Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Balurghat: “অন্তর্ঘাত হয়েছে, বেইমানদের উচিত জবাব দেওয়া হবে”, ভোটে হেরে বিস্ফোরক বিপ্লব মিত্র

    Balurghat: “অন্তর্ঘাত হয়েছে, বেইমানদের উচিত জবাব দেওয়া হবে”, ভোটে হেরে বিস্ফোরক বিপ্লব মিত্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জয়ের মুখ থেকে খালি হাতে ফিরে আসতে হয়েছে। ২০০৯ সালের পর ফের লোকসভায় ভোটে নিজের হারের পিছনে এবার অন্তর্ঘাত দেখছেন বালুরঘাটের (Balurghat) তৃণমূল প্রার্থী বিপ্লব মিত্র। তাঁর অভিযোগের তির মূলত দলের অন্য গোষ্ঠীর দিকে। এই ঘটনা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

    অন্তর্ঘাত হয়েছে, বেইমানদের উচিত জবাব দেওয়া হবে (Balurghat)

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের সঙ্গে লড়াই বলে বালুরঘাট আসনে নজর ছিল রাজ্যবাসীর। সেই যুদ্ধে গণনা শুরুর প্রথম থেকেই আধিপত্য বজায় রেখেছিলেন বিপ্লব। প্রথম রাউন্ড থেকে শুরু করে ৭ম রাউন্ড পর্যন্ত লিড ধরে রাখেন। তখন থেকেই জয়ের আশা জাগতে শুরু করে তৃণমূল শিবিরে। ৮ম রাউন্ডে এগিয়ে যান সুকান্ত। ১৩ রাউন্ডে গিয়ে ফের সুকান্তকে টক্কর দিয়ে এগিয়ে যান বিপ্লব। ১৪ রাউন্ডের পর পিছিয়ে যেতে থাকে রাজ্যের শাসকদল। বালুরঘাট (Balurghat), গঙ্গারামপুর ও তপন বিধানসভায় লিড বাড়ে সুকান্তর। বিপ্লবের গড় বলে পরিচিত গঙ্গারামপুরে শাসকদল দাঁত ফোটাতে পারেনি। হারের পর বিপ্লব মিত্র বলেন, বিজেপি এমন কোনও কাজ করেনি যে তারা জিতবে। আমরা জেতার মতো জায়গায় ছিলাম। হাড্ডাহাড্ডি লড়াই করেছি। জেলায় যা উন্নয়ন হয়েছে, সব রাজ্য সরকার করেছে। দলে নিশ্চয়ই অন্তর্ঘাত হয়েছে। রয়েছে। এনিয়ে আর বিতর্কের জায়গা নেই। আমরা পর্যালোচনা করব। বেইমানদের উচিত জবাব দেওয়া হবে। রাজ্য থেকে আমার কাছে হারের কারণ জানতে চাওয়া হলে অন্তর্ঘাতের বিষয়টি তখন ব্যাখ্যা করব।

    আরও পড়ুন: সাতটি কেন্দ্রে তৃণমূলকে ধরাশায়ী করল বিজেপি, অভিজিতের জয়ে খুশি তমলুকবাসী

    মুখ্যমন্ত্রীও ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন

    দলীয় অন্তর্ঘাতের তত্ত্ব সামনে আনলেও ঠিক কোনদিকে ইঙ্গিত করছেন জেলার বর্ষীয়ান নেতা বিপ্লব মিত্র , সেই অঙ্ক কষতে শুরু করেছেন দলের ভোট ম্যানেজাররা। জেলার রাজনৈতিক মহল মনে করছে, জেলার প্রাক্তন দুই সভাপতি রয়েছেন তপন ও গঙ্গারামপুর বিধানসভা এলাকায়। তাঁদের সঙ্গে নির্বাচনের আগে থেকেই অনেকটা দূরত্ব বজায় রেখেছিলেন বিপ্লব। নির্বাচনে কাজ করতে দেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ পৌঁছেছিল খোদ মুখ্যমন্ত্রীর কাছে। পরে, বালুরঘাটে (Balurghat) সভায় এসে মুখ্যমন্ত্রী তা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে সবাইকে নিয়ে চলার বার্তা দিয়েছিলেন। তারপরও সবকিছু যে ঠিক হয়নি, বিপ্লবের দাবিতে সেকথা স্পষ্ট।

    দলীয় প্রার্থীর হার নিয়ে কী বললেন তৃণমূল নেতারা?

    এ প্রসঙ্গে জেলা তৃণমূলের প্রাক্তন সভাপতি গৌতম দাস বলেন, আমি তো দলের একজন সামান্য কর্মী। দল মনে করেছে বড় জায়গায় কাজ করতে পারব না, সেজন্য ছোট জায়গায় কাজ করার সুযোগ দিয়েছে। সেই মতো  দলের কাজ করেছি। কে কী মন্তব্য করেছেন, আমার জানা নেই। প্রার্থীর হার নিয়ে নিশ্চয় পর্যালোচনা হবে। আবার জেলা তৃণমূলের আর এক প্রাক্তন সভাপতি মৃণাল সরকার বলেন, লোকসভা নির্বাচনে আমাদের প্রার্থী যেমন কাজ করতে বলেছেন, সেভাবেই চলেছি। কে অন্তর্ঘাত  করেছেন, দলীয়স্তরে তার পর্যালোচনা  করা হোক। গঙ্গারামপুর শহরে দলের বিপর্যয় কেন হল, সেটাও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Hooghly: রচনার জয়ের পরেও চুঁচুড়ায় তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যদের ইস্তফা! কেন জানেন?

    Hooghly: রচনার জয়ের পরেও চুঁচুড়ায় তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যদের ইস্তফা! কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হুগলিতে (Hooghly) জয়ের পরও চুঁচুড়া বিধানসভায় তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যরা ইস্তফা দিলেন। ঘটনায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছে। লোকসভা ভোটে বিজেপির প্রার্থী লকেট চট্টোপাধ্যায়কে হারিয়ে জয় লাভ করেছেন তৃণমূলের তারকা প্রার্থী রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু এই পদত্যাগের ঘটনায় দলের মধ্যে গোষ্ঠী কোন্দলের চিত্র কি আরও একবার স্পষ্ট হল?

    তিনটি বিধানসভায় এগিয়ে বিজেপি (Hooghly)

    হুগলিতে (Hooghly) সাতটি বিধানসভার মধ্যে তিনটিতে এগিয়ে গিয়েছে বিজেপি। রচনা জয়যুক্ত হয়েছেন ৭৬৮৫৩ ভোটে। কিন্তু ওই তিনটি বিধানসভার মধ্যে লকেট ৮২২৮৪ ভোটে এগিয়ে ছিলেন। তবে দলের প্রার্থী জয়ী হলেও চুঁচুড়াতে খুব একটা উচ্ছ্বাস দেখা যায়নি তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে। হারের কারণ খোঁজ করতে গিয়ে বিশ্লেষণে বসে জেলা নেতৃত্ব। ব্যান্ডেল, দেবানন্দপুর, কোদালিয়া-১ এবং ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য এবং চুঁচুড়া পুরসভার দলীয় কাউন্সিলরদের নিয়ে বৈঠক করেন তৃণমূল বিধায়ক অসিত মজুমদার। সেখানে প্রধান, উপপ্রধান এবং জন প্রতিনিধিদের চরম অপমান করেন এই বিধায়ক। এরপর পঞ্চায়েতগুলির প্রধান এবং উপপ্রধানেরা মগরা বিডিও অফিসে গিয়ে পদত্যাগ করেন।

    পঞ্চায়েত সদস্যদের বক্তব্য

    তৃণমূলের (Hooghly) বিক্ষুব্ধ পঞ্চায়েত সদস্যরা বলেন, “রচনা তিনটি বিধানসভায় কম ভোট পেয়েছেন বলে গরু-ছাগলের মতো ব্যবহার করা হয়েছে। আমাদের অপমান করা হয়েছে।” এই প্রসঙ্গে কোদালিয়া-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান সুচেতা মান্না পাল বলেন, “আমাদের উপর কোনও চাপ ছিল না। তবে দলের পরাজয়ের দায় নিয়ে আমি পদত্যাগ করলাম।“ আবার চুঁচুড়া পুরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর ঝন্টু বিশ্বাস বলেন, ‘‘মানুষের সঙ্গে, দলের কর্মী এবং কাউন্সিলরদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহারের ফল এই পরাজয়।

    আরও পড়ুনঃ তমলুক কেন্দ্রে ভোটে হেরে দলেরই বিরুদ্ধে বিস্ফোরক দেবাংশু ভট্টাচার্য

    অসিত মজুমদারের বক্তব্য

    বিধায়ক (Hooghly) অসিত মজুমদার বলেন, “ওঁদের বিবেক আছে। ওঁরা থাকা অবস্থায় দলের পরাজয় হয়েছে। মানুষ বিজেপিকে ভোট দিয়েছেন। তবে কেন দিয়েছেন, তা নিয়ে বসে পর্যালোচনা করব আমরা।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Santipur: শান্তিপুর কলেজে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের দাদাগিরি! রক্ত ঝরল অধ্যাপকের

    Santipur: শান্তিপুর কলেজে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের দাদাগিরি! রক্ত ঝরল অধ্যাপকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলেজের মধ্যেই তৃণমূল ছাত্র পরিষদের দাদাগিরি। কাজের বরাত না পাওয়ায় শুক্রবার রক্ত ঝরল অধ্যাপকের! শিক্ষাঙ্গনে চরম নিন্দনীয় ঘটনার সাক্ষী থাকল নদিয়ার শান্তিপুর (Santipur) কলেজ। আক্রান্ত অধ্যাপকের নাম রামকৃষ্ণ মণ্ডল। তিনি হামলাকারীদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Santipur)

    কলেজ সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন সকালে কলেজের স্টাফরুমে আক্রান্ত অধ্যাপক বসেছিলেন। এরপর কয়েকজন ছাত্র এবং সঙ্গে বহিরাগতরা এসে অধ্যাপককে বাইরে বেরিয়ে আসতে বলেন। অধ্যাপক বাইরে বের হতেই তাঁকে বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। মারধরের কারণে তাঁর মাথা ফেটে যায়। রক্তাক্ত অবস্থায় তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। এরপর তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে চিকিৎসা করা হয়। হামলাকারীরা সকলেই তৃণমূল ছাত্র পরিষদ করেন। অন্যদিকে, হামলাকারীদের বক্তব্য, “অধ্যাপক লাইব্রেরির মধ্যে এক কলেজ ছাত্রীর হাত ধরে টানেন। তাকে কুপ্রস্তাব দেন।” অধ্যাপকের শাস্তির দাবিতে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের ব্যানারে হামলাকারীরা বিক্ষোভ দেখান। সঙ্গে নির্যাতিতা ছাত্রীও ছিলেন। তিনি বলেন, আমাকে অধ্যাপক হাত ধরে টেনেছেন। কুপ্রস্তাব দিয়েছেন। তাঁর আমি শাস্তি চাই। কলেজ অধ্যক্ষকে বিষয়টি লিখিতভাবে জানিয়েছি।

    আরও পড়ুন: সাতটি কেন্দ্রে তৃণমূলকে ধরাশায়ী করল বিজেপি, অভিজিতের জয়ে খুশি তমলুকবাসী

    আক্রান্ত অধ্যাপক কী বললেন?

    আক্রান্ত অধ্যাপক বলেন, ছাত্রীর সঙ্গে অভব্য আচরণের যে অভিযোগ করা হচ্ছে তা ভিত্তিহীন। সিসিটিভি ফুটেজ দেখলেই সব কিছু প্রমাণ হয়ে যাবে। আসলে, সম্প্রতি কলেজের পাঁচিল তৈরির জন্য কলেজ পরিচালন সমিতির সভাপতি তথা শান্তিপুরের (Santipur) বিধায়ক ব্রজকিশোর গোস্বামীর নির্দেশে আমি ওই কাজ দেখাশোনা করতাম। এরজন্য প্রায়ই আমার কাছে ছাত্রদের কয়েকজন এবং বহিরাগত কয়েকজন দুষ্কৃতী তোলা চাইত। তোলা না দিলে হুমকি দিত। একইসঙ্গে আমাকে কলেজে  কাজ চাইত। ই টেন্ডারের মাধ্যমে কলেজে সব কাজ হচ্ছে। ওরা কাজ পায়নি। তাই, আমার ওপর রাগ। এমনকী বাড়িতে গিয়েও পর্যন্ত হুমকি দিয়ে আসে। এদিনও একই দাবিতে তারা অশ্রাব্য গালিগালাজ শুরু করে কলেজের মধ্যেই। এমনকী কলেজ কর্মচারীরা প্রতিবাদ করতে গেলেও তাদের মধ্য থেকেও একজনকে মারধর করা হয়। আমাকেও ওরা মেরে মাথা ফাটিয়ে দেয়।

    কলেজের অধ্যক্ষ কী বললেন?

    শান্তিপুর (Santipur) কলেজের অধ্যক্ষ শুচিস্মিতা সান্যাল বলেন, একজন অধ্যাপকের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ আমি বিশ্বাস করি না। আর এদিন কোনও ঘটনাই ঘটেনি। ওই অধ্যাপক লাইব্রেরিতে যাননি। তিনি স্টাফ রুমে বসেছিলেন। কলেজ পরিচালন সমিতির সভাপতিকে এবং থানায় জানিয়েছি। পুলিশ তদন্ত করছে। এক্ষেত্রে শান্তিপুর কলেজের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দিয়ে সহযোগিতা করা হবে।

    তৃণমূল বিধায়ক কী সাফাই দিলেন?

    কলেজ পরিচালন কমিটির সভাপতি তথা বিধায়ক ব্রজ কিশোর গোস্বামী বলেন, ছাত্রদের সঙ্গে শিক্ষকের কী নিয়ে সমস্যা তা জানি না। তবে,তোলাবাজির কোনও বিষয় নয়, কারণ টেন্ডার দেখাশোনা করে অন্য একটি কমিটি। পুলিশ প্রশাসন বিষয়টি খতিয়ে দেখুক। যদি অধ্যাপক দোষী হয়ে থাকে, তাহলে তিনি শাস্তি পাবেন। আর যদি ছাত্ররা অপরাধ করে থাকে তারা শাস্তি পাবে। এক্ষেত্রে আমার আলাদাভাবে কিছু বলার নেই।

    বিজেপি নেতৃত্ব কী বললেন?

    এই ঘটনার নিন্দা জানান শান্তিপুর (Santipur) বিজেপির মণ্ডল সভাপতি অমিত বৈরাগী। তিনি বলেন, শুধুমাত্র শান্তিপুর কলেজ নয় রাজ্যের প্রতিটি কলেজে তৃণমূল এই নোংরা রাজনীতি করছে। এরা অধ্যাপক, শিক্ষক কাউকে মানে না। নিজেদের স্বার্থে আঘাত পড়লে হিংস্র পশুর মত আচরণ করে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Tamluk: তমলুক কেন্দ্রে ভোটে হেরে দলেরই বিরুদ্ধে বিস্ফোরক দেবাংশু ভট্টাচার্য

    Tamluk: তমলুক কেন্দ্রে ভোটে হেরে দলেরই বিরুদ্ধে বিস্ফোরক দেবাংশু ভট্টাচার্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভার ভোটে হেরে বেজায় চটেছেন তৃণমূল নেতা দেবাংশু ভট্টাচার্য। তমলুক (Tamluk) লোকসভার বিজেপি প্রার্থী অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে প্রার্থী হয়েছিলেন এই তৃণমূল নেতা। কিন্তু শুক্রবার ভোটে হারার কারণ বিশ্লেষণ করতে গিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন তিনি। দলের কর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “এই জেলায় অনেকে দুই নৌকায় পা দিয়ে চলছেন।” দলের কর্মীদের বিরুদ্ধে এই মন্তব্যে জেলার রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

    ঠিক কী বললেন তৃণমূল নেতা (Tamluk)?

    তমলুকে (Tamluk) নিজের হারের কথা বলতে গিয়ে দলের কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশে ক্ষোভ প্রকাশ করে দেবাংশু বলেন, “আমার নির্বাচনের অভিজ্ঞতা বেশ ভালো। অনেকে আমাকে আশীর্বাদ করেছেন। আমি দেখেছি, এই জেলায় অনেকে দুই নৌকায় পা দিয়ে চলছেন। সেই জন্য ভোটে প্রভাব পড়েছে। যাঁরা এই দুই নৌকায় পা দিয়ে চলছেন, তাঁদের আমি চিহ্নিত করতে পেরেছি। তবে এই ভাবে চলতে পারে না। দুই দিকে থাকব আবার দলের হয়ে কাজ করব, এমনটা চলতে পারে না। দলের শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে গোটা বিষয়টি জানিয়েছি।”

    আরও পড়ুনঃ পশ্চিম মেদিনীপুরের বিরোধীশূন্য পুরসভায়ও ধরাশায়ী তৃণমূল, এগিয়ে বিজেপি

    ৭৭ হাজার ভোটে পরাজিত দেবাংশু

    ২০২১ সালে বিধানসভা নির্বাচনে ভোটের টিকিটের জন্য বিস্তর জল্পনা হয়েছিল। কিন্তু সেই সময়ে দল দেবাংশুকে টিকিট দেয়নি। এইবারে লোকসভা নির্বাচনে তমলুক থেকে তাঁকে টিকিট দেওয়া হয়েছিল। এরপর সেখানে নির্বাচনে লড়াই করেন। কিন্তু বিজেপির কাছে ৭৭ হাজার ভোটে পরাজিত হন। তবে নির্বাচনের সময় নানা জায়গায় প্রচার করতে গেলে চোর চোর শ্লোগান শুনতে হয়েছিল তাঁকে। এই বিষয়ে একটি ভিডিও সামজিক মাধ্যমে ব্যাপক ভাবে ভাইরাল হয়েছিল। কিন্তু আজ নিজে ভোটে হেরে বিস্ফোরক মন্তব্য করায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছে।

    যদিও এই তমলুক (Tamluk) লোকসভা থেকে একটা সময় সিপিএম নেতা লক্ষণ শেঠকে পরাজিত করেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। এরপর তাঁর ভাই দিব্যেন্দু অধিকারী ২০১৯ সালে এই কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়েছিলেন। এবার লোকসভার নির্বাচনে প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের কাছে পরাজয় হতে হয়েছে দেবাংশুকে। তবে এই নির্বাচনে, এই কেন্দ্র ছিল বিরাট হাই ভোল্টেজ কেন্দ্র।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: দক্ষিণবঙ্গে বর্ষার প্রবেশ দেরিতে, পারদ চড়ছে শহরে, কয়েকটি জেলায় তাপপ্রবাহের সতর্কতা

    Weather Update: দক্ষিণবঙ্গে বর্ষার প্রবেশ দেরিতে, পারদ চড়ছে শহরে, কয়েকটি জেলায় তাপপ্রবাহের সতর্কতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সময়ের আগে বাংলায় বর্ষা (Monsoon in Bengal) প্রবেশ করলেও তা আটকে থেকেছ উত্তরেই। দক্ষিণবঙ্গে বর্ষা আসার দিনক্ষণ এখনও জানায়নি হাওয়া অফিস (Weather Update)। প্রতিদিনই চড়ছে তাপমাত্রার পারদ।  দক্ষিণবঙ্গের অন্তত তিন জেলায় তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে জানাল আলিপুর আবহাওয়া দফতর। হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, আগামী ১০ জুনের বদলে দক্ষিণবঙ্গে বর্ষা ঢুকতে পারে ১২ বা ১৩ জুন। 

    কোথায় কোথায় তাপপ্রবাহ

    গত কয়েক দিন ধরেই কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের সব জেলায় আর্দ্রতাজনিত গরম এবং অস্বস্তি চলছে। বিক্ষিপ্ত ভাবে বৃষ্টি (Monsoon in Bengal) হলেও গরম থেকে নিস্তার মেলেনি। এই পরিস্থিতিতে হাওয়া অফিস (Weather Update) জানিয়ে দিল, আগামী কয়েক দিনেও পরিস্থিতি বদলের কোনও আশা নেই। আলিপুর আরও জানিয়েছে যে, পশ্চিম বর্ধমান, পশ্চিম মেদিনীপুর এবং বাঁকুড়া জেলার কিছু জায়গায় তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।  ওই তিন জেলা বাদে দক্ষিণবঙ্গের অন্য জেলাগুলিতেও তাপমাত্রা ২ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি পাবে।

    আরও পড়ুন: পাশে নীতীশ, নায়ডু, মোদির নেতৃত্বেই সরকার গড়ার পথে এনডিএ

    কবে থেকে বৃষ্টি

    উত্তরবঙ্গে ইতিমধ্যে বর্ষা (Weather Update) প্রবেশ করেছে। তবে দক্ষিণবঙ্গে বর্ষা (Monsoon in Bengal) প্রবেশ করতে দু’তিন দিন দেরি হতে পারে বলে মনে করছেন আবহবিদদের একাংশ। মৌসুমি বায়ুর প্রবাহ কমে যাওয়ার কারণেই দক্ষিণবঙ্গে বর্ষা প্রবেশে বিলম্ব হতে পারে বলে জানিয়েছেন আবহবিদেরা। গত ৩১ মে কেরল হয়ে বর্ষা প্রবেশ করার কথা ছিল দেশে। কিন্তু দেশবাসীকে দহনজ্বালার হাত থেকে মুক্তি দিতে এক দিন আগেই, অর্থাৎ ৩০ মে কেরল উপকূলে এসে পৌঁছয় দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু। কেরলে ইতিমধ্যেই বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে। মৌসুমি বায়ু বর্তমানে একটু একটু করে উত্তর-পূর্বের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। যার প্রভাবে বৃষ্টি শুরু হয়েছে অরুণাচল প্রদেশ, ত্রিপুরা, নাগাল্যান্ড, মেঘালয়, মিজোরাম, মণিপুর এবং অসমেও। বৃষ্টি চলছে উত্তরবঙ্গেও। কিন্তু দক্ষিণে বর্ষামঙ্গলের ধ্বনি বাজতে অপেক্ষা করতে হবে আরও কয়েকদিন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Election Result 2024: পশ্চিম মেদিনীপুরের বিরোধীশূন্য পুরসভায়ও ধরাশায়ী তৃণমূল, এগিয়ে বিজেপি

    Election Result 2024: পশ্চিম মেদিনীপুরের বিরোধীশূন্য পুরসভায়ও ধরাশায়ী তৃণমূল, এগিয়ে বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের বিরোধীশূন্য পুরসভা অঞ্চলে অনেকটাই পিছিয়ে পড়েছে তৃণমূল। আবার একই সঙ্গে শহর অঞ্চল বা ব্লকেগুলিতে তৃণমূল থেকে অনেক বেশি ভোটে এগিয়ে গিয়েছে বিজেপি। লোকসভার ফলাফলে (Election Result 2024) তৃণমূলের বিপক্ষে এই জনমত বিজেপির জন্য আশার আলো দেখা যাচ্ছে। পশ্চিম মেদিনীপুরের একাধিক পুরসভায় বাজিমাত করেছে বিজেপি। অপর দিকে হিরণ, ঘাটালে ভোট পরবর্তী সন্ত্রাস বন্ধ করতে নাম না করে দেবের কাছে আবেদন করলেন সামজিক মাধ্যমে।

    তৃণমূল থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে জনতা (Election Result 2024)

    রাজ্যের ২০২১ সালের পুরসভা নির্বাচনে পশ্চিম মেদিনীপুরের ঘাটাল মহকুমার পাঁচটি পুরসভাতেই বিপুল সংখ্যক ভোট পেয়েছিল তৃণমূল। এইবারের অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচনে শহরের জনতা মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন তৃণমূলের কাছ থেকে। ভোটের ফলাফলে (Election Result 2024) দেখা যাচ্ছে পাঁচটি পুরসভার মধ্যে চারটি পুরসভা অঞ্চলে বিজেপিকে ভোট দিয়েছেন অনেক বেশি পরিমাণে। গত দুই বছরের তৃণমূলের শাসনে দুর্নীতি একটি বড় কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে মনে করছেন রাজনীতির একাংশের মানুষ। তৃণমূল কথিত পুরসভার উন্নয়নমুখী কাজ কি দুর্নীতি ইস্যুর সামনে একটা বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে? এই প্রশ্ন এখন সব জায়গায় ঘুরপাক খাচ্ছে।

    কোন কোন পুরসভায় এগিয়ে বিজেপি?

    পশ্চিম মেদিনীপুর এলাকার ঘাটাল মহকুমার মধ্যে একমাত্র চন্দ্রকোনা পুরসভায় জয়কে অব্যাহত রাখতে পেড়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। অপর দিকে ঘাটাল, খড়ার, ক্ষীরপাই এবং রামজীবনপুর পুরসভায় এগিয়ে গিয়েছে বিজেপি। গতবারের পুর নির্বাচনে বিরোধীশূন্য ছিল এই পুরসভাগুলি। এবার এই এলাকাগুলিতে বাজিমাত করেছে বিজেপি। সামগ্রিক ভাবে এগিয়ে থাকা পুর এলাকাগুলির মধ্যে কোথাও এক হাজার আবার কোথাও দেড় হাজার ভোটে এগিয়ে (Election Result 2024) রয়েছে বিজেপি।

    আরও পড়ুনঃ বিধানসভার নিরিখে জ্যোতিপ্রিয়-জীবনকৃষ্ণ ধরাশায়ী, বাজিমাত বিজেপির

    ফেসবুকে সন্ত্রাস বন্ধের আবেদন হিরণের

    ঘাটাল লোকসভা কেন্দ্রে ভোট পরবর্তী হিংসা (Election Result 2024) নিয়ে তৃণমূলের সন্ত্রাস বন্ধ করতে সামজিক মাধ্যমে নিজের আবেদন রেখেছেন হিরণ। তিনি নাম না করে দেবের কাছে আবেদন করে বলেন, “আমি হেরে গিয়েছি। আমি হার স্বীকার করেছি। আমাকে প্রয়োজনে শাস্তি দিন। কিন্তু আমার কর্মীদের অত্যাচার করবেন না। গরিব অসহায় মানুষের উপর অত্যাচার বন্ধ করেদিন। রাজনৈতিক অধিকারকে রক্ষা করে বেঁচে থাকার অধিকারে দয়া করুন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkali: গাড়ি ভাঙচুর করে পুকুরে ফেলল তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা! খুন হওয়ার আতঙ্কে বিজেপি কর্মী

    Sandeshkali: গাড়ি ভাঙচুর করে পুকুরে ফেলল তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা! খুন হওয়ার আতঙ্কে বিজেপি কর্মী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাট লোকসভায় এবার  বিপুল ভোটে তৃণমূল প্রার্থী জয়ী হয়েছেন। তবে, সন্দেশখালির মানুষ শাসক দলের সেই বিজয় রথ আটকে দিয়েছেন। এই কেন্দ্রে তৃণমূল দাঁত ফোটাতে পারেনি। লিড পেয়েছেন বিজেপি প্রার্থী রেখা পাত্র। ফল বের হওয়ার পর সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) ভোট পরবর্তী হিংসার ঘটনা ঘটেই চলেছে। এবার নতুন করে অশান্তির শিকার হলেন এক বিজেপি কর্মী। এই ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। আক্রান্ত বিজেপি কর্মী থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

    গাড়ি ভাঙচুর করে পুকুরে ফেলল তৃণমূলের লোকজন! (Sandeshkhali)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সন্দেশখালি (Sandeshkhali) কোড়াকাঠি এলাকার ২২৭ নম্বর বুথে বাড়ি বিজেপি কর্মী কৃশানু গাইনের। বৃহস্পতিবার রাতে তাঁর বাড়িতে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা চড়াও হয়। তিনি বলেন, ভোটের ফল বের হওয়ার পর থেকেই নানাদিক থেকে আমাদের হুমকি আসছিল। বৃহস্পতিবার রাতে আমার বাড়িতে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা চড়াও হয়। আমাকে মারধর করার জন্য জড়ো হয়েছে বুঝতে পেরে আমি বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র গা ঢাকা দিই। আমাকে বাড়িতে না পেয়ে বাড়ির পাশে থাকা একটি চার চাকা গাড়ি ভাঙচুর করে। এরপর “জয় বাংলা” স্লোগান দিতে দিতে রাস্তার পাশে পুকুরে গাড়িটিকে ফেলে দেয়। ওরা বাড়িতে এসে আমাকে খুন করার হুমকি দিয়ে গিয়েছে। ওরা যে ভাবে হামলা চালিয়েছে তাতে আমরা চরম আতঙ্কে রয়েছি। আমরা অবিলম্বে হামলাকারীদের গ্রেফতারের দাবি জানাচ্ছি। তবে, এই হামলা আমার সঙ্গে শুধু হয়েছে এমন নয়, এই এলাকার সব বিজেপি কর্মীদের একই অবস্থা। সকলের পরিবারের লোকজন চরম আতঙ্কে রয়েছেন।

    আরও পড়ুন: সাতটি কেন্দ্রে তৃণমূলকে ধরাশায়ী করল বিজেপি, অভিজিতের জয়ে খুশি তমলুকবাসী

    তৃণমূল বিধায়ক কী সাফাই দিলেন?

    যদিও সন্দেশখালি (Sandeshkhali) তৃণমূলের বিধায়ক সুকুমার মাহাত এই বিষয়টিকে গুরুত্ব দিতে নারাজ। তিনি বলেন, এই ধরনের কোনও ঘটনা ঘটেছে বলে আমার জানা নেই। আক্রান্তরা পুলিশ প্রশাসনকে জানাতে পারে। তারা আইন অনুয়ায়ী পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Titagar: প্রকাশ্যে বোমাবাজি, চলল গুলি! তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে উত্তপ্ত টিটাগড়

    Titagar: প্রকাশ্যে বোমাবাজি, চলল গুলি! তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে উত্তপ্ত টিটাগড়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের ফল বের হতেই উত্তপ্ত হয়ে উঠল টিটাগড় (Titagar) । তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ একেবারে প্রকাশ্যে চলে এসেছে। বোমাবাজির সঙ্গে কয়েক রাউন্ড গুলি চলেছে। এই ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Titagar)

    বারাকপুর লোকসভার তৃণমূল প্রার্থী পার্থ ভৌমিক বিপুল ভোটে জয়লাভ করেছেন। সেই আনন্দে বৃহস্পতিবার খড়দার টিটাগড় (Titagar) ডোমপট্টি এলাকায় তৃণমূলের এক পক্ষ একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। রাতে সেখানে অনুষ্ঠান চলছিল। সেই অনুষ্ঠানের বাইরে কালু ও রামু গোষ্ঠীর এক যুবককে মারধরের অভিযোগ ওঠে অর্জুন বাঁশফোড় গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে। সেই সময় খবর পেয়ে রামু ও কালুর গোষ্ঠীর দলবল সেখানে যায়। তারপর দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। অভিযোগ ধস্তাধস্তি- সংঘর্ষের মাঝে চার রাউন্ড গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। বোমাবাজির ঘটনা ঘটে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। দুষ্কৃতীদের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে খড়দা থানার পুলিশ।

    আরও পড়ুন: সাতটি কেন্দ্রে তৃণমূলকে ধরাশায়ী করল বিজেপি, অভিজিতের জয়ে খুশি তমলুকবাসী

    দুপক্ষই তৃণমূল কর্মী বলে দাবি করেন

    অর্জুন বাঁশফোড় ঘনিষ্ঠ আকাশ বাঁশফোড় বলেন, অনুষ্ঠান শেষে টিটাগড়ে (Titagar) খাওয়া দাওয়া চলছিল। পাড়ার মহিলারা তখন খাওয়া-দাওয়া করছিলেন। সেই সময় রামুর নেতৃত্বে হামলা চালানো হয়। আমাদের লক্ষ্য করে তারা গুলি চালায়। সবাই খাবার ফেলে ভয়ে পালিয়ে যায়। রামুরা সব বিজেপি কর্মী। যদিও রামু বাঁশফোড় বলেন, আমরা বিজেপি করি না। তৃণমূল দল করি। পার্থ ভৌমিকের মিটিংয়ে আমরা গিয়েছিলাম। বরং, অর্জুন, আকাশরা বিজেপি করে। ওরা মিথ্যা অভিযোগ করছে। আমরা কোনও গুলি চালাইনি। বোমাবাজি করিনি। ফাঁসানোর জন্য এসব মিথ্যা অভিযোগ করছে।

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    বারাকপুরের জয়ী তৃণমূল প্রার্থী পার্থ ভৌমিক বলেন, ফল বের হওয়ার পর মাত্র তিনটে ঘটনা ঘটেছিল। আর কোনও ঘটনা ঘটেনি। এই সব ঘটনা দলের অনুমোদন নেই। পুলিশ প্রশাসন দেখছে। বিজেপি নেতা সন্দীপ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, এই ধরনের ঘটনার সঙ্গে বিজেপি জড়়িত নই। এটা তৃণমূলের দলীয় কোন্দল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Election Result 2024: বিধানসভার নিরিখে জ্যোতিপ্রিয়-জীবনকৃষ্ণ ধরাশায়ী, বাজিমাত বিজেপির

    Election Result 2024: বিধানসভার নিরিখে জ্যোতিপ্রিয়-জীবনকৃষ্ণ ধরাশায়ী, বাজিমাত বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিক্ষক নিয়োগ এবং রেশন দুর্নীতি মামলায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার হাতে গ্রেফতার হয়েছিলেন তৃণমূলের দুই মন্ত্রী সহ চার বিধায়ক। তাঁরা হলেন প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টপাধ্যায়, প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, বিধায়ক মানিক ভট্টাচার্য এবং জীবনকৃষ্ণ সাহা। তবে বড়ঞার বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহা ইতিমধ্যে ভোটের পর জামিন পেয়েছেন। বাকি তিনজন এখনও জেলে। লোকসভার ফলাফলকে (Election Result 2024) এবার বিধানসভা নিরিখে খতিয়ে দেখলে দেখা যাবে, দুই জন তৃণমূল প্রতিনিধি নিজের কেন্দ্রে ধরাশায়ী হয়ে গিয়েছেন। এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। 

    বিধানসভায় পিছিয়ে জীবনকৃষ্ণ (Election Result 2024)

    মুর্শিদাবাদ জেলার বড়ঞার বিধানসভা বহরমপুর লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত। এই লোকসভা (Election Result 2024) কেন্দ্রে কংগ্রেসের প্রার্থী অধীর রঞ্জনকে হারিয়ে জয়ী হয়েছেন তৃণমূলের ইউসুফ পাঠান। বড়ঞার বিধানসভায় জীবনকৃষ্ণ ৫০০ ভোটে কংগ্রেসের কাছে পিছিয়ে রয়েছেন। এই বিধানসভায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন অধীর। আর তৃণমূল বিধায়ক হয়েছেন তৃতীয়। এক নম্বরের উঠে এসেছেন বিজেপি প্রার্থী নির্মল সাহা। ফলে তৃণমূলের দুর্নীতি, এই কেন্দ্রে একটা বড় কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। একে বলা যেতে পারে লোকসভায় তৃণমূল জয়ী হলেও বিধানসভায় তৃণমূল বিধায়ক পিছিয়ে পড়েছেন।

    হাবড়ায় পিছিয়ে জ্যোতিপ্রিয়

    রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের বিধানসভা কেন্দ্র হল উত্তর ২৪ পরগনার হাবড়া। এই বিধানসভা বারাসত কেন্দ্রের অন্তর্গত। তৃণমূল প্রার্থী কাকালি ঘোষ দস্তিদার হাবড়া কেন্দ্রে ২৯ হাজার ভোটে (Election Result 2024) পিছিয়ে পড়েছেন। ফলে রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে গ্রেফতার তৃণমূল মন্ত্রী নিজের বিধানসভা কেন্দ্রে ধরাশায়ী হয়েছেন। আবার জেল সূত্রে খবর, জেলের মধ্যে গণনার সময় পার্থ টিভির সমানে যাননি, বালু-মানিক উভয়ে টিভিতে ফলাফল দেখেছেন। বালু উচ্ছ্বসিত হলেও, মানিক খুব একটা ভাব প্রকাশ করেননি।

    আরও পড়ুনঃ বালুরঘাটের সব ওয়ার্ডে তৃণমূল কুপোকাত, আরও শক্তি বৃদ্ধি পেল সুকান্তর

    তৃণমূলের বক্তব্য

    তৃণমূলের পক্ষে কুণাল ঘোষ বলেছেন, “এই ফলাফলকে (Election Result 2024) সরলীকরণ করা যাবে না। সবটাই স্থানীয় প্রভাব পড়েছে। নিচুতলা থেকে সব কিছু ভালো করে দেখতে হবে। কারণ কী ছিল এবং ফলাফলকে ভাল করে পর্যালোচনা করতে হবে।”  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: বালুরঘাটের সব ওয়ার্ডে তৃণমূল কুপোকাত, আরও শক্তি বৃদ্ধি পেল সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: বালুরঘাটের সব ওয়ার্ডে তৃণমূল কুপোকাত, আরও শক্তি বৃদ্ধি পেল সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বালুরঘাট লোকসভায় বিজেপি প্রার্থী সুকান্ত মজুমদারের সঙ্গে তৃণমূল প্রার্থীর হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয়েছে। যদিও শেষ হাসি হেসেছেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)। দ্বিতীয়বারের জন্য বালুরঘাট লোকসভার মানুষ তাঁর ওপর আস্থা রেখেছেন। এমনকী বালুরঘাট পুরসভা এলাকায় দাঁত ফোটাতে পারেনি তৃণমূল। বালুরঘাটের ২৫ টি ওয়ার্ডেই ভরাডুবি হয়েছে তৃণমূলের। শহরে প্রায় ২৫ হাজার লিড পেয়েছে বিজেপি। যা নিয়ে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলাজুড়ে চর্চা শুরু হয়েছে।

    প্রবল গেরুয়া ঝড়ে বালুরঘাট পুরসভায় কুপোকাত হয়েছে তৃণমূল (Sukanta Majumdar)

    গতবার লোকসভায় লিড ছিল প্রায় সাড়ে ১৭ হাজার। প্রবল গেরুয়া ঝড়ে এবার কুপোকাত হয়েছেন তৃণমূলের কাউন্সিলররা (Sukanta Majumdar)। খোদ বালুরঘাট পুরসভার চেয়ারম্যান, টাউন সভাপতি এমনকী গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের ওয়ার্ডেও খাবি খেয়েছে তৃণমূল। প্রার্থী বিপ্লব মিত্রের দিক থেকে কার্যত মুখ ফিরিয়েছেন বালুরঘাট শহরের ভোটাররা। বিধানসভাতেও বিজেপিকে ব্যাপক লিড দিয়েছিল এই শহর। প্রসঙ্গত,বালুরঘাট পুরসভার চেয়ারম্যান অশোক মিত্র ৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর। ওই ওয়ার্ডে তৃণমূল প্রায় ৬৮১ ভোটে পিছিয়ে রয়েছে। তৃণমূলের প্রাক্তন মন্ত্রী শঙ্কর চক্রবর্তীর ওয়ার্ড ১৮ নম্বরেও ৬৩৮ ভোটে পিছিয়ে রয়েছে শাসক দল। এছাড়াও প্রাক্তন ভাইস চেয়ারপার্সন প্রদীপ্তা চক্রবর্তী তথা সুকান্ত মজুমদারের নিজের ওয়ার্ড ২২ নম্বরে তৃণমূল ৬০৩ ভোটে পিছিয়ে। টাউন সভাপতি প্রীতম রাম মণ্ডলের ওয়ার্ড ১২ নম্বরে ৭৮১ ভোটে পিছিয়ে রয়েছে তৃণমূল। তবে, ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সুরজিৎ সাহার ওয়ার্ডে সব থেকে কম ৪৫১ ভোটে জয়ী হয়েছে বিজেপি। একইভাবে ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর তথা পুরসভার এমসিআইসি মহেশ পারেখের ওয়ার্ডে ৫৭৮ ভোটে এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। বাকি ওয়ার্ডে এক, দেড় হাজারের বেশি ভোটে লিড পেয়েছে গেরুয়া শিবির।

    আরও পড়ুন: সাতটি কেন্দ্রে তৃণমূলকে ধরাশায়ী করল বিজেপি, অভিজিতের জয়ে খুশি তমলুকবাসী

    শহরবাসীর কাছে কৃতজ্ঞ

    ২০১৯ সালে লোকসভা নির্বাচনে প্রায় সাড়ে ১৭ হাজার লিড নিয়েছিল বিজেপি। গেরুয়া শিবিরের বাড়বাড়ন্ত ঠেকাতে ভোটের আগে বিপ্লব মিত্র গোষ্ঠীর নেতাদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। দেখা যাচ্ছে, তাতে লাভ কিছুই হয়নি। গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব এড়াতে মন্ত্রী ব্রাত্য বসুও বালুরঘাটে এসে  নেতাদের কড়া বার্তা দিয়েছিলেন। তারপর বালুরঘাটের চেয়ারম্যান, টাউন সভাপতি ও কাউন্সিলররা কোমর বেঁধে ময়দানে নেমেছিলেন। এরপরও কার্যত গেরুয়া ঝড়ে লন্ডভন্ড তৃণমূল। ওয়াকিবহাল মহল মনে করছে, বালুরঘাট শহরের তৃণমূল নেতৃত্ব বিজেপির ১০ হাজার মার্জিন কমাতে পারলেই জিততেন দলের প্রার্থী। তাই, একদিকে যখন তৃণমূল শহরে বিপদ দেখছে, বিজেপি ধন্যবাদ জানাচ্ছে সেখানকার ভোটারদের। এই বিষয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, আগেই বলেছিলাম জিতব। এই শহরের মানুষ আমাকে দু’হাত তুলে আশীর্বাদ করেছেন। শহরবাসীর কাছে কৃতজ্ঞ। এই শহরের মানুষের আশীর্বাদ মাথায় রেখে আমি আবার উন্নয়নের কাজে নামব।

    তৃণমূল নেতৃত্ব কী সাফাই দিলেন?

    তৃণমূল জেলা সভাপতি সুভাষ ভাওয়াল বলেন, গত লোকসভা, বিধানসভাতেও আমরা পিছিয়ে ছিলাম। আমরা কেন শহরের ভোটারদের মন জয় করতে পারছি না তা পর্যালোচনা করে দেখব। এবারের ফল আমাদের অবাক করেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share