Category: বিজ্ঞান

Get updated Science and Research related news from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Sandeep Mall: ১২ সদস্যের পরিবারে এসি চালিয়েও গ্রীষ্মে বিদ্যুৎ বিল মাত্র ১২.৬৯ টাকা!

    Sandeep Mall: ১২ সদস্যের পরিবারে এসি চালিয়েও গ্রীষ্মে বিদ্যুৎ বিল মাত্র ১২.৬৯ টাকা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রখর গ্রীষ্মে ১২ সদস্যের পরিবারে বিদ্যুৎ বিল মাত্র ১২.৬৯ টাকা! কিন্তু কীভাবে? সেই রহস্যেরই সমাধান করেছেন ফরিদাবাদের প্রশিক্ষক সন্দীপ মল (Sandeep Mall) নিজের বাড়ির ছাদে সোলার সিস্টেম লাগিয়ে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন তিনি। তাঁর প্রায় ১০ হাজার বর্গফুট বাড়ির জন্য প্রচুর বিদ্যুতের প্রয়োজন হত। তাই বিদ্যুৎ বিলকে কমিয়ে আনতে ওই অভিনব কৌশল প্রয়োগ করেন তিনি। তাঁর সাফল্যের কথা প্রতিবেদন আকারে প্রকাশিতও হয়েছে। আসুন জেনে নিই, কী বলেছেন তিনি।

    কম বিদ্যুৎ বিল এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট (Sandeep Mall)

    সন্দীপ মল (Sandeep Mall), একজন বিনিয়োগকারী এবং দক্ষ প্রশিক্ষক। তিনি চলতি বছরের জুন এবং জুলাই মাসের সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ চাহিদার সময়েও খুব সামান্য পরিমাণ বিল মিটিয়ে নজির গড়েছেন। তিনি নিজের এক্স হ্যান্ডলে একটি পোস্ট করে বলেন, “আমি ফরিদাবাদে একটি যৌথ পরিবারে থাকি, বাবা-মা সহ চার ভাই এক ছাদের নীচে বসবাস করি। আমি একজন পেশাদার বিনিয়োগকারী। একজন উদ্যোক্তা হিসেবে আমার কোম্পানি আন্তর্জাতিক বাজারে এখন দক্ষতার সঙ্গে কাজ করছে। রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন দক্ষিণ হরিয়ানা বিদ্যুৎ বিতরণ নিগম (DHBVN) থেকে বিদ্যুৎ বিল এসেছে মাত্র ১২.৬৯ টাকার। আপনারাও এই পদ্ধতি প্রয়োগ করে দেখতে পারেন।”

    সোলার সিস্টেম নিয়ে সন্দীপের বক্তব্য (Solar Power) 

    দ্য বেটার ইন্ডিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎকারে সন্দীপ (Sandeep Mall) জানিয়েছেন, নিজের ফরিদাবাদের বাসভবনে একাধিক এয়ার কন্ডিশনার ব্যবহার করা সত্ত্বেও কীভাবে তিনি বিদ্যুৎ বিলে সাশ্রয় করতে পেরেছেন। তিনি বলেন, “সোলার (Solar Power) সিস্টেমে যাওয়ার আগে বিদ্যুৎ বিলের অভিজ্ঞতা কেমন, তা জানা প্রয়োজন। যেহেতু আমরা একটি বড় পরিবার, একটি বড় বাড়িতে বাস করি, তাই আমাদের বাড়িতে প্রায় ২৫ থেকে ৩০ কিলোওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করার কানেকশন রয়েছে৷ আর সবার মতো আমাদের বিদ্যুতের বিলও ঋতুভেদে পরিবর্তিত হয়। কিন্তু গ্রীষ্মে, জুন এবং জুলাই মাসে তা প্রায় ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা পর্যন্ত উঠে যায়। আবার শীতের সময় দু’মাসের বিদ্যুৎ বিল প্রায় ১০ হাজারে নেমে আসে।

    আমরা প্রায় চার বছর আগে সোলার সিস্টেমে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। প্রাথমিকভাবে একটি ১০ ​​কিলোওয়াট রুফটপ সোলার সিস্টেম স্থাপন করেছিলাম। হরিয়ানা সরকারের দেওয়া সাধারণ বিদ্যুৎ আমি ব্যবহার করতাম না। বাড়ির যা প্রয়োজন, সৌরচালিত ব্যবস্থার মাধ্যমেই উত্পন্ন করতাম। যেহেতু ইতিমধ্যেই অনেক বেশি পরিমাণে বিদ্যুতের বিল আসছিল, তাই আমরা এই পথে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। খরচ কমাতে প্রথমে ১০ কিলোওয়াট, পরে ১৫ কিলোওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন সিস্টেম স্থাপন করা হয়। প্রাথমিক খরচ কিছু বেশি পড়েছিল ঠিকই। কিন্তু পরে সাশ্রয়ের অঙ্ক দেখে বোঝাই যায়, আমরা কতটা লাভবান হয়েছি। তাই আমাদের দেখে অনেক পরিবার এবং আশেপাশের বন্ধুরাও অনুপ্রাণিত হয়েছেন।” 

    প্রথমিক খরচ কত করেছেন?

    খরচ সম্পর্কে সন্দীপ মল বলেন, “আমাদের ছাদের সোলার পাওয়ার ইউনিটটি টাটা পাওয়ার থেকে কিনেছিলাম। এরপর কোম্পানি থেকেই তা ইনস্টল করে দেওয়া হয়েছিল। প্রথম ১০ কিলোওয়াট সিস্টেম ইনস্টল করতে আমার প্রতি কিলোওয়াটে প্রায় ৬০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে৷ তবে এই ধরনের সোলার সিস্টেম স্থাপন করার খরচ এখন অনেকটাই কমে গিয়েছে। আমি দ্বিতীয় পর্বে যে প্যানেলগুলি ইনস্টল করেছি, তার গুণমান এবং শক্তি উৎপাদন ক্ষমতা আরও বেড়ে গিয়েছিল। দ্বিতীয় ধাপে প্রতি কিলোওয়াটে খরচ হয়েছিল প্রায় ৪৫ হাজার টাকা। সোলার প্যানেল বসানোর আগে কিছু ছোটখাট নির্মাণকাজ করার দরকার হয়। রাজ্য বিদ্যুৎ বোর্ডের প্রয়োজনীয় অনুমতি নেওয়ার কাজে কোম্পানি সহায়তা করেছিল। তবে এই প্লাগ-এন্ড-প্লে রুফটপ সোলার সিস্টেম বসাতে তেমন কোনও ঝামেলার সম্মুখীন হইনি।”

    সিস্টেম স্থাপন করার ২টি পদ্ধতি

    সোলার (Solar Power) সিস্টেম বসানোর খরচ, রক্ষণাবেক্ষণ এবং পরিষেবার বিষয়ে নানা খুঁটিনাটি বিষয়ও তিনি (Sandeep Mall) ব্যাখ্যা করেছেন। এর জন্য তিনি দুটি পদ্ধতির কথা বলেছেন। এক, এ থেকে যে শক্তি উৎপন্ন হবে, তা একটি ব্যাটারি স্টোরেজ সিস্টেমে সঞ্চয় করে সেখান থেকে বাড়িতে বিদ্যুৎ ব্যবহারের জন্য শক্তিকে ব্যবহার করা হয়। কিন্তু ব্যাটারি স্টোরেজ সিস্টেম রক্ষণাবেক্ষণ এবং পরিচালনা করা ব্যয়বহুল। কারণ প্রতি কয়েক বছর অন্তর ব্যাটারি পরিবর্তন করতে হয়। এক্ষেত্রে, ভোক্তা বিদ্যুৎ কিনছেন না বা বিক্রিও করছেন না। ফলে যে শক্তি উত্পন্ন হবে তা ব্যাটারি স্টোরেজ সিস্টেমে একটি ইনভার্টারের মতো সংরক্ষিত হবে। এরপর সেখান থেকে বাড়িতে বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি চালানোর জন্য ব্যবহার করা হবে। দ্বিতীয় পদ্ধতি হল সোলারে নেট মিটারিং স্থাপন করা।

    সোলারের রক্ষণাবেক্ষণ

    সন্দীপ (Sandeep Mall) সোলারের (Solar Power) রক্ষণাবেক্ষণ সম্পর্কে বলেন, “গত চার বছরে, আমি রক্ষণাবেক্ষণ খাতে কোনও খরচ করিনি। এমনকী সাহায্যের জন্য কাউকে ডাকিনি। এনসিআর অঞ্চলের ধুলো ও দূষণের মাত্রা বেশি এবং তাই আমাদের প্যানেলগুলি ঘন ঘন পরিষ্কার করার প্রয়োজন হয়। আমরা প্রতি তিন দিনে পরিষ্কার করি ঝরনার মাধ্যমে। তবে বিভিন্ন ধরনের ভর্তুকি এবং কম সুদে ঋণের স্কিম রয়েছে, যা ছাদে সৌর বিদ্যুৎ প্রকল্প স্থাপন করতে সাহায্য করবে।

    আরও পড়ুনঃ টাকা দ্বিগুণের প্রলোভন! ১৭ কোটি জালিয়াতি মামলায় গ্রেফতার কংগ্রেস নেতা সিএস শ্রীনিবাসন

    বিনিয়োগে রিটার্ন কেমন?

    সন্দীপ (Sandeep Mall) বিনিয়োগের রিটার্ন নিয়ে বলেন, “আমি ২৫ কিলোওয়াটএর সৌর বিদ্যুৎ স্থাপন করার জন্য মোট ১২ লক্ষ থেকে ১৩ লক্ষ টাকা বিনিয়োগ করেছি। প্রতি কিলোওয়াটে গড়ে ৫০হাজার টাকা খরচ করেছি৷ কিন্তু বিদ্যুৎ বিলে আমার বার্ষিক সঞ্চয় প্রায় ৩ থেকে ৪ লক্ষ টাকা। সুতরাং, আগামী দু’ থেকে তিন বছরের মধ্যে আমি এই সৌরবিদ্যুতের জন্য যত টাকা বিনিয়োগ করেছি তা তুলে নিতে পারব।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Vikram Sarabhai: আজ ইসরোর প্রাণপুরুষ বিক্রম সারাভাইয়ের জন্মবার্ষিকী, জানুন তাঁর অবদান

    Vikram Sarabhai: আজ ইসরোর প্রাণপুরুষ বিক্রম সারাভাইয়ের জন্মবার্ষিকী, জানুন তাঁর অবদান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্রের জনক বিক্রম সারাভাই (Vikram Sarabhai)। আজ তাঁর জন্মবার্ষিকী। ১৯১৯ সালের ১২ অগাস্ট গুজরাটের বিখ্যাত সারাভাই পরিবারে জন্মগ্রহণ (ISRO Founder Birth Anniversary) করেন বিক্রম সারাভাই। ভারতীয় মহাকাশ গবেষণার অন্যতম পথিকৃৎ বিক্রম সারাভাই। জাতীয় স্তরে গঠনমূলক বিভিন্ন ক্ষেত্রে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। আজ তাঁর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আসুন জেনে নিন সারাভাই সম্পর্কে ৯টি আকর্ষণীয় তথ্য। 

    সারাভাইয়ের ভারতে প্রত্যাবর্তন এবং ইসরো প্রতিষ্ঠা 

    সারাভাইয়ের (Vikram Sarabhai) প্রাথমিক শিক্ষা ভারতের সেন্ট জন্স কলেজ থেকে। এরপর তিনি তাঁর উচ্চশিক্ষা কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শেষ করে ১৯৪৭ সালে তিনি ডক্টরেট উপাধি অর্জন করেছিলেন।এরপর সেখান থেকে ভারতে ফিরে আসার পর ডক্টর বিক্রম সারাভাই আমেদাবাদ ফিজিক্যাল রিসার্চ ল্যাবরেটরি প্রতিষ্ঠা করেন। একইসঙ্গে আমেদাবাদের স্পেস অ্যাপ্লিকেশন সেন্টার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থার ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন তিনি। 

    পিআরএল প্রতিষ্ঠা 

    ‘ফিজিক্যাল রিসার্চ ল্যাবরেটরি’ (পিআরএল) ভারতের মহাকাশ বিজ্ঞানের জন্মস্থান বলে বিবেচিত হয়। ১৯৪৭ সালের নভেম্বর মাসে বিক্রম সারাভাই এটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।  

    আইআইএম প্রতিষ্ঠা

    এছাড়াও ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ ম্যানেজমেন্ট (আইআইএম) প্রতিষ্ঠা করেন তিনি। কমিউনিটি সায়েন্স সেন্টারের ধারণারও পথপ্রদর্শক তিনি, যার লক্ষ্য শিশুদের ব্যাপকভাবে বিজ্ঞান শিক্ষা প্রদান করা এবং তাদের মধ্যে বিজ্ঞান চেতনার বিকাশ ঘটানো।

    একাধিক প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা 

    আমেদাবাদে নেহরু ফাউন্ডেশন ফর ডেভেলপমেন্ট, আমেদাবাদ টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রিজ রিসার্চ অ্যাসোসিয়েশন এবং সেন্টার ফর এনভায়রনমেন্টাল প্ল্যানিং অ্যান্ড টেকনোলজি সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করা তাঁর সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য অবদান গুলির মধ্যে অন্যতম।

    বিজ্ঞান, শিক্ষা এবং শিল্পকলায় অবদান

    বিক্রম সারাভাই (Vikram Sarabhai) ছিলেন একজন দূরদর্শী নেতা যিনি ভারতের বিজ্ঞান, শিক্ষা এবং শিল্পকলায় উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছিলে। তাঁর স্ত্রী মৃণালিনী সারাভাইয়ের সঙ্গে তিনি দর্পনা অ্যাকাডেমি অফ পারফরমিং আর্টস প্রতিষ্ঠা করেন।

    সারাভাই কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত কিছু সুপরিচিত প্রতিষ্ঠান 

    তিরুবনন্তপুরুম বিক্রম সারাভাই (Vikram Sarabhai) স্পেস সেন্টার, কালপাক্কামে ফাস্টার ব্রিডার টেস্ট রিঅ্যাক্টর, কলকাতায় ভ্যারিয়েবল এনার্জি সাইক্লোট্রোন প্রজেক্ট সহ আরও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেন তিনি।

    আরও পড়ুন: আরব সাগরে ডুব, সাবমেরিনের চড়ে দ্বারকা দর্শনের সুযোগ

    অর্জন

    পরমাণু শক্তি কমিশনের (অ্যাটোমিক এনার্জি কমিশন) চেয়ারম্যানও ছিলেন বিক্রম সারাভাই। 

    উত্তরাধিকার   

    ভারতের চন্দ্রযান-২ মিশনের ল্যান্ডারের নাম ছিল বিক্রম। এর মাধ্যমে ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা কর্তৃক মহাকাশ বিজ্ঞান প্রযুক্তি ও গবেষণায় বিক্রম সারাভাই সকলের মনে থেকে যাবেন আজীবন। 

    ভারতের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ 

    ১৯৭৫ সালে রুশ কসমোড্রোম থেকে ভারতের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ ‘আর্যভট্ট’-এর সফল উৎক্ষেপণ হয়। সাফল্যের নেপথ্যে বিক্রম সারাভাইয়ের উল্লেখযোগ্য অবদান ছিল। তবে সুদিন দেখার সৌভাগ্য হয়নি বিক্রমের। ১৯৭১ সালের ৩০ ডিসেম্বর কেরলের তিরুবনন্তপুরুমে মাত্র ৫২ বছর বয়সে প্রয়াণ হয় এই বিজ্ঞানসাধকের।
     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Earth: পৃথিবী থেকে আস্তে আস্তে দূরে চলে যাচ্ছে চাঁদ, দিন কি হবে ২৫ ঘণ্টার!

    Earth: পৃথিবী থেকে আস্তে আস্তে দূরে চলে যাচ্ছে চাঁদ, দিন কি হবে ২৫ ঘণ্টার!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একটি সাধারণ প্রশ্ন, কত ঘণ্টায় একদিন হয়? অনায়াসেই সবাই উত্তর দেবে, ২৪ ঘণ্টায়। কিন্তু না, এবার গবেষণায় উঠে এল, একদিনের দৈর্ঘ্য হতে চলেছে ২৫ ঘণ্টা। শুনতে হয়তো অবাক লাগছে, কিন্তু এটাই সত্যি। আর এর কারণ হিসেবে গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে, পৃথিবী (Earth) থেকে আস্তে আস্তে দূরে চলে যাচ্ছে চাঁদ। সম্প্রতি গবেষণায় দেখা গিয়েছে, প্রত্যেক বছর প্রায় ৩.৮ সেন্টিমিটার করে পৃথিবী থেকে দূরে সরে যাচ্ছে চাঁদ। আর এর জন্যই একদিনের দৈর্ঘ্য বৃদ্ধি পাবে। কিন্তু এই মহাজাগতিক পরিবর্তন ঘটতে সময় লাগবে ২০ কোটি বছর। এই সময় শুনতে অনেক বছর লাগলেও মহাজাগতিক সময়ের হিসেবে এটা কোনও সময়ই নয়। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গিয়েছে, আজ থেকে প্রায় ১৪০ কোটি বছর আগে পৃথিবীতে মাত্র ১৮ ঘণ্টায় এক দিন হত।

    কীভাবে এই গবেষণায় পৌঁছালেন বিজ্ঞানীরা? (Earth)

    ছোটবেলায় ভূগোল বইয়ের পাতায় আমরা সবাই পড়েছি, আহ্নিক গতির জেরেই পৃথিবীতে ২৪ ঘণ্টায় একদিন হয়। হয়তো কোনও দিন আমরা ভাবিনি, এই ২৪  ঘণ্টায় একদিন হওয়া পরিবর্তিত হয়ে ২৫ ঘণ্টাও হতে পারে। আসলে পৃথিবী প্রায় ২৪ ঘণ্টায় নিজের অক্ষের চারপাশে একবার ঘোরে। আর এই গতির কারণেই পৃথিবীতে দিন এবং রাত হয়। বিজ্ঞানীদের কাছ থেকে জানা যায়, আজ থেকে প্রায় ৪৬০ কোটি বছর আগে তৈরি হয়েছিল এই পৃথিবী। বিভিন্ন গ্যাস, ধুলো প্রভৃতির সমন্বয়ে আজ পৃথিবী তার এই নিজের আকার নিয়েছে। আর এইসবের পিছনে মাধ্যাকর্ষণ শক্তির প্রভাব রয়েছে। আর তখন থেকেই শুরু হয় এই আহ্নিক গতির। সম্প্রতি ভূবিজ্ঞানীরা জানতে পারেন, চাঁদ (Moon) পৃথিবী থেকে ক্রমে দূরে সরে যাচ্ছে। উইসকনসিন-ম্যাডিসন বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক এই অনুসন্ধান চালিয়েছেন। আর এই অনুসন্ধানে দেখা গিয়েছে, চাঁদের ধীরে ধীরে দূরে সরে যাওয়ার প্রভাব পড়ছে সরাসরি পৃথিবীর ওপর। বিশেষ করে দিনরাত্রি পরিবর্তনের উপর।

    গবেষকরা কী জানিয়েছেন এই বিষয়ে?

    উইসকনসিন-ম্যাডিসন ইউনিভার্সিটির ভৌবিজ্ঞানের অধ্যাপক স্টিফেন মায়ার্স জানিয়েছেন, “যেমন ঘূর্ণায়মান ফিগার স্কেটাররা দুই হাত প্রসারিত করলে তাদের গতি কমে আসে, ঠিক সেই রকমই চাঁদ সরে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পৃথিবীর ঘূর্ণনের গতিও কমে আসে। আর এর ফলে দিনের দৈর্ঘ্য বাড়ে।” তিনি আরও জানান, অ্যাস্ট্রোক্রনোলজি ব্যবহার করে সুদূর অতীতের সময় সম্পর্কে জানার চেষ্টা করেছিলেন তাঁরা এবং প্রাচীন ভূতাত্ত্বিক সময়ের একটি পরিমাপ করতে চেয়েছিলেন। যাতে কয়েকশো কোটি বছরের পুরানো শিলাগুলি নিয়ে গবেষণা করা যায়, সেই পর্যায়ে পৌঁছাতে চেয়েছিলেন। আর ঠিক এই সময়ে গবেষণার ফাঁকে জানতে পারেন পৃথিবীর (Earth) ও চাঁদের মধ্যে দূরত্ব বেড়ে যাওয়ার এই মহাজাগতিক পরিবর্তনের বিষয়টি। বিভিন্ন প্রাচীন ভূতাত্ত্বিক গঠন এবং বিভিন্ন পলির স্তর তারা পরীক্ষা করেন এবং গবেষণা করে জানতে পারেন পৃথিবীর চাঁদের সম্পর্কের ইতিহাস। জানা যায় বর্তমানে স্থিতিশীলভাবেই আস্তে আস্তে পৃথিবী থেকে দূরে সরে যাচ্ছে চাঁদ (Moon)। এই দূরে সরে যাওয়ার হার নির্ভর করছে পৃথিবীর আর্নিক গতি এবং মহাদেশীয় বিভিন্ন প্রবাহের উপর।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Chinese Scientists: চাঁদের মাটির নমুনায় জলের উপস্থিতি! নিশ্চিত করল চিনা বিজ্ঞানীরা

    Chinese Scientists: চাঁদের মাটির নমুনায় জলের উপস্থিতি! নিশ্চিত করল চিনা বিজ্ঞানীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পৃথিবীর উপগ্রহ চাঁদের বুকে এবার জলের খোঁজ (Water In Lunar Soil) মিলল। চাইনিজ অ্যাকাডেমি অফ সায়েন্সেস (CAS) অনুসারে, চিনের চন্দ্রযান চাং’ই ৫ (Chang’e 5) অভিযান থেকে আনা নমুনায় চাঁদের বুকে জলের অণুর খোঁজ পেয়েছেন চিনের বিজ্ঞানীরা (Chinese Scientists)। চাঁদের বুকে পাথরের নীচে জলের অণু চাপা পড়েছিল বলেই তাদের অনুমান। এই প্রথম হাতেকলমে চাঁদের বুকে জলের অস্তিত্বের খোঁজ মিলল। চাঁদ থেকে আনা নমুনা পরীক্ষা করে যা মিলেছে, সেই গবেষণাপত্র সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে ‘নেচার অ্যাস্ট্রোনমি’ (Nature Astronomy) জার্নালে। 

    ঠিক কী জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা? (Chinese Scientists)

    মঙ্গলবার চাইনিজ অ্যাকাডেমি অফ সায়েন্সেস জানিয়েছে, ২০২০ সালে চাং’ই ৫ মিশন থেকে নিয়ে আসা চাঁদের মাটির নমুনার উপর ভিত্তি করেই চিনা বিজ্ঞানীরা একটি হাইড্রেটেড খনিজ খুঁজে পেয়েছেন। চাঁদের মাটি নিয়ে পরীক্ষা করা চিনা বিজ্ঞানীরা ১,০০০টিরও বেশি খনিজ পদার্থ নিয়ে গবেষণা চালিয়েছেন। গবেষকরা বলেছেন, ”এইসব খনিজ পদার্থের মধ্যে একটি স্বচ্ছ পদার্থ ছিল, যাকে “অজানা চন্দ্র খনিজ” (ULM-1) বলা হয়েছে, এর মধ্যেই জলের অণু রয়েছে।”

    মিলেছে অ্যামোনিয়ার খোঁজও

    গবেষণাপত্রে আরও বলা হয়েছে, চাঁদের বুকে যেখানে সরাসরি সূর্যের আলো পড়ে, সেখানেও জলের অণুগুলি লবণের আকারে বিরাজ করে। শুধু জলের অণুই নয়, চাঁদের মাটি থেকে সংগ্রহ করে আনা পাথরের টুকরোর মধ্যে অ্যামোনিয়ার খোঁজও পেয়েছেন চিনা বিজ্ঞানীরা (Chinese Scientists), যা রকেট জ্বালানির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। এ প্রসঙ্গে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বিজ্ঞানী (Chinese Scientists) বলেছেন, ”আমি আশা করেছিলাম এই গবেষণায় চাঁদের মাটিতে জলের অস্তিত্বের (Water In Lunar Soil) প্রমাণ খুঁজে পাওয়া যাবে। যদি এই জল বহনকারী খনিজটি চাঁদের নমুনায় থাকে, তবে চাঁদের মাটিতে এমন একাধিক টুকরো পাওয়া উচিত।” 

    আরও পড়ুন: মোদি জমানায় ইউপিএ-র তুলনায় অনেক বেশি কর্মসংস্থান হয়েছে রেলে, দাবি অশ্বিনী বৈষ্ণবের

    প্রসঙ্গত, এর আগে ২০০৯ সালে, ভারতের চন্দ্রযান-১ চাঁদের সূর্যালোক অঞ্চলে অক্সিজেন এবং হাইড্রোজেন, অণুর আকারে হাইড্রেটেড খনিজের সন্ধান পেয়েছিল। এর পরেই নাসা মুন মিনারোলজি ম্যাপার (M3) ও একটি ইমেজিং স্পেকট্রোমিটার দিয়ে চাঁদে খনিজ পদার্থে জলের উপস্থিতি নিশ্চিত করেছিল। যদিও সেবার হাতে কলমে কোনও প্রমাণ মেলেনি। এরপরেই চাঁদের মাটি থেকে নমুনা সংগ্রহ করে আনতেই অভিযান চালায় চিন।
     
     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dark Oxygen: সমুদ্রের ১৩ হাজার ফুট নীচে সূর্যের আলো ছাড়াই তৈরি হচ্ছে ‘ডার্ক অক্সিজেন’

    Dark Oxygen: সমুদ্রের ১৩ হাজার ফুট নীচে সূর্যের আলো ছাড়াই তৈরি হচ্ছে ‘ডার্ক অক্সিজেন’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্কুলের বইতে আমরা প্রত্যেকেই পড়েছি যে সূর্যালোকের (Sunlight) উপস্থিতিতে সালোকসংশ্লেষ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সবুজ উদ্ভিদ অক্সিজেন তৈরি করে এবং কার্বন-ডাই-অক্সাইড শোষণ করে। তবে এমন ধারণা যে অকাট্য নয়, তা সম্প্রতি প্রমাণ করেছেন বিজ্ঞানীরা। অর্থাৎ, সূর্যালোকের উপস্থিতি অক্সিজেন উৎপাদনের (Dark Oxygen) ক্ষেত্রে অপরিহার্য ফ্যাক্টর নয়। অতল সমুদ্র গহ্বরে সূর্যালোকের অভাবেই তৈরি হচ্ছে অক্সিজেন। সম্প্রতি এমনটাই আবিষ্কার করতে পেরেছেন বিজ্ঞানীরা। বিজ্ঞানীরা জানতে পেরেছেন যে প্রশান্ত মহাসাগরের একেবারে তলদেশে প্রায় ১৩ হাজার ফুট নীচে, যেখানে সূর্যালোক পৌঁছানোর কোনও সম্ভাবনা নেই, সালোকসংশ্লেষও অসম্ভব, সেখানেই প্রচুর পরিমাণে অক্সিজেন (Dark Oxygen) তৈরি হচ্ছে।

    কীভাবে তৈরি হচ্ছে অক্সিজেন?

    সম্পূর্ণ অন্ধকারে রাসায়নিক ধাতব বিক্রিয়ার মাধ্যমেই তৈরি হচ্ছে এই অক্সিজেন। বিজ্ঞানীরা এর নাম দিয়েছেন, ‘ডার্ক অক্সিজেন’ বা ‘অন্ধকার অক্সিজেন’। এ নিয়ে নেচার জিও সায়েন্স জার্নালে এক গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয়েছে। এই গবেষণাপত্রে দাবি করা হচ্ছে, সালোকসংশ্লেষ ছাড়াও অক্সিজেন (Dark Oxygen) তৈরি হয় এই পৃথিবীতে। আন্তর্জাতিক গবেষকদের দলটি আবিষ্কার করতে পেরেছেন যে এই অক্সিজেনই টিকিয়ে রেখেছে গভীর সমুদ্রের জীবনকে যা সম্পূর্ণ অন্ধকারে বেঁচে রয়েছে।

    একই দাবি করেছিলেন বিজ্ঞানী অ্যান্ড্রু সুইটম্যান

    আজ থেকে ১১ বছর আগে ২০১৩ সালেই প্রশান্ত মহাসাগরে ফিল্ডওয়ার্কে গিয়েছিলেন স্কটিশ অ্যাসোসিয়েশন ফর মেরিন সায়েন্সের বিজ্ঞানী, অ্যান্ড্রু সুইটম্যান। সেসময়, সুইটম্যান এবং তাঁর সহযোগী অন্যান্য বিজ্ঞানীরা ক্লারিওন-ক্লিপারটন জোনে সমুদ্র-তলের ইকোসিস্টেমগুলি (Sunlight) নিয়ে গবেষণা করেন। ওই গবেষণার সময়ই তাঁরা সেখানে ‘অন্ধকার অক্সিজেন’-এর (Dark Oxygen) সন্ধান পেয়েছিলেন বলে জানা যায়। এনিয়ে সুইটম্যান বলেন, “এখন আমরা জানি, গভীর সমুদ্রেও অক্সিজেন উৎপন্ন হয়। যেখানে কোনও আলো নেই। আমি মনে করি, বায়বীয় জীবন কোথায় শুরু হতে পারে, আমাদের এই প্রশ্নগুলো পুনরালোচনা করা দরকার।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Jitendra Singh: আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে যাচ্ছেন গগনযাত্রী, জানালেন জিতেন্দ্র

    Jitendra Singh: আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে যাচ্ছেন গগনযাত্রী, জানালেন জিতেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার সঙ্গে আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে যৌথ অভিযানের উদ্যোগ নিচ্ছে ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো। অভিযানে অংশ নেবেন একজন ভারতীয় গগনযাত্রীও (Gaganyatri)। তিনি অবশ্য হবেন কোনও ভারতীয় নভশ্চর। লোকসভায় এ কথা জানিয়েছেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি দফতরের মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং (Jitendra Singh)।

    ইসরো, নাসার যৌথ উদ্যোগ (Jitendra Singh)

    এই মিশনটি হতে চলেছে ইসরো, নাসা এবং নাসা স্বীকৃত প্রাইভেট সংস্থা তথা অ্যাক্সিওম স্পেসের যৌথ প্রয়াসে। সম্প্রতি মহাকাশ মিশনের অংশ হিসেবে, আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে যাত্রার জন্য ইসরো অ্যাক্সিওম স্পেসের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে। লিখিত জবাবে লোকসভায় মন্ত্রী জানান, নাসার সঙ্গে যৌথ মিশনে নেমেছে ইসরো। এই মিশনেরই অংশ হিসেবে ইসরোর তরফে এক গগনযাত্রীকে পাঠানো হবে আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে।

    বেসরকারি উদ্যোগ

    নাসার তরফে জানানো হয়েছে, বেসরকারি উদ্যোগে চতুর্থবারের জন্য আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে মহাকাশচারীদের নিয়ে যেতে অ্যাক্সিওমের সঙ্গে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে নাসা। এই চুক্তি মোতাবেক, চলতি বছরের অগাস্ট মাসের পরে বেসরকারি উদ্যোগে নভশ্চরদের নিয়ে যাওয়া হবে আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে। এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে ইসরোও (Jitendra Singh)।

    জানা গিয়েছে, এই মিশনের জন্য ইতিমধ্যেই চার নভশ্চরকে বেছে নিয়েছে ইসরো। ইসরোর পক্ষ থেকে তাঁদের প্রশিক্ষণও দেওয়া হচ্ছে। তার আগে এঁরা প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন রাশিয়ায়। তবে প্রশিক্ষণের শেষ ধাপ সম্পূর্ণ হবে ভারতেই। প্রশিক্ষণ সম্পর্কে বলতে গিয়ে মন্ত্রী বলেন, “গগনযাত্রীদের তিন ধাপ প্রশিক্ষণ পর্বের মধ্যে সম্পন্ন হয়েছে দুধাপ। এক ধাপের প্রশিক্ষণ এখনও বাকি।”

    আরও পড়ুন: দেশে বিপুল চাহিদা কাউন্টার-ড্রোন সিস্টেমের, ৫ বছরে বৃদ্ধি কত হবে জানেন?

    চারজনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হলেও, মহাকাশে যাওয়ার সুযোগ পাবেন তিনজন। তবে মহাকাশে মানুষ পাঠানোর আগে পাঠানো হবে যন্ত্রমানব। তার যাত্রাপথ মসৃণ হলে, তবেই মহাকাশে পাঠানো হবে রক্তমাংসের মানুষ। ইসরোর ওই মিশন হবে তিন দিনের। শুরু হতে পারে ২০২৫ সালে।

    যে যানটিতে করে নভশ্চরদের (Gaganyatri) মহাকাশে পাঠানো হবে, সেই যান সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, “মানব-রেটেড লঞ্চ ভেহিক্যালের কঠিন ও তরল প্রপালশন পর্যায়গুলি ফ্লাইট ইন্টিগ্রেশনের জন্য প্রস্তুত (Jitendra Singh)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Lithium: ১৬০০ টন লিথিয়ামের সন্ধান মিলল কর্নাটকে, জানালেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং

    Lithium: ১৬০০ টন লিথিয়ামের সন্ধান মিলল কর্নাটকে, জানালেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রায় ১৬০০ টন লিথিয়ামের (Lithium) সন্ধান পাওয়া গিয়েছে কর্নাটকে। অ্যাটমিক মিনারেল ডিরেক্টরেট ফর এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড রিসার্চ (এএমডি)-এর পারমাণবিক শক্তি বিভাগের একটি ইউনিট, এই রাজ্যের মান্ডা এবং ইয়াদগিরি জেলায় বিরাট মাত্রায় খনিজ লিথিয়ামের উপস্থিতি আবিষ্কার করেছে। কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান-প্রযুক্তি এবং ভূ-বিজ্ঞান বিষয়ক মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং (Jitendra Singh) রাজ্যসভায় লিথিয়াম সম্পর্কে এই তথ্য জানিয়েছেন। লিথিয়াম এমন ধাতু, বিশ্বব্যাপী যার চাহিদা এই মুহূর্তে সর্বাধিক। সেই প্রেক্ষিতে এই আবিষ্কার অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।  

    ঠিক কী বলেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী (Lithium)?

    এএমডি পারমাণবিক শক্তি বিভাগের একটি ইউনিট প্রাথমিক ভাবে সমীক্ষা করেছে। এরপর সংস্থার তরফে কেন্দ্রীয় মন্ত্রকের কাছে রিপোর্ট পাঠানো হয়েছিল। আর তাতেই ভূ-গর্ভের নিচে থাকা এই প্রাকৃতিক খনিজ লিথিয়াম (Lithium)-এর বিপুল পরিমাণে থাকার কথা বলা হয়েছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং (Jitendra Singh) রাজ্যসভায় একটি প্রশ্নের লিখিত উত্তরে এই কথা জানিয়ে বলেছেন, “কর্নাটকের মান্ডা এবং ইয়াদগিরি জেলায় লিথিয়ামের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। এএমডি সক্রিয়ভাবে ছত্তিশগড়ের কোরবা জেলা সহ ভারতের অন্যান্য অংশেও লিথিয়ামের সম্ভাব্য উপস্থিতির অনুসন্ধানের কাজ করছিল। রাজস্থান, বিহার এবং অন্ধ্রপ্রদেশের প্রধান অভ্র সমৃদ্ধ অঞ্চল এবং ওড়িশা, ছত্তিশগড়, কর্নাটকের আগ্নেয়শিলা যুক্ত অঞ্চলে লিথিয়াম খনিজ দ্রব্যের সন্ধান চালানো হচ্ছিল। তাতেই মিলেছে সাফল্য।” এর আগে, এএমডি হিমাচল প্রদেশে একটি প্রাথমিক সমীক্ষা করে হামিরপুর জেলার মাসানবলে ভূ-পৃষ্ঠের নিচে ইউরেনিয়ামের উপস্থিতিকে শনাক্ত করেছে। তিনি আরও বলেছেন, “ছোট মডুলার পরমাণু চুল্লি নির্মাণের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে ভাবছে কেন্দ্রের পারমাণবিক শক্তি বিভাগ। ভারত এবং রুশ সরকার ক্ষুদ্র মডুলার চুল্লির ক্ষেত্রে একসঙ্গে কাজ করবে। একই ভাবে পারমাণবিক শক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে সহযোগিতা ও সম্প্রসারণে দুই দেশ পরস্পরের কাছে বদ্ধপরিকর থাকবে।”

    আরও পড়ুনঃ প্রকাশিত হল নিট-ইউজির সংশোধিত ফলাফল, মেধা তালিকার প্রথমে বাংলার পড়ুয়াও

    ১৮১৭ সালে আবিষ্কার হয়েছিল লিথিয়াম

    লিথিয়াম খনিজ উপাদানটি প্রথম ১৮১৭ সালে জোহান অগাস্ট আরফভেডসন আবিষ্কার করেছিলেন। লিথিয়াম (Lithium) শব্দটি গ্রীক ভাষায় লিথোস থেকে এসেছে, যার অর্থ পাথর। সর্বনিম্ন ঘনত্বের ধাতু, লিথিয়াম। জলের সঙ্গে জোরালোভাবে বিক্রিয়া করে এই ধাতু এবং প্রকৃতিতে অত্যন্ত বিষাক্ত। সবচেয়ে বেশি পরিমাণে লিথিয়াম ব্যবহার করা হয় মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ, ডিজিটাল ও ইলেকট্রিক ডিভাইসের রিচার্জেবল ব্যাটারিতে। এ ছাড়া হার্ট পেসমেকার, খেলনা, ঘড়ি ইত্যাদিতে নন-রিচার্জেবল ব্যাটারি হিসেবে লিথিয়াম ব্যবহৃত হয়। লিথিয়ামকে অ্যালুমিনিয়াম ও ম্যাগনেসিয়ামের সঙ্গে সংকর ধাতু হিসেবেও ব্যবহার করা হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sunita Williams: ৫০ দিন ধরে মহাকাশেই আটকে, বিপত্তির মধ্যেই ‘বাগান’ নিয়ে গবেষণা সুনীতার

    Sunita Williams: ৫০ দিন ধরে মহাকাশেই আটকে, বিপত্তির মধ্যেই ‘বাগান’ নিয়ে গবেষণা সুনীতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় বংশোদ্ভূত মহাকাশচারী সুনীতা উইলিয়ামস (Sunita Williams) মহাকাশে আটকে পড়ে ৫০ দিন অতিক্রম করেছেন। কিন্তু এই বিপত্তির মধ্যেই মহাকাশে বাগান নিয়ে গবেষণা করছেন। তিনি নাসার একটি সুপরিকল্পিত ১০ দিনের মিশনের জন্য বোয়িং স্টারলাইনার মহাকাশযানে (Space) যাত্রা করেছিলেন। এরপর দীর্ঘ সময় ধরে মহাকাশে আটকে রয়েছেন। তবে অ্যামেরিকা মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা জানিয়েছে, হিলিয়াম গ্যাস ফাঁস হওয়ার কারণে বোয়িং স্টারলাইনারটি প্রপালশন সিস্টেম সমস্যার সম্মুখীন হয়েছে। তবে সুনীতা এবং তাঁর সহযোগী নভশ্চর ব্যারি বুচ উইলমোর এই আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন (ISS)-এ নিরাপদে রয়েছেন।

    গাছের বৃদ্ধি নিয়ে গবেষণা (Sunita Williams)

    গত ৬ জুন থেকে এক্সপিডিশন ৭১ ক্রুদের রক্ষণাবেক্ষণ এবং বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষায় কাজ চলছে। নাসা জানিয়েছে, সুনীতা উইলিয়ামস (Sunita Williams) এই তৃতীয় মহাকাশ মিশনের একজন অভিজ্ঞ মানুষ। মহাকাশের মাধ্যাকর্ষণজনিত আকর্ষণ বা মাইক্রোগ্রাভিটিতে গাছকে জল দেওয়া, বৃদ্ধি এবং পুষ্টি সাধন করে সুপরিপক্ক করার মতো সমস্যাকে দূর করতে তরল পদার্থ অন্বেষণ করার কাজ করছেন তাঁরা। ভবিষ্যতে মহাকাশে বাগান করার জন্য এটি একটি অপরিহার্য পদক্ষেপ হবে। তাঁদের সফলতা একটি বিরাট নতুন সম্ভাবনার জন্ম দেবে বলে মনে করছেন বিজ্ঞানীরা।

    ভূ-মণ্ডলের রিয়েল-টাইম নিয়ে গবেষণা

    সুনীতা উইলিয়ামস (Sunita Williams) এবং উইলমোর একটি আল্ট্রাসাউন্ড ডিভাইস ব্যবহার করে শিরা বা নাড়ী স্ক্যান করার পরিচালনা করছেন। একই ভাবে ভূ-মণ্ডলের ডাক্তারদের দ্বারা রিয়েল-টাইম বিষয়েও পর্যবেক্ষণের কাজ করছেন। তাঁরা নিজেরা একে অপরের ঘাড়, কাঁধ এবং পায়ে শিরাগুলিকে ছবি তুলেছেন। সুনীতা, মহাকাশচারী ম্যাথিউ ডমিনিকের শিরাগুলি স্ক্যান করেছে। এই গবেষণা মানবদেহে মাধ্যাকর্ষণজনিত আকর্ষণ বা মাইক্রোগ্রাভিটির প্রভাব বুঝতে সাহায্য করবে।

    আরও পড়ুনঃ মহাকাশে আটকে সুনীতা উইলিয়ামস! কী সমস্যা, কীভাবে ফিরবেন পৃথিবীতে?

    জীববিজ্ঞান এবং মনোবিজ্ঞান নিয়ে চলছে গবেষণা

    আইএসএস এখন উন্নত জীববিজ্ঞান বিষয়ে গবেষণার কাজ করে চলেছে। মহাকাশ (Space) কীভাবে মানব জীববিজ্ঞান এবং মনোবিজ্ঞানকে প্রভাবিত করে তা অনুসন্ধান চলছে। সুনীতারা আইএসএস জল ব্যবস্থা থেকে জীবাণু শনাক্ত করতে ডিএনএ বের করেছেন, যা ভবিষ্যতের মিশনে ক্রু স্বাস্থ্য এবং মহাকাশযানের পরিচ্ছন্নতা উন্নত করতে পারে। ইতিমধ্যে, ইঞ্জিনিয়ররা বোয়িং স্টারলাইনারের সমস্যাগুলি ঠিক করছেন। নাসা আরও জানিয়েছে, বিজ্ঞানীদের দলগুলি সম্প্রতি নিউ মেক্সিকোতে হোয়াইট স্যান্ডস টেস্ট ফ্যাসিলিটিতে একটি স্টারলাইনার থ্রাস্টারের গ্রাউন্ড হট ফায়ার পরীক্ষা সম্পন্ন করেছেন। তবে কবে সুনীতাদের (Sunita Williams)  ফিরিয়ে আনা হবে এই নিয়ে খুব দ্রুত ঘোষণা হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nikhil Lemo: ওষুধ খেতে ভুলে গিয়েছেন? চিন্তা নেই, মনে করিয়ে দেবে রোবট

    Nikhil Lemo: ওষুধ খেতে ভুলে গিয়েছেন? চিন্তা নেই, মনে করিয়ে দেবে রোবট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিনে হয়তো দশ-বিশটা ওষুধ খেতে হয়। মনেও থাকে না সব সময়। তাই কোনও ওষুধ হয়ত দুবার খাওয়া হয়ে গেল। কোনওটা হয়ত আবার খাওয়াই হল না। নিট ফল, ব্যাধির বিকার বেড়েই চলল। কষ্টার্জিত পয়সা ধ্বংসের পাশাপাশি রোগীরও আর রোগ আরোগ্য হয় কই? তবে এবার আর এসব নিয়ে ভাবতে হবে না আপনাকে। কারণ আবিষ্কার হয়ে গিয়েছে ‘মেডিটেল’ (Meditel) নামের একটি পুচকে রোবট। আবিষ্কারকও যে কেউকেটা, তা কিন্তু নয়। মেডিটেল যার ব্রেন চাইল্ড, সে (Nikhil Lemo) পড়ে একাদশ শ্রেণিতে, গুজরাটের ভাদোদরার নবরচনা উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে।

    নিখিল লেমোর আবিষ্কার (Nikhil Lemo)

    নয়া আবিষ্কৃত এই যন্ত্রের একটা জুতসই নামও দিয়েছে নিখিল লেমো নামের ওই পড়ুয়া। মানবযন্ত্রটির নাম মেডিটেল। তার দাদু-ঠাকুমাকে সাহায্য করার কথা ভাবতে গিয়ে জন্ম হয় মেডিটেলের। যেহেতু এই যন্ত্রমানব ওষুধ খাওয়ার কথা মনে করিয়ে দেয়, তাই তার নামেই রয়েছে মেডিসিনের গন্ধ। নিখল বলে, “আমি দেখেছিলাম, প্রায়ই ওষুধ খেতে ভুলে যায় আমার দাদু-ঠাকুমা। তখনই মাথায় আসে, এমন একটা অ্যালার্ম সিস্টেম তৈরি করতে হবে, যা বাজলেই মনে পড়ে যাবে ওষুধ খাওয়ার কথা।” একাদশ শ্রেণির এই পড়ুয়া জানায়, তার একটি খাতার শেষ পৃষ্ঠায় একটা ডুডল ছিল। বিজ্ঞান মেলায় যোগ দেবে বলে বারংবার সে ডুডলটি দেখছিল। এর পরেই মাথায় চলে আসে মেডিটেলের আইডিয়া। মেডিটেলের (Meditel) ‘বাবা’ বলে, “ একটি বিজ্ঞান মেলায় যোগ দেওয়ার শর্ত হিসেবে আমাদের নতুন কিছু করে নিয়ে যেতে বলা হয়েছিল। তখনই ডুডল এবং আমার দাদু-ঠাকুমার সমস্যার কথাটা মাথায় চলে আসে। ব্যাস, জন্ম নিল মেডিটেল।”

    কী বলছে খুদে বিজ্ঞানী?

    এই খুদে বিজ্ঞানী (Nikhil Lemo) বলে, “আপনাদের তো বললামই যে প্রথমে আমি একটা অ্যালার্ম সিস্টেম বানাব ভেবেছিলাম। পরে ভাবলাম, ওষুধ খাওয়ার সময় না হয় মনে করিয়ে দিল অ্যালার্ম। ওষুধও না হয় হাতের কাছে রয়েছে। কিন্তু, জল! সেটা তো কাউকে এনে দিতে হবে। নয়তো নিজেকে গিয়ে আনতে হবে। দ্বিতীয় অপশনটা বয়স্কদের ক্ষেত্রে বেশ সমস্যার। তাই তাঁরা ওষুধ খাবেন কী করে?” এই ভাবনা থেকেই নিখিল এই ডিভাইসের সঙ্গে একটি জলের বোতলও জুড়ে দিল। ভেলক্রো দিয়ে সেটা জোড়া হল ডিভাইসের সঙ্গে। এতেই কেল্লাফতে। যন্ত্রমানব যেমন রোগীকে তাঁর ওষুধ খাওয়ার কথাটা মনে করিয়ে দেবে, তেমনি এগিয়ে দেবে জলও। এর পর আর ওষুধ না খেয়ে থাকেন কী করে রোগী?

    মেডিটেলের কাজ

    মেডিটেলের আবিষ্কর্তা বলে, “মেডিটেল প্রতিদিন ছ’টা পর্যন্ত ওষুধ খাওয়ার কথা মনে করিয়ে দেবে রোগীকে। সকালে না রাতে, জলখাবারের আগে না পরে, বিকেলে টিফিনের আগে না পরে, নাকি লাঞ্চ কিংবা ডিনারের পরে কখন খেতে হবে ওষুধ, তা মনে করিয়ে দেবে এই যন্ত্র।” একাদশ শ্রেণির এই পড়ুয়ার বক্তব্য, মেডিটেলের যন্ত্রাংশ জোগাড় করা এবং ডিভাইসগুলোকে এক জায়গায় করা এক জিনিস। আর কোডিং করে অ্যালার্ম সিস্টেমটাকে ঠিকঠাক করানোটা আর এক জিনিস। দ্বিতীয়টা চ্যালেঞ্জিং। সে বলে, “স্ক্র্যাচ করে আমি এ পর্যন্ত যতগুলো মডেল বানিয়েছি, এটা সেগুলোর মধ্যে প্রথম হয়েছে।”

    আরও পড়ুন: বাজেটে কর্মসংস্থানে ৩ প্রকল্পের ঘোষণা সীতারামনের, জানুন বিশদে

    ইউনিসেফের স্বীকৃতি

    নিখিলের প্রশংসায় পঞ্চমুখ তার মেন্টর মুকেশ বিন্দ। তিনি বলেন, “২০১৯ সালে বিশ্ব রোবট অলিম্পিয়াডের সময় নিখিলের সঙ্গে আমার দেখা হয়। পরে সে আমার কাছে রোবটিক্স শিখতে শুরু করে। আমাদের একটা সেশনের সময় যে এমন একটা ডিভাইস তৈরির ইচ্ছে প্রকাশ করেছিল, যেটা তার দাদু-ঠাকুমাকে ওষুধ খেতে সাহায্য করবে।” গত নভেম্বরে নিখিলের (Nikhil Lemo) মেডিটেল পায় ইউনিসেফের স্বীকৃতি। তাকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ইউনিসেফের শুভেচ্ছা দূত ডেভিড বেকহ্যাম স্বয়ং। বেকহ্যামের সঙ্গে তার সাক্ষাৎ হওয়ায় যারপরনাই খুশি খুদে বিজ্ঞানী। তবে সে যে ইউনিসেফের কাছে প্রকল্পটি পাঠায়নি, তাও জানিয়েছে নিখিল। বলে, “আমি কখনওই ইউনিসেফের কাছে আবেদন করিনি। গুজরাট ইউনিভার্সিটির ইনকিউবেশন সেন্টার আয়োজিত অন্য একটি প্রতিযোগিতায় আবেদন করেছিলাম। তারাই আমার প্রকল্প পাঠিয়েছিল ইউনিসেফে।”

    মেডিটেলের অপার সম্ভাবনা

    গুজরাট ইউনির্ভাসিটি স্টার্টআপ অ্যান্ড এন্টারপ্রেনিউরশিপ কাউন্সিলের প্রোগ্রাম ম্যানেজার সানিয়াম ছাজেদ বলেন, “মেডিটেলের অপার সম্ভাবনা রয়েছে।” তিনি বলেন, “আমি বিশ্বাস করি, মেডিটেলের (Meditel) মতো একটি ডিভাইস তার ছোট আকার ও সহজ ব্যবহারযোগ্য বৈশিষ্ট্যগুলির জন্য বয়স্কদের কাছে একটি যুগান্তকারী পণ্য বলে পরিগণিত হবে (Nikhil Lemo)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Blue Screen of Death: মাইক্রোসফ্‌টের সমস্যায় বিশ্ব জুড়ে ব্যাহত বিমান পরিষেবা, ব্যাঙ্ক ও শেয়ার বাজার

    Blue Screen of Death: মাইক্রোসফ্‌টের সমস্যায় বিশ্ব জুড়ে ব্যাহত বিমান পরিষেবা, ব্যাঙ্ক ও শেয়ার বাজার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাত সকালেই বিপত্তি। আচমকাই ল্যাপটপ-কম্পিউটারের স্ক্রিন নীল (Blue Screen of Death) হয়ে যায়। ফলে সকাল থেকে হইচই অফিস-কাছারিতে। কারণ, শুক্রবার সকাল থেকেই বিশ্বের নানা প্রান্তের কম্পিউটারে এই সমস্যা দেখা দিয়েছে। মূলত যেসব ল্যাপটপ-কম্পিউটারে ব্যবহার করা হয় ‘উইন্ডোজ’ (Major problem in windows system) তাতেই এই সমস্যা দেখা দিয়েছে। চলতে চলতে আচমকা মেশিনে নীল স্ক্রিন হয়ে যাচ্ছে। রিস্টার্ট বা সাটডাউন করা ছাড়া অপশন থাকছে না।  

    ঠিক কী সমস্যা? (Blue Screen of Death) 

    কম্পিউটারে কাজ করতে করতেই গোটা স্ক্রিন নীল৷ বার্তা দেওয়া হচ্ছে যে, কিছু সমস্যা থাকায় মেশিনটি রিস্টার্ট করতে হবে৷ তবে রিস্টার্ট করার পরও একই মেসেজ আসছে৷ আবারও গোটা স্ক্রিন নীল৷ বিশ্বজুড়ে আজ উইন্ডোজের এই সমস্যার সম্মুখীন হয়েছেন বহু মানুষ৷ স্যোশাল মিডিয়ায় তাঁরা তাঁদের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিয়েছেন৷ জানতে চেয়েছেন আর কারও সঙ্গে এমন হয়েছে কি না৷ তখনই জানা যায়, একই সমস্যায় পড়েছেন লক্ষ লক্ষ মানুষ৷ জানা গিয়েছে, এই সমস্যাটিকে কম্পিউটারের পরিভাষায় বলে ‘ব্লু স্ক্রিন অফ ডেথ’ (Blue Screen of Death)৷ এটি হয়ে গেলে মেশিন বন্ধ করা আবার চালানো ছাড়া আর কোনও উপায় থাকে না। কিন্তু কেন হল এই সমস্যা? মাইক্রোসফট জানিয়েছে, ‘ক্রাউডস্ট্রাইক’ আপডেট হওয়ার জন্যই এই সমস্যা তৈরি হয়েছে। 

    আরও পড়ুন: শুরু হচ্ছে এশিয়া কাপ! প্রথম ম্যাচেই মুখোমুখি হবে ভারত-পাকিস্তান

    ব্যাহত বহু পরিষেবা 

    এখনও পর্যন্ত যা খবর, এই ঘটনার জেরে আমেরিকা ও অস্ট্রেলিয়ায় বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি অফিস, ব্যাংক-সহ বিভিন্ন জায়গায় সমস্যায় (Major problem in windows system) পড়তে হয়েছে কর্মীদের৷ ফলে ব্যাহত হয়েছে বহু পরিষেবা৷ জানা গিয়েছে, উইন্ডোজ ১০-এর অপারেটিং সিস্টেমেই কোনও বড়সড় গোলমালের ফলেই এই সমস্যা (Blue Screen of Death)। স্পাইসজেট, আকাসা, এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেস পরিষেবাতেও প্রভাব পড়েছে। বিমান বাতিল এবং দেরিতে ওঠানামার মতো ঘটনাও ঘটেছে। স্পাইসজেট জানিয়েছে, প্রযুক্তিগত ত্রুটির জন্য বিমান সংক্রান্ত খবর দিতে সমস্যা হচ্ছে। তাদের তথ্যপ্রযুক্তির কর্মীরা দ্রুত এই সমস্যা মেটানোর চেষ্টা করছেন। দিল্লি এবং মুম্বই বিমানবন্দরেও পরিষেবা বিঘ্নিত হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। অভিযোগ উঠেছে যে চেক-ইন করতে সমস্যা হচ্ছে। এ প্রসঙ্গে এক্স হ্যান্ডলে মাইক্রোসফ্‌ট ৩৬৫ স্টেটাস জানিয়েছে, ঘটনাটি তদন্ত করছে তারা। দ্রুত সমস্যা (Blue Screen of Death) মিটিয়ে ফেলার কাজ করা হচ্ছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share