Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Arjun Singh: কে কোন দল করে বলার জন্য বা়ড়ি বাড়ি গিয়ে চাপ তৃণমূলের, কমিশনে যাবে অর্জুন

    Arjun Singh: কে কোন দল করে বলার জন্য বা়ড়ি বাড়ি গিয়ে চাপ তৃণমূলের, কমিশনে যাবে অর্জুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি, তৃণমূল, সিপিএম। কে কোন দল করে বলার জন্য বা়ড়ি বাড়ি গিয়ে চাপ দিচ্ছে তৃণমূল। অর্জুন সিংয়ের (Arjun Singh) গড় ভাটপাড়ায় বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে তৃণমূল এই কাজ শুরু করতে চলেছে। রীতিমতো ফর্মে লেখা রয়েছে, একাধিক রাজনৈতিক দলের নাম। আর কেউ মতামত না জানতে চাইলে ইভিএমে নোটার মতো ব্যবস্থা রাখা রয়েছে। তাদের মূলত ফ্লোটিং ভোটার হিসেবে তৃণমূল চিহ্নিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আর তৃণমূলের এই সমীক্ষা নিয়ে বিজেপি নেতৃত্ব প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে। ভোটের মুখে এই ইস্যুকে কেন্দ্র করে বারাকপুর লোকসভায় রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

    ১৯ তারিখের মধ্যে সমীক্ষা শেষ করার নির্দেশ

    অর্জুন সিংয়ের (Arjun Singh) খাসতালুক ভাটপাড়া। বামফ্রন্টের জমানাতেও অর্জুন গড় টলাতে পারেনি সিপিএম। ভাটপাড়াবাসী  দুহাত তুলে আশীর্বাদ করেছেন অর্জুন সিংকে। ২০০১ সাল থেকে বিধায়ক। বর্তমানে তার ছেলে বিজেপির বিধায়ক। গত লোকসভায় শেষ মুহূর্তে বিজেপি-র প্রার্থী হয়েছিলেন অর্জুন। বারাকপুর লোকসভায় সাতটি বিধানসভার মধ্যে ভাটপাড়ায় প্রায় ৩০ হাজার ভোটে লিড পেয়েছিলেন। ২০২১ সালে বারাকপুর শিল্পাঞ্চল জুড়ে সবুজ ঝড় বয়ে গিয়েছিল। সেখানে ভাটপাড়ায় অর্জুনের ক্যারিশ্মা অটুট ছিল। প্রায় ১৩ হাজার ভোটে অর্জুন পুত্র পবন জয়ী হয়েছিলেন। স্বাভাবিকভাবে ভাটপাড়ায় অনেকটাই ব্যাকফুটে রয়েছে তৃণমূল। তাই, এবার অর্জুনের সেই গড়ে থাবা বাসাতে তৃণমূল এবার বাড়ি বাড়ি গিয়ে চাপ দিয়ে ভোটারদের কাছে থেকে কে কী দল করে তা জানতে চাইছে। ভোটারদের কাছে জানতে চাওয়া হচ্ছে তারা তাকে ভোট দেন, তৃণমূল, বিজেপি না সিপিএমকে। ১৯ তারিখের মধ্যে সেই সমীক্ষা শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুন: ভূপতিনগরে হামলায় জখম এনআইএ আধিকারিকের স্বাস্থ্য রিপোর্ট চাইল পুলিশ

    বাড়ি বাড়ি গিয়ে কী করছে তৃণমূল?

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ভোটার লিস্টের মতো সেখানে ভোটারের নাম এবং তাঁর বাবার নাম রয়েছে। এরপর সেই ব্যক্তি কোন ধর্মের সঙ্গে যুক্ত, মুসলিম, মতুয়া, জেনারেল, এসসি এবং এসটি। এরপর তৃণমূল, সিপিএম এবং বিজেপি-র নাম উল্লেখ রয়েছে। আর কেউ বলতে না চাইলে চিহ্নিত করা গেল না বলে উল্লেখ রয়েছে। বাড়ি বাড়ি গিয়ে ওই ফর্মে নির্দিষ্ট জায়গায় ফিলআপ করার জন্য সমীক্ষার কাজ শুরু করা হচ্ছে। ভাটপাড়া শহর তৃণমূলের সভাপতি দেবজ্যোতি ঘোষ বলেন, আমরা এই কাজ শুরু করতে চলেছি। ভাল সাড়া মিলছে। তৃণমূল প্রার্থী পার্থ ভৌমিক বলেন, শুধু ভাটপাড়া নয়, সাত বিধানসভায় আমরা এভাবে বাড়ি বাড়ি সমীক্ষা করব।

    কমিশনে যাবে বিজেপি

    বিজেপি অর্জুন সিং বলেন, ভাটপাড়ার মানুষ আমাকে ভালোবাসে। তাঁরা কখনও আমাকে ফেরাইনি। আসলে ভাটপাড়ার মানুষের সঙ্গে সব সময় আমি থাকি। ওরা সেটা জানে। তবে, এভাবে কে কোন দল করে তা জানা যায় না। এটা তৃণমূল জোর করে এসব করছে। আমরা নির্বাচন কমিশনে যাব। আর এটুকু বলতে পারি, তৃণমূল যাই করুক না কেন কিছু করতে পারবে না। আমি এবার ভাটপাড়া থেকে ৪০ হাজার ভোটে জয়ী হব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: “আসল ওএমআর শিট না পেলে ২০১৪ টেট বাতিল”, হুঁশিয়ারি বিচারপতি মান্থার

    Calcutta High Court: “আসল ওএমআর শিট না পেলে ২০১৪ টেট বাতিল”, হুঁশিয়ারি বিচারপতি মান্থার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ওএমআর শিটের আসল তথ্য খুঁজে না পেলে ২০১৪ সালের টেট পরীক্ষাই বাতিল করে দেব।” মঙ্গলবার এমনই হুঁশিয়ারি দিলেন কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা। তিনি বলেন, “ডিজিটাল তথ্য সহজে নষ্ট হয় না। মুছে ফেললেও তা পুনরুদ্ধার করা সম্ভব। পৃথিবী থেকে মঙ্গলে গেলেও, ওই তথ্য পাওয়া যেতে বাধ্য। তার পরেও যদি তথ্য হাতে না আসে, তাহলে গোটা নিয়োগ প্রক্রিয়াই বাতিল করতে বাধ্য হবে আদালত।”

    ‘ফুটপ্রিন্ট কোথায়?’ (Calcutta High Court)

    ২০১৪ সালে টেট পরীক্ষায় ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছিল বলে অভিযোগ। এই মামলায় তদন্ত করছে সিবিআই। এদিন সিবিআইয়ের উদ্দেশে বিচারপতি মান্থা (Calcutta High Court) বলেন, “ওএমআর শিটের আসল তথ্য খুঁজে বার করুন। ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট কোথায় রয়েছে তার সন্ধান করুক কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। মঙ্গলবারের মধ্যে অতিরিক্ত রিপোর্ট দিয়ে সংক্ষেপে জানাতে হবে, নিয়োগ কীভাবে হয়েছিল? দুর্নীতিই বা হয়েছে কোথায়।”

    কী বলছে পর্ষদ?

    ২০১৪ সালের টেট কেলেঙ্কারি নিয়ে তদন্ত শুরু হতেই প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ আদালতে জানিয়েছিল, ওএমআর শিটের হার্ড কপি নষ্ট করা হয়েছে। তার পরিবর্তে ডিজিটাইজড ডেটা হিসেবে ওই সব তথ্য সংরক্ষণ করা হয়েছে। এদিন পর্যবেক্ষণে বিচারপতি মান্থা বলেন, “পর্ষদের দাবি সব ওএমআর শিট ডিজিটাইজড ডেটা হিসেবে সংরক্ষণ করা হয়েছে। ২০১৯ সালে হেমন্ত চক্রবর্তী নামে এক পরীক্ষার্থীকে ওএমআর শিটের প্রতিলিপি দেওয়া হয়। অর্থাৎ ডিডিটাল ফুটপ্রিন্ট থাকার কথা।” তাঁর প্রশ্ন, “তার পরেও ওএমআর শিটের তথ্য পাওয়া যাবে না কেন?” সিবিআইকে বিচারপতি মান্থার নির্দেশ, “তথ্যপ্রযুক্তি বিজ্ঞান বলছে তথ্য মুছে ফেললেও, তা পুনরুদ্ধার করা সম্ভব। অর্থাৎ, ওএমআর শিটের তথ্য পাওয়া যেতে পারে। আর ওই সব তথ্য সিবিআইকে খুঁজে বার করতে হবে। তার জন্য যদি হার্ড ডিস্ক বা অন্য কোনও সূত্রের প্রয়োজন হয়, তবে প্রয়োজনে পর্ষদ অফিসেও যেতে পারবে সিবিআই।”

    আরও পড়ুুন: স্কুল বন্ধ করে দেবের ভোটপ্রচার! কমিশনে যাওয়ার হুঁশিয়ারি বিজেপির

    সিবিআইয়ের তরফে জানানো হয়, ৩০৪ জনকে অবৈধভাবে নিয়োগ করা হয়েছে বলে তদন্তে জানা গিয়েছে। চার্জশিট এবং অতিরিক্ত চার্জশিট ফাইলও করা হয়েছে। বিচারপতি মান্থা জানান, এই মামলায় সিবিআইয়ের অনেক রিপোর্ট আদালতে পৌঁছায়নি। হাইকোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলকে ওই সব রিপোর্ট তাঁর এজলাসে পাঠানোর ব্যবস্থা করতে হবে (Calcutta High Court)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Bhupatinagar: ভূপতিনগর থানার ওসি-র বিরুদ্ধে কমিশনে নালিশ বিজেপি-র, দাবি উঠল সরানোর

    Bhupatinagar: ভূপতিনগর থানার ওসি-র বিরুদ্ধে কমিশনে নালিশ বিজেপি-র, দাবি উঠল সরানোর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এনআইএ-র ওপর হামলার পর ফের উত্তেজনা ছড়াল পূর্ব মেদিনীপুরের ভূপতিনগরে (Bhupatinagar)। এবার অভিযোগ উঠেছে ভূপতিনগর থানার ওসি গোপাল পাঠকের বিরুদ্ধে। বিজেপি বিধায়কের কার্যালয়ে ঢুকে এক নেতাকে গ্রেফতারের চেষ্টার অভিযোগ উঠল পুলিশের বিরুদ্ধে। আর এই ঘটনা নিয়ে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক বা সিইও-র কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন বিজেপির রাজ্য নেতা শিশির বাজোরিয়া।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Bhupatinagar)

    ২০২২ সালে তৃণমূল নেতার বাড়িতে একটি বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছিল। আর তাতে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করতে গিয়ে এনআইএ আধিকারিকদের হামলা হওয়ার বিষয়টি নিয়ে চর্চায় রয়েছে ভূপতিনগর। তার মধ্যেই সোমবার রাতে নতুন করে উত্তেজনা ছড়ায় ভূপতি নগরে। জানা যাচ্ছে, সোমবার রাত ৮টা নাগাদ ভূপতিনগর থানা ওসি গোপাল পাঠক তাঁর বাহিনী নিয়ে অর্জুননগরে বিজেপি বিধায়কের দলীয় কার্যালয়ে অভিযান চালায়। সেই সময়ে বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ মাইতি কার্যালয়েই ছিলেন। পুলিশের দাবি, এক অভিযুক্তর খোঁজে তল্লাশি চলছিল। পুলিশের তাড়া খেয়ে সেই অভিযুক্ত বিধায়কের দলীয় কার্যালয়ে ঢুকে পড়েছে। এরপর বিধায়ক পুলিশের কাছে সার্চ ওয়ারেন্ট দেখতে চান। তখনই শুরু হয় বিতণ্ডা। পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে।

    আরও পড়ুন: ভূপতিনগরে হামলায় জখম এনআইএ আধিকারিকের স্বাস্থ্য রিপোর্ট চাইল পুলিশ

    ওসিকে সরিয়ে দেওয়ার দাবি

    বিজেপি নেতৃত্বের অভিযোগ, চায়ের দোকান থেকে বিজেপির সহ-সভাপতি বিভাস প্রধানকে তুলে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছে বিজেপি। ঘটনাকে ঘিরে সোমবার রাতে বিধায়কের কার্যালয় উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। শেষমেশ ওসি অবশ্য খালি হাতেই কার্যালয় থেকে বেরিয়ে আসেন। এবার সেই ওসি-র বিরুদ্ধেই অভিযোগ দায়ের হল। প্রসঙ্গত, ভূপতিনগর (Bhupatinagar) থানায় এনআইএ যে অভিযোগ করেছিল, সেই মামলারও প্রথম তদন্তকারী অফিসার ছিলেন গোপাল পাঠক। এখন অবশ্য এই মামলায় তাঁকে সরিয়ে শ্যামল চক্রবর্তীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনার মধ্যেই থানার ওসি নির্দিষ্ট কোনও কারণ ছাড়া বিজেপি অফিসে তল্লাশিতে গিয়েছিলেন। বিজেপির পক্ষ থেকে  কমিশনের কাছে গোপাল পাঠককে সরিয়ে দেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Diamond Harbour: ডায়মন্ড হারবারে বিসর্জনে রাম গান বাজানোয় দুষ্কৃতীদের হামলা! পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

    Diamond Harbour: ডায়মন্ড হারবারে বিসর্জনে রাম গান বাজানোয় দুষ্কৃতীদের হামলা! পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডায়মন্ড হারবারে (Diamond Harbour) রক্ষাকালী পুজোর বিসর্জনের সময় রাম নামের গান বাজানোয় হামলা করেছে দুষ্কৃতীরা। রাজ্যে রাম নবমীর আগে এই ধরনের ঘটনায় ইতিমধ্যেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে। ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত দাবি করেছে বিজেপি। এক্স হ্যান্ডেলে ঘটনার ভিডিয়ো পোস্ট করে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে মমতা সরকারকে কড়া আক্রমণ করেছে বিজেপি। ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে এলাকায়। উল্লেখ্য এই কেন্দ্র থেকেই তৃণমূল প্রার্থী হয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। 

    বিজেপির অভিযোগ (Diamond Harbour)

    বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতি বছরই ডায়মন্ড হারবারের সরিষার (Diamond Harbour) কলাগাছিয়া এলাকায় গ্রামের বাসিন্দাদের তরফে রক্ষাকালী পুজোর আয়োজন করা হয়। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। আর সেই কালী প্রতিমা নিরঞ্জনের (Kali Idol Immersion ) সময় দুষ্কৃতীরা পরিকল্পনা করে আক্রমণ করে। কালী প্রতিমা নিরঞ্জনের সময় এক যুবক গেরুয়া জামা পরেছিলেন। বাজানো হচ্ছিল শ্রীরামকে নিয়ে লেখা বিভিন্ন গান (Ram Song)। সেই সময় আচমকা তাঁদের উপর হামলা চালায় একদল দুষ্কৃতী। এরপর পুড়িয়ে দেওয়া হয় গেরুয়া গেঞ্জি। নিরঞ্জনে অংশ নেওয়া সাধারণ মানুষকে বেধড়ক মারধরও করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় একাধিক বাড়িতে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বিশাল পুলিশ বাহিনী। পুলিশ দোষীদের গ্রেফতার না করে পাল্টা ১১ জন বিজেপি (BJP) কর্মীকে গ্রেফতার করে।

    আরও পড়ুনঃ ভোটের মুখে তালা পড়ল হাওড়া জুট মিলে! বিপাকে প্রায় সাড়ে ৩ হাজার শ্রমিক

    পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন!

    এই ঘটনায় নিজেদের এক্স হ্যান্ডেলে রাজ্য বিজেপি (BJP) পোস করে বলা হয়েছে, “পুলিশ ঘটনাস্থলে (Diamond Harbour) এলেও তাঁরা কার্যত নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করেছেন। দুষ্কৃতীদের গ্রেফতার করার পরিবর্তে পুলিশ বিজেপির নেতা-কর্মীদের গ্রেফতার করেছে। এগুলি পরিকল্পিত হামলার ছক। ভোটের কথা মাথায় রেখেই এগুলি করা হয়েছে।” উল্লেখ্য গতবারও রামনবমীর (ram navami) আগে উস্কানিমূলক মন্তব্য করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পুলিশ অভিযুক্তদের না ধরে বেছে বেছে বিজেপি সদস্যদের গ্রেফতার করেছে। নির্বাচনে যাতে ভাইপো (abhisekh banerjee) জেতেন তার জন্যই পরিকল্পনা করে এই সব করা হয়েছে।

    প্রসঙ্গত, চলতি বছর ১৭ এপ্রিল রামনবমী। সেদিনও রাজ্যে অশান্তির ছবি ধরা পড়বে বলে মনে করছেন বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য (amit malviya)। সেই সময় যাতে কোনও অশান্তি না হয় তার জন্য জাতীয় নির্বাচন কমিশনের (election commission) কাছে বাড়তি কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবি জানিয়েছেন তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Recruitment Scam: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় রাজ্যের মুখ্যসচিবের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলল হাইকোর্ট

    Recruitment Scam: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় রাজ্যের মুখ্যসচিবের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলল হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় (Recruitment Scam) কিছুতেই রাজ্যের রিপোর্ট খুশি নয় কলকাতা হাইকোর্ট। শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় যে আধিকারিকদের নাম জড়িয়েছে, তাঁদের বিরুদ্ধে তদন্ত করতে গেলে রাজ্যের অনুমতি নিতে হবে। সেই অনুমতি না পাওয়ায় বিপাকে পড়েছে সিবিআই। হাইকোর্টে আবেদন করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। আদালত (Calcutta High Court) বারবার এ বিষয়ে মুখ্যসচিব বিপি গোপালিককে সময় দিলেও তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যাচ্ছেন। মঙ্গলবার এক্ষেত্রে মুখ্যসচিবের ভূমিকায় ক্ষোভ প্রকাশ করলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী। এই মামলায় অভিযুক্ত সরকারি আধিকারিকদের বিরুদ্ধে বিচার প্রক্রিয়া শুরু করার অনুমোদন নিয়ে রাজ্যের অবস্থান জানানোর জন্য তৃতীয় বার সময় দিল আদালত। আগামী ২৩ এপ্রিলের মধ্যে এ বিষয়ে মুখ্যসচিবকে নিজের অবস্থান জানাতে নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি।

    আদালতের পর্যবেক্ষণ

    মঙ্গলবার আদালতে রাজ্য সরকারের আইনজীবী জানিয়েছেন, লোকসভা নির্বাচনের পরে এই মামলায় (Recruitment Scam) অভিযুক্ত সরকারি আধিকারিকদের বিরুদ্ধে বিচার প্রক্রিয়া শুরু করার বিষয়ে অনুমোদন নিয়ে রাজ্যের অবস্থানের সিদ্ধান্ত জানানো হবে। এরপরই ক্ষুব্ধ বিচারপতি বাগচী বলেন, “আদালত মনে করছে, মুখ্যসচিব যে রিপোর্ট জমা দিয়েছেন সেখানে কোনও বুদ্ধি প্রয়োগ করা হয়নি। তিনি তাঁর দায়িত্ব উপলব্ধি করতে পারেননি। আদালত (Calcutta High Court) আশ্চর্য হয়েছে যে রাজ্যে সবচেয়ে উচ্চপদে থাকা আধিকারিক কোনও অজ্ঞাত কারণে নিজের দায়িত্ব পালন করতে ব্যর্থ হয়েছেন। আমরা আশা করব প্রভাবশালী অভিযুক্তদের পদ মুখ্যসচিবকে প্রভাবিত করবে না। একজন মুখ্যসচিব স্বাধীনভাবেই সিদ্ধান্ত নেবেন।”

    আরও পড়ুন: শিয়ালদা শাখার সব লোকাল ট্রেন ১২ কামরার! কবে থেকে মিলবে পরিষেবা জানাল পূর্ব রেল

    বিচারপতির প্রশ্ন

    বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর পর্যবেক্ষণ, মুখ্যসচিব তাঁর দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছেন। তাঁর জন্য তদন্তকারী সংস্থা তদন্ত প্রক্রিয়া শুরু করতে পারবে কিনা, সেই প্রশ্নও তুলেছে আদালত (Calcutta High Court)। বিচারপতির প্রশ্ন, “মুখ্যচিবকে ডেকে পাঠাব? নির্বাচনের সঙ্গে বিচার প্রক্রিয়ার কী সম্পর্ক? পুলিশ কি এফআইআর করা বন্ধ করেছে? তদন্ত কি বন্ধ আছে? আপনাদের বিলাসিতার জন্য কি তদন্ত থেমে থাকবে? ”  বিচারপতি বলেন, ‘‘মুখ্যসচিবকে এই সিদ্ধান্ত নিতেই হবে। হয়ত, সিদ্ধান্তের কারণে কোনও রাজনৈতিক দলের কাছে তিনি অপ্রিয় হয়ে যাবেন। কিন্তু তার থেকেও অনেক বড় দায়িত্ব তাঁর উপর ন্যস্ত আছে। মুখ্যসচিব রাজ্যের আইন দফতরের সঙ্গে কথা বলছেন, কিন্তু তদন্তকারী সংস্থার সঙ্গে কথা বলছেন না। এরকম কেন হবে? প্রশ্ন তোলেন বিচারপতি বাগচী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Dev at Alipurduar: স্কুল বন্ধ করে দেবের ভোটপ্রচার! কমিশনে যাওয়ার হুঁশিয়ারি বিজেপির

    Dev at Alipurduar: স্কুল বন্ধ করে দেবের ভোটপ্রচার! কমিশনে যাওয়ার হুঁশিয়ারি বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কদিন বাদেই লোকসভা ভোট (lok sabha vote 2024), শেষ মুহূর্তে কোমর বেঁধে প্রচার চালাচ্ছেন সব দলের প্রার্থীরাই। তবে এই শাসক-বিরোধী দলের ভোটের লড়াইয়ে প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়ছে দেশের ভবিষ্যত প্রজন্মের উপর। তৃণমূল প্রার্থী দেব প্রচারে আসবেন তাই সরকারি স্কুল ছুটি! এই রাজ্যের সরকারি স্কুল এখন রাজনীতির প্রভাব থেকে মুক্ত নয়। কয়েকদিন আগে বীরভূমের এক স্কুলেই হয়েছে তৃণমূল মন্ত্রীর রাজনৈতিক সভা। এদিন ফের স্কুলে রাজনৈতিক কর্মসূচির বিষয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ কমিশনে নালিশের হুঁশিয়ারি দিয়েছে বিজেপি। ঘটনা ঘটেছে উত্তরবঙ্গের আলিপুরদুয়ারে (Dev at Alipurduar)।

    নিরাপত্তা অজুহাতে স্কুল ছুটি (Dev at Alipurduar)!

    সোমবার আলিপুরদুয়ারে (Aliporeduar) ভোট প্রচারে আসেন এবারের লোকসভা ভোটের ঘাটাল কেন্দ্রের তৃণমূলের তারকা প্রার্থী সাংসদ দীপক অধিকারী ওরফে দেব। আর দেব আসবে বলেই নিরাপত্তা অজুহাতে ছুটি দেওয়া হল স্কুল। অন্তত নোটিশে তাই উল্লেখ করেছে আলিপুরদুয়ারের জটেশ্বর উচ্চ বিদ্যালয়। স্কুলের নোটিশে (school notice) স্পষ্ট ভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, “বিদ্যালয়ের পঞ্চম থেকে দ্বাদশ শ্রেণীর সব ক্লাস চতুর্থ পিরিয়ডের পরে ছুটি হয়ে যাবে, কারণ সাংসদ শ্রী দীপক অধিকারী (Dev at Alipurduar) সোমবার দুপুর ২টো নাগাদ আকাশ পথে হেলিকপ্টারে বিদ্যালয়ের মাঠে অবতরণ করবেন। তাই নিরাপত্তার স্বার্থে স্কুল ছুটি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।”

    স্কুল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য

    বিদ্যালয়ে ছুটি দিয়ে রাজনৈতিক প্রচার কতটা যুক্তিযুক্ত সেই প্রসঙ্গে জটেশ্বর উচ্চ বিদ্যালয়ের টিচার ইন চার্চ অমিত কুমার দত্ত বলেছেন, “স্কুলের মাঠে হেলিপ্যাড হয়েছে, মাইক বাজছে। ক্লাস করাতে সমস্যা হচ্ছে। তাই ছুটি দিয়ে দেওয়া হয়েছে। এ ব্যাপারে আমি কোনও মন্তব্য করব না। যেহেতু আমাদের এখানে ব্যবস্থা হয়েছে, পরিস্থিতির সাপেক্ষে আমাকে সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে।” এবার আলিপুরদুয়ারের এই ঘটনায় আবারও বন্ধ হল পঠন-পাঠন। তবে দেব (Dev at Alipurduar) আসবে বলে নিরাপত্তা রক্ষার্থে স্কুল ছুটি দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে রাজনৈতিক মহলে। ভোটের (election) জন্য বা ভোট সংক্রান্ত কোনও কাজে কেন বারবার পঠনপাঠনে বাধা হচ্ছে সেই প্রশ্ন কিন্তু থেকেই যাচ্ছে।

    বিজেপির বক্তব্য

    তবে স্কুলের শিক্ষক মুখে কিছু না বললেও তাঁর উপর যে চাপ রয়েছে সে ব্যাপারে নিশ্চিত করেছে বিজেপি। বিজেপির আলিপুরদুয়ারের (Dev at Alipurduar) প্রার্থী মনোজ টিগ্গা এই এবিষয়ে প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, “তৃণমূলের নেতারা শিক্ষার গুরুত্ব বোঝেন না। তাই শিশুদের পড়াশুনা নিয়ে তাঁরা চিন্তিত নন। তাঁরা ভোটের জন্য যা খুশি করতে পারেন। তবে আমরা এই নিয়ে নির্বাচন কমিশনে যাবো।”

    আরও পড়ুনঃ শুরু হয়ে গেল নবরাত্রি উৎসব, জানুন এই মহাব্রতের তাৎপর্য

    তৃণমূলের বক্তব্য

    এদিকে জেলার (Dev at Alipurduar) তৃণমূলের প্রার্থী প্রকাশ চিক বরাইক বলেন, “বিষয়টি আমার জানা নেই। স্কুলে কে হেলিপ্যাড তৈরি করেছে, তা খোঁজ নিয়ে দেখবো।” আলিপুরদুয়ারের তৃণমূল প্রার্থী তথা রাজ্যসভার সদস্য আরও বলেন, “এই কেন্দ্রে বিজপির হার যে নিশ্চিত তা বুঝে গিয়েছেন তাঁরা। সে জন্যই বিষয় নিয়ে বিতর্ক তৈরি করছেন তাঁরা।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: সন্দেশখালি পুলিশ ক্যাম্পে হামলা, আক্রান্ত পুলিশ কর্মী, অভিযুক্ত তৃণমূল

    Sandeshkhali: সন্দেশখালি পুলিশ ক্যাম্পে হামলা, আক্রান্ত পুলিশ কর্মী, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের খবরের শিরোনামে উঠে এল সন্দেশখালির নাম। এবার সন্দেশখালির (Sandeshkhali) পুলিশ ক্যাম্পে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। সোমবার রাতে চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে সন্দেশখালির খুলনা গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত শীতুলিয়া পুলিশ ক্যাম্পে। ক্যাম্পের ভিতরে থাকা কনস্টেবল সন্দীপ সাহার ওপরে হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। তবে, কী কারণে এই হামলা তা পরিষ্কার নয়। এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Sandeshkhali)

    শাহজাহানের বাড়িতে তল্লাশি চালাতে গিয়ে গত ৫ জানুয়ারি আক্রান্ত হন ইডি আধিকারিকরা। তৃণমূলের হয়ে কাজ করার অভিযোগ ওঠে পুলিশের বিরুদ্ধে। আন্দোলনকারীদের সঙ্গে এনিয়ে ঝামলো হয়। এবার সেই তৃণমূলের হাতে আক্রান্ত পুলিশ। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার রাত ১টা নাগাদ সন্দেশখালির (Sandeshkhali) খুলনা গ্রাম পঞ্চায়েতের শীতুলিয়া পুলিশ ক্যাম্পে ঢুকে পড়ে বেশ কয়েকজন তৃণমূল দুষ্কৃতী। এরপর ক্যাম্পের ভিতরে থাকা কনস্টেবল সন্দীপ সাহার ওপরে হামলা চালায় তারা। লাঠি, রড দিয়ে ওই পুলিশকর্মীকে পেটানো হয় বলে অভিযোগ। এমনকী তাঁর মাথায় রড দিয়ে আঘাত করা হয় বলে অভিযোগ। এরপর পুলিশ ক্যাম্প ছেড়ে বেরিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা। অন্য পুলিশকর্মীরা সন্দীপ সাহাকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখান থেকে কলকাতায় স্থানান্তর করা হয় তাঁকে। গুরুতর আহত অবস্থায় কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, আহত পুলিশ কর্মীর অবস্থা গুরুতর। তিনি আইসিইউ-তে ভর্তি। তাঁর মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হয়েছে। যার ফলে অস্ত্রোপচার করা হবে। জানা গিয়েছে, ঘটনার পর পুলিশ তিনজনকে গ্রেফতারও করেছে। যদিও পরিবারের লোকজনের দাবি, হামলার ঘটনায় তারা কেউ জড়িত নয়। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

    স্থানীয় বাসিন্দাদের কী বক্তব্য?

    এমনিতেই সন্ধে নামতে জনবিরল হয়ে যায় সন্দেশখালির (Sandeshkhali) শীতুলিয়ার মতো এলাকা। সোমবার রাতেও সেখানে জনমানুষ ছিল না। স্থানীয়রা বাসিন্দারা বলেন, গভীর রাতে পুলিশ ক্যাম্প থেকে চিৎকার চ্যাঁচামেচি শুনতে পাই আমরা। কিন্তু, আমরা ভয়ে কেউ বাড়ি থেকে বের হইনি। সকালে পুলিশকর্মীর আহত হওয়ার ঘটনার বিষয়টি আমরা জানতে পারি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • EMU Train: শিয়ালদা শাখার সব লোকাল ট্রেন ১২ কামরার! কবে থেকে মিলবে পরিষেবা জানাল পূর্ব রেল

    EMU Train: শিয়ালদা শাখার সব লোকাল ট্রেন ১২ কামরার! কবে থেকে মিলবে পরিষেবা জানাল পূর্ব রেল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিয়ালদার সব শাখাতেই চলবে ১২ কামরার (EMU Train) লোকাল ট্রেন। জুন মাস থেকেই এই পরিষেবা মিলবে বলে মনে করছে পূর্ব রেল। মঙ্গলবার  পূর্ব রেলের তরফে জানানো হয়েছে, শিয়ালদার (Sealdah) সমস্ত শাখায় ১২ বগির লোকাল ট্রেন চালানোর জন্য যে পরিকাঠামো তৈরি করার দরকার ছিল, তা প্রায় শেষ হয়ে এসেছে। লোকসভা ভোট শেষ হওয়ার এক মাসের মধ্যেই তা সম্পূর্ণ হয়ে যাবে। তার পরেই চালু হয়ে যাবে নতুন পরিষেবা।

    কাজ চলছে জোর কদমে

    শিয়ালদা দক্ষিণ শাখার প্রায় ১২ কোচের লোকাল ট্রেন চালানো হয়। তবে শিয়ালদা মেন লাইন (EMU Train) এবং শিয়ালদা নর্থে এখনও অনেক ট্রেনে ১২টি কোচ থাকে না। শিয়ালদা-রানাঘাট এবং শিয়ালদা-বনগাঁ শাখার সব ট্রেনকে ১২ কোচে পরিণত করার জন্য প্ল্যাটফর্ম সম্প্রসারণের কাজ চলছে দ্রুত গতিতে। যাত্রীস্বাচ্ছন্দ্যের কথা ভেবে পূর্ব রেল কর্তৃপক্ষ কামরার সংখ্যা বৃদ্ধির কথা ভাবলেও তা বাস্তবায়িত করা সহজ ছিল না। কারণ, ট্রেনের কামরা বাড়লে ট্রেনের দৈর্ঘ্য বাড়বে। অথচ শিয়ালদার (Sealdah) এই দুই বিভাগের সমস্ত স্টেশন দৈর্ঘ্যে তত বড় নয়। তাই প্রথমেই পূর্ব রেল কর্তৃপক্ষ প্ল্যাটফর্মগুলির দৈর্ঘ্য বৃদ্ধির কাজ শুরু করেন। পাশাপাশি চলতে থাকে সংশ্লিষ্ট ওভারহেড তারের কাজ, সিগন্যাল এবং ইয়ার্ড লে আউটের পরিবর্তনের জন্য নন ইন্টারলকিং সংক্রান্ত নানা কাজও। পূর্ব রেলের তরফে জানানো হয়েছে, চার নম্বর প্ল্যাটফর্মের একাংশের কাজ শেষ হয়ে গিয়েছে। এক, দুই এবং তিন নম্বর প্ল্যাটফর্ম সম্প্রসারণের কাজ চলছে। চলতি মাসেই সেই কাজ শেষ হয়ে যাবে। তবে ওভারহেড তার, সিগন্যালিংয়ের জন্য নন-ইন্টারলকিংয়ের মতো কাজ সম্পূর্ণ করতে আরও মাসখানেক লাগবে। 

    আরও পড়ুন: শুরু হল হিন্দু নববর্ষ ‘বিক্রম সংবত ২০৮১’, জানেন এর তাৎপর্য?

    কবে থেকে ছাড়বে ট্রেন

    আগামী জুনের মধ্যেই সব কাজ শেষ হয়ে যাবে, বলে মনে করছে পূর্ব রেল। তার পরেই শিয়ালদহের সমস্ত বিভাগে ১২ বগির লোকাল ট্রেন চলবে। পূর্ব রেলের তরফে জানানো হয়েছে যে আগামী জুনের মধ্যে শিয়ালদা (Sealdah) মেন লাইনের এক, দুই, তিন, চার ও পাঁচ নম্বর প্ল্যাটফর্ম থেকে ১২ কোচের লোকাল ট্রেন ছাড়বে। বিষয়টি নিয়ে পূর্ব রেলওয়ের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক কৌশিক মিত্র জানিয়েছেন, শিয়ালদা মেন লাইনের প্ল্যাটফর্মের দৈর্ঘ্য বাড়িয়ে যত দ্রুত সম্ভব আরও বেশি সংখ্যক ১২ কোচের লোকাল ট্রেন চালানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। সেই কাজের জন্য মাঝেমধ্যে ট্র্যাফিক ব্লক করতে হতে পারে। ব্যাহত হতে পারে লোকাল ট্রেনের স্বাভাবিক পরিষেবা। তাতে সাময়িকভাবে যাত্রীদের কিছুটা দুর্ভোগ পোহাতে হলেও দীর্ঘমেয়াদি ক্ষেত্রে যাত্রীরাই উপকৃত হবেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: বালুরঘাটে আসছেন অমিত শাহ, প্রস্তুতি চলছে জোরকদমে, খতিয়ে দেখলেন সুকান্ত

    Amit Shah: বালুরঘাটে আসছেন অমিত শাহ, প্রস্তুতি চলছে জোরকদমে, খতিয়ে দেখলেন সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বালুরঘাট কেন্দ্রের পদ্ম প্রার্থী সুকান্ত মজুমদারের সমর্থনে আগামীকাল ১০ এপ্রিল প্রচারে আসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। ওইদিন বংশীহারির পতরাতে সভা করবেন তিনি। সকাল সাড়ে ১০টায় তাঁর সভা শুরু হবে। রবিবার থেকেই জোরকদমে সভার প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। এই সভায় ৬০ হাজার দলীয় কর্মী-সমর্থককে হাজির করানোর লক্ষ্য নিয়েছে জেলা বিজেপি নেতৃত্ব।

    প্রচারে আসছেন অমিত শাহ (Amit Shah)

    বালুরঘাট এবার রাজ্যের অন্যতম নজরকাড়া কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। এই কেন্দ্রের মূল লড়াই তৃণমূলের বিপ্লব মিত্রের সঙ্গে বিজেপির সুকান্ত মজুমদারের। বিজেপির কাছে এই আসন যেমন ধরে রাখা চ্যালেঞ্জ, তেমনই তৃণমূলের কাছে পুনরুদ্ধারের। ইতিমধ্যে নির্বাচনী প্রচার সেরে গিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। জানা যাচ্ছে, পরবর্তীতে এখানে ফের জনসভা করতে পারেন মমতা। প্রচারে পিছিয়ে থাকতে চাইছে না বিজেপিও। অমিত শাহ (Amit Shah) তো বটেই, সুকান্তর সমর্থনে প্রচারে আসার কথা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিরও।

    আরও পড়ুন: নিশীথের সভামঞ্চ ভাঙচুর করে পুড়িয়ে দিল তৃণমূল, সরব বিজেপি

    জনসভার প্রস্তুতি চলছে জোরকদমে

    মহাবাড়ি পঞ্চায়েতের জোত মৌজায় ৫১২ জাতীয় সড়কের ধারে ৫০ বিঘার গমখেতে অমিত শাহর (Amit Shah) সভার আয়োজন করা হচ্ছে। জমিতে অবশ্য এখন গম আর নেই। কেটে নেওয়া হয়েছে। রবিবার রাতেই কলকাতা থেকে বেশ কিছু লরিভর্তি প্যান্ডেলের সরঞ্জাম চলে এসেছে। সাউন্ড সিস্টেমের সমস্ত সরঞ্জামও পৌঁছে গিয়েছে। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় মূল মঞ্চের পশ্চিম দিকে ৫০০ ফুট দূরে হেলিপ্যাডের কাজ চলছে। শতাধিক শ্রমিক সভাস্থলের কাজ শুরু করে দিয়েছেন। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে,মাঠের উত্তর প্রান্তে ৩৮ ফুট বাই ২৪ ফুটের মূল মঞ্চ তৈরি হবে। সভাস্থল সহ উপস্থিত সবার জন্য অ্যালুমিনিয়ামের ফ্রেমের ওপর ছাউনি দেওয়া হবে। মূল মঞ্চের সামনে ৫০ ফুট ডি জোন রাখা হবে। ২২০ ফুট বাই ৩২০ ফুটের আচ্ছাদন বিশিষ্ট দর্শক আসনের ব্যবস্থা করা হবে। সভাস্থলে ২১ হাজার চেয়ারের বন্দোবস্ত করা হয়েছে। দুটি ক্রেন ও দুটি আর্থ মুভার দিনরাত কাজ করে চলেছে। এছাড়াও থাকছে ভিআইপি জোন এবং পার্কিংয়ের ব্যবস্থা। দূর থেকে যে কর্মী-সমর্থকরা যানবাহন নিয়ে আসবেন, তাঁদের জন্য জাতীয় সড়কের দুই প্রান্তের দুটি পেট্রোল পাম্প সংলগ্ন মাঠে পার্কিংয়ের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

     প্রস্তুতি খতিয়ে দেখলেন সুকান্ত

    জনসভার প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে সেই জায়গা পরিদর্শন করেন বিজেপি প্রার্থী তথা বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন, লোকসভা নির্বাচনের প্রচারে জেলার বুনিয়াদপুরের পতরাতে  সভা করতে আসবেন দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। আগামীকাল অমিত শাহজির জনসভায় লক্ষাধিক মানুষের সমাগম হবে বলে আশা করছেন। আমি সেই কাজ খতিয়ে দেখতে এসেছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Howrah Jute Mill: ভোটের মুখে তালা পড়ল হাওড়া জুট মিলে! বিপাকে প্রায় সাড়ে ৩ হাজার শ্রমিক

    Howrah Jute Mill: ভোটের মুখে তালা পড়ল হাওড়া জুট মিলে! বিপাকে প্রায় সাড়ে ৩ হাজার শ্রমিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটের মুখে (lok sabha vote 2024) কাজ বন্ধ শিবপুরের হাওড়া জুট মিলে (Howrah Jute Mill)। ভোটের আগে তালা পড়ায় বেকার বহু শ্রমিক। জানা গিয়েছে, কর্মহীন হয়ে বিপাকে পড়েছেন প্রায় সাড়ে ৩ হাজার কর্মচারী। আগামী ২০ মে হাওড়া সদর লোকসভা কেন্দ্রে ভোট। আর তার আগেই বন্ধ হয়ে গেল মধ্য হাওড়া বিধানসভার অন্তর্গত হাওড়া জুট মিল। এলাকার শ্রমিকেরা ঘটনায় মিলমালকের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন।

    শ্রমিকদের অভিযোগ (Howrah Jute Mill)?

    হাওড়ার এই মিলে (Howrah Jute Mill) কর্মরত শ্রমিকদের অভিযোগ, মিলের বিমিং ডিপার্টমেন্টের কর্মীদের দৈনিক মজুরি থেকে গত কয়েকদিনে এক ঘন্টার করে মজুরি কাটা হয়েছে। এর পাশাপাশি দোলের দিনের মজুরি পাওয়ার কথা থাকলেও সেটাও দেওয়া হয়নি। এর ফলে ওই ডিপার্টমেন্টের শ্রমিকেরা ১৫০০ থেকে ২০০০ টাকা কম বেতন পেয়েছেন। এই নিয়েই ওই ডিপার্টমেন্টের শ্রমিকেরা (mill workers) ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। একই সঙ্গে এর ওপর ভিত্তি করে পাওনা টাকার দাবিতে কর্মবিরতি শুরু হয় কারখানায়।

    কারখানা কর্তৃপক্ষের নির্দেশিকা

    এরপর ম্যানেজমেন্টের পক্ষ থেকে ওই বিভাগের কর্মীদের কাজে যোগদানের নির্দেশ দেওয়া হলেও তা মানতে চাননি। এরই প্রেক্ষিতে ম্যানেজমেন্টের পক্ষ থেকে একটি নতুন নির্দেশ জারি করা হয়। ঠিক তারপরেই মঙ্গলবার সকালে কর্মচারীরা কাজে যোগদান করতে এসে দেখেন মিলের (Howrah Jute Mill) গেটে নোটিশ ঝুলছে। ওই নোটিশে বলা হয়, “যতক্ষণ না পর্যন্ত বিমিং ডিপার্টমেন্টের কর্মচারীরা কাজে যোগ দিচ্ছেন ততক্ষণ ব্যাচিং, ওয়েভিং সহ অন্যান্য ডিপার্টমেন্টের শ্রমিকদের কাজ বন্ধ রাখার কথা বলা হয়েছে।”

    আরও পড়ুনঃ আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে রায়গঞ্জ কেন্দ্রে ভোটে বিশেষ চমক কী জানেন?

    মিলে চরম অচলাবস্থা

    এদিকে বিমিং ডিপার্টমেন্টে কর্মচারীদের পাওনা নিয়ে তাদের পাশে দাঁড়ান মিলের (Howrah Jute Mill) অন্য বিভাগের কর্মচারীরা। ফলে মিলের মধ্যে শুরু হয় অচলাবস্থা। এরই প্রেক্ষিতে মঙ্গলবার কর্মচারীরা মিলে এলেও কোনও উৎপাদন হয়নি। এ বিষয়ে শ্রমিকদের আরও অভিযোগ, “ওই মিলে অবসরপ্রাপ্ত শ্রমিকদের পাওনা পিএফ (PF) এর টাকা নিয়ে টালবাহানা চলছে। এছাড়াও ইএসআই (ESI)-এর টাকা তাঁরা পাচ্ছেন না। সামনে ঈদ! তার আগে মিলে কাজ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আর্থিক সমস্যায় পড়েছেন শ্রমিকেরা। তাঁরা চাইছেন দ্রুত মিলটিতে (Howrah Jute Mile) কাজ শুরু হোক।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share