Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Loksabha Election 2024: আজই কলকাতায় মমতা-নীতীশ বৈঠক! বিরোধী জোটে কী পদক্ষেপ?

    Loksabha Election 2024: আজই কলকাতায় মমতা-নীতীশ বৈঠক! বিরোধী জোটে কী পদক্ষেপ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সামনেই লোকসভা নির্বাচন (Loksabha Election 2024)। ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনে বিরোধীদের একজোট করার উদ্দেশে আজ, সোমবারই কলকাতায় আসছেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী তথা জেডিইউ প্রধান নীতীশ কুমার (Nitish Kumar)। নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (CM Mamata Banerjee) সঙ্গে বৈঠক করতে পারেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের পরই লখনউ উড়ে যাবেন নীতীশ। 

    নীতীশ-মমতা সাক্ষাত

    সূত্রের খবর, এদিন দুপুর ১২টা নাগাদ কলকাতা বিমানবন্দরে আসবেন নীতীশ কুমার। তবে তিনি একা নন, সঙ্গে বিহারের উপ-মুখ্যমন্ত্রী তথা লালু-পুত্র তেজস্বী যাদবও কলকাতায় আসছেন। দুজনেই নবান্নে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বৈঠক করতে পারেন। তারপর এদিনই লখনউ উড়ে যাবেন নীতীশ-তেজস্বী। সমাজবাদী পার্টি প্রধান অখিলেশ যাদবের সঙ্গে বৈঠক করতেই তাঁরা লখনউ যাবেন। বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলিতে একত্রিত করার লক্ষ্যেই এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে বিশেষ আর্জি নিয়ে আসছেন নীতীশ, এমনই ধারণা রাজনৈতিক মহলের।

    বিরোধীদের প্রয়াস

    সম্প্রতি কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী, সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের সঙ্গে বৈঠক করেছেন নীতীশ কুমার। তেজস্বী যাদবকে সঙ্গে নিয়ে কয়েকদিন আগেই দিল্লি গিয়েছিলেন নীতীশ। কিছুদিন আগেই কলকাতার রেড রোডে কেন্দ্রীয় বঞ্চনার বিরুদ্ধে ধরনায় বসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখান থেকেই তিনি বিরোধীদের একজোট হওয়ার আহ্বান জানান। সম্প্রতি কলকাতায় এসেছিলেন সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব। পাশাপাশি ওড়িশা সফরে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়েকের সঙ্গেও দেখা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সম্প্রতি তিনি তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্ট্যালিনের সঙ্গেও ফোনে কথা বলেন। 

    আরও পড়ুন: প্রথমবার ভারতে আসছেন জো বাইডেন, কেন জানেন?

    বিরোধী জোট মরীচিকা

    রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের অনুমান, অসম্ভব না হলেও জোট গড়া সহজ নয় বলেই অভিমত বিশেষজ্ঞদের। বিরোধী দলগুলি ঐক্যবদ্ধ হতে প্রধান বাধা নেতৃত্ব বা মোদি-বিরোধী মুখ। যে দলের ৩০-এর বেশি আসন পাওয়ার সম্ভাবনা থাকছে, সেই দলই চাইছে তাঁদের নেতা বা নেত্রী বলে প্রধানমন্ত্রী মুখ বা মোদি-বিরোধী প্রধান মুখ। তাতেই নড়ে যাচ্ছে বিরোধী ভিত। বিরোধীদের ঐক্য এখন মরীচিকা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Child Abduction: নিঃসন্তান মেয়ের সংসার বাঁচাতেই হাসপাতাল থেকে শিশু চুরি! কোথায় ঘটল এমন ঘটনা?

    Child Abduction: নিঃসন্তান মেয়ের সংসার বাঁচাতেই হাসপাতাল থেকে শিশু চুরি! কোথায় ঘটল এমন ঘটনা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অপত্য স্নেহের মর্মান্তিক পরিণতি! ঘটনার গভীরে ঢুকলে মনে হবে, সত্যি, এও সম্ভব? গত বৃহস্পতিবার উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকে এক সদ্যোজাত শিশু চুরি (Child Abduction) হয়ে যায়। শনিবার রাতে উত্তর দিনাজপুর জেলার চোপড়া থানার বিহার লাগোয়া বলরামপুর গ্রাম থেকে সেই শিশুকে উদ্ধার করে আনে শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পুলিশ। শিশুচুরিতে মূল অভিযুক্ত সীতা দাস ও তার মেয়ে অঞ্জু দাসকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের ধরার পরই বেরিয়ে আসে সেই ঘটনা, যা একাধারে মর্মন্তুদও।

    কেন এবং কীভাবে এই চুরি? 

    পুলিশ জানতে পেরেছে, অঞ্জু দাসের প্রায় ১০ বছর বিয়ে হলেও কোনও সন্তান হয়নি। ফলে সংসার ভেঙে গেছে। সন্তান হলেই সংসার জোড়া লাগবে, এই ভাবনায় সীতাদেবী মেয়ের কোলে একটি সন্তান দেওয়ার জন্য অনেকদিন ধরে নানা জায়গায় ঘুরে বেড়িয়েছেন। ডাক্তার, ওঝা, মন্দির, মাজার কোনও কিছুই বাকি রাখেননি। একে একে সব চেষ্টা ব্যর্থ হতেই তিনি ঠিক করেন, এবার কোনও হাসপাতাল থেকে শিশু তুলে (Child Abduction) আনা ছাড়া কোনও পথ নেই। সেইমতো উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে এসে তিনি কয়েকদিন ঘোরাঘুরি করে সবকিছু খতিয়ে দেখেন। কোথায় নিরাপত্তার গাফিলতি রয়েছে, কোন সময় কিভাবে শিশু তুলে নিয়ে পালিয়ে গেলে ধরা পড়তে হবে না, সবকিছু যাচাই করে তিনি গত বৃহস্পতিবার অপারেশনে নামেন। গ্রামে বলে এসেছিলেন, ইঞ্জেকশন (পড়ুন আইভিএফ) দিয়ে তার মেয়ের বাচ্চা হবে।  

    বৃহস্পতিবার সকালে তিনি মেয়েকে নিয়ে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পৌঁছে যান। বেলা বারোটা নাগাদ প্রসূতি ওয়ার্ডে ঢুকে পড়েন। শিলিগুড়ি মহকুমার খড়িবাড়ি ব্লকের বাতাসির গৃহবধূ রঞ্জিতা সিংহের বেডের কাছে গিয়ে গল্প জমান। সেই সময় রঞ্জিতাকে তার মা খাইয়ে দিচ্ছিলেন। হঠাৎই কেঁদে ওঠে রঞ্জিতার সদ্যোজাত পুত্রসন্তান। এটাই সুযোগ। সীতাদেবী রঞ্জিতাকে বলেন, বাচ্চাকে দাও, বাইরে থেকে ঘুরিয়ে শান্ত করে আনি। এই বলেই শিশু নিয়ে বাইরে বেরিয়ে যান সীতাদেবী। তারপর তার কোনও হদিশ পাওয়া যায়নি। 

    কীভাবে উদ্ধার হল শিশু?

    উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের প্রসূতি ওয়ার্ডের সিসিটিভিগুলি দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে না। ফলে ফুটেজ দেখে অপরাধীকে শনাক্ত করার সুযোগ ছিল না। অন্ধকারে হাতড়ে ২৪ ঘণ্টা কেটে যায়। হঠাৎই শুক্রবার হাসপাতালের সিক নিওন্যাটাল কেয়ার ইউনিটের (এসএনসিইউ) এক নার্স তাঁদের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ ঘাঁটতে গিয়ে দেখেন, এক মহিলা শিশু কোলে নিয়ে বেরিয়ে যাচ্ছে (Child Abduction)। তার সামনে সামনে নাইটি পরা কমবয়সী এক মহিলা যাচ্ছে। সীতাদেবী তাঁর মেয়েকে সদ্যোজাত সন্তানের মা সাজানোর জন্য নাইটি পরিয়ে হাতে ব্যাগ ঝুলিয়ে দিয়েছিলেন। ব্যাগটি ছোট ও হালকা হওয়ায় নার্সের সন্দেহ হয়। সন্তান জন্মের পর হাসপাতাল থেকে যাওয়ার সময় সাধারণত এত ছোট এবং হালকা ব্যাগ থাকে না। সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি তিনি পুলিশকে জানান। 
     
    সিসিটিভি ফুটেজ দেখে শুরু তদন্ত

    শুক্রবার রাত তিনটে নাগাদ মেডিক্যাল কলেজ ফাঁড়ির ওসি সুদীপ দত্ত এবং মাটিগাড়া থানার আইসি সমীর দেওসা সিসিটিভি ফুটেজ দেখে সেই অংশটি (Child Abduction) রেকর্ড করেন। শিলিগুড়ি পুলিশের এডিসিপি শুভেন্দ্র কুমার রবিবার বলেন, দুই মহিলাকে খুঁজতে এরপর শহরের বিভিন্ন জায়গার সিসিটিভির ফুটেজ দেখে পুলিশ নিশ্চিত হয়, একাধিকবার গাড়ি পালটে ওই দুই মহিলা চোপড়ার বাসে উঠেছে। সেইমতো শিলিগুড়ি থেকে পুলিসের একটি তদন্তকারী দল চোপড়া পৌঁছে যায়।  

    আশার আলো জ্বাললেন আশাকর্মীরা

    কিন্তু চোপড়ার কোথায় রয়েছে সেই শিশু, কীভাবে তা জানা যাবে? চোপড়া থানায় পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করার পর সেখানকার আশাকর্মীদের সাহায্য নেওয়া হয়। কেননা তাঁরাই প্রতিটি এলাকার খোঁজ রাখেন, কোন বাড়িতে বাচ্চা হয়েছে। সেইমতো আশাকর্মীদের কাছ থেকে খবর আসে, বলরামপুর গ্রামের একটি বাড়িতে দু’দিন হল সদ্যোজাত শিশু এসেছে। সেই বাড়িতে দুই মহিলা থাকেন। শনিবার দুপুরের আগেই পুলিশ পৌঁছে যায় চোপড়ার বলরামপুর গ্রামে। শিশুসহ ধরা পড়েন অঞ্জু দাস। তাঁর মা বাড়িতে ছিলেন না। অঞ্জু দাস ও তাঁর দুই ভাই সহ চুরি (Child Abduction) যাওয়া শিশু নিয়ে শিলিগুড়ির উদ্দেশে রওনা দেয় পুলিশ। শনিবার রাত সাড়ে এগারোটা নাগাদ উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে তাঁরা পৌঁছন। স্বস্তি ফেরে সব মহলে। মূল অভিযুক্ত সীতাদেবীকে শনিবার শেষ রাতে ওই গ্রাম থেকে গ্রেফতার করে রবিবার সকালে শিলিগুড়িতে আনা হয়।

    সন্তান ফিরে পেয়ে খুশি রঞ্জিতা ও তাঁর পরিবার

    শনিবার রাতে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের এসএনসিইউ-তে  নিজের পূত্রসন্তানকে কোলে তুলে নিয়ে আনন্দের কান্নায় ভাসেন রঞ্জিতা ও তাঁর স্বামী নিত্যানন্দ সিংহ। কিন্তু এই শিশুই যে রঞ্জিতার চুরি (Child Abduction) যাওয়া সেই শিশু, তার প্রমাণ কী?  উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সুপার ডাঃ সঞ্জয় মল্লিক এবং পুলিশ বলেন, যে কাপড় দিয়ে শিশুকে জড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, সেই কাপড় সহ আমরা শিশুকে উদ্ধার করে এনেছি। যাদের ধরা হয়েছে, তারাও স্বীকার করেছে এই শিশুকে তারা এখান থেকে চুরি করে নিয়ে গিয়েছিল। উপযুক্ত প্রমাণ থাকার কারণেই ডিএনএ পরীক্ষা করার কোনও প্রয়োজন নেই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Tarapith: তন্ত্রসাধনায় নিজের ভাইঝিকে নরবলি দেওয়ার চেষ্টা! তারাপীঠে গ্রেফতার মহিলা সন্ন্যাসী

    Tarapith: তন্ত্রসাধনায় নিজের ভাইঝিকে নরবলি দেওয়ার চেষ্টা! তারাপীঠে গ্রেফতার মহিলা সন্ন্যাসী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রোমহর্ষক ঘটনা। এ যেন সিনেমার চিত্রনাট্যকেও হার মানাবে। তন্ত্রসাধনার জন্য কাউকে ধরে নিয়ে এসে বলিকাঠে চড়ানো হচ্ছে, এমন হাড়হিম করা দৃশ্য বহু সিনেমাতেই দেখা যায়। কিন্তু তা বলে নিজের স্বার্থসিদ্ধির জন্য নিজেরই ভাইঝিকে কেউ ধরে নিয়ে যেতে পারে, এ যেন কল্পনার অতীত। কিন্তু বাস্তবে তেমনটাই ঘটেছে। যদিও শেষ রক্ষা হয়নি। তন্ত্রসাধনায় নরবলি দেওয়ার আগেই তারাপীঠ (Tarapith) থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে সন্ন্যাসী মহিলাকে। আর তারপরই পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে বেরিয়ে এসেছে ওই চাঞ্চল্যকর তথ্য। বোলপুর থানা এবং বীরভূম জেলা পুলিশের স্পেশাল অপারেশন গ্রুপের জালে সন্ন্যাসী মহিলা রেখা সরকার। ঘটনার গভীরে ঢুকতে বীরভূম জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে শুরু হয়েছে উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত। 

    কীভাবে পুলিশ পৌঁছে গেল মহিলা সন্ন্যাসীর ডেরায়?

    দিন চারেক আগে বীরভূমের বোলপুর থানার অন্তর্গত তাতারপুর কলোনি থেকে এক নাবালিকা নিখোঁজ হয়। তার পরিবারের তরফ থেকে বোলপুর থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়। ঘটনার গুরুত্ব বুঝে বীরভূম জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে একটি বিশেষ টিম গঠন করা হয়। বিশেষ টিমে ছিলেন বীরভূম জেলা পুলিশের স্পেশাল অপারেশন গ্রুপের আধিকারিক সহ বোলপুর থানার পুলিশ অফিসাররা। নিখোঁজ নাবালিকার বাবাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জেনে নেওয়া হয়, তাদের কোথায় কোথায় আত্মীয়স্বজন রয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদ চালিয়ে তারই দিদি রেখা সরকার তারাপীঠে থাকে বলে খোঁজ মেলে। শনিবার বীরভূম জেলা পুলিশের এই স্পেশাল টিম হানা দেয় তারাপীঠে (Tarapith)। প্রথমে রেখা সরকার নামে ওই মহিলা জানিয়ে দেয়, তার ভাইঝি তার কাছে আসেনি। সমগ্র ঘটনা এড়িয়ে যায়। পরে পুলিশ চাপ দিলে ওই নাবালিকাকে বের করে দেয়। 

    বলি দেওয়ার চেষ্টা হয়েছিল, বলছেন পুলিসের আধিকারিকই

    এই পুরো ঘটনায় বোলপুরের অতিরিক্ত জেলা পুলিশ সুপার সুরজিৎকুমার দে সাংবাদিক বৈঠক করে জানান, রেখা সরকার দীর্ঘদিন ধরে তন্ত্র সাধনার সঙ্গে যুক্ত। প্রথমে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে সম্পূর্ণ বিষয় অস্বীকার করে। পরবর্তী সময়ে তাকে চাপ দেওয়া হলে ওই নাবালিকাকে বের করে দেয়। তারপরই তাকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশি তদন্ত প্রক্রিয়ায় প্রাথমিকভাবে উঠে এসেছে, তন্ত্রসাধনার কাজে তারাপীঠে (Tarapith) ওই নাবালিকাকে বলি দেওয়ার প্রয়াস চালিয়েছিল ধৃত রেখা। এই ঘটনার আরও গভীরে ঢুকতে সাতদিনের পুলিশি হেফাজতে নিয়েছে বোলপুর থানার পুলিশ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: অস্তিত্বহীন দলের নোটিশ অবৈধ! পাল্টা আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: অস্তিত্বহীন দলের নোটিশ অবৈধ! পাল্টা আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জাতীয় দলের তকমা পুনরায় ফিরে পেতে মুখ্যমন্ত্রী চারবার ফোন করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীকে, শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) এই দাবিকে অপপ্রচার বলে তাঁর কাছে বুধবার আইনি নোটিস পাঠিয়েছিলেন তৃণমূলের রাজ্যসভার নেতা ডেরেক ও’ব্রায়েন। বুধবার শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) তাঁর আইনজীবী মারফত সেই নোটিসের জবাব দিলেন। শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) আইনজীবী সরাসরি নোটিশের বৈধতাকেই চ্যালেঞ্জ করেছেন। লিখেছেন, ‘‘অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস নামে কোনও দল এখন নেই। তৃণমূল নামে আঞ্চলিক একটি দল রয়েছে। তাই অস্তিত্বহীন কোনও সংগঠনের তরফে এমন নোটিস পাঠানোই যায় না!’’ আইনের দৃষ্টিতে এই নোটিশকে ‘অবৈধ’ দাবি করে শুভেন্দুর আইনজীবী সূর্যনীল দাস অবিলম্বে সেটি প্রত্যাহারও করতে বলছেন। শুধু তাই নয় নোটিস প্রত্যাহার করা না হলে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপের কথাও বলা হয়েছে জবাবি চিঠিতে। পাশাপাশি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মানহানির যে অভিযোগ তাঁর মক্কেল শুভেন্দুর বিরুদ্ধে ডেরেক তুলেছিলেন, তা ‘ভিত্তিহীন’ বলেছেন শুভেন্দুর আইনজীবী।

    ঘটনাক্রম…

    প্রসঙ্গত, যোগ্যতা শর্ত পূরণ না করতে পারার কারণে জাতীয় দলের তকমা চলে তৃণমূলের। এরপর পরই সিঙ্গুরের সভা থেকে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) দাবি করেন, তৃণমূল সর্বভারতীয় তকমা হারানোর পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নাকি চারবার অমিত শাহকে ফোন করেন এই তকমা ফিরিয়ে দেওয়া আরজি জানান। কিন্তু অমিত শাহ জানিয়ে দেন তা সম্ভব নয়। পরবর্তীতে মমতা বন্দোপাধ্যায় বলেন, এই অভিযোগ মিথ্যা। বিরোধী দলনেতা তা প্রমাণ করতে পারলে তিনি পদত্যাগ করবেন। তখনই তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও ব্রায়েন, নোটিশ পাঠান। নোটিসে বিরোধী দলনেতার সিঙ্গুরের মন্তব্য তুলে দিয়ে ডেরেক লেখেন,’আমাদের দলের চেয়ারপার্সনের বিরুদ্ধে মন্তব্য অত্যন্ত অবমাননাকর। জনসমক্ষে এই ধরনের অসত্য করা বলে আমাদের দলের ভাবমূর্তিকে আপনি নষ্ট করতে চেয়েছেন।’
     পরে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)  বলেন, কথোপকথনের রেকর্ডিং সামনে আনলেই সবটা পরিষ্কার হয়ে যাবে। কিন্তু তা সম্ভব নয় প্রোটোকলের কারনেই। শুভেন্দু এও জানান, মামলা কোর্ট অবধি গেলে ভালই হবে, তখন কোর্ট সংশ্লিষ্ট টেলিকম সংস্থাগুলির কাছে  এই কথোপকথনের রেকর্ড চাইবেন। সর্বসমক্ষে প্রমাণ হবে সবটা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • SSC Scam: তাপস সাহা ‘ঘনিষ্ঠ’ তৃণমূল নেত্রী ইতি সরকারের বাড়িতে সিবিআই! জানেন কে তিনি?

    SSC Scam: তাপস সাহা ‘ঘনিষ্ঠ’ তৃণমূল নেত্রী ইতি সরকারের বাড়িতে সিবিআই! জানেন কে তিনি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তেহট্টের তৃণমূল বিধায়ক তাপস সাহার ‘ঘনিষ্ঠ’ তৃণমূল নেত্রী ইতি সরকারের বাড়িতে হানা দিল সিবিআই। শনিবার সকালে তৃণমূল নেত্রীর বাড়িতে যায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারীদের একটি দল। সূত্রের খবর, ইতি স্থানীয় পঞ্চায়েতের সদস্য। আজ, শনিবার সকালেই আসতুল্লানগরে ওই তৃণমূল নেত্রীর বাড়িতে পৌঁছন সিবিআই গোয়েন্দারা। ইতি তৃণমূল কংগ্রেসের তেহট্ট এক নম্বর ব্লকের সভাপতি। এদিন সিবিআই টিম তাপসের বাড়ি থেকে চলে যায় তাঁর প্রাক্তন আপ্তসহায়ক প্রবীর কয়ালের বাড়িতে। প্রবীরের হাওড়ার বাড়িতে শুক্রবার গিয়েছিল সিবিআই। শনিবার যায় তেহট্টের বাড়িতে। তারপর কেন্দ্রীয় এজেন্সি যায় ইতি সরকারের বাড়িতে।

    কে এই ইতি

    স্থানীয় সূত্রে খবর, ইতি সরকার স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য। তৃণমূল কংগ্রেসের তেহট্ট এক নম্বর ব্লকের সভাপতি। স্থানীয় একটি স্কুলে চাকরি করেন।  সরকারি ওই স্কুলের পোশাক সরবরাহ এবং পোশাক তৈরির কাজের দায়িত্বে রয়েছেন তিনি। এই এতকিছুর সঙ্গে জড়িয়ে থাকার জন্যই সিবিআইয়ের নজর পড়েছে নেত্রীর উপর। তাই তাঁর বাড়িতে হানা দেওয়া হয়েছে। তাছাড়া তাপস সাহার ঘনিষ্ঠ বলেই ইতি সরকারের বাড়িতে তল্লাশি করতে যান সিবিআই অফিসাররা। এখান থেকে কোনও লেনদেনের তথ্য পাওয়া যায় কিনা খতিয়ে দেখছেন তাঁরা।

    আরও পড়ুন: চাকরি বিক্রির টাকার অঙ্ক কত জানাল ইডি! পার্থ-অর্পিতা-মানিকের সম্পত্তির রিপোর্ট পেশ আদালতে

    সূত্রের খবর, তদন্তে একাধিকবার উঠে এসেছে তৃণমূল নেত্রী ইতি সরকারের নাম। সিবিআইয়ের দাবি, ইতি একাই ১৩টি সরকারি স্কুলে ইউনিফর্ম বিলির বরাত পান, একইসঙ্গে ওই স্কুলগুলিতে বিভিন্ন ধরনের প্রশিক্ষণও দিতেন ইতি। তাপস সাহার ঘনিষ্ঠ হওয়ার সুবাদে প্রভাব খাটিয়ে তৃণমূল নেত্রী ইতি সরকারকে সরকারি স্কুলে কাজ পাইয়ে দেওয়া হয়েছে কি না, খতিয়ে দেখছে সিবিআই। স্থানীয়রা জানাচ্ছেন, পারিবারিক অনুষ্ঠান হলে ইতির বাড়িতে আসতেন বিধায়ক তাপস সাহা। প্রবীর কয়ালের বাড়িতে প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টা তল্লাশি চালিয়েছিল সিবিআই। এখন দেখার ইতির বাড়িতে তল্লাশিতে কখন ইতি টানে এজেন্সি। শনিবার তাপসের পুত্র সাগ্নিককেও বেঙ্গালুরুতে জিজ্ঞাসাবাদ করে সিবিআই-এর একটি দল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • SSC Scam: চাকরি বিক্রির টাকার অঙ্ক কত, জানাল ইডি! পার্থ-অর্পিতা-মানিকের সম্পত্তির রিপোর্ট পেশ আদালতে

    SSC Scam: চাকরি বিক্রির টাকার অঙ্ক কত, জানাল ইডি! পার্থ-অর্পিতা-মানিকের সম্পত্তির রিপোর্ট পেশ আদালতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিক্ষাক্ষেত্রে (SSC Scam) চাকরি বিক্রি করে কোটি কোটি টাকা করেছেন অনেকে। শুধু শিক্ষা নয়, চাকরি বিক্রি হয়েছে পুরসভা, দমকল থেকে শুরু করে রাজ্য সরকারের বিভিন্ন দফতরে। চাকরি বিক্রির টাকার অঙ্ক ঠিক কত? তা জানতে তদন্ত চলছে। এখনও পর্যন্ত  নিয়োগ দুর্নীতিতে (SSC Scam) কত টাকা মিলেছে শুক্রবারই কলকাতা হাইকোর্টে সেই রিপোর্ট পেশ করেছেন এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের আধিকারিকরা। 

    ইডির রিপোর্ট

    ইডির রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়, অর্পিতা মুখোপাধ্যায়, মানিক ভট্টাচার্যের সম্পত্তির হিসেব। ইডি জানিয়েছে, তদন্ত চলাকালীন পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের কাছ থেকে ৪৯ কোটি ৮০ লক্ষ টাকা নগদ এবং ৫ কোটি আট হাজার টাকা মূল্যের সোনার গয়না বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। পরবর্তী ক্ষেত্রে আরও ৪৮ কোটি ৬৭ লক্ষ টাকার সম্পত্তির হদিশ পাওয়া গিয়েছে, যা অর্পিতা মুখোপাধ্যায় এবং পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের নামে ছিল।

    আরও পড়ুন: ‘দল পাশে নেই, তবে লড়াই ছাড়ব না, আমার বিরুদ্ধে চক্রান্ত হয়েছে’! বিস্ফোরক তাপস সাহা

    মানিকের সম্পত্তি

    এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের দাবি, তদন্তে জানা গিয়েছে পার্থ চট্টোপাধ্যায় এই  বিপুল সম্পত্তি গুলির মালিক ছিলেন। তিনি বিভিন্ন সম্পত্তি অর্পিতা মুখোপাধ্যায় এবং কিছু অস্তিত্বহীন ব্যক্তির নামে রেখেছিলেন। রিপোর্টে আরও দাবি করা হয়েছে, মানিক ভট্টাচার্য একাই প্রায় ২৯ কোটি টাকার বেআইনি লেনদেনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পরবর্তী ক্ষেত্রে আরও সাত কোটি ৯৩ লক্ষ টাকার সম্পত্তির হদিশ পাওয়া যায় যা মানিক ভট্টাচার্য এবং তাঁর পরিবারের নামে ছিল।

    আরও পড়ুন: সাড়ে ১৪ ঘণ্টার ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ! সকালে তাপসের বাড়ি থেকে বেরোল সিবিআই

    দুর্নীতির টাকা নানা জায়গায়

    দুর্নীতির বহর যেভাবে প্রতিদিন প্রকাশ্যে আসছে তাতে যে পরিমাণ দুর্নীতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছিল বাস্তবে তার দ্বিগুণ হতে পারে। নিয়োগ দুর্নীতির (SSC Scam) টাকা বাংলা চলচ্চিত্র জগতেও বিনিয়োগ করা হয়েছে। বিনোদন জগতের সঙ্গে জড়িত একাধিক ব্যাক্তিকে জেরা করে এমন তথ্য পেয়েছে কেন্দ্রীয় সংস্থা। রাজ্যের নানা প্রান্তে বিভিন্ন ব্যক্তির দ্বারা প্রায় ২৫০ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে বলেও দাবি ইডির। আদালতে ইডি জানায়, এখনও পর্যন্ত শুধুমাত্র নগদেই ১১১ কোটি টাকা উদ্ধার হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • SSC Scam:  ‘দল পাশে নেই, তবে লড়াই ছাড়ব না, আমার বিরুদ্ধে চক্রান্ত হয়েছে’! বিস্ফোরক তাপস সাহা

    SSC Scam: ‘দল পাশে নেই, তবে লড়াই ছাড়ব না, আমার বিরুদ্ধে চক্রান্ত হয়েছে’! বিস্ফোরক তাপস সাহা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতিতে (SSC Scam) তাঁর বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র হয়েছে। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে আসা সিবিআই আধিকারিকরাও না কি তাঁকে এমনটা বলেছেন, দাবি তেহট্টের তৃণমূল বিধায়ক তাপস সাহার। কাঁদতে কাঁদতেই তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, তাঁর বিরুদ্ধে চক্রান্ত করা হলেও তিনি দল ছাড়বেন না। মোকাবিলা করবেন রাজনৈতিক ভাবে।

    রাজনৈতিক চক্রান্ত

    শুক্রবার বিকেল থেকে বিধায়কের বাড়িতে শুরু হয় কেন্দ্রীয় সংস্থার তল্লাশি অভিযান। একটানা জিজ্ঞাসাবাদ চলে তৃণমূল বিধায়কের। বাড়ি থেকে কার্যালয়, কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে রাতভর তল্লাশি চালান সিবিআই আধিকারিকরা। শনিবার সকালে বেরিয়ে যান আধিকারিকরা। নথি সংগ্রহের জন্য বিধায়কের বাড়িতে ল্যাপটপ ও প্রিন্টার নিয়ে গিয়েছিল সিবিআই। প্রচুর নথিপত্র উদ্ধার হয়েছে বলে সূত্রের খবর। তল্লাশি শেষে তাপস সাহার অভিযোগ,‘আমি চক্রান্তের শিকার’, কার চক্রান্ত? তাপস বলেন, ‘বিজেপিও চক্রান্ত করেছে, তৃণমূলও করেছে। আমি লড়াই করা মানুষ। দল ছাড়ব না। এটাকেই তো রাজনীতি বলে। যাঁরা চক্রান্ত করেছে তাঁদের বিরুদ্ধে লড়াই জারি থাকবে।’ দলের কেউ কেউ যে তাঁর নাম বলেছেন, সে কথা নাকি শোনা গিয়েছে সিবিআই-এর মুখেও। তিনি জানান, এখনও পর্যন্ত দল তাঁর পাশে দাঁড়ায়নি। দলের কোনও নেতা কথাও বলেননি তাঁর সঙ্গে।  

    তদন্তে সহযোগিতা

    তৃণমূল বিধায়কের কথায়, ‘তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করেছি। প্রয়োজনে যা জানতে চাইবেন তাই বলব।’ তবে তাঁর দু’টি ফোন এবং তাঁর ছেলের কিছু নথি সিবিআই আধিকারিকরা সঙ্গে করে নিয়ে গিয়েছেন বলেও তাপস জানিয়েছেন। নিয়ে যাওয়া হয়েছে তাঁর স্কুলশিক্ষিকা ভাইঝিরও কিছু নথি। সেই প্রসঙ্গে তাপস বলেন, ‘‘আমি সম্পূর্ণ ভাবে সহযোগিতা করেছি সিবিআইকে। আমার দু’টো ফোন নিয়ে গিয়েছে। আমার ছেলের কাগজ নিয়ে গিয়েছে। আমার মেজ দাদার মেয়ের নথি নিয়ে গিয়েছে। আমার মেজ দাদার মেয়ে নিজের যোগ্যতায় চাকরি পেয়েছে।’’

    আরও পড়ুন: সাড়ে ১৪ ঘণ্টার ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ! সকালে তাপসের বাড়ি থেকে বেরোল সিবিআই

    দল প্রসঙ্গে তাঁর মত,’রাজ্যের নেতারা নামেই নেতা। মমতা-অভিষেক ছাড়া কাউকে বলে লাভ হয় না। তৃণমূল রাজ্য নেতৃত্বকে বলে লাভ হয় না। মমতা-অভিষেকের কাছে চিঠি পাঠালেও পৌঁছয় না।’ তিনি আরও দাবি করেন, ‘পার্থ চট্টোপাধ্য়ায় দুর্নীতি করেননি। মানিক ভট্টাচার্য করেছেন। দলের পরিস্থিতি ভালো না। ৪ বছরে টিনা সাহা ৪০ কোটির মালিক হয়েছেন।’ এমনকি তেহট্টের তৃণমূল বিধায়ক এও বলেন যে, ‘মানুষের সবসময় দিন সমান যায় না। টাকা পয়সা ধার করতে হয়। আমিও করেছি। সবার শোধ করতে পারিনি।’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • SSC Scam: সাড়ে ১৪ ঘণ্টার ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ! সকালে তাপসের বাড়ি থেকে বেরোল সিবিআই

    SSC Scam: সাড়ে ১৪ ঘণ্টার ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ! সকালে তাপসের বাড়ি থেকে বেরোল সিবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাড়ে ১৪ ঘণ্টা ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদের শেষে তেহট্টের তৃণমূল বিধায়ক তাপস সাহার বাড়ি থেকে বেরিয়ে গেলেন সিবিআইয়ের আধিকারিকরা। নিয়োগ-দুর্নীতি (Recruitment Scam) প্রসঙ্গে তাপস সাহাকে (Tapas Saha) শুক্রবার বিকেল থেকে জিজ্ঞাসাবাদ করে সিবিআই। শনিবার সকাল ৬টা নাগাদ তাঁর বাড়ি থেকে বেরোন কেন্দ্রীয় এজেন্সির আধিকারিকরা। কিন্তু তেহট্ট ছাড়েনি সিবিআই। বরং এলাকা চষে বেড়াচ্ছেন তদন্তকারীরা। সূত্রের খবর, এরপর ফের তাপসের বাড়িতে যেতে পারে সিবিআই-এর দল।

    রাতভর তল্লাশি

    শুক্রবার বিকেল ৩টে ৩৫ মিনিটে নদিয়ার তেহট্টে তাপসের বাড়িতে হানা দেয় সিবিআই। বাড়ি লাগোয়া দলীয় কার্যালয়ে প্রথমে ঢোকেন তদন্তকারীরা। তারপর যাওয়া হয় তাপসের বাড়িতে। রাতে তাপসকে সঙ্গে নিয়ে বেতাইয়ের ডক্টর বি.আর.আম্বেদকর কলেজে তল্লাশি চালাতে যায় সিবিআই। কলেজের কোষাধক্ষ্য সহ মোট চার জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তারপর ফের তাপসের বাড়িতে আসে সিবিআই। রাতভর চলে জিজ্ঞাসাবাদ। তাপস সাহার বাড়ির পাশে পুকুর পাড়েও তল্লাশি চালায় সিবিআই। শুক্রবার যেখানে কিছু নথি পোড়ানোর অভিযোগ ওঠে সেই ঘটনাস্থল খতিয়ে দেখে কেন্দ্রীয় তদন্তকারীরা। পোড়া নথির বেশ কিছু নমুনা সংগ্রহ করে সিবিআই। তাপসের বিধানসভা এলাকার দুই ঘনিষ্ঠ মিঠু শাহ এবং মলয় বিশ্বাসকে নিয়েও বিধায়ককে একাধিক প্রশ্ন করা হয়। সিবিআইয়ের ১২ জন অফিসারের প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয় তাঁকে।

    আরও পড়ুুন: ‘জীবনকৃষ্ণের মোবাইলের তথ্য উদ্ধার হলে তৃণমূল উঠে যাবে’! কেন বললেন সুকান্ত?

    কী মিলল

    রাজ্যে শিক্ষায় নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে তৃণমূল বিধায়ক তাপস সাহার বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে ৬৮টি নথি উদ্ধার করেছে সিবিআই। তবে সেগুলি মিলিয়ে দেখা হচ্ছে। আগের নথি নাকি নতুন তা খতিয়ে দেখছেন অফিসাররা।তাপসের দুটি ফোনও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। শুক্রবার তৃণমূল বিধায়ক তাপস সাহার ‘ঘনিষ্ঠ’ প্রবীর কয়ালের বাড়িতেও অভিযান চালায় সিবিআই। প্রবীরের বাড়ি ছাড়াও তাঁর দু’জন পরিচিতের বাড়িতেও তল্লাশি চালানো হয়েছে। রাত সাড়ে দশটা নাগাদ সিবিআই আধিকারিকেরা তল্লাশি শেষে ঘটনাস্থল থেকে বেরিয়ে যান। বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বেশ কিছু নথি এবং মোবাইল ফোন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Weather report: আর নয় তাপপ্রবাহ! মঙ্গলবার অবধি বৃষ্টি, স্বস্তির খবর দিল হাওয়া অফিস

    Weather report: আর নয় তাপপ্রবাহ! মঙ্গলবার অবধি বৃষ্টি, স্বস্তির খবর দিল হাওয়া অফিস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবশেষে তাপপ্রবাহ থেকে স্বস্তি পেল রাজ্যবাসী। অন্তত এমনটাই জানা যাচ্ছে হাওয়া অফিস সূত্রে (Weather report)। গতকালই দেখা মিলেছে বৃষ্টির। আজও রয়েছে বৃষ্টির সম্ভাবনা।  গত সপ্তাহ থেকেই তাপমাত্রার পারদ চড়ছিল। সঙ্গে বইছিল লু। দুপুরের পর রাজ্যের পথ ঘাট জনশূন্য হয়ে যাচ্ছিল। বৃষ্টির কোনও আশা দেখাতে পারছিল না আবহাওয়া দফতর(Weather report)। তবে এবার হাওয়া বদলাতে শুরু করেছে। সূত্রের খবর, পশ্চিমি ঝঞ্ঝাই দিল গরম থেকে মুক্তি। মঙ্গলবার পর্যন্ত, রাজ্যের সব জেলাতেই বিক্ষিপ্ত ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। গতকালই কিছু জেলায় বৃষ্টি হয়েছে। মার্চে গরম থেকে রেহাই দিয়েছিল একের পর এক পশ্চিমী ঝঞ্ঝা। এ বারও ত্রাতা তেমনই একটি ঝঞ্ঝা। মেঘ-বৃষ্টির হাত ধরে ৩-৫ ডিগ্রি তাপমাত্রা কমতে পারে, আশ্বাস হাওয়া অফিসের। কলকাতার সমেত দক্ষিণবঙ্গের তাপমাত্রা নেমে যেতে পারে ৩৬-৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।

    গতকাল বৃষ্টি হয়েছে কলকাতায়

    কলকাতা সংলগ্ন বিভিন্ন এলাকায় শুক্রবার সকাল থেকেই মুখভার করে ছিল আকাশ। পরে শুরু হয় স্বস্তির বৃষ্টি। গত কয়েক দিন ধরে প্রবল গরমে হাঁসফাঁস করেছে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গ। কলকাতাতেই সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি ছাড়িয়েছিল। তবে, আর নয়,আপাতত ইতি তাপপ্রবাহে। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের সব জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হতে পারে। সঙ্গে ঘণ্টায় ৩০-৪০ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। কোথাও কোথাও হাওয়ার বেগ হতে পারে ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিমি। উত্তরের জেলাগুলিতেও রবিবার পর্যন্ত বৃষ্টির পূর্বাভাস জারি করা হয়েছে।

    আজ ভোরেও বৃষ্টি

    ভোরে গাঙ্গেয় দক্ষিণবঙ্গের কিছু কিছু এলাকায় বৃষ্টি। তবে, পরিমান খুবই কম। তবে উত্তরবঙ্গে ভারী বৃষ্টি। ডুয়ার্সের একাধিক এলাকায় ঝড়, সঙ্গে শিলাবৃষ্টি। মালবাজার, নাগরাকাটা, চামুর্চি এলাকায় ব্যাপক ঝড়-বৃষ্টি হয়। আবহাওয়া দফতর বলছে, আজ থেকেই আবহাওয়ার পরিবর্তন হবে। কিছু অংশে চলবে তাপপ্রবাহ। অন্য়দিকে কিছু অংশে বজ্রবিদ্য়ুৎ সহ বৃষ্টি হবে। শনিবার দক্ষিণবঙ্গের ছয় জেলাতে বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা। রবিবার থেকে দক্ষিণবঙ্গে আর তাপপ্রবাহের সতর্কতা থাকবে না। রবি ও সোমবার দক্ষিণবঙ্গের সব জেলাতেই হালকা ঝোড়ো হাওয়া, সঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • DA: মেলেনি রফাসূত্র, রাজ্যের সঙ্গে বৈঠক ‘ব্যর্থ’, দাবি ডিএ আন্দোলনকারীদের

    DA: মেলেনি রফাসূত্র, রাজ্যের সঙ্গে বৈঠক ‘ব্যর্থ’, দাবি ডিএ আন্দোলনকারীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) নির্দেশ মেনে শুক্রবার ডিএর (DA) দাবিতে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিল রাজ্য সরকার। যদিও বৈঠকে কোনও রফাসূত্র বের হয়নি। বৈঠক শেষে আন্দোলনকারীদের দাবি, বৈঠক পুরোপুরি ব্যর্থ। এদিন বৈঠকে হাজির ছিলেন যৌথ মঞ্চের ছয় প্রতিনিধি। রাজ্য সরকারের তরফে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী, স্বরাষ্ট্রসচিব বিপি গোপালিকা এবং অর্থসচিব মনোজ পন্থ। আন্দোলনকারীদের বক্তব্য, রাজ্য সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, অর্থের সংস্থান হলে বকেয়া ডিএ (DA) দিয়ে দেওয়া হবে।

    ডিএ (DA) নিয়ে গড়িমসির অভিযোগ…

    আন্দোলনকারীদের দাবি, সরকারের কাছে যথেষ্ঠ তহবিল থাকলেও, ডিএ নিয়ে গড়িমসি করছে তারা। বৈঠক নিষ্ফলা হওয়ায় ধর্না মঞ্চে ফিরে গিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। ফের শুরু হয়েছে বিক্ষোভ প্রদর্শন। মোবাইলের টর্চ জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন আন্দোলনকারীরা। আগামী দিনে আরও জোরদার আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তাঁরা। সংগ্রামী যৌথমঞ্চের তরফে আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষ বলেন, রাজ্যের তরফে সব বিষয়ে কেন্দ্রীয় প্রকল্পে টাকা আটকে রাখার কথা বলা হয়েছে। কিন্তু আমরা তথ্য দিয়ে দেখিয়েছি, রাজ্যে তহবিলের অভাব নেই। তথ্যপ্রমাণ দিয়ে সবটা দেখানোর পরেও কোনও সদুত্তর দিতে পারেনি মুখ্যসচিব। আন্দোলনকারীদের তরফে জানানো হয়েছে, ৬ মে কলকাতার হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিট থেকে মহামিছিলের ডাক দেওয়া হয়েছে। 

    আরও পড়ুুন: নিয়োগকাণ্ডে এবার তেহট্টের তৃণমূল বিধায়ক তাপস সাহার বাড়িতে হানা সিবিআইয়ের

    এদিন বিকেল সাড়ে ৪টে থেকে সাড়ে ৫টা পর্যন্ত নবান্নে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে বৈঠক হয় রাজ্যের। আন্দোলনকারীরা জানিয়েছেন, তাঁরা ৩৬ শতাংশ হারে যে ডিএ (DA) চেয়েছিলেন, সরকার তা দিতে রাজি নয়। এর পরেই ফের আন্দোলনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন আন্দোলনকারীরা। ৬ মে মহামিছিলে কাজ না হলে ফের একবার ধর্মঘটে যাওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তাঁরা। এতদিন কেবল বকেয়া ডিএর দাবিতেই আন্দোলন হচ্ছিল। এবার তার সঙ্গে জুড়ে দেওয়া হল শূন্যপদে দ্রুত নিয়োগের দাবিও।

    প্রসঙ্গত, ১৭ এপ্রিল ডিএ নিয়ে রাজ্য কর্মচারি সংগঠন ও রাজ্যকে বৈঠকে বসার নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম এবং বিচারপতি হিরণ্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চ জানায়, ১০ দিনের মধ্যে রাজ্যকে বৈঠক ডাকতে হবে। সেই নির্দেশ মেনেই এদিন হয়েছে বৈঠক।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

LinkedIn
Share