Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Ration Scam: রেশন দুর্নীতিতে ১০ হাজার কোটি টাকার কেলেঙ্কারি! আদালতে নয়া তথ্য ফাঁস ইডির

    Ration Scam: রেশন দুর্নীতিতে ১০ হাজার কোটি টাকার কেলেঙ্কারি! আদালতে নয়া তথ্য ফাঁস ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে (Ration Scam) আবারও চাঞ্চল্যকর দাবি ইডির৷ রেশন দুর্নীতি মামলায় রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক ওরফে বালু বর্তমানে জেলে। এই আবহে এবার আদালতে রেশন-মামলায় ১০ হাজার কোটির দুর্নীতির কথা জানাল ইডি। এর মধ্যে ১ হাজার কোটির মালিকানাও জেনে গিয়েছে তাঁরা। তবে রেশন দুর্নীতির বাকি ৯ হাজার কোটি টাকার উৎস কী এবার সেদিকেই নজর কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার।   

    ইডির দাবি (ED) 

    কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দাবি, বাকি এই ৯ হাজার কোটির দুর্নীতি (Ration Scam) করেছে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় ছড়িয়ে থাকা আরও একাধিক রাইস ও আটা মিল এবং এই সমস্ত রাইস মিল ও আটা মিলগুলির মালিকদের বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব। তবে এই সকল প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বের নাম পরিচয় এখনও পর্যন্ত প্রকাশ্যে আনেননি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার গোয়েন্দারা। জানা গিয়েছে, চলতি সপ্তাহের মধ্যেই এই সকল প্রভাবশালী আটা এবং রাইস মিলের মালিকদের সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করবে ইডি৷ মূলত তদন্তকারী আধিকারিকরা জিজ্ঞাসাবাদ করে জানার চেষ্টা করবেন যে, ওই সকল রাইস মিল এবং আটা মিলের মালিকরা তাঁদের টাকা কোথায় পাঠাতেন? কার কার কাছে যেত সেই টাকা৷  

    আরও পড়ুন: ১৫ মিনিটের বেশি দেরি হলেই অর্ধদিবস ছুটি কাটা! সরকারি কর্মীদের জন্য কড়া নিয়ম কেন্দ্রের

    শুক্রবার বিশেষ ইডি আদালতে রেশন মামলায় (Ration Scam) ধৃত বাকিবুর রহমান, তৃণমূল নেতা শঙ্কর আঢ্যদের জামিনের আবেদনের শুনানি ছিল। সেখানেই ১০ হাজার কোটির দুর্নীতির কথা ফাঁস করে ইডি (ED)। প্রসঙ্গত, এর আগে এই বাকিবুরকে জেরার সময়ই উঠে এসেছিল বালুর নাম। এরপর তাঁর গ্রেফতারি হয়। তবে এবার ইডির এই তদন্তে আবারও নতুন কোনও মোড়ের দেখা মিলবে কি না, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই জোর চর্চা শুরু হয়ে গিয়েছে। 
     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sealdah Station: শিয়ালদায় আরও তিনটি প্ল্যাটফর্ম থেকে চলল ১২ কামরার ট্রেন, উঠতে পারবেন হাজারেরও বেশি যাত্রী

    Sealdah Station: শিয়ালদায় আরও তিনটি প্ল্যাটফর্ম থেকে চলল ১২ কামরার ট্রেন, উঠতে পারবেন হাজারেরও বেশি যাত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিয়ালদা স্টেশনের (Sealdah Station) ১, ২ এবং ৫ নম্বর প্ল্যাটফর্ম থেকে ১২ কামরার লোকাল ট্রেন ছাড়া শুরু হয়েছে। আজ শনিবার থেকেই তিনটি প্ল্যাটফর্ম সচল হয়ে গিয়েছে। মাত্র আর কয়েক দিনের মধ্যে ৩ এবং ৪ নম্বর প্ল্যাটফর্ম সম্প্রসারণের কাজ শেষ হয়ে যাবে। বাকি দুটি প্ল্যাটফর্ম থেকেও ১২ কোচের লোকাল চালাচল শুরু হবে। যাত্রীদের দুর্ভোগ কমবে বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে।

    রেলের ঘোষণা (Sealdah Station)

    পূর্ব রেলের পক্ষ থেকে ঘোষণা করা হয়েছে, রেল সবসময় পরিষেবা উন্নত করার প্রচেষ্টা করে থাকে। শিয়ালদা (Sealdah Station) অত্যন্ত ব্যস্ত রেল স্টেশন তাই নবতম সংযোজন স্টেশনের জন্য অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ইন্টারলকিং কেবিনের প্রতিস্থাপন। ১ থেকে ৫ নম্বর প্ল্যাটফর্মের সম্প্রসারণ হয়েছে। এই শিয়ালদার তিনটি শাখার মধ্যে দক্ষিণ শাখার সমস্ত ইএমইইউ ট্রেনকে ১২ কামরার করা হয়েছে। কিন্তু উত্তর এবং মেইন শাখায় এখনও বেশির ভাগ ট্রেন ছিল ৯ কামরার। ট্রেনে ভিড় এবং জনসংখ্যার চাপ সামালতে ব্যাপক হিমশিম খেতে হতো। তাই এবার থেকে ১২ কামরার ট্রেন চালানো হবে উত্তর এবং মেইনে। ১২ কামরার ট্রেন চালালে প্রায় এক হাজার জনের অতিরিক্ত যাত্রী যাতায়াত করতে পারবে। ট্রেনের আসন সংখ্যা ২৫ শতাংশ বেশি হবে। ফলে দুর্ভোগ অনেকটাই কমবে।

    জনসংযোগ আধিকারিকের বক্তব্য

    পূর্বরেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক কৌশিক মিত্র বলেছেন, “পূর্ব রেল নির্ভরযোগ্য এবং যাত্রী-কেন্দ্রিক পরিষেবা প্রদানের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। শিয়ালদা (Sealdah Station) ১, ২ এবং ৫ নম্বর প্ল্যাটফর্ম থেকে ১২ কামরার ট্রেন চালু হওয়ার ফলে যাত্রীরা আরও সুবিধাজনক এবং নিরাপদ ভাবে যাত্রা করতে পারবেন।’’

    আরও পড়ুনঃ মরসুমের প্রথম ইলিশ ঢুকল ডায়মন্ড হারবারে, কত টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে জানেন?

    দুর্ভোগে পড়তে হতো

    শিয়ালদা (Sealdah Station) দক্ষিণ শাখার তুলনায় উত্তর এবং মেনের প্ল্যাটফর্ম দীর্ঘ না হওয়ায় ৯ কামরার ট্রেন চালানো হত। কিন্তু অফিস টাইমে ব্যাপক ভিড়ের কারণে যাত্রীদের যাতায়তে ব্যাপক দুর্ভোগে পড়তে হতো। এই নিয়ে একাধিকবার যাত্রীরা ক্ষোভও প্রকাশ করেছেন। এবার থেকে ১২ কোচের ট্রেন চলায় সুবিধা হবে। শিয়ালদহ স্টেশন থেকে বারাসত, ব্যারাকপুর, শান্তিপুর, নৈহাটি, শ্যামনগর, বনগাঁ, ডানকুনি, সোদপুর, খড়দহ-সহ বিভিন্ন স্থানের যাত্রীদের বিধাননগর, দমদম স্টেশন থেকে উঠতে সুবিধা হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: মুর্শিদাবাদে স্কুল চলাকালীন পড়ুয়ার ব্যাগে মিলল আগ্নেয়াস্ত্র, আতঙ্ক

    Murshidabad: মুর্শিদাবাদে স্কুল চলাকালীন পড়ুয়ার ব্যাগে মিলল আগ্নেয়াস্ত্র, আতঙ্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে রাজ্যজু়ড়ে তোলপাড় চলছে। এই আবহের মাঝে একটি চাঞ্চল্যকর তথ্য পুলিশের নজরে এসেছে। জানা গিয়েছে, স্কুলের মধ্যে রিভলভার নিয়ে আসার অভিযোগ উঠল দুই স্কুল ছাত্রের বিরুদ্ধে। বিষয়টি জানাজানি হতেই মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) বেলডাঙ্গা -২ ব্লকের আন্দুলবেড়িয়া হাইস্কুলে শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Murshidabad)

    বেলডাঙ্গা -২ ব্লকের (Murshidabad) আন্দুলবেড়িয়া হাইস্কুলে দুদিন আগে স্কুলের গেটম‍্যানে সঙ্গে অভিযুক্ত দুই স্কুল পড়ুয়ার কোনও একটি বিষয় নিয়ে বচসা বাধে। ওই দিনই তারা স্কুলের গেটম‍্যানকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছিল বলে অভিযোগ। শনিবার সকালে আসার সময় তারা  ব্যাগের মধ্যে লুকিয়ে একটি রিভলভার স্কুলে নিয়ে আসে। স্কুল ব্যাগের ভিতরে আগ্নেয়াস্ত্র থাকার বিষয়টি ক্লাসের অন্যান্য পড়ুয়ারা জানতে পারে। জানা গিয়েছে, রিভলভার নিয়ে গেটম্যানকে তারা ভয় দেখাবে বলে স্কুলে রটে যায়। এরপর অন্য পড়ুয়ারা স্কুলের প্রধান শিক্ষককে বিষয়টি জানায়। এরপরই স্কুল কর্তৃপক্ষ নড়েচড়ে বলে। দুই পড়ুয়ার ব্যাগে তল্লাশি চালিয়ে রিভলভারটি উদ্ধার করে। পরে, তাদের অফিস রুমে নিয়ে এসে স্কুলের পক্ষ থেকে রেজিনগর থানায় খবর দেওয়া হয়। ঘটনাস্থলে রেজিনগর থানার পুলিশ পৌঁছে পরিস্থিতি সামাল দেয়। স্কুলের পক্ষ থেকে ওই দুই ছাত্রকে রিভলভার সহ পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত দুজনেই দশম শ্রেণির ছাত্র। এরমধ্যে একজন তৃণমূল পরিচালিত পঞ্চায়েত প্রধানের ভাইপো রয়েছে। পুলিশ দুজনকে থানায় নিয়ে যায়। সাধারন মানুষের প্রশ্ন, স্কুলে যদি এই ভাবে পিস্তল নিয়ে আসে,তাহলে শিক্ষার হাল কোথায় গিয়েছে? কোথায় এই আগ্নেয়াস্ত্র ওই স্কুল পড়ুয়া পেয়েছে তা সবার আগে তদন্ত হওয়া দরকার।

    আরও পড়ুন: আজ প্রভু জগন্নাথদেবের স্নানযাত্রা উৎসব, এর মাহাত্ম্য জানেন?

    অভিযুক্ত দুই পড়ুয়ার কী বক্তব্য?

    অভিযুক্ত দুই পড়ুয়ার বক্তব্য, আমরা রাস্তাতেই ওই আগ্নেয়াস্ত্রটি কুড়িয়ে পেয়েছি। স্কুলে আসার পথে আমরা সেটি দেখতে পাই। তাই, স্কুল ব্যাগে করে নিয়ে এসেছিলাম। আমরা কাউকে কোনও হুমকি দিইনি। গেটম্যানের সঙ্গে আমাদের কোনও বিবাদ নেই। কাউকে ভয় দেখানোর কোনও উদ্দেশ্য আমাদের নেই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Hilsa Fish: মরসুমের প্রথম ইলিশ ঢুকল ডায়মন্ড হারবারে, কত টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে জানেন?

    Hilsa Fish: মরসুমের প্রথম ইলিশ ঢুকল ডায়মন্ড হারবারে, কত টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে বর্ষা প্রবেশ করতে না করতেই বাজারে দেখা মিলল ইলিশের (Hilsa Fish)। গতকাল শুক্রবার এই মরসুমের প্রথম ইলিশ ঢুকেছে ডায়মন্ড হারবারের নগেন্দ্রবাজারে। প্রতিকেজি ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ১৪০০ টাকা হিসাবে। ভোজন রসিক বাঙালিদের কাছে পছন্দের মাছ হল ইলিশ। ইলিশের ঝাল, ভাপা, পাতুরি, সর্ষে ইলিশের স্বাদ অতুলনীয়। বর্ষার মরশুমে ইলিশ মাছ পাতে না পড়লে যেন রসনা তৃপ্তি বাঙালির ভোজন সম্পূর্ণ হয় না। তাই ইলিশের নাম শুনলেই জিভে জল চলে আসে। যদিও মাত্র কয়েকদিন আগে গিয়েছে বাঙালির জামাইষষ্ঠীর উৎসব। কিন্তু সেই সময় টাটকা ইলিশের খোঁজ মেলেনি। তাতে অনেকেরই মন খারাপ ছিল। এইবার বর্ষা আসতেই ইলিশের নিয়ে আশার কথা শোনালেন মৎস্যজীবীরা।

    গত দুই মাস বন্ধ ছিল মাছ ধরা (Hilsa Fish)

    উল্লেখ্য গত দুই মাস সমুদ্রে মাছ ধরা বন্ধ ছিল। অবশ্য এই দুই মাস মাছ ধরার জন্য সরকার নিষেধাজ্ঞা জারি ছিল। কারণ এই সময় পরিণত মাছগুলি ডিম দেয়। সেই জন্য মাছের বংশ বিস্তার এবং ছোট মাছ পরিণত হওয়ার সময় সমুদ্রে মাছ ধরার উপর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়। এই বছর ১৫ জুনের পর থেকে মাছ ধরতে ট্রলার নিয়ে পাড়ি দিয়েছেন মৎস্যজীবীরা। ডায়মন্ডহারবারের মৎস্যজীবীদের জালে উঠেছে প্রচুর ইলিশ (Hilsa Fish)। নগেন্দ্রনগর বাজারের আড়তদার এবং ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, শুক্রবার প্রায় ৩০০০ কেজি ইলিশ ঢুকেছে বাজারে।

    আরও পড়ুনঃ ২২ ঘড়া জল, দেড়মণ দুধ ঢেলে স্নান করানো হল প্রভু জগন্নাথকে, মাহেশে ব্যাপক ভক্ত সমাগম

    বাজার সিমিতির বক্তব্য

    নগেন্দ্রনগর বাজার সমিতির সম্পাদক জগন্নাথ সরকার বলেছেন, “এই বছর ইলিশের (Hilsa Fish) মরসুমের শুরুতেই জালে ইলিশ ধরা পড়েছে। তবে মাছের পরিমাণ কম হলেও ইলিশের আকার অনেক বড় বড় ছিল। দুই মাস সমুদ্রে মাছ ধরা বন্ধ ছিল। মৎস্যজীবীরা সমুদ্রে পাড়ি দিয়েছেন আবার। ভালো সাইজের মাছ ধরা পড়েছে। গত বছরের তুলনায় এই বছর ভালো পরিমাণে ইলিশ পাওয়ার অনেক সম্ভাবনা রয়েছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • TMC Conflict: রায়নায় পার্টি অফিস দখলকে কেন্দ্র করে হাতাহাতি, তৃণমূলের কোন্দল প্রকাশ্যে

    TMC Conflict: রায়নায় পার্টি অফিস দখলকে কেন্দ্র করে হাতাহাতি, তৃণমূলের কোন্দল প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দলীয় পার্টি অফিস দখলকে কেন্দ্র করে আবারও প্রকাশ্যে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব (TMC Conflict) পূর্ব বর্ধমানের রায়নায়। দুই গোষ্ঠীর বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করে বর্ধমান আদালতে পাঠায় রায়না থানার পুলিশ।  তৃণমূলের ব্লক সভাপতি ও বিধায়ক গোষ্ঠীর দ্বন্দ্ব ফের প্রকাশ্যে। রায়না ১ ব্লকের সেহারা অঞ্চলের মোগলমারি গ্রামে আবারও ব্যাপক আকার নিল তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (TMC Conflict)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মোগলমারি বাজারে অবস্থিত তৃণমূলের (TMC Conflict) দলীয় কার্যালয় কোন গোষ্ঠীর অধীনে থাকবে সেই নিয়ে  প্রবল ঝামেলায় জড়িয়ে পড়েন রায়না-১ ব্লক তৃণমূলের সভাপতি বামদেব মণ্ডল ও রায়না বিধানসভার বিধায়ক শম্পা ধারার গোষ্ঠীর লোকজন। জানা গিয়েছে, বিধায়ক শম্পা ধারার গোষ্ঠীর লোকজন দলীয় কার্যালয়ে বসে নিজেদের মধ্যে খোশমেজাজে গল্প করছিলেন। ঠিক সেই মুহূর্তে ব্লক সভাপতি বামদেব মণ্ডলের লোকজন মোগলমারি বাজারে দলীয় কার্যালয়টি দখল নিতে যান। তাতে বাধা দেন বিধায়ক গোষ্ঠীর লোকজন। তখনই শুরু হয়ে যায় ঝামেলা। তার পরই শুরু হয় দু’টি গোষ্ঠীর মধ্যে হাতাহাতি। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় রায়না থানার পুলিশ। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করে পুলিশ। নামে র‍্যাফ সহ আধা সামরিক বাহিনী।

    আরও পড়ুন: আজ প্রভু জগন্নাথদেবের স্নানযাত্রা উৎসব, এর মাহাত্ম্য জানেন?

    দুই গোষ্ঠীর ১০ জনকে গ্রেফতার

    বিভিন্নভাবে অভিযান চালিয়ে এলাকায় অশান্তি সৃষ্টি করার অপরাধে দু’ই গোষ্ঠীর মোট ১০ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ধৃতদের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে শুক্রবার বর্ধমান আদালতে পাঠায় পুলিশ। ধৃতদের মধ্যে বিধায়ক গোষ্ঠী এবং ব্লক সভাপতির গোষ্ঠীর লোকজন রয়েছে। উল্লেখ্য, ব্লক সভাপতি ও বিধায়কের গোষ্ঠীর দ্বন্দ্ব এই প্রথম নয়। এটি দীর্ঘদিনের, তবে ক্রমাগত দু’টি গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব চূড়ান্ত আকার নিলেও উচ্চ নেতৃত্ব কোনও ব্যবস্থা না নেওয়ায় দুশ্চিন্তায় এলাকার তৃণমূল নেতৃত্ব ও কর্মীসহ সাধারণ মানুষ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Durgapur: তিন তৃণমূল নেতার সঙ্গে রাত কাটানোর প্রস্তাব, চরম সিদ্ধান্ত নিলেন দুর্গাপুরের বধূ

    Durgapur: তিন তৃণমূল নেতার সঙ্গে রাত কাটানোর প্রস্তাব, চরম সিদ্ধান্ত নিলেন দুর্গাপুরের বধূ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালির ছায়া এবার দুর্গাপুরে (Durgapur)। স্বামীর কাজ ফিরে পেতে হলে তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে স্ত্রীকে রাত্রিবাস করতে দিতে হবে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে দুর্গাপুরের নিউ টাউনশিপ থানার নবীন পল্লি এলাকায়। তৃণমূল নেতাদের চাপ সহ্য করতে না পেরে চরম সিদ্ধান্ত নিলেন গৃহবধূ।

    তিন তৃণমূল নেতার সঙ্গে বধূকে রাত কাটানোর প্রস্তাব (Durgapur)

    তৃণমূল নেতাদের মদের দোকান বন্ধের দাবি জানিয়েছিলেন এক গৃহবধূ। ভোটের পরই ওই বধূর স্বামীকে ঠিকাদারের কাজ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। ফের কাজে ফেরানোর দাবি জানিয়েছিলেন ওই যুবকের স্ত্রী। তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে রাত্রিবাস করলেই স্বামীর কাজ ফিরবে বলে প্রস্তাব দেওয়া হয়। সেই কুপ্রস্তাবে সম্মতি না দেওয়াই লাগাতার হুমকি দেয় তৃণমূলের লোকজন। ভয়ে সুইসাইড নোট লিখে আত্মঘাতীর চেষ্টা করেন ওই বধূ। জানা গিয়েছে, দুর্গাপুরের (Durgapur) ইন্দো-আমেরিকান মোড়ের একটি বেসরকারি স্পঞ্জ আয়রন কারখানার ঠিকাদার ছিলেন ওই ব্যক্তি। তাঁর স্ত্রী নবীন পল্লি এলাকায় সুকুমার বাউরি, বিল্লি এবং বিশু নামে এলাকার তিন তৃণমূল নেতার অবৈধ মদের দোকান বন্ধ করার দাবি জানান। তারপরই ওই বধূর স্বামীকে ঠিকাদারি কাজ থেকে সরিয়ে দেয় ২৩নং ওয়ার্ডের তৃণমূল নেতৃত্ব। স্বামীর কাজ ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি তোলেন তাঁর স্ত্রী। তৃণমূলের তিন নেতা মিলে রিঙ্কুকে রাত্রিবাসের প্রস্তাব দেন। সেই কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় লাগাতার হুমকি দেন অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা। হুমকির ভয়েই সুইসাইট নোট লিখে আত্মঘাতীর চেষ্টা করেন ওই গৃহবধূ। দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে, অবস্থার অবনতি হলে স্থানান্তরিত করা হয় বাঁকুড়া মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে।

    আরও পড়ুন: আজ প্রভু জগন্নাথদেবের স্নানযাত্রা উৎসব, এর মাহাত্ম্য জানেন?

    তৃণমূল নেতাদের শাস্তির দাবি

    স্থানীয় বাসিন্দা অপর্ণা বাউরি বলেন,”গোটা এলাকায় মদ আর জুয়ার দোকান বাড়ছে। বিল্লি,সুকুমার,বদল এবং সুনীল নামে তৃণমূলের (Trinamool Congress) নেতারা এই অবৈধ কাজের সঙ্গে যুক্ত। সেই মদের দোকান বন্ধ করার দাবিতে আন্দোলনে নেমেছিলেন ওই বধূ। নির্বাচনে জিতে যেতেই এলাকায় মারধর এবং অত্যাচার শুরু করে ওরা। ওই গৃহবধূর স্বামীকে ঠিকাদারি কাজ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। কাজ ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি তুললে তিন তৃণমূল নেতার সঙ্গে রাত কাটানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়। তারপরই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে ওই বধূ।  দ্রুত তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যাবস্থা নেওয়া না হলে বৃহত্তর আন্দোলনে নামব।”

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    দুর্গাপুরের ২৩নং ওয়ার্ডের বিদায়ী কাউন্সিলর দেবব্রত সাঁই বলেন,”একটা ঝামেলা হয়েছিল শুনেছিলাম। দুই পাড়ার মধ্যে মদের দোকান নিয়ে বা অন্য কিছু নিয়ে। আমি উভয়পক্ষকে নিয়ে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করলেও এক পক্ষ আসেননি। তারপর এতকিছু হয়েছে এই জানলাম। পুলিশ কড়া ব্যাবস্থা নেবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mahesh Snan Yatra: ২২ ঘড়া জল, দেড়মণ দুধ ঢেলে স্নান করানো হল প্রভু জগন্নাথকে, মাহেশে ব্যাপক ভক্ত সমাগম

    Mahesh Snan Yatra: ২২ ঘড়া জল, দেড়মণ দুধ ঢেলে স্নান করানো হল প্রভু জগন্নাথকে, মাহেশে ব্যাপক ভক্ত সমাগম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হুগলির মাহেশে জগন্নাথ স্নানযাত্রা (Mahesh Snan Yatra) পড়ল ৬২৮ বছরে। বাংলার পুরাতন রথযাত্রা মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল এই রথযাত্রা। আজ জগন্নাথের স্নানযাত্রায় প্রচুর ভক্তের সমাগম হয়েছে। মূলত প্রতিবছরই জগন্নাথদেবের এই আবির্ভাব দিবস তিথিতে প্রভুকে স্নান করিয়ে অভিষেক করানো হয়। বিভিন্ন নিয়ম এবং পুজাচারের মধ্য দিয়ে এই মহা উৎসব পালন করা হয়। জগন্নাথদেবকে স্নান করানোর পর তিনি আবার অন্তরালে চলে যান। পরবর্তীকালে রথযাত্রার (Rath Yatra 2024) দিন তাঁকে আবার রাজপথে দেখতে পাওয়া যায়। আবার মায়াপুর ইসকনের শাখা রাজাপুর জগন্নাথ মন্দিরে ধুমধাম করে পালিত হচ্ছে স্নানযাত্রা (Snan Yatra 2024)। ভোরবেলা থেকেই শুরু হয়েছে এই স্নানযাত্রার অনুষ্ঠান। দেশ-বিদেশের হাজার হাজার ভক্তের সমন্বয়ে এদিন জগন্নাথদেবের অভিষেক ঘটানো হয়।

    দেড়মণ দুধ ঢেলে স্নানযাত্রা জগন্নাথের (Mahesh Snan Yatra)

    আষাঢ় মাস মানেই দুর্গাপুজোর ঢাকে কাঠি পড়ে। গ্রীষ্মের প্রবল গরমের পর প্রভু জগন্নাথ, বলভদ্র এবং সুভদ্রাকে স্নান (Snan Yatra 2024) করানো হয়। হুগলির মাহেশে ২২ ঘড়া জল এবং দেড়মণ দুধ ঢেলে স্নান করানো হয়েছে প্রভু জগন্নাথকে। এই মাহেশের স্নানযাত্রা ছয়শ বছরের বেশি প্রাচীন, ফলে দূরদূরান্ত থেকে আসেন প্রচুর ভক্ত। সকালে গর্ভগৃহ থেকে বের করে জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রাকে মন্দিরের বারান্দায় রাখা হয়। তারপর বিগ্রহকে নিয়ে যাওয়া হয় মন্দির সংলগ্ন মাঠের স্নানমঞ্চে। এরপর করানো হয় স্নান। তবে পুরীতে জগন্নাথের কলেবর পরিবর্তিত হলেও মাহেশে একই বিগ্রহে পুজো করে আসা হচ্ছে। স্নানের পর ঠাকুরের খুব জ্বর আসে, প্রভু জগন্নাথ লেপ মুড়ি দিয়ে শুয়ে থাকেবন। এরপর রথযাত্রার ঠিক ২দিন আগে মন্দির আবার খোলা হয়। জ্বর সারলে মাসির বাড়িতে যান জগন্নাথ দেব। মাহেশের রথের স্নানযাত্রায় ব্যাপক ভক্তের সমাগম হয়।

    ইসকন জনসংযোগ আধিকারিকের বক্তব্য (Snan Yatra 2024)

    মাহেশের স্নানযাত্রার (Mahesh Snan Yatra) পাশাপাশি মায়াপুর ইসকন মন্দিরের জনসংযোগ আধিকারিক রসিক গৌরাঙ্গ দাস বলেছেন, “ভগবান জগন্নাথদেবের আবির্ভাব তিথি উপলক্ষে মায়াপুর ইসকনের শাখা রাজাপুরের জগন্নাথ মন্দিরে তাঁকে স্নান (Snan Yatra 2024) করিয়ে অভিষেক করানো হয়। সকল ভক্তরাই এদিন সুযোগ পান জগন্নাথদেবকে স্নান করানোর। শুধুমাত্র দেশের ভক্তরাই নয় বিদেশেরও হাজার হাজার ভক্তরা এই অনুষ্ঠান উপলক্ষে রাজাপুরে এসে উপস্থিত হন। ভোর বেলা থেকেই এই অনুষ্ঠান শুরু হয়। তবে জগন্নাথদেবের স্নান করানোর পর তিনি জগদেশ রূপে আবার সকলের অন্তরালে চলে যান। পরবর্তীকালে রথযাত্রার দিন (Rath Yatra 2024) তাঁকে আবার রাজপথে দেখা মেলে। সেদিন তিনি রাজাপুর থেকে তাঁর মামার বাড়ি ইসকন মন্দিরের প্রাণকেন্দ্রে চলে আসেন। আজকের এই দিনটি বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে পালন করা হয়ে থাকে। একই সঙ্গে হাজার হাজার ভক্তদের জন্য থাকে প্রসাদের ব্যবস্থা।”

    আরও পড়ুনঃ আজ প্রভু জগন্নাথদেবের স্নানযাত্রা উৎসব, এর মাহাত্ম্য জানেন?

    নবদ্বীপে পোড়ামাতলায় স্নানযাত্রা

    তীর্থ নগরী নদিয়ার নবদ্বীপ শহরের প্রাণকেন্দ্র পোড়ামাতলায় অবস্থিত মা পোড়ামা মন্দির। এই মন্দিরকে ঘিরে সারা বছর দেশ-বিদেশ থেকে বহু তীর্থযাত্রী এবং নবদ্বীপ পার্শ্ববর্তী এলাকার মানুষের আনাগোনা চলে। জানা যায়, প্রায় পাঁচশো বছরের পুরানো এই মা পোড়ামা মন্দির। এই মন্দিরে প্রতি বছর জগন্নাথের স্নানযাত্রার (Snan Yatra 2024) দিনে পরম্পরা মেনে মা পোড়ামার বার্ষিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। শনিবার ভোরবেলায় নবদ্বীপের সুরধনীগঙ্গা থেকে ১০৮ ঘড়া গঙ্গাজল নিয়ে আসা হয় এবং মাকে স্নান করিয়ে অভিষেক অনুষ্ঠিত হয়। দুপুরে মায়ের ভোগারতির পর বিকেলে ভক্তদের মধ্যে মহাপ্রসাদ বিতরণ করা হয়। মায়ের মন্দিরে পুজো দেওয়ার জন্য এদিন সকাল থেকে দেখা গেল পোড়ামা মন্দির প্রাঙ্গনে অসংক্ষ্য ভক্তদের ভিড়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Monsoon Update: অবশেষে অপেক্ষার অবসান! দক্ষিণবঙ্গে আগমন বর্ষার, ভারী বৃষ্টি কবে থেকে?

    Monsoon Update: অবশেষে অপেক্ষার অবসান! দক্ষিণবঙ্গে আগমন বর্ষার, ভারী বৃষ্টি কবে থেকে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবশেষে স্বস্তি। উত্তরবঙ্গে বর্ষা (Monsoon Update) প্রবেশ করেছিল গত ৩১ মে৷ কিন্তু এক ফোঁটা বৃষ্টির জন্য চাতকের মতো চেয়ে ছিল দক্ষিণবঙ্গবাসী৷ এবার সেই অপেক্ষার অবসান ঘটল। ২১ জুন দক্ষিণবঙ্গেও (West Bengal Weather Update) প্রবেশ করল বর্ষা। সম্প্রতি এমনটাই জানাল আলিপুর আবহাওয়া দফতর। তবে দুই বঙ্গে বর্ষা প্রবেশের এই ফারাক গত পাঁচ বছরে দেখা যায়নি ৷

    দক্ষিণবঙ্গে প্রবেশ বর্ষার (Monsoon Update) 

    আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, গাঙ্গেয় বঙ্গের মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও কলকাতার বেশিরভাগ অংশে ইতিমধ্যেই বর্ষা প্রবেশ করেছে। একইসঙ্গে পূর্ব মেদিনীপুর, হাওড়া, হুগলি, পূর্ব বর্ধমান, বীরভূম জেলার কিছু অংশেরও দখল নিয়েছে মৌসুমী বায়ু। তবে বর্ষা এলেও ভারী বৃষ্টি এখনই হবে না সেখানে। বরং রবিবারের পর বৃষ্টি কমতে পারে ৷ 

    আবহাওয়ার পূর্বাভাস 

    আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী ৩-৪ দিনের মধ্যে ওড়িশা, দক্ষিণবঙ্গ, ঝাড়খণ্ড, বিহারের আরও কিছু অংশে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ুর অগ্রগতির জন্য পরিস্থিতি অনুকূল থাকবে। আবহবিদদের মতে, খুব বেশি বৃষ্টি (Monsoon Update) না হলেও দিনের তাপমাত্রা কম থাকবে। কলকাতা-সহ আশেপাশের জেলাগুলিতে আকাশ মেঘাছন্ন থাকবে। রাতের তাপমাত্রাও যে খুব বাড়বে তা না। পাশাপাশি, আর্দ্রতা ও অস্বস্তিজনক আবহাওয়া থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে।

    দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়া (West Bengal Weather Update) 

    আবহাওয়া দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, ঝিরঝিরে হালকা বৃষ্টি (Monsoon Update) চললেও দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে এখনই ভারী বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই। বরং আগামী রবিবার থেকে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে বৃষ্টির দাপট বেশ কমে যাবে। সেই সঙ্গে বাড়বে আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি। কাল থেকে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে তাপমাত্রাও কিছুটা বাড়তে পারে। তবে আগামী সপ্তাহের বুধবারের পর থেকে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে ফের বৃষ্টি বাড়বে। 

    আরও পড়ুন: নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে গোলশূন্য ড্র করল এমবাপে-হীন ফ্রান্স

    কলকাতার আবহাওয়া 

    আবহাওয়া দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার কলকাতা শহরে হালকা বৃষ্টি (Monsoon Update) হতে পারে। বৃষ্টির হাত ধরে আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি থেকে মুক্তি মিলবে। শনিবার শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকতে পারে ৩৩ ডিগ্রি এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি। তবে এরপর আগামী দিন চারেক শহর কলকাতার আবহাওয়ায় বিশেষ বদল নেই। 

    ফের বৃষ্টি বাড়বে উত্তরবঙ্গে 

    অন্যদিকে, আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, উত্তরবঙ্গের যে অংশে বর্ষার (Monsoon Update) প্রবেশের বাকি ছিল, সেই অংশেও ছড়িয়েছে মৌসুমী বায়ু। ফলে উত্তরবঙ্গে এখন বৃষ্টি কিছুটা কমলেও সোমবার থেকে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়বে। দার্জিলিং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার এবং জলপাইগুড়ি এই পাঁচ জেলায় বৃষ্টি চলবে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: তৃণমূল কর্মীকে লক্ষ্য করে গুলি, বোমাবাজি, রণক্ষেত্র সামশেরগঞ্জ

    Murshidabad: তৃণমূল কর্মীকে লক্ষ্য করে গুলি, বোমাবাজি, রণক্ষেত্র সামশেরগঞ্জ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কারখানার সামনে বিক্ষোভ দেখানোকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রের চেহারা নিল মুর্শিদাবাদে (Murshidabad) সামশেরগঞ্জ থানার মহব্বতপুর গ্রামে। ব্যাপকভাবে গুলি আর বোমাবাজিতে রীতিমতো উত্তপ্ত হয়ে উঠল এলাকা। শুক্রবার রাতে এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। এই ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়েছেন নূর ইসলাম নামে এক তৃণমূল কর্মী। পাশাপাশি জখম হয়েছেন আরও বেশ কয়েকজন। তাঁদের চিকিৎসার জন্য জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হামলাকারীদের পিছনেও তৃণমূলের একাংশের মদত রয়েছে। ফলে, শাসক দলের কোন্দল প্রকাশ্যে চলে এসেছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Murshidabad)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সামশেরগঞ্জ (Murshidabad) থানার মহব্বতপুর গ্রামে একটি কারখানা থেকে লাগাতার বিষাক্ত গ্যাস ছড়ানোর জন্য রীতিমতো আতঙ্ক ছড়ায় গ্রামবাসীদের মধ্যে। বারবার জানানো সত্ত্বেও সমস্যার কোনও সমাধান না মেলায় গ্রামবাসীরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। শুক্রবার তাঁরা কারখানার গেটের সামনে বিক্ষোভ দেখানোর সিদ্ধান্ত নেন। যদিও বিষয়টি আগাম জানতে পেরে কারখানায় মজুদ রাখা হয়েছিল বেশকিছু বেআইনি আগ্নেয়াস্ত্র ও প্রচুর সংখ্যক বোমা। এমনই দাবি গ্রামবাসীদের। স্থানীয় তৃণমূল কর্মী নূর ইসলামের নেতৃত্বে গ্রামবাসীরা কারখানার সামনে হাজির হলে তাঁদের লক্ষ্য করে চালানো হয় এলোপাথাড়ি গুলি ও বোমা। ঘটনাস্থলে গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতরভাবে আহত হন নূর ইসলাম নামে ওই এলাকার একজন তৃণমূল কর্মীসহ আরও বেশ কয়েকজন। এদিকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে হাজির হয় সামশেরগঞ্জ থানার পুলিশ। ঘটনাস্থল থেকে ২০ জনকে হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়। পাশাপাশি একাধিক বেআইনি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।

    আরও পড়ুন: শিক্ষা মন্ত্রকের আধিকারিকদের উপস্থিতিতে রবিবার ফের পরীক্ষা ১,৫৬৩ জন নিট প্রার্থীর

    কারখানা কর্তৃপক্ষের কী বক্তব্য?

    কারখানা কর্তৃপক্ষের বক্তব্য, নিয়ম মেনেই কারখানা চলছে। গায়ের জোরে ওই কারখানা বন্ধ করে দিতে চাইছে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব। যদিও হামলার বিষয়ে তারা মুখ খুলতে চায়নি। কারখানা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে রয়েছে তৃণমূলের অন্য গোষ্ঠীর লোকজন। সব মিলিয়ে তৃণমূলের (Trinamool Congress) গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরে এই ঘটনা বলে অনুমান করা হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CV Ananda Bose: রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে উদ্বিগ্ন বোস, মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি দিলেন রাজ্যপাল

    CV Ananda Bose: রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে উদ্বিগ্ন বোস, মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি দিলেন রাজ্যপাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের ফল ঘোষণা হওয়ার পর থেকে জেলায় জেলায় বিরোধী দলের কর্মী-সমর্থকদের ওপর সন্ত্রাস চালানোর অভিযোগ উঠেছে শাসক দলের বিরুদ্ধে। ভোট পরবর্তী এই হিংসার ঘটনায় উদ্বিগ্ন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose) । অবিলম্বে বাংলায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে এবার মুখ্যমন্ত্রী তথা পুলিশ মন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি লিখলেন রাজ্যপাল।

    চিঠিতে কী রয়েছে? (CV Ananda Bose)

    রাজভবন সূত্রে জানা গিয়েছে, চিঠিতে ভোট পরবর্তী সন্ত্রাসের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশে রাজ্যপাল (CV Ananda Bose) লিখেছেন, ‘পুলিশকে নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে বলুন। ভোট মিটলেও জেলায় জেলায় হিংসার ঘটনা ঘটে চলেছে।’  পাশাপাশি চিঠিতে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন রাজ্যপাল। ভোট পরবর্তী হিংসার যে সমস্ত ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে, সে বিষয়ে সরকার কী পদক্ষেপ করেছে, তা-ও জানতে চাওয়া হয়েছে চিঠিতে। ইতিমধ্যে ঘরছাড়া ইস্যুতে মামলা গড়িয়েছে কলকাতা হাইকোর্টেও। কেন্দ্রীয় বাহিনীকে আপাতত আরও পাঁচদিন রাজ্যে রাখার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। এমন পরিস্থিতিতে রাজ্যপালের ভোটের ফল ঘোষাণার পর রাজ্যের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে চিঠির প্রসঙ্গটি প্রকাশ্যে আসতেই শোরগোল তৈরি হয়েছে রাজনৈতিক মহলে।

    আরও পড়ুন: রানিগঞ্জে শিল্পপতির বাড়িতে ভোর থেকেই শুরু ইডির হানা, শোরগোল

    ডিজির দফতরের বাইরে ধর্নায় বসতে চান শুভেন্দু!

    ভোট পরবর্তী হিংসা আক্রান্তদের নিয়ে কয়েকদিন আগে রাজভবন অভিযান করেছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। পুলিশি বাধায় তিনি যেতে পারেননি। পরে, আদালতের অনুমতি নিয়ে ফের আক্রান্তদের সঙ্গে করে রাজভবনে যান বিরোধী দলনেতা। তাঁদের সঙ্গে দেখা করার পর রাজ্যপাল (CV Ananda Bose) জানিয়েছিলেন, মোট ১,০২৫টি অভিযোগ পেয়েছেন তিনি। এই হিংসার শেষ দেখে ছাড়বেন। জানা গিয়েছে, রাজভবনের সামনে ধর্নায় বসার জন্য পুলিশের কাছে অনুমতি চান শুভেন্দু। কিন্তু অভিযোগ, পুলিশ অনুমতি দেয়নি। কারণ, রাজভবনের সামনে ১৪৪ ধারা জারি থাকে। এরপর ধর্নার অনুমতি চেয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থও হয়েছেন শুভেন্দু। আদালত যদিও এ ক্ষেত্রে শুভেন্দুদের কর্মসূচির জন্য বিকল্প জায়গার নাম জানাতে বলেছিল। শুক্রবার রাজভবনের বিকল্প হিসাবে রাজ্য পুলিশের ডিজির দফতরের বাইরে ধর্নায় বসতে চান বলে আদালতে জানিয়েছেন শুভেন্দু।

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    রাজ্যপালের চিঠি প্রসঙ্গে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীররঞ্জন চৌধুরী বলেন, “মুখ্যমন্ত্রীর পরিবর্তে এ ব্যাপারে রাজ্যপালের উচিত রাষ্ট্রপতিকে চিঠি লিখে বাংলার মানুষের জন্য নিরাপত্তা চাওয়া।” বিজেপি নেতা সজল ঘোষের কথায়, “বাংলায় সরকার বদল না হলে এই ধরনের সন্ত্রাসের পরিবেশ কখনও বন্ধ হবে না। অন্যদিকে, তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেন, “বিজেপির গুডবুকে থাকার জন্য রাজ্যপাল এগুলো করছেন। আসলে কুৎসা করেও ভোটে জিততে না পেরে বিরোধীরা সন্ত্রাসের মিথ্যে কান্না কাঁদছে। আর তাতে পূর্ণ মদত জোগাচ্ছেন রাজ্যপাল।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share