Category: বিদেশ

Get updates on World News Headlines International News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • PM Modi: ‘ভারতে বিনিয়োগের সঠিক সময়’, ফ্রান্স থেকে বিশ্বকে বার্তা প্রধানমন্ত্রী মোদির

    PM Modi: ‘ভারতে বিনিয়োগের সঠিক সময়’, ফ্রান্স থেকে বিশ্বকে বার্তা প্রধানমন্ত্রী মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে বিনিয়োগের এটাই সঠিক সময়। ২০৪৭ সালের মধ্যে ‘বিকশিত ভারত’-র লক্ষ্যে এগিয়ে চলেছে দেশ। বিশ্বের তাবড় শিল্পোদ্যোগী, বিনিয়োগকারী তথা শিল্প সংস্থাকে ভারতে আসার আহ্বান জানিয়ে এই বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। প্যারিসে ১৪তম ভারত-ফ্রান্স সিইও ফোরামে মঙ্গলবার এমনই দাবি করলেন মোদি। ভারত-ফ্রান্স সিইও ফোরামে তাঁকে স্বাগত জানান ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রঁ। দুই দেশের বড় বড় সংস্থার প্রতিনিধিরা এই ফোরামে অংশ নেন।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী

    প্যারিসে ১৪তম ভারত-ফ্রান্স সিইও ফোরামে প্রধানমন্ত্রী (Modi in France) জানান, ২০৪৭ সালের মধ্যে ‘বিকশিত ভারত’-এর লক্ষ্যে এগিয়ে চলেছে দেশ। ভারতে বিনিয়োগের জন্য এটাই সবচেয়ে ভাল সময়। তিনি বলেন, “গত এক দশকে ভারতে পরিবর্তন আপনারা লক্ষ করেছেন। বিভিন্ন সংস্কারের মাধ্যমে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরি হয়েছে। এই মুহূর্তে ভারত বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ। শীঘ্রই বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হতে চলেছে।” তাঁর সংযোজন “এখন বিনিয়োগের গন্তব্যস্থল ভারত। আমরা এখন সেমিকন্ডাক্টর এবং কোয়ান্টাম মিশনও শুরু করেছি। প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রেও ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’-র উদ্যোগকে উৎসাহিত করা হচ্ছে।’’

    ভারত-ফ্রান্স গভীর বন্ধুত্ব

    এদিন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্টের প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রঁর সঙ্গে এখানে থাকতে পারা আমার কাছে খুবই আনন্দের। গত ২ বছরে এটা আমাদের ষষ্ঠ সাক্ষাৎ। গত বছর প্রজাতন্ত্র দিবসে প্রধান অতিথি ছিলেন ম্যাক্রঁ।” প্রধানমন্ত্রী মোদির কথায়, “ভারত ও ফ্রান্স শুধুমাত্র গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের দ্বারাই যুক্ত নয় ৷ আমাদের বন্ধুত্বের ভিত্তি একে অপরের প্রতি গভীর বিশ্বাস, উদ্ভাবন এবং জনকল্যাণ ৷ আমাদের অংশীদারিত্ব শুধুমাত্র দু’টি দেশের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয় ৷ বিশ্বের নানা সমস্যা, চ্যালেঞ্জগুলির মোকাবিলায় আমরা একে অপরের সহযোগিতা করছি ৷ আমি শেষ বার যখন এখানে এসেছিলাম, তখনই আমাদের অংশীদারিত্ব বিষয়ে ২০৪৭ সালের রোডম্যাপের কথা উল্লেখ করেছিলাম ৷” সফলভাবে এআই অ্যাকশন সম্মেলন আয়োজনের জন্য ম্যাক্রঁকে ধন্যবাদ জানান মোদি। এরপরই এআই, মহাকাশ গবেষণায় ভারতের সাফল্যের কথা তুলে ধরেন তিনি। তিনি বলেন, ‘‘আগে ভারতীয় সংস্থাগুলি বিমানের জন্য বাইরে বড় বড় বরাত দিত। এখন আমরা (ভারতে) ১২০টি নতুন বিমানবন্দর খুলতে চলেছি। তা হলে ভাবুন, ওই ক্ষেত্রে ভবিষ্যৎ কতটা সম্ভাবনাময়।’’

  • Bangladesh: মেটানো হবে টাকা, চাই পুরো বিদ্যুৎ, বাংলাদেশ আর্জি জানাল আদানিকে

    Bangladesh: মেটানো হবে টাকা, চাই পুরো বিদ্যুৎ, বাংলাদেশ আর্জি জানাল আদানিকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গৌতম আদানির সংস্থা আদানি পাওয়ারকে পুরো ১৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে বলেছে বাংলাদেশ (Bangladesh)। প্রসঙ্গত, বাংলাদেশে রাজনৈতিক সঙ্কট চরমে ওঠে গত বছরের মাঝামাঝি সময় থেকেই। এরপরে বকেয়া শোধের কারণে আদানি পাওয়ার (Adani Power) অর্ধেক পরিমাণে বিদ্যুৎ সরবরাহ করছিল। জানা গিয়েছে, সম্প্রতি বাংলাদেশ সরকার আদানি পাওয়ারকে (Adani Power) ১৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহের আর্জি জানিয়েছে। এরপরেই বেড়ে গিয়েছে আদানি পাওয়ারের স্টকের দাম। এক ধাক্কায় ৪ শতাংশ লাফ দিয়েছে এই স্টক। এখন ৫১১.৯০ টাকায় পৌঁছে গিয়েছে এই স্টকের দাম।

    শেখ হাসিনার জমানায় হয় চুক্তি (Bangladesh)

    জানা গিয়েছে, বাংলাদেশের (Bangladesh) প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৭ সালে আদানি পাওয়ারকে ২৫ বছরের জন্য একটি বাণিজ্যিক বিদ্যুৎ সরবরাহ চুক্তি করেছিল। এরপরেই আদানি পাওয়ার ঝাড়খণ্ডের পাওয়ার প্ল্যান্ট থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে শুরু করে। জানা গিয়েছে, সেখানে ৮০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার দুটি ইউনিট রয়েছে। এখান থেকেই বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ হয়ে থাকে। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, গত বছরের ৩১ অক্টোবর থেকে আদানি পাওয়ার বাংলাদেশে অর্ধেক পরিমাণ বিদ্যুৎ সরবরাহ করছিল। জানা গিয়েছে, এরপরেই বাংলাদেশে বিদেশি মুদ্রাভাণ্ডারের ঘাটতি দেখা দেয় এবং সেই সঙ্কটের কারণে আদানি পাওয়ারের বকেয়া পরিশোধে ব্যর্থ হয়েছে বাংলাদেশ। এর জন্য পাওয়ার প্ল্যান্টের একটি ইউনিট বন্ধ করে দেওয়া হয়। পরে ৪২ শতাংশ বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছিল।

    বাংলাদেশ (Bangladesh) পাওয়ার ডেভেলপমেন্ট বোর্ডের বিবৃতি

    বাংলাদেশ পাওয়ার ডেভেলপমেন্ট বোর্ড ইতিমধ্যে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে যে তারা বকেয়া শোধের জন্য আদানি পাওয়ারকে প্রতি মাসে ৮৫ মিলিয়ন ডলার দিয়েছে। বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, তাঁর দেশ প্রতি মাসে ৮৫ মিলিয়ন ডলার দিচ্ছে আদানি পাওয়ারকে (Adani Power), আরও টাকা শোধের চেষ্টা করে চলেছে। আদানি পাওয়ার এবিষয়ে জানিয়েছে, বিপিডিবি সংস্থার কাছে প্রায় ৯০০ মিলিয়ন ডলার পাওনা ছিল, কিন্তু তারা বলেছিল পাওনা বকেয়া রয়েছে মাত্র ৬৫০ মিলিয়ন ডলার।

  • PM Modi On AI: কৃত্রিম মেধার কারণে চাকরি থেকে ছাঁটাই! প্যারিসে এআই নিয়ে কী বললেন মোদি?

    PM Modi On AI: কৃত্রিম মেধার কারণে চাকরি থেকে ছাঁটাই! প্যারিসে এআই নিয়ে কী বললেন মোদি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রযুক্তির বাড়-বাড়ন্তে কখনও কর্মসংস্থানে ভাঁটা পড়েনি। সময়ের সঙ্গে চাকরির ধরন পাল্টালেও, নতুন ধরনের চাকরির সুযোগ বাড়ে। প্যারিসে আয়োজিত এআই বা কৃত্রিম মেধা নিয়ে আলোচনায় এমনই অভিমত ব্যক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi On AI)। বর্তমানে ক্রমে মানুষের রোজকার জীবনের অংশ হয়ে উঠছে আর্টিফিসিয়াল এনার্জি। কিন্তু সবকিছুর ভাল দিক যেমন রয়েছে, রয়েছে মন্দ দিকও। যন্ত্রমেধা নিয়ে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর উদ্দেশে প্যারিসে এআই গ্লোবাল সামিটের আয়োজন করা হয়। সেখানেই নানা বিষয়ে নিজের মত ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী মোদি।

    কৃত্রিম মেধার দাপট

    এই শতকের মানবতার সাঙ্কেতিক ভাষা বা কোড লিখবে কৃত্রিম মেধা বা এআই ৷ মঙ্গলবার ফ্রান্সের প্যারিসে আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স নিয়ে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে বিশ্ববাসীকে এই বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি ৷ প্যারিসের এই ‘এআই অ্যাকশন সামিট’-এ ভারতকে সহ-সভাপতিত্ব করার আমন্ত্রণ জানিয়েছে ফ্রান্স ৷ প্রধানমন্ত্রী মোদি তাঁর বক্তৃতায় প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রঁকে তাঁর বন্ধু বলে উল্লেখ করেন এবং এই এআই সামিট-এর আমন্ত্রণের জন্য কৃতজ্ঞতা জানান ৷

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

    মোদি বলেন, “আমাদের যাবতীয় সম্পদ, প্রতিভাকে একত্রিত করতে হবে, স্বচ্ছতা ও আস্থা অর্জন করতে হবে। পক্ষপাতমুক্ত ওপেন সোর্স সিস্টেম তৈরি করতে হবে, যাতে গোটা পৃথিবী উপকৃত হয়। যন্ত্রমেধা অ্যাপ্লিকেশনগুলি মানুষকেন্দ্রিক হোক। সাইবার সিকিওরিটি, ভুয়ো খবর এবং ডিপফেক সংক্রান্ত উদ্বেগের সমাধান বের করতে হবে।” তিনি বলেন, “রাজনীতি, অর্থনীতি, নিরাপত্তা এবং সমাজকে নতুন আকৃতি দিচ্ছে কৃত্রিম মেধা ৷ এই শতাব্দীতে মানবতার কোড লিখছে এআই ৷ কিন্তু মানব ইতিহাসে অন্য সব প্রযুক্তি যেভাবে মাইলফলক ছুঁয়েছে, এটা তার থেকে আলাদা ৷ দিনে দিনে অভূতপূর্ব মাত্রা ও গতিতে এগিয়ে চলেছে কৃত্রিম মেধা ৷ তার চেয়েও দ্রুতগতিতে এআই ছড়িয়ে পড়ছে ৷ আমাদের অংশীদারি মূল্যবোধ, ঝুঁকিগুলি তুলে ধরা এবং নিজেদের মধ্যে বিশ্বাস গড়ে তুলতে প্রশাসন ও পরিমাপক স্থাপন করতে হবে ৷ তাই এবার সমগ্র বিশ্বের একসঙ্গে কাজ করা প্রয়োজন ৷”

    তৈরি হবে নতুন কাজ

    কৃত্রিম মেধার দাপটে মানুষ চাকরি হারাবে- প্যারিসের এআই সামিটে বিশ্বের তাবড় রাষ্ট্রনেতাদের সামনে এই তত্ত্ব খারিজ করে দেন প্রধানমন্ত্রী ৷ তিনি বলেন, “কৃত্রিম মেধার কারণ কাউকে তাঁর চাকরি থেকে ছাঁটাই করা হবে, এআই-কে নিয়ে এটাাই সবচেয়ে বড় ভয় ৷ কিন্তু ইতিহাস দেখিয়েছে যে প্রযুক্তির কারণে চাকরি উধাও হয়ে যায়নি ৷ শুধু এর ধরনটা পাল্টেছে ৷ এআই পরিচালিত ভবিষ্যতে আমাদের জনগণের দক্ষতা এবং পুনঃদক্ষতার ক্ষেত্রে আমাদের আরও বিনিয়োগ করতে হবে ৷” এদিন বক্তৃতার শুরুতে প্রধানমন্ত্রী এআই-এর সুবিধে এবং সীমাবদ্ধতা- দু’টি দিকই তুলে ধরেন ৷

  • PM Modi In France: মোদিকে আলিঙ্গন ম্যাক্রঁ-র, প্যারিসে ট্রাম্পের ডেপুটির সঙ্গে আলোচনা প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi In France: মোদিকে আলিঙ্গন ম্যাক্রঁ-র, প্যারিসে ট্রাম্পের ডেপুটির সঙ্গে আলোচনা প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুই বন্ধুর উষ্ণ আলিঙ্গন। প্যারিসে (PM Modi In France) এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে হওয়া সম্মেলনে যোগ দিতে সোমবার ফ্রান্স গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi meets Macron)। তাঁকে আলিঙ্গন করে স্বাগত জানান ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রঁ। সেই সাক্ষাতের কথা জানিয়ে মোদি সমাজমাধ্যমে লেখেন, ‘‘প্যারিসে বন্ধু তথা প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রঁর সঙ্গে দেখা করে খুশি হয়েছি।’’ পাশাপাশি মোদি লিখেছেন, ‘প্যারিসে অভ্যর্থনা স্মরণীয় হয়ে থাকবে!’ ঠান্ডা উপেক্ষা করে ভারতীয় সম্প্রদায়ের লোকেরা যেভাবে ভালবাসা দেখিয়েছেন তাতে আমাদের প্রবাসী সম্প্রদায়ের প্রতি কৃতজ্ঞ’!

    মোদি-ম্যাক্রঁ সাক্ষাত

    ম্যাক্রঁর আমন্ত্রণে ফ্রান্স সফরে গিয়েছেন মোদি (PM Modi In France) । আজ, মঙ্গলবার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিষয়ক সম্মেলনটি হবে ফ্রান্সে। ২০২৩ সালে এই সম্মেলন শুরু হয় ব্রিটেনে। ২০২৪ সালে এই আসর বসেছিল দক্ষিণ কোরিয়ায়। এ বার আয়োজিত হচ্ছে ফ্রান্সে। সেই সম্মেলনেই থাকবেন মোদি। এই সম্মেলনের মূল লক্ষ্যই হল এআই প্রযুক্তির নৈতিক ব্যবহারের ক্ষেত্রে সহযোগিতা বৃদ্ধি করা। এআই সম্মেলন ছাড়াও ফ্রান্স সফরে বেশ কয়েকটি উচ্চস্তরের দ্বিপাক্ষিক বৈঠকও করবেন মোদি। এ ছাড়াও ম্যাক্রঁর সঙ্গে একান্ত বৈঠক করার কথা আছে তাঁর। ভারত এবং ফ্রান্সের মধ্যে বাণিজ্য, প্রযুক্তিগত অংশীদারি বৃদ্ধির ক্ষেত্রে কী কী করণীয়, তা নিয়ে আলোচনা হতে পারে দুই রাষ্ট্রনেতার মধ্যে। বুধবার মোদি এবং ম্যাক্রঁ— দু’জনে মার্সেইতে মাজারগুয়েস যুদ্ধের সমাধিক্ষেত্র পরিদর্শন করবেন। যুদ্ধে শহিদ ভারতীয় সৈন্যদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাবেন মোদি (Modi meets Macron)।

    মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্টের সঙ্গে আলাপ

    ফ্রান্সের মাটিতে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্সের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন মোদি (PM Modi In France) । সোমবার, প্যারিসে বিশ্বনেতাদের নৈশভোজের ফাঁকে দুজনের মধ্যে কথোপকথন হয়। ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রঁর পোস্ট করা একটি ভিডিওয় দেখা গিয়েছে, জেডি ভান্সের সঙ্গে করমর্দন করছেন মোদি। মার্কিন নির্বাচনে রিপালিকানদের জয়ের জন্যে ভান্সকে অভিনন্দন জানাচ্ছিলেন ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী। উল্লেখ্য, ফ্রান্স থেকেই ১২ ফেব্রুয়ারি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

  • Israeli Hostages: বেঁধে রাখা হত শিকলে, ইজরায়েলে ফিরে হামাসের অত্যাচারের বর্ণনা তিন নাগরিকের

    Israeli Hostages: বেঁধে রাখা হত শিকলে, ইজরায়েলে ফিরে হামাসের অত্যাচারের বর্ণনা তিন নাগরিকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি হামাসের (Hamas) হাত থেকে মুক্তি পেয়েছেন ইজরায়েলের তিন নাগরিক। এঁরা হলেন- এলি শারাবি, ওহাদ বেন আমি এবং ওর লেভি। দেশে ফিরে তাঁরা হামাসের অত্যাচারের করুণ কাহিনী বর্ণনা করেছেন। ১৬ মাস পরে মুক্ত হওয়া তিন বন্দির কথায়, তারা (হামাস) আমাদের সঙ্গে জানোয়ারদের মতো আচরণ করত। ৩৪ বছর বয়সি বন্দি ওর লেভি, এলি শারাবি (৫৪) এবং ওহাদ বেন আমি (৫৬) সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন, তাঁদের শিকল দিয়ে বেঁধে রাখা হত। তাঁদের উপর চলত অমানবিক শারীরিক অত্যাচার। ৪৯১ দিন তাঁরা বন্দি ছিলেন। প্রতিদিনই তাঁদের এই অত্যাচার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তাঁরা। তাঁদের মুখে কাপড় গুঁজে দেওয়া হত। একমাত্র তাঁদের ভালো করে খাবার দেওয়া হয়েছিল হস্তান্তর করার আগেই। ইজরায়েলের চ্যানেলে এই নিয়ে খবরও হয়েছে যে ওই তিনজনকে দীর্ঘদিন না খাইয়ে রাখা হয়েছে। বর্তমানে ওই তিনজনকেই ইজরায়েলের রাজধানী (Israeli Hostages) তেল আভিভের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    তিন বন্দির মুক্তির গোটা প্রক্রিয়াটি সরাসরি সম্প্রচারিত হয়

    তিন বন্দির মুক্তির গোটা প্রক্রিয়াটি সরাসরি সম্প্রচারিত হয়। তাতে দেখা যাচ্ছিল, ওই দিন ইজরায়েলি নাগরিককে (Israeli Hostages) ঘিরে ধরে রেখেছে মাস্ক পরা হামাস জঙ্গিরা (Hamas)। তাদের প্রত্যেকেরই হাতে ছিল স্বয়ংক্রিয় রাইফেল। ওই তিন নাগরিককে দুর্বল, ফ্যাকাশে এবং রোগা দেখাচ্ছিল। প্রসঙ্গত, হামাসের সঙ্গে ১৫ মাস যুদ্ধের পর চলতি বছরের জানুয়ারিতেই যুদ্ধবিরতি চুক্তি সম্পাদন করে ইজরায়েল (Israeli Hostages)।

    হুঁশিয়ারি নেতানিয়াহুর

    সরাসরি সম্প্রচার দেখার সময় মুক্ত হওয়া এক বন্দির আত্মীয় সংবাদমাধ্যমকে বলেই ফেললেন, একেবারে কঙ্কালের মতো অবস্থা হয়েছে। কি ভয়ঙ্কর লাগছে! এরপরই বিবৃতি আসে ইজরায়েলের (Israeli Hostages) প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “যাঁদের মুক্ত করা হল তাঁদের চেহারা দেখে অত্যন্ত মর্মান্তিক লাগছে। আমরা হামাসকে (Hamas) নির্মূল করবই। বাকি সব বন্দিদের আমরা ফিরিয়ে আনব।”

  • Donald Trump: “শনিবার দুপুরের মধ্যেই বন্দিদের মুক্তি দিন, না হলে…,”হামাসকে হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

    Donald Trump: “শনিবার দুপুরের মধ্যেই বন্দিদের মুক্তি দিন, না হলে…,”হামাসকে হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গাজার জঙ্গি গোষ্ঠী হামাসকে (Hamas) চরম হুঁশিয়ারি ৪৭তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের (Donald Trump)। সাফ জানিয়ে দিলেন, শনিবার দুপুর ১২টার মধ্যে সমস্ত বন্দিকে মুক্তি দিতে হবে। যদি তা না হয়, তাহলে সব কিছু ভেঙে পড়বে।

    হামাসের অত্যাচার! (Donald Trump)

    ইহুদি রাষ্ট্র ইজায়েলের সঙ্গে ১৫ মাস ধরে যুদ্ধ চলেছে গাজার মুসলিম জঙ্গি গোষ্ঠী হামাসের। সম্প্রতি ৪২ দিনের যুদ্ধ বিরতি স্বাক্ষরিত হয়েছে ইজরায়েল এবং হামাসের মধ্যে। এই যুদ্ধবিরতি পর্বে অল্প অল্প করে হামাস মুক্তি দিচ্ছে বন্দিদের। যাঁদের এই জঙ্গি গোষ্ঠী মুক্তি দিচ্ছে, তাঁরা যে নিদারুণ অত্যাচারের শিকার হয়েছেন বন্দিদশা পর্বে, তা জানিয়েছেন মুক্তিপ্রাপ্তরা। এহেন আবহে এল মার্কিন প্রেসিডেন্টেরে হুঁশিয়ারি।

    চরম হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

    সোমবার ট্রাম্প বলেন, “আমার দৃষ্টিকোণ থেকে বলছি, যদি শনিবার দুপুর ১২টার মধ্যে সমস্ত বন্দিকে মুক্তি না দেওয়া হয়—আমি মনে করি এটি একটি উপযুক্ত সময়—তাহলে আমি বলব, যুদ্ধবিরতি বাতিল করুন এবং সমস্ত কিছু ভেঙে পড়ুক।” খানিক থেমে তিনি বলেন, “তবে আমি আমার নিজস্ব মতামত দিচ্ছি। ইজরায়েল এটি অগ্রাহ্য করতে পারে।”  ট্রাম্প (Donald Trump) বলেন, “আমি গাজা কেনার এবং মালিকানা নেওয়ার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

    সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি বলেন, “আমাদের এটি পুনর্গঠনের বিষয়ে, আমরা হয়তো মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশকে এর কিছু অংশ গড়ে তোলার দায়িত্ব দিতে পারি। অন্যরা আমাদের তত্ত্বাবধানে এটি করতে পারে। কিন্তু আমরা এর মালিকানা নেওয়া, এটি দখলে রাখা এবং নিশ্চিত করা যে হামাস যাতে ফিরে আসতে না পারে, এ ব্যাপারে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ফিরে আসার মতো কিছুই নেই। এটি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। অবশিষ্ট অংশও ভেঙে ফেলা হবে।”

    প্রসঙ্গত, হামাসের সামরিক শাখা ইজ্জেদিন আল-কাসসাম ব্রিগেডের এক মুখপাত্র সোমবারই এক বিবৃতি জারি করে বলেছেন, পরবর্তী বন্দিমুক্তির প্রক্রিয়া, যা আগামী শনিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫-এ নির্ধারিত ছিল, তা পরবর্তী ঘোষণা না করা পর্যন্ত স্থগিত থাকবে। হামাস জানিয়েছে, বন্দিবিনিময় পুনরায় (Hamas) শুরু করা ইজরায়েলি দখলদার বাহিনীর প্রতিশ্রুতি মেনে চলা এবং বিগত কয়েক সপ্তাহের দায়বদ্ধতা পূরণের ওপর নির্ভর করছে (Donald Trump)।

  • Operation Devil Hunt: অপারেশেন ‘ডেভিল হান্টে’ ধরপাকড়, বাংলাদেশ থেকে হাসিনাকে মুছে ফেলতে চান ইউনূস!

    Operation Devil Hunt: অপারেশেন ‘ডেভিল হান্টে’ ধরপাকড়, বাংলাদেশ থেকে হাসিনাকে মুছে ফেলতে চান ইউনূস!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অপারেশনের নাম ‘ডেভিল হান্ট’। বাংলা তর্জমা করলে দাঁড়ায় ‘শয়তানের খোঁজ’ (Operation Devil Hunt)। এই অপারেশনের ব্যানারেই বাংলাদেশে (Bangladesh) ১২ ঘণ্টায় এক হাজারেরও বেশি মানুষকে গ্রেফতার করল মহম্মদ ইউনূসের পুলিশ। শনিবার রাতে শুরু হয় অপারেশন। চলে রবিবার দুপুর পর্যন্ত। এই অভিযানেই গ্রেফতার করা হয়েছে ১ হাজার ৩০৮ জনকে। এদিন দুপুরে বাংলাদেশ পুলিশের সদর দফতর থেকেই জানানো হয়েছে এই তথ্য।

    গ্রেফতার আওয়ামি লিগের সমর্থক (Operation Devil Hunt)

    জানা গিয়েছে, কেবল গাজিপুরেই ৪০জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশের দাবি, ধৃতেরা সবাই বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দল আওয়ামি লিগের সমর্থক। গাজিপুরের পুলিশ সুপারের কথায়, “আটক ব্যক্তিরা সকলেই ফ্যাস্টিস্ট সরকারের লোকজন”। প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে বাংলাদেশ ছাড়েন শেখ হাসিনা। তারপর বাংলাদেশের ক্ষমতায় আসে মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার। অভিযোগ, তার পরেই হাসিনার দলকে একেবারে শেষ করে দিতে কোমর কষে নেমেছে ইউনূস প্রশাসন। দিন দুয়েক আগে ঢাকায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বাসভবন ৩২ নম্বর ধানমন্ডির বাড়িটির একটা বড় অংশ ভেঙে ফেলে উন্মত্ত জনতা। ভাঙচুর করা হয় হাসিনার বাড়ি। তাঁর কাকার বাড়িতেও হামলা চালায় উন্মত্ত জনতা।

    আওয়ামি লিগের নেতাদের বাড়িতে হামলা

    বাংশাদেশজুড়ে আওয়ামি লিগের নেতাদের বাড়িতে চালানো হয় হামলা, অগ্নিসংযোগ। শুক্রবার রাতে গাজিপুরে হাসিনা সরকারের প্রাক্তন মন্ত্রী মোজাম্মেল হকের বাড়িতেও চড়াও হয় একদল জনতা। প্রতিরোধ করেন স্থানীয়রা। দুপক্ষে সংঘর্ষ হয়। এর পরেই শনিবার বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে জারি করা হয় একটি বিজ্ঞপ্তি। সেখানেই জানানো হয় অপারেশন ‘ডেভিল হান্টে’র খবর। সেই সময় বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গির আলম চৌধুরী বলেছিলেন, “যারা দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে, তারাই গ্রেফতার হবে (Operation Devil Hunt)।”

    ওয়াকিবহালের মতে, হাসিনার দলকে নিশ্চিহ্ন করে দিয়ে বাংলাদেশের রাশ করায়ত্ত করতে চাইছেন ইউনূস। কারণ বাংলাদেশ ছেড়ে ভারতে গিয়ে আশ্রয় নিয়েছেন হাসিনা। চিকিৎসার কারণে বিএনপি সুপ্রিম খালেদা জিয়াও আপাতত লন্ডনে। এহেন ফাঁকা মাঠেই গোল দেওয়ার রাস্তা পরিষ্কার করতে চাইছেন শান্তিতে নোবেল জয়ী ইউনূস। জানা গিয়েছে, নয়া রাজনৈতিক দল গড়তে চাইছেন ইউনূস। তার মোক্ষম সময় এটাই। কারণ ধরপাকড়ের জেরে যেমন গা ঢাকা দিয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন আওয়ামি লিগের নেতা-নেত্রীরা, তেমনি ভয়ে ফোঁস করতে পারছেন নাম বিএনপির নেতা-নেত্রীরা। অভিজ্ঞ মহলের মতে, এই সুযোগটাকেই (Bangladesh) কাজে লাগাতে চাইছেন ইউনূস (Operation Devil Hunt)।

  • Israeli Hostages: মুক্ত তিন ইজরায়েলি নাগরিক, কঙ্কালসার চেহারা দেখে হামাসকে দানব আখ্যা নেতানিয়াহুর

    Israeli Hostages: মুক্ত তিন ইজরায়েলি নাগরিক, কঙ্কালসার চেহারা দেখে হামাসকে দানব আখ্যা নেতানিয়াহুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যুদ্ধবিরতি চুক্তির শর্ত মেনে তিন ইজরায়েলি বন্দিকে (Israeli Hostages) মুক্তি দিল হামাস। এঁরা হলেন- এলি শারাবি, ওহাদ বেন আমি এবং ওর লেভি। এঁরা প্রত্যেকেই ইজরায়েলের সাধারণ নাগরিক। হামাসের হাত থেকে রেহাই পাওয়ার পরে এই তিন নাগরিকের কঙ্কালসার চেহারা দেখে সকলে হতবাক হয়ে গিয়েছেন। নিজের দেশের নাগরিকদের এহেন দুর্দশা দেখে হামাস জঙ্গি সংগঠনকে তোপ দেগেছেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। তিনি হামাস জঙ্গি সংগঠনকে দানব আখ্যা দিয়েছেন। তাঁর হুঙ্কার, ওই জঙ্গি সংগঠনকে ধ্বংস করেই তাঁরা শান্ত হবেন।

    তিন বন্দির মুক্তির গোটা প্রক্রিয়াটি সরাসরি সম্প্রচারিত হয়

    তিন বন্দির মুক্তির গোটা প্রক্রিয়াটি সরাসরি সম্প্রচারিত হয়। তাতে দেখা যাচ্ছিল, ওই দিন ইজরায়েলি নাগরিককে (Israeli Hostages) ঘিরে ধরে রেখেছে মাস্ক পরা হামাস জঙ্গিরা (Hamas)। তাদের প্রত্যেকেরই হাতে ছিল স্বয়ংক্রিয় রাইফেল। ওই তিন নাগরিককে দুর্বল, ফ্যাকাশে এবং রোগা দেখাচ্ছিল। প্রসঙ্গত, হামাসের সঙ্গে ১৫ মাস যুদ্ধের পর চলতি বছরের জানুয়ারিতেই যুদ্ধবিরতি চুক্তি সম্পাদন করে ইজরায়েল (Israeli Hostages)। সরাসরি সম্প্রচার দেখার সময় মুক্ত হওয়া এক বন্দির আত্মীয় সংবাদমাধ্যমকে বলেই ফেললেন, একেবারে কঙ্কালের মতো অবস্থা হয়েছে। কি ভয়ঙ্কর লাগছে! এরপরই বিবৃতি আসে ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যাঁদের মুক্ত করা হল তাঁদের চেহারা দেখে অত্যন্ত মর্মান্তিক লাগছে। আমরা হামাসকে নির্মূল করবই। বাকি সব বন্দিদের আমরা ফিরিয়ে আনব।

    বিভিন্ন সমাজমাধ্যমে তিনজনের ছবি প্রকাশ করা হয়

    ইজরায়েলের (Israeli Hostages) সরকারি বিভিন্ন সমাজ মাধ্যম থেকে ওই তিনজনের ছবি প্রকাশ করা হয়। হামাসের হাতে বন্দি হওয়ার আগে তাঁরা কেমন ছিলেন, বন্দি হওয়ার পরেই বা তাঁদের কি হাল হয়েছে, তা ছবির মাধ্যমে তুলে ধরা হয়। এরপরে ক্যাপশনে লেখা হয়, কোনও ভাষা নেই। ওই তিন বন্দি মুক্ত হওয়ার পরে তাঁরা পরিবারের সঙ্গে মিলিত হন। তখনই তাঁরা আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন। ভেঙে পড়েন কান্নায়। তাঁদের তিনজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর দক্ষিণ ইজরায়েলে হামাস হামলা করে। এরপরেই কিবুতজ বে’য়েরি থেকে ওহাদ বেন আমি এবং এলি শারাবিকে বন্দি করা হয়। পরবর্তীকালে অর লেভিকে নোভা থেকে অপহরণ করা হয়।

  • Donald Trump: ধর্মান্তকরণ, মাওবাদীদের ফান্ডিং করত মার্কিন সংস্থা, কড়া পদক্ষেপ ট্রাম্পের

    Donald Trump: ধর্মান্তকরণ, মাওবাদীদের ফান্ডিং করত মার্কিন সংস্থা, কড়া পদক্ষেপ ট্রাম্পের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্ষমতায় আসার পরে ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) বিতর্কিত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংস্থা আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা (USAID) এর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছেন। এই সংস্থার উচ্চপদস্থ কর্মীদের ছুটিতে পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে এই সংস্থার সঙ্গে যুক্ত ঠিকাদারদের বরখাস্ত করা হয়েছে এবং বিদেশ থেকে যে সাহায্য এরা পেত, সেটিও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত, ইলন মাস্ক ইতিমধ্যেই এই সংস্থাকে একটি অপরাধী সংস্থা হিসেবে অভিহিত করেছেন এবং এ বিষয়ে এক্স মাধ্যমে তিনি পোস্টও করেছেন।

    ষাটের দশকে প্রতিষ্ঠা (Donald Trump)

    প্রসঙ্গত, ইউএসএআইডি ছয়ের দশকে গোড়ার দিকে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। এর উদ্দেশ্য ছিল বিশ্বজুড়ে মানবিক সহায়তা কর্মসূচি পালন করা। যদিও এরই আড়ালে চলছিল নানা রকমের অ্যাজেন্ডা। গোপনে তহবিল সংগ্রহ, যে কোনও দেশের সার্বভৌমত্ব হরণ করা, সরকার ফেলার ষড়যন্ত্র করছিল তারা। এই সংস্থা যেসব সার্বভৌম দেশগুলির ওপর নজর রাখত, তার মধ্যে ভারতও ছিল। এদেশে মাওবাদীদের ফান্ডিং করা থেকে, খ্রিস্টান ধর্মে ধর্মান্তকরণে ফান্ডিং এসবও করত তারা।

    মোদির জনসমর্থন কমাতে চক্রান্ত

    শুধু তাই নয়, এই সংস্থার বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে যে বিভিন্ন সমাজ মাধ্যম ব্যবহার করে, তারা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জনসমর্থন কমানোর চেষ্টাও করছে। এ বিষয়ে নাম উঠে আসে জর্জ সোরোসের, যিনি ফান্ডিং করতেন এই সংস্থায় ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মতো নেতাদের প্রতিহত করতে। এজন্য তিনি এক বিলিয়ন ডলারের একটি তহবিলও গঠন করেছিলেন বলে জানা যায়।

    কংগ্রেসের সঙ্গে সরাসরি যোগ

    এই সংস্থার সঙ্গে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসেরও একটি যোগসূত্র রয়েছে। রাহুল গান্ধীর অন্যতম পরামর্শদাতা এবং কংগ্রেসের বিদেশ বিভাগের চেয়ারম্যান স্যাম পিত্রোদা- সরাসরি এই সংস্থার সঙ্গে যুক্ত বলে জানা যাচ্ছে। তাই এটা বলাই যায় যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওই সংস্থা অর্থাৎ ইউনাইটেড স্টেটস এজেন্সি ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট সরাসরি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে কাজ করত। সবচেয়ে বড় কথা, মার্কিন করদাতাদের অর্থের একটি বড় অংশই এই সংস্থার কাজে ব্যয় করা হত বাইডেনের জমানায়। রিপোর্ট বলছে, ২০২৩ সালেই ৪০ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি তহবিল গঠন করা হয়েছিল এই সংস্থার জন্য। কিন্তু সেসব এখন অতীত। আপাতত এই সংস্থার লম্ফঝম্ফে রাশ টানছেন ট্রাম্প (Donald Trump)।

  • Thai Captives: ঘুঁচল বন্দিদশা, হামাসের হাত থেকে ছাড়া পেয়ে দেশে ফিরলেন ৫ থাই নাগরিক

    Thai Captives: ঘুঁচল বন্দিদশা, হামাসের হাত থেকে ছাড়া পেয়ে দেশে ফিরলেন ৫ থাই নাগরিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হামাসের হাতে বন্দি (Thai Captives) ছিলেন এক বছরেরও বেশি সময়। শেষমেশ ঘুঁচল বন্দিদশা। রবিবার গাজা (Gaza) থেকে দেশে ফিরলেন পাঁচ থাই নাগরিক। এদিন সকালে ব্যাংককের সুবর্ণভূমি বিমানবন্দরে অবতরণের পর ওয়াচারা শ্রীয়াউন, পংসাক থায়েন্না, সাথিয়ান সুওয়ান্নাখাম, সারুসাক রুমনাও এবং বান্নাওয়াত সায়েথাওকে তাঁদের স্বাগত জানান পরিবারের সদস্যরা।

    থাই নাগরিকদের প্রত্যাবর্তন (Thai Captives)

    এক বছরেরও বেশি সময় পরে দেশে ফেরায় প্রিয়জনকে কাছে পেয়ে আনন্দাশ্রু ফেলতেও দেখা গিয়েছে কয়েকজনকে। দেশের মাটিতে পা রাখার পর পংসাক বলেন, “জন্মস্থানে ফিরতে পেরে আমরা সকলেই গভীরভাবে মুগ্ধ। আমি আর কী বলব জানি না। আমরা সবাই সত্যিই কৃতজ্ঞ।” ছেলেকে আর বাড়ি থেকে দূরে রাখতে চান না সোমবুন। উত্তর থাইল্যান্ডের নান প্রদেশের এই প্রৌঢ় বলেন, “আমি আর আমার ছেলেকে বাড়ি থেকে দূরে কোথাও পাঠাব না।”

    বন্দিদশা ঘুঁচল

    গত মাসে গাজার দক্ষিণাঞ্চলের খান ইউনিসে মুক্তি পান থাইল্যান্ডের এই পাঁচজন। টানা ১৫ মাস ধরে চলেছে ইহুদি রাষ্ট্র ইজারায়েলের সঙ্গে গাজার মুসলিম সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের যুদ্ধ। পরে স্বাক্ষরিত হয় যুদ্ধবিরতি চুক্তি। সেই চুক্তির কারণেই বন্দিদশা ঘুঁচল হামাসের হাতে বন্দি থাকা এই পাঁচ থাই নাগরিকেরও। থাইল্যান্ডের বিদেশমন্ত্রী মারিস সাংগিয়াম্পোংসা বন্দিদের ফিরিয়ে এনেছেন ইজরায়েল থেকে। নাগরিকরা দেশে ফিরে আসায় স্বস্তির শ্বাস ফেলেছেন তিনি। বলেন, “এটি একটি আবেগঘন মুহূর্ত … তাঁরা তাঁদের পরিবারে ফিরে এসেছেন। আমরা কখনও হাল ছাড়িনি। এটি (Thai Captives) তারই ফল।”

    প্রধানমন্ত্রী পায়োংটার্ন সিনাওয়াত্রা বলেন, “দেশের পাঁচ নাগরিক মুক্তি পাওয়ায় আমরা উল্লসিত। ধন্যবাদ ইজরায়েল, কাতার, মিশর, ইরান, তুরস্ক এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে। তাদের জন্যই আমাদের দেশের নাগরিকদের বন্দিদশা ঘুঁচল।” জানা গিয়েছে, থাইল্যান্ডে ফেরা পাঁচ নাগরিকই শারীরিকভাবে সুস্থ রয়েছেন। সরকার আগামী কয়েক মাস ধরে তাঁদের ওপর নজর রাখবে। তাঁরা যাতে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারেন, তাই এই নজরদারি।

    ইজরায়েলে কাজের খোঁজে গিয়ে হামাসের হাতে বন্দি হন সব মিলিয়ে মোট ৩১জন থাই নাগরিক। ২০২৩ সালের অক্টোবরে তাঁদের বন্দি করা হয়। এঁদের মধ্যে ২৩ জনকে মুক্তি দেওয়া হয়েছিল ২০২৩ সালেই। গত মে মাসে বন্দি দশায়ই মৃত্যু হয় দুজনের (Gaza)। পাঁচজন ফিরলেন দেশে। থাই প্রশাসনের আশা, বাকিদেরও দ্রুত দেশে ফেরানো হবে (Thai Captives)।

LinkedIn
Share