Of Brunei)। ছবিগুলিতে স্বাক্ষর করেন প্রধানমন্ত্রী। অনেককে দেখা যায় ঢাকঢোল বাজাতে। ‘মোদি’, ‘মোদি’ (PM Modi In Brunei) স্লোগানে মুখরিত হয় ব্রুনেইয়ের সমুদ্র সৈকত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India At UN: রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদে স্থায়ী সদস্যপদ পাওয়া উচিত ভারতের, বললেন প্রাক্তন প্রধান

    India At UN: রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদে স্থায়ী সদস্যপদ পাওয়া উচিত ভারতের, বললেন প্রাক্তন প্রধান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বিশ্বের তৃতীয় সর্বশক্তিশালী দেশ হিসেবে ভারতের উচিত রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য পদ পাওয়া (India At UN)। কথাগুলি ভারতের কোনও কর্তা ব্যক্তি বলেননি। বলেছেন নিরাপত্তা পরিষদের প্রাক্তন প্রধান (Ex UNSC Chief) তথা সিঙ্গাপুরের প্রাক্তন কূটনীতিবিদ কিশোর মাহবুবানি। তিনি সিঙ্গাপুরের প্রাক্তন কূটনীতিকও। তিনি বলেন, “রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদের যে পাঁচ স্থায়ী সদস্য রয়েছে তার একটি ব্রিটেন। তাদের উচিত ভারতের জন্য সরে দাঁড়ানো।”

    কী বললেন মাহবুবানি? (Ex UNSC Chief)

    সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে মাহবুবানি বলেন, “মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চিনের পর ভারত আজ নিঃসন্দেহে তৃতীয় সর্ববৃহৎ শক্তিশালী দেশ (India At UN)। গ্রেট ব্রিটেন আর গ্রেট নয়।” তিনি বলেন, “ব্রিটেনের উচিত তার আসনটি ভারতকে ছেড়ে দেওয়া।” ২০০১ সালের জানুয়ারি মাস থেকে ২০০২ সালের মে মাস পর্যন্ত নিরাপত্তা পরিষদের প্রধান ছিলেন মাহবুবানি। তিনি জানান, প্রতিক্রিয়ার ভয়ে ব্রিটেন দশকের পর দশক ধরে তার ভেটো ক্ষমতা প্রয়োগ করেনি। এর পরেই তিনি বলেন, “ব্রিটেনের উচিত তার আসনটি ভারতকে ছেড়ে দেওয়া।”

    নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য দেশ

    প্রসঙ্গত, বর্তমানে বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের তালিকায় ভারত রয়েছে (Ex UNSC Chief) পাঁচ নম্বরে। দীর্ঘদিন এই জায়গাটা ছিল ব্রিটেনের দখলে। ব্রিটেনকে হঠিয়ে পাঁচে উঠে এসেছে ভারত (India At UN)। ব্রিটেন নেমে গিয়েছে এক ধাপ। নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য দেশ পাঁচটি। এগুলি হল, আমেরিকা, ফ্রান্স, চিন, রাশিয়া এবং ব্রিটেন। ভারত সাধারণ সভার সদস্য হয়েছে ৮ বার। যেহেতু ক্রমেই বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির তালিকায় ওপরের দিকে উঠছে ভারত, তাই নিরাপত্তা পরিষদে ভারতের স্থায়ী পদ পাওয়ার দাবি জোরালো হয়েছে।

    আরও পড়ুন: ‘‘শুধু বিচার চাই’’, আরজি করকাণ্ডে প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতিকে চিঠি নির্যাতিতার মায়ের

    ভারত (India At UN) নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য হোক, চায় আমেরিকাও। রাশিয়াও চায়। তবে চিনের ভেটো প্রয়োগের জেরে এখনও অবধি নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য হতে পারেনি ভারত। পরিষদের স্থায়ী সদস্য দেশের সংখ্যা না বাড়লে ভারতের ঢোকার জায়গাও নেই। সেই কারণেই ব্রিটেনকে সরে দাঁড়াতে বলেছেন নিরাপত্তা পরিষদের প্রাক্তন প্রধান। ভারত জি৪-এর সদস্য। এর আরও তিন সদস্য রাষ্ট্র হল ব্রাজিল, জার্মানি এবং জাপান। এরা প্রত্যেকেই একে অন্যের স্থায়ী সদস্যপদের জন্য সমর্থন করে (Ex UNSC Chief)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর অত্যাচার অব্যাহত, পদত্যাগে বাধ্য ৪৯ জন শিক্ষক!

    Bangladesh Crisis: বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর অত্যাচার অব্যাহত, পদত্যাগে বাধ্য ৪৯ জন শিক্ষক!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশি হিন্দুদের ওপর অত্যাচার (Bangladesh Crisis) অব্যাহত বিএনপি এবং জামায়াতে ইসলামির সঙ্গে যুক্ত বিক্ষোভকারী ছাত্র ও উগ্রপন্থীদের। গত ৫ অগাস্ট প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে বাংলাদেশ ছাড়েন শেখ হাসিনা। বস্তুত, তার পর থেকেই সে দেশে হিন্দুদের (Minority Teachers) ওপর অত্যাচার চরমে উঠেছে। হাসিনা দেশ ছাড়ার পর মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার একটা হয়েছে বটে, তবে তার পরেও বাংলাদেশে বন্ধ হয়নি হিন্দু নির্যাতন।

    হিন্দুদের ইস্তফা দিতে বাধ্য করা হচ্ছে (Bangladesh Crisis)

    উচ্চ পদে থাকা হিন্দুদের ইস্তফা দিতে বাধ্য করা হচ্ছে। হাসিনা বাংলাদেশ ছাড়ার পর থেকে এ পর্যন্ত সব মিলিয়ে ধর্মীয় সংখ্যালঘু গোষ্ঠীর ৪৯জন শিক্ষককে পদত্যাগ করতে বাধ্য করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, উগ্রপন্থী এবং তাদের দ্বারা চালিত ছাত্ররা ধর্মীয় সংখ্যালঘু গোষ্ঠীর শিক্ষকদের নানা অছিলায় ঘেরাও করে অফিসে আটকে রাখছে। অপমান করার পাশাপাশি তাঁদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারও করা হচ্ছে। দেওয়া হচ্ছে হুমকিও। এর পর ওই শিক্ষকদের সাদা কাগজ সই করাতে বাধ্য করছে তারা। কাগজের সাদা অংশে লিখে দেওয়া হচ্ছে ইস্তফাপত্র।

    বাংলাদেশ ছাত্র ঐক্য পরিষদের দাবি

    বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের ছাত্র শাখা বাংলাদেশ ছাত্র ঐক্য পরিষদ জাতীয় প্রেস ক্লাবে ৩১ অগাস্ট সাংবাদিক সম্মেলন করে এই তথ্য প্রকাশ্যে এনেছে। সংগঠনের দাবি, হাসিনা সরকারের পতনের পর ৫ অগাস্টের ছাত্রনেতৃত্বাধীন গণঅভ্যুত্থানের মধ্যে সারা দেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অন্তত ৪৯ জন শিক্ষককে পদত্যাগে বাধ্য করা হয়েছে। সংগঠনের সমন্বয়কারীদের একজন সাজিব সরকার। তিনি বলেন, “হাসিনা সরকারের পতনের পর ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘুরা শিকার হয়েছেন হামলা, লুটপাট, নারীদের ওপর আক্রমণ, মন্দির ভাঙচুর, বাড়িঘর ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অগ্নিসংযোগ এবং সর্বোপরি হত্যার। দেশজুড়ে সংখ্যালঘু শিক্ষকদের শারীরিকভাবে নিগ্রহ করা হয়েছে। ৩০ অগাস্ট পর্যন্ত তাঁদের মধ্যে অন্তত ৪৯জনকে বাধ্য করা হয়েছে পদত্যাগ করতে।” তিনি জানান, প্রবল সমালোচনার মুখে পড়ে অন্তর্বর্তী সরকার (Bangladesh Crisis) পদত্যাগী শিক্ষকদের মধ্যে ১৯জনকে পুনর্বহাল করেছে।

    শুক্লা রানির কাহিনি

    পদত্যাগে বাধ্য করা হয়েছিল বাংলাদেশের যেসব শিক্ষককে, তাঁদের মধ্যে ছিলেন বাকেরগঞ্জ সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ শুক্লা রানি হালদারও। বাংলাদেশের বহুল প্রচারিত দৈনিক প্রথম আলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২৯ অগাস্ট দুপুরে ছাত্র এবং বহিরাগতরা তাঁর (Minority Teachers) অফিস ঘেরাও করে। তাঁকে কয়েক ঘণ্টা বন্দি করে রাখে। পরে উন্মত্ত জনতা তাঁকে পদত্যাগে বাধ্য করে। তাঁর অসহায় অবস্থার ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। যা নিয়ে ব্যাপক ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। তাঁর পুরানো বেশ কিছু ছাত্রছাত্রী ফেসবুকে এ নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। বলেছেন, ‘ছাত্রবান্ধব এই শিক্ষককে জঙ্গিরা যে অপমান করেছে, তা তাঁর প্রাপ্য নয়’।

    কে এই শুক্লা?

    ১৪তম বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তা শুক্লা। ২০২২ সালের মাঝামাঝি সময় বাকেরগঞ্জ সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ হন তিনি। তার আগে তিনি ছিলেন বরিশালের সরকারি ব্রজমোহন কলেজে ইংরেজির অধ্যাপক। প্রথম আলোর প্রতিবেদন থেকেই জানা গিয়েছে, ২৯ অগাস্ট সকাল ১০টা নাগাদ তাঁকে ঘিরে ধরে প্রতিবাদীরা। এদের মধ্যে পড়ুয়ার চেয়ে বেশি ছিল বহিরাগত। এদের নেতৃত্ব দিচ্ছিল বিএনপির স্থানীয় এক নেতার ছেলে। ছেলেটি ওই কলেজেরই পড়ুয়া। প্রতিবাদীদের সিংহভাগই বিএনপির কর্মী। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হিন্দু এই প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে আনা হয় আর্থিক দুর্নীতি, অনিয়মিত উপস্থিতি এবং অন্যান্য অসদাচরণের অভিযোগ। দুপুর ২টো নাগাদ তাঁকে সাদা কাগজে ‘আমি পদত্যাগ করছি’ লিখতে বাধ্য করা হয়। স্বাক্ষর করতেও বাধ্য করা হয়।

    কী বলছেন তসলিমা?

    ঘটনায় ইউনূস নেতৃত্বাধীন অন্তবর্তী সরকারকে নিশানা করেছে হাসিনার দল আওয়ামি লিগ। তারা সংখ্যালঘু শিক্ষকদের গণহারে (Bangladesh Crisis) জোরপূর্বক পদত্যাগের প্রতিবেদন শেয়ার করেছে। এই জাতীয় ঘটনাকে আওয়ামি লিগ বর্ণনা করেছে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের শিক্ষকদের বৃহত্তর পরিসরে অপসারণ হিসেবে। বাংলাদেশের সঙ্কট ও ইউনূসের ব্যর্থতার কথা তুলে ধরে বিশিষ্ট লেখিকা তসলিমা নাসরিন লিখেছেন, ‘বাংলাদেশে শিক্ষকরা বাধ্য হয়ে পদত্যাগ করছেন। সাংবাদিক, মন্ত্রী, সাবেক সরকারের কর্মকর্তারা নিহত, হয়রানির শিকার ও বন্দি হচ্ছেন। জেনারেশন জেড আহমদিয়া মুসলমানদের শিল্প কারখানা পুড়িয়ে দিচ্ছে। সুফি মুসলমানদের মাজার ও দরগাগুলো ধ্বংস করে দিচ্ছে ইসলামি সন্ত্রাসীরা। ইউনূস এ বিষয়ে কিছুই বলেন না’।

    আরও পড়ুন: আর নমাজ বিরতি পাবেন না অসমের মুসলমান বিধায়করা, কেন জানেন?

    শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলির পাশাপাশি ইসলামপন্থী ও অন্তর্বর্তী সরকার হাসিনার দল ঘনিষ্ঠ হিন্দু সাংবাদিকদের ওপর নির্মম অত্যাচার চালিয়েছে। ৫ অগাস্টের পর থেকে হত্যা করা হয়েছে বেশ কিছু সাংবাদিককে। হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে এ পর্যন্ত সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে (Minority Teachers) দায়ের হয়েছে ২৬৮টি মামলা। প্রসঙ্গত, সংরক্ষণকে ঘিরে অশান্ত হয়ে ওঠে বাংলাদেশ (Bangladesh Crisis)। তার জেরেই শুরু হয় হিন্দুমেধ যজ্ঞ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share