Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Kaliaganj: কালিয়াগঞ্জকাণ্ডে কেন সিবিআই তদন্তের দাবি করলেন জাতীয় তফশিলি কমিশনের চেয়ারম্যান

    Kaliaganj: কালিয়াগঞ্জকাণ্ডে কেন সিবিআই তদন্তের দাবি করলেন জাতীয় তফশিলি কমিশনের চেয়ারম্যান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর দিনাজপুরের কালিয়াগঞ্জে (Kaliaganj) এক নাবালিকাকে ধর্ষণ করে খুনের অভিযোগে উত্তাল গোটা রাজ্য তথা দেশ। গত শুক্রবার কালিয়াগঞ্জের (Kaliaganj) সাহেবঘাটা সংলগ্ন পালোইবাড়ি এলাকায় একটি পুকুরের পাশে উদ্ধার হয় দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্রীর দেহ। মৃতার বয়স ১৭ বছর। নৃশংস এই ঘটনার খবর চাউর হতে আলোড়ন পড়ে যায়। ঘটনার গুরুত্ব বিচার করে কালিয়াগঞ্জে (Kaliaganj) দ্রুত পৌঁছন জাতীয় শিশু সুরক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান প্রিয়ঙ্ক কানুনগো। তার পরপরই আসেন জাতীয় তফশিলি কমিশনের চেয়ারম্যান অরুণ হালদার।

    ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে কী বললেন জাতীয় তফশিলি কমিশনের চেয়ারম্যান?

    সোমবার দিল্লি যাওয়ার পথে বাগডোগরা বিমানবন্দরে জাতীয় তফশিলি কমিশনের চেয়ারম্যান অরুণ হালদার বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করার পর মৃতার পরিবারের সঙ্গেই দেখা করেছি। সকলের সঙ্গে কথা বলে এবং সবকিছু দেখে মনে হয়েছে পরিকল্পিতভাবে তাঁকে খুন করা হয়েছে। এই তদন্তের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক। কেননা নিরপেক্ষ তদন্ত হচ্ছে না। ঘটনার পর থেকে পুলিশের ভূমিকা সন্তোষজনক নয়। আমরা দিল্লি থেকে ছুটে এসেছি। লিখিতভাবে জানানোর পরও প্রোটোকল অনুযায়ী আইজি, জেলার পুলিশ সুপার ও জেলাশাসক আমাদের সঙ্গে দেখা করেননি। ঘটনাস্থল পরিদর্শনের সময় এই ঘটনার যে তদন্তকারী অফিসার তাঁকেও পাওয়া যায়নি। এর পিছনে গভীর ষড়যন্ত্র রয়েছে। তা আড়াল করার চেষ্টা চলছে।

    সিবিআই তদন্তের কেন দাবি জানালেন কমিশনের চেয়ারম্যান?

    জাতীয় তফশিলি কমিশনের চেয়ারম্যান অরুণ হালদার বলেন, দিল্লিতে ফিরে গিয়ে গোটা বিষয়টি নিয়ে আমরা আইনজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনা করেই রিপোর্ট জমা দেব। তবে আমরা ইতিমধ্যেই নিরপেক্ষ তদন্তের জন্য অবিলম্বে কালিয়াগঞ্জ (Kaliaganj) থানার আইসি এবং উত্তর দিনাজপুর জেলার এসপিকে সাসপেন্ড করার সুপারিশ করেছি। এঁদের রেখে তদন্ত করলে সেই তদন্ত নিরপেক্ষ হবে না। এরপরেও যদি দেখা যায় যে তদন্তের নামে ঘটনাকে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চলছে, তাহলে আমরা সিবিআই তদন্তের সুপারিশ করব।

    রাজ্য সরকারের কাছে কী আবেদন জানালেন কমিশনের চেয়ারম্যান?

    কালিয়াগঞ্জের (Kaliaganj) নাবালিকাকে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার পিছনে রয়েছে এরাজ্যে দীর্ঘদিন ধরে চলা সত্য বা প্রকৃত ঘটনা ও অপরাধীকে আড়াল করার চেষ্টা। একথা জানিয়ে কমিশনের চেয়ারম্যান অরুণ হালদার আরও বলেন, এরপরেও যদি এই ঘটনাকে আড়াল করা হয় তাহলে তার খারাপ পরিণতি হবে। কেননা এধরনের ঘটনায় বারবার অপরাধীদের আড়াল করার জন্যই অপরাধীরা সাহসী হয়ে উঠছে। ফলে একের পর এক এধরনের ঘটনা ঘটছে। তাই রাজ্য সরকারের কাছে আমাদের অনুরোধ, এ ধরনের ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রকৃত দোষীকে উপযুক্ত শাস্তি দিন। অপরাধীকে আড়াল করার চেষ্টা করবেন না। এতে ভবিষ্যতে আরও বড় বিপর্যয় দেখা দিতে পারে। নিজেদের পরিবারেও এধরনের ঘটনা ঘটতে পারে।

    কালিয়াগঞ্জকাণ্ডে (Kaliaganj) কতজন এএসআই-কে সাসপেন্ড করা হল?

    কালিয়াগঞ্জকাণ্ডে (Kaliaganj) চারজন এএসআই-কে সাসপেন্ড করা হল। সোমবার একথা জানান রায়গঞ্জ পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার মহম্মদ সানা আখতার। তিনি বলেন, ঘটনার পরই আমরা বিভাগীয় তদন্ত শুরু করেছিলাম। প্রাথমিক সেই রিপোর্ট আসার পরই আমরা চারজনকে সাসপেন্ড করেছি। জানা গিয়েছে, ছাত্রীর দেহ উদ্ধারের পর তার মৃতদেহটি অমানবিকভাবে টেনে হিঁচড়ে নিয়ে গিয়েছিল পুলিশ। বিষয়টি নিয়ে বিজেপি-র আইটি সেলের মুখপাত্র অমিত মালব্য টুইটও করেছিলেন। রাজ্য জুড়ে ওই ঘটনার কড়া সমালোচনা হয়েছিল। এরপরই চারজনের সাসপেন্ডের ঘটনা যথেষ্ট তাত্পর্যপূর্ণ। পুলিশ সুপার আরও বলেন, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট অনুযায়ী বিষক্রিয়ার জেরে ওই নাবালিকার মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি ময়নাতদন্তের রিপোর্ট না দেওয়ার যে অভিযোগ মৃতার পরিবার ও জাতীয় শিশু সুরক্ষা অধিকার কমিশনের তরফ থেকে করা হয়েছে সেই পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ সুপারের বক্তব্য, পুলিশের কাছে লিখিত আবেদন করলে আইন অনুযায়ী যে নিয়মে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট দেওয়া হয় সেভাবে রিপোর্ট তুলে দেওয়া হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Drinking Water Crisis: বুদবুদের আদিবাসী গ্রামে জলসঙ্কট চরমে, কলসি, হাঁড়ি নিয়ে বিক্ষোভ মহিলাদের

    Drinking Water Crisis: বুদবুদের আদিবাসী গ্রামে জলসঙ্কট চরমে, কলসি, হাঁড়ি নিয়ে বিক্ষোভ মহিলাদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাধ করে সাবমার্শিবল বসিয়েছিল প্রশাসন। কিন্তু তা খারাপ হতেই মেশিন উধাও। বছর ঘুরলেও সেটি সারানো হয়নি। প্রশাসনের দরজায় ঘুরে জুতোর শুকতলা খুইয়েছেন বাসিন্দারা। নানাভাবে আবেদন-নিবেদন জানিয়েও সুরাহা হয়নি। বিকল্প পানীয় জলের সংস্থান বিশ বাঁও জলে। তাই জলকষ্টে (Drinking Water Crisis) নাকাল গ্রামবাসীরা। এমনই চিত্র বুদবুদের দেবশালা পঞ্চায়েতের লবণধারা আদিবাসী গ্রামে। চরম বঞ্চনায় ধৈর্য্যের বাঁধ ভাঙল। পানীয় জলের দাবিতে কলসি, বালতি নিয়ে বিক্ষোভ দেখালেন ক্ষুব্ধ মহিলারা। ঘটনাকে ঘিরে চরম উত্তেজনা ছড়াল বুদবুদের দেবশালা পঞ্চায়েতে। 

    বিকল্প পানীয় জলের ব্যবস্থা করুক পঞ্চায়েত, দাবি গ্রামবাসীদের

    জঙ্গলমহল অধ্যুষিত গ্রামটিতে প্রায় ৫০ টি পরিবারের বসবাস। সকলে দিনমজুর। গ্রামে পানীয় জলের কষ্ট (Drinking Water Crisis) দীর্ঘদিনের। জলসঙ্কট মেটাতে বছরখানেক আগে ঘটা করে সাবমার্শিবল বসিয়েছিল স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েত। মাস কয়েক ভালই চলেছিল। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত বছর আচমকাই সাবমার্শিবলটি খারাপ হয়ে যায়। আর তাতেই আবার জলকষ্ট শুরু হয় গ্রামে। এককথায় পানীয় জলের হাহাকার দেখা দেয়। নিত্যপ্রয়োজনীয় কাজে আশপাশের পুকুরের জল ব্যবহার করলেও, গরমের শুরুতে সেসব শুকিয়ে পড়েছে। ফলে চরম জলসঙ্কট নেমে আসে। পার্শ্ববর্তী এক পোল্ট্রি ব্যবসায়ী নিয়ম করে সারাদিনে দুবার পানীয় জল পরিষেবা দেওয়ার চেষ্টা করলেও তা পর্যাপ্ত নয়। গ্রামের বুধিন টুডু, মুনিষ হাঁসদা প্রমুখ মহিলারা জানান, “ভোটের সময় নেতারা আসে। ভোট মিটলেই আর দেখে না। আমাদের সমস্যা কেউ শোনে না। বহুবার পঞ্চায়েতে দরখাস্ত দেওয়া হয়েছে। পানীয় জলের নতুন করে কোনও ব্যবস্থা হয়নি। গরমে দূর থেকে জল আনতে হয়।” সোমবার গ্রামের মহিলাদের ধৈর্য্যের বাঁধ ভাঙে। ক্ষোভে ফেটে পড়েন মহিলারা। এদিন কলসি, হাঁড়ি, বালতি নিয়ে গ্রাম থেকে মিছিল বের করেন তাঁরা। তারপর স্থানীয় পঞ্চায়েতে পানীয় জলের দাবিতে বিক্ষোভ শুরু হয়। ক্ষুব্ধ মহিলারা জানান, “গরমে জলকষ্টে নাজেহাল। বিকল্প পানীয় জলের ব্যবস্থা করুক পঞ্চায়েত।”

    ধিক্কার জানাই, বললেন বিজেপি নেতা

    প্রশ্ন, জলসঙ্কট মেটাতে রাজ্য সরকার জলস্বপ্ন ও কেন্দ্র জলজীবন প্রকল্পের ওপর জোর দিয়েছে। নলবাহিত পানীয় জল পরিষেবা সময় সাপেক্ষ। তবে বছর ঘুরলেও, গ্রামে বিকল্প পানীয় জলের ব্যবস্থা হল না কেন? প্রশ্ন উঠেছে রাজনৈতিক মহলে। অন্যদিক স্থানীয় বোলপুর লোকসভার বিজেপি কর্মী সৌমেন পাত্র বলেন, “তৃণমূল সরকার আদিবাসীদের সঙ্গে প্রতারণা করছে। ঘটা করে পানীয় জলের সাবমার্শিবল বসিয়ে বাহবা কুড়িয়েছিল। আবার খারাপ হতে আস্ত মেশিনটা সারানোর নামে তুলে নিয়ে চলে এসেছে। কোটি কোটি টাকা খরচ করে তৃণমূলের ভাইপো নবজাগরণ যাত্রায় নেমেছে। আর এদিকে রাজ্যের মানুষ কষ্টে (Drinking Water Crisis) ভুগছে। কেন্দ্রের দেওয়া জলজীবন প্রকল্পের রাশি রাশি টাকা পানীয় জলের সমস্যা সমাধানে সঠিক ব্যবহার করেনি। তাই এরকম একটা অকর্মণ্য রাজ্য সরকারকে ধিক্কার জানাই। তীব্র প্রতিবাদ জানাই। তৃণমূল পরিচালিত দেবশালা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান শ্যামল বক্সি জানান, “ওই এলাকায় সৌর বিদ্যুতের পাম্প বসানোর চিন্তাভাবনা নেওয়া হয়েছে।” 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Drinking Water: চেয়েছিলেন জল, মিলল তৃণমূল নেতার অকথ্য ভাষায় হুমকি? ভাইরাল অডিও ক্লিপ

    Drinking Water: চেয়েছিলেন জল, মিলল তৃণমূল নেতার অকথ্য ভাষায় হুমকি? ভাইরাল অডিও ক্লিপ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাঁর দোষ, পানীয় জলের (Drinking Water) পরিষেবা না পেয়ে অভিযোগ করেছিলেন। আর তার জেরেই অভিযোগকারী ওই উপভোক্তাকে অকথ্য ভাষায় হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। ঘটনার কেন্দ্রবিন্দু নানুরের বাসাপাড়া। সেখানে একটি ওয়াটার এটিএম পরিষেবা চালু করা হয়েছে। যেখানে টাকার বিনিময়ে জল মেলে৷ কিন্তু টাকা দিয়েও পর্যাপ্ত জল মিলছে না বলে অভিযোগ করেন এক বাসিন্দা। এরপরেই বীরভূম জেলা পরিষদের পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ আব্দুল কেরিম খান অভিযোগকারীকে ফোন করে অকথ্য ভাষায় হুমকি দেন এবং গ্রেফতার করিয়ে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন বলে অভিযোগ।

    পানীয় জল নিয়ে মূল সমস্যা কী?

    নানুর ব্লকের বাসাপাড়ায় বছর দুই আগে সরকারি টাকায় তৈরি হয়েছে ওই ওয়াটার এটিএম। এটি আধুনিক মানের, যা সাধারণত থাকে এয়ারপোর্ট, মডেল রেল স্টেশন বা মেট্রো স্টেশনগুলিতে। এই ওয়াটার এটিএম থেকে ২ টাকার বিনিময়ে মেলে ২ লিটার পরিশ্রুত পানীয় জল (Drinking Water)৷ কিন্তু অভিযোগ, কয়েক দিন ধরে এই পরিষেবা ঠিকমতো পাওয়া যাচ্ছিল না৷ ২ টাকা দিলে এই ওয়াটার এটিএম থেকে অল্প জল বের হচ্ছিল৷ যিনি এই ওয়াটার এটিএমের দায়িত্বে ছিলেন, সেই ব্যক্তিকে ফোন করে অভিযোগ করেন সুশান ভৌমিক নামে এক ব্যক্তি৷ তাঁর বাড়ি নানুরের রামকৃষ্ণপুর গ্রামে৷ কিন্তু ওই ব্যক্তি জানিয়ে দেন, তিনি সেটির দায়িত্বে নেই।  

    কার ফোন থেকে কী হুমকি দেওয়া হলো?

    সুশান ভৌমিকের কাছ থেকে জানা গিয়েছে, জল (Drinking Water) পরিষেবা নিয়ে অভিযোগ করার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে এক ব্যক্তির ফোন থেকে ফোন আসে৷ ফোনে কথা বলেন বীরভূম জেলা পরিষদের পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ তথা নানুরের তৃণমূল নেতা আব্দুল কেরিম খান। এই কথোপকথনের একটি অডিও প্রকাশ্যে এসেছে (যার সত্যতা ‘মাধ্যম’ যাচাই করেনি)। এই অডিও ক্লিপে শোনা যাচ্ছে, অভিযোগকারী ব্যক্তিকে অকথ্য ভাষায় হুমকি দিচ্ছেন তৃণমূল নেতা আব্দুল কেরিম খান। শুধু হুমকি নয়, পুলিশকে দিয়ে তুলে এনে মারধর করার হুমকিও দিতে শোনা যাচ্ছে৷ 

    কে এই তৃণমূল নেতা?

    প্রসঙ্গত, পানীয় জল (Drinking Water) নিয়ে হুমকি দেওয়া ওই নেতা বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল ঘনিষ্ঠ। এই নেতা গরু পাচার মামলায় ইডি ও সিবিআইয়ের নজরে রয়েছেন। ইতিমধ্যে তাঁর নানুরের বাড়িতে হানা দিয়ে দীর্ঘ তল্লাশি চালিয়েছেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। এমনকী, তাঁকে কলকাতার নিজাম প্যালেস ও দিল্লিতে ডেকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nitish Kumar: বিজেপি বিরোধী জোট গড়তে ফের বৈঠকে মমতা-নীতীশ, দোসর তেজস্বী

    Nitish Kumar: বিজেপি বিরোধী জোট গড়তে ফের বৈঠকে মমতা-নীতীশ, দোসর তেজস্বী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমাদের মধ্যে কোনও ইগো নেই। আমরা সবাই এক। সোমবার বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার (Nitish Kumar) ও উপমুখ্যমন্ত্রী তেজস্বী যাদবের সঙ্গে বৈঠক শেষে একথা বললেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল (TMC) সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। তিনি বলেন, আমরা সবাই এক সঙ্গে আছি। আমি নীতীশজিকে বলেছি, সব বিরোধী দলকে নিয়ে বিহারে একটি বৈঠক ডাকতে। তিনি বলেন, প্রচার, সভা সেসব তো পরে হবে, আগে একটা ঘরোয়া বৈঠক করে বার্তা দিতে হবে যে সবাই এক সঙ্গে রয়েছি।

    নীতীশ কুমার (Nitish Kumar) বলেন…

    তৃণমূল সুপ্রিমো বলেন, নীতীশজিকে আমি বলেছি, আমি চাই বিজেপি শুধু শূন্যে নেমে যাক, আর কিছু চাই না। এখানে ব্যক্তিগত কোনও ইগোর লড়াই নেই। দেশের মানুষ বিজেপির সঙ্গে লড়বে। সব দল এক সঙ্গে লড়বে। শুধু মিথ্যে প্রচার, ভিডিও বানিয়ে হিরো হয়ে আছে। নীতীশ (Nitish Kumar) বলেন, সব দলের একজোট হয়ে আগামী লোকসভা নির্বাচনের প্রস্তুতি নেওয়া উচিত। নিজেদের মধ্যে কথা বলা উচিত, যাতে দেশের ভাল হয়। তিনি বলেন, যাঁদের হাতে এখন ক্ষমতা রয়েছে, দেশের ভালয় তাঁদের কিছু যায় আসে না। এখন দেশের উন্নয়ন কিছু হচ্ছে না। নীতীশ বলেন, আজ খুব ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। এর পরে প্রয়োজন অনুযায়ী আমরা অন্য দলগুলির সঙ্গেও আলোচনায় বসব।

    আরও পড়ুুন: এবার পাকিস্তানি নাগরিকের কণ্ঠে শোনা গেল ‘মোদি হ্যায় তো মুমকিন হ্যায়’ স্লোগান

    এর আগেও একাধিকবার বিজেপিকে হারাতে একজোট হওয়ার চেষ্টা করেছেন বিরোধীরা। প্রতিবারই তা ভেঙে গিয়েছে নেতৃত্ব কে দেবেন, সেই প্রশ্নে। তৃণমূল নেত্রী মমতাও বারংবার চেষ্টা করেছেন বিরোধীদের এক ছাতার তলায় নিয়ে আসার। নবীন পট্টনায়েক, অখিলেশ যাদবদের সঙ্গে বৈঠকও করেছেন তিনি। তার পরেও দানা বাঁধেনি বিরোধী জোটের ধারণা। মমতার পরে বিজেপি বিরোধী জোট গড়তে উদ্যোগী হয়েছেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশও (Nitish Kumar)। দিল্লিতে গিয়ে বৈঠক করেছেন কংগ্রেসের সঙ্গেও। এদিন মমতার সঙ্গে বৈঠকের পর উত্তর প্রদেশের লখনউয়ে গিয়ে সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদবের সঙ্গেও বৈঠক করার কথা রয়েছে নীতীশের। তবে নীতীশের নেতৃত্ব মেনে বিরোধীরা একজোট হবেন কিনা, তা বলবে সময়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Aparupa Poddar: অপরূপার বিরুদ্ধে সিবিআই তদন্তের দাবি বিজেপির, মামলা দায়েরের অনুমতি হাইকোর্টের 

    Aparupa Poddar: অপরূপার বিরুদ্ধে সিবিআই তদন্তের দাবি বিজেপির, মামলা দায়েরের অনুমতি হাইকোর্টের 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এতদিন নিয়োগ কেলেঙ্কারিতে (Recruitment Scam) নাম জড়িয়েছিল তৃণমূলের (TMC) কয়েকজন বিধায়কের। তাঁদের মধ্যে গ্রেফতারও হয়েছেন জনা তিনেক। এবার নিয়োগ কেলেঙ্কারিতে নাম জড়াল তৃণমূলের এক সাংসদেরও। তিনি হুগলির আরামবাগের সাংসদ অপরূপা পোদ্দার (Aparupa Poddar)। অভিযোগ, সাংসদের লেটার হেডে গ্রুপ সি নিয়োগে চাকরিপ্রার্থীদের সুপারিশ করা হয়েছে। অপরূপার বিরুদ্ধে এই অভিযোগ তুলে এবং সিবিআই তদন্ত চেয়ে সোমবার কলকাতা হাইকোর্টের দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন বিজেপি নেতা তথা আইনজীবী তরুণজ্যোতি তিওয়ারি। সেই মামলা দায়েরের অনুমতি দিলেন বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা।

    অপরূপা পোদ্দারের (Aparupa Poddar) বিরুদ্ধে অভিযোগ…

    শুক্রবারই নিয়োগ কেলেঙ্কারিতে তাঁর নাম জড়িয়ে কালিমালিপ্ত করার অভিযোগে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের সাংসদ বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী ও তরুণজ্যোতিকে মানহানির নোটিশ পাঠিয়েছিলেন অপরূপা। তাঁদের বিরুদ্ধে শ্রীরামপুর থানায় দায়ের করেন অভিযোগও। শুভেন্দু ও তরুণজ্যোতি অবিলম্বে ক্ষমা না চাইলে আদালতে ২০ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে মামলা করা হবে বলেও জানিয়েছিলেন অপরূপার আইনজীবী।  

    এসবের রেশ পুরোপুরি মিলিয়ে যাওয়ার আগেই এবার তরুণজ্যোতির আবেদনে সাড়া দিল কলকাতা হাইকোর্ট। তরুণজ্যোতির দাবি, গ্রুপ সি নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় প্রত্যক্ষ যোগ রয়েছে আরামবাগের তৃণমূল সাংসদের (Aparupa Poddar)। সাংসদের লেটারহেডে অযোগ্য প্রার্থীদের চাকরির সুপারিশ করেছিলেন তিনি। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই হাইকোর্টে আবেদন জানিয়েছিলেন বিজেপির আইনজীবী নেতা। বুধবার হতে পারে ওই মামলার শুনানি। অপরূপা বলেন, আগামী বুধবার হাইকোর্টে শুনানি হবে। হাইকোর্ট ও বিচার ব্যবস্থার প্রতি সম্পূর্ণ আস্থা রয়েছে।

    আরও পড়ুুন: নেই আংটি, সুতোর তাগা, অতীতের স্মৃতি বয়ে বেড়াচ্ছে পার্থর আঙুল, হাত

    অপরূপার (Aparupa Poddar) পাঠানো মানহানির নোটিশের প্রেক্ষিতে বিজেপির আইনজীবী নেতা তরুণজ্যোতি বলেন, আফরিন আলি (অপরূপা পোদ্দার) ম্যাডাম, আপনার নোটিশ পেলে নিশ্চয়ই উত্তর দেব। তার আগে আপনি তৈরি হন সিবিআইকে উত্তর দেওয়ার জন্য। সংস্কৃতির কথা আপনার বা আপনার পরিবারের কারও মুখে মানায় না। আপনার স্বামীর সেই বিখ্যাত ভিডিওটা এখনও সংবাদমাধ্যমে খুঁজলেই পাওয়া যাবে। নারদ নিয়ে না হয় নতুন করে না-ই বা বললাম।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • NCPCR: কেন্দ্রীয় কর্তার হুমকির পরই সুর নরম, জাতীয় শিশু সুরক্ষা কমিশনের সঙ্গে বৈঠকে রাজ্য

    NCPCR: কেন্দ্রীয় কর্তার হুমকির পরই সুর নরম, জাতীয় শিশু সুরক্ষা কমিশনের সঙ্গে বৈঠকে রাজ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক হুমকিতেই সুর নরম হয়ে গেল জেলা প্রশাসনের। উত্তর দিনাজপুরের কালিয়াগঞ্জে দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্রীকে ধর্ষণ (Rape) করে খুনের ঘটনায় রবিবারই অসহযোগিতার অভিযোগ তুলেছিলেন জাতীয় শিশু সুরক্ষা অধিকার কমিশনের (NCPCR) চেয়ারপার্সন প্রিয়াঙ্ক কানুনগো। কেন্দ্রীয় আধিকারিক ক্ষোভ দেখানোর প্রায় ২৪ ঘণ্টা পর অবশেষে জাতীয় শিশু সুরক্ষা কমিশনের চেয়ারপার্সনের সঙ্গে বৈঠক করলেন জেলা পুলিশ এবং প্রশাসনের আধিকারিকেরা। সোমবার সকালে রায়গঞ্জের কর্ণজোড়ায় সার্কিট হাউসে যান মহকুমাশাসক কিংশুক মাইতি, অতিরিক্ত জেলাশাসক (উন্নয়ন) মানস মণ্ডল, ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক ভাস্করজ্যোতি দেবনাথ। পরবর্তীতে এসে পৌঁছান এই মামলার তদন্তকারী অফিসার রিগদেন সেরিং লেপচা। তাঁদের সঙ্গে কথা বলছেন জাতীয় শিশু সুরক্ষা কমিশনের (NCPCR)  চেয়ারপার্সন।

    জেলা প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠকের পর কী বললেন জাতীয় শিশু সুরক্ষা অধিকার কমিশনের (NCPCR)  চেয়ারপার্সন?

    রবিবার দিনভর একে অপরের বিরুদ্ধে সুর চড়ান জাতীয় সুরক্ষা কমিশন (NCPCR) এবং রাজ্য শিশু সুরক্ষা কমিশনের কর্তারা। যার জেরে রবিবার কোনও বৈঠকও হয়নি। যদিও রবিবার রাতে পুনরায় বৈঠক স্থির করার প্রস্তাব দেয় জেলা প্রশাসন। সেই মতো সোমবার সকালে এই বৈঠক বসে। বৈঠক শেষে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে ফের পুলিশ প্রশাসনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন জাতীয় শিশু সুরক্ষা কমিশনের (NCPCR) চেয়ারপার্সন প্রিয়াঙ্ক কানুনগো। তিনি বলেন, ছাত্রীর ধর্ষণের (Rape) ঘটনার ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আমাদের দেওয়া হয়নি। তিনজন চিকিত্সক ময়না তদন্ত করেছিলেন। কিন্তু, আমার সঙ্গে একজন চিকিত্সক দেখা করেছেন। বাকিদের ছুটিতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। পুলিশের এক আধিকারিকের রবিবার সার্কিট হাউসে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু, একজন এডিএম তাঁকে যেতে দেননি। এই তদন্তে আমাদের কোনওরকম সহযোগিতা করা হচ্ছে না। যারজন্য একটি বৈঠক করার জন্য আমাদের ২৪ ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়েছে।

    কী বললেন রাজ্য শিশু সুরক্ষা অধিকার কমিশনের আধিকারিকেরা?

    কালিয়াগঞ্জকাণ্ড নিয়ে জাতীয় ও রাজ্য শিশু সুরক্ষা কমিশনের মধ্যে সংঘাত চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। শনিবার থেকে একে অপরের বিরুদ্ধে সাংবাদিক বৈঠক করে ক্ষোভ ও পাল্টা ক্ষোভ উগরে দিয়েছে উভয় পক্ষই। সোমবারও একই ঘটনা সামনে এসেছে। এদিন সকালে জাতীয় শিশু সুরক্ষা অধিকার কমিশনের চেয়ারপার্সনের সাংবাদিক বৈঠকের পর সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হন রাজ্য শিশু সুরক্ষা অধিকার কমিশনের চেয়ারপার্সন সুদেষ্ণা রায় এবং অপর প্রতিনিধি অনন্যা চট্টোপাধ্যায়। তাঁরা বলেন, জাতীয় শিশু সুরক্ষা কমিশনকে (NCPCR) পুলিশ প্রশাসন সম্পূর্ণ সহযোগিতা করেছে। সোমবারের বৈঠকে পুরো ঘটনা সবিস্তারে বলা হয়েছে। কিন্তু, জাতীয় কমিশন তা মানতে নারাজ বলে অভিযোগ। ময়নাতদন্তের রিপোর্টে বিষক্রিয়ায় মৃত্যুর কথা উল্লেখ থাকলেও জাতীয় কমিশন (NCPCR) তা না মেনে মনগড়া কথা বলছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Partha Chatterjee: নেই আংটি, সুতোর তাগা, অতীতের স্মৃতি বয়ে বেড়াচ্ছে পার্থর আঙুল, হাত  

    Partha Chatterjee: নেই আংটি, সুতোর তাগা, অতীতের স্মৃতি বয়ে বেড়াচ্ছে পার্থর আঙুল, হাত  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেষ পর্যন্ত রক্ষাকবচ হিসেবে হাতে ছিল দুটি আংটি। খুলে ফেলতে হয়েছে তাও। সোমবার শূন্য হাতেই দেখা গেল তৃণমূলের (TMC) সাসপেন্ডেড মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে (Partha Chatterjee)। অথচ প্রেসিডেন্সি জেলে আসার আগে পর্যন্ত পার্থের হাতের দশ আঙুলে ছিল অন্তত ৮টি আংটি। সেগুলির সিংহভাগই সোনায় বাঁধানো কোনও না কোনও মূল্যবান পাথরের। বাকি পাথরগুলি রূপোয় মোড়ানো। সম্প্রতি সেই আংটির সংখ্যা কমে হয়েছিল দুই।

    পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee)…

    সোমবার দেখা গেল পার্থর হাতে শোভাবর্ধনকারী সেই আংটি দুটিও নেই। হাতে আংটি থাকায় গত সপ্তাহেই বিচারকের ভর্ৎসনার মুখে পড়েছিলেন পার্থ। ভার্চুয়াল মাধ্যমে শুনানির সময় সেগুলি নজরে পড়ে বিচারকের। তার পরেই তাঁকে ভর্ৎসনা করেন বিচারক। সেই সময় বিচারককে পার্থ জানিয়েছিলেন, তাঁর হাতে যে দুটি আংটি রয়েছে, সেগুলি শারীরিক সুস্থতার কারক। তাই তিনি পরে রয়েছেন। আংটি নিয়ে ইডির আইনজীবী পার্থকে প্রভাবশালী বলে কটাক্ষ করেন। তার পরেই সে দুটি খুলে ফেলেন তৃণমূল নেতা পার্থ। তার পর এদিনই প্রথম পার্থকে দেখা গেল আংটিবিহীন অবস্থায়।

    নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় জুলাই মাসে গ্রেফতার করা হয় রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থকে (Partha Chatterjee)। পরে তাঁকে পাঠানো হয় প্রেসিডেন্সি জেলে। এখনও রয়েছেন সেখানেই। তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পর থেকে পার্থর ‘কপাল’ যত খুলেছে, ততই আঙুল হয়েছে রত্নখচিত। বাঁ হাতে ছিল কালো ব্যান্ডের দামি ঘড়ি। ডান হাতে নানা রংয়ের সুতোর তাগা। গ্রেফতার হওয়ার পরেও বেশ কয়েকবার পার্থকে দেখা গিয়েছে ঘড়ি-আংটি-তাগা শোভিত হয়ে। সময় যত গড়িয়েছে, ততই পুড়েছে পার্থর কপাল। একে একে খুইয়েছেন ঘড়ি, তাগা, আংটি… সব।

    আরও পড়ুুন: তন্ত্রসাধনায় নিজের ভাইঝিকে নরবলি দেওয়ার চেষ্টা! তারাপীঠে গ্রেফতার মহিলা সন্ন্যাসী

    এদিন আলিপুরে সিবিআইয়ের বিশেষ আদালতে হাজিরা ছিল পার্থর (Partha Chatterjee)। এসেওছিলেন। তখনই তাঁকে প্রশ্ন করা হয়, পার্থদা, আংটি পরলেই প্রভাবশালী?  জবাবে কোনও কথা বলেননি রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী। কেবলই মৃদু হেসেছেন। নেড়েছেন আংটিবিহীন শূন্য হাত। যে হাতের আট আঙুলে তখনও রয়ে গিয়েছে আংটি পরার দাগ, অতীতের স্মৃতি চিহ্ন হয়ে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Weather Report: আজ দক্ষিণবঙ্গে ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা! বুধবার থেকে ফের চড়বে পারদ

    Weather Report: আজ দক্ষিণবঙ্গে ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা! বুধবার থেকে ফের চড়বে পারদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ দক্ষিণবঙ্গে ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি (Weather Report)। হাওয়া অফিস জানাচ্ছে, আগামিকাল দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া থাকবে উত্তরবঙ্গের পাঁচ জেলায়। দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার ও জলপাইগুড়িতে আগামিকাল বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সঙ্গে শিলাবৃষ্টিরও সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া দফতর সঙ্গে, ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে দমকা ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। বুধবার থেকে ফের বাড়বে তাপমাত্রা (Weather Report)। বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির সঙ্গে সঙ্গে ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার গতিবেগে দমকা ঝোড়ো হাওয়া বইবে। সোমবার দমকা ঝোড়ো হাওয়া ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে বইবে এবং মঙ্গলবারে দমকা ঝোড়ো হাওয়া ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত বেগে বইতে পারে বলে অনুমান আবহাওয়াবিদদের। দক্ষিণবঙ্গে আজ অর্থাৎ আগামী ২৪ ঘণ্টায় ঝড়, বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি। দু’ এক জায়গায় কালবৈশাখীর মতো পরিস্থিতি হতে পারে। সব জেলাতেই বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা। মঙ্গলবার পর্যন্ত এই পরিস্থিতি থাকবে বলে অনুমান আবহবিদদের। বুধবারও হালকা বৃষ্টি হতে পারে উত্তর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, পূর্ব-পশ্চিম মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রাম জেলাতে। গত কয়েকদিনে তাপপ্রবাহের জেরে হাঁসফাঁস অবস্থা হয়েছিল রাজ্যবাসীর। বেলা দশটার পরে রাস্তায় বেরোনো দায় হয়ে পড়েছিল। রাজ্যে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন বেশ কয়েকজন। তীব্র দাবদাহে রাজ্য সরকার স্কুলগুলিতে ছুটি ঘোষণা করে সাতদিন। এরপর পরই নামে স্বস্তির বৃষ্টি। তাপমাত্রা একধাক্কায় অনেকটাই কমে যায়।

    রাজ্য জুড়ে তাপমাত্রা কেমন থাকবে (Weather Report) !

    এদিন কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি কম। শনিবার যা ছিল ২৬.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আগামী তিন দিনে দিনের তাপমাত্রা সেরকম কোনও পরিবর্তন না হলেও, পরের দুদিন তাপমাত্রা ২-৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধির সম্ভাবনা। হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, আজ রাজ্য জুড়ে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকবে ৩২.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৬.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস থাকবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: তৃণমূলের যুব কমিটিতে সিভিক ভলান্টিয়ার! প্রশ্ন তুলতেই বিজেপি নেতাকে হুমকি থানার আইসি-র

    BJP: তৃণমূলের যুব কমিটিতে সিভিক ভলান্টিয়ার! প্রশ্ন তুলতেই বিজেপি নেতাকে হুমকি থানার আইসি-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুলিশ আসলে শাসকের দলদাস! বিরোধীদের এই অভিযোগকেই কার্যত মান্যতা দিল খোদ তৃণমূলের পূর্ব মেদিনীপুর জেলা নেতৃত্ব! এগরায় যুব তৃণমূলের ব্লক কমিটিতে উঠে এল সিভিক ভলান্টিয়ারের নাম। ইতিমধ্যে সোশ্যাল মিডিয়াতে ভাইরাল হয়েছে যুব তৃণমূলের ওই তালিকা। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই জোর বিতর্ক শুরু হয়েছে জেলায়। এগরা-২ এর বিজেপির (BJP) মণ্ডল সভাপতি দেবকুমার পণ্ডাকে এগরা থানার পুলিশ আধিকারিক ফোনে ধমক ও গ্রেফতার করার হুমকি দিয়েছেন বলে অভিযোগ। আর সেই ফোনালাপের অডিও ( ফোনালাপের অডিও যাচাই করেনি মাধ্যম) ভাইরাল হতেই বিতর্ক আরও জোরালো হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটেছে?

    সম্প্রতি পূর্ব মেদিনীপুর জেলার এগরা-২ ব্লকের যুব তৃণমূল কংগ্রেসের কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। যুব তৃণমূলের সভাপতি স্বপন পাত্র ১৭ জনের কমিটির নাম প্রকাশ করেন। তাতেই ১৬ নম্বরে রয়েছে সিভিক ভলান্টিয়ার সনাতন গিরির নাম। তারপরেই নতুন করে বিতর্ক দানা বেঁধেছে। যদিও বিষয়টি জানতে বিজেপি-র (BJP) মণ্ডল সভাপতি দেবকুমার পণ্ডা এগরা থানার আইসি মৌসম চক্রবর্তীকে ফোন করেছিলেন। ফোনে আইসি বলেন,আপনি কি আমাকে প্রশ্ন করতে পারেন? ভবিষ্যতে আপনি সতর্ক থাকবেন। বক্তব্য থাকলে থানায় এসে বলবেন। আপনি আপনার মতো রাজনীতি করুন, এইভাবে প্রশ্ন করতে পারেন না। পরবর্তী দিনে কোনও ফল্ট পেলে আপনাকে গ্রেফতার করে নেব তিনি হুমকি দেন।

    যুব তৃণমূল কমিটিতে নাম নিয়ে কী বললেন সিভিক ভলান্টিয়ার?

    যুব তৃণমূল কংগ্রেসের ব্লক কমিটিতে থাকা সিভিক ভলান্টিয়ার সনাতন গিরির দাবি, ‘‘বিষয়টি আমারও জানা ছিল না। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হতেই দেখলাম, আমার নাম ও মোবাইল নম্বর রয়েছে। আমার নাম দলীয় কমিটিতে রাখার কোনও প্রশ্নই নেই। সেই নাম বাতিল করা হয়েছে বলে শুনেছি।”

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    এই বিষয়ে এগরা-২ ব্লকের যুব তৃণমূলের সভাপতি স্বপন পাত্রের সাফাই, ‘‘যুব তৃণমূল কমিটিতে সিভিক ভলান্টিয়ারের নাম থাকার বিষয়টি জানা ছিল না। আসলে বুথ কমিটি থেকে নাম এসেছিল, সেটি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। পরে ভুল বুঝতে পেরে আমরা শুধরে নিচ্ছি৷ ’’পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথি সাংগঠনিক জেলার যুব সভাপতি সুপ্রকাশ গিরি বলেন, প্রশাসনের কাজ নিরপেক্ষভাবে হওয়া দরকার। পুলিশকে নিরপেক্ষ হতে হবে। কর্মরত অবস্থায় সক্রিয় রাজনীতি করা উচিত নয়।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    এমন পরিস্থিতিকে হাতিয়ার করে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে ফের বড় প্রশ্ন তুলেছে বিজেপি (BJP) নেতৃত্ব। বিজেপি-র (BJP) কাঁথি সাংগঠনিক জেলার সম্পাদক তন্ময় হাজরা বলেন, “রাজ্যে একের পর এক দুর্নীতির পর্দা ফাঁস হচ্ছে। সিভিক ভলান্টিয়ার আসলে যে তৃণমূলেরই ক্যাডার, সেটা এঘটনা থেকে স্পষ্ট। এদেরকে দিয়েই পঞ্চায়েতে ভোটের নামে প্রহসনের পরিকল্পনা করছে তৃণমূল। বিজেপির রাজ্য এক্সিকিউটিভ কমিটির সদস্য অনুপ চক্রবর্তী বলেন, “নিন্দনীয় কাজ। আমরা পুলিশের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে এগরা থানার আইসি’র বিরুদ্ধে অভিযোগ জানাচ্ছি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: বাংলায় নতুন গদ্দাফি তৈরি হচ্ছে, নাম না করে অভিষেককে তীব্র কটাক্ষ সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: বাংলায় নতুন গদ্দাফি তৈরি হচ্ছে, নাম না করে অভিষেককে তীব্র কটাক্ষ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে রাজ্য জুড়ে তোলপাড় চলছে। ইতিমধ্যেই পার্থ চট্টোপাধ্যায়, মানিক ভট্টাচার্যের পর তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহা গ্রেফতার হয়েছে। তাপস সাহাকে সিবিআই জেরা করেছে। যদিও সিবিআই ফিরে যাওয়ার পর তৃণমূল বিধায়কের উদ্যোগে ভুরি ভোজের আয়োজন করা হয়। এই প্রসঙ্গে রবিবার শ্রীরামপুর দলীয় কার্যালয়ে সাংগঠনিক কাজে যোগ দিতে এসে বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, দুর্নীতিতে শুধু তাপস সাহাই নয় তৃণমূলের এমন কোনও বিধায়ক নেই যে নিজের প্যাডে লিখে চাকরির জন্য সুপারিশ করেননি। আজ না হয় কাল সেই চিঠি সিবিআইয়ের হাতে পৌঁছাবে। সমস্ত চিঠি নিয়ে ১৪ তলায় একটি কম্পিউটারে কমপাইলেশন করা হয়েছিল। আমরা সেই নামটাও জানি। রাজনীতির যারা খবর রাখেন, তাঁরাও সেই নামটা জানেন। এই মাথারাও ধরা পড়বে। আর সিবিআই চলে যাওয়ার পর তৃণমূল বিধায়ক তাপস সাহার মাংস ভাত খাওয়ানো প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ছাগল বলি হওয়ার আগে প্রচুর শাকপাতা খায়। এ যাত্রায় বেঁচে গেলেও পরের যাত্রায় বাঁচবেন কিনা গ্যারান্টি নেই। সবসময় ভয়ে ভয়ে থাকতে হবে, এই বুঝি সিবিআই খপাৎ করে ধরল। এই ভয়ে ভয়ে থাকুন কিছুদিন।

     অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জনসংযোগ যাত্রাকে কী বললেন বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি (Sukanta Majumdar)?

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) রবিবার শ্রীরামপুর দলীয় কার্যালয়ে আসেন। সেখানে কর্মীদের সঙ্গে সাংগঠনিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। পরে, উত্তরপাড়া পার্টি অফিসেও তিনি কর্মীদের সঙ্গে বৈঠক করেন। অভিষেকের আগামী জনসংযোগ যাত্রা নিয়ে সুকান্ত (Sukanta Majumdar) বলেন, নজর ঘোরানো তো বটেই, তার সঙ্গে সঙ্গে আমার মনে হয়, বাংলার জনগণকে তিনি চেনেনও না, জানেনও না। প্যারাসুট নিয়ে নেমেছেন। বাংলার মাটি কি, কোনওদিন দেখেননি। গ্রামেও যাননি, এখন যাচ্ছেন। এই জনসংযোগ যাত্রায় কোটি কোটি টাকা খরচ করে বাস ভাড়া হবে। কোটি কোটি টাকা খরচ করে প্যান্ডেল হবে, তাঁবু হবে। ফাইভ স্টার তাঁবু হবে। তাঁর এইসব কর্মকান্ড দেখে লিবিয়ার বেদুইন নেতা মহম্মদ গদ্দাফির কথা মনে পড়ছে। গদ্দাফি একসময় এরকম তাঁবু করে গ্রামে গঞ্জে থাকতেন। কারণ, তিনি হোটেলে থাকতে পারতেন না, যেহেতু বেদুইন ছিলেন। যাক নতুন গদ্দাফি তৈরি হচ্ছে বাংলায়।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share