Category: বিদেশ

Get updates on World News Headlines International News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • PM Modi: ‘নমস্তে’! প্রথম পাতা জুড়ে মোদি, প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানিয়ে বিশেষ প্রচ্ছদ ইজরায়েলি পত্রিকার

    PM Modi: ‘নমস্তে’! প্রথম পাতা জুড়ে মোদি, প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানিয়ে বিশেষ প্রচ্ছদ ইজরায়েলি পত্রিকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তামাম বিশ্বে ক্রমেই গুরুত্ব বাড়ছে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। দ্বিতীয়বারের জন্য ইজরায়েলে যাচ্ছেন তিনি। তার আগে ইজরায়েলের সংবাদপত্র ‘দ্য জেরুজালেম পোস্ট  ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে একটি বিশেষ প্রথম পৃষ্ঠা প্রকাশের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পত্রিকার সম্পাদক-ইন-চিফ জিভিকা ক্লাইন ২৪ ফেব্রুয়ারি এক্স হ্যান্ডেলে এই বিষয়টি জানান।

    পত্রিকার সম্পাদকের আবেদন (PM Modi)

    তিনি লিখেছেন, “আগামীকালের পত্রিকা আমরা জেরুজালেমে মুদ্রণের জন্য পাঠিয়েছি, প্রধানমন্ত্রী @নরেন্দ্রমোদির ঐতিহাসিক ইজরায়েল সফর উপলক্ষে—২০১৭ সালের পর এটি তাঁর প্রথম সফর। এই উপলক্ষে এটি আমাদের বিশেষ @জেরুজালেম পোস্ট কভার। আপনাদের কী মনে হয়?” প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে পাঠকদের আহ্বানও জানান তিনি। বুধবার ভারতীয় সময় বিকেল প্রায় ৪টায় প্রধানমন্ত্রী মোদি পৌঁছবেন ইজরায়েলে। ২০১৭ সালের পর এটি তাঁর প্রথম ইজরায়েল সফর। সফরকালে তিনি ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা এবং নিরাপত্তা সহযোগিতা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। তিনি ইজরায়েলের সংসদ ‘কনেসেট’-এ ভাষণও দেবেন, যা হবে সেখানে কোনও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রথম ভাষণ।

    ভারতের বিদেশমন্ত্রকের বক্তব্য

    ভারতের বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, “দুই নেতা ভারত-ইজরায়েল কৌশলগত অংশীদারিত্বে অর্জিত উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি পর্যালোচনা করবেন এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, উদ্ভাবন, প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা, কৃষি, জল ব্যবস্থাপনা, বাণিজ্য ও অর্থনীতি এবং জনগণের মধ্যে যোগাযোগ-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভবিষ্যৎ সহযোগিতার সুযোগ নিয়ে আলোচনা করবেন। আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়েও মতামত বিনিময় হবে।” ইজরায়েল-ইরান সংঘাত শুরু পর গাজার পরিস্থিতি নিয়েও দুই নেতা গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করবেন বলে ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের। সফরের আগে উভয় দেশই সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে তাদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে। সন্ত্রাস মোকাবিলায় গোয়েন্দা ও তথ্য আদান-প্রদান জোরদার-সহ দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা আরও গভীর করার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে দুই দেশ।

    মঙ্গলবার উভয় দেশ জোর দিয়ে বলেছে, সন্ত্রাসবাদের মোকাবিলায় “টেকসই ও সর্বাঙ্গীণ পদ্ধতিতে” সমন্বিত পদক্ষেপের প্রয়োজন। ভারত-ইজরায়েল যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “এই প্রেক্ষাপটে সন্ত্রাসবিরোধী ক্ষেত্রে রাষ্ট্রসংঘ, ফিনান্সিয়াল অ্যাকশন টাস্ক ফোর্স (FATF) এবং অন্যান্য বহুপাক্ষিক প্ল্যাটফর্মে সহযোগিতা মজবুত করার অঙ্গীকার পুনর্নবীকরণ করেছে দুই পক্ষ।” তেল আভিভাবের উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার আগে প্রকাশিত বিদায়ী বিবৃতিতে প্রধানমন্ত্রী ভারত ও ইজরায়েলের সম্পর্ককে একটি দৃঢ় ও বহুমাত্রিক কৌশলগত অংশীদারিত্ব হিসেবে বর্ণনা করেন।

     

  • PM Modi: ‘ইসলামিক ন্যাটো’র পাল্টা! ভারতকে সঙ্গে নিয়ে নয়া ‘ষড়ভুজ জোটের’ প্রস্তাব নেতানিয়াহুর, সঙ্গে আর কারা?

    PM Modi: ‘ইসলামিক ন্যাটো’র পাল্টা! ভারতকে সঙ্গে নিয়ে নয়া ‘ষড়ভুজ জোটের’ প্রস্তাব নেতানিয়াহুর, সঙ্গে আর কারা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইজরায়েল সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তার আগেই জেরুজালেম থেকে এক নতুন ভূ-রাজনৈতিক জোটের প্রস্তাব সামনে এসেছে। ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু (Benjamin Netanyahu) যাকে তিনি “হেক্সাগন অফ অ্যালায়েন্স” (ষড়ভুজ জোট) বলেছেন, তার রূপরেখা প্রকাশ্যে এনেছেন। নেতানিয়াহুর প্রস্তাবিত জোটের লক্ষ্য মধ্যপ্রাচ্যে (পশ্চিম এশিয়া) তাঁর ভাষায় “র‍্যাডিক্যাল অ্যাক্সিস” বা চরমপন্থী অক্ষশক্তির মোকাবিলা করা। তিনি ইজরায়েল, গ্রিস ও সাইপ্রাসের পাশাপাশি ভারতকে এই জোটের অন্যতম প্রধান অংশীদার হিসেবে উল্লেখ করেছেন। ইজরায়েলি বিদেশ দফতরের ২২ ফেব্রুয়ারির বিবৃতি অনুযায়ী, আরও কিছু আরব, আফ্রিকান ও এশীয় দেশ এই কাঠামোর অংশ হতে পারে।

    ইজরায়েল-ইরান উত্তেজনা (PM Modi)

    এই ঘোষণা এমন একটা সময়ে এল যখন ইজরায়েল-ইরান উত্তেজনা বাড়ছে এবং পাকিস্তান ও সৌদি আরব ন্যাটোর ধাঁচে একটি প্রতিরক্ষা চুক্তিতে একত্রিত হয়েছে। এখানে তুরস্কও যোগ দিতে আগ্রহী। নেতানিয়াহুর আমন্ত্রণে মোদি ২৫–২৬ ফেব্রুয়ারি ইজরায়েলে রাষ্ট্রীয় সফরে যাবেন। ভারতের বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, এটি মোদির দ্বিতীয় ইজরায়েল সফর। মঙ্গলবার ভারতের বিদেশমন্ত্রকের তরফে জারি করা এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সফরকালে দুই নেতা আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মত বিনিময় করবেন। ২২ ফেব্রুয়ারির মন্ত্রিসভা বৈঠকে নেতানিয়াহু এই ধারণার রূপরেখা তুলে ধরেন বলে ইজরায়েল সরকারের বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

    কী বললেন নেতানিয়াহু

    নেতানিয়াহু বলেন, “আমার দৃষ্টিভঙ্গিতে আমরা মধ্যপ্রাচ্যের চারপাশে বা ভেতরে একটি পূর্ণাঙ্গ ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলব—মূলত এটি হবে একটি হেক্সাগন জোট (PM Modi)।” তিনি বলেন, “এর মধ্যে থাকবে ভারত, আরব দেশসমূহ, আফ্রিকান দেশসমূহ, ভূমধ্যসাগরীয় দেশ (গ্রিস ও সাইপ্রাস) এবং এশিয়ার কিছু দেশ, যাদের নাম এখন উল্লেখ করছি না। আমি এটি সংগঠিতভাবে উপস্থাপন করব (Benjamin Netanyahu)।” নেতানিয়াহু বলেন, “উদ্দেশ্য হল এমন দেশগুলির একটি অক্ষ তৈরি করা, যারা চরমপন্থী অক্ষশক্তির বিরুদ্ধে বাস্তবতা, চ্যালেঞ্জ এবং লক্ষ্য নিয়ে একমত। তা সে চরমপন্থী শিয়া অক্ষই হোক, যাকে আমরা কঠোরভাবে আঘাত করেছি, অথবা উদীয়মান চরমপন্থী সুন্নি অক্ষ। এই দেশগুলির দৃষ্টিভঙ্গি আলাদা এবং আমাদের সহযোগিতা বড় ফল দিতে পারে, পাশাপাশি আমাদের স্থিতিস্থাপকতা ও ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করতে পারে।”

    ‘হেক্সাগন’ জোটের আহ্বান

    এই কাঠামোর লক্ষ্য নিরাপত্তা, গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় এবং প্রতিরক্ষা সহযোগিতা গভীর করা (PM Modi)। প্রসঙ্গত, নেতানিয়াহুর ‘হেক্সাগন’ জোটের আহ্বান তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ এটি পশ্চিম ও দক্ষিণ এশিয়ায় চলমান এক ভূ-রাজনৈতিক পরিবর্তনকে আনুষ্ঠানিক রূপ দিচ্ছে। ভারত-ইউএই-ইজরায়েল-গ্রিস সমঝোতার আগের আলোচনা থেকে ভিন্নভাবে, এটি প্রকাশ্য কৌশলগত নীতি হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। নেতানিয়াহু সরাসরি প্রতিপক্ষদের নাম উল্লেখ করেছেন এবং উদ্দেশ্যও স্পষ্ট করেছেন (Benjamin Netanyahu)। ইজরায়েলের এই প্রস্তাব এমন একটা সময়ে এসেছে যখন সেপ্টেম্বর ২০২৫-এ স্বাক্ষরিত সৌদি-পাকিস্তান কৌশলগত পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি অঞ্চলজুড়ে নতুন মেরুকরণ তৈরি করেছে। বিশ্লেষকদের মতে, এটি এক ধরনের “ইসলামিক ন্যাটো” (PM Modi)। নেতানিয়াহু এই নয়া জোটকে একটি পাল্টা ভারসাম্য হিসেবে উপস্থাপন করেছেন। তিনি বলেন, “চরমপন্থী শিয়া অক্ষ, যাকে আমরা কঠোরভাবে আঘাত করেছি, এবং উদীয়মান চরমপন্থী সুন্নি অক্ষ—উভয়ের বিরুদ্ধেই।”

    “র‍্যাডিক্যাল শিয়া অক্ষ”

    ওয়াকিবহাল মহলের মতে, “র‍্যাডিক্যাল শিয়া অক্ষ” বলতে মূলত ইরান ও তার সহযোগী গোষ্ঠী যেমন হামাস, হিজবুল্লাহ ও হুথিদের বোঝানো হয়েছে (Benjamin Netanyahu)। “উদীয়মান র‍্যাডিক্যাল সুন্নি অক্ষ” বলতে পশ্চিম এশিয়ায় আইএসআইএসের অবশিষ্টাংশ ও অন্যান্য জঙ্গি নেটওয়ার্ক-সহ চরমপন্থী হুমকিকে বোঝানো হয়েছে। এই জোটের গুরুত্ব হল, এটি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের গণ্ডি ছাড়িয়ে যাচ্ছে। ভারত, ইউএই এবং ইজরায়েল বহু বছর ধরে সহযোগিতা করছে আব্রাহাম চুক্তি ও আই২ইউ২ (I2U2) গোষ্ঠীর মাধ্যমে। যদিও আনুষ্ঠানিক নিরাপত্তা চুক্তি ছিল না। প্রসঙ্গত, “হেক্সাগন” শব্দ ব্যবহার করে নেতানিয়াহু একটি কাঠামোবদ্ধ স্থাপত্যের ইঙ্গিত দিয়েছেন, যেখানে গ্রিস, সাইপ্রাস, এশিয়া এবং আফ্রিকার আরও কিছু দেশ অন্তর্ভুক্ত হতে পারে। এক্ষেত্রে ভারতকে (Benjamin Netanyahu) কল্পনা করা হয়েছে প্রধান অংশীদার হিসেবে (PM Modi)।

     

  • PM Modi Israel Visit: ভারতকে আয়রন ডোম প্রযুক্তি দিতে প্রস্তুত, মোদির সফরের মুখে ইজরায়েলের প্রস্তাব ঘিরে আলোড়ন

    PM Modi Israel Visit: ভারতকে আয়রন ডোম প্রযুক্তি দিতে প্রস্তুত, মোদির সফরের মুখে ইজরায়েলের প্রস্তাব ঘিরে আলোড়ন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ইজরায়েল সফরের আগেই বড় কূটনৈতিক ও প্রতিরক্ষা বার্তা দিল তেল আভিভ। ইজরায়েল ঘোষণা করেছে, তারা ভারতের কাছে তাদের ‘আয়রন ডোম’ (Iron Dome) আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার প্রযুক্তি হস্তান্তরে প্রস্তুত। এই পদক্ষেপকে দুই দেশের প্রতিরক্ষা সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

    ভারত-ইজরায়েল দীর্ঘমেয়াদী প্রতিরক্ষা সহযোগিতা

    বুধবার ২ দিনের সফরে ইজরায়েলে পৌঁছচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেখানে ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে তাঁর একাধিক বিষয়ে কৌশলগত যৌথ অংশীদারিত্ব নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা। ভারতকে সঙ্গে নিয়ে সমমনস্ক ৬ দেশীয় ‘অক্ষ’ তৈরির প্রচেষ্টা চালাচ্ছে ইজরায়েল। এর পাশাপাশি, নয়াদিল্লির সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদী প্রতিরক্ষা সহযোগিতা ও প্রযুক্তি বিনিময় নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হওয়ার কথা। ভারতের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাতে বদ্ধপরিকর মোদি সরকার। আর এর জন্য ইজরায়েলি প্রযুক্তিই প্রথম পছন্দ নয়াদিল্লির সামরিক কর্তাদের। ইজরায়েলি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ওপর আস্থা রয়েছে কেন্দ্রের বর্তমান শাসকেরও। তাই মোদির এই সফরে প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত আলোচনা সবচেয়ে গুরুত্ব পাবে বলেই মনে করছে তথ্যাভিজ্ঞ মহল। তার আগে তেল আভিভের ‘আয়রন ডোম’-এর প্রস্তাব অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।

    ভারতকে কেন ‘আয়রন ডোম’ প্রস্তাব ইজরায়েলের?

    ইজরায়েলের কনসাল জেনারেল ইয়ানিভ রেভাচ জানান, ভারত–ইজরায়েল প্রতিরক্ষা অংশীদারিত্ব ভবিষ্যতে আরও বিস্তৃত হবে। বিশেষ করে ভারতে সামরিক সরঞ্জাম উৎপাদনের ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়া হবে। তাঁর কথায়, এটি শুধুমাত্র অস্ত্র কেনাবেচার চুক্তি নয়, বরং প্রযুক্তি বিনিময়, উদ্ভাবন ও পারস্পরিক আস্থার ভিত্তিতে দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার পরিকল্পনা। ইজরায়েলি কর্মকর্তাদের মতে, উভয় দেশই সন্ত্রাসবাদ ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা হুমকির মতো একই ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে। তাই, আয়রন ডোম প্রযুক্তি ভাগাভাগির ফলে ভারতের আকাশ প্রতিরক্ষা সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে এবং একই সঙ্গে দেশীয় প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন ক্ষেত্রেও গতি আসবে। এই সহযোগিতার ফলে ভারত ও ইজরায়েলের বেসরকারি প্রতিরক্ষা সংস্থাগুলোর মধ্যে বিনিয়োগ ও যৌথ প্রকল্পের সুযোগ বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। এতে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং ভারতের স্বনির্ভর প্রতিরক্ষা উৎপাদন উদ্যোগ আরও শক্তিশালী হবে।

    ‘গোল্ডেন হরাইজন’ ক্ষেপণাস্ত্রও দিতে ইচ্ছুক ইজরায়েল

    এর আগে, ইজরায়েল ভারতকে ‘গোল্ডেন হরাইজন’ (Golden Horizon) নামে একটি শক্তিশালী কৌশলগত ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার প্রস্তাব দেয় বলে জানা যায়। এটি হল যুদ্ধবিমান থেকে নিক্ষেপযোগ্য ব্যালিস্টিক মিসাইল। (বলে রাখা ভাল, ভারত এখনও এই প্রযুক্তি করায়ত্ত করতে পারেনি।) এই ক্ষেপণাস্ত্র ভূগর্ভস্থ বাঙ্কার, সুরক্ষিত সামরিক স্থাপনা এমনকি পারমাণবিক কাঠামোও ধ্বংস করতে সক্ষম। প্রতিরক্ষা সূত্র জানায়, এর পাল্লা প্রায় ১,০০০ থেকে ২,০০০ কিলোমিটার এবং এটি ম্যাক ৫ (শব্দের চেয়ে পাঁচগুণ দ্রুত) গতিতে উড়তে পারে। এই গতি বর্তমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার পক্ষে প্রতিহত করা অত্যন্ত কঠিন। তুলনামূলকভাবে ভারতের মধ্যমণি বিমান থেকে নিক্ষেপযোগ্য ব্রহ্মস ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের গতি ম্যাক ৩। গোল্ডেন হরাইজন চুক্তি চূড়ান্ত হলে এটি ভারতীয় বায়ুসেনার সুখোই-৩০ এমকেআই বহরে যুক্ত হতে পারে। সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের দূরপাল্লার হাইপারসনিক অস্ত্র দক্ষিণ এশিয়ায় ভারতের কৌশলগত অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করবে।

    ‘সুদর্শন চক্র’ প্রকল্পে ইজরায়েলি প্রযুক্তি

    ২০৩৫ সালের মধ্যে একটি নিজস্ব বহুস্তরীয় বিমান প্রতিরক্ষা কাঠামো গড়ে তুলতে কাজ করছে ভারত, যার নাম ‘সুদর্শন চক্র’। এই ব্যবস্থার লক্ষ্য শহর ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোকে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা থেকে সুরক্ষা দেওয়া। এই প্রকল্পে আয়রন ডোম, অ্যারো (Arrow) ও ডেভিড’স স্লিং (David’s Sling)–এর মতো ব্যবস্থার সমমানের ইজরায়েলি প্রযুক্তি ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে। বারাক-৮ এমআর-এসএএম/এলআর-এসএএম প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), উন্নত সেন্সর নেটওয়ার্ক ও সাইবার প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে যুক্ত করে একটি সমন্বিত প্রতিরক্ষা বলয় গড়ে তোলা হবে।

    নতুন অস্ত্র ও প্রযুক্তি কেনার পরিকল্পনা

    প্রতিরক্ষা সূত্রে জানা গেছে, ইজরায়েল থেকে একাধিক অত্যাধুনিক অস্ত্র ব্যবস্থা কেনার প্রক্রিয়া শুরু করেছে ভারত  এর মধ্যে রয়েছে—

    স্পাইস-১০০০ (SPICE-1000) প্রিসিশন গাইডেড বোমা:

    • ● জিপিএস ও ইলেকট্রো-অপটিক্যাল গাইডেন্স প্রযুক্তি ব্যবহার করে দূর থেকে অত্যন্ত নির্ভুলভাবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম। খারাপ আবহাওয়া বা জিপিএস জ্যামিং অবস্থাতেও কার্যকর।

    র‌্যামপেজ (Rampage) এয়ার-টু-সারফেস ক্ষেপণাস্ত্র:

    • ● দীর্ঘ-পাল্লার সুপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র, যা সুখোই-৩০ এমকেআই, মিগ-২৯, জাগুয়ার ও নৌবাহিনীর মিগ-২৯কে থেকে উৎক্ষেপণ করা যাবে। এটি তৈরি করেছে এলবিট সিস্টেম ও ইজরায়েল এরোস্পেস ইন্ডাস্ট্রিজ।

    এয়ার লোরা (Air LORA) ক্ষেপণাস্ত্র:

    • ● এয়ার-লঞ্চড ব্যালিস্টিক বা কোয়াজি-ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, যা শত শত কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে এবং উৎক্ষেপণকারী যুদ্ধবিমানকে শত্রুর আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার পাল্লা থেকে নিরাপদ দূরত্বে রাখে।

    আইস ব্রেকার (Ice Breaker) মিসাইল সিস্টেম:

    • ● স্টেলথ বৈশিষ্ট্যযুক্ত দূরপাল্লার ক্রুজ মিসাইল, যা স্থল ও সমুদ্রের উচ্চ-মূল্যের লক্ষ্যবস্তুতে নিরাপদ দূরত্ব থেকে আঘাত হানতে সক্ষম। এটির নকশা অত্যন্ত স্টেলথি বা প্রায় অদৃশ্য এবং এটি মাটির কাছ দিয়ে ওড়ে, ফলে রেডার ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার চোখ এড়িয়ে চলতে সক্ষম।

    আয়রন বিম (Iron Beam) লেজার অস্ত্র ব্যবস্থা:

    • ● ১০০ কিলোওয়াট ক্ষমতার হাই-এনার্জি লেজার অস্ত্র, যা স্বল্প-পাল্লার রকেট, মর্টার ও ড্রোন ধ্বংসে ব্যবহৃত হবে। এটি আয়রন ডোমের পরিপূরক হিসেবে তৈরি এবং প্রচলিত ক্ষেপণাস্ত্রের তুলনায় অনেক কম খরচে প্রতিরোধ সম্ভব করে। উল্লেখযোগ্য যে, ভারতের ডিআরডিও ইতিমধ্যেই মর্ক-২এ প্রকল্পের আওতায় ৩০ কিলোওয়াট ক্ষমতার ডিরেক্টেড এনার্জি অস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালিয়েছে।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, এই প্রতিরক্ষা সহযোগিতা চূড়ান্ত হলে ভারত–ইজরায়েল সামরিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা সমীকরণে ভারতের অবস্থান নতুনভাবে শক্তিশালী হবে।

  • Pakistan: রমজান মাসে পাকিস্তানে ফলের বাজারে আগুন, রাশ ধরতে ব্যর্থ সরকার

    Pakistan: রমজান মাসে পাকিস্তানে ফলের বাজারে আগুন, রাশ ধরতে ব্যর্থ সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য যাতে আম-আদমির নাগালের বাইরে না চলে যায়, সেজন্য মূল্য তালিকা প্রকাশ করেছে পাকিস্তান সরকার (Pakistan)। অভিযোগ, তার পরেও রমজান মাসে দোকানিরা এখনও উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি দামে পণ্য বিক্রি করছেন (Price Hikes)। বাজারের এই পরিস্থিতি ঊর্ধ্বমুখী মূল্য নিয়ন্ত্রণে কর্তৃপক্ষের ব্যর্থতাকে স্পষ্ট করে তুলেছে। ফলে অকার্যকর তদারকির চাপ ভোক্তাদের ওপরই পড়ছে। ফল ও সবজি বিক্রেতা ভ্রাম্যমাণ ঠেলাগাড়ি ব্যবসায়ীরা সরকারি মূল্যতালিকা না দেখিয়েই ব্যবসা করছেন। কলা প্রতি ডজন ২০০-৩০০ পাকিস্তানি রুপিতে (PKR) বিক্রি হচ্ছে, যেখানে সরকারের নির্ধারিত মূল্য ২৩৭ রুপি। অবশ্য নিম্নমানের কলা বিক্রি হচ্ছে ১৫০ রুপি প্রতি ডজন।

    আকাশ ছোঁওয়া দাম (Pakistan)

    পাক সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশ, তরমুজ বাজারে অপ্রতুল। যা মিলছে, তাও অত্যন্ত নিম্নমানের। তা সত্ত্বেও ক্রেতাদের প্রতি কেজি ৩০০ রুপি দিতে হচ্ছে, যেখানে সরকারি মূল্য ২৬২ রুপি প্রতি কেজি (Pakistan)। উচ্চমূল্যের কারণে অনেক খুচরো বিক্রেতা পাইকারি বাজার থেকে তরমুজ কিনতে যাচ্ছেন না। রমজানে জনপ্রিয় আর একটি ফল পেয়ারা প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ২০০-৩০০ রুপিতে, যদিও সরকারের বেঁধে দেওয়া দাম ১৫০-১৫২ রুপি (Price Hikes)। আপেল ও ডালিমের সরকারি মূল্য যথাক্রমে ৩৪০ ও ২৩৯ রুপি প্রতি কেজি। অথচ এগুলিই বিক্রি হচ্ছে ৪০০-৫০০ এবং ২৫০-৩০০ রুপি দামে (Pakistan)। বাজারে তরমুজ (ওয়াটারমেলন) প্রতি কেজি ১৫০-১৮০ রুপিতে বিক্রি হচ্ছে, যা সরকারি ১১৫ রুপির চেয়ে ঢের বেশি।

    কমলা লেবু প্রতি ডজন ৩০০-৪০০ রুপি

    উচ্চমানের বড় আকারের কমলা লেবু প্রতি ডজন ৩০০-৪০০ রুপিতে বিক্রি হচ্ছে, যেখানে সরকারের নির্ধারিত মূল্য ১৩৬ রুপি। সবেদার সরকারি মূল্য প্রতি কেজি ১৫০ রুপি হলেও, খুচরো বিক্রেতারা নিচ্ছেন ২৫০-৩০০ রুপি প্রতি কেজি (Price Hikes)। পেঁয়াজ এবং আলুর দামও আকাশ ছোঁওয়া। এই দুই পণ্যের সরকারি মূল্য যথাক্রমে ৩৫ ও ২৩ রুপি প্রতি কেজি, যদিও বাজারে বিকোচ্ছে যথাক্রমে ৫০-৬০ এবং ৪০-৫০ রুপিতে। প্রশাসন জীবিত ব্রয়লার মুরগি ও মুরগির মাংসের খুচরো মূল্য যথাক্রমে ৩৩২ ও ৫০০ রুপি নির্ধারণ করেছে। যদিও এগুলি বিক্রি হচ্ছে ৪০০ এবং ৫৫০-৬০০ রুপি দরে (Pakistan)।

     

  • Canada: কার্নির ভারত সফরের আগে ২৬/১১ হামলার মূলচক্রী তাহাউর রানার নাগরিকত্ব বাতিলের প্রস্তুতি কানাডার

    Canada: কার্নির ভারত সফরের আগে ২৬/১১ হামলার মূলচক্রী তাহাউর রানার নাগরিকত্ব বাতিলের প্রস্তুতি কানাডার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২৬/১১ মুম্বই জঙ্গি হামলার মূলচক্রী তাহাউর রানার (Tahawwur Rana) নাগরিকত্ব বাতিলের প্রস্তুতি নিচ্ছে কানাডা (Canada)। কয়েক দিনের মধ্যেই ভারত সফরে আসার কথা কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির। তাঁর সেই সফরের আগে একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক পদক্ষেপ হিসেবে কানাডা তাঁর নাগরিকত্ব বাতিলের তোড়জোড় করছে। বর্তমানে ভারতে বন্দি রয়েছেন রানা। কানাডা সরকারের এই সিদ্ধান্ত আনুষ্ঠানিকভাবে জানানোও হয়েছে তাঁকে। বছর চৌষট্টির রানা জন্মেছিলেন পাকিস্তানে। পরে কানাডীয় নাগরিকত্ব নেন। ২০০৮ সালের মুম্বই জঙ্গি হামলার অন্যতম প্রধান ষড়যন্ত্রী ডেভিড কোলম্যান হেডলি ওরফে দাউদ গিলানির ঘনিষ্ঠ সহযোগী। হেডলি মার্কিন নাগরিক।

    রানার বিরুদ্ধে অভিযোগ (Canada)

    গ্লোবাল নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, কানাডার অভিবাসন কর্তৃপক্ষ রানার বিরুদ্ধে নাগরিকত্ব অর্জনের ক্ষেত্রে মিথ্যা তথ্য প্রদানের অভিযোগ এনেছে। কর্তৃপক্ষের দাবি, ২০০১ সালে কানাডীয় নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করার সময় রানা তাঁর বসবাস ও ভ্রমণ সংক্রান্ত ভুয়ো তথ্য দিয়েছিলেন। রানা দাবি করেছিলেন যে, তিনি আগের চার বছর অটোয়া ও টরন্টোয় বসবাস করেছেন—যা অভিবাসন কর্তাদের মতে অসত্য। তিনি আরও জানান যে, তিনি কানাডার বাইরে মাত্র ছ’দিন ছিলেন, অথচ জানা গিয়েছে, তিনি শিকাগোয় বসবাস করছিলেন। সেখানে সম্পত্তিও রয়েছে তাঁর (Canada)। অভিবাসন বিভাগ কথিত জালিয়াতি ও মিথ্যা তথ্য প্রদানের বিষয়ে একটি বিশদ প্রতিবেদন আদালতে জমা দিয়েছে। এখন আদালতের হাতেই রানার কানাডীয় নাগরিকত্ব বাতিলের ক্ষমতা রয়েছে। বিচার বিভাগীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন (Tahawwur Rana) হলে রানা আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁর নাগরিকত্ব হারাবেন বলেই ধারণা বিশেষজ্ঞদের।

    রানা বর্তমানে তিহার জেলে

    চলতি বছরের শুরুতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে ভারতে ফিরিয়ে আনার পর পাক-বংশোদ্ভূত কানাডীয় ব্যবসায়ী রানা বর্তমানে তিহার জেলে আটক রয়েছেন, যেখানে তদন্তকারীরা তাঁকে বিস্তারিতভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন। দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর ১০ এপ্রিল তাঁকে আমেরিকা থেকে ভারতে প্রত্যর্পণ করা হয়। এর আগে ভারত-মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় ভারতীয় কর্তৃপক্ষ প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া শুরু করলে তাকে লস অ্যাঞ্জেলেসের মেট্রোপলিটন ডিটেনশন সেন্টারে রাখা হয়েছিল। প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া বিলম্বিত করতে রানা সব ধরনের আইনি সুযোগ ব্যবহার করেছিলেন, যার ফলে প্রক্রিয়াটি দীর্ঘায়িত হয়। সব আইনি পথ শেষ হলে তাঁকে ভারতে পাঠানো হয় এবং বিচার বিভাগীয় হেফাজতে নেওয়া হয় (Canada)।

    তদন্তকারীরা মামলার তদন্তে সংগৃহীত বিভিন্ন সূত্র খতিয়ে দেখছেন, যার মধ্যে রানা ও সহ-অভিযুক্ত ডেভিড কোলম্যান হেডলি ওরফে দাউদ গিলানির মধ্যে হওয়া বহু টেলিফোন কথোপকথনের প্রমাণও রয়েছে। হেডলি বর্তমানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সাজা ভোগ করছেন (Tahawwur Rana)। রানার বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি হেডলি, লস্কর-ই-তৈবা, হরকত-উল-জিহাদি ইসলামি-সহ পাকিস্তানভিত্তিক অন্য সন্দেহভাজনদের সঙ্গে মিলে মুম্বইয়ে প্রাণঘাতী হামলার (Canada) পরিকল্পনা করেছিলেন।

     

  • Bangladesh: এবার কাঠগড়ায় ইউনূস, অসাংবিধানিক উপায়ে অপসারণের “নীল নকশা” করার অভিযোগ

    Bangladesh: এবার কাঠগড়ায় ইউনূস, অসাংবিধানিক উপায়ে অপসারণের “নীল নকশা” করার অভিযোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের (Bangladesh) তদারকি সরকারের প্রধান মুহাম্মদ ইউনূসের (Mohammad Yunus) বিরুদ্ধে উঠল ষড়যন্ত্রের অভিযোগ। তাঁর বিরুদ্ধে অসাংবিধানিক উপায়ে অপসারণের “নীল নকশা” করার অভিযোগ তুলেছেন। দিন কয়েক আগেই বিএনপি সুপ্রিমো তারিক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকার ক্ষমতা গ্রহণের কয়েক দিনের মধ্যেই দক্ষিণ এশীয় দেশ বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিন তোপ দাগলেন ইউনূসকে। বাংলাদেশের এক সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে শাহাবুদ্দিন দাবি করেন, ইউনূসের আমলে বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করার এবং একটি সাংবিধানিক শূন্যতা তৈরির চেষ্টা করা হয়েছিল।

    সংবিধানের কোনও বিধানই মানেননি, তোপ রাষ্ট্রপতির (Bangladesh)

    তিনি ঢাকার রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবন বঙ্গভবনে দেওয়া ওই সাক্ষাৎকারে বলেন, “এই দেড় বছরে আমি কোনও আলোচনায় ছিলাম না, অথচ আমার বিরুদ্ধে নানা ষড়যন্ত্র করা হয়েছে। দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা স্থায়ীভাবে ধ্বংস করার এবং একটি সাংবিধানিক শূন্যতা তৈরির বহু চেষ্টা হয়েছে (Bangladesh)।” প্রেসিডেন্ট জানান, অন্তর্বর্তী সরকার চলাকালে প্রাক্তন প্রধান উপদেষ্টা ইউনূস তাঁর সঙ্গে সংবিধানসম্মতভাবে যোগাযোগও করেননি। তিনি বলেন, “বিদেশ সফর কিংবা রাষ্ট্রীয় বিষয়ে আমায় অবহিত করা হয়নি। অথচ, একে তিনি “সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা” হিসেবে উল্লেখ করেন। প্রেসিডেন্ট বলেন, “প্রধান উপদেষ্টা সংবিধানের কোনও বিধানই মানেননি। বিদেশ সফর শেষে তাঁর আমার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে লিখিতভাবে সফরের ফল জানানোর কথা ছিল। তিনি ১৪ থেকে ১৫ বার বিদেশ গিয়েছেন, কিন্তু একবারও আমায় জানাননি। কখনও দেখা করতেও আসেননি (Mohammad Yunus)।”

    আমায় ‘প্রাসাদবন্দি’ করে রাখা হয়েছিল

    শাহাবুদ্দিনের অভিযোগ, গত দেড় বছরে তাঁকে কার্যত ‘প্রাসাদবন্দি’ করে রাখা হয়েছিল। তাঁর পরিকল্পিত দুটি বিদেশ সফরে বাধা দেয় ইউনূস প্রশাসন (Bangladesh)। রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত, বিশেষ করে ১৩৩টি অধ্যাদেশ জারির বিষয়ে প্রাক্তন প্রধান উপদেষ্টা তাঁর সঙ্গে সমন্বয় করেছিলেন কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে শাহাবুদ্দিন বলেন, ‘কিছু অধ্যাদেশ পরিস্থিতির কারণে প্রয়োজন হতে পারে, কিন্তু এত বিপুল সংখ্যক অধ্যাদেশ জারির যৌক্তিকতা ছিল না।’ নির্বাচনের আগে অন্তর্বর্তী সরকার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যে সর্বশেষ চুক্তি সম্পাদন করেছিল, সে বিষয়ে তিনি অবগত ছিলেন কি না—এ প্রশ্নের উত্তরে প্রেসিডেন্ট জানান, তিনি এ বিষয়ে কিছুই জানতেন না। এই ধরনের রাষ্ট্রীয় চুক্তি তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো উচিত ছিল (Bangladesh)। তিনি বলেন, “না, আমি কিছুই জানি না। এমন রাষ্ট্রীয় চুক্তির বিষয়ে আমায় জানানো উচিত ছিল (Mohammad Yunus)। ছোট হোক বা বড়—পূর্ববর্তী সরকারের প্রধানরা অবশ্যই রাষ্ট্রপতিকে জানাতেন। এটি একটি সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা। কিন্তু তিনি তা করেননি। মৌখিক বা লিখিতভাবে কিছুই জানাননি। তিনি আসেনওনি। অথচ তাঁর আসার কথা ছিল!”

    ‘আমার জায়গায় বসানোর ষড়যন্ত্র’

    শাহাবুদ্দিন বলেন, “এক পর্যায়ে অসাংবিধানিক উপায়ে একজন প্রাক্তন প্রধান বিচারপতিকে এনে আমার জায়গায় বসানোর ষড়যন্ত্রও হয়েছিল।” তবে তিনি জানান, সংশ্লিষ্ট বিচারপতি সাংবিধানিক সীমাবদ্ধতার কথা উল্লেখ করে সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন। তিনি ২০২৪ সালের ২২ অক্টোবর বঙ্গভবনের বাইরে হওয়া বিক্ষোভকে “ভয়াবহ এক রাত” হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, “জনতাকে সংঘবদ্ধ করা হয়েছিল এবং রাষ্ট্রপতির বাসভবনে লুটপাটের চেষ্টা হয়েছিল। পরে সেনা মোতায়েনের মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।” শাহাবুদ্দিন বলেন, “বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এবং বিএনপি নেতৃত্ব আমায় সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সাহায্য করেছে। তিন বাহিনীর প্রধানরা আমায় স্পষ্টভাবে বলেছেন, “আপনি সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক। আপনার পরাজয় মানে পুরো (Mohammad Yunus) সশস্ত্র বাহিনীর পরাজয়। আমরা যে কোনও মূল্যে তা প্রতিরোধ করব (Bangladesh)।”

     

  • Middle East Tensions: যুদ্ধ আসন্ন? যে কোনও পরিবহণে ইরান ছাড়ুন, ভারতীয় নাগরিকদের নির্দেশ ভারতীয় দূতাবাসের

    Middle East Tensions: যুদ্ধ আসন্ন? যে কোনও পরিবহণে ইরান ছাড়ুন, ভারতীয় নাগরিকদের নির্দেশ ভারতীয় দূতাবাসের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইরানে থাকা ভারতীয় (India) নাগরিকদের ইরান ছাড়তে বলেছে তেহরানে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস (Middle East Tensions)। ইরানে সম্ভাব্য মার্কিন হামলা হতে পারে — এমন উদ্বেগ গত কয়েক সপ্তাহ ধরে তীব্রতর হচ্ছে। এই নতুন পরামর্শ এমন একটা পরিস্থিতিতে এসে পড়েছে যখন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরকারবিরোধী ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু হয়েছে।

    ভারতীয় দূতাবাসের নির্দেশ (Middle East Tensions)

    পরামর্শে বলা হচ্ছে, “ভারত সরকারের ৫ জানুয়ারি ২০২৬-এর দেওয়া পরামর্শের ধারাবাহিকতায় এবং ইরানের পরিবর্তিত পরিস্থিতি বিবেচনায়, যারা বর্তমানে ইরানে আছেন — শিক্ষার্থী (student), তীর্থযাত্রী (pilgrim), ব্যবসায়ী (businessperson) এবং পর্যটক (tourist) — তাঁদের যে কোনও পরিবহণ (means of transport) ব্যবহার করে ইরান ছাড়তে বলা হয়েছে, যার মধ্যে কমার্সিয়াল ফ্লাইটও রয়েছে।” দূতাবাস আগের জানুয়ারি নির্দেশনাটিকে আবারও মনে করিয়ে দিয়েছে এবং সব ভারতীয় নাগরিক ও ভারতীয় বংশোদ্ভূত ব্যক্তিদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে। তাঁরা যেন বিক্ষোভে অংশ না নেন কিংবা যেখানে বিক্ষোভ হচ্ছে সেই অঞ্চলের কাছাকাছি না যাওয়ার, দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার এবং স্থানীয় সংবাদমাধ্যম থেকে আপডেট মনিটর করার অনুরোধও করা হয়েছে।

    মার্কিন সামরিক উপস্থিতি ক্রমশ বাড়ছে

    ভারতীয় নাগরিকদের এও বলা হয়েছে, তাঁরা যেন সব সময় তাঁদের ভ্রমণ ও ইমিগ্রেশন নথি, যেমন পাসপোর্ট এবং পরিচয়পত্র হাতের নাগালে রাখে, এবং প্রয়োজনে সহায়তার জন্য দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করেন (Middle East Tensions)। এটা এমন এক সময়ে এসেছে যখন ইরান–মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা ও মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি ক্রমশ বাড়ছে। পারমাণবিক আলোচনা চলতে থাকলেও, পরিস্থিতির উন্নতি নিশ্চিত নয়। আলোচনা পরবর্তী রাউন্ড জেনেভায় অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। এসব পরিস্থিতির মধ্যেই ইরানের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে সরকার-বিরোধী বিক্ষোভ শুরু হয়েছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তেহরান এবং অন্যান্য শহরে ঠাঁই নিয়েছে, কখনও কখনও সরকারপন্থী সমর্থক ও বিরোধীদের মধ্যে ধাক্কাধাক্কিও হয়েছে। জানুয়ারির শুরুর দিকে আগের বিক্ষোভগুলি শীর্ষ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি (Ayatollah Ali Khamenei) প্রশাসনের অধীনে কঠোরভাবে দমন করা হয়েছিল, যেটিতে (India) অনেক প্রতিবাদকারী নিহত ও আটক হন (Middle East Tensions)।

     

  • Bangladesh Army: বাংলাদেশ সেনায় বিরাট রদবদল! প্রধানমন্ত্রী হয়েই খোলনলচে পাল্টাচ্ছেন তারেক

    Bangladesh Army: বাংলাদেশ সেনায় বিরাট রদবদল! প্রধানমন্ত্রী হয়েই খোলনলচে পাল্টাচ্ছেন তারেক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর শীর্ষ পদে রদবদল (Bangladesh Army) ঘটালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান (Bangladesh PM Tarique Rahman)। তিনি দেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রকেরও দায়িত্বে রয়েছেন। ‌বাংলাদেশে এখন নতুন সরকার। ক্ষমতায় এসেছে বিএনপি (BNP)। তারেক রহমান (Tarique Rahman) প্রধানমন্ত্রী হতেই শীর্ষ স্তর থেকে নীচু স্তর- বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর সব জায়গাতেই বদল করেছেন। দিল্লিতে বাংলাদেশের হাই কমিশনে কর্মরত এক সেনাকর্তারও বদলি করা হয়েছে। সেনার এই রদবদলে বাংলাদেশের কৌশলগত কমান্ড থেকে গোয়েন্দা সংস্থা-সবেতেই প্রভাব পড়বে বলে মনে করা হচ্ছে।

    কোন পদে কাকে আনলেন তারেক

    ঢাকা ট্রিবিউনের তথ্য অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশ সেনার নতুন চিফ অফ জেনারেল স্টাফ করেছেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল মইনুর রহমানকে। তিনি এতদিন আর্মি ট্রেনিং অ্যান্ড ডকট্রিন কমান্ডে ছিলেন। পাশাপাশি আর্মড ফোর্সেস ডিভিশনের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার, লেফটেন্যান্ট জেনারেল এসএম কামরুল হাসানকে বিদেশ মন্ত্রকে পাঠানো হয়েছে। কোনও দেশের রাষ্ট্রদূত করা হতে পারে তাঁকে। বাংলাদেশের সেনার নতুন প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার করা হয়েছে মেজর জেনারেল মীর মুশফিকুর রহমানকে। তিনি পদাতিক বাহিনীর ২৪ তম ডিভিশনে ছিলেন। মেজর জেনারেল জেএম ইমদাদুল ইসলাম পদাতিক বাহিনীর ৫৫তম ডিভিশনে ছিলেন। তাঁকে পাঠানো হয়েছে ইস্টবেঙ্গল রেজিমেন্টাল সেন্টারে। মেজর জেনারেল ফিরদৌস হাসানকে ইস্টবেঙ্গল রেজিমেন্টাল সেন্টারের কমান্ড্যান্ট পদ থেকে পদাতিক বাহিনীর ২৪তম ডিভিশনের দায়িত্বে পাঠানো হয়েছে। মেজর জেনারেল কাইসের রশিদ চৌধুরী এতদিন সেনা হেডকোয়ার্টারে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পদে ছিলেন। তাঁকে ডিরেক্টরেট জেনারেল অব ফোর্সেস ইন্টেলিজেন্স (DGFI)-র ডিরেক্টর জেনারেল করা হয়েছে।

    পদোন্নতি ভারতীয় উপদেষ্টার

    পদোন্নতি হয়েছে দিল্লিতে বাংলাদেশের হাই কমিশনে কর্মরত এক সেনাকর্তারও। ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুহাম্মদ হাফিজুর রহমান দিল্লিতে বাংলাদেশ হাই কমিশনে কর্মরত ছিলেন। তাঁকে পদোন্নতি দিয়ে মেজর জেনারেল করা হয়েছে। বাংলাদেশের পদাতিক বাহিনীর ৫৫তম ডিভিশনের দায়িত্ব সামলাবেন তিনি। এদিকে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Bangladesh Home Ministry) সালাউদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন বাংলাদেশ পুলিশের শীর্ষ পদেও (changes in Bangladesh Police top ranks) কিছু মুখ বদল হবে। তবে কবে এই পরিবর্তন বাস্তবায়িত করা হবে সে বিষয়ে তিনি কিছু জানাতে রাজি হননি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন আগামী ১২ মার্চ বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশন শুরু হবে। ‌ এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হচ্ছে। এর আগে হাসিনা সরকারের পতনের পর মহম্মদ ইউনূসের জমানায় একাধিকবার সেনাবাহিনীর সঙ্গে সংঘাত বেঁধেছিল অন্তর্বর্তী সরকারের। এবার সেনা বাহিনীতে এই রদবদলে ভারত-বাংলাদেশ দুই দেশের সম্পর্কে কী প্রভাব পড়বে, তা-ই দেখার।

  • Violence: অশান্ত মেক্সিকোয় বসবাসকারী ভারতীয়দের নিরাপদে থাকার পরামর্শ বিদেশমন্ত্রকের

    Violence: অশান্ত মেক্সিকোয় বসবাসকারী ভারতীয়দের নিরাপদে থাকার পরামর্শ বিদেশমন্ত্রকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে, অপ্রয়োজনীয় চলাফেরা কমাতে এবং ভিড় এড়িয়ে চলার অনুরোধ করেছে মেক্সিকোয় থাকা ভারতীয় দূতাবাস। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সমর্থিত এক সামরিক অভিযানে মেক্সিকোর মাদক সম্রাট নেমেসিও ওসেগেরা, যিনি ‘এল মেনচো’ নামে পরিচিত, নিহত হওয়ার পর মেক্সিকোর একাধিক প্রদেশে হিংসা (Violence) ছড়িয়ে পড়েছে। তার প্রেক্ষিতেই এই সতর্কতা জারি করা হয়।

    এল মেনচোর মৃত্যু (Violence)

    এল মেনচোর মৃত্যুর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তার (EL Manchos Death) সমর্থক সন্দেহভাজন কার্টেল সদস্য ও সশস্ত্র দুষ্কৃতীরা সারা দেশে জাতীয় সড়ক অবরোধ করে। রবিবার তারা যানবাহন ও দোকানদানিতে আগুন লাগিয়ে দেয়। এক্স হ্যান্ডেলে প্রকাশিত বার্তায় ভারতীয় দূতাবাস জালিস্কো প্রদেশের (পুয়ের্তো ভালার্তা, চাপালা ও গুয়াদালাহারা এলাকা), তামাউলিপাস প্রদেশের (রেইনোসা ও অন্যান্য পৌর এলাকা), মিচোয়াকান, গুয়েরেরো এবং নুয়েভো লেওন প্রদেশে বসবাসরত ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপত্তা অভিযান, অপরাধমূলক তৎপরতা এবং সড়ক অবরোধের কারণে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে। দূতাবাস তাদের হেল্পলাইন নম্বর প্রকাশ করেছে। আপডেটেড তথ্যের জন্য স্থানীয় সংবাদমাধ্যম অনুসরণ করতে ও জরুরি পরিস্থিতিতে ৯১১ নম্বরে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।

    মোস্ট ওয়ান্টেড মাদক পাচারকারী

    কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, বিশ্বের অন্যতম মোস্ট ওয়ান্টেড মাদক পাচারকারী এল মেনচো জালিস্কোতে মার্কিন সমর্থিত সামরিক অভিযানের সময় গুরুতর জখম হন এবং পরে মেক্সিকো সিটিতে বিমানে করে নিয়ে যাওয়ার পথে মৃত্যু হয় তার (Violence)। এল মেনচোর বিরুদ্ধে অভিযানটি চালানো হয় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের বাড়তে থাকা চাপের প্রেক্ষাপটে, যেখানে মেক্সিকোকে মাদক পাচার দমনে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হচ্ছিল। ওয়াশিংটন সরাসরি হস্তক্ষেপের সম্ভাবনাও উত্থাপন করেছিল। ওসেগেরার অপরাধ সাম্রাজ্য—জালিস্কো নিউ জেনারেশন কার্টেল (সিজেএনজি)—গত এক দশকে মেক্সিকোর সবচেয়ে শক্তিশালী সংগঠিত অপরাধ চক্রে পরিণত হয়েছে এবং আমেরিকায় কোকেন, মেথঅ্যামফেটামিন ও ফেন্টানিলসহ অবৈধ মাদকের অন্যতম প্রধান সরবরাহকারী হিসেবেও বিবেচিত হয়েছে।

    একাধিক প্রদেশে আছড়ে পড়ে হিংসার ঢেউ

    এল মেনচোর মৃত্যুর পর একাধিক প্রদেশে আছড়ে পড়ে হিংসার ঢেউ। কার্টেল সদস্যরা নিরাপত্তা বাহিনী ও জনপরিকাঠামোর ওপর পাল্টা হামলা চালায়। সিজেএনজির এক সদস্য সংবাদমাধ্যমকে জানান, ওসেগুয়েরার হত্যার প্রতিশোধ হিসেবে এই হিংসা চালানো হয়েছে এবং প্রতিদ্বন্দ্বী গোষ্ঠীগুলি কার্টেলের নিয়ন্ত্রণ নিতে এগিয়ে আসায় আরও রক্তপাতের আশঙ্কা রয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই ব্যক্তি বলেন, “নেতার মৃত্যুর প্রতিশোধ হিসেবে প্রথমে সরকারের বিরুদ্ধে ও অসন্তোষের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে হামলা চালানো হয়। কিন্তু পরে কার্টেলের নিয়ন্ত্রণ নিতে অভ্যন্তরীণ সংঘর্ষও শুরু হবে।” জালিস্কোতে বন্দুকধারীরা ন্যাশনাল গার্ডের একটি সামরিক পুলিশ ঘাঁটিতে হামলা চালায়। কর্তৃপক্ষ বাসিন্দা ও পর্যটকদের হোটেলের ভেতরে থাকার পরামর্শ দেন। কিছু এলাকায় গণপরিবহণ বন্ধ করে দেওয়া হয় (EL Manchos Death)।

    মেক্সিকো–পুয়েবলা জাতীয় সড়ক

    অবরোধের জেরে কার্যত অচল হয়ে পড়ে মেক্সিকো–পুয়েবলা জাতীয় সড়ক। কোলিমা প্রদেশে সশস্ত্র কার্টেল সদস্যরা পিক-আপ ট্রাক নিয়ে রাস্তা বন্ধ করে দেয়। গুয়ানাহুয়াতো—যা সিজেএনজির শক্ত ঘাঁটি—সেখানে ২৩টি পুরসভা এলাকায় ৫৫টি হিংসার ঘটনার খবর আসে। ১৮ জন সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং সন্ধ্যার মধ্যে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলে খবর। জালিস্কোর রাজধানী গুয়াদালাহারায় জ্বলন্ত গাড়ি ফেলে সড়ক অবরোধ করা হয়। বাসিন্দারা হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে সতর্কবার্তা ছড়িয়ে বাড়িতে থাকার আহ্বান জানান। পুয়ের্তো ভালার্তার মতো পর্যটনকেন্দ্রে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, আকাশে পাক খেয়ে উড়ছে ধোঁয়ার কুণ্ডলী। আতঙ্কিত যাত্রীরা বিমানবন্দরে দৌড়ঝাঁপ করছেন (Violence)।

    হিংসার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ

    ট্রাকচালকদের জাতীয় সড়ক এড়িয়ে চলতে বা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত ডিপোয় ফিরে যেতে বলা হয়। ট্রাকিং শিল্পের এক সংগঠন হিংসার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে এবং চালকদের নিরাপদ জায়গায় আশ্রয় নেওয়ার অনুরোধ জানায় (EL Manchos Death)। জালিস্কোর গভর্নর পাবলো লেমুস নাভারো বাসিন্দাদের ঘরের ভেতরে থাকার আহ্বান জানান যতক্ষণ না শৃঙ্খলা ফিরছে। প্রেসিডেন্ট ক্লাউদিয়া শেইনবাউম এক্স হ্যান্ডেলে জানান, ‘ফেডারেল সরকার রাজ্য কর্তৃপক্ষের সঙ্গে পূর্ণ সমন্বয় বজায় রাখছে (Violence)।’

     

  • US Military Strike Threat: ফের সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ছড়াল ইরানে, সংঘর্ষ

    US Military Strike Threat: ফের সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ছড়াল ইরানে, সংঘর্ষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ছড়াল ইরানে (Iran)। দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীরা পাল্টা গোষ্ঠীর সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়েছে এবং দেশটির নেতৃত্বের বিরুদ্ধে স্লোগান দিয়েছে (US Military Strike Threat)। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র–ইরান উত্তেজনা বৃদ্ধি এবং স্থগিত পারমাণবিক আলোচনা ঘিরে এই অস্থিরতা নতুন করে সামনে এসেছে। অর্থনৈতিক সংকট ও অতীতের বিক্ষোভ দমন অভিযানের ক্ষোভই এই আন্দোলনের মূল কারণ।

    সরকারবিরোধী স্লোগান (US Military Strike Threat)

    শনিবার ইরানের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে সরকারবিরোধী স্লোগান শোনা যায়। পরে শিক্ষার্থীরা পাল্টা বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য হামলার হুমকির প্রেক্ষাপটে দেশটির ধর্মীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে এটি ছিল সাম্প্রতিক ক্ষোভের প্রকাশ। সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, তেহরানের শীর্ষ টেকনোলজি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিড়ের মধ্যে মারামারি শুরু হয় এবং মানুষ “বি শরাফ” (ফারসি ভাষায় যার অর্থ ‘লজ্জাজনক’) বলে চিৎকার করে। পার্সিয়ান ভাষার টিভি চ্যানেল ‘ইরান ইন্টারন্যাশনালে’ প্রকাশিত ফুটেজে দেখা যায়, শরিফ ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজিতে বড় একটি জনতা সরকারবিরোধী স্লোগান দিচ্ছে। পরে ফার্স নিউজ এজেন্সি জানায়, ওই প্রতিষ্ঠানে সংঘর্ষে কয়েকজন জখম হয়েছে বলে খবর।

    “খামেনেইর মৃত্যু হোক”

    বিক্ষোভকারীদের “খামেনেইর মৃত্যু হোক” এবং “কাজ শেষ করো” ইত্যাদি স্লোগান দিতে শোনা যায়। তারা প্রাক্তন শাহের প্রশংসা করে রাজতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার দাবিও জানায়। ফার্স প্রকাশিত একটি ভিডিওতে দেখা যায়, একদল মানুষ ইরানের পতাকা নাড়িয়ে স্লোগান দিচ্ছে এবং মুখোশ পরা আর একটি দলের মুখোমুখি অবস্থান করছে। স্যুট পরিহিত ব্যক্তিরা বিক্ষোভকারীদের আটকে রাখার চেষ্টা করছে (US Military Strike Threat)। ১৮ ফেব্রুয়ারিতেও এএফপি যাচাইকৃত ভিডিওতে দেখা যায়, ইরানিরা দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনেইর বিরুদ্ধে স্লোগান দিচ্ছে। তারা সারা দেশে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমনের সময় নিহতদের স্মরণে জড়ো হয়েছিল।

    উত্তেজনা চরমে

    ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা বর্তমানে চরমে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে ইঙ্গিত, তেহরান ওয়াশিংটনের সঙ্গে পারমাণবিক চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের ওপর সীমিত হামলার নির্দেশ দিতে পারেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান- ওমানের মধ্যস্থতায় সম্ভাব্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা পুনরায় শুরু করলেও, ওয়াশিংটনের দাবি, ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচি ও ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ ত্যাগ করতে হবে, এ বিষয়ে এখনও কোনও সমঝোতা হয়নি (Iran)। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ওই অঞ্চলে সামরিক উপস্থিতি বাড়িয়েছে।

    ইরানে বিক্ষোভ

    ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে ইরানে বিক্ষোভ শুরু হয়, যখন অর্থনীতি ভেঙে পড়ার প্রতিবাদে দোকানদার ও ব্যবসায়ীরা রাস্তায় নামে। পরে আন্দোলন বিস্তৃত হয়ে ধর্মীয় শাসনব্যবস্থার অবসান দাবি পর্যন্ত পৌঁছে যায়। খামেনেই নেতৃত্বাধীন সরকার কঠোর দমনপীড়নের মাধ্যমে বিক্ষোভ দমনের চেষ্টা করে (US Military Strike Threat)। ধর্মীয় কর্তৃপক্ষ ৩,০০০-এরও বেশি মৃত্যুর কথা স্বীকার করলেও দাবি করেছে, এই হিংসা “জঙ্গি কার্যকলাপ” এবং ইরানের শত্রুদের প্ররোচনায় ঘটেছে (Iran)। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যাকটিভিস্টস নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, নিহতের সংখ্যা ৭,০০০-এরও বেশি। ইরানি কর্তৃপক্ষ বিক্ষোভকারীদের অর্থনৈতিক দাবির বৈধতা স্বীকার করলেও “চিরশত্রু” মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে দাঙ্গা উসকে দেওয়ার অভিযোগ তুলেছে (US Military Strike Threat)।

    ট্রাম্পের নির্দেশ

    ট্রাম্পের নির্দেশে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পশ্চিম এশিয়ায় বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন এবং ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড পাঠিয়েছে। পাশাপাশি আরও কয়েক ডজন যুদ্ধবিমান মোতায়েন করা হয়েছে। ২১ ফেব্রুয়ারি হোয়াইট হাউসে গভর্নরদের সঙ্গে নৈশভোজে ট্রাম্প বলেন, “আমাদের সামরিক বাহিনী আগের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী।” তিনি সতর্ক করে বলেন, “তেহরান যদি চুক্তিতে না পৌঁছায়, তাহলে “খারাপ কিছু” ঘটবে। চুক্তির জন্য ১৫ দিনের সময়সীমা দিয়েছেন। গত বছর ব্যর্থ পারমাণবিক কূটনীতি ও ইসরায়েলের সঙ্গে ১২ দিনের যুদ্ধের পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরানে হামলা চালিয়েছিল (Iran)।

    ইরানের বক্তব্য

    ইরান জানিয়েছে, তারা শিগগিরই একটি খসড়া প্রস্তাব জমা দেবে। তবে ‘অ্যাক্সিওস’ এক প্রবীণ মার্কিন কর্মকর্তার উদ্ধৃতি দিয়ে জানিয়েছে, ওয়াশিংটন এমন একটি চুক্তি বিবেচনা করতে প্রস্তুত, যেখানে “সীমিত, প্রতীকী ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ” অনুমোদিত হতে পারে। ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র শূন্য মাত্রার সমৃদ্ধকরণের দাবি করেনি।” খামেনেই সতর্ক করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র তেহরানে হামলা চালালে তা আঞ্চলিক যুদ্ধের রূপ নিতে পারে (US Military Strike Threat)। তাহলে কি শেষ পর্যন্ত ট্রাম্প ইরানে হামলা করবেন? তা হয়তো কয়েক দিনের মধ্যেই স্পষ্ট হবে (Iran)।

     

LinkedIn
Share