Category: খেলা

Get updates on Sports News Cricket, Football, Tennis, from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • T-20 World Cup 2026: ভারত ম্যাচ বয়কট, পাশে নেই বাকি বোর্ড! আইসিসির সঙ্গে সংঘাতে বিপাকে পাকিস্তান

    T-20 World Cup 2026: ভারত ম্যাচ বয়কট, পাশে নেই বাকি বোর্ড! আইসিসির সঙ্গে সংঘাতে বিপাকে পাকিস্তান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের পাশে নেই অন্য কোনও ক্রিকেট বোর্ড। আইসিসির বিরুদ্ধে অসহায় পাকিস্তান। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে (T-20 World Cup 2026) ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বয়কট করে বিপাকে পড়েছে পিসিবি। টি-২০ বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করলেও ভারত ম্যাচ বয়কট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পাকিস্তান। কিন্তু সরাসরি আইসিসিকে কিছু জানায়নি। নিজেদের সোশ্যাল মিডিয়ায় সিদ্ধান্ত জানানো হয়। কিন্তু তারপরই রক্তচক্ষু রাঙায় আইসিসি। এই প্রসঙ্গে আন্তর্জাতিক সমর্থন পেতে বিভিন্ন ক্রিকেট বোর্ডের দ্বারস্থ হয় পাকিস্তান। কিন্তু কোনও সাপোর্ট মেলেনি। পাশে দাঁড়ায়নি অন্য কোনও ক্রিকেট বোর্ড। পিসিবি এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে ভারত ম্যাচ বয়কটের কথা আইসিসিকে জানায়নি। যার ফলে আরও ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে।

    কোনও আইনি অবস্থানও নেই পাকিস্তানের

    সূত্রের খবর, পিসিবির পাশে দাঁড়াতে চায়নি অন্যান্য ক্রিকেট বোর্ড। পাকিস্তানের কোনও লোকাস স্ট্যান্ডি নেই। কোনও আইনি অবস্থানও নেই। পাকিস্তানের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তোলে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী বাকি ক্রিকেট বোর্ডগুলো। পাকিস্তানের উদ্দেশ্য নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। সম্প্রতি ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ খেলে পাকিস্তানের অনূর্ধ্ব-১৯ দল। সেখানে বয়কটের প্রসঙ্গ ওঠেনি। পাকিস্তানের মেয়েদের দলের ভারতীয় এ দলের বিরুদ্ধে খেলার কথা। এইক্ষেত্রে কোনও আপত্তি জানায়নি পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। রাইজিং স্টার্স এশিয়া কাপ থেকে নাম প্রত্যাহারের কোনও ইঙ্গিতও দেওয়া হয়নি। সেখানে শুধুমাত্র বিশ্বকাপে ভারত ম্যাচ বয়কট কেন? আসন্ন বিশ্বকাপে পাকিস্তান সব ম্যাচ কলম্বোয় খেলবে। শ্রীলঙ্কা নিরপেক্ষ ভেন্যু। তাই কোনও সমস্যা হওয়ার কথা না পাকিস্তানের। বাংলাদেশের সমর্থনে পাকিস্তানের এই অবস্থান মানতে পারছে না বাকি বোর্ডগুলো।

    পাকিস্তানের ওপর কী কী শাস্তি

    পাকিস্তান যদি ভারতের বিপক্ষে মাঠে না নামে তাহলে আইসিসি’র নিয়ম অনুযায়ী, ম্যাচটি ভারতকে ওয়াকওভার হিসেবে দেওয়া হবে। ভারতকে পয়েন্ট পেতে হলে তাদের মাঠে উপস্থিত থাকতে হবে। যদি ভারতের অধিনায়ক (Suryakumar Yadav) টসের জন্য মাঠে আসেন এবং পাকিস্তান অধিনায়ক (Salman Ali Agha) না আসেন, তাহলে ম্যাচ রেফারি আনুষ্ঠানিকভাবে ম্যাচ এবং ২ পয়েন্ট ভারতকে দিয়ে দেবে। ডিফল্ট করা দল (পাকিস্তান) কে ২০ ওভারের পুরো ইনিংস খেলেছে কিন্তু ০ রান করেছে বলে ধরা হবে। এতে তাদের নেট রান রেট অনেক কমে যাবে, ফলে তারা অন্য ম্যাচগুলো জিতলেও শেষ ৮-এ ওঠা খুব কঠিন হবে। তবে, আর্থিক ও বাণিজ্যিক শাস্তিই পিসিবি-র আসল সমস্যা। ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ শুধু টুর্নামেন্ট নয়, পুরো ক্রিকেট ইকোসিস্টেমে টাকা রোজগারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। সম্প্রচারকারী সংস্থা আনুমানিক $২৫ মিলিয়ন থেকে $৩০ মিলিয়ন বিজ্ঞাপন আয় হারাবে। তারা আইসিসি-র কাছে ছাড় চাইতে পারে। আইসিসি এই আইনি দাবি ও আর্থিক ক্ষতি সরাসরি পিসিবি-র ওপর চাপিয়ে দিতে পারে। আইসিসি পিসিবি-র বার্ষিক আয়ের অংশ আটকে রাখতে পারে, যা পাকিস্তানের ক্রিকেট বাজেটের প্রায় ৭০-৮০%। এতে বোর্ড আর্থিক সংকটে পড়তে পারে।

    আইসিসি সংবিধানের লঙ্ঘন

    আইসিসির “সরকারি হস্তক্ষেপ” ধারা অনুযায়ী, সদস্য বোর্ডগুলোকে স্বতন্ত্রভাবে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে, সরকারি হস্তক্ষেপ এড়াতে হবে। যদিও প্রাক্তন পিসিবি চেয়ারম্যান এহসান মানি বলেছেন, সরকারি নির্দেশ মানলে পাকিস্তান আইসিসি-র শাস্তি থেকে রক্ষা পাবে, কিন্তু পাকিস্তানের “নির্বাচিত অংশগ্রহণ” এখনও টুর্নামেন্টের সততার লঙ্ঘন হিসেবে দেখা হচ্ছে। আগে (১৯৯৬ ও ২০০৩)-এ নিরাপত্তা সংক্রান্ত কারণে দলগুলো ম্যাচ বয়কট করেছিল (যেমন Australia, Sri Lanka-র ম্যাচ বাদ দিয়েছিল)। তবে, পাকিস্তান শ্রীলঙ্কা-তে, যেটা নিরপেক্ষ ভেন্যু, ম্যাচ বয়কট করছে, তাই সরকারি হস্তক্ষেপের কোনো কারণ নেই। তাই, এই পদক্ষেপ সরাসরি আইসিসি সংবিধানের লঙ্ঘন।

  • T20 World Cup 2026: বাইশ গজে এক ঘরে পাকিস্তান! মোটা টাকা ক্ষতিপূরণ, ভারত ম্যাচ বয়কট নিয়ে পিসিবি-কে কী বার্তা আইসিসির?

    T20 World Cup 2026: বাইশ গজে এক ঘরে পাকিস্তান! মোটা টাকা ক্ষতিপূরণ, ভারত ম্যাচ বয়কট নিয়ে পিসিবি-কে কী বার্তা আইসিসির?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে (T20 World Cup 2026) খেললেও ১৫ ফেব্রুয়ারি ভারতের বিরুদ্ধে খেলবে না পাকিস্তান। পাক সরকারের এই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছে আইসিসি। এই ভাবনা খেলার পরিপন্থী। পিসিবি এই সিদ্ধান্ত না বদলালে কড়া শাস্তির মুখে পড়তে হবে মহসিন নকভিদের। আইসিসির সূত্র জানিয়েছে, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সমস্যার সমাধান করতে চাইছে তারা। মঙ্গল বা বুধবার তারা বৈঠকে বসবে। সেখানেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। পাকিস্তান যদি নিজেদের সিদ্ধান্তে অনড় থাকে তাহলে কড়া শাস্তি হবে তাদের। নির্বাসিত করা হতে পারে পাকিস্তান ক্রিকেট দলকে। সত্তরের দশকে দক্ষিণ আফ্রিকাকে যে ভাবে আইসিসি নির্বাসিত করেছিল, সেই পদক্ষেপ আরও এক বার করতে পারে তারা।

    আইসিসির বার্তা

    রবিবার পাকিস্তান সরকার এক্স মাধ্যমে পোস্ট করে তাদের সিদ্ধান্ত জানিয়েছে। তারা বলেছে, “পাকিস্তান ক্রিকেট দলকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে যোগ দেওয়ার অনুমতি দিয়েছে পাকিস্তান সরকার। কিন্তু ১৫ ফেব্রুয়ারি ভারতের বিরুদ্ধে মাঠে নামবে না পাকিস্তান।” অবশ্য যদি ফাইনালে দু’দল মুখোমুখি হয় তখন পাকিস্তান কী করবে, এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত কিছু বলেনি পাক সরকার বা সে দেশের বোর্ড। যদি সত্যিই তেমন পরিস্থিতি তৈরি হয় তা হলে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড ও আইসিসি, দুই সংস্থারই সমস্যা আরও বাড়বে। সে ক্ষেত্রে বিশ্বকাপে জটিলতা আরও বাড়বে। এই পরিস্থিতিতে পাকিস্তানকে কার্যত হুঁশিয়ারি দিয়েছে আইসিসি। বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থা বলেছে, “জাতীয় নীতি নির্ধারণের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দেশের সরকারের ভূমিকাকে আইসিসি সম্মান করে। কিন্তু পাকিস্তানের এই সিদ্ধান্ত বিশ্ব ক্রিকেটের স্বার্থের পরিপন্থী। গোটা বিশ্বের লক্ষ লক্ষ ক্রিকেটপ্রেমী, যাঁদের মধ‍্যে পাকিস্তানের সমর্থকেরাও রয়েছেন, তাঁদের ভালর কথা ভেবে এই সিদ্ধান্ত নয়।” আইসিসি জানিয়েছে, তারা প্রত‍্যাশা করে পাকিস্তান সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করবে। প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আইসিসি লিখেছে, “পিসিবি তাদের দেশের ক্রিকেটের উপর এর সুদূরপ্রসারী এবং গুরুত্বপূর্ণ প্রভাবের কথা বিবেচনা করবে। কারণ এটি বিশ্ব ক্রিকেটের বাস্তুতন্ত্রকে প্রভাবিত করতে পারে, যার অন্যতম সদস্য এবং সুবিধাভোগী পিসিবি নিজেই।”

    আর্থিক জরিমানা

    আগেই বিক্রি হয়ে যাওয়া বিজ্ঞাপন এবং স্পনসরশিপ ইন্টিগ্রেশনের জন্য ৩৮ মিলিয়ন ডলার (ভারতীয় মুদ্রায় ৩৪৭.৮৯ কোটি টাকা) ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। আইসিসি-র থেকে বছরে ৩৪.৫ মিলিয়ন ডলার (ভারতীয় মুদ্রায় ৩১৫.৮৯ কোটি টাকা, ৫.৭৫% অংশ) পায় পাকিস্তান। চুক্তি লঙ্ঘন হলে সেই টাকা আটকে যেতে পারে। ম্যাচের দিনের বিজ্ঞাপনের সরাসরি ক্ষতি; ১০ সেকেন্ডের স্লটের দাম ৪০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে। সেক্ষেত্রে সেই টাকার পরিমাণ দাঁড়াতে পারে ২০০-২৫০ কোটি টাকা অংশগ্রহণ ফি বাজেয়াপ্ত এবং আইসিসি কর্তৃক ২ মিলিয়ন ডলার পর্যন্ত সম্ভাব্য জরিমানা হতে পারে পাকিস্তানের।

    ব্রাত্য পাকিস্তান ক্রিকেট

    আইসিসি সদস্য বোর্ডগুলিকে পাকিস্তান সুপার লিগের জন্য বিদেশি খেলোয়াড়দের অনাপত্তিপত্র (এনওসি) দেওয়া বন্ধ করার পরামর্শ দিতে পারে। যা লিগটির বাণিজ্যিক মূল্যকে মারাত্মক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করবে। দুই দল যোগ হওয়ায় এই মুহর্তে পিএসএলের বাণিজ্যিক মূল্য প্রায় ৩৩ হাজার কোটি টাকা। ভবিষ্যতে পাকিস্তানের দ্বিপাক্ষিক সিরিজ এবং আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টের আয়োজক স্বত্ব বাতিল হতে পারে! যার ফলে বহু বছর ধরে রাজস্বে ধারাবাহিক ক্ষতি হবে। পাকিস্তান ভারতের বিরুদ্ধে না খেললে ওই ম্যাচের পয়েন্ট হারাবে এবং ২০২৭ সালের বিশ্বকাপ-সহ ভবিষ্যতের আইসিসি ইভেন্টে নিষেধাজ্ঞার সম্মুখীন হতে পারে পাকিস্তান। তেমনটা হলে পাকিস্তান ক্রিকেট পিছিয়ে যাবে বেশ কয়েক বছর। অন্ধকার হয়ে যাবে পাকিস্তান ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ।

  • T20 World Cup 2026: ভারতের বিরুদ্ধে না খেললে বড় অঙ্কের জরিমানা! পাকিস্তানের ম্যাচ বয়কট নিয়ে কড়া বার্তা আইসিসির

    T20 World Cup 2026: ভারতের বিরুদ্ধে না খেললে বড় অঙ্কের জরিমানা! পাকিস্তানের ম্যাচ বয়কট নিয়ে কড়া বার্তা আইসিসির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ২০২৬ (T20 World Cup 2026) ভারতের (India) বিরুদ্ধে ১৫ ফেব্রুয়ারির গ্রুপ ম্যাচ খেলতে রাজি নয় পাকিস্তান। পাক সরকারের এই নির্দেশ জারি হতেই সরব আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (ICC)। প্রকাশ্যে তাদের প্রশ্ন, বেছে বেছে ম্যাচ না খেলা, আইসিসি ইভেন্টে অসম্ভব। এটা আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে করা যায় না! এরকম করলে এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব পড়তে পারে বলে জানায় আইসিসি। পাকিস্তানকে বড় অঙ্কের জরিমানাও দিতে হতে পারে।

    সব দলকে সমান শর্তে টুর্নামেন্টে অংশ নিতে হয়

    রবিবার বিকেলে পাকিস্তানের তরফে খবরটি সামনে আসে এবং রাতের মধ্যেই বিবৃতি দেয় আইসিসি। কাউন্সিলের স্পষ্ট বক্তব্য, এখনও পর্যন্ত পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (PCB) কাছ থেকে কোনও আনুষ্ঠানিক বার্তা পাওয়া যায়নি। তবে পাকিস্তান সরকারের বিবৃতি লক্ষ্য করার পর তারা অবস্থান স্পষ্ট করছে। জানানো হয়, “সকল যোগ্য দলকে সমান শর্তে টুর্নামেন্টে অংশ নিতে হয়। সিলেকটিভ পার্টিসিপেশন (Selective Participation) বৈশ্বিক প্রতিযোগিতার মৌলিক ধারণার সঙ্গে যায় না।” পাকিস্তানের এই হঠাৎ ঘুরে দাঁড়ানোর বিষয়টিকে খুব একটা ভালভাবে নেয়নি আইসিসি। দেওয়া হয়েছে কড়া হুঁশিয়ারিও। কাউন্সিলের ভাষায়, “আমরা সরকারি নীতিকে সম্মান করি ঠিকই, কিন্তু এই সিদ্ধান্ত বিশ্ব ক্রিকেট এবং বিশ্বজুড়ে ক্রিকেটভক্তদের, এমনকি পাকিস্তানের লক্ষ লক্ষ সমর্থকেরও স্বার্থের পরিপন্থী। আইসিসি টুর্নামেন্ট স্পোর্টিং ইন্টেগ্রিটি (Sporting Integrity), ন্যায্যতা এবং ধারাবাহিকতার ওপর দাঁড়িয়ে। কোনও ম্যাচে না নামা এই ভিত্তিকে দুর্বল করবে।”

    পাক সরকারে অবান্তর ইচ্ছা

    আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে (T20 World Cup 2026) পাকিস্তানের অংশগ্রহণ করা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সোমবারই ঘোষণা করা হবে। তবে তার আগে সপ্তাহান্তে পাকিস্তান সরকারের (Pakistan government) তরফে পাকিস্তানকে বিশ্বকাপ খেলার জন্য শ্রীলঙ্কায় সফর করার অনুমতি দেওয়া হলেও, জানানো হয় তাঁরা ভারতের বিরুদ্ধে ১৫ ফেব্রুয়ারির ম্যাচ বয়কট করছে। দিনকয়েক আগে বাংলাদেশ নিরাপত্তার অজুহাত দেখিয়ে ভারত থেকে তাঁদের ম্যাচ সরানোর দাবি করেছিল। সেই সময়ে পাকিস্তানই তাদের পাশে দাঁড়িয়েছিল। বাংলাদেশকে শেষমেশ বিশ্বকাপ থেকে ছাঁটাই করা হলে পাকিস্তান ক্রিকেট দলের ভবিষ্যৎ নিয়েও সংশয় তৈরি হয়। পাকিস্তান বিশ্বকাপে খেলবে কি না, সেই নিয়ে দেশের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের সঙ্গে পিসিবি প্রধান মহসিন নকভি এক বৈঠক সারেন। সেই বৈঠকের পরেই না না রিপোর্টে দাবি করা হচ্ছিল যে পাকিস্তান বিশ্বকাপে খেললেও ভারতের ম্যাচ তারা বয়কট করবে কি না, সেই বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্য়মে ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ বয়কটের কথাজানায় শেহবাজ শরিফের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তান সরকার। তবে পিসিবি ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থাকে এখনও এই সিদ্ধান্তের বিষয়ে লিখিতভাবে কিছু জানায়নি বলেই শোনা যাচ্ছে।

    দায় পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডেরও

    টুর্নামেন্টে ভারত-পাক ম্য়াচ না হলে আইসিসির কিন্তু বিরাট ক্ষতির মুখে পড়তে চলেছে। ভারত–পাকিস্তান ম্যাচ যে কোনও ক্রিকেট টুর্নামেন্টেরই সবচেয়ে বেশি দরাদরি ও ভিউয়ারশিপ–নির্ভর ম্যাচ। বাতিল হলে টুর্নামেন্টের বাণিজ্যিক ও প্রতিযোগিতামূলক মান—দুই–ই ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। পাশাপাশি খেলার মতো সেক্টরে শুধুমাত্র একটি দেশের বিরুদ্ধে মাঠে না নামা মোটেও ভাল বার্তা দেবে না। সব বিবেচনা করে আইসিসি স্পষ্ট করে দিয়েছে, তাদের লক্ষ্য একটাই—টুর্নামেন্ট নির্বিঘ্নে আয়োজন। এর দায়িত্ব সব সদস্য দেশের, পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডেরও।

  • T20 World Cup 2026: টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে পিসিবি প্রধানের অবস্থানে বিতর্ক! কড়া সমালোচনায় ইনজামাম, হাফিজ

    T20 World Cup 2026: টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে পিসিবি প্রধানের অবস্থানে বিতর্ক! কড়া সমালোচনায় ইনজামাম, হাফিজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইসিসি-র সঙ্গে পাকিস্তানের কোনওমতেই সম্পর্ক খারাপ করা উচিত নয়। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ (T20 World Cup 2026) থেকে নিজেদের সরিয়ে নিলে ঠিক হবে না বলে জানিয়েছেন প্রাক্তন পাক অধিনায়ক মহম্মদ হাফিজ ও বোর্ড কর্তাদের একাংশ। তাঁদের মতে, বাংলাদেশের পাশে পাকিস্তানের দাঁড়ানো উচিত। কিন্তু সেজন্য কখনও নিজের দলকে টুর্নামেন্ট থেকে সরিয়ে নেওয়া ঠিক হবে না। এ নিয়ে প্রকাশ্যে পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি-র অবস্থানের সমালোচনা করেছেন পাকিস্তান ক্রিকেট দলের প্রাক্তন অধিনায়ক ইনজামাম উল হক-ও।

    পাকিস্তান ক্রিকেটের জন্য “অপূরণীয় ক্ষতি”

    সালমান আঘারা আদৌ টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলবেন কি না সেই বিষয়ে এখনও সিদ্ধান্ত নেয়নি পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। এই নিয়ে ইতিমধ্যেই দেশের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বোর্ডের চেয়ারম্যান মহসিন নকভি। তাঁরা দল পাঠাবেন কি না সেই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে শুক্র বা সোমবার। এই রকম টানাপোড়েনের মধ্যে মুখ খুলেছেন পাকিস্তান ক্রিকেট দলের প্রাক্তন তারকারা। তাঁদের পাশাপাশি পিসিবির প্রাক্তন চেয়ারম্যান খালিদ মাহমুদ এবং সচিব আরিফ আলি আব্বাসি বিশ্বকাপ খেলার পক্ষে যুক্তি দিয়েছেন। আব্বাসির মতে, পাকিস্তান যদি বিশ্বকাপ না খেলে তাহলে পিসিবি-র সঙ্গে আইসিসি ও অন্য ক্রিকেট খেলিয়ে দেশের সম্পর্ক খারাপ হবে। তার পরিণাম ভালো হবে না। তিনি বলেন,“পাকিস্তান যদি বিশ্বকাপে না খেলে তাহলে কি তাদের কোনও লাভ হবে? শ্রীলঙ্কার সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক ভালো। যদি আমরা না যাই তাহলে তাদের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি হবে। এতে শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটেরও ক্ষতি হবে।” আর এই সিদ্ধান্ত পাকিস্তান ক্রিকেটের জন্য “অপূরণীয় ক্ষতি” ডেকে আনতে পারে।

    ক্রিকেটারদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার মুখে

    খালিদ মাহমুদের দাবি, “মনে রাখতে হবে বাংলাদেশের অবস্থানকে পাকিস্তান ছাড়া অন্য কোনও ক্রিকেট বোর্ড সমর্থন করেনি। আমি বাংলাদেশ বোর্ডের দাবি জানি। তবে তাদের অন্য কেউ সমর্থন করছে না, সেটাও মেনে নিতে হবে।” ইনজামাম উল হক আবার ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য বোর্ডকে পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি বলেন, “আমি ব্যক্তিগতভাবে পাকিস্তানকে বিশ্বকাপে দেখতে চাই। আমাদের অনেক ভালো খেলোয়াড় আছে। তারা যেন এত বড় ইভেন্টে ভালো করতে পারে, সেটা দেখা প্রয়োজন।” একই কথা শোনা গিয়েছে মহম্মদ হাফিজের মুখেও। তিনি এক্স হ্যান্ডেলে প্রকাশ্যে জানিয়েছেন, পাকিস্তানের অবশ্যই বিশ্বকাপে খেলা উচিত। বিশ্বকাপ মঞ্চ থেকে সরে দাঁড়ানো মানে নতুন প্রজন্মের ক্রিকেটারদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দেওয়া। ইনজামাম বলেন, “বড় টুর্নামেন্টে ভালো পারফরম্যান্সই আমাদের ক্রিকেটকে এগিয়ে নিয়ে যায়। বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়ানো মানে একটি প্রজন্মের স্বপ্ন ভেঙে দেওয়া।” এছাড়া আইসিসি সূত্রে জানা গেছে, পাকিস্তান বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়ালে কঠোর শাস্তির মুখে পড়তে পারে পিসিবি। সম্ভাব্য শাস্তির মধ্যে রয়েছে—পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) বিদেশি ক্রিকেটারদের অংশগ্রহণে নিষেধাজ্ঞা, দ্বিপাক্ষিক সিরিজ স্থগিত এবং আইসিসি রাজস্ব বণ্টনে বড় ধরনের কাটছাঁট, ভবিষ্যতের এশিয়া কাপ ও অন্যান্য বড় টুর্নামেন্ট থেকে বাদ পড়ার আশঙ্কা। এর ফল হবে পাকিস্তান ক্রিকেটের জন্য ভয়াবহ।

  • Bangladesh Cricket: ‘বিশ্বাসঘাতকতা’ দেশের ক্রিকেটারদের সঙ্গেই! নাজমুলকে ফের সসম্মানে পদে বহাল বিসিবি-র

    Bangladesh Cricket: ‘বিশ্বাসঘাতকতা’ দেশের ক্রিকেটারদের সঙ্গেই! নাজমুলকে ফের সসম্মানে পদে বহাল বিসিবি-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঠিক যেভাবে প্রতিনিয়ত বাংলাদেশবাসীর বিশ্বাসভঙ্গ হচ্ছে, তেমনই বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করল বিসিবি। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (Bangladesh Cricket Board) বিতর্কিত পরিচালক এম নাজমুল ইসলামকে (M Najmul Islam) ফের আর্থিক কমিটির চেয়ারম্যান পদে ফিরিয়ে আনল বিসিবি। মাত্র কয়েক দিন আগেই তাঁকে সমস্ত দায়িত্ব থেকে সরানো হয়েছিল। এম নাজমুল ইসলাম তামিম ইকবালকে ‘ভারতের দালাল’ বলায় তাঁর পদত্যাগ চেয়েছিলেন সে দেশের ক্রিকেটাররা। প্রতিবাদে এক দিন বন্ধ থাকে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের খেলা। চাপের মুখে তাঁকে বহিষ্কার করে বিসিবি। সেই নাজমুলকেই আবার ফিরিয়ে আনা হয়েছে।

    ফিরলেন নাজমুল

    ১৫ জানুয়ারি প্রবল চাপের মুখে এম নাজমুল ইসলামকে আর্থিক কমিটির চেয়ারম্যান-সহ সব দায়িত্ব থেকে অপসারিত করা হয়। সেই সময় বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল (Aminul Islam Bulbul) জানিয়েছিলেন, ‘সংস্থার স্বার্থে এবং প্রশাসনিক স্থিতিশীলতার জন্যই’এই সিদ্ধান্ত। কিন্তু এরপর নাজমুলের বিরুদ্ধে জারি হওয়া শো-কজ নোটিসের জবাব খতিয়ে দেখে বিসিবির শৃঙ্খলারক্ষা কমিটি। কমিটির মতে, তাঁর ব্যাখ্যা ‘সন্তোষজনক’। সেই রিপোর্টের ভিত্তিতেই ফের দায়িত্বে ফেরানো হয় তাঁকে। আমজাদ হোসেনের কথায়, ‘নাজমুল ইসলাম তাঁর শো-কজের জবাব জমা দিয়েছেন। শৃঙ্খলারক্ষা কমিটি তা খতিয়ে দেখে সন্তুষ্ট!’ এই ঘটনাটি বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের জন্য বড় ধাক্কা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

    বিতর্কের সূত্রপাত

    এই সিদ্ধান্তের শিকড়ে একাধিক বিতর্কিত মন্তব্য। এম নাজমুল ইসলাম প্রাক্তন বাংলাদেশ অধিনায়ক তামিম ইকবালকে (Tamim Iqbal) ফেসবুক পোস্টে ‘পরীক্ষিত ভারতীয় দালাল’ বলে আক্রমণ করেন। যা চাপের মুখে তিনি মুছেও ফেলেন। অন্যদিকে তামিম জানিয়ে দেন, টি-২০ বিশ্বকাপ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ পেলে বাংলাদেশের ক্রিকেটের ভবিষ্যৎকেই অগ্রাধিকার দিতেন। পাশাপাশি উঠতে থাকা বিতর্কের মুখে না থেমে নাজমুল দাবি করেন, বিশ্বকাপ বয়কট হলে ক্রিকেটারদের পারিশ্রমিক দেওয়া উচিত নয়। এমনকি মাঠে খারাপ খেললে বোর্ডেরও টাকা ফেরত চাওয়ার অধিকার থাকা উচিত। এমন মন্তব্য, স্বভাবতই, আগুনে ঘি ঢালে। মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ দেখান ক্রিকেটাররা। খেলোয়াড়দের সংগঠন সিডব্লিউএবি-এর (CWAB) সভাপতি মহম্মদ মিঠুন (Mohammad Mithun) নাজমুলের পদত্যাগ দাবি করেন। সেই সঙ্গে নাজমুল হোসেন শান্ত (Najmul Hossain Shanto), মেহেদি হাসান মিরাজ-সহ (Mehidy Hasan Miraz) একাধিক তারকা ক্রিকেটার বয়কট করেন বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (Bangladesh Premier League)। এর জেরে অধিকাংশ ম্যাচ স্থগিত হয়, একসময় বিসিবি অনির্দিষ্টকালের জন্য টুর্নামেন্ট বন্ধের ঘোষণাও করে। পরে বোর্ড ও ক্রিকেটারদের বৈঠকের পর নির্দিষ্ট শর্তে খেলায় ফেরেন ক্রিকেটাররা। সেই সময়ই নাজমুলের বিরুদ্ধে শো-কজ জারি হয়। তবে নাজমুলের পুনর্বহালের পর, বোর্ড প্রতিশ্রুতি রক্ষা না করায় ক্রিকেটারদের অসহায় মনে হচ্ছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক খেলোয়াড় নাজমুলের পুনর্বহালের খবর শুনে কটাক্ষের সুরে বলেন, ‘‘এটা তো খুবই ভালো খবর! এতেই বোঝা যাচ্ছে এখানে সব কিছু কীভাবে হচ্ছে।’’ তাঁর কথা থেকেই স্পষ্ট, বিসিবি’র উপর আস্থা হারাচ্ছেন তাঁরা।

  • T20 World Cup: টি২০ বিশ্বকাপে পাকিস্তান না খেললে বিকল্প দল বাংলাদেশ! বিরাট চাল আইসিসির

    T20 World Cup: টি২০ বিশ্বকাপে পাকিস্তান না খেললে বিকল্প দল বাংলাদেশ! বিরাট চাল আইসিসির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশকে বিশ্বকাপ (T20 World Cup) থেকে আইসিসি ছাঁটাই করে দেওয়ার পর পাকিস্তানও জানিয়েছে, তারা খেলবে কি না ভেবে দেখবে। পিসিবির এই ভূমিকায় ক্ষুব্ধ বিসিসিআই। কোনও কারণ ছাড়াই পাকিস্তান এই বিষয়ে হস্তক্ষেপ করেছে এবং বাংলাদেশকে উস্কে দিয়েছে। এর ফলে ক্ষতি হচ্ছে বাংলাদেশ ক্রিকেটের এমনটাই মনে করেন ভারতীয় বোর্ডের সহ-সভাপতি রাজীব শুক্লা। ভারত থেকে বিশ্বকাপের ম্যাচ সরিয়ে দেওয়ার দাবি করেছিল বাংলাদেশ। আইসিসির বোর্ডের কোনও সদস্য সেই দাবিকে আমল দেয়নি। শ্রীলঙ্কাও তাদের গ্রুপে বাংলাদেশকে নিতে রাজি হয়নি। পাকিস্তান ছাড়া কাউকে পাশে না পেয়ে ক্রিকেটবিশ্বে কোণঠাসা বাংলাদেশ। এই পরিস্থিতিতে ‘নায়ক’ হওয়ার চেষ্টা করছেন পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) চেয়ারম্যান মহসিন নকভি। তিনি জানিয়েছেন, আগামী মাসে অনুষ্ঠিতব্য টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তান দলের অংশগ্রহণ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও নেওয়া হয়নি।

    পাকিস্তানের পরিবর্তে বাংলাদেশ

    আইসিসি সূত্রে খবর, যদি পাকিস্তান বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়, সে ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) বাংলাদেশকে তাদের পরিবর্তে টুর্নামেন্টে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়টি বিবেচনা করছে। আইসিসির এক কর্মকর্তা জানান, পাকিস্তান সরে গেলে বাংলাদেশকে গ্রুপ ‘এ’-তে অন্তর্ভুক্ত করে শ্রীলঙ্কায় সব ম্যাচ খেলার সুযোগ দেওয়া হতে পারে, যা ছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) আগের অনুরোধ। আইসিসি কর্মকর্তার মতে, এই ব্যবস্থায় বড় ধরনের লজিস্টিক জটিলতা তৈরি হবে না এবং একই সঙ্গে ভারতে খেলতে না চাওয়া নিয়ে বাংলাদেশের আগের নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগকে সরাসরি মেনে নেওয়ার অভিযোগও এড়ানো যাবে।

    পাকিস্তানের ভূমিকায় ক্ষুব্ধ রাজীব

    ভারতীয় বোর্ডের সহ-সভাপতি রাজীব শুক্লা বলেছেন, ‘‘পাকিস্তান কোনও কারণ ছাড়াই হস্তক্ষেপ করছে। বাংলাদেশকে উস্কানি দিচ্ছে। সকলে জানে এক সময় বাংলাদেশের মানুষের উপর বর্বরতা চালিয়েছে পাকিস্তান। এখন আবার তাদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে পাকিস্তান। এটা সম্পূর্ণ ভুল। আমরা চেয়েছিলাম বাংলাদেশ বিশ্বকাপ খেলুক। আমরা নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার আশ্বাস দিয়েছিলাম। তা-ও ওরা নিজেদের সিদ্ধান্তেই অনড় থাকে। শেষ মুহূর্তে বিশ্বকাপের পুরো সূচি বদলে ফেলা অসম্ভব। সে কারণেই পরিবর্ত হিসাবে স্কটল্যান্ডকে সুযোগ দেওয়া হয়েছে।’’ উল্লেখ্য, আইসিসির বোর্ড মিটিংয়ে বাংলাদেশ ২-১৪ ব্যবধানে হেরে যায় বিশ্বকাপের ম্যাচ ভারত থেকে সরানোর দাবি নিয়ে ভোটাভুটিতে। বাংলাদেশ নিজেদের ভোট ছাড়া শুধু পাকিস্তানের সমর্থন পেয়েছিল। আইসিসির বোর্ড মিটিংয়ের আগে থেকেই অবশ্য টি২০ বিশ্বকাপ ইস্যুতে বাংলাদেশের পাশে থেকেছে পাকিস্তান।

    পিসিবিকে দুষছেন হরভজন

    পিসিবিকে দুষেছেন হরভজন সিং। ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেটার বলেছেন, ‘‘পাকিস্তান ঘোলা জলে মাছ ধরার চেষ্টা করছিল। পাকিস্তান শ্রীলঙ্কায় খেলবে। আগে থেকেই এটা ঠিক ছিল। নতুন যে সমস্যাটা তৈরি হয়েছিল, তার সঙ্গে ওদের সম্পর্ক ছিল না। তা-ও কেন আগবাড়িয়ে হস্তক্ষেপ করছে? শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশই বিশ্বকাপ থেকে বাদ হয়ে গেল।’’ ভাজ্জি বাংলাদেশেরও সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘‘ভারতে খেলতে আসার আপত্তি নিয়ে ওরা আগে আইসিসির সঙ্গে আলোচনা করতে পারত। তা না করে প্রথমে নিজেরাই ঘোষণা করে দিল। আলোচনার রাস্তা খোলা রেখে এগোনো উচিত ছিল। টি২০ বিশ্বকাপ ইংল্যান্ড বা অস্ট্রেলিয়া হলে হয়তো ওদের তেমন সুযোগ থাকত না। কিন্তু এ বার ওরা দ্বিতীয় পর্বে পৌঁছোতে পারত। সুপার এইটে হয়তো একাধিক অঘটনও ঘটাতে পারত। শেষ পর্যন্ত যা হল সেটা আসলে বাংলাদেশেরই পরাজয়। অন্য কারও হার নয়।’’ হরভজনের মতে বাংলাদেশের ক্রিকেট কর্তাদের আরও পরিণত এবং ইতিবাচক ভূমিকা নেওয়া উচিত ছিল। প্রথমেই একতরফা ভাবে নিজেদের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে দিয়ে সমস্যা সমাধানের রাস্তাই তাঁরা প্রায় বন্ধ করে দেন। পাকিস্তানের ইন্ধনে আখেরে ক্ষতি হল বাংলাদেশের ক্রিকেটেরই।

  • T20 World Cup: ‘পিএসএলে বিদেশি ক্রিকেটার নয়, এশিয়া কাপ থেকেও নিষেধাজ্ঞা’— পিসিবিকে কড়া বার্তা আইসিসির

    T20 World Cup: ‘পিএসএলে বিদেশি ক্রিকেটার নয়, এশিয়া কাপ থেকেও নিষেধাজ্ঞা’— পিসিবিকে কড়া বার্তা আইসিসির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে (T20 World Cup) পাকিস্তান খেলবে কি না, তা নিয়ে আগামী শুক্রবার বা সোমবার পাকিস্তান সিদ্ধান্ত নেবে। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) চেয়ারম্যান মহসিন নকভি এ কথা জানিয়েছেন। সোমবার পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সঙ্গে বৈঠক করেন নকভি। তাঁদের মধ্যে ৩০ মিনিট কথা হয়েছে। বিশ্বকাপ নিয়ে সমস্ত পরিস্থিতি পাক প্রধানমন্ত্রীকে ব্যাখ্যা করেছেন নকভি। তারপরই আরও সময় চায় পাকিস্তান। যদিও আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬ থেকে সরে দাঁড়ানোর হুমকি দিলে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডকে (পিসিবি) একাধিক কঠোর নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়তে হতে পারে।

    ‘বয়কট বয়কট’ নাটকই সার!

    দীর্ঘ টালবাহানা, বিতর্ক, অজুহাতের পর আসন্ন টি-২০ বিশ্বকাপ থেকে ছাঁটাই হয়েছে বাংলাদেশ। অর্থাৎ ভারত এবং শ্রীলঙ্কার মাটিতে হতে চলা মেগা টুর্নামেন্টে লিটন দাসদের এবার আর দেখা যাবে না। তার পরিবর্ত হিসেবে খেলবে স্কটল্যান্ড। বাংলাদেশকে একাধিকবার নিজেদের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার সুযোগ দিয়েছিল বিশ্ব ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা। কিন্তু বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড সাফ জানিয়ে দেয়, ভারতের মাটিতে তারা খেলতে নারাজ। ফলে আইসিসিও নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে জানায়, ‘হয় খেলো, নাহলে এসো’। আর তারপরই ঘোষণা হয়ে যায় স্কটল্যান্ডের নাম। এদিকে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়ে ‘বয়কট বয়কট’ নাটকই সার! পিঠ বাঁচাতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য দল ঘোষণাও করে দিয়েছে পাকিস্তান। তবে পাক বোর্ডের প্রধান মহসিন নাকভি জানিয়েছেন, দল ঘোষণার অর্থ এই নয় যে টুর্নামেন্টে অংশ নিতে রাজি পাকিস্তান। এনিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে শাহবাজ শরিফের সরকার।

    প্রধানমন্ত্রীর নাম বিভ্রাট! কী লিখলেন নকভি

    সোমবারই পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন নকভি। বৈঠক শেষে তিনি এক্স হ্যান্ডেলে জানান, অত্যন্ত ইতিবাচক কথাবার্তা হয়েছে। বৈঠক শেষে তিনি সমাজমাধ্যমে লেখেন, ‘‘প্রধানমন্ত্রী মিয়াঁ মুহাম্মদ শাহবাজ শরিফের সঙ্গে একটি ফলপ্রসূ বৈঠক হয়েছে। আইসিসির অবস্থান এবং গোটা পরিস্থিতি সম্পর্কে তাঁকে বিস্তারিত জানিয়েছি। তিনি বলেছেন, ‘আমরা সব বিকল্প খোলা রেখে সমাধান করব।’ চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আগামী শুক্রবার অথবা সোমবার নেওয়া হবে বলে ঠিক হয়েছে।’’ সঙ্গে শাহবাজের সঙ্গে বৈঠকের ছবিও দিয়েছেন নকভি, যিনি একই সঙ্গে পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ বিষয়কমন্ত্রীও। নকভির এক্স পোস্ট ঘিরে তৈরি হয়েছে নতুন জল্পনা। প্রথমে তাঁর এক্স অ্যাকাউন্টে পাক প্রধানমন্ত্রীর নাম সম্ভবত ‘মিয়াঁ মুহাম্মদ নওয়াজ শরিফ’ লেখা হয়। পরে সংশোধন করে ‘মিয়াঁ মুহাম্মদ শাহবাজ শরিফ’ লেখেন তিনি।

    আইসিসির শাস্তির ভয়ে প্রতীকী প্রতিবাদ!

    বিশ্বকাপ থেকে পুরোপুরি নাম প্রত্যাহার করবে না পাকিস্তান। আইসিসির শাস্তির ভয়ে প্রতীকী প্রতিবাদ জানাতে পারে পিসিবি। শুধু ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ বয়কট করতে পারে তারা। ভারত ছাড়া বাকি সব দেশের বিরুদ্ধে খেলবে তারা। ভারতের বিরুদ্ধে নাকি গ্রুপ পর্বের ম্যাচ বয়কট করতে পারেন শাহিনরা। ১৫ ফেব্রুয়ারি কলম্বোয় মুখোমুখি হওয়ার কথা দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর। কিন্তু সেই ম্যাচে না-ও নামতে পারে পাকিস্তান। যদিও তাতে আখেরে ক্ষতিই হবে তাদের। কারণ ভারতকে ওয়াকওভার দিলে বাবরদের সুপার ১২-তে ওঠা আরও কঠিন হয়ে উঠবে। ‘নাটকে’র এখানেই ইতি নয়। বাংলাদেশের প্রতি দরদ ঠিক কতখানি উথলে উঠছে, তা ম্যাচ জিতলেই বোঝাতে চায় পাকিস্তান। কীভাবে? টুর্নামেন্টে নিজেদের প্রতিটি জয় বাদ পড়া বাংলাদেশকে উৎসর্গ করার পরিকল্পনা তাদের। এছাড়া কালো ব্যান্ড বেঁধে আইসিসির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ প্রদর্শন করতে পারে তারা।

    পাকিস্তানের ভূমিকায় ক্ষুব্ধ আইসিসি

    পাকিস্তানের হুঁশিয়ারি ভাল ভাবে নেয়নি জয় শাহের আইসিসি। নকভিরা বিশ্বকাপ বয়কট করলে কড়া পদক্ষেপ করতে পারে আইসিসি। আইসিসির সব সদস্য দেশই পাকিস্তানের অনভিপ্রেত হস্তক্ষেপে ক্ষুব্ধ। কারণ মূল সমস্যার সঙ্গে পাকিস্তানের কোনও যোগ নেই। প্রয়োজনে পাকিস্তানকে দীর্ঘ দিন সাসপেন্ড করে রাখার মতো কঠিন সিদ্ধান্তও নিতে পারে আইসিসি। পাকিস্তান যদি বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়ায়, তাহলে আইসিসি একাধিক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে—পাকিস্তানকে এশিয়া কাপ থেকে নিষিদ্ধ করা। সব ধরনের দ্বিপাক্ষিক সিরিজ বাতিল করা। পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) বিদেশি ক্রিকেটারদের খেলার জন্য এনওসি না দেওয়া হতে পারে।

    পিসিবির ভূমিকায় ক্ষুব্ধ বিসিসিআই

    বাংলাদেশকে বিশ্বকাপ থেকে আইসিসি ছাঁটাই করে দেওয়ার পর পাকিস্তানও জানিয়েছে, তারা খেলবে কি না ভেবে দেখবে। পিসিবির এই ভূমিকায় ক্ষুব্ধ বিসিসিআইও। ভারতীয় বোর্ডের সহ-সভাপতি রাজীব শুক্ল বলেছেন, ‘‘পাকিস্তান কোনও কারণ ছাড়াই হস্তক্ষেপ করছে। বাংলাদেশকে উস্কানি দিচ্ছে। সকলে জানে এক সময় বাংলাদেশের মানুষের উপর বর্বরতা চালিয়েছে পাকিস্তান। এখন আবার তাদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে পাকিস্তান। এটা সম্পূর্ণ ভুল। আমরা চেয়েছিলাম বাংলাদেশ বিশ্বকাপ খেলুক। আমরা নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার আশ্বাস দিয়েছিলাম। তা-ও ওরা নিজেদের সিদ্ধান্তেই অনড় থাকে। শেষ মুহূর্তে বিশ্বকাপের পুরো সূচি বদলে ফেলা অসম্ভব। সে কারণেই পরিবর্ত হিসাবে স্কটল্যান্ডকে সুযোগ দেওয়া হয়েছে।’’ উল্লেখ্য, আইসিসির বোর্ড মিটিংয়ে বাংলাদেশ ২-১৪ ব্যবধানে হেরে যায় বিশ্বকাপের ম্যাচ ভারত থেকে সরানোর দাবি নিয়ে ভোটাভুটিতে। বাংলাদেশ নিজেদের ভোট ছাড়া শুধু পাকিস্তানের সমর্থন পেয়েছিল। আইসিসির বোর্ড মিটিংয়ের আগে থেকেই অবশ্য টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ইস্যুতে বাংলাদেশের পাশে থেকেছে পাকিস্তান।

     

     

     

     

  • Padma Award: বিজয় অমৃতরাজকে পদ্মভূষণ; পদ্মশ্রী পাচ্ছেন রোহিত শর্মা ও হরমনপ্রীত কৌর

    Padma Award: বিজয় অমৃতরাজকে পদ্মভূষণ; পদ্মশ্রী পাচ্ছেন রোহিত শর্মা ও হরমনপ্রীত কৌর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের টেনিস কিংবদন্তি বিজয় অমৃতরাজকে মর্যাদাপূর্ণ পদ্মভূষণ সম্মানে (Padma Award) ভূষিত করা হয়েছে। অন্যদিকে, ভারতীয় ক্রিকেট দলের দুই আইকন—পুরুষ দলের অধিনায়ক রোহিত শর্মা এবং মহিলা দলের অধিনায়ক হরমনপ্রীত কৌরকে (Harmanpreet Kaur) পদ্মশ্রী পুরস্কারে সম্মানিত করা হয়েছে। রবিবার, ২৫ জানুয়ারি ২০২৬ সালের পদ্ম পুরস্কারের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ করেছে ভারত সরকার।

    ১৯৭৪ সালে অর্জুন পুরস্কার পান অমৃতরাজ (Padma Award)

    এ বছর ক্রীড়া জগত থেকে বিজয় অমৃতরাজ একমাত্র ব্যক্তিত্ব যিনি পদ্মভূষণ (ভারতের তৃতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান) অর্জন করেছেন। টেনিসে ভারতের অন্যতম পথিকৃৎ অমৃতরাজ  আগে অবশ্য ১৯৮৩ সালে পদ্মশ্রী (Padma Award) এবং ১৯৭৪ সালে অর্জুন পুরস্কার পেয়েছিলেন। পেশাদার টেনিস ক্যারিয়ারে তিনি দুবার উইম্বলডন এবং দুবার ইউএস ওপেনের কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে দেশের মুখ উজ্জ্বল করেছিলেন।

    ওয়ানডে বিশ্বকাপ জয়

    ভারতীয় ক্রিকেটের জন্য ২০২৫ সালটি ছিল স্মরণীয়। হরমনপ্রীত কৌরের (Harmanpreet Kaur) অসামান্য নেতৃত্বে ভারতীয় মহিলা দল দেশের মাটিতে আয়োজিত ওয়ানডে বিশ্বকাপ জয় করে ইতিহাস গড়ে। অন্যদিকে, রোহিত শর্মা ২০২৫ সালে টেস্ট ক্রিকেট থেকে অবসর নিলেও সীমিত ওভারের ক্রিকেটে ভারতের অন্যতম পরাক্রমী ও নির্ভরযোগ্য ব্যাটার হিসেবে নিজের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করে চলেছেন।

    মোট ১৩১ জন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে পদ্ম পুরস্কার

    কেন্দ্রীয় সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী, এ বছর বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য মোট ১৩১ জন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে পদ্ম পুরস্কারের (Padma Award) জন্য মনোনীত করা হয়েছে। যার মধ্যে ৫ জন পদ্মবিভূষণ, ১৩ জন পদ্মভূষণ এবং ১১৩ জন পদ্মশ্রী প্রাপক রয়েছেন। এই তালিকায় ১৯ জন নারী এবং ১৬ জন মরণোত্তর সম্মান প্রাপক অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। আগামী মার্চ বা এপ্রিল মাসে রাষ্ট্রপতি ভবনে আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে ভারতের রাষ্ট্রপতি এই সম্মাননাগুলি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রদান করবেন।

    পশ্চিমবঙ্গ থেকে কে কে পাচ্ছেন?

    পশ্চিমবঙ্গ থেকে পদ্ম সম্মান পাচ্ছেন মোট ১১ জন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন অভিনয় জগত থেকে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, শিল্পকলায় বিশেষ অবদানের জন্য নাট্যব্যক্তিত্ব হরিমাধব মুখোপাধ্যায়, তাঁতশিল্পী জ্যোতিষ দেবনাথ, তবলাবাদক কুমার বসু, কাঁথাশিল্পী তৃপ্তি মুখোপাধ্যায়, সন্তুর বাদক তরুণ ভট্টাচার্য। শিক্ষা ও সাহিত্য থেকে পেয়েছেন শ্রী অশোক কুমার হালদার, এছাড়াও গম্ভীর সিংহ ইয়নজন, মহেন্দ্রনাথ রায় ও রবিলাল টুডু। চিকিৎসা ক্ষেত্রে অবদানের জন্য পাচ্ছেন হৃদ্‌রোগের চিকিৎসক সরোজ মণ্ডল।

    ক্রীড়া ক্ষেত্রে ২০২৬ সালের পদ্ম পুরস্কার প্রাপকদের তালিকা:

    • বিজয় অমৃতরাজ – পদ্মভূষণ (টেনিস)
    • রোহিত শর্মা – পদ্মশ্রী (ক্রিকেট)
    • হরমনপ্রীত কৌর ভুল্লার – পদ্মশ্রী (ক্রিকেট)
    • সবিতা পুনিয়া – পদ্মশ্রী (হকি)
    • প্রবীণ কুমার – পদ্মশ্রী (প্যারা-অ্যাথলেটিক্স)
    • বলদেব সিং – পদ্মশ্রী (হকি কোচ)
    • ভগবানদাস রাইকর – পদ্মশ্রী
    • কে পাজনভেল – পদ্মশ্রী
    • ভ্লাদিমের মেস্তভিরিশভিলি – পদ্মশ্রী (মরণোত্তর – কুস্তি কোচ)
  • T-20 World Cup: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে ‘বিতাড়িত’! বাংলাদেশ ক্রিকেটকেও খাদের কিনারে আনল ইউনূস প্রশাসন

    T-20 World Cup: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে ‘বিতাড়িত’! বাংলাদেশ ক্রিকেটকেও খাদের কিনারে আনল ইউনূস প্রশাসন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশ ক্রিকেট বর্তমানে এমন একটি জায়গায় দাঁড়িয়ে, এখান থেকে ফেরা সহজ নয়। ভারত-বিদ্বেষে অন্ধ কট্টরপন্থীদের তোয়াজ করতে গিয়ে দেশের ক্রিকেটকে গাঢ়় অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (BCB)। টি-২০ বিশ্বকাপ শুধুই একটি টুর্নামেন্ট নয়, আইসিসি-র-র এমন একটি মঞ্চ, যেখানে ক্রিকেট বিশ্বে একটি দেশের, একটি দলের ভবিষ্যত্‍ তৈরি হয়। আর সেই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে ‘বিতাড়িত’ বাংলাদেশ। তাদের পরিবর্ত হিসেবে স্কটল্যান্ডকে সুযোগ দিল আইসিসি। ভারতে বিশ্বকাপ খেলতে আসা নিয়ে নিজেদের জেদ বজায় রেখেছে বাংলাদেশ। একাধিক বৈঠক, আল্টিমেটামের পরেও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচ খেলতে জাতীয় দলকে ভারতে না পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। তাই বিশ্বকাপে তাদের অংশগ্রহণ করতে দেওয়া হল না। টুর্নামেন্টের মূল তালিকা থেকে বাংলাদেশের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে বাদ দিয়ে গ্রুপ ‘সি’ তে জায়গা দেওয়া হল স্কটল্যান্ডকে। শনিবার, ২৪ জানুয়ারি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে (বিসিবি) ইমেল পাঠিয়ে সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহের নেতৃত্বে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    আইসিসি-র প্রোটোকল ভঙ্গ

    টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তার জেরে আলোচনার পর বিসিবির অবস্থান স্পষ্ট না হওয়ায় আইসিসি শেষ পর্যন্ত বিকল্প পথ বেছে নেয়। বিসিবির পক্ষ থেকে আইসিসির ‘ডিসপিউট রেজোলিউশন’ কমিটির কাছে আপিল করা হলেও কমিটি জানিয়ে দেয়, এ সিদ্ধান্ত পর্যালোচনার ক্ষমতা তাদের নেই। আইসিসির এক গোপন সূত্র জানায়, নির্ধারিত ২৪ ঘণ্টার ডেডলাইনের মধ্যে বিসিবি আনুষ্ঠানিক ভাবে জানায়নি দল ভারত সফর করবে কি না। উল্টে ঢাকায় সংবাদ সম্মেলন করে অবস্থান জানানোর কারণে প্রোটোকল ভঙ্গ হয়েছে এ অভিযোগও উঠে আসে। ফলে আইসিসি আর অপেক্ষা না করে বিকল্প দল নির্ধারণের পথেই হাঁটে।

    এই সিদ্ধান্ত সংগঠনিক

    বিসিবি চূড়ান্তভাবে নিরাপত্তা শঙ্কার কারণ দেখিয়ে বিশ্বকাপে ভারত সফর না করার কথা জানায়। এর ফলে সময় নষ্ট না করে স্কটল্যান্ডকে বাংলাদেশের জায়গায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়। টুর্নামেন্ট শুরু ১৫ দিনেরও কম সময় বাকি থাকায় এই সিদ্ধান্ত সংগঠনিক দিক থেকেও অনেকটাই সুবিধাজনক বলে মনে করেন আইসিসি কর্তারা। আরও একটি ঘটনা বড় প্রভাব ফেলেছে এ ক্ষেত্রে। আইসিসি-কে আনুষ্ঠানিক ভাবে কিছু জানানোর আগেই ঢাকায় একটি সাংবাদিক বৈঠক করে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। সেখানেই বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে না যাওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেন ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলামও জানান, তাঁরা বিশ্বকাপের ম্যাচ শ্রীলঙ্কাতেই খেলতে চান। এই ঘটনার ফলে আইসিসি-র নিয়ম ভঙ্গ করে বাংলাদেশ। সে কারণেই কড়া পদক্ষেপ আইসিসি-র। বাংলাদেশকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে বিশ্বকাপ থেকে তাদের বাদ দেওয়ার বিষয়ে। স্কটল্যান্ডকেও জানানো হয়েছে বিশ্বকাপে সুযোগ পাওয়ার কথা।

    বাংলাদেশের সূচি অনুযায়ী খেলবে স্কটল্যান্ড

    স্কটল্যান্ড সরাসরি বাংলাদেশের সূচি অনুযায়ী গ্রুপ ‘সি’তে খেলবে। তাদের প্রথম ম্যাচ ৭ ফেব্রুয়ারি কলকাতায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে। এরপর ৯ ফেব্রুয়ারি ইতালি এবং ১৪ ফেব্রুয়ারি ইংল্যান্ডের মুখোমুখি। ১৭ ফেব্রুয়ারি মুম্বইয়ে নেপালের বিপক্ষে খেলবে ইউরোপের প্রতিনিধিরা। যোগ্যতা অর্জনের মানদণ্ডে স্কটল্যান্ডই ছিল সবচেয়ে এগিয়ে আইসিসি টি ২০ র‌্যাঙ্কিংয়ের ভিত্তিতে এখনো বিশ্বকাপে জায়গা না পাওয়া দলগুলির মধ্যে তাদের অবস্থান ছিল সর্বোচ্চে। পাশাপাশি সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সেও পূর্ণ সদস্যদের বিরুদ্ধে স্কটল্যান্ডের লড়াকু ধারাবাহিকতা আইসিসির সিদ্ধান্তকে আরও যুক্তিযুক্ত করে।

    বাংলাদেশ ক্রিকেটের ভবিষ্যত

    ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বল গড়াবে। তার আগে বাংলাদেশের ভেন্যু নিয়ে চলছিল টালবাহানা। নিরাপত্তার আশঙ্কায় ভারতে না খেলার ব্যাপারে অনড় ছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলও ছাড় দেয়নি বাংলাদেশকে। আইসিসিও বাংলাদেশের ভেন্যু ভারত থেকে সরাতে নারাজ ছিল। আইসিসি বোর্ডের সভায় ভোটাভুটিতে হারও মেনেছিল বাংলাদেশ। বুধবার আইসিসি একপ্রকার আলটিমেটাম দিয়ে রেখেছিল বাংলাদেশকে। বাংলাদেশ যদি ভারতের মাটিতে এসে না খেলে তাহলে তাদের পরিবর্তে বিশ্বকাপে ঢুকে যাবে স্কটল্যান্ড। আদতে তাই হল। বিশ্বকাপে মাঠে নামার আগেই স্বপ্ন শেষ হয়ে গেল বাংলাদেশের!

    বাংলাদেশ ক্রিকেটের কী হবে

    ক্রিকেটে নিজেদের রাজনৈতিক ও কট্টরপন্থী অ্যাজেন্ডাকে চরিতার্থ করতে, বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের গাঢ় অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিল বিসিবি। ইউনূস সরকার পাকিস্তানের সঙ্গে বন্ধুত্বে মশগুল হয়ে বিসিবি-কে বলে দিল, ভারতে গিয়ে খেলা যাবে না। বিসিবি-রও হাত-পা বাঁধা। প্লেয়ারদের কী হবে? বাংলাদেশ ক্রিকেটের কী হবে? বাংলাদেশ এখনও পর্যন্ত কোনও আইসিসি টুর্নামেন্ট ট্রফি জেতেনি। ২০০০ সালে টেস্ট ক্রিকেটে ঠাঁই পেয়েছিল জগমোহন ডালমিয়ার (তত্‍কালীন আইসিসি সভাপতি) দয়ায়। টি-২০ বিশ্বকাপ বয়কট মানে বাংলাদেশের ক্রিকেট অর্থনীতিতে বিরাট ক্ষত। স্পনসররা বিদায় নেবে, র‍্যাঙ্কিং পড়ে যাবে, ভবিষ্যতের টুর্নামেন্টগুলিও অনিশ্চিত।

    বাংলাদেশ ক্রিকেটের আত্মহত্যা!

    সবচেয়ে বড় আঘাত হল, ২০৩১ সালে ভারত ও বাংলাদেশ যৌথভাবে বিশ্বকাপ আয়োজন করার কথা। সেই স্বপ্নও চুরমার হয়ে গেল। বেসিক্যালি, বাংলাদেশ ক্রিকেটকে কবর দেওয়ার সব রকম বন্দোবস্ত করে ফেলল ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বিতর্কের আবহ ২০৩১ সালের একদিনের বিশ্বকাপ পর্যন্ত গড়াতে পারে। এই আশঙ্কা আইসিসি-র কর্তাদেরই। তাঁদের বক্তব্য, বিশ্বকাপের মতো মঞ্চের কোনও ব্যাক আপ হয় না। বাংলাদেশের সিনিয়র ক্রিকেট সাংবাদিক শান্ত মাহমুদের সতর্কবার্তা, বয়কটের সিদ্ধান্ত ক্রিকেটারদের মানসিক অবস্থা এবং কেরিয়ারের ওপর গুরুতর প্রভাব ফেলতে পারে। তাঁর মতে, এত বড় মাপের একটি প্রতিযোগিতায় অংশ না নিতে পারলে খেলোয়াড়দের আত্মবিশ্বাসে বড় ধাক্কা লাগতে পারে এবং কেরিয়ারের অগ্রগতিও থমকে যেতে পারে। বিশ্ব ক্রিকেটে স্থান পাওয়া কঠিন, কিন্তু হারানো খুব সহজ। বাংলাদেশ বর্তমানে সেই প্রান্তে দাঁড়িয়ে। যদি বাংলাদেশের কাছ থেকে বিশ্বকাপের আয়োজনও হাতছাড়া হয় , তাহলে তা খেলার কাছে নয়, রাজনীতির কাছে হারা হবে।

  • T20 World Cup: ভারতের মাটিতে টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে আসবে না, জানালেন আসিফ নজরুল

    T20 World Cup: ভারতের মাটিতে টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে আসবে না, জানালেন আসিফ নজরুল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্রিকেট খেলাতেও ভারত বিদ্বেষী মনোভাব ইউনূস সরকারের। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছে, ভারতের মাটিতে টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ (T20 World Cup) খেলতে আসবে না বাংলাদেশ। বাংলাদেশ ক্রিকেট দল এবং বোর্ডের সঙ্গে বৈঠক করেন যুব ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। তারপর তাঁর সিদ্ধান্তের কথা বলেন। ওই দেশে অন্তর্বর্তী সরকার গঠন হয়েছিল হাসিনা বিদ্বেষী মনোভাব থেকে। তবে এখন এই বিদ্বেষ (Bangladesh Cricket Board) শুধু হাসিনা পর্যন্ত থেমে নেই, প্রথমত পাকিস্তানের আইএসআই প্রীতি এবং দ্বিতীয়ত ভারত বিরোধীর পর্যায়ে উন্নীত হয়েছে। ক্রিকেটের ময়দানেও ভারত বিরোধিতা অন্তর্বর্তী সরকারের অন্যতম পদক্ষেপ।

    খুব একটা নিরাপদ নয় (T20 World Cup)

    আফিস নজরুল বলেন, “বাংলাদেশের জাতীয় দল ক্রিকেট এবং বোর্ডের সঙ্গে আমরা বৈঠক করেছি। আমরা চেয়েছি টি ২০ বিশ্বকাপ (T20 World Cup) ম্যাচ খেলতে। এই সুযোগকে আমরা হাত ছাড়া করতে চাই না। ভারতের মাটিতে খেলা আমাদের জন্য খুব একটা নিরাপদ নয়। নিরাপত্তার যে অভাব রয়েছে তা স্পষ্ট। এটা কোনও বায়বীয় বিশ্লেষণ নয়, সত্যতার নিরিখে ভাবা হয়েছে। আমাদের একজন সেরা ক্রিকেটারকে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড ভারত থেকে বার করে দিতে বলা হয়েছে। আবার বিশ্বকাপ (Bangladesh Cricket Board) ওই দেশেই হচ্ছে।”

    একজন ক্রিকেটারও নিরাপত্তা পায়নি

    যদিও আইসিসি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে জানিয়েছিল, ভারতে খেলার ক্ষেত্রে নিরাপত্তার কোনও ঝুঁকি নেই। তবে নজরুল বলেন, “আইসিসি যতই বলুক, যে দেশে আমাদের একজন ক্রিকেটারও নিরাপত্তা পায়নি, সেই দেশেই তো বিশ্বকাপ হচ্ছে। সেই দেশের পুলিশেরই তো দায়িত্ব থাকবে বিশ্বকাপে (T20 World Cup) নিরাপত্তা দেওয়ার। ভারতে এমন কী বদল হয়েছে যাতে আমাদের মনে হবে যে, বিশ্বকাপে আমাদের দলের ক্রিকেটার, গণমাধ্যমের কর্মী ও সমর্থকদের নিরাপত্তা দিতে পারবে। আইসিসি আসল ঘটনা বাদ দিয়েছে। ভারত সরকারের পক্ষ থেকেও আমাদের কিছু বলা হয়নি। তাই আমাদের সিদ্ধান্ত বদলের কোনও জায়গা নেই।”

    আসিফ নজরুল অবশ্য আইসিসিকে বাংলাদেশের (Bangladesh Cricket Board) সমস্ত ম্যাচ শ্রীলঙ্কায় করার অনুরোধ জানিয়েছেন। তবে বাংলাদেশ যদি নিজের অবস্থানে অবিচল থাকে তাহলে হয়তো সব চেয়ে বেশি আর্থিক ক্ষতি বাংলাদেশেরই হবে। আইপিএল থেকে বাংলাদেশি খেলোয়াড়ের নাম বাদ পড়ার পর থেকেই দর কষাকষি শুরু হয়। আগামী দিনে ভারত বিদ্বেষী মনোভাব বাংলাদেশকে আরও চরম মাশুল দিতে হয় কিনা তাই এখন দেখার।

LinkedIn
Share