Category: বিদেশ

Get updates on World News Headlines International News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Pakistan Terrorism: ভারত, আমেরিকার প্রস্তাব খারিজ, পাক জঙ্গি শাহিদকে আন্তর্জাতিক জঙ্গি ঘোষণার বিরোধিতায় চিন

    Pakistan Terrorism: ভারত, আমেরিকার প্রস্তাব খারিজ, পাক জঙ্গি শাহিদকে আন্তর্জাতিক জঙ্গি ঘোষণার বিরোধিতায় চিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের আর ও একবার রাষ্ট্রসংঘে ভারতের বিরোধিতা করল চিন। লস্কর-ই-তইবা (Pakistan Terrorism) নেতা শাহিদ মাহমুদকে Shahid Mahmood আন্তর্জাতিক জঙ্গি হিসেবে ঘোষণা করার জন্য রাষ্ট্রসংঘে ভারত ও আমেরিকা আনা যৌথ প্রস্তাবকে খারিজ করল চিন। লস্কর-ই-তইবার এই শীর্ঘ নেতাকে এই মুহুর্তেই আন্তর্জাতিক জঙ্গি হিসেবে ঘোষণার পক্ষপাতী নয় বেজিং। তবে, চিনের এই আচরণ নতুন নয়। গত কয়েকমাসে এই নিয়ে চারবার ভারতে সন্ত্রাসবাদ বিরোধী প্রস্তাবের বিরোধীতা করে আসছে চিন। মার্কিন ট্রেজারি ডিপার্টমেন্ট ২০১৬ সালের ডিসেম্বর মাসেই মাহমূদকে আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী হিসেবে ঘোষণা করে।

    রাষ্ট্রসংঘে আল কায়দাকে নিষিদ্ধ করার আইনের আওতাতেই শাহিদক মাহমুদকে (Pakistan Terrorism) আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী হিসেবে ঘোষণা করতে উদ্যোগী হয়েছিল ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু চীন সে প্রস্তাবে বাধা দেওয়ায় শাহিদ মাহমুদের বিষয়টি নিয়ে আলোচনাই করতে পারেনি রাষ্ট্রসংঘের সদস্য দেশগুলি।

    [tw]


    [/tw]

    মুম্বইয়ে ২৬/১১ হামলার মূল চক্রী সাজিস মীরের প্রধান সহযোগী ছিলেন এই শাহিদ। চিন পাকিস্তান মদতপুষ্ট (Pakistan Terrorism) এই জঙ্গি নেতাকে আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী হিসেবে স্থগিত দেশ দেওয়ার সময়েই ভারতে সফরে এসেছেন রাষ্ট্রসংঘের মহাসচিব আন্তেনিও গুতেরেস (Antonio Guterres)। ২০০৮ সালে লস্কর ই তইবার এই আক্রমনে মুম্বই শহরে প্রায় ১৬০ জনেরও বেশি মানুষের প্রাণ হারায়। আহত হয়েছিল অসংখ্য মানুষ। ২৬/১১ নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতেই ভারতে এসেছেন রাষ্ট্রসংঘের মহাসচিব।

    প্রসঙ্গত, ২০২০ সালের বেশ কয়েকটি জঙ্গিগোষ্ঠীর মোট ১৮ জনকে ইউএপিএ আইনের আওতায় কালোতালিকা ভুক্ত করেছে ভারতে।এর মধ্যে রয়েছে লস্কর-ই-তৈবা, হিজবুল মুজাহিদীন, জইশ-ই-মহম্মদ, ইন্ডিয়ান মুজাহিদীন এবং দাউদ ইব্রাহিমের দলভুক্ত কয়েক নেতা৷সেই তালিকায় শাহিদ মেহমুদ ওরফে শাহিদ মেহমুদ রেহমাতুল্লাহরও নাম রয়েছে৷

    কান্দাহার বিমান অপহরণ কাণ্ডের মূল চক্রী আব্দুল রউফ আজহারকে কিছুদিন আগেই আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদী ঘোষণা করতে চেয়ে যৌথ প্রস্তাব দিয়েছিল ভারত ও আমেরিকা। সেখানেও একইভাবে বিরোধিতা করেছিল চিন। জুন মাসে লস্কর প্রধান হাফিজ সইদের শ্যালক মক্কিকে নিষিদ্ধ করতে চেয়েছিল ভারত। কিন্তু চিনের বিরোধিতায় ভারতের সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়ে যায়। বেজিং-এর এই ভূমিকায় বারবার সমালোচনা করেছে ভারত।

    চলতি বছরের ব্রিকস সম্মেলনেও নাম না করে চিনের প্রেসিডেন্ট জিনপিংকে বিঁধেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেছিলেন, সন্ত্রাসবাদ খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। সারা পৃথিবীর নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে একযোগে লড়াই করতে হবে। দেশের সংকীর্ণ রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে সন্ত্রাসবাদের মোকাবিলা করতে হবে। তবে মোদির এই আহ্বানে চিন যে সাড়া দেয়নি, সেটা রাষ্ট্রসংঘে তাদের আচরণেই প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে।লাগাতার এই ধরনের ঘটনা থেকে পরিষ্কার, পাকিস্তানি জঙ্গিদের আড়াল করতে সবসময় সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছে চিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     
     
  • S Jaishankar: কেবল ব্যবসা নয়, মিশরের সঙ্গে কাজও করতে চায় ভারত, জানালেন জয়শঙ্কর

    S Jaishankar: কেবল ব্যবসা নয়, মিশরের সঙ্গে কাজও করতে চায় ভারত, জানালেন জয়শঙ্কর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত (India) কেবল ব্যবসা করতে চায় না, মিশরের সঙ্গে কাজও করতে চায়। রবিবার এ কথা বলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। তিনি বলেন, আঞ্চলিক ও বিশ্বস্তরের সহযোগিতার মাধ্যমে ভারত-মিশর দুই দেশ কীই না করতে পারে! বর্তমানে মিশর সফরে গিয়েছেন জয়শঙ্কর। এটি তাঁর এই প্রথম মিশর সফর। ইজিপ্টের বিদেশমন্ত্রী সোমেহ শৌক্রির আমন্ত্রণে মিশরে গিয়েছেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী। সেখানেই তিনি মিশরের সঙ্গে দৃঢ় সম্পর্ক স্থাপনের কথা বলেন। কায়রোতে ইন্ডিয়া-ইজিপ্ট বিজনেস ফোরামের এক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন জয়শঙ্কর। সেখানেই ভাষণ দিতে গিয়ে দুই দেশের সম্পর্ক নিয়ে মন্তব্য করেন তিনি।

    এদিনের অনুষ্ঠানে জয়শঙ্কর (S Jaishankar) বলেন, আজ আপনাদের প্রতি আমার বার্তা হল, ভারত শুধু ব্যবসার জন্য খোলা নয়, মিশরের সঙ্গে আমরা কাজও করতে চাই। আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক স্তরের সহযোগিতার মাধ্যমে ভারত-মিশর দুই দেশ কীই না করতে পারে। গোটা বিশ্বে কোভিড পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। তার পরেও অবশ্য সব দেশ সমানভাবে ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি। সে প্রসঙ্গ টেনে জয়শঙ্কর বলেন, স্পেকট্রামের শেষে আমরা আরও বেশি আশাবাদী। কেবল দেশেই নয়, বিদেশেও ব্যবসা করার বিশাল সুযোগ তৈরি হয়েছে। এই ইভেন্টে কেমিক্যালস, ম্যানুফ্যাকচারিং, সার, শিক্ষা, পুনর্নবীকরণ শক্তি, রিটেল, ফার্মা এবং সার্ভিস ইন্ডাস্ট্রির প্রতিনিধিত্ব ছিল।   

    আরও পড়ুন:‘আড়াই বছর অত্যন্ত কঠিন ছিল…’ ভারত-চিন সম্পর্কের হাল হকিকত জানালেন জয়শঙ্কর

    গোটা আফ্রিকা মহাদেশের মধ্যে মিশরই ভারতের সাবেক ব্যবসায়িক পার্টনার। ২০২১-২২ অর্থবর্ষে দ্বিপাক্ষিক ব্যবসা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭.২৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে। ২০২০-২১ অর্থবর্ষের তুলনায় এই বৃদ্ধির হার ৭৫ শতাংশ। মিশরে ভারতীয় দূতাবাস সূত্রেই এ খবর মিলেছে। এদিনের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে যাওয়ার আগের দিন জয়শঙ্কর (S Jaishankar) সাক্ষাৎ করেছিলেন মিশরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাট্টা এই সিসির সঙ্গে। পরে জানিয়েছিলেন, ভারত-মিশর ব্যবসার পরিমাণ ৭.২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের উল্লেখ করে মিশরের প্রেসিডেন্ট তাঁকে জানিয়েছিলেন, এটাই যথেষ্ট বলে তিনি মনে করেন না। প্রেসিডেন্ট বলেছিলেন, ব্যবসার পরিমাণ কীভাবে আরও বাড়ানো যায়, তার পথ খুঁজে বের করতে হবে।       

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Joe Biden: পাকিস্তান বিশ্বের বিপজ্জনক দেশগুলির একটি, মার্কিন তোপে বেকায়দায় ইসলামাবাদ

    Joe Biden: পাকিস্তান বিশ্বের বিপজ্জনক দেশগুলির একটি, মার্কিন তোপে বেকায়দায় ইসলামাবাদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এ যেন বিনা মেঘে বজ্রপাত! পাকিস্তানকে (Pkistan) বিশ্বের বিপজ্জনক দেশগুলির একটি বলে দেগে দিল আমেরিকা (America)। শনিবার লস অ্যাঞ্জেলেসে ডেমক্রেটিক কংগ্রেসনার ক্যাম্পেন কমিটির রিসেপশনে ভাষণ দিচ্ছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন (Joe Biden)। তখন তিনি বলেন, পাকিস্তান বিশ্বের অন্যতম বিপজ্জনক দেশ। উপযুক্ত সুরক্ষা ছাড়াই পরমাণু অস্ত্র রেখেছে।

    এদিন বাইডেন (Joe Biden) বলেন, এই লোকটি (শি জিনপিং) যিনি বোঝেন তিনি কী চান, কিন্তু তাঁর সামনে রয়েছে সমস্যার পাহাড়। আমরা কীভাবে সেটা হ্যান্ডেল করব? রাশিয়ায় বর্তমানে যা চলছে, তাই বা হ্যান্ডেল করব কীভাবে? এর পরেই পাকিস্তানকে নিশানা করেন তিনি। বলেন, আমি মনে করি, বিশ্বের অন্যতম বিপজ্জনক একটি দেশ হল পাকিস্তান। যারা সুরক্ষা ছাড়াই রেখেছে পারমাণবিক অস্ত্র। সম্প্রতি পাকিস্তানকে এফ-১৬ যুদ্ধ বিমানের সরঞ্জাম সরবরাহের আশ্বাস দিয়েছিল আমেরিকা। তখন পাকিস্তানের হয়ে সাফাই দিতে গিয়ে মার্কিন বিদেশ সচিব অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন বলেছিলেন, খুব স্পষ্ট করে বলতে গেলে পাকিস্তানের কাছে দীর্ঘদিন ধরে রয়েছে এফ-১৬ যুদ্ধ বিমান। এগুলি পুরানো প্লেন এবং সিস্টেম, যা ইতিমধ্যেই তাদের কাছে রয়েছে। আমরা এই বহরের রক্ষণাবেক্ষণ ও টিকিয়ে রাখার জন্য সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহ করি। তাদের প্রতি আমাদের দায়িত্ব ও বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

    মার্কিন বিদেশ সচিবের এহেন মন্তব্যের ছাপ পড়েছিল ভারত-মার্কিন সম্পর্কে। মার্কিন ওই সিদ্ধান্তের জেরে প্রকাশ্যে অসন্তোষ প্রকাশ করেছিল নয়াদিল্লি। সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহে আমেরিকায় গিয়ে বাইডেন সরকারকে কটাক্ষ করে বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্কর বলেছিলেন, আপনারা আমাদের বোকা বানাতে পারবেন না। ভারতের বিদেশমন্ত্রীর ওই মন্তব্যের পর বিবৃতি জারি করে শেহবাজ শরিফের দেশ বলেছিল, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পাকিস্তানের দীর্ঘস্থায়ী এবং বিস্তৃত সম্পর্ক রয়েছে। এই সম্পর্কের মৌলিক নিয়মগুলিকে সম্মান করার এবং আমেরিকা ও পাকিস্তানের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিষয়ে মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হচ্ছে ভারতকে। ভারত তার কূটনৈতিক আচরণ খতিয়ে দেখুক।

    আরও পড়ুন: আগ্রহী খোদ আমেরিকা, ন্যাটোর অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে মোদির দেশ?

    এর পর এদিন মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই মন্তব্য তাৎপর্যপূর্ণ বলেই ধারণা আন্তর্জাতিক কূটনীতিকদের। সন্ত্রাসে আর্থিক মদত দেওয়ার অভিযোগে চার বছর ধরে ধূসর তালিকায় রয়েছে পাকিস্তান। সেই কলঙ্ক মোছার কথা ছিল খুব শীঘ্রই। বাইডেনের এই মন্তব্যের জেরে শাহবাজ শরিফের দেশ যে বেশ বেকায়দায় পড়ল, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • India Inflation: মুদ্রাস্ফীতির দিকে চোখ রেখে তৈরি হবে আগামী বাজেট, জানালেন সীতারমন

    India Inflation: মুদ্রাস্ফীতির দিকে চোখ রেখে তৈরি হবে আগামী বাজেট, জানালেন সীতারমন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী বাজেট খুব যত্ন সহকারে তৈরি করা হবে। একথা জানালেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন (Nirmala Sitharaman)। চড়া মুদ্রাস্ফীতি (India Inflation) ও বৃদ্ধির হার কমে যাওয়া (fiscal growth reduction)— এই জোড়া সমস্যার মোকাবিলা করতেই সতর্কতার সঙ্গে বাজেট কাঠামো তৈরি করা হবে বলেই জানান তিনি। চলতি অর্থবর্ষে ভারতীয় অর্থনীতির বৃদ্ধি প্রায় ৭ শতাংশ হবে বলেও আশাবাদী তিনি।

    বিশ্বব্যাংক (World Bank) এবং আন্তর্জাতিক অর্থভাণ্ডারের (IMF) বাৎসরিক বৈঠকে ওয়াশিংটনে (Washington DC) গিয়েছেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। সেখানেই বক্তৃতা দিতে গিয়ে তিনি বলেন, এই মুহূর্তে আগামী বাজেট নিয়ে নির্দিষ্ট করে বলা কঠিন হবে। কারণ এটা খুব তাড়াতাড়ি বলা হয়ে যাবে। কিন্তু ভারতে বৃদ্ধির হার থাকবে সবার ওপরে। এমন কী মুদ্রাস্ফীতির (India Inflation) মতো জ্বলন্ত সমস্যা আমার সামনে রয়েছে। তাই মুদ্রাস্ফীতির কথা বলতেই হয়। তিনি বলেন, এর পরেই প্রশ্ন উঠবে, বৃদ্ধির হার (Growth rate) কীভাবে নিয়ন্ত্রণে আনব? প্রসঙ্গত, ফেব্রুয়ারির ১ তারিখে সংসদে বাজেট পেশ করবেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন।

    আরও পড়ুন: বক্তাকে জল এগিয়ে দিলেন অর্থমন্ত্রী, নির্মলার ভাইরাল ছবিকে ঘিরে প্রশংসা নেটিজেনদের

    বাজেট নিয়ে নির্মলা সীতারমনের এই বক্তব্য উঠে এল ঠিক তখনই, যখন মুদ্রাস্ফীতি (India Inflation) ও কারখানার উৎপাদন সংক্রান্ত তথ্য় প্রকাশিত হয়েছে। এরই কিছু আগে আন্তর্জাতিক অর্থভাণ্ডার চলতি অর্থবর্ষে ভারতের আর্থিক বৃদ্ধির হার ৬.৮ শতাংশ বলে জানিয়েছে। যেটা বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের তালিকায় এগিয়ে রাখবে ভারতকে। ভারত যে ক্রমেই অর্থনৈতিক দিক থেকে উন্নত হচ্ছে, তা স্বীকার করেছেন অর্থনীতিবিদদের একাংশও। অর্থমন্ত্রী জানান, ভারতের আর্থিক বৃদ্ধির হার ক্রমশই উন্নতির দিকে যাচ্ছে। এবং সেটা যে এই দশকের বাকি সময়টায়ও থাকবে, সে ব্যাপারেও আশাবাদী অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন।

    মুদ্রাস্ফীতির (India Inflation) ক্রমবর্ধমান চাপ সত্ত্বেও সীতারমন জানান ভারতীয় অর্থনীতিকে (India Economy) আগামী দিনে বড় সমস্যায় পড়তে পারে। তার কারণ হল জ্বালানির উচ্চ মূল্য (Fuel Price Rise)। যদিও দরিদ্র দেশবাসীকে রক্ষা করার উপায় সরকার বের করবে বলেও জানান তিনি। অর্থমন্ত্রী বলেন, গত বছর আমাদের সার আমদানি (Fertilizer Import) করতে অতিরিক্ত ব্যয় করতে হয়েছিল। মোদি (Modi) সরকার এই ভার বহন করেছে বলেও জানান তিনি। সীতারমন  বলেন, ২০১৮-১৯ সালে চাষিরা সারের দাম যা দিয়েছিলেন, এবারও তাই দিয়েছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • India China: ‘আড়াই বছর অত্যন্ত কঠিন ছিল…’ ভারত-চিন সম্পর্কের হাল হকিকত জানালেন জয়শঙ্কর

    India China: ‘আড়াই বছর অত্যন্ত কঠিন ছিল…’ ভারত-চিন সম্পর্কের হাল হকিকত জানালেন জয়শঙ্কর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুই প্রতিবেশীর সম্পর্ক যেমন হওয়া উচিত, ভারত-চিন (India China) সম্পর্ক কখনওই তেমন ছিল না। তবে গত কয়েক বছরে এই সম্পর্কের আরও অবনতি হয়েছে। ভারত-চিন সম্পর্ক নিয়ে বলতে গিয়ে ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar) বলেন, কঠিন সময় ছিল আড়াই বছর। মঙ্গলবার সিডনিতে এক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়ে একথা বলেন তিনি। তবে প্রতিবেশীদের যেহেতু মিলেমিশে থাকতেই হয়, তাই চিনের সঙ্গে আলোচনার পথ খোলা রাখা হয়েছে বলেও জানান জয়শঙ্কর। ভারত (India) অস্ট্রেলিয়ার সম্পর্ক ও কোয়াড সদস্য হিসেবে সদস্য দেশগুলির সুরক্ষা প্রসঙ্গে শি জিনপিংয়ের দেশের প্রসঙ্গ টানেন জয়শঙ্কর। তিনি বলেন, গত আড়াই বছরে ভারত-চিন (India China) সম্পর্ক কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে গিয়েছে। এর মধ্যে ঝরেছে রক্তও। চল্লিশ বছর পর সীমান্তে রক্ত ঝরেছে। আমাদের ২০ জন সৈন্যকে হারাতে হয়েছে।

    প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা নিয়ে গত প্রায় আড়াই বছরেরও বেশি সময় ধরে বিরোধ চলছে ভারত-চিনের (India China)। সেই সূত্র ধরেই ভারতের বিদেশমন্ত্রী বলেন, তার পরেও আমাদের দেশের তরফে চিনের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হয়েছে। সংঘর্ষের পরের দিন সকালেও আমি চিনের বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ইকে ফোন করি। চিনের দিক থেকে আর যেন কোনও সামরিক পদক্ষেপ না করা হয়, তা নিশ্চিত করতে আবেদনও করি। ভারতের বিদেশমন্ত্রী বলেন, কূটনীতি হচ্ছে দুই দেশের কথা চালাচালি। এটা কেবল চিনের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রেই নয়, অন্য দেশের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। তাঁর প্রশ্ন, যদি কূটনীতিকরা পরস্পরের মধ্যে কথাবার্তা না বলেন, তা কী ধরণের কূটনীতি তাঁরা করবেন? তাঁর মতে, দিনের শেষে প্রতিবেশী দেশগুলির মিলেমিশে থাকাই শ্রেয়।

    আরও পড়ুন : মৌলবাদী শক্তিগুলি স্বাধীনতার অপব্যবহার করছে, কানাডার খালিস্থান সমর্থকদের প্রসঙ্গে জয়শঙ্কর

    গত কয়েক বছর ধরে ভারত-চিন (India China) সম্পর্ক যে কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে, তা আগেও একবার বলেছিলেন জয়শঙ্কর। অগাস্টে ব্যাংককে একটি অনুষ্ঠনে যোগ দিতে গিয়ে ভারতের বিদেশমন্ত্রী বলেছিলেন, ভারত-চিন সম্পর্ক খুবই কঠিন পর্যায়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। বিশেষত, বেজিং সীমান্তে যা করেছে, তার পর। তিনি এও বলেছিলেন, যদি দুটি প্রতিবেশী দেশ হাত না মেলায় তাহলে এশিয়ান সেঞ্চুরি হবে না।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Multan Pakistan: পাকিস্তানের এক হাসপাতালের ছাদ থেকে উদ্ধার প্রায় ৫০০ পচাগলা মানবদেহ

    Multan Pakistan: পাকিস্তানের এক হাসপাতালের ছাদ থেকে উদ্ধার প্রায় ৫০০ পচাগলা মানবদেহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার পাকিস্তানের মুলতান (Multan Pakistan) শহরের এক হাসপাতালের (Nishtar Hospital) ছাদ থেকে উদ্ধার হল শত শত পচাগলা মৃত দেহ (Decomposed Dead Bodies)। আশঙ্কা করা হচ্ছে মৃত দেহের সংখ্যা ৫০০- ও ছাড়িয়ে যেতে পারে। জানা গিয়েছে, মুলতানে নিশতার হাসপাতালের মর্গের ছাদ থেকে শত শত দেহের বিভিন্ন অংশ উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটতার তদন্তে নেমেছে পুলিশ। 

    বিষয়টি নিয়ে আপাতত উত্তাল সে দেশের সোশ্যাল মিডিয়া। সোশ্যাল মিডিয়ায় বিভিন্ন পোস্টে দাবি করা হয়েছে, মুলতানের নিশতার হাসপাতালের একটি পরিত্যক্ত ছাদে পড়ে রয়েছে শত শত মৃতের দেহাংশ। 

     

    আরও পড়ুন: সকলের বোধগম্য হোক, আঞ্চলিক ভাষায় আইন লেখার পক্ষে সওয়াল প্রধানমন্ত্রীর

    সূত্রের খবর, হাসপতালের ছাদে একটি নির্মিত ঘরেই দেহ গুলি পড়েছিল। মৃতের সংখ্যা নিয়ে সরকার বা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এখনও পর্যন্ত কিছুই জানায়নি। পাঞ্জাব প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীর উপদেষ্টা জানান, খবর আসে হাসপাতালের ছাদে রয়েছে পচা গলা দেহ। তারপরই তিনি হাসপাতাল পরিদর্শনে যান। তখনই তাঁকে এক ব্যক্তি মর্গে যেতে বলেন। তিনি অভিযোগ করে জানান, প্রথমে তাঁকে মর্গে ঢুকতে দিতে রাজি হয়নি হাসপাতালের কর্মীরা। জোর করে মর্গে ঢুকে ছাদ থেকে দেহগুলি উদ্ধার করেন। দেহগুলিকে চিল-শকুনে ছিড়ে খাচ্ছিল। বেশ কিছু দেহতে পোকাও লেগে গিয়েছিল বলে দাবি করেছেন তিনি। সেখানে নারী ও পুরুষদের দেহ উলঙ্গ অবস্থায় পাওয়া গিয়েছে বলে খবর। দেহগুলি বিক্রি করা হচ্ছিল কিনা তাও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছ জানতে চান ওই সরকারি আধিকারিক। হাসপাতালের তরফ থেকে জানানো হয়, মেডিক্যাল ছাত্রদের কাজে লাগে দেহগুলি। 

    প্রসঙ্গত, মানুষ নিখোঁজ হওয়ার সংখ্যার নিরিখে বিশ্বে শীর্ষে পাকিস্তান। প্রতি বছরই গড়ে ২ হাজারের ওপর মানুষ নিখোঁজ হয় সেখানে। ২০২১ সালে প্রায় ৮ হাজার মানুষ হারিয়ে গিয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে পাকিস্তানের মানবাধিকার কমিশন। বেসরকারি হিসেব অনুযায়ী ৬৫০০ বালোচ ও ৫ হাজার পাশতুন নিখোঁজ হয়েছে গত এক বছরে। মৃতদেহগুলি বালোচ বা পাশতুনদেরও হতে পারে বলে অনুমান। কারণ পাকিস্তান নিরাপত্তারক্ষীরা বালোচ এবং পাশতুনদের গুম করছে বলে অভিযোগ রয়েছে দীর্ঘ কয়েক বছর ধরেই। জানা গিয়েছে, দেহগুলির গঠন অনেকটা পাহাড়ি মানুষের মত হওয়ায় সন্দেহ বেড়েছে। ডিএনএ পরীক্ষা করার আশ্বাস দিয়েছে পাক প্রশাসন।   

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • China: বেজিংয়ের রাজপথ ছয়লাপ ‘বিশ্বাসঘাতক একনায়ক’ লেখা ব্যানারে, নিশানায় কে?   

    China: বেজিংয়ের রাজপথ ছয়লাপ ‘বিশ্বাসঘাতক একনায়ক’ লেখা ব্যানারে, নিশানায় কে?   

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বেজিংয়ের রাজপথ ছয়লাপ ‘বিশ্বাসঘাতক একনায়ক’ লেখা ব্যানারে। ঘটনায় এটা স্পষ্ট যে ২০তম কংগ্রেসে রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে পুননির্মাণের আগে চিনের (China) প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং (Xi Jinping) যথেষ্ঠ চাপে রয়েছেন। দিন কয়েক আগে শি জিনপিংকে গৃহবন্দি করে রাখা হয়েছিল বলে খবর ছড়িয়েছিল। পরে অবশ্য তাঁকে প্রকাশ্যে দেখা যায়। চিনের সর্বাধিনায়কের বিরুদ্ধে বিশ্বাসঘাতক একনায়ক লেখা ব্যানার পড়ায় অস্বস্তিতে পার্টি। যদিও ব্যানারের ছবি প্রকাশ্যে আসতেই তড়িঘড়ি সরিয়ে নেওয়া সেগুলি।

    চিনের রাজধানী বেজিংয়ের এক সাংবাদিকের করা ট্যুইট থেকে জানা গিয়েছে, কোনও কোনও ব্যানারে চিনের জিরো কোভিড পলিসির বিরোধিতা করা হয়েছে। লেখা হয়েছে, আমরা কোভিড পরীক্ষা চাই না, খাবার চাই। লকডাউন চাই না, স্বাধীনতা চাই। আবার কোনও কোনও ব্যানারে লেখা হয়েছে, বিশ্বাসঘাতক একনায়ক (Dictatorial Traitor)। জানা গিয়েছে, সোশ্যাল মিডিয়ায় ওই ব্যানারের ছবি ছড়িয়ে পড়তেই দ্রুত খুলে নেওয়া হয় সেগুলি। হেইডিয়ান জেলায় ব্যানারের নীচে রাস্তার ওপর থেকে ধোঁয়া উঠতেও দেখা গিয়েছে। সেখানে জনতা স্লোগান দিতে দেখা গিয়েছে এই বলে যে স্কুলে ধর্মঘট করা যাক, ধর্মঘট করা যাক কাজেও, বিশ্বাসঘাতক একনায়ক শি জিনপিংকে সরানো যাক।

    আরও পড়ুন: ‘আড়াই বছর অত্যন্ত কঠিন ছিল…’ ভারত-চিন সম্পর্কের হাল হকিকত জানালেন জয়শঙ্কর

    প্রসঙ্গত, বেজিংয়ের জিরো কোভিড পলিসির কারণে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা, কোয়ারেন্টাইন এবং পরপর লকডাউনের ওপর ব্যাংক করে সমালোচনার সম্মুখীন হয়েছে জিন পিং সরকার। যদিও চিনা সরকারের দাবি, কোভিড প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে এটি দারুণ কার্যকর হয়েছে। প্রসঙ্গত, চিনা নাগরিকরা আশা করেছিলেন যে ২০ তম কংগ্রেসের পরে জিরো কোভিড নীতি শেষ হবে। প্রসঙ্গত, চিনের রাষ্ট্রীয় মিডিয়ার একটি সম্পাদকীয়তে ভাইরাস নিয়ন্ত্রণ সম্পর্কে একটি লেখা প্রকাশিত হতেই  তাঁদের নিরাশ হতে হয়। চিনের কড়া কোভিড নীতির কারণে থমকে গিয়েছে অর্থনৈতিক উন্নতি। জিনপিংয়ের আমলে মার খেয়েছে রিয়েল এস্টেটের ব্যবসা। এই ব্যানার-আন্দোলনের পর জিন পিংয়ের পদ থাকে কিনা, এখন সেটাই দেখার।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • S Jaishankar: আমি রস টেলরের ভক্ত! ভারত-নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট নিয়ে কী বললেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর

    S Jaishankar: আমি রস টেলরের ভক্ত! ভারত-নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট নিয়ে কী বললেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাঁর ক্রিকেটপ্রেম অজানা নয়। স্কুল, কলেজ জীবনে ব্যাট-বল নিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাটিয়ে দিতেন সবুজ গালিচায়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বদলেছে অনেক কিছু। কর্মক্ষেত্রে বেড়েছে দায়দায়িত্ব। বিদেশমন্ত্রীর মতো গুরুত্বপূর্ণ পদ সামলানোর পাশাপাশি ক্রিকেটের যাবতীয় খবর যে তিনি এখনও সমানভাবে রাখেন, তা ধরা পড়ল এস জয়শঙ্করের কথায়। ভারত-নিউজিল্যান্ডের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে ক্রিকেটকে মাধ্যম করলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী। দুই দেশের মধ্যে ক্রিকেট সিরিজের প্রশংসা শোনা গিয়েছে তাঁর মুখে। জয়শঙ্কর বলেন, ‘বাইশ গজে দুই দেশের সুষ্ঠু লড়াই সকলেই উপভোগ করে। নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটের কথা উঠলেই অনেক মুখ চোখের সামনে ভিড় করে। দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হয়েছে ক্রিকেটের সুবাদে।’

    আরও পড়ুন: ভারতীয়দের মার্কিন ভিসা পেতে এত দেরি হচ্ছে কেন? ব্লিঙ্কেনকে প্রশ্ন জয়শঙ্করের   

    ভারতীয় দলের প্রাক্তন কোচ জন রাইটের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন জয়শঙ্কর। তিনি বলেন, ‘জন রাইটের কোচিংয়ে ভারতীয় ক্রিকেট নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছিল। স্টিফেন ফ্লেমিং এখন চেন্নাই সুপার কিংসের কোচ। আমিও যেহেতু ওই অঞ্চলের মানুষ, তাই চেন্নাইয়ের ক্রিকেটপ্রেমীদের কাছে ফ্লেমিংরে জনপ্রিয়তা টের পাই। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের ক্যাপ্টেন কেন উইলিয়ামসন। অত্যন্ত ভদ্র ক্রিকেটার। তবে নিউজিল্যান্ডের ক্রিকেটারদের মধ্যে আমি রস টেলরের ভক্ত।’

    আরও পড়ুন : ভারতকে নিশানা করে মিথ্যা অভিযোগ! নিরাপত্তা পরিষদে ফাঁস হল পাকিস্তানের দ্বিচারিতা

    এটা জয়শঙ্করের দ্বিতীয় অস্ট্রেলিয়া সফর। তাঁকে স্বাগত জানাতে তেরঙ্গা পতাকায় মুড়ে ফেলা হয়েছিল রাজপথ। যা দেখে অভিভূত ভারতের বিদেশমন্ত্রী। পরে তিনি ক্যানবেরায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন। রাষ্ট্রপুঞ্জের সাধারণ অধিবেশনে ভারত কি ভোট দেবে রাশিয়ার বিরুদ্ধে? এই প্রশ্ন ছুঁড়ে দেওয়া হয়েছিল তাঁর দিকে। তবে টেস্ট ক্রিকেটের ধাঁচেই বাউন্সার সামলে তিনি বলেন, ‘ভোট দানের ক্ষেত্রে আগে থেকে কোনও কিছুই বলা সম্ভব নয়।’ ভারতের অস্ত্রভাণ্ডারে রাশিয়ার তৈরি অস্ত্রের বাড়বাড়ন্ত প্রসঙ্গে করা প্রশ্নের জবাবে মাঠের বাইরে ছক্কা মারেন জয়শঙ্কর। তাঁর সোজা জবাব, ‘পশ্চিমি দেশগুলি তো তখন ভারতে অস্ত্র সরবরাহ করত না। তাই বিকল্প ভাবা হয়েছে।’ উল্লেখ্য, এর আগে রাষ্ট্রপুঞ্জের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের রাশিয়ার বিরুদ্ধে ভোটদান থেকে বিরত ছিল ভারত। কূটনৈতিক মহলের ধারণা, সেই কারণেই ভোটদানের ব্যাপারে আগেভাগে মুখ খুলতে চাননি বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্কর। একই সঙ্গে তিনি অস্ট্রেলিয়া সরকারের কাছে স্টুডেন্ট ভিসা আরও সরলীকরণের দাবি জানিয়েছেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • Ukraine NATO: ইউক্রেন ন্যাটোয় যোগ দিলেই তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ, হুঁশিয়ারি রাশিয়ার

    Ukraine NATO: ইউক্রেন ন্যাটোয় যোগ দিলেই তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ, হুঁশিয়ারি রাশিয়ার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউক্রেন ইউরোপীয় জোট ন্যাটোতে যোগ দিলেই ইউক্রেন-রাশিয়া (Ukraine-Russia) সংঘাত তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের (Third World War) আকার নেবে। বৃহস্পতিবার এমনটাই জানালেন রাশিয়ার সিকিউরিটি কাউন্সিলের এক আধিকারিক। গণভোটের মাধ্যমে ইতিমধ্যেই ইউক্রেনের (Ukraine) চারটি অঞ্চল দখল করেছে রাশিয়া (Russia)। কিছুদিন আগেই ইউক্রেনের ১৮% নিজেদের দখলে নেওয়া ঘোষণা করেছেন পুতিন। এরপর থেকেই তীব্রতা বেড়েছে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের।  ক্রাইমিয়ার সঙ্গে সংযোগকারী সেতুতে বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে ইউক্রেন। এর জেরে বেশ বিপাকে পড়েছে পুতিনের দেশ। এরপরেই রাশিয়ার এই হুশিয়ারি সামনে এল। বৃহস্পতিবার রাশিয়ার জাতীয় সংবাদ সংস্থা তাস নিউজে রাশিয়ার নিরাপত্তা পরিষদের ডেপুটি সেক্রেটারি আলেকজান্ডার ভেন্ডেডিক্টোভ (Alexander Venediktov) বলেছেন, “ইউক্রেন ন্যাটোতে অন্তর্ভুক্ত হলে তার ফল হবে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ।” এই ন্য়াটো সমস্যাকে কেন্দ্র করেই রাশিয়া-ইউক্রেনের মধ্যে যাবতীয় সমস্যার সূত্রপাত। ইউক্রেন ন্যাটোর সদস্যপদ গ্রহণ করা নিয়েই রাশিয়ার যাবতীয় রোষ ছিল।  

    আরও পড়ুন : ভারত-সহ ৩৫টি দেশ সেই প্রস্তাবে ভোটদান থেকে নিজেদের দূরে সরিয়ে রাখে।

    ভেন্ডেডিক্টোভ আরও বলেন, “কিয়েভ খুব ভাল করে জানে, এই ধরনের ঘটনা ঘটলে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়ে যাবেই। অবশ্য ওরা সেটাই চাইছে। সমস্যা তৈরি করে নিজেদের প্রতি সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে। আমি মনে করি ইউক্রেনকে ন্যাটোর সদস্য করার পরিকল্পনার পরিণতি পশ্চিম বুঝতে পেরেছে। এই ধরনের পদক্ষেপ যে আত্মঘাতী তা ন্যাটোর সদস্যদের বোঝা উচিৎ।” ইউক্রেনের ন্যাটো সংযুক্তিকরণ নিয়ে বার বার তীব্র আপত্তি জানিয়েছেন ভ্লাদিমির পুতিন। পুতিন বারবার ন্যাটোর সম্প্রসারণ নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে আপত্তি তুলেছেন। বিশেষ করে ইউক্রেন এবং জর্জিয়ার মতো প্রাক্তন সোভিয়েত প্রজাতন্ত্রের জন্য তার বেশি আপত্তি। কারণ রাশিয়া আজও এই দেশদুটিকে নিজের অংশ মনে করে।     

    গত মাসেই পুতিন পশ্চিমি দেশগুলির উদ্দেশ্যে বলেন, “প্রয়োজনে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করতে প্রস্তুত।” এর উত্তরে ন্যাটোর সাধারণ সচিব জেন্স স্টলটেনবার্গ হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছিলেন, “পুতিন তাঁর সীমা অতিক্রম করে গিয়েছেন।”

    নিঃসন্দেহে ইউক্রেন সংঘর্ষকে কেন্দ্র করে এভাবেই রাশিয়া বনাম পশ্চিমী দেশগুলির সংঘাত তীব্রতর আকার ধারণ করেছে। এর আগেও ইউক্রেনে হামলা নিয়ে পুতিন বেশ কয়েকবার পরমাণু যুদ্ধের হুঁশিয়ারি দিতেও ছাড়েননি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছেন, “১৯৬২ সালের কিউবান ক্ষেপণাস্ত্র সংকট থেকেই শেষ পারমানবিক যুদ্ধের দিকে এগোচ্ছে বিশ্ব। সে কারণেই আগামী সপ্তাহে ‘স্টেডফাস্ট নুন’ নামে বার্ষিক পরমাণু প্রস্তুতি মহড়া চালাবে ন্যাটো।” প্রসঙ্গত, রাশিয়া এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সবচেয়ে বড় পারমাণবিক শক্তি। তারা বিশ্বের প্রায় ৯০% পারমাণবিক ওয়ারহেড নিয়ন্ত্রণ করে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Cyber attack on Iran state tv : হিজাব বিতর্কের জের,সাইবার হামলা ইরানের রাষ্ট্রীয় টিভি চ্যানেলে

    Cyber attack on Iran state tv : হিজাব বিতর্কের জের,সাইবার হামলা ইরানের রাষ্ট্রীয় টিভি চ্যানেলে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আয়াতুল্লাহ খামেইনির নেতৃত্বাধীন ইরান সরকার ১২ জুলাই দিনটিকে জাতীয় হিজাব ও পবিত্র দিবস হিসেবে ঘোষণা করার পর থেকেই প্রতিবাদে সরব হয়েছেন সে দেশের মহিলারা। সরকার হিজাব বিরোধী আন্দোলনকারীদের স্বর বন্ধ করার জন্য নির্মম ভাবে হত্যালীলা চালাচ্ছে সারাদেশ জুড়ে।

    সম্প্রতি হিজাব নিয়ে ‘নীতি পুলিশির’ জেরে ১৬ সেপ্টেম্বর মৃত্যু হয় বছর ২২-র মাহশা আমিনীর। তাঁর মৃত্যুর পরেই ইরান জুড়ে শুরু হয় হিজাব বিরোধী আন্দোলন। রাজধানী তেহেরানের রাস্তায় হিজাব পরার আইন বাতিলের দাবিতে জড়ো হন প্রতিবাদীরা। রবিবার সকালে এই আন্দোলনের আঁচ দেখা গেল ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন চ্যানেলে। ইরানের এই সরকারি চ্যানেলটিতে লাইভ সম্প্রচার (Live Broadcast) চলাকালীন হঠাৎ সাইবার হানাকারীরা কয়েক সেকেন্ডের জন্য চ্যানেলটিকে হ্যাক করে ফেলে। তারা একটি ছবি প্রদর্শন করে, সেই ছবিতে দেখা যাচ্ছে দেশটির সর্ব্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেইনির (ayatollah khaminei) ছবির নীচে হিজাব বিরোধী আন্দোলনে নিহত মাহসা আমিনী (Mahsa Amini) হাদিস নাজাফি (Hadis Najafi) সহ আরও দুটি মেয়ের ছবি রয়েছে। আয়াতুল্লাহ খামেইনিকে উল্লেখ করে ছবিতে লেখা আছে, তরুণ- তরুণীদের (Youth) রক্ত আপনার হাতে লেগে আছে। হ্যাকিংয়ের কারণে ১২ সেকেন্ড আইআরআইবির পর্দা হ্যাকারদের দখলে থাকার পর ফিরে আসেন সংবাদ উপস্থাপক।এদালাত-ই আলী (Edalat-e Ali ) নামে একদল হ্যাকার গ্রুপ এই ঘটনাটি ঘটিয়েছে।

    [tw]


    [/tw] 

    ইরান সরকারের এই বর্বরচিত অত্যাচারের নিন্দা জানিয়েছেন বিশ্ব মহল। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মাহসা আমিনির মৃত্যুর প্রতিক্রিয়ায় ইরানের সরকারি কর্মকর্তাদের উপর আরও নিষেধাজ্ঞা জারী করেছে। এমনিতেই তেল রপ্তানি নিয়ে আমেরিকার নিষেধাজ্ঞা আগে থেকেই আরোপ ছিল। আমেরিকার ফরেন অ্যাসেট কন্ট্রোল অফিস ইরানের মানুষদের মানবাধিকার হনন করার অপরাধে সাতজন উচ্চপদস্থ ব্যক্তিদের উপর আর্থিক জরিমানা করেছে।

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সেক্রেটারি অফ স্টেট অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন বলেছেন, এই নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে মৌলিক অধিকারের জন্য বিক্ষোভরত ইরানের সাহসী নাগরিকদের পাশে দাঁড়িয়েছে তারা।

    এছাড়াও কানাডা সরকারও ২৫ ব্যক্তি সহ নয়টি প্রতিষ্ঠান, ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসি এবং দেশটির গোয়েন্দা মন্ত্রণালয়ের উপর  নিষেধাজ্ঞা চাপিয়েছে। ইরানের প্রেস টিভি নামক ইংরেজী চ্যানেলের উপর নিষেধাজ্ঞা জারী করেছে কানাডা সরকার।

    প্রসঙ্গত, নরওয়েভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা ইরান হিউম্যান রাইটস গত ৭ অক্টোবর জানায়, বিক্ষোভে অন্তত ১৫৪ জন নিহত হয়েছেন। গ্রেপ্তার হয়েছেন অনেক মানুষ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
     
LinkedIn
Share