Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Chaos at Park Circus: ভিড়ে মিশে বহিরাগতরা, আগাম ইন্টেলিজেন্স ছিল, কীভাবে পার্ক সার্কাসের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করল কলকাতা পুলিশ?

    Chaos at Park Circus: ভিড়ে মিশে বহিরাগতরা, আগাম ইন্টেলিজেন্স ছিল, কীভাবে পার্ক সার্কাসের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করল কলকাতা পুলিশ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিলজলায় বেআইনি নির্মাণ ভাঙার প্রতিবাদে অশান্ত পার্ক সার্কাস (Chaos at Park Circus) সেভেন পয়েন্ট। বেআইনি জমায়েত, রাস্তা অবরোধের চেষ্টা। রবিবার অবরোধ তুলতে গেলে পুলিশের উপর হামলা চালায় দুষ্কৃতীরা। ইটবৃষ্টি করে। পুলিশের একাধিক গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। হামলায় জখম হয়েছেন একাধিক পুলিশকর্মী। ভাঙচুর করা হয়েছে পুলিশের গাড়ি ও একটি বাসও। পুলিশ সূত্রে খবর, তিলজলায় বেআইনি নির্মাণ ভাঙার প্রতিবাদে স্থানীয় বাসিন্দাদের নামে এই জমায়েত হলেও সেখানে বাইরের লোকও উপস্থিত ছিল।

    কীভাবে চলে হামলা

    পুলিশের দাবি, জমায়েতের কোনও অনুমতি নেওয়া হয়নি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ এগিয়ে গেলে আচমকাই তাদের লক্ষ্য করে ইটবৃষ্টি শুরু হয়। মুহূর্তে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে গোটা এলাকায়। ঘটনার জেরে এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে বিপুল পুলিশবাহিনী। কলকাতা পুলিশের (Kolkata Police) পাশাপাশি কেন্দ্রীয় বাহিনীকেও (Central Forces) ঘটনাস্থলে নামানো হয়েছে বলে খবর। ঘটনা প্রসঙ্গে কলকাতা পুলিশের অতিরিক্ত সিপি অসীম বিশ্বাস জানান, অবৈধ জমায়েত হয়েছিল। রাস্তা অবরোধের চেষ্টা চলছিল। পুলিশ পরিস্থিতি সামাল দিতে গেলে পুলিশের উপর হামলা করা হয়। পুলিশের তিনটি গাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয়েছে। পাশেই থাকা কেন্দ্রীয় বাহিনীর একটি বাসেও বিক্ষোভকারীরা ভাঙচুর চালান বলে অভিযোগ।

    কীভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনল পুলিশ

    পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে একপ্রকার বাধ্য হয়েই লাঠিচার্জ করে পুলিশ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে পুলিশের ৩ জন আহত হন। ঘটনার পর কড়া পদক্ষেপ পুলিশের। গ্রেফতার করা হয়েছে ২০ জনকে। ধৃতদের মধ্যে একজন ফেসবুক লাইভ করে আজ জমায়েতের ডাক দিয়েছিল বলে পুলিশ সূত্রে দাবি। বাকি অভিযুক্তদের খোঁজে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চলছে। তিনি আরও জানান, গোটা ঘটনার পিছনে কারা রয়েছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। হামলায় জড়িত কাউকেই ছাড়া হবে না বলে কড়া হুঁশিয়ারিও দেন পুলিশকর্তা। কলকাতা পুলিশের অতিরিক্ত সিপি অশেষ বিশ্বাস এই ঘটনার তাব্র নিন্দা করেন। ঘটনাস্থলে কলকাতা পুলিশের পাশাপাশি রয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীও।

    কেন অশান্ত পার্ক সার্কাস

    গত ১২ মে তিলজলা থানা এলাকার জিজে খান রোডের একটি চারতলা বাড়ির দোতলায় থাকা কারখানায় আগুন লাগে। ওই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত তিন জনের মৃত্যু হয়েছে। পুলিশ ও প্রশাসনের তদন্তে প্রাথমিক ভাবে ওই ঘটনায় বেআইনি বাড়ি, বেআইনি কারখানার মতো বিষয় সামনে এসেছে। আগুন লাগার ঘটনার পরেই তিলজলার ওই বাড়ি বুলডোজার দিয়ে ভাঙা শুরু হয়। তবে তার উপর কলকাতা হাইকোর্ট স্থগিতাদেশ দিয়েছে। পুলিশের বক্তব্য, পার্ক সার্কাসে রবিবার দুপুরে বিক্ষোভের মূল কারণ তিলজলায় বুলডোজার দিয়ে বাড়ি ভাঙা। পুলিশের একাংশের দাবি, শনিবার রাতেই পার্ক সার্কাসে রাস্তা আটকে বিক্ষোভ দেখানোর চেষ্টা হয়, তবে সেই সময়ে বিক্ষোভকারীদের সরিয়ে দেওয়া গিয়েছিল। পুলিশ সূত্রের খবর, রবিবার দুপুর দেড়টা নাগাদ সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে পার্ক সার্কাসে বিক্ষোভ দেখানোর ডাক দেওয়া হয়। এ দিন দুপুর ২টো নাগাদ প্রায় ৪০০ জনের একটি জমায়েত দেখা যায় পার্ক সার্কাস সাত মাথার মোড়ে। ওই বিক্ষোভ ও অবরোধের জেরে ঘণ্টা খানেক রাস্তা বন্ধ ছিল। রবিবার হওয়া সত্ত্বেও ব্যস্ত ওই তল্লাটে স্বভাবতই যানজট হয়

    বাইরের লোকও মিশেছিল দাবি পুলিশের

    তিলজলায় বেআইনি নির্মাণ ভাঙতে বুলডোজার ব্যবহারের প্রতিবাদে পার্ক সার্কাস সেভেন পয়েন্টে উপস্থিত হন স্থানীয় বাসিন্দারা। পুলিশের বক্তব্য, স্থানীয় বাসিন্দাদের এই অবৈধ জমায়েতে বাইরের লোকও মিশে ছিল বলে পুলিশ জানিয়েছে। ইন্টেলিজেন্সের তথ্য পেয়ে আগে থেকেই প্রস্তুত ছিল পুলিশ। সেজন্য বড় ঘটনা এড়ানো গিয়েছে বলে জানালেন কলকাতা পুলিশের অতিরিক্ত সিপি অশেষ বিশ্বাস। তিনি বলেন, “অবৈধ জমায়েত হয়েছিল। রাস্তা অবরোধের চেষ্টা করছিল। পুলিশ হঠাতে গিয়েছিল। তখন পুলিশের উপর হামলা চালায়। পুলিশের তিনটি গাড়িতে ভাঙচুর চালায়।” ডেপুটি কমিশনার (সাউথ–ইস্ট ডিভিশন বা এসইডি) সৈকত ঘোষ জানান, এ দিনের ঘটনায় কলকাতা পুলিশের এক জন অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার, বেনিয়াপুকুর থানার ওসি এবং কয়েক জন পুলিশকর্মী, কেন্দ্রীয় বাহিনীর বাসচালক ও সাধারণ মানুষ— সব মিলিয়ে জনা দশেক আহত হয়েছেন।

    ইন্টেলিজেন্সের তথ্য ছিল, বড় কিছু হয়নি

    পুলিশের উপর হামলাকারীদের ছাড়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, “এর পিছনে কারা রয়েছে, আমরা খতিয়ে দেখছি। আমাদের কাছে তথ্য এসেছে, স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি বাইরে থেকেও লোক এসেছিল। আমরা সব খতিয়ে দেখছি। কয়েক জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আমরা কাউকে ছাড়ব না। কড়া পদক্ষেপ করা হবে। আমাদের ৩ পুলিশকর্মী আহত হয়েছেন। আমাদের কাছে ইন্টেলিজেন্সের তথ্য ছিল। আমরা তৈরি ছিলাম। সেজন্য বড় কিছু হয়নি।” বিক্ষোভকারীদের উপর লাঠিচার্জের অভিযোগ নিয়ে তিনি বলেন, “পুলিশের উপর হামলা হলে লাঠিচার্জ হবেই। জেন্ডার দেখা হবে না।” রাজ্যের শাসকদল বিজেপির অন্যতম মুখপাত্র দেবজিত সরকার বলেন, ‘সংবিধান স্বীকৃত আইনের কোনও বিরোধিতা করা যাবে না। সকলকে সংবিধান ও দেশের আইন মেনে চলতে হবে। না–মানলে পুলিশ পদক্ষেপ নেবে। রাজ্য সরকারের পুলিশ পদক্ষেপ করায় তাদের অভিনন্দন।’

  • Chandranath Rath Murder: ‘বিচার হবে’, চন্দ্রনাথের শ্রাদ্ধানুষ্ঠানে গিয়ে কান্নাভেজা চোখে কথা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু

    Chandranath Rath Murder: ‘বিচার হবে’, চন্দ্রনাথের শ্রাদ্ধানুষ্ঠানে গিয়ে কান্নাভেজা চোখে কথা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে প্রতিটি অন্যায়ের ‘বিচার হবে’। খুন হওয়া আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ রথের (Chandranath Rath Murder) বাড়িতে গিয়ে আশ্বাস দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সদ্য নির্বাচনের ফলাফল জানা গিয়েছে তখন। বিপুল ভোটে জয়লাভ করেছে বিজেপি। তখনও সিদ্ধান্ত হয়নি যে, শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) হবে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী। তার মধ্যেই ঘটে যায় ভয়াবহ ঘটানা। মধ্যমগ্রামের কাছে রাস্তার ওপর গাড়ি দাঁড় করিয়ে, নির্বিচারে গুলি চালিয়ে হত্যা করা হয়েছিল শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ রথকে। ভয়ঙ্কর সেই রাতের পর ১১ দিন অতিবাহিত। রবিবার, চন্দ্রনাথের শ্রাদ্ধানুষ্ঠানে তাঁর বাড়ি গিয়ে তাঁকে শ্রদ্ধা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী। জলে ভিজল তাঁর চোখও।

    মুখ্যমন্ত্রীর উপর আস্থা আছে

    রবিবার চন্দ্রনাথের শ্রাদ্ধানুষ্ঠানের আয়োজন হয়েছে তাঁর দেশের বাড়ি, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর জেলা পূর্ব মেদিনীপুরে। সন্ধ্যায় চণ্ডীপুর এলাকায় চন্দ্রনাথের বাড়িতে পৌঁছন শুভেন্দু। আপ্তসহায়কের ছবিতে মালা দিয়ে তিনি কথা বলেন চন্দ্রনাথের মা-সহ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে। মুখ্যমন্ত্রীর কাছে কান্নায় ভেঙে পড়েন পুত্রহারা হাসিরানি রথ। মুখ্যমন্ত্রী বেরিয়ে যাওয়ার পর চন্দ্রনাথের মা বলেন, ‘‘উনি যে আমার বাড়িতে এসেছেন, সেটা আমার পরম সৌভাগ্য। আমার ছেলেকে মনে রেখেছেন উনি। অনেকেই পদ পাওয়ার পর সব ভুলে যান। কিন্তু উনি এসে কান্নাকাটি করেছেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, তিনি আমাদের পাশে আছেন। দোষীদের কঠোরতম শাস্তি দেবেন উনি। মুখ্যমন্ত্রীর উপর আস্থা আছে। আশা রাখছি, ছেলের খুনের বিচার হবে।’’

    দোষীদের কঠোরতম শাস্তি দেবেন মুখ্যমন্ত্রী

    চন্দ্রনাথের খুনের তদন্তে রাজ্য পুলিশ সিট গঠন করে। সুদূর উত্তরপ্রদেশ থেকে দু’জন এবং বক্সার থেকে এক ‘শার্প শুটার’কে গ্রেফতার করে আনে তারা। কিন্তু মূল চক্রী কে, কার ষড়যন্ত্রে এই খুন, তা এখনও জানা যায়নি। আপাতত এই মামলার তদন্তভার সিবিআইয়ের হাতে। হাসি জানান, মুখ্যমন্ত্রী তাঁকে বলেছেন চন্দ্রনাথকে তিনি নিরাপত্তার মধ্যে থাকতে বলেছিলেন। কিন্তু সে কথায় আমল দেননি তাঁর পুত্র। মহিলার কথায়, ‘‘হয়তো ভবানীপুরের হার মেনে নিতে পারেনি মাননীয়া। সে জন্য আমার ছেলেকে খুন হতে হল। যাঁরা আমার ছেলেকে মেরেছে, তাদের কঠোর শাস্তি হোক। মুখ্যমন্ত্রীর উপর আমাদের আস্থা আছে। উনিও দোষীদের কঠোর শাস্তি চেয়েছেন। আমরা বিচার চেয়েছি। সিবিআইয়ের তদন্ত এগোলে সবটা জানতে পারব।’’

  • Govt Job Age Limit: কথামতো কাজ নতুন সরকারের! চাকরির পরীক্ষায় বৃদ্ধি পেল বয়সের ঊর্ধ্বসীমা, বিজ্ঞপ্তি জারি নবান্নের

    Govt Job Age Limit: কথামতো কাজ নতুন সরকারের! চাকরির পরীক্ষায় বৃদ্ধি পেল বয়সের ঊর্ধ্বসীমা, বিজ্ঞপ্তি জারি নবান্নের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল সরকারের নিয়োগ দুর্নীতির জেরে রাজ্যে দীর্ঘদিন বন্ধ সরকারি চাকরির পরীক্ষা। শিক্ষিত, মেধাবী, যোগ্য প্রার্থীদের বয়সও বেড়ে গিয়েছে। তাদের কথা মাথায় রেখেই রাজ্যে পালাবদলের পর বৃদ্ধি করা হল সরকারি চাকরিতে (Govt Job Age Limit) আবেদনের জন্য বয়সের ঊর্ধ্বসীমা। ঘোষণা আগেই করে দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এ বার সরকারি বিজ্ঞপ্তিও জারি হয়ে গেল নবান্ন থেকে। গ্রুপ এ, গ্রুপ বি, গ্রুপ সি এবং গ্রুপ ডি— প্রতিটি ক্ষেত্রেই চাকরির আবেদনের জন্য বয়সের ঊর্ধ্বসীমা বৃদ্ধি করা হয়েছে। ফলে যারা সরকারি চাকরির জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, তাঁদের মুখে হাসি ফুটল।

    বিজ্ঞপ্তিতে কী জানানো হল

    রাজ্যের অর্থ দফতরের অডিট শাখার জারি করা বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, গ্রুপ এ চাকরিতে আবেদনের জন্য বয়সের ঊর্ধ্বসীমা বৃদ্ধি করে ৪১ বছর করা হয়েছে। তবে এ-ও বলা হয়েছে, গ্রুপ এ-র কোনও চাকরির ক্ষেত্রে আবেদনের জন্য বয়সের ঊর্ধ্বসীমা আগে থেকেই ৪১ বছরের বেশি থাকলে, তাতে কোনও বদল হবে না। গ্রুপ বি চাকরিতে আবেদনের ক্ষেত্রে বয়সের ঊর্ধ্বসীমা বৃদ্ধি করে ৪৪ বছর করা হয়েছে। গ্রুপ সি এবং গ্রুপ ডি চাকরিতে আবেদনের জন্য বয়সের ঊর্ধ্বসীমা বৃদ্ধি পেয়ে হচ্ছে ৪৫ বছর। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, গত ১১ মে থেকেই এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হচ্ছে। ২০১৫ সালের পরে পশ্চিমবঙ্গে কোনও নিয়োগ হয়নি। এই পরিস্থিতিতে বহু শিক্ষিত যুবক-যুবতীর চাকরির আবেদনের জন্য বয়ঃসীমা পেরিয়ে গিয়েছে। সে কথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী।

    বিভিন্ন পদে কত বয়সের ঊর্ধ্বসীমা

    সরকারি নির্দেশিকা অনুযায়ী, গ্রুপ ‘এ’ পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ বয়সসীমা বাড়িয়ে ৪১ বছর করা হয়েছে। তবে কোনও নির্দিষ্ট পদ বা পরিষেবায় আগে থেকেই যদি ৪১ বছরের বেশি বয়সসীমা কার্যকর থাকে, তাহলে সেই উচ্চতর সীমা অপরিবর্তিত থাকবে। গ্রুপ ‘বি’ পদে নিয়োগের জন্য সর্বোচ্চ বয়সসীমা করা হয়েছে ৪৪ বছর। অন্যদিকে, গ্রুপ ‘সি’ এবং গ্রুপ ‘ডি’ পদে আবেদনের ঊর্ধ্বসীমা বাড়িয়ে ৪৫ বছর নির্ধারণ করেছে রাজ্য সরকার। নবান্ন সূত্রের খবর, দীর্ঘদিন নিয়মিত নিয়োগ না হওয়ার কারণে রাজ্যের বহু যোগ্য যুবক-যুবতী পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগই পাননি। তাঁদের বয়স বেড়ে গিয়েছে। সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে তাঁদের সামনে ফের একবার নতুন করে আশার আলো জেগে উঠল। রাজ্যে ক্ষমতায় এলে কর্মসংস্থানের বিষয়ে ইতিবাচক পদক্ষেপের বার্তা দিয়েছিল বিজেপি। কথা রাখলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি।

  • Ashwini Vaishnaw: রেলযাত্রীদের জন্য সুখবর! পশ্চিমবঙ্গের জন্য ৩টি নতুন রেল প্রকল্পের অনুমোদন কেন্দ্রের, চলবে জয়পুরগামী নতুন এক্সপ্রেস

    Ashwini Vaishnaw: রেলযাত্রীদের জন্য সুখবর! পশ্চিমবঙ্গের জন্য ৩টি নতুন রেল প্রকল্পের অনুমোদন কেন্দ্রের, চলবে জয়পুরগামী নতুন এক্সপ্রেস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেলযাত্রী (Indian Railway) এবং রাজ্যের রেল পরিকাঠামোর জন্য বড় সুখবর। পশ্চিমবঙ্গের জন্য তিনটি গুরুত্বপূর্ণ নতুন রেল প্রকল্প ও পরিষেবার অনুমোদন দিল কেন্দ্রীয় রেল মন্ত্রক। কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব (Ashwini Vaishnaw) এই অনুমোদন সংক্রান্ত বিষয়ে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে পৃথক চিঠি পাঠিয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন।

    রাজ্যে নতুন সরকার গঠনের পর পরিকাঠামো ক্ষেত্রে রেল মন্ত্রকের এই পদক্ষেপকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও সুদৃঢ় করতে এই প্রকল্পগুলি বড় ভূমিকা নেবে। নতুন অনুমোদিত ৩টি প্রধান রেল প্রকল্পগুলি হোল…

    ১. কলকাতা- জয়পুর নতুন এক্সপ্রেস ট্রেন (Ashwini Vaishnaw)

    কলকাতা ও রাজস্থানের মধ্যে যাতায়াতকারী যাত্রীদের সুবিধার্থে রেল মন্ত্রক একটি নতুন দূরপাল্লার এক্সপ্রেস ট্রেন চালুর অনুমোদন দিয়েছে। ১৮০৬১/১৮০৬২ সাঁতরাগাছি-খাতিপুরা এক্সপ্রেস খড়গপুর হয়ে কলকাতার সাঁতরাগাছি এবং জয়পুরের খাতিপুরা স্টেশনের (Indian Railway) মধ্যে চলাচল করবে। এই নতুন ট্রেনটি চালু হলে পর্যটন, ব্যবসা, শিক্ষা এবং পারিবারিক কারণে দুই রাজ্যের মধ্যে যাতায়াতকারী মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ হবে এবং বর্তমান ট্রেনগুলির ওপর চাপ কমবে।

    ২. নিউ জলপাইগুড়ি-শিলিগুড়ি লাইনের ডবলিং (দ্বৈতকরণ)

    উত্তরবঙ্গের অত্যন্ত ব্যস্ত এবং গুরুত্বপূর্ণ রেল করিডোর নিউ জলপাইগুড়ি (NJP) থেকে শিলিগুড়ির মধ্যে প্রায় ৭.১৫ কিলোমিটার রেল লাইনের ডবলিং বা দ্বৈতকরণের কাজ অনুমোদন পেয়েছে। উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলির সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে এই রুটটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই লাইনে ডবল ট্র্যাকিংয়ের কাজ সম্পন্ন হলে ট্রেনের (Indian Railway) গতি বাড়বে, যানজট ও বিলম্ব কমবে এবং রেলের পরিচালন ক্ষমতা অনেকটাই বৃদ্ধি পাবে।

    ৩. শালবনী-আদ্রা তৃতীয় লাইনের সমীক্ষা

    দক্ষিণবঙ্গের রেল যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে শালবনী থেকে আদ্রা পর্যন্ত ১০৭ কিলোমিটার দীর্ঘ প্রস্তাবিত তৃতীয় রেল লাইনের ‘ফাইনাল লোকেশন সার্ভে’ (FLS)-র অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এই সমীক্ষার পর একটি বিস্তারিত প্রকল্প প্রতিবেদন (DPR) তৈরি করা হবে। খনিজ ও শিল্পসমৃদ্ধ এই অঞ্চলে পণ্যবাহী ও যাত্রীবাহী ট্রেনের মসৃণ চলাচলের জন্য এই তৃতীয় লাইনটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে।

    ১৪,২০৫ কোটি টাকা বরাদ্দ

    রেলমন্ত্রী (Ashwini Vaishnaw) জানিয়েছেন ২০২৬-২৭ সালের কেন্দ্রীয় বাজেটে পশ্চিমবঙ্গের রেল পরিকাঠামো (Indian Railway) উন্নয়নের জন্য রেকর্ড ১৪,২০৫ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। তার পাশাপাশি চলতি মাসেই রাজ্যে রেলের ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য আরও ৮৯৫.৩০ কোটি টাকার একাধিক পরিকাঠামো প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছিল ভারতীয় রেল।

    রেল মন্ত্রকের আধিকারিকদের মতে, এই নতুন প্রকল্পগুলি বাস্তবায়িত হলে পশ্চিমবঙ্গের ব্যস্ততম রেল রুটগুলির জট কেটে যাবে, যাত্রীদের ভ্রমণের সময় কমবে এবং সার্বিকভাবে রাজ্যের অর্থনৈতিক ও যোগাযোগ ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন ঘটবে।

  • Demolition: হাওড়া স্টেশন চত্বরে উচ্ছেদ অভিযান, বেআইনি নির্মাণের বিরুদ্ধে ‘বুলডোজার’ দাওয়াইয়ের হুঁশিয়ারি মন্ত্রীর

    Demolition: হাওড়া স্টেশন চত্বরে উচ্ছেদ অভিযান, বেআইনি নির্মাণের বিরুদ্ধে ‘বুলডোজার’ দাওয়াইয়ের হুঁশিয়ারি মন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার সন্ধ্যায় বিশাল পুলিশবাহিনীর উপস্থিতিতে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পুর কর্তৃপক্ষ হাওড়া রেলওয়ে স্টেশন (Howrah Railway Station) সংলগ্ন এলাকায় চালায় উচ্ছেদ অভিযান। এলাকার বেশ কিছু অবৈধ দখল ও বেআইনি নির্মাণ গুঁড়িয়ে দিতে এই অভিযান চালানো হয়। অভিযান চলাকালীন কোনওরকম অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে এবং আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে গোটা এলাকা মুড়ে ফেলা হয়েছিল কড়া নিরাপত্তায়। পুরসভার আধিকারিকরা বুলডোজার (Demolition) ও ভারী যন্ত্রপাতি নিয়ে এসে বেআইনি হিসেবে চিহ্নিত কাঠামো ভেঙে দেন।

    আইনের গন্ডির মধ্যে থেকে কাজ করুন (Demolition)

    হাওড়ার এই ঘটনার  প্রেক্ষিতে রবিবার সকালে রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ স্পষ্ট জানিয়ে দেন, রাজ্যজুড়ে সব ধরণের বেআইনি নির্মাণ ও অবৈধ দখলের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। খড়গপুরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, “দেশজুড়েই এবার বুলডোজার চলবে। যেখানেই বেআইনি নির্মাণ দেখা যাবে, সেখানেই বুলডোজার নামানো হবে। বাংলায় ক্ষমতায় আসা নতুন সরকার প্রথম দিন থেকেই এই প্রক্রিয়া শুরু করে দিয়েছে। যারা এই ধরণের বেআইনি কাজের সঙ্গে যুক্ত, তাদের কাছে আমার অনুরোধ—আইনের গন্ডির মধ্যে থেকে কাজ করুন। সরকার আপনাদের সব রকম সহযোগিতা করবে। তবে সরকারি জমি দখল করা কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না।” উল্লেখ্য, সম্প্রতি কলকাতার তিলজলা এলাকায় একটি ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে দু’জনের মৃত্যু হয়। ওই ঘটনার পর এলাকার একাধিক বেআইনি নির্মাণ নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। তার পরেই সেখানে চালানো হয়েছিল উচ্ছেদ অভিযান। তার রেশ ধরেই হাওড়ায় (Howrah Railway Station) চালানো হল এই অভিযান। ইতিমধ্যেই শিয়ালদা স্টেশন চত্বরও হকার মুক্ত করা হয়েছে।

    ‘আমরা তাড়াহুড়ো করছি না’

    রাজ্যের আর এক মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল উচ্ছেদ অভিযানের সাফাই গেয়ে জানান, প্রশাসন সমস্ত আইনি প্রক্রিয়া মেনেই অবৈধ নির্মাণের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে। তিনি বলেন, “যদি কোনও বেআইনি নির্মাণ থাকে, তবে আমরা প্রথমে নোটিশ পাঠাব এবং প্রয়োজনীয় নথিপত্র দেখতে চাইব। বৈধ কোনও কাগজ না থাকলে আমরা নির্মাণের অনুমতি দেব না। তবে আমরা কোনও তাড়াহুড়ো করছি না, বাসিন্দাদের নথিপত্র দেখানোর জন্য নির্দিষ্ট সময় দেওয়া হবে।”

    আগের সরকার ব্যর্থ ছিল

    হাওড়ার (Howrah Railway Station) এই উচ্ছেদ অভিযান সমর্থন করেন বিজেপি নেতা রুদ্রনীল ঘোষও। তাঁর অভিযোগ, পূর্বতন তৃণমূল কংগ্রেস সরকার এই বিপুল পরিমাণ বেআইনি নির্মাণের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়েছিল। তবে তিলজলা-সহ বিভিন্ন এলাকায় এই অভিযানের জেরে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া সাধারণ বাসিন্দারা প্রশাসনের এই আকস্মিক সক্রিয়তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁদের দাবি, উচ্ছেদ বা ভাঙচুর শুরু করার আগে বাড়িঘর থেকে নিজেদের জরুরি নথিপত্র ও আসবাবপত্র বের করে নেওয়ার জন্য প্রশাসন যেন তাঁদের আরও কিছুটা সময় দেয়।

  • Asansol Violence: নমাজ আদায় নিয়ে গুজব ছড়িয়ে অশান্তির চেষ্টা আসানসোলে, রুখল পুলিশ

    Asansol Violence: নমাজ আদায় নিয়ে গুজব ছড়িয়ে অশান্তির চেষ্টা আসানসোলে, রুখল পুলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মন্দির-মসজিদে প্রার্থনার সময় লাউডস্পিকারের আওয়াজ নিয়ে বিবাদের জেরে উত্তপ্ত আসানসোলের একাংশ (Asansol Violence)। হিংসা ছড়াল এলাকার কিছু পকেটে। কাসাই মহল্লা (Kasai Mohalla) এলাকায় পুলিশ ফাঁড়িতে হামলা চালায় উত্তেজিত জনতা। এলোপাথাড়ি ইট-পাটকেল ছোড়া, ভাঙচুর এবং পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটে।

    গুজবের জেরে অশান্তি (Asansol Violence)

    সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, পুলিশ এলাকার ধর্মীয় স্থানগুলিতে গিয়ে লাউডস্পিকারের আওয়াজ নিয়ন্ত্রণে রাখার অনুরোধ জানায়। এরপরই গুজব ছড়িয়ে পড়ে যে পুলিশ শুক্রবার সন্ধের নমাজ আদায় বন্ধ করার চেষ্টা করছে। এর পরেই এলাকায় ছড়ায় উত্তেজনা। দ্রুত অবনতি হয় পরিস্থিতির। কাসাই বা জাহাঙ্গীরি মহল্লা পুলিশ ফাঁড়ির কাছে জড়ো হওয়া একদল মানুষ পুলিশকে লক্ষ্য করে পাথর ছুড়তে শুরু করে। ভাঙচুর চালানো হয় পুলিশ ফাঁড়িতে। ক্ষতিগ্রস্ত হয় আশপাশে দাঁড়িয়ে থাকা একাধিক গাড়িও। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, হামলাকারীরা এলাকায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছিল। তাই হস্তক্ষেপ করতে বাধ্য হয় নিরাপত্তা বাহিনী। পরে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী লাঠিচার্জ করে জনতাকে ছত্রভঙ্গ করে দেয়। তার আগে ছোড়া হয় কাঁদানে গ্যাসের শেল। এর পরেই নিয়ন্ত্রণে আনে পরিস্থিতি।

    হিংসার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে আটক

    হিংসার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। নতুন করে অশান্তি এড়াতে এলাকায় জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তাও। আসানসোল উত্তরের বিধায়ক কৃষ্ণেন্দু মুখোপাধ্যায় জানান, পুলিশ স্থানীয় মসজিদে গিয়েছিল শুধুমাত্র এই অনুরোধ জানাতে যে নমাজের সময় লাউডস্পিকারের আওয়াজ যেন মসজিদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে। তাঁর দাবি, মসজিদ কমিটি ও পুলিশের মধ্যে শান্তিপূর্ণভাবে আলোচনা চলছিল। সেই সময় হঠাৎই গুজব ছড়িয়ে পড়ে যে পুলিশ নমাজ আদায় বন্ধ করার চেষ্টা করছে (Asansol Violence)। এরপরই উত্তেজিত জনতা হিংসাত্মক হয়ে ওঠে, হামলা চালায় পুলিশ ফাঁড়িতে।

    মন্দির-মসজিদে লাউডস্পিকারের শব্দ নিয়ন্ত্রণে পথে পুলিশ

    জানা গিয়েছে, প্রশাসনের নির্দেশ মেনে রেলপার এলাকায় মন্দির ও মসজিদ—উভয় ক্ষেত্রেই লাউডস্পিকারের শব্দ নিয়ন্ত্রণের কাজ করছিল পুলিশ। হিংসার ঘটনা ছড়িয়ে পড়ার পর অতিরিক্ত পুলিশ বাহিনী ও কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে, যদিও এলাকার কিছু অংশে এখনও উত্তেজনা রয়েছে। পুলিশের ডেপুটি কমিশনার ভিজি সতীশ পশুমার্থী জানান, সিসিটিভি ফুটেজ দেখে হামলায় জড়িতদের চিহ্নিত করা হচ্ছে। তিনি বলেন, “এখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে। সব কিছু পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, কোনও সমস্যা নেই। আমরা সমস্ত সিসিটিভি (Kasai Mohalla) ফুটেজ খতিয়ে দেখছি। যারা এই ঘটনায় জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে (Asansol Violence)।”

     

  • TMC Rule: তৃণমূল রাজত্বে ইস্যু হওয়া সব কাস্ট সার্টিফিকেট ফের যাচাই করার নির্দেশ রাজ্যের

    TMC Rule: তৃণমূল রাজত্বে ইস্যু হওয়া সব কাস্ট সার্টিফিকেট ফের যাচাই করার নির্দেশ রাজ্যের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০১১ সাল থেকে রাজ্যে ইস্যু হওয়া সমস্ত কাস্ট সার্টিফিকেট ফের যাচাই করার নির্দেশ দিয়েছে রাজ্যে পালাবদলের সরকার। ওই শংসাপত্রগুলির সত্যতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ। শুভেন্দু অধিকারী সরকারের নির্দেশ অনুযায়ী জেলাশাসকদের ১.৬৯ কোটি তফশিলি জাতি (SC), তফশিলি উপজাতি (ST) এবং অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণির (OBC) শংসাপত্র (Caste Certificates) আবার যাচাই করতে হবে। গত কয়েক বছরে তৃণমূল কংগ্রেসের রাজত্বে (TMC Rule) ইস্যু হওয়া বহু কাস্ট সার্টিফিকেট নিয়ে অভিযোগ ওঠার পরেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণ দফতরের নির্দেশিকা (TMC Rule)

    ১৪ মে অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণ দফতরের সচিবের জারি করা এক নির্দেশে বলা হয়েছে, “আপনারা অবগত আছেন যে ২০১১ সাল থেকে প্রায় ১.৬৯ কোটি কাস্ট সার্টিফিকেট ইস্যু হয়েছে। বর্তমানে লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, ২০১১ সালের পর ইস্যু হওয়া কিছু শংসাপত্রের সত্যতা ও বৈধতা বিভিন্ন মহলে প্রশ্নের মুখে পড়েছে।” নির্দেশে আরও বলা হয়েছে, “অতএব, মহকুমা শাসকদের (যাঁরা সার্টিফিকেট দেন) ২০১১ সাল থেকে ইস্যু হওয়া সমস্ত কাস্ট সার্টিফিকেট পুনরায় যাচাই করার পরামর্শ দেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।” যেসব ব্যক্তির নাম বিশেষ সংশোধিত তালিকা (SIR) প্রক্রিয়ার সময় ভোটার তালিকা থেকে বাদ গিয়েছে, তাঁদের দেওয়া শংসাপত্রও খতিয়ে দেখা হবে এবং প্রয়োজনে বাতিল করা হতে পারে।

    ‘দুয়ারে সরকার’

    উল্লেখ্য, ১.৬৯ কোটির মধ্যে প্রায় ৪৭.৮০ লাখ শংসাপত্র ‘দুয়ারে সরকার’ ক্যাম্পের মাধ্যমে পাওয়া আবেদনের ভিত্তিতে ইস্যু করা হয়েছিল। চিঠি অনুযায়ী, এই পর্বে কিছু দ্বিতীয় প্রজন্মের কাস্ট সার্টিফিকেটও ইস্যু হয়ে থাকতে পারে। মোট শংসাপত্রের মধ্যে প্রায় ১ কোটি তফশিলি জাতির জন্য, ২১ লাখ তফশিলি উপজাতির জন্য এবং ৪৮ লাখ অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণির জন্য ইস্যু করা হয়েছিল। প্রসঙ্গত (TMC Rule), ‘দুয়ারে সরকার’ ছিল তৃণমূল পরিচালিত রাজ্য সরকারের একটি জনসংযোগমূলক কর্মসূচি। এটি চালু হয়েছিল ১ ডিসেম্বর, ২০২০। এই কর্মসূচি নেওয়া হয়েছিল গ্রাম পঞ্চায়েত, পুরসভা এবং ওয়ার্ড স্তরে বিশেষ শিবিরের আয়োজন করে সরকারি প্রকল্প, কাস্ট সার্টিফিকেট এবং অন্যান্য জনসেবামূলক সুবিধা সরাসরি নাগরিকদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে।

    পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সচিব আরও জানান, ফের যাচাই করার সময় যদি দেখা যায় যে কোনও শংসাপত্র বেআইনিভাবে ইস্যু (Caste Certificates) করা হয়েছে, তাহলে পশ্চিমবঙ্গ তফশিলি জাতি ও তফশিলি উপজাতি (শনাক্তকরণ) আইন, ১৯৯৪-এর ধারা ৯ ও ১০ এবং ১৯৯৫ সালের সংশ্লিষ্ট বিধির ৩ থেকে ৭ নম্বর নিয়ম অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে (TMC Rule)।

     

  • New Namaz Guidelines: শহরের মসজিদগুলিতে নমাজ আদায়ের নয়া গাইডলাইন কার্যকর করার নির্দেশ

    New Namaz Guidelines: শহরের মসজিদগুলিতে নমাজ আদায়ের নয়া গাইডলাইন কার্যকর করার নির্দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার শহরে মোটের ওপর শান্তিপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যেই দেখা গেল পরিবর্তনের ছবি। শহরের বিভিন্ন মসজিদে (Mosques) মুসল্লিরা রাস্তার ওপর নন, মসজিদ চত্বরের মধ্যেই নমাজ আদায় করেন (New Namaz Guidelines)। নয়া সরকারের ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ ও জনশৃঙ্খলার ওপর জোর দেওয়ার নীতির সঙ্গে সঙ্গতি রেখে পুলিশ মৌখিক নির্দেশ দিয়েছিল। বিভিন্ন এলাকায় সমাজের প্রবীণ ব্যক্তি, মসজিদ কমিটি এবং পুলিশ একসঙ্গে সমন্বয় করে যাতে কোনও বিঘ্ন ছাড়াই নমাজ আদায়-পর্ব সম্পন্ন হয়, তা নিশ্চিত করেন। অনেক মসজিদে ইমামরা খুতবার সময় মুসল্লিদের রাস্তার ওপর নমাজ না পড়ার অনুরোধ জানান।

    মৌখিক নির্দেশেই হয়েছে কাজ (New Namaz Guidelines)

    রাজ্যের নয়া সরকার সম্প্রতি উচ্চপদস্থ পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকে আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত অগ্রাধিকারের কথা জানিয়েছিল। সদ্য নির্বাচিত বিজেপি সরকার সোমবার পুলিশকে নির্দেশ দেয় যে ধর্মীয় স্থানের বাইরে লাউডস্পিকারের শব্দ যেন না যায় এবং বিশেষ অনুষ্ঠান ছাড়া প্রার্থনার জমায়েত যেন রাস্তা অবরুদ্ধ করে সাধারণ মানুষের অসুবিধা সৃষ্টি না করে। যদিও এ বিষয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক সরকারি বিজ্ঞপ্তি জারি হয়নি। তবে মসজিদ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় স্থানীয় থানাগুলি থেকে মৌখিক নির্দেশ পৌঁছে দেওয়া হয়। শুক্রবার বড় বড় মসজিদের সামনে পুলিশ মোতায়েন ছিল, যাতে জনসমাগম নিয়ন্ত্রণ ও স্থানীয় আয়োজকদের সঙ্গে সমন্বয় রক্ষা করা যায়।

    নমাজ শুধুমাত্র মসজিদের ভেতরেই হবে

    রবীন্দ্র সরণির কাছে নাখোদা মসজিদে শুক্রবার সকাল থেকেই পুলিশ ঘোষণা করে, নমাজ শুধুমাত্র মসজিদের ভেতরেই হবে। নমাজের সময় ঘনিয়ে আসতেই বহু মুসল্লি মসজিদে প্রবেশের জন্য সারিবদ্ধভাবে দাঁড়ান। অনেককে ভেতরে জায়গা দেওয়া হলেও, কিছু মানুষ জায়গা না পেয়ে পাশের ফুটপাথে নমাজ পড়ার অনুমতি চান (New Namaz Guidelines)। প্রথমে পুলিশ সেই অনুমতি দেয়নি, তবে জায়গার অভাবের কারণে পরে সীমিত সংখ্যক মুসল্লিকে ফুটপাথে নমাজ পড়তে দেওয়া হয়। ঘটনাস্থলে থাকা পুলিশ আধিকারিকরা জানান, এই ব্যবস্থা সাময়িক। এক পুলিশ অফিসার বলেন, “আগামী সপ্তাহ থেকে সবাইকে মসজিদের ভেতরেই নমাজ পড়তে হবে (Mosques)।”

    নাখোদা মসজিদের ট্রাস্টির বক্তব্য

    নাখোদা মসজিদের ট্রাস্টিরা জানান, আগামী শুক্রবার থেকে বেশি সংখ্যক মানুষের জন্য বিকল্প ব্যবস্থার কথা ভাবা হচ্ছে। মসজিদের ট্রাস্টি নাসের ইব্রাহিম বলেন, “আমরা দুই দফায় নমাজ আদায়ের ব্যবস্থা করার কথা ভাবছি।” নমাজ শুরু হওয়ার আগে ইমাম শফিক কাসমি মুসল্লিদের মসজিদের ভেতরে নমাজ পড়ার আহ্বান জানান। কলকাতার রয়েড স্ট্রিট, বেনিয়াপুকুর, খিদিরপুর, মোমিনপুর, তপসিয়া এবং পার্ক সার্কাস-সহ বিভিন্ন এলাকায়ও একই ধরনের দৃশ্য দেখা গিয়েছে। সর্বত্রই অধিকাংশ মুসল্লি মসজিদের ভেতরেই নমাজ আদায় করেছেন।কিছু জায়গায় যাঁরা ভেতরে জায়গা পাননি, তাঁরা মসজিদ লাগোয়া ফুটপাথে নমাজ আদায় করেন। যদিও মূল রাস্তা খোলা রাখা হয়েছিল যান চলাচলের জন্য।

    কী বললেন রয়েড স্ট্রিট মসজিদের ইমাম

    রয়েড স্ট্রিট মসজিদের ইমাম মওলানা শাব্বির মিসবাহি বলেন, “স্থানীয় থানা থেকে আমাদের বলা হয়েছিল, বাইরে নমাজ আদায় করায় নিরুৎসাহিত করতে হবে (New Namaz Guidelines)।” স্থানীয় বাসিন্দা ও মসজিদ কমিটির সদস্যরা জানান, অনেক মুসল্লি স্থানীয় মসজিদে জায়গা না পেয়ে স্বেচ্ছায় কাছাকাছি অন্য মসজিদে চলে গিয়েছিলেন। রাজাবাজার এলাকায় একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনায় কিছু মানুষের সঙ্গে পুলিশের বাগ্‌বিতণ্ডা হয়েছিল। পুলিশ জানিয়েছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ছিল। স্থানীয় প্রবীণ ব্যক্তি ও মসজিদ কমিটির সহায়তায় দ্রুত সমস্যা মিটিয়ে ফেলা হয়। পরে মুসল্লিদের পাশের মসজিদগুলিতে নমাজ আদায়ের ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়। জুম্মার নমাজের সময় কলকাতার অধিকাংশ এলাকায় যান চলাচল স্বাভাবিক ছিল (Mosques)।

     

  • BJP Bengal: “বেসামাল আচরণ করলে, রেয়াত করা হবে না”, বিজেপি কর্মীদের বার্তা শমীকের

    BJP Bengal: “বেসামাল আচরণ করলে, রেয়াত করা হবে না”, বিজেপি কর্মীদের বার্তা শমীকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এই প্রথম বাংলার মসনদে এসেছে বিজেপি (BJP Bengal)। রাজ্যের শাসক দল তৃণমূলকে কার্যত পর্যুদস্ত করে পশ্চিমবঙ্গে সরকার গড়েছে পদ্ম-পার্টি (Indiscipline)। এমতাবস্থায় গেরুয়া দলের গায়ে যাতে কলঙ্কের কালি না লাগে, সেই ব্যবস্থাই করলেন বিজেপির শীর্ষ নেতারা। তাঁরা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, বিজেপির কোনও নেতা-কর্মী বেসামাল আচরণ করলে, রেয়াত করা হবে না। প্রত্যেকের গতিবিধির ওপর নজর রাখবে শৃঙ্খলারক্ষা কমিটি। দল-বিরোধী আচরণ করলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নেমে আসতে পারে বহিষ্কারের মতো শাস্তির খাঁড়াও। শুক্রবার নিউ টাউনের একটি হোটেলে দলীয় বৈঠকে বসেছিল বিজেপি। সেখানে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে, বেসামাল কোনও আচরণ করলে রেয়াত করা হবে না সদ্য বিজয়ী বিধায়কদেরও।

    শমীকের সাফ কথা (BJP Bengal)

    জানা গিয়েছে, এদিনের বৈঠকে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য সাফ জানিয়ে দেন, কোনও সিন্ডিকেট, তোলাবাজি চলবে না (Indiscipline)। টোটো-অটোর দখলদারিও বরদাস্ত করা হবে না। বিরোধী দলের কার্যালয়ও দখল করা যাবে না (BJP Bengal)।  বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বাংলার দায়িত্বপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক সুনীল বনশল, রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) অমিতাভ চক্রবর্তী, জেলা সভাপতি এবং জেলা ইনচার্জরাও। দলে যাতে ‘বেনো জল’ ঢুকে না পড়ে, সেজন্যও এদিন সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে বিজেপি নেতাদের। শমীক বলেন, “এই মুহূর্তে তৃণমূলের অনেকেই বিজেপিতে যোগদানের চেষ্টা করছেন। তবে আপাতত অন্য দল থেকে কাউকে নেওয়া যাবে না। এমন অভিযোগ পেলেই প্রয়োজনে বহিষ্কার পর্যন্ত করা হবে। শুধু নেতা-কর্মীরাই নন, বিধায়করাও এই নির্দেশিকার ঊর্ধ্বে নন। তাঁদেরও রেয়াত করা হবে না।”

    জনসংযোগ বৃদ্ধিতে জোর

    বিধায়কদের জনসংযোগ বৃদ্ধিতেও জোর দেন শমীক। বলেন, “বিধায়কদের গ্রামে গ্রামে যেতে হবে। স্থানীয়দের ধন্যবাদজ্ঞাপন করতে হবে।” এদিনের বৈঠকে জেলা সভাপতিদের কোর কমিটির নির্দেশমতো চলার কথাও বলেন বনশন। বাংলার দায়িত্বপ্রাপ্ত এই কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক বলেন, “একা কোনও সিদ্ধান্ত নেবেন না। উন্নয়নের সিদ্ধান্তও নয়। ১৫ জনের কোর কমিটি গঠন হবে (Indiscipline)। ওই কমিটির সঙ্গে একজোট হয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।” আগামী সপ্তাহের মধ্যে কোর কমিটি গড়ার নির্দেশও জেলাগুলিকে দিয়েছেন বিজেপির রাজ্য নেতৃত্ব (BJP Bengal)।

     

  • Suvendu Adhikari: জেল-তল্লাশিতে মিলল প্রচুর ফোন, সাসপেন্ড জেল-সুপার-সহ ২, কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী?

    Suvendu Adhikari: জেল-তল্লাশিতে মিলল প্রচুর ফোন, সাসপেন্ড জেল-সুপার-সহ ২, কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল জমানায় প্রশাসনের রন্ধ্রে রন্ধ্রে বাসা বেঁধে ছিল ঘুঘু। সেই ঘুঘুর বাসা ভাঙতে কোমর কষে ময়াদানে নেমে পড়েছেন রাজ্যের নয়া মুখ্যমন্ত্রী বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। জেলে বসেই ফোনের (Prison Phone) সাহায্যে দিব্যি সাম্রাজ্য চালিয়ে যাচ্ছিল সন্দেশখালির শাহজাহান-সহ অনেক দাগি। গারদের আড়ালে থাকা এই চক্র ভাঙতেই সাসপেন্ড করা হয়েছে প্রেসিডেন্সি জেলের সুপার-চিফ কন্ট্রোলার-সহ ২ জনকে। ওই জেল থেকে উদ্ধার হয়েছে প্রচুর মোবাইল ফোন। ওই সব ফোনের সিমকার্ড কাদের নামে, তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে সিআইডি। মুখ্যমন্ত্রী সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, জেলবন্দিদের সঙ্গে যাঁরা ফোনে কথা বলেছেন, তাঁরাও অভিযুক্ত।

    কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী? (Suvendu Adhikari)

    শুভেন্দু বলেন, “প্রেসিডেন্সি জেলে মোবাইল ফোন ব্যবহারের অভিযোগ পেয়েছি। পুলিশ তদন্ত করে প্রচুর মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করেছে। অপরাধীরা জেলের মধ্যেও অপরাধচক্র চালিয়ে যাচ্ছিল। বছরের পর বছর এই কাজ চালিয়ে যাচ্ছিল তারা। দমদম জেল-সহ বিভিন্ন জেলে এই অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে। আগের সরকারের অপদার্থতায় এই ঘটনা ঘটেছে।”  তিনি বলেন, “সন্দেশখালির কুখ্যাত শাহজাহান-সহ অনেকে জেলে বসেই নেটওয়ার্ক চালাচ্ছে (Suvendu Adhikari)। জেলে বসে অপরাধচক্র চালানোর ঘটনায় সাসপেন্ড করা হয়েছে ২ জনকে। প্রেসিডেন্সি জেলের সুপার ও চিফ কন্ট্রোলারকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। বাজেয়াপ্ত মোবাইলের সিমকার্ড কাদের নামে, তা জানতে তদন্তভার দেওয়া হয়েছে সিআইডিকে (Prison Phone)। জেলবন্দিদের সঙ্গে যাঁরা ফোনে কথা বলেছেন, তাঁরাও অভিযুক্ত। সবার বিরুদ্ধেই আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

    জেলে বসেই চালাচ্ছিল অপরাধের নেটওয়ার্ক!

    রাজ্যের নয়া মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “যাঁরা আগের সরকারে ছিলেন, তাঁদের সাপোর্টও থাকতে পারে, আবার গাফিলতিও থাকতে পারে। শাসকদলের একাংশের সহযোগিতায় গোটা রাজ্যের অপরাধীরা জেলের মধ্যেও তাদের অপরাধের নেটওয়ার্ক চালিয়ে যাচ্ছে। আমি স্বরাষ্ট্রসচিবকে বলব কেসটা সিআইডিকে হস্তান্তর করতে। সিমগুলো কাদের নামে আছে, কী করে ঢুকল, এটার রুটটাকে বের করতে হবে, তাহলে এটা বন্ধ হবে।” তিনি বলেন, “এর মধ্যে তৎকালীন সরকারের রাজনৈতিক চাপ কাজ করতে পারে, থাকতে পারেন কোনও প্রভাবশালী ব্যক্তিও।” প্রসঙ্গত, গত বছর বরানগরের একটি সোনার দোকানে ডাকাতি ও খুনের ঘটনার তদন্তে নেমে তদন্তকারীরা জানতে পারেন, প্রেসিডেন্সি জেলে বসেই সোনার দোকানে হামলার ছক কষা হয়েছিল। বিষয়টি জানতে পেরে জেলে ঘুঘুর বাসা ভাঙতে উদ্যোগী হন মুখ্যমন্ত্রী।

    জেল থেকে উদ্ধার মোবাইল ফোন

    শুক্রবার বিকেলে প্রেসিডেন্সি জেলে তল্লাশি চালান আধিকারিকরা। লিড ধরে বন্দিদের সেলে ঢুকে চালানো হয় খানাতল্লাশি। তার পরেই এক এক করে প্রকাশ্যে আসে (Suvendu Adhikari) কী ভীষণ অপরাধ চক্রের কারবার চালানো হচ্ছিল স্রেফ জেলে বসেই। এসবই হচ্ছিল মোবাইলের মাধ্যমে। জেলের ডাস্টবিন, ইটের খাঁজে থাকা সামান্য ফাটল, বাথরুমের ঘুলঘুলি, ভেন্টিলেটরের কোণ মায় একজস্ট ফ্যানের ব্লেডের পেছনেও লুকিয়ে রাখা হয়েছিল ফোন। এদিনের তল্লাশিতে সব মিলিয়ে মোট ২৩টি ফোন বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে ২২টিই অত্যন্ত ছোট আকারের ‘মাইক্রো ফোন’ এবং একটি অত্যাধুনিক ‘অ্যান্ড্রয়েড’ ফোন। জানা গিয়েছে, ফোনগুলি কোনও বন্দির কাছে থাকত না, লুকোনো থাকত ‘কমন স্পেসে’। সহজে যাতে কারও নজরে না পড়ে (Prison Phone), তাই এই ব্যবস্থা। এই অপরাধচক্রের শেকড় কতদূর বিস্তৃত, তার নাগাল পেতে তদন্তে নেমেছে সিআইডি। ‘ভয়েস স্যাম্পলিং’ পরীক্ষার মাধ্যমে তদন্তকারীরা নিশ্চিত হবেন, ফোনগুলির সাহায্যে ঠিক কারা এবং কতবার বাইরে যোগাযোগ করেছে (Suvendu Adhikari)।

     

LinkedIn
Share