Category: খেলা

Get updates on Sports News Cricket, Football, Tennis, from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Sepak Takraw: বিশ্বচ্যাম্পিয়ন! ঐতিহাসিক সোনা জয়ী ভারতীয় সেপাক তাকরাও দলকে অভিনন্দন প্রধানমন্ত্রীর

    Sepak Takraw: বিশ্বচ্যাম্পিয়ন! ঐতিহাসিক সোনা জয়ী ভারতীয় সেপাক তাকরাও দলকে অভিনন্দন প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ভারত। এবার সেপাক তাকরাও (Sepak Takraw) বা কিক ভলিবলে সোনা জিতল ভারতের ছেলেরা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) ভারতের সেপাক তাকরাও দলকে বিশ্বকাপে তাদের অসাধারণ পারফরম্যান্সের জন্য অভিনন্দন জানিয়েছেন। সেপাক তাকরাও বিশ্বকাপ ২০২৫ প্রতিযোগিতায় ভারত ৭টি পদক জিতেছে। যার মধ্যে পুরুষদের রেগু ইভেন্টে প্রথম সোনা জিতেছে ভারত। সেপাক তাকরাও (Sepak Takraw) বা কিক ভলিবল, মালয়েশিয়ার জাতীয় খেলা হিসেবে বিবেচিত হয়। মঙ্গলবার পাটনায় ২০২৫ সালের সেপাক তাকরাও বিশ্বকাপে সোনার পদক জিতেছে ভারত। ঘরের মাঠে জাপানকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে রেগু ইভেন্টে চ্যাম্পিয়ন হয় ভারতের ছেলেরা।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী

    বিশ্বজয়ী ভারতীয় দলকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তিনি এই সাফল্যকে “চমৎকার পারফরম্যান্স” হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি জানান, এই সাফল্য ভারতকে আরও এগিয়ে দেবে। ভারতের জন্য সেপাক তাকরাও (Sepak Takraw) বিশ্ব মঞ্চে একটি “প্রতিশ্রুতিশীল ভবিষ্যৎ” নির্দেশ করছে। তিনি তাঁর এক্স পোস্টে লিখেছেন, “আমাদের দলকে অভিনন্দন জানাই ঐতিহাসিকভাবে ভারতের প্রথম সোনার পদক জয়ের জন্য। এই চমৎকার পারফরম্যান্স ভারতকে সেপাক তাকরাও বিশ্ব মঞ্চে একটি প্রতিশ্রুতিশীল ভবিষ্যতের দিকে নিয়ে যাবে।” সেপাক তাকরাও (Sepak Takraw) ভারতে খুব একটা পরিচিত নয়। ১৯৮২ সালের দিল্লি এশিয়ান গেমসে এটি একটি প্রদর্শনী ক্রীড়া হিসেবে খেলা হয়েছিল। ২০০০ সাল থেকে ভারতীয় অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন এবং যুব বিষয়ক ও ক্রীড়া মন্ত্রক এই খেলাকে স্বীকৃতি দেয়।

    অভিনন্দন ক্রীড়ামন্ত্রীর

    ক্রীড়া মন্ত্রী মানসুখ মান্ডব্যও ২০২৫ সালের সেপাক তাকরাও (Sepak Takraw) বিশ্বকাপে ভারতের সাতটি পদক জয়ী দলকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। তিনি বিশেষভাবে পুরুষদের দলের প্রথম সোনার পদক জয়ের জন্য প্রশংসিত করেন। তাঁর কথায়, “ভারতের সেপাক তাকরাও দলকে ৭টি পদক জয়ের জন্য আন্তরিক অভিনন্দন। বিশেষত পুরুষদের দলকে অভিনন্দন জানাই প্রথম সোনার পদক জেতার জন্য। আপনারা যারা কঠোর পরিশ্রম করেছেন, তারা আমাদের জাতির যুবকদের জন্য এক অনুপ্রেরণা। ভবিষ্যতে আরো বড় সাফল্য কামনা করছি।

  • Weather Update: কিং-বাদশার দ্বৈরথে বৃষ্টির চোখ রাঙানি! ইডেনে কী হবে আইপিএলের উদ্বোধন?

    Weather Update: কিং-বাদশার দ্বৈরথে বৃষ্টির চোখ রাঙানি! ইডেনে কী হবে আইপিএলের উদ্বোধন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আর মাত্র কয়েক ঘণ্টার অপেক্ষা। শনিবার সন্ধেয় ইডেন গার্ডেন্সে (Eden Gardens) আইপিএলের (IPL 2025) উদ্বোধনী ম্যাচ (KKR vs RCB Match)। এবছর আঠারোয় পা দিল আইপিএল। ফলে বলা যেতে পারে, ২০০৮ সালে  জন্ম নেওয়া এই মারকাটারি বিনোদন ক্রিকেট এতদিনে সাবালক হল। এ বারের আইপিএলের উদ্বোধনী ম্যাচ ঘিরে সকলের উন্মাদনা তুঙ্গে। মুখোমুখি কেকেআর ও আরসিবি (Weather Update)। অধিনায়ক না হলেও আরসিবি-র মধ্যমনি বিরাট কোহলি। কিং কোহলির ব্যাট দেখতে মুখিয়ে শহরের ক্রীড়াপ্রেমীরা। আর কেকেআর মানে তো বরাবরই বলিউড বাদশা শাহরুখ খান। এদিকে শুক্রবার সন্ধে থেকেই কলকাতা সহ জেলায় জেলায় শুরু হয়েছে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি, সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়া (Weather Update)। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, শুক্রবার সন্ধে থেকে শুরু হওয়া বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি চলবে রবিবার পর্যন্ত।

    জেলায় জেলায় ঝড়-বৃষ্টি

    ঝড় বৃষ্টির দৌলতে কলকাতায় উধাও গরমের দাপট। উল্টে এক ধাক্কায় তাপমাত্রা কমে গিয়েছে ৬ ডিগ্রি। যার জেরে ফিরেছে খানিকটা শীতের শিরশিরানি। তবে সোমবার থেকে আবহাওয়া শুষ্ক হতে শুরু করবে, এবং পরবর্তী দুই-তিন দিনের মধ্যে ‘চার থেকে ছয় ডিগ্রি তাপমাত্রা বেড়ে যাবে’ বলে জানিয়েছেন আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা। শনিবার কলকাতা সহ দুই বঙ্গের অধিকাংশ জেলায় ঝড়-বৃষ্টি হবে। ঝড়-বৃষ্টির তীব্রতা বেশি থাকবে দক্ষিণবঙ্গের চার জেলা— বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া ও পূর্ব বর্ধমানে। এই চার জেলায় ৫০-৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইবে, সঙ্গে শিলাবৃষ্টিরও সম্ভাবনা রয়েছে। একইভাবে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং পূর্ব মেদিনীপুরে। এখানে ঘণ্টায় ঝড়ের গতিবেগ থাকবে ৫০ কিলোমিটার। দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাগুলিতেও ৩০-৪০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া ও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। উত্তরবঙ্গের মালদা, দক্ষিণ দিনাজপুর, কালিম্পং ও আলিপুরদুয়ার জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়, বৃষ্টি ও শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

    কলকাতায় বৃষ্টি

    শনি ও রবিবার কলকাতায় ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি। সকাল থেকেই আকাশের মুখ ভার। মাঝে মধ্যেই চলছে ধারাপাত। বেলা ১টা বেজে গেলেও বৃষ্টি কমেনি। ১৮ বছরের আইপিএলে কখনও প্রথম ম্যাচ বৃষ্টিতে ভেস্তে যায়নি। শনিবার সেই আশঙ্কা রয়েছে। শুক্রবার বৃষ্টির কারণে বিঘ্নিত হয়েছে দুই দলের অনুশীলনও। এই পরিস্থিতিতে সকল ক্রিকেটপ্রেমীরা চাইছেন বরুণদেব যেন আজকের ম্যাচে নজর না দেন। হাওয়া অফিসের তরফে জানানো হয়েছে যে, বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হবে। টানা বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। যা আশা জাগাচ্ছে সকলের মনে। ভরসা দিচ্ছে ইডেনের নিকাশি ব্যবস্থাও। পুরো মাঠ ঢেকে দেওয়ার ব্যবস্থাও রয়েছে। ফলে ভারী বৃষ্টি হলেও তা থামার পর খুব বেশি সময় লাগবে না ম্যাচ শুরু করতে।

    বৃষ্টি হলে ম্যাচের ভবিষ্যত

    ২০০৮ সাল থেকে শুরু হয়েছিল আইপিএল। প্রথম বছর কেকেআর এবং আরসিবি-ই প্রথম ম্যাচ খেলেছিল। কিন্তু এ বারে ম্যাচ হওয়া নিয়ে আশঙ্কা থেকে গিয়েছে। লিগের ম্যাচে কোনও রিজার্ভ দিনও থাকে না। ফলে বৃষ্টির জন্য সময় নষ্ট হলে প্রথমে চেষ্টা করা হবে ওভার কমিয়ে ম্যাচ করানোর। ম্যাচ শুরু হওয়ার কথা সন্ধ্যে ৭টা ৩০ থেকে। বৃষ্টির কারণে ওভার কমলেও কমপক্ষে ৫ ওভারের ম্যাচ করতেই হবে। নিয়ম অনুযায়ী, রাত ১২.০৬ মিনিটের মধ্যে খেলা শেষ করতেই হবে। যে কারণে ৫ ওভারের ম্যাচ করতে হলে সেটা শুরু করতে হবে রাত ১০.৫৬ মিনিটের মধ্যে। একান্তই যদি খেলা না হয় তা হলে দুই দল এক পয়েন্ট করে পাবে।

    উদ্বোধন ঘিরে চমক

    ক্রিকেট এবং বিনোদনের মেলবন্ধন ঘটায় আইপিএল (IPL 2025)। ক্রিকেটের নন্দনকাননে আজ উদ্বোধনী ম্যাচ সঞ্চালনা করার কথা শাহরুখ খানের। তাঁর অ্যাকশনের পাশাপাশি মঞ্চে পারফর্ম করবেন সুরের জাদু ঝরানো শ্রেয়া ঘোষাল। তরুণ প্রজন্মের হার্টথ্রব দিশা পাটানির নাচ মুগ্ধ করবে সকলকে। সঙ্গে থাকছেন করণ অউজলা। একটা জমকালো ওপেনিং সেরেমনির অপেক্ষায় লক্ষ লক্ষ ক্রিকেট প্রেমী। যারা ইডেনে আইপিএলের উদ্বোধনী ম্যাচের টিকিট পেয়েছেন, নিজেদের ভাগ্যবান মনে করছেন।

    কী কী চমক

    শনিবার সন্ধ্যা ঠিক ৬.১১-তে মাঠে প্রবেশ করবেন শাহরুখ। তিনিই অনুষ্ঠানের সঞ্চালক। অনুষ্ঠানের শুরুতে ঠিক ২ মিনিট বক্তব্য রাখবেন তিনি।
    ৬.১৩-য় মঞ্চে উঠবেন শ্রেয়া ঘোষাল। যিনি বলিউড থেকে শুরু করে টলিউড -একের পর এক সুপারহিট গান উপহার দিয়েছেন ভক্তদের।
    ৬.১৩ থেকে ঠিক ১৬ মিনিট গান শোনাবেন শ্রেয়া। ১৬ মিনিটে মোটামুটিভাবে ৫-৬টি গান গাইবেন শ্রেয়া।
    ঠিক সাড়ে ছটায় মঞ্চে উঠবেন দিশা পাটানি। বলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেত্রী নাচের তালে মাঠ মাতাবেন।
    দিশার ৪ মিনিটের পারফরম্য়ান্সের পর মঞ্চে আসবেন গায়ক কর্ণ আউজলা। ৮ মিনিট গান গাইবেন। তাঁর শেষ গানের সময় ফের মঞ্চে উঠবেন দিশা।
    পৌনে সাতটা থেকে ৬.৫৩ পর্যন্ত ফের মঞ্চে শাহরুখ। ক্রিকেটারদের সঙ্গে কথোপকথন হবে কিং খানের। তারপর সমস্ত বোর্ড কর্তা ও সেলিব্রিটিদের মঞ্চে ডাকবেন শাহরুখ।
    তারপর উদ্বোধনী ম্যাচের দুই অধিনায়ক মাঠে প্রবেশ করবেন। সব অধিনায়কদের সঙ্গেই কথোপকথন হবে শাহরুখের।
    বিরাটকে ভীষণ পছন্দ করেন শাহরুখ। গত আইপিএলে ইডেনেই ঝুমে যো পাঠান গানের তালে নাচিয়েছিলেন কোহলিকে। বিরাট এখন আর আরসিবি-র অধিনায়ক নন। তবে শাহরুখ তাঁর সঙ্গেও মঞ্চ থেকে কথা বললে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না।
    সব শেষে থাকবে আইপিএল ১৮ লেখা কেক কাটার পর্ব, বেলুন ওড়ানো ও ড্রোন শো। ট্রফি নিয়ে সকলের ফটোশ্যুট। আতশবাজি ফাটানো হবে। শুরু হয়ে যাবে আইপিএল।

  • IPL 2025: ওয়াইডেও হক-আই! রাতের খেলায় দ্বিতীয় ইনিংসে দু’টি নতুন বল, এবারের আইপিএলে আর কোন নতুন নিয়ম?

    IPL 2025: ওয়াইডেও হক-আই! রাতের খেলায় দ্বিতীয় ইনিংসে দু’টি নতুন বল, এবারের আইপিএলে আর কোন নতুন নিয়ম?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার থেকে শুরু হচ্ছে ক্রীড়া-বিনোদনের ককটেল আইপিএল (IPL 2025)। ইডেনে প্রথম ম্যাচে কলকাতার মুখোমুখি হবে বেঙ্গালুরু। আইপিএল শুরুর আগে নিয়মে কয়েকটি বদল আনল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। বলে থুতু লাগানো যাবে এ বার থেকে, যা প্রত্যাশিতই ছিল। কোনও অধিনায়কই দ্বিমত প্রকাশ করেননি। তবে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হল, রাতের ম্যাচগুলিতে দ্বিতীয় ইনিংসে যে দল বল করবে তারা দু’টি নতুন বল ব্যবহার করতে পারবে। একটি ইনিংস শুরুর সময়ে। একটি মাঝে। এ ছাড়া, ওয়াইড বলের ক্ষেত্রে হক-আই ব্যবহার করা যাবে।

    কোন কোন নিয়মে বদল

    মুম্বইয়ে আইপিএলের (IPL 2025) সব দলের অধিনায়কদের নিয়ে হওয়া ‘ক্যাপ্টেন্স মিট’-এ বিষয়টি জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। সিদ্ধান্ত হয়েছে, রাতের ম্যাচগুলির ক্ষেত্রে দ্বিতীয় নতুন বল ব্যবহার করা যাবে ম্যাচের দ্বিতীয় ইনিংসের ১১তম ওভারের পর। যে কোনও সময়ে নতুন বল নেওয়া যাবে। ঠিক করবে ফিল্ডিং করা দল। জানা গিয়েছে, দ্বিতীয় ইনিংসের ১১তম ওভারের পর আম্পায়ারেরা বল পরীক্ষা করবেন। যদি অত্যধিক শিশির থাকে, তা হলেই বোলিং করা দল নতুন ব্যবহারের অনুমতি পাবে। সেই বল অবশ্য চকচকে পালিশ করা বল নয়। ক্ষয়াটে, চটে যাওয়া বলই দেওয়া হবে। শুধু সেই বলটি ভিজে থাকবে না। এ ছাড়া, দুপুরের ম্যাচে এই নিয়ম প্রযোজ্য হবে না।

    বলে লালার ব্যবহার

    দ্বিতীয় নতুন নিয়মটি হল, এ বার থেকে উচ্চতা এবং অফ স্টাম্পের বাইরের ওয়াইড বলে ডিআরএস নেওয়া হলে, হক-আই এবং বল ট্র্যাকিং প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে। ওয়াইডের ক্ষেত্রে ডিআরএসের নিয়ম আগের বছর থেকেই চালু করা হয়েছিল। এ বার এল প্রযুক্তির ব্যবহার। এবার থেকে বলে লালা ব্যবহার করা যাবে। থুতু নিয়ে নিষেধাজ্ঞা তুলতে সমর্থন জানিয়েছেন বেশির ভাগ অধিনায়কই। সব দলের অধিনায়কের কাছে পরামর্শ চাওয়া হয়েছিল। কেউ কেউ মৃদু আপত্তি তুলেছিলেন। তবে বেশির ভাগেরই মত ছিল নিষেধাজ্ঞা ওঠানোয়। সেটাই হয়েছে।

    অধিনায়কের শাস্তি

    এছাড়াও আগামী দিনে মন্থর ওভার রেটের জন্য অধিনায়ককে ম্যাচ থেকে নির্বাসিত হতে হবে না। গত বছর পর্যন্ত আইপিএলের (IPL 2025) নিয়ম ছিল, মন্থর ওভার রেটের জন্য প্রথম বার দোষী সাব্যস্ত হলে অধিনায়ককে দিতে হয় ১২ লক্ষ টাকা। দ্বিতীয়বার একই অপরাধের জন্য ক্যাপ্টেনকে ২৪ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়। আর তৃতীয়বার দোষী হলে ৩০ লক্ষ টাকা জরিমানা, সেই সঙ্গে এক ম্যাচের নির্বাসনের খাঁড়া নেমে আসে অধিনায়কের উপরে। সেই শাস্তি পেয়েছিলেন দিল্লি ক্যাপিটালসের তৎকালীন অধিনায়ক ঋষভ পন্থ। শাস্তি ভুগছেন হার্দিকও। কিন্তু নতুন নিয়ম থেকে উঠে যাচ্ছে নির্বাসনের শাস্তি। তার বদলে থাকছে ডিমেরিট পয়েন্ট এবং বড় অঙ্কের জরিমানা। লেভেল ১ অপরাধ করলে অধিনায়ককে ২৫ থেকে ৭৫ শতাংশ জরিমানা করা হবে। তাঁর নামের পাশে বসবে ডিমেরিট পয়েন্ট। যদি লেভেল ২ অপরাধ করেন তাহলে ম্যাচ ফি’র পুরোটাই জরিমানা গুণতে হবে অধিনায়ককে। সর্বোচ্চ চারটি ডিমেরিট পয়েন্ট যোগ হবে অধিনায়কের নামের পাশে। তবে ডিমেরিট পয়েন্টের সংখ্যা খুব বেশি বেড়ে গেলে পরবর্তীকালে হয়তো নির্বাসিত হতে পারেন ক্রিকেটাররা। তবে, গতবারের নিয়মে নির্বাসিত হওয়ায় এ বছর প্রথম ম্যাচ খেলতে পারবেন না মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের অধিনায়ক হার্দিক।

  • Commonwealth Games 2030: ২০৩০ কমনওয়েলথ গেমস আয়োজনের প্রস্তাব পেশ ভারতের, কোন শহরে হবে খেলা?

    Commonwealth Games 2030: ২০৩০ কমনওয়েলথ গেমস আয়োজনের প্রস্তাব পেশ ভারতের, কোন শহরে হবে খেলা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অলিম্পিক আয়োজনের আবহে এ বার ২০৩০ সালের কমনওয়েলথ গেমসের (Commonwealth Games 2030) জন্য বিড করল বা প্রস্তাব পেশ করল ভারত। ২০২৪ সালের প্যারিস অলিম্পিক্সের সময়েই সামনে এসেছিল ভারত ২০৩৬ সালের অলিম্পিক আয়োজন করতে চায়। অলিম্পিকের জন্য মঞ্চ প্রস্তুত করার মধ্যেই তিরিশের কমনওয়েলথ গেমস গুজরাটের আহমেদাবাদের করতে চেয়ে সরকারিভাবে বিড জমা দিল ক্রীড়ামন্ত্রক।

    ত্রাতা নয়াদিল্লি

    বিপুল খরচের জন্য ২০২৬ সালের কমনওয়েলথ গেমসের (Commonwealth Games 2030) আয়োজনের দায়িত্ব ছেড়ে দিয়েছে অস্ট্রেলিয়ার ভিক্টোরিয়া প্রদেশ। পরে সেই গেমস আয়োজনে রাজি হলেও প্রতিযোগিতায় কাটছাঁট করেছে গ্লাসগো। বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট ওই প্রতিযোগিতায় হবেই না। ২০৩০ কমনওয়েলথ গেমসেও একই পরিস্থিতি। ২০৩০ সালের অগাস্ট মাসে কমনওয়েলথ গেমস আয়োজনের কথা ছিল কানাডার অ্যালবার্টায়। কিন্তু খরচের ভয়ে আলবার্টাও সরে দাঁড়ায়। ফলে ২০৩০ কমনওয়েলথ গেমস আদৌ হবে কি না সেটা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল। অবশেষে ত্রাতা হয়ে উঠে এল নয়াদিল্লি।

    বিড জমা দিল ভারত

    ক্রীড়ামন্ত্রক সূত্রে খবর, কমনওয়েলথ গেমস আয়োজনের জন্য বিড জমা দেওয়ার শেষ দিন ছিল ৩১ মার্চ। তার আগেই কমনওয়েলথ গেমস আয়োজনের জন্য ভারতের বিড ইন্ডিয়ান অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন জমা দিয়েছে। ২০৩০ সালে গেমস (Commonwealth Games 2030) আয়োজনের জন্য আহমেদাবাদকে বেছে নেওয়া হয়েছে। ভারত বিড জমা দেওয়ার পর এ বার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে কমনওয়েলথ স্পোর্টস। যদি ভারত আয়োজনের অনুমতি পায়, তা হলে ২০১০ সালের পর ফের ভারতে কমনওয়েলথ গেমসের আসর বসবে। যদি সব ঠিকঠাক থাকে তা হলে ২০৩০ সালে কমনওয়েলথ গেমস ও ২০৩৬ সালে অলিম্পিক আয়োজন করবে ভারত। পরপর দুটো মেগা ইভেন্ট। ভারতের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ২০২৬ সালের গ্লাসগো কমনওয়েলথ গেমস থেকে যেই ইভেন্টগুলো বাদ দেওয়া হয়েছিল, ২০৩০ সালে সেই ইভেন্টগুলো ফেরানো হবে। এর আগে ২০১০ সালে কমনওয়েলথ গেমস আয়োজন করেছিল ভারত। সেই গেমস সফলভাবে আয়োজন করা গেলেও পরে বিস্তর দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে কংগ্রেস সরকারের বিরুদ্ধে।

  • India vs Bangladesh: ফিরছেন সুনীল! বাংলাদেশের বিপক্ষে নামার আগে মলদ্বীপের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচ ভারতের

    India vs Bangladesh: ফিরছেন সুনীল! বাংলাদেশের বিপক্ষে নামার আগে মলদ্বীপের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচ ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জাতীয় দলের জার্সিতে আজ, বুধবার প্রত্যাবর্তন হতে চলেছে কিংবদন্তী ভারতীয় ফুটবলার সুনীল ছেত্রীর। বুধবার শিলংয়ে মলদ্বীপের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক ফ্রেন্ডলি খেলতে নামবে ভারতীয় দল। এই প্রথম মেঘালয়ের রাজধানীতে খেলবে মেন-ইন ব্লু। পরের সপ্তাহে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ২০২৭ এএফসি এশিয়ান কাপ কোয়ালিয়াফার খেলবে ভারত। সেখানেও থাকার কথা সুনীলের। ক্রিকেটে বাংলাদেশকে (India vs Bangladesh) পরাজিত করার পর ফুটবলেও তাদেরকে হারিয়েই এএফসি এশিয়ান কাপ এর মূলপর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করতে চায় ভারত।

    কেন অবসর ভাঙলেন সুনীল

    ইন্ডিয়ান সুপার লিগে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দিয়ে দারুণ ফর্মে আছেন ছেত্রী। বেঙ্গালুরু এফসির হয়ে খেলে ৪০ বছর বয়সী এই ফুটবলার প্রমাণ করেছেন যে বয়স কেবল একটি সংখ্যা। আইএসএলের লিগ পর্বে ১২টি গোল করেছেন তিনি সঙ্গে অ্যাসিস্ট করেছেন ২টিতে। সেই কারণেই ভারতীয় কোচ মানোলো মার্কেজ সুনীলকে ফিরে আসতে অনুরোধ করেন। তারপরই অবসর থেকে ইউ-টার্ন নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন সুনীল। বুধবার শিলং-য়ে দেশের হয়ে ১৫২তম ম্যাচে নামবেন তারকা ফুটবলার। মানোলোর অনুরোধে অবসর ভেঙে ফিরেছেন সুনীল। বাংলাদেশের (India vs Bangladesh) ফুটবল সমর্থকদের একাংশের দাবি, হামজা চৌধুরীর ভয়ে নাকি সুনীল ছেত্রীকে অবসর ভেঙে খেলতে নামতে হচ্ছে। কারণ হামজা চৌধুরীর কাছে রয়েছে ইউরোপে খেলার অভিজ্ঞতা। তাই বাংলাদেশে তাঁর ডিফেন্স ভাঙার জন্যই নাকি সুনীলকে অবসর ভেঙে নামতে হচ্ছে। তবে বাংলাদেশের সমর্থকরা হামজা চৌধুরীকে নিয়ে গর্ব করলেও ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ফুটবল ম্যাচের ফল কিন্তু বলছে অন্য কথা। ভারত-বাংলাদেশ মোট ৩১টি ম্যাচের মধ্যে ১৬টিতে জিতেছে ভারত। বাংলাদেশ ২টিতে, ১৩টি ম্যাচ অমীমাংসিত।

    বাংলাদেশকে হারানোই লক্ষ্য ব্লু-টাইগার্সদের

    কোচ হওয়ার পর আগামী সপ্তাহে বাংলাদেশের (India vs Bangladesh) বিরুদ্ধে প্রথম প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচ মানোলোর। তার আগে দলের কম্বিনেশন দেখে নিতে চান স্প্যানিশ কোচ। মলদ্বীপ ম্যাচকে তার প্রস্তুতি হিসেবেই নিচ্ছেন। মানোলো বলেন, ‘অবশ্যই সুনীল সব ম্যাচে খেলবে। শুরু করবে না পরিবর্ত হিসেবে নামবে সেটা এখনও ঠিক করিনি। আমরা ছটা পরিবর্ত ব্যবহার করতে পারি। সুতরাং, ১৭ জন খেলতে পারবে। সুনীল তারই মধ্যে একজন হবে। চলতি মরশুমে ভারতীয়দের মধ্যে সবচেয়ে বেশি গোল সুনীলের। প্লেয়ারের বয়স ২০ না ৪০, না ৮৭, আমার দাদুর বয়সী, সেটা বিষয় নয়। কেউ ছন্দে থাকলে, জাতীয় দলে থাকবে। জাতীয় দল প্লেয়ার তৈরি করার জন্য নয়। এখানে তৈরি প্লেয়াররাই আসবে। ম্যাচ জিততে হবে। সেটা করতে হলে, যারা ছন্দে আছে তাঁদের ডাকতে হবে।’ আসন্ন এশিয়ান কাপ (Asian Cup) বাছাই পর্বে ভারতের গ্রুপে রয়েছে হংকং, সিঙ্গাপুর ও বাংলাদেশ। সফল হলে ২০২৭-এর এএফসি এশিয়ান কাপের মূলপর্বে খেলবে ভারত। আগামী এশিয়ান কাপের মূলপর্বে উঠলে ভারত টানা তৃতীয়বার এই টুর্নামেন্টে খেলবে, যা ভারতীয় ফুটবলের ইতিহাসে আগে কখনও হয়নি।

     

     

     

     

  • PCB: ৮৬৯ কোটি খরচ করে লোকসান ৮৫ শতাংশ! বাবরদের ব্যর্থতায় ভাঁড়ার শূন্য পাক ক্রিকেট বোর্ডের

    PCB: ৮৬৯ কোটি খরচ করে লোকসান ৮৫ শতাংশ! বাবরদের ব্যর্থতায় ভাঁড়ার শূন্য পাক ক্রিকেট বোর্ডের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির গ্রুপ পর্ব থেকে ছিটকে যাওয়ায় ক্ষতির মুখে পাক ক্রিকেট (PCB)। ২৯ বছর পর দেশের মাটিতে কোনও আইসিসি প্রতিযোগিতা আয়োজন করেছিল পাকিস্তান। সেখানে লাভের বদলে বিপুল লোকসানের মুখে পড়তে হয়েছে মহসিন নকভিদের। তার প্রভাব পড়েছে পাকিস্তানের ঘরোয়া ক্রিকেটে। ভাঁড়ার খালি হওয়ায় কমেছে ক্রিকেটারদের ম্যাচ ফি।

    কেন লোকসানের মুখে পাক ক্রিকেট

    চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি থেকে সকলের আগে বিদায় নিয়েছে পাকিস্তান (PCB)। মাত্র চার দিনেই তাদের প্রতিযোগিতা শেষ হয়ে গিয়েছে। দেশে খেলেছে মাত্র একটি ম্যাচ। ফলে পাকিস্তানের দর্শক এই প্রতিযোগিতা থেকে আগ্রহ হারিয়েছে। পরের ম্যাচগুলিতে মাঠ ফাঁকা ছিল। টিকিটের চাহিদা কমেছে। তার ফলে মুখ ফিরিয়েছে স্পনসররা। সব মিলিয়ে সমস্যায় পড়েছে পাকিস্তান। সূত্রের খবর, দেশের তিনটি জায়গায় আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আসর বসানোর জেরে ইতিমধ্যে প্রায় ৭৩৭ কোটি টাকার ক্ষতির মুখে পড়েছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। যার জেরে কোপ পড়েছে ক্রিকেটারদের বিলাস-ব্যাসনে। বাবর আজমরা বিদেশ সফরে গেলে আগে বিলাসবহুল পাঁচতারা হোটেলে থাকতেন। এবার থেকে ছাপোষা হোটেলেই দিন কাটাতে হবে।

    কমল পাক ক্রিকেটাদরদের ম্যাচ ফি

    এর প্রভাব পড়েছে ঘরোয়া ক্রিকেটে (PCB)। আসন্ন জাতীয় টি২০ প্রতিযোগিতায় ক্রিকেটারদের বেতন ৯০ শতাংশ কমিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে খবর। জাতীয় টি২০ প্রতিযোগিতায় আগে প্রতিটি ম্যাচের জন্য ক্রিকেটাররা ৪০ হাজার টাকা করে পেতেন। সেটা কমে ১০ হাজার টাকা করা হয়েছে। ঘরোয়া লাল বলের প্রতিযোগিতাতেও আগে ম্যাচপিছু ৪০ হাজার টাকা করে দেওয়া হত। এ বার থেকে দেওয়া হবে ৩০ হাজার টাকা।

    ৭৩৭ কোটি টাকা লোকসান

    চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির জন্য স্টেডিয়াম ঠিকঠাক করার পর টুর্নামেন্ট আয়োজন বাবদ পিসিবিকে কয়েক প্রস্থ অর্থ বিনিয়োগ করতে হয়েছে। ভারতীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ৫২০ কোটি টাকা। এছাড়, প্রতিযোগিতার প্রস্তুতিতে খরচ হয়েছে আরও প্রায় ৩৫০ কোটি টাকা। এতকিছুর পর আয়োজন ফি বাবদ পিসিবি-র হাতে আসে ৫২ কোটি টাকা। মোট খরচের তুলনায় যা নামমাত্র। আর দিনের শেষে লাভ-ক্ষতির যোগ-বিয়োগের পর পাক ক্রিকেট বোর্ডের ভাঁড়ার থেকে কিছু আসার বদলে বেরিয়ে গিয়েছে প্রায় ৭৩৭ কোটি টাকা। অর্থাৎ, ক্ষতির পরিমাণ ৮৫ শতাংশ।

  • Danish Kaneria: ‘আফ্রিদি বারবার ধর্ম বদলের জন্য জোর করত’! পাক ক্রিকেটে বৈষম্যের কথা শোনালেন হিন্দু কানেরিয়া

    Danish Kaneria: ‘আফ্রিদি বারবার ধর্ম বদলের জন্য জোর করত’! পাক ক্রিকেটে বৈষম্যের কথা শোনালেন হিন্দু কানেরিয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তান ক্রিকেট দলের মধ্যে ধর্মীয় বৈষম্যের ফলেই বাইশ গজে তাঁর কেরিয়ার নষ্ট হয়ে গিয়েছে, বলে জানালেন দানিশ কানেরিয়া (Danish Kaneria)। প্রাক্তন পাকিস্তানি হিন্দু ক্রিকেটার দানিশ কানেরিয়া সম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে ‘পাকিস্তানে সংখ্যালঘুদের অবস্থা’ নিয়ে অনুষ্ঠিত কংগ্রেশনাল ব্রিফিংয়ে অংশগ্রহণ করেন। তিনি বলেছেন, ‘‘আমি হিন্দু ক্রিকেটার বলে আমাকে জোর করে ধর্ম পরিবর্তনের কথা বলত শাহিদ আফ্রিদি। আমি এর বিরোধিতা করলে আমাকে নানাভাবে অপদস্থ করা হত। দলের সবাই যখন ডিনার টেবিলে রয়েছে, সেইসময় আমার সঙ্গে খেত না আফ্রিদির মতো কয়েকজন ক্রিকেটার।’’

    যোগ্য সম্মান মেলেনি

    পাকিস্তানে তিনি কখনই সমান সম্মান এবং মর্যাদা পাননি, এমনই দাবি কানেরিয়ার (Danish Kaneria)। ২০০০ সালে টেস্ট ক্রিকেটে পাকিস্তানের হয়ে অভিষেক হওয়া কানেরিয়া ৬১টি টেস্ট ম্যাচে ২৬১টি উইকেট নেন। তিনি বলেন, ‘‘আমি অনেক বৈষম্যের শিকার হয়েছি, এবং আমার কেরিয়ার ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। পাকিস্তানে আমাকে যে সম্মান প্রাপ্য ছিল, তা পাইনি। এই বৈষম্যের কারণেই আমি আজকে আমেরিকায় আছি। আমরা এখানে এসেছি, সচেতনতা তৈরি করতে এবং যুক্তরাষ্ট্রকে জানাতে যে আমরা কতটা ভোগান্তির শিকার, যাতে এই ব্যাপারে পদক্ষেপ নেওয়া যায়।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘শাহিদ আফ্রিদি ছিল সেই ব্যক্তি, যে আমাকে ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরিত হতে বলেছিল। তিনি অনেকবার আমাকে এই প্রস্তাব দেন।’’

    অন্যায়ভাবে দল থেকে বাদ দেওয়া হয়

    কানেরিয়া (Danish Kaneria) আরও জানান, ‘‘আফ্রিদি আমাকে মানসিকভাবে নানা হেনস্থা করত। কিন্তু আমার পাশে থাকত ইনজামাম। ইনজি আমাকে সবসময় আগলে রাখত। ইনজি মানুষ হিসেবেও খুব উদার মনের। পাকিস্তানের একমাত্র অধিনায়ক যিনি আমার পাশে ছিলেন। এমনকী শোয়েব আখতারও আমাকে সমর্থন করে এসেছে। ওঁদের ব্যবহারই ছিল অন্যরকম। বড় ক্রিকেটার, বড় মনের মানুষও।’’ কানেরিয়া ছিলেন পাকিস্তানের সেইসময়ের একমাত্র হিন্দু ক্রিকেটার। তিনি সুরাটে জন্মগ্রহণ করা স্পিনার। কানেরিয়া শুধু আফ্রিদি নয়, পাক বোর্ডের কর্তাদেরও আক্রমণ করেছেন। নামী প্রাক্তন স্পিনার বলেন, ‘‘আমাকে অন্যায়ভাবে দল থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল। আমার যা রেকর্ড ছিল, এমনি দল থেকে বাদ দিতে পারতেন না কর্তারা। সেইজন্য নানা কারণ দেখিয়ে আমাকে ছেঁটে ফেলেছেন। এটা ভারতে কোনওদিন হয়নি। ভারতে মুসলিম ক্রিকেটারদের সম্মান ও শ্রদ্ধা দুটিই দেখানো হয়।’’

  • Rohit Sharma: দেশে ফিরলেন রোহিত, কেন চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জয়ী দলকে সম্বর্ধনা দিচ্ছে না বিসিসিআই?

    Rohit Sharma: দেশে ফিরলেন রোহিত, কেন চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জয়ী দলকে সম্বর্ধনা দিচ্ছে না বিসিসিআই?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি (ICC Champions Trophy) জিতে দেশে ফিরলেন ভারত অধিনায়ক রোহিত শর্মা (Rohit Sharma)। টুর্নামেন্টে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন তাঁর দল। স্বাভাবিকভাবেই আনন্দের বন্যা বিমানবন্দরে। রোহিতকে স্বাগত জানাতে সোমবার সন্ধ্যায় মুম্বাই বিমানবন্দরে ছিল ভক্তদের উপচে পড়া ভিড়। রোহিত ভক্তদের এই ভালোবাসা দেখে আপ্লুত। পুলিশের নিরপত্তাবেষ্টনী ভেদ করে অপরাজিত নায়ককে ছোঁয়ার প্রত্যাশা ছিল ভক্তদের মধ্যে। একবার স্পর্শ করার ইচ্ছা বা সেলফি তোলার আকাঙ্খা। সবাই রোহিতের নামে নামে স্লোগান দিয়ে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানায় তাঁকে।

    আলাদা ভাবে ফিরছেন প্লেয়াররা

    ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মতো সব প্লেয়ার এদিন একসঙ্গে দেশে ফেরেননি। এবার বিসিসিআই-ও কোনও সংবর্ধনার ব্যবস্থা করেনি। যে কারণে বেশির ভাগ প্লেয়ারই, অন্যান্য দেশে ছুটি কাটানোর জন্য উড়ে যাচ্ছেন। কিছু প্লেয়ার অবশ্য দেশে ফিরছেন। তবে খেলোয়াড়দের মধ্যে রোহিতই প্রথম, যিনি দেশে ফিরলেন। এবার রোহিতদের (Rohit Sharma) নিয়ে বিজয় প্যারেড হচ্ছে না। তার একটা বড় কারণ আইপিএল। কোটিপতি লিগ শুরু ২২ মার্চ। হাতে সময় কম। ভারতীয় ক্রিকেটারদের তাই ফ্র্যাঞ্চাইজি দলের প্রস্তুতি শিবিরে দ্রুত যোগ দিতে হবে। তার আগে ক্রিকেটাররা একটু নিজেদের মতো পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাতে চান। তবে, চ্যাম্পিয়নদের উৎসবে অবশ্য ভাটা পড়েনি। রবিবার গভীর রাত পর্যন্ত দুবাইয়ের টিম হোটেলে চলে সেলিব্রেশন। ‘ভিকট্রি কেক’ কাটেন রোহিতরা।

    বিমানবন্দরে রোহিতকে উষ্ণ অভ্যর্থনা

    রোহিতের (Rohit Sharma) নেতৃত্বে টিম ইন্ডিয়া নিউজিল্যান্ডকে ৪ উইকেটে পরাজিত করে ১২ বছর পর আবার চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি (ICC Champions Trophy) দখল করেছে। ফাইনালে ৭৬ রান করে দলকে চ্যাম্পিয়ন করতে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছিলেন ক্যাপ্টেন রোহিত নিজেই। এই জয়ের একদিন পর, সোমবার (১০ মার্চ), রোহিত তাঁর পরিবারের সঙ্গে মুম্বই ফিরে আসেন। রাত ৯টা নাগাদ তিনি মুম্বইয়ে নামেন। কালো টি-শার্ট এবং মাথায় নীল রঙের টুপি পরেছিলেন রোহিত। চোখে ছিল কালো রঙের চশমা। মেয়েকে কোলে নিয়ে রোহিতকে বিমানবন্দর থেকে বের হতে দেখা যায়। রোহিতকে স্বাগত জানাতে বিমানবন্দরে প্রচুর ভিড় হয়েছিল। পুলিশের নিরপত্তাবেষ্টনীর মধ্যে বিমানবন্দর থেকে বের হয়ে রোহিত তাঁর কালো রঙের রেঞ্জ রোভার গাড়িতে উঠে যান। ভক্তদের উচ্ছ্বাস, স্লোগান আর ভালোবাসাকে সঙ্গে করে নিয়ে রোহিত নিজের গাড়িতে বসে বাড়ির উদ্দেশে রওনা দেন। আইপিএল ফ্র্যাঞ্চাইজি মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ইনস্টাগ্রামে বিমানবন্দরে রোহিতকে ঘিরে উন্মাদনার একটি ভিডিও পোস্ট করেছে। অনুরাগীরা তাঁর সঙ্গে রয়েছেন, বাইশ গজে এখনও স্বপ্রতিভ রো-হিট। তাই এখনই বিদায় নয়। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জিতে অবসর-জল্পনায় জল ঢেলেছেন রোহিত। সাংবাদিকদের গুজব ছড়াতে বারণ করেছেন। জানিয়েছেন, নিজের মতো করেই চলতে চান তিনি। যেদিন বুঝবেন সরে যাবেন।

     

  • ICC Champions Trophy: ভারতের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জয়ে হিংসা! কেন দুবাইয়ের মঞ্চে নেই আয়োজক পাকিস্তান?

    ICC Champions Trophy: ভারতের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জয়ে হিংসা! কেন দুবাইয়ের মঞ্চে নেই আয়োজক পাকিস্তান?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার দুবাই আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে ২০২৫ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির (ICC Champions Trophy) ফাইনালে একজনও প্রতিনিধি না পাঠানোর জন্য তীব্র সমালোচনার মুখে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। ফাইনালে নিউজিল্যান্ডকে চার উইকেটে হারিয়ে ভারত শিরোপা জয়ের পর পুরস্কার বিতরণী মঞ্চে আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহ, ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের বিসিসিআই-এর সভাপতি রজার বিনি এবং সচিব দেবজিৎ সাইকিয়া এবং নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট (এনজেডসি) পরিচালক রজার টোয়েস মঞ্চে উপস্থিত থাকলেও আয়োজক দেশ হিসেবে অনুপস্থিত ছিল পাকিস্তান। বিতর্কের মুখে আইসিসির এক মুখপাত্র বলেছেন, ‘‘পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নকভি রবিবার দুবাইয়ে আসতে পারেননি। তাঁকে পাওয়া যায়নি। নিয়ম অনুযায়ী শুধু বোর্ড কর্তারাই পুরস্কার বিতরণী মঞ্চে থাকতে পারেন। পিসিবির অন্য কোনও কর্তাও ছিলেন না। পাকিস্তানই প্রতিযোগিতার মূল আয়োজক। পিসিবির পক্ষে কারও উপস্থিত থাকা উচিত ছিল।’’

    প্রশ্ন প্রাক্তন পাক তারকারই

    এ বিষয়ে প্রশ্ন তুলছেন প্রাক্তন পাক তারকা শোয়েব আখতার। সোশাল মিডিয়ায় পোস্ট করা ভিডিওবার্তায় শোয়েব বলেন, “ভারত চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জিতে নিয়েছে। ভারতকে অভিনন্দন। যোগ্য দল হিসেবেই ভারত চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। কিন্তু আমি একটা অদ্ভুত জিনিস দেখলাম, পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের কেউ ছিল না ফাইনাল ম্যাচে। অথচ পাকিস্তানই চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আয়োজক। কেউ কোনও ট্রফি দিতে এল না? কেন কেউ এখানে উপস্থিত নেই? এটা নিয়ে ভাবা উচিত। এটা একটা আন্তর্জাতিক মঞ্চ। এখানে আসা উচিত ছিল পাক বোর্ডের প্রতিনিধিদের।” অন্য আরও একটি ভিডিও বার্তায় তিনি প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছেন ভারতীয় দলকে। সেখানে তিনি বলেন, “টুর্নামেন্টের সেরা দল ভারত। বরুণ অসাধারণ বল করেছে। বিরাটের কামব্যাক ঘটেছে। রোহিত আজ দারুণ খেলল। তাঁরা দেখিয়ে দিল কীভাবে ভালো ক্রিকেট খেলতে হয়। ভারতকে অভিনন্দন। ওরা যোগ্য দল হিসেবেই জিতেছে।”

    পিসিবির ক্ষোভ

    যদিও জানা গিয়েছে, ভারত-নিউজিল্যান্ড ফাইনাল ম্যাচে উপস্থিত ছিলেন পিসিবির সিইও সুমাইর আহমেদ। তিনি প্রতিযোগিতার ডিরেক্টরও। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির সমাপ্তি অনুষ্ঠানে সুমাইরই ছিলেন পাকিস্তানের প্রতিনিধি। তবু তাঁকে পুরস্কার বিতরণী মঞ্চে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। আইসিসির পক্ষে সমাপ্তি অনুষ্ঠানের দায়িত্বপ্রাপ্তেরা নাকি সুমাইরের উপস্থিতির কথা জানতেন না। আইসিসির এক কর্তা জানিয়েছেন, ভুল বোঝাবুঝি বা যোগাযোগের অভাবের ফলে এই ঘটনা ঘটে গিয়েছে। আইসিসির ব্যাখ্যায় অসন্তুষ্ট পিসিবি।

    সমালোচনার মুখে পাকিস্তান

    ২০২৫ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি (ICC Champions Trophy) আয়োজনের দায়িত্ব ছিল পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের। কিন্তু, টুর্নামেন্ট শুরুর আগেই বিসিসিআই জানিয়ে দিয়েছিল যে নিরাপত্তার কারণে টিম ইন্ডিয়া পাকিস্তান যাবে না। শেষ পর্যন্ত ভারতের প্রত্যেকটা ম্যাচ দুবাইয়ে আয়োজন করা হয়েছিল। প্রশ্ন উঠছে আয়োজক দেশ পাকিস্তান হলেও ফাইনাল ম্যাচ দুবাইয়ে আয়োজন করা হল বলে অনুপস্থিত পাকিস্তান। গোটা টুর্নামেন্ট জুড়ে পাকিস্তানের ভূমিকা বারবার প্রশ্নের মুখে পড়েছে। সেটা পরিকাঠামো হোক বা ম্যাচ আয়োজন। কিন্তু তা বলে ফাইনালে পাকিস্তান বোর্ডের কোনও প্রতিনিধি উপস্থিত থাকবেন না? যতই হোক, তারাই তো আয়োজক। সেটা কি ভারতের সাফল্যে ‘রাগ’ করে?

  • ICC Champions Trophy: শুভেচ্ছা বার্তা প্রধানমন্ত্রীর, চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জিতে অবসর জল্পনায় জল রোহিতের

    ICC Champions Trophy: শুভেচ্ছা বার্তা প্রধানমন্ত্রীর, চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জিতে অবসর জল্পনায় জল রোহিতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এখনই খেলা ছাড়ছেন না, বিশেষ করে একদিনের ক্রিকেট। এটাই তাঁর সবচেয়ে পছন্দের ফরম্যাট। খেলতে পারেন ২০২৭ বিশ্বকাপেও। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি (ICC Champions Trophy) জিতে অবসরের জল্পনায় জল ঢাললেন রোহিত শর্মা (Rohit Sharma)। সেরা ছেলেদের হাতেই রেখে যাবেন ভারতীয় ক্রিকেটের দায়িত্ব, ম্যাচ শেষে শুভমন গিলকে পাশে নিয়ে স্পষ্ট ঘোষণা কিং কোহলির (Virat Kohli)। অপরাজিত থেকে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জিতল ভারত। রোহিত শর্মারা জেতার পরেই শুভেচ্ছাবার্তা পাঠান দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi), রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (Draupadi Murmu)।

    প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছাবার্তা

    ভারত চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর এক্স মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী মোদি লেখেন, “একটা অসাধারণ খেলা। একটা অসাধারণ ফল। আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি দেশে নিয়ে আসায় ক্রিকেট দলকে নিয়ে গর্বিত। গোটা প্রতিযোগিতায় সকলে দুর্দান্ত ক্রিকেট খেলেছে। এই সাফল্যের জন্য দলের প্রত্যেককে অনেক শুভেচ্ছা।” প্রধানমন্ত্রী মোদির ক্রিকেট প্রেমের কথা আগেও চোখে পড়েছে। এবারও রোহিতদের সাফল্য উচ্ছ্বসিত মোদি।

    ভারতীয় দলের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল

    চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি (ICC Champions Trophy) জয়ের কৃতিত্ব দলের সকলকে ভাগ করে দিয়েছেন দেশের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। তিনি সমাজমাধ্যমে লেখেন, “আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জেতার জন্য ভারতীয় দলকে হৃদয় থেকে শুভেচ্ছা। ভারত একমাত্র দল যারা তিন বার এই প্রতিযোগিতা জিতল। এই ইতিহাস তৈরি করার জন্য দলের ক্রিকেটার, ম্যানেজমেন্ট, সাপোর্ট স্টাফদের ধন্যবাদ। ভারতীয় দলের ভবিষ্যৎ অনেক উজ্জ্বল।” আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহ (Jay Shah) টুইটারে দলের এই সাফল্যকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, “একটি অত্যন্ত দৃঢ়সংকল্পিত নিউজিল্যান্ড (India vs New Zealand) দলের বিরুদ্ধে ভারতের অসাধারণ পারফরম্যান্সে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জয়। পুরুষদের ক্রিকেটে পরপর দুটি আইসিসি ট্রফি জয়ের জন্য অধিনায়ক রোহিত শর্মাকেও অভিনন্দন, গত বছরের টি২০ বিশ্বকাপের পর।”

    আগ্রাসী ক্রিকেটই পছন্দ রোহিতের

    সঞ্চালক ইয়ান বিশপের প্রশ্নের উত্তরে রোহিত বললেন, “দারুণ লাগছে জিততে পেরে। গোটা প্রতিযোগিতা জুড়েই আমরা ভালো খেলেছি। ফাইনালেও জেতার অনুভূতিটা বাকিগুলোর থেকে আলাদা। যে ভাবে খেলেছি সেটা বাড়তি তৃপ্তি দিচ্ছে। আগ্রাসী ক্রিকেটই পছন্দ।” এদিন এক সময় টানা উইকেট পড়লেও যে ভাবে কেএল রাহুল শেষ পর্যন্ত থেকে ম্যাচ বার করে দিয়েছেন তার প্রশংসা করেছেন রোহিত। একইসঙ্গে বোলার বরুণ চক্রবর্তীর প্রশংসাও শোনা গিয়েছে তাঁর মুখে। রোহিতের কথায়, “কেএলের মানসিকতা নিয়ে কী আর বলব। চাপে পড়লে কখনও সেটা দেখাতে ভালোবাসে না। আজ একাই ম্যাচটা শেষ করে এল। চাপের মুখে ঠিক যে শটটা খেলতে হবে সেটাই খেলে। বাকিদের স্বাধীনভাবে খেলার সুযোগ করে দেয়। আজ যে রকম হার্দিককে খোলা মনে খেলতে দিল। আর, বরুণের মধ্যে আলাদা একটা ব্যাপার রয়েছে। এ ধরনের পিচে খেলতে গেলে ওর মতো বোলারদেরই দরকার।” কৃতজ্ঞতা জানালেন দুবাইয়ের দর্শকদেরও। রোহিত বললেন, “যাঁরা মাঠে এসে আমাদের সমর্থন করেছেন তাঁদের প্রত্যেককে ধন্যবাদ জানাতে চাই। এখানকার দর্শকরা বরাবরই অসাধারণ। দুবাই আমাদের ঘরের মাঠ নয়। কিন্তু সমর্থকদের জন্যই এটা ঘরের মাঠ হয়ে উঠেছিল।”

    চাপের মুখে খেলার জন্য মুখিয়ে তরুণরা

    মিনি বিশ্বকাপ জেতার পর বিরাট কোহলি বলেন, “এই জয়ের অনুভূতি অসাধারণ। আমরা অস্ট্রেলিয়া সফরের পর ঘুরে দাঁড়াতে চেয়েছিলাম। একগুচ্ছ তরুণদের সঙ্গে খেলতে পেরে দারুণ লাগছে। ওরা ভালো ছন্দে রয়েছে। টিম ইন্ডিয়াকে সঠিক পথে নিয়ে যাচ্ছে। এতদিন ধরে খেলার পরও চাপের মুখে খেলার জন্য মুখিয়ে থাকি। খেতাব জেতার জন্য পুরো টিম বিভিন্ন ম্যাচে নানাভাবে এগিয়ে এসেছে। এই ধরণের টুর্নামেন্ট এলে দলের সকলে জেতার কথাই ভাবে। আমাদের দলগত প্রচেষ্টার ফলে এই ট্রফি জিতলাম।” দলে একগুচ্ছ তরুণ ক্রিকেটার, এরাই ভারতের ভবিষ্যত। বিরাট বললেন, “দলের তরুণদের সঙ্গে আমি আমার অভিজ্ঞতা বরাবর শেয়ার করি। কীভাবে এতগুলো বছর ধরে আমি খেলেছি, কোন পরিস্থিতিতে কী করি, সবই ওদের সঙ্গে শেয়ার করি।”

    অবসরের ভাবনা জাদেজার!

    রোহিত-কোহলি (Rohit-Kohli) ছাড়া চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির (ICC Champions Trophy) আগে অবসরের জল্পনা চলছিল রবীন্দ্র জাদেজাকে নিয়েও। দুবাইয়ে ১০ ওভার বল করেছেন জাডেজা। মাত্র ৩০ রান দিয়ে ১ উইকেট নিয়েছেন তিনি। টম লাথামকে আউট করেন জাডেজা। তার পরেই দেখা যায়, কোহলি গিয়ে জাডেজাকে জড়িয়ে ধরেছেন। দু’জনের মধ্যে কিছু কথা হয়। সেই দৃশ্য নজরে পড়ে দর্শকদের। তার পরেই তা ভাইরাল হয়ে যায়। এর আগে খেলা চলাকালীন অশ্বিন ও স্মিথকেও জড়িয়ে ধরেছিলেন কোহলি। তারপরই তাঁরা অবসরের কথা জানান। তাই এদিন কোহলি-জাদেজা আলিঙ্গনেও বাড়ে জল্পনা। গত বছর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জেতার পরের দিন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের এই ফরম্যাটকে বিদায় জানিয়েছেন জাদেজা। ভারতের টেস্ট দলে নিয়মিত খেলেন তিনি।

LinkedIn
Share