Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Mithun Chakraborty: ট্রেলার দেখিয়েছে বাংলাদেশ! এক হোন হিন্দু বাঙালিরা, আহ্বান মিঠুনের

    Mithun Chakraborty: ট্রেলার দেখিয়েছে বাংলাদেশ! এক হোন হিন্দু বাঙালিরা, আহ্বান মিঠুনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ট্রেলার দেখিয়েছে বাংলাদেশ! হিন্দু বাঙালিরা এক হোন। ঠিক এই ভাষাতেই হিন্দু ঐক্যের (Hindu Unity) আহ্বান জানালেন মিঠুন চক্রবর্তী (Mithun Chakraborty)। বৃহস্পতিবার রাজ্যে বিজেপির একটি দলীয় কর্মসূচিতে হাজির ছিলেন মিঠুন চক্রবর্তী। এই সভায় যোগদান করে হিন্দু বাঙালিদের উদ্দেশে সতর্কবার্তাও দিলেন অভিনেতা। এদিন মিঠুন চক্রবর্তীর ভাষণে ছিল আগাগোড়াই হিন্দুত্বের ছোঁয়া। অভিনেতা বলেন, ‘‘আমি কিন্তু বলি, গর্ব করে বলো যে আমি সনাতনী। আমরা সনাতনী। যদি ভগবান সনাতনী হিসাবে জন্ম দিয়ে থাকেন তাহলে মরব সনাতন হিসাবে। কিন্তু অন্য হাতে ওই ভাবে মার খেয়ে মরব না।’’

    বারাকপুরের বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা আয়োজন করে বসন্ত উৎসব

    এদিন সন্ধ্যায় নিউ বারাকপুরের কৃষ্টি ভবনে বারাকপুর লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা মিলে আয়োজন করেছিলেন বসন্ত মিলন অনুষ্ঠান। সেখানেই মিঠুন চক্রবর্তী (Mithun Chakraborty) বলেন, ‘‘বাংলাদেশ ট্রেলার দেখিয়ে দিয়েছে। যদি না জিততে পারেন তাহলে পশ্চিমবাংলায় হিন্দু বাঙালি বলে কেউ থাকবে না। এখনও ৯ শতাংশ হিন্দু আমাদের ভোট দেন না। এবার ওরা জিতে এলে কিন্তু নির্বংশ করে দেবে।’’ প্রসঙ্গত, এদিন অনুষ্ঠানের প্রধান বক্তা হিসেবে হাজির ছিলেন মিঠুন। এছাড়াও বারাকপুরে বিজেপির এই দলীয় কর্মসূচিতে হাজির ছিলেন অভিনেতা রুদ্রনীল ঘোষ সমেত ওই লোকসভা কেন্দ্রের বিভিন্ন মন্ডল ও জেলাস্তরের বিজেপি নেতা-কর্মী-সমর্থকরা।

    অন্য দলের হিন্দুরা কী করবেন, না – করবেন আমরা জানি না

    মিঠুনের (Mithun Chakraborty) সভা ঘিরে কর্মী সমর্থকদের মধ্যে আগ্রহ ছিল একেবারে তুঙ্গে। গোটা সভাগার ছিল ভর্তি। সভা মঞ্চ থেকে এদিন মিঠুন চক্রবর্তী বলেন, ‘‘অন্য দলের হিন্দুরা কী করবেন, না করবেন আমরা জানি না। কিন্তু বিজেপির হিন্দু বাঙালিরা থাকবে না, এটা কিন্তু মনে করে চলবেন। এরা তৈরি হয়ে বসে আছে, আবার যদি জিতে আসি, নির্বংশ করে দেব। সেজন্য কিছু না ভেবে জিতুন।’’ রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, সাম্প্রতিক বাংলাদেশে যেভাবে সংখ্যালঘু সমাজের ওপর আক্রমণ আঘাত নেমে এসেছে তাতে উদ্বিগ্ন হয়েছে বিভিন্ন মহল। প্রশ্ন উঠেছে ইউনূস জমানার আইন-শৃঙ্খলার পরিস্থিতি নিয়েও। এই আবহে নিজের ভাষণে মিঠুন, মমতা ও ইউনূসের শাসনকে এক করে দেখাতে চাইলেন।

    এখনও ৯ শতাংশ হিন্দু ভোট দেয় না, আমি চিৎকার করে অনুরোধ করছি, এবার ভোট দিন

    বারাকপুরে দলীয় কর্মসূচি শেষ করে মিঠুন চক্রবর্তী (Mithun Chakraborty) সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন। তিনি বলেন, ‘‘এখনও ৯ শতাংশ হিন্দু ভোট দেয় না। আমি চিৎকার করে তাঁদের অনুরোধ করছি, এবার ভোট দিন। বাংলাদেশ একটা ট্রেলার দেখিয়েছে আপনাদের। এর পর পশ্চিমবঙ্গে হিন্দু বাঙালি থাকবে কি না তা নিয়ে আমার মনে প্রশ্ন আছে। এটা আমাদের অস্তিত্বের লড়াই। যে ৯ শতাংশ হিন্দু এখনও ভোট করে না, তাঁদের অনুরোধ করছি, এবার ভোট করুন। নইলে আসন্ন নির্বাচনে, যদি আমরা জিততে না পারি, তাহলে হিন্দু বাঙালি যাঁরা রয়েছেন, তাঁদের জন্য খুবই কষ্টের দিন আসতে চলেছে। খুব সাবধানে থাকুন। কারণ যে সব মিটিং চলছে সেগুলো আপনারা খবর রাখেন না। প্রকাশ্যে সেটা বলতে পারব না। বিজেপি বিরোধী দলগুলো যে মিটিং করছে শুনলে গায়ে কাঁটা দেবে। কিছুদিন পর সব বেরিয়ে যাবে মার্কেটে। বেরিয়ে আসুন, ভোট দিন। এটা আমাদের অস্তিত্বের লড়াই।’’

    হিন্দু ঐক্যের আহ্বান জানিয়ে মাঠে নেমেছে গেরুয়া শিবির, তারই প্রতিধ্বনি মহাগুরুর গলায়!

    বছর ঘুরলেই বিধানসভা ভোট। এই আবহে হিন্দু ঐক্যের আহ্বান জানিয়ে মাঠে নেমেছে গেরুয়া শিবির। কলকাতার পাশাপাশি একাধিক জেলা, শহরতলিতে হিন্দু হিন্দু ভাই ভাই পোস্টারও সামনে এসেছে। একইসঙ্গে গেরুয়া শিবিরের একাধিক সভায় বার্তা দেওয়া হয়েছে হিন্দু ঐক্যের। দিনকয়েক পরেই রয়েছে রামনবমী। সেই রামনবমীকে কেন্দ্র করে চড়ছে বঙ্গ রাজনীতির পারদ। এবারের রামনবমীকে কেন্দ্র করে রেকর্ড সংখ্যক ভিড় হতে পারে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। রামনবমীর উৎসবকে সফল করতে কোমর বেঁধে নেমেছে গোটা সংঘ পরিবার। গতকাল বৃহস্পতিবারই হাইকোর্টের অনুমতি নিয়ে বারুইপুরে সভা করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। সেখানেও তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছে রামনবমী নিয়ে। বারুইপুরের সভা থেকেই ভালো করে রামবনবমী পালনের বার্তা দিয়েছেন বিরোধী দলনেতা। তিনি বলেন, হিন্দুরা জেগে গেছেন। এবার বড় করে রামনবমী হবে, তারপর পালন করা হবে হনুমান জয়ন্তী। ঠিক এই আবহে হিন্দু ঐক্যের বার্তা দিয়ে বক্তব্য রাখতে শোনা গেল মিঠুন চক্রবর্তীকেও (Mithun Chakraborty)।

  • Malda: মালদার মোথাবাড়িতে হিংসা, তৃণমূল সরকারকে একযোগে নিশানা শুভেন্দু-সুকান্ত-মালব্যর

    Malda: মালদার মোথাবাড়িতে হিংসা, তৃণমূল সরকারকে একযোগে নিশানা শুভেন্দু-সুকান্ত-মালব্যর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মালদার (Malda) মোথাবাড়িতে হিংসা ছড়িয়েছে বলে খবর। ইতিমধ্যে বেশ কিছু ভিডিও সমাজ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। এগুলির সত্যতা অবশ্য যাচাই করেনি মাধ্যম। এই ভিডিওগুলিতে দাবি করা হয়েছে যে উগ্র মৌলবাদী গোষ্ঠী হিন্দুদের দোকান এবং ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানগুলিকে বেছে বেছে হামলা চালাচ্ছে। এই আবহে মোথাবাড়ি ইস্যুতে প্রতিবাদ জানিয়েছে বঙ্গ বিজেপি। এ নিয়ে সরব হয়েছেন বঙ্গ বিজেপির নেতৃত্ব (West Bengal)। মোথাবাড়ি হিংসার ঘটনায় তৃণমূল সরকারকে কাঠগড়ায় তুলেছে বিজেপি নেতৃত্ব। একযোগে মমতা সরকারের বিরুদ্ধে সংখ্যালঘু তোষণের অভিযোগ এনেছেন শুভেন্দু-সুকান্ত-মালব্য। সাংবাদিকদের সামনে দেওয়া এক বিবৃতিতে পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেন, বৃহস্পতিবার বেলা ১টা নাগাদ লুট ও হিংসা শুরু করে মৌলবাদীরা।

    গ্রেটার বাংলাদেশের অভিসন্ধি ক্রমশই প্রকাশ্যে, মমতাকে তোপ সুকান্তর

    বৃহস্পতিবার সন্ধ্যাতেই একটি ভিডিও পোস্ট করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। সমাজমাধ্যমে ওই ভিডিও পোস্ট করে তৃণমূল সরকারকে নিশানা করেন কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী। সুকান্তর দাবি, ‘‘ব্যর্থ মুখ্যমন্ত্রী তাঁর গ্রেটার বাংলাদেশ তৈরির গোপন অভিসন্ধি ক্রমশই সফল করে তুলছেন।’’ সুকান্ত মজুমদারের ওই পোস্ট করা ভিডিওতে বেশ কিছু যুবককে ধর্মীয় পতাকা নিয়ে মিছিল করতে দেখা যাচ্ছে। তারপরেই ওই ভিডিও-তে দেখা যাচ্ছে রাস্তার পাশে দোকানের ভাঙা শেড।

    হিন্দুদের ঘরবাড়ি আক্রমণ করা হয়েছে, ভাঙচুর হয়েছে গাড়ি, দাবি সুকান্তর

    ভিডিওটি পোস্ট করে সুকান্তবাবু লিখেছেন, ‘‘তোষণসর্বস্ব ব্যর্থ পশ্চিমবঙ্গের (West Bengal) মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যের হিন্দুদের অস্তিত্ব ক্রমশ আশঙ্কার দিকে ঠেলে দিচ্ছেন। এই ভয়াবহ ছবি আজকের দক্ষিণ মালদার মোথাবাড়ি (Malda) অঞ্চলের চৌরঙ্গী মোড়ের। এখনও পর্যন্ত কমপক্ষে হিন্দুদের ৬০-৭০ টি দোকান ভেঙে লুট করা হয়েছে, হিন্দুদের ঘরবাড়ি আক্রমণ করা হয়েছে এবং মূল রাস্তায় দখল নিয়ে যথেচ্ছাচারে গাড়ি ভাঙচুর করা হচ্ছে। এলাকার হিন্দুরা ত্রস্ত, আতঙ্কিত কিন্তু এলাকায় কোনও পুলিশের দেখা নেই! সংখ্যালঘু তোষণ করতে করতে রাজ্যের ব্যর্থ মুখ্যমন্ত্রী তাঁর গ্রেটার বাংলাদেশ তৈরির গোপন অভিসন্ধি ক্রমশই সফল করে তুলছেন। বাংলার নিপীড়িত অসহায় হিন্দুরা সম্মিলিত হয়ে এই অন্যায় তোষণ নীতির প্রতিশোধ নেবেন ২০২৬-এ।’’

    পুলিশকেও কাঠগড়ায় তুলেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি

    নিজের সমাজমাধ্যমের পোস্টে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশকেও তুলোধনা করেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তাঁর দাবি, মোথা বাড়িতে যখন ভয়ঙ্করভাবে হিংসা ছড়িয়েছে, তখনই পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ আশ্চর্যজনকভাবে নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছে। কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রীর আরও দাবি, ‘‘এটাই হল (মালদার মোথাবাড়ি হিংসা) নির্লজ্জ তোষণের রাজনীতির মূল্য। হিন্দুদের প্রতি অত্যাচার।’’

    মোথাবাড়ির ঘটনায় পুলিশকে নিধিরাম সর্দার বলে কটাক্ষ শুভেন্দুর

    অন্যদিকে, এই ঘটনার প্রতিবাদে সরব হতে দেখা গিয়েছে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকেও। তিনি একটি ভিডিও পোস্ট করে লিখেছেন, ‘‘তোষণবাজ মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যের হিন্দুদের অস্তিত্ব বিপন্ন করে তুলছেন। মালদা জেলার মোথাবাড়ি (Malda) অঞ্চলে বেছে বেছে হিন্দুদের দোকানপাট ভাঙচুর ও লুট করা হয়েছে। মূল রাস্তা দখল করে জেহাদিরা যথেচ্ছাচারে কি ভাবে গাড়ি ভাঙচুর করছে দেখুন। জেহাদিদের সামনে পড়ে ‘নিধিরাম সর্দারের’ ভূমিকায় অবতীর্ণ হওয়া মমতা পুলিশ কে দেখুন, হাত জোড় করে যেনো করুণা প্রার্থনা করছে !’’

    আইনি পথেই মোকাবিলা করা হবে, বললেন বিরোধী দলনেতা

    প্রসঙ্গত, সাম্প্রতিক অতীতে গোষ্ঠী সংঘর্ষের কারণে খবরের শিরোনামে এসেছে পশ্চিমবঙ্গের একাধিক এলাকা। নিজের সমাজমাধ্যমে করা পোস্টে ওই অঞ্চলগুলির নামও তুলে ধরেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক। এনিয়ে শুভেন্দু অধিকারী নিজের পোস্টে লিখেছেন, ‘‘তবে আমিও প্রতিজ্ঞা করলাম, এর শেষ দেখে ছাড়ব। আইনি পথে যেমন হাওড়া, শ্রীরামপুর, ডালখোলা, খিদিরপুর, রিষড়া, মোমিনপুরের জেহাদিদের বাগে এনেছি ঠিক একই ভাবে এদের কেও শিক্ষা দেবো।’’

    মমতা সরকারকে তীব্র আক্রমণ বিজেপির আইটি সেল প্রধান অমিত মালব্যর

    বিজেপি আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্যও নিজের সমাজমাধ্যমের পোস্টে একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন। এই ভিডিও মোথাবাড়ির সাম্প্রদায়িক হিংসার সাথে বলে দাবি করেছেন তিনি নিজের পোস্টে। এক্স মাধ্যমে ওই ভিডিওটি পোস্ট করে মালব্য লিখেছেন, ‘‘দক্ষিণ মালদার মোথাবাড়িতে সাম্প্রদায়িক হিংসা চলছে। উগ্র মৌলবাদীরা রাস্তায় তাণ্ডব চালাচ্ছে। বেছে বেছে হিন্দু বাড়ি, দোকান এবং গাড়িতে আক্রমণ করা হচ্ছে। কিন্তু, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লন্ডনে ঘুরে বেড়াচ্ছেন, নিজের রাজ্যের এমন ভয়ঙ্কর ঘটনার প্রতি তিনি উদাসীন।’’

  • Sukanta Majumdar: যাদবপুরে ইফতার সেকুলার, সরস্বতী পুজো সাম্প্রদায়িক? বাম-তৃণমূলকে আক্রমণ সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: যাদবপুরে ইফতার সেকুলার, সরস্বতী পুজো সাম্প্রদায়িক? বাম-তৃণমূলকে আক্রমণ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে ইফতার পার্টির ভিডিও ঘিরে জোর বিতর্ক শুরু হয়েছে রাজ্যজুড়ে। উঠেছে একাধিক প্রশ্ন। এবার এই আবহে ভিডিও পোস্ট করে বাম-তৃণমূলকে একযোগে তীব্র আক্রমণ করলেন বঙ্গ বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তাঁর দাবি, বিশ্ববিদ্যালয়ে (Jadavpur University) সরস্বতী পুজোর কথা উঠলে ধর্মীয় মেরুকরণের অভিযোগ ওঠে। আর এই সব ক্ষেত্রে (ইফতার) ছদ্ম ধর্মনিরেপক্ষতা। প্রসঙ্গত, যাদবপুরে বামপন্থী পড়ুয়াদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে সরস্বতী পুজো করতে না দেওয়ার। এনিয়ে সুকান্তর (Sukanta Majumdar) মন্তব্য, ইফতার পার্টি কি সেকুলার, আর সরস্বতী পুজো সাম্প্রদায়িক! সুকান্ত মজুমদারের দাবি, হিন্দু বিরোধী মতাদর্শে বাম এবং তৃণমূল একজোট হয়েছে।

    কী লিখলেন সকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)?

    নিজের এক্স মাধ্যমে ভিডিও পোস্ট করে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) লেখেন, ‘‘এটাই লিবারাল বামপন্থীদের মুক্তচিন্তার অন্যতম প্রাণকেন্দ্র যাদবপুর! বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে যেখানে বাগদেবী মা সরস্বতীর আরাধনার কথা হলে ধর্মীয় মেরুকরণের অভিযোগ ওঠানো সিউডো-সেক্যুলারদের ভ্রু কুঞ্চিত হয় কিন্তু এসব কেবলই ধর্মনিরপেক্ষতা মাত্র।’’ বিজেপির রাজ্য সভাপতির আরও সংযোজন, ‘‘সম্প্রতি বাংলাদেশকে দেখে অনুপ্রাণিত হওয়া তৃণমূল পন্থীদের কাছেও বাড়তি অক্সিজেন! সনাতন হিন্দু বিরোধী মতাদর্শ অক্ষুন্ন রেখে বাম-তৃণমূল অজৈব জোটের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানে দেবী সরস্বতীর প্রবেশ নিষিদ্ধ কিন্তু এসবে মুখে কুলুপ।’’

    সংসদের বাইরেও এই ইস্যুতে সরব হয়েছেন সুকান্ত

    নিজের এক্স মাধ্যমে পোস্টের পাশাপাশি এই ইস্যুতে সংসদের বাইরেও সরব হন কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। সংসদের বাইরে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘‘তৃণমূল এবং বামপন্থীরা কতটা হিপোক্রিট, এটা তার প্রমাণ। যারা সরস্বতী পুজো হতে দেয় না, তারা সর্বতোভাবে সাহায্য করে। এখানে কিন্তু দু’জনের মধ্যে কোনও শত্রুতা নেই! একসঙ্গে মিলে করছে। সব ছদ্ম সেকুলাররা একসঙ্গে ইফতার পার্টি করছে। ইফতার পার্টি কি সেকুলার, আর সরস্বতী পুজো সাম্প্রদায়িক। এরা কমিউনিস্ট সেজে থাকে। এই কি ধর্মনিরপেক্ষতা! এদের একটাই কাজ, ইসলামিকরণ, জেহাদিকরণ।’’

  • Suvendu Adhikari: ওবিসি সংরক্ষণের নামে কেন মুসলিমদের বাড়তি সুবিধা? প্রশ্ন শুভেন্দুর, যাচ্ছেন হাইকোর্টে

    Suvendu Adhikari: ওবিসি সংরক্ষণের নামে কেন মুসলিমদের বাড়তি সুবিধা? প্রশ্ন শুভেন্দুর, যাচ্ছেন হাইকোর্টে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওবিসি সংরক্ষণ নিয়ে মমতা সরকারকে ফের একবার তোষণ ইস্যুতে তোপ দাগলেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বুধবার তিনি এক সাংবাদিক বৈঠকে বলেন, ‘‘পশ্চিমবঙ্গ সরকার সংবিধান মেনে কাজ করছে না এবং ওবিসি সমীক্ষার নামে একটি বিশেষ সম্প্রদায়কে অতিরিক্ত সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে।’’ এর বিরুদ্ধে তিনি হাইকোর্টে (Calcutta High Court) মামলা করবেন বলেও জানিয়েছেন। শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘‘ওবিসির রি-সার্ভে করতে হলে সবার হওয়া উচিত। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, বাংলা সহায়তা কেন্দ্র, আশা কর্মী এবং আইসিডিএস কর্মীদের দিয়ে শুধুমাত্র মুসলিমদের সার্ভে করানো হচ্ছে। এমনকি ইমামদের পরামর্শ অনুযায়ী এই সমীক্ষা পরিচালিত হচ্ছে।’’ এর আগে, রাজ্যে ওবিসি সার্টিফিকেট পদ্ধতি মেনে দেওয়া হয়নি এই অভিযোগ তুলে হাইকোর্টে মামলা দায়ের হয়েছিল। সেই মামলার প্রেক্ষিতে গত বছর বিরাট রায় দেয় হাইকোর্ট। ২০১০ সালের ২২ মে পর থেকে জারি করা রাজ্যের সমস্ত ওবিসি সার্টিফিকেট বাতিল ঘোষণা করে হাইকোর্ট। এই রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় মমতার সরকার। সেখানে এই মামলা এখন বিচারাধীন।

    মুসলিমদের বিশেষ সুবিধা দেওয়ার নামে রাজ্যের কর্মসংস্থানের সুযোগ ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে

    বুধবারের সাংবাদিক বৈঠকে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) আরও জানান, মামলায় জাতীয় ওবিসি কমিশনকে অন্তর্ভুক্ত করার আবেদনও আদালতে জানানো হবে। বিরোধী দলনেতার মতে, এই বিষয়টি স্বচ্ছতার সঙ্গে তদন্ত করা দরকার। শুভেন্দু অধিকারীর মতে, রাজ্যে সীমিত কর্মসংস্থানের সুযোগ রয়েছে, তবে ওবিসি সংরক্ষণের জটিলতার কারণে তা আরও বাধাগ্রস্ত হয়েছে। বিরোধী দলনেতার কথায়, ‘‘ওবিসিতে মুসলিমদের বিশেষ সুবিধা দেওয়ার নামে রাজ্যের কর্মসংস্থানের সুযোগ ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। শুধু চাকরি নয়, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেও ভর্তির ক্ষেত্রে সমস্যা তৈরি হচ্ছে। এর ফলে হিন্দু ওবিসিরা আরও বেশি ক্ষতির মুখে পড়ছে।’’

    মুসলিম জনগোষ্ঠীকে বিপথে চালিত করেছেন মুখ্যমন্ত্রী

    এই বিষয়ে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে আরও আক্রমণ শানিয়ে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, ‘‘রামনবমীর পর রাজ্যজুড়ে হিন্দু ওবিসিদের বাঁচাও কর্মসূচি পালন করা হবে। সরকার শুধু সার্টিফিকেট দিচ্ছে, কিন্তু চাকরি দিচ্ছে না। ধর্মীয় মেরুকরণের মাধ্যমে তুষ্টিকরণের রাজনীতি করছে। এজন্যই আমরা এই সরকারকে ‘মুসলিম লিগ-২’ বলে থাকি!’’ বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) মমতা সরকারের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ এনে বলেন, ‘‘মুসলিম জনগোষ্ঠীকে বিপথে চালিত করেছেন উনি, তাঁদের ভুল বুঝিয়েছেন, তাঁরা জেনারেল ক্যাটাগরিতে তাঁদের যে শিক্ষিত যুবক-যুবতীরা আছে, মেধা নিয়ে লড়াই করতে পারত, যাদের মেধা আছে, শিক্ষা আছে, তাঁদেরকে মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায় ভোট ব্যাঙ্কের রাজনীতির স্বার্থে ললিপপ ধরিয়েছিলেন। একটা বিশেষ সম্প্রদায়কে ভুল বুঝিয়ে, তাদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য়, কর্মসংস্থান না দিয়ে, শুধুমাত্র ধর্মীয় মেরুকরণের ভিত্তিতে সাম্প্রদায়িক রাজনীতি করে, তুষ্টিকরণ করছেন, এটা তার সবচেয়ে বড় প্রমাণ।’’

  • MGNREGA Corruption: বাংলায় মনরেগা তহবিল দুর্নীতিতে তছরুপ হওয়া অর্থের ৪০ শতাংশ উদ্ধার, সংসদে কেন্দ্র

    MGNREGA Corruption: বাংলায় মনরেগা তহবিল দুর্নীতিতে তছরুপ হওয়া অর্থের ৪০ শতাংশ উদ্ধার, সংসদে কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে ১০০ দিনের কাজের প্রকল্পের (MGNREGA Corruption) আওতায় ৪৪টি কাজে বিস্তর অনিয়ম ধরা পড়ে। সেই কাজে তছরুপ হওয়া ৫.৩৭ কোটির মধ্যে ২.৩৯ কোটি টাকা উদ্ধার করা হয়েছে বলে লোকসভায় দাবি করলেন কেন্দ্রীয় গ্রামীণ প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রশেখর পেম্মাসানি। প্রসঙ্গত, ১০০ দিনের কাজের প্রকল্পে একাধিক দুর্নীতির (MGNREGA Corruption) অভিযোগ সামনে আসে। ভুয়ো কাজ তৈরি করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। এর পাশাপাশি একই কাজকে দু-তিনবার দেখিয়ে টাকা আদায় করা, ভুয়ো জবকার্ড তৈরি করে টাকা আদায়- এমন ভুরি ভুরি অভিযোগে কারণে তিন বছর আগে এই প্রকল্পের টাকা বন্ধ করে দেয় মোদি সরকার। এরপরেই রাজ্যে একাধিকবার আসে কেন্দ্রীয় টিম। অডিটে ধরা পড়ে বিরাট দুর্নীতি। কেন্দ্রীয় গ্রামীণ প্রতিমন্ত্রীর (Chandra Sekhar Pemmasani) পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গের বিজেপির দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা অমিত মালব্যও এই ইস্যুতে তোপ দেগেছেন মমতা সরকারকে।

    অনিয়ম হওয়া অর্থের ৪০ শতাংশেরও বেশি উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে কেন্দ্র

    মঙ্গলবারই দেশের সংসদ ভবনে এ নিয়ে বক্তব্য পেশ করেন মোদি সরকারের গ্রামোন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রশেখর পেম্মাসানি। নিজের বক্তব্যে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জানান যে, পশ্চিমবঙ্গে মহাত্মা গান্ধী জাতীয় গ্রামীণ কর্মসংস্থান প্রকল্পে (MGNREGA Corruption) ব্যাপকভাবে অপব্যবহার করা হয়েছে তহবিল। তখনই কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী জানান, এই অপব্যবহার হওয়া তহবিলের ৪০ শতাংশেরও বেশি উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে কেন্দ্র। নিজের বক্তব্যে এনিয়ে পরিসংখ্যানও পেশ করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘‘আনুমানিক ৫.৩৭ কোটি টাকার মধ্যে ২.৩৯ কোটি টাকা উদ্ধার করা গিয়েছে। এখনও পর্যন্ত ৩.০২ কোটি টাকা আদায় করতে বাকি আছে। প্রসঙ্গত, এই প্রথম পশ্চিমবঙ্গের ১০০ দিনের কাজ সংক্রান্ত দুর্নীতি ইস্যুতে অপব্যবহার নিয়ে এত সুনির্দিষ্ট বিবরণ লোকসভায় পেশ করল কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রক।

    এই ইস্যুতে সরব হয়েছেন অমিত মালব্য

    এই ইস্যুতে তৃণমূল সরকারকে একহাত নিয়েছেন বিজেপির আইটি সেল প্রধান এবং পশ্চিমবঙ্গের কেন্দ্রীয় সহ পর্যবেক্ষক অমিত মালব্য। মঙ্গলবার তিনি এনিয়ে একটি এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করেন। সেখানেই এই ইস্যুতে মমতা সরকারেক তুলোধোনা করেন মালব্য। সমাজমাধ্যমে বিজেপি নেতা লেখেন, ‘‘১০০ দিনের কাজের প্রকল্পে রাজ্য সরকার ব্যাপক দুর্নীতি করেছে। একাধিক অনিয়ম সামনে এসেছে। চরম অব্যবস্থা রয়েছে এই প্রকল্পে। এই জন্যই কেন্দ্রীয় সরকার পশ্চিমবঙ্গের ১০০ দিনের কাজের প্রকল্পের অধীনে তহবিল আটকে রাখতে বাধ্য হয়েছে।’’

    দুর্নীতির তদন্তে চার জেলায় আসে কেন্দ্রীয় দল

    প্রসঙ্গত, দুর্নীতির অভিযোগ সামনে আসতেই কেন্দ্রীয় দল পরিদর্শন করে পশ্চিমবঙ্গের একাধিক জেলা। নিজের পোস্টে এই ঘটনা উল্লেখ করে অমিত মালব্য লেখেন, ‘‘২০১৯ এবং ২০২১ সালে একাধিক কেন্দ্রীয় দল পশ্চিমবঙ্গ সফর করেছে। ১০০ দিনের কাজের দুর্নীতি তদন্ত করেছে তারা। কেন্দ্রীয় দল চারটি জেলায় এই পরিদর্শন করে। এই জেলাগুলি হল, পূর্ব বর্ধমান, হুগলি, দার্জিলিং, মালদা। পরিদর্শনের পরেই ব্যাপক অনিয়ম এবং আর্থিক অপব্যবহারের দিকটি সামনে আসে। ১০০ দিনের কাজের প্রকল্পে একাধিক দুর্নীতিগ্রস্ত প্রশাসনিক কর্তার নামও উঠে আসে। এর পাশাপাশি তৃণমূল পরিচালিত পঞ্চায়েতগুলির বিরুদ্ধেও দুর্নীতিযোগের অভিযোগ প্রমাণিত হয়।’’

    কী বলছেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী

    অন্যদিকে মঙ্গলবার সংসদে একই ধরনের কথা বলতে শোনা গিয়েছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী চন্দ্রশেখর পেম্মাসানিকে। নিজের বিবৃতিতে মঙ্গলবার সংসদে তিনি বলেন, ‘‘পশ্চিমবঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকার এই প্রকল্পে অর্থ বরাদ্দ করেছিল। কিন্তু একাধিক অনিয়ম (MGNREGA Corruption) সামনে এসেছে। একাধিক জায়গায় অনিয়ম-দুর্নীতি চোখে পড়েছে। আমরা অডিটর পাঠিয়েছিলাম এবং মোট ৪৪টি জায়গাতে অনিয়ম ধরা পড়েছে। যার মধ্যে ৩৪টি জায়গা থেকে আমরা অর্থ উদ্ধার করতে সমর্থ হয়েছি। বাকি দশটি জায়গা থেকে অর্থ উদ্ধার বাকি রয়েছে। লোকসভাতে কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন যে এই সমস্যাগুলির শীঘ্রই সমাধান করা হবে। তাঁর মতে, কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়মন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান পশ্চিমবঙ্গের সরকারের সঙ্গে আলোচনায় বসে এই সমস্যাগুলির সমাধান করবেন।

    ২০২২ সালের মার্চে তহবিল বন্ধ কে কেন্দ্রীয় সরকার

    প্রসঙ্গত, ৩ বছর আগেই ১০০ দিনের কাজের প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়মের কথা উল্লেখ করে কেন্দ্রীয় সরকার। ২০২২ সালের মার্চ মাসেই পশ্চিমবঙ্গে এর তহবিল বন্ধ করে দেওয়া হয়। জানা যায়, ২০২১-২২ অর্থবছরে ১০০ দিনের কাজের প্রকল্পের আওতায় ৭৫০৭.৮০ কোটি টাকা দেওয়া হয়। কিন্তু পরবর্তী তিনটি অর্থ বছরে তহবিল বন্ধ করে দেয় কেন্দ্র সরকার। কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী লোকসভাতে জানিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গে একশো দিনের কাজের প্রকল্পে ঠিকাদার নিয়োগেও ব্যাপক অনিয়ম সামনে এসেছে। প্রসঙ্গত, সম্প্রতি, কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রকের একটি প্রতিবেদন সম্প্রতি প্রকাশ পেয়েছে। এখানেই উঠে এসেছে, পশ্চিমবঙ্গে ১০০ দিনের কাজের তহবিল স্থগিত থাকায়, এখানে গ্রামীণ উন্নয়নে ব্যাঘাত ঘটছে। এখানেই উঠছে প্রশ্ন। কেউ কেউ বলছেন, দুর্নীতি করার স্বার্থে তৃণমূল উন্নয়নকে পিছনে ফেলে দিচ্ছে এভাবেই। তৃণমূলের এই দুর্নীতির কারণে ফল ভুগতে হচ্ছে গ্রামের গরিব মানুষদের। এমনটাই মনে করছেন অনেকে।

    রাজ্যের কারণেই আটকে ১০০ দিনের কাজ, তো মালব্যর

    অন্যদিকে, অমিত মালব্য নিজের এক্স মাধ্যমে দাবি করছেন, ‘‘কেন্দ্র সরকারের বারবার নির্দেশ সত্ত্বেও রাজ্য সরকার দোষী এবং অভিযুক্ত প্রশাসনিক আধিকারিকদের বিরুদ্ধে কোনওরকমের ব্যবস্থা নিচ্ছে না বা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে নিতে চাইছে না বলেই বাংলায় ১০০ দিনের কাজ আটকে পড়েছে।’’ বিজেপি নেতা অমিত মালব্যর মতে, ‘‘১০০ দিনের কাজের বিপুল দুর্নীতির কারণেই তহবিল আটকে রেখেছে কেন্দ্র সরকার।’’ ২০২২ সালের ৯ মার্চ থেকে এই তহবিল আটকে রয়েছে বলে জানিয়েছেন মালব্য। নিজের পোস্টে অমিত মালব্য আরও বলেন, ‘‘২০০৫ সালে ১০০ দিনের কাজের যে প্রকল্প চালু হয়, তার ২৭ নম্বর ধারা অনুযায়ী তহবিল প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ’’ বিজেপি নেতার মতে, যা হয়েছে তা আইনিভাবেই হয়েছে।

    রাজ্য সরকার স্বচ্ছ প্রশাসন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে ব্যর্থ হয়েছে, তোপ মালব্যর

    এই পরিস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও নিশানা করেন অমিত মালব্য। বিজেপির এই নেতা বলেন, ‘‘রাজ্য সরকার স্বচ্ছ প্রশাসন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে ব্যর্থ হয়েছে। তার ফল ভোগ করতে হচ্ছে দরিদ্র মানুষ এবং প্রান্তিক শ্রমিকদেরকে। তাঁদের জীবনযাত্রার মূল্যে দুর্নীতিকেই প্রশ্রয় দিচ্ছে রাজ্য সরকার। গ্রামের গরিব মানুষের অনেকেরই জীবিকা নির্বাহের জন্য ১০০ দিনের কাজের ওপর নির্ভর করতে হয়।’’ অমিত মালব্যর আরও দাবি, ‘‘এভাবে তহবিল বন্ধ করার জন্য সম্পূর্ণ দায় বর্তায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের ওপর। যারা জনগণের কল্যাণের চেয়ে নিজেদের রাজনৈতিক লুটকেই বেশি অগ্রাধিকার দেয়। পশ্চিমবঙ্গে এ ধরনের যাবতীয় দুর্নীতি তদন্ত হবে এবং যে সমস্ত অর্থ অপব্যবহার করা হয়েছে তার পুরোটা উদ্ধার করা হবে।’’ এর পাশাপাশি দোষী অভিযুক্ত প্রশাসনিক আধিকারিকদেরকেও জবাবদিহি করতে হবে বলে জানিয়েছেন অমিত মালব্য।

  • BJP: তৃণমূল নেতার অভিযোগে হিন্দুদের নাম বাদ ভোটার তালিকা থেকে! একযোগে আক্রমণ মালব্য-শুভেন্দু-সুকান্তর

    BJP: তৃণমূল নেতার অভিযোগে হিন্দুদের নাম বাদ ভোটার তালিকা থেকে! একযোগে আক্রমণ মালব্য-শুভেন্দু-সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছর ঘুরলেই রাজ্যে রয়েছে বিধানসভা ভোট। তার আগে ভুয়ো ভোটার ইস্যুতে সরগরম বাংলার রাজনীতি। এনিয়ে তৃণমূলের বিরুদ্ধে একযোগে বিস্ফোরক অভিযোগ এনেছেন গেরুয়া শিবিরের তিন নেতা মালব্য-শুভেন্দু-সুকান্ত। বিজেপি (BJP) নেতৃত্বের অভিযোগ, বাংলার ভোটার তালিকা থেকে হিন্দু নাম বাদ দিয়ে বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গাদের নাম যুক্ত করছে তৃণমূল। এনিয়ে কৃষ্ণনগরের ঘটনা তুলে ধরেছেন বিজেপি নেতৃত্ব। তাঁদের দাবি,  ওই এলাকায় স্থানীয় তৃণমূল নেতা আব্দুল রহমান শেখের নির্দেশে হিন্দুদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বেছে বেছে বাদ দিচ্ছে তৃণমূল।

    তৃণমূল সরকারের (TMC) বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ অমিতের মালব্যর

    মঙ্গলবার সকালে নিজের এক্স হ্যান্ডেলে (পূর্বে টুইটার) একটি পোস্ট করেন বিজেপি (BJP) নেতা অমিত মালব্য। তিনি লেখেন, ‘‘তৃণমূল সরকার পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকা থেকে হিন্দু নাম বাদ দিয়ে বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গাদের নাম যুক্ত করছে।’’ এক্ষেত্রে অমিত মালব্য সীমান্ত অঞ্চলের কথা তুলে ধরেন। তাঁর দাবি, বিজেপি যে স্থানগুলিতে শক্তিশালী সেখানেই এমনটা করছে প্রশাসন। অমিত মালব্য লেখেন, ‘‘নদিয়া, যেখানে বিজেপির সংগঠন শক্ত, সেখানে আব্দুল রহমান শেখের থেকে একটি অনুরোধ পেয়ে ব্লক ডেভেলপমেন্ট অফিসার (বিডিও) সেদিনই ভোটার তালিকা থেকে ৯৮ জন হিন্দুর নাম বাদ দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করে দেন।’’ তাঁর নিজের দাবির স্বপক্ষে অর্ডারের ছবিও পোস্ট করেন বিজেপির আইটি সেলের প্রধান। অমিত মালব্যর আরও দাবি, ‘‘মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে এই কার্যকলাপ চলছে। ভোটার তালিকা তৈরির ক্ষেত্রে বিডিও-রা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। এদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানেন মুসলিমরা তাঁকে ব্যাপকভাবে রাজ্যে ভোট দেয়। হিন্দুদের ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করার এটি একটি ইচ্ছাকৃত প্রচেষ্টা।’’

    সরব হয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও

    এই ইস্যুতে সরব হয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘‘আবদুর রহিম শেখ তিনি নাকি তৃণমূলের ব্লক প্রেসিডেন্ট, না কী নেতা আছেন! তিনি টুসি ঠাকুর, অমিত কুমার ঘোষ, কৃষ্ণা ঘোষ, কমলা মণ্ডল, সবিতারানি সরকার এই ভাবে একা ৯৭টা নাম নিয়ে অভিযোগ করেছেন। প্রথমত, এভাবে অভিযোগ করা যায় না। আমরা নির্বাচন কমিশনকে বলব, অবিলম্বে কৃষ্ণনগরের বিডিওকে বহিষ্কার করতে। আমরা পরিষ্কার বলতে চাই, সাদা কাগজে দরখাস্ত দিলে যদি বিডিও তার তদন্ত করেন এবং এই হিন্দু ভোটারদের ডিস্টার্ব করেন, তাহলে আমরা এই বিডিওকে সাসপেন্ড করার জন্য বলব। কারণ, এই কাজটা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশাসনের কাজ নয়। এটা ইসিআইয়ের কাজ। বিডিও তাঁর লিমিটেশন ক্রস করছেন। এটা হচ্ছে মুখ্যসচিব মনোজ পন্থের নির্দেশে। আমরা কৃষ্ণনগর-২ ব্লকের এই ৯৮ জনকে নিয়ে ধর্নাও দেব, কোর্টেও যাব। এই বিডিওর বিরুদ্ধে যা ব্যবস্থা নেওয়ার আমরা নেব। এই ৯৮ জনকে আবেদন করব, রেসপন্স করবেন না। এটা যথার্থ ফর্ম নয়।’’

    পরিকল্পনা করে নাম বাদ দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ সুকান্তর

    বিজেপির (BJP) রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের দাবি, রীতিমতো পরিকল্পনা করে হিন্দুদের নাম ভোটার তালিকা থেকে দেওয়া হচ্ছে। একইসঙ্গে রোহিঙ্গা ও বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের নাম ঢোকানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এক্ষেত্রে সুকান্ত মজুমদার ছবি সহ প্রমাণও তুলে ধরেন। তৃণমূল কংগ্রেস ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে বড়সড় চক্রান্তের অভিযোগ আনেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। তাঁর কথায় উঠে আসে, কৃষ্ণনগরের ঘটনা। পরিকল্পনা করে সীমান্তবর্তী জেলা থেকে হিন্দুদের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন সুকান্ত। এনিয়ে শাহি দরবারে অভিযোগও জানিয়েছেন সুকান্ত মজুমদার। সুকান্ত মজুমদারের দাবি, বেশ কিছু হিন্দু ভোটারদের কাছে নট ইন্ডিয়ান বলে নোটিশ পাঠানো হয়েছে। তাঁদের বলা হয়েছে যে দেশের নাগরিক হিসেবে প্রমাণ দিতে হবে তাঁদের। কিন্তু এবার একসঙ্গে একটা বড় অভিযোগ আনলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তাঁর দাবি, পশ্চিমবঙ্গকে ‘গ্রেটার বাংলাদেশ’ করে তুলতে কোনও খামতি রাখছে না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেস সরকার। একদিকে যেমন হিন্দুদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হচ্ছে, তেমনি বাংলাদেশের মুসলিম অনুপ্রবেশকারীদের নাম ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

    ‘গ্রেটার বাংলাদেশ’ বানানোর চক্রান্ত

    সুকান্তর দাবি, পশ্চিমবঙ্গকে ‘গ্রেটার বাংলাদেশ’ তৈরির চেষ্টা করছে তৃণমূল। নিজের পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘‘বাংলাকে গ্রেটার বাংলাদেশ বানানোর স্বপ্ন দেখা রাজ্যের শাসক দল তৃণমূলের আরও মারাত্মক একটি চক্রান্ত। বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী মুসলিমদের পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকায় সংযুক্ত করা হয়েছে।’’ তাঁর দাবি, ‘‘বাংলাদেশের যশোর জেলার চৌগাছা অঞ্চলের বাসিন্দা শহিদুল বিশ্বাস, তার নাম রয়েছে বাগদা বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটার তালিকায়।’’ সুকান্তর মতে, ‘‘শুধু একজন শহিদুল নয়, গোটা পশ্চিমবঙ্গে এমন লক্ষ লক্ষ অনুপ্রবেশকারীদের সম্মানের সঙ্গে ভোটার তালিকায় সংযোজিত করেছে তৃণমূল।’’

  • Sukanta Majumdar: ‘‘ভোটার তালিকায় বেছে বেছে হিন্দু নাম বাদ দিচ্ছে তৃণমূল’’, শাহকে অভিযোগ সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: ‘‘ভোটার তালিকায় বেছে বেছে হিন্দু নাম বাদ দিচ্ছে তৃণমূল’’, শাহকে অভিযোগ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটার তালিকায় বেছে বেছে হিন্দু নাম বাদ দিচ্ছে তৃণমূল। পশ্চিমবঙ্গের পরিস্থিতি নিয়ে গতকাল সোমবারই বঙ্গ বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) ফের সাক্ষাৎ করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের (Amit Shah) সঙ্গে। বৈঠকে হিন্দু ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার কথা তুলে ধরেন সুকান্ত। এদিনই একই অভিযোগ তুলে কলকাতায় দলের দুই সাধারণ সম্পাদক জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় ও দীপক বর্মন পাশে বসিয়ে সাংবাদিক বৈঠক করেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

    বিজেপির দাবি

    বিজেপির দাবি, উত্তর চব্বিশ পরগনার বাগদা এবং নদিয়ার কৃষ্ণনগর-২ ব্লকে বেছে বেছে হিন্দু ভোটারদের নাম ভোটার তালিকা থেকে তৃণমূল বাদ দিতে চাইছে। এই ইস্যুতে সোমবার সকাল থেকেই অভিযোগ তোলে গেরুয়া শিবির। ধর্মীয় কারণে অত্যাচারের শিকার হয়ে বাংলাদেশ থেকে আগত উদ্বাস্তুদের ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে বলে দাবি করেছে বিজেপি। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, অমিত শাহের সঙ্গে দেখা করে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) এই বিষয়টিই জানিয়ে এসেছেন।

    সাংবাদিকদের কী বললেন শুভেন্দু?

    সোমবার বিকালে দলীয় অফিসে সাংবাদিক সম্মেলনে শুভেন্দু বলেন, ‘‘তৃণমূল যে অভিযোগ বিডিওদের কাছে জানিয়েছে, তার জন্য ফর্ম ৭ পূরণ করতে হয়। তা না করে সাদা কাগজে তৃণমূলের ব্লক সভাপতি অভিযোগ জমা দিয়েছেন। সেই অভিযোগ গ্রাহ্যই হওয়া উচিত নয়। তাও বিডিও ওই অভিযোগ গ্রহণ করেছেন।’’ শুভেন্দুর আরও দাবি, ‘‘আইন অনুযায়ী, কোনও ভোটারের বিরুদ্ধে এই রকম অভিযোগ যিনি তুলছেন, অভিযোগের পক্ষে প্রমাণ দেওয়ার দায়িত্বও তাঁরই। কিন্তু বিডিও সে আইন মানছেন না। যাঁদের নামে অভিযোগ করা হয়েছে, তাঁদেরকেই চিঠি পাঠিয়ে বিডিও বলছেন, আপনারা প্রমাণ দিন যে, আপনারা বাংলাদেশি নন।’’

    কী বলছেন সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)?

    সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar) মন্তব্য, ‘‘তৃণমূল কংগ্রেস মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে নতুন এক ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। নদিয়া সহ বিভিন্ন জেলায় এই ধরনের নোটিস হিন্দুদের পাঠানো হচ্ছে। সেখানে বলা হচ্ছে তাঁরা ভারতের নাগরিক নয়। এও বলা হচ্ছে, ওই সকল হিন্দুদের প্রমাণ করতে হবে তাঁরা ভারতের নাগরিক। এই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এক বলেছিলেন বাংলায় যাঁরা বাস করেন তাঁরা সকলেই ভারতের নাগরিক। সিএএ-তে আবেদন করতে দেননি। বলেছিলেন, সিএএ-তে আবেদন করলে নাগরিকত্ব চলে যাবে। এখন তিনি এই ফাঁদে ফেলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশাসনের বিডিও নোটিস পাচ্ছে হিন্দুদের যে তাঁরা ভারতের নাগরিক নন। ভোটার লিস্ট থেকে নাম কেটে বাদ দেওয়া হল।’’

  • Sukanta Majumdar: ‘‘ইটের জবাব দিতে হবে পাথর দিয়ে’’, রামনবমী নিয়ে হুঙ্কার সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: ‘‘ইটের জবাব দিতে হবে পাথর দিয়ে’’, রামনবমী নিয়ে হুঙ্কার সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছরে রামনবমী রয়েছে ৬ এপ্রিল রবিবার। মাঝে আর কয়েকটা দিন। এই আবহে রামনবমীকে ঘিরে চড়ছে বঙ্গ রাজনীতির পারদ। প্রসঙ্গত, প্রতিবারই রামনবমীকে ঘিরে বিপুল উন্মাদনা দেখা যায় বঙ্গজুড়ে। এবারেও তার ব্যতিক্রম হবে না বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

    ইটের জবাবে পাথর

    রবিবার বারাকপুরে দলীয় কর্মসূচিতে হাজির ছিলেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী তথা বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। সেখান থেকে রামনবমী (Ram Navami Procession) নিয়ে রাজ্যকে হুঁশিয়ারি দিলেন তিনি। বিজেপির রাজ্য সভাপতির দাবি, ‘‘রামনবমী মিছিল ঘিরে কেউ অশান্তি করার চেষ্টা করলে, ইটের জবাব পাথর দিয়ে দিতে হবে।’’ কোনওভাবেই রাজ্যে রামনবমী যেন না রখতে পারে প্রশাসন, সেই বিষয়েও কর্মীদের নজর রাখতে বললেন তিনি। এমনকি,পুলিশ যদি বাধা দিতে আসে তার পাল্টা মোকাবিলা করতে হবে বলেও দলের কর্মী সমর্থকদের উদ্দেশে নির্দেশ দিয়েছেন সুকান্ত।

    ইডেন থেকে ম্যাচ সরেছে অসমে! (Sukanta Majumdar)

    রামনবমীর (Ram Navami Procession) দিনেই আবার কলকাতার ইডেন গার্ডেনস স্টেডিয়ামে আয়োজন হয়েছিল আইপিএল ম্যাচ। রামনবমীর ভিড়ের কথা মাথায় রেখে ইতিমধ্যে সিএবিকে একটি চিঠি পাঠিয়েছে কলকাতা পুলিশ। সেই চিঠিতে জানানো হয়েছে, রামনবমীর জন্য সেই দিন ইডেনে ম্যাচ আয়োজন করা সম্ভব নয়। জানা যাচ্ছে, ওই দিনের ম্যাচ সরেছে অসমে। এনিয়েও অবশ্য তোপ দেগেছেন সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। তিনি এই ম্যাচ বাতিলকে ‘রাজনৈতিক’ আখ্যা দিয়েছেন।

    বিজেপি শাসিত রাজ্য পারলে বাংলা কে পারছে না

    রাজ্য সরকারের ওপর ক্ষোভ উগড়ে তিনি (Sukanta Majumdar) বলেন, ‘‘এরা রামনবমী করতে পারে না, আর রামনবমী হলে বলে যে আইপিএল হবে না। শুনলাম, কলকাতায় বাতিল হয়ে ওই ম্যাচটা গুয়াহাটিতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ওখানে তো বিজেপির সরকার। হিমন্ত বিশ্ব শর্মা একইদিনে আইপিএল ও রামনবমী করাতে পারলে, বাংলা কেন পারছে না?’’

  • Suvendu Adhikari: বিজেপি ক্ষমতায় এলে মহিলারা মাসে পাবেন ৩ হাজার, বড় ঘোষণা শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: বিজেপি ক্ষমতায় এলে মহিলারা মাসে পাবেন ৩ হাজার, বড় ঘোষণা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি (Bengal BJP) ক্ষমতায় এলে মহিলাদের মাসে ৩ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। রবিবার হলদিয়াতে এমনই আশ্বাস দিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এছাড়াও ২০০ ইউনিট ফ্রি বিদ্যুত্‍ দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক। প্রসঙ্গত, বিজেপি শাসিত একাধিক রাজ্যে মহিলাদের মাসে ভাতা দেওয়ার প্রকল্প চালু রয়েছে। সেটাকেই কাজে লাগাতে চায় বিজেপি। এদিন লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নিয়েও মন্তব্য করতে শোনা যায় শুভেন্দু অধিকারীকে। তিনি বলেন, ‘‘২০২৬ সালে বাংলায় ক্ষমতায় এলে মায়েদের – দিদিদের – বোনেদের ১ হাজার টাকা নয়, ৩ হাজার টাকা দেবে বিজেপি।’’

    প্রতিবছরই হবে নিয়োগ ঘোষণা করলেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)

    সম্প্রতি, তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন হলদিয়ার বিজেপি বিধায়ক তাপসী মণ্ডল। রবিবার হলদিয়াতেই জনসভা করেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক। সেখান থেকেই শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বললেন, ক্ষমতায় এলে তাঁরা কী কী করতে চান। একইসঙ্গে বিজেপি ক্ষমতায় এলে হাতে-পায়ে ধরে টাটাকে রাজ্যে ফেরানো হবে বলেও ঘোষণা করেন শুভেন্দু। এর পাশাপাশি, নন্দীগ্রামের বিধায়ক বলেন, ‘‘২০০ ইউনিট বিদ্যুত ফ্রি দেওয়া হবে। এক লক্ষ নয়, তিন লক্ষ বাড়ি দেবে বিজেপি সরকার। প্রতি বছরই এসএসসি নিয়োগ হবে। সব জেলাতেই প্রাইমারি পরীক্ষা হবে।’’

    হিন্দুরা শুধু বাড়ি থেকে বের হন

    এর পাশাপাশি, এদিন বিরোধী দলনেতা (Bengal BJP) আবারও জোর দেন হিন্দু ভোটের দিকে। শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) সাফ কথা, হিন্দুরা একটু দয়া করলেই রাজ্যে সরকার বদলে যাবে। আবার সব হিন্দু ভোট দিতে যান না বলেও আক্ষেপ শোনা যায়  বিরোধী দলনেতার গলায়। এদিন তিনি বলেন, ‘‘সিপিএম লড়ছে। কিন্তু পারছে না। ৩০ শতাংশ হিন্দু ভোট দিতে যায় না। ৬৫ থেকে ৬৮ শতাংশ হিন্দু ভোট দিতে যায়। আপনারা শুধু বাড়ি থেকে বেরোবেন। তারপর কী করতে হয়, আপনারা জানেন। একটু দয়া করবেন, উল্টে দেব আমরা।’’

  • Suvendu Adhikari: ‘‘কোনও সনাতনী মমতাকে ভোট দিতে পারে না’’, হলদিয়ায় তোপ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘‘কোনও সনাতনী মমতাকে ভোট দিতে পারে না’’, হলদিয়ায় তোপ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দলবদল করেছেন বিধায়ক তাপসী মণ্ডল। এই আবহে হলদিয়াতে গিয়ে হুঙ্কার দিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এর পাশাপাশি একহাত নিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও। বিরোধী দলনেতা বলেন, ‘‘কোনও সনাতনী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভোট দিতে পারে না, পারে না, পারে না….সরস্বতী পুজো, মহকুম্ভকে মৃত্যু কুম্ভ বলার পর কেউ ভোট দেবে না। মানুষ প্রস্তুত এই রাজ্য মোদীজির হাতে তুলে দেওয়ার জন্য।’’ শুভেন্দ অধিকারী বলেন, ‘‘ক্ষমতায় এলে বিজেপি মায়েদের ৩০০০ টাকা দেবে। যার মধ্যে ২০০ ইউনিট বিদ্যুত ফ্রি। এক লক্ষ টাকার নয় বরং তিন লক্ষের বাড়ি দেবে। প্রতিবছর এসএসসি হবে, সব জেলাতেই প্রাইমারি পরীক্ষা হবে। হাতে পায়ে ধরে টাটাকে ফিরিয়ে আনা হবে।’’

    এই বাংলাও বাংলাদেশ হবে

    শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) কণ্ঠে এদিন উঠে আসে বাংলাদেশ ইস্যু। তিনি বলেন, ‘‘বাংলাদেশে হিন্দুদের উপর অত্যাচার হচ্ছে। এখনও যদি ঐক্যবদ্ধ না হন তাহলে এই বাংলাও বাংলাদেশ হবে। ২৬-এ যদি তৃণমূল যদি লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের লোভ দেখিয়ে, মুসলিমদের জুটিয়ে আমাদের কিছু হিন্দুকে এদিক-ওদিক করে জিতে যায়। তাহলে একই অবস্থা এই অবস্থা হবে। জাত-পাত-রাজনীতি দূরে সরিয়ে রাখো।’’

    ঝাঁটা গেছে একেও ঝেঁটিয়ে বিদায় করতে হবে

    মমতাকে তো দেগে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, ‘‘অরবিন্দ কেজরিবাল যেমন দিল্লিতে একটার সঙ্গে একটা মদ ফ্রি করেন। তেমন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বারের লাইসেন্স দিয়ে মদময় করেছেন মমতা। মদের প্রভাব যদি কারও উপর পড়ে তাহলে নারীদের উপর। ঝাঁটা গেছে একেও ঝেঁটিয়ে বিদায় করতে হবে। আমরা পুরো সাংগঠনিক জেলা ডাকিনি (Haldia)। আজ প্রচুর মানুষ এসেছেন। সবাই একাট্টা হয়েছেন।’’

    শুধু বাড়ি থেকে বের হবেন

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন,‘‘২০১৯-এ ভোট পড়েছে ৬১ শতাংশ। এবার পড়েছে ৬৬ শতাংশ। দিল্লিতে ১০ শতাংশ লোক বাড়তি বাড়ি থেকে বেরিয়েছে। তাতেই ঝাঁটা সাফ। শুধু বাড়ি থেকে বেরবেন। তারপর কী করতে হয় আপনারা জানেন। আমার বলার দরকার নেই। শুধু ডায়মন্ড হারবারেই ১০ লক্ষ ছাপ্পা আছে। কেশপুরেও ছাপ্পা আছে। এখানেও আছে ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে ছাপ্পা আছে। এখানে অভিজিৎবাবুকে ঢুকতে দেয়নি। একটা বিশেষ সম্প্রদায়ের লোক।’’

LinkedIn
Share