Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • DA Protest: নবান্নের ‘হুমকি’ উড়িয়ে বকেয়া ডিএ-র দাবিতে আজ-কাল কর্মবিরতিতে অনড় সরকারি কর্মী সংগঠন

    DA Protest: নবান্নের ‘হুমকি’ উড়িয়ে বকেয়া ডিএ-র দাবিতে আজ-কাল কর্মবিরতিতে অনড় সরকারি কর্মী সংগঠন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বকেয়া DA’এর দাবিতে, সোম-মঙ্গল কর্মবিরতিতে অনড় সরকারি কর্মচারী ইউনিয়নগুলি। নবান্নের কড়া বার্তা সত্ত্বেও ৪৮ ঘণ্টার কর্মবিরতি থেকে সরতে নারাজ রাজ্য সরকারি কর্মীরা। অনেক কর্মচারী সংগঠন আবার সব প্রস্তুতি শেষ করে সংগঠিত ভাবে এই কর্মসূচি পালন করবে, বলেও জানিয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের ন্যায় মহার্ঘ ভাতার (DA) দাবিতে এই আন্দোলন হচ্ছে বলেই দাবি রাজ্য সরকারি কর্মচারী ইউনিয়নগুলির। আন্দোলনকারীদের সাফ কথা, টানা দুই দিনের কর্মবিরতির পরও যদি সরকারের হুঁশ না-ফেরে এবং তাঁদের বকেয়া ডিএ না মেটানো হয়, তাহলে আগামী দিনে বৃহত্তর আন্দোলনে সামিল হবেন তাঁরা। এমনকী পঞ্চায়েত নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার বিষয়েও হুঁশিয়ারি দিয়ে রেখেছেন সরকারি কর্মচারীরা। এই পরিস্থিতিতে এবার কড়া হাতে পরিস্থিতি সামাল দিতে উদ্যত হয়েছে নবান্ন।

    নবান্নের সার্কুলার

    নবান্নের তরফে সার্কুলার জারি করে জানানো হয়েছে, সোম ও মঙ্গলবার কোনওভাবেই পূর্ণ বা অর্ধ দিবস ছুটি নেওয়া যাবে না। কর্মবিরতিতে সামিল হলে চাকরি জীবন থেকে বাদ যাবে একদিন। করা হবে শোকজ। শুধুমাত্র হাসপাতালে ভর্তি থাকলে, স্বজনের মৃত্যু হলে, মাতৃত্বকালীন ছুটি বা সন্তানের দেখভালের জন্য ছুটি নেওয়া থাকলে, তা মঞ্জুর করা হবে। এই সার্কুলার জারি করতেই, আরও ঝাঁঝ বাড়িয়েছেন DA-এর দাবিতে আন্দোলনকারীরা। রবিবার আন্দোলন স্থলে, প্রতীকী সার্কুলার জ্বালিয়ে, প্রতিবাদ জানিয়েছেন তাঁরা। DA-এর দাবিতে আন্দোলনকারী সংগঠন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের প্রতিবাদ কর্মসূচী ২৪ দিনে পড়ল। আর অনশন ১০ দিনে। সংগঠনের তরফে জানানো হয়েছে, দাবি আদায় না করা পর্যন্ত চলবে এই আন্দোলন। রবিবার অনশন মঞ্চে অসুস্থ হয়ে পড়েন একজন অনশনকারী-সহ দুই আন্দোলনকারী।

    আরও পড়ুুন: ‘মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক সভার জন্য খরচ কোটি কোটি টাকা, উৎস কী’, প্রশ্ন শুভেন্দুর

    আন্দোলনকারীদের কথায়, সরকার ভয় পেয়েছে তাই এই ধরনের সার্কুলার জারি করছে নবান্ন। কিন্তু তারা প্রতিবাদ আন্দোলন অব্যাহত রাখতবে। রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার সার্কুলার প্রসঙ্গেন বলেন, ‘কারা অর্ডার করেছেন জানি না? আইন তারা বোঝেন না, সার্ভিস ব্রেক এইভাবে করা যায় না, কোর্ট আছে। কোর্টে গেলে থাপ্পড় মেরে আবার রাজ্য সরকারকে বাড়ি পাঠিয়ে দেবে। এর আগেও বহুবার থাপ্পড় খেয়েছে রাজ্য সরকার লজ্জা হয় না। এদের কারও সার্ভিস ব্রেক করতে পারে না রাজ্য সরকার।’ 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Recruitment Scam: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সিবিআইয়ের জালে আরও ২, কে কে জানেন?

    Recruitment Scam: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সিবিআইয়ের জালে আরও ২, কে কে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতি (Recruitment Scam) মামলায় গ্রেফতার তাপস মণ্ডল (Tapas Mandal)। রবিবার দুপুরে তাঁকে গ্রেফতার করেছে সিবিআই (CBI)। তাপস প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের অপসারিত সভাপতি তথা তৃণমূল বিধায়ক মানিক ভট্টাচার্যের ঘনিষ্ঠ। এদিন দুপুরে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাঁকে ডেকে পাঠিয়েছিল সিবিআই। টানা ঘণ্টা তিনেক জেরা করা হয় তাপসকে। তার পরেই করা হয় গ্রেফতার। যদিও তাঁকে কেন গ্রেফতার করা হয়েছে, তা তিনি জানেন না বলেই দাবি করেছেন তাপস। তাপস ছাড়াও এদিন সিবিআইয়ের জালে পড়েছেন আরও এক অভিযুক্ত নীলাদ্রি ঘোষ। সোমবার দুজনকেই তোলা হবে আদালতে।

    নিয়োগ দুর্নীতি…

    নিয়োগ দুর্নীতির (Recruitment Scam) মামলায় তদন্তে নেমে গ্রেফতার করা হয় প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের অপসারিত সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যকে। তাঁকে জেরা করে জানা যায় তাপসের নাম। উত্তর ২৪ পরগনার বারাসাত পুরসভার ২২ নম্বর ওয়ার্ডের কাঠোর রোডের দেবীপুরের বাসিন্দা তাপস। বছর কুড়ি ধরে ওই এলাকায় রয়েছেন তিনি। স্ত্রী, দুই ছেলে ও পুত্রবধূকে নিয়ে সংসার তাঁর। ইডির চার্জশিটে নাম ছিল তাপসের। সম্প্রতি নিয়োগ দুর্নীতিতে গ্রেফতার হন হুগলির যুব তৃণমূল নেতা কুন্তল ঘোষ। তিনি সরাসরি অভিযোগের আঙুল তোলেন তাপসের দিকে। কুন্তল ও তাপসকে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করলে বহু অজানা তথ্যের সন্ধান মিলবে বলে তদন্তকারীরা মনে করেন। সেই কারণেই রবিবার তাঁকে ডেকে পাঠায় সিবিআই। এদিন তাঁকে জেরাও করা হয়। পরে করা হয় গ্রেফতার।

    আরও পড়ুুন: ‘মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক সভার জন্য খরচ কোটি কোটি টাকা, উৎস কী’, প্রশ্ন শুভেন্দুর

    এর আগে তাপস সিবিআইকে জানিয়েছিলেন, তাঁর অফিস থেকে টাকা নিয়ে এজেন্টরা পৌঁছে দিতেন কুন্তলের কাছে। কুন্তলের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে চাকরি প্রার্থীদের ওএমআর শিটের কপিও উদ্ধার করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। তাপসকে জেরা করেই নিয়োগ দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত আর্থিক লেনদেনের (Recruitment Scam) মামলায় বৃহত্তর চক্রের সন্ধান পায় সিবিআই এবং ইডি। তাপসকে জেরা করে জানা যায় নীলাদ্রির নাম। কুন্তলের কাছ থেকে দু দফায় তিনি ৬ লক্ষ টাকা পেয়েছিলেন বলেও সিবিআইকে জানিয়েছিলেন নীলাদ্রি। বছরখানেক আগে দুজন চাকরি প্রার্থীর কাছ থেকে দু লক্ষ টাকা নিয়ে গোপাল দলপতিকে দিয়েছিলেন বলেও তদন্তকারীদের জানিয়েছিলেন তাপস। এদিন তাপস এবং নীলাদ্রি দুজনকেই গ্রেফতার করা হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
     
  • Suvendu Adhikari: ‘মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক সভার জন্য খরচ কোটি কোটি টাকা, উৎস কী’, প্রশ্ন শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক সভার জন্য খরচ কোটি কোটি টাকা, উৎস কী’, প্রশ্ন শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রশাসনিক সভার নামে খরচ হচ্ছে গুচ্ছের টাকা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) নেতৃত্বাধীন তৃণমূল (TMC) সরকারের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ নতুন নয়। তবে এবার রীতিমতো হিসেব দিয়ে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) জানিয়ে দিলেন বাঁকুড়ায় মুখ্যমন্ত্রীর সভায় বাসের জন্য খরচ হয়েছে ৭৮ লক্ষ টাকা। বাঁকুড়ার জেলাশাসকের কাছে ওই খরচের সূত্র জানতে চেয়েছেন শুভেন্দু।

    শুভেন্দুর অভিযোগ…

    জেলায় জেলায় নিয়মিত প্রশাসনিক সভা করে বেড়ান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সঙ্গে নিয়ে চলেন বিস্তর লোকলস্কর। সেখানে গিয়ে সুবিধাভোগীদের নানা সুবিধা দেন। তার আড়ালে ভোটের প্রচারও চলে বলে অভিযোগ। ১৭ ফেব্রুয়ারি বাঁকুড়ায় প্রশাসনিক সভা করেন মমতা। রাজ্য সরকারের এই কর্মসূচিতে স্কুল পড়ুয়া ও বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধাভোগীরা উপস্থিত ছিলেন। বাঁকুড়ার আঞ্চলিক পরিবহণ অফিসারের স্বাক্ষর করা কয়েকটি কাগজ তুলে ধরে শুভেন্দুর অভিযোগ, ৭০০ বাসে করে এই স্কুল পড়ুয়া ও সুবিধাভোগীদের নিয়ে আসা হয়েছে।

    ট্যুইট-বার্তায় শুভেন্দু লেখেন, ১৭ ফেব্রুয়ারি বাঁকুড়ায় মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক সভায় ছাত্রছাত্রী ও গরিব সুবিধাভোগীদের ৭০০ বাসে করে আনতে ৭৮ লাখ টাকা খরচ করা হয়েছে। ওই ট্যুইটেই তিনি (Suvendu Adhikari) বলেন, জনগণের টাকা খরচ করে ছাত্রছাত্রীদের রাজনৈতিক বক্তৃতা শুনতে বাধ্য করা হচ্ছে।

    আরও পড়ুুন: ‘যারা ভিন্ন মতাদর্শের লোকজনের পা চাটে…’, নাম না করে উদ্ধবকে নিশানা শাহের

    মুখ্যমন্ত্রীর ওই সভায় যে লোক আনা হয়েছে, তাদের নিয়ে আসা হয়েছে বাঁকুড়ার বিভিন্ন ব্লক ও পুরসভা থেকে। শুভেন্দুর ট্যুইট থেকে জানা যাচ্ছে, সব চেয়ে বেশি বাস এসেছে বড়জোড়া এলাকা থেকে। সেখান থেকে ৫২টি বাস আনতে খরচ করা হয়েছে ৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এছাড়া বাঁকুড়ার বিভিন্ন এলাকা থেকে লোক আনতে বাস প্রতি খরচ হয়েছে ১২ হাজার টাকা। রাজ্যের বিরোধী দলনেতার (Suvendu Adhikari) ট্যুইট থেকেই জানা গিয়েছে, সভার জন্য মোতায়েন করা হয়েছিল ৮ হাজার পুলিশ কর্মী, তৈরি করা হয়েছিল উন্নত ধরনের স্টেজ। সব মিলিয়ে মাত্র ৪০ মিনিটের সভার জন্য খরচ হয়েছে ৩-৪ কোটি টাকা। তাঁর প্রশ্ন, এই টাকা এল কোথা থেকে? বাঁকুড়ার ডিএম ব্যাখ্যা দিন। তাঁর আরও প্রশ্ন, রাজ্যের এই আর্থিক সংকটের সময় ওই টাকা কি মিড-ডে মিলের টাকা থেকে এসেছে?

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Sisir Adhikari: শিশিরের নামে ভুয়ো ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট, ষড়যন্ত্রের অভিযোগ সাংসদ অনুগামীদের

    Sisir Adhikari: শিশিরের নামে ভুয়ো ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট, ষড়যন্ত্রের অভিযোগ সাংসদ অনুগামীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার শিশির অধিকারীকে (Sisir Adhikari) ফাঁসানোর চেষ্টার অভিযোগ। শিশির কাঁথির সাংসদ। তাঁর আরও একটি পরিচয় রয়েছে। সেটি হল, তিনি রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির (BJP) শুভেন্দু অধিকারীর বাবা। একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কে ভুয়ো অ্যাকাউন্ট (Fake Bank Account) খোলা হয়েছে শিশিরের নামে। শনিবার সেই ভুয়ো অ্যাকাউন্টের খবর পাওয়া মাত্রই কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামণের কাছে অভিযোগ জানান বর্ষীয়ান এই রাজনীতিবিদ।

    ভুয়ো অ্যাকাউন্ট…

    জানা গিয়েছে, এদিন সকালে শিশিরের বাড়িতে চিঠি আসে ইন্ডিয়ান ওভারসিজ ব্যাঙ্কের মেচেদার মাছনা শাখা থেকে। এই চিঠি পাওয়ার পরেই তাঁর নামে থাকা ওই অ্যাকাউন্টটির কথা জানতে পারেন শিশির। আইনি পরামর্শ নিয়ে, দিল্লিতে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের কাছে চিঠি পাঠান তিনি। জানা গিয়েছে, মাছনা শাখায় শিশিরের (Sisir Adhikari) নামে যে অ্যাকাউন্টটি খোলা হয়েছে, তার অ্যাকাউন্ট নম্বর হল ১২০৯০১০০০০৫৩০৪৫। শিশিরের ছবি, স্বাক্ষর ও নথি ব্যবহার করে অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছে বলে অভিযোগ।

    যার অর্থ ব্যাঙ্কের কেওয়াইসি রয়েছে। এই ব্যাঙ্ক থেকে শিশিরের কাছে চিঠি যাওয়ার পরেই শুরু হয়েছে হইচই। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীকে দেওয়া চিঠিতে শিশির লিখেছেন, তাঁর অনুমতি ছাড়াই এই ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টটি খোলা হয়েছে। এ বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না। অ্যাকাউন্টটি খুলতে কোনও তথ্য বা নথিও তিনি দেননি। কে বা কারা এই ধরনের ঘটনার সঙ্গে যুক্ত, তাঁদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে ব্যবস্থা নিক অর্থমন্ত্রক। অশীতিপর এই সাংসদের দাবি, তাঁর ভাবমূর্তি কালিমালিপ্ত করতেই এ সব করা হয়েছে। শিশিরের অনুগামীরাও জানাচ্ছেন, কাঁথির তিনবারের সাংসদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেই খোলা হয়েছে ভুয়ো অ্যাকাউন্ট।

    আরও পড়ুুন: পশ্চিমবঙ্গের আমলার রামায়ণ ব্যাখ্যায় মুগ্ধ মোদি, নিয়ে গেলেন পিএমও-তে

    শিশিরের (Sisir Adhikari) পুত্র দিব্যেন্দু অধিকারী তমলুকের সাংসদ। তিনি বলেন, বাবা এই ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের কথা জানতে পেরেই অর্থমন্ত্রীকে অভিযোগপত্র পাঠিয়েছেন। আমরা চাই, যাঁরা তাঁর নাম ব্যবহার করে এ সব করেছেন, তাঁরা ধরা পড়ুন। কারণ এই অ্যাকাউন্ট খোলার জন্য বাবার মতামত যেমন নেওয়া হয়নি, তেমনই বাবা কোনও তথ্য, নথি বা স্বাক্ষরও দেননি। তিনি বলেন, এই ষড়যন্ত্রের বিহিত চাইছি আমরা। তৃণমূলের টিকিটে জিতে সাংসদ হয়েছেন শিশির। পরে তাঁর বিরুদ্ধে বিজেপি ঘনিষ্ঠতার অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল। শিশির পুত্র শুভেন্দু রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। ভাবাদর্শ বদলের জেরে তৃণমূল ছেড়ে তিনি যোগ দিয়েছেন বিজেপিতে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের অভিযোগ, এসব কারণেই শিশিরকে ফাঁসানোর চেষ্ট চলছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Metro App: কলকাতাবাসীর জন্য সুখবর! মেট্রো অ্যাপ এবার বাংলাতেও!

    Metro App: কলকাতাবাসীর জন্য সুখবর! মেট্রো অ্যাপ এবার বাংলাতেও!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খুব শীঘ্রই বাংলা এবং হিন্দি ভাষায় মেট্রো রাইড কলকাতা অ্যাপ্লিকেশন চালু করতে চলেছে মেট্রো রেলওয়ে (Metro App)। ১৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত, মোট ২,৪৮,৪৭০ জন যাত্রী গুগল প্লে স্টোর থেকে এই অ্যাপ্লিকেশনটি ডাউনলোড করেছেন। এই অ্যাপটি সেন্টার ফর রেলওয়ে ইনফরমেশন সিস্টেম তৈরি করেছে। রেলওয়ের তরফে জানানো হয়েছে, ব্যবহারকারীদের মধ্যে এর ব্যাপক জনপ্রিয়তা দেখে আরও দুটি ভাষায় এটি চালু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। 

    অতএব, যে যাত্রীরা ইংরেজিতে তেমন দক্ষ নন তারা এই অ্যাপের হিন্দি বা বাংলা সংস্করণ (Metro App) ব্যবহার করতে পারবেন। আশা করা হচ্ছে এই উদ্যোগ এই অ্যাপটিকে আরও সুবিধাজনক ও জনপ্রিয় করে তুলবে।

    গত বছরের ৫ মার্চ এই অ্যাপটি লঞ্চ করে মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ। যাত্রীদের তাদের স্মার্ট কার্ড রিচার্জ করতে বা একটি অ্যাপের মাধ্যমে কিউআর-কোড ভিত্তিক টিকিট বুক করতে এই অ্যাপটি ব্যবহার করে থাকেন যাত্রীরা। ফলে খুব সহজেই মেট্রো স্টেশনে দীর্ঘ লাইন এড়ানো যায়।

    মেট্রো স্টেশনগুলিতে মেট্রো কর্মীরা এই নতুন অ্যাপ সম্পর্কে প্রায়ই প্রচার (Metro App) করে থাকেন। সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমেও অ্যাপটির প্রচার চালানো হয়। অ্যাপের মাধ্যমে স্মার্ট কার্ড রিচার্জ করার প্রক্রিয়া মেট্রোয় শুরু হয়েছিল বছর দুয়েক আগেই। তবে প্রথম তৈরি অ্যাপটির নানা সীমাবদ্ধতা থাকায় সেটি বাতিল করে পরে মেট্রো রাইড কলকাতা নামে অ্যাপ চালু করা হয়। স্টেশনে বুকিং কাউন্টারের সংখ্যা হু হু করে কমতে থাকায় সম্প্রতি ওই অ্যাপ ব্যবহারের ক্ষেত্রে যাত্রীদের উৎসাহিত করতে মেট্রোর পক্ষ থেকে প্রচারে জোর দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, যাত্রীদের সমস্যা থেকে শিক্ষা নিয়ে নতুন অ্যাপের ব্যবহার আরও সরল করতে নিরন্তর চেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে মেট্রো সূত্রের খবর।

    আরও পড়ুন: পাকিস্তানের মাটিতে জঙ্গি হানা, সরকারকেই দায়ী করলেন ভেঙ্কটেশ প্রসাদ

    যাত্রীদের লেনদেন সংক্রান্ত ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষিত রেখে ব্যবহারের সুযোগ আরও প্রসারিত করতে (Metro App) অ্যাপটিকে ওটিপি নির্ভর করা হয়েছে। অ্যাপ থেকে স্মার্ট কার্ডের ব্যালান্স জানা ছাড়াও শেষ বার কোথায়, কখন সেটি ব্যবহার হয়েছে সেই তথ্যও মেলে। একই অ্যাপ থেকে একাধিক স্মার্ট কার্ড রিচার্জ করার সুবিধা রয়েছে। অ্যাপে ট্রেনের সময়, গুগল ম্যাপে স্টেশন দেখার সুযোগ রয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     
  • IAS Lalithalakshmi: পশ্চিমবঙ্গের আমলার রামায়ণ ব্যাখ্যায় মুগ্ধ মোদি, নিয়ে গেলেন পিএমও-তে

    IAS Lalithalakshmi: পশ্চিমবঙ্গের আমলার রামায়ণ ব্যাখ্যায় মুগ্ধ মোদি, নিয়ে গেলেন পিএমও-তে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় ভাবধারায় বড় হয়েছেন। দক্ষিণ ভারতের একটি রাজ্যের বাসিন্দা, বাঙালি আমলাকে বিয়ে করে এসেছিলেন পশ্চিমবঙ্গে। নিজেও তিনি ২০০৮ ব্যাচের আইএএস অফিসার। অবসরে মীরার ভজন গান। করেন পুরাণ, উপনিষদ, মহাকাব্য চর্চা। সেই সব ভালো লাগা থেকেই ওঙ্কারনাথ মিশন আয়োজিত রামোৎসবে অংশ নিতে গিয়েছিলেন তিনি। ‘প্রশাসনে রামায়ণ’-এর বিষয়ে তাঁর আধ ঘণ্টার ভাষণ ছিল। আর তা এতটাই ব্যতিক্রমী ছিল যে, মাত্র তিনশো দর্শকের সামনে দেওয়া রামায়ণের ব্যাখ্যা কয়েক দিনেই ছড়িয়ে পড়ে দেশজুড়ে। ভাইরাল হওয়া সেই ভিডিও দেখেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মুগ্ধ হন তিনিও। খোঁজ পড়ে পশ্চিমবঙ্গ ক্যাডারের আইএএস অফিসার ভি ললিতালক্ষ্মীর (IAS Lalithalakshmi)। প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছায় তাঁকে চলে যেতে হচ্ছে সাউথ ব্লকে প্রধানমন্ত্রীর দফতর বা পিএমও-র ডিরেক্টর হয়ে। যে বাংলায় আমলাদের দিল্লি যেতে হাজারো বাধা দেওয়া হয়, সেখানে পিএমও-র আগ্রহের কথা জেনে আপত্তি করার সাহস দেখায়নি নবান্ন।

    এই ঘটনা নিয়ে রাজ্যের প্রশাসন এবং আমলা মহলে বেশ চর্চা চলছে। অনেকের মতে, ২০১৪ সাল থেকে ললিতালক্ষ্মী (IAS Lalithalakshmi) এবং তাঁর আমলা স্বামীর কার্যত এ রাজ্যে বনবাস চলছিল। কারণ তাঁরা ‘চটি-আমলা’ ছিলেন না। প্রধানমন্ত্রী এমন অফিসারকে খুঁজে সরাসরি পিএমও-তে নিয়ে যাওয়ায় জুনিয়র আমলাদের অনেকেই খুশি। গরু-কয়লা-চাকরি চুরির রাজ্যে আমলা হিসাবে কাজ করতে গিয়ে পশ্চিমবঙ্গের যে সব জুনিয়র আমলাদের সর্বভারতীয় স্তরে হাসি-মস্করার শিকার হতে হয়, তাঁরা এই ঘটনায় আশার আলো দেখছেন।

    তাঁর প্রধানমন্ত্রীর দফতরে যোগ দেওয়ার প্রসঙ্গে ললিতাদেবীর (IAS Lalithalakshmi) কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, ‘‘স্পর্শকাতর বিষয়। এ নিয়ে কোনও কথা বলতে চাই না। আমলার জীবনে বদলি থাকেই। যখন আইএএস হই তখন স্বপ্ন ছিল একদিন নর্থ ব্লক-সাউথ ব্লকে বসে কাজ করব। সেই সুযোগ এসেছে। এই ঘটনা রাজ্যের আমলাদের দেশের প্রশাসনিক তন্ত্রের উপর আস্থা বাড়াবে।” তবে ললিতাদেবী যাই বলুন না কেন, তাঁর পিএমওতে নির্বাচিত হওয়ার ঘটনা এখন রাজ্য প্রশাসনে সবার মুখে মুখে। 

    জানা যাচ্ছে, ওঙ্কারনাথ মিশনের রামোৎসবে অযোধ্যা সাহিত্য উৎসবে উদ্যোক্তারা তাঁকে রামায়ণের উপর বলতে অনুরোধ করেছিলেন। ললিতাদেবী (IAS Lalithalakshmi) নিজেই ‘রামায়ণে প্রশাসন’ বিষয় নির্বাচন করেন। মাত্র ৩০০ দর্শকের সামনে যজুর্বেদ, ঈষপোনিষদ, বাল্মিকী, তুলসীদাস থেকে রামায়ণের আধুনিক ব্যাখ্যাকারদের তত্ত্ব থেকে তিনি উপস্থাপন করেন রঘুপতি রামের আমলে প্রশাসন কেমন ছিল। তিনি ব্যাখ্যা করেন গান্ধীজি যে রামরাজ্য চেয়েছিলেন, সেই রামরাজ্য রামায়ণে কীভাবে বর্ণিত আছে। ৩০ মিনিটের সেই প্রবচন সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ে। যায় নরেন্দ্র মোদীর মোবাইলেও। তিনি পিএমও-র আধিকারিকদের ললিতালক্ষ্মীর খোঁজ করতে বলেন। জানা যাচ্ছে, পশ্চিমবঙ্গের বেশ কিছু সিনিয়র আমলা দিল্লিকে জানান যে, এমন কোনও অফিসারের কথা তাঁদের জানা নেই। শেষ পর্যন্ত আরও খোঁজখবর নেয় প্রধানমন্ত্রীর দফতর। বিস্তারিতভাবে জানেন ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ফ্যাশন টেকনোলজির কলকাতা ক্যাম্পাসের ডিরেক্টর ভি ললিতালক্ষ্মীর (IAS Lalithalakshmi) সম্পর্কে। শোনা যাচ্ছে, এ সব যখন চলছে তার বিন্দু-বিসর্গও টের পাননি রামায়ণের ব্যাখ্যাকার আমলা। 

    হঠাৎ একদিন পিএমও-র এক সিনিয়র কর্তা ফোন করে তাঁকে তাঁর কাজ সম্পর্কে প্রেজেন্টেশন দিতে বলেন। বলা হয়, রামায়ণে প্রশাসন বিষয় নিয়েও তাঁর কথা শোনা হবে। পিএমওতে গেলে সিনিয়র কর্তারা এক ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে ললিতাদেবীর (IAS Lalithalakshmi) কথা শোনেন। পিএমও-র কর্তারা জানতেন, কীভাবে ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের সময় উত্তর ২৪ পরগনার এডিএম থাকাকালীন নির্বাচনে কারচুপি করতে উদ্যত এক মন্ত্রীর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোয় আমলা দম্পতিকে বসিয়ে দেওয়া হয়। তারপর থেকে ১২ বছর কার্যত গুরুত্বহীন দফতরে রেখে একপ্রকার নির্যাতন চালানো হয় ললিতা ও তাঁর বাঙালি আইএএস স্বামীর উপর। ১০-১১ বার কেন্দ্রীয় ডেপুটেশনে আসতে চাইলেও তাঁকে যে ছাড়া হয়নি তাও পিওমও-র কর্তারা জানতেন।
     
    ঘণ্টাখানেকের সাক্ষাৎকারের পর পিএমও-র শীর্ষ কর্তারা জানতে চান, ললিতাদেবীর (IAS Lalithalakshmi) দিল্লি আসতে অসুবিধা আছে কি না? ফোন আসে নবান্নে। জানিয়ে দেওয়া হয়, প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছা ললিতাদেবী সাউথ ব্লকে কাজ করুন। ছাড়পত্র চায়। যে নবান্ন ১০-১১ বার ললিতাদেবীর আবেদন খারিজ করে দিয়েছিল, সেই নবান্ন তড়িঘড়ি এনওসি দিয়ে দেয়।
     
    ঘটনাচক্রে সাক্ষাৎকার পর্বে পিএমও-র এক কর্তা হালকাচ্ছলে ললিতাদেবীকে (IAS Lalithalakshmi) প্রশ্ন করেন, আপনি রামায়ণের ব্যাখ্যা করতে অযোধ্যা গিয়েছিলেন। রামরাজত্ব নিয়ে প্রবচন দিয়েছেন। আপনাকে পশ্চিমবঙ্গের আমলামহলের কেউ এখনও ‘ভক্ত’ বলে ব্যঙ্গ করেননি? হাসির রোল ওঠে সেখানেই। আগামী সপ্তাহেই প্রধানমন্ত্রীর দফতরে ডিরেক্টর পদে যোগ দিচ্ছেন ললিতালক্ষ্মী। এ বছরই শেষ লগ্নে অযোধ্যায় প্রভু রামলালা গর্ভগৃহে প্রতিষ্ঠা পাবেন। রামায়ণে প্রশাসনও প্রতিষ্ঠা পাবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Bengal Weather: মেঘলা আকাশ! শহর ও শহরতলিতে ঝিরঝিরে বৃষ্টি, বাড়ল তাপমাত্রা

    Bengal Weather: মেঘলা আকাশ! শহর ও শহরতলিতে ঝিরঝিরে বৃষ্টি, বাড়ল তাপমাত্রা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহা শিবরাত্রির যোগেই রাজ্যে প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঘনঘটা। সকাল থেকেই আকাশের মুখ ভার। মেঘলা হয়ে রয়েছে আকাশ। তার মধ্যে কোথাও কোথাও শুরু হয়েছে টিপটিপ বৃষ্টি। আবার কয়েক জায়গায় বৃষ্টি হয়েছে  মুষলধারে। মিনিট দশেক অসময়ের বৃষ্টিতে কয়েকজন খুশি তো কয়েকজন শীত শেষে এণন আবহাওয়ায় বেজায় চটেছেন। আবহাওয়ার খামখেয়ালিপনায় ঘরে ঘরে সর্দি-কাশি-জ্বর তো লেগেই রয়েছে। 

    দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টি

    শনিবার সকাল থেকে বৃষ্টিতে ভেজে দক্ষিণবঙ্গের কিছু এলাকা। অসময়ের বৃষ্টি তাপমাত্রাও বাড়িয়ে দিয়েছে বেশ খানিকটা। দক্ষিণ ২৪ পরগনার জয়নগর, ক্যানিংয়ে শনিবার সকাল থেকে ঝিরঝিরে বৃষ্টি হয়। জয়নগরের বিভিন্ন এলাকায় ঝিরঝিরে বৃষ্টিতে কমেছে দৃশ্যমানতা। কোথাও কোথাও তা ৮০ মিটারের কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছে। বৃষ্টি হয়েছে কুলতলি, সুন্দরবন লাগোয়া গোসাবায়। কলকাতায় শনিবার বেলার দিকে কোথাও কোথাও হালকা বৃষ্টি হয়েছে। সকাল থেকেই মেঘলা আকাশ ছিল শহরের একাধিক এলাকায়। সঙ্গে হাওয়াও বইছিল। ভোরের দিকে কুয়াশাও ছিল। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তা কেটেছে।

    আরও পড়ুন: ভক্তদের জন্যে কবে থেকে খুলছে কেদারনাথের দরজা? মহাশিবরাত্রিতে বড় ঘোষণা

    আলিপুর আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, ছত্তীসগঢ় এবং ওড়িশা উপকূলের কাছাকাছি একটি একটি ঘূর্ণাবর্ত অবস্থান করছে, যে কারণে রাজ্যে তাপমাত্রা ঊর্ধ্বমুখী। বৃষ্টি, মেঘলা আকাশের জন্যও দায়ী এই ঘূর্ণাবর্ত। শনিবার কলকাতার কয়েকটি এলাকায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে। বৃষ্টি হতে পারে দুই ২৪ পরগনা এবং পূর্ব মেদিনীপুরেও। রবিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারির পর থেকে কলকাতায় দিনে বা রাতে ঠান্ডার অনুভূতি প্রায় থাকবে না বললেই চলে। দিনের তাপমাত্রা ছাপিয়ে যাবে ৩০ ডিগ্রির গণ্ডি। রাতের দিকে ২১ ডিগ্রির কাছাকাছি থাকবে তাপমাত্রা। শনিবার শহরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শুক্রবারের চেয়ে যা ৩ ডিগ্রি বেশি। শুক্রবার কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৮.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।   

  • Justice Abhijit Ganguly: “এখন রঞ্জনকে গ্রেফতার করে কী হবে?” হতাশ বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

    Justice Abhijit Ganguly: “এখন রঞ্জনকে গ্রেফতার করে কী হবে?” হতাশ বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্নীতি মামলার তদন্তে সিবিআই- এর ভূমিকা নিয়ে এবার হতাশার সুর শোনা গেল বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের (Justice Abhijit Ganguly) গলায়। শুক্রবার নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বাগদার চন্দন মণ্ডল ওরফে সৎ রঞ্জনকে গ্রেফতার করেছে সিবিআই। বাগদার রঞ্জনের কথা প্রথম সামনে এনেছিলেন প্রাক্তন সিবিআই কর্তা উপেন বিশ্বাস। গত বছর জুলাই মাসে বিচারপতি জানতে চেয়েছিলেন চন্দনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে কি না। তারপরেও কেটে গিয়েছে বহু দিন। এতদিন পরে শুক্রবার সেই চন্দনকে গ্রেফতার করেছে সিবিআই। কিন্তু সে কথা শুনেও খুশি হন নি  বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, “সৎ রঞ্জন গ্রেফতার হয়ে কী হবে? কিছুই হবে না। সাত মাস চুপ করে বসে ছিলেন। এখন কী হবে?”

    কী জানা গেল? 

    প্রসঙ্গত, গত বছর উপেন বিশ্বাস মুখবন্ধ খামে কিছু তথ্য তুলে দেন আদালতের কাছে। উপেন বিশ্বাসের দেওয়া সেই নোটের ওপর ভিত্তি করে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Justice Abhijit Ganguly)। তিনি জানিয়েছিলেন, বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের ইঙ্গিত রয়েছে ওই নোটে।

    আরও পড়ুন: ‘ডিএ দিতে পারবেন না…আপদ বিদায় হলেই মানুষের মঙ্গল’, মমতাকে কটাক্ষ সুকান্তর

    এবার এ বিষয়ে মুখ খুললেন উপেন বিশ্বাস। উপেন বিশ্বাস এদিন বলেন, “কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Justice Abhijit Ganguly) আমাকে ডেকে জানতে চেয়েছিলেন, সিবিআই কীভাবে এত বড় দুর্নীতির তদন্ত করবে? সেই সময় আমি বিচারপতিকে সব জানিয়েছিলাম। এরপর সিবিআইয়ের তদন্তকারী অফিসার একবারই আমার সঙ্গে কথা বলেন। তারপর থেকে আজ পর্যন্ত আর কেউ আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেননি।”

    বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় (Justice Abhijit Ganguly) বারবার সিবিআই তদন্তের গতি-প্রকৃতি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। উপেন বিশ্বাসের দাবি, যখনই কোর্ট অসন্তোষ প্রকাশ করেছে তখনই দেখা গিয়েছে সিবিআই কাউকে না কাউকে গ্রেফতার করেছে। কিন্তু তাতে এটা প্রমাণিত হয় না যে, সিবিআই কাজ করছে।    

    সিবিআইয়ের যুগ্ম অধিকর্তা থাকাকালীন উপেন বিশ্বাস বহু ঘটনার তদন্ত করেন। তাঁর হাতেই গ্রেফতার হয়েছিলেন পশুখাদ্য কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত বিহারের মুখ্যমন্ত্রী লালু প্রসাদ যাদব।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Sukanta Majumdar: ‘ডিএ দিতে পারবেন না…আপদ বিদায় হলেই মানুষের মঙ্গল’, মমতাকে কটাক্ষ সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: ‘ডিএ দিতে পারবেন না…আপদ বিদায় হলেই মানুষের মঙ্গল’, মমতাকে কটাক্ষ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রী ডিএ (DA) দিতে পারবেন না। রাজ্যের যুবকদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করে দিতে পারবেন না। কোনও কিছুই যদি না পারেন, তাহলে মুখ্যমন্ত্রিত্বে থেকেও লাভ নেই। আপদ বিদায় হলেই বাংলার মানুষের মঙ্গল। শুক্রবার কথাগুলি যিনি বললেন, তিনি বিজেপির (BJP) রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। দিন কয়েক আগে বিধানসভায় বাজেট পেশ করতে গিয়ে তিন শতাংশ ডিএ বৃদ্ধির কথা ঘোষণা করে রাজ্য সরকার। যদিও বকেয়া ডিএ-র দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে সরকারি কর্মীদের সংগ্রামী যৌথমঞ্চ। সে প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আমি ম্যাজিসিয়ান নই। টাকা দাও বললেই হবে না, টাকা জোগাড় করতে হয়। কেন্দ্রের বঞ্চনা সত্ত্বেও আমরা থ্রি পার্সেন্ট ডিএ দিয়েছি। এই প্রসঙ্গেই মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি।

    সুকান্ত বলেন…

    সুকান্ত বলেন, কেন্দ্রের বঞ্চনা বলতে উনি কী বোঝাতে চাইছেন, আমি জানি না। যদি ধরেই নিই কেন্দ্রে আবাস যোজনার টাকা বা ১০০ দিনের টাকা, যে টাকা এখন বন্ধ রয়েছে, সেই টাকার কথা বলছেন, তাহলেও প্রশ্ন, এই টাকায় কি ডিএ দেওয়া হয়?  তিনি বলেন, ডিএ তো দিতে হয় রাজ্য সরকারের নিজস্ব রোজগারের টাকা থেকে। এর পরেই সুকান্ত বলেন, উনি কর্মসংস্থানের জোগাড় করতে পারবেন না, রোজগার করতে পারবেন না, ডিএ দিতে পারবেন না, শুধু পদ অলঙ্কৃত করে থাকবেন! দরকার নেই এরকম আপদের। এর পরেই বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, আপদ বিদায় হলেই বাংলার মানুষের মঙ্গল।  

    আরও পড়ুুন: মোদির ওপর বিবিসি-র বানানো তথ্যচিত্র ‘প্রচার সর্বস্ব ভিডিও’, তোপ ব্রিটিশ সাংসদের

    সুকান্ত (Sukanta Majumdar) বলেন, ২০১১ সালে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে রাজ্য যে টাকা পেত, ২০২২ সালে সেটা দ্বিগুণেরও বেশি হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী সেকথা বলেন না। অথচ বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় সেই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। এদিকে, মুখ্যমন্ত্রী শুধু মিথ্যে বলে মানুষকে বিভ্রান্ত করছেন। এদিকে, বকেয়া ডিএ-র দাবিতে দু দিনের কর্মবিরতির ডাক দিয়েছে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ। সোম ও মঙ্গলবার ওই কর্মবিরতি পালিত হবে। অন্যদিকে, পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী, শুক্রবার বিধানসভার উদ্দেশে একটি মিছিলও শুরু করে সরকারি কর্মচারীদের ৩০টি সংগঠন। যদিও সেই মিছিল গন্তব্যে পৌঁছানোর আগেই তা আটকে দেয় পুলিশ। প্রসঙ্গত, ডিএ নিয়ে রাজ্য প্রশাসনের ওপর চাপ বাড়াতে বিধানসভা অভিযানের ডাক দিয়েছিল সরকারি কর্মীদের ৩০টি সংগঠন। মিছিল করে গিয়ে রাজ্যপালের কাছে স্মারকলিপি জমা দেওয়ার কর্মসূচিও নিয়েছিল তারা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Calcutta High Court: দস্যু রত্নাকর পরে বাল্মীকি হন! ‘লেডি ম্যাকবেথ’-এর পর এসএসসি প্রসঙ্গে অভিমত হাইকোর্টের

    Calcutta High Court: দস্যু রত্নাকর পরে বাল্মীকি হন! ‘লেডি ম্যাকবেথ’-এর পর এসএসসি প্রসঙ্গে অভিমত হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্কুল সার্ভিস কমিশনকে এবার বাল্মীকির সঙ্গে তুলনা করল কলকাতা হাইকোর্ট। নিয়োগে অনিয়মের জন্য অযোগ্য নবম-দশমের ৯৫২ জন শিক্ষকের তালিকা প্রকাশ করতে এসএসসি-কে নির্দেশ দিয়েছিল আদালত।  শুধু তাই নয়, তাঁদের নাম, রোল নম্বরের পাশাপাশি এবং বাবার নাম ও স্কুলের তথ্যও উল্লেখ করতে বলা হয়েছিল।  আদালতের নির্দেশ মতো এসএসসি সেই কাজে এগিয়েছিল। এ প্রসঙ্গে শুক্রবার আদালতের পর্যবেক্ষণ, রত্নাকর যদি বাল্মীকি হতে পারেন, তবে কমিশন নিজেদের পরিবর্তন করলে ক্ষতি কী?

    আদালতে সওয়াল-জবাব

    বৃহস্পতিবার নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সুব্রত তালুকদারের ডিভিশন বেঞ্চে কমিশন জানিয়েছিল, “অনেক ভুল হয়েছে। এখন সংশোধন করার সময় এসেছে। আমরা তাই করছি।” শুক্রবার এই মন্তব্যের প্রসঙ্গ টেনেই নবম-দশম শ্রেণির ৯৫২ জন শিক্ষকের মধ্যে কিছু ব্যক্তির আইনজীবী বলেন, “স্কুল সার্ভিস কমিশন এখন সব এজলাসে গিয়ে সাধু সাজছে। নিজেদের যুধিষ্ঠির বলে প্রমাণ করতে চাইছে। এমন ভাব করছে যেন তারা কোনও ভুল করেনি। এই সবকিছুই কমিশনের ভুলের জন্য হচ্ছে।” এরপরেই বিশ্বজিৎ বসু পালটা প্রশ্ন করেন, “আমাদের দেশের পুরাণ অনুযায়ী দস্যু রত্নাকর পরে বাল্মীকি হয়েছিলেন। এটা ভালো লক্ষণ। অসুবিধা কোথায় ?

    আরও পড়ুন: নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে ফের নয়া মোড়! সিবিআইয়ের জালে বাগদার ‘রঞ্জন’

    বৃহস্পতিবার গ্ৰুপ ডি কর্মী নিয়োগ মামলায় বিচারপতি সুব্রত তালুকদার এবং বিচারপতি সুপ্রতিম ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চে এসএসসি-র আইনজীবীর দাবি ছিল, ‘‘যা ভুল হয়েছে, তা সংশোধন করতে সব ধরনের চেষ্টা করা হচ্ছে। আদালতকে সব তথ্য দিয়ে সাহায্য করছি। আমাদের যুধিষ্ঠির হতে গত দেড় বছর লেগেছে।’’ একই ভাবে নবম-দশম শ্রেণির মামলাতেও নিজেদের ভুল শোধরানোর কথা জানিয়েছে এসএসসি। যা দেখে বিচারপতি তালুকদার লেডি ম্যাকবেথের সঙ্গে এসএসসি-র তুলনা করেন। প্রসঙ্গত, গ্রুপ ডি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ১ হাজার ৯১১ জনের চাকরি বাতিলের পাশাপাশি সেই পদে নিয়োগের জন্যও নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। রায়দানের তিন সপ্তাহের মধ্যেই সেই নির্দেশ কার্যকরী করার কথাও বলা হয়েছিল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share