Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • South 24 Parganas: গোষ্ঠী সংঘর্ষে তৃণমূলের কর্মীকে কুপিয়ে খুন! বারুইপুরে তীব্র উত্তেজনা

    South 24 Parganas: গোষ্ঠী সংঘর্ষে তৃণমূলের কর্মীকে কুপিয়ে খুন! বারুইপুরে তীব্র উত্তেজনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক যুবককে কুপিয়ে খুনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। শনিবার ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) বারুইপুর থানার অন্তর্গত বলবনা এলাকায়। নিহতের নাম সইদুল শেখ (৪০)। পুলিশের অনুমান, এলাকায় গোষ্ঠী সংঘর্ষের কারণে এই হত্যা হয়েছে। স্থানীয় মানুষের দাবি, তৃণমূলের দক্ষ সংগঠক ছিলেন তিনি। সম্প্রতি তাঁর প্রচুর সম্পত্তিও বৃদ্ধি হয়েছিল। পথের কাঁটা সরাতেই কি খুন? তৃণমূলের অবশ্য অভিযোগ, বিরোধীরা খুন করেছে। পাল্টা বিজেপি অভিযোগ অস্বীকার করে তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দলকেই হত্যার কারণ বলে দাবি করা হয়েছে। ঘটনায় এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।

    পরিবারের অভিযোগ (South 24 Parganas)

    নিহত সইদুল শেখের স্ত্রী মাজেদা বিবির অভিযোগ, “এলাকায় খেলার মাঠকে কেন্দ্র করে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে বিবাদ ছিল। সেই বিবাদের জেরেই সইদুলকে শনিবার রাতে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে লাঠি, রড দিয়ে বেধড়ক পেটানো হয়। সেই সঙ্গে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপ দেওয়া হয়। ঘটনায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে ফেলে দিয়ে পালিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা। এরপর সইদুল শেখের পরিবারের সদস্যরা রাতেই তাঁকে বারুইপুর (South 24 Parganas) মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করেন। সেখানেই রবিবার ভোরে মৃত্যু হয় তাঁর।” সেই সঙ্গে মেয়ে রোহিণী খাতুন বলেন, “মাঠে গাড়ি চালাতে গিয়েছিল বলেই প্রথমে বচসা হয়। এরপর বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে বাবাকে পিছন থেকে মাথায় কোপ দেওয়া হয়। এরপর মাটিতে ফেলে ব্যাপক মারধর করে। রাজনৈতিক শত্রুতার জেরে এবং প্রতিহিংসার কারণে বাবাকে খুন করা হয়েছে।” মৃত্যুর খবর এলাকায় পৌঁছতেই সেখানে নেমে আসে শোকের ছায়া। ঘটনার খবর পেয়ে বারুইপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে এই হত্যার তদন্ত শুরু করেছে বলে জানা গিয়েছে।

    পুলিশের বক্তব্য

    বারুইপুর (South 24 Parganas) পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এলাকার একটি মাঠ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই বিবাদ চলছিল। সেই মাঠেই নিজের গাড়ি রেখেছিল সইদুল। আর এই কারণে আইজুল, সাদ্দাম, খোকন, কালো, সাগিররা তাঁকে বেধড়ক মারধর করে। এমনকি তাঁকে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে মারার চেষ্টাও করে ওই দুষ্কৃতীরা। সেই সঙ্গে মাথায় কোপও দেওয়া হয়। এই প্রসঙ্গে পুলিশ আরও জানিয়েছে অনুমান করা হচ্ছে সইদুলের প্রতিপত্তি বাড়ছিল বিগত কয়েক বছর ধরে। সেটাই সহ্য করতে পারছিল না অভিযুক্তরা। ফলে পরিকল্পনা করে খুন করা হয়েছে তাঁকে।

    আবার স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এলাকায় দক্ষ সংগঠন তৈরি করেছিল সইদুল। তাঁর নেতৃত্বেই গত পঞ্চায়েতে এই এলাকায় বিজেপি, সিপিএম দাঁত ফোটাতে পারেনি। সেই কারণেই পরিকল্পিত ভাবে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ তৃণমূল নেতৃত্বের। এই ঘটনায় পুলিশ পাঁচজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে।

    বিজেপর বক্তব্য

    এলাকার (South 24 Parganas) বিজেপির এক নেতার বক্তব্য, “এই হত্যা এলাকার তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের প্রকাশ ছাড়া আর কিছু না। পুলিশ ঠিক করে তদন্ত করলেই সত্য উঠে আসবে। এই জেলায় যত খুন হয়েছে সব তৃণমূল নেতাদের দ্বারাই হয়েছে।”

    তৃণমূলের বক্তব্য

    এলাকার (South 24 Parganas) তৃণমূল নেতা গৌতম দাস বলেন, “পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিজেপি-সিপিএম হারার পর থেকেই সইদুলকে টার্গেট করা হচ্ছিল। মাঠের মধ্যে নিয়ে গিয়ে কুপিয়ে খুন করা হইয়েছে। আমরা হত্যার বিচার চাই”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: ‘ললিত-সৌরভের পিছনে মমতা-অভিষেকের হাত!’ তোপ দাগলেন সুকান্ত

    Sukanta Majumdar: ‘ললিত-সৌরভের পিছনে মমতা-অভিষেকের হাত!’ তোপ দাগলেন সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংসদে আক্রমণকারী ললিত ঝা প্রসঙ্গে সুকান্ত মজুমদার বললেন, “সংসদ হামলায় অভিযুক্ত ললিত ঝা, সৌরভ চক্রবর্তী সহ আরও অনেকের পিছনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত রয়েছে। সেই সঙ্গে ভাইপো অভিষেকের হাতও থাকতে পারে। তদন্ত হলেই বেরিয়ে আসবে আসল তথ্য। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এর দায় এড়াতে পারবেন না।”

    অত্যাধুনিক এলএইচবি কোচ সংযুক্ত বালুরঘাট-শিয়ালদা নতুন ট্রেনের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আগামী ২৪ ডিসেম্বর কলকাতায় ভার্চুয়াল এই ট্রেনের উদ্বোধন করবেন তিনি। রবিবার বালুরঘাটে কেন্দ্র সরকারের একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এসে জেলাবাসীর জন্য এমনই সুখবর শোনালেন বালুরঘাটের সাংসদ তথা বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। পাশাপাশি দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার দৌলতপুর রেল স্টেশনের উন্নতির জন্য সাহায্যের আশ্বাসও দিয়েছেন তিনি।

    গীতাপাঠের সঙ্গে উদ্বোধন ট্রেন

    আগামী গীতাপাঠের অনুষ্ঠানে যোগদান করতে কলকাতায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। অপর দিকে তিনি কলকাতায় এলে ভার্চুয়ালি এই ট্রেনের শুভ উদ্বোধন করবেন। প্রধানমন্ত্রীর হাত ধরে এই ট্রেনের যাত্রা শুরু হবে বলে সাংসদ সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) জানান। দেশের বিকাশ যাত্রায় এই ট্রেনও একটি বড় মাধ্যম হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন। 

    কী বললেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)?

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন (Sukanta Majumdar),“সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী ২৪ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রী বালুরঘাট শিয়ালদহ ট্রেনের ভার্চুয়ালি শুভ উদ্বোধন করবেন। এই ট্রেনের প্রতিটি কোচ অত্যাধুনিক হবে। এলএইচবি কোচ হবে সবগুলি। যা আরও বেশি সুরক্ষিত। ফলে দীর্ঘদিনের চাহিদা পূরণ হবে বালুরঘাট তথা সমগ্র জেলাবাসীর।”

    বিভিন্ন ইস্যুতে সরব সুকান্ত

    ডায়মন্ড হারবার জেলা পুলিশ জেলাকে সেরা তকমা পাওয়া নিয়ে সুকান্ত মজুমদার বলেন (Sukanta Majumdar), “ডায়মন্ড হারবার পুলিশের কাছে সেরার সেরা তো হবেই। ভাইপোর পদ লেহন করার জন্য এক্সপার্ট পুলিশ। তাঁদের জিভ ১ ফিট পর্যন্ত বের করা থাকে। ডায়মন্ড হারবারের পুলিশকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তো বাহবা দেবেনই। বাড়ির মালিক যা বলেন চাকর তাতে তো প্রশংসা দেবেনই; এটাই তো স্বাভাবিক।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “ভোট লুট, অগণতান্ত্রিক কার্যকলাপে সেরা অভিষেকের ডায়মন্ড হারবার” কটাক্ষ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “ভোট লুট, অগণতান্ত্রিক কার্যকলাপে সেরা অভিষেকের ডায়মন্ড হারবার” কটাক্ষ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের লোকসভা কেন্দ্র হল ডায়মন্ড হারবার। এবার এই জেলাকে এই বছর ডায়মন্ড হারবার জেলা পুলিশ ‘সুরক্ষিত পুলিশ জেলা’ বলে ঘোষণা করছে। অভিষেক নিজের এক্স হ্যান্ডেলে এই ঘোষণাকে বিনিময় করে অভিনন্দন জানিয়েছেন। কার্যত এই বিষয়কে নিয়ে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) তীব্র কটক্ষ করেছেন। তিনি বলেছেন, “ভোট লুট, অগণতান্ত্রিক কার্যকলাপে সেরা অভিষেকের ডায়মন্ড হারবার”।

    কী বলেছেন অভিষেক?

    তৃণমূলের ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, “এটা খুব খুশির খবর, আমি অত্যন্ত আনন্দিত। ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলাকে ২০২২ সালের জন্য সেরা সুরক্ষিত জেলা হিসেবে নির্বাচিত করেছে। এই সাফল্য আমাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা। প্রত্যেক ব্যক্তির জন্য বিশাল প্রশংসা, যাঁরা এটিকে সম্ভব করেছেন। এই সম্মান আমার জেলার জন্য অত্যন্ত সুখবর।” এই বক্তব্যকেই তীব্র সমালোচনা করেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)।

    শুভেন্দুর পালটা বক্তব্য (Suvendu Adhikari)

    রাজ্যের পুলিশ প্রশাসন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সাম্পাদকের কথায় তাঁর সংসদীয় ক্ষেত্রকে শিরোনাম করতে চেয়েছেন বলে নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি নিজের এক্স হ্যান্ডেলে পাল্টা লেখেন, “কারও রাজত্বকে শীর্ষ স্থানে দেখানোর প্রচেষ্টা অত্যন্ত নিন্দনীয়। পুলিশের এই আচরণে আমি অত্যন্ত বিস্মিত। কার্যত পুরস্কারের নামে এখানে বিষয়কে ছোট করা হয়েছে। এর যাথার্থ নামকরণ করা উচিত ছিল বিরোধিতা দমনের জন্য সেরা জেলা ডায়মন্ড হারবার। অগণতান্ত্রিক কার্যকলাপ, ভোট লুট এবং সেরা বেআইনি কার্যকলাপের জেলা হল এই অভিষেকের লোকসভা কেন্দ্র ডায়মন্ড হারবার।”

    পুলিশ প্রশাসন প্রত্যেক বছর ঘোষণা করে থাকে

    রাজ্য পুলিশের পক্ষ থেকে প্রত্যেক বছর এই ধরনের একটি ঘোষণা করা হয়ে থাকে। ২০২২ সালের জন্য পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে ডায়মন্ড হারবারকে নির্বাচন করা হয়েছে। পুলিশের তরফ থেকে বলা হয়, এই জেলায় অপরাধ প্রবণতা অনেকটাই কম। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার দিক থেকে অনেকটাই সুরক্ষিত।

    বিজেপির অবশ্য দাবি, কার্যত ভাইপোকে মডেল করতে পুলিশ এই কাজ করেছে। গত বিধানসভা, পঞ্চায়েত নির্বাচনে সাধারণ মানুষের জনজীবন সবথেকে বেশি বিপন্ন হয়েছে এই জেলায়। বোমা বিস্ফোরণ, গোষ্ঠী সংঘর্ষ, হত্যা, ধর্ষণ এবং অনুপ্রবেশের সমস্যা সব থেকে বেশি এই জেলায় হয়েছে। শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) আগেও বারবার সংবাদ মাধ্যমের কাছে এই নিয়ে সরব হয়েছেন। তাই লোকসভার ভোটের আগে পুলিশকে ব্যবহার করে ভাইপো নিজের ছবিটা বদলাতে চাইছেন। ঠিক এমনটাই মনে করছেন রাজনীতির একাংশের মানুষ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • WB Advocate General: মমতা জমানায় ১২ বছরে ৬ এজি, ফের দায়িত্বে ইস্তফা দেওয়া কিশোর দত্ত

    WB Advocate General: মমতা জমানায় ১২ বছরে ৬ এজি, ফের দায়িত্বে ইস্তফা দেওয়া কিশোর দত্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মমতা জমানায় ১২ বছরে ৬ এজি (WB Advocate General), ফের দায়িত্বে ইস্তফা দেওয়া কিশোর দত্ত। শনিবারই এজি হিসেবে কিশোর দত্তকে আনুষ্ঠানিকভাবে নিয়োগ করে রাজ্য। তাঁর নামে সিলমোহর দেয় রাজভবন। জানা গিয়েছে, শনাবার রাজ্যপালের সঙ্গে দেখাও করেছেন কিশোর দত্ত। প্রসঙ্গত, কিশোর দত্ত এর আগেও এজি পদ সামলেছেন। ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে তিনি নিজের ইস্তফাপত্র দেন রাজ্যপালকে। বিধানসভা ভোটের পরে রাজ্যজুড়ে লাগামছাড়া হিংসা ছড়ায় শাসক দলের মদতে। এই ঘটনায় একের পর এক মামলায় ভর্ৎসিত হতে থাকে রাজ্য। ঠিক এই কারণেই সেসময় ইস্তফা দেন কিশোর দত্ত।

    কিশোর দত্তের পরে দায়িত্বে আসা সৌমেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়ও ইস্তফা দেন

    কিশোর দত্তের পরে দায়িত্বে (WB Advocate General) নিয়ে আসা হয় সৌমেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়কে। তিনিও ইস্তফা দেন চলতি বছরের নভেম্বর মাসের প্রথমেই। ইস্তফার পরে রাজ্যের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার কথাই বলেন সৌমেন্দ্রনাথবাবু। এখানেই উঠছে প্রশ্ন। বারবার কেন পদত্যাগ করতে বাধ্য হচ্ছেন রাজ্যের এজির? তথ্য বলছে ক্ষমতায় আসার পর থেকে মমতা সরকার ৬ বার বদল করেছে আইজি। দেশের কোনও রাজ্যে এমন নজির রয়েছে কিনা, তা মনে করতে পারছেন না বিশেষজ্ঞরাও। ক্ষমতায় আসার পরেই মমতা সরকার এজি (WB Advocate General) পদে নিয়োগ করে অনিন্দ্য মিত্রকে। তাঁর মেয়াদকাল ২৪ মে ২০১১- ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৩। তারপর এজি পদে নিয়োগ পান যথাক্রমে, বিমল চট্টোপাধ্যায় (২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ – ১৬ ডিসেম্বর ২০১৪), জয়ন্ত মিত্র (১৬ ডিসেম্বর ২০১৪- ৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭), কিশোর দত্ত (৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭- ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২১), সৌমেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় (১৪ সেপ্টেম্বর ২০২১ – ১০ নভেম্বর ২০২৩), কিশোর দত্ত (১৬ ডিসেম্বর ২০২৩)।

    বদল হয়েছে রাজ্যের পিপি পদেও

    প্রসঙ্গত, গত ৭ নভেম্বর রাজ্যের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় শাশ্বতগোপাল মুখোপাধ্যায়কে। তাঁর জায়গায় আসেন হন দেবাশিস রায়। তার পর থেকেই এজি (WB Advocate General) পদে বদল নিয়ে জল্পনা শুরু হয়। সেই আবহেই সৌমেন্দ্রনাথ ইস্তফা দেন। তাঁর ইস্তফার পরে ফের দায়িত্বে এলেন কিশোর দত্ত।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Asansol: ন্যাশনাল তাইকোন্ডো প্রতিযোগিতায় বাংলার বিরাট সাফল্য, রুপোর পদক জয় তিন যমজ বোনের

    Asansol: ন্যাশনাল তাইকোন্ডো প্রতিযোগিতায় বাংলার বিরাট সাফল্য, রুপোর পদক জয় তিন যমজ বোনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাইকোন্ডো ন্যাশনাল চ্যাম্পিয়নশিপে রুপোর পদক ছিনিয়ে নিয়ে এল একসঙ্গে তিন যমজ বোন। তারা হল সুচেতা চট্টোপাধ্যায়, রঞ্জিতা চট্টোপাধ্যায় ও সুপ্রীতা চট্টোপাধ্যায়। আসানসোল (Asansol) কুলটির বাসিন্দা এই তিন বোন। ডিসেরগড় এসডি হাই স্কুলের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী তারা। উত্তরাখণ্ডের দেরাদুন থেকে রাজ্যের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করে এই পুরস্কার জিতেছে বাংলার তিন কন্যা। এছাড়াও পৃথক ইভেন্টে এরা আলাদা করে একক ও যুগ্মভাবে ব্রোঞ্জ পদক জয়ী হয়েছে। গত বছরও তিন বোন রাজস্থানের কোটা থেকে রাজ্যের হয়ে ব্রোঞ্জ পদক ছিনিয়ে নিয়ে এসেছিল।

    কোথায় প্রশিক্ষণ (Asansol)?

    কুলটির (Asansol) ডিসেরগড়ের বাসিন্দা পেশায় গৃহশিক্ষক বাবা বামাপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায় (রূপম ) ও তাঁর স্ত্রী সুনেত্রা চট্টোপাধ্যায় উদ্যোগ নিয়ে তাঁদের তিন কন্যাকে চার বছর আগেই আসানসোলে তাইকোন্ডো প্রশিক্ষণ দেওয়া শুরু করেন। প্রশিক্ষক ছিলেন শুভ গঙ্গোপাধ্যায়। এর আগে রাজ্যস্তরের প্রতিযোগিতায় এই তিন বোন স্বর্ণপদক জয়লাভ করেছিল হাওড়া থেকে। তারপরে তাদের ন্যাশনাল চ্যাম্পিয়নশিপে পাঠানো হয়। গত ১ থেকে ৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেরাদুনে ছিল ষষ্ঠতম ন্যাশনাল কেডেট ইউরোজি এবং পুমাসে ছিল তাইকোন্ডো চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৩-২৪ প্রতিযোগিতা। আয়োজক ছিল তাইকোন্ডো ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়া। উল্লেখ্য, এই সংস্থা অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের আওতায় রয়েছে। ওই তিন ছাত্রীর বাবা-মা জানিয়েছেন, আগামী দিনে সুচেতা, রঞ্জিতা ও সুপ্রীতার লক্ষ্য ইন্টারন্যাশনাল চ্যাম্পিয়নশিপে যাওয়া এবং পুরস্কার নিয়ে আসা।

    পরিবারের বক্তব্য

    মেয়েদের সাফল্যে বাবা বামাপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায় (Asansol) বলেন, “এই সাফল্যের প্রধান কারণ হল মেয়েরা খুব অনুশাসনের মধ্যে থাকত। সকালে দুই ঘণ্টা এবং বিকেলে দুই ঘণ্টা করে নিয়মিত প্রশিক্ষণ নিত। নিজেরাই নিজেদের অভ্যাস চালিয়ে যেত। ওদের কোচ শুভ গাঙ্গুলি বিশেষভাবে সাহায্য করেছেন। অত্যন্ত নিয়মের মধ্যে দিয়ে তারা থাকত। এমনকী চকোলেট পর্যন্ত খেত না ওরা। খেলার সাফল্যের দিকে লক্ষ্য নিয়ে অত্যন্ত সচেতন ছিল ওরা। ওদের অতিরিক্ত চাহিদার বিষয় তেমনভাবে চোখে পড়েনি।” একই ভাবে মা সুনেত্রা চট্টোপাধ্যায় বলেন, “এই জয় সকলের। আমি চাই আগামী দিনে ওরা দেশের নাম আরও উজ্জ্বল করুক।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • BIRBHUM: তৃণমূল নেতাকে ১১ লক্ষ টাকা দিয়েও মেলেনি চাকরি! প্রতারিত ব্যক্তি কী বললেন?

    BIRBHUM: তৃণমূল নেতাকে ১১ লক্ষ টাকা দিয়েও মেলেনি চাকরি! প্রতারিত ব্যক্তি কী বললেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে রাজ্যজুড়ে তোলপাড় চলছে। প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় সহ অনেকে এখন জেলে রয়েছেন। পুর নিয়োগেও ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে। দুর্নীতির অভিযোগে অনেকে এখন জেলের ঘাঁটি টানছেন। এরইমধ্যে অনুব্রত মণ্ডলের জেলা বীরভূমের (Birbhum) সাঁইথিয়া এক তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে চাকরি দেওয়ার নামে করে ১১ লক্ষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি জানাজানি হতেই ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Birbhum)

    বীরভূমের (Birbhum) সাঁইথিয়ার দেবব্রত ঘোষ নামে এক ব্যক্তিকে চাকরি দেওয়ার নামে টাকা নেওয়ার অভিযোগ ওঠে তৃণমূল নেতা আসাদুর জামানের বিরুদ্ধে। তিনি বীরভূমের সাঁইথিয়ার মাঠপলশা পঞ্চায়েতের সদ্য প্রাক্তন অঞ্চল সভাপতি। চাকরি না পেয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন প্রতারিত ব্যক্তি। দেবব্রতবাবু বলেন, আমাকে স্বাস্থ্য ভবনে চাকরি পাইয়ে দেবেন বলেছিলেন ওই তৃণমূল নেতা। অনেকের সঙ্গে চেনা রয়েছে। টাকা দিলেই চাকরি পাওয়া যাবে। শাসক দলের নেতা বলে আমি ওর কথায় বিশ্বাস করেছিলাম। এরপরই তৃণমূল নেতার এক মিডলম্যানকে ৬ লক্ষ এবং অন্য মিডলম্যানকে ৫ লক্ষ টাকা দিয়েছি। কিন্তু, অতগুলো টাকা দেওয়ার পর আর আমি চাকরি পাইনি। বহুবার টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য বলেছি। মাত্র পঞ্চাশ হাজার টাকা ফেরত দিয়েছে। আর টাকা দেয়নি। তারপর বাকিটা চাইলেই বলছে যা পারো করে নাও। যদিও, এই বিষয়ে অভিযুক্তদের কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

    প্রতারণা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    বিজেপির বীরভূম (Birbhum) সাংগঠনিক জেলার বিজেপির সভাপতি ধ্রুব সাহা  বলেন, তৃণমূল মানেই জালি দল। সেই দলের নেতা তো চিটিংবাজ হবেই। এটা স্বাভাবিক। আমরা অভিযুক্তের গ্রেফতারের দাবি জানাচ্ছি। অন্যদিকে তৃণমূলের জেলা সহসভাপতি মলয় মুখোপাধ্যায় বলেন, বিষয়টি শুনেছি। ব্লক সভাপতি অভিযোগের সত্যতা খতিয়ে দেখছেন। যদি সত্যিই এমন ঘটনা ঘটে, দল ব্যবস্থা নেবে। পাশে দাঁড়াবে না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Shantiniketan: পৌষমেলার প্লট বুকিংয়ে ফি বাড়ানো হল চারগুণ! ক্ষুব্ধ ব্যবসায়ীরা

    Shantiniketan: পৌষমেলার প্লট বুকিংয়ে ফি বাড়ানো হল চারগুণ! ক্ষুব্ধ ব্যবসায়ীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শান্তিনিকেতনে (Shantiniketan)পৌষমেলার প্লট বুকিংয়ের টাকা চারগুণ বাড়িয়ে দেওয়ায় বাড়ছে ক্ষোভ। শনিবার থেকে শুরু হল পৌষমেলার প্লট বুকিং। প্রথম দিনেই ক্ষুব্ধ ব্যবসায়ীরা। তাদের অভিযোগ, রেট চার্ট প্রকাশ না করেই চার গুণ টাকা বৃদ্ধি করে প্লট দেওয়া হচ্ছে। শান্তিনিকেতন ট্রাস্ট জানায়, মেলার প্লট বুকিংয়ের ফি বৃদ্ধি নিয়ে কোনও আলোচনাই বৈঠকে হয়নি। সব মিলিয়ে পৌষমেলার প্লট বুকিং নিয়ে চরম বিশৃঙ্খলা।

    প্লট বুকিংয়ের ফি বৃদ্ধি নিয়ে ক্ষুব্ধ ব্যবসায়ীরা (Shantiniketan)

    ২০১৯ সালে শেষবার শান্তিনিকেতনের (Shantiniketan) পূর্বপল্লির মাঠে ঐতিহ্যবাহী পৌষমেলা হয়েছিল। তৎকালীন বিশ্বভারতীর উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী মেলা বন্ধ করে দিয়েছিলেন। যা নিয়ে ক্ষোভ ছিল বোলপুর-শান্তিনিকেতনবাসীর। নতুন উপাচার্য দায়িত্ব নেওয়ার পর পৌষমেলা করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন। তবে, সময় কম থাকায় দায়িত্ব নিয়ে মেলা করার সিদ্ধান্ত থেকে পিছিয়ে আসে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ। ফলে, এবারও পৌষমেলা হওয়া প্রায় অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল। বহু টালবাহানার পর এবার পূর্বপল্লির মাঠে হচ্ছে পৌষমেলা। তবে,এই পৌষমেলার আয়োজক বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ ও মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতিষ্ঠিত শান্তিনিকেতন ট্রাস্ট নয়। এই মেলার আয়োজক প্রশাসন। আর প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্লট বুকিংয়ে রেট বাড়়িয়ে দেওয়ায় ব্যবসায়ীদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে। ব্যবসায়ীদের বক্তব্য, এদিন থেকে পৌষমেলার স্টলের জন্য প্লট বুকিং শুরু হয়। কিন্তু, ব্যবসায়ীদের অভিযোগ কোন রকম রেট চার্ট প্রকাশ না করেই প্লট বুকিং হচ্ছে। আর প্লট বুকিংয়ের জন্য ৪ গুণ ফি বৃদ্ধি করা হয়েছে। অর্থাৎ, ২০১৯ সালে প্রতি স্কোয়ার ফুট প্লট ২৫ টাকা ছিল। এবার ১০০ টাকা করা হয়েছে। চারগুণ ফি কী করে বৃদ্ধি করা হল তা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো দরকার।

    জেলা পরিষদের সভাধিপতি কী সাফাই দিলেন?

    বীরভূম জেলা পরিষদের সভাধিপতি কাজল শেখ বলেন, মানুষ খুব উৎসাহিত প্লট বুকিংয়ের জন্য। কোনও ক্ষোভ-বিক্ষোভ নেই। আর ফি বৃদ্ধি করা হয়নি। ২০১৯ সালের রেট বহাল রাখা হয়েছে। যারা ফি বাড়ানো হয়েছে বলে অভিযোগ করছে তা ঠিক নয়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: ‘চোরেরা সব ভিতরে ঢুকবে’, তৃণমূলকে তোপ সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: ‘চোরেরা সব ভিতরে ঢুকবে’, তৃণমূলকে তোপ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলায় নারী সুরক্ষা নিয়ে রাজ্য সরকারকে তোপ দাগলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। শনিবার বালুরঘাটে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে সুকান্ত বলেন, বাংলার নারী সুরক্ষা কোথায় গেছে সেইটা আপনি আমি সবাই জানি। দিল্লিতে যে রিপোর্ট পাঠাতে হয় সেখানে মুখমন্ত্রী লিখবেন পশ্চিমবাংলায় একটাও ধর্ষণ হয়নি। এইবার যেমন লিখে পাঠিয়েছেন বাংলাতে একটিও নাকি রাজনৈতিক হিংসার ঘটনা ঘটেনি, কত বড় মিথ্যে কথা। এতো বড় মিথ্যে কথা যে কেউ বলতে পারেন তা আমাদের ধারণার বাইরে ছিল।  পঞ্চায়েত নির্বাচনে রাজনৈতিক হিংসার বলি হয়েছেন ৪০ জন। এমনকী তৃণমূলের লোক মারা গিয়েছেন, সেইটা পর্যন্ত মুখমন্ত্রী স্বীকার করছেন না।

    ১০০ দিনের প্রকল্প নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে তোপ সুকান্তর (Sukanta Majumdar)

    সাংসদ সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, ১০০ দিনের কাজ নিয়ে রাজ্যে ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে। সরকারি কর্মীও ১০০ দিনের কাজের প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত বলে অভিযোগ উঠছে। সেই জন্য কেন্দ্র সরকার অডিট রিপোর্ট দেওয়ার কথা বলছে। যারা দুর্নীতি করেছেন তাঁদের বিরুদ্ধে এফআইআর করুন, তাঁদেরকে গ্রেফতার করার ব্যাবস্থা করুন। আবার টাকা চালু হয়ে যাবে, তা মুখমন্ত্রী করছেন না। এই চোরেদের প্রতি মুখ্যমন্ত্রী কী মোহো আছে তা বুজতে পারছি না। উচ্চ মাধ্যমিকে সিলেবাস পরিবর্তন নিয়ে সুকান্ত মজুমদার বলেন, দেখুন কী উদ্দেশ্যে এখন সিলেবাস পরিবর্তন হচ্ছে। উদ্দেশ্য ভালো হলে ভালো। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জীবনী পড়ানোর জন্য যদি সিলেবাস পরিবর্তন হয় তাহলে ভাবতে হবে।

    আরও পড়ুন: গাজোল-হিলি রাস্তা সম্প্রসারণ নিয়ে সংসদে পরিবহণ মন্ত্রীর দ্বারস্থ সুকান্ত

    প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক মুখ্যমন্ত্রীর, কটাক্ষ সুকান্তর

    আগামী বুধবার দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক রয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর। এই নিয়ে সুকান্ত মজুমদার বলেন,,মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী যাচ্ছেন বকেয়া চাইতে, না পা ধরতে তা তিনি জানেন। পা ধরুন বা হাত ধরুন লাভ কিছুই হবে না। চোরেরা ভেতরে ঢুকবে। পাশাপাশি এদিন হিলি ও বালুরঘাটে দুটি পোস্ট অফিস উদ্বোধন করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। বালুরঘাট হেড পোস্ট অফিসে শ্রমিক সংগঠনের ঘরও উদ্বোধন করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: পাহাড়ে ঘুরতে গিয়ে গাড়ি চালকদের জুলুমবাজিতে নাজেহাল পর্যটকরা, কী করছে রাজ্য সরকার?

    Siliguri: পাহাড়ে ঘুরতে গিয়ে গাড়ি চালকদের জুলুমবাজিতে নাজেহাল পর্যটকরা, কী করছে রাজ্য সরকার?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রিপেইড বুথ আছে, কিন্তু গাড়ি নেই। শিলিগুড়িতে (Siliguri) গাড়ির মালিকরা নিজেদের মর্জি মতো ভাড়া হাঁকছেন। ফলে, এনজেপি স্টেশনে ট্রেন থেকে নেমে গাড়ি ভাড়া নিয়ে নাজেহাল হচ্ছেন পর্যটকরা। ট্রেন থেকে স্টেশনে নামা মাত্রই যাত্রীদের হাত ধরে টানাটানি করছেন দালালরা। সঠিক ভাড়ায় দার্জিলিং, সিকিম বা ডুয়ার্স  ঘুরতে যাওয়ার জন্য প্রিপেইড বুথে গাড়ির খোঁজ করতে গিয়ে হতাশ হচ্ছেন পর্যটকরা। কেননা এনজেপি স্টেশনে প্রিপেইড বুথে কোনও গাড়ি নেই। বাধ্য অনেক বেশি টাকায় গাড়ি ভাড়া করতে হচ্ছন পর্যটকরা।

      জুলুমবাজি নিয়ে কী সাফাই দিল পুলিশ প্রশাসন? (Siliguri)

    এনজেপি স্টেশনে এক হাজারেরও বেশি প্রাইভেট ট্যাক্সি রয়েছে। কিন্তু, গাড়ির মালিকরা প্রিপেইড বুথে গাড়ি দিচ্ছেন না। শিলিগুড়ির (Siliguri) প্রিপেইড বুথের দায়িত্বে থাকা এনজেপি  ট্রাফিক পুলিশের এক আধিকারিক বলেন, ২০০৮ সালের পর রাজ্য সরকার ভাড়ার তালিকা সংশোধন করেনি। সরকারের নির্ধারিত সেই পুরানো ভাড়ায় কেউ গাড়ি দিচ্ছে না। এক্ষেত্রে আমাদেরও করার কিছু নেই। গোটা বিষয়টি রাজ্য সরকারের পরিবহণ দফতরের।  ২০০৮ সালের যে ভাড়ার তালিকা রয়েছে তাতে, এনজেপি থেকে দার্জিলিঙ পৌঁছে দেওয়ার জন্য ছোট গাড়ির ভাড়া ১৪৬০ টাকা, বড় গাড়ি ১৭৬০ টাকা। মিরিক হয়ে গেলে ভাড়া রয়েছে ১৯০০ টাকা। গ্যাংটক ২১০০ টাকা।

     গাড়ি চালকদের ভাড়ার জুলুমবাজিতে বিরক্ত পর্যটকরা  

    রাজ্য সরকার নতুন ভাড়া ঠিক না করে দেওয়ায় গাড়ির মালিকরা মর্জি মতো ভাড়া নিচ্ছেন। শিলিগুড়ি (Siliguri) থেকে  দার্জিলিং যেতে চার হাজার, গ্যাংটক বা সিকিমের অন্যান্য জায়গায় ছ’হাজার টাকা, কখনও তারও বেশি ভাড়া হাঁকছেন গাড়ি চালকরা। হাবড়ার গোবিন্দ দাস এনজেপি স্টেশনে নেমে গাড়ি ভাড়া নিয়ে এই জুলুমবাজিতে ক্ষোভে ফেটে পড়েন। একইভাবে হয়রান হন দার্জিলিঙ ঘুরতে আসা বেলুড়ের সৌমেন জানা ও তাঁর তিন বন্ধু। তাঁরা বলেন, এনজেপির মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ স্টেশন, যেখানে সারা বছর দেশ বিদেশের পর্যটকরা আসেন, সেখানে গাড়ি ভাড়া নিয়ে এধরনের জুলুমবাজি মেনে নেওয়া যায় না। প্রকাশ্যে গাড়ির ভাড়ার তালিকা টাঙানো দরকার।

    গাড়ির চালকরা কী বলছেন?

    এনজেপি জাতীয়তাবাদী টুরিস্ট ট্যাক্সি ড্রাইভার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি উদয় সাহা বলেন, ২০০৮ সালের সরকার নির্ধারিত এই ভাড়ায় এখন গাড়ি চালানো সম্ভব নয়। ২০০৮ সালের পর তেলের দাম অনেকবার বেড়েছে। তার সঙ্গে রয়েছে ড্রাইভারের খরচ। এছাড়া গাড়ির ট্যাক্স, ফিটনেস ও আনুষঙ্গিক অন্যান্য খরচও বেড়েছে। রাজ্য সরকার ভাড়ার তালিকা সংশোধন করলে এধরনের অভিযোগ কেউ করবে না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Howrah: তৃণমূলের প্রতীকে কুপন ছাপিয়ে চলছে তোলাবাজি, জেলাজুড়ে শোরগোল

    Howrah: তৃণমূলের প্রতীকে কুপন ছাপিয়ে চলছে তোলাবাজি, জেলাজুড়ে শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের বিরুদ্ধে বার বারই কাটমানি, তোলাবাজির অভিযোগ করে বিরোধীরা। সেই অভিযোগ যে সত্যি তার প্রমাণ মিলল এবার হাওড়ার (Howrah) শ্যামপুরে। রক্তদান শিবিরের নামে চলছে তোলাবাজি। ব্যবসায়ীদের থেকে বেশি টাকা নিয়ে ৫০ টাকার রসিদ দেওয়ার হচ্ছে। তৃণমূলের প্রতীক কুপন ছাপিয়ে অবাধে চলছে তোলাবাজি। যা নিয়ে জেলাজুড়ে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

    ভালোবেসে দিচ্ছে, চাঁদা কেটে দিচ্ছি, সাফাই আয়োজক তৃণমূল নেতার (Howrah)  

    ১ জানুয়ারি হাওড়ার শ্যামপুর বাছরী অঞ্চল যুব তৃণমূলের উদ্যোগে এলাকায় স্বেচ্ছায় রক্তদান শিবির হওয়ার কথা রয়েছে। রক্তদান করলেই রক্তদাতাদের এই শীতে কম্বল দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। শিবিরের মুখ্য আয়োজক তৃণমূলের যুব অঞ্চল সভাপতি রেজুয়ান আলি খান ও যুব অঞ্চল সম্পাদক সাগর দে চাঁদা তোলার বিষয়টি মেনে নিয়েছেন। তাঁদের বক্তব্য, রক্তদান একটি সামাজিক কাজ। কিন্তু এর জন্য অনেক খরচ। মানুষই ভালবেসে টাকা দিচ্ছেন। আমরা চাঁদা কেটে দিচ্ছি। তোলাবাজির কোনও বিষয় নেই।

    তৃণমূলের তোলাবাজি, সরব এলাকাবাসী

    স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, নিজেদের দলের রক্তদান শিবির। তারজন্য সাধারণ মানুষের কাছে কেন চাঁদা নেওয়া হচ্ছে। সিপিএম একসময় কৌট নাচিয়ে তোলাবাজি করত। এই দলের অবস্থাও এরকম হবে। আসলে রক্তদানকে সামনে রেখে তৃণমূল নেতারা এলাকা থেকে মোটা টাকা তুলছে। এক ব্যবসায়ী বলেন, ১০০ টাকা চাঁদা নিয়ে ৫০ টাকার রসিদ দেওয়া হচ্ছে। শাসক দলের লোকজন রক্তদান শিবির করছে। ফলে, কিছু বলার নেই।

     তৃণমূল নেতৃত্ব কী বললেন?

    হাওড়া (Howrah) গ্রামীণের তৃণমূলের চেয়ারম্যান তথা উদয়নারায়ণপুরের বিধায়ক সমীর পাঁজা বলেন, দলীয় প্রতীক ব্যবহার করে কোনও চাঁদা তোলা যায় না। এটা কেন হচ্ছে, জানি না। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখব। সাধারণ মানুষের থেকে কোনও টাকা নেওয়া যাবে না। হাওড়া গ্রামীণ জেলা যুব তৃণমূলের সভাপতি দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ও বলেন, রক্তদান সামাজিক কাজ। এটা আমাদের কর্তব্যের মধ্যে পড়ে। এখানে কুপন কেটে চাঁদা তোলা ঠিক নয়।

    রক্তদান শিবিরে তোলাবাজি নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    হাওড়ার  শ্যামপুরের কংগ্রেস নেতা আতিয়ার রহমান বলেন, দলটাই দুর্নীতিতে ভরা। রক্তদান শিবিরের মতো সামাজিক কাজ করতেও তোলাবাজি করছে। এর থেকে লজ্জার আর কিছুই নেই। শ্যামপুরের বিজেপি নেতা কৌশিক চক্রবর্তী বলেন, তৃণমূলের রাজত্বে তোলাবাজিও এখন একটা বড় শিল্প। আসলে সামনে লোকসভা ভোটের জন্য তৃণমূল এভাবেই  ধীরে ধীরে টাকা তুলছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share