Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • North 24 Parganas: বুথে হেরেছে তৃণমূল, বিজেপি কর্মীকে মারধর করে গাড়ি ভাঙচুর

    North 24 Parganas: বুথে হেরেছে তৃণমূল, বিজেপি কর্মীকে মারধর করে গাড়ি ভাঙচুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভায় বিপুল ভোটে জয়লাভ করেছেন তৃণমূল প্রার্থী। তারপরও বিজেপি কর্মীদের ওপর হামলা অব্যাহত। অপরাধ, বুথে লিড পেয়েছে বিজেপি। আর তার জেরেই এক বিজেপি কর্মীকে মারধর করার পাশাপাশি তাঁর গাড়িতে ভাঙচুর চালানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। ভোট পরবর্তী হিংসার ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) বারাসতে। আক্রান্ত বিজেপি কর্মী থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (North 24 Parganas)

    বারাসতের (North 24 Parganas) ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সূর্যসেন পল্লি এলাকাতে বুধবার রাতে  বিজেপি কর্মীকে মারধর করার পাশাপাশি তাঁর গাড়ি ভাঙচুর করার অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। এছাড়াও একাধিক জায়গায় বিজেপির ফ্লেক্স, ফেস্টুন ছিঁড়ে দেওয়া হয়েছে। বেশ কয়েকজন বিজেপি কর্মীকে লাগাতার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। কারও কারও কাছ থেকে টাকা চাওয়া হচ্ছে। স্থানীয় এক বিজেপি নেতা বলেন, বারাসতের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে লোকসভা নির্বাচনে ২০১ ভোটে বিজেপি লিড পেয়েছে। আসলে তৃণমূল কংগ্রেস গোটা লোকসভাতে জয়লাভ করলেও, এই এলাকাতে হেরে যাওয়ার কারণেই বিজেপি কর্মীদের ওপর এই তাণ্ডব চালাচ্ছে। স্থানীয় তৃণমূল কাউন্সিলর অরুণ ভৌমিকের নেতৃত্বে মদ্যপ যুবকরা এসব করছে। আমরা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছি।

    আরও পড়ুন: কুয়েতে মৃত ভারতীয়দের পরিবারকে ২ লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ, সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রীর

    তৃণমূল নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    যদিও বারাসত পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান তাপস দাশগুপ্ত বলেন, সম্পূর্ণ মিথ্যা কথা। নিজেদের মধ্যে গন্ডগোল। সেটা তৃণমূল কংগ্রেসের ওপরে চাপিয়ে খবরের শিরোনামে আসার চেষ্টা করছে বিজেপি।

    অশোকনগরে বিজেপি কর্মীর দোকান ভাঙচুর

    উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) অশোকনগরে বিজেপি কর্মীর দোকান ভাঙচুরের অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। ভোটের আগে থেকে বিজেপির হয়ে কাজ না করার জন্য হুমকি দিয়েছিলেন তৃণমূল কর্মীরা। কিন্তু, বিজেপি কর্মী তা না শুনেই দলের হয়ে কাজ করেছিলেন। বুধবার রাতে বিজেপি কর্মীর দোকানে ভাঙচুর চালানো হয় বলে অভিযোগ। বিজেপি কর্মীর পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি অব্যাহত, বৃষ্টি হলেও কমবে না গরম! কী বলছে হাওয়া অফিস?

    Weather Update: আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি অব্যাহত, বৃষ্টি হলেও কমবে না গরম! কী বলছে হাওয়া অফিস?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সকাল থেকে ফের ভ্যাপসা গরম। রোদের তেজ একটু কমলেও বৃহস্পতিবারও আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তিতে ভুগছে কলকাতা। বুধবার রাতে এক পশলা বৃষ্টি হলেও ভেজেনি পথ-ঘাট। আজ, বৃহস্পতিবারও একাধিক জেলায় বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস (Weather Update)। তবে, বৃষ্টি হলেও এখনই গরম কমবে না, মত আবহবিদদের। সাময়িক স্বস্তি মিললেও, পাকাপাকি বর্ষা আসতে এখনও দেরি আছে। 

    শহরের আবহাওয়া

    বুধবার দক্ষিণবঙ্গের কিছু জেলায় ছিটেফোঁটা বৃষ্টিপাত হয়। বৃহস্পতিবার দক্ষিণবঙ্গের কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, উত্তর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনা সহ- সমস্ত জেলাগুলিতেই বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হতে পারে। তবে শনিবার কলকাতায় বেশি বৃষ্টি হতে পারে। এদিন কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, উত্তর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব এবং পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রামে রয়েছে বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস রয়েছে। সঙ্গে ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে বইতে পারে ঝোড়ো হাওয়া। ১৫ তারিখের পর থেকে ধীরে ধীরে বৃষ্টির (Weather Update) পরিমাণ বাড়বে তিলোত্তমায়। 

    তাপপ্রবাহের সতর্কতা

    বৃহস্পতিবার পশ্চিমের তিন জেলা পশ্চিম বর্ধমান, পশ্চিম মেদিনীপুর এবং পুরুলিয়াতে তীব্র তাপপ্রবাহের সতর্কতা (Weather Update) রয়েছে। ঝাড়গ্রাম এবং বাঁকুড়াতে মৃদু তাপপ্রবাহ হতে পারে। বৃহস্পতিবার শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৭.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ০.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি। এদিন বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ ছিল সর্বাধিক ৮৭ শতাংশ এবং সর্বনিম্ন ৬১ শতাংশ। বৃহস্পতিবার শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকতে পারে ৩৬ ডিগ্রি এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি।

    আরও পড়ুন: অর্শদীপের ম্যাজিক স্পেল, সূর্যের অর্ধশতরান! আমেরিকাকে হারিয়ে সুপার এইটে ভারত

    কবে আসবে বর্ষা

    দক্ষিণবঙ্গে ২১ জুন প্রবেশ করতে পারে বর্ষা, আপাতত এমনই মনে করছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর (Weather Update)। ১৫ জুন থেকে বাড়তে পারে বৃষ্টির পরিমাণ। গতকাল উত্তরের উপরের দিকের ৫ জেলাতেও ভারী বৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে আজও। ভিজতে পারে মালদহ এবং দক্ষিণ দিনাজপুর।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Leaps And Bounds Case: “‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসে’র সোর্স অফ মানি কি?” প্রশ্ন আদালতের

    Leaps And Bounds Case: “‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসে’র সোর্স অফ মানি কি?” প্রশ্ন আদালতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “কিছু আধিকারিকের মধ্যে তদন্তে গাফিলতির প্রবণতা দেখা দিয়েছে।” বুধবার প্রাথমিক নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় ইডির আধিকারিকদের উদ্দেশে (Leaps And Bounds Case) একথা বলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহা। প্রাথমিক নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় ইডির আধিকারিকদের একাংশের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন বিচারপতি সিনহা।

    কী বললেন বিচারপতি? (Leaps And Bounds Case)

    তিনি বলেন, “আপনাদের কিছু আধিকারিককে সতর্ক হতে বলুন। আদালতের কাছেও বিভিন্ন তথ্য আসছে। বিশ্বাসযোগ্য সূত্র থেকেই সেই তথ্যগুলি আসছে। কিছু আধিকারিকের মধ্যে তদন্তে গাফিলতির প্রবণতা দেখা দিয়েছে। কী তদন্ত করা হবে, কী তদন্ত করা হবে না, তা নিয়ে বাছবিচার করা হচ্ছে।” তিনি বলেন, “আদালতের নজরদারিতে তদন্ত চলছে। তাই আমার কাছেও কিন্তু খবর আসছে। চূড়ান্তভাবে সতর্ক থাকতে (Leaps And Bounds Case) বলুন আপনার অফিসারদের।”

    ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস’

    এই প্রসঙ্গেই উঠে আসে ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসে’র প্রসঙ্গ। বিচারপতি সিনহা বলেন, “লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসের কী সম্পত্তি পাওয়া গিয়েছে সেটা আপনারা জানেন, কোর্টও জানে। সোর্স অফ মানি কী? কোথা থেকে আসছে সেই টাকা, সেটা জানা দরকার। যা তথ্য আপনাদের রিপোর্ট থেকে দেখেছি, সেখানে কোম্পানি কোনও অর্থ জেনারেট করেনি। অন্য কোনও জায়গা থেকে এসেছে সেই টাকা।” এদিন ইডির তরফে আদালতে জানানো হয়, এখনও পর্যন্ত কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ১৪৮ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে। সিবিআই বাজেয়াপ্ত করেছে ১৩ কোটি টাকার সম্পত্তি। লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস সংস্থার মোট সাড়ে ৭ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বলেও দাবি করা হয় ইডির তরফে।

    আর পড়ুন: দাউ দাউ করে জ্বলছে আগুন, কুয়েতের বহুতলে জীবন্ত দগ্ধ ৪০ ভারতীয়

    প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় মুখবন্ধ খামে রিপোর্ট পেশ করে সিবিআই এবং ইডি। এই মামলায় অন্যতম অভিযুক্ত ‘কালীঘাটের কাকু’ ওরফে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের কণ্ঠস্বরের নমুনা পরীক্ষা করার পর কেন তদন্ত এগোচ্ছে না, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে আদালত। এই মামলায় গত সেপ্টেম্বর মাসে রাজ্যকে একটি রিপোর্ট জমা দিতে বলেছিল আদালত। রাজ্য এখনও সেই রিপোর্ট জমা না দেওয়ায়ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন বিচারপতি সিনহা। এই মামলার পরবর্তী শুনানি ৩০ জুলাই (Leaps And Bounds Case)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Kalyani: ডায়ালিসিস করাতে এসে কল্যাণী হাসপাতালে রোগী মৃত্যু! আন্দোলনে বিজেপি

    Kalyani: ডায়ালিসিস করাতে এসে কল্যাণী হাসপাতালে রোগী মৃত্যু! আন্দোলনে বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডায়ালিসিস করাতে এসে কর্তৃপক্ষের গাফিলতিতে যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় উত্তেজনা ছড়াল নদিয়ার কল্যাণী (Kalyani) জেএনএম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম রাহুল সূত্রধর (২১)। হাসপাতালের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ দেখান বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা। এই বিক্ষোভ-আন্দোলনে পরিবারের লোকজনের সঙ্গে ছিলেন কল্যাণীর বিজেপি বিধায়ক অম্বিকা রায়।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Kalyani)

    পরিবার সূত্র থেকে জানা গিয়েছে, রাহুল সূত্রধর গত তিন দিন আগে হাসপাতালে (Kalyani) ভর্তি হন। পরপর তাঁর ডায়ালিসিস চলছিল। মঙ্গলবারও তাঁর ঠিকঠাক ডায়ালিসিস হয়েছে। বুধবার বেলা ১২টা নাগাদ তাঁর ডায়ালিসিস হওয়ার কথা। সেই মতো রোগীকে ডায়ালিসিস ওয়ার্ডে রেখে পরিবারের লোকজন নীচে অপেক্ষা করতে থাকেন। পরিবারের লোকজনকে জানিয়ে ওয়ার্ড থেকে রোগীকে ছাড়ার কথা। কিন্তু, সেটা না করেই ডায়ালিসিস হওয়ার পর রোগীকে ছেড়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। আর এরপরই ওই রোগী হাসপাতালের তিনতলা বিল্ডিং থেকে সিঁড়ি দিয়ে নামতে গিয়ে নীচে পড়ে যান। হাসপাতালের গেটের বাইরে অজ্ঞান অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায় তাঁকে। কেউ তাঁকে সাহায্য করতে এগিয়ে যাননি। রোগীর পরিবারের লোকজনের অভিযোগ, এদিন সাড়ে তিনটে নাগাদ ওয়ার্ডে গিয়ে জানতে পারি, রোগী নেই। এরপরই আমরা রোগীকে খোঁজা শুরু করি। হাসপাতলের একপাশে রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁকে আমরা উদ্ধার করি। এরপর জরুরি বিভাগে তাঁকে ভর্তি করি। কিছুক্ষণ পরই রোগীর মৃত্যু হয়। হাসপাতালের গাফিলতির জন্য একটি তরতাজা প্রাণ চলে গেল। আমরা দোষীদের শাস্তি দাবি করছি।

    আরও পড়ুন: সুকান্তর গড়ে তৃণমূলকে ধরাশায়ী করে গ্রামীণ ভোটেও থাবা বিজেপির

    দোষীদের শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ বিজেপির

    রোগী মৃত্যুর পরই পরিবারের লোকজন ও বিজেপি কর্মীরা বিক্ষোভে সামিল হন। কল্যাণীর (Kalyani) বিজেপির বিধায় অম্বিকা রায় বলেন, এই হাসপাতালের দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসার গাফিলতি  অভিযোগ রয়েছে। ডায়ালিসিস রুমে এসি নেই। দীর্ঘ কয়েক ঘণ্টা হয়ে গেল দেহ পড়ে রয়েছে, কোনও রকম প্রশাসনিক তৎপরতা নেই। আমাদের দাবি, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ডায়ালিসিস ইউনিটে বিকল এসি মেশিন ঠিক করতে হবে। নাহলে আমরা বৃহত্তরও আন্দোলনে নামব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jamai Sasthi: নিয়ম নিষ্ঠা মেনে ৬০ উর্ধ্ব জামাইকে ষষ্ঠীর বরণ করলেন ১০০ ছুঁই ছুঁই বৃদ্ধা

    Jamai Sasthi: নিয়ম নিষ্ঠা মেনে ৬০ উর্ধ্ব জামাইকে ষষ্ঠীর বরণ করলেন ১০০ ছুঁই ছুঁই বৃদ্ধা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নদিয়ার মাজদিয়ার বাসিন্দা ফুলিতা দাঁ। বয়স প্রায় ১০০ কাছাকাছি হতে চলেছে। স্বাভাবিকভাবেই জামাই এর বয়সও ৬০ পেরিয়ে গিয়েছে। তবে, বয়স বেড়ে গেলেও নদিয়ার মাজদিয়ার দাঁ পরিবারে বাঙালি রীতিনীতিতে ভাটা পড়েনি এতটুকুও। প্রতিবছর জামাইষষ্ঠীর দিনে রীতি রেওয়াজ মেনে ফুলিতা দেবী জামাইকে বরণ করেন। এবারও নিয়ম নিষ্ঠা মেনে ৬০ উর্ধ্ব জামাইয়ের ষষ্ঠীর (Jamai Sasthi) বরণ করলেন তিনি।

    নিয়ম নিষ্ঠা মেনে ৬০ উর্ধ্ব জামাইয়ের ষষ্ঠীর বরণ করেন বৃদ্ধা! (Jamai Sasthi)

    সম্পূর্ণ বাঙালি প্রথায় ফুলিতা দেবী বরণ করেন তাঁর জামাইকে। আসনে বসে থাকেন জামাই এবং তাঁর পাশে মেয়ে- নাতি। এরপর জামাইয়ের সামনে দেওয়া হয় ফলাহার। যার মধ্যে থাকে দই, চিড়ে,আম, কাঁঠাল, কলা। প্রথমে গঙ্গাজল সহযোগে পান পাতা দিয়ে শাশুড়ি মা তাঁর জামাই ও মেয়েকে বরণ করেন। এরপর ধান দুব্য দিয়ে জামাই- মেয়ে এবং তাঁর সঙ্গে নাতিকেও করেন আশীর্বাদ। এরপর পাঁচ রকমের গোটা ফল কাঁসার থালায় জামাইয়ের হাতে তুলে দেন শাশুড়ি। তারপর তালপাতার পাখা দিয়ে জামাইকে হাওয়া করা হয়, যেটি অন্যতম রীতি জামাই ষষ্ঠীর (Jamai Sasthi)। এরপর নিজের হাতে খাইয়ে দেন জামাইকে দই এবং মিষ্টি। ৬০ ঊর্ধ জামাইও ফি বছর শাশুড়ি মায়ের থেকে আশীর্বাদ নিতে অপেক্ষা করে থাকেন এই দিনটির জন্য।

    আরও পড়ুন: সুকান্তর গড়ে তৃণমূলকে ধরাশায়ী করে গ্রামীণ ভোটেও থাবা বিজেপির

    আমার পরম সৌভাগ্য, বললেন জামাই

    বৃদ্ধা ফুলিতা দেবী বলেন, “আমি  যতদিন জীবিত থাকব এবং আমার সামর্থ্য থাকবে ততদিন এই রীতিনীতি পালন করে যাব।” শাশুড়ি মায়ের স্নেহ ও শ্রদ্ধা দেখে অসম্ভব খুশি ৬০ ঊর্ধ্ব জামাই স্বয়ং বিনয় কুমার পোদ্দার। তিনি বলেন, “ভীষণই ভালো লাগছে আমার। এটি আমার পরম সৌভাগ্য যে এই বয়সেও আমার শাশুড়ি মা জামাইষষ্ঠীর (Jamai Sasthi) রীতিনীতি পালন করে যাচ্ছেন। তারজন্য আমি কৃতার্থ।” স্বাভাবিকভাবেই জামাইষষ্ঠী উপলক্ষে খাওয়া-দাওয়ার পর্ব ছাপিয়ে এই বাঙালি অনুষ্ঠানের যে রীতিনীতি আজও বজায় রেখেছেন ফুলিতা দেবী তা সমাজের চোখে স্থাপন করেছে দৃষ্টান্ত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sheikh Shahjahan: বাড়িতে অস্ত্র লুকোতেই ইডির উপর হামলা! সন্দেশখালি কাণ্ডে চাঞ্চল্যকর দাবি সিবিআইয়ের

    Sheikh Shahjahan: বাড়িতে অস্ত্র লুকোতেই ইডির উপর হামলা! সন্দেশখালি কাণ্ডে চাঞ্চল্যকর দাবি সিবিআইয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও সংবাদ শিরোনামে সন্দেশখালি। ইডির ওপর হামলার ঘটনায় এবার চাঞ্চল্যকর দাবি সিবিআইয়ের। বুধবার ইডির ওপর হামলা সংক্রান্ত চার্জশিট জমা দেয় সিবিআই। আর সেখানেই উল্লেখ করা হয়, শাহজাহানের (Sheikh Shahjahan) বাড়িতে বিপুল বেআইনি অস্ত্র মজুত করে রাখা হয়েছিল। ইডির হাত থেকে তা বাঁচাতেই তদন্তকারীদের উপর হামলা করা হয়। একইসঙ্গে পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগও তুলেছে সিবিআই। 

    সিবিআই-এর দাবি (CBI) 

    সম্প্রতি সন্দেশখালি কাণ্ডে বসিরহাট মহকুমা আদালতে চার্জশিট পেশ করেছে সিবিআই। যেখানে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা দাবি করেছে, গত জানুয়ারি মাসে শাহজাহানের বাড়িতে তল্লাশি করতে গিয়ে ইডির উপর যে হামলা হয়, সেই সময় শাহজাহানের (Sheikh Shahjahan) বাড়িতে লুকানো ছিল বিপুল অস্ত্রভান্ডার। বিপুল পরিমান অস্ত্র লুকোতেই ইডির ওপর হামলার পরিকল্পনা করেছিলেন শেখ শাহাজাহান। আর এই কাজে তাঁকে সহায়তা করেন তাঁর দুই ভাই শেখ আলমগীর ও গিয়াসউদ্দিন মোল্লা। সিবিআই (CBI) সূত্রে জানা গিয়েছে ইডির অভিযানের কথা আগাম জানতে পেরে যান সন্দেশখালির বাদশা শেখ শাহাজাহান। তখনই দেরি না করে তিনি ভাই শেখ আলমগীর ও গিয়াসুদ্দিন মোল্লাকে নির্দেশ দেন বাড়িতে মজুত করে রাখা অস্ত্র যেন সরিয়ে ফেলা হয়। বেশিরভাগই অস্ত্রই ছিল লাইসেন্স ছাড়া। সেই নির্দেশ মতোই তাঁদের সহযোগী আবু তালেবের বাড়িতে অস্ত্র রেখে আসে অভিযুক্ত শেখ আলমগীর ও গিয়াসউদ্দিন। তারপর ইডি আধিকারীকেরা সন্দেশখালিতে পা রাখলে তাঁদের ওপর চড়াও হয় গ্রামবাসীরা।
    সিবিআই-এর (CBI) ওই চার্জশিটে শেখ শাহজাহানকেই (Sheikh Shahjahan) মাস্টারমাইন্ড বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে অস্ত্র যে সন্দেশখালিতেই ছিল, তা প্রমাণ হয়ে গেছে গত এপ্রিল মাসেই। ২৬ এপ্রিল প্রচুর বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার হয়েছিল ওই এলাকায়। তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্য হাফিজুল খা-এর আত্মীয় আবুতালেব মোল্লার তাঁর বাড়ি থেকে বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র ও বোমা উদ্ধার হয়। সে দিন এলাকায় পৌঁছেছিল এনএসজি। পরে ওই সন্দেশখালিতেই গোলাম শেখ নামে আর এক ব্যক্তির কাছ থেকেও উদ্ধার হয় আগ্নেয়াস্ত্র।  

    আরও পড়ুন: চড়কাণ্ডে সোহমের বিরুদ্ধে মামলা রেস্তোরাঁ মালিকের, উঠল পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগও

    পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ 

    অন্যদিকে, সন্দেশখালি (Sandeskhali) কাণ্ডে পুলিশি নিষ্ক্রিয়তারও অভিযোগ তোলে সিবিআই। সিবিআই (CBI) সূত্রের খবর, গত ৫ জানুয়ারি যখন ইডির আধিকারিকদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে তখন ঘটনাস্থলে ছিলেন এক সিভিক ভলান্টিয়ার। শেখ শাহজাহান মার্কেটের বাইরেই তিনি কর্মরত ছিলেন। সেই ভলান্টিয়ারের বয়ান নিয়েছে সিবিআই। তাঁর বয়ান অনুযায়ী, ওইদিন শাহজাহান মার্কেটের পিছনে যে সকাল থেকে অচেনা মানুষদের ভিড় জমতে শুরু করে তা তিনি সকাল সাড়ে ৭টা নাগাদ থানায় জানিয়েছিলেন। বেশ কিছু ভিডিও ফুটেজ দেখে ওই জমায়েতে জিয়াউদ্দিন সহ আর কারা উপস্থিত ছিলেন তাঁদের শনাক্তও করেছেন তিনি। এরপর সকাল ৯টা নাগাদ ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। সেক্ষেত্রে আগে থেকে খবর থাকা সত্ত্বেও কেন প্রায় দেড় ঘণ্টা দেরিতে পুলিশ সেখানে পৌঁছল, সেই প্রশ্নও তুলেছেন সিবিআই আধিকারিকেরা। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nadia: সোহম বিতর্কের মাঝে তৃণমূল কাউন্সিলরের দাদাগিরি! বন্ধ করে দেওয়া হল পুরসভার ক্যাফে

    Nadia: সোহম বিতর্কের মাঝে তৃণমূল কাউন্সিলরের দাদাগিরি! বন্ধ করে দেওয়া হল পুরসভার ক্যাফে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিউ টাউনে তৃণমূল বিধায়ক সোহমের দাদাগিরি নিয়ে রাজ্যজুড়ে  তোলপাড় চলছে। এই বিতর্কের মাঝে এবার পুরসভা পরিচালিত ক্যাফেতে তালা ঝোলানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূল কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার (Nadia) কৃষ্ণনগর শহরে। এমনকী ক্যাফের পাশের পার্কটিও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। নদিয়ার কৃষ্ণনগরের কদমতলা ঘাটের পাশের পার্ক ও ক্যাফেটি তৃণমূল পরিচালিত পুরসভায় তৈরি করেছিল। প্রশ্ন উঠছে, একজন কাউন্সিলর কী ভাবে পুরসভার কোনও প্রকল্প বন্ধ করে দিতে পারেন!

    তৃণমূল কাউন্সিলরের দাদাগিরি, বন্ধ করে দেওয়া হল পুরসভার ক্যাফে (Nadia)

    বেশ কিছুদিন আগে কৃষ্ণনগর (Nadia) পুরসভার উদ্যোগে কদমতলা ঘাটের পাশে পার্ক ও ক্যাফে গড়ে ওঠে। ক্যাফে পরিচালনার জন্য প্রলয় ভট্টাচার্য নামে একজনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। সেখানে তৃণমূল কাউন্সিলর পলাশ দাসের নেতৃত্বে বেশ কয়েকজন তৃণমূল কর্মী গিয়ে দাদাগিরি দেখান বলে অভিযোগ। ক্যাফের মালিক প্রলয় ভট্টাচার্য বলেন, “আমি ক্যাফেতে বসেছিলাম। কাউন্সিলরের নেতৃত্বে কয়েকজন ছেলে এসে জোর করে ক্যাফে বন্ধ করে দেয়। আমাদের গালিগালাজ করা হয়। হুমকিও দেওয়া হয়। পুরসভায় অভিযোগ জানিয়েছি।” এ নিয়ে পুরসভার ওই কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ জমা করেছেন ক্যাফের মালিক। অভিযোগ খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন চেয়ারপার্সন রীতা ঘোষ।

    আরও পড়ুন: সুকান্তর গড়ে তৃণমূলকে ধরাশায়ী করে গ্রামীণ ভোটেও থাবা বিজেপির

    অভিযুক্ত তৃণমূল কাউন্সিলরের কী বক্তব্য?

    তৃণমূল কাউন্সিলর (Nadia) পলাশ দাস বলেন, “এই অভিযোগ মিথ্যা। ওই ক্যাফে এবং পার্কের কিছু অংশ আমার ভাইয়ের ওয়ার্ডেও পড়ে। কবে ওই পার্কের কাজ ও ক্যাফের টেন্ডার ডাকা হয়েছে তা আমরা জানতে চেয়েছিলাম। কিন্তু, পুরসভা আমাদের কিছুই জানায়নি। আমরা গিয়েছিলাম, এটা সত্যি। কিন্তু, ক্যাফেতে উপস্থিত কারও সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করা হয়নি। আমরা অনুরোধ করেছিলাম ক্যাফে বন্ধ রাখার জন্য।” প্রসঙ্গত, কৃষ্ণনগর পুরসভার নির্বাচিত কাউন্সিলরেরা বর্তমানে আড়াআড়িভাবে বিভক্ত। পূর্ত বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত শিশির কর্মকারের গোষ্ঠীর সঙ্গে চেয়ারপার্সন রীতা ঘোষ গোষ্ঠীর দ্বন্দ্ব চরমে। যার ফলশ্রুতি হিসাবে চেয়ারপার্সনের বিরুদ্ধ গোষ্ঠীর দুই তৃণমূল কাউন্সিলর প্রকাশ দাস এবং পলাশ দাস রীতার সঙ্গে একাধিক বিষয়ে দ্বন্দ্বে জড়ান। তারই সর্বশেষ সংযোজন এই ক্যাফে বন্ধ করে দেওয়ার ঘটনা।

    দাদাগিরি সহ্য করব না!

    চেয়ারপার্সন রীতা ঘোষ বলেন, “আমি অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি মহকুমাশাসক-সহ শীর্ষ প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। কৃষ্ণনগর শহরের সৌন্দর্যায়নের কাজের জন্য পার্ক ও ক্যাফে পুরসভার পক্ষ থেকে তৈরি করা হয়েছিল। আগামীদিনে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করা হবে। তবে, কোনও ব্যক্তির দাদাগিরি মেনে নেব না।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Soham Chakraborty: চড়কাণ্ডে সোহমের বিরুদ্ধে মামলা রেস্তোরাঁ মালিকের, উঠল পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগও

    Soham Chakraborty: চড়কাণ্ডে সোহমের বিরুদ্ধে মামলা রেস্তোরাঁ মালিকের, উঠল পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিউটাউনের রেস্তোরাঁ মালিককে নিগ্রহের ঘটনায় এবার জল গড়াল আদালতে। অভিনেতা তথা চণ্ডীপুরের বিধায়ক সোহম চক্রবর্তীর (Soham Chakraborty) বিরুদ্ধে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন ওই রেস্তোরাঁর মালিক আনিসুল আলম। পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ তুলে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, সোহমের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ করছে না পুলিশ। এ বিষয়ে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিন‍্‍হার একক বেঞ্চ মামলা করার অনুমতি দিয়েছেন রেস্তোরাঁর মালিককে। চলতি সপ্তাহেই এই মামলার শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে।

    সোহমের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রেস্তোরাঁর মালিক (Soham Chakraborty) 

    রেস্তোরাঁ মালিক আনিসুল ইসলাম ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন ধরনের হুমকির মুখে পড়ছেন বলে অভিযোগ। এমন অবস্থায় নিজেদের নিরাপত্তা ও যথাযথ তদন্তের আবেদন জানিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন রেস্তোরাঁর মালিক। একইসঙ্গে পুলিশের ভূমিকা নিয়েও অসন্তোষ রয়েছে মামলাকারী পক্ষের। আনিসুলের আইনজীবীর দাবি, তাঁর মক্কেল এবং পরিবারকে হুমকি দিচ্ছেন ওই জনপ্রতিনিধি। পুলিশে অভিযোগ জানিয়েও কাজ হয়নি। ঘটনার পর থেকেই নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন ওই রেস্তোরাঁর মালিক। সেই প্রেক্ষিতে হাইকোর্টে (Calcutta High Court) সোহমের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন তিনি। 

    আরও পড়ুন: পরবর্তী সেনাপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী, চলতি মাসেই দায়িত্ব গ্রহণ

    হোটেল মালিকের অভিযোগ 

    অনিসুল অভিযোগ করেন, “ঘটনার পর তাঁকে থানায় ডেকে বিষয়টি মিটমাট করে নিতে চাপ দেওয়া হয়। তাতে রাজি না হওয়ায় তৃণমূল বিধায়কের (Soham Chakraborty) পক্ষ থেকে তাদের নানা রকম হুমকি দেওয়া হচ্ছে। রেস্তোরাঁ বন্ধ করে দেওয়ার হুমকিও এসেছে। সমস্ত কথা পুলিশকে জানালেও সোহমের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করছে না থানা। তার জেরেই তিনি হাইকোর্টের (Calcutta High Court) দ্বারস্থ হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।” যদিও পরে অভিনেতার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের হয়। 

    ঠিক কী ঘটেছিল?  

    গত শুক্রবার সন্ধ্যেবেলা শুটিং করতে গিয়ে নিউটাউন সাপুরজি এলাকার একটি রেস্তোরাঁর মালিককে মারধরের অভিযোগ উঠেছিল সোহম চক্রবর্তীর (Soham Chakraborty) বিরুদ্ধে। এরপর মারধরের অভিযোগ স্বীকার করে সোহম দাবি করেছিলেন, বচসা চলাকালীন হোটেল মালিক তাঁর নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে কটূক্তি করেন। এতেই রেগে যান তিনি। আর তখনই সূত্রপাত হয় এই ঘটনার। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Central Team: এবার গন্তব্য জঙ্গলমহল, ভোট মিটতেই ফের রাজ্যে আসছে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল

    Central Team: এবার গন্তব্য জঙ্গলমহল, ভোট মিটতেই ফের রাজ্যে আসছে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটে ফের একবার তৈরি হয়েছে এনডিএ সরকার। শপথ গ্রহণের পরেই কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিনিধি দলের (Central Team) আনাগোনা শুরু হতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গে। এমনটাই জানা গিয়েছে। জানা যাচ্ছে চলতি মাসের ২৩ তারিখ কলকাতায় আসছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের এক প্রতিনিধি দল। জঙ্গলমহলের জেলাগুলিতে নিরাপত্তার জন্য কেন্দ্র সরকার যে অর্থ বরাদ্দ করেছে, সেগুলিকে কিভাবে খরচ করা হয়েছে, সে সম্পর্কে বিস্তারিত রিপোর্ট নেবে ওই দলটি।

    নিরাপত্তার জন্য অর্থ বরাদ্দ জঙ্গলমহলে

    প্রসঙ্গত, বামফ্রন্ট জমানার শেষের দিকে জঙ্গলমহল (Central Team) একেবারে মাওবাদীদের মুক্তাঞ্চলে পরিণত হয়েছিল। ২০০৮ সালের ২ নভেম্বর মাওবাদীরা হামলা চালায় তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের কনভয়ে। এরপরেই সেখানে মাওবাদীদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ শুরু করা হয়। শুরু হয়েছিল অপারেশন গ্রিন হান্ট। সেই প্রকল্পে অর্থ বরাদ্দ শুরু করে কেন্দ্রীয় সরকার। বর্তমানে জঙ্গলমহলে মাওবাদীদের উপদ্রব কমে গেলেও যৌথ বাহিনীর একটি অংশ থেকেই গিয়েছে। যার জন্য কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রককে অর্থ বরাদ্দ করতে হয়। সেই অর্থ কোন খাতে কিভাবে খরচ করা হয়েছে তা জানতেই প্রতিনিধি দল আসছে পশ্চিমবঙ্গে।

    ২৩ থেকে ২৮ জুন পশ্চিমবঙ্গে কাজ করবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের প্রতিনিধি দলটি 

    সূত্রের খবর, ২৩ থেকে ২৮ জুন পশ্চিমবঙ্গে কাজ করবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের প্রতিনিধি দলটি (Central Team)। তবে কেমন কাজ করবে তারা, কোন ধরনের কাজ তারা করবে, সে বিষয়ে এখনও স্পষ্ট কিছু জানা যায়নি। প্রশাসনিক সূত্রের খবর, মূলত অর্থের সমীক্ষা করতেই আসছে এই দল। পশ্চিমবঙ্গের একাধিক প্রকল্পে কেন্দ্রীয় অর্থ নয়ছয়ের অভিযোগ উঠেছে। প্রধানমন্ত্রী গ্রাম সড়ক যোজনার নাম বদল থেকে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার নাম বদলের অভিযোগ উঠেছে রাজ্যের বিরুদ্ধে। এই সমস্ত প্রকল্পের টাকা নয়ছয়ের অভিযোগে এর আগেও কেন্দ্রীয় দল এসেছে রাজ্যে। ১০০ দিনের কাজে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। যার জেরে কেন্দ্রীয় সরকার বন্ধ করে দেয় এই প্রকল্পের টাকা। এরই মধ্যে লোকসভা ভোট শেষ হতে ফের একবার রাজ্যে পা রাখছে কেন্দ্রীয় দল। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Anubrata Mondal: অনুব্রত-চন্দ্রনাথের বুথেও লিড বিজেপির, বোলপুরে ধরাশায়ী তৃণমূল

    Anubrata Mondal: অনুব্রত-চন্দ্রনাথের বুথেও লিড বিজেপির, বোলপুরে ধরাশায়ী তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) গড় বোলপুরে এবার লোকসভা ভোটে দাঁত ফোটাতে পারেনি তৃণমূল। পুরসভার অধিকাংশ ওয়ার্ডে লিড পেয়েছে বিজেপি। জেলার দুটি কেন্দ্রে বিপুল ভোটে তৃণমূল জয়লাভ করেছে। কিন্তু, বোলপুর শহরে শাসক দলের ভোট ব্যাঙ্কে কেন এরকম ভরাডুবি হল তা নিয়ে দলের অন্দরে চর্চা শুরু হয়েছে।

    অনুব্রত-চন্দ্রনাথের বুথেও লিড বিজেপির, বোলপুরে ধরাশায়ী তৃণমূল (Anubrata Mondal)

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে বোলপুর শহরে ২০টি ওয়ার্ডের মধ্যে ১৫টিতে তৃণমূলের থেকে বিজেপি এগিয়েছিল। সেবার অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) ওয়ার্ডেও বিজেপি পিছনে ফেলে দেয় শাসকদলকে। গত বিধানসভা নির্বাচনে বোলপুর আসন থেকে জয় এলেও শহরের ১৪টি ওয়ার্ডেই বিজেপি এগিয়েছিল। সেই নির্বাচনেও অনুব্রতের ওয়ার্ড থেকে জয় মেলেনি তৃণমূলের। যা অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায় দলীয় নেতৃত্বের কাছে। তবে, ২০২২ সালের পুরসভা নির্বাচনে বোলপুরে ২২টি ওয়ার্ডের মধ্যে একটিতেও প্রার্থী দিতে পারেনি বিজেপি। ১০টি ওয়ার্ডে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয় তৃণমূল। এমনকী, ২০২২ সালের পুর-নির্বাচনে বোলপুরে বিরাট জয় পেয়েছিল তৃণমূল। আর, ২০২৪ সালে লোকসভা নির্বাচনে পুরসভার ২২টি ওয়ার্ডের মধ্যে ১৫টি ওয়ার্ডে তৃণমূলকে পিছনে ফেলে দিয়েছে বিজেপি। জেলবন্দি অনুব্রত মণ্ডল এবং মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহার ওয়ার্ডও এ বার হাতছাড়া হয়েছে। দু’বছরের ব্যবধানে কেন শহরের ভোটারদের একাংশ মুখ ফেরালেন, তা নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে শাসক শিবিরে। শুধু চর্চাই নয় শহরের একাধিক ওয়ার্ডে কেন তারা পিছিয়ে, তার কারণ অনুসন্ধানে নামতে চলেছে তৃণমূল। আগামী ১৩ জুন ও ২২ জুন বৈঠক ডাকা হয়েছে। সেই বৈঠকে সব ওয়ার্ডের পুর-প্রতিনিধি, শহর সভাপতি ও শহর কমিটির দায়িত্বে থাকা সকলকে ডাকা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রতিটি ওয়ার্ড ধরে ধরে কোথায় খামতি রয়েছে তাও খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছে তৃণমূল নেতৃত্ব।

    আরও পড়ুন: সুকান্তর গড়ে তৃণমূলকে ধরাশায়ী করে গ্রামীণ ভোটেও থাবা বিজেপির

    তৃণমূল নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহা বলেন, “কেন এই খারাপ ফল হল শহরে, তা আমরা দেখব। একই সঙ্গে শহরের ভোটারেরা কেন মুখ ফেরালেন, তা-ও সকলের সঙ্গে কথা বলে জানার চেষ্টা করা হবে। কারণ, শহরের উন্নয়নের জন্য আমরা প্রচুর কাজ করেছি। তারপরও এই ধরনের ফল আশা করিনি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share