Category: বিদেশ

Get updates on World News Headlines International News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Teesta Setalvad: তিস্তার গ্রেফতারি নিয়ে উদ্বেগ রাষ্ট্রপুঞ্জের, কী বলল ভারত? 

    Teesta Setalvad: তিস্তার গ্রেফতারি নিয়ে উদ্বেগ রাষ্ট্রপুঞ্জের, কী বলল ভারত? 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সমাজকর্মী তিস্তা শেতলবাদ (Teesta Setalvad) ও দুই প্রাক্তন পুলিশ আধিকারিকের গ্রেফতারির প্রতিবাদ জানিয়েছিল রাষ্ট্রপুঞ্জ (UN)। অবিলম্বে তাঁদের মুক্তিও দাবি করেছিল তারা। বুধবার তারই কড়া প্রতিক্রিয়া দিল ভারত (India)। জানিয়ে দিল, এই ধরনের মন্তব্য সম্পূর্ণ অনভিপ্রেত। প্রসঙ্গত, দিন কয়েক আগে তিস্তা ও ওই দুই প্রাক্তন পুলিশ কর্তাকে গ্রেফতার করেছিল গুজরাট পুলিশের এসটিএফ (STF)। এদিকে, অন্য একটি ঘটনায় সোমবার গ্রেফতার করা হয় সাংবাদিক মহম্মদ জুবেরকে।

    সম্প্রতি রাষ্ট্রপুঞ্জের তরফে করা একটি ট্যুইটে তিস্তা সহ তিনজনের গ্রেফতারিতে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। এবং দ্রুত তাঁদের মুক্তির দাবিও জানানো হয়। ট্যুইটারে মানবাধিকার পরিষদ লিখেছে, তিস্তা শেতলবাদকে আটক ও গ্রেফতার করার ঘটনায় আমরা অত্যন্ত উদ্বিগ্ন। অবিলম্বে তাঁর মুক্তির দাবি জানাচ্ছি। আন্দোলন করা এবং ২০০২ এর গুজরাট দাঙ্গায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে থাকার জন্য কাউকে শাস্তি দেওয়া যায় না।

    আরও পড়ুন : গ্রেফতার তিস্তা, জালিয়াতি ও ষড়যন্ত্রের মামলা রুজু

    এদিকে, জুবেরের গ্রেফতারির প্রতিবাদ জানিয়েছেন রাষ্ট্রপুঞ্জের মহাসচিব আন্তোনিয়ো গুতারেসের মুখপাত্র। তিনি বলেন, একজন সাংবাদিক কী লিখলেন বা ট্যুইট করলেন, সেজন্য তাঁকে জেলে বন্দি করা যায় না।

    রাষ্ট্রপুঞ্জের এহেন মন্তব্যে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ভারত। বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচি বিবৃতি জারি করে জানিয়েছেন, তিস্তা শেতলবাদ ও অন্যদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রসঙ্গে রাষ্ট্রপুঞ্জের মানবাধিকার পরিষদের মন্তব্য তাঁরা শুনেছেন। বাগচি বলেন, এই ধরনের মন্তব্য সম্পূর্ণ অনভিপ্রেত ও ভারতের স্বাধীন বিচার বিভাগীয় ব্যবস্থায় নাক গলানোর শামিল। দেশের বর্তমান বিচার প্রক্রিয়া অনুযায়ী ভারত সরকার আইন লঙ্ঘনকারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়। এই ধরনের আইনি পদক্ষেপকে আন্দোলন-দমন হিসেবে দাগিয়ে দেওয়া একেবারেই মেনে নেওয়া যায় না। এর ফলে আসলে ভুল বোঝাবুঝি হয়।

    আরও পড়ুন : কে এই তিস্তা শেতলবাদ? জানুন

    প্রসঙ্গত, দিন কয়েক আগে গ্রেফতার করা হয় তিস্তা ও দুই প্রাক্তন পুলিশ কর্তাকে। দিল্লিতে সোমবার গ্রেফতার করা হয় অল্ট নিউজের সহ প্রতিষ্ঠাতা মহম্মদ জুবেরকে। উগ্র হিন্দুত্ববাদীদের বিভিন্ন উসকানিমূলক বক্তৃতা নিরন্তর সমাজমাধ্যমে তুলে ধরা জুবেরকে গ্রেফতার করা হয় ২০১৮ সালের একটি ট্যুইটের জেরে। এর পরেই রাষ্ট্রপুঞ্জের মানবাধিকার পরিষদের পাশাপাশি মহাসচিবের মুখপাত্রের তরফেও প্রকাশ করা হয় উদ্বেগ।

     

     

  • BRICS: ব্রিকসে বাধা পাকিস্তানকে, ভারতের পাশে দাঁড়াল চিনও

    BRICS: ব্রিকসে বাধা পাকিস্তানকে, ভারতের পাশে দাঁড়াল চিনও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিনের (China) সহযোগিতায় ব্রিকস(BRICS) সামিটে পাকিস্তানের (Pakistan) উপস্থিতি আটকে দিল ভারত (India)। বহু চেষ্টা করেও শেহবাজ শরিফের দেশ ঢুকতে পারল না ব্রিকসে। যদিও আমন্ত্রিতদের তালিকায় ছিল আলজিরিয়া, আর্জেন্টিনা, মিশর, ইন্দোনেশিয়ার মতো ১৩টি দেশ। ঘটনাটিকে আন্তর্জাতিক মঞ্চে মোদি সরকারের জয় হিসেবেই দেখছেন কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা। কূটনৈতিক মহলের বক্তব্য, পাকিস্তানকে আটকাতে প্রথম থেকেই সক্রিয় ছিল ভারত। তাতে সাফল্য মিলল কারণ চিনও তার সব চেয়ে কাছের বন্ধু পাকিস্তানের হাত ছেড়ে ভারতের সঙ্গে সহমত হয়েছে। ঘটনায় প্রত্যাশিতভাবেই হতাশ ইসলামাবাদ।  

    আরও পড়ুন: কাশ্মীরে জি-২০, পাকিস্তানের পরে এবার আপত্তি চিনেরও

    ভারত, চিন, ব্রাজিল, দক্ষিণ আফ্রিকা এবং রাশিয়াকে নিয়ে গঠিত হয়েছে ব্রিকস। জুনের ২৪ তারিখে শীর্ষ পর্যায়ের ভার্চুয়াল বৈঠকে বসেন ব্রিকসের সদস্য দেশগুলির প্রতিনিধিরা। ওই বৈঠকের আগে আগে চিনে নিযুক্ত ভারতীয় রাষ্ট্রদূত দেখা করেন চিনা বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ই-র সঙ্গে। প্রকাশ্যে বলা হয়েছিল দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও আন্তর্জাতিক বিষয় নিয়ে আলোচনার জন্য ওই বৈঠক। সূত্রের খবর, দ্বিপাক্ষিক অন্যান্য আলোচনার পাশাপাশি ব্রিকসে পাকিস্তানের আমন্ত্রণের বিষয়টি নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়ে যায় সেখানেই।

    আরও পড়ুন : বন্দরের ফাঁদে ফেলেই শ্রীলঙ্কাকে ডোবাল চিন?

    কূটনৈতিক মহলের মতে, ব্রিকস বৈঠকে যে দেশগুলি যোগ দিয়েছে, তাদের বাজার ক্রমশ প্রসারিত হচ্ছে। এদিকে, শ্রীলঙ্কার মতোই দেউলিয়া হওয়ার পথে পাক অর্থনীতি। পাকিস্তানকে বাদ দেওয়ার পর সে দেশের বিদেশ মন্ত্রকের পক্ষ থেকে বিবৃতি জারি করে বলা হয়, ব্রিকসের মঞ্চে আন্তর্জাতিক উন্নয়ন বিষয়ক একটি উচ্চ পর্যায়ের কথোপকথন আমরা নজর করেছি। তাতে অনেক উন্নয়নশীল দেশ যোগ দিয়েছে। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয়, একটি দেশ পাকিস্তানকে ওই মঞ্চে যোগ দেওয়ার ব্যাপারে বাধা দিয়েছে। বিবৃতির লক্ষ্য যে ভারত, তা স্পষ্ট। এর জবাবে চিন সরকার যা বলেছে, তাতে আক্ষরিক অর্থেই হতাশ হওয়ার কথা পাকিস্তানের। চিনা বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র ঝাও লিঝিয়াং ভারতের পক্ষ নিয়ে সাফ জানিয়ে দেয়, এ ব্যাপারে যা সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে তা ব্রিকসভুক্ত রাষ্ট্রগুলির আলোচনার মাধ্যমে।

    চিনের এই বিবৃতিতে যথেষ্ট হতাশ পাক সরকার। ইমরান খানের বিদায়ের পর দেশের অর্থনীতির হাল ধরতে চূড়ান্তভাবে ব্যর্থ পাকিস্তানের নয়া সরকার। যার জেরে ক্রমেই পিছিয়ে যাচ্ছে চিন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডরের কাজ। দৃশ্যতই পাকিস্তানকে একটি বার্তা দেওয়ার প্রয়োজন ছিল শি জিন পিংয়ের দেশের তরফে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, ভারতের পক্ষ নিয়ে সেই কাজটিই করে দেখাল ড্রাগনের দেশ।

     

  • Afghanistan earthquake: ভয়াবহ ভূমিকম্পে কাঁপল আফগানিস্তান, মৃত্যু হাজার পার

    Afghanistan earthquake: ভয়াবহ ভূমিকম্পে কাঁপল আফগানিস্তান, মৃত্যু হাজার পার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভয়াবহ ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল আফগানিস্তান (Afghanistan)। বুধবার সকালে আফগানিস্তানের পূর্বে আঘাত হানে ভয়াল ভূমিকম্প (Earthquake)। আফগানিস্তানের ভূমিকম্পের ধাক্কা লেগেছে পড়শি দেশ পাকিস্তানেও (Pakistan)। ভূমিকম্পের ধাক্কায় শুধু আফগানিস্তানেই মৃত্যু হয়েছে অন্তত ১০০০ জনের। জখম হয়েছেন পনেরশোরও বেশি মানুষ। বিধ্বস্ত এলাকাগুলিতে শুরু হয়েছে উদ্ধারকার্য। আহতদের উদ্ধার করে ভর্তি করা হয়েছে বিভিন্ন হাসপাতালে।

    আরও পড়ুন :রাস্তায় খাবার বিক্রি করছেন সাংবাদিক! তালিবান শাসনের অভিশাপের ছবি আফগানিস্তানে

    আমেরিকার ভূ-সর্বেক্ষণ বিভাগ সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন ভোরে দক্ষিণ-পূর্ব আফগানিস্তানের খোস্ত শহর থেকে ৪৪ কিলোমিটার দূরে প্রথম অনুভূত হয় কম্পন। কম্পনের উৎস্থল ভূপৃষ্ঠ থেকে ৫১ কিলোমিটার গভীরে। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৬.১। ঘন জনবসতিপূর্ণ এলাকা হওয়ায় ওই এলাকায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রশাসনের। আফগানিস্তানের বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী সূত্রে খবর, ভূমিকম্পের জেরে মৃত্যু হয়েছে অন্তত ১০০০ জনের। জখম হয়েছেন ১৫০০রও বেশি মানুষ।

    বর্তমানে আফগানিস্তানের রাশ রয়েছে তালিবান প্রশাসনের হাতে। তালিবান প্রশাসনের বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের প্রধান মহম্মদ নাসিম হক্কানি জানান, আফগানিস্তানের পাকতিকা প্রদেশেই মৃত্যু হয়েছে সিংহভাগ মানুষের। সেখানে মৃত্যু হয়েছে অন্তত ১০০ জনের। আহতের সংখ্যা তিনশোর কাছাকাছি। নানগড়হার ও খোস্ত এলাকায়ও ভূমিকম্পের জেরে প্রচুর মানুষের মৃত্যু হয়েছে। ভূমিকম্পের জেরে কেঁপে ওঠে প্রায় ৫০০ কিলোমিটার বিস্তীর্ণ এলাকা।

    আরও পড়ুন : তালিবান শাসিত আফগানিস্তানে প্রথম সরকারি সফর ভারতের, গলছে বরফ?

    জানা গিয়েছে, এদিন ভোরে কোনও কিছু বোঝার আগেই কাঁপতে থাকে বিস্তীর্ণ এলাকা। হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে বসত বাড়ি। আতঙ্কে ঘর থেকে বেরিয়ে ফাঁকা জায়গায় আশ্রয় নেন বহু মানুষ। চোখের সামনে ঘর ভেঙে পড়তে দেখে চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি অনেকে। প্রিয়জনদের অনেককেই ভাঙা বাড়ির মধ্যে পড়ে থাকতে দেখেও হাউহাউ করে কাঁদতে দেখা গিয়েছে বহু মানুষকে। কম্পন থামতেই শুরু হয় প্রিয়জনদের বাঁচানোর চেষ্টা। ততক্ষণে অনেক জায়গায় চলে এসেছেন বিপর্যয় বাহিনীর লোকজন। শুরু হয় যুদ্ধকালীন তৎপরতায় উদ্ধারকার্য।

    এদিকে, আফগানিস্তান ও পাকিস্তান প্রতিবেশী দুই দেশেই ভূমিকম্প আঘাত হানলেও, যেহেতু ভূমিকম্পের উৎসস্থল ছিল আফগানিস্তানে, তাই আফগানিস্তানে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সব চেয়ে বেশি। পাকিস্তানের ইসলামাবাদের লাহোর, মূলতান সহ একাধিক জায়গায় ভূমিকম্প হয়েছে বলেও পাক সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর।

     

  • Pakistan: অর্থসংকট কাটাতে আইএমএফের শর্ত মেনেই বাজেট পেশে রাজি পাকিস্তান?

    Pakistan: অর্থসংকট কাটাতে আইএমএফের শর্ত মেনেই বাজেট পেশে রাজি পাকিস্তান?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চূড়ান্ত অর্থসংকটে ভারতের (India) প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তান (Pakistan)। প্রয়োজন আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডারের (IMF) সাহায্যের। সেই সাহায্য পেতে গেলে পাকিস্তানকে বাজেট পেশ করতে হবে আইএমএফ-এর শর্ত মেনেই। তা না হলে মিলবে না অর্থ সাহায্য।

    পাহাড় প্রমাণ অর্থসংকট। পাকিস্তান জুড়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের হাহাকার। মূল্যবৃদ্ধি পৌঁছেছে চূড়ান্ত পর্যায়ে। দেশবাসীর একটা বিরাট অংশ দুবেলা খেতে পান না পেট ভরে। দেশের এই সংকট মোকাবিলায় একের পর এক কঠোর পদক্ষেপ করছে সে দেশের সরকার। তার পরেও মেটেনি সমস্যা।

    আরও পড়ুন :ঋণ মেটাতে অধিকৃত কাশ্মীরের একাংশ চিনকে সমর্পণ করতে পারে পাকিস্তান?

    শ্রীলঙ্কার পরিস্থিতি দেখে শঙ্কিত অর্থসংকটে বিপর্যস্ত পাকিস্তান। দ্বীপরাষ্ট্রের মতো পরিস্থিতি যাতে সৃষ্টি না হয়, সেজন্য চেষ্টার কসুর করছে না শেহবাজ শরিফের (Shehbaz Sharif) সরকার। উন্নয়নের ধারা বজায় রেখে দেশের তলানিতে ঠেকে যাওয়া অর্থনৈতিক সংকট কাটাতে দেশটির প্রয়োজন বিপুল পরিমাণ ঋণের। পাকিস্তানকে এই মোটা অঙ্কের ঋণ দিতে পারে কেবল আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার।

    এই ঋণ নিশ্চিত করতে ন্যূনতম গ্যারান্টির অর্থ জমা রাখতে হবে পাকিস্তানকে। উন্নতি ঘটাতে হবে সে দেশের আর্থিক অবস্থার। এটা করতে গিয়েই একের পর জনবিরোধী সিদ্ধান্ত নিয়েছে পাকিস্তান সরকার। এর মধ্যে রয়েছে অল্প কয়েক দিনের ব্যবধানে জ্বালানিতে ভর্তুকি ছাঁটাই। আরও কিছু কঠোর পদক্ষেপ করতে হবে বলে দিন কয়েক আগেই পাক সংসদে জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং।

    আরও পড়ুন : ‘মৃত’ জঙ্গিকে ‘গ্রেফতার’, ধূসর তালিকা থেকে বেরোতে মরিয়া পাকিস্তান?

    সম্ভাব্য ঋণখেলাপি (loan default) এড়াতে আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডারের কাছ থেকে পাকিস্তানের প্রয়োজন ৯০ কোটি মার্কিন ডলার। এই ঋণ পেতেই গ্রহণ করতে হবে কড়া পদক্ষেপ। পাকিস্তানের অর্থমন্ত্রী মিফতা ইসমাইল জানান, আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডারের কাছ থেকে পাকিস্তান একটি “মেমরান্ডাম অফ ইকনমিক অ্যান্ড ফিসক্যাল পলিসি” পেয়েছে। সম্প্রতি সংসদে অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন, মাসে পঞ্চাশ হাজার টাকার ওপরে বেতন পান যাঁরা, তাঁদের প্রদত্ত ট্যাক্স ছাড়াও আয়ের ওপর আরও অতিরিক্ত ১০ শতাংশ “সুপার ট্যাক্স” বা সারচার্জ দিতে হবে। এছাড়াও আরও বেশ কয়েকটি কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

    বছর কয়েক আগে প্রায় একই সমস্যার সম্মুখীন হয়েছিল গ্রিস। তীব্র অর্থসংকট কাটাতে সেবারও গুচ্ছ জনবিরোধী সিদ্ধান্ত নিয়েছিল সে দেশের সরকার। এবারও প্রায় একই পথে হাঁটতে চলেছে পাকিস্তান সরকার। এখন দেখার, দেশকে দেউলিয়া হওয়ার পথ থেকে বাঁচাতে কী কী পদক্ষেপ করে শেহবাজ শরিফের সরকার।

  • Bangladesh Hindu Teachers: বাংলাদেশে পিটিয়ে খুন হিন্দু শিক্ষককে, জুতোর মালা অন্যকে

    Bangladesh Hindu Teachers: বাংলাদেশে পিটিয়ে খুন হিন্দু শিক্ষককে, জুতোর মালা অন্যকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের হিন্দু শিক্ষক (Hindu Teacher) নিগ্রহের ঘটনা বাংলাদেশে (Bangladesh)। বাংলাদেশের নড়াইল জেলায় কলেজ শিক্ষক স্বপন কুমার বিশ্বাসের (Swapan Kumar Biswas) গলায় জুতোর মালা পরানোর ঘটনায় ব্যাপক সমালোচনার মুখে প্রশাসন। ওই ঘটনায় তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। নাশকতা ও শিক্ষককে হেনস্থা করার অভিযোগে দায়ের হয়েছে মামলা। এদিকে, এই ঘটনারই দিন কয়েক আগে সাভার এলাকায় উৎপল কুমার সরকার নামে এক হিন্দু শিক্ষককে পিটিয়ে মেরে ফেলেছে এক ছাত্র।

    আরও পড়ুন : পয়গম্বর বিতর্ক নিয়ে এবার মুখ খুলল বাংলাদেশ, কী বলল প্রতিবেশী রাষ্ট্র?

    হজরত মহম্মদকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন বিজেপির প্রাক্তন মুখপাত্র নূপুর শর্মা।পরে তাঁকে সাসপেন্ড করে বিজেপি। এই নূপুরের সমর্থনে ফেসবুকে পোস্ট দেওয়া বাংলাদেশের হিন্দু ছাত্র রাহুল দেব রায়কে বাঁচানোর মিথ্যা অপবাদ দিয়ে জুতোর মালা পরানো হয় মির্জাপুর কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ স্বপন বিশ্বাসকে। ওই ঘটনার ছবি ভাইরালও করা হয় ফেসবুকে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনায় সৈয়দ রিমন আলি, শাওন খান এবং মনিরুল ইসলাম নামে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    শিক্ষককে হেনস্থার প্রতিবাদে নিন্দার ঝড় বাংলাদেশজুড়ে। পুলিশের সামনে কীভাবে একজন শিক্ষককে এভাবে অপমান করা হল, তা নিয়েও উঠেছে প্রশ্ন। নাট্যকর্মী থেকে নেট নাগরিক, সবারই বক্তব্য কেবল হিন্দু হওয়ার অপরাধেই এমন হেনস্থার শিকার হতে হয়েছে মির্জাপুর কলেজের ওই শিক্ষককে।

    আরও পড়ুন : পদ্মা সেতু বাংলাদেশ-চিনের যৌথ প্রকল্প? বেজিংয়ের দাবি ওড়াল ঢাকা

    এদিকে, এই ঘটনারই দিন কয়েক আগে সাভার এলাকায় উৎপল কুমার সরকার নামে এক হিন্দু শিক্ষককে পিটিয়ে মেরে ফেলেছে এক ছাত্র। হাজি ইউনুস আলি স্কুল অ্যান্ড কলেজের দশম শ্রেণীর ছাত্রের এই কাজেও ঘৃণা উগরে দিয়েছেন বাংলাদেশের শিক্ষিত সমাজ। এই ঘটনার উদ্দেশ্য নিয়ে পুলিশ ধন্দে রইলেও, অনুমান ওই ছাত্র স্কুলের ছাত্রীদের উত্যক্ত করত। ঘটনার প্রতিবাদ করায় উইকেট দিয়ে পিটিয়ে ফেলা হয়। ওই শিক্ষক হিন্দু হওয়ায়ই এমনটা ঘটেছে বলে অভিযোগ বাংলাদেশের শিক্ষিত সমাজের একাংশের।

    টিপ পরায় বাংলাদেশের রাজধানীয় ঢাকায় পুলিশ কর্মীর হাতে হেনস্থার শিকার হতে হয়েছিল তেজগাঁও কলেজের শিক্ষিকা লতা সমাদ্দারকে। তার কয়েক দিনের মধ্যেই মিথ্যা ধর্ম অবমাননার দায়ে বিনা অপরাধে জেল খাটতে হয়েছিল মুন্সিগঞ্জের একটি স্কুলের বিজ্ঞান শিক্ষক হৃদয় মণ্ডলকে। ২০১৬ সালে নারায়ণগঞ্জ স্কুলের শিক্ষক শ্যামল কান্তি ভক্তাকেও  জনসমক্ষে কান ধরে ওঠবস করানো হয়েছিল। সেই ঘটনায়ও নিন্দার ঝড় উঠেছিল বাংলাদেশ জুড়ে।

    বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নিপীড়নের সেই ধারা আজও অব্যাহত!

     

  • Sri Lanka: বন্দরের ফাঁদে ফেলেই শ্রীলঙ্কাকে ডোবাল চিন?

    Sri Lanka: বন্দরের ফাঁদে ফেলেই শ্রীলঙ্কাকে ডোবাল চিন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শ্রীলঙ্কার (Sri Lanka) গভীর সমুদ্রবন্দর হামবানটোটার (Hambantota Port) নিয়ন্ত্রণ রয়েছে চিনের (China) হাতে। এ সংক্রান্ত চুক্তিটি স্বাক্ষর হয় বছর পাঁচেক আগে। কেবল বাণিজ্যিক কাজেই চিন বন্দরটি ব্যবহার করবে এই আশ্বাস দেওয়ার পরেই সম্পাদন হয় চুক্তি।

    এশিয়া ও ইউরোপের মধ্যে জাহাজ চলাচলের প্রধান কেন্দ্র ভারত মহাসাগরে শ্রীলঙ্কার হামবানটোটা বন্দর। বাণিজ্যিক কারণে তাই দুই মহাদেশের কাছেই খুবই গুরুত্বপূর্ণ শ্রীলঙ্কার এই বন্দরটি। এই বন্দরেরই নিয়ন্ত্রণ চলে এল চিনের হাতে।

    আরও পড়ুন : অশান্তির আগুনে পুড়ল শ্রীলঙ্কা প্রেসিডেন্টের পৈতৃক বাড়ি, বিক্ষোভ হঠাতে গুলি

    হামবানটোটা বন্দরের কাজ শুরু হয় ২০০৮ সালে। শ্রীলঙ্কাকে এজন্য ১৩০ কোটি মার্কিন ডলার ঋণ দেয় ড্রাগনের দেশ। বন্দর গড়তে যৌথভাবে কাজ শুরু করে চায়না হারবার ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি ও সাইনো হাইড্রো কর্পোরেশন। প্রথম পর্যায়ের কাজ শেষ হয়ে যায় ২০১০ সালে। ঠিক তার পরের বছর নভেম্বরে শুরু হয় বাণিজ্যিক কাজকর্ম। দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজ শেষ হয় ২০১৫ সালে। সব মিলিয়ে খরচ হয় ১৫০ কোটি মার্কিন ডলার। ঋণের আসল ও সুদ বাবদ চিনকে ১৭০ কোটি মার্কিন ডলার দিতে হয়েছিল শ্রীলঙ্কাকে। ঋণের এই বিপুল বোঝার ভার কমাতে বন্দরটি চিনকে ৯৯ বছরের জন্য লিজ দিয়ে দেয় শ্রীলঙ্কা সরকার। চুক্তি স্বাক্ষর হয় ২০১৭ সালে।

    আরও পড়ুন : আর্থিক সঙ্কটে পড়ে নিজেদের ঋণখেলাপি ঘোষণা করল শ্রীলঙ্কা

    বন্দরের উন্নতিকল্পে চায়না মার্চেন্ট পোর্টস হোল্ডিং কোম্পানি বন্দরের ৮৫ শতাংশ স্টেক অধিগ্রহণের বিনিময়ে ১১২ কোটি মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করতে রাজি হয়। বন্দরের বাকি স্টেক থাকে শ্রীলঙ্কা বন্দর কর্তৃপক্ষের হাতে। তার পরেও ফি বছর শ্রীলঙ্কা সরকারকে মোটা অঙ্কের টাকা চিনকে দিতে হয় বন্দর গড়তে নেওয়া ঋণের সুদ বাবদ। যার জেরে ক্রমেই ঋণের ফাঁদে ডুবতে থাকতে দ্বীপরাষ্ট্র।

    যদিও পোর্টের ওয়েবসাইটে বন্দরে নানা সুযোগ সুবিধার কথা বলা হয়েছে, তা সত্ত্বেও সেখানে অনেক কিছুই মেলে না বলে অভিযোগ। সেই কারণেই প্রধান জাহাজ কোম্পানিগুলি ওই বন্দর এড়িয়ে চলছে বলেও সূত্রের খবর।

     

  • Afghan Journalist: রাস্তায় খাবার বিক্রি করছেন সাংবাদিক! তালিবান শাসনের অভিশাপের ছবি আফগানিস্তানে

    Afghan Journalist: রাস্তায় খাবার বিক্রি করছেন সাংবাদিক! তালিবান শাসনের অভিশাপের ছবি আফগানিস্তানে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গতবছর অগাস্ট মাসেই আফগানিস্তানের (Afghanistan) মাথায় নেমে এসেছে তালিবানি (Talibs) শাসনের অভিশাপ। তারপর থেকেই তালিবানদের অত্যাচারে জেরবার দেশ।দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে আফগানদের জীবন৷ সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রায়ই উঠে এসেছে আফগান অর্থনীতির করুণ ছবি। আফগানিস্তানে ভাইরাল হওয়া ছবিতে আরও একবার উলঙ্গ হল তালিবান প্রশাসনের অপদার্থতার ছবি। এককালের সাংবাদিক (Journalist), কাজ হারিয়ে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে খাবার বিক্রি করছেন। এই দৃশ্য নাড়িয়ে দিয়েছে গোটা বিশ্বকে। 

    আরও পড়ুন: নারীশক্তি! তালিবানের সঙ্গে আলোচনায় ভারতের মহিলা প্রতিনিধি 

    সুদর্শন ও সুবক্তা এই সাংবাদিক আফগান খবরের চ্যানেলে এক সময় উপস্থাপক ছিলেন। নাম মোসা মহম্মদী (Mosa Mohammadi)। স্পষ্ট ভাষায় তুলে ধরতেন সমাজে বিভিন্ন স্তরের খবর। কিন্তু এখন সেসব শুধুই সুখস্মৃতি। তালিবানি শাসনে সাংবাদিকতা এখন স্বপ্নাতীত। স্পষ্ট কথা, সরকারের সমালোচনা তো দূরের কথা। তাই সাংবাদিকতার মন্দার বাজারে কাজ হারিয়েছেন তিনি। রোজগার শূন্য। অবস্থা এতটাই খারাপ পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, রাস্তায় খাবার বিক্রি করে পেট চালাচ্ছেন মোসা।

    আরও পড়ুন: তালিবান শাসিত আফগানিস্তানে প্রথম সরকারি সফর ভারতের, গলছে বরফ?

    সম্প্রতি, আগের সরকারের আধিকারিক এবং প্রাক্তন সাংবাদিক কবীর হকমল একটি ছবি ট্যুইট করেন। আর তাতেই গোটা বিশ্ব জানতে পারে ওই সাংবাদিকের দুরাবস্থার কথা। ট্যুইটে ওই আধিকারিক লিখেছেন, “এই খাবার বিক্রেতা আসলে একজন প্রাক্তন সংবাদ উপস্থাপক। রিপোর্টার মুসা মোহাম্মদী নামে সুপরিচিত ছিলেন। কিন্তু তালিবানের ক্ষমতায় আসার পর তাঁর চাকরি গিয়েছে। আসলে এদেশে সাংবাদিকতা পেশাটিই এখন বিপন্ন। ফলে চরম আর্থিক অনটনের শিকার তিনি।”  

    [tw]


    [/tw]

    এছাড়াও বিষয়টি নিয়ে ট্যুইট করেছেন একাধিক বড় বড় সাংবাদিক। 

    [tw]


    [/tw]

    মুহূর্তের মধ্যেই ভাইরাল হয়ে যায় ট্যুইটটি। এক শিক্ষিতের দুরাবস্থা দেখে হতাশ হয়েছেন অনেকেই। 

    মোসাকে এই বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে, তিনি বলেন, “আমার কোনও উপায় ছিল না। সব জায়গায় চেষ্টা করেছি। কোনও সংবাদমাধ্যম কাজ দেয়নি। তাই নিজের পরিবারের সকলের পেট চালাতে আমাকে এই পেশা বেছে নিতে হয়েছে।”

    কিছুদিন আগে আফগান মহিলা সাংবাদিকদের জন্যও কড়া ফতোয়া দিয়েছে তালিবান। বলা হয়েছে, মহিলাদের মাস্ক পরে সংবাদ পাঠ করতে হবে। তালিবানের এই ফতোয়ার বিরুদ্ধে সরব হয়েছে সাংবাদিক গোষ্ঠী। ফতোয়ার পুরুষ সাংবাদিকরাও তাঁদের মুখ ঢেকে খবর পাঠ করেন। কালো মাস্ক পরে খবর পড়তে দেখা যায় তাঁদের।

    মোসার বিষয়টি গোটা বিশ্বের সামনে আসতেই নিজেদের দোষ ঢাকার চেষ্টা করেছে তালিবান সরকার। তালিবান সরকারের জাতীয় দূরদর্শন এবং রেডিও-র ডিরেক্টর জেনারেল মোসাকে চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।   

    [tw]


    [/tw]

    আফগানিস্তানের দখল তালিবানদের হাতে যাওয়ার পর থেকেই চরম অর্থনৈতিক সঙ্কটের মুখে পড়েছে দেশটি। বেকারত্বের হারও বিপুল গতিতে বেড়েছে। বিশেষত গত কয়েক মাসে বহু মহিলা তাঁদের চাকরি হারিয়েছেন। অন্ধকারে ডুবে যাওয়ার পথে দেশটি। দেশের সংবাদমাধ্যম তো বটেই, বিদেশি সংবাদমাধ্যমগুলিকেও আক্রমণ করতে ছাড়েনি তালিবানরা। 

     

  • Abdul Rehman Makki: শীর্ষ লস্কর নেতা মাক্কিকে আন্তর্জাতিক জঙ্গি ঘোষণায় বাধা চিনের

    Abdul Rehman Makki: শীর্ষ লস্কর নেতা মাক্কিকে আন্তর্জাতিক জঙ্গি ঘোষণায় বাধা চিনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানি (Pakistan) জঙ্গিকে আন্তর্জাতিক জঙ্গি (Terrorist) ঘোষণায় বাধা হয়ে দাঁড়াল চিন (China)। প্রত্যাশিতভাবেই প্রতিবেশী এই দুই দেশের দূরত্ব এক লপ্তে বেড়ে গেল বেশ খানিকটা। এর আগেও একাধিকবার ভারতের (India) প্রস্তাবে বাধা দিয়েছে ড্রাগনের দেশ। তবে এবার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল ভারত ও আমেরিকার (US) তরফে। তাতেও বাধার প্রাচীর তুলে দিল চিন।

    লস্কর-ই-তৈবার প্রধান, ২৬/১১ মুম্বই হামলার চাঁই হাফিজ সইদের আত্মীয় আবদুল রহমান মাক্কি (Abdul Rehman Makki)।  এই মাক্কিকে আগেই জঙ্গি ঘোষণা করেছে আমেরিকা। সম্প্রতি ভারতের সঙ্গে যৌথভাবে রাষ্ট্রসংঘে মাক্কিকে আন্তর্জাতিক জঙ্গি ঘোষণার প্রস্তাব জমা দেয় জো বাইডেনের দেশ। প্রস্তাব দেওয়া হয় রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের আইসিস ও আলকায়দা নিষেধাজ্ঞা কমিটিকে। একেবারে শেষ মুহূর্তে গিয়ে ভেটো প্রয়োগ করে শি জিন পিংয়ের দেশ।  

    আরও পড়ুন : বুমেরাং হচ্ছে চিনা ঋণের ফাঁদ?

    এর আগেও একাধিকবার পাকিস্তানি জঙ্গিদের আন্তর্জাতিক জঙ্গি ঘোষণায় ভারতের প্রস্তাবে বাধা দিয়েছে চিন। ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর মাসে রাষ্ট্রসংঘে কূটনৈতিকভাবে জয়ী হয় ভারত। দিল্লির আবেদন মেনে পাকিস্তানের জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদের মাসুদ আজাহারকে জঙ্গি ঘোষণা করে রাষ্ট্রপুঞ্জ। প্রযুক্তিগত কারণ দেখিয়ে রাষ্ট্রসংঘে পনেরটি দেশের মধ্যে স্থায়ী সদস্য হিসেবে একমাত্র চিনই তাতে ভেটো দেয়। ২০০৯ সালে ভারত প্রথম ওই প্রস্তাব জমা দেয়। ২০১৬ সালে আমেরিকা, ব্রিটেন এবং ফ্রান্সের সঙ্গে মিলে ফের প্রস্তাব দেয় ভারত। মাসুদকে আন্তর্জাতিক জঙ্গি ঘোষণা করে তাকে নিষিদ্ধ করার দাবি জানানো হয়। ২০১৭ সালে ফের প্রস্তাব জমা দেওয়া হয়। এই দফায়ও ভেটো প্রয়োগ করে চিন। এরপর আমেরিকা, ব্রিটেন, ফ্রান্স একটি খসড়া জমা দিয়ে গ্রেফতারের দাবি জানায় মাসুদকে। এই সময় কেবল আমেরিকাই মাক্কিকে বিশেষ জঙ্গি বলে উল্লেখ করে।

    আরও পড়ুন : জঙ্গি দমনে কঠোর এনআইএ, উপত্যকার বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি

    ২০২০ সালে পাকিস্তানের সন্ত্রাস দমন আদালত মাক্কিকে দোষী সাব্যস্ত করে। সন্ত্রাসবাদমূলক কাজকর্ম, সন্ত্রাসে আর্থিক মদত জোগানোর দায়ে দোষী সাব্যস্ত করা হয় তাকে। সম্প্রতি গম রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করে গোটা বিশ্বে যখন সমালোচিত হচ্ছিল ভারত, তখন নয়াদিল্লির সিদ্ধান্ত সমর্থন করেছিল চিন। মাক্কিকে জঙ্গি ঘোষণার প্রশ্নে ফের যোজন দূরত্ব তৈরি হল প্রতিবেশী এই দুই দেশের মধ্যে।  

     

  • Wheat Re-Export Ban: এদেশ থেকে কেনা গম বেচতে পারবে না আমদানিকারী দেশ, শর্ত ভারতের

    Wheat Re-Export Ban: এদেশ থেকে কেনা গম বেচতে পারবে না আমদানিকারী দেশ, শর্ত ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত (India) থেকে কেনা গম (Wheat) নিয়ে ব্যবসা করা চলবে না। এই মর্মে লিখিত অঙ্গীকার দিতে হবে। তবেই গম রফতানি করবে নয়াদিল্লি (New Delhi)। ভারতের এই সিদ্ধান্তের কথা জানতে পেরে ইতিমধ্যেই চার মাসের জন্য ভারত থেকে কেনা গমের ওপর রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে সংযুক্ত আরব আমিরশাহী (UAE)। 

    বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম গম উৎপাদক দেশ ভারত। তবে তাপপ্রবাহের কারণে আগের বছরের তুলনায় এবার গমের উৎপাদন কমেছে প্রায় সাড়ে চার শতাংশ। তাই গম রফতানিতে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল নয়াদিল্লি। যদিও পরে কেন্দ্রীয় সরকার জানিয়ে দেয়, কোনও দেশ অনুরোধ করলে সে দেশে গম রফতানির অনুমতি দেওয়া হবে। 

    রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে বিশ্বজুড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে গম রফতানি। যুদ্ধরত দুই দেশ বিশ্বের মোট রফতানির ৩০ শতাংশ গম সরবরাহ করে। যুদ্ধে জড়িয়ে যাওয়ায় তারা আর ওই পরিমাণ গম সরবরাহ করতে পারছে না। গম রফতানিতে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল ভারতও। এই সব কারণেই বিশ্ববাজারে গমের দাম বাড়তে থাকে হু হু করে।

    এরই সুযোগ নিতে থাকে বিভিন্ন দেশের এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী। মোটা মুনাফার লোভে তারা ভারত থেকে আমদানিকৃত গম ভিন দেশে রফতানি করতে শুরু করে। এর পরেই ভারত “নো-রিএক্সপোর্ট” মুচলেকা চায়। নয়াদিল্লির তরফে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়, যে দেশ ভারত থেকে গম আমদানি করবে, তারা সেটা কেবলমাত্র নিজেদের দেশে বসবাসকারী মানুষের জন্যই ব্যবহার করতে পারবে। এর পরই সংযুক্ত আরব আমিরশাহি আগামী চার মাসের জন্য গম রফতানিতে জারি করেছে নিষেধাজ্ঞা। সংযুক্ত আরব আমিরশাহির তরফে জানানো হয়েছে, দুই দেশের মধ্যে সুসম্পর্ক বজায় রাখতেই এই ব্যবস্থা।

    কিছুদিন আগেই জারি করা এক নির্দেশিকায় ভারত জানিয়েছিল, যে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভারত থেকে গম রফতানি করা প্রয়োজন, সেই দেশে সরকারের অনুমতিক্রমে গম রফতানি চলতে পারে। আরও বলা হয়েছিল, আন্তর্জাতিক বাজারে হঠাৎ করে গমের মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় ভারত ও তার আশপাশের দেশগুলিতে খাদ্যের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করা প্রয়োজন হয়ে পড়েছে। সেই সূত্রেই বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা এবং সিঙ্গাপুরে নির্দিষ্ট কিছু মানদণ্ডের ভিত্তিতে গম রফতানিতে রাজি হয়েছে ভারত। 

     

  • Iraq: খরার ফলে জেগে উঠল ৩৪০০ বছরের পুরনো শহর

    Iraq: খরার ফলে জেগে উঠল ৩৪০০ বছরের পুরনো শহর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নদীর জল শুকিয়ে গিয়ে প্রায় ৩৪০০ বছরের পুরনো  প্রাচীন বসতির ধ্বংসাবশেষ উদ্ধার করা হল ইরাক থেকে। ঘটনাটি ইরাকের কুর্দিস্তানের (Kurdistan ) কেমুন(Kemune)নামক শহরের। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে গ্লোবাল ওয়ার্মিং বেড়েছে ,ফলে দেখা দিয়েছে তীব্র খরা। এতে ইরাকের সবচেয়ে বড় নদী টাইগ্রিসের (Tigris River) জল কমে হঠাৎ জেগে উঠতে শুরু করেছে প্রাচীন এই শহর।

    আরও পড়ুন: কুঁজো, ট্যারা শুনতে শুনতেই আত্মহত্যার চেষ্টা, এখন তিনিই ভারতের সর্বকনিষ্ঠ সিইও

    প্রাচীন বসতির ধ্বংসাবশেষগুলি ব্রোঞ্জ যুগের বলেই ধারণা করা হয়েছে। টাইগ্রিস নদীর জল খরায় শুকিয়ে যাওয়ার ফলে ব্রোঞ্জ যুগের প্রায় অনেক ধ্বংসাবশেষই এখান থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। জার্মান (German) ও কুর্দি (Kurdish) প্রত্নতাত্ত্বিকদের (archaeologist) একটি দল সেখানে খনন কাজ করেছে। গবেষকদের ধারণা, এটি মিত্তানি সাম্রাজ্যের  (Mittani Empire) আমলের ১৫৫০ থেকে ১৩৫০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ পর্যন্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ছিল। জার্মানির (Germany) ফ্রেইবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের  (University of Freiburg) প্রত্নতাত্ত্বিকরা ও অধ্যাপক ইভানা পুলজিজ (Dr Ivana Puljiz) একটি সাংবাদিক সম্মেলনে জানান যে, শহরটি সরাসরি টাইগ্রিসের উপর অবস্থিত হওয়ায়, মিত্তানি সাম্রাজ্যের মূল অংশ বর্তমান উত্তর-পূর্ব সিরিয়ার সঙ্গে এর পূর্বাঞ্চলের সংযোগস্থল হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করত।

    এর আগেও এই অঞ্চলের খননকার্য শুরু হলেও জলাশয়ের জল বেড়ে যাওয়ায় প্রত্নতাত্ত্বিকরা সেটি তখন সম্পূর্ণ করতে পারেনি। কিন্তু এবারে জলাধারের জলের স্তর অনেকটাই নেমে যায়, তারপরেই গবেষকরা এই হারিয়ে যাওয়া শহরের সন্ধান পান। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জানায়, প্রাচীন শহরটির সংরক্ষণের জন্য প্রত্নতাত্ত্বিকরা ধ্বংসাবশেষটিকে প্লাস্টিকের আবরণ দিয়ে ঢেকে দিয়েছিলেন এবং স্থানটিকে নুড়ি দিয়ে পূর্ণ করে দিয়েছিলেন যাতে কাদামাটির দেওয়াল রক্ষা করা যায়। তবে বর্তমানে জলের স্তর ধীরে ধীরে বাড়ছে এবং শহরটি এখন আবার ডুবে গেছে। আবার কবে এই হারিয়ে যাওয়া ইতিহাস জেগে উঠবে, তা এখন সময়ের ওপর নির্ভর করছে বলে জানাচ্ছেন প্রত্নতাত্ত্বিকরা।

    আরও পড়ুন: আল-কায়দার হুমকির জের, দেশজুড়ে হাই অ্যালার্ট জারি গোয়েন্দা সংস্থার

LinkedIn
Share