Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Jalpaiguri: দাবি মতো নির্বাচন খরচের টাকা না দেওয়ায় রিসর্টে তালা ঝোলালো তৃণমূল! শোরগোল

    Jalpaiguri: দাবি মতো নির্বাচন খরচের টাকা না দেওয়ায় রিসর্টে তালা ঝোলালো তৃণমূল! শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বেসরকারি পার্ক এবং রিসর্টে তালা ঝুলিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। রীতিমতো তৃণমূলের ঝান্ডা হাতে দলবল নিয়ে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) জেলার নাগারাকাটা ব্লকের আপার কলাবাড়ি এলাকার ঘটনা। এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছ়ড়িয়ে পড়েছে।

    নির্বাচনের খরচের জন্য তোলা চায় তৃণমূল! (Jalpaiguri)

    জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) নাগরাকাটার তৃণমূল ব্লক সভাপতি প্রেম ছেত্রী লোকসভা ভোটের জন্য রিসর্টের মালিক শেখ জিয়াউর রহমানের কাছে টাকা দাবি করেন। শুধু তিনি একাই নন ওই এলাকার অঞ্চল সভাপতি ও তাঁর কাছে টাকা দাবি করেন। ব্লক সভাপতিকে ১০ হাজার এবং অঞ্চল সভাপতিকে ৭ হাজার টাকাও রিসর্টের মালিক দেন। কিন্তু, ওই পরিমান টাকা নিতে তাঁরা অস্বীকার করেন। পাশাপাশি তাঁকে ফোনে হুমকি দেন, ভোট পার হওয়ার পরই ওই রিসর্ট  বন্ধ করে দেবেন। ভোট শেষ হওয়ার পরই তৃণমূল নেতারা এসে রিসর্ট বন্ধ করে দেয় বলে রিসর্টের মালিকের অভিযোগ। রিসর্টের মালিক শেখ জিয়াউর রহমান বলেন, তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি এবং নাগরাকাটা ব্লক সভাপতি নির্বাচনের খরচের জন্য আমার কাছে টাকা দাবি করেন। আমি সাধ্যমতো টাকা দিই। কিন্তু, সেই  চাঁদার টাকা মন মতো না হওয়ায় পার্ক এবং রিসর্টে তালা ঝুলিয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে যান তৃণমূল নেতারা। সেই মতো রিসর্টে এসে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। অনেক পর্যটক বেড়াতে এসে ফিরে যেতে বাধ্য হন।

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    তৃণমূলের ব্লক সভাপতি প্রেম ছেত্রীর বক্তব্য, টাকা নেওয়ার কোন বিষয় নেই। সেই রিসর্টে অনেক অনৈতিক কাজ হচ্ছিল। তাই গ্রামবাসীরা সম্মিলিতভাবে তালা ঝুলিয়ে দেয়। তৃণমূল কংগ্রেসের পতাকা কেউ কেউ নিতে পারেন সেটা বড় কথা নয়। কম বয়সী মেয়েদের আনাগোনা বাড়ছিল রিসর্টে এমনটাই দাবি স্থানীয়দের। এই বিষয়ে বিজেপির জলপাইগুড়ি জেলা সম্পাদক শ্যাম প্রসাদ জানান, এটাই তৃণমূলের দস্তুর। তোলাবাজি এবং কাটমানি তৃণমূলকে দিতেই হবে নাহলে কেউ সুষ্ঠু ভাবে বাঁচতে পারবে না। আর এই সব কিছুই কালীঘাট থেকে নিয়ন্ত্রণ করা হয়। পুলিশের কাছে গিয়ে কোনও লাভ হবে না। আর তৃণমূলের তরফে যে অভিযোগ করা হচ্ছে, এখানে অবৈধ কাজ কর্ম হত, তাহলে টাকা কেন চাইলেন তৃণমূল নেতারা, কেন পুলিশের কাছে গেলেন না তৃণমূল নেতারা? এখান থেকেই পরিষ্কার যে তৃণমূলকে টাকা দিলে সব বৈধ হয়ে যায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: “বাংলায় ৩০টি আসনে বিজেপি জয়ী হলে উত্তরবঙ্গে এইমস হবে”, ঘোষণা করলেন অমিত শাহ

    Amit Shah: “বাংলায় ৩০টি আসনে বিজেপি জয়ী হলে উত্তরবঙ্গে এইমস হবে”, ঘোষণা করলেন অমিত শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “রায়গঞ্জে এইমস হাসপাতাল তৈরি করাতেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাধা দিয়েছিলেন। এইমস তিনি কলকাতায় নিয়ে গিয়েছেন। আমি কথা দিচ্ছি, ৩০ টি আসনে বিজেপি জিতলে উত্তরবঙ্গের জন্য আলাদা এইমস তৈরি করা হবে।” রায়গঞ্জ লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী কার্তিক চন্দ্র পালের সমর্থনে জনসভা করতে এসে উত্তরবঙ্গে ‘এইমস’ তৈরির আশ্বাস দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) । মঙ্গলবার উত্তর দিনাজপুর জেলার করণদিঘি ব্লকের রসাখোয়া এলাকায় জনসভায় যোগদেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি বলেন, “মোদিজির গ্যারান্টি, ৩০টি আসন জিতিয়ে দিন, আমরা উত্তরবঙ্গের জন্য আলাদা এইমস বানানোর কাজ শুরু করব।”

    জাতীয় সড়ক তৈরিতে বাধা দিচ্ছেন মমতা, সরব শাহ (Amit Shah)

    এদিন সভামঞ্চ থেকে এইমস-এর পাশাপাশি রায়গঞ্জবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি বারসই-রায়গঞ্জ সড়ক যোগাযোগের বিষয়েও সরব হন তিনি। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Amit Shah) বলেন, “পার্শ্ববর্তী বিহার রাজ্যের সঙ্গেও সড়ক যোগাযোগ সুগম করার ব্যাপারে মমতাদি বাধা দিচ্ছে। বিহার সরকার এনওসি দিয়ে দিয়েছে। আমি নিজে তাঁর সঙ্গে কথা বলেছি। কিন্তু, মমতাদির সরকার এই ব্যাপারে এনওসি দেয় নি।” স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, “আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে এই রাজ্যে ৩০ থেকে ৩৫ টা আসনে জিতলে পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে অনুপ্রবেশ পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হবে।”  তিনি বলেন, “২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে এই রাজ্য থেকে ১৮ টা আসনে মানুষ আমাদের জিতিয়েছিল। তার ফলে গত ৫০০ বছর ধরে তাঁবুতে থাকা রামকে আমরা থাকার জন্য রামমন্দির তৈরি করতে পেরেছি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও কংগ্রেস বিরোধিতা করেও তা আটকাতে পারে নি। এবার নির্বাচনে এই রাজ্যে ৩০ থেকে ৩৫ টা আসনে আপনারা আমাদের জেতান।”

    আরও পড়ুন: “বাংলায় দুর্নীতির শাসন চলছে, চাকরি দিতে ঘুষ নিচ্ছে সরকার,” তোপ দাগলেন অমিত শাহ

    কেন্দ্রীয় সরকারের পাঠানো টাকা সাধারণ মানুষ পাননি

    অমিত শাহ (Amit Shah) এদিন বলেন, “কেন্দ্রীয় সরকার এই রাজ্যের সাধারণ মানুষের জন্য প্রচুর প্রকল্প বরাদ্দ করলেও তৃণমূল সরকার তা নিচুতলায় আসতে দিচ্ছে না। এই সুবিধা সাধারণ মানুষের কাছে পৌছালে মানুষের জাগরণ হবে। এই রাজ্যে ৩০’ র বেশি আসনে জিতলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাধারণ মানুষের এই অধিকার ছিনিয়ে নিতে পারবে না। ইউপিএ সরকারের ১০ বছরে কেন্দ্র এই রাজ্যকে ২ লক্ষ ৯ হাজার কোটি টাকা দিয়েছিলো। বিজেপি সরকার গত ১০ বছরে এই রাজ্যকে ৭ লক্ষ ৭৫ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে। কিন্তু, সাধারণ মানুষের কাছে এই টাকা পৌঁছায়নি। উলটে তৃনমূল কংগ্রেসের নেতাদের জীবনযাপনের মান বেড়েছে।”

    ১০ বছর ধরে গরিবদের জন্য কাজ করেছেন মোদি

    অমিত শাহ (Amit Shah) বলেন, “নরেন্দ্র মোদি দেশের গরিবদের জন্য গত ১০ বছর ধরে কাজ করে গিয়েছেন। ৮০ কোটি মানুষকে বিনামূল্যে রেশন দিয়েছেন মোদি। ১২ কোটির বেশি শৌচালয়, ৪ কোটির বেশি মানুষকে ঘর, ১০ কোটি মানুষকে উজ্জ্বলার গ্যাস, ১৪ কোটি মানুষকে পানীয় জলের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন মোদি।” প্রসঙ্গত, রায়গঞ্জ লোকসভা আসনে ভোট রয়েছে দ্বিতীয় দফায়। ২৬ এপ্রিল হবে ভোটগ্রহণ। এ বার এই কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী করেছে কার্তিক পালকে। ২০১৯ সালে এই আসনে বিজেপির টিকিটে জিতেছিলেন দেবশ্রী চৌধুরী। পরে তাঁকে নরেন্দ্র মোদীর মন্ত্রিসভায় প্রতিমন্ত্রীও করা হয়েছিল। তবে এ বার বিজেপি দেবশ্রীকে আর এই আসন থেকে টিকিট দেয়নি। দক্ষিণ কলকাতা লোকসভা আসন থেকে প্রার্থী করা হয়েছে তাঁকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: সন্দেশখালিকাণ্ডে ফের বসিরহাট এসপি অফিসে সিবিআই হানা

    Sandeshkhali: সন্দেশখালিকাণ্ডে ফের বসিরহাট এসপি অফিসে সিবিআই হানা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও বসিরহাটের এসপি অফিসে (SP Office) সিবিআই হানা। সিবিআই আধিকারিকদের সঙ্গে ছিলেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানেরা। সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) ইডি-র উপর হামলার ঘটনায় ন্যাজাট থানায় দায়ের হওয়া দুটো অভিযোগেরই তদন্ত করছে সিবিআই। এই মামলায় কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানমের ডিভিশন বেঞ্চ এই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিলেন। এই মামলার তদন্তে বার বার তৃণমূল নেতাদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠে এসেছে। বিরোধীরা বার বার অভিযোগ তুলেছেন তৃণমূলের বিরুদ্ধে। সম্প্রতি নারী নির্যাতনের ঘটনায় সন্দেশখালি উত্তাল হয়ে উঠেছিল। এলাকার মহিলাদের আন্দোলনের চাপে তৃণমূল নেতা শাহজাহানকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। পরবর্তী সময়ে হাইকোর্টের নির্দেশে সমস্ত মামলার তদন্তের ভার দেওয়া হয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার কাছে। 

    নোটিশ জারি করেছিল সিবিআই (Sandeshkhali)

    তবে ন্যাজাট (Sandeshkhali) থানায় দায়ের হওয়া দুটি অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ এতদিন যা তদন্ত করেছে, তাতে বাজেয়াপ্ত হওয়া জিনিস তালিকা-তথ্য ও নথি পেতে নোটিশ জারি করেছিল সিবিআই। তবে মঙ্গলবারই প্রথম নয়, এর আগে গত ১৬ এপ্রিলও এসপি অফিসে পৌঁছেছিল সিবিআই-এর একটি টিম। ওই দিন সন্দেশখালিতে হামলার ঘটনায় বসিরহাটের (Basirhat) পুলিশ সুপারকে নোটিশ দিয়েছিল সিবিআই (CBI)। একই সঙ্গে ইডির উপর হামলার ঘটনায় বেশকিছু তথ্য ও নথি চাওয়া হয়েছে বলে সূত্রের খবর। তবে মঙ্গলবার সেই তথ্যের খোঁজেই গোয়েন্দা আধিকারিকেরা এসপি অফিসে হানা দিলেন কিনা সেই বিষয়টি স্পষ্ট নয়।

    আরও পড়ুনঃ কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার কাছে শাহজাহানের বিরুদ্ধে শতাধিক মামলা দায়ের

    পুলিশের বাজেয়াপ্ত হওয়া জিনিসের খোঁজে সিবিআই

    উল্লেখ্য, সন্দেশখালিতে ইডির উপর হামলার ঘটনায় ন্যজাট থানায় যে দুটো মামলা দায়ের হয়েছিল, ওই মামলাতে কোনও দাবিদারহীন বাজেয়াপ্ত আছে কিনা, সেই সংক্রান্ত তথ্য জানতে চেয়ে বসিরহাটের পুলিশ সুপারকে নোটিশ দেওয়া হয়েছে। পুলিশের বাজেয়াপ্ত হওয়া জিনিসের মধ্যে দাবিদারহীন জিনিস তদন্তের জন্য বেশ গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেছন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী অফিসারেরা। তবে পুলিশের বিরুদ্ধে বিজেপি শাসক দলের হয়ে কাজ করার অভিযোগ বার বার তুলে সরব হয়েছিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • SSC Scam: নিয়োগ দুর্নীতিতে নয়া মোড়, সুপ্রিম দুয়ারে যোগ্য হয়েও চাকরিহারারা, ধর্না শহিদ মিনারে 

    SSC Scam: নিয়োগ দুর্নীতিতে নয়া মোড়, সুপ্রিম দুয়ারে যোগ্য হয়েও চাকরিহারারা, ধর্না শহিদ মিনারে 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতিতে (SSC Scam) নতুন নতুন রূপ দেখছে রাজ্যবাসী। এতদিন চাকরিপ্রার্থীরা ধর্নামঞ্চে নিজেদের দাবি জানাতেন এবার চাকরিহারারাও শহিদ মিনারে ধর্না দিতে চলেছেন। সুপ্রমি কোর্টেও আবেদন জানানোর কথা জানিয়েছেন যোগ্যতার বলে চাকরি পাওয়া ব্যক্তিরা। তাঁদের কথায়, “ঘুষ তো দিইনি, যোগ্যতার বলেই চাকরি পেয়েছিলাম। আমাদের দোষ কোথায়? এর দায় রাজ্য সরকারকে নিতে হবে।”

    কী বলছেন চাকরিহারারা

    মঙ্গলবার সকালেই চাকরিচ্যুতদের (SSC Scam) একাংশ শহিদ মিনার চত্বরে জমায়েত শুরু করেন। প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, ধর্নায় বসে নিজেদের প্রতিবাদ আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি আদালতের দ্বারস্থও হওয়ার কথা ভাবছেন তাঁরা। সে ক্ষেত্রে কলকাতা হাইকোর্টের সোমবারের চাকরি বাতিলের নির্দেশের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে যাবেন তাঁরা। চাকরিচ্যুতদের বক্তব্য, তাঁরা অবৈধ উপায়ে চাকরি পাননি। তা হলে কেন অবৈধ উপায়ে চাকরি পাওয়া ব্যক্তিদের জন্য তাঁদেরও শাস্তি পেতে হবে? তাঁদের দাবি, এর দায় নিতে হবে সকলকে। এসএসসি বা সরকারের ভুলের খেসারত তারা কেন গুনবেন?

    আরও পড়ুন: জারি হতে পারে অবমাননা রুল, নিয়োগ-মামলায় মুখ্যসচিবকে ‘শেষ সুযোগ’ হাইকোর্টের

    কী বলেছে হাইকোর্ট

    ২০১৬ সালের এসএসসির সম্পূর্ণ নিয়োগ প্রক্রিয়া (SSC Scam) বাতিল করে দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। শিক্ষক পদের পাশাপাশি গ্রুপ-সি এবং গ্রুপ-ডি মিলিয়ে বাতিল হয়েছে মোট ২৫ হাজার ৭৫৩ জনের চাকরি। যাঁরা নিজেদের যোগ্যতায় চাকরি পেয়েছিলেন, তাঁদের অনেকেরই দাবি, ‘আইনি পদক্ষেপ’ করার কথা ভাবছেন তাঁরা। যাঁরা মেধার ভিত্তিতে চাকরি পেয়েছিল, তাঁরা স্বাভাবিক কারণেই এই রায়ে হতাশ। কিন্তু হাইকোর্ট জানিয়েছে এছাড়া কোনও উপায় নেই। একজন যোগ্য শিক্ষকের কথায়, “যোগ্য বলে চাকরি পেলাম। নিয়ম মেনে বেতন পাচ্ছিলাম। যারা দালালের হাত ধরে চাকরি পেল, তাদের সঙ্গে একই বন্ধনীতে ফেলে দেওয়া হল আমাদের। এটা অমানবিক। এর দায় সরকারকেই নিতে হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Darjeeling: ভোটের তিনদিন আগেই পাহাড়ে শিবির বদল! রাজুকে সমর্থনের বার্তা বিনয় তামাংয়ের

    Darjeeling: ভোটের তিনদিন আগেই পাহাড়ে শিবির বদল! রাজুকে সমর্থনের বার্তা বিনয় তামাংয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার ২৬ এপ্রিল দার্জিলিং-এ (Darjeeling) ভোটগ্রহণ। তার আগে বিজেপিকে (BJP) সমর্থন জানালেন পাহাড়ের নেতা বিনয় তামাং (Binay Tamang)। শেষ পাঁচ মাস তিনি কংগ্রেস দলের সদস্য ছিলেন। এরই মাঝে কংগ্রেস (Congress) দলের সঙ্গে তার সম্পর্ক চুকিয়ে দিলেন বিনয়। ভোটের ৭২ ঘণ্টা আগে তিনি জানালেন দার্জিলিং কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী রাজু বিস্তাকে (Raju Bista) তিনি সমর্থন করবেন।

    কী বললেন বিনয় তামাং?

    একটি ভিডিও বার্তা জারি করে বিনয় তামাং বলেছেন, “এখন দুর্নীতি আর স্বজনপোষণের বিরুদ্ধে লড়াই করার সময়। এই প্রেক্ষিতে আমি সমর্থন করছি বিজেপি প্রার্থী রাজু বিস্তাকে। পাহাড়ের মানুষের কাছে বলব আপনারাও তাঁকে সমর্থন করুন। যা পরিস্থিতি তাতে দিল্লিতে আবার নরেন্দ্র মোদির সরকার আসবে। এ কথা নিশ্চিত দুবছর পর রাজ্য ক্ষমতায় আসতে পারে বিজেপি। তাই সব দিক বিবেচনা করে রাজু বিস্তাকে সমর্থন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।” গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা অনেকদিন আগেই খন্ড খন্ড হয়ে গেছে। সোমবার রাতে কর্মী সমর্থকদের নিয়ে ভার্চুয়াল বৈঠক করেন বিনয়। সমর্থকরা তাঁকেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগ্রহ জানান। এরপরই বিনয় জানান, “আমি রাজু বিস্তাকে সমর্থন করবো। সংগঠনের নেতারা আমাকে দায়িত্ব দিয়েছিল। তাঁদের বক্তব্য ছিল তৃণমূল ছাড়া যাকে খুশি সমর্থন করা যেতে পারে।”

    টিকিট না পেয়ে কি কংগ্রেস ত্যাগ?

    প্রসঙ্গত পাহাড়ে আন্দোলন চলাকালীন গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার সদস্য ছিলেন বিনায় তামাং। তিনি গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার তৎকালীন সুপ্রিমো বিমল গুরুং-এর অনুগামী বলে পরিচিত ছিলেন। পাহাড় থেকে বিমলের পলায়ন পর্বের পর উত্থান হয় বিনয় তামাং-এর। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আশীর্বাদে হন জিটিএ প্রধান। তবে তৃণমূলের সঙ্গে সুসম্পর্ক বেশিদিন টেকেনি তাঁর। মাস পাঁচেক আগে অধীর চৌধুরীর হাত থেকে পতাকা নিয়ে কংগ্রেসে যোগদান করেন তিনি। অবশেষে কংগ্রেসের সঙ্গেও সম্পর্ক ছিন্ন হল তাঁর। অন্যদিকে বিনয় কংগ্রেসে যোগ দেওয়ার পর মনে করা হচ্ছিল তাঁকে দার্জিলিং কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করতে পারে। কিন্তু তা হয়নি। হামরো পার্টির নেতা অজয় এডওয়ার্ডের ঘনিষ্ঠ তথা দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপক মুনীশ তামাংকে প্রার্থী করে কংগ্রেস। মুনীশকে প্রার্থী করার পরেই ক্ষোভের কথা জানিয়েছিলেন বিনয়। শেষ পর্যন্ত তিনি কংগ্রেসের সঙ্গে সম্পর্ক চুকিয়ে দিয়ে বিজেপিকে সমর্থন করলেন।

    আরও পড়ুনঃ সন্দেশখালিকাণ্ডে ফের বসিরহাট এসপি অফিসে সিবিআই হানা

    রাজু বিস্তারের জয়ের সম্ভাবনা আরও বাড়ল

    কংগ্রেস সূত্রের খবর পাহাড় এবং সমতলের পরিচিত মুখ বিনয়কে প্রার্থী চেয়ে দিল্লিতে প্রস্তাব পাঠান হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীকালে পরিস্থিতিতে বদল আসে। হামরো পার্টির অজয়ের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক করেন কংগ্রেস নেতা ভিপি সিং, পবন খেরা এবং গোলাম আহমেদ মীর। মুনীশ গোর্খা পরিসংঘের সভাপতি পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে কংগ্রেসের যোগ দেওয়ার পরেই অজয় ইন্ডিয়া জোটের শরিক হয়ে যান। এই পরিস্থিতিতে বিনয় শিবির তখনই কংগ্রেসের থেকে নিজেদের দূরত্ব বৃদ্ধি করতে শুরু করেছিল। এমনিতেই প্রত্যেকবার পাহাড়ে কংগ্রেসের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। বিনয় তামাং কংগ্রেস থেকে সরে আসায় কংগ্রেসের ভোট নোটার তুলনায় কমে যেতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। প্রথমদিকের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ধাক্কা কাটিয়ে রাজু বিস্তা পাহাড়ের রাজনীতির বেশ কয়েকটি মুখকে সঙ্গী করতে সক্ষম হয়েছেন। এখন বিনয় শিবির রাজু বিস্তারের সমর্থন করায় রাজুর জয়ের সম্ভাবনা আরও বৃদ্ধি পেল বলেই মনে করা হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: “বাংলায় দুর্নীতির শাসন চলছে, চাকরি দিতে ঘুষ নিচ্ছে সরকার,” তোপ দাগলেন অমিত শাহ

    Amit Shah: “বাংলায় দুর্নীতির শাসন চলছে, চাকরি দিতে ঘুষ নিচ্ছে সরকার,” তোপ দাগলেন অমিত শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বাংলায় দুর্নীতির শাসন চলছে। চাকরি দিতে ঘুষ নিচ্ছে সরকার।” মঙ্গলবার উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জের করণদিঘিতে সভা করে এভাবে তৃণমূলকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। তিনি বলেন, “হাইকোর্ট চাকরি বাতিল করেছে সোমবার। ওঁদের এক মন্ত্রীর বাড়ি থেকে ৫১ কোটি টাকা উদ্ধার হয়েছে। কাটমানি, চাকরি নিয়ে দুর্নীতি বাংলায় আটকানো প্রয়োজন। পঞ্চায়েত নির্বাচনে হিংসা হয় বাংলায়, এর কারণ তৃণমূল কংগ্রেস।”

    সন্দেশখালির অভিযুক্তদের শাস্তি দিতে পারে মোদি (Amit Shah)

    অমিত শাহ (Amit Shah) বলেন, “মা, মাটি, মানুষের স্লোগান দিয়ে তৃণমূল ক্ষমতায় এসেছিল। আর ক্ষমতায় এসে সন্দেশখালিতে মাকে অপমান করেছে। আর বাংলার মাটি অনুপ্রবেশকারীদের হাতে মমতা দিদি তুলে দিয়েছে। আর বাংলার মানুষকে অত্যাচার, বঞ্চনা করেই চলেছে তৃণমূল সরকার।” এরপর কর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “সন্দেশখালির মহিলাদের ওপর যে অবিচার হয়েছে তাদের শাস্তি পাওয়া প্রয়োজন নয় কি? তৃণমূল থাকলে অভিযুক্তরা উপযুক্ত শাস্তি পাবে না। অভিযুক্তদের শাস্তি দিতে পারে একমাত্র মোদি। আর সিএএ নিয়ে মমতা ভুল বোঝাচ্ছে। আমরা বাংলাদেশ থেকে আসা হিন্দু, বৌদ্ধ, শিখ শরনার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়ার ব্যবস্থা করছি। আর মমতা দিদি অনুপ্রবেশকারীদের এই বাংলায় জায়গা করে দিচ্ছে। অনুপ্রবেশ আটকাতে পারবেন না মমতা। বাংলাকে হিংসা থেকে মুক্ত করতে হলে নরেন্দ্র মোদিকে দরকার। তৃণমূলের নেতাদের ঘর দেখুন, যাঁরা ঝুপড়িতে থাকতেন, তাঁরা এখন চার তলায় থাকেন। বড় বড় গাড়িতে ঘোরেন। এই টাকা আপনাদের। বাংলাকে যদি হিংসা থেকে মুক্ত করতে হয়, অনুপ্রবেশ রুখতে হয়, শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দিতে হয়, তবে একমাত্র রাস্তা হল নরেন্দ্র মোদিকে প্রধানমন্ত্রী বানানো।”

    আরও পড়ুন: “রড, লাঠি ও টাঙি নিয়ে ব্যাপক হামলা চালালো তৃণমূল”, বললেন আক্রান্ত বিজেপি কর্মী

    মালদায় অমিত শাহ রোড শোয়ে জনজোয়ার

    গত লোকসভা নির্বাচনে মালদা দক্ষিণ কেন্দ্র থেকে খুব কম ভোটের ব্যবধানে হেরে গিয়েছিলেন শ্রীরূপা মিত্র চৌধুরী। আর এবার ফের ওই কেন্দ্র থেকেই প্রার্থী হয়েছেন শ্রীরূপা। তাঁর প্রচারে রাজ্যে এসেছেন খোদ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। প্রার্থীকে পাশে বসিয়ে মঙ্গলবার দুপুরে রোড শো করেন শাহ। বিপুল সমর্থকদের ভিড় চোখে পড়ে সেই রোড শো-তে। দলীয় কর্মী-সমর্থদের উদ্দেশে শাহ বলেছেন, “ইংরেজবাজার থেকে দেড় লক্ষেরও বেশি লিড দিতে হবে।”ভোট ঘোষণার পর রাজ্যে এক বারই এসেছেন শাহ। লোকসভার নির্বাচনী প্রচারে প্রায়ই পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কেউ না কেউ আসছেন। লোকসভা ভোট ঘোষণার পর রাজ্যে তিন দিন এসে সভা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ভোট ঘোষণার আগেও এসেছেন তিনি। অনুরাগ ঠাকুর থেকে রাজনাথ সিং- কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা একাধিক সভা করছেন বাংলায়। তবে, ভোট ঘোষণার পর শাহ এক বারই রাজ্যে এসেছিলেন। বালুরঘাট লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থী সুকান্ত মজুমদারের সমর্থনে সভা করে গিয়েছেন তিনি। এবার দ্বিতীয় দফা ভোটের আগে প্রচারে এসে তৃণমূলকে তুলোধনা করলেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Shahjahan Sheikh: পালাতে পারে বিদেশে, সন্দেশখালির শাহজাহানের ভাইয়ের বিরুদ্ধে লুকআউট নোটিশ ইডির

    Shahjahan Sheikh: পালাতে পারে বিদেশে, সন্দেশখালির শাহজাহানের ভাইয়ের বিরুদ্ধে লুকআউট নোটিশ ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একাধিকবার সমন পাঠিয়ে হাজিরা দিতে বলেছিল ইডি। তার পরেও বারংবার হাজিরা এড়িয়ে গিয়েছে সন্দেশখালিকাণ্ডে অভিযুক্ত শাহজাহান শেখের (Shahjahan Sheikh) ভাই সিরাজউদ্দিন শেখ। ঘটনার পঞ্চান্ন দিন পরে গ্রেফতার করা হয় মূল অভিযুক্ত শাহজাহানকে। এবার সিরাজউদ্দিনের বিরুদ্ধে লুকআউট নোটিশ জারি করল ইডি।

    বিদেশে পালাতে পারে সিরাজউদ্দিন (Shahjahan Sheikh)

    তদন্ত এড়াতে বিদেশে পালানোর চেষ্টা করতে পারে সিরাজউদ্দিন। সে যাতে পালাতে না পারে, সেজন্য দেশের সব বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষকে সতর্ক করেছে ইডি। সিরাজউদ্দিনের ছবি ও তার সম্পর্কে যাবতীয় তথ্যও পাঠানো হয়েছে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষকে। শাহজাহানের (Shahjahan Sheikh) আর এক ভাই আলমগিরকে গ্রেফতার করেছিল সিবিআই। রবিবার রাতে তাকে গ্রেফতার করে ইডিও। গ্রেফতার করা হয় তৎকালীন তৃণমূল নেতা শাহজাহানের (গ্রেফতার হতেই দায় ঝেড়ে ফেলতে সাসপেন্ড করা হয় শাহজাহানকে) দুই শাগরেদ শিবু হাজরা ও দিদারবক্স মোল্লাকে।

    সিরাজউদ্দিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ

    প্রসঙ্গত, মহিলা নির্যাতন, জমি জবরদখল, স্থানীয়দের ওপর জুলুমবাজির যেসব অভিযোগ সন্দেশখালি ও ন্যাজাট থানায় দায়ের হয়েছিল আঠারো থেকে চব্বিশ সালের মধ্যে, সেই অভিযোগগুলিতে নাম রয়েছে শাহজাহান-সহ অন্যদের। সন্দেশখালিকাণ্ডের পর এলাকাবাসীর অভিযোগ নেওয়ার জন্য যে পুলিশ ক্যাম্প করা হয়েছিল, সেখানে সিরাজউদ্দিনের বিরুদ্ধে অন্তত ১০০টি অভিযোগ জমা পড়েছিল। এতে যেমন ছিল জমি দখলের অভিযোগ, তেমন ছিল অকারণে মারধর ও হুমকি দেওয়ার অভিযোগও।

    আরও পড়ুুন: ফের ‘কেরালা স্টোরি’র গল্প! বিহার, কর্নাটকে ‘লাভ জিহাদে’র ফাঁদে হিন্দু তরুণীরা

    জানা গিয়েছে, স্থানীয় বাসিন্দা হরিপদ সর্দার পুলিশ ক্যাম্পে অভিযোগ জানিয়েছিলেন, ‘এক আদিবাসী মহিলার ৩৩ শতক চাষের জমি দখল করে মার্কেট তৈরি করেছে সিরাজউদ্দিন। টাকার জন্য সিরাজউদ্দিনের দোরে ঘুরেও ফিরতে হয়েছে খালি হাতে। গাড়ি করে বসিরহাটে তুলে নিয়ে গিয়ে জমি লিখিয়ে নিয়েছে, ভয়ে কারও কাছে মুখ খুলতে পারিনি।’ ইডি সূত্রে খবর, এসব মামলার তদন্ত সূত্রেই সিরাজউদ্দিনকে তলব করেছিল ইডি।

    প্রসঙ্গত, রেশন দুর্নীতিকাণ্ডের তদন্তে শাহজাহানের সন্দেশখালির বাড়িতে গিয়ে আক্রান্ত হন ইডির আধিকারিকরা। আক্রান্ত হয়েছিলেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর দুই জওয়ান মায় সংবাদমাধ্যমের কর্মীরাও। অভিযোগের আঙুল ওঠে শাহজাহান অনুগামীদের দিকে। তার পর থেকেই নিত্য খবরের শিরোনামে রয়েছে শাহজাহান (Shahjahan Sheikh) অ্যান্ড কোং।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • UGC: অনলাইন, ডিস্ট্য়ান্সে উচ্চশিক্ষায় আর প্রয়োজন নেই এআইসিটিই-র অনুমোদন, জানাল ইউজিসি

    UGC: অনলাইন, ডিস্ট্য়ান্সে উচ্চশিক্ষায় আর প্রয়োজন নেই এআইসিটিই-র অনুমোদন, জানাল ইউজিসি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার থেকে ওপেন অ্যান্ড ডিস্ট্যান্স লার্নিং (ODL) এবং অনলাইনে প্রোগ্রামের মাধ্যমে কোনও বিষয়ে পঠনপাঠন শুরু করার জন্য বিশেষ অনুমোদনের প্রয়োজন নেই। সম্প্রতি এক বিজ্ঞপ্তিতে এমনই জানিয়েছে ইউনিভার্সিটি গ্রান্ট কমিশন (UGC)।

    ইউজিসির বক্তব্য (UGC)

    এর আগে অল ইন্ডিয়া কাউন্সিল ফর টেকনিক্যাল এডুকেশন বা এআইসিটিই (AICTE )-এর অনুমোদন দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে সবিস্তার একটি চিঠি পাঠানো হয় ইউজিসিকে (UGC)। এবার ওই চিঠির পরিপ্রেক্ষিতেই ১৩ মার্চ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কমিশনের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ইউজিসি-র জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, “এবার থেকে এআইসিটিই-এর অনুমোদন ছাড়াই কোনও বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান টেকনিক্যাল এবং ম্যানেজমেন্ট শাখার যেকোনও বিষয় সংশ্লিষ্ট পদ্ধতিতে পড়াতে পারবে।” এছাড়াও ইউজিসি-র (University Grants Commission) ওয়েবসাইটে প্রকাশিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, “সরকারি হোক বা বেসরকারি, যেকোনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানই এবার থেকে এআইসিটিই (All India Council of Technical Education)-এর অনুমোদন ছাড়াই টেকনিক্যাল এবং ম্যানেজমেন্ট শাখার যেকোনও বিষয়ে দূরশিক্ষা এবং অনলাইন প্রোগ্রামের মাধ্যমে স্নাতক কিংবা স্নাতকোত্তর স্তরে পঠনপাঠনের ব্যবস্থা করতে পারবে পড়ুয়াদের।” জানা গেছে এই সুবিধার আওতায় রয়েছে ম্যানেজমেন্ট, কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশন ও ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজমের মত বিষয়গুলি। অর্থাৎ উল্লিখিত বিষয়গুলি নিয়ে অনলাইন (online mode) প্রোগ্রাম কিংবা দূরশিক্ষার মাধ্যমে পড়াশোনা করতে পারবেন পড়ুয়ারা।

    আরও পড়ুনঃশাহজাহানের ভাই সিরাজের বিরুদ্ধে এবার লুক আউট নোটিশ জারি করল ইডি

    ভুয়ো বিষয়ে পঠনপাঠনে সতর্কতা

    তবে ইউজিসির (UGC) তরফে জারি হওয়া ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কেবলমাত্র ‘ডিমড টু বি ইউনিভার্সিটিজ’-এর ক্ষেত্রে পূর্ব অনুমোদন ছাড়া উল্লিখিত বিষয়ে পঠনপাঠনের ব্যবস্থা করা যাবে না। উল্লেখ্য, দূরশিক্ষার মাধ্যমে ভুয়ো বিষয়ে পঠনপাঠন নিয়ে আগেই সতর্কতা জারি করেছিল ইউজিসি। এবার কোন কোন বিষয় দূরশিক্ষা কিংবা অনলাইন প্রোগ্রামের মাধ্যমে পড়ানো যাবে এবং তার জন্য আলাদা করে কোনও অনুমোদন নেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে কী না, সেই বিষয়ে ইউজিসি-র ওয়েবসাইটে সম্প্রতি এই বিজ্ঞপ্তিটি প্রকাশিত হয়েছে। এই বিজ্ঞপ্তিটি ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • SSC Scam: জারি হতে পারে অবমাননা রুল, নিয়োগ-মামলায় মুখ্যসচিবকে ‘শেষ সুযোগ’ হাইকোর্টের

    SSC Scam: জারি হতে পারে অবমাননা রুল, নিয়োগ-মামলায় মুখ্যসচিবকে ‘শেষ সুযোগ’ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতি (SSC Scam) মামলায় ধৃত আধিকারিকদের বিরুদ্ধে বিচারপ্রক্রিয়া শুরুর অনুমোদন সংক্রান্ত বিষয়ে আবারও কলকাতা হাইকোর্টের প্রশ্নের মুখে পড়লেন রাজ্যের মুখ্যসচিব বিপি গোপালিকা। নিজের অবস্থান জানানোর জন্য তাঁকে শেষ সুযোগ দিল আদালত। এই নিয়ে চতুর্থ বার সময় দেওয়া হল। এবার যদি আদালতের বেঁধে দেওয়া সময়ের মধ্যে মুখ্যসচিব পদক্ষেপ না করেন, তবে তাঁর বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রুল জারি করা হবে বলেও মঙ্গলবার জানায় বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি গৌরাঙ্গ কান্তের ডিভিশন বেঞ্চ। আগামী ২ মে মামলার পরবর্তী শুনানি।

    কী বলল আদালত

    মঙ্গলবার নিয়োগ দুর্নীতি (SSC Scam) ধৃত পার্থ চট্টোপাধ্যায়, সুবীরেশ ভট্টাচার্য-সহ শিক্ষা দফতরের কয়েক জন প্রাক্তন আধিকারিকের জামিনের মামলার শুনানি ছিল বিচারপতি বাগচীর ডিভিশন বেঞ্চে। সিবিআইয়ের অভিযোগ ছিল, রাজ্যের মুখ্যসচিবের অনুমতি না পাওয়ায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে বিচার প্রক্রিয়া শুরু করা যায়নি। এই সংক্রান্ত মামলার গত শুনানিতে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর পর্যবেক্ষণ ছিল, মুখ্যসচিব তাঁর দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছেন। ২৩ এপ্রিল অর্থাৎ মঙ্গলবারই এই বিষয়ে রিপোর্ট দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল সরকারকে। কিন্তু মঙ্গলবারও মুখ্যসচিব কোনও রিপোর্ট জমা দেননি। গোটা বিষয়টি নিয়ে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করে আদালত তাঁকে আর মাত্র ১০ দিন সময় দিয়েছে। এরপর মুখ্যসচিবের রিপোর্ট না পেলে রুল ইস্যুর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী।  

    আরও পড়ুন: ১৭টি বিভিন্ন উপায়ে নিয়োগে দুর্নীতি করেছে এসএসসি! কী বলল হাইকোর্ট?

    রাজ্যের যুক্তি

    মঙ্গলবারও আগের শুনানির (SSC Scam) মতো একই যুক্তি দেখায় রাজ্য সরকার। বলা হয়, লোকসভা ভোটের কাজে ব্যস্ত মুখ্যসচিব। তাই তিনি জবাব দিতে পারেননি। রাজ্যের যুক্তি শুনে অসন্তোষ প্রকাশ করেন বিচারপতি বাগচী। তিনি মন্তব্য করেন, ‘‘তদন্ত এবং বিচার প্রক্রিয়া মসৃণ ভাবে চলছে কি না, সেটা দেখা আদালতের কাজ। যদি দেখা যায় সেখানে কোনও বাধা আসছে, তবে তা সরানোর কাজ করতে হবে।’’ তাঁর কথায়, ‘‘নির্বাচনের সঙ্গে মুখ্যসচিবের এই সিদ্ধান্ত গ্রহণের কোনও সম্পর্ক নেই। অযথা এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে তিনি দেরি করছেন। তিনি হয় এই মামলার গুরুত্ব বুঝতে ব্যর্থ হয়েছেন। নতুবা আমাদের কি এটা ধরে নিতে হবে যে এই অভিযুক্তরা এতই প্রভাবশালী যে, রাজ্যের মুখ্যসচিবও বিচার শুরু করার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারছেন না?’’  বিচারের কাজে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে মুখ্যসচিবকে প্রভাবমুক্ত থাকার নির্দেশ দেয় আদালত। মুখ্যসচিবকে তাঁর বিধবদ্ধ দায়িত্ব পালন করতে বলা হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Sandeshkhali: কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার কাছে শাহজাহানের বিরুদ্ধে শতাধিক মামলা দায়ের

    Sandeshkhali: কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার কাছে শাহজাহানের বিরুদ্ধে শতাধিক মামলা দায়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালির বিভিন্ন অভিযোগের সিবিআই তদন্তে মামলার সংখ্যা শতাধিক হয়ে যেতে পারে বলে জানা গিয়েছে। এক দশকের বেশি সময় ধরে সন্দেশখালি (Sandeshkhali) ও আশপাশের অঞ্চলে ত্রাস হয়েছিলেন তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহান (Seikh Shahjahan)। মহিলাদের আন্দোলনের চাপে গ্রেফতার হয়েছেন শাহজাহান এবং অনুগামী শিবু-উত্তম সহ আরও কয়েকজন দুষ্কৃতী। একই সঙ্গে শতাধিক অভিযোগের মামলা দায়ের করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। উল্লেখ্য বেআইনি অর্থ লগ্নী সংস্থা সারদার আর্থিক দুর্নীতির মামলায় রাজ্যজুড়ে ১৯৬টি অভিযোগ দায়ের হয়েছিল। কিন্তু এবার সন্দেশখালিতেই মোট মামলা এখনই শতাধিক। আগামী দিনে আরও মামলা দায়ের হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।  

    শতাধিক অভিযোগ জমা

    প্রসঙ্গত সন্দেশখালির (Sandeshkhali) বাসিন্দাদের কাছ থেকে সিবিআইকে সরাসরি অভিযোগ নিতে নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। সেই সঙ্গে সিবিআইকে ইমেইল আইডি এবং অ্যাপের মাধ্যমে এলাকার বাসিন্দাদের কাছ থেকে সরাসরি অভিযোগ নেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। এবার এই ইমেইল আইডি ও অ্যাপ থেকে নেওয়া অভিযোগ মিলিয়ে মামলার সংখ্যা শতাধিক ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা।

    তদন্তকারী অফিসারের বক্তব্য

    সন্দেশখালিকাণ্ডের (Sandeshkhali) তদন্তে এক তদন্তকারী অফিসার বলেছেন, “৫ জানুয়ারি ইডির (ed) অফিসার ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের উপরে হামলার ঘটনার পর ফেরার হয়ে গিয়েছিলেন সন্দেশখালির ত্রাস শেখ শাহজাহান ও তাঁর সঙ্গীরা। তখন থেকেই সন্দেশখালীর এই তৃণমূল নেতা ও তাঁর ঘনিষ্ঠদের বিরুদ্ধে জোর করে জমি দখল, খুন, খুনের চেষ্টা, মারধর, রাজনৈতিক সন্ত্রাস, শ্লীলতাহানি ও ধর্ষণের মতো অভিযোগ দায়ের হতে শুরু করে। এমনকী বিভিন্ন গ্রামে শিবির খুলে বসিরহাট জেলা পুলিশ অভিযোগ গ্রহণ করা শুরু করেছিল। কিছু অভিযোগের নিষ্পত্তি অবশ্য পুলিশ এবং রাজ্য প্রশাসনের তরফে তৎক্ষণাৎ করা হয়েছিল।” অন্যদিকে সিবিআই এর হাতে গ্রেফতার শেখ শাহজাহানের ভাই আলমগীর শাহজাহানের দুই সাগরেদ শিবু হাজরা ও দিদার বক্স মোল্লাকে হেফাজতে নিলেন ইডি আধিকারিকেরা। যেহেতু তিনজনকে আগেই গ্রেফতার করা হয়েছিল, তাই তাঁদের ‘শোন অ্যারেস্ট’ দেখানো হয়েছে। ইডি আধিকারিকদের উপর হামলা ও বিভিন্ন সম্পত্তিগত বিষয়ে তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।

    আরও পড়ুনঃ এই ৫টি উপায় মেনে চললেই এসির বিদ্যুতের খরচ কম হবে

    সারদা মামলার সঙ্গে যোগ

    প্রসঙ্গত বছর দশেক আগে বেআইনি অর্থ লগ্নী সংস্থা সারদার ২৪০০ কোটি টাকার আর্থিক দুর্নীতির মামলায় রাজ্যজুড়ে ১৯৬টি অভিযোগ দায়ের হয়েছিল। সেখানে শুধু সন্দেশখালিতেই (Sandeshkhali) শাহজাহানের বিরুদ্ধে শতাধিক মামলা দায়ের হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে বর্তমানে। তবে এত মামলা একসঙ্গে হলে তদন্তকারী সংস্থার বেশ কিছু সমস্যা হতে পারে। বিশেষ করে তদন্ত দীর্ঘায়িত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সারদার ক্ষেত্রে ১৯৬টি মামলা একজোট করে পাঁচটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট জমা দিয়েছিল সিবিআই। ১১ বছর পেরিয়ে যাওয়ার পরেও সারদার পাঁচটি মামলা এখনও চলছে। এই মামলাগুলিতে এখনও চূড়ান্ত চার্জশিট জমা দিতে পারেনি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। আরও জানা গিয়েছে, আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী একজন ডিআইজির নেতৃত্বে সিট গঠন করা হয়েছে এবং আইনজীবীদের সঙ্গে পরামর্শ করা হয়েছে।

    লুক আউট নোটিশ (Sandeshkhali)

    সন্দেশখালি (Sandeshkhali) মামলায় এবার শেখ শাহজাহানের ভাইয়ের বিরুদ্ধে লুক আউট নোটিশ জারি করল ইনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। তদন্তকারী অফিসারেরা জানিয়েছেন, “আমাদের আশঙ্কা তাঁর ভাই সিরাজউদ্দিন দেশের বাইরে পালিয়ে যেতে পারেন। তাই তাঁর বিরুদ্ধে লুক আউট নোটিশ জারি করে দেশের সমস্ত বিমানবন্দরকে সতর্ক করা হয়েছে। সিরাজের বিরুদ্ধে জমি দখল করে ভেড়ি বানানো, সাধারণ মানুষের উপর নির্যাতন সহ শেখ শাহজাহানকে বিভিন্ন মামলায় সহযোগিতা করার অভিযোগ রয়েছে। সেই কারণেই তাঁকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় তদন্তকারীরা। কিন্তু এখনও পর্যন্ত সিরাজুদ্দিনের খোঁজ পাওয়া যায়নি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share