Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Keshpur: “দলীয় কর্মীকে রাস্তায় ফেলে বেধড়ক মারল তৃণমূল,” বললেন বিজেপি জেলা সভাপতি

    Keshpur: “দলীয় কর্মীকে রাস্তায় ফেলে বেধড়ক মারল তৃণমূল,” বললেন বিজেপি জেলা সভাপতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠল কেশপুর (Keshpur)। এক বিজেপি কর্মীকে মারধর করে দলীয় পতাকা ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। এমনটাই অভিযোগ গেরুয়া শিবিরের। ভোটের মুখে এই ঘটনায় তৃণমূলের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলল বিজেপি। এই ঘটনায় পশ্চিম মেদিনীপুর জেলাজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Keshpur)

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কেশপুর (Keshpur) ব্লকের ২ নম্বর অ়ঞ্চলের গোপীনাথপুর এলাকায় বিজেপির স্থানীয় এক বুথ সভাপতি অঙ্কন নিয়োগীকে ব্যাপক মারধর করা হয়। দলীয় পতাকা লাগানোর সময় এই হামলা চালানো হয়। পাশাপাশি দলীয় পতাকা ছিঁড়়ে দেওয়া হয়েছে। দুটি ঘটনাতেই অভিযুক্ত তৃণমূল। খবর পেয়ে ঘাটাল সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সভাপতি তন্ময় দাস আহত বিজেপি কর্মী ও সমর্থকদের নিয়ে আনন্দপুর থানায় গিয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। যদিও এই ঘটনায় পুলিশ এখনও কাউকে গ্রেফতার করেনি। পুলিশ জানিয়েছে, গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

    আরও পড়ুন: অভিষেকের গড়ে বিজেপি নেতার ছেলেকে ‘অপহরণ’ তৃণমূলের! মামলা হাইকোর্টে

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    এ-প্রসঙ্গে ঘাটাল সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সভাপতি তন্ময় দাস বলেন, কিছুদিন আগে কেশপুরে (Keshpur) এসে দেব বলে গিয়েছিলেন, আমি চাইনা এই সন্ত্রাস হোক, রক্ত ঝড়ুক। তিনি চলে যেতেই আমাদের কর্মীদের ওপর আক্রমণ চালাচ্ছে তৃণমূল। এলাকায় দলীয় পতাকা লাগানোর সময় আমাদের এক সক্রিয় বিজেপি কর্মী অঙ্কন নিয়োগীকে রাস্তায় ফেলে বেধড়ক মারধর করা হয়। অচৈতন্য অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতে দলীয় কর্মীরা পতাকা লাগাচ্ছিলেন। ধারাল অস্ত্র নিয়ে হামলা চালাতে আসে তৃণমূলের লোকজন। আমাদের কর্মীরা প্রতিরোধ করলে পালিয়ে যায়। আমি সাংসদ ও এখানকার স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বকে সন্ত্রাস না করার অনুরোধ করবো। এলাকার গরিব মানুষের প্রাপ্য অধিকার তৃণমূল চুরি করেছে। মানুষ পাশে নেই তৃণমূলের। নির্বাচনের ফলে তা প্রমাণ হয়ে যাবে। যদিও স্থানীয় তৃণমূলে নেতৃত্বের বক্তব্য,  হামলার কোনও ঘটনা ঘটেনি। বিজেপি এটা নিয়ে রাজনীতি করছে। আমাদের দলের নামে বদনাম দিচ্ছে। এসব করে কোনও লাভ হবে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: অভিষেকের গড়ে বিজেপি নেতার ছেলেকে ‘অপহরণ’ তৃণমূলের! মামলা হাইকোর্টে

    South 24 Parganas: অভিষেকের গড়ে বিজেপি নেতার ছেলেকে ‘অপহরণ’ তৃণমূলের! মামলা হাইকোর্টে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের মুখে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ তুলল বিজেপি। দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) ডায়মন্ডহারবার থেকে বিজেপি নেতা তথা স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্যের ছেলেকে অপহরণের অভিযোগে সরব হলেন গেরুয়া নেতা শঙ্কুদেব পণ্ডা। অপহরণ করে দলবদলের জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ। আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে বিজেপি নেতৃত্ব।

    ঠিক কী অভিযোগ? (South 24 Parganas)

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) ডায়মন্ড হারবারের বজবজ ২ নম্বর ব্লকের নোদাখালি থানার সাতগাছিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য কৌশিক খাঁড়ার ছেলে বিগত ১ এপ্রিল থেকে নিখোঁজ। এরপর থানায় এফআইআর দায়ের করতে গেলে তা নেওয়া হয় না এবং স্থানীয় তৃণমূল নেতা জাহাঙ্গীরের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলা হয়। ৫ তারিখ ডায়মন্ড হারবারের এসপি-এর কাছে লিখিতভাবে অভিযোগ জানায় পরিবার। কিন্তু, প্রায় ১০ দিন হতে চলল এখনও কোনও খোঁজ নেই। স্বাভাবিকভাবে পরিবারের লোকজন আতঙ্কিত। কৌশিকবাবু বলেন, ছেলে খোঁজে এক তৃণমূল নেতার কাছে গিয়েছিলাম। তিনি আমাকে তৃণমূলে যোগ দেওয়ার জন্য বলেন। দলে যোগ দিলে এক সপ্তাহের মধ্যে ছেড়ে দেবে।

    আরও পড়ুন: “আমায় ভগবান নেতা মনোনীত করেছেন”, সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে বললেন মোদি

    মামলা গড়াল হাইকোর্টে

    বিজেপি নেতা শঙ্কুদেব পণ্ডা বলেন, ডায়মন্ড হারবারের আর এক পঞ্চায়েত সদস্য প্রদীপ সামন্তের মেয়েকেও অপহরণের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে এলেই সব সমাধান হয়ে যাবে বলে হুমকি আসছে প্রতিনিয়ত। বিস্ফোরক অভিযোগ তুলে ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ছেন তিনি। তিনি, এটাই কি ডায়মন্ড হারবার মডেল? এখানে তৃণমূল কীভাবে ভোট করাবে তা বোঝাই যাচ্ছে। ইতিমধ্যেই এই বিষয়ে হাইকোর্টে মামলা করা হয়েছে।

    পুলিশ প্রশাসনের কী বক্তব্য?

    যদিও এই বিষয় বুধবার বিকেলে সাংবাদিক সম্মেলন করে ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রুপান্তর সেনগুপ্ত বলেন, ইতিমধ্যে পরিবারের পক্ষ থেকে একটি নিখোঁজের অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে নোদাখালি থানাতে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা তদন্ত শুরু করেছি। এলাকার সমস্ত সিসিটিভি ফুটেজ আমরা খতিয়ে দেখছি। এর সঙ্গে কোন রাজনৈতিক যোগ আছে কিনা সে বিষয়েও খতিয়ে দেখছি। আমরা খুব শিগগিরই নিখোঁজ যুবকের সন্ধান পাব এমনটাই আশা করছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Tanmoy Bhattacharya: বরানগর উপনির্বাচনে বামেদের বাজি সিপিএমের তন্ময়

    Tanmoy Bhattacharya: বরানগর উপনির্বাচনে বামেদের বাজি সিপিএমের তন্ময়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বরানগর বিধানসভা উপনির্বাচনে বামেদের বাজি সিপিএমের তন্ময় ভট্টাচার্য (Tanmoy Bhattacharya)। এই কেন্দ্রে পদ্ম চিহ্নে লড়ছেন সজল ঘোষ। আর তৃণমূলের প্রার্থী সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়। কাস্তে-হাতুড়ি চিহ্নে আগেও জিতেছেন তন্ময়।

    প্রাক্তন বিধায়ক (Tanmoy Bhattacharya)

    সুবক্তা এই বাম নেতা জিতেছিলেন উত্তর দমদম বিধানসভা কেন্দ্রে। ২০১৬ সালে তিনি ধরাশায়ী করেছিলেন তৃণমূলের চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যকে। একুশের বিধানসভা নির্বাচনে অবশ্য উল্টে যায় পাশার দান। এবার পরাস্ত হন তন্ময় (Tanmoy Bhattacharya)। জয়মাল্য ওঠে চন্দ্রিমার গলায়। সম্প্রতি বরানগরের বিধায়ক পদে ইস্তফা দিয়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন তৃণমূলের তাপস রায়। সেই কারণে হচ্ছে উপনির্বাচন। এখানকারই জল-হাওয়ায় বেড়ে ওঠা তন্ময়ের। সেই কারণেই তাঁর ঘাড়ে দায়িত্ব ন্যস্ত হয়েছে তৃণমূল ও বিজেপি বধের।

    দলীয় নেতৃত্বকেই নিশানা করেছিলেন তন্ময়

    একুশের বিধানসভা নির্বাচনে দলের হারের পরে দলীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন তন্ময়। নির্বাচনে বিপর্যয়ের দায় তিনি চাপিয়েছিলেন দলীয় নেতৃত্বের ঘাড়ে। তিনি বলেছিলেন, “দলের এই ব্যর্থতার দায় নেতৃত্বের। আমাদের নয়, নিচুতলার কর্মীদেরও নয়। লোকসভায় শূন্য হয়ে যাওয়ার পরেও সেই দায় কেউ নেননি। বিধানসভায় হারের পরেও কেউ দায় নেবেন না। শুধু স্তালিন কপচালে হবে না। এটা স্তালিনের যুগ নয়।” এনিয়ে দলে সমালোচনা হলেও, স্ব-বক্তব্যে অনড় ছিলেন তন্ময়।

    আরও পড়ুুন: বাংলার জামাইকে প্রার্থী করে আসানসোলে কিস্তিমাত পদ্মের, বিপাকে ঘাসফুল

    সিপিএম নেতৃত্বের সঙ্গে আগেও একবার বিবাদে জড়িয়ে পড়েছিলেন তন্ময়। উত্তর ২৪ পরগনা জেলা সম্পাদকমণ্ডলীতে পূর্ণ সদস্য করা হয়েছিল তাঁকে। পরে করে দেওয়া হয় আমন্ত্রিত সদস্য। সূত্রের খবর, দলীয় নেতৃত্বের ওই সিদ্ধান্ত শুনেই সক্রিয় রাজনীতি করতে চান না বলে বৈঠক থেকে বেরিয়ে চলে এসেছিলেন বরানগরের ‘ছেলে’। পরে রাজ্য নেতৃত্ব তন্ময়ের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি মিটিয়ে নেন। সেই তন্ময়কেই এবার বাজি ধরলেন বামেরা। এখন দেখার, তন্ময়ের (Tanmoy Bhattacharya) কাস্তে-হাতুড়ির ঘায়ে বরানগরে পদ্ম এবং ঘাসফুল মূর্চ্ছা যায় কিনা!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     

  • Ranaghat: গাজন সন্ন্যাসীদের সঙ্গে ঢাক বাজিয়ে ভোট প্রচার করলেন বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ সরকার

    Ranaghat: গাজন সন্ন্যাসীদের সঙ্গে ঢাক বাজিয়ে ভোট প্রচার করলেন বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গাজন সন্ন্যাসীদের সঙ্গে ঢাক বাজিয়ে ভোট প্রচার শুরু করলেন রানাঘাট (Ranaghat) লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ সরকার। লোকসভা নির্বাচনের দিন যত এগিয়ে আসছে, ততই প্রচারের প্রবণতা বাড়ছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের। লোকসভার অন্তর্গত সাতটি বিধানসভা এলাকাতে প্রতিদিন নিয়ম করে প্রচারে যাচ্ছেন প্রার্থীরা। প্রচারে অনেকটাই এগিয়ে রয়েছেন বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথবাবু।

    ঢাক বাজিয়ে প্রচার করলেন বিজেপি প্রার্থী (Ranaghat)

    গরম উপেক্ষা করে কখনও হুট খোলা গাড়িতে, আবার কখনও পায়ে হেঁটে প্রচার অভিযান করছেন সকলে। বিভিন্ন এলাকায় সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে বাক্য বিনিময় করছেন প্রার্থীরা। এদিন শিবের গাজনের সন্ন্যাসীদের সঙ্গে নিজেই ঢাক বাজিয়ে নৃত্য করলেন জগন্নাথ সরকার। মূলত, চৈত্র মাস পরতেই শুরু হয় শিবের আরাধনায় গাজন উৎসব। আর দুদিন বাদেই নীল পুজো, আর সারা রাজ্যের পাশাপাশি নদীয়া জেলার বিভিন্ন প্রান্তে এই উৎসব চলছে ধূমধামের সঙ্গে। তাই, ভোট প্রচারের আগে গাজন সন্ন্যাসীদের আশীর্বাদ নিয়ে এবং ফল বিতরণ করে বুধবার ভোট প্রচারের উদ্দেশ্যে বেরিয়ে পড়লেন বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ সরকার। রানাঘাট (Ranaghat) লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত ফুলিয়া এলাকার বেশ কয়েকটি এলাকায় যান তিনি। এরপর শিবের আরাধনায় মত্ত হওয়া গাজন সন্ন্যাসীদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। দেন শিবের চরণে পুজো, এরপর নিজেই ঢাক কাঁধে নিয়ে বাজাতে শুরু করেন তিনি।

    আরও পড়ুন: দেওয়াল লিখন নিয়ে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর বিবাদ, বোমাবাজি, ঝলসে গেল এক নাবালকের পা

    বিজেপি প্রার্থী কী বললেন?

    বিজেপি প্রার্থীকে কাছে পেয়ে ঢাকের তালে নীচে উঠলেন গাজন সন্ন্যাসীরা। এ প্রসঙ্গে রানাঘাটের (Ranaghat) বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ সরকারকে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, আমি ছোটবেলা থেকেই গ্রামে মানুষ জীবনে অনেক কিছু স্মৃতি লুকিয়ে আছে আমার। ঢাক বাজানো আমার অনেক দিনের পুরানো অভ্যাস। তাই, কোনও কাজেই তিনি হার মানি না। আজকের দিনে নির্বাচনী ভোট প্রচারের জন্য সন্ন্যাসীদের আশীর্বাদ নিয়ে এগিয়ে চললাম।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “চা শ্রমিকদের নিয়ে রাজনীতি করছে তৃণমূল”, তোপ শুভেন্দুর, হল যোগদানপর্ব

    Suvendu Adhikari: “চা শ্রমিকদের নিয়ে রাজনীতি করছে তৃণমূল”, তোপ শুভেন্দুর, হল যোগদানপর্ব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “উত্তরবঙ্গ থেকেই আওয়াজ উঠেছে কেন্দ্রে আরও একবার মোদি সরকার।” বুধবার জলপাইগুড়ির মালবাজারে বিজেপি প্রার্থী জয়ন্ত রায়ের সমর্থনে নির্বাচনী প্রচারে এসে এই কথাই বললেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এদিন সভায় মানুষের ভিড় এবং উচ্ছ্বাস দেখে বেশ আল্পুত তিনি। বক্তব্যের শুরুতেই তিনি দিন কয়েক আগে মুখ্যমন্ত্রীর সভায় লোক না হওয়ার বিষয়টি তুলে ধরেন। শুধু তাই নয় এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এই মালবাজারেই ফাঁকা মাঠে সভা করেন। কিন্তু, বিজেপির সভায় প্রচুর মানুষ এসেছেন। এখানেই পরিষ্কার আগামী ১৯ তারিখের ভোটে মানুষ কোথায় ভোট দেবেন।

    চা শ্রমিকদের নিয়ে রাজনীতি করছে তৃণমূল সরকার (Suvendu Adhikari)

    এদিন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, চা-বলয়ের প্রচুর কাজ করেছে কেন্দ্র সরকার। কিন্তু, রাজ্যে তৃণমূল সরকার চা-শ্রমিকদের নিয়ে রাজনীতি করছে। সম্প্রতি কিছু চা-শ্রমিকদের অ্যাকাউন্টে ৬০ হাজার টাকা করে দিচ্ছে রাজ্য সরকার। কিন্তু এই টাকা কেন্দ্র সরকারের লেবার ওয়েলফেয়ার ফান্ডের টাকা। কেন্দ্র সরকারের দেওয়া ২৫০ কোটি টাকা থেকে কিছু টাকা তুলে চা-শ্রমিকদের অ্যাকাউন্টে দিচ্ছে রাজ্য সরকার। কিছুদিন আগে চা-শ্রমিকদের পি এফ নিয়ে তৃণমূল যে ধরনা, মিটিং করছে সেটা শুধু মাত্র নিজেদের ফায়দার জন্য। বাগান মালিকরা ওই টাকা তৃণমূলের পার্টি ফান্ডে দিয়েছে বলে অভিযোগ করেন শুভেন্দু অধিকারী। দু’বছর আগে যখন প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের সময় ৮জন নদীতে ভেসে গিয়ে মৃত্যু হয়েছিল, তখন রাতে মুখ্যমন্ত্রী আসেন নি। কারণ, তখন ভোট ছিল  না। ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় সেই রাতেই আসা শুধুমাত্র ভোটের জন্য।

    তৃণমূলের দাপুটে নেতা সহ অনেকেই যোগ দিলেন বিজেপিতে

    ভোটের মুখে ফের তৃণমূলের ভোট ব্যাঙ্কে ভাঙন ধরাল বিজেপি। এদিন সভা শুরুতেই একটা যোগদান পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে চা-বলয়ের দাপুটে নেতা তথা তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন জেলাপরিষদের মেন্টর অমরনাথ ঝা, কুমারগ্রামের লুইস কুজুর সহ অন্য কিছু নেতা যোগদান করেন। এদিনের সভায় শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) সঙ্গে উপস্থিত হয়েছিলেন গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার সভাপতি বিমল গুরুং। সভায় হাজির ছিলেন সন্দেশখালির বেশ কিছু মহিলা।

    আরও পড়ুন: দেওয়াল লিখন নিয়ে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর বিবাদ, বোমাবাজি, ঝলসে গেল এক নাবালকের পা

    কেন্দ্র সরকারের বিভিন্ন জনমুখী প্রকল্প তুলে ধরেন শুভেন্দু

    এই ভোটে সাধারণ মানুষ তৃণমূলকে উচিৎ শিক্ষা দেবেন বলেও বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari) দাবি করেন। বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি গত ৭ তারিখের ধূপগুড়িতে প্রধানমন্ত্রীর সভার প্রসঙ্গ তুলে বলেন, সেই সভায় মানুষের যা ঢ্ল নেমেছে তাতে চিত্র পরিষ্কার হয়ে গেছে জলপাইগুড়িতে বিজেপি প্রার্থী জিতছেন। কেন্দ্র সরকারের বিভিন্ন জনমুখী প্রকল্পের কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, কেন্দ্র সরকার এক কোটি বিয়াল্লিশ লক্ষ মানুষকে উজ্বলা গ্যাস দিয়েছে, কয়েক কোটি কিষান সম্মাননিধি দিয়েছে। সেই সঙ্গে কোভিডের সময় প্রত্যেকে মানুষকে বিনামূল্যে ভ্যাক্সিন এর ব্যবস্থা করেছে। সেই সঙ্গে আরও ৫৫ টি গরিব দেশকে বিনামূল্যে ভ্যাক্সিন দিয়েছেন। তাই ভারতবর্ষ এখন বিশ্বের দরবারে একটা উজ্জ্বল নাম।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rekha Patra: লোকসভার প্রচারে বেরিয়ে ফের অসুস্থ বসিরহাটের বিজেপি প্রার্থী রেখা পাত্র

    Rekha Patra: লোকসভার প্রচারে বেরিয়ে ফের অসুস্থ বসিরহাটের বিজেপি প্রার্থী রেখা পাত্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রচারে বেরিয়ে ফের অসুস্থ হয়ে পড়লেন বসিরহাটের (Basirhat) বিজেপি প্রার্থী রেখা পাত্র (Rekha Patra)। গত মাসেও তিনি প্রচারে বেরিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। তাঁকে তখন কল্যাণী (Kalyani) এইমস (AIMS) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। তবে এবার স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর রেখাদেবী এখন অনেকটাই সুস্থ বোধ করছেন। সন্দেশখালির আন্দোলনের মুখ রেখা পাত্র (Rekha Patra)। তাঁর হয়ে তৃণমূলের পক্ষ থেকে প্রতিদ্বন্দ্বী হয়েছেন হাজী নুরুল ইসলাম (Haji Nurul Islam)। তিনিও অসুস্থ হয়ে কলকাতার একটি হাসপাতালে ভর্তি হয়ে প্রচারের ময়দানের বাইরে। তৃণমূল-বিজেপি দুই প্রার্থীই অসুস্থ হওয়ায় ভোটের বাজারে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

    হিঙ্গলগঞ্জে প্রচারের পর অসুস্থ

    জানা গিয়েছে, বুধবার সকালে দলের হয়ে প্রচারে বেরিয়েছিলেন রেখা পাত্র (Rekha Patra)। তাঁর সঙ্গে ছিলেন কয়েকশো দলের কর্মী। হিঙ্গলগঞ্জে প্রচার করার পরেই তিনি অসুস্থ বোধ করতে শুরু করেন। এরপরই তাঁকে বসিরহাটে একটি গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে জরুরি বিভাগে তাঁকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। মুখে অক্সিজেনের মাস্ক পড়ানো হয়। যদিও এই সন্দেশখালি প্রার্থীর শ্বাসকষ্ট জনিত সমস্যা রয়েছে। প্রচারে বেরিয়ে মাঝে মধ্যেই তাঁর শ্বাসকষ্টের সমস্যা হচ্ছে। তবে এদিন চিকিৎসার পর অনেকটাই সুস্থবোধ করছেন তিনি। সুস্থ হয়ে তিনি ফের প্রচারে ঝাঁপিয়ে পড়েন তিনি।

    আরও পড়ুনঃ ‘ভারত নয়, কানাডার ভোটে নাক গলিয়েছে চিন’, দাবি সেদেশেরই গোয়েন্দা সংস্থার

    তৃণমূল প্রার্থী নিউমোনিয়া আক্রান্ত

    অন্যদিকে বসিরহাটের তৃণমূল প্রার্থী হাজী নুরুল ইসলাম নিউমোনিয়া আক্রান্ত হয়ে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। তিনি এখনও সুস্থ হননি। স্বাভাবিকভাবেই তৃণমূল কংগ্রেস প্রচারে অনেকটাই পিছিয়ে পড়ছে। অপর দিকে বসিরহাটে দুবার অসুস্থ হয়েও প্রচারে ফিরে এসেছেন রেখা পাত্র (Rekha Patra)। অনেকেই তাঁকে লড়াকু আখ্যা দিতে শুরু করেছেন।

    তিনি সেই অর্থে রাজনীতিবিদ নন। তবু তাঁর লড়াকু মেজাজের প্রশংসা করছেন বিজেপির উচ্চ নেতৃত্ব। বারংবার অসুস্থ হয়েও প্রচারের ময়দানে ফিরে এসেছেন রেখা পাত্র। যেভাবে সন্দেশখালির আন্দোলনে পুলিশের হুমকির মুখেও তিনি দমে যাননি, ঠিক একইভাবে অসুস্থতাকেও হার মানিয়ে তিনি ফিরে এসেছেন প্রচারের ময়দানে। চিকিৎসকরা তাঁকে বেড রেস্ট নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। তবে চিকিৎসকের পরামর্শ ফুঁৎকারে উড়িয়ে দিয়েছেন বসিরহাটের বিজেপি প্রার্থী। লড়াইয়ের মনোভাবের জন্যই দলের উচ্চ নেতৃত্বের নজরে এসেছেন রেখা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Tmc bjp clash: দিলীপ ঘোষের হয়ে দেওয়াল লিখন করায় চাকরি গেল দুই বিজেপি কর্মীর

    Tmc bjp clash: দিলীপ ঘোষের হয়ে দেওয়াল লিখন করায় চাকরি গেল দুই বিজেপি কর্মীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি করার অভিযোগে দুই কর্মীর চাকরি গেল। অভিযোগ তাঁরা দিলীপ ঘোষের (Dilip Ghosh) হয়ে দেওয়াল লিখেছিলেন। এখন একমাত্র উপায় তৃণমূলের (TMC) পার্টি অফিসে গিয়ে মাথা নোয়াতে হবে। তবেই ফিরে পাওয়া যাবে চাকরি, ঠিক এমনই ফতোয়া তৃণমূলের (Tmc bjp clash)। এই ঘটনায় রীতিমতো চাঞ্চাল্য তৈরি হয়েছে এলাকায়।

    ঘটনা কোথায় ঘটেছে (Tmc bjp clash)?

    বর্ধমান-দুর্গাপুর (Bardhaman Durgapur) থেকে এবার বিজেপি প্রার্থী হয়েছেন দিলীপ ঘোষ। তাঁর সমর্থনে দেওয়াল লিখেছিলেন দুর্গাপুরের দুই বিজেপি কর্মী। সুভাষ গোপ ও মিলন মন্ডল, দিলীপ ঘোষের হয়ে দেওয়াল লেখায় বেসরকারি হাসপাতালের নিরাপত্তা রক্ষীর চাকরি চলে যায় তাঁদের। বিজেপি কর্মীদের অভিযোগ তৃণমূলের তরফে তাঁদের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে দলীয় কার্যালয়ে গিয়ে মুচলেকা দিতে হবে। আর বিজেপি (Tmc bjp clash) করা যাবে না। যা করা হয়েছে তা ভুল হয়ে গেছে এই মুচলেকা দিয়ে মাথা নোয়ালে তারপরেই হাসপাতালের চাকরি ফেরত পাওয়া যাবে। তবে জানা গেছে তৃণমূলের প্রস্তাবে আপাতত রাজি হননি দুই কর্মী।

    মাথা নোয়াতে রাজি নন দুই বিজেপি কর্মী

    জানা গিয়েছে, মিলন মন্ডলের বাবা জয়দেব মন্ডল বিজেপির স্থানীয় নেতা। অন্যদিকে সুভাষ সংসারের একমাত্র রোজগেরে। তিনিও দীর্ঘদিন ধরে বিজেপি করেন। দুজনেই স্থানীয় এক বেসরকারি হাসপাতালে নিরাপত্তারক্ষী হিসেবে কাজ করছিলেন। তাঁদের সংসার কীভাবে চলবে তা ভেবেই পাচ্ছেন না। তবে চাকরি গেলেও মাথা নোয়াতে রাজি নন সুভাষ ও মিলন। তাঁরা বিষয়টি বিজেপি নেতৃত্বকে জানিয়েছেন। প্রসঙ্গত মিলন মন্ডলের বাবা জয়দেব মন্ডল বলেছেন, “দীর্ঘদিন ধরে বিজেপি করি আমরা। ভোটে আমি এবং ছেলে বিজেপির (Tmc bjp clash) হয়ে দেওয়ালে চুন করেছিলাম, তাই মিলনকে চাকরি থেকে বসিয়ে দেওয়া হয়েছে।”

    দিলীপ ঘোষের বক্তব্য

    দলের সমর্থকদের অন্যায় ভাবে চাকরি কেড়ে নেওয়ার প্রতিবাদে কর্মীদের পাশে দাঁড়িয়েছেন দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেছেন, “যারা দেওয়াল লেখার জন্য আমাদের দুই কর্মীকে (Tmc bjp clash) ছাঁটাই করে দিয়েছে, তাদের বলতে চাই চামচাগিরির একটা সীমা আছে কে কোন পার্টি করবে সেটা কেউ ঠিক করে দিতে পারেনা।”

    আরও পড়ুনঃ কোচবিহারে বেশি কেন্দ্রীয় বাহিনী, প্রথম দফায় মোট ২৬৩ কোম্পানি আধাসেনা

    তৃণমূলের বক্তব্য

    ঘটনায় তৃণমূলের (Tmc bjp clash) তরফ থেকে চাকরি খেয়ে নেওয়ার মারাত্মক অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। তৃণমূলের দাবি হাসপাতালের কাজ ঠিকঠাক না করায় তাঁদের অপসারণ করা হয়েছে। ঘটনায় তৃণমূল স্বীকার করতে রাজি নয় যে বিজেপি জন্যই দুজনের চাকরি গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Elections 2024: কোচবিহারে বেশি কেন্দ্রীয় বাহিনী, প্রথম দফায় মোট ২৬৩ কোম্পানি আধাসেনা

    Lok Sabha Elections 2024: কোচবিহারে বেশি কেন্দ্রীয় বাহিনী, প্রথম দফায় মোট ২৬৩ কোম্পানি আধাসেনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিয়রে লোকসভা ভোট (Lok Sabha Elections 2024)। আগামী ১৯ এপ্রিল লোকসভা নির্বাচনের প্রথম দফায় ভোট হবে জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহারে। প্রথম দফাতে কোচবিহারে সব থেকে বেশি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে। কোথায় কত বাহিনী মোতায়েন করা হবে তা নিয়ে সম্প্রতি বিএসএফ গেস্ট হাউসে বৈঠকে বসেছিলেন কমিশনের বিশেষ পুলিশ পর্যবেক্ষক অনিল কুমার শর্মা। সেখানেই ফোর্স মোতায়েনের সম্ভাব্য সংখ্যা নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    কোথায় কত কোম্পানি বাহিনী

    কোচবিহারে এবার ১১২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী রাখার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে৷ এ ছাড়া জলপাইগুড়িতে মোট ৭৫ কোম্পানি আধাসেনা রাখার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, ও আলিপুরদুয়ারে মোট ৬৩ কোম্পানি আধা সেনা থাকবে৷ এ ছাড়াও শিলিগুড়িতে থাকবে মোট ১৩ কোম্পানি আধাসেনা৷ তিন লোকসভা আসন মিলিয়ে মোট ২৬৩ কোম্পানি আধাসেনা রাখার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে এডিজি আইনশৃঙ্খলার তরফ থেকে৷ কমিশন সূত্রের খবর, কোচবিহারে মোট ভোটার সংখ্যা  ১৯ লক্ষ ৬৬ হাজার ৮৯৩ জন। আলিপুরদুয়ার ১৭ লক্ষ ৭৩ হাজার ২৫২ জন এবং জলপাইগুড়িতে ১৮ লক্ষ ৬৫ হাজার ৯৬৩ জন।

    কেন কোচবিহারে বেশি বাহিনী

    গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে কোচবিহারেই ফলিমারিতে বুথের মধ্যে ঢুকে বিজেপি এজেন্টকে বোমা ছুড়ে খুনের অভিযোগ উঠেছিল। এই কোচবিহারেই আবার শীতলকুচি বিধানসভা কেন্দ্র। গত একুশের নির্বাচনে সেখানেও রক্ত ঝরে। কোচবিহারে রয়েছে সাতটি বিধানসভা কেন্দ্র। প্রতিটি কেন্দ্রকে স্পর্শকাতর হিসাবে গণ্য করছে নির্বাচন কমিশন। সুষ্ঠুভাবে ভোটের (Lok Sabha Elections 2024) কাজ সম্পন্ন করতে ইতিমধ্যে এলাকায় পৌঁছে রুটমার্চ শুরু করেছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে বাকি ফোর্সও এলাকার উদ্দেশে রওনা দেবে বলে কমিশন সূত্রের খবর।

    আরও পড়ুন: ভারতীয় দণ্ডবিধির ৪৯৮এ ধারাটির অপব্যবহার হচ্ছে, মত কর্নাটক হাইকোর্টের

    প্রথম থেকে বাংলার প্রতিটি বুথেই অর্থাৎ মোট ৮০ হাজার ৫৩০ বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভোট করানোর কথা ঘোষণা করেছিলেন নির্বাচন কমিশনের মুখ্য আধিকারিক রাজীব কুমার। বাংলায় প্রথমেই ১৭৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী পাঠানো হয়েছিল। এরপর আরও ১০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী পাঠানো হচ্ছে। রাজ্যের একশো শতাংশ বুথকেই স্পর্শকাতর হিসাবে গণ্য করা হচ্ছে। সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচনের লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভোট করাতে চাইছে কমিশন।  এবারের লোকসভা নির্বাচনে মোট ৯২০ কোম্পানি বাহিনী দিয়ে ভোট করাতে চাইছে কমিশন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sreerupa Mitra: আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে টোটো চালিয়ে প্রচার সারলেন বিজেপি প্রার্থী শ্রীরূপা

    Sreerupa Mitra: আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে টোটো চালিয়ে প্রচার সারলেন বিজেপি প্রার্থী শ্রীরূপা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটের প্রচারে (Vote Campaign) বেরিয়ে এবার টোটো ও অটো চালিয়ে জনসংযোগ করলেন মালদা দক্ষিণের বিজেপি প্রার্থী শ্রীরূপা মিত্র চৌধুরী (Sreerupa Mitra)। আজ বুধবার সকালে মালদা ইংরেজ বাজার শহরের রথবাড়ি বাজারে ভোট প্রচার করতে যান তিনি। বাজারে গিয়ে সবজি কেনেন। এরপর রথবাড়ি অটো স্ট্যান্ডে অটো ও টোটো চালিয়ে জনসংযোগ করেন এই মালদা দক্ষিণের বিজেপি প্রার্থী।

    অভিনব উপায়ে জনসংযোগ (Sreerupa Mitra)

    একই সাথে এদিন নির্বাচনী জনসংযোগ করতে গিয়ে অটো চালকদের সাথে কথা বললেন শ্রীরূপা (Sreerupa Mitra)। এছাড়াও পথ চলতি সাধারণ মানুষের সাথেও কথা বলেন তিনি। উল্লেখ্য এবারের লোকসভা নির্বাচনে মালদা দক্ষিণ থেকে বিজেপির প্রার্থী হয়েছেন ইংরেজবাজারের বিধায়ক শ্রীরূপা মিত্র চৌধুরী। লোকসভা ভোটের (loksabha vote) আর বেশি দিন বাকি নেই। তার আগে জোরকদমে প্রচারে নেমেছেন প্রায় প্রত্যেক রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা। আর এবার সেই তালে তাল মেলাতেই অভিনব উপায়ে জনসংযোগ সারলেন মালদা দক্ষিণের বিজেপি প্রার্থী।

    আগেও সবজি বিক্রি করেছেন ভোট প্রচার

    যদিও আজই প্রথম নয়, এর আগে প্রচারে বেরিয়ে বাজারে সবজি বিক্রি করতে দেখা গিয়েছিল তাঁকে। শুধু সবজি বিক্রি নয় মাটির হাঁড়ি-কলসির দোকানেও বসতে দেখা গিয়েছিল তাঁকে। এরপরে চায়ের দোকানেও দেখা মিলেছে তাঁর। নিজে হাতে চা বানিয়ে কর্মী-সমর্থকদের খাইয়েছিলেন (Sreerupa Mitra) তাঁকে দেখতে সেখানে ভিড় জমিয়েছিলেন অনেকেই।

    আরও পড়ুনঃ হিন্দু-বিরোধী প্রচার করছে মুসলমান বনে যাওয়া বামুনের ছেলে!

    নিখোঁজ পোস্টার

    প্রসঙ্গত, সম্প্রতি ভোটের আগে মালদা দক্ষিণের এই বিজেপি প্রার্থীর বিরুদ্ধে নিখোঁজ পোস্টার পড়েছিল। তাঁর বিধানসভা এলাকার পোস্ট অফিস মোড়, মালদা মেডিক্যাল কলেজ চত্বর, কানির মোড়-সহ বিভিন্ন এলাকায় পোস্টার পড়েছিল ইংরেজবাজারের বিধায়ক এবং মালদা দক্ষিণের বিজেপির প্রার্থী (BJP candidate) শ্রীরূপা মিত্র চৌধুরীর (Sreerupa Mitra) নামে। আর তা নিয়ে একে অপরকে বিঁধেছে তৃণমূল-বিজেপি। পোস্টারকাণ্ডে বিজেপির সন্দেহে তৃণমূল কংগ্রেস। পাল্টা বিজেপির একাংশের কাজ বলে কটাক্ষ তৃণমূলের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Murshidabad: দেওয়াল লিখন নিয়ে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর বিবাদ, বোমাবাজি, ঝলসে গেল এক নাবালকের পা

    Murshidabad: দেওয়াল লিখন নিয়ে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর বিবাদ, বোমাবাজি, ঝলসে গেল এক নাবালকের পা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) বহরমপুর লোকসভা কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী ইউসুফ পাঠানকে দলেরই একাধিক বিধায়ক, কর্মীরা মেনে নিতে পারেননি। ভরতপুরের বিধায়ক তো প্রকাশ্যে দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে মুখ খুলেছিলেন। এই আবহের মধ্যে এবার ইউসুফ পাঠানের নামে দেওয়াল লিখনকে ঘিরে তুমুল গন্ডগোল বাঁধল। বিধায়ক বনাম দলের প্রাক্তন ব্লক সভাপতি আতাউর রহমানের মধ্যে গন্ডগোল প্রকাশ্যে চলে এল। চলল বেপরোয়া বোমাবাজি। আহত এক নাবালক-সহ মোট ৬ জন। ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার দুপুরে মুর্শিদাবাদ জেলার রেজিনগরের আন্দুলবেড়িয়ায়। আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এলাকায় উত্তেজনা রয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল ঘিরে রেখেছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Murshidabad)

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এলাকার আধিপত্য নিয়ে দলের প্রাক্তন ব্লক সভাপতি আতাউর রহমানের গোষ্ঠীর সঙ্গে রেজিনগরের বিধায়ক তথা বহরমপুর মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) সাংগঠনিক জেলা তৃণমূলের চেয়ারম্যান রবিউল ইসলামের অনুগামীদের বিবাদ অনেক পুরানো। মাঝে মধ্যেই তাঁদের মধ্যে ঝামেলা হত। কিন্তু, নির্বাচনের প্রাক্কালে বিষয়টি আরও বেশি করে মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। অভিযোগ, বুধবার দুপুরে আন্দুলবেড়িয়া এলাকায় দেওয়াল লিখতে গিয়েছিলেন এলাকার তৃণমূল নেতা রবিউল আলম গোষ্ঠীর অনুগামীরা। সে সময়ে আবার ওই এলাকায় ছিলেন ব্লক সভাপতি, পঞ্চায়েত সভাপতির অনুগামীরা। দেওয়াল লিখনের সময়েই রবিউল আলমের গোষ্ঠীর লোকেদের ওপর হামলা চলে বলে অভিযোগ। এলাকায় শুরু হয় ব্যাপক বোমাবাজি। বাড়ির সামনেই ছিল বছর দশেকের এক নাবালক। বোমার স্প্লিন্টার ছিটকে এসে ঝলসে যায় তার পা। বোমাবাজির মধ্যে পড়ে আহত হন আরও পাঁচ জন। ক’দিন আগেই মুর্শিদাবাদে বোমা ফেটে এক ব্যক্তির হাত উড়ে গিয়েছে। এলাকায় মোতায়েন কেন্দ্রীয় বাহিনী। তার মধ্যেই এই ধরনের ঘটনায় প্রশ্নের মুখে নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

    আরও পড়ুন: “সিএএ নিয়ে মমতা ভুল বোঝাচ্ছে, আবেদন করলে নাম বাদ যাবে না”, আশ্বাস অমিত শাহ-র

    কী বললেন তৃণমূল বিধায়ক?

    বিধায়ক রবিউল আলম বলেন, এটা দুজনের পারিবারিক বিষয়, দেওয়াল লিখন না। তৃণমূলের মধ্যে কোনও কোন্দল নেই। মিথ্যা অভিযোগ করা হচ্ছে। যদিও এই নিয়ে এখনও পর্যন্ত বিধায়ক বিরোধী গোষ্ঠী তথা দলের প্রাক্তন ব্লক সভাপতি আতাউর রহমানের কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share