Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Kuntal Ghosh: কুন্তল ঘোষকে আরও ১৪ দিনের জেল, হেফাজতে নিতে পারে সিবিআই!

    Kuntal Ghosh: কুন্তল ঘোষকে আরও ১৪ দিনের জেল, হেফাজতে নিতে পারে সিবিআই!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজও জামিন পেলেন না কুন্তল ঘোষ (Kuntal Ghosh)। নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতার তৃণমূলের হুগলির যুবনেতাকে আরও ১৪ দিন জেল হেফাজতের নির্দেশ দিল নগর দায়রা আদালত। ফলে আপাতত ৩ মার্চ পর্যন্ত প্রেসিডেন্সি জেলেই থাকতে হবে কুন্তলকে। 

    এদিকে এদিনই আদালত চত্বরে আত্মহত্যার হুমকি দিলেন কুন্তল ঘোষ (Kuntal Ghosh)। হুগলির যুব তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি বলেন, “দোষী সাব্যস্ত হলেই আত্মহত্যা করব।” সম্প্রতি কুন্তলকে গ্রেফতার করেছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট৷ তাঁর কাছে ১০০ কোটি টাকা ও মূল্যবান গাড়ি থাকার অভিযোগ উঠেছে৷ শুক্রবার কুন্তলকে আদালতে পেশ করে ইডি৷ সেই সময় তিনি দাবি করেন, “তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা যাবতীয় অভিযোগ ভিত্তিহীন। এগুলো যদি প্রমাণ করতে পারে, তাহলে আত্মহত্যা করব।” নিয়োগ দুর্নীতিতে গ্রেফতার হওয়ার পর প্রথমে ইডি হেফাজতে ছিলেন কুন্তল৷ এখন তিনি রয়েছে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে৷ এই মুহূর্তে প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারে রয়েছেন তিনি৷ বৃহস্পতিবার সেখানে গিয়ে প্রায় ২ ঘণ্টা তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন গোয়েন্দারা। ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, এর আগে কুন্তল ঘোষকে জেরা করে তদন্তকারী আধিকারিকরা রাজ্যের তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের এই দুর্নীতিতে জড়িত থাকার বিষয়টি জানতে পারেন। কুন্তল ঘোষ ইডিকে জানান, শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির লভ্যাংশের টাকা পেতেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়, মানিক ভট্টাচার্য-সহ রাজ্যের একাধিক প্রভাবশালীরা।

    আরও পড়ুন: খরচে লাগাম টানতে দিল্লি-মুম্বাইয়ের অফিস বন্ধ করল ট্যুইটার, কাজ হবে বাড়ি থেকেই

    শুক্রবার এই মামলার শুনানি ছিল নগর দায়রা আদালতে। আদালত কক্ষে ইডি এবং তাঁর আইনজীবী নিজেদের কথা জানানোর পরেই হঠাৎ কুন্তল জানান, তিনিও কিছু বলতে চান। বিচারক তাঁকে কথা বলার অনুমতি দেন। কুন্তল (Kuntal Ghosh) বলেন, “সব কিছুর মধ্যে একটা পর্দা রয়েছে…।” কুন্তলের বাড়িতে থেকে একটি ধূসর রঙের ডায়েরি উদ্ধার করেছেন গোয়েন্দারা। সেই ডায়েরির পাতায় সাঙ্কেতিক লেখার পাশাপাশি গানের কলিও খুঁজে পায় ইডি। শুক্রবার কোর্ট রুমে এই ডায়েরি নিয়ে কিছু বলতে শুরু  করেছিলেন কুন্তল। কিন্তু ‘ডায়েরি’ শব্দটি শোনামাত্রই বিচারক কুন্তলকে থামিয়ে প্রশ্ন করেন, “আপনি কি নতুন কিছু বলতে চান?” কুন্তল থমকে গিয়ে আবার বলতে শুরু করেন। বিচারকের প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানান, “হ্যাঁ। বলতে চাই। গোপাল দলপতির আন্ডারে…”। কিন্তু এ বারও বাক্য সম্পূর্ণ করতে পারেননি কুন্তল। বিচারক আবার তাঁকে থামিয়ে দিয়ে বলেন, “আপনার যদি কিছু নতুন বলার থাকে আইনজীবীর মারফত বলুন।” এরপরেই চুপ করে যান কুন্তল। প্রায় আর কোনও কথাই বলতে পারেননি শুনানি চলাকালীন পুরো সময়ে। পরে কুন্তলের সঙ্গে কথা বলার পর তাঁর আইনজীবী বিচারককে জানান, তাঁদের নতুন কিছু বলার নেই।

    এবার সিবিআই হেফাজতে কুন্তল? 

    এদিকে সূত্র মারফৎ জানা গিয়েছে, এবার কুন্তলকে (Kuntal Ghosh) জেরার জন্যে হেফাজতে নিতে পারে সিবিআই। কুন্তলকে হেফাজতে নিতে চেয়ে আলিপুর বিশেষ সিবিআই আদালতের দ্বারস্থ হচ্ছে তদন্তকারী সংস্থা। আদালত থেকে প্রোডাকশন ওয়ারেন্টও জারি করা হয়েছে। আগামী সোমবার আদালতে পেশ করা হবে কুন্তল ঘোষকে। সিবিআই আধিকারিকরা চাইছেন বিষয়টির গভীরে যেতে। নিয়োগ দুর্নীতিতে কীভাবে কুন্তলের নাম জড়াল তা জানতে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
  • Nadia: সাত মাস ধরে স্কুলে না গিয়েও নিয়মিত বেতন নিচ্ছেন শিক্ষক, জানুন আসল কারণ  

    Nadia: সাত মাস ধরে স্কুলে না গিয়েও নিয়মিত বেতন নিচ্ছেন শিক্ষক, জানুন আসল কারণ  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাঁর বয়স ৫৫। বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছেন চতুর্থ শ্রেণির এক ছাত্রীকে (Student)! এছাড়া মহিলা কর্মীদের সঙ্গে অশালীন আচরণ করার অভিযোগও রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। এসব কারণেই ২০২২ সালের জুলাই মাসে তুলে নেওয়া হয় রানাঘাট (Nadia) ১ নম্বর ব্লকের গাংনাপুর থানার চিনাপুকুরিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক পরিমল বাইনকে। তারপর থেকে এক দিনও স্কুলে না গিয়ে নিয়মিত বেতন নিচ্ছেন পরিমল। তাঁর বিরুদ্ধে তোলা যাবতীয় অভিযোগ স্বীকার করে নিয়েছেন ওই শিক্ষক। জানিয়েছেন, বসে বসে বেতন নিতে ভাল লাগে না তাঁর। পরিমল বলেন, আমি তো স্কুলে যেতে চাই। কিন্তু আমায় বের করে দিয়েছে। এ ভাবে বসে বসে বেতন নিতে আমারও ভাল লাগে না।

    শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ…

    ২০১৩ সালে চিনাপুকুরিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন পরিমল। তার পর থেকে তাঁর বিরুদ্ধে মহিলা কর্মীদের অভিযোগের অন্ত নেই। তার জেরে ২০১৯ সালে পরিমলকে অন্য একটি স্কুলে বদলি করা হয়। বছর দুয়েক পরে ফের চিনাপুকুরিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ফিরে আসেন পরিমল। এ বার তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, চতুর্থ শ্রেণির এক ছাত্রীকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছেন তিনি। বিয়ে করতে চেয়ে ওই ছাত্রীর অভিভাবককে ফোনও করেন পরিমল। অভিযোগ স্বীকারও করে নিয়েছেন ওই শিক্ষক (Nadia)। তিনি বলেন, হ্যাঁ, আমি ফোন করে বলেছিলাম ওই ছাত্রীর মাকে, আপনার মেয়েকে পছন্দ হয়, দেখুন দেওয়া যায় কি না। স্কুলের প্রধান শিক্ষক জয়ন্ত বাগচি বলেন, স্কুলে ফিরে এসে ফের ছাত্রীদের নোংরা আচরণ করা শুরু করেন উনি। চতুর্থ শ্রেণির এক ছাত্রীকে বিয়ের প্রস্তাবও দিয়েছেন।

    আরও পড়ুুন: রাষ্ট্রপতির পর প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে অশালীন মন্তব্য অখিল গিরির! তুমুল বিতর্কে মন্ত্রী

    সরকারী স্কুল পরিদর্শক সুকন্যা রায়চৌধুরী বলেন, স্কুল পরিদর্শক অসুস্থ থাকায় গত বেশ কয়েকদিন ধরে আমি দায়িত্ব সামলাচ্ছি। তবে পরিমলের ব্যাপারে বিশেষ কিছু বলতে চাননি তিনি। রানাঘাটের এসডিও হরিশ রশিদ বলেন, ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে কোনও লিখিত অভিযোগ আমি পাইনি। পেলে আইনানুগ পদক্ষেপ করা হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Recruitment Scam: নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে ফের নয়া মোড়! সিবিআইয়ের জালে বাগদার ‘রঞ্জন’

    Recruitment Scam: নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে ফের নয়া মোড়! সিবিআইয়ের জালে বাগদার ‘রঞ্জন’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতি (Recruitment Scam) কাণ্ডে গ্রেফতার বাগদার ‘রঞ্জন’ চন্দন মণ্ডল (Chandan Mondal)। মাস কয়েক আগে তাঁর নাম প্রকাশ্যে এনেছিলেন প্রাক্তন সিবিআই (CBI) কর্তা উপেন বিশ্বাস। তিনি সৎ রঞ্জন নাম নিয়ে চন্দনের বিরুদ্ধে টাকা নিয়ে চাকরি দেওয়ার অভিযোগ আনেন। তার পরেই কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে সিবিআই তদন্ত শুরু করে চন্দনের বিরুদ্ধে। শুক্রবার নিজাম প্যালেসে ফের একপ্রস্ত জিজ্ঞাসাবাদের পর গ্রেফতার করা হয় চন্দনকে। এদিনই তাঁকে তোলা হয় আদালতে। অভিযোগ পাওয়ার পর ২১ জানুয়ারি রঞ্জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে সিবিআই। কেন্দ্রীয় এই তদন্তকারী সংস্থার দাবি, বাগদার এই রঞ্জনের সঙ্গে যোগ ছিল প্রভাবশালীদের। তাঁর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খতিয়ে দেখেই এই সিদ্ধান্তে আসে সিবিআই। মোটা টাকার বিনিময়ে বহু কর্মপ্রার্থীকে চাকরি দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। লক্ষ লক্ষ টাকার বিনিময়ে তিনি চাকরি দিতেন বলে অভিযোগ। চাকরি পাওয়ার জন্য কর্মপ্রার্থীরা ফি দিন তাঁর বাড়ির সামনে লাইনও দিতেন। তাঁদের মধ্যে কেউ কেউ চাকরি পেলেও, অনেকেই পাননি বলে অভিযোগ।

    সিবিআই…

    প্রাক্তন সিবিআই কর্তা তথা প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক উপেন বিশ্বাসের দাবি, বাগদার রঞ্জন চাকরি প্রার্থীদের (Recruitment Scam) কাছ থেকে বস্তা বস্তা টাকা নিতেন। সেই টাকা পাচার হয়ে যেত কলকাতায়। উপেন দাবি করেছিলেন, চাকরি বিক্রির অভিযোগের কথা তাঁর কানে এসেছে। রঞ্জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ, ১০ থেকে ১৫ লক্ষ টাকা নিয়ে চাকরির আশ্বাস দিতেন তিনি। চাকরি প্রার্থীদের তিনি বলতেন, উত্তরপত্রে কিছু লেখা যাবে না। শুধু নাম আর রোল নম্বর লিখতে হবে। উত্তর লিখলে চাকরি পাওয়া যাবে না। পরে আদালতে এ কথা জানান উপেনও। তদন্তকারী সূত্রে দাবি, রঞ্জনের দেওয়া তথ্যে মিডলম্যান প্রদীপ ও প্রসন্নর নামও উঠে এসেছে। বেআইনিভাবে নিয়োগপত্র পাওয়া ৩৫০জন গ্রুপ সি প্রার্থীও প্রদীপ ও প্রসন্নর নাম করেছেন।

    আরও পড়ুুন: রাষ্ট্রপতির পর প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে অশালীন মন্তব্য অখিল গিরির! তুমুল বিতর্কে মন্ত্রী

    প্রসঙ্গত, প্রাইমারি টেট দুর্নীতিতে (Recruitment Scam) সাদা খাতা জমা দিয়ে চাকরি পাওয়া নিয়ে সিবিআইকে চন্দনের বিরুদ্ধে তদন্ত করার নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। আদালত বলেছিল, প্রয়োজনে বাগদার চন্দন মণ্ডলকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে তদন্ত করুক কেন্দ্রীয় সংস্থা। সেই মতো চন্দনকে সিবিআই দফতরে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তাঁর বাড়িতেও তল্লাশি চালায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। ওই সময় চন্দন বাড়িতে না থাকায় জেরা করা হয়েছিল তাঁর মেয়ে চৈতালি ও পরিবারের অন্য সদস্যদের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Calcutta High Court: বদলির নির্দেশ না মানলে বন্ধ হবে শিক্ষকদের বেতন, কড়া বার্তা হাইকোর্টের

    Calcutta High Court: বদলির নির্দেশ না মানলে বন্ধ হবে শিক্ষকদের বেতন, কড়া বার্তা হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বদলিতে শিক্ষকদের স্বেচ্ছাচারিতা আটকাতে কড়া দাওয়াই দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। হাইকোর্ট হুঁশিয়ারি দিয়ে বলে, বদলি পছন্দ না হলে পরে মামলা করুন। তবে নির্দেশ মতো স্কুলে না গেলে পরের মাস থেকে বেতন বন্ধ করে দেওয়া হবে। এদিন এমনই নির্দেশ দিলেন বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু। স্কুল শিক্ষা দফতরকে নির্দেশ দিয়ে তিনি বলেন, রাজ্যের যেসব স্কুলে পড়ুয়ার সংখ্যা অত্যন্ত কম, তার অনুমোদন প্রত্যাহার করুন। আইনে না থাকলেও এদিন হাওড়ার রসপুর স্কুলে নিরাপত্তা কর্মী দিতে নির্দেশ দিল আদালত। বিচারপতি বলেন, ছাত্রীদের নিরাপত্তা সবার আগে। হাওড়ার কমিশনারকে আদালত নির্দেশ দিয়ে বলে, সিভিক ভলান্টিয়ার দিয়ে ওই স্কুলের নিরাপত্তা দিতে। হাওড়ার রসপুর স্কুলের একটি মামলা হয়। সেখানে দেখা যায়, একটি বিদ্যালয়ে ১৩ জন পড়ুয়ার জন্য ৫ জন শিক্ষক রয়েছেন।

    কী বলেন বিচারপতি? 

    উল্টোদিকে অন্য একটি স্কুলে প্রায় ৫৫০ জন পড়ুয়া আছে। কিন্তু বাংলার শিক্ষক নেই সেই স্কুলে (Calcutta High Court)। ২০১৬ সাল থেকে অঙ্কের শিক্ষকও নেই। তারপরই ওই স্কুলের অনুমোদন প্রত্যাহারের জন্য শিক্ষা দফতরকে পরামর্শ দেন বিচারপতি বসু। উত্তরে শিক্ষা দফতরের তরফের আইনজীবী জানান, অনুমোদন প্রত্যাহার করতে একটু সমস্যা আছে। স্থানীয়রা সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে। রাজনৈতিক চাপও আসতে পারে। বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু পরামর্শ দিয়ে বলেন, ‘‘পড়ুয়া অত্যন্ত কম থাকলে স্কুলের অনুমোদন প্রত্যাহার করে নিন। অযথা শিক্ষক পুষে লাভ নেই। যেখানে ছাত্র-ছাত্রী রয়েছে, সেখানে শিক্ষকদের পাঠান। রাজনৈতিক চাপের কথা ভুলে যান।’’

    বিচারপতি এ-ও বলেন, ‘‘শিক্ষক বদলির নতুন নিয়ম ঠিক ভাবে পালন করুন। বদলির নিয়ম না মানলে পরের মাস থেকে বেতন বন্ধ করে দেব (Calcutta High Court)।’’ বিচারপতির কথায়, “শিক্ষকের পরিবর্তে পড়ুয়াদের কথা ভাবতে হবে। এই অচলায়তন ভাঙতে গেলে সময় লাগবে। কিন্তু আমরা করে ছাড়ব।” এর পরেই বিচারপতি বসু নির্দেশ দেন যে,  রাসপুর গার্লস হাই স্কুলে এক জন সিভিক ভলান্টিয়ার মোতায়েন করা যায় কি না, হাওড়ার পুলিশ সুপারকে তা বিবেচনা করতে হবে।

    আরও পড়ুন: নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে ফের নয়া মোড়! সিবিআইয়ের জালে বাগদার ‘রঞ্জন’

    স্কুলের শিক্ষক বদলি নিয়ে এর আগেও কড়া নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু। সম্প্রতি এই বদলি সংক্রান্ত গাইডলাইনও আনে রাজ্য সরকার (Calcutta High Court)। সেখানে বলা হয়, স্কুলে প্রতিটি বিষয়ে কতজন শিক্ষক রয়েছেন তা প্রথমে দেখা হবে। এরপরই শিক্ষক ও ছাত্রের সংখ্যার অনুপাত দেখে শিক্ষক বদলির সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। শিক্ষকদের পছন্দের জেলাতে বদলির ব্যবস্থা থাকবে। কিন্তু প্রয়োজনে তাতে বদলও আসতে পারে। জেলার মধ্যে কোনও স্কুলে অতিরিক্ত শিক্ষক থাকলে, প্রাথমিকভাবে তাঁদের পাঠানো হবে সেই জেলারই অন্য কোনও স্কুলে। কিন্তু যাদের শারীরিক প্রতিবন্ধকতা রয়েছে বা বাড়িতে ছোট সন্তান রয়েছে, যাঁদের অবসরের মাত্র ২ বছর বা তার কম সময় বাকি, তাঁদের যাতে বদলি না করা হয় সেদিকেও নজর দেওয়া হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Anubrata Mondal: জামিন হল না কেষ্টর! ফের ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ সিবিআই আদালতের

    Anubrata Mondal: জামিন হল না কেষ্টর! ফের ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ সিবিআই আদালতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের ১৪ দিন জেলবন্দি হয়ে থাকতে হবে কেষ্টকে। বীরভূমের তৃণমূল জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে আরও ১৪ দিন জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছে আসানসোলের বিশেষ সিবিআই আদালত। সূত্রের খবর, এদিন জামিনের জন্য কোনও আবেদনই করা হয়নি। আগের জেল হেফাজতের মেয়াদ শেষে শুক্রবার তাঁকে আবার আদালতে হাজির করানো হয়েছিল। সেই শুনানিতেই এই নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। গরু পাচারের এই মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী ৩ মার্চ।

    জামিনের আবেদন করলেন না অনুব্রতের আইনজীবী

    সূত্রের খবর, গতবারের মত এবারও অনুব্রতর আইনজীবী জামিনের আবেদন করেননি। এছাড়াও সিবিআই সূত্রে খবর, শুক্রবার অনুব্রতের বিরুদ্ধে বেশ কিছু নথি আদালতে জমা করা হয়েছে। সম্প্রতি হদিশ পাওয়া শতাধিক বেনামি ও ভুয়ো ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের নথিও রয়েছে। তদন্তকারীদের সূত্রে দাবি, সেই সব অ্যাকাউন্ট থেকে অনুব্রত ও তাঁর ‘ঘনিষ্ঠ’দের চালকলের টাকার লেনদেন হয়েছে। সেই তথ্যই আদালতকে দেওয়া হয়েছে। ফলে শুনানির পর শাসকদলের নেতাকে আরও ১৪ দিন জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন বিচারক রাজেশ চক্রবর্তী।

    আরও পড়ুন: নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে ফের নয়া মোড়! সিবিআইয়ের জালে বাগদার ‘রঞ্জন’

    অনুব্রতকে জেরা সিবিআইয়ের

    প্রসঙ্গত, গরু পাচার কাণ্ডে গ্রেফতারির পর আসানসোল সংশোধনাগারে রয়েছেন অনুব্রত। অনু্ব্রতর গ্রেফতারির পর তাঁর ঘনিষ্ঠ সায়গল হোসনকে তিহার জেলে নিয়ে যাওয়া হয়। অনুব্রতকেও দিল্লি নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে ইডি। ইতিমধ্যেই তাঁর মেয়েকে একাধিকবার জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তাঁর হিসাবরক্ষক মণীশ কোঠারিকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। এর আগেই সিবিআই দাবি করেছিল, আগের ১৭৭ বাদে সম্প্রতি আরও ১১৫টি ভুয়ো অ্যাকাউন্টের হদিশ মিলেছে৷ ওই ভুয়ো অ্যাকাউন্টগুলি থেকে চারটি নির্দিষ্ট অ্যাকাউন্টে নিয়মিত টাকা পাঠানো হয়েছে বলেও উল্লেখ করে সিবিআই। আর এই অ্যাকাউন্টগুলোর মাধ্যমে গরু পাচারের টাকা লেনদেন হত বলে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের অনুমান। আবার গতকাল, বৃহস্পতিবার আসানসোল সংশোধনাগারে গিয়ে অনুব্রতকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল সিবিআই। কিন্তু সদুত্তর মেলেনি বলে দাবি সিবিআইয়ের।

    প্রসঙ্গত, এদিন অনুব্রতর পাশাপাশি তাঁর এককালের দেহরক্ষী সায়গল হোসেনকেও ভার্চুয়ালি আদালতে হাজির করানো হয়। গরু পাচারকাণ্ডে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের করা মামলায় বর্তমানে তিহার জেলে রয়েছেন সায়গল। 

  • Job Card: একশো দিনের কাজ প্রকল্পে চালু আধার ভিত্তিক পেমেন্ট সিস্টেম, বিপাকে রাজ্য   

    Job Card: একশো দিনের কাজ প্রকল্পে চালু আধার ভিত্তিক পেমেন্ট সিস্টেম, বিপাকে রাজ্য   

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একশো দিনের কাজে টাকা পেতে হলে আধার ভিত্তিক পেমেন্ট সিস্টেম (Aadhar Based Payments System) বাধ্যতামূলক। সম্প্রতি এই মর্মে রাজ্যগুলিকে চিঠি দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। চলতি মাসের ১ তারিখ থেকেই চালু হয়ে গিয়েছে এই ব্যবস্থা। জবকার্ড (Job Card) হোল্ডাররা যাতে ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত না হন, তাই এই ব্যবস্থা চালু করেছে কেন্দ্র।

    আধার ভিত্তিক পেমেন্ট সিস্টেম…

    কেন্দ্র আধার ভিত্তিক পেমেন্ট সিস্টেম বাধ্যতামূলক করলেও, এ রাজ্যের ৮০ লক্ষ জবকার্ডের সঙ্গে আধার লিঙ্ক হয়নি বলেই অভিযোগ করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী। নন্দীগ্রামের এই বিধায়ক যে নিছক ফাঁকা বুলি আওড়াচ্ছেন না, তার প্রমাণ মিলল নবান্ন সূত্রের একটি খবরে। জানা গিয়েছে, ১০০ দিনের গ্রামীণ কর্মসংস্থান প্রকল্পের অধীনে জবকার্ড (Job Card) হোল্ডারদের সঙ্গে আধার কার্ড সংযুক্তিকরণে পরিসংখ্যান নিয়ে উদ্বিগ্ন খোদ নবান্নও। সূত্রের খবর, এখনও পর্যন্ত জবকার্ড হোল্ডারদের সঙ্গে আধার কার্ড সংযুক্তিকরণ হয়েছে ৭৮.৬ শতাংশ। যা অন্যান্য রাজ্যের তুলনায় অনেক কম। এই প্রকল্পে নজির গড়েছে উত্তর-পূর্বের ছোট্ট রাজ্য মিজোরাম। এ রাজ্যে ৯৭.৮ শতাংশ জবকার্ড হোল্ডারেরই আধার সংযোগ রয়েছে। তামিলনাড়ু সহ একাধিক রাজ্য আধার কার্ড সংযোগের ক্ষেত্রে অনেকটাই এগিয়ে। তুলনামূলকভাবে এ রাজ্যে আধার কার্ড সংযোগের সঙ্গে জবকার্ড হোল্ডারদের সংযুক্তিকরণ না হওয়ায় জেলাগুলিকে বিশেষ নির্দেশ দিয়েছে নবান্ন।

    জানা গিয়েছে, রাজ্যের বেশ কিছু জেলায় এখনও ৬০ শতাংশ জবকার্ড (Job Card) হোল্ডারের আধারকার্ড সংযুক্তিকরণ হয়নি। পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, মুর্শিদাবাদ, উত্তর দিনাজপুরের মতো একাধিক জেলা আধারকার্ড সংযুক্তিকরণের ক্ষেত্রে অনেকটাই পিছিয়ে। নবান্ন সূত্রে খবর, পুরুলিয়ায় ৬৫.১ শতাংশ, ঝাড়গ্রামে ৬৭.২ শতাংশ, মুর্শিদাবাদে ৬৭.৪ শতাংশ এবং উত্তর দিনাজপুরে ৬৯.৫ শতাংশ জবকার্ড হোল্ডারদের আধারকার্ড সংযুক্তিকরণ হয়েছে।

    আরও পড়ুুন: রাষ্ট্রপতির পর প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে অশালীন মন্তব্য অখিল গিরির! তুমুল বিতর্কে মন্ত্রী

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, রাজ্যের ৮০ লক্ষ জব কার্ডের সঙ্গে আধার লিঙ্ক হয়নি। তাঁর প্রশ্ন, সেই কার্ডগুলো কি ভুয়ো?  তিনি জানান, বাংলায় কাজ নেই। বাংলার বাইরে কাজে গেলেও, জবকার্ডগুলিতে আধার লিঙ্ক প্রয়োজন হচ্ছে। জবকার্ড হোল্ডারদের আধার কার্ড সংযুক্তিকরণ না হওয়ায় আধার ভিত্তিক পেমেন্ট সিস্টেম থেকে বঞ্চিত হতে পারেন জবকার্ড হোল্ডাররা। তার জেরেই জেলাগুলিকে দ্রুত আধার কার্ড সংযুক্তিকরণ করার নির্দেশ দিয়েছে নবান্ন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Akhil Giri: রাষ্ট্রপতির পর প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে অশালীন মন্তব্য অখিল গিরির! তুমুল বিতর্কে মন্ত্রী

    Akhil Giri: রাষ্ট্রপতির পর প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে অশালীন মন্তব্য অখিল গিরির! তুমুল বিতর্কে মন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের শাসকদলের নেতার মুখে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে অশালীন মন্তব্য! বিতর্ক যেন তাঁর পিছু ছাড়ছেই না। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর পর এবার দেশের প্রধানমন্ত্ৰী নরেন্দ্র মোদিকে নিয়ে বেফাঁস মন্তব্য করে বসলেন মন্ত্ৰী অখিল গিরি। রামনগরের সভা থেকে তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী গরুকে আঁকড়ে ভালোবাসা করতে গিয়েছিলেন। গরু গুঁতিয়ে দিয়েছে প্রধানমন্ত্রীকে।” স্বভাবতই মন্ত্রীর এই মন্তব্য ঘিরে তুমুল বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। তবে এই প্রথম নয়, এর আগেও রাষ্ট্রপতি দৌপদী মুর্মুকে নিয়েও বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন তিনি। ফলে এই নিয়ে ক্ষমাও চাইতে হয় খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে।

    প্রধানমন্ত্রীর নামে অশালীন মন্তব্য অখিল গিরির

    গতকাল পূর্ব মেদিনীপুরের রামনগরে আরএসএ ময়দানের মাঠে বিজেপির পালটা সভা করে তৃণমূল। সেখানে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ। আর সেখান থেকেই প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে অশালীন ভাষায় মন্তব্য করতে দেখা যায় তাঁকে। বিজেপি ও মোদি সরকারকে কটাক্ষ করতে গিয়ে তিনি ভ্যালেন্টাইন্স ডে-এর প্রসঙ্গ তুলে এনে বলেন, “১৪ তারিখ ভ্যালেন্টাইন্স ডে ছিল, ভালোবাসার দিবস, ছেলে-মেয়েরা প্রেম করে। গোলাপ ফুল দেওয়া-নেওয়া হয়। একজন মানুষকে আরেকজন মানুষ ফুল দিয়ে ভালোবাসে। প্রধানমন্ত্রী গরুকে আঁকড়ে ভালোবাসা করতে গিয়েছিলেন। গরু গুঁতিয়ে দিয়েছে প্রধানমন্ত্রীকে। পুরো পড়ে গিয়েছে। ভাগ্য ভালো ষাঁড়টাকে ধরেনি। না হলে গুঁতিয়ে দিত পেটে লেগে যেত…। গরু যদি নরেন্দ্র মোদিকে গুঁতিয়ে দেয় তাহলে আমি কি করব!” মন্ত্রী আরও বলেন, “১৪ তারিখ ভ্যালেন্টাইন্স ডে’তে নরেন্দ্র মোদি গরুকে আঁকড়ে ধরেছেন, কী সুন্দর! আগামী ২৪-এ গুঁতো খাবে। যাতে উলটে পড়বে প্রধানমন্ত্রী মানুষ পার্লামেন্টের বাইরে পাঠিয়ে দেবে।”

    মন্ত্রী অখিল গিরিকে কড়া ভাষায় জবাব বঙ্গ বিজেপির

    প্রধানমন্ত্রী প্রসঙ্গে অখিল গিরির মন্তব্যের তীব্র বিরোধীতায় সরব হয়েছে বঙ্গ বিজেপি। এই প্রসঙ্গে কাঁথি সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সভাপতি সুদাম পণ্ডিত বলেন, “একটা মোস্ট থার্ড ক্লাস দল। দুর্নীতি করতে করতে রাজ্যটাকে শেষ করে দিয়েছে। ওদের কথায় কান দিয়ে আমাদের লাভ কী। ওদের মত আমাদের তো আর অভিনেতা দেখিয়ে লোক ডাকতে হয়নি। বিনাশকালে বুদ্ধিনাশ হয়েছে তৃণমূলের নেতা- নেত্রীদের। তাই ভুল-ভাল কথা বলছেন।” আবার শমীক ভট্টাচার্য বলেন, এটাই তৃণমূল কংগ্রেস! শুধু তাই নয়, এটাই তাঁদের সংস্কৃতি, ভাষা বলেও আক্রমণ বিজেপি নেতার। তাঁর মতে, তৃণমূলের নেত্রী তিনি নিজে এই ভাষায় কথা বলে। প্রত্যেকটি রাজনৈতিক ক্ষেত্রে সেটাই প্রকাশ পায় বলে কটাক্ষ। এমন কিছু মানুষ আছেন যারা এই সব বলে হাততালি কুড়োতে চায় বলে মন্তব্য বিজেপি নেতার। তবে মানুষ এর জবাব দেবে বলে মন্তব্য তাঁর।

  • Partha Chatterjee: ফের খারিজ হয়ে গেল পার্থর জামিনের আর্জি, হতাশ হয়ে পড়ছেন প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী?  

    Partha Chatterjee: ফের খারিজ হয়ে গেল পার্থর জামিনের আর্জি, হতাশ হয়ে পড়ছেন প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী?  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও খারিজ হয়ে গেল রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের (Partha Chatterjee) জামিনের আর্জি। বৃহস্পতিবার আলিপুর সিবিআইয়ের (CBI) বিশেষ আদালতে শুনানি ছিল নিয়োগ দুর্নীতিতে অন্যতম অভিযুক্ত পার্থর। এদিনও জামিনের আবেদন করেন তিনি। যদিও জামিনের আবেদন খারিজ করে পার্থ সহ বাকিদের ২ মার্চ পর্যন্ত জেল হেফাজতের নির্দেশ দেয় আদালত।

    সিবিআইয়ের বিশেষ আদালত…

    এদিন দুপুরে সিবিআইয়ের বিশেষ আদালতে তোলা হয় পার্থকে। সবুজ পাঞ্জাবি ও ধূসর জ্যাকেট পরিহিত পার্থকে বেশ বিধ্বস্ত লাগছিল। জামিন খারিজ হয়ে যাওয়ার পর আদালত থেকে বেরনোর সময় এবারও প্রশ্নবাণে বিদ্ধ হন রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী, প্রতিবারের মতো। রাজ্য সরকার যে ৩ শতাংশ ডিএ বাড়িয়েছে, এদিন সে খবর দেওয়া হয় রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীকে (Partha Chatterjee)। তার পরেই এক সাংবাদিক বলেন, অর্পিতা বলেছেন সব টাকা গয়না আপনার। একের পর এক খবর এবং প্রশ্ন শুনে প্রথমে একটু থমকে যান পার্থ। পরে উপস্থিত সাংবাদিকদের দিকে তাকিয়ে বলেন, আপনারা সবাই ভাল থাকুন।

    এর আগেও বিভিন্ন সময় সাংবাদিকদের নানা প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন পার্থ। কখনও বলেছেন, আসল দুর্নীতি কে করেছে, তা প্রকাশ্যে আসবে। কখনও বলেছেন, তৃণমূলের ক্ষতি কেউ করতে পারবে না। দুর্গাপুজোর শুভেচ্ছাও জানিয়েছিলেন। তবে এখন তো সেই অর্থে কোনও উৎসবই নেই। ভ্যালেন্টাইনস ডে-ও গত হয়েছে। তার পরেও কেন শুভেচ্ছা জানালেন রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী? তাহলে কি পার্থ বোঝাতে চাইলেন, তিনি ভাল নেই?

    ভাল না থাকারই কথা। মাস সাতেক হল পার্থ রয়েছেন জেলের অন্ধকার কুঠুরিতে। তদন্ত করছে সিবিআই। এদিন এ নিয়ে সিবিআইয়ের উদ্দেশে বিচারক বলেন, পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee) গ্রেফতার হয়েছেন অনেক মাস হল। এর পরেই বিচারক বলেন, যেটা হচ্ছে, সেটা ঠিক হচ্ছে না। সিবিআইয়ের তদন্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলে বিচারক বলেন, যাঁরা অভিযুক্ত, তাঁদেরও অধিকার থাকে। অনির্দিষ্টকাল ধরে তদন্ত চলছে, এরকম বলা যায় না।

    প্রসঙ্গত, শিক্ষক নিয়োগ কেলেঙ্কারিতে নাম জড়ানোয় জেল হেফাজতে রয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী। এর আগে কখনও তাঁকে দেখা গিয়েছে কান্নায় ভেঙে পড়তে, কখনও আবার নীরব থেকেছেন এজলাসে। এদিনও ফের জামিনের জন্য কাতর আর্জি জানাতে দেখা গিয়েছে তৃণমূলের বহিষ্কৃত মহাসচিবকে। আদালত থেকে জেলের কুঠুরিতে ফিরে যাওয়ার আগে করলেন শুভকামনাও।

     

  • Sukanta Majumdar: প্রবেশিকা না দিয়েই ডাক্তারি পড়ছেন বিধায়ক সুদীপ্ত রায়ের মেয়ে! বিস্ফোরক ট্যুইট সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: প্রবেশিকা না দিয়েই ডাক্তারি পড়ছেন বিধায়ক সুদীপ্ত রায়ের মেয়ে! বিস্ফোরক ট্যুইট সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শান্তনু সেনের পর এবার বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar) নিশানায় তৃণমূলের বিধায়ক সুদীপ্ত রায়। শ্রীরামপুরের তৃণমূল বিধায়কে মেয়ে কীভাবে কোনও প্রবেশিকা ছাড়াই মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি হলেন তা নিয়ে ট্যুইট করে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। বৃহস্পতিবার এই নিয়ে পরপর দুটি ট্যুইট করেছেন সুকান্ত। সুকান্ত লেখেন, “প্রবেশিকায় উত্তীর্ণ না হয়েও ডোনার কোটায় মেডিক্যালে ভর্তি হয়েছেন বিধায়কের ছোট মেয়ে।” আরও প্রশ্ন করেন, “বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজ থেকে কীভাবে মেডিক্যাল কলেজে ট্রান্সফার হল তাঁর?” কিছুদিন আগে, তৃণমূল সাংসদ শান্তুনু সেনের মেয়ের আরজিকরে ভর্তি নিয়েও স্বজনপোষণের অভিযোগ তুলেছিলেন সুকান্ত। সেই বিতর্ক ঠাণ্ডা হতে না হতেই আরও এক অভিযোগ। 

    আরও পড়ুন: “বিচার না পেলে সেনায় ফিরব না”, প্রতিজ্ঞা নিহত জওয়ানের ভাইয়ের 

    এদিন পরপর দুটি ট্যুইট করেছেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)। প্রথমটিতে তিনি লিখেছেন, বিধায়ক ডঃ সুদীপ্ত রায়ের মেয়ে সুবেশা বসু রায় কীভাবে বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজ থেকে ২০০২ সালে গুরুত্বপূর্ণ সরকারি মেডিক্যাল কলেজে স্থানান্তরিত হলেন? একই সঙ্গে কনিষ্ঠ কন্যা শিল্পা বসু রায়ের কথাও উল্লেখ করেছেন সুকান্ত। তিনি দাবি করেছেন, কোনও পরীক্ষা না দিয়েই ডাক্তারি পড়ার সুযোগ পেয়েছেন বিধায়কের মেয়ে। ‘ডোনার্স কোটা’য় পড়ার সুযোগ পেয়েছেন বলে দাবি করেছেন তিনি।

     

    শান্তনু সেনের মেয়ের শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়েও সে সময় প্রশ্ন তোলেন সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। ট্যুইটেই এই প্রশ্ন তুলছেন তিনি। সুকান্তর প্রশ্ন ছিল, মেডিক্যালে ১ লক্ষ ২১ হাজার ৪৭৩ র‌্যাঙ্ক থাকা সত্ত্বেও কীভাবে আর জি কর মেডিক্যাল কলেজে পড়ার সুযোগ পেলেন শান্তনুকন্যা সৌমিলি সেন? এর উত্তরে শান্তনু সেন জানিয়েছিলেন, সুবর্ণ বনিকদের জন্য যে আসন সংরক্ষিত থাকে, তাতেই পড়ার সুযোগ পেয়েছেন তাঁর মেয়ে। মেয়েকে মানসিকভাবে হেনস্থা করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছিলেন শান্তনু। তবে এই বিষয়ে এখনও মুখ খোলেননি সুদীপ্ত রায়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Sukanta Majumdar: জনতার পাশে দাঁড়াতে এবার ‘পাড়ায় সুকান্ত’ কর্মসূচি বিজেপির রাজ্য সভাপতির

    Sukanta Majumdar: জনতার পাশে দাঁড়াতে এবার ‘পাড়ায় সুকান্ত’ কর্মসূচি বিজেপির রাজ্য সভাপতির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাহাড় প্রমাণ দুর্নীতির (Scam) অভিযোগ থেকে আমজনতার দৃষ্টি ঘোরাতে ‘দিদির দূত’ কর্মসূচি হাতে নেয় তৃণমূল (TMC)। দলীয় নেতৃত্বের ধারণা ছিল, পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে নয়া এই কর্মসূচি জনতার ক্ষোভের ক্ষতে প্রলেপ দেবে। তা তো হয়ইনি, উল্টে মাঝমধ্যেই জনরোষের মুখে পড়ে লেজ গুটিয়ে পগার পার হয়েছেন তৃণমূলের নেতারা। ক্ষুব্ধ জনতার পাশে দাঁড়াতে এবার ‘পাড়ায় সুকান্ত’ কর্মসূচি হাতে নিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। তিনি বালুরঘাটের সাংসদ। জানা গিয়েছে, তাঁর সংসদ ক্ষেত্রেই প্রথম যাবেন সুকান্ত। ঘুরবেন পাড়ায় পাড়ায়। শুনবেন জনতার অভাব-অভিযোগের কথা। কেন্দ্রের নানা প্রকল্পের সুবিধাও যাতে তাঁর সংসদ ক্ষেত্রের বাসিন্দারা পান, তাও দেখবেন তিনি। এই কর্মসূচি যে তাঁরই মস্তিষ্ক প্রসূত, তা জানিয়েছেন সুকান্ত নিজেই।

    সুকান্ত বলেন…

    সুকান্ত (Sukanta Majumdar) বলেন, এই কর্মসূচি সম্পূর্ণভাবে আমার মস্তিষ্ক প্রসূত। এই কর্মসূচি আমি শুধু আমার লোকসভার জন্য চালু করছি। আমার লোকসভা কেন্দ্রের বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে সাধারণ মানুষের সুবিধা অসুবিধার কথা শোনা, তাঁদের বিভিন্ন সার্টিফিকেট দেওয়া, অসুস্থ মানুষদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা সহ স্বাস্থ্য পরিষেবা দেওয়া ও প্রধানমন্ত্রীর প্রকল্পগুলির সুবিধা যাঁরা পাননি, তাঁদের সুবিধা প্রদান করাই এই কর্মসূচির লক্ষ্য। এই কাজগুলো যে আগেও হত না, তা নয়। তবে এই সব ‘প্রাপ্য’ জনতার দরবারে পৌঁছে দিতেই তিনি নয়া কর্মসূচি হাতে নিয়েছেন বলে জানান বিজেপির রাজ্য সভাপতি।

    আরও পড়ুুন: চলন্ত ট্রেন থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ! নলহাটিতে উদ্ধার ত্রিপুরার যুবক

    দক্ষিণ দিনাজপুর বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, রাজ্য সভাপতির দায়িত্ব পাওয়ার পরে ব্যস্ততা বেড়েছে সুকান্তর। তা সত্ত্বেও জেলায় এলেই জনসংযোগে মন দেন সুকান্ত। বিজেপি নেতারা জানান, ১৭ ফেব্রুয়ারি কলকাতা থেকে জেলায় ফিরেছেন সুকান্ত। জেলায় তাঁর থাকার কথা তিন দিন। এই তিন দিনই তাঁর কর্মসূচি রাখা হয়েছে জেলার বিভিন্ন এলাকায়।

    প্রসঙ্গত, পঞ্চায়েত নির্বাচনে জনমত ঘাসফুল আঁকা ঝুলিতে ভরতে দিদির দূত কর্মসূচি হাতে নিয়েছিল তৃণমূল। জেলায় জেলায় ওই কর্মসূচি পালন করতে গিয়ে নানা সময় অপদস্থ হতে হয়েছে তৃণমূল নেতাদের। কেন্দ্রীয় আবাসন প্রকল্প সহ নানা দুর্নীতির অভিযোগের কৈফিয়ত দিতে গিয়ে কার্যত কালঘাম ছুটেছে তৃণমূল নেতাদের। তার জেরে ইদানিং আর ওই কর্মসূচি পালিত হচ্ছে বলে শোনা যায় না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

LinkedIn
Share