Category: বিদেশ

Get updates on World News Headlines International News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Sri Lanka: প্রবল বিক্ষোভের মুখে শ্রীলঙ্কায় জরুরি অবস্থা জারি করলেন প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া

    Sri Lanka: প্রবল বিক্ষোভের মুখে শ্রীলঙ্কায় জরুরি অবস্থা জারি করলেন প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জরুরি অবস্থা জারি হল শ্রীলঙ্কায়। শুক্রবার প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপক্ষে সর্বোচ্চ ক্ষমতা অর্পণ করলেন সামরিক বাহিনীর হাতে। গণবিক্ষোভ সামাল দিতেই এই পদক্ষেপ বলে সংবাদসংস্থা সূত্রে খবর। প্রেসিডেন্টের এক মুখপাত্র জানান, আইনের প্রয়োগ যথাযথ করতেই এই কড়া আইন প্রয়োগ করা হয়েছে। ঘটনার প্রতিবাদে দেশজুড়ে ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে দেশের শ্রমিক সংগঠনগুলি। প্রেসিডেন্টের পদত্যাগের দাবিও জানিয়েছে তারা।

    ভয়ঙ্কর আর্থিক সঙ্কটের মধ্যে দিয়ে চলছে দক্ষিণ এশিয়ার এই দ্বীপরাষ্ট্র। সম্প্রতি, ঋণখেলাপি তকমা লাগে দেশের মাথায়। তলানিতে ঠেকেছে বিদেশি মুদ্রার ভাণ্ডার। চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে জ্বালানি সঙ্কট। বিদেশি মুদ্রার অভাবে বন্ধ হয়ে গিয়েছে স্কুল-কলেজের পরীক্ষা। ডলার বাড়ন্তে আমদানি বন্ধ নিউজ প্রিন্ট। তার জেরে বন্ধ হয়ে গিয়েছে সংবাদপত্র।

    জ্বালানির অভাবে প্রতিদিন প্রায় ১৩ ঘণ্টা করে লোডশেডিং করা হচ্ছে। সব মিলিয়ে পরিস্থিতি ভয়াবহ। ইতিমধ্যেই ভিটে ছেড়ে ভারত সহ বিভিন্ন দেশের শরণ নিতে শুরু করেছেন শ্রীলঙ্কাবাসীর একাংশ। এহেন পরিস্থিতিতে শ্রীলঙ্কার পাশে দাঁড়িয়েছে ভারত সহ একাধিক দেশ। তার পরেও হাল ফেরেনি দেশের আর্থিক অবস্থার। তাই নিত্য বিক্ষোভ-অশান্তি। 

    আরও পড়ুন: আর্থিক সঙ্কটে পড়ে নিজেদের ঋণখেলাপি ঘোষণা করল শ্রীলঙ্কা

    মাসকয়েক আগে পদত্যাগ করেছে গোটা মন্ত্রিসভা। পরিস্থিতি সামাল দিতে নানা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তার পরেও ফেরেনি শ্রীলঙ্কার আর্থিক হাল। এই অবস্থায় রাস্তায় নেমে পড়েছেন পড়ুয়ারাও। সংসদে যাওয়ার প্রধান রাস্তাও অবরোধ করে। আন্দোলনকারীদের হঠাতে কাঁদানে গ্যাস, জল কামান ব্যবহার করেছে পুলিশ। তারপরেও স্বাভাবিক হয়নি পরিস্থিতি। আইইউএসএফ নেতা ওয়াসান্থা লিয়াংগে বলেন, আমরা পার্লামেন্টে যাওয়া-আসার সব রাস্তা বন্ধ করে দেব। তার আগে প্রেসিডেন্টকে ইস্তফা দিতে হবে। এদিকে, অনাস্থা আনতে স্পিকারের কক্ষেও এদিন বিক্ষোভ দেখায় বিরোধীরা।

    ক্রমেই জোরাল হচ্ছে গোতাবায়ার পদত্যাগের দাবি। কূটনৈতিক মহলের দাবি, এই সব পরিস্থিতি সামাল দিতেই তড়িঘড়ি জারি করা হল জরুরি অবস্থা। 

  • Quad summit: চিন নিয়ে সহমত, রাশিয়া প্রসঙ্গে বিভেদ কোয়াডে

    Quad summit: চিন নিয়ে সহমত, রাশিয়া প্রসঙ্গে বিভেদ কোয়াডে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেষ হল চতুর্থ কোয়াড সম্মেলন (Quad Summit)। জাপানের রাজধানী টোকিওতে (Tokyo) এক মঞ্চে দেখা গেল ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi), জাপানের প্রধানমন্ত্রী ফুমিয়ো কিশিদা, অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্টনি আলবানিজ এবং আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে (Joe Biden)।

    বৈঠকে আলোচিত বিষয়গুলির মধ্যে প্রধান ছিল করোনা (Covid-19) সংক্রমণ প্রতিরোধ, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ (Russia Ukraine war) এবং ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে (Indo-Pacific Ocean Region) চিনের মোকাবিলা। বৈঠকের শেষে চিনের (China) বিরুদ্ধে একজোট হলেও রাশিয়ার (Russia) ক্ষেত্রে দ্বিধাবিভক্ত কোয়াড। পুতিন সরকারের বিরুদ্ধে আমেরিকা ও জাপান সরব হলেও, চুপ ছিল অস্ট্রেলিয়া এবং ভারত (India)।

    বৈঠকের শুরুতেই বাইডেন জানান, ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় এলাকায় যাতে বিভিন্ন দেশ অবাধে যাতায়াত করতে পারে, সেজন্য চেষ্টা করবে কোয়াড। তাঁর কথায়, “ইউক্রেনে (Ukraine) রাশিয়ার হামলা দেখিয়ে দেয়, আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে স্থিতিশীলতা রক্ষা করা কত জরুরি।” মার্কিন প্রেসিডেন্টের মতে, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন (Vladimir Putin) ইউক্রেনের সংস্কৃতিকে বিলুপ্ত করার চেষ্টা করছেন। এমনটা নয় যে রাশিয়া, ইউক্রেনে শুধু সামরিক লক্ষ্যবস্তুগুলিতে আঘাত করছে! তারা (রাশিয়া) ইউক্রেনের প্রতিটি স্কুল, প্রতিটি গির্জাকে ধ্বংস করছে। বিশ্বের সমস্ত শান্তিকামী দেশকে এর বিরুদ্ধে সরব হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। 

    আরও পড়ুন: বিশ্ব-বাজারের পণ্য তৈরির ভিত্তিভূমি হোক ভারত, আহ্বান মোদির

    জাপানের প্রধানমন্ত্রী কিশিদার মতে, ইউক্রেনে রাশিয়ার আক্রমণ রাষ্ট্রপুঞ্জের সনদকেই চ্যালেঞ্জ করেছে। তাঁর কথায়, “ভারতীয় প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে কখনও ইউক্রেনের মতো ঘটনা ঘটতে দেওয়া হবে না।”

    অন্যদিকে রাশিয়া প্রসঙ্গে চুপ থেকে কোয়াড বৈঠকে মোদি বলেন, “অল্প সময়ের মধ্যে আন্তর্জাতিক মঞ্চে গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করেছে কোয়াড। ভারতীয় প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে গঠনমূলক কর্মসূচি নিয়ে এগোতে চায় এই গোষ্ঠী এর ফলে সকলেই বুঝতে পারবে, কোয়াড (QUAD) মানুষের কল্যাণ চায়।” পরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কোয়াড গোষ্ঠীভুক্ত দেশগুলি কয়েকটি ক্ষেত্রে পরস্পরের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা করছে। তাদের মধ্যে আছে পরিবেশ দূষণ রোধ, বিপর্যয় মোকাবিলা, ভ্যাকসিন সরবরাহ এবং অর্থনীতি। ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে শান্তি, সমৃদ্ধি ও স্থিতিশীলতা সুনিশ্চিত করেছে কোয়াড।

    রাশিয়া নিয়ে সরাসরি কোনও কথা বলেননি অস্ট্রেলিয়ার নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী অ্যান্টনি আলবানিজ। তিনি বলেন, “আগামী দিনে অস্ট্রেলিয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় দেশগুলিকে আরও সাহায্য করবে। তার ফলে সমুদ্রপথে নিরাপত্তা সুনিশ্চিত হবে।” 

    তবে, বৈঠকের শেষে রাশিয়া-প্রসঙ্গে চার দেশের তরফে প্রকাশিত যৌথ বিবৃতিতে জানানো হয়, সব দেশেরই উচিত আন্তর্জাতিক আইনগুলি মেনে চলা। কখনওই তা লঙ্ঘন করা উচিত নয়। যাবতীয় বিভেদ মেটাতে শান্তিপূর্ণ আলোচনার পথই শ্রেয়, বলে মনে করে কোয়াড।

    রাশিয়া নিয়ে একমত হতে না পারলেও একজোট হয়ে চিনের বিরুদ্ধে কঠোর নীতি নেওয়ার কথা জানায় চার দেশের রাষ্ট্রনেতারা। ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে চিন যেভাবে নিজেদের আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা চালাচ্ছে তার বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা দেওয়া হয়। এই অঞ্চলে শান্তি বিঘ্নিত করার বা অবস্থান বদলের কোনওরকম চেষ্টা যদি চিন করে তাহলে তার কড়া জবাব দেওয়া হবে বলেও জানানো হয় কোয়াড সম্মেলনে। করোনা মোকাবিলায় ভারতের ভূমিকার প্রশংসা করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। এ প্রসঙ্গেও চিনের সমালোচনা করেন তিনি।

  • Shinzo Abe:  জীবন-মৃত্যুর লড়াই শেষ!  নিহত জাপানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে

    Shinzo Abe: জীবন-মৃত্যুর লড়াই শেষ! নিহত জাপানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিকিৎসকদের সব চেষ্টা ব্যর্থ করে জীবনযুদ্ধে শেষমেষ হার মানলেন জাপানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে। তাঁর বয়স হয়েছিল ৬৭। জাপানের ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘ দিন প্রধানমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব সামলেছেন শিনজো। ২০১২ সাল থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত জাপানের প্রধানমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। এর আগে ২০০৬-২০০৭ সাল একবছর জাপানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। শুক্রবার সকালে গুলিবিদ্ধ হন জাপানের (Japan) শিনজো (Shinzo Abe) আবে। পশ্চিম জাপানের নারা শহরে একটি অনুষ্ঠানে ভাষণ দেওয়ার সময় আচমকাই তাঁর উপরে গুলি চালায় আততায়ী। মঞ্চের উপরেই লুটিয়ে পড়তে দেখা যায় আবেকে। তাঁর বুকে গুলি লাগে। 

    [tw]


    [/tw]

    সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর,ঘটনাস্থলে উপস্থিত জাপানের এক সাংবাদিক বন্দুকের গুলির আওয়াজ শুনতে পান এবং অ্যাবেকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখেন। গুলি চালানোর সঙ্গে বুকে হাত দিয়ে মঞ্চেই লুটিয়ে পড়তে দেখা যায় জাপানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীকে। সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। যিনি গুলি চালিয়েছেন, তাঁর নাম টেটসুয়া ইয়ামাগামি। ওই ব্যক্তি নারা শহরেরই বাসিন্দা। বয়স ৪১ বছরের কাছাকাছি। উদ্ধার করা হয়েছে বন্দুক। জানা গিয়েছে, জাপানের স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ১১টা (ভারতীয় সময়ে সকাল ৮টা ২৯ মিনিটে) নাগাদ প্রচার কর্মসূচি চলাকালীন শিনজোকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করা হয়েছে।

    এএনআই সূত্রে জানা যাচ্ছে, হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সময় তাঁর শরীরে প্রাণের কোনও স্পন্দন দেখা যায়নি। তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন বলে জানা যাচ্ছে। এদিকে গুলি চালানোর পরই আততায়ীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। উল্লেখ্য, ২০২০ সাল পর্যন্ত জাপানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন শিনজো আবে। ওই বছরের আগস্টে শারীরিক অসুস্থতার জেরে ইস্তফা দেন তিনি। সেই সময় জাপানের জাতীয় সংবাদ সংস্থা এনএইচকে (NHK)-এর তরফে জানানো হয়, প্রধানমন্ত্রী আবের শারীরিক অবস্থা ভাল নয়। যতদিন যাচ্ছে ততই খারাপ হচ্ছে। এর ফলে দেশকে নেতৃত্ব দিতে সমস্যা হচ্ছে তাঁর। এরপরই সাংবাদিক সম্মেলনে সরে দাঁড়ানোর কথা ঘোষণা করেন আবে। 

    আরও পড়ুন: চিন থেকে আর ঋণ নিতে পারবে না পাকিস্তান! নিষেধাজ্ঞা আইএমএফের

    জাপানের ইন্দো-প্যাসিফিক নীতির প্রণেতা শিনজো আবে। তাঁর উদ্যোগেই জাপান ও ভারত কাছাকাছি আসে। শিনজোর নীতিই জাপান ও ভারতের কৌশলগত ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও মজবুত করেছে। জাপানের উপর চিনের প্রভাব কমিয়ে পরোক্ষভাবে ভারতকে উপকৃত করেছিলেন শিনজো। তিনি কোয়াড-এর স্থপতিও ছিলেন। ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে চিনের আধিপত্যকে চ্যালেঞ্জ করেছিল শিনজোর নীতি।

     

  • Modi QUAD Summit: বিশ্ব-বাজারের পণ্য তৈরির ভিত্তিভূমি হোক ভারত, আহ্বান মোদির

    Modi QUAD Summit: বিশ্ব-বাজারের পণ্য তৈরির ভিত্তিভূমি হোক ভারত, আহ্বান মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে আরও বেশি করে বিনিয়োগের জন্য জাপানি (Tokyo) শিল্পপতিদের আহ্বান জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi)। দেশীয় প্রযুক্তির সুবিধা নেওয়ার জন্য জাপানি ব্যবসায়ী সংস্থার কর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। বিশ্ববাসীর জন্য পণ্য তৈরির লক্ষ্যে ভারতীয় বাজারকে কাজে লাগানোর আর্জি জানান মোদি।

    দু’দিনের জাপান (Japan) সফরের প্রথম দিনে সেদেশের শীর্ষ ব্যবসায়ীদের সঙ্গে দেখা করেন মোদি। কোয়াড শীর্ষ সম্মেলনে (QUAD Summit) যোগ দিতে সোমবার ভোরে টোকিও পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। সোমবার বিকেলে এনইসি (NEC) কর্পোরেশনের চেয়ারপার্সন নোবুহিরো এন্ডোর (Nobuhiro Endo) সঙ্গে দেখা করেন তিনি। ভারতের টেলিকম যোগাযোগ ক্ষেত্রে এনইসি-র ভূমিকাকে স্বাগত জানিয়েছেন মোদি।

    শিল্প উন্নয়ন, কর এবং শ্রম-সহ ভারতে ব্যবসা সহজ করার জন্য গৃহীত বিভিন্ন সংস্কার নিয়ে আলোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী এবং এনইসি প্রধান। মোদির সঙ্গে বৈঠকের পর এন্ডো ট্যুইটবার্তায় জানান, “আজ প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে ভাল আলোচনা হয়েছে। স্মার্ট সিটিগুলিতে কী ভাবে কাজ করা যায় সে সম্পর্কে কথা বলেছি তাঁর সঙ্গে। শিক্ষা ও অন্যান্য ক্ষেত্রে বর্তমান সরকারের বিভিন্ন পরিকল্পনা রয়েছে।” এপ্রসঙ্গে ভারতীয় বিদেশ মন্ত্রকের (MEA) মুখপাত্র অরিন্দম বাগচি জানান, ভারতে নতুন এবং উদীয়মান প্রযুক্তির সুযোগ নিয়ে আলোচনা হয় এই বৈঠকে।

    [tw]


    [/tw]

    এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রীর দু’টি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হয় সুজ়ুকি মোটর কর্পোরেশনের উপদেষ্টা ওসামু সুজ়ুকি (Osamu Suzuki), সফট ব্যাঙ্ক (Soft Bank) গ্রুপ কর্পোরশনের বোর্ড পরিচালক মসোয়াসির (Masayoshi Son) সঙ্গে। পরে মোদি জাপানের শীর্ষস্থানীয় পোশাক ব্র্যান্ড ইউনিক্লোর চেয়ারম্যান, তথা সিইও তাদাশি ইয়ানাইয়ের সঙ্গে দেখা করেন। পিএম মেগা ইন্টিগ্রেটেড টেক্সটাইল অঞ্চল (PM MITRA) এবং পার্ক স্কিম নিয়ে আলোচনা হয় দু’জনের মধ্যে। প্রকল্পের অধীনে তৈরি পার্কে একটি ইনকিউবেশন সেন্টার, একটি কমন প্রসেসিং হাউস, একটি কমন ট্রিটমেন্ট প্লান্ট এবং অন্যান্য বস্ত্র নির্মাণ সংক্রান্ত সুবিধা (ডিজাইন সেন্টার এবং টেস্টিং সেন্টার) থাকবে, বলে জানানো হয়েছে।

    আরও পড়ুন: ৪০ ঘণ্টার সফরে ২৩টি বৈঠক, ঠাসা কর্মসূচি নিয়ে জাপানে মোদি

    জাপানের ব্যবসায়ী কর্তাদের সঙ্গে দেখা করার পর প্রধানমন্ত্রী মোদি তাঁদের সঙ্গে তাঁর ছবি ট্যুইট করেন। সংক্ষেপে বৈঠকের আলোচ্য বিষয়গুলিও তুলে ধরে মোদি বলেন, “টোকিওতে শীর্ষস্থানীয় শিল্পপতিদের সঙ্গে কথা বলে আমি খুব খুশি। নানা বিষয় নিয়ে তাঁদের সঙ্গে কথা হয়। ভারতের প্রযুক্তি, উদ্যোগ, দেশীয় বাজার নিয়ে উৎসাহ প্রকাশ করেছেন সকলে। ভারতীয় যুবসমাজ এবং মোধার প্রতিও আকৃষ্ট এখানকার শিল্পপতিরা।”

  • Modi Biden Meeting: “ভারত-মার্কিন সম্পর্ক আস্থার সম্পর্ক”, বাইডেনের সঙ্গে বৈঠকে মন্তব্য মোদির

    Modi Biden Meeting: “ভারত-মার্কিন সম্পর্ক আস্থার সম্পর্ক”, বাইডেনের সঙ্গে বৈঠকে মন্তব্য মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টোকিওতে চলছে কোয়াড বৈঠক (Quad summit)। তারই ফাঁকে দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় বসলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ভারতের দুই রাষ্ট্রপ্রধান। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi) বলেন, “ভারত-আমেরিকার সম্পর্ক (India US relation) সম্পূর্ণ বিশ্বাসের উপর দাঁড়িয়ে আছে। প্রতিরক্ষা, বাণিজ্য-সহ অন্যান্য ক্ষেত্রে আমাদের দুই দেশের সম্পর্ক রয়েছে। ফলে আমাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও উন্নত হয়েছে। বিশ্বের অন্যান্য বিষয়েও বিভিন্ন সময় দুই দেশ একে অপরের পাশে দাঁড়িয়েছে।” 

    ইউক্রেনের (Ukraine) ওপর রাশিয়ার আগ্রাসনের এদিন কড়া নিন্দা করেছেন বাইডেন (Joe Biden)। এবিষয়ে ভারতের (India) অবস্থানের প্রশংসা করেছেন তিনি। ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধের (Ukraine Russia war) ফলে যেভাবে গোটা বিশ্বে মূল্যবৃদ্ধি হয়েছে সে বিষয়ে আলোচনা করেন দুই রাষ্ট্রনেতা।

    আরও পড়ুনঃ বিশ্ব-বাজারের পণ্য তৈরির ভিত্তিভূমি হোক ভারত, আহ্বান মোদির

    ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধে যখন আমেরিকা হুঁশিয়ারি জারি করেছিল, যে দেশ রাশিয়াকে সমর্থন করবে তারাই আমেরিকার শত্রু হিসেবে বিবেচিত হবে। এমতাবস্থায় ভারতের রাশিয়া থেকে তেল কেনার নিন্দা করেছিল গোটা বিশ্ব। অনেকেরই মনে হয়েছিল এবার আমেরিকার সঙ্গে ভারতের সম্পর্কের অবনতি হবে। এই ঘটনার কোনওরকম প্রভাব যে ভারত-মার্কিন সম্পর্কে পড়বে না এদিন তা পরিস্কার করেছেন বাইডেন। তিনি বলেন, কোনও দেশের রাশিয়ার সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্ক রয়েছে কিনা সেটা আমেরিকার দেখার বিষয় না।

    আরও পড়ুনঃ ৪০ ঘণ্টার সফরে ২৩টি বৈঠক, ঠাসা কর্মসূচি নিয়ে জাপানে মোদি

    কোভিড (covid-19) পরিস্থিতি সামলানোর বিষয়েও মোদিকে দরাজ সার্টিফিকেট দিলেন বাইডেন। চিন (China) যে পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে অসফল হয়েছে সেকথাও এদিন বলেন মার্কিন প্রধান। 

    [tw]


    [/tw]

    জো বাইডেন আরও বলেন, “এমন অনেক কিছু আছে যা আমাদের দুই দেশ একসঙ্গে করতে পারে এবং করবেও। মার্কিন-ভারত অংশীদারিত্ব তৈরির লক্ষ্যে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।” তিনি এও বলেন যে, “আমি খুশি যে আমরা ভারতে গুরুত্বপূর্ণ কাজ যেমন ভ্যাকসিন উৎপাদনে সহায়তা, ক্লিন এনার্জি উদ্যোগের জন্য বিনিয়োগ করতে পেরেছি। আমি আনন্দিত যে আমরা ভারত-মার্কিন ভ্যাকসিন অ্যাকশন প্রোগ্রাম পুনর্নবীকরণ করছি।” 

    কোয়াড বৈঠকের পরে আধঘণ্টা বৈঠক করেন মোদি-বাইডেন। এর আগে শেষ এপ্রিলে একসঙ্গে হয়েছিলেন এই দুই নেতা। 

       

  • Modi in Germany: “আর চলছে-চলবে নয়, করতে হবে-তে বিশ্বাস রাখে ভারত”, মিউনিখে মোদি

    Modi in Germany: “আর চলছে-চলবে নয়, করতে হবে-তে বিশ্বাস রাখে ভারত”, মিউনিখে মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জি-৭ বৈঠকে (G7 summit) যোগ দিয়ে পশ্চিমের দেশগুলিকে ভারতের তরফে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Modi) বার্তা, গত শতাব্দীতে জার্মানি (Germany) এবং অন্য দেশগুলি শিল্প বিপ্লব থেকে উপকৃত হয়েছিল। ভারত তখন পরাধীন ছিল। সেই কারণে সুবিধা আদায় করতে পারেনি। কিন্তু এখন চতুর্থ শিল্প বিপ্লবে (4th Industrial revolution) পিছিয়ে থাকবে না ভারত। তারাই এখন বিশ্বকে নেতৃত্ব দিচ্ছে। জি-৭ বৈঠকে যোগ দিতে রবিবার সকালে জার্মানি পৌঁছেছেন মোদি (Modi in Germany)। এ বারের বৈঠকের জন্য জার্মানিতে দু’দিন কাটাবেন প্রধানমন্ত্রী। এই বৈঠকে জি-৭ গোষ্ঠীভুক্ত দেশগুলির রাষ্ট্র নেতাদের সঙ্গেও মোদির দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করার কথা রয়েছে।

    রবিবার, মিউনিখে প্রবাসী ভারতীয়দের অনুষ্ঠানে জরুরি অবস্থার  প্রসঙ্গ টেনে বিরোধী কংগ্রেসকে (Congress) আবার কোণঠাসা করলেন প্রধানমন্ত্রী। মোদি এদিন বলেন, “ভারতীয়দের ডিএনএতে রয়েছে গণতন্ত্র। কিন্তু ৪৭ বছর আগে জরুরি অবস্থা (1975 Emergency) জারি করা ছিল স্বাধীন ভারতের ইতিহাসে কলঙ্কময় দিন।” তাঁর কথায়, “আজকের ভারত হল উন্নয়নের ভারত।” মোদি বলেন, “ভারত এখন প্রস্তুত, প্রস্তুত এবং অধৈর্য। ভারত অধৈর্য, ​​উন্নতির জন্য, উন্নয়নের জন্য। আজকের ভারত ‘চলছে-চলবে’ মানসিকতা থেকে বেরিয়ে এসেছে। আজকের ভারত করছি-করতে হবেতে বিশ্বাস রাখে।” বলেন প্রধানমন্ত্রী।

    আরও পড়ুন: জি-৭ সম্মেলনে যোগ দিতে মিউনিখে মোদি

    প্রধানমন্ত্রী জানান, দেশের প্রায় সমস্ত গ্রামে বিদ্যুৎ পৌঁছে গিয়েছে। দেশের ৯০ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক কোভিডের (COVID-19) ভ্যাকসিন পেয়েছেন। ভারতের ভ্যাকসিন (Indian vaccine) গোটা পৃথিবীকে দিশা দেখিয়েছে। করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ভারতের সাফল্যের কথা উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী মোদি।এছাড়াও ডিজিটাল টেকনলজিতে দেশের অগ্রগতির প্রসঙ্গেও কথা বলেন নরেন্দ্র মোদি। এইসঙ্গে জানান, গত ২ বছর ধরে ৮০ কোটি মানুষকে বিনামূল্যে রেশন দিচ্ছে সরকার। দেশের গ্রামগুলিতে শৌচালয়ের বন্দোবস্ত হওয়ায় খোলা জায়গায় শৌচকর্ম বন্ধ হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। মোদি বলেন, “আজ ভারতের প্রায় প্রতিটি গ্রাম সড়কপথে সংযুক্ত। আজ ভারতের ৯৯ শতাংশেরও বেশি মানুষের কাছে রান্নার জন্য গ্যাস সংযোগ রয়েছে। আজ ভারতের প্রতিটি পরিবার ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থার সঙ্গে সংযুক্ত। ” এদিন ধর্মনিরপেক্ষ, বৈচিত্রময় ভারতের বার্তা দেন তিনি। খাদ্য, পোশাক, সঙ্গীত বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভারতের সাংস্কৃতিক বৈচিত্রের কথা উল্লেখ করেন। এইসঙ্গে উন্নয়নের খতিয়ান দেন।

    জলবায়ু, খাদ্য নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য, লিঙ্গসাম্য এবং গণতন্ত্র-সহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনার জন্য প্রতি বছর জি-৭ গোষ্ঠীভুক্ত দেশগুলির মধ্যে বৈঠক  হয়। ভারত এই গোষ্ঠীর দেশ নয়। অন্য কয়েক বছরের মতো, এ বছরও পর্যবেক্ষক বা আমন্ত্রিত সদস্য হিসাবে অংশ নিয়েছে ভারত। এ বছর প্রধানমন্ত্রী মোদিকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন জার্মান চ্যান্সেলর ওলাফ শোলৎজ ( German Chancellor Olaf Scholz)। সোমবার তাঁর সঙ্গে বৈঠক হওয়ার কথা মোদির। মঙ্গলবার জার্মানি থেকে সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে (UAE) যাওয়ার কথা প্রধানমন্ত্রীর।

  • Visas for Afghan students: আফগান ছাত্রদের ভারতে পড়ার ছাড়পত্র দিতে আর্জি জানানোর পথে তালিবান

    Visas for Afghan students: আফগান ছাত্রদের ভারতে পড়ার ছাড়পত্র দিতে আর্জি জানানোর পথে তালিবান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে পড়াশোনা করতে আফগানিস্তানের ছাত্রদের ভিসা পুনরায় দেওয়ার জন্য ভারত সরকারের কাছে আর্জি জানাবে তালিবান। আফগান ছাত্রদের সঙ্গে বৈঠকে তাঁদের এই আশ্বাস দিয়েছেন আফগান বিদেশমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকি। ছাত্রদের তিনি আশ্বাস দেন তাঁরা শীঘ্রই ভারতে এসে নিজেদের পড়াশোনা শেষ করতে পারবেন। এ বিষয়ে দ্রুত ভারত সরকারের সঙ্গে কথা বলবে তালিবান,  জানিয়েছেন আফগান বিদেশমন্ত্রী। 
     
    বর্তমানে ভারতের নানা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় ১৩ হাজার আফগান ছাত্র পড়াশোনা করে। করোনার কারণে ভারত থেকে তাদের মধ্যে ২ হাজার জন আফগানিস্তানে ফিরে গিয়েছিল। পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হতেই আফগানিস্তানের রাজনৈতিক চিত্র বদলে যায়। তালিবানরা দেশ দখল করে। ফলে ভারত সরকার আফগান ছাত্রদের ভিসা দিতে অস্বীকার করে। করোনার সময় ক্লাস চলছিল অনলাইনে। তাই অসুবিধা হয়নি। কিন্তু এখন আর পরিস্থিতি আগের মতো নেই। তাই,অফলাইনে ক্লাস শুরু হয়ে গিয়েছে। ভারতের বিভিন্ন কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিদিন ক্লাস হচ্ছে। সমস্যায় পড়েছে আফগান ছাত্ররা।

    আরও পড়ুন: দলাই লামাকে মোদির ফোন! জন্মদিনে বৌদ্ধ ধর্মগুরুর দীর্ঘায়ু কামনা করলেন প্রধানমন্ত্রী

    কোভিডের পর ভারত সরকারের তরফ থেকে ই-ভিসার কথা ঘোষণা করা হলে বহু আফগান পডুয়া আবেদন জানায়। আজ প্রায় সাত মাস হল, ভারতীয় দূতাবাস ভিসা দিচ্ছে না বলে দাবি আফগান ছাত্রদের। ই-ভিসা দিতে দেরি করায় কয়েকদিন আগে কাবুলে ভারতীয় দূতাবাসের সামনে বিক্ষোভও দেখায় শতাধিক পড়ুয়া। তাদের সকলের হাতেই ছিল পোস্টার। ছাত্রদের দাবি,পড়াশোনার সঙ্গে রাজনীতি করা উচিত নয়। শিক্ষা সকলের অধিকার। সংখ্যাগরিষ্ঠ পড়ুয়ার মতে, আফগানিস্তানে যেহেতু শাসন ক্ষমতায় বদল ঘটেছে, সে কারণে ভারতীয় দূতাবাস ভিসা দিতে দেরি করছে। 

    আরও পড়ুন: কী হল বরিস সরকারের? চার মন্ত্রীর পদত্যাগে চিন্তায় জনসন

    গত আট মাস ধরে কয়েক হাজার আফগান পড়ুয়া ভারতে আসতে পারছেন না। তাই এই বিষয়ে তালিবান সরকারের হস্তক্ষেপ দাবি করেন তাঁরা। আফগানিস্তানের বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকও করেন ছাত্ররা।  বিদেশমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকি জানান, ছাত্ররা দেশের ভবিষ্যৎ। তাঁদের শিক্ষার বিষয়ে ভারত সরকারের সঙ্গে শীঘ্র কথা বলা হবে। 

  • China Pakistan Economic corridor: ঢিমেতালে চলছে চিন-পাক অর্থনৈতিক করিডরের কাজ, ক্ষুব্ধ শেহবাজ প্রশাসন

    China Pakistan Economic corridor: ঢিমেতালে চলছে চিন-পাক অর্থনৈতিক করিডরের কাজ, ক্ষুব্ধ শেহবাজ প্রশাসন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কথা ছিল প্রজেক্ট হবে ১৫টি। খরচ হবে ৬০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। চিন পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডরে (China Pakistan Economic corridor) মোট ১৫টি প্রজেক্টের মধ্যে বাস্তবায়িত হয়েছে মাত্র ৩টি। সাম্প্রতিক এক রিপোর্টেই উঠে এসেছে এই তথ্য। প্রত্যাশিতভাবেই ক্ষুব্ধ পাকিস্তানের নয়া সরকার।

    ২০১৩ সালে চিন (China) ও পাকিস্তানের (Pakistan) মধ্যে অর্থনৈতিক করিডর সংক্রান্ত চুক্তি হয়। ৪৬ হাজার কোটি ডলার বিনিয়োগ করে পাকিস্তানের মধ্যে দিয়ে চিন এই করিডর তৈরির চুক্তি চূড়ান্ত করে। পরে বিনিয়োগ আরও বাড়ে। শেষ হয় চিনের কাশগড় থেকে কারাকোরাম হাইওয়ে হয়ে পাকিস্তানের গ্বাদর (Gwadar) পর্যন্ত সড়ক নির্মাণের কাজ। করিডর বরাবর পরিকাঠামোও তৈরি হয়েছে। শেষ হয়েছে আরও দুটি প্রকল্প। তবে বাকি ১২টি প্রকল্পের কাজ বিশ বাঁও জলে। এর মধ্যে রয়েছে জল সরবরাহ ও বিদ্যুৎ উৎপাদনের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রজেক্টও। ঘটনায় যারপরনাই ক্ষুব্ধ পাকিস্তানের নয়া সরকার। তবে কাজ ঠিকঠাক গতিতেই এগোচ্ছে বলে দাবি চিন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডর রূপায়ণের দায়িত্বে থাকা কর্তাদের।

    কথা ছিল, প্রজেক্টের ৯০ শতাংশ টাকাই খরচ করবে ড্রাগনের দেশ। বাকি টাকা দেবে পাক সরকার। তবে এখন দেখা যাচ্ছে, চিনের আগ্রহের তালিকায় থাকা ৩টি প্রকল্পের কাজ শেষ করা হয়েছে। বাকিগুলির কাজ কবে শেষ হবে, তা কেউ জানে না। এই অর্থনৈতিক করিডরের একাংশ গিয়েছে পাক অধিকৃত কাশ্মীরের ভিতর দিয়ে। যার প্রতিবাদও জানিয়েছে ভারত। তবে ভারতের ওই প্রতিবাদ কানে তোলেনি পাক সরকার।

    প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে পাক ব্যবসায়ীদের তরফেও। জানা গিয়েছে, করিডর বেয়ে হু হু করে পাকিস্তানে ঢুকছে সস্তার চিনা পণ্য। আর পাকিস্তানের পণ্য চিনে ঢুকছে অত্যন্ত কম। যা নিয়ে ক্ষুব্ধ পাক ব্যবসায়ীরা। করিডর অথরিটিকে বাতিল করার প্রক্রিয়া দ্রুত শুরু করার নির্দেশ দিয়েছেন পাকিস্তানের পরিকল্পনা মন্ত্রী আহসান ইকবাল। তিনি বলেন, এটি একটি অপ্রয়োজনীয় সংস্থা। যে কেবল দেশের সম্পদ নষ্ট করেছে। কাজের কাজ কিছু হয়নি।

     

  • Rahul Gandhi: “আপনার নীতি ভুলে ভরা, ধ্বংসাত্মক…”, কেমব্রিজে রাহুলকে তোপ ভারতীয় অফিসারের

    Rahul Gandhi: “আপনার নীতি ভুলে ভরা, ধ্বংসাত্মক…”, কেমব্রিজে রাহুলকে তোপ ভারতীয় অফিসারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাহুল গান্ধীর ‘ইউনিয়ন অফ স্টেট’ তত্ত্বকে কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রশ্নের সামনে দাঁড় করালেন ভারতের এক সিভিল সার্ভিস আধিকারিক। সর্বভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম সারির নেতাকে দেশাত্মবোধের পাঠ পড়ালেন তিনি। ওই ভারতীয় সিভিল সার্ভেন্ট আধিকারিকের নাম সিদ্ধার্থ বর্মা।  তিনি IRTS অ্যাসোসিয়েশনের একজন সিভিল সার্ভেন্ট এবং কেমব্রিজে পাবলিক পলিসির একজন স্কলার।

    সাম্প্রতিককালে নানা অনুষ্ঠানে ‘ইউনিয়ন অফ স্টেট’ তত্ত্ব খাড়া করছেন রাহুল। যা নিয়ে ভারতের রাজনৈতিক মহলেও বিতর্ক অব্যাহত। রাহুলের বক্তব্য, ভারত কোনও দেশ নয়, বরং এটি রাজ্যের সমষ্টি। সংসদে দাঁড়িয়েও এই কথা বলেছিলেন তিনি। সম্প্রতি লন্ডনে একটি কনক্লেভে একই মন্তব্য করেন কংগ্রেস নেতা। এই বক্তব্যের প্রেক্ষিতেই এক কেমব্রিজ স্কলার পালটা প্রশ্ন ছুঁড়ে দেন রাহুলের দিকে। সেই প্রশ্নবাণে বিদ্ধ হয়ে চাণক্যের উদাহরণ তুলে ধরেন রাহুল। 

    রাহুলকে সিদ্ধার্থের প্রশ্ন ছিল, ‘আপনার মনে হয় না, ভারত সম্পর্কে আপনি যে ধারণা পোষণ করেন তা ভুল?’ রাহুলকে সিদ্ধার্থ বলেন, ‘আপনি সংবিধানের ১ নং অনুচ্ছেদ উদ্ধৃত করেছেন যে ভারত রাজ্যগুলির একটি ইউনিয়ন। আপনি যদি পৃষ্ঠাটি উলটে নিয়ে প্রস্তাবনাটি পড়েন তবে তাতে দেখবেন ভারতকে একটি জাতি হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে। ভারত নিজেই বিশ্বের প্রাচীনতম টিকে থাকা সভ্যতাগুলির মধ্যে একটি। এবং এই শব্দটি বেদেও রয়েছে… এমনকি চাণক্য তক্ষশিলায় শিক্ষাদানের সময় তাঁর ছাত্রদের কাছে ভারতকে একটি জাতি হিসাবে বর্ণনা করেছিলেন।’

    [tw]


    [/tw]

    এই যুক্তির জবাবে রাহুল বলেন, ‘চাণক্য ভারতকে জাতি হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন, তবে দেশ হিসেবে কি উল্লেখ করেছিলেন?’ এর জবাবে সিদ্ধার্থ বলেন, ‘চাণক্য রাষ্ট্র শব্দটির প্রয়োগ করেছিলেন। যার অর্থ দেশ।’ যদিও রাহুল নিজের বক্তব্যকে সঠিক প্রমাণ করার মরিয়া প্রচেষ্টায় দাবি করেন, ‘রাষ্ট্র মানে রাজ্য (kingdom), দেশ নয়।’ 

    এর উত্তরে সিদ্ধার্থ রাহুলকে বলেন, ‘আপনার কাছে আমার প্রশ্ন হল, একজন রাজনৈতিক নেতা হিসাবে, আপনি কি মনে করেন না যে ভারত সম্পর্কে আপনার ধারণাটি কেবল ত্রুটিপূর্ণ এবং ভুলই নয় বরং ধ্বংসাত্মকও বটে। কারণ এটি হাজার বছরের ইতিহাসকে মুছে দেওয়ার করার চেষ্টা করছে?’এ বিষয়ে আর কোনও উত্তর দেননি রাহুল।

  • IMF on Wheat export ban: ভারতকে গম রফতানির ওপর নিষেধাজ্ঞার সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আরজি আইএমএফ-র

    IMF on Wheat export ban: ভারতকে গম রফতানির ওপর নিষেধাজ্ঞার সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আরজি আইএমএফ-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতকে (India) যত তাড়াতাড়ি সম্ভব গম রফতানির ওপর নিষেধাজ্ঞার (Wheat export ban) সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করার আরজি জানাল আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার (International Monetary Fund), সংক্ষেপে আইএমএফ (IMF)।

    সম্প্রতি, দাভোসে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের (World Economic Forum) একটি বৈঠকের পর সংবাদমাধ্যমকে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে আইএমএফ প্রধান ক্রিস্টালিনা জর্জিভা (Kristalina Georgieva) বলেন, আমি জানি ভারতের প্রায় ১৩৫ কোটি লোককে খাওয়ানো প্রয়োজন। তাপপ্রবাহের জেরে সে দেশে যে কৃষি উৎপাদনশীলতা হ্রাস পেয়েছে, তাও জানি। তা সত্ত্বেও যত তাড়াতাড়ি সম্ভব আমি ভারতকে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করার অনুরোধ জানাব। কারণ যত বেশি দেশ রফতানি বিধিনিষেধের দিকে পদক্ষেপ করবে, তা দেখাদেখি অন্যরাও তা করবে। এতে আমরা সঙ্কট মোকাবিলায় ব্যর্থ হব।

    আরও পড়ুন : গম-ইস্যুতে ভারতের পাশে দাঁড়াল ড্রাগনের দেশ!

    প্রসঙ্গত, ক্রমবর্ধমান অভ্যন্তরীণ দাম নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থার অংশ হিসেবে গত ১৩ মে গম রফতানি নিষিদ্ধ করেছিল ভারত। ভারতের এই পদক্ষেপের তীব্র নিন্দা করেছিলেন জি-৭ (G-7) দেশগুলির কৃষিমন্ত্রীরা। ভারত বিশ্বে অন্যতম বড় গম রফতানিকারী দেশ। তাই গম রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করতেই বিপাকে পড়ে পশ্চিমের দেশগুলি। জার্মানির কৃষিমন্ত্রী সেম ওজদেমির বলেন, যদি সবাই রফতানি নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে বা বাজার বন্ধ করতে শুরু করে, তাহলে সঙ্কট আরও বাড়বে। তিনি বলেন, আমরা ভারতকে জি-২০ (G-20) সদস্য হিসেবে দায়িত্ব নিতে আহ্বান জানাচ্ছি। জানা গিয়েছে, জুনে জার্মানিতে হবে জি-৭ সম্মেলন। ওই সম্মেলনে যোগ দিতে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে। সেখানে ভারতকে জি-২০-র দায়িত্ব নেওয়ার সুপারিশ করতে পারে পশ্চিমের দেশগুলি।

    যদিও, ক্রেতা সুরক্ষা ও খাদ্য বিপণন মন্ত্রী পীযূষ গোয়েল ট্যুইটারে বলেন, বিশ্ব বাণিজ্যের এক শতাংশেরও কম গম রফতানি করে ভারত। আমাদের রফতানি নিয়ন্ত্রণ বিশ্ববাজারকে প্রভাবিত করবে না। আমরা দুর্বল দেশ ও প্রতিবেশী দেশগুলিতে রফতানির অনুমতি দিয়ে যাচ্ছি। 

    আরও পড়ুন : রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে ব্যাহত জোগান, ভারত থেকে গম কিনবে মিশর

    অবশ্য গম রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা জারির ব্যাপারে ভারতের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেছে চিন (China)। ভারতের অবস্থানকে সমর্থন করে প্রতিবেশী দেশটি বলেছে, ভারত নিজেরাই খাদ্য সঙ্কটে থাকে। আজ পশ্চিমের কোনও দেশ যদি ভারতের মতো বিশ্ব খাদ্য সঙ্কটের (World Food Crisis) মুখে পড়ে গম রফতানির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করত, তখন প্রশ্ন উঠত কি? চিনা কমিউনিস্ট পার্টির মুখপত্র গ্লোবাল টাইমসের একটি প্রতিবেদনে জি-৭ দেশগুলিকে ভারতের সমালোচনা না করে নিজেদেরই খাদ্য সঙ্কটের মোকাবিলায় এগিয়ে আসার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতকে দোষারোপ করলে খাদ্যসঙ্কট মিটে যাবে না। প্রতিবেদনে প্রশ্ন তোলা হয়েছে, আজ জি-৭ দেশগুলি ভারতের কাছে আবেদন করছে যাতে গম রফতানির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি না করা হয়। তাহলে এই দেশগুলি খাদ্য সরবরাহ স্থিতিশীল রাখতে নিজেরা কেন গম রফতানি বাড়াচ্ছে না? 

     

LinkedIn
Share