Category: বিদেশ

Get updates on World News Headlines International News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Bangladesh: ৪২ দিনে দ্বাদশ হত্যা! বাংলাদেশে ফের সংখ্যালঘু নিধন, পিটিয়ে খুন হিন্দু যুবককে

    Bangladesh: ৪২ দিনে দ্বাদশ হত্যা! বাংলাদেশে ফের সংখ্যালঘু নিধন, পিটিয়ে খুন হিন্দু যুবককে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে (Bangladesh) ক্রমেই বাড়ছে হিন্দু খুনের ঘটনা। রবিবার রাতে এক দল উন্মত্ত জনতা পিটিয়ে মেরে ফেলে বছর আঠাশের সমীর কুমার দাসকে। এ নিয়ে দেশে (Hindu Rickshaw Puller Killed) সাম্প্রতিক হিংসায় বলি হিন্দুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১২। উল্লেখ্য, ভারতবিরোধী ছাত্রনেতা শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুর পর থেকেই বাংলাদেশে হিংসাত্মক বিক্ষোভ চলছে। জানা গিয়েছে, সমীর ফেনি জেলার দাগনভুঁইয়া এলাকায় অটোরিকশা চালাতেন।

    ফের হিন্দু খুন (Bangladesh)

    পুলিশ সূত্রে খবর, হামলার পর দুষ্কৃতীরা তাঁর অটোরিকশাটি নিয়ে পালিয়ে যায়। পরে একটি উপজেলা হাসপাতালের কাছ থেকে তাঁর দেহ উদ্ধার হয়। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, ঘটনাটি ডাকাতি ও খুনের। তদন্ত চলছে, তবে এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি। দিন কয়েক আগেই নরসিংদী জেলার এক হিন্দু মুদি দোকানির দোকানে হামলা করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাঁকে মৃত ঘোষণা করা হয়। এই ঘটনায়ও তদন্ত শুরু করেছে বাংলাদেশ প্রশাসন। গত এক সপ্তাহে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর হিংসার জেরে আরও দুই হিন্দুর মৃত্যু হয়েছে। সিলেটে জয় মহাপাত্র নামে এক ব্যক্তি শুক্রবার হাসপাতালে মারা যান। অভিযোগ, মোবাইল ফোনের কিস্তির টাকা বকেয়া থাকা নিয়ে দোকানদারের সঙ্গে বিবাদের পর তিনি বিষ খান। যদিও তাঁর পরিবারের দাবি, কিস্তি বাবদ ৫০০ টাকা না (Hindu Rickshaw Puller Killed) দেওয়ায় দোকানদার আমিরুল ইসলাম তাঁকে মারধর, অপমান ও প্ররোচনা দিয়েছিলেন (Bangladesh)।

    আরও হিন্দু খুন

    এদিকে, উত্তর-পশ্চিম বাংলাদেশের এক এলাকায় চুরির অভিযোগে উত্তেজিত জনতার হাত থেকে বাঁচতে মিঠুন সরকার নামে বছর পঁচিশের এক হিন্দু যুবক একটি খালে ঝাঁপ দেন এবং সেখানেই মৃত্যু হয় তাঁর। এছাড়াও, বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের অভিযোগ, গত দুই সপ্তাহে এক হিন্দু বিধবাকে ধর্ষণ করা হয়েছে, এক হিন্দু স্বর্ণালঙ্কারের দোকানে লুটপাট চালানো হয়েছে এবং কুড়িগ্রাম জেলার এক হিন্দু ডেপুটি কমিশনারকে নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় ভয় দেখানো হয়েছে (Bangladesh)। তবে, মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী প্রশাসন সংখ্যালঘু হত্যার ঘটনার নিন্দা করলেও, বারবার দাবি করেছে যে এই ঘটনাগুলি সাম্প্রদায়িক নয় এবং মৃত্যুর সংখ্যা ব্যতিক্রমী মাত্র (Hindu Rickshaw Puller Killed)। উল্লেখ্য, শেখ হাসিনার সরকার পতনের পর প্রথমবারের মতো আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে চলেছে (Bangladesh)।

    ইউনূসের বাংলাদেশে হিন্দু-নিধন যজ্ঞ

    • ১) ২ ডিসেম্বর: ফরিদপুর জেলার সালথা উপজেলায় ৩৫ বছর বয়সি হিন্দু মাছ ব্যবসায়ী উৎপল সরকারকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।
    • ২) ২ ডিসেম্বর: বাংলাদেশের নরসিংদী জেলার রায়পুরা উপজেলায় ৪২ বছর বয়সি হিন্দু স্বর্ণ ব্যবসায়ী প্রণতোষ কর্মকারকে গুলি করে হত্যা করা হয়।
    • ৩ ও ৪) ৭ ডিসেম্বর: রংপুর নিবাসী মুক্তিযোদ্ধা ৭৫ বছর বয়সি যোগেশ চন্দ্র রায় ও তাঁর স্ত্রী সুবর্ণা রায়কে তাঁদের বাড়িতে নির্মমভাবে গলা কেটে হত্যা করা হয়।
    • ৫) ১২ ডিসেম্বর: কুমিল্লা জেলায় ১৮ বছর বয়সি হিন্দু অটোরিকশা চালক শান্ত চন্দ্র দাসকে খুন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। তাঁর গলা কেটে হত্যা করা হয়েছিল এবং মরদেহটি একটি ভুট্টাক্ষেতে ফেলে রাখা হয়।
    • ৬) ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫: ময়মনসিংহে (ধর্ম অবমাননার অভিযোগে) দীপু চন্দ্র দাসকে পিটিয়ে ও পুড়িয়ে হত্যা করে জনতা।
    • ৭) ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫: রাজবাড়িতে জনতা অমৃত মণ্ডলকে পিটিয়ে হত্যা করে।
    • ৮) ২৯-৩০ ডিসেম্বর ২০২৫: বজেন্দ্র বিশ্বাসকে (পোশাক কারখানায় কর্তব্যরত অবস্থায়) গুলি করে হত্যা করা হয়।
    • ৯) ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫: শরীয়তপুরে খোকন চন্দ্র দাসকে ছুরিকাঘাত করা হয় এবং তারপর পেট্রোল ঢেলে জীবন্ত পুড়িয়ে ফেলা হয়। ৩ জানুয়ারি তিনি হাসপাতালে মারা যান।
    • ১০) ৫ জানুয়ারি ২০২৬: যশোরে রানা প্রতাপ বৈরাগীকে গুলি করে হত্যা করা হয়।
    • ১১) ৫ জানুয়ারি ২০২৬: নরসিংদীতে ধারালো অস্ত্র দিয়ে খুন করা হয় শরৎ চক্রবর্তী মণিকে।
  • Nepal: “বাংলাদেশের মতো পরিস্থিতি হবে না নেপালে”, সাফ জানালেন প্রধানমন্ত্রী সুশীলা কার্কি

    Nepal: “বাংলাদেশের মতো পরিস্থিতি হবে না নেপালে”, সাফ জানালেন প্রধানমন্ত্রী সুশীলা কার্কি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নেপালের (Nepal) অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধানমন্ত্রী সুশীলা কার্কি (Sushila Karki) সাফ জানিয়ে দেন, তাঁর নেতৃত্বাধীন সরকার কোনওভাবেই দেশকে বাংলাদেশের মতো রাজনৈতিক অস্থিরতার পথে যেতে দেবে না। যদিও এই মন্তব্যটি এসেছে এমন একটা সময়ে, যখন সব রাজনৈতিক দল এবং বিভিন্ন যুব সংগঠনের পক্ষ থেকে অন্তর্বর্তী সরকারের পদত্যাগের দাবিতে চাপ ক্রমেই বাড়ছে।

    সুশীলার বক্তব্য (Nepal)

    কাঠমান্ডুতে এক জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে সুশীলা কার্কি সরকারের পদত্যাগের দাবির কড়া সমালোচনা করেন। তাঁর মতে, এই ধরনের দাবি দেশের মধ্যে অনিশ্চয়তার পরিবেশ তৈরি করছে এবং সরকারের স্বাভাবিক কার্যকলাপ ব্যাহত হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী জানান, বিশেষ করে জেন জেড (Gen Z) প্রজন্মের কিছু ছোট (Nepal) কিন্তু অত্যন্ত সক্রিয় গোষ্ঠী লাগাতার সরকারের পদত্যাগ দাবি করে চলেছে (Sushila Karki)। তিনি প্রশ্ন তোলেন, এই ধরনের দাবির প্রকৃত উদ্দেশ্য কী এবং সরকারকে তার দায়িত্ব পালনের জন্য পর্যাপ্ত সময় দেওয়া হচ্ছে না কেন?

    উদ্বেগ প্রকাশ সুশীলার

    সুশীলা কার্কির দাবি, প্রশাসনের আধিকারিকরা ক্রমাগত জনগণের চাপ ও মৌখিক আক্রমণের মুখে পড়ছেন, যার ফলে সরকার স্থিতিশীলভাবে কাজ করতে পারছে না (Nepal)। তিনি আরও উদ্বেগ প্রকাশ করেন যে, তরুণ সমাজের একাংশের মধ্যে নির্বাচনের গুরুত্ব নিয়েও সন্দেহ বাড়ছে। অনেকেই প্রকাশ্যে প্রশ্ন তুলছেন, ভোট দেওয়ার আদৌ কোনও মূল্য আছে কি না! নিজের সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করে দিয়ে সুশীলা বলেন, “নেপাল কোনওভাবেই বাংলাদেশের পথ অনুসরণ করবে না।” তিনি আরও বলেন, “আমরা বুঝতে পারছি যে অন্তর্বর্তী সরকারের ওপর মানসিক চাপ অত্যন্ত বেশি (Sushila Karki)। এই পরিস্থিতির গুরুত্ব যথাযথভাবে তুলে ধরার জন্য আমরা গণমাধ্যমের কাছে দায়িত্বশীল ভূমিকার আবেদন জানাচ্ছি (Nepal)।”

  • Iran Protests: ভয়াবহ অর্থনৈতিক সঙ্কটে ইরান, এক ডলারের মূল্য ১৪ লাখ রিয়াল! কেন এই হাল?

    Iran Protests: ভয়াবহ অর্থনৈতিক সঙ্কটে ইরান, এক ডলারের মূল্য ১৪ লাখ রিয়াল! কেন এই হাল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আধুনিক ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ অর্থনৈতিক সঙ্কটের মুখে দাঁড়িয়ে রয়েছে ইরান (Iran Protests)। দেশটির জাতীয় মুদ্রা রিয়ালের নজিরবিহীন পতনে এক মার্কিন ডলারের মূল্য দাঁড়িয়েছে ১৪ লাখ রিয়ালের কাছাকাছি। লাগামছাড়া মূল্যস্ফীতি, আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা, যুদ্ধজনিত ধাক্কা ও দীর্ঘ রাজনৈতিক (Rial vs Dollar) অস্থিরতার সম্মিলিত প্রভাবে ইরানের অর্থনীতি গভীর মন্দার দিকে এগোচ্ছে, যার প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়ছে সাধারণ মানুষের জীবনে।

    মুদ্রা-পতন (Iran Protests)

    বিশেষ করে মধ্যবিত্ত ও শ্রমজীবী শ্রেণির জন্য এই মুদ্রা-পতন কেবল পরিসংখ্যান নয়, এটি টিকে থাকার লড়াই। বছরের পর বছর নিষেধাজ্ঞা ও অর্থনৈতিক অব্যবস্থাপনার ধাক্কা সামাল দিলেও ২০২৫ সালের শেষ দিকে রিয়ালের এই পতন নজিরবিহীন। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে ইরানের বাজারে এক ডলার রিয়ালের দর ১৪ লাখ ছুঁয়েছে। ২০১৮ সালের পর থেকে রিয়াল তার প্রায় ৯০ শতাংশ মূল্য হারিয়েছে। পরিস্থিতির ভয়াবহতা বোঝাতে ইতিহাসের প্রসঙ্গ টানছেন বিশ্লেষকেরা। ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের সময় এক ডলারের দাম ছিল মাত্র ৭০ রিয়াল। চার দশকে ইরানের মুদ্রাটির অবমূল্যায়ন হয়েছে প্রায় ২০ হাজার গুণ। শুধু ২০২৫ সালেই রিয়ালের দর কমেছে প্রায় ৪৫ শতাংশ, যার ফলে দেশজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। মানুষ হুড়োহুড়ি করে সঞ্চয় ভেঙে ডলার, সোনা ও অন্যান্য নিরাপদ সম্পদে বিনিয়োগ করতে শুরু করে (Iran Protests)।

    অর্থনৈতিক বিপর্যয়

    ইরানের অর্থনৈতিক বিপর্যয় ত্বরান্বিত করেছে একাধিক ভূরাজনৈতিক ও অভ্যন্তরীণ সঙ্কট। ২০২৫ সালের জুন মাসে ইজরায়েলের সঙ্গে ১২ দিনের সংঘর্ষ, এরপর ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্রের হামলা এবং নতুন করে রাষ্ট্রসংঘের নিষেধাজ্ঞা, সব মিলিয়ে বৈদেশিক মুদ্রা ও আন্তর্জাতিক বাজারে ইরানের প্রবেশ কার্যত বন্ধ হয়ে যায় (Rial vs Dollar)। এর আগেই ২০১৮ সালে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের সময় তেল রফতানিতে কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারি হয়, যার জেরে ইরানের বৈদেশিক মুদ্রার ভাণ্ডার প্রায় শূন্য হয়ে গিয়েছে।এই সম্মিলিত চাপ সামলাতে না পেরে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে পদত্যাগ করেন ইরানের কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কের গভর্নর মহম্মদ রেজা ফারজিন। এটি সরকারের ব্যর্থতারই প্রতিফলন বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। সরকারি হিসাবে ইরানের বার্ষিক মূল্যস্ফীতি ৪২.২ শতাংশ হলেও অর্থনীতিবিদদের মতে প্রকৃত হার আরও অনেক বেশি। অথচ বেতন ও মজুরি কার্যত স্থবির, ফলে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে গিয়েছে ভয়াবহভাবে (Rial vs Dollar)।

    বিপদে মধ্যবিত্তরা

    খাদ্য, ওষুধ, জ্বালানি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে গিয়েছে। ২০২৫ সালের শেষ দিকে সরকার যখন জরুরি পণ্যের জন্য থাকা বিশেষ বিনিময় হার বাতিল করে, তখন সঙ্কট আরও তীব্র হয়। রাতারাতি ভোজ্যতেল, গমজাত পণ্য ও মুরগির দাম প্রায় দ্বিগুণ হয়ে যায়। ফলে লাখো পরিবার দারিদ্র্যসীমার নীচে নেমে যায় (Iran Protests)। এই মুদ্রা বিপর্যয়ের সবচেয়ে বড় ধাক্কা খেয়েছে ইরানের মধ্যবিত্ত ও শ্রমজীবী শ্রেণি। শহুরে স্থিতিশীলতার স্তম্ভ হিসেবে পরিচিত মধ্যবিত্তরা দেখছে, দশকের পর দশক ধরে জমানো সঞ্চয় কয়েক মাসেই উবে গিয়েছে। ব্যাঙ্ক আমানত, পেনশন ও বাড়ির স্বপ্ন, সবই অনিশ্চিত। শ্রমজীবীরা নিত্যপ্রয়োজনীয় খাবার, যাতায়াত ও ভাড়া মেটাতেই হিমশিম খাচ্ছেন। অনেক পরিবার সন্তানদের স্কুল থেকে তুলে নিচ্ছে, চিকিৎসা পিছিয়ে দিচ্ছে। দৈনিক মজুরিই হয়ে উঠছে বেঁচে থাকার কৌশল (Rial vs Dollar)।

    কালোবাজারে ডলার কেনা

    রিয়ালের ওপর আস্থা হারিয়ে বহু মানুষ কালোবাজারে ডলার কেনা, সোনা কেনাবেচা ও সঞ্চয়ের দিকে ঝুঁকছে, যার জেরে ক্রমেই দুর্বল হচ্ছে সে দেশের অর্থনীতি। অর্থনৈতিক ক্ষোভের এই বহিঃপ্রকাশ হয় ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, যখন তেহরানের ঐতিহাসিক গ্র্যান্ড বাজারের ব্যবসায়ীরা দোকান বন্ধ করে ধর্মঘটে নামেন। জোমহুরি অ্যাভিনিউ থেকে শুরু হওয়া এই আন্দোলন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে ছাত্র, শ্রমিক ও নানান পেশাজীবীদের মধ্যে। ২০২৬ সালের জানুয়ারির শুরুতেই বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে দেশের ৩১টি প্রদেশেই। অর্থনৈতিক দাবির গণ্ডি পেরিয়ে আন্দোলন রূপ নেয় সরাসরি শাসনব্যবস্থার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে (Iran Protests)। ১৯৭৯ সালের পর প্রথমবারের মতো ‘শাহের জয় হোক’—পাহলভি রাজতন্ত্র পুনর্বহালের স্লোগান শোনা যাচ্ছে মাশহাদ ও কুমের মতো ধর্মীয় শহরেও (Rial vs Dollar)। বিশ্লেষকদের মতে, এটি রিয়ালের পতনের সঙ্গে সঙ্গে শাসনব্যবস্থার ভিত্তিও ভেঙে পড়ার ইঙ্গিত।

    ইন্টারনেট বন্ধ

    বিদ্রোহীদের দমনে সরকার প্রায় সম্পূর্ণ ইন্টারনেট বন্ধ করে দিয়েছে। বাসিজ মিলিশিয়া ও বিপ্লবী রক্ষীবাহিনী টিয়ার গ্যাস এবং গুলিও ব্যবহার করছে। মানবাধিকার সংস্থাগুলির হিসেব অনুযায়ী, ইতিমধ্যে বহু মানুষ নিহত ও হাজারো মানুষ গ্রেফতার হয়েছেন। তবুও আন্দোলন থামেনি। বিশ্বব্যাঙ্কের পূর্বাভাস, ২০২৫ সালে ইরানের জিডিপি ১.৭ শতাংশ এবং ২০২৬ সালে ২.৮ শতাংশ সংকুচিত হতে পারে। নিষেধাজ্ঞা শিথিল, বিদেশি বিনিয়োগ ও কাঠামোগত সংস্কার ছাড়া রিয়ালের এই পতন অপরিবর্তনীয় হয়ে উঠতে পারে বলে সতর্ক করছেন অর্থনীতিবিদরা। ইরানের মধ্যবিত্ত ও শ্রমজীবীদের কাছে এখন প্রশ্ন আর অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার নয়, স্রেফ শুধু কীভাবে টিকে থাকা যায়। রিয়ালের (Rial vs Dollar) এই দরের পতন চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে শুধু আর্থিক নয়, বরং শাসনব্যবস্থা, বৈধতা ও রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ নিয়ে গভীর সঙ্কট (Iran Protests)।

  • Pakistan: পাক সেনা ও জঙ্গি সংগঠনের যোগসাজশ কবুল শীর্ষ লস্কর নেতার

    Pakistan: পাক সেনা ও জঙ্গি সংগঠনের যোগসাজশ কবুল শীর্ষ লস্কর নেতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের প্রকাশ্যে পাক সেনা এবং বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠনের যোগসাজশ (India)। এই আঁতাতের বেলুনটি ফাটিয়েছেন লস্কর-ই-তৈবার শীর্ষ নেতা সইফুল্লাহ কাসুরি। হাফিজ সইদের নেতৃত্বাধীন লস্কর-ই-তৈবার ডেপুটি চিফ কাসুরি স্বীকার করেন, পাকিস্তান (Pakistan) সেনাবাহিনী নিয়মিতভাবে তাঁকে নিজেদের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানায় এবং সেনাদের শেষকৃত্যে নমাজে জানাজা পড়ানোর দায়িত্বও দেয়। পাকিস্তানের একটি স্কুলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শিশুদের উদ্দেশে ভাষণ দিতে গিয়ে এই স্বীকারোক্তি দেন কাসুরি। সম্প্রতি প্রকাশ্যে আসা একটি তারিখহীন ভিডিওতে এই বক্তব্য ধরা পড়েছে, যা ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। ভারতীয় নিরাপত্তা সংস্থাগুলির মতে, ২০২৫ সালের ২২ এপ্রিল জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ের বৈসারান উপত্যকায় ঘটে যাওয়া ভয়াবহ জঙ্গি হামলার মূল চক্রী এই কাসুরিই। ওই হামলায় ২৬ জন নিরীহ হিন্দু নাগরিক নিহত হন।

    ভারতকে হুমকি কাসুরির (Pakistan)

    ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, শিশুদের সামনে দাঁড়িয়ে কাসুরি প্রকাশ্যে ভারতকে হুমকি দিচ্ছেন। তাঁর দাবি, তাঁর উপস্থিতিতেই ভারত ভীত। ভারতবিরোধী বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, আমার নাম জড়িয়ে পড়ার পর থেকেই আমার খ্যাতি আরও বেড়েছে। তিনি বলেন, “ভারত আমার নাম শুনেই ভয় পায়।” বিশেষজ্ঞদের মতে, কাসুরির (Pakistan) এই স্বীকারোক্তি পাকিস্তানের দীর্ঘদিনের সেই দাবিকে সম্পূর্ণভাবে খণ্ডন করে, যেখানে তারা আন্তর্জাতিক মহলের সামনে বলে আসছে যে পাকিস্তানের মাটিতে সক্রিয় সন্ত্রাসবাদী সংগঠনগুলির বিরুদ্ধে তারা কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছে (India)। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, “পাকিস্তান সেনাবাহিনীর কাছ থেকে আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ পাওয়ার কথা প্রকাশ্যে স্বীকার করে নেওয়া, বিশেষ করে নিহত সেনাদের ধর্মীয় আচার সম্পাদনের ক্ষেত্রে, স্পষ্টভাবে প্রমাণ করে যে লস্কর-ই-তৈবার মতো নিষিদ্ধ সংগঠনগুলির প্রতি প্রাতিষ্ঠানিক মদত রয়েছে। ভারতীয় আধিকারিকরা এবং নিরাপত্তা বিশ্লেষকেরা দীর্ঘদিন ধরেই এই অভিযোগ তুলে আসছেন (Pakistan)।”

    লস্কর-ই-তৈবার ছদ্ম সংগঠন

    প্রসঙ্গত, পহেলগাঁওয়ে লস্কর-ই-তৈবার ছদ্ম সংগঠন ‘দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্টে’র সঙ্গে যুক্ত জঙ্গিদের হামলায় ভারত-পাকিস্তান সম্পর্ক চরম উত্তেজনার পর্যায়ে পৌঁছয়। এই হামলার পাল্টা জবাবে ভারত ২০২৫ সালের ৭ মে শুরু করে ‘অপারেশন সিঁদুর’। ওই অভিযানে পাকিস্তান ও পাক-অধিকৃত কাশ্মীরে অবস্থিত জঙ্গি পরিকাঠামোর ওপর নির্ভুল ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানো হয়। মোট ন’টি জঙ্গি ঘাঁটি লক্ষ্য করে এই অভিযান চালানো হয়, যেগুলি লস্কর-ই-তৈবা, জইশ-ই-মহম্মদ এবং অন্যান্য জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিল। চার দিন ধরে সীমান্তের দু’পাশে তীব্র সংঘর্ষের পর ২০২৫ সালের ১০ মে উভয় দেশ সংঘর্ষবিরতিতে রাজি হয় (India)। উল্লেখ্য, যিনি সাজিদ সাইফুল্লাহ জাট বা খালিদ নামেও পরিচিত, এর আগেও একাধিকবার লস্কর-ই-তৈবার জঙ্গি কার্যকলাপের সাফাই গেয়েছেন। তিনি কবুল করেন, অপারেশন সিঁদুরে জঙ্গি ঘাঁটির বড়সড় ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। যদিও তাঁর দাবি, ভারত কেবল পরিকাঠামো লক্ষ্য করে ভুল করেছে এবং আরও বড় সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া উচিত ছিল না (Pakistan)।

    কাশ্মীর মিশন

    কাসুরি আবারও ‘কাশ্মীর মিশনে’র প্রতি লস্কর-ই-তৈবার অটল প্রতিশ্রুতির কথা মনে করিয়ে দিয়ে বলেন, এই সংগঠন কখনও তাদের লক্ষ্য থেকে সরে আসবে না। সম্প্রতি প্রকাশিত একটি ভিডিও নতুন করে পাকিস্তানের সন্ত্রাসবাদ নীতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। এতে পাকিস্তানের দ্বিচারী অবস্থান, জঙ্গিদের প্রতি রাষ্ট্রের দায়বদ্ধতা এবং প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ মদতের মাত্রা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ভারতীয় নিরাপত্তা সংস্থাগুলির মতে, কাসুরির প্রকাশ্য উপস্থিতি ও তরুণদের উদ্দেশে দেওয়া উসকানিমূলক বক্তব্য প্রমাণ করে যে পাকিস্তানে ঘোষিত জঙ্গিরা কার্যত কোনও বাধা ছাড়াই কাজ করার স্বাধীনতা ভোগ করছে (Pakistan)। এদিকে, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যে ক্রমবর্ধমান কূটনৈতিক ও সামরিক ঘনিষ্ঠতাকে স্বাগত জানিয়েছে লস্কর-ই-তৈবা (LeT)। গোয়েন্দা সূত্রের খবর, সংগঠনটির উপপ্রধান সইফুল্লাহ কাসুরি ইসলামাবাদ ও ঢাকার মধ্যে নতুন করে ঘনিষ্ঠতা বাড়ায় অভিনন্দন জানিয়ে একাধিক মন্তব্য করেছেন (India)।

    মুসলিম বিশ্বের জন্য ইতিবাচক

    রাষ্ট্রসংঘ ঘোষিত জঙ্গি এবং পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলার মূলচক্রী কাসুরি পাকিস্তান ও বাংলাদেশের সম্পর্ক জোরদার হওয়াকে ইতিবাচক বলে উল্লেখ করেন। দুই দেশের মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে বাণিজ্য শুরু হওয়াকে প্রশংসনীয় এবং অত্যন্ত প্রশংসাযোগ্য বলেও মন্তব্য করেন তিনি। বিশেষজ্ঞদের মতে, কাসুরির এই বক্তব্য দক্ষিণ এশিয়ার নিরাপত্তা পরিস্থিতির দিক থেকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ এবং উদ্বেগজনক। বিশেষ করে একটি নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠনের শীর্ষ নেতার পক্ষ থেকে দুই দেশের সম্পর্ক নিয়ে প্রকাশ্যে সন্তোষ প্রকাশ নতুন করে প্রশ্ন তুলছে (Pakistan)। সূত্রের খবর, কাসুরি পাকিস্তান–বাংলাদেশের সাম্প্রতিক কূটনৈতিক যোগাযোগকে ‘মুসলিম বিশ্বের জন্য ইতিবাচক পুনর্বিন্যাস’ হিসেবে তুলে ধরেছেন। এটি ভারতের বিরুদ্ধে লস্কর-ই-তৈবার দীর্ঘদিনের আদর্শগত অবস্থানেরই প্রতিফলন বলে ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের।

    কাসুরির বক্তব্যে ইঙ্গিত

    সূত্রের খবর, কাসুরির বক্তব্যে ইঙ্গিত মিলেছে যে পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গি সংগঠনগুলি এই নতুন আঞ্চলিক কূটনৈতিক পরিস্থিতিকে তাদের জন্য সম্ভাব্য ‘অপারেশনাল সুযোগ’ হিসেবে দেখছে। বিশেষ করে কাশ্মীরের গণ্ডি ছাড়িয়ে বৃহত্তর দক্ষিণ এশিয়ায় জেহাদি প্রভাব বিস্তারের পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই এই মূল্যায়ন করা হচ্ছে (Pakistan)। নিরাপত্তা সংস্থাগুলির মতে, দক্ষিণ এশিয়াজুড়ে লস্কর-ই-তৈবার বিস্তৃত লজিস্টিক, নিয়োগ এবং আদর্শগত নেটওয়ার্ক রয়েছে। অতীতে পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গি সংগঠনগুলির সঙ্গে যুক্ত সন্ত্রাসে অর্থ জোগান ও যাতায়াতের তদন্তে বাংলাদেশের নাম উঠে আসায় বর্তমান পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে (India)। সূত্রের দাবি, লস্কর-ই-তৈবার এই প্রতিক্রিয়া স্পষ্ট করে দেয় যে অ-রাষ্ট্রীয় জেহাদি সংগঠনগুলি আঞ্চলিক রাজনৈতিক পরিবর্তনের ওপর ঘনিষ্ঠ নজর রাখছে এবং প্রয়োজনে পাকিস্তানের সরকার ও সেনাবাহিনীর সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে, কখনও কখনও তা নিয়ন্ত্রণ করার পর্যায়েও পৌঁছচ্ছে।

    সন্ত্রাস দমন সংস্থাগুলির মতে, কাসুরির এই বক্তব্য কাশ্মীরকেন্দ্রিক সন্ত্রাসের পরিসর বিস্তৃত করে একই মতাদর্শে বিশ্বাসী আঞ্চলিক নেটওয়ার্কগুলিকে যুক্ত করার একটি প্রচেষ্টা। ফলে এই নতুন কূটনৈতিক সমীকরণ ভারত ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা সংস্থাগুলির কাছে (India) অত্যন্ত সংবেদনশীল ও উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে (Pakistan)।

  • Pakistan: সিন্ধুতে হিন্দু যুবক খুন, উত্তাল পাকিস্তান, রাজ্যজুড়ে ক্ষোভ

    Pakistan: সিন্ধুতে হিন্দু যুবক খুন, উত্তাল পাকিস্তান, রাজ্যজুড়ে ক্ষোভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের (Pakistan) সিন্ধু প্রদেশে গুলিতে ঝাঁঝরা হয়ে গেলেন এক যুবক হিন্দু কৃষক তথা সংখ্যালঘু অধিকারকর্মী কৈলাশ কোহলি (Kailash Kohli)। এই হত্যাকাণ্ডের পর সিন্ধু জুড়ে ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। হিন্দু সম্প্রদায়ের সদস্যদের পাশাপাশি মানবাধিকার সংগঠনগুলিও রাস্তায় নেমে পাকিস্তানে সংখ্যালঘু হিন্দুদের জীবন ও নিরাপত্তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।কৈলাশের বয়স মাত্রই ২৫। তিনি শুধু একজন কৃষকই নন, একই সঙ্গে পাকিস্তানে সংখ্যালঘু হিন্দুদের অধিকার রক্ষায় সক্রিয় একজন সমাজকর্মী হিসেবেও পরিচিত ছিলেন। অভিযোগ, ইসলামাবাদ-নিয়ন্ত্রিত শাসনব্যবস্থার অধীনে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা ক্রমেই বিপন্ন হয়ে উঠছে এবং এই হত্যাকাণ্ড তারই এক ভয়াবহ দৃষ্টান্ত।

    প্রকাশ্য দিবালোকে খুন (Pakistan)

    জানা গিয়েছে, গত ৪ জানুয়ারি সিন্ধুর বাদিন জেলার তালহার তহশিলের অন্তর্গত গোথ দাহো, পীরু লাশারি এলাকায় প্রকাশ্য দিবালোকে কৈলাশ কোহলিকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। দুষ্কৃতীরা খুব কাছ থেকে তাঁর বুকে পরপর দু’টি গুলি করে। ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়।স্থানীয়দের দাবি, সংখ্যালঘু হিন্দুদের অধিকারের পক্ষে প্রকাশ্যে সরব হওয়ায় তাঁকে পরিকল্পিতভাবে খুন করা হয়েছে। এই ঘটনা পাকিস্তানে, বিশেষত সিন্ধু থেকে বেলুচিস্তান পর্যন্ত, ক্রমবর্ধমান ধর্মীয় অসহিষ্ণুতা ও সাম্প্রদায়িক উত্তেজনার নগ্ন চিত্র তুলে ধরেছে (Pakistan)।বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, পাকিস্তানে হিন্দু সংখ্যালঘুরা প্রতিনিয়ত লক্ষ্যভিত্তিক হিংসা, গুম, জোরপূর্বক অপহরণ, ধর্মান্তর, হত্যাকাণ্ড এবং নানা অত্যাচারের ভয়ে দিন কাটাচ্ছেন (Kailash Kohli)। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তদন্ত অসম্পূর্ণ থেকে যায়, দোষীরা শাস্তি পায় না। এই ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষোভকারীরা সিন্ধুর একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সড়ক অবরোধ করেন। দোষীদের অবিলম্বে গ্রেফতার ও স্বচ্ছ তদন্তের দাবিও জানিয়েছেন। তাঁদের সাফ কথা, ন্যায়বিচার না পাওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।

    সোশ্যাল মিডিয়ায়ও ব্যাপক প্রতিক্রিয়া

    সোশ্যাল মিডিয়ায়ও ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। জাস্টিসফরকৈলাশকোহলি হ্যাশট্যাগে টুইটার, ফেসবুক-সহ বিভিন্ন মাধ্যমে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন মানবাধিকার কর্মী ও সাধারণ মানুষ (Pakistan)। পাকিস্তানের মাইনরিটি রাইটস অর্গানাইজেশনের চেয়ারম্যান শিবা কাচ্চি এই হত্যাকাণ্ডকে ‘নৃশংস’ ও ‘ঠান্ডা মাথায় করা খুন’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। তিনি বলেন, “আমরা নিরপরাধ হিন্দু যুবক কৈলাশ কোহলির এই বর্বর হত্যার তীব্র নিন্দা জানাই। কৈলাশ কোহলির রক্ত আমাদের সকলের কাছে ন্যায়বিচারের দাবি জানাচ্ছে (Kailash Kohli)।” তিনি বলেন, “আগামীকাল বাদিনের ডিসি অফিসের সামনে যে অবস্থান-বিক্ষোভ হবে, আমরা তাকে পূর্ণ সমর্থন জানাচ্ছি। এটি শুধু একজন মানুষের খুন নয়—এটি মানবতা, ন্যায়বিচার, মৌলিক অধিকার এবং সিন্ধুতে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তার উপর সরাসরি আঘাত। অপরাধীরা আইনের আওতায় না আসা পর্যন্ত আমাদের লড়াই চলবে।”

    বর্তমানে সিন্ধুর রাস্তায় রাস্তায় ক্ষোভ ও হতাশা ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, পাকিস্তানে লক্ষ্যভিত্তিক হিংসা ক্রমশ বেড়েই চলেছে, যার প্রধান শিকার হিন্দু সংখ্যালঘু সম্প্রদায়। অথচ (Kailash Kohli) ইসলামাবাদের অস্থির ও কার্যত নিষ্ক্রিয় প্রশাসন এই পরিস্থিতিতে কার্যকর কোনও পদক্ষেপ করছে না (Pakistan)।

  • Bangladesh Crisis: মায়ানমার সীমান্তে ব্যাপক গোলাগুলির জেরে কক্সবাজারে গুলিবিদ্ধ স্কুলছাত্রী

    Bangladesh Crisis: মায়ানমার সীমান্তে ব্যাপক গোলাগুলির জেরে কক্সবাজারে গুলিবিদ্ধ স্কুলছাত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মায়ানমারের রাখাইন প্রদেশে চলেছে তীব্র সংঘর্ষ। বাংলাদেশের অনুপ্রবেশকারীদের ছিটকে আসা গুলিতে বিদ্ধ হয়েছে কক্সবাজারের (Bangladesh Crisis) টেকনাফের বছর বারোর এক স্কুলছাত্রী। এদিন সীমা এলাকায় শুরু  নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। দুষ্কৃতীরা (স্থানীয় সময়) সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং পর্যন্ত ইউনিয়নের হোয়াইক্যং এলাকায় নিজের বাড়ির সামনে খেলছিল আফনান নামে ওই নাবালিকা। এই সময় হঠাৎ একটি গুলি এসে তাকে আঘাত করে। সে মহম্মদ জসিমের মেয়ে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে দ্রুত কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। প্রাথমিকভাবে শিশুটির মৃত্যুর খবর ছড়ালেও পরে পুলিশ নিশ্চিত করে, সে বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছে এবং তার অবস্থা আশঙ্কাজনক।

    ভয়াবহ সংঘর্ষ (Bangladesh Crisis)

    এদিকে, স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মায়ানমারের রাখাইন রাজ্যের টোটার দ্বীপ এলাকায় দেশটির সেনাবাহিনী ও রোহিঙ্গা সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মি (AA)-এর মধ্যে শনিবার রাত থেকে রবিবার সকাল পর্যন্ত ভয়াবহ সংঘর্ষ হয়। ভারী গোলাগুলি, মর্টার শেল নিক্ষেপ এবং ড্রোন হামলার শব্দ বাংলাদেশ সীমান্ত পর্যন্ত পৌঁছে যায় (Bangladesh Crisis)। টোটার দ্বীপটি কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের ঠিক বিপরীতে অবস্থিত। সীমান্তের দুই পাশেই ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। গোলাগুলির শব্দে সীমান্তবর্তী গ্রামগুলিতে আতঙ্কে মানুষ ঘর ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে পালিয়ে যায়। ঘটনার প্রতিবাদে ক্ষুব্ধ স্থানীয় বাসিন্দারা টেকনাফ-কক্সবাজার হাইওয়ে অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান। তাঁরা সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার এবং মায়ানমারের যুদ্ধের প্রভাব থেকে বাংলাদেশি নাগরিকদের রক্ষার দাবি জানান (Bangladesh Crisis)। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সীমান্তবর্তী এলাকায় বসবাসকারী সাধারণ মানুষ ও জেলেদের সীমান্তের কাছাকাছি না যেতে সতর্ক করা হয়েছে।

    বিজিবির টহল জোরদার

    এদিকে বাংলাদেশ-মায়ানমার সীমান্তের নাফ নদীতে বিজিবির (Border Guard Bangladesh) টহল জোরদার করা হয়েছে। তবে রবিবার সন্ধে পর্যন্ত পাল্টা কোনও সামরিক প্রতিক্রিয়ার খবর মেলেনি।সংঘর্ষের জেরে মায়ানমার থেকে অন্তত ৫২ জন রোহিঙ্গা সশস্ত্র গোষ্ঠীর সদস্য বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করে। পরে টেকনাফে স্থানীয় পুলিশ তাদের আটক করে। উল্লেখ্য, চলতি মাসের ৯ জানুয়ারি নাফ নদীতে মাছ ধরার সময় মায়ানমারের দিক থেকে ছোড়া গুলিতে জখম হন বাংলাদেশি জেলে মো. আলমগীর। যদিও নদীতে মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা জারি রয়েছে, তবুও জীবিকার তাগিদে অনেকেই সেখানে যাচ্ছেন (Bangladesh Crisis)। বর্তমানে বাংলাদেশে এক মিলিয়নেরও বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থী আশ্রয় নিয়েছে। বর্তমানে সংঘর্ষের কারণে নতুন করে আরও রোহিঙ্গার বাংলাদেশে ঢোকার আশঙ্কা বাড়ছে।

  • Iran Update: ইরানের হাসপাতাল-মর্গে উপচে পড়ছে লাশ, দেহ সরানো হল অন্যত্র

    Iran Update: ইরানের হাসপাতাল-মর্গে উপচে পড়ছে লাশ, দেহ সরানো হল অন্যত্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইরানে অব্যাহত সরকার বিরোধী বিক্ষোভ। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে হতাহতের (Iran Update) ঘটনা।দেশটির অন্তত তিনটি বড় হাসপাতাল (Hospitals) মৃত ও আহত রোগীর চাপে কার্যত বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে বলে খবর। তেহরানের একটি হাসপাতালের এক চিকিৎসক সংবাদ মাধ্যমে জানান, বিক্ষোভকারীদের লক্ষ্য করে সরাসরি গুলি চালানো হয়েছে। তাঁর কথায়, “তরুণদের মাথায় সরাসরি গুলি করা হয়েছে, এমনকি বুকেও গুলি লেগেছে।”

    ইরানের পরিস্থিতি (Iran Update)

    এদিকে, রাজধানীর একটি চক্ষুরোগের হাসপাতালের এক চিকিৎসক বলেন, “পরিস্থিতি এতটাই গুরুতর যে হাসপাতালটিকে ‘ক্রাইসিস মোড’ বা জরুরি অবস্থার মধ্যে পরিচালনা করতে হচ্ছে।” দুই চিকিৎসাকর্মী জানান, তাঁরা এমন বহু রোগীর চিকিৎসা করেছেন যাঁদের শরীরে তাজা গুলি এবং পেলেট গান- উভয়েরই ক্ষতচিহ্ন রয়েছে। এতে স্পষ্ট যে নিরাপত্তা বাহিনী কঠোর দমননীতি গ্রহণ করেছে। এদিকে শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্র ফের হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছে, ইরানে বিক্ষোভকারীদের হত্যা করা হলে তার জবাবে সামরিক প্রতিক্রিয়া জানানো হতে পারে (Iran Update)। অন্যদিকে, ইরান সরকার এই অভিযোগ অস্বীকার করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকেই দায়ী করেছে। তেহরানের অভিযোগ, ওয়াশিংটন শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদকে উসকে দিয়ে সহিংস ষড়যন্ত্রমূলক কাজকর্ম ও ব্যাপক ভাঙচুরে পরিণত করেছে। বর্তমানে ইরানের বিভিন্ন শহরে উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে এবং পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে বলেই আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের (Iran Update)।

    বিক্ষোভের জেরে ভয়ঙ্কর অবস্থা

    জানা গিয়েছে, ইরানে যে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ চলছে, তা দিন দিন ভয়ঙ্কর থেকে আরও ভয়ঙ্কর হয়ে উঠছে। অর্থনৈতিক সঙ্কটকে কেন্দ্র করে প্রায় দুসপ্তাহ আগে রাজধানী তেহরান থেকে শুরু হওয়া এই আন্দোলন এখন দেশটির সব প্রদেশের অন্তত ১০০টির বেশি শহর ও জনপদে ছড়িয়ে পড়েছে (Hospitals)। বিক্ষোভে এখনও পর্যন্ত শতাধিক মানুষ নিহত বা গুরুতর জখম হয়েছেন বলে অনুমান, যাদের মধ্যে শিশুরাও রয়েছে। সূত্রের খবর, নিহতদের মধ্যে অন্তত ২৬ জনের পরিচয় জানা গিয়েছে, যার মধ্যে ছ’জন শিশুও রয়েছে। বহু মানুষকে আটকও করেছে নিরাপত্তা বাহিনী (Iran Update)। এদিকে, নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদেরও প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। একটি মানবাধিকার সংগঠনের দাবি, নিহত নিরাপত্তা রক্ষীর সংখ্যা অন্তত ১৪।

    ট্রাম্পের বক্তব্য

    এই পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখেন, “ইরান সম্ভবত ইতিহাসের যে কোনও সময়ের চেয়ে এখন স্বাধীনতার খুব কাছাকাছি। যুক্তরাষ্ট্র সাহায্যের জন্য প্রস্তুত!!!” জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাতে রাশত শহরের পুরসিনা হাসপাতালে অন্তত ৭০টি মৃতদেহ আনা হয়েছিল। হাসপাতালের মর্গ ভর্তি হয়ে যাওয়ায় অতিরিক্ত দেহ অন্যত্র সরিয়ে নিতে হয়। হাসপাতাল সূত্রের খবর, কর্তৃপক্ষ মৃতদের স্বজনদের কাছে দাফনের জন্য মৃতদেহ ছাড়াতে ৭ বিলিয়ন রিয়াল (প্রায় ৭ হাজার মার্কিন ডলার) দাবি করেছে (Iran Update)।

    ভয়াবহ দৃশ্য

    তেহরানের একটি হাসপাতালের কর্মী জানান, “ভয়াবহ দৃশ্য। এত বেশি আহত মানুষ এসেছিল যে অনেকের ক্ষেত্রে সিপিআর দেওয়ার সময়ও পাওয়া যায়নি। প্রায় ৩৮ জন মারা গিয়েছেন, এঁদের মধ্যে অনেকেই মারা গিয়েছে হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই। তরুণদের মাথা ও বুকে সরাসরি গুলি করা হয়েছে।” তিনি জানান, “মর্গে জায়গা না থাকায় মৃতদেহগুলি একটির ওপর আর একটি রাখা হয়েছিল। পরে প্রার্থনাকক্ষেও সেগুলিকে ডাঁই করে রাখা হয় (Hospitals)।” ওই হাসপাতাল কর্মীর ভাষায়, নিহত ও আহতদের অধিকাংশই ২০ থেকে ২৫ বছর বয়সী তরুণ। তিনি বলেন, “অনেকের দিকে তাকানোই যায়নি, এতটাই কাঁচা বয়স তাদের (Iran Update)।” ইরানে বর্তমানে প্রায় সম্পূর্ণ ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট চলছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে যোগাযোগ ব্যবস্থা প্রায় অচল হয়ে পড়ায় তথ্য সংগ্রহ ও যাচাই করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে উঠেছে। এই কারণে অধিকাংশ আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সরাসরি ইরানের ভেতর থেকে রিপোর্ট করতে পারছে না।

    ভয়াবহ মানবিক সঙ্কট

    এদিকে, ইরানে যে বিক্ষোভ চলছে, তাকে ঘিরে ভয়াবহ মানবিক সঙ্কট তৈরি হয়েছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে এক চিকিৎসক জানান, তেহরানের প্রধান চক্ষু চিকিৎসা কেন্দ্র ফারাবি হাসপাতাল বর্তমানে চরম সঙ্কটে রয়েছে। জরুরি পরিষেবা চাপে পড়ে গিয়েছে। ওই চিকিৎসকের দাবি, শুক্রবার রাতে পরিস্থিতি এতটাই ভয়াবহ হয়ে উঠেছিল যে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নন-ইমার্জেন্সি ভর্তি ও অস্ত্রোপচার স্থগিত রাখতে বাধ্য হন। জরুরি পরিস্থিতির মোকাবিলায় অতিরিক্ত চিকিৎসক ও কর্মীদের ডেকে পাঠানো হয় (Hospitals)।চিকিৎসকদের বক্তব্য, ইরানের নিরাপত্তা বাহিনী বিক্ষোভ দমনে প্রায়ই পেলেট ভর্তি কার্তুজ ছোড়ে এমন শটগান ব্যবহার করে। এতে বহু বিক্ষোভকারী মারাত্মকভাবে জখম হচ্ছেন, বিশেষ করে চোখে গুলি লাগার ঘটনা উদ্বেগজনকভাবে বেড়ে গিয়েছে। তিনি বলেন, “আমি নিজের চোখে দেখেছি, চোখে গুলি লেগে মৃত্যু হয়েছে” (Iran Update)।

    চোখে গুলি

    মধ্য ইরানের কাশান শহরের এক চিকিৎসক জানান, শুক্রবার রাতের অশান্তির সময় বহু বিক্ষোভকারীর চোখে গুলি লাগে। শহরের বিভিন্ন হাসপাতাল থেকে একই ধরনের রিপোর্ট এসেছে বলেও জানান তিনি। তেহরানের এক চিকিৎসক বলেন, “আহত ও মৃতের সংখ্যা অত্যন্ত বেশি। আমি নিজে একজনকে দেখেছি, যার চোখে গুলি লেগে মাথার পিছন দিক দিয়ে বেরিয়ে গিয়েছে।” তিনি এও বলেন, “রাত প্রায় বারোটার দিকে হাসপাতালের দরজা বন্ধ করে দেওয়া হয়। তখন একদল মানুষ দরজা ভেঙে এক গুলিবিদ্ধ ব্যক্তিকে ভিতরে ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে চলে যায়। কিন্তু হাসপাতালে পৌঁছনোর আগেই তাঁর মৃত্যু হয়েছিল। আমরা তাঁকে বাঁচাতে পারিনি।” এরকম ছবি ইরানের বিভিন্ন প্রান্তে দেখা গিয়েছে, দক্ষিণ-পশ্চিম ইরানের সিরাজ শহরের এক হাসপাতালের চিকিৎসক বলেন, “বিপুল সংখ্যক আহত ব্যক্তিকে হাসপাতালে আনা হচ্ছিল। কিন্তু পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার মতো পর্যাপ্ত সংখ্যক সার্জেন ছিলেন না। চোখে গুলি লাগার একের পর এক অভিযোগ সামনে আসায় ইরানে মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।

    ব্যাপক বিক্ষোভ

    ইরানজুড়ে ক্রমবর্ধমান অস্থিরতার মধ্যে শুক্রবার রাতে রাজধানী তেহরানে ব্যাপক বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে বিক্ষোভে অংশ নিচ্ছেন। একাধিক গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় এবং রাজধানী লাগোয়া কারাজ শহরে একটি সরকারি ভবনেও অগ্নিসংযোগ করা হয় (Iran Update)। এই পরিস্থিতিতে ইরানের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তারা নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে যৌথভাবে জনগণের সম্পত্তি রক্ষায় নামবে। সেনার এই ঘোষণা এমন একটা সময়ে এল, যখন দেশজুড়ে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ায় নিরাপত্তা বাহিনী চাপের মুখে পড়েছে বলেই দাবি করা হয়েছে বিভিন্ন প্রতিবেদনে (Hospitals)।

    কঠোর আইনি পদক্ষেপ

    শুক্রবার ইরানি কর্তৃপক্ষ বিক্ষোভকারীদের উদ্দেশে একাধিক সমন্বিত সতর্কবার্তা জারি করে। ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ জানিয়েছে, তথাকথিত সশস্ত্র দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ করা হবে। ইরানি পুলিশের দাবি, শুক্রবার রাতে তেহরানে কোনও মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। তবে পুলিশ জানিয়েছে, অন্তত ২৬টি ভবনে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে, যার ফলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এদিকে, তেহরানে বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার রাতে বিক্ষোভে অংশ নেওয়া এক প্রত্যক্ষদর্শী সংবাদ মাধ্যমে জানিয়েছেন, এই আন্দোলনে মূল ভূমিকা পালন করছেন জেনারেশন জেড। তাঁর কথায়, “তরুণরা তাঁদের বাবা-মা ও প্রবীণদের রাস্তায় নামতে উৎসাহিত করছেন এবং ভয় না পেতে আহ্বান জানাচ্ছেন।” ইরানের এই বিক্ষোভের আঁচ কবে স্তিমিত (Hospitals) হয়, আপাতত সেদিকেই তাকিয়ে আন্তর্জাতিক মহল (Iran Update)।

  • Syria: আইএস ঘাঁটি লক্ষ্য করে সিরিয়ার ৩৫ টার্গেট কেন্দ্রে নিশানা আমেরিকার

    Syria: আইএস ঘাঁটি লক্ষ্য করে সিরিয়ার ৩৫ টার্গেট কেন্দ্রে নিশানা আমেরিকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিম এশিয়ার সিয়ার (Syria) থেকে আইএসকে নির্মূল করতে অনেকদিন ধরেই সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে আমেরিকা প্রশাসন। জঙ্গি হামলায় ট্রাম্পের (Donald Trump) মার্কিন সেনা আধিকারিকের মৃত্যুর প্রতিশোধ নিতে গত মাসেই এই গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে বড় হামলা চালিয়েছিল ট্রাম্প প্রশাসন। একে, শাসক বিরোধী বিক্ষোভের জেরে উত্তাল ইরান, ঠিক সেই সময়েই আইএসআইএসের বিরুদ্ধে শনিবার রাতে আকাশ পথে হামলা চালায় আমেরিকা। জানা গিয়েছে, অন্তত ৩৫টি এলাকায় নিশানা করে গোলাবর্ষণ করা হয়েছে।

    এফ-১৫ই, এ-১০ এবং এসি ১৩০ বিমান ব্যবহার (Syria)

    মার্কিন বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ডার মুখপাত্র ক্যাপ্টেন টিমোথি হকিন্স এই হামলার কথা জানান। এফ-১৫ই, এ-১০ এবং এসি ১৩০ যে গানশিপ সহ ২০টি যুদ্ধ বিমান সিরিয়ায় হামলা চালিয়েছে। একই ভাবে হামলায় ব্যবহার করা হয় এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন এবং জর্ডনের এফ-১৬ যুদ্ধ বিমান। ৩৫টি নিশানায় আনুমানিক ৯০টিরও বেশি বোমা ফেলা হয়েছে। ক্যাপ্টেন হকিন্স বলেন, “আইএসকে (Syria) নির্মূল করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য। তার ভিত্তিতে সিরিয়ার বিভিন্ন প্রান্তে হামলার পরিকল্পনা করা হয়েছে। ভবিষ্যতের জঙ্গি হামলা দমন এবং আমেরিকা (Donald Trump) ও তাদের সঙ্গীদের সুরক্ষা আমাদের প্রধান অগ্রাধিকার।”

    হকআই স্ট্রাইক

    পালমিরা আক্রমণের বদলা হিসেবে একে “অপারেশন হকআই স্ট্রাইক” হিসেবে বিবেচনা করে হানা দেয় ট্রাম্প প্রশাসন। টরেস-টোভার এবং হাওয়ার্ড উভয়ই আইওয়া ন্যাশনাল গার্ডের সদস্য ছিলেন। ২০২৪ সালের পর সিরিয়ার (Syria) শাসক বাশার আল আসাদের পতনের পর গত মাসে দুই মার্কিন নাগরিককে হত্যা করা হয়েছিল। তবে আমেরিকার মতে এই হত্যার দায় কেবলমাত্র আইএসের। ট্রাম্প (Donald Trump) প্রশাসন তাই কঠোর বার্তা দিয়েছিলেন। এরপর থেকেই হামলা শুরু হয়েছে। গত ২৬ তারিখে আইএসের পশ্চিম এশিয়ার প্রধান নেতা ধিয়া জাওবা মুসলি আল হারদানি এবং তাঁর দুই পুত্র নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে মার্কিন বাহিনী।

  • Bangladesh Hindu Attack: বাংলাদেশে ফের খুন হিন্দু যুবক! ইউনূস সরকারকে কড়া বার্তা ভারতের

    Bangladesh Hindu Attack: বাংলাদেশে ফের খুন হিন্দু যুবক! ইউনূস সরকারকে কড়া বার্তা ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর নির্যাতনের ঘটনা থামছেই না। ফের খুন এক হিন্দু যুবক (Another Hindu man killed in Bangladesh)। ক্রমাগত এই ধরনের ঘটনায় বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থার দুর্বলতা এবং নির্বাচনের আগে বাড়তে থাকা উগ্রতার জেরে পরিস্থিতি আরও অশান্ত হতে পারে। প্রতিবেশী রাষ্ট্র বাংলাদেশে (Bangladesh Violence) হিন্দুসহ সংখ্যালঘু (Minority Safety) সম্প্রদায়ের ওপর ক্রমবর্ধমান নৃশংসতা ও বেলাগাম হিংসার ঘটনায় এবার মহম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারকে চরম বার্তা দিল ভারত। দিল্লির তরফে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, মৌলবাদে লাগাম টেনে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইউনূস প্রশাসনকে দ্রুত ও কঠোর পদক্ষেপ করতে হবে।

    বিষ খাইয়ে মারা হল হিন্দু যুবককে

    বৃহস্পতিবার সুনামগঞ্জ জেলায় জয় মহাপাত্র (Joy Mahapatra killed in Bangladesh) নামে এক হিন্দু যুবককে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ। পরিবার সূত্রে দাবি, স্থানীয় এক ব্যক্তির সঙ্গে বিরোধের জেরে তাঁকে মারধর করা হয় এবং বিষ খাইয়ে দেওয়া হয়। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় তাঁকে সিলেটের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে স্থানান্তরিত করা হয় আইসিইউ-তে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়। ঘটনাটি এখনও তদন্তাধীন। এদিকে, বৃহস্পতিবার ময়মনসিংহে হিন্দু যুবক দীপু চন্দ্র দাস হত্যাকাণ্ডের (Dipu Chandra Das Murder Case) মামলায় মূল অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে বাংলাদেশ পুলিশ (Main accused arrested)। ইয়াসিন আরাফাত নামে অভিযুক্তকে স্থানীয়রা ‘শিক্ষক’ হিসেবে চিনত। পুলিশ জানিয়েছে, দীপুর ওপর ‘ধর্ম অবমাননার অভিযোগ’ তুলে পরিকল্পিতভাবে তাঁকে ফাঁসানো হয়। প্রথমে জনতাকে উস্কানি এরপর সুযোগ বুঝে দীপুকে টেনে বের করে ক্ষুব্ধ জনতার হাতে তুলে দেওয়া হয়, আর এর ‘মাস্টারমাইন্ড’ ছিলেন ইয়াসিন আরাফাত।

    বাংলাদেশকে কড়া বার্তা ভারতের

    সংখ্যালঘুদের ওপর বাড়তে থাকা এই পরিকল্পিত হামলার প্রেক্ষিতে শুক্রবার ভারতের বিদেশমন্ত্রকের নিয়মিত সাংবাদিক বৈঠকে সুর চড়ান মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল (Randhir Jaiswal)। তিনি বলেন, “আমরা বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর উগ্রপন্থীদের হামলার এক উদ্বেগজনক প্রবণতা বারবার লক্ষ্য করছি। তাঁদের বাড়িঘর, উপাসনালয় ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে হামলা চালানো হচ্ছে। এই ধরনের সাম্প্রদায়িক হিংসার ঘটনা কোনওভাবেই বরদাস্ত করা যায় না।” তাঁর মতে, এই ধরনের নৃশংস ঘটনাগুলোকে অনেক সময় ‘ব্যক্তিগত শত্রুতা’ বা ‘রাজনৈতিক বিরোধ’ হিসেবে তকমা দিয়ে লঘু করে দেখানোর চেষ্টা করা হয়। ভারতের দাবি, এই ধরনের প্রবণতা অপরাধীদের আড়াল করে এবং তাঁদের আরও সাহসী করে তোলে। এর ফলে সাধারণ সংখ্যালঘুদের মধ্যে ভয় ও চরম নিরাপত্তাহীনতা কাজ করছে। ভারত চায়, বাংলাদেশ সরকার কোনও অজুহাত না দিয়ে অপরাধীদের বিরুদ্ধে দৃঢ় আইনি ব্যবস্থা নিক।

     

     

     

  • Iran Protest: ইসলামিক শাসনের প্রতিবাদকারীদের উপর নির্বিচারে গুলি! দেশজুড়ে বাড়ছে সংঘর্ষ, ইরানে মৃত ২১৭

    Iran Protest: ইসলামিক শাসনের প্রতিবাদকারীদের উপর নির্বিচারে গুলি! দেশজুড়ে বাড়ছে সংঘর্ষ, ইরানে মৃত ২১৭

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইরানে (Iran Protest) রাজনৈতিক সঙ্কট ক্রমশ গভীর হচ্ছে। দেশজুড়ে ধর্মীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ তীব্র আকার নিয়েছে। শুক্রবার রাতভর বিভিন্ন শহরে ব্যাপক ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সূত্রের খবর, ক্রমবর্ধমান অস্থিরতার মোকাবিলায় বিক্ষোভকারীদের উপর গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছে ইরানের সরকার। যার ফলে অন্তত ২১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে টাইম ম্যাগাজিনকে জানিয়েছেন স্থানীয় এক চিকিৎসক। তেহরানের ৬টি হাসপাতালেই এত সংখ্যক মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

    বিক্ষোভ শুধু তেহরানেই সীমাবদ্ধ নয়

    প্রথমে ইরানে এই আন্দোলনের সূচনা হয়েছিল মুদ্রাস্ফীতি, বেকারত্ব এবং ইরানি রিয়ালের দ্রুত পতনের প্রতিবাদে। তবে ধীরে ধীরে তা সরকার ও ধর্মীয় শাসনব্যবস্থার বিরুদ্ধে সরাসরি আন্দোলনে রূপ নেয়। এখন এই বিক্ষোভ আর শুধু তেহরানেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে পড়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তেহরানের এক চিকিৎসক ‘টাইম’ ম্যাগাজিনকে জানিয়েছেন, শুধু রাজধানীর ৬ হাসপাতালেই অন্তত ২১৭ জন বিক্ষোভকারীর মৃত্যু হয়েছে, যাদের অধিকাংশই গুলিবিদ্ধ হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন। খবর যাতে ছড়াতে না পারে, তাই সরকার সারা দেশে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দিয়েছে। বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের উপরও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। এমনকী ফোনের কানেকশনও স্তব্ধ করা হয়েছে।

    বিক্ষোভে অংশ নেন ৫ লক্ষের বেশি মানুষ

    সরকারি ও বেসরকারি সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৪ দিনের বেশি সময় ধরে চলা এই আন্দোলনে এখন পর্যন্ত ২১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং আহত হয়েছেন ২,০০০-এরও বেশি মানুষ। বিক্ষোভে অংশ নিয়েছেন প্রায় ৫ লক্ষের বেশি মানুষ। সারা দেশে প্রায় ৪০০টি স্থানে আন্দোলন চলছে। শুধু তেহরানেই সংঘর্ষে নিহতদের মধ্যে ১৪ জন নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য রয়েছেন। পুলিশ অন্তত ২,৩০০ জনকে আটক করেছে। বিদ্রোহের আগুন ইরানের ২০টি প্রদেশে ছড়িয়ে পড়েছে। ১১০টিরও বেশি শহরে ব্যাপক বিক্ষোভ চলছে। বিভিন্ন স্থানে মসজিদ ও সরকারি ভবনে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। তেহরানে অন্তত ২৬টি ব্যাঙ্ক লুট করা হয়েছে, ২৫টি মসজিদে আগুন দেওয়া হয়েছে এবং ১০টি সরকারি ভবন সম্পূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়াও ২৪টি অ্যাপার্টমেন্ট, ৪৮টি দমকলের গাড়ি ও ৪২টি বাসে আগুন লাগানো হয়েছে। নিরাপত্তাজনিত কারণে কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ রাখা হয়েছে।

    সরকারি দমন-নীতি

    ইরানের সেই চিকিৎসক টাইম ম্যাগাজিনকে জানান, বিক্ষোভকারীরা একত্রিত হলে সিকিউরিটি ফোর্স সরাসরি গুলি চালাতে শুরু করে। যার ফলে অনেকের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে কিছু জনের বডি হাসপাতাল থেকে শুক্রবার নিয়ে যাওয়া হয়েছে। মৃতদের মধ্যে অধিকাংশই অল্প বয়সি। এছাড়া উত্তর তেহরানের পুলিশ স্টেশনের বাইরে মেশিন গান থেকে গুলি চালিয়েও বেশ কিছু বিক্ষোভকারীকে মেরে ফেলা হয়েছে। এই ঘটনায় অন্তত ৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে বলেও জানান তিনি। যতদূর খবর, ইরানে সরকার বিরোধী মিছিল মোটের উপর শান্তিপূর্ণই ছিল। তবে কিছু জায়গায় বিক্ষোভকারীরা অশান্ত হয়ে ওঠে। তারা তেহরানের আল রাসুল মসজিদে আগুন ধরিয়ে দেয়।

    ইরান ঝুঁকবে না কোনও শক্তির কাছে

    যদিও এই চিকিৎসক যতটা দাবি করেছেন, মৃতের সংখ্যা এতটাও বেশি নয় বলে দাবি করেছে কিছু মানবাধিকার সংগঠন। ওয়াশিংটনের মানবাধিকার সংগঠন এবং সংবাদ সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, মোটামুটি ৬৩ জনের মৃত্যু হয়েছে এই ঘটনায়। মৃত্যের মধ্যে ৪৯ জন সাধারণ মানুষ। একইসঙ্গে চাপের কাছে নতিস্বীকার করতে নারাজ ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই। তিনি জানান, এই ইসলামিক দেশ কারও কাছে মাথা নত করবে না। যারা বিক্ষোভ করছে তাদের কাছে হার মানার প্রশ্নই নেই।

LinkedIn
Share