Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Loksabha Election 2024 Result: ঘরের বুথেই ধরাশায়ী সুদীপ, তাপসের ওয়ার্ডে ফুটল পদ্ম

    Loksabha Election 2024 Result: ঘরের বুথেই ধরাশায়ী সুদীপ, তাপসের ওয়ার্ডে ফুটল পদ্ম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০১৯-এর লোকসভা ভোটের তুলনায় ব্যবধান কমলেও কলকাতা উত্তর লোকসভা আসনে বিজেপি প্রার্থী তাপস রায়কে হারিয়ে জয়ী হয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী সুদীপ বন্দোপাধ্যায়। তবে (Loksabha Election 2024 Result) ফলাফল বিশ্লেষণ করলে দেখা যাবে সাংসদ সুদীপ নিজের বুথেই পরাজিত হয়েছেন। নিজের ঘরের এলাকাতেই সুদীপের জনপ্রিয়তা কমে যাওয়ায় চিন্তায় তৃণমূল শিবির। কলকাতা উত্তর লোকসভা কেন্দ্রের চৌরঙ্গী বিধানসভার ৫৩ নম্বর ওয়ার্ডের ক্যালকাটা বয়েজ স্কুলের ১৭১ নম্বর বুথের ভোটার সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। এই বুথে তৃণমূলের প্রাপ্ত ভোট ২৪৫। উল্টোদিকে বিজেপি প্রার্থী তাপস রায়ের প্রাপ্ত ভোট ২৪৯। অর্থাৎ চারটি ভোটে তৃণমূল প্রার্থীর সুদীপকে পরাজিত করেছেন বিজেপি প্রার্থী তাপস রায়।

    কলকাতায় আরও বহু জায়গায় পিছিয়ে তৃণমূল (Loksabha Election 2024 Result)

    তবে শুধু সুদীপ একা ঘরে হেরেছেন এমন নয় কলকাতার ৪ জন মেয়র পরিষদ ও একাধিক বরো চেয়ারম্যান লোকসভার বুথভিত্তিক ফলাফলের নিরিখে (Loksabha Election 2024 Result) পরাজিত হয়েছেন তাঁদের নিজের ওয়ার্ডে। সেখানে এগিয়েছে বিজেপি। কলকাতা পুরসভার ৪৫টি ওয়ার্ডে বিজেপি এগিয়ে আছে। কলকাতা পুরনিগমের অধীনে ১৪৪ টি ওয়ার্ডের মধ্যে বিজেপি এগিয়ে ৪৫টি ওয়ার্ডে। একটি মাত্র ওয়ার্ডে এগিয়ে সিপিএম। তৃণমূলের হেরে যাওয়া ওয়ার্ডগুলির মধ্যে একাধিক হেভিওয়েট কাউন্সিলর আছেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন মেয়র পারিষদ সদস্য সন্দীপন সাহা, দেবাশিস কুমার, অসীম বসু ও সন্দীপ রঞ্জন বক্সি। পরাজিত বরো চেয়ারম্যানদের তালিকায় আছেন সুশান্ত ঘোষ, দেবলীনা বিশ্বাস, জুঁই বিশ্বাস, সাধনা বসু, সুদীপ পল্লে ও সুস্মিতা ভট্টাচার্য। পরাজিত হয়েছেন বিধায়ক পরেশ পাল। তবে তাপস রায়ের ওয়ার্ডে ফুটেছে পদ্ম।

    ফলাফল নিয়ে অখুশি তৃণমূল শিবির

    নির্বাচন শুরু হওয়ার আগে থেকেই সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে দেখা গেছে কুণাল ঘোষকে। অথচ ঘরের বুথে সুদীপ পরাজিত হওয়ার পর কুণাল ঘোষের সাবধানী প্রতিক্রিয়া, “আমরা এখনও (Loksabha Election 2024 Result) বুথভিত্তিক তথ্য সংগ্রহ করছি। সব তথ্য এখনও আমার হাতে আসেনি। যেখানে ভালো ফল করেছি, সেখানে আরও ভালো ফল করতে হবে। যেখানে খারাপ ফল হয়েছে, সেখানে কী কারণে খারাপ ফল হল তা খুঁজে বের করে, মেরামত করতে হবে। সূত্রের খবর, দল জিতলেও বেশি ব্যবধান দিতে না পারায় কলকাতা উত্তরের ২০ নম্বর ওয়ার্ডের পুরপ্রতিনিধি তৃণমূলের বিজয় উপাধ্যায় পদত্যাগ করতে চেয়েছেন। এই ওয়ার্ডে মাত্র ২১৭ ভোটে এগিয়ে আছেন সুদীপ। পুরনির্বাচনে বিজয় সাড়ে ৯ হাজার ভোটে জিতেছিলেন।

    আরও পড়ুন: বিজেপির ওপর আস্থায় গোঁসা, শহরের বরাদ্দ বন্ধ করলেন উদয়ন!

    তাহলে জয়ের ব্যবধান হঠাৎ এত কমে গেল কেন? জিজ্ঞাসা করায় বিজয় বলেন, “আমাকে দিদি ওখানে পাঠিয়েছিলেন। আমি ওখানে ভোটে জয়ী হয়েছিলাম। অথচ লোকসভায় (Loksabha Election 2024 Result) ব্যবধান কমে ২১৭ হয়ে গিয়েছে। আমি এটা মেনে নিতে পারছি না। আমি প্রত্যেক বাড়ি বাড়ি গিয়ে কথা বলেছি। প্রত্যেকে আমার কাজে খুশি। তাহলে ভোট দেবে না কেন? সেই জন্য আমার অনেক কষ্ট হয়েছে। আমি আমার পদ থেকে ইস্তফা দিতে চাই । দলীয় সূত্রে খবর, কলকাতা পুরসভার মেয়র ফিরহাদ হাকিম, চেয়ারপার্সন মালা রায়ের কাছে পদত্যাগ পত্র পাঠিয়েছেন বিজয়। দলীয় স্তরেও তিনি পদত্যাগ পাঠিয়েছেন বলে খবর।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Wimbledon 2024: উইম্বলডন প্রতিযোগিতায় লাইন আম্পায়ার শ্রীরামপুরের দুই যুবক

    Wimbledon 2024: উইম্বলডন প্রতিযোগিতায় লাইন আম্পায়ার শ্রীরামপুরের দুই যুবক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টেনিস প্রেমীদের পছন্দের প্রতিযোগিতা হল উইম্বলডন (Wimbledon 2024)। এবার এই উইম্বলডন খেলার লাইন আম্পায়ারিং করানোর জন্য লন্ডন পাড়ি দিতে চলেছেন হুগলির শ্রীরামপুরের দুই যুবক। আগামী ২০ জুন লন্ডনের উদ্দেশে যাত্রা করবেন তাঁরা। খেলায় লাইন আম্পায়ার হিসাবে খেলা পরিচালনার দায়িত্বে থাকবেন সৈকত রায় এবং সোমনাথ মান্না।

    তাবড় তাবড় টেনিস প্লেয়াররা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন (Wimbledon 2024)

    উইম্বলডন চ্যাম্পিয়নশিপে (Wimbledon 2024) সারা বিশ্বের তাবড় তাবড় টেনিস প্লেয়াররা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। রাফায়েল নাদাল, পিট সাম্প্রাস, ইভান ল্যান্ডল, বরিস বেকার, রজার ফেডেরার, নোভাক জকোভিচ, ভেনাস উইলিয়ামস, সেরেনা উইলিয়াম প্রমুখ খেলোয়াড়রা খেলেছেন। প্রত্যেকের লক্ষ্য থাকে উইম্বলডনের গ্র্যান্ডস্ল্যাম জেতার। এবার এই খেলা পরিচালনার গুরুদায়িত্ব পালন করবেন বঙ্গের দুই সন্তান। শ্রীরামপুরে এখন উৎসবের আবহ।

    ২০১০ থেকে তার যাত্রা শুরু সৈকতের

    দীর্ঘ দশবছরের বেশি সময় ধরে এই খেলার প্রতিযোগিতায় আম্পায়ারিং (Wimbledon 2024) করে আসছেন সৈকত রায়। শ্রীরামপুরে মাসির বাড়ি সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দা তিনি। প্রথম জীবনে মূলত হাত খরচ চালানোর জন্য লন টেনিসের লাইনে আম্পায়ারিং করা শুরু করেছিলেন। ১৯৯৮ সালে কলকাতায় একটি প্রতিযোগিতার কাজে এসেছিলেন উইম্বলডনের মূল রেফারি জেরি আমস্ট্রং। সেখানে জেরির সঙ্গে আলাপ হয় সৈকতের। সেই সময় জেরি তাঁকে অনুপ্রেরণা দেন, এরপর থেকে এই লাইন আম্পায়ারিংকেই পেশা হিসাবে যেন গ্রহণ করেন তিনি। তার ঠিক ১০ বছর পর লন্ডনে যাওয়ার ডাক আসে। ২০১০ থেকে তাঁর যাত্রা শুরু হয়। এরপর থেকে তাঁকে আর পিছনের দিকে তাকাতে হয়নি। একাধিক বার বড় বড় প্রতিযোগিতায় পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছেন তিনি। পরিবারে খুশির আবহ।

    আরও পড়ুন: আন্তর্জাতিক র‌্যাঙ্কিংয়ে এক লাফে ৪৯ ধাপ এগিয়ে গেল খড়্গপুর আইআইটি

    ১ জুলাই খেলা শুরু লন্ডনে

    অপর দিকে ২০১১ সাল থেকে উইম্বলডন (Wimbledon 2024) খেলায় লাইন আম্পায়ার হিসাবে কাজ করে আসছেন শ্রীরামপুরের নাগরার আরেকম বাসিন্দা সোমনাথ মান্না। তিনিও এই বছর ২০ জুন তারিখে যাত্রা করবেন। সৈকত এবং সোমনাথ উভয়ের জন্য গর্বিত গোটা শ্রীরামপুরবাসী। এই বছর উইম্বলডন খেলা শুরু হতে চলেছে ১ জুলাই। গোটা বিশ্বের তারকা লন টেনিস প্লেয়ারদের খেলা পরিচালনার দায়িত্ব পালন করবেন এই দুই বঙ্গ সন্তান। খুব স্বাভাবিকভাবেই এই প্রতিযোগিতার দিকে নজর থাকবে সারা বিশ্ব টেনিস প্রেমীদের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: তিস্তা পাড়ে বন্যার শঙ্কা, গঙ্গা পাড় শুকনো! দক্ষিণবঙ্গে আর কবে ঢুকবে বর্ষা? 

    Weather Update: তিস্তা পাড়ে বন্যার শঙ্কা, গঙ্গা পাড় শুকনো! দক্ষিণবঙ্গে আর কবে ঢুকবে বর্ষা? 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরবঙ্গ যখন ভাসছে, তখন জ্বলে খাক দক্ষিণবঙ্গ। টানা বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত সিকিম। উত্তরের পাহাড় ও ডুয়ার্স অঞ্চলেও বৃষ্টি চলছে অনবরত (Heavy Rain in North Bengal)। নদী ছাপিয়ে ভাসতে পারে সমতল। ঘুম উড়েছে তিস্তাপাড়ের। আর ঠিক সেই সময়েই জ্বলছে দক্ষিণবঙ্গ। ঘর্মাক্ত রাত কাটছে দিনের পর দিন। বৃষ্টির আশায় দিন গুনছেন মানুষ। তবু তার দেখা নেই। শুক্রবার সকাল থেকেও ভ্যাপসা গরমে সেদ্ধ হচ্ছে শহরবাসী। পশ্চিমের জেলায় চলছে তাপপ্রবাহ। তবে, শুক্রবার থেকে দক্ষিণবঙ্গের জেলায় জেলায় টানা বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে হাওয়া অফিস (Weather Update)। এদিন বিকেলের পর বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ঘণ্টায় ৩০-৪০ কিলোমিটার গতিবেগে বইবে ঝোড়ো হাওয়া। 

    শহরে বৃষ্টি কবে

    আবহাওয়া দফতর (Weather Update) সূত্রে জানা গেছে, কলকাতায় এখনই বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। তবে আগামী ১৬ এবং ১৭ তারিখ কলকাতায় হালকা বৃষ্টি হতে পারে।  বৃহস্পতিবার রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে প্রায় ৩ ডিগ্রি বেড়ে ৩০.১ ডিগ্রি হয়। দিনের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে সামান্য বেড়ে ৩৫ ডিগ্রি হতে পারে। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ সকালে ৬৬ শতাংশ। বেলা বাড়লে ৪৭ শতাংশ। বিকেলের দিকে তা ৯০ শতাংশ ছাড়িয়ে যেতে পারে।

    তাপপ্রবাহের শঙ্কা

    পশ্চিমের ৩ জেলায় আজ, শুক্রবারও তাপপ্রবাহের সতর্কতা (Weather Update) জারি রয়েছে। শনিবার বিকেল পর্যন্ত তীব্র তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি এবং তাপপ্রবাহের সতর্কতা পুরুলিয়া, পশ্চিম বর্ধমান, পশ্চিম মেদিনীপুর জেলাতে। মৃদু তাপপ্রবাহ বা তার অনুরূপ অর্থাৎ ফিল লাইক পরিস্থিতি থাকবে ঝাড়গ্রাম ও বাঁকুড়া জেলাতে। চূড়ান্ত অস্বস্তিকর ঘর্মাক্ত আবহাওয়া থাকবে হুগলি, পূর্ব বর্ধমান বীরভূম এবং মুর্শিদাবাদ জেলাতে। বাকি জেলাতেও গরম ও অস্বস্তিকর আবহাওয়া থাকবে। ১৫ তারিখের পর আপাতত রাজ্যে কোথাও তাপপ্রবাহ নেই। কয়েকটি জেলায় শুরু হবে বৃষ্টি। এখনই দক্ষিণবঙ্গে বর্ষা না প্রবেশ করলেও দুটি নিম্নচাপ অক্ষরেখা সক্রিয় হয়েছে। তাঁর প্রভাবেই দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে আলিপুর হাওয়া অফিস। ১৪ জুন থেকে টানা দু-তিনদিন বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

    আগামী সপ্তাহে বর্ষা মঙ্গল

    গত ৩১ মে থেকে উত্তরবঙ্গে একই জায়গায় আটকে রয়েছে মৌসুমী বায়ু। উত্তরবঙ্গে বর্ষার বৃষ্টি শুরু হলেও দক্ষিণবঙ্গে বরুণদেবের কৃপা এখনও পড়েনি। দক্ষিণবঙ্গে বর্ষা আসার অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হলে তবেই দক্ষিণে বর্ষা প্রবেশের পূর্বাভাস দেওয়া সম্ভব হবে বলে জানিয়ে দিল আলিপুর আবহাওয়া দফতর (Weather Update)। আবহাওয়াবিদরা জানাচ্ছেন, আগামী ২০ জুন মৌসুমী অক্ষরেখা কিছুটা হলেও দক্ষিণবঙ্গের দিকে সরতে পারে। 

    আরও পড়ুন: বৃষ্টি-ধসে বিপর্যস্ত সিকিম, বিপর্যস্ত লাচুং-লাচেন, আটকে ১৫০০ পর্যটক, বিচ্ছিন্ন যোগাযোগ

    উত্তরে বন্যার সম্ভাবনা

    উপরের পাঁচ জেলা দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহার জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির (Heavy Rain in North Bengal) সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া দফতর। বিপর্যস্ত উত্তরবঙ্গ-সিকিমে আরও বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। আরও ৩-৪ দিন ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর হাওয়া অফিস (Weather Update)। কালিম্পঙ, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার- শুক্রবার উত্তরের তিন জেলায় লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। আবহবিদদের শঙ্কা, সিকিম-ভুটানের বৃষ্টিতে ডুবতে পারে উত্তরের সমতল।  বৃহস্পতিবার রাত থেকে উত্তরবঙ্গের একাধিক জায়গায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ভারী বৃষ্টি হচ্ছে। ধূপগুড়ি শহর-সহ গোটা ডুয়ার্স জুড়ে শুরু হয়েছে বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টি। যে কারণে ডুয়ার্সের বিভিন্ন নদীতে  জল বাড়তে শুরু করেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Udayan Guha: বিজেপির ওপর আস্থায় গোঁসা, শহরের বরাদ্দ বন্ধ করলেন উদয়ন!

    Udayan Guha: বিজেপির ওপর আস্থায় গোঁসা, শহরের বরাদ্দ বন্ধ করলেন উদয়ন!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোচবিহারে বিজেপি প্রার্থী নিশীথ প্রামাণিককে প্রায় ৩৯ হাজার ভোটে হারিয়ে জয়ী হয়েছেন তৃণমূল প্রার্থী জগদীশ চন্দ্র  বসুনিয়া। বিপুল পরিমাণ ভোটে জয়লাভ করার পরও কোচবিহারের শহরের ভোটে গো হারা হেরেছে তৃণমূল। বলা যেতে পারে, সব শহরে ছক্কা হাঁকিয়েছে বিজেপি। শহরের ভোট ব্যাঙ্কে ধস নামায় বেজায় চটেছেন তৃণমূল নেতা তথা রাজ্যের উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী উদয়ন গুহ (Udayan Guha)।

    বিজেপির ওপর আস্থায় গোঁসা, শহরের বরাদ্দ বন্ধ করলেন উদয়ন (Udayan Guha)

    বৃহস্পতিবার মাথাভাঙা শহরে তৃণমূলের জয়ী সংসদ জগদীশ চন্দ্র বসুনিয়ার সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে শহরের ভোটে দলের ভরাডুবি নিয়ে এবার মুখ খুললেন মন্ত্রী উদয়ন গুহ (Udayan Guha)। তিনি বলেন, শহরের মানুষ মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন। তৃণমূল সব শহরে হেরেছে, আর তাই আমার দফতরের সব বরাদ্দ বন্ধ। উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দফতর থেকে কোনও বরাদ্দ করিনি মাথাভাঙা, দিনহাটা ও কোচবিহার শহরের জন্য। শহরের মানুষেরা গ্রামের মানুষের থেকে বেশি বুদ্ধিমান, বেশি চালাক। কিন্তু, আমি মাথাভাঙা ১ ব্লকের জন্য চার কোটি টাকা। মাথা ভাঙা ২ ব্লকের জন্য ১০ কোটি টাকা বরাদ্দ করে এসেছি। মাথাভাঙা শহরের জন্য এক টাকাও দিইনি। শুধু মাথাভাঙা শহর নয়, আমার নিজের দিনহাটা শহরের জন্য কোনও টাকা বরাদ্দ করিনি। কোচবিহার শহরের জন্যও এক টাকাও বরাদ্দ করিনি। তিনি আরও বলেন, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্প জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে দেওয়ার বিষয়েও সরকারকে জানানো হবে।

    বিজেপি নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    বিজেপি (BJP) নেতৃত্বের বক্তব্য, একজন মন্ত্রীর মুখে এই ধরনের মন্তব্য মানায় না। বিরোধী দলকে ভোট দিলে সেখানে উন্নয়ন করা হবে না, এটা তৃণমূল দল বলেই সম্ভব। মন্ত্রীর বক্তব্যেই স্পষ্ট তৃণমূল কতটা প্রতিহিংসাপরায়ণ দল। তবে, তৃণমূল যত এরকম দ্বিচারিতা করবে, তত মানুষ ওদের থেকে সরে যাবে। এবার শহরের মানুষ মুখ ফিরিয়েছেন। আগামীদিনে গ্রামের মানুষও এই একই পথে হাঁটবেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • IIT Kharagpur: আন্তর্জাতিক র‌্যাঙ্কিংয়ে এক লাফে ৪৯ ধাপ এগিয়ে গেল খড়্গপুর আইআইটি

    IIT Kharagpur: আন্তর্জাতিক র‌্যাঙ্কিংয়ে এক লাফে ৪৯ ধাপ এগিয়ে গেল খড়্গপুর আইআইটি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার আন্তর্জাতিক র‌্যাঙ্কিংয়ে (Global Ranking) এক লাফে ৪৯ ধাপ এগিয়ে গেল খড়্গপুর আইআইটি (IIT Kharagpur)। যদিও করোনাকালে এই প্রতিষ্ঠানের মান নিয়ে উঠেছিল অনেক প্রশ্ন। ২০২২ সালের তুলনায় গত বছরও পিছিয়ে ছিল এই প্রতিষ্ঠান। ক্রমশ পিছিয়ে যাচ্ছিল প্রযুক্তি বিদ্যার এই বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠানের মান। এইবার ধাপ এগিয়ে যাওয়ায় মান বাড়ল বাংলার। একই ভাবে প্রতিষ্ঠানের পড়ুয়ারাও ব্যাপক উচ্ছ্বসিত। 

    দেশের মধ্যে স্থান চতুর্থ (IIT Kharagpur)

    খড়্গপুর আইআইটি (IIT Kharagpur) দেশের মধ্যে নিজেদের চতুর্থস্থান ধরে রেখেছে। সদ্য প্রকাশিত হয়েছে ‘কিউএস ওয়ার্ল্ড র‌্যাঙ্কিং- ২০২৫’। সেই র‌্যাঙ্কিংয়ে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে এই প্রতিষ্ঠানের র‌্যাঙ্কিং হয়েছে ২২২ তম স্থান। সেই দিক থেকে প্রযুক্তিবিদ্যার অন্যতম সেরা প্রতিষ্ঠান ৪৯ ধাপ এগিয়ে গিয়েছে। গতবার খড়্গপুর আইআইটির র‌্যাঙ্ক ছিল ২৭১। দেশের মধ্যে নিজেদের স্থান ধরে রেখেছে এই আইআইটি। দেশের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলির মধ্যে গত বছরের মতোই এইবারেও চতুর্থ স্থানে রয়েছে বাংলার এই আইআইটি। এই বছরের দেশের সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে প্রথম স্থানে রয়েছে আইআইটি বম্বে। দ্বিতীয় এবং তৃতীয়স্থানে রয়েছে আইআইটি দিল্লি এবং আইআইটি বেঙ্গালুরু। আর চতুর্থ স্থানে রয়েছে খড়্গপুর আইআইটি। এই বারে দেশের ১১টি আইআইটির মধ্যে খড়্গপুর আইআইটি রয়েছে তৃতীয় স্থানে।

    কর্তৃপক্ষের বক্তব্য

    এই বিষয়ে খড়্গপুর আইআইটির (IIT Kharagpur) নির্দেশক বীরেন্দ্রকুমার তিওয়ারি বলেছেন, “এই ভাবেই প্রযুক্তিগত সম্প্রসারণের সুযোগ অর্জন ও মানব-মেশিন সমন্বয় তৈরি করতে হবে। আর এই ভাবেই আমরা উন্নত ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যাবো।” তবে কিউএস ওয়ার্ল্ড র‌্যাঙ্কিং অনুযায়ী এই মান নির্ধারণ হয়েছিল প্রাতিষ্ঠানিক মান, নিয়োগ-কর্তার মান, ছাত্র-শিক্ষক অনুপাত, আন্তর্জাতিক শিক্ষকের সংখ্যা, আন্তর্জাতিক গবেষণা, বিদেশী পড়ুয়ার মতো বেশকিছু মানদণ্ড। খড়্গপুর আইআইটি গত বছর পেয়েছিল ৩৭.৪ শতাংশ নম্বর, আর এইবারে সেই মানদণ্ডে দাঁড়িয়েছে ৪৩.৭ শতাংশ নম্বর।

    আরও পড়ুন: কুয়েতের বহুতলে বিধ্বংসী আগুনে মৃত মেদিনীপুরের দ্বারিকেশ!

    পড়ুয়াদের বক্তব্য

    খড়্গপুর আইআইটির (IIT Kharagpur) কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগের এক তৃতীয় বর্ষের ছাত্র বলেছেন, ‘‘আমাদের আইআইটি আন্তর্জাতিক এই কিউএস র‌্যাঙ্কিং (Global Ranking) অনেক এগিয়ে গিয়েছে। এটা আমাদের কাছে অত্যন্ত খুশি খবর। কিন্তু যদি এক-একটি মানদণ্ড বিশ্লেষণ করা যায়, তা হলে দেখা যাবে কয়েকটি জায়গায় আমরা অনেক পিছিয়ে রয়েছি। আগামী দিনে ছাত্র-শিক্ষক-গবেষক সকলকে আরও ভালো কাজের কথা নিয়ে ভাবতে হবে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kuwait Fire Incident: কুয়েতের বহুতলে বিধ্বংসী আগুনে মৃত মেদিনীপুরের দ্বারিকেশ!

    Kuwait Fire Incident: কুয়েতের বহুতলে বিধ্বংসী আগুনে মৃত মেদিনীপুরের দ্বারিকেশ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কুয়েতের বহুতলে বিধ্বংসী আগুন (Kuwait Fire Incident) লাগার ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৪৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। তার মধ্যে ভারতীয়দের সংখ্যা ৪২ জন। মৃতদের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের এক ব্যক্তির নাম রয়েছে। তাঁর নাম দ্বারিকেশ পট্টনায়ক (৫২)। তিনি মেদিনীপুরের শরৎপল্লি এলাকার বাসিন্দা। উল্লেখ্য কুয়েতের এই আবাসনে বেশিরভাগ ভারতীয় শ্রমিকরা থাকতেন। মৃতদেহগুলিকে দ্রুত ফিরিয়ে আনতে ইতিমধ্যে ভারতীয় বায়ুসেনা কুয়েতের উদ্দেশে রওনা দিয়েছে।

    পরিবারের সূত্রে খবর (Kuwait Fire Incident)

    দ্বারিকেশের আদি বাড়ি ছিল পশ্চিম মেদিনীপুরের দাঁতন-২ ব্লকের তুরকাগড় এলাকায়। মেদিনীপুরে স্ত্রী অন্তরা এবং একাদশ শ্রেণীতে পড়ুয়া এক মেয়ে থাকেন। প্রায় ২০ বছর ধরে কুয়েতে একটি সংস্থায় কাজ করতেন দ্বারিকেশ। তার আগে মুম্বইয়ের একটি সংস্থায় কাজ করতেন তিনি। যে বহু তলে বুধবার আগুন (Kuwait Fire Incident) লেগেছিল তিনি সেখানেই থাকতেন। ঘটনার সম্পর্কে জানতে পেরেই ওই সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করেন তার পরিবারের লোকজন। দ্বারিকেশের স্ত্রী অন্তরার ভাই সায়ন্তন পট্টনায়ক বলেন, “জামাইবাবু রোজ সকালে কাজে বেরনোর আগে বাড়িতে ফোন করতেন। বুধবার দুপুর পর্যন্ত না ফোন করায় বাড়ির লোকদের সন্দেহ হয়। বাড়ি থেকে ফোন করা হলেও তিনি ধরেননি। পরে জামাইবাবুর এক বন্ধুকে ফোন করে সমস্ত ঘটনার বিবরণ জানতে পেরেছি। এরপর আর কিছু খবর পাইনি আমরা। একদিন পর বৃহস্পতিবার ওই সংস্থা থেকে আমাদের জানানো হয় জামাইবাবু মারা গিয়েছেন।” পুজোর সময় দ্বারিকেশের বাড়িতে আসার কথা ছিল। মৃতদেহ কবে বাড়িতে আসবে তা এখনও স্পষ্ট করে জানতে পারেনি পরিবার। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনও যোগাযোগ করা হয়নি।

    আরও পড়ুন: বর্ষার আগেই মালদায় চোখ রাঙাচ্ছে ডেঙ্গি, আক্রান্তের সংখ্যা ১৪২, আতঙ্ক

    আত্মীয়ের বক্তব্য

    দ্বারিকেশের আত্মীয় চিন্ময় মহাপাত্র বলেছেন, “আমি কলকাতায় থাকি। কুয়েতের একটি আবাসনে আগুন লাগার ঘটনা শুনতে পেয়ে জানতে পারি, দ্বারিকেশের আবাসনেই আগুন (Kuwait Fire Incident) লেগেছে। খবরটা এরপর নানা মাধ্যমে দেখা শুরু করি। তারপর কুয়েত দূতাবাসের নম্বরে ফোন করি। ওখান থেকে বলা হয় কলকাতা বিমানবন্দরে দেহ পৌঁছে দেওয়া হবে। কিন্তু সরকারের তরফ থেকে এখনও পরিবারের সঙ্গে সেরকম ভাবে যোগাযোগ করা হয়নি।”   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dengue: বর্ষার আগেই মালদায় চোখ রাঙাচ্ছে ডেঙ্গি, আক্রান্তের সংখ্যা ১৪২, আতঙ্ক

    Dengue: বর্ষার আগেই মালদায় চোখ রাঙাচ্ছে ডেঙ্গি, আক্রান্তের সংখ্যা ১৪২, আতঙ্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বর্ষা আসার আগেই মালদায় ক্রমশ বাড়ছে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা। জেলা স্বাস্থ্য দফতরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে মালদায় এখনও পর্যন্ত ১৪২ জনের রক্তের নমুনায় ডেঙ্গির (Dengue) সংক্রমণ ধরা পড়েছে। যা গতবছরের তুলনায় বেশি। আক্রান্তদের মধ্যে এখন একজন মালদা মেডিক্যাল কলেজে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

    কোন এলাকায় ডেঙ্গি প্রভাব বেশি? (Dengue)

    ইংরেজবাজারের কালিয়াচক ১,২,৩ ব্লকেই ডেঙ্গি (Dengue) আক্রান্তের সংখ্যা বেশি। গত বছর ইংরেজবাজার পুরসভার ২৫টি ওয়ার্ডে মারাত্মকভাবে ডেঙ্গি সংক্রমণ হয়েছিল। সেই কথা মাথায় রেখে এবার প্রথম থেকেই ডেঙ্গি মোকাবিলার চেষ্টা করছে পুরসভা। বাড়ি বাড়ি যাচ্ছেন পুরকর্মীরা। ওয়ার্ড ভিত্তিক নিকাশি নালাগুলি পরিষ্কার করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ইংরেজবাজার পুর কর্তৃপক্ষ। জেলা স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, গত বছরের তুলনায় এই বছর ডেঙ্গি সংক্রমণের আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে। মালদা মেডিক্যাল কলেজে বিনামূল্যে ডেঙ্গির পরীক্ষার জন্য রোগীদের ভিড় বাড়ছে। জ্বর হলেই হচ্ছে আতঙ্ক। বিভিন্ন এলাকা থেকে জ্বরে আক্রান্ত রোগীরা ছুটে আসছেন মেডিক্যাল কলেজের আউটডোরে। রোগীদের রক্তের নমুনা নিয়ে ডেঙ্গি পরীক্ষা করা হচ্ছে। ডেঙ্গি পরিস্থিতি নিয়ে ইতিমধ্যে জেলাশাসক নীতিন সিংহানিয়া মালদা মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষ এবং জেলা স্বাস্থ্য দফতরের কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।

    আরও পড়ুন: বিজেপিতে যোগ দেওয়া এক ক্রিকেটারের ওপর হামলা, অভিযুক্ত তৃণমূল কাউন্সিলর

    মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের কী বক্তব্য?

    মালদার (Malda) মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক সুদীপ্ত ভাদুড়ি বলেন, এ বছর এখনও পর্যন্ত ১৪২ জনের রক্তের নমুনায় ডেঙ্গির (Dengue) সংক্রমণ ধরা পড়েছে। অধিকাংশ রোগীই বাড়িতে থেকে চিকিৎসা করাচ্ছে। কেউ নার্সিংহোমে ভর্তি হয়েছেন। মালদা মেডিক্যাল কলেজেও এক ডেঙ্গি চিকিৎসাধীন রোগী রয়েছেন।

    পুরসভার বিরোধী কাউন্সিলর কী বললেন?

    ইংরেজবাজার (Malda) পুরসভার বিরোধী কাউন্সিলর অম্লান ভাদুড়ি বলেন, ডেঙ্গি সংক্রমণ এলাকায় বাড়ছে। পুরসভার পক্ষ থেকে এলাকা ঠিকমতো সাফাই করা হয় না। পুরসভার নজরদারির অভাবে সংক্রমণের সংখ্যা বাড়ছে। আমাদের পরিষ্কার বক্তব্য, ডেঙ্গি মোকাবিলায় সবরকম পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Soham Chakraborty: চড়কাণ্ডে আদালতে আগাম জামিন সোহমের, সরকারি আইনজীবীর ঘরে থাকা নিয়ে বিতর্ক

    Soham Chakraborty: চড়কাণ্ডে আদালতে আগাম জামিন সোহমের, সরকারি আইনজীবীর ঘরে থাকা নিয়ে বিতর্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিউ টাউনে রেস্তোরাঁর মালিকের ওপর হামলার ঘটনায় মামলা গড়িয়েছে আদালতে। ফৌজদারি সেই মামলায় আগাম জামিন নিতে বারাসত জেলা আদালতে যান অভিনেতা তথা তৃণমূল বিধায়ক সোহম চক্রবর্তী (Soham Chakraborty)। আদালতে আগাম জামিনের আবেদন মঞ্জুর হয়েছে। আদালত দু’হাজার টাকার ব্যক্তিগত বন্ডে তাঁর আগাম জামিন মঞ্জুর করেছে।

    সরকারি আইনজীবীর ঘরে মামলায় অভিযুক্ত সোহম (Soham Chakraborty)

    নিউ টাউনের রেস্তোরাঁর মালিককে মারধরের ঘটনায় আগাম জামিন নিতে বারাসত আদালতে আত্মসমর্পণ করেন সোহম (Soham Chakraborty)। আদালতে জামিনের আবেদন করার পর তিনি প্রায় দুঘণ্টা সরকারি আইনজীবীর ঘরে বসে অপেক্ষা করেন বলে অভিযোগ। এর এই ঘটনা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। কারণ, একজন অভিযুক্ত আদালত কক্ষে না বসে কেন সরকারি আইনজীবীদের বরাদ্দ ঘরে বসেছেন, তা নিয়ে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন। সোহমের আইনজীবীদের ব্যাখ্যা, আদালত চত্বরের বাইরে গেলেও বারাসতের বাইরে তিনি যাননি। আগাম জামিন প্রসঙ্গে সোহম বলেন, “এখনই কোনও মন্তব্য আমি করব না। পুরো বিষয়টি বিচারাধীন।”

    আরও পড়ুন: বিজেপিতে যোগ দেওয়া এক ক্রিকেটারের ওপর হামলা, অভিযুক্ত তৃণমূল কাউন্সিলর

    শুক্রবার মামলার শুনানি!

    ইতিমধ্যেই সোহমের (Soham Chakraborty) বিরুদ্ধে তাঁকে মারধরের অভিযোগ এনে বুধবারই কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন ওই রেস্তোরাঁ-মালিক আনিসুল আলম। পাশাপাশি তাঁর অভিযোগ, সোহমের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করছে না পুলিশ। আনিসুলের আইনজীবী বলেন, আমার মক্কেল এবং পরিবারকে হুমকি দিচ্ছেন জনপ্রতিনিধি সোহম। পুলিশে অভিযোগ জানিয়েও কাজ হয়নি। মামলা দায়ের করার অনুমতি দিয়েছেন বিচারপতি অমৃতা সিংহ। শুক্রবার সেই মামলার শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে। ঠিক তার আগের দিন অর্থাৎ, বৃহস্পতিবার আগাম জামিন নিতে তৃণমূল বিধায়ক বারাসত আদালতে যান। প্রশ্ন উঠছে, তা হলে কি গ্রেফতারির আশঙ্কা করছেন অভিনেতা-বিধায়ক? আর সেই কারণেই কি তড়িঘড়ি আগাম জামিনের পদক্ষেপ?

    প্রসঙ্গত, গত শুক্রবার সন্ধ্যায় নিউ টাউনের রেস্তোরাঁর সামনে শুটিং ইউনিটের গাড়ি রাখা নিয়ে সোহমের নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে বচসা বাধে ওই রেস্তোরাঁর মালিক আনিসুল আলমের। পরে, সোহম (Soham Chakraborty) তাঁকে মারধর করেন। তাঁকে ঘুষি মারা হয়। এমনকী, সোহম তাঁকে সজোরে লাথি মারেন বলেও অভিযোগ আনিসুলের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Madrasa Service Commission: মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনকে জরিমানা, অবিলম্বে নিয়োগের নির্দেশ হাইকোর্টের

    Madrasa Service Commission: মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনকে জরিমানা, অবিলম্বে নিয়োগের নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের মাদ্রাসাগুলিতে শেষ নিয়োগ হয়েছিল বাম আমলে। মমতার জামানায় কোন নিয়োগ হয়নি। এবার রাজ্যের মাদ্রাসায় ৩ হাজার শূন্যপদে অবিলম্বে নিয়োগ করতে নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। একইসঙ্গে (Madrasa Service Commission) কমিশনকে ২ লক্ষ টাকা জরিমানাও করা হল নিয়োগ নিয়ে টালবাহানা করার জেরে।

    মমতার জমানার মাদ্রাসায় নিয়োগ শূন্য

    মমতার জমানার ১৩ বছরে রাজ্যে মাদ্রাসায় নিয়োগ  হয়নি। বৃহস্পতিবার এই মামলায় হাইকোর্টের ভর্ৎসনার মুখে পড়ল রাজ্য। দুই বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের স্পষ্ট নির্দেশ এই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় আর কোন ঢিলেমি বরদাস্ত করা হবে না। কোন অতিরিক্ত সময় দেওয়া হবে না রাজ্যকে। তিন মাসের মধ্যে ৩ হাজার পদে নিয়োগ সম্পন্ন করতে হবে। একই সঙ্গে এতদিন ধরে নিয়োগ না করার জন্য জরিমানাও দিতে হবে মাদ্রাসায় সার্ভিস কমিশনকে (Madrasa Service Commission) । ২০১০ সালে বাম জমানায় মাদ্রাসার শেষ নিয়োগের পরীক্ষা হওয়ার কথাছিল। তবে শিক্ষক পদে নয়, মাদ্রাসার গ্রুপ ডি ৩ হাজার কর্মী নিয়োগ করা হবে বলে সিদ্ধান্ত হয়।

    আরও পড়ুন: শেষ চার বছরে ২০০ কোটি টাকা উপার্জন শাহজাহানের, চার্জশিটে উল্লেখ ইডির

    এরপর বিষয়টি আদালতে চলে যায়। ২০১৯ সালে বিচারপতি রাজশেখর মান্থার একক বেঞ্চ ওই শূন্যপদে ১৪ দিনের মধ্যে পূরণ করা নির্দেশ দিয়েছিল। কিন্তু ওই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে চলে যায় মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশন। পরের বছর একক বেঞ্চের নির্দেশ বহাল রেখেছিল ডিভিশন বেঞ্চ। কিন্তু তারপরেও নিয়োগ হয়নি। এরপর কোভিডের জন্য নির্দেশ কার্যকর করা যায়নি এ কথা জানিয়ে আরও সময় চেয়ে নেয় কমিশন। ছয় মাস পেরিয়ে গেলেও কোভিডের কারণ দেখিয়ে আরও ছয় মাস চেয়ে নেওয়া হয়। এক বছর পেরিয়ে গেলেও নিয়োগ হয়নি মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনের আওতায়।

    মামলাকারীদের বক্তব্য

    মামলাকারীদের আইনজীবী ফিরদৌস শামিম বলেন, “সরকার আসলে চাকরি দিতে চায়না। তাই এ ব্যাপারে উদাসীনতা রয়েছে সরকারের। সরকারের এই উদাসীনতার জন্যই নিয়োগ সম্ভব হয়নি।” বৃহস্পতিবার বিচারপতি দুপক্ষের বক্তব্য শোনার পর আদালতের নির্দেশ কার্যকর না করার জন্য এবং বারংবার সময় চেয়েও নির্দেশ পালন না করার জন্য মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনকে (Madrasa Service Commission) ২ লক্ষ টাকা জরিমানা দেওয়ার নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে তিন মাসের মধ্যে তিন হাজার শূন্যপদে নিয়োগ নিশ্চিত করার কথা বলেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Balurghat: বিজেপিকে ভোট দেওয়ার শাস্তি! ঘোলা জল পরিষেবায় অভিযুক্ত বালুরঘাটের তৃণমূল পুরবোর্ড

    Balurghat: বিজেপিকে ভোট দেওয়ার শাস্তি! ঘোলা জল পরিষেবায় অভিযুক্ত বালুরঘাটের তৃণমূল পুরবোর্ড

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনে ভরাডুবি হয়েছে গঙ্গারামপুর শহরে। তাই, জল, আলো বন্ধ করে পরিষেবা ব্যাহত করার অভিযোগ উঠেছিল তৃণমূল পরিচালিত পুরসভার বিরুদ্ধে। এনিয়ে সরব হয়েছিল বিজেপি। গঙ্গারামপুরের বিজেপি বিধায়ক সত্যেন্দ্রনাথ রায় এনিয়ে মহকুমা প্রশাসনের কাছে অভিযোগও জানিয়েছিলেন। সেই ঘটনার জের মিটতে না মিটতেই এবার বালুরঘাট (Balurghat) শহরেও বেশ কয়েকদিন ধরে ঘোলা জল বের হচ্ছে। এতেই গঙ্গারামপুরের মতো বালুরঘাটেও রাজনীতির গন্ধ পাচ্ছে বিজেপি। ঘোলা জলের পরিষেবায় ক্ষুব্ধ শহরবাসীও।

    ঘোলা পানীয় জল খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছে অনেকে! (Balurghat)

    ঘোলা পানীয় জল খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন অনেকে। বিজেপির ধারণা, ভোটে এই শহরেও পিছিয়ে থাকার জন্য শহরবাসীকে ‘শিক্ষা’ দিচ্ছে তৃণমূল পরিচালিত বালুরঘাট (Balurghat) পুরসভা। এবারের ভোটে বালুরঘাট সহ জেলার তিনটি পুরসভাতেই ব্যাপক ভরাডুবি হয়েছে তৃণমূলের। শহরে পিছিয়ে যাওয়ার কারণেই সামান্য ব্যবধানে হার হয়েছে তৃণমূল প্রার্থীর। বালুরঘাট পুরসভার ২৫ টি ওয়ার্ড। পুরসভার ২৫ টি ওয়ার্ডে তৃণমূলের থেকে ২৫০০০ বেশি ভোট পেয়েছে বিজেপির প্রার্থী সুকান্ত মজুমদার। তারজন্যই কি ঘোলা জল পরিষেবা সরবরাহ করে শহরবাসীকে শিক্ষা দেওয়ার ব্যবস্থা করেছে তৃণমূল? প্রশ্নটা কিন্তু এখন শুধু বিরোধী শিবিরেই আটকে নেই, ছড়িয়ে পড়েছে তিন শহরজুড়েই।

    আরও পড়ুন: বিজেপিতে যোগ দেওয়া এক ক্রিকেটারের ওপর হামলা, অভিযুক্ত তৃণমূল কাউন্সিলর

    বিজেপি নেতৃত্ব কী বললেন?

    বিজেপির (BJP) বালুরঘাট শহরের সভাপতি সমীরপ্রসাদ দত্ত বলেন, “বাড়ি বাড়ি পানীয় জল যেভাবে দেওয়া হয় তা অত্যন্ত বৈজ্ঞানিক। কোনওভাবেই ঘোলা বা নিম্নমানের জল যাওয়ার কথা নয়। কিন্তু, শহরে এমন ঘোলা জল সরবরাহ করে তৃণমূল তাদের রাগ মেটাতে চাইছে। গঙ্গারামপুর পুরসভার তৃণমূল প্রার্থীর চেয়ারম্যানের ভাই সেখানে যা কাণ্ড দেখাচ্ছেন,হয়তো তা দেখে পিছিয়ে থাকতে চাইছেন না বালুরঘাটের পুরপ্রধানও। আমরা তো রাজনীতির গন্ধ পাচ্ছি।”

    বালুরঘাটের পুরপ্রধান কী বললেন?

    বালুরঘাটের (Balurghat) পুরপ্রধান অশোক মিত্র অবশ্য এতে কোনও রহস্য বা রাজনীতি নেই বলেই দাবি করেছেন। তিনি বলেন, ‘তিনদিন ধরে ঘোলা জল এলেও আজ তা স্বাভাবিক হয়েছে। আসলে আত্রেয়ী নদীতে আচমকা জলস্তর বেড়ে গিয়েছে। তাই যে পরিমাণ জল ওভারহেড ট্যাংকে তোলা রয়েছে সেখানে ক্লোরিন ও অন্যান্য ওষুধের পরিমাণ বাড়িয়ে দিতে হয়েছে। আমাদের বিশেষজ্ঞরা মানুষের শরীরের কথা ভেবে এই বিষয়গুলি দেখেন। এর ফলেই এই জল ঘোলা হয়েছে। এই জল যেমন অস্বাস্থ্যকর নয়, তেমনই এর সঙ্গে রাজনীতির কোনও যোগ নেই।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share