Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Sandeshkhali: সন্দেশখালিতে তৃণমূলের হিংসা অব্যাহত, বিজেপি কর্মীদের টোটো ও দোকান বন্ধের অভিযোগ

    Sandeshkhali: সন্দেশখালিতে তৃণমূলের হিংসা অব্যাহত, বিজেপি কর্মীদের টোটো ও দোকান বন্ধের অভিযোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূল একক ভাবে ২৯টি আসনে জয়লাভ করেছে। কিন্তু ইতিমধ্যে ফল প্রকাশের পর থেকেই জেলায় জেলায় ভোট-পরবর্তী হিংসার কথা উঠে আসছে। বিজেপির অভিযোগ মূলত তৃণমূলের দিকেই। দক্ষিণ ২৪ পরগনায় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের দ্বারা হিংসায় সন্দেশখালি (Sandeshkhali) ১ নম্বর ব্লকের বয়ারমারী অঞ্চলের বেশ কিছু সক্রিয় বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের টোটো ও দোকান বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল। ঘটনায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছে।

    বিজেপি ফল ভালো করায় কি আক্রমণ (Sandeshkhali)?

    বয়ারমারী (Sandeshkhali) এক নম্বর অঞ্চলের বেশ কিছু বুথে বিজেপি ভালো ফলাফল করেছে। যে সমস্ত বুথে বিজেপি ভালো ফলাফল করেছে সেই সমস্ত বুথের সক্রিয় বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের বেছে বেছে টোটো চালানোর উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে তৃণমূল। একই ভাবে বিজেপিকর্মীদের দোকান বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠল স্থানীয় তৃণমূলের পঞ্চায়েত প্রধানের বিরুদ্ধে। গত এক সপ্তাহ ধরে দোকান ও টোটো চলাচল বন্ধ থাকার ফলে সমস্যায় পড়েছেন এলাকার মানুষ। এই এলাকার মানুষের জীবন-জীবীকার প্রধান আশ্রয় এই দোকান এবং টোটো। অসহায় গরীব মানুষগুলি কোনও রকমে দিনে ২০০ থেকে ৩০০ টাকা রোজগার দিয়ে সংসার চালান। গত কয়েকদিন ধরে এই রোজগার বন্ধ থাকায় তাঁরা প্রায় অনাহারে দিন কাটাচ্ছেন বলে দাবি বিজেপি কর্মীদের। তাই দোকান ও টোটো চালানোর দাবিতে রবিবার ন্যাজাট থানার অন্তর্গত রাজবাড়ী আউটপোস্টে এসে বিজেপির পক্ষ থেকে ডেপুটেশন জমা দেওয়া হয়।

    আরও পড়ুনঃ ‘ঘরছাড়া’ দলীয় কর্মীদের দেখতে বারুইপুর গেলেন সুকান্ত, দিলেন ঘরে ফেরানোর আশ্বাস

    বিজেপি কর্মীদের বক্তব্য

    স্থানীয় (Sandeshkhali) বিজেপি কর্মী জয়দেব মণ্ডল বলেছেন, “সকালে উঠে দোকান খুলতে গেলে তৃণমূল প্রধানের অনুগামীরা বলেন, দোকান খোলা যাবেনা। কারণ জানতে চাইলে হুমকি দিয়ে বলেন, তোরা সবাই বিজেপিকে ভোট দিয়েছিস, তাই দোকান বন্ধ থাকবে। তোদের ছেলেপেলেদের নিয়ে পার্টি অফিসে দেখা কর। ক্ষমা চাইতে হবে, এলাকায় বিজেপি করা যাবে না। সেই সঙ্গে দোকান বন্ধ করে তালা মেরে দেয় তৃণমূলের লোকজন।” আরেক টোটো চালক উৎপল দত্ত বলেছেন, “তৃণমূল প্রধান আমাদের বেশকিছু টোটো বন্ধ করে দিয়েছে। পার্টি অফিসে দেখা করার নিদান দিয়েছেন। এলাকায় বিজেপি ভালো ফল করার আমাদের জীবন-জীবীকার উপর সঙ্কট তৈরি করেছে তৃণমূল। আমরা সব কিছু স্বাভাবিক চাই। তাই, আজ থানায় ডেপুটেশন দিলাম।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rail Accident: শিলিগুড়িতে ভয়াবহ রেল দুর্ঘটনা, কাঞ্চনজঙ্ঘায় ধাক্কা মালগাড়ির, মৃত ৮, জখম ৬০

    Rail Accident: শিলিগুড়িতে ভয়াবহ রেল দুর্ঘটনা, কাঞ্চনজঙ্ঘায় ধাক্কা মালগাড়ির, মৃত ৮, জখম ৬০

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার সকালে এনজেপির কাছে রাঙাপানি  রেল স্টেশন এলাকায় ভয়াবহ রেল দুর্ঘটনা ঘটে। কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসের কামরায় পিছন দিক থেকে একটি মালগাড়ি সজোরে এসে ধাক্কা মারে। যার জেরে কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসের দুটি বগি দুমড়ে-মুচড়ে গিয়েছে। কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস দুর্ঘটনায় বেসরকারি সূত্রে এখনও পর্যন্ত ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহতের সংখ্যা ৬০ জন। তবে রেল সূত্রে এখনও পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা আট। দুর্ঘটনাগ্রস্ত মালগাড়ির চালক মৃত।বহু যাত্রী আহত হয়েছেন। দুর্ঘটনাটি (Rail Accident) ঘটে এনজেপি থেকে রাঙাপানির কাছে ১১ কিলোমিটারের মধ্যে। ঘটনাস্থলে রেলের পদস্থ কর্তারা ইতিমধ্যে পৌঁচ্ছে গিয়েছেন। যে লাইনে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে, কলকাতা থেকে শিলিগুড়ির সঙ্গে রেল যোগাযোগের প্রধান লাইন সেটাই। ফলে, আপাতত দূরপাল্লার ট্রেন চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে।

    কী ভাবে এই দুর্ঘটনা? (Rail Accident)

    সোমবার সকালে নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশন থেকে নির্ধারিত সময়েই রওনা দিয়েছিল কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস। সকাল ন’টার কিছু পরে রাঙাপানি স্টেশন থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস বেরিয়ে যাওয়ার সময় পিছন থেকে একটি মাল গাড়ি এসে ধাক্কা মারে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন।  কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস এর দুটি বগি দুমড়ে-মুচড়ে গিয়েছে। মালগাড়ির লোকো পাইলট ভিতরে আটকে পিষ্টঅবস্থায় আটকে রয়েছে। রেল সূত্রে ৮ জনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। বেশ কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। স্থানীয় মানুষরা উদ্ধারকার্যে এগিয়ে এসেছেন। রেলের পদস্থ আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে পৌঁছলেও ঠিক কী কারণে দুর্ঘটনা সেই নিয়ে এখনও তাঁরা কিছু  বলা পারছেন না। একই লাইনে দুটি ট্রেন কিভাবে এল এটা নিয়ে সকলেরই প্রশ্ন।

     কী পরিস্থিতি?

    এদিন সকাল  বৃষ্টি থাকায়  উদ্ধারকাজও ব্যাহত হচ্ছে। এই দুর্ঘটনার জেরে কলকাতা – শিলিগুড়ির  সহ  দূরপাল্লার ট্রেন চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। একটি কামরা লাইন থেকে ওপরের দিকে উঠে রয়েছে। তার নীচে ঢুকে রয়েছে মালগাড়ির ইঞ্জিন। বৃষ্টি সেই সঙ্গে লাগোয়ায় জমা জলে পরিস্থিতি প্রতিকূল হয়ে ওঠে। ছবিতে দেখা যাচ্ছে, ট্রেন থেকে ছিটকে যাওয়া কামরাদু’টি দুমড়ে মুচড়ে গিয়েছে। এলাকায় বৃষ্টিও চলছে। অনেকে ছাতা মাথায় দিয়ে ঘটনাস্থলে রয়েছেন।

    শিয়ালদা স্টেশনে রেলের পক্ষ থেকে কন্ট্রোল রুম

    রেল দুর্ঘটনার (Rail Accident) পর পরই যাত্রীর পরিবারের লোকজনের সহযোগিতার জন্য রেলের পক্ষ থেকে কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। যাত্রীদের পরিবারের লোকজন শিয়ালদা স্টেশনে ভিড় করা শুরু করেছেন। যাত্রীদের পরিবারের লোকজনের বক্তব্য, দুর্ঘটনায় কতজন মারা গিয়েছেন। জখম কতজন হয়েছেন। তা আমরা জানতি পারিনি। চরম দুশ্চিন্তায় রয়েছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Post Poll Violence: “পলিটিক্যাল ট্যুরিজম নয়, মমতাকে জাগাতে এসেছি”, বলেন বিপ্লব দেব

    Post Poll Violence: “পলিটিক্যাল ট্যুরিজম নয়, মমতাকে জাগাতে এসেছি”, বলেন বিপ্লব দেব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনোত্তর হিংসায় আক্রান্তদের নিয়ে রাজভবনে গিয়েছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। রবিবার তিনি যখন রাজভবনে, তখন হিংসার (Post Poll Violence) অভিযোগ খতিয়ে দেখতে রাজ্যে এল বিজেপির কেন্দ্রীয় দল। মাহেশ্বরী সদনে ঘরছাড়া কর্মী-সমর্থকদের অভিযোগ শোনেন কেন্দ্রীয় দলের প্রতিনিধিরা। বিজেপির কেন্দ্রীয় দলের কাছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে নালিশ করেন কয়েকজন ঘরছাড়া।

    কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল (Post Poll Violence)

    কেন্দ্রীয় এই দলটি তৈরি করে দিয়েছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। এই দলে রয়েছেন ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা বিজেপি সাংসদ বিপ্লব দেব, প্রাক্তন কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী তথা বিজেপি সাংসদ রবিশঙ্কর প্রসাদ, উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন ডিজিপি তথা রাজ্যসভার সাংসদ ব্রিজলাল এবং বিজেপি সাংসদ কবিতা পতিদার। বিমানবন্দর থেকে (Post Poll Violence) তাঁরা সটান চলে আসেন মাহেশ্বরী সদনে। কেন্দ্রীয় টিমের সঙ্গে সমন্বয়কারী হিসেবে রাজ্য নেতৃত্বের তরফে ছিলেন অগ্নিমিত্রা পাল, তমোঘ্ন ঘোষ। কেন্দ্রীয় দলের সদস্যরা ঘরছাড়াদের জানান, শিশু থেকে মহিলা কাউকে ছাড়ছে না তৃণমূলের গুন্ডারা।

    নির্বাচনোত্তর হিংসা

    নির্বাচনোত্তর হিংসা নিয়ে তৃণমূলকে নিশানা করেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপি সাংসদ রবিশঙ্কর প্রসাদ। তিনি বলেন, “মমতাদি আপনার রাজ্যে কী চলছে যে মানুষ ভোট দেওয়ার পর ঘরে যেতে পারছেন না? আমাদের এক কার্যকর্তার ভাইকে খুন করে ফেলেছে। এখন তাঁকেও হুমকি দেওয়া হচ্ছে। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অনেক কর্মীরা রয়েছেন, তাঁরা ইদ পালন করতে যেতে পারছেন না। মমতাদি আপনার রাজ্যে কী চলছে?”

    আরও পড়ুন: “মুখ্যমন্ত্রীর জন্য রাজভবনের দরজা বন্ধ, বলেছেন রাজ্যপাল”, দাবি শুভেন্দুর

    এদিকে, বিজেপির এই কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিদল যাবে দক্ষিণ ২৪ পরগনায়। ডায়মন্ড হারবার ও জয়নগরে যাওয়ার কথা তাদের। মঙ্গলবার ওই দলের সদস্যরা যাবেন কোচবিহারে। দিল্লি ফিরে তাঁরা রিপোর্ট দেবেন দলের সর্বভারতীয় সভাপতিকে। বিপ্লব বলেন, “পলিটিক্যাল ট্যুরিজম নয়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জাগাতে এসেছি।” তিনি বলেন, “গত ১২-১৩ বছর ধরে তাঁর ঘুমই ভাঙছে না।” ত্রিপুরার প্রাক্তন এই মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “বিজেপির লিগ্যাল সেল ঘরছাড়াদের পাশে থাকবে। তবে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার বিষয়টি রাজ্য সরকারের এক্তিয়ারভুক্ত।” তিনি বলেন, “রাজ্য সরকার যদি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব ঠিকঠাক পালন করে, তাহলে দিল্লি থেকে বিজেপির প্রতিনিধিদলের বাংলায় আসার প্রয়োজন হয় না (Post Poll Violence)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Suvendu Adhikari: “মুখ্যমন্ত্রীর জন্য রাজভবনের দরজা বন্ধ, বলেছেন রাজ্যপাল”, দাবি শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “মুখ্যমন্ত্রীর জন্য রাজভবনের দরজা বন্ধ, বলেছেন রাজ্যপাল”, দাবি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘নির্বাচনোত্তর হিংসায় আক্রান্তদের জন্য রাজভবনের দরজা খোলা থাকলেও, রাজ্যের পুলিশমন্ত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রীর জন্য সেই দরজা বন্ধ।’ অন্তত রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস তাঁকে একথা জানিয়েছেন বলেই দাবি রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari)। নির্বাচনোত্তর হিংসায় আক্রান্তদের নিয়ে রবিবার রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করতে যান শুভেন্দু।

    কী বললেন শুভেন্দু? (Suvendu Adhikari)

    রাজভবন থেকে বেরিয়ে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, “রাজ্যপাল বলেছেন এবার তিনি পশ্চিমবঙ্গের ভোট পরবর্তী হিংসায় আক্রান্তদের বাঁচানোর জন্য কঠিন পদক্ষেপ করবেন।” তিনি বলেন, “রাজ্যপাল বলেছেন, রাজভবনের দরজা ভোট পরবর্তী হিংসায় আক্রান্তদের জন্য সব সময় খোলা রয়েছে। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী তথা পুলিশমন্ত্রীর জন্য তা বন্ধ।” ঘাটাল-সহ রাজ্যের বিভিন্ন লোকসভা কেন্দ্রে নির্বাচনোত্তর হিংসায় আক্রান্ত হয়েছেন শাসক দলের বহু কর্মী-সমর্থক। অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচনের ফল বেরনোর পর থেকে এমনতর অভিযোগ করে আসছেন বিরোধীরা। এদিন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) ঘাটাল লোকসভা কেন্দ্রের আক্রান্ত বিজেপি নেতাকর্মীদের মধ্যে ১১৫জনকে নিয়ে রাজভবনে যান। দেখা করেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের সঙ্গে।

    বিজেপি নেতার দাবি

    রাজ্যপালের সঙ্গে আক্রান্তদের নিয়ে শুভেন্দুর দেখা করার সময় উপস্থিত ছিলেন এক বিজেপি নেতা। তিনি বলেন, “রাজ্যপাল আমাদের সঙ্গে কথা বলার সঙ্গে সঙ্গে গ্রামের পরিবেশ সম্পর্কে জানতে চেয়েছিলেন। পুলিশ ও শাসকদল কীভাবে রাতের অন্ধকারে ঢুকে বাড়ির মহিলা ও বাচ্চাদের ওপর অত্যাচার চালাচ্ছে, তা শুনেই রাজ্যপাল আক্রান্তদের জন্য রাজভবনের দরজা খুলে দেওয়ার কথা বলেছেন। মুখ্যমন্ত্রী প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হওয়ায়ই রাজ্যপাল তাঁর জন্য রাজভবনের দরজা বন্ধ করার কথাও বলেছেন।”

    আরও পড়ুন: “হিংসা শিক্ষার বিষয় হতে পারে না”, সাফ জানালেন এনসিইআরটি কর্তা

    এদিন ১০-১২ মিনিট ধরে রাজ্যপালকে সামগ্রিক পরিস্থিতির কথা জানান শুভেন্দু। অভিযোগের স্বপক্ষে প্রয়োজনীয় নথি, ভিডিও ফুটেজ, স্টিল ছবিও তুলে দেন রাজ্যপালের হাতে। এর পরেই রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, “বিচারব্যবস্থা বেঁচে আছে বলেই কেষ্ট মণ্ডল, হেমন্ত সোরেন, কেজরিওয়ালের মতো ডাকাতরা জেলের ভিতরে রয়েছেন। বিচারব্যবস্থা বেঁচে আছে বলেই, আমি লড়াই করে আবার আজ আক্রান্তদের নিয়ে রাজভবনে এসে দেখা করলাম সাংবিধানিক প্রধানের সঙ্গে (Suvendu Adhikari)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

     

  • Sukanta Majumdar: ‘ঘরছাড়া’ দলীয় কর্মীদের দেখতে বারুইপুর গেলেন সুকান্ত, দিলেন ঘরে ফেরানোর আশ্বাস

    Sukanta Majumdar: ‘ঘরছাড়া’ দলীয় কর্মীদের দেখতে বারুইপুর গেলেন সুকান্ত, দিলেন ঘরে ফেরানোর আশ্বাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের পর তৃণমূলের অত্যাচারে অনেক কর্মী-সমর্থক ঘরছাড়া হয়ে রয়েছেন। যাদবপুর সাংগঠনিক জেলার অন্তর্গত বারুইপুর পার্টি অফিসে ঘরছাড়া দলীয় কর্মীদের সাথে দেখা করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। এখানেই ‘আশ্রয় শিবির’ তৈরি করেছে বিজেপি। ঘরছাড়াদের ঘরে ফেরাতে রাজ্য প্রশাসনের সর্বস্তরের আধিকারিকদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন বলে জানান তিনি। অনেক জায়গায় পুলিশই হামলার সাথে যুক্ত বলে অভিযোগ করেন তিনি। বারুইপুরের পাশাপাশি ক্যানিং ও কুলতলিতেও যাবেন আজ। আক্রান্ত এবং ঘরছাড়াদের মধ্যে যেমন মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীরা রয়েছে, তেমনি আরও সাধারণ খেটে খাওয়া পুরুষ-মহিলা কর্মী-সমর্থকরাও রয়েছেন। আজ সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূলের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

    কর্মীদের ঘরে ফেরাতে আশ্বাস সুকান্তর (Sukanta Majumdar)

    দলীয় কর্মীদের ঘরে ফেরানোর প্রসঙ্গ নিয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, “আমরা চাই দলীয় কর্মীরা যাতে দ্রুত তাঁদের নিজেদের বাড়িতে ফিরে যেতে পারেন। এবিষয়ে রাজ্য প্রশাসনের সর্বস্তরে আবেদন জানানো হয়েছে। দলের জেলা সভাপতি সহ জেলা নেতৃত্বরা এই বিষয়ে উপযুক্ত পদক্ষেপ নিচ্ছেন। যদিও রাজ্যের এই প্রশাসনের উপর কোনও ভরসা নেই আমার। অনেক জায়গাতেই বিজেপি কর্মীদের উপর হামলার ঘটনায় পুলিশ সরাসরি যুক্ত ছিল। প্রয়োজনে আমরা কোর্টে যাবো। আমি, রাজ্যের মা মাটি সরকারের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে অনুরোধ করব এসে দেখে যান, আপনার গুন্ডাবাহিনীর অত্যাচারে মানুষের জীবন কতটা বিপর্যস্ত। ক্যানিংয়ে শওকত মোল্লার নেতৃত্বে হামলা চলছে বিজেপি কর্মীদের উপর।” তবে তাঁর এই জেলা সফরের পর কর্মীদের মনোবল অনেকটাই চাঙ্গা হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন তিনি। এর পাশাপাশি তিনি দলীয় কর্মীদের সবরকম সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। শুধু তাই নয় দলীয় কর্মীরা যাতে নিজেদের অধিকার নিজেরা বুঝে নেন সেই বার্তাও দেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি।

    আরও পড়ুনঃআঙুলের পর আইসক্রিমে বিষাক্ত বিছে! ঢাকনা খুলতেই কিলবিল করে উঠল

    উপনির্বাচন নিয়ে কী বললেন?

    আসন্ন বিধানসভার উপনির্বাচন নিয়ে রাজ্য বিজেপির সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, “দু-একদিনের মধ্যেই প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করা হবে। উপনির্বাচনের তিনটি আসন বিজেপিরই ছিল, অন্যটিতেও আমরা জয় লাভের ব্যাপারে আশাবাদী।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP Core Committee Meeting: ভোটের ফল নিয়ে সাংগঠনিক ৫টি জোনে আলাদা ভাবে সমীক্ষা চালাবে রাজ্য বিজেপি

    BJP Core Committee Meeting: ভোটের ফল নিয়ে সাংগঠনিক ৫টি জোনে আলাদা ভাবে সমীক্ষা চালাবে রাজ্য বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটে এরাজ্যে বিজেপির আশানুরূপ ফল হয়নি। বিজেপির ফলাফল পর্যালোচনার (BJP Core Committee Meeting) জন্য শনিবারই কলকাতায় দলের কোর কমিটির বৈঠক বসেছিল। সূত্রের খবর, শনিবারের সেই বৈঠকে ঠিক হয়েছে সাংগঠনিকভাবে সমীক্ষা চালিয়ে ফলাফল বিশ্লেষণ করা হবে। প্রসঙ্গত এ রাজ্যের সাংগঠনিক কাজ করার জন্য বিজেপির পাঁচটি জোন রয়েছে, সেগুলি হল- উত্তরবঙ্গ, নবদ্বীপ, রাঢ়বঙ্গ, কলকাতা এবং হাওড়া-হুগলি-মেদিনীপুর। শনিবারের বৈঠকে সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পাঁচটি জোনেই আলাদা আলাদা ভাবে সমীক্ষা চালাবে দল। এর পাশাপাশি কেন বিজেপির ফল এমন হল? তা খোঁজা হবে। এই সমস্ত বৈঠকগুলিতে হাজির থাকবেন লোকসভার প্রার্থীরা এবং সংশ্লিষ্ট জেলার সভাপতিরা।

    কারা হাজির ছিলেন বৈঠকে?

    শনিবারের ওই বৈঠকে (BJP Core Committee Meeting) আরও স্থির হয়েছে সাংগঠনিকভাবে এই গোটা প্রক্রিয়াটি পরিচালনা করবেন বিজেপির রাজ্য সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) অমিতাভ চক্রবর্তী। শনিবার বিজেপির কোর কমিটির বৈঠকে কেন্দ্রীয় নেতাদের মধ্যে হাজির ছিলেন সুনীল বনসল, মঙ্গল পান্ডে, অমিত মালব্য, আশা লাকড়া। ছিলেন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। এর পাশাপাশি পাঁচ জন সাধারণ সম্পাদক- জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়, অগ্নিমিত্রা পল, লকেট চট্টোপাধ্যায়, জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো এবং দীপক বর্মনও ছিলেন এই বৈঠকে। কেন্দ্রীয় জাহাজ প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরও হাজির ছিলেন। উত্তরবঙ্গে ভোট পরবর্তী সন্ত্রাসে আক্রান্ত কর্মীদের দেখতে যাওয়ার জন্য শুভেন্দু অধিকারী হাজির ছিলেন না এই বৈঠকে।

    ভোট পরবর্তী সন্ত্রাস ও উপনির্বাচন নিয়েও আলোচনা

    বিজেপি সূত্রে (BJP Core Committee Meeting) জানা গিয়েছে, লোকসভা ভোটের পরে কর্মীদের ওপর আক্রমণের খবর ঘন ঘন আসছে এবং বৈঠকেই বার্তা দেওয়া হয়েছে ভোট পরবর্তী হিংসার পরিস্থিতিতে কর্মীদের পাশে দাঁড়াতে হবে সংগঠন এবং প্রার্থীদের। আগামী ১০ জুলাই রয়েছে রাজ্যের চার কেন্দ্রের বিধানসভা উপনির্বাচন রয়েছে। শনিবারের বৈঠকে সে নিয়েও বিস্তর আলোচনা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। গেরুয়া শিবিরের অন্দরের খবর, প্রতিটি কেন্দ্র থেকে তিনজন প্রার্থীর নাম বাছা হয়েছে। অর্থাৎ চার কেন্দ্রে মোট ১২ জনের নাম আজই তুলে দেওয়া হবে কেন্দ্রীয় নেতাদের হাতে। সেখান থেকে প্রার্থী বাছবেন কেন্দ্রীয় নেতারা।

    কী বললেন সুকান্ত মজুমদার?

    শনিবার বঙ্গ বিজেপির বৈঠকের পর সুকান্ত মজুমদার বলেন, ‘‘এবারও অন্তত তিনটি আসন (বাগদা, রানাঘাট দক্ষিণ ও রায়গঞ্জ) দখলে রাখব। চারটি আসনেও জিততে পারি। মানিকতলাতে আমরা মাত্র তিন হাজার ভোটে পিছিয়ে রয়েছি। সেটাও শুধুমাত্র হয়েছে শান্তিরঞ্জন কুণ্ডুর বদমায়েশি ও গুন্ডামির জন্য। শান্তিরঞ্জন কুণ্ডু টাইট হলে পরেই সব ঠিক হয়ে যাবে। তবে কুণ্ডুবাবুরও জেনে রাখা উচিত, একদিন না একদিন ওঁরও সময় আসবে।’’

    কেন ৪ কেন্দ্রে উপনির্বাচন

    প্রসঙ্গত, রানাঘাট দক্ষিণে বিজেপির টিকিটে জিতেছিলেন মুকুটমণি অধিকারী। লোকসভা ভোটের আগে তিনি তৃণমূলে যোগ দেন ও রানাঘাট আসন থেকে প্রার্থী হয়ে পরাস্ত হন। অন্যদিকে রায়গঞ্জে বিজেপির টিকিটে জিতেছিলেন কৃষ্ণ কল্যাণী। পরে দল বদলান। তিনিও এবারের ভোটে তৃণমূলের প্রার্থী ছিলেন কিন্তু পরাস্ত হন। বাগদা বিধানসভার আসনটি খালি হয়েছে সেখানকার বিশ্বজিৎ দাস লোকসভা ভোটে প্রার্থী হওয়ার জন্য। প্রসঙ্গত বাগদা বিধানসভাও ২০২১ সালে বিজেপি নিজেদের দলে রেখেছিল। পরে দলবদল করেন বিশ্বজিৎ। অন্যদিকে সাধন পাণ্ডের মৃত্যুর পরে খালি হয় মানিকতলা আসন। দু’বছর ধরে কোর্টে মামলা চলার পরে অবশেষে সেখানে উপনির্বাচন হতে চলেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jiban Krishna Saha: “পদ মানে লুটেপুটে খাওয়া নয়, লোককে সেবা করা”, জেলখাটা জীবনকৃষ্ণের পোস্টে শোরগোল

    Jiban Krishna Saha: “পদ মানে লুটেপুটে খাওয়া নয়, লোককে সেবা করা”, জেলখাটা জীবনকৃষ্ণের পোস্টে শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে শিক্ষক দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হয়েছিলেন মুর্শিদাবাদের তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহা (Jiban Krishna Saha)। এবার তাঁর একটি পোস্ট করা লেখাকে ঘিরে ব্যাপক চর্চা শুরু হয়েছে। তিনি তৃণমূল কর্মীদের উদ্দেশে একটি বার্তা দিয়ে লেখেন, “পদ মানে ক্ষমতা নয়। পদ মানে দায়িত্ব। পদ মানে লুটেপুটে খাওয়া নয়, লোককে সেবা করা। এটা ভুলে গেলে আসে অহংকার। তারপর পতন।” এই পোস্ট সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক ভাইরাল হয়েছে। তবে মাধ্যম এই ভাইরাল বার্তালাপের সত্যতা যাচাই করেনি।

    কেন এই পোস্ট (Jiban Krishna Saha)?

    তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ (Jiban Krishna Saha) নিজে এই পোস্ট করে কী বার্তা দিতে চাইছেন, সেই বিষয়ে স্পষ্টতা আসেনি। কেউ কেউ বলছেন তা হলে কি চৈতন্য উদয় হয়েছে বিধায়কের? কারণ তৃণমূলের একাংশের লোকজন মনে করছেন, তাঁর জেলে যাওয়া প্রসঙ্গে দলের ভাবমূর্তি অনেকটাই খুন্ন হয়েছে। তবে এমন হওয়াটা কাম্য ছিলনা। টাকা নিয়ে চাকরি দেওয়া এবং প্রমাণ লোপাটের মতো গুরুতর অভিযোগ তাঁর বিরুদ্ধে রয়েছে। নিজেকে স্বচ্ছ এবং নির্দোষ প্রমাণ করতেই এই পোস্ট করেছিলেন কিনা তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। যদিও বিধায়কের উত্তর পাওয়া যায়নি।

    পুকুরে মোবাইল ফেলে দিয়েছিলেন

    ২০২৩ সালের এপ্রিল মাসে নিজের বাড়ি থেকে রাজ্যের শিক্ষক দুর্নীতির দায়ে গ্রেফতার হয়েছিলেন জীবনকৃষ্ণ সাহা (Jiban Krishna Saha)। যখন তদন্তকারী অফিসারেরা বাড়িতে তল্লাশি করছিলেন, সেই সময় পাঁচিল টপকে পুকুরে নিজের মোবাইল ফেলে দিয়েছিলেন। পরে কার্যত ২ দিন ধরে পুকুরের জল তুলে সেই মোবাইল উদ্ধার করেছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এরপর থেকে জেলে ছিলেন তিনি।

    আরও পড়ুনঃউত্তরবঙ্গে তিন জেলায় লাল সতর্কতা! দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির দেখা নেই, তীব্র গরমে নাজেহাল

    শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে অভিযুক্ত

    শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় জীবনকৃষ্ণ (Jiban Krishna Saha) নিজে তথ্য প্রমাণ লোপাটের অভিযোগে অভিযুক্ত ছিলেন। তদন্তকারী অফিসারেরা জানিয়েছিলেন, তাঁর মোবাইল থেকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গিয়েছিল। চাকির বিক্রি করার বিষয়ে একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে কথাবার্তার চ্যাট পাওয়া গিয়েছিল। গ্রেফতার হওয়ার পর প্রথমে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তিনি। কিন্তু জামিন খারিজ হয় সেখানে। এরপর সুপ্রিম কোর্টে গেলে তাঁর জামিন গৃহীত হয়। কিন্তু সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে নিজের বিধানসভার বাইরে যেতে পারবেন না জীবনকৃষ্ণ।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: উত্তরবঙ্গে তিন জেলায় লাল সতর্কতা! দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির দেখা নেই, তীব্র গরমে নাজেহাল

    Weather Update: উত্তরবঙ্গে তিন জেলায় লাল সতর্কতা! দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির দেখা নেই, তীব্র গরমে নাজেহাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরবঙ্গ যেখানে বানভাসি, সেখানে দক্ষিণবঙ্গ গরমে নাজেহাল! চাতকের মতো প্রহর গুনছেন মানুষ। ইতিমধ্যে রবিবার উত্তরের তিন জেলায় লাল সর্তকতা জারি করা হয়েছে। পাহাড় লাগোয়া অঞ্চলে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির কথা জানিয়েছে হাওয়া ওফিস (Weather Update)। তবে দক্ষিণবঙ্গে এখনও বর্ষা প্রবেশ করেনি। আগামী মঙ্গলবার থেকে কলকাতায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

    উত্তরবঙ্গে সতর্কতা (Weather Update)!

    আলিপুর আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, আগামী বৃহস্পতি বার পর্যন্ত উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে ভারী বর্ষণ (Weather Update) চলবে। বৃষ্টি হতে পারে ৭ থেকে ২০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত। তবে কোথাও কোথাও তার চেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হতে পারে। জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহারে রবিবার এবং সোমবারে লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। একই ভাবে দার্জিলিং, কালিম্পঙেও ভারী বৃষ্টির লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদায় সোমবার পর্যন্ত বজ্র-বিদ্যুৎ সহ বৃষ্টিপাত এবং ঝড়ো হাওয়া চলবে। তবে এই তিন জেলায় ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাষ নেই।

    আরও পড়ুনঃহিংসা খতিয়ে দেখতে রবিবার সন্ধ্যায় কলকাতায় আসছে বিজেপির প্রতিনিধি দল, কোথায় কোথায় যাবেন?

    দক্ষিণবঙ্গে বর্ষা প্রবেশ করেনি

    আলিপুর আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গিয়েছে, দক্ষিণবঙ্গে এখনও বর্ষা (Weather Update) প্রবেশ করেনি। রবিবার থেকে সব জেলায় বর্ষার আগের অনুকুল পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে। বাতাসে জলীয় বাস্পের পরিমাণ বৃদ্ধি পাবে। আজ সকালের পূর্বাভাসে জানা গিয়েছে, দুই ২৪ পরগনা, পূর্ব-পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদবাদে ঝড়বৃষ্টি হওয়ার ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। তবে বৃষ্টি হলেও গরমের অস্বস্তি বজায় থাকবে। মঙ্গলবারের আগে কলকাতায় বৃষ্টির সম্ভাবনা তেমন নেই। মঙ্গলবার থেকে সব জেলায় বৃষ্টি হবে। ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইবে। আবার কোথাও কোথাও হাওয়ার বেগ ৪০ থেকে ৫০ কিমি পর্যন্ত হতে পারে। চলতি সপ্তাহের শেষে দক্ষিণবঙ্গে বর্ষা ঢুকতে পারে। রবিবার কলকাতায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৯.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের তুলনায় ২ ডিগ্রি বেশি। অপর দিকে শনিবার শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৬.৬। যা স্বাভাবিকের তুলনায় ২ ডিগ্রি বেশি।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • K. D. Singh: লগ্নিকারীদের সঙ্গে প্রতারণা! উত্তরপ্রদেশে মামলায় অভিযুক্ত প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ কে ডি সিং

    K. D. Singh: লগ্নিকারীদের সঙ্গে প্রতারণা! উত্তরপ্রদেশে মামলায় অভিযুক্ত প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ কে ডি সিং

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লগ্নিকারীদের সঙ্গে প্রতারণার করার অভিযোগ উঠল তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন রাজ্যসভার সাংসদ কে ডি সিং-এর (K. D. Singh) বিরুদ্ধে। মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সেন্ট্রাল বিউরো অফ ইনভেস্টিগেশন। কে ডি সিং ছাড়াও আরও ছয়জনের বিরুদ্ধে উত্তরপ্রদেশের ভাদোহি জেলায় লগ্নিকারীদের ঠকানোর অভিযোগ সামনে এসেছে। অভিযোগ অ্যালকেমিস্ট রিয়েলিটি (Alchemist Reality) এবং অ্যালকেমিস্ট টাউনশিপ লিমিটেডের (Alchemist Township Project) আওতায় ২০০৯ সালে বিনিয়োগ করতে বলা হয়েছিল। এই দুটি কোম্পানিতে যারা বিনিয়োগ করেছেন তাঁদের সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠছে। এর আগেও ভুঁইফোড় সংস্থা খুলে প্রতারণার মামলায় গ্রেফতার হয়েছিলেন তিনি। ইডি তাঁকে গ্রেফতার করেছিল। নতুন মামলায় ফের বিপাকে প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ।

    বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে প্রতারনার অভিযোগ  (K. D. Singh)

    জানা গিয়েছে বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগ করা অর্থের  ১৮% বার্ষিক রিটার্ন এবং বিনিয়োগের পরিমাণ অনুসারে জমি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। অভিযোগ উঠছে হাজারো বিনিয়োগকারীকে না জমি দেওয়া হয়েছে, না তাদের টাকা ফেরত দেওয়া হয়েছে। ২০১৮ অবধি বিনিয়োগকারীরা তাঁদের টাকা ফেরত পাওয়ার আশায় ছিলেন। এবছর কোম্পানির (Alchemist) আধিকারিকদের উপর বিনিয়োগকারীরা টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া শুরু করতেই কোম্পানি দফতর গুটিয়ে পালায়, এমনটাই এফআইআরে অভিযোগ করা হয়েছে। কে ডি সিং  (K. D. Singh) ছাড়া আর বাকি ৬ জন অভিযুক্ত কোম্পানির ডিরেক্টর এবং অফিসের আধিকারিক বলে জানা গিয়েছে।

    পশ্চিমবঙ্গেও মামলা রয়েছে কে ডি সিং-এর বিরুদ্ধে  (K. D. Singh)   

    অ্যালকেমিস্ট এর বিরুদ্ধে উত্তরপ্রদেশে মামলা হওয়ার আগে পশ্চিমবঙ্গে একাধিক মামলা রয়েছে (K. D. Singh)  তাঁর বিরুদ্ধে। সারদা রোজভ্যালি ছাড়া অ্যালকেমিস্ট সংস্থাও সেবি’র কালো তালিকাভুক্ত ভুঁইফোড় সংস্থা বলে  চিহ্নিত হয়েছিল। পশ্চিমবঙ্গেও আলকেমিস্টের ফাঁদে পড়ে কয়েক হাজার মানুষ সর্বস্ব খুইয়েছেন। “যে ব্যক্তি চিট ফান্ড খুলে বহু মানুষকে প্রতারণা করেছে বলে অভিযোগ তাঁকেই একদা তৃণমূল কংগ্রেস রাজ্যসভার সাংসদ করেছিল।

    আরও পড়ুন: ভরদুপুরে সিনেমার কায়দায় বেলঘরিয়ায় ব্যবসায়ীর গাড়ি লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি

    সারদা চিটফান্ড সহ অন্যান্য মামলা এখন স্মৃতির অতলে চলে গিয়েছে। নতুন যে মামলা হয়েছে তাতে যেন যারা সাধারণ মানুষকে ঠকিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠছে তাঁদের সঙ্গে যাতে ন্যায় বিচার হয়।” বলছেন বিজেপি মুখপাত্র রাজর্ষি লাহিড়ি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP: হিংসা খতিয়ে দেখতে রবিবার সন্ধ্যায় কলকাতায় আসছে বিজেপির প্রতিনিধি দল, কোথায় কোথায় যাবে জানেন?

    BJP: হিংসা খতিয়ে দেখতে রবিবার সন্ধ্যায় কলকাতায় আসছে বিজেপির প্রতিনিধি দল, কোথায় কোথায় যাবে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে ভোট পরবর্তী হিংসা খতিয়ে দেখতে রবিবার সন্ধ্যায় কলকাতায় আসছে বিজেপির (BJP) প্রতিনিধি দল। এই দলে রয়েছেন চার বিজেপির প্রবীণ নেতা। তাঁরা তৃণমূল দুষ্কৃতীদের দ্বারা আক্রান্ত একাধিক এলাকায় যাবেন। হিংসায় আক্রান্ত মানুষের সঙ্গে কথা বলবেন এবং এরপর সর্ব ভারতীয় সভাপতি জগৎ প্রকাশ নাড্ডার কাছে বিশেষ রিপোর্ট তুলে ধরবেন।

    কোথায় কোথায় যাবে দল (BJP)?

    রাজ্যে পুরসভা নির্বাচন, পঞ্চায়েত নির্বাচন, বিধানসভা এবং লোকসভা নির্বাচনে ভোট পরবর্তী হিংসা একটি প্রধান বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই রাজ্যের মতো বাকি অন্য রাজ্যে ভোট পরবর্তী হিংসার চিত্র এরকম আর দেখা যায়নি। রবিবার সন্ধ্যায় কলকাতায় পৌঁছে বিজেপির প্রতিনিধি দল প্রথমে যাবে মাহেশ্বরী সদনে। সেখানে আশ্রয় নেওয়া ‘ঘর ছাড়া’ এবং ‘আক্রান্ত’দের সঙ্গে কথা বলবেন দলের সদস্যরা। এরপর সোমবার হিংসা কবলিত এলাকা এবং মানুষের জন-জীবন খতিয়ে দেখতে, রাজ্য বিজেপি নেত্রী অগ্নিমিত্রা পলের সঙ্গে ডায়মন্ড হারবার, সন্দেশখালি, বাসন্তী ঘুরে দেখবেন সদস্যরা। এরপর দলের সদস্যরা আবার কলকাতায় ফিরে, ওই দিন রাতেই কোচবিহারের উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন। এরপর সেখানে হিংসা কবলিত মানুষের সঙ্গে কথা বলে আবার দিল্লি ফিরে যাবেন।

    বিজেপির দাবি

    লোকসভা নির্বাচনের পর এই রাজ্যে কেবল মাত্র ভোট পরবর্তী হিংসার ঘটনা ঘটেছে। এই হিংসার কারণ বিশ্লেষণ এবং হিংসার পরিমাণ কতটা ভয়াবহ, তা খতিয়ে দেখার জন্য বিজেপি (BJP) এই চার সদস্যের প্রতিনিধি দল পাঠানো হয়েছে। দলের সদস্যদের নির্বাচন করেছেন দলের সর্ব ভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। শনিবার দিল্লির সদর দফতর থেকে এই নিয়ে একটি প্রেস বিবৃতি প্রকাশ করা হয়েছে। বিবৃতি থেকে জানা গিয়েছে এই চার সদস্য দলের মধ্যে রয়েছেন, ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব, প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ, উত্তর প্রদেশের প্রাক্তন ডিজিপি তথা রাজ্যসভার সাংসদ ব্রিজলাল এবং মধ্যপ্রদেশের রাজ্যসভার সাংসদ কবিতা পাতিদার। চার সদস্যের এই দল ভোট পরবর্তী হিংসার বিষয়ে শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে রিপোর্ট তুলে দেবেন।

    “জেলা শাসক-আইপ্যাক চক্রান্ত করে নিশীথকে হারিয়েছেন”, তোপ শুভেন্দুর

    প্রেস বিবৃতির বক্তব্য

    বিজেপি (BJP) এই রাজ্যের হিংসা সম্পর্কে প্রেস বিবৃতি দিয়ে বলেছে, “গোটা দেশে এবার লোকসভা ভোট শান্তিপূর্ণ ভাবে হয়েছে। ২৮টি রাজ্য এবং ৮টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে লোকসভা ভোট ছাড়াও চার রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন হয়েছে। তার মধ্যে কয়েকটিতে ক্ষমতার বদলও হয়েছে। অথচ কোথাও কোনও হিংসাত্মক ঘটনা ঘটেনি। শুধুমাত্র বাংলায় হিংসার ঘটনা অব্যহত।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share